আচার্য-এর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি


জীবনের প্রয়োজনে যাযাবর হয়ে যাওয়া
কাছে থাকা দুষ্কর আপনের
মনের মুকুরে প্রিয়-মুখ উঁকি দেয়, বুঝি
কষ্টটা একা দিন যাপনের।
নিত্যদিনের কাজ শেষ করে অবসরে
যতটুকু ফুরসত মিলে যায়
ক্ষণিকের তরে সব সুখময় স্মৃতিগুলি
সমস্ত আমিটাকে গিলে খায়।
উচাটন মন নিয়ে কাজ হয় এলোমেলো
ছুটি নিয়ে তাই আসা ঘরেতে
দেবদূত সম মম ছোট শিশু পেল যেন
স্বর্গটা বহুদিন পরেতে।
সুমধুর বাবা ডাকে আবেশে ভরায় মন
চোখের আড়াল হওয়া মহাদায়
ঘুমের মাঝেও সে ক্ষণে ক্ষণে ছুঁয়ে মোরে
আমি আছি নিশ্চিত হতে চায়।
সুখের সময়টুকু চলে যায় তাড়াতাড়ি
ছুটির ঐ দিনগুলি হয় শেষ
বিদায় জানিয়ে সবে কাজে যোগ দিতে হয়
শিশুটিকে ছাড়ি মনে নিয়ে ক্লেশ।
কাজের মাঝেও সারাদিন ধরে তার কথা
উঁকি দিয়ে যায় মনে বারবার
করুণ চাহনি তার, ভেবে চোখে জল আসে,
ক্ষণ এসেছিল যবে ছাড়বার।
তার পাশে ঘুমাতাম সেই ভ্রমে ভোরবেলা
পাশে আমি চেয়ে দেখি শূন্য,
বরষার মেঘে যেন আকাশটা ঢেকে যায়
মন হয় বেদনায় পূর্ণ!
মন্তব্য
আগে ইটা। পরে কথা।
লেখকের মন্তব্য
ঈমা ভাইয়ের বোঙ্গাবোঙ্গা'র কথা ভুলে গেছেন মনে হয়।
ভাই আমি ঈমা ভায়ের অই আইনে নাই।
অই আইন শুধু মাত্র নয়ন ভ্রাতার জন্য।
লেখকের মন্তব্য
আপনি কি ভাই মন্ত্রী-মিনিস্টার গেলেন্নি! আমি তো জানি তারাই কেবল সকল আইনের উর্ধ্বে।
নারে ভাই আমরা হইলাম নিরীহ পাঠক। আজীবন চেষ্টা করেও বাঁচাল শ্রেষ্ঠ হইতে পারুম না।
তাই একটু আইনের বাইরে থেকে বাড়তি সুবিধা নিতে চাই। এই আর কি।
লেখকের মন্তব্য
ক্যান বাচালশ্রেষ্ঠ হইতে পারবেন না? ঐ পদটা কি নয়ন ভাই কিন্যা নিছেন নাকি? চেষ্টা করলে আপনিও ঠিক পারবেন।
চেষ্টায় কি না হয়!
করিম ভাই, আমাকে পাশে পাবেন সর্বদা।
ওই আইন আমার জন্যেও না, কারণ, ইটা টিটা আমি কম রাখি, আমি কেবল ইতিহাসের অংশ হই।
অসাধারণ দাদা।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ ভ্রাত।
আপনি কিন্তু নতুন বছরে আমার প্রথম লেখায় প্রথম মন্তব্য করে আমার ব্যক্তিগত ইতিহাসের অংশ হয়ে গেলেন।
ইতিহাসের অংশ। বাহ শান্তি শান্তি লাগছে।
শিট!
আমি আমার পোস্টে একটা কমেন্টের বিশাল রিপ্লাই দিচ্ছিলাম, এই সুযোগে করিম ভাই ইতিহাসের অংশ হয়ে গেলো????????
বাহ এই প্রথম নয়ন ভ্রাতা কে

লেখকের মন্তব্য
শিট!

হায় হায় রে আমারে পথে বসাইলো রে! নয়ন ভায়া আমার এই বছরের প্রথম পোস্টে এইসব কি ফেলাইয়া গেল রে! আমি শ্যাষ! ঘরের দরজায় এই জিনিষ দেইখা আর কি কেউ আমার ঘরে ঢুকবো।
শিট!!!
শেষমেশ এইট জুটল ?
লেখকের মন্তব্য
দেখলেন্নি জামি ভাই, নয়ন ভায়া কি কামটা করলো! আমি হের পুস্টে কত বিশিষ্ট বিশিষ্ট কমেন্টু করি আর হেই কিনা আমার ঘরে আইসা ঐ দুর্গন্ধযুক্ত জিনিষটা ফালাইয়া গেল! এর একটা বিহীত কর্তেই অপে নাইলে কইলাম খেলমু না হ।
হ করতে হবে। কি করবেন করেন, আমিও আছি।
লেখকের মন্তব্য
জামি ভাই, আমি কেম্নে কি করি? আপনারাই এর একটা বিহীত কইরা দেন। আর একটা জিনিষ লক্ষ্য করছেন? নয়ন ভায়া কিন্তু উধাও হইয়া গেছেন।
আমি উধাও হইনাই, সব দেখতাসি কইলাম!

লেখকের মন্তব্য
কীসব আজে বাজে জিনিষ ফেলাইয়া ঠিকই তো উধাও হইয়া গেসিলেন। এখন আবার কোইথ্যেকা উদয় হইলেন!
আমি কিছুই ফেলিনি কয়ে দিচ্ছি!
লেখকের মন্তব্য
সক্কলে দেখসে আপনি কি ফেলাইসেন। উঁ.................হ আবার অখন কয় আমি কিছুই ফেলিনি।
ভাই এটা কিসের গন্ধ?
সুন্দর সুন্দর সুন্দর।
লেখকের মন্তব্য
ধইন্না ধইন্না ধইন্না।
আচার্যদাকে পথে বসাইলো কে ?
লেখকের মন্তব্য
ঐ নয়ন ভায়া আমারে পথে বসাইছে। ঘরে যখন নিতে পারছি না আসেন আমার সাথে পথেই বইসা পড়েন। (তবে ভাই ছবির লোকটা দেখতে কোনভাবেই আমার মত না)
আম্নার চাঁন বদন দেখতে মুঞ্চায়....
লেখকের মন্তব্য
আমার বদন খান মোটেই চাঁদের মতন না, মানুষের মতন। তয় চান্দে যেমন ঘাস নাই তেমনি আমার চান্দিতেও তার আকাল পড়ছে।
খালি দুইডা বোতল নিয়া বইসেন ক্যান?
লেখকের মন্তব্য
খালি বইলাই তো পথে বসছি!
ভালই লাগলো
লেখকের মন্তব্য
অসংখ্য ধন্যবাদ।
কবিতা না কমেন্ট প্যাচাপেছি!
লেখকের মন্তব্য
উদরাজী ভাই কবিতা তো সবার ভাল লাগে না। তাই এখানে কমেন্ট নিয়েই প্যাঁচপেছি হোক, ক্ষতি কী?
লেখকের মন্তব্য
প্রথমবারের মত ৩০০মন্তব্যের মাইলফলক স্পর্শ করলাম (ব্যক্তিগত রেকর্ড)
বিগত ৭ দিনের বাচালশ্রেষ্ঠ
নয়ন ( ৫৩৮)
ফজলে হাসান জামি ( ৩১২)
অদ্ভুত আচার্য ( ৩০০)
সাহাদাত উদরাজী ( ২৮৬)
ঈশান মাহমুদ ( ২৩৩)
তন্ময় ( ২১০)
কাগজের নৌকা ( ১৫৮)
কনগ্রেটস ভাই।
৩০০ র পাশাপাশি আপনি কিন্তু ৩য় ও হয়েছেন।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ জামি ভাই।
আপনাকে শুভেচ্ছা।
(মনে মনে ব্যাপক 'ঈর্ষা'
)।
লেখকের মন্তব্য
ঈমা ভাইকে ধন্যবাদ। (ইর্ষা করা ভাল নয়
)
আর মাত্র একটি হার্ডলস! তারপরই ছুঁয়ে ফেলবেন শীর্ষ আসনটা পাকাপোক্ত করা নয়নটাকে! ইয়াহুহুহুহুহু
লেখকের মন্তব্য
শীর্ষ আসন! দেখা যাক কতদূর যাওয়া যায়।
ভাই কি অদ্ভূত থেকে ভূতে উন্নীত হয়েছেন নাকি?


অদ্ভূতটা বাদ গেলো যে?
লেখকের মন্তব্য
হ্যাঁ তাই। অদ্ভুত'টা ভূত হয়ে উড়ে গেছে।
দাদা, ছোট হয়ে গেলেন যে!!
লেখকের মন্তব্য
আপনারাই আমাকে ছোট করেছেন।
আচার্যদার অদ্ভূত কেন ভূত হয়ে উড়ে গেল, সেটা ব্যাপক বিচার্য বিষয় !

