অনীক-এর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

সবাই ব্যানার বানায়। মূলত ব্যানার বানানো কবিতা লেখার চাইতে সোজা কাজ। তাই আমিও ব্যানার বানাইলাম। এবং ব্যানার বানাইতে গিয়ে টের পাইলাম যে ইন্টারনেটের পেটের ভেতর প্রচুর প্রচুর রকমারি নিয়ম কানুন দেয়া আছে। সেগুলো দেখে (বইদেশি ভাষা) একটু ঘাবড়ে গিয়ে বাদ দিয়েছিলাম। কে হায় ফিরিঙ্গিপনায় মরে (মাইকেল ছাড়া)! আর আমাদের কাজই হলো, আমরা মানে বাঙালিরা, যা পাই, সেটারেই অনুবাদ করে বাঙলায়ন (বাঙলালায়ন না, খুউব খিয়াল কৈরা) করে ফেলা। তো, আজকে একটা ভয়ানক কঠিন (আমার কাছে) টিউটোরিয়াল পাইলাম। [আগ্রহী জনতা পোস্টের শেষের লিংকে গিয়ে দেখতে পারেন]। ফাঁকিবাজ বলে, পুরা কাজটুকু করতে ইচ্ছা করলো না, ক্ষমতাও নাই, হীনবল আমি। তাই টেক্সটের কারিকুরি শিখলাম। গুরু বলেছেন, লব্ধ বিদ্যা বিলাইয়া দাও! প্রচুর অনুরাগী জুটিবে। তা, অনুরাগী, রাগী, বিরাগী, দেমাগী - সকলকে পাইতেই এই ফডুশফিংয়ের সাড়ম্বর আরম্ভ করলাম।
ক্যানভাসিঙঃ আসুন আসুন ভাই সব, ভাইদের বোন সব। সহজ শিক্ষা! সহজ শিক্ষা! মাত্র ১০ ধাপে ফডুশফিং শিখুন!!
====
আমদানি করা ছবিটা একটা পূর্ণিমার চাঁদঃ এখানে পাবেন।
শেষমেশ যা দাঁড়াইলোঃ

১ম ধাপঃ
ফডুশপ খুলুন। খুলে মেনুতে যান। File>New। যে ডায়ালগ বক্স আসবে সেখানে নিচের তথ্যগুলা দিয়ে দেন।
Width: 999 pixels
Height: 150 pixels
Resolution: 72
Background Content: Transparent (এটা চাইলে White ও রাখতে পারেন। আপনার ইচ্ছা)
২য় ধাপঃ
চাঁদের যে ছবিটা দিয়ে ব্যানার বানাবো, সেটার পটভূমি কালো। তাই আমাদের এই ব্যানারের মূল রংটাও কালো হওয়া লাগবে। নতুন যেটা নিলাম, সেইটা তো হয় ফকফকা, নয়তো সাদা। তাইলে কি করবেন? হুম। এইটাকে এখন কালা কুচকুচা করা লাগবে। আবার মেনুতে যানঃ Edit>Fill (শর্টকাটঃ Shift+F5) । ব্যানার 'ফিল' করার আগে ফোরগ্রাউন্ড কালার = কালো সেট করে নেন (২), দেখেন গোল করে দেখায় দিছি। Shift+F5 দিলে Fill Window আসবে। সেখানে দাগ দেয়া অপশনগুলো ঠিক করে নেন।
৩য় ধাপঃ
এখন চতুর্মাত্রিকের নাম আর ট্যাগলাইন (অদ্ভুত সব জোনাকপোকা সাজায় ঘাসফুল) লিখতে হবে। সবচেয়ে ভালো হয় যদি বিজয় পারেন, তাহলে বামের প্যানেলে T লেখা বাটনে চাপ দিলেই কাজ হবে। বক্স আসবে, সেই বক্সে ফন্ট ঠিক করে গুটি গুটি অক্ষরে লিখবেন। ব্যস! তবে আমরা বেশিরভাগই বিজয় পারি না (আমি নিজেও কাগুর জিনিস পারি না), তাই আমাদের দরকার এই ফাইলটা। এইটা একটা ফটোশপ ফাইল, যা ফটোশপে ওপেন করলে আরামসে ইউনিকোডে লেখা যায়, সেই লেখা অন্য ছবিতে ইচ্ছামতো ব্যবহার করা যায়। তা ঝটপট এইটা নামায় ফেলেন। তারপরে লেখাটা লিখে কপি করে মেইন ব্যানারে টেক্সট বক্সে পেস্ট করেন।
