আবদুর রাজ্জাক শিপন-এর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

১
নিজের তরতাজা বইটি ছুঁয়ে দেখবার একরকম আনন্দ আছে । সেই আনন্দ থেকে আমি বরাবরই বঞ্চিত হই। বই প্রকাশের পর ছড়িয়ে যায়--পাঠকের হাতে হাতে । আমার হাতে আর এসে পৌঁছে না । মনের মধ্যে কষ্ট দলা পাকিয়ে থাকে । ছ'হাজার মাইল দূরে বই পাবার প্রক্রিয়াটি আসলে কঠিন । সহজ পথ হাতে হাতে পৌঁছানো, পরিচিত কারোর মাধ্যমে । আমার খুব কাছের এক বড় ভাই দেশ থেকে ছুটি কাটিয়ে এলেন ৬ ফেব্রুয়ারি। আমার বইটা মেলাতে এলো আট তারিখ, -এমনই ভাগ্য । যাই হোক, শেষ অব্দি অপরিচিত একজন বয়ে আনলেন বই । অন্য কিছু হলে কখনই অনুরোধ করা হতোনা । কিন্তু বইয়ের জন্য অনুরোধ করতে লজ্জা লাগেনা । বন্ধুর বন্ধু বয়ে আনলেন ১০কপি বই । তার নাম্বার যোগাড় করে আমি নিজে ফোন করে তাকে অনুরোধ করলাম । কৃতজ্ঞতা তার প্রতি ।
এইবার আমার কাছে আসা বইয়ের ছবি দেখুন । যারা বই ইতোমধ্যে সংগ্রহ করেছেন, তাদের কাছে পুরোনো হলেও আমার কাছে নতুন । আমি ঘ্রাণ নেই ।



ছোট্ট এবং আমার প্রায় মুখস্ত উপন্যাসিকাটি পড়ে ফেলি । ভুল ধরার চেষ্টা করি । দু'একটা টাইপো চোখে পড়ে । হয়তো আরো থেকে থাকবে । পরে চোখে পড়বে । ইতিমধ্যে বইয়ের ফিডব্যাক পেতে শুরু করেছি বিভিন্ন জায়গা থেকে । ভালো লাগছে ।
২
চর্তুমাত্রিক ব্লগ সংকলন সংগৃহীত হয়েছে । এখনও হাতে পাইনি । পাবো । এবার চতুর্মাত্রিক সংকলন নিয়ে দু'টা বাস্তব কৌতুক শুনেন -
ক)
চতুমার্ত্রিক সংকলন মেলাতে পৌঁছার পরদিনই আমাদের খুব পরিচিত একজন প্রিয় ব্লগার গেছেন বই কিনতে । রকমারির স্টলে গিয়ে তিনি বললেন,
- দাম কতো ?
- এতো !
-এতো দাম কেন ?
প্রশ্নটি করেই আমাদের প্রিয় ব্লগার বেকুব বনে গেলেন । ভাবলেন, এরকম বোকার মত প্রশ্ন কেন করলাম । এই তথ্যতো আমার আগেই জানা উচিত ছিলো (প্রিয় ব্লগারের ভাষ্য এটা) । বলুনতো ব্লগারটি কে ?
খ)
সেদিন না-কি আরেক মজার ঘটনা ঘটেছে । এক ব্লগার ব্লগ সংকলন নিয়ে মূল্য পরিশোধ না করেই হাঁটা দিলেন । স্টলের লোকজনতো অবাক- আরে , বিষয় কি !
-না, মানে, এই সংকলনে আমারওতো একটা লেখা আছে ! আমিতো একটা ফ্রী কপি পেতেই পারি, না ?
(আশা করি, ঘটনার সত্যতা সম্পর্কে উক্ত ব্লগার এইখানে এট্টু আওয়াজ দিয়া যাবেন ! হা হা হা !)
উপসংহার : এই যে দুইটা বাস্তব কৌতুক তুলে দিলাম , এর পেছনে একরকম দুঃখবোধ কাজ করছে,- ব্লগ সংকলন বিক্রির শেষ খবর আমাকে তুষ্ট করতে পারেনি । ব্লগারেরা কেন বইটিকে নিজের বই মনে করেন না , কেউ বলতে পারেন ? যতো ব্লগার , অতো বই বিক্রি হয়না কেন ?
এই লেখাটি আরো একবার সবাইকে পড়ে দেখতে অনুরোধ করবো
মন্তব্য
অণু অনুভূতি পোস্ট দিলে হবে না, এডিট করে এটা আরো বড় করা হোক
উপসংহারের বিষাদটুকু ছুঁয়ে গেল। বইমেলায় এবার খানিক মন্দা যাচ্ছে... তারপরও এখনও সময় আছে, চতুরের ব্লগার-পাঠকরা আশাহত করবেন না নিশ্চয়ই...
লেখকের মন্তব্য
আমরা আাশাহত হতে চাইনা, আমরা যেন আশাহত না হই...
আপনি অনেক ভাগ্যবান - এতো তাড়াতাড়ি বই পেয়ে গেছেন
চতুর্মাত্রিক সংকলন বিক্রি কম হচ্ছে নাকি ? খুউব খারাপ খবর।
ব্লগারদের তো বই কেনার কথা না -- যে লেখা এমনিতেই পড়ে ফেলা যায় - সেগুলো টাকা দিয়ে কিনে কে পড়বে?
