আমিন শিমুল-এর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

একটি রোমান্টিক গল্প লিখবার জন্য গল্পটি শুরু হয়। গল্পের শুরু বাছাইয়ে সমস্যা হয়। যাপিত জীবন থেকে কেটে নেওয়া কোন সময়ের থেকে তার শুরু। রোমান্টিক হবার প্রয়োজনেই গল্পের শুরুতে তাই স্বপ্নের পিছে ছুটে চলা কোন মানবকে দেখা যায়। তারপরে আপন শিরোনামেই গল্পের পরিসর বাড়ে খণ্ড খণ্ড দৃশ্য কল্প দিয়ে।
স্বপ্নের হাতছানিতে ছুটে চলা
নগরীর বুকে যখন রাত গভীর হয়, সময়কে যখন ক্ষণিকের জন্য স্থবির মনে হয়, রাতের আকাশের চাঁদকে যখন নিজের রূপালি জোছনার নিঃশেষিত করে ক্লান্ত মনে হয়। সোডিয়াম লাইটের পরাবাস্তব আলোর নিচে বসে থাকা স্বপ্ন বিলাসীকে স্বপ্নাতুর দেখা যায়। রাতের তরল আঁধারে ঝুলে থাকা গাছের ডালের উপর পত্রপতন হয়। হয়তো দূরের আকাশে কোন তারাও খসে পরে। তখনও ধীর লয়ে আসা স্বপ্ন গ্রাস করে চন্দ্রাহত দুঃখবিলাসীকে। নির্মেঘ আকাশকে বিস্তীর্ণ মনে হয়। সময়ের গতিতে গতিশীল হয় একজন অনির্দিষ্ট মানব। অনিঃশেষ পথচলার শেষভাগে জেগে থাকা অথবা রাতের আকাশে তার ভালাবাসা নিঃশোষিত করা কোন এক তারার জন্য তার বুকের ভেতর হু হু করে উঠে নিজের অজান্তেই।
কোন এক বিশুদ্ধ সময়ে অনির্দিষ্ট সাক্ষাত
শেষরাতে ছুটে চলা ট্রেনের সাথে পাল্লা দিয়ে কমে আসে আঁধারের ঘনত্ব। নিঃশব্দ অমবস্যার হাহাকার পুরনো হতে থাকে। সেই সাথে ম্রিয়মান হয় তার ঝাঁঝালো রুক্ষ্মতা। যুবক লেখকের তন্দ্রাভাবের বিরতি ঘটে সেই সাথেই। ট্রেনের ভেতরকার আঁধার তরল হয় ক্রমশ। জনমানবের নড়াচড়া অথবা নিদ্রার তাতে ব্যাঘাত ঘটে না। ক্রমশ অপসৃয়মান আঁধারে আবছা ভাবে ফুটে উঠতে থাকে ভেতরকার অবয়ব। যুবক লেখকের দৃষ্টি তখন বিস্তার লাভ করে ট্রেনের পাশে ছুটে চলা মৃদু কুয়াশাবৃত অনির্দিষ্ট দৃশ্যে। আলোকের আগমনের প্রতীক্ষায় থাকা ধরণীর শান্তভাব ও প্রশান্ত সময়ের টুকরো চিত্র খণ্ডায়িত হয়ে ট্রেনের জানালা বেয়ে যুবক লেখকের চোখে স্পর্শ বুলায়। ধরণীর মাঝে মৃদু আলোর আগমনের ধ্বনি সূচিত হয় পূবের লঘু আলোকরেখার শিহরণে। এমন সময় হঠাৎ -- হ্যা হঠাৎ করেই যুবক লেখকের চোখ আটকে যায় তার সামনের সিটে বসে থাকা নারীমূর্তির দিকে। যাকে তার কাছে অগুরুত্বপূর্ণ অথবা অনাকর্ষণীয় মনে হয়েছিলো সেই নারীর নিষ্পাপ পবিত্রতায় মোড়ানো কোমল অবয়বকে মায়াবতী মনে হয় হঠাৎ করেই। পূবের আলোর স্বর্গীর রেখা যেন তার হাত বিস্তৃত করে গুড়ি মেরে ধীরে ধীরে নিষ্পাপ মায়াবতীর তুষারশুভ্র পবিত্রতার উপরে শ্বাশ্বত দীপ জ্বালায় আপন বিশুদ্ধ আলোকচ্ছটায়। বাইরের প্রশান্ত সময় আর ভেতরের নিষ্পাপ মায়াবতীর দীপকে তার কাছে মনে হয় যেন চমৎকার