ব্যক্তিগত তথ্যাদি
- বাংলায় নাম
- একুয়া রেজিয়া
- নিজের সম্পর্কে
একটা গাছ যত পুরনো হতে থাকে তার শেকড় ততই মাটির গভীরে প্রবেশ করতে থাকে। এক সময় হঠাৎ করে একদিন ঐ গাছটা উপড়ে ফেলা খুব কঠিন হয়ে পড়ে। আমার কাছে মানুষকেও অনেকটা গাছের মত বলে মনে হয়। সে দিনের পর দিন যেখানে থাকে সেখানে ক্রমশ তার ডালপালা ছড়িয়ে দিতে থাকে। বিদায় জিনিসটা আমার কাছে বরাবরই অপছন্দের একটি জিনিস। একটি গাছকে শেকড়শুদ্ধ উপড়ে ফেলার মত অনেকটা।
- আপনার পূর্ববর্তী কোন ব্লগ থাকলে তা উল্লেখ করুন
সামু।
ব্লগার পরিসংখ্যান
- লেখক আমাদের সাইটে ব্লগিং করছেন
- ১ বছর ৪৫ সপ্তাহ
- ব্লগ
- নতুন লেখাগুলো দেখুন
Messages
একুয়া, বাড়ীতে আছ? তোমার পোষ্ট-এ কমেন্ট এর জবাবে কিছু বলবেনা ?
গতকাল থেকে শরীরটা বেশি ভাল নেই। এক বন্ধুর মা কে দেখতে দীর্ঘক্ষন হাসপাতালে ছিলাম। বাসায় আসার পরে নিজেই অসুস্থ হয়ে গিয়েছে। জ্বরভাব, মাথাব্যথা, ঠান্ডা-গলাব্যথা।আর সামু আর চতুরে অনেক অনেক মন্তব্য জমে আছে। একটু সুস্থবোধ করলেই রিপ্লাই দিব মামা। দোয়া করেন।
শুভ দুপুর-
10.05.2012 - 05:31একুয়া আপু তাড়াতাড়ি ভালো হয়ে উঠুন!!
10.05.2012 - 11:09অন্তরে বাহিরে হেরিনু তোমারে
লোকে লোকে লোকান্তরে...”---রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
রবি ঠাকুরের ১৫১তম জন্মবার্ষিকীতে তাঁর জন্যে শুভেচ্ছা ও বিনম্র শ্রদ্ধা...শ্রদ্ধা।
08.05.2012 - 04:12শ্রদ্ধা !
08.05.2012 - 05:13বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি।
08.05.2012 - 05:19প্রথম পাতায় শালা-উদ্দিন সাহেবের "চিটাগং রাজ্য" নামক জ্ঞানী পোষ্টটায় হজ্ঞলে রিপোর্ট করেন। মডুরা যেন তারে চতুর থেকে টাটা দিয়া দেয়।
মামারা কি ঘুম?
06.05.2012 - 08:13কুনাই গেল??? আমিতো কিছুই খুইজ্জা পাইনা।
06.05.2012 - 08:15

06.05.2012 - 08:45পেপারে পড়েছিলাম ফুলার রোডের ব্রিটিশ কাউন্সিলের সামনের কৃষ্ণচূড়া গাছে নাকি হলুদ কৃষ্ণচূড়া ফুল ফুটেছে। আজ অনেক খুঁজেও তো হলদে কৃষ্ণচূড়া পেলাম না। তবুও আজকাল পথে নামলেই আমার মন ভাল হয়ে যায়। কারণ ঢাকা এখন প্রিয় ফুলের শহর-- ঢাকা এখন কৃষ্ণচূড়ার শহর----
Show all 9 commentshuu.
03.05.2012 - 09:59
03.05.2012 - 10:02হুম, নগরী সেজেছে কৃষ্ণচূড়ার রঙে। প্রচন্ড দাবদাহের মাঝেও নয়নাভিরাম শীতল পরশ একটুখানি।

কৃষ্ণচূড়াময় শুভেচ্ছা।

03.05.2012 - 11:57হুম দারুণ।
আমার চোখের সামনে একটা কৃষ্ণচূড়া গাছ। অসাধারণ রূপে সেজেছে। আমার যা মনে হয় আমার মত এতটা মুগ্ধতা নিয়ে এই গাছকে কেউই দেখেনি।
গত পরশু দুপুরে হটাত দেখলাম বিদ্যুৎ অফিসের কিছু লোক এসে গাছটার পুরো অর্ধেক ঢাল ছাটাই করে দিল।
দেখে মনটা খুব খারাপ হয়ে গেল।
শুধু চোখে চেয়ে দেখলাম কি দারুণ সতেজ তরতাজা কিছু ফুল মিইয়ে রাস্তার সাথে মিশে গেল।
03.05.2012 - 12:08@নয়ন ভাই ও মানিক ভাই থ্যাঙ্কুউউউউউউউউউ
@করিম ভাই, মন খারাপ হওয়ার মত ব্যাপার
03.05.2012 - 13:28কাউন্সিল কই? বিটিস কই? আপ্নে কই? আপ্নে কি দিনে দিনে আল-বিটিস হওনের ধান্দায় আছেন নাকি?
03.05.2012 - 17:18সেদিন কৃষ্ণচূড়ার ছবি তুলেছি, এখানে দিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু ক্যাম্নে দিতে হয় বুঝতে পারছি না।
04.05.2012 - 00:59ফেসবুকে দিন ভাইয়া

04.05.2012 - 02:52আমিও জানিনা এখানে কীভাবে ছবি দেয়

04.05.2012 - 02:52ছুটির দিনের সকাল কেটে গেলো চতুরের লেখা পড়তে পড়তে। অনেকেই দেখি বেশ নিয়মিত লেখা দিচ্ছে। তাদের জন্যে হিংসা হিংসা
আমি তো একটা লেখা দিয়েই বহুদিনের জন্যে তব্দা খেয়ে যাই 
পিসির সামনে বসে থাকতে থাকতেই বেলা গড়িয়েছে। জানালার পাশে ক্লান্ত কাক ডেকে ডেকে মাথা ধরিয়ে দিয়েছে। তাই মুড চাঙ্গা করতে এখন খাবো কাসুন্দি দিয়ে কাঁচা আমের ভর্তা।
Show all 8 commentsকাঁচা আমের ভর্তা সম্পর্কে শুনিয়াছি যে, ইহা জিলাপির সাথে মাখিয়ে মাখিয়ে খাইতে বেশ ভাল লাগে। টেস্টাইতে পারেন।:P
27.04.2012 - 03:46@হালিম মামা, জিলাপি কিনি দিয়ে যান। আপ্নারে পিলিজ লাগে

27.04.2012 - 04:04চতুরের সবাইকে একুয়া মামা ডাকতে শুরু করলো যে!! ব্যাপার কী?
27.04.2012 - 05:58কাকতাল না ফাঁকতাল জানি না, আমার বাড়িতে দেখতাছি প্যাঁচে প্যাঁচে রসময় জিলাপির বন্যা বয়ে যাইতেছে! দাওয়াত লও। আমটা না হয় সাথেই লইয়া আইসো। মুহাহাঃ
27.04.2012 - 06:04একুয়া মামারে চতুরের জাতীয় মামা ঘোষণা করা হইলো, হুদা ভাই।

27.04.2012 - 06:06@হুদা ভাই, সবাইকে না তো মামা হালিম বিখ্যাত তাই হালিম ভাইকে মামা ডেকেছি, আর সাদাকালো৯২ মামার মাঝে মামা মামাভাব আছে মনে হয়েছে তাই মামা বলেছি

27.04.2012 - 14:27তা'হলে দেখা যাচ্ছে চতুরে তোমার দুইজন মামা! এই মামারা কী তোমার মামার বাড়ির আবদার রাখবে?
27.04.2012 - 22:10কেন রাখবেনা......অবশ্যই রাখবে!
02.05.2012 - 07:35কেমন আছো??
Show all 8 commentsভাল আছি। তুমি কেমন আছ?

18.04.2012 - 00:37Ami eikhane ektu nak golai.. Aqua apa, apnare oidin deksilam, dak disilam, shunennai may be. Pore ami nijei chintay porlam!
18.04.2012 - 00:40কবে কোথায়?

18.04.2012 - 12:56Pohela boishakher raat a, 9.15 pm er shomoy may be. Apni rickshaw-y chhilen.
18.04.2012 - 13:34আমাকে কোথাও দেখেন নাই ???
দুঃখজনক
19.04.2012 - 00:32pohela boishakhe sei somoy khalar basay dawate chilam. noyon vai kemne dekhlen?