৪র্থ ধাপঃ এই ধাপটাই সবচেয়ে জরুরি। এতোটুকু যারা করেছেন, তাদের কাজ এখন এই টেক্সটটাকে সাইজ করা। যেন ফাইন্যাল প্রোডাক্টের মতোন বানানো যায়। টেক্সটের যে লেয়ার সেটার উপরে ডাবল ক্লিক করলেই একটা উইন্ডো আসবেঃ Layer Style।
এখন এই লেয়ারে তিনটা Option -এ টিক দিয়ে দেন। "Bevel and Emboss", "Satin", "Gradient Overlay"। এখন এদের Properties ঠিকঠাক করে নেন নিচের ছবি অনুযায়ী। (ছবিটা বড়ো করে নেন আলাদা ট্যাবে, অথবা পিসি'তে সেইভ করে বড়ো করে দেখেন)

৫ম ধাপঃ
লেখা নিয়ে কারুকার্য শেষ। এবারে চান্দের পিছনে তারা দরকার। তারাবাজির নিয়মটাও খুব সোজা। লেখার পেছনে একটা নতুন লেয়ার তৈরি করেন (Layer 2)। এখন এই লেয়ারে পেইন্ট টুল দিয়ে কালো রঙ করেন [চাইলে এভাবে প্রথম বারও করতে পারেন]। এখন দরকার নয়েজ [Filter>Noise>Add Noise]
৬ষ্ঠ ধাপঃ
নয়েজে দেয়ার জন্য নিচের ছবির মতো ভ্যালুগুলা ঠিক করে নেন। ১ম ছবিঃ Amount: 12; Gaussian; Monochromatic।
দেখেন পুরা ব্যানারে অসংখ্য তারা। তারার সংখ্যা কমাতে Level ঠিক করতে হবে। আবার মেনুতে যানঃ Image> Adjustments> Levels (শর্টকাটঃ Ctrl+L)। নতুন উইন্ডোতে লাল গোল দেয়া ঘরের ভ্যালু দুইটা বদলায়ে দেন। (চাইলে এটা নিজের মনমতো দিতে পারেন। আকাশে কতো তারা থাকবে, এইটা আপনার ইচ্ছা! 
৭ম ধাপঃ
তারা দেয়ার (নয়েজ) পরে ছবিটা একটু রুক্ষসুক্ষ লাগতে পারে। মারেন ব্লার। ব্লারের নাম Gaussian! মেনু থেকে রওনা দেনঃ Filter>Blur> Gaussian: Radius: 50 pixels (এর বেশি দিয়েন না, বাজে হয়ে যায়। চাইলে কম দিতে পারেন)
৮ম ধাপঃ সব মিলিয়ে ছবিটা এখন দাঁড়িয়ে গেছে। তবে 'চতুর্মাত্রিক' লেখার পেছনে একটু আলো দরকার, নাহলে ঠিক স্পষ্ট হচ্ছে নাহ। তাই নতুন একটা লেয়ার খুলেন। এই লেয়ার 'Fill' করার দরকার নাই। বামের প্যানেল থেকে ব্রাশ বাটনটা সিলেক্ট করেন তারপরে উপরে দেখেন Mode: Screen আর Flow: 19 দিয়েছি। Flow টা চাইলে কম বেশি করতে পারেন। এর পরে চতুর্মাত্রিক লেখাটার পিছনে ঘষা দেন। দেখবেন অঙ্ক খাতায় রাবার ঘষার মতো পরিষ্কার হয়ে উঠতেছে! এখন যদ্দুর লাগে। ঘষেন! 
৯ম ধাপঃ এখন সেই চান্দের ছবিখানা লাগিবেক। File>Place পথে গেলেই পিসিতে ব্রাউজ করার উইন্ডো আসবে। এখান থেকে ব্রাউজ করে চান্দের ছবিখানা প্লেস করেন। এর পরে টানাটানি করা লাগবে সাইজ করার জন্যে। Ctrl+T দিলে ট্রান্সফর্মেশনের ব্যবস্থা হবে। চাঁদটাকে মিলমিশ খাইয়ে বসায়ে দেন! ডাবল ক্লিক। খেকজ।
ব্যস! ব্যানার তৈরি শেষ! 
কিন্তু জনতা তো মানবে না। আমি বললাম দশ ধাপ, এখানে রাখছি ৯ ধাপ। আরেকধাপ কই গেলো? কাহিনী কী!!
কাহিনী কিছু না ভাইডি (বোনডি)। আমি যেইটা বানাইলাম, এই ব্যানার তো অতি তুচ্ছ। এখন আপনার কাজ হইলো টেক্সটের কারিকুরি (ধাপ ৪) ঠিক মতো নেড়েচেড়ে দেখা। দেখেন। ওইখানে রাখা আছে অমূল্য রতন!
ওটাই হলো দশম ধাপ। যা আপনি নিজে নিজে করবেন। খালি টেক্সটের কারিকুরি করেই অদ্ভুত সুন্দর সব ব্যানার বানানো যায়। একটু সময় দিয়েই দেখুন না!
*কোনখানে না বুঝলে বা না পারলে কমেন্টে জানান। ঠিক করে দিবো।
======
সাহায্যকারী পথপ্রদর্শক
মন্তব্য
ব্যানার ক্যান বানাবাম?
সহজ বললেও আমার কাছে তো কঠিন ই লাগলো। আপচুস
লেখকের মন্তব্য
কঠিন আফসুস!
কঠিন
লেখকের মন্তব্য
পিডামু তোমারে! কডিন পিডা!
প্রিয়েতে রাখলাম।।
লেখকের মন্তব্য
বিনীত ... ...
:~ কঠিন কেন এত???

লেখকের মন্তব্য
সাহস কইরা ঝাঁপ দেন, দেখবেন একেবারে জলবৎ তরলং। সাঁতরানোর মতোন। একবার শিখলে আর ভুলবেন না!
তারা দাগাইলাম।
টিউটোরিয়াল লেখা যে কত কষ্টের এইটা যারা রেগুলার টিউটো লেখে তারাই জানে! 
লেখকের মন্তব্য
হ
আমিও নাকে খত দিলাম। আর লিখুম না দিল্মে জোশ না আসলে!
প্রমিজ করলাম আমি জীবনে টিউটোরিয়াল লিখুম না।
লেখকের মন্তব্য
টিউটোরিয়াল না লেখেন, টিউটোরিয়াল দেখে দেখে শিখলেও হইবেক!
এইসব টেকনিক্যাল জিন্স দেখলেই ভ্যাবাচ্যাকা মাইরা বইসা থাকি আর ভাবি ক্যাম্নে কি!

লেখকের মন্তব্য
হা হা হা! অমিত!
ব্লগ লেখাটাই তো বিরাট টেকনিক্যাল ব্যাপার। এটা যদি পারেন, আমি নিশ্চিত, ফটোশপ হাতের ময়লা হবে। খালি সাহস করে কিছু না শিখেই ঝাঁপ দেন। তারপরে দেখবেন নিজের তাগিদেই অল্প সময়ে অনেককিছু শিখে ফেলবেন!
দেইখা মনে হৈলো খাতা দেখছে স্কুলের মাস্টর, লাল কালি দি দাগাইয়া টাগাইয়া---হুহ!!!

ধন্যবাদ কি এইখানেই দিমু, নাকি চা-কফির দিন?
লেখকের মন্তব্য
সে আর বলতে, খাতা পাইলেই কাটাকাটি করতে ইচ্ছা করে। জানেন তো, অসির চাইতে মসী....
চা-কফির দিনই দিয়েন। পুরা পেমেন্টসহ
অটঃ আজকে দেখলাম, ধানমন্ডির কফি ওয়ার্ল্ড গাপ। সেখানে FFC নামক বিতিকিচ্ছিরি দোকান দাঁড়াচ্ছে! ইয়াক!!
পুষ্ট অতি চমৎকার হয়াছে

লেখকের মন্তব্য
না নির্ঝর, আমারটা সিএস৫। প্রথমে ক্রিয়েটিভ স্যুট কিনেছিলাম (৩ টা ডিভিডি, সব রকমের এডোবি প্রোডাক্ট আছে)। সেটা ইনস্টল করার পরে ক্রমাগত সিরিয়াল নাম্বারের ঝামেলা করছিলো। উড়িয়ে দিয়ে আবার সিএস৩ -এ ফিরে আসছিলাম। সেদিন হঠাৎ করেই মেঘ আপা ফটোসপ পোস্ট দেয়ার পরে আবার খুঁজলাম।
টরেন্টে সিএস৫ এবং সাথে কিজেন - পেয়ে গেলাম।
এখানে এবং এখানে ।
নামিয়ে নিতে পারো। মাত্র ১.২৬ গিগা। আমার পিসিতে চমৎকার চলছে!
হে হে
ইয়ে,,, আমি এইটা প্রথম ব্যানারটা বানানোর পরে থেকেই ইউজাইতেসি।
আমার কাছেও অতি চমৎকার লাগতেসে!
আমিও ডাউনলোডাইসি, তয় মিডিয়াফায়ার থেইক্কা। আমার টরেন্টভাগ্য খুব একটা সুবিধার না। ঝিপির নেট কানেকশন কি না!
বাই দ্য ওয়ে... থেঙ্কুস ফর লিংকুস
বস টিউটোরিয়াল এর জন্য
কিন্তু এত্তো কঠিন কর্ম সম্পাদন করা আমার মতো পাবলিকের পক্ষে সম্ভবপর হইপে না,তার জন্য মাইনাচ
লেখকের মন্তব্য
দুরো মিঞা। ঠিকই পারবেন। টেরাই না করিলে কেমনে বুঝিলেন?
এই ব্যানারটাই বানান। অথবা মেঘের পোস্টের ব্যানারটাও বানাতে পারেন। দেখবেন আস্তে আস্তে রপ্ত হয়ে যাবে!
বহুত কঠিন

লেখকের মন্তব্য
বহুত সুজা!
;)
এতো বড় কাজ করার দরকার নাই
সবচেয়ে ভাল সাদা ফকফকে ব্যানার , কিছুই করা লাগবে না :ডি
লেখকের মন্তব্য
কষ্ট না করিলে কেষ্ট মিলিবে না!
বহুত কঠিন কাম।
আমি যে কত সুখে আছি, কোন ব্যানার বানাইতে হয় না। আহা কি আনন্দ!!
লেখকের মন্তব্য
হা হা হা! বস, আমরাও সুখে আছি। সুখে থাকলে ভূতে কিলায়, তাই ভূতের কিল খেয়ে, খেয়ে না খেয়ে ব্যানার বানাইতেছি!
পোস্ট ভালা পাই। একেবারে যে জানে না সেও ব্যানার বানাইতে পারব।
লেখকের মন্তব্য
যাক! গুরুমশাইয়ের ভালো লাগছে জেনে খুশ হুয়া মোগাম্বো!
৪র্থ ধাপে কিছু এক্সপেরিমেন্ট করতে পারেন। যেমন শুধু স্ট্রোক দিন ১ পিক্সেলের; আর কালো ব্যাকগ্রাউন্ড হলে গ্লো, সাদা ব্যাকগ্রাউন্ড হলে শ্যাডো। সাইজ বড় রাখবেন গ্লো/শ্যাডোর। তারপর এই লেয়ারটা ওভারলে/ডিফারেন্স/সফট লাইট অথবা অন্য কোন মোডে নিতে থাকেন, দেখবেন আরো ভাল লাগবে। সবচাইতে বড় কথা টেক্সটটা বেশ পরিষ্কার লাগবে। সাটিন এমবোস আসলে দেখতে খুব ভাল হয় না।
এইযে ভাঙ্গা পেন্সিল, এডা কিন্তু আমার ব্যাসিক গুরু, ফডুশপে---
ভাঙ্গা, ধৈন্যা----
লেখকের মন্তব্য
ঠিক। আমি তো গতকালকেই এটা শিখলাম। টেক্সটের ভেতরে অনেক কারিকুরি করা যায়। তোমার সাজেশনটাও ট্রাই করবো।
প্রথমে গ্লো দিয়েছিলাম। পরে চাঁদ বসানোর পরে ইচ্ছা করলো এই দিকটাকে আঁধার করে রাখার। যেন অমাবশ্যার মতো ভয় ভয় লাগে। স্যাটিন আসলেও তেমন একটা ভালো না। মূল যেই পোস্টটা দেখে দেখে করলাম, সেখানে বিরাট কেরফা করেছে, পানির প্রবাহের মতো ইফেক্ট বানিয়েছে।
এই পোস্টের 'হিডেন কৃতজ্ঞতা' হলো তুমি আর মেঘ - দুইজনের পোস্ট দেখে টিউটোরিয়াল লেখার (দুঃ)সাহস করলাম!