এক যুগল। আলোকচ্ছটা রূপার কাঠির মতো স্পর্শ করে মায়াবতীর ঘুমাতুর চোখ। নিদ্রাতুর সেই চোখের ফোলা অবয়ব অপার বিস্ময়ে মিতালি পাতায় বিশুদ্ধ সময়ের জন্য। ঘুম ভাঙা নারীর এলো চুল, কাজলবিহীন গভীর টলটলে চোখ একাত্ম হয় সময়ের সাথে। চোখের উপর থাকা সরু ভ্রু যুগলের সঞ্চালন হয় আলোর সাথে। কপোলের কোণে থাকা তিলক ঝিকিমিকি করে উঠে। যুবক লেখক ও নিষ্পাপ মায়াবতী হয়তো সময়ের সাথে মিশে যায় আলাদাভাবে, নিজস্ব ভাবনা দিয়ে। কোন এক অপ্রধান সময়ে তাদের মাঝে চোখাচোখি হয়। মায়াবতীর ঘুমাতুর চেহারায় লাজের চিহ্ন পাওয়া যায় না। বরং সেই মসৃণ গালের সঞ্চালন ঘটে হয়তো অকারণেই। নিঃশব্দ হাসির আভা ফোটে উঠে তার গোলাপী অধরে। তারপরে, হ্যা তারপরে সময় বহমান হয়। প্রশান্ত সময়ের সাথে একান্ত হয়ে যাওয়া দুই মানব মানবীর বোধের সঞ্চালন হয় আপন নিয়মে। একসময় বিশুদ্ধ সময়ের মৃত্যু ঘটে রবির গনগনে বর্ষণে। বিশুদ্ধ সময়ের শুভ্র মায়াবতীর ক্ষণিকের চাহনি জেগে থাকে যুবক লেখকের মনে দারুচিনির মিষ্টি আভা নিয়ে।
নিস্তরঙ্গ দুপুরের পারস্পরিক সময়ানুভব
ঝাঁ ঝাঁ রোদের বুনো গন্ধ থাকে। আপন নৈঃশব্দ্যের প্রখরতায় সে প্রতীয় মান হয় নিজেই নিজের কাছে বিশেষায়িত হয়ে। সেই বুনো রোদ ভেজা ঝলমলে দুপুরে দুজন মানব মানবী মুখোমুখি বসে রয় কোন এক বাংলোর সামনের বারান্দায়। তাদের মুখ বন্ধ থাকে, অথচ চোখে চোখে তাদের ভাব বিনিময় হয় অবিরত। সেই দুপুরের নির্জনতা ভাঙতে অদূরে নারিকেল গাছের মাথায় কাকদের বসে থাকতে দেখা যায়। দুজন মানব মানবীর অদ্ভুত বিষণ্ণ নীরব মিলনের সাক্ষী হয়ে থাকে তারা। দুটি আঁখি পরস্পরের দিকে মুগ্ধতায় চেয়ে রয়, দুই হাতে একে অপরকে আলিঙ্গন করে। তারও অনেক পরে মানবের কাঁধে মাথা এলিয়ে থাকা মানবীকে দেখা যায়। রোদের সোনালি আভায় তার কপোলে মুক্তোর মত কয়েক ফোটা অশ্রুবিন্দু ঝকঝক করতে দেখা যায়। দুটি প্রাণের মিলন দুটি হৃদয়ের মিলন দুটি মনের একাত্ম হওয়া ক্রমশ অস্পষ্ট হয়ে উঠে ধূসর আকাশের উপরে উড়ে বেড়ানো কোন চিলের চোখে। সেই দুপরে মিলন ছিলো, বিষণ্ণতা ছিলো, আনন্দ ছিলো আর সবকিছু ছাপিয়ে দুটি হৃদয়ের মিলন হবার তীব্র গাঢ় যন্ত্রণা ছিলো। মিলনকে বরণ করে পাশাপাশি থাকা দুজন মানব মানবীর স্থবির সময় যাপন উপভোগে রবি মামাও যেন বিকেল শেষ করতে দেরি করে ফেলে।
বৃষ্টিবিরহে আনন্দ ও বিষণ্নতার পাশাপাশি ঝুলে থাকা সময়
