আচার্য-এর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

১.
ঝরাপাতা উর্ধে হেরি
বসি বকুল তলে
ডাকি কহে প্রস্ফুটিত
বকুল ফুলদলে
"মুগ্ধ সবে করিতেছ
এমন মধুর ঘ্রাণ!"
বকুল কহে "খানিক পরেই
যাইবে আমার প্রাণ।"
২.
দিনে রাতে ছুটে চলা
যারে পাশে চাই
সে প্রিয় বন্ধু মোর
আয় কাছে আয়।
৩.
বাহিরে বহিছে দেখো প্রভাতের মৃদু-মন্দ বায়
শিশিরবিন্দুগুলি ঝিলিক দিতেছে বসি ঘাস গালিচায়।
৪.
তোমায় ভালবেসে আমি করেছি কী ভুল?
ঘর ছাড়লাম তোমার সাথে
হাতটি রেখে তোমার হাতে
বিনিদ্র রই দিনে-রাতে
অথৈ সাগর মাঝে খুঁজে পাই না যে দিশ-কূল!
৫.
বর্ষাকালে বান আসবেই ভাসিয়ে দেবে সব
বসন্তে ফুল ফুটবে পাখি করবে কলরব
আঁধার যত গভীর হবে দিনটা তত কাছে
দুঃখকে জয় করার জানি শক্তি তোমার আছে।
৬.
লিখি কীসব ছাই-ভষ্ম!
ডিম্ব যেন পাড়ে অশ্ব
মোটেও নয় দুর্ধর্ষ
জাগে নাকো মনে হর্ষ
আমার লেখা পড়ে।
বিলাতে চাই পরমানন্দ
কি আর করি কপাল মন্দ
বুঝি না যে তাল-ছন্দ
চিনি নাতো মূল ও কন্দ
চোখেতে জল ঝরে!
মন্তব্য
আহা!
সুখপাঠ্য!
২নং টা খুব ভাল লাগল।
কিছু বানান একটু দেখে নেবেন।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ।
কিছু বানান ঠিক করেছি। আর ভুল থাকলে শুধরে দেবেন প্লীজ।
অশ্ম> অশ্ব
উর্ধে> উর্ধ্বে
শিশিরবিন্দুগলি> শিশিরবিন্দুগুলি
'ভস্ম' টা বোধহয় ভষ্ম হবে।
নতুন শব্দ ডাক্তারের আগমনীতে আমি প্রীত.....
লেখকের মন্তব্য
উপাধিটা কিন্তু দারুণ হয়েছে, দাদা!
অসাধারণ কবি।
লেখকের মন্তব্য
আমার লেখা পড়েছেন এবং মন্তব্য করেছেন সেজন্য অশেষ ধন্যবাদ।
ছন্দবদ্ধ কবিতা বরাবরই ভালো লাগে ।
ভালো থাকবেন কবি ।
লেখকের মন্তব্য
ভাল লাগায় প্রীত হলাম।
কবি সম্বোধনে সম্মানিত বোধ করছি।(যদিও তার যোগ্য নই)
লেখকের মন্তব্য
ভালো লেগেছে।
লেখকের মন্তব্য
অসংখ্য ধন্যবাদ পাঠ এবং মন্তব্যের জন্য। আমার পাতায় আসছেন দেখে সত্যিই ভালো লাগছে!
কী অদ্ভুত!
শুরুতেই ঝরাপাতাকে ঝড়া পাতা বললেন কেন?
ডিম্ব যেন পারে অশ্ব > পাড়ে
চোখেতে জল ঝড়ে! > ঝরে।
তবু ছড়া পড়ে মজা পেলাম। ছড়াকার হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেয়ে যাবেন তো!
শুভেচ্ছা আচার্য ভাই।
লেখকের মন্তব্য
কি লজ্জা! কি লজ্জা! এতগুলো ভুল বানান আর আপনি বলছেন ছড়াকার হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাবো! উপহাস করলেন নাতো?
ভুল শুধরে দেওয়ার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ।
উপহাস? আরে না! উৎসাহ দিতে কী আর বাধা আছে কোন!
লেখকের মন্তব্য
যাক, ছড়াকার হতে পারি আর নাই পারি উৎসাহ পেয়ে তো কৃথার্ত হচ্ছি!
আমি ভাই মুগ্ধ!
লেখকের মন্তব্য
আপনাদের মত মানুষের মুগ্ধতা আমার পাথেয়। আমার পাতায় আপনাকে পেলে সত্যিই ভালো লাগে।
বাহিরে বহিছে দেখো প্রভাতের মৃদু-মন্দ বায়
শিশিরবিন্দু গুলি ঝিলিক দিতেছে বসি ঘাস গালিচায়।
বাহ্ মন ভেজানো কাব্য !
তবে এটাকে অসম্পূর্ন মনে হলো ।
লেখকের মন্তব্য
এখানে সবগুলোই অসম্পূর্ণ। পরে এগুলোকে পূর্ণতা দেওয়ার ইচ্ছা আছে।
পাঠের জন্য কৃতজ্ঞতা।
মুগ্ধ।
লেখকের মন্তব্য
ছোট্ট একটি শব্দে কী অকল্পনীয় ভাব প্রকাশ!
আমি ধন্য।
প্রথমটা খুব ভালো লেগেছে।
লেখকের মন্তব্য
ভাল লেগেছে জেনে প্রীত হলাম ভূমি ভাই।
প্রথমটাতো এক্কেবারে ক্লাসিক জিনিস। ভাললাগা।
লেখকের মন্তব্য
ভাল লেগেছে জেনে আমার খুব ভালো লাগছে। সাথে থাকবেন আশা করছি।
ঘুরে গেলাম।
লেখকের মন্তব্য
আমি তাতেই খুশী। ভবিষ্যতেও এরকম ঘুরে যাবেন আশা করছি।
অনাবগুন্ঠনের খন্ডিতায় বিশ্ব কি সব সময় দু’পয়সায় বিক্রয় হয়?
চমৎকার লিখেছেন প্রিয় দাদা। শুভ সকাল।
লেখকের মন্তব্য
কি কঠিন কঠিন কথা বলেন! মাথামুন্ডু কিছুই বুঝি না!
আমার জন্য একটু সহজ কিছু কি বলা যায়না?
শেষের লাইনটা বুঝতে পেরেছি। তার জন্য ধন্যবাদ।
লেখকের মন্তব্য
অঙ্ক'দা এই লাইনটা একটু বুঝিয়ে দেন না প্লীজ!
প্রাচীন কাঠামো ছাড়তেই হবে।
এইটা তো পুরাই রবি যুগের ভাবে আচ্ছন্ন।
লেখকের মন্তব্য
আমি যে আর কিছু পারি না! আমি কি করব?
আচার্য, আপনার কানে ছন্দ আছে, এটাই বড় কথা! জুলিয়ান ভাই কথাটা কিন্তু ভালো বলেছেন। এ যুগের ভাষায়ও তো আপনি চমৎকার লেখেন। আপনি কিভাবে লেখেন, জানি না। একজন ছড়াকারকে চিনি, অক্ষর গুনে গুনে লেখেন। কি পরিশ্রম! কানে ছন্দ থাকলে মনে হয় এই কষ্টটা আর করার দরকার হয় না! - আপনার প্রতিভা আছে, একান্ত কামনা আপনি অনেক দূর যাবেন! আমরা আপনার শুরুর সঙ্গে জড়িয়ে রইলাম - এটাই আমাদের পাওয়া! (এখন যদি শুনি আপনার লেখা বই বাজারে আছে, তা হ'লে 'ধরণী দ্বিধা হও' এর ইমো হবে!)
লেখকের মন্তব্য
হ্যাঁ, জুলিয়ান ভাই সদুপদেশ দিয়েছেন সেটা আমি বুঝেছি। কিন্তু ঐ ধরনের ভাষা ও ছন্দ আমার খুব ভালো লাগে, লাস্যময়ী তরুণীর হেলেদুলে চলার ভঙ্গির মত মনে হয়।
আমি অক্ষর গুনে গুনে লিখতে পারি না। ছন্দ মিলিয়ে লেখার চেষ্টা করি। অক্ষর গুনে লিখতে পারলে তো সনেট লেখারই চেষ্টা করতাম!
প্রতিভা আছে কিনা জানি না। তবে এখানেই আমার লেখার হাতেখড়ি নয়। অনেক আগে থেকেই কিছু কিছু লিখতাম। সেটা কোথাও প্রকাশ করার সাহস হয়নি, খাতার পাতাতেই সযতনে লুকিয়ে রাখতাম। এই ব্লগেই আমার লেখা প্রকাশের হাতেখড়ি বলা যায়। আর বই! ওরে বাবা! অত সাহস এখনও সঞ্চয় হয়নি বুকে। প্রতিটা লেখা ব্লগে প্রকাশ করার সময়ই কেমন লজ্জা লজ্জা লাগে। মনে হয় আমার মত এমন আবর্জনা আর কেউ বোধয় পোস্ট করে না! তারপরও সাহস করে পোস্ট করে ফেলি এই ভরসায় যে এই ব্লগে অন্ততঃ কিছু লোক তো আমার লেখা পড়ে উৎসাহ দিয়ে যাবেন নিরন্তর।
মন্তব্য করুন