তোমাকে অনেক অনেক থেংকু 
গ্লো বা শ্যাডোটা আসলে মেইন না, লেয়ার স্টাইল পাল্টিয়ে ফন্টের ভেতরেরটা স্বচ্ছ্ব করি, আর এক পিক্সেলের স্ট্রোকটা লেখার আউটলাইন পরিষ্কার ফুটিয়ে তুলে। এটা ব্যানারের জন্য আমার সবচাইতে প্রিয় এফেক্ট। তবে পারমুটেশন কম্বিনেশন করে যা খুশি বানানো যায়, একেক প্রেক্ষিতে একেকটা সুন্দর লাগবে
একটেকনিশিয়ান করে, তো সারাদিনই বলে, ফিরি টেষ্ট ফিরি টেষ্ট। তো একজন তার কাছে পরীক্ষা করালো তারপর চলে যাবার সময় টেকনিশিয়ান বলে, ভাই টাকা না দিয়া যান কই?
এিটা তো মিয়া ফিরি টেষ্ট।
হ তো টাকা দেবেন না কেন?
টেষ্ট যে ফিরি তাই!
আরে ভাই এইডা হইল ফিরি (প্রি টেষ্ট)
তোর ফডুশফিং এর দাম কত সেইডা আগে কও।।।।।
লেখকের মন্তব্য
হা হা হা!
কিন্তু আমারে কি টেকনিশিয়ান ঠাউরাইলা আপা। আমি তো টেকি'ও না ঠিকমতোন! :-b
এই জন্যে ফডুশফিংয়ের কোন পয়সা নেই না। কেউ ভালুবেসে কিছু দিলে নেই। সাধু বাবা!! (ওম)
তবে বড়ো হইলে আমিও বিড়াট টেকি হইমো, তারপরে টেকা নেমো! হুঁহ!
হুম! কাজে দেবে।
লেখকের মন্তব্য
ধইন্যাপাতা রামু ভাই।
অনীক
এখনই একটু দরকার ছিলো
জিতে একটু তাকাও পিলিজজজ
ব্যানার বানানো এত সোজা!!!!
B) B)
লেখকের মন্তব্য
সোজাই তো!
চুপচাপ জেনে গেলাম।
লেখকের মন্তব্য
কমেন্ট তো করলেন, চুপচাপ কেমনে হইলো!
ভালো লাগলো উদরাজী ভাই!
খাইছে আমারে! এতো কিছু ক্যান!!!! সাব্বাশ অনীক... সাব্বাশ!! মেঘ....সাবধান....অনেক কম্পিটিটর আইতাছে!!!
অট: মেঘ'র নামটা নেয়া হৈছে সম্পূর্ণ ঈর্ষাজনিত কারণে
লেখকের মন্তব্য
বেশি কিছু না বস, একটু ঘাঁটাঘাঁটি করলাম। তাও নিজে নিজে না। দেখে দেখে আরেকজনের করা'টা।
মেঘ ব্যানারের বস পাবলিক। ওনার সাথে দুই মিনিট কথা বললেও তিনটা নতুন নিয়ম শিখতে পারি।
কথা সত্য।
প্রি য় তে রাখলাম - মাঝেমাঝে ট্রাই নিমু নে -
আমি মাঝে মাঝে ওপেস্ট ব্লগের জন্য ব্যানার করি। ধন্যবাদ, প্রিয়তে রাখলাম আর পেলাস দিলাম।
ব্যানার বানানো দেখি একদম সোজা।
বানামু নাকি একখান ?
বানাইলে কিন্তুক এ্যাপ্রুভ করতে হবে ,
নইলে খেলুম না
লেখকের মন্তব্য
বানায় ফেলেন। অ্যাপ্রুভ তো সবারটাই করে দেখেছি কম বেশি। নতুন নতুন ব্যানার দেখতে ভালোই লাগে!
মন্তব্য করুন