কখনো কখনো একটি সময় ছায়া ফেলে অন্য এক অথবা দুই সময়ের উপর। সময় সময়ে মিতালি হয় অথবা কিছু সময়ের জন্ম হয় অপর একটি সময়কে অনুভব করবার জন্য। সেই এক অথবা দুইটি সময় যাপিত হয় ভিন্ন দুজনের অলস ভাবালু অথবা বিষণ্ণ ব্যস্ততাময় মুহূর্তে। নগরীর বুকের কোন এক বারান্দার ব্যালকনিতে কফি হাতে কাউকে দেখা যায় তখন। সে তখন শুধুই নারী থাকে। তার সামনে পড়তে থাকা সাদা বারির দিকে তার মন পরে থাকে। সেই ধারা থেকে কেউ কেউ এসে তার গায়ে হাত রেখে কথা বলে। আধভেজা নারীর হাতের কাপের উঠা কফির ধোয়া সাধারণ দৃশ্যকে কোনভাবে বিশেষায়িত করতে পারে না। অথচ সেই নারীর মাঝে তখন গ্রাস করে বৃষ্টি যাপিত খোলা হুডের কোন রিকশা। বৃষ্টির প্রতিটি ফোটা তার মনের সেই সময়কে ফিরিয়ে আনে।বৃষ্টির এক ধরণের মৃদু কান্না থাকে। সে সময়ের জন্য কাঁদে, সময়কে হারানো মানুষের জন্য কাঁদে হয়তো বা। সুদূর অতীতে যার কোন পূর্বসুরী গ্রাস করেছিলো এক করেছিলো দুজন নর নারীর মনকে। খোলা রিকশায় আনন্দ অবগাহনে আনন্দ ছিলো। সেদিন হয়তো তাদের আনন্দাশ্রু মিশে গিয়েছিলো সেই বৃষ্টির উষ্ণস্রোতে। বৃষ্টি স্নাত ধরার বুকে তখন দুজন মানুষের এক হয়ে যাওয়ার বোধ সঞ্চারিত হয়েছিলো। সেই সময়েই হয়তো শহরের কোন ব্যস্ত অফিসের জানালায় কোন মানবকে দেখা যায়। তীব্র ব্যস্ততার মাঝেও হয়তো কোন অসতর্ক সময়ে তার মাঝেও ঢুকে পরে হারানো সময়ের ডাক। হারানো সময় তাকে ছুঁয়ে যেতে চায়। নাগরিক ব্যস্ততার তীব্র চাপে হয়তো মনের এক কোণে স্থান হয়। তারপরেও সেই সময়ের মাঝে অগভীর ছায়ায় রেখা পাত করে অন্য একটি সময়। যেই সময়ে স্বপ্ন ছিলো ভালোবাসা ছিলো। বৃষ্টিময় সময়ের ভাবনার ঢেকে থাকা ভিন্ন সময়ের দুজন মানব মানবী হয়তো সবার অলক্ষ্যে ধূলোবালির পৃথিবী ছেড়ে অন্য কোন স্বপ্নীল জগতে এক হয়ে প্রতীক্ষায় থাকে নিজেদের অজান্তেই।
কৃষ্ণপক্ষের তীব্র রাত্রিতে কাছাকাছি আসা
সেদিন সমুদ্রে গর্জন ছিলো। আঁধারের মাঝে সেই গর্জন ছাপিয়েও দুজন মানব মানবী তাদের হৃদয়ের স্পন্দন শুনতে পাচ্ছিলো। সেই রাতে প্রেম ছিলো। মনের সাথে মনের অনুভব ছিলো। অনেক আগের ধেয়ে আসা সময়ের মাঝে শুনতে পাওয়া অনির্দিষ্ট দুটো ডাক সেদিন এক বিন্দুতে মিলেছিলো। সেদিন তাদের হাতে হাত ছিলো। সেদিনই তারা পাশাপাশি হেঁটেছিলো। সেই রাতে পূর্ণিমা ছিলো না। তবে কুয়াশায় অস্পষ্ট হয়েও কৃষ্ণপক্ষের চাঁদ ছিলো। সেই চাঁদের অস্পষ্ট অথচ তীব্র জোছনা সেদিন মানব মানবীকে ভিজিয়েছিলো । তারা ভিজেছিলো। তাদের হাতে হাত ছিলো। তাদের সামনের অনন্ত পথ চলাকে তাদের ক্লান্তিহীন মনে হয়েছিলো। অনুভব অনুভূতিতে তারা একে অপরকে জড়িয়ে ধরেছিলো। তাদের মাঝে অন্য ধরণের সেতু বন্ধন ছিলো যেন। সেটা শুধু যেন প্রেম নয়। তাদেরকে গ্রাস করেছিলো চেনা পৃথিবীর কোন অচেনা অনুভূতি। সেই রাতটি হয়তো তাই বিশেষায়িত হয়েছিলো। মনের সাথে মন, হৃদয়ের সাথে হৃদয়ের আলোড়নে হয়তো তাদের অধরযুগল স্পর্শ করেছিলো পরস্পরের। চাঁদ ডুবে গেলে তাদের ভালোবাসাও হয়তো নিরুদ্দেশ হয়েছিলো লোকচক্ষুর সামনে থেকে।