যেসব পাঠক এখনো শক্তিশালি ব্লগারদের লেখা পড়েননি - তাদের মুখে মুখে খবর ছড়াবে।
ব্লগারদের লেখার শক্তি নিয়ে আমার কোন সন্দেহ নেই মনে।
তবে ব্লগ আর লিখিত মাধ্যমটা আলাদা হতে পারে - দেখা যাক কী হয়।
লেখকের মন্তব্য
সমস্যাটা ওখানেই । আর এই সমস্যার সমাধানের জন্য বড় বেশী আপন ভাবতে হয় । মনে করতে হয় যে, আমি আামার পরিবারের সদস্যের বইয়ের প্রচার করছি, আমি আমার বইয়ের প্রচার করছি । ব্লগপাঠ আর মলাটবদ্ধ বইয়ের অক্ষরে বন্ধুদের স্মৃতি ধরে রাখা বা, চমৎকার লেখাগুলোর মূল্যায়নের তপাৎটা হৃদয়ঙ্গম করতে হবে ।
অবশ্য এখনও যথেষ্ট সময় । নিশ্চয় চতুরেরা প্রত্যেকে বই সংগ্রহ করবেন, এবং পরিচিতজনদের দিয়ে কেনাবেন ।
সব ঠিক আছে।
কিন্তু ব্লগ সংকলনের খবরটা মন খারাপ করে দিল।
লেখকের মন্তব্য
ব্লগ সংকলন বাজারে এসেছে , বেশীদিন হয়নি ।
আশা করছি, বিক্রি, এবং প্রচার-প্রসারের সুফল পাওয়া যাবে ।
অভিনন্দন আর শুভ কামনা রইলো।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ, ভাইডি !
পুরো বাবা-বাবা অনুভূতি মনে হলো!

আপনার বই কিন্তু আমিও এক কপি কিনে ফেলেছি। পাইপলাইনে আছে, পড়েও ফেলবো দ্রুত!
আমারই খুশি খুশি লাগছে আপনি বই হাতে পেয়েছেন জেনে। আর আপনার কতোটা কেমন লাগছে তা অননুমেয়।
ব্লগ সংকলন নিয়ে ১০ তারিখ পর্যন্ত কোন তিক্ত অভিজ্ঞতা হয় নি। সবই মধুর। সবই মসৃণ। বইমেলায় বইটা গেল আর মন খারাপ হলো। অনলাইনে সবাই অনেক উৎসাহ দেয় এবং বলে 'সাথে আছি' - কিন্তু ২৫০ টাকার ভার অনেকেই নেয় না! (এই কথাটা বড়ো আক্ষেপ নিয়ে বললাম, কারো উদ্দেশ্যে না, নিজেই নিজেকে)
লেখকের মন্তব্য
এইটা আসলে না বলে রাখঢাক করবার কিছু নেই । বলতে হবে । জানতে হবে । লজ্জা যদি কিছু হয় আমাদের সবারই, সবাই তা ভাগ করে নিতে হবে ।
শুধু ব্লগেই হাতিঘোরা মারি আমরা । বাস্তবের জগতে, ২৫০টাকার একটা বই, যাতে অনেক ভাই-বন্ধুর লেখা রয়েছে, অনেক তুখোড় ব্লগারের লেখা রয়েছে, যা প্রিয় একটি ব্লগের প্রথম মুদ্রিত সন্তানের মতো, তাকে এগিয়ে নেবার তাগিদ থেকেও, ভালোবাসা থেকেও, দায়িত্ব থেকেও ২৫০ টাকা খরচ করবার কৃপণতা, বলা ভালো অনুদারতা বেশ ভালোমতনই দেখাই আমরা ।
ভুটাপ!
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ..
শিপন ভাই, কিছু কথা না বলেই নয় (আগেই সরি বলে বলছি, তর্ক নয়)। আসলে কারা ব্লগিং করে এবং ব্লগিং যারা করে তাদের সামর্থ্য কি এটা কি কখনো ভেবে দেখেছেন? অনলাইনে ব্লগে সারা দিন পড়ে থাকে এমন বহু বন্ধু আছে আমার। আমি খুব কাছ থেকে দেখেছি অনেক ব্লগার বন্ধুকেই। বইমেলা থেকে দুই তিন হাজার টাকার বই কেনার সামর্থ্য কয় জনের আছে? দূরবীন দিয়ে খুঁজে বের করতে হবে। টাকাওয়ালা, ব্যবসাহি ও বেশী বেতনের চাকুরীজীবী কখনোই ব্লগিং করে না, করতে পারে না (এটা তাদের পক্ষেও সম্ভব নয়)! ব্লগিং করে মোটামুটি এই ধরণের -
১) ছাত্র/ছাত্রী (অনেকের মাসিক নেট ব্যবহারের টাকা যোগার করতেও হিমসিম খেতে হয়)
২) বেকার (নানা পদের বেকার, খুলে বলার দরকার নাই!)
৩) ও আমার মত নরলাম চাকুরে/ব্যবসাহী কিছু লোক (যাদের চাওয়া টাকা নয়!)
(আরো কিছু টাইপ হতে পারে, হয়ত এ মুহুর্তে মনে করতে পারছি না)
আমার কথাই উদাহরন হিসাবে নেই।।।। আমি চাকুরীজীবী (বেতন যা পাই তা দিয়ে কোনমতে চলি, আমার মত (বেতন পাওয়া) বেতনের ব্লগার ভাইবোনও এখনো আমার চোখে পড়ে নাই, বেশী তো নয়ই!)। বিরাট সত্য হচ্ছে, আমারও 'বেশী' বই কেনার সামর্থ্য নাই। এবারে বই প্রকাশে যে টাকা দিয়েছি (নিজকে ছোট করতে চাই না) তার হিসাব মিলানো এখনো আমার কাছে সহজ হচ্ছে না! এবার বুঝেন, অন্যদের অবস্থা কি! তাই, ব্লগারা বই কিনবে এটা আশা করাও ঠিক না।
(অনেক কথা বলার ইচ্ছা ছিল, কিন্তু বলে আর কি হবে! অভিজ্ঞতা এমনি এক জিনিষ যা, নিজের না হলে হয় না! বর্তমানে ঢাকায় বাসাভাড়া, পরিবারের বাচ্চা/ছাত্র/ছাত্রীদের স্কুল ফী/অন্যান্ন খরচ, দ্রব্যমূল্য, যাতায়ত ভাড়া সহ নানা বিধ বিষয় নিয়ে চিন্তা করলে আমি ভেবে কুল পাই না, আমাদের মত পরিবারগুলো কি করে সারভাইব করছে! আমরা হয়ত ধার করছি, নতুবা আগের রক্ষিত জমা টাকা ভেঙ্গে খাচ্ছি। এতে আমাদের চরিত্র যা হবার হচ্ছে!)
বইমেলায় গিয়ে বই যারা কিনছে তারা ভিন্ন অবস্থানের লোক, এখনো তারা অনলাইনের দুনিয়ার মধ্যে পড়েন না!
তাই তো! বই কিনতে লাগে টাকা
পকেট যখন থাকে ফাকা
একেবারে শূন্য।
বইমেলাতে আড্ডা দিতে
বন্ধু সাথে চা খেতে
যা একটু হয় পুণ্য।
বই কিনতে ইচ্ছে যতই হোক
নিজের কাছেই লাগে সেটা জোক।
হুদা ভাই, আপনি হালকার উপর দিয়ে চলে গেলেন! আপনি বাস্তবতা বুঝেন, বলেন কিছু। আমি কি মিথ্যা বলছি।
শিপন ভাইঃ টাকা দিয়ে যদি ব্লগে পোষ্ট লিখতে হত তবে কতজন ব্লগার পেতেন, ভেবে দেখেছেন! কতজন জন আমরা নিজকে ব্লগার বলতাম! ফ্রী বলেই আমাদের অংশগ্রহন একটু বেশী, এই যা। পরিস্থিতি যা, তা নয় - ভিন্ন। চতুরে যদি এমন একটা উদ্দোগ নেয়া হয়, প্রতি পোষ্টে ২৫/= টাকা চতুরকে দিতে হবে (চতুর চালাতে যে অর্থ ব্যয় হয় তা কি আমরা জানি, এরকম একটা ব্লগ চালাতে দিনে ৫০০/= টাকাতো লাগেই লাগে, বাৎসরিক হিসাব থেকে গড়), তবে দিনে প্রথম পাতায় কয়টা পোষ্ট পড়ত! এভাবে চিন্তা করলে ভেবে দেখুন, একটা কিছু লিখে ২০টা ব্লগে কি একসাথে পোষ্ট করা কারো পক্ষে সম্ভব হত!
ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা।
লেখকের মন্তব্য
নেটে সেভাবে কেউ লেখবেওনা । বিনামূল্যে সাইট তৈরি করে নিজের সাইটে নিজেই লিখতে পারেন আপনি ।
ব্লগে টাকা দিতে হয়না বলেই কিন্তু ব্লগের বইয়ের প্রতি একটা দায়বদ্ধতা সবার থাকা উচিত । যারা অপারগ তারা ছাড়াও , অনেকেরই আন্তরিকতার অভাব রয়েছে ।
গতকাল, নাম প্রকাশ না করে কোন এক ব্লগার ২০ কপি চতুর্মাত্রিক সংকলন কিনেছেন । বিশেষ ছাড়ও তিনি পেয়েছেন । অন্যান্য ব্লগারের বইও তিনি কিনেছেন । কথা হলো ইচ্ছা এবং সামর্থের সংযোগের ফলেই তিনি এটা করতে পেরেছেন । এরকম সামর্থবান ব্লগার নিশ্চয় আরো রয়েছেন । ধন্যবাদ ।
আপনার কথাই মেনে নিলাম। হা হা হা।।
(বই প্রকাশে প্রকাশকরা কিভাবে নুতন লেখকদের ভেড়া বানায়, তাও আলোচনা হতে পারে!)
বিতর্কে এসব সমাধান হবে না! সামর্থবান ব্লগার বেশী হউক, এই কামনা করি।
ভাল থাকুন।
লেখকের মন্তব্য
নতুন লেখকদের প্রকাশকরা কীভাবে ভেড়া বানায় সে আলোচনা অবশ্যই হতে পারে । তবে, আমাদের ব্লগ সংকলনের প্রকাশনার সঙ্গে কিন্তু আমাদের নিজস্ব লোকজনও জড়িত রয়েছেন, অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে যারা মানসম্পন্ন চমৎকার একটি সংকলন উপহার দিয়েছেন ।
আর প্রকাশরা অবশ্যই লেখকদের ভেড়া বানায় । গতবার জাগৃতিতে মেলার শেষ সপ্তাহে আমার উপন্যাস 'চন্দ্রাবতীর চোখে কাজল রং' ছিলোনা । প্রথম মুদ্রণ শেষ হয়ে গিয়েছিল । অনেক ব্লগার এবং বন্ধু-বান্ধব বই না পেয়ে ফিরে এসেছেন । এবারের বই মেলাতে জাগৃতি স্টলে বইটি রয়েছে, প্রথম মুদ্রণ হিসেবেই এসেছে ।
এখন প্রশ্ন হলো, তাহলে গতবারের মেলাতে প্রথম মুদ্রণ থাকা সত্ত্বেও শেষ সপ্তাহে স্টলে কেন বই ছিলোনা ? আসলে প্রকাশক দ্বিতীয় মুদ্রণ এনেছেন, 'প্রথম মুদ্রণ' সাইনবোর্ডের আড়ালে । এভাবে হয়তো আজীবনই চলতে থাকবে । দ্বিতীয় মুদ্রণ উল্লেখ করলেতো লেখক রয়্যালিটি দিতে হবে। লেখকের প্রাপ্য পয়সা না দেবার জন্য এরা অনেক কিছুই করতে পারে ।
লেখকের মন্তব্য
হা হা হা ! দারুণ বলেছেন, হুদা ভাই ।
লেখকের মন্তব্য
আপনার অনুভূতিটা পুরোপুরিই বুঝতে পারছি আমি, উদরাজি ভাই । এরকম পরিস্থিতিতে যারা আছেন, তাঁদের জন্য নয়ও আসলে কথাগুলো । এমন অনেকেইতো আছি যারা অঢেল মোবাইল বিল দেই প্রতি মাসে । মাসে মাসে নতুন পোষাক কিনতে অনেক টাকা খরচ করি,নানারকম বই কিনি, বা কেনার সামর্থ রাখি, কথাগুলো তাদের জন্য । একটু মিতব্যয়ী হলে, হুমায়ুনের মতো প্রতিষ্ঠিতদের বই কম কিনে, নিজেদের বইটি কেনা যায় বলে আমার বিশ্বাস ।
আপনার বই প্রকাশ হচ্ছে না-কি ?
আর হ্যাঁ, ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও কিছু করতে না পারবার যে বেদনাবোধ , তা বেশ বুঝতে পারি । কাওকে দুঃখ দেবার জন্য আমার কথাগুলো না । আমার কথায় দুঃখ পেলে ক্ষমা চাই ।
ব্যাপার না, শিপন ভাই। বাস্তবতা মাত্র!
হুমায়ুন সাহেবের বই কেনেন যারা তারা কারা, তারা আসলে বই কেনাটাকেও একটা সামাজিক স্ট্যটাস হিসাবে নিয়েছেন! ঘরে হুমায়ুন সাহেবের বই না থাকলে কি চলে! আপনাদের আর আমাদের মত লেখকদের নিয়ে ভাবার সময় তাদের কোথায়! হা হা হা।।।
সরলরেখা বক্ররেখা'র কথা ভুলে গেলেন! হা হা হা।।।।
আমি একা নই, দেশের বেশির ভাগ মানুষের এখন এই দশা বলে আমি মনে করি! আর এর জন্যই সামাজিক অবক্ষয় বেড়ে চলছে। ঘুষখোর ঘুষ খায় মনের আনন্দে, ব্যবসাহী টাকা কামাচ্ছে ভোজাল পথে - আমাদের জন্য প্রায় সব রাস্তাই বন্ধ, অনেকটা খোলা জেলে পরিনত হচ্ছে প্রিয় স্বদেশ।
শুভেচ্ছা নিন।
লেখকের মন্তব্য
শুভেচ্ছা ।
"সরলরেখা-বক্ররেখা" বেরুলো পেশাদার প্রকাশনা সংস্থা অন্যপ্রকাশ থেকে, লেখকদের টাকা দিতে হলো কেন ও কীভাবে, একেবারেই বোধগম্য হচ্ছে না! এত বই বিক্রি হলো, তার লভ্যাংশ? লেখকের স্বত্ব? সাহাদাত উদরাজীভাই, ঝেড়ে কাশেন তো!!!
প্রিয় বোন নুশেরাপা, আপাতত কিছু না বলাই ভাল। সরি।।।। আমি মেলায় গিয়েছি প্রায় ৬ দিন। আপনিতো জানেন, আমি কেমন আড্ডাবাজ! এবারের বইমেলায় ব্লগার সহ প্রায় ২০জন বন্ধু পেয়েছি, যাদের বই বের হয়েছে। সবার দশা একই, প্রকাশকদের কাছে সবাই জিম্মি হয়ে আছে। বইমেলা শেষে কিছু লিখার ইচ্ছা আছে। আপাতত চুপ থাকি, দেখা যাক। পানি কোথায় যায়?
বই প্রকাশ এখন চ্রম ব্যবসা এবং আগামী বছর গুলোতেও এটা বিরাট আকার ধারন করবে বলে আমার মনে হচ্ছে (নিজেও প্রকাশকের ব্যবসায় নাম্ব ভাবছি! হা হা হা।।। )। বাংলা ব্লগ গুলো নিজেরাই প্রকাশনা সংস্থা খুলবে এবং তাদের ব্লগারদের বই বের করবে। আমার মনে হয়, লিটল ম্যাগ চত্বর আগামী বছর থেকেই 'ব্লগার চত্বর' হয়ে যাবে!
আরো কত কি! মার্চ মাসে লিখব।।। এবার বিদায় চাই।।।।
লেখকের মন্তব্য
অবশ্যই এই বিষয়টা নিয়ে লিখবেন । বাংলা ব্লগগুলো প্রকাশনা সংস্থা খুললে ভালোই হবে । ব্লগারদের সঙ্গে নিশ্চয় তারা উল্লেখিত প্রকাশকদের মতো আচরণ করতে পারবেনা । তেমন হলে তারাই ক্ষতিগ্রস্থ হবে ।
নুশেরা আপু, এই বিষয়ে আমারো অনেক কিছু বলার আছে।
জলাপুর শেষ পোস্টে আমি কমেন্টে লিখেছিলাম কি কি নিয়ে টেনশনে ছিলাম, সর্বশেষ পয়েন্টটাতে আমি কারনটা বলি নি।
উদরাজী ভাইয়ার সাথে আমি একমত। মেলার পরেই না হয় প্রকাশক - লেখক সম্পর্ক নিয়ে একটা পোষ্ট দেওয়া যাবে!
বিশাল একটা কমেন্ট করেছিলাম, এজ্যাক্সের কারণে হারিয়ে গেছে। এখন আর বিস্তারিত লিখতে ইচ্ছে করছে না। শুধু এটুকু বলি আমি উদরাজী ভাইয়ের কথার সাথে পুরোপুরি একমত, আর শিপন ভাইয়ার একটা কথা কোট করি--
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ, নিয়াজ ভাই !
সাহাদাত ভাই, আপনার বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে কিছু কথা বলতে চাইলাম। আমার কাছে মনে হয়েছে ব্লগ সংকলন সেভাবে সাড়া না ফেলানোর কারণ অবশ্যই নিজের কাছে একে আপন মনে না করার। বর্তমান বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বই কিনবার জন্য আড়াইশত টাকা এমন কোন ব্যাপার না। দুই প্যাকেট বেনসন সিগারেটের চেয়েও কম মূল্য, কিংবা ঢাকার যে কোন ভালো রেস্টুরেন্টে একবেলায় খাবারের খরচের কাছাকাছি কিংবা উঠতি পোলাপানদের মাসের মোবাইল বিলের সমান (কমও হতে পারে), অথবা উত্তরা থেকে ফাডর্মগেটে যাবার সিএনজি ভাড়ার সমান,অথবা গেমারদের একমাসে কম্পিউটার বাবদ খরচের কিয়দাংশ ইত্যাদি ইত্যাদি অনেক উদাহরণ দেখানো যাবে। আমাদের ভোগবাদী বৃত্তের কনসিউমড কিছু জিনিস চাইলেই কমিয়ে এটা বের করে ফেলা যায় যদি এর জন্য ভালোবাসা থাকে মনে। আমি মনে করি না, যারা ব্লগিং করে তাদের এমন ভোগবাদী পণ্যের সংখ্যা নেহায়েত কম। ব্যপারটা হচ্ছে সদিচ্ছার।
আর দুঃখজনক হলেও সত্যি ব্যাপার হলো আমরা অনলাইনে হাতি ঘোড়া সবাই মারতে পারি, কিন্তু মাঠে নেমে কিছু করার ব্যাপারে আরো স্পেসিফিক বললে, পকেট থেকে দু পয়সা বের হবার সম্ভাবনা দেখলে (সেটা যত কমই হোক) আমরা সবাই পিছিয়ে পড়তে চাই।
বইটা কিনার প্রসঙ্গে অনেকেই অনেক কথা বলেছে। আমি শুধু বলবো ব্লগ ব্যবহারের জন্য যেহেতু আমাদের আলাদাভাবে কোন মূল্য দিতে হয় না, এবং ব্লগের মাধ্যমে একটা চমৎকার ভার্চুয়াল কমিউনিটি আমরা পাচ্ছি, তার প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেই আমাদের পরিচিত জন যারা বই পড়ে বই কিনে তাদের কাছে বইটাকে প্রমোট করা উচিত। আমার ভাবনায় ছিলো অব্লগারদের কাছে বইয়ের এভেইএবলিটি যত বাড়ানো যাবে তত ব্লগের এক্সপোজার বাড়বে। হায়, এখন দেখি ব্লগাররাই সবাই বই কেনার ব্যাপারে বিমুখতার পরিচয় দিচ্ছেন।
উদরাজী ভাই, আমার মন্তব্যটা আপনার মন্তব্যের জবাবে হলেও, আসলে কথাটা সকলের উদ্দেশ্যেই বলা। হতাশা থেকে বলা। আশা করি কিছু মনে করবেন না।
শিমুল ভাই, আরো অনেক কথা আছে। এই মাসে না বলাই ভাল। মেলা শেষ হউক, পরে আরামসে বলা যাবে।
যানযটে অফিসে আসতে (রামপুরা টু সাইন্সল্যাব) ও যেতে ৪ ঘন্টা সময় বাসে গেদাগেদি করে দাঁড়িয়ে বা বসে থেকে ব্লগে বসেই যে 'সাইবার আর্মি' হই এটাও কম কথার না!
পরিস্থিতি বুঝতে হবে। আমি বা আমার মত অনেকে যে অবস্থায় আমরা ব্লগিং করি, আমাদের তা করা উচিত নয়! কিন্তু তবুও করি, আমাদের এই দিকটা অন্যের কাছে খারাপ বা মন্দ হলেও আমরা কিছুটা হলেও ধন্যবাদ পেতে পারি।
হাত পা বাঁধাবস্থায় আমরা সাঁতার কাটছি, মহাসাগরে!
ভাইয়া আমার কথায় আহত হয়ে থাকলে অত্যন্ত দুঃখিত। ভার্চুয়াল আর্মি হওয়াটাকে ক্রিটিসাইজ করার জন্য আসলে আমার কথাটা বলা না। আমরা অবস্থা জানি। দেশে থাকতে যাত্রাবাড়ী টু মহাখালী বাস জার্নি করতে হতো যাওয়া আসায়। বিদেশে আসার পিছনে বড় ভূমিকা ঐ বিরক্তিকর জার্নিরও। এরপরেও অনলাইনে একটিভিজন অবশ্যই সাধুবাদ প্রাপ্য এবং আমি অবশ্যই শুধু এটাকে ক্রিটিসাইজের জন্য বলিনি।
আমার কথা বুঝতে পারবেন আশা করি।
ভালো থাকুন ভাইয়া।
শিমুল ভাই, ধন্যবাদ। আমি আহত হই নাই। আপনি যা বলেছেন তা ভাল লেগেছে। আসলে আমাদের বাস্তবতা এখন অনেক ভিন্ন, নানা কষ্টের মাঝেও আমরা চেষ্টা করি মাত্র।
শুভেচ্ছা।
লেখকের মন্তব্য
দীর্ঘ মন্তব্যে যথার্থ কিছু পয়েন্ট তুলে ধরবার জন্য , ধন্যবাদ শিমুল !
শিপন ভাই অভিনন্দন আবারো।
আপনার বইটা এখনো সংগ্রহ করা হয় নি। আসলে বইমেলায় আমার প্রতিনিধি এখনো যাবার সময় করে উঠতে পারে নি। তবে অবশ্যই বইটা সংগ্রহে রাখবো। পরিচিতজন সবার বই এক কপি সংগ্রহের আশা রাখি এবার।
বইটা দেখে ভালো লাগতেসে। তবে দেশে যাবার আগে পড়তে পারতেসি না। আপাতত পাঠ প্রতিক্রিয়াও রাখআ সম্ভব হবে না। তবে যখনই দেষহে যাই বইটা পড়ে পাঠ প্রতিক্রিয়া রেখে যাবো।
অফলাইনে একটা কমেন্ট করেছিলাম, সেটা কোথায় হারিয়ে গেছে!
চতুর্মাত্রিক সংকলনের অবস্থা খারাপ বলা হচ্ছে - তাহলে কোথাও আমার কিছু একটা ভুল হচ্ছে। নিয়াজ ভাইয়ের সাথে ১৮ তারিখে মেলায় গিয়ে রকমারি ডট কমে খোঁজ নিয়ে জানতে পারি, প্রতিদিন নাকি গড়ে ৫০ কপি করে বইটি বিক্রি হচ্ছে। আমরা তো শুনে খুশিই হলাম! উনি কি মিথ্যে বললেন? নাকি চতুর্মাত্রিক কর্তৃপক্ষের টার্গেট আরও বেশী? নাকি বিক্রেতা চতুর কর্তৃপক্ষকে বিক্রির সঠিক তথ্য দিচ্ছে না? কোনটা? টার্গেট বেশী থেকে যদি এই দুঃখ হয় - তাহলে অবশ্যই খুব ভাল। কিন্তু বাকি দুটোর, বিশেষ করে শেষটা হয়ে থাকলে মহা দুঃসংবাদ।
লেখকের মন্তব্য
ফয়সাল, আমার নিজের চেষ্টায় আমি কিছু তথ্য জেনেছি । অনীকের মন্তব্যের সঙ্গে মিলিয়ে সেই তথ্য আমার সঠিকই মনে হয়েছে ।
অনীক হয়তো আপনাকে আরো ভালো তথ্য দিতে পারবেন । একটা কথা না বললেই না, সাধারণত প্রকাশকরা বিক্রির সঠিক তথ্য দেবার অভ্যাস গড়ে না তুললেও, চর্তুমাত্রিক সংকলনের ক্ষেত্রে এরকম ব্যাপার ঘটবে না বলে আমার ধারণা । কারণ, এই সংকলনের সঙ্গে প্রকাশক হিসেবে যারা রয়েছেন, তারা ব্লগেরই একটি অংশ ।
আপনার অনুভূতিকে নিজের করে ভাবছি-। বেশ অন্যরকম লাগছে শিপন ভাই।
অভিনন্দন।
===============================================
আর চতুর্মাত্রিক ব্লগ সংকলনের কথা বললে, আমি বলবো দাম মোটেও বেশি হয় নি। এরকম একটা সংকলনে আমার লেখা না থাকলেও আমার কেনা উচিত দু'টি কারণে।
১। এরকম সংকলন যেন নিয়মিত বের হয়। একবার বের হলো- খরচটাই উঠলো না, কিভাবে বের হবে পরবর্তী কোন সংকলন ? অন্তত একটা মানসম্পন্ন প্রকাশনা অব্যাহত রাখতে আমার ভূমিকা থাকা দরকার বলে মনে করি। অন্যদিকে এটা কিনলে মুনাফা ছাড়া ক্ষতি নেই। এতো ভালো ভালো লেখা ! আমি প্রকাশনা সম্পর্কে কিছু জানি বলেই বলছি, অনেক অনেক খরচ হয়েছে এটার পেছনে। নইলে এতো ভালো পাতা, বাঁধাই, ছাপা হওয়ার কথা নয়।
২। অন্যদিকে আমি যদি চতুর্মাত্রিক ব্লগের একজন ব্লগার হই- অন্তত চতুর্মাত্রিকের একটা প্রকাশনা বের হলো আমি কিনবো না, এটা হতেই পারে না! (চা খেয়ে আড্ডা দিয়ে অনেক টাকাই তো খরচ করি।)
চতুর্মাত্রিক এগিয়ে যাক।
ভোটাপ হালিম ভাই।
ভুটাপ!
ঈদ মোবারক ভাইটি
বইয়ের নামটা খুব মায়াবতী হইছে মিয়াভাই
ফটুকে ৯কপি বই দেখায় আরেক কপি কি মিয়াভাই অটোগ্রাফসহ বাতিঘরের বরাবরে পাঠাইলেন্নি
শুভকামনা থাকলো আপনার এবং বইটির জন্ন। ব্লগ সংকলনের ব্যাপারে হতাশ হবার কিছু নেই। ইনশাল্লাহ এখনো সময় আছে। আম্রা শেষ সময়ে হুড়াহুড়ি পছন্দ করি অনেকেই, তাই হয়ত,,,, আর ঢাকার বাইরে থাকায় অনেকেই মেলায় আসতে পারেন না নানান কারণে। আমার বন্ধু যাচ্ছে ২০ তারিখে ঢাকায়। ইনশাল্লাহ কয়েক কপি কিনবে আশা রাখি। শুভকামনা থাকলো
প্রিয় চতুরের ব্লগ সংকলনটির জন্ন। ভালো থাকা হোক।
লেখকের মন্তব্য
ঈদ মোবারক !

হা হা হা ! আপনি গুণে ফেলেছেন দেখছি !
দেখা হলে কখনও বই অবশ্যই দেবো, পাওনা থাকলেন ।
আপনে আছেন কুন্ঠে ভাইটি ?
ব্লগ সংকলন নিয়ে আমি এখনও আশাবাদী । যারা দেরি করছেন, ইতস্তত করছেন , তারা খুব দ্রুতই সংকলন কিনে ফেলবেন ।
@আরাশি(মন্তব্য পাগলা ঘুরার(ঘোড়া) মতো কইথে কই যায়গা
) ওরে আমার ভাই রে! আপনি যে কইলেন তাতেই আমার যেনো বইখানা পাওয়া হয়ে গেলো
তয় লেখকের অটোগ্রাফের লোভখান ছাড়ি কেম্নে! তাই আশার বাসারে বহুতলে বাড়তে দিলাম
ওয়াট! ঠুমি জানে না বাতিঘর কই ঠাকে
হাহাহা আম্রিকার এক চিপাগলিতে আছি গো ভাই। আমি আগে ভাবতাম(আমুতে যখন হঠাৎ হঠাৎ আসতেন সেই যুগের কথা কই) 'আরাশি' অনিন্দ্য সুন্দরী এক কন্যা এবং তিনি আম্রিকায় থাকেন
এখন অবশ্য জানছি আতাপাতা কিছুটা। যাই হোক, আমি হুদাই প্যাচাল বেশি করি, ছরি হু! আপনার বইটির জন্য আবারও শুভকামনা থাকলো। ভালো থাকা হোক।
লেখকের মন্তব্য
হা হা হা ! হা হা হা !
আরাশিরে কোন সুন্দরী মাইয়া ভাবতেন ? ভাইরে ! হাসতে হাসতে শেষ !
আচ্ছা, পুরুষ -নারীর লেখার বিষয়- টোন , ধরণ কি একটু আলাদ হয় ? হয় না-কি ?
এই বিষয়ে নুশেরাবু নিশ্চয় ভালো কিছু বলতে পারবেন ।
আর লেখক হিসেবে অটোগ্রাফ দিতে পারার স্পর্ধা এখনও অর্জন করতে পারিনি । বন্ধুত্বের জন্য হয়তো কিছু লিখে দেয়া যায় । লেখাতে উত্তরণের চেষ্টা করি । ভালো লিখতে চেষ্টা করি, এ-ই যা !
@বাতিঘর, আমার জন্যও কিনা হইসে, কিন্তু হাতে কবে পাবো তার কোন ঠিক নাই। তোমার বন্ধু কি আমার জন্য দুই কপি বইয়া আনতে পারবেন? তুমি কি তোমার ঐখান থিকা আমার কাছে পাঠাইতে পারবা? খরচ অবশ্যই বহন করবো। - কাছাকাছির মইধ্যে আর কাউরেই তো দেখতেসি না!
@ আরাশি, ভাই, মাঝখানে এই রকম ভাবে ঢুইকা পড়লাম, ক্ষমা চাই! আশা করি মাফ ক'রে দেবেন!
লেখকের মন্তব্য
যারা পরবাসে আছেন, বই পাওয়া, আর পাওয়ার তাগিদটা আমি ভালোমতনই অনুভব করি, বাপি ভাই ।
এই আলোচনা তাই একদমই অপ্রাসঙ্গিক না এখানে ।
@বাপীভাই, মিয়াভাই গোওওওও আমার বন্ধু তো দেশেই থাকে। সে প্রতিবারই বইমেলা থেকে আমার জন্য বই কিনে ডাকযোগে পাঠায়। সেরামভাবে আপনি পাইতে চাইলে আনিয়ে দেবার চেষ্টায় ত্রুটি থাকবে ভাই। আপনি জানান তাইলে ঠিকাছে? অনেক শুভেচ্ছা, ভালোবাসা মিয়াভাই।
আরাশি ভাই, আপনের আবেগটা বুঝতে কোনই অসুবিধা হয় নাই। এমনিতেই নতুন বইয়ে নাক ডুবায়া যে সুবাস পাওয়া যায় তার তুলনা নাই, আর আপনের তো নিজের বই! আবারও অভিনন্দন!
- বই কেনা, বিশেষ কইরা চতুরদের বই, এবং চতুরের সংকলন কেনার ব্যাপারে আপনার মন্তব্য ও হালিম ভাইয়ের মন্তব্যে আমারই মনের কথা বলা হইসে। খুব আশা করি সংকলনটা সব দিক থেকে একটা উদাহরন হয়ে থাকবে।
- খুব ভালো থাকবেন।
লেখকের মন্তব্য
চতুর্মাত্রিক সংকলন উদাহরণ তৈরি করুক...
আপনার বই অনেক আগেই সংগ্রহ করেছি।
আমাদের সংকলনটাও। ব্লগের লেখা এমনি এমনি পড়া যায় এই ভাবনা থেকে একটু বেরিয়ে এসে যদি আরেকটু ডানা মেলা যায় তাহলে ক্ষতি কি!
আমার বই নিয়েও আমি চতুরদের কাছ থেকে আশা করতে ভয় পাচ্ছি এখন। মূল্য যদিও অনেক কম তবু হয়ত সবার কিনতে ইচ্ছা করবে না, মনে হবে আরে এসব লেখা ব্লগে দেখেছিই তো।
লেখকের মন্তব্য
'ব্লগের লেখা এমনি এমনি পড়া যায় এই ভাবনা থেকে একটু বেরিয়ে এসে যদি আরেকটু ডানা মেলা যায় তাহলে ক্ষতি কি!'
বলতে দ্বিধা নেই, আপনার এই ভাবনাটিই সত্যি । ব্লগারদের নিজেদের প্রতিই নিজেদের আস্থা বা শ্রদ্ধার অভাব প্রকট ।
সবারই ব্লগ সংকলন এবং চতুর ব্লগারদের প্রকাশিত বই অবশ্যই কেনা উচিত।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ, আচার্য ।
অভিনন্দন ভাইয়া , অনেক অনেক শুভকামনা রইলো ।
বইটি হাতে পাবার অপেক্ষায় রইলাম ।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ আর কৃতজ্ঞতা ।
রংধনুরা সবসময় অধরাই রয়ে যায় ।
আরেকবার উষ্ণ অভিনন্দন, শিপন ভাই!

এই বইটা কেনার যে কি ভীষণ ইচ্ছে আমার! শিপন ভাই, আমার জন্য একটা কপি কি আলাদা করে রাখা যায়?
আমি যখন সৌদি যাব (ইনশাল্লাহ - যাওয়ার সমূহ সম্ভাবনা), তখন আপনার কাছ থেকেই কপিটা অটোগ্রাফসহ (কিনতে) চাই, যদি আদৌ সম্ভব হয়।
কারণ দেশে কবে যাব, কোন ঠিক নেই, এখনও।
---
আমার 'সরল রেখা-বক্র রেখা' এখনও হাতে পৌঁছেনি। আমিও অধীর আগ্রহে বই হাতে পাওয়ার অপেক্ষায় প্রহর গুনছি।
লেখকের মন্তব্য
অনামিকা আপুমণি ! আপনার জন্য অবশ্যই বই থাকবে । কিনতে হবেনা ।
আপনি অতিথি হয়ে আসবেন, উপহার হয়েই থাকবে ।
আপনার সঙ্গে আমার দেখা হলেই হয় ।
আগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা ।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ, ভাইডি !
@বাপীভাই, মিয়াভাই গোওওওও আমার বন্ধু তো দেশেই থাকে। সে প্রতিবারই বইমেলা থেকে আমার জন্য বই কিনে ডাকযোগে পাঠায়। সেরামভাবে আপনি পাইতে চাইলে আনিয়ে দেবার চেষ্টায় ত্রুটি থাকবে ভাই। আপনি জানান তাইলে ঠিকাছে? অনেক শুভেচ্ছা, ভালোবাসা মিয়াভাই।
দেশে থাকা চতুরদের সবাই কি ঢাকাবাসী? তা তো না। অন্য জেলাশহরগুলোতে যারা আছেন, উল্লেখযোগ্য বইয়ের দোকান বা লাইব্রেরিতে গিয়ে চতুর্মাত্রিক ব্লগ সংকলনের চাহিদা জানিয়ে রাখুন। সাধারণত বিশ তারিখের পর এই লাইব্রেরি/দোকানগুলো বইমেলায় গিয়ে সংগ্রহকাজ চালায়, এবং চাহিদা-প্রকাশিত বইয়ের বাড়তি কপিও নিয়ে আসে।
নুশেরাপা, চতুর সংকলেরন ক্ষেত্রে ঢাকাবাসী হওয়াটা আবশ্যক নয়। অনলাইনে অর্ডার করে দেশের যে কোন প্রান্ত থেকেই বইটা সংগ্রহ করা যাবে। মানে বলতে চাইছিলাম, যারা ইন্টারনেট দিয়ে চতুরে লগিন করতে পারে অনলাইনে অর্ডার দেয়াটা তেমন কোন হাতি ঘোড়া মারা ব্যাপার না তাদের জন্য। তারপরেও চাহিদা প্রকাশ করে রাখা যায় বাংলাদেশের আনাচে কানাচে চতুর সংকলন ছড়িয়ে দেবার জন্য।
হুঁ, সেটা জানি তবু বলা প্রচারের স্বার্থে। চট্টগ্রামে "বিশদ বাঙলা"র আলম খোরশেদ ভাল বইয়ের প্রচারে কার্পণ্য করেন না। বাতিঘর-এর দীপঙ্কর আছেন। জামালখান এলাকায় প্রথমা-র পেছনে একটা বইয়ের দোকান আছে (অত্যন্ত পরিতাপের কথা, নামটি ভুলে গেছি) যেখানে অতি প্রবীণ স্বত্বাধিকারী, একদার নিষ্ঠাবান বামধারার কর্মী, বাণিজ্যের চিন্তা মাথায় না রেখে মননশীল বই কিনতে রীতিমতো উদ্বুদ্ধ করেন দোকানে আসা প্রত্যেককে। তাঁদের তো জানাতে হবে!
মফস্বলে বইয়ের দোকান বিলুপ্ত হতে চলেছে, তবু কিছু পাঠক সেখানে আছেন যারা সময় নিয়ে বই নেড়েচেড়ে দেখেন, অচেনা লেখকের বইও মান বুঝে কেনেন। রেলের কিছু জংশন স্টেশনের বুকস্টলেও দেখেছি আরজ আলী মাতুব্বর-আনু মুহম্মদের বইয়ের ক্রেতা আছে। সেসব জায়গায় পৌঁছুতে তো হবে!
============
অফটপিক- একুয়ার চতুরকথা দেখুন
লেখকের মন্তব্য
এই পরামর্শটা দারুণ লাগছে , নুশেরাবু !
নুশেরাবু ভালো বলেছেন।
ভোটাপ।
বিশদ বাংলায় কয়েক কপি সোনামুখী সুঁই দেয়ার কথা মাথায় রাখলাম।
আপনার অনুভূতি অনুমানও করতে পারছি না! আপনার কাছে হয়তো বইটা বা আপনি হয়তো বইটাকে পিতৃতুল্য মমতায় আগলে রেখেছেন! তা তো হওয়ারই কথা!!
(কেনার তালিকায় আপনার বইটিও আছে, কিনে ফেলবো ইনশাল্লাহ। ব্যস্ততার কারণে যাওয়া হচ্ছিলে না, কাল যখন গেলাম, তখন সে কী ভীড়! মেলায় ঢুকতেই পেরিয়ে গেছে অনেক সময়।)
---------
ব্লগ সংকলনটা সবার কাছে(চতুরের প্রত্যেকটা ব্লগার) এককপি হলেও থাকা উচিৎ! এটাতো একটা স্মৃতি হিসেবেও থাকতেই পারে! আমি এভাবে চিন্তা করি, ব্লগের প্রথম প্রকাশনাটা আমার কাছেও আছে, আমি কত সৌভাগ্যবান!
--------
লেখকের মন্তব্য
নিজে মেলাতে থাকতে পারছিনা বলে ফিল করছি আরো বেশী ।
পাঠপ্রতিক্রিয়া পেলে ভালো লাগবে, নয়ন ।
নয়ন দা ঠিক আপনার মত করে একটা কৌতুকিয় পাঠ প্রিতিক্রিয়া দেন।
অনেক ভালো লাগবে।
লেখকের মন্তব্য
হুম, নয়নীয় স্টাইলে একটা রিভিই আসতে পারে ।
১। আমি নিজে কথাসাহিত্য কিনতে খুব বেশী আগ্রহী না। দামের জন্য না, পড়ার সময় কম।অনেকসময় আগ্রহও পাইনা, আজকাল বেশীরভাগ গদ্য এমনকি উততর আধুনিক কবিতার চেয়েও দুর্বোধ্য। এখন সেটা আমার ব্রেইনেরও সমস্যা হতে পারে। কি করবো বলেন, ব্রেইন তো আর বদলানো যায় না।
২। প্রবাসীদের বেশীরভাগই অন্তত কিছু বই কেনার সামর্থ্য রাখেন। কিন্তু বইমেলার পর ব্লগের বা ব্লগারদের বই কোথায় পাওয়া যাবে সেটার একটা বর্ণনা ব্লগে থাকলে ভালো হয়।
৩। ব্লগ সংকলন বা ব্লগের বারোয়ারী উপন্যাস মনে হয় ব্লগই বের করতে পারে। ব্লগাররা সবাই বা অনেকে এগিয়ে আসলে ব্যাপারটা কঠিন হবে না বলেই মনে করি (অন্তত আশা করি)
৪। ১ম বার সংকলন বের করা যত কঠিন হয়েছে, পরে আর তা নাও হতে পারে।
লেখকের মন্তব্য
প্রথমেই বলি, দীর্ঘদিন পর আপনার প্রে-পিকে ফুল দেখে ভালো লাগছে । হোক কৃত্রিম ফুল !
আপনার ২নং পয়েন্টের সঙ্গে একমত । এরকম একটি কর্ণার সারাবছরের জন্যই থাকতে পারে , তথ্যকেন্দ্রের মতো । বই বিষয়ক প্রয়োজনীয় তথ্য সেখান থেকে পাবেন সবাই । অন্যভাবেও তথ্য জানা যেতে পারে, আগ্রহীরা , সরাসরি বা ব্লগের মাধ্যমে লেখকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারে । সংকলন বের করাটা হয়তো তেমন কঠিন হয়নি । কঠিন এর প্রচার এবং প্রসার । ধন্যবাদ ।
আমি তো ওই দিনই কিঞ্ছি!!!
আর বই বের করতে হলে এতো ঝামেলা!!!
আমি তো আরো শখ কচ্চিলাম একখান বের করনের লাইগা
লেখকের মন্তব্য
ওইদিন মানে কোনদিন ?
পড়ে কেমন লাগছে, বলেনতো শুনি !
মন্তব্য করুন