20.04.2012 - 04:24@ধূরো, পহেলা বৈশাখ কেমন কাটালে?

20.04.2012 - 04:25jai hok, dawat sheshe bashay kivabe gechhen? rickshaw-te?
20.04.2012 - 08:03চুপি চুপি রোদ, উঁচু নিচু মেঘ, সারি সারি গাড়ি দূরে দূরে বাড়ি. . .
নিভু নিভু আলো, চুপচাপ সব, কনকনে শীত
ছমছমে ভয়. . . .
সংলাপ সব পড়ে থাক, বৃষ্টিতে মন ভিজে যাক
ভালোবাসা মেঘ হয়ে যাক। এই গানটা মাথায় ঘুরছে বারবার-Show all 6 commentsকনকনে শীতের দিনেও বৃষ্টির জন্য আকুলি-বিকুলি! ধন্য মেয়েরে বাবা!!
17.04.2012 - 10:02কেমন আছেন ভাইয়া

17.04.2012 - 13:41আমার অনেক পছন্দের একটা গান।

18.04.2012 - 00:14আমারো

18.04.2012 - 13:02আপু অসাধারণ গান। শুনে ফেললাম এখনি।
19.04.2012 - 12:01গুড

20.04.2012 - 04:26একুয়া রেজিয়া, শুভ নববর্ষ ! নতুন বছর অনেক অনেক আনন্দ আর শান্তি নিয়ে আসুক।
শুভ নববর্ষ। নতুন বছরটা অনেক ভাল কাটুক। শুভকামনা

15.04.2012 - 14:03“আকাশ ভারী মুখ করেছে,
কাঁদবে তোমার জন্য
মাটির সাথে মিশবে বলে,
বৃষ্টি হবে বন্য”আকাশে এত্তসব ঘুমি মেঘ দেখে মন উদাসের ইমো হবে ♥
Show all 6 comments
বর্ণিল রঙের ছটায় রাঙানো, ঝলমলে প্রোপিকটা দারুণ লাগিতেছে।
10.04.2012 - 07:48প্রোপিকটা দারুণ লাগছে!
10.04.2012 - 08:48হুম ভিজলাম নিজের অজান্তে।
10.04.2012 - 09:55মানিক ভাই ও আচার্যদাকে ধন্যবাদ।
আমি রঙিন প্রজাপতি--
করিম ভাই- নিজের অজান্তে ভিজলে মানে?
10.04.2012 - 12:58বাহ্, সে তো অনেক ভালো।

রঙের ছটায় রাঙুক ভুবন; অটুট থাক আমরণ।
10.04.2012 - 13:46
10.04.2012 - 16:07



পোষ্ট দেইখা আমার মাথা ছানা ভরা। সবাই মাগনা পোষ্ট পইড়া যাইতেছে গা। কেউ টেকা পয়সার নামও মুখে নিতেছে না। সব বিল আপ্নের নামে পাডান হইব। আজিব।
একুয়া পোষ্ট শেয়ার করার জন্য কৃতজ্ঞতা। খুব ইচ্ছে ছিল, এই বয়সের ছেলে-মেয়েরা পড়ুক-জানুক।
পদ্ম, এই বয়সের ছোটখাট একটা সার্কেল আছে আমারই আশে পাশে। আমি কিন্তু তেমন কিছুই করি নাই। আমার মত করে দুইটা জায়গায় শেয়ার দিসি কেবল। লেখাটা তার নিজ গুনে হু হু কইরা ছড়াইতেসে। আলহামদুলিল্লাহ্। আমি প্রতিবার পোষ্টে গিয়া লাইক আর পঠিত সংখ্যা দেখতেসি। আপ্নে পার্টি দিবেন নইলে কিন্তুক মানপো না

আহ! নিশ্চিন্ত হইলাম। আমি ভাব্লাম টেকা টুকা না আবার সব মাইর যায়। যেহেতু সব আপ্নের চিন-পরিচিত তাইলে টেকা না দিয়া আর যায় কই। না দিলে ত আপ্নে ত আছেনই, পুরাই ঘেচাং!
আপ্নে আর ভাল হইলেন না বুঝছেন। এমুন কিপ্টার কিপটা ছে ছে-