অতঃপর বাস্তব
আরেকটি ব্যস্ত দিনের শেষে যখন ক্লান্ত হয়ে ফয়সল আসে তার কাছে জীবনকে দুঃসহ মনে হয়। জীবনকে বয়ে বেড়ানোর কষ্টে সে সদাই ম্রিয়মান হয়। লুবনাকে দেখেও তার মাঝে নতুন ভাবনার জন্ম নেয় না। প্রতিদিন দেখতে দেখতে ক্লান্ত মনে হয়। লাবিব নামে তাদের ছেলেটির আধো আধো বুলিতে বাব্বাহ বলা হয়তো তার অসহ্য একঘেয়েমিতে আনন্দের মৃদু পরশ বুলায়। লুবনাকে তার কাছে একঘেঁয়ে লাগে। তার স্বপ্ন, তার বিষণ্ণতা তার বিরহ তার ভালোবাসা গুলো বৃত্তায়িত হয়ে থাকে। লুবনা কখনোই ভুলেও সে বৃত্তে ঢুকে না ঢুকবার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে না। পারস্পরিক ভাবনার অসমতার মৃদু দেয়াল ঘিরে থাকে তাদের মাঝে।
সেই দিন অথবা অন্য কোন দিনে রাত্রিকে দেখা যায়। সন্তান না থাকার কষ্ট তাকে গ্রাস করে হয়তো। যান্ত্রিকভাবে ছুটে চলা জীবনের মাঝে নিজের জন্য আলাদাভাবে কিছু করবার ফুসরত পায় না। তার বর তার সোসাইটি তার আশেপাশের মানুষ সবকিছু ছাপিয়ে তার মাঝে অভাব বোধ ঘটে কোন এক অজানা কিছুর। বৃষ্টি জোছনা রোদ তার জন্য হাসে না অনেক দিন। তবুও সম্ভাবনাহীন জীবনের মাঝেও সে খুঁজে নেয় স্বপ্নবিলাসী অলস ভাবালু সময় নিজের সময়ের ক্ষতে প্রলেপ বুলাতে।
এবং শেষ কথা
গল্পটি এই পর্যন্ত আসার পরে থেমে যায় । সময়ের ফ্রেম থেকে কেটে নেয়া টুকরো ছবিগুলো জোড়া দিয়ে গল্প বুনে যায় নানা ভাবেই। মানব মানবী রাত্রি, লুবনা,ফয়সল,রাত্রির বর, লাবিবরা সঞ্চারণশীল হয় তাদের পরিপার্শ্বে। গল্পটি পরকীয়ার হতে পারে, হতে পারে ভালোবাসার, হতে পারে হতাশার। আর হ্যা সব কিছু ছাপিয়ে গল্পটি আসলে রয়ে যায় জীবনের গল্প অথবা জীবনরূপী কোন অসমতার গল্প। অসমতা নিয়ে ছুটে চলা প্রত্যেকটি জীবনেরই তবু শেষ হয়ে যাবার আগে অনন্ত সম্ভাবনা থাকে।
মন্তব্য
১ম হই? ১ম হয়েছি!
===============
গল্পের থিমটা আনকমনই বলা চলে। এগিয়েছে কত সুন্দর করে। ঝরঝরে, ফিনফিনে লেখাতো বটেই!
কিছু কিছু টাইপো কাঁটার মতো বিঁধেছে, পেইন দিয়েছে খুব। শেষ লাইনটা চমৎকারের চেয়েও চমৎকার!
গল্পের মাঝখানের একটি লাইন আমাকে তৃপ্ত করেছে।
এত সুন্দর বুনন! নিখুঁত!
(আপনি যদি কিছু মনে না করেন, ভুলগুলো দেখিয়ে দেবো? অন্তত এটা ঠিক করে নিন, এটা আমার অনুরোধ।
লুবনাকে দেখেও তার মাঝে নতুন ভাবনার জন্য নেয় না। এখানে 'জন্ম' হবে।)
লেখকের মন্তব্য
পড়ার জন্য ধন্যবাদ নয়ন ভাই।
টাইপো কিছু চোখে পড়লো, সেগুলো ঠিক করে দিলাম। আর ধরিয়ে দেয়ার জন্যও আলাদাভাবে বড় থ্যাঙ্কু।
বাপরে। কঠিