সদর দরজা

আশরাফ মাহমুদ-এর ব্লগ

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বাবা

বাবার কোনো স্মৃতি নেই আমার। ছোট্ট বাচ্চাদের খেলনা রোবট কিংবা বহুমুখী ট্যাবলেট থাকে, আমার সেইসব-ও ছিলো না, আমি বড় হয়েছি কেবল সংখ্যার শূন্যতার ভেতরে, শ্রোডিঙ্গারের বেড়ালের অস্তিত্ব-অনস্তিত্বকে সঙ্গী করে! মা আমাকে খুব সূক্ষ্মভাবে পরিচালিত করে বড় করেছে, আমি এখন ভেবে ভেবে বের করতে পারি।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

গান: সকল বিস্ময় রয়েছে জমা

[Poets of the Fall এর Lift গানটি থেকে অনুপ্রাণিত বা ছায়াবলম্বনে]

কখনো কখনো আমার না বলা কথাগুলো
মৃত প্রজাপতির মতো অক্ষম পড়ে রবে
ভয় জেগে ওঠে ভয় জেগে ওঠে অকারণ
যেনো যা-ই বলবো ঢের কৃত্রিম শোনাবে


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

দুই

বয়ঃসন্ধি

তার-ও আছে শরৎচিঠি ফড়িংরঙ খুব


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এই দূরত্ব, আমাদের এই দূরত্ব

ঠিক এই মুহুর্তে আমাদের মধ্যকার দূরত্ব অনেকটাই ছয় ফিট। গেলো কয়েক বছর ধরে আমাদের মধ্যে যে দূরত্ব তার তুলনায় এই ছয়-ফিট দূরত্ব ঢের কম, তবুও এই দূরত্ব ঠাণ্ডা, আর্দ্রময় পার্থিব।

তোমাকে মিস করি আমি।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

রৌদ্রস্নানের মানবিক দৃশ্যপট


আমাদের সূর্য এখন প্রায় মাঝবয়েসী নারীর মতন, মনিকা বেলুচ্চির মতন সূর্য আমাদের এই প্রপঞ্চ শীতে আন্তরিক রোদ নিয়ে আসে, আমরা সেই রোদের পানে সাইকেলআরোহী বালকদের মতন উষ্ণ কাতরতা নিয়ে চেয়ে থাকি। আমাদের সূর্যের বয়েস এখন প্রায় ৪.৫ বিলিয়ন, তাকে পাড়ি দিয়ে হবে কম বেশি আরো এতগুলো বছর, অর্থাৎ সূর্যের বয়েসকাল আনুমানিক দশ বিলিয়ন বছর। কিন্তু বয়েসের শেষসীমায় পৌঁছে সূর্য আর মাঝবয়েসী নারীর মতন আকাঙ্ক্ষার হবে না, সে বদমেজাজি অত্যাচারি প্রাচীন জমিদারদের মতো লাল হয়ে যাবে, লাল দানবে পরিণত হবে।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ঈশ্বর নামের অমানুষ

একটি বাতাস চুষে নিয়ে বুকে করি বর্তমান ক্ষয়
একটি বাতাস তার এলো চুলে দুপুরের অবক্ষয়
পাললিক পাহাড়ের আস্তিনে হেঁটেছি, ছুঁয়েছি পাথরের মাংস
আমাদের প্রকৃত সময় আমরা এখনো যা দেখি নি তার তৃষ্ণা!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

নীরবতা ভেঙে গেলে

নীরবতা ভেঙে গেলে
বৈশাখের এই অবিন্যস্ত মধ্যদুপুরে ঝিলিক মেরে ওঠে রোদউদভ্রান্তি,
কিছু হাওয়া চূর্ণ করে বুকপকেটে জমে যায় নীলতিমিদের সমুদ্রপ্রথা;
ধূসর পাহাড়যাত্রীদের তীর্থঅনুভব।
সায়ানোব্যাকটেরিয়া রঙা নীলবইগুলোর প্রথমপাতা থেকে উঁকি দেয়
বেদনাচিহ্ন, কারো চুলের সিঁথির মতো টানটান হরফেরা চেয়ে থাকে,
নিঃসঙ্গ কচ্ছপের অনিয়ন্ত্রিত জলটান।

দূরের বিমর্ষ ব্যালকনি আরামচেয়ার
ওকসবুজ আকুলতায় নুয়ে পড়ে কিছুটা;


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অনুবাদ: লিওনার্ড ম্লোডিনো এবং স্টিফেন হকিঙের The Grand Design - ১

মূল বই: The Grand Design (মহিমান্বিত নকশা)
মূল লেখক: লিওনার্ড ম্লোডিনো এবং স্টিফেন হকিং
=============================

প্রথম অধ্যায়: অস্তিত্বরহস্য (The Mystery of Being)

================================


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

গান: আমি জানলায় কুয়াশার রঙে নদী এঁকেছি ভেবে তোমায়


মাঝে মাঝে ব্যথা দিতে আসো বেশ ভালো পাই
রোদের অসুখে কার ছায়া ঘনিয়েছে এই সন্ধ্যেবেলায়
মাঝে মাঝে কান্না রোপন করতে আসো যেনো
স্বাগত জানাবো কষ্টের কার্তুজ নিয়ে এলে-ও অবেলায়
তুমি যেমনিচ্ছে আসো রাতের কার্নিভালে

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

জমে উঠেছে বিষাদ

পেন্সিল এবং কীবোর্ডে জমে উঠেছে বিষাদ


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

জলছড়া


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কিশোরতোষ গল্প: আকাশছোঁয়া

মূল গল্পকার: মাইক রাথ (Mike Krath)
মূল শিরোনাম: High and Lifted Up
http://www.eastoftheweb.com/short-stories/UBooks/HighLift.shtml#top


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমি ক্ষয় দিয়ে লিখেছি উষাকুঁদ পৃথিবী

আজকে কেউ একজন বাড়ি থেকে পালিয়ে যাবে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

গান ও সংগীত: কেবা জানে মন খারাপের এইসব দুপুর মানে

কিছুদিন পূর্বে চতুরে একটি গান পোস্ট করেছিলাম। খুঁজে পেয়ে চেয়ে নিয়ে সুর দিয়েছেন রাহিন হায়দার। আমার লিরিকে তিনি আগে-ও একটি গান করেছিলেন 'অহঙ লেগে


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ছড়া: টাট্টুস ছড়া লিখতে গিয়ে

ছড়া: টাট্টুস ছড়া লিখতে গিয়ে
===============================

তিনি কাতুরে বললেন, 'একটি টাট্টুস ছড়া লেখো'
টাট্টুস ছড়া লিখতে গিয়ে পেন্সিল বাট্টুস হয়ে গেলো
এখন কী উপায় করি! 'কলমে জল ভরে দেখো!'


প্রিয় চতুর