সহমত পোষণ করছি।
লেখকের মন্তব্য
বেশি ভেবে লাভ নাই। আপনারা আমাকে যেভাবে আচার্য, আচার্য'দা ইত্যাদি সম্বোধনে সম্বোধিত করছেন তাতে চিন্তা করলাম আর অদ্ভুত থেকে লাভ নাই, শুধু আচার্য হয়ে যাই।
অদ্ভূত দা ভালো আছেন? ভাই আপ্নিতো অদ্ভূতদা তাইনা? আচার্যটা আবার কে?

লেখকের মন্তব্য
আমি ভাল আছি। না না আমি অদ্ভুত না, আমি আচার্য।

আমি ফান করছি না, আমি সিম্পলি জানতে চাচ্ছি, এটা কীভাবে করেছেন? মডারেটরদেরকে মেইল করে?
লেখকের মন্তব্য
হ্যাঁ মডারেটরদের মেইল করেই করেছি। আপনি কি বিষয়টা জানতেন না?
জান্তাম! কিন্তু একটা হিসাব মেলে নি, তাই জানতে চাইলাম!
লেখকের মন্তব্য
হিসাবটি কি? একটু বলবেন।
না, ইম্পর্ট্যান্ট কিছু না।
দাদা, আপনি আমার নতুন পোস্টে আসলেন না কেন? মাইন্ড খাইলাম কিন্তু, কারণ আপনি অন্য অনেক পোস্টে গেছেন দেখলাম।
আমার সাথে কি কোন কারণে রেগে আছেন দাদা?
লেখকের মন্তব্য
কী যে বলেন! রাগ করব আমি! ধুর। কাল তো খুব কম সময় ছিলাম আর আপনার পোস্টটা আমার চোখে পড়েনি।
জানিয়া শান্তি পাইলাম।

পরে পোস্টটা আপ্নার চোখে পড়সে? এখন কি চোখে অসুবিধা বোধ হইতেসে?
লেখকের মন্তব্য
জ্বী ঐটা চোখে পড়সে। চোখে সাদার উপ্রে কালা কালা দেখি।
ডাক্তর দেখান!
লেখকের মন্তব্য
এটা ডাক্তারে সারাতে পারবে না। চতুরের মডুরা পারবে। ব্লগের পাতাগুলো সাদা তার উপর কালো ফন্ট দিয়ে লেখা বলেই সাদার উপ্রে কালা কালা দেখি!
তেনারারে মেইল করেন।
লেখকের মন্তব্য
তাতে আমার সারলে কি হবে আপনাদের রোগ তো বেড়ে যাবে!
আমার বাড়বে ক্যানো?
লেখকের মন্তব্য
যদি পেইজের রং পাল্টায় তখন আপনি আবার সেই রং দেখবেন না?
দেখুমতো!
আমরা সেক্রিফাইস করতে রাজি।
অনেক দেরীতে মন্তব্য দিলাম বলে ক্ষমা প্রার্থী।
অসাধারণ লাগলো, কবিতাটা... ছন্দ আর গঠন মৌলিকতা, ডুবিয়ে দিল মন এতো সুন্দর আবেগের জলে।
আপনার চোখ দিয়ে যেন আমার অনাগত সন্তানের জন্য আমার মায়া দেখলাম।
লেখকের মন্তব্য
ক্ষমা প্রার্থনার প্রশ্ন আসছে কেন! দেরীতে হলেও কবিতাটা মন দিয়ে পড়েছেন আর এত সুন্দর মন্তব্য করেছেন সেটাইতো আমার জন্য অনেক বড় পাওয়া। কবিতাটা কত ভাল করে লিখতে পেরেছি জানি না কিন্তু আবেগটা যে আপনার চোখে ধরা পড়েছে সেখানেই আমার লেখার সার্থকতা। আমার কৃতজ্ঞতা জানবেন। আপনার অনাগত সন্তান আপনার স্নেহ-মায়া-মমতায় আপনার সান্নিধ্যে বড় হয়ে উঠুক এই কামনা করছি। কোনদিনও যেন তাকে ছেড়ে দূরে থাকতে না হয়। সেটা ভীষণ পীড়াদায়ক।
অনেক ধন্যবাদ আর শুভ কামনা সবসময়...
আপনার কষ্টটা ভাগ করে নিচ্ছি আপনার সাথে...
দাদা, আপনার কাছে না আমি একটা দাওয়াত নিয়েছিলাম? ওটার খবর কি?

লেখকের মন্তব্য
ভাই সেই দিনটা আসতে তো এখনও অনেক দেরী আছে। মার্চের ২য় সপ্তাহে।
অপেক্ষায় থাকলাম। আমি আবার কাতাল্গঞ্জে প্রায় সময় যায়।
লেখকের মন্তব্য
তাই! ঠিক আছে। সময় আসুক। দাওয়াত তো রইলই।
কাতালগন্ঞ্জে নোমান সাবের বাসা, তাই না?
লেখকের মন্তব্য
আপনে তো দেখি ভালই জানেন।
জানার কোন শেষ নাই!
লেখকের মন্তব্য
জানার চেষ্টা বৃথা তাই।

তাই এত পকপক করে যাই!
লেখকের মন্তব্য
সেঞ্চুরী আপনার। হায় হায়!
দেখসেন, ১০০ তম কমেন্ট করতে পাইরাও চিল্লাচিল্লি করিনাই আপনাগো মতো।
(আসলে আমি খেয়ালই করিনাই!)
লেখকের মন্তব্য
চিল্লান, চিল্লান, কোন ক্ষতি নাই
চোখে দেখি ঝাপসা ঘুমাতে মঞ্চায়।
ওকে, দাদা। গুড নাইট।
হ্যাভ আ সুইট ড্রিম!
লেখকের মন্তব্য
গুড নাইট।
দাদা,আজ সারাদিন আপনার কোন দেখা পেলাম না যে? কোথায় ছিলেন?
লেখকের মন্তব্য
একটু ব্যস্ততা ছিল। এখন তো এসে পড়লাম।
কবিতাটা পড়লাম ।
সরাসরি প্রিয়তে
কমেন্ট এ ইটা রাখলাম (নতুন শিখলাম উদারাজি ভাই এর কাছ থেকে)
পরে পড়বো ।
কেমন লাগ্ল কবিতা দাদা বুজে নেন।
আপু ইটা রাখবেন না। ইটা নিয়েতো কত কিছু হয়ে গেলো।
জানিনা ত। কোথায় বলতো ?
ইটার বদলেই তো ঈশান ভাই বাঁশ দিয়েছিলেন, পরে তা নিয়েই আমার লিখাটা।
লেখকের মন্তব্য
সাকিবা আপা, লেখা প্রিয়তে নিয়েছেন জেনে যারপর নাই আনন্দিত! আসলে যেভাবে লিখব ভাবি লেখা শেষ হওয়ার পরে মনে হয় শিব গড়তে গিয়ে বাঁদর গড়ে ফেলেছি। তাই যখন কেউ বলে ভাল লেগেছে তখন ভাবি লেখাটা হয়তো তেমন খারাপ হয়নি এবং সেখান থেকেই পরের লেখাটা লেখার অনুপ্রেরণা পাই।
আপনাকে ধন্যবাদ।
দাদা, গড়াগড়ির কাজও করেন নাকি ?
লেখকের মন্তব্য
গড়াগড়ি! সে তো সবাই করে। এই শীতে বেলা যতই বাড়ুক বিছানা ছেড়ে তো ভাই উঠতে ইচ্ছেই করে না। মনে হয় আরেকটু গড়াগড়ি দিয়ে নিই। আপনি কি দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়েই.......

নুতন কবিতা কোথায়!
লেখকের মন্তব্য
মাথায় কিছু্ই আসছে না। আর কবিতা কারো তেমন ভাল লাগে বলে মনে হয় না। তবু লিখব।
দাদা নতুন লিখা নাই কেন?
আপনার নামের প্রথম অংশ গেল কই?
বড়োই অদ্ভুত! 
শুভকামনা অবিরাম।
লেখকের মন্তব্য
প্রথম অংশটা খসে গেছে। কিন্তু ভাই আপনি কোথায় হারিয়ে যান?
খসে পড়েছে! এইসব কী বলেন! কে এমন কাজ করেছে! আপনি শুধু নামটা বলেন ডট ডট ডট
আমি তো আছিই, এখানে, সেখানে
লেখকের মন্তব্য
না না। আপনি শান্ত হন। কারো দোষ নাই। আমি নিজের ইচ্ছেতেই খসিয়ে ফেলছি।
আপনি তো ভাই বড়োই অদ্ভুত!
মন্তব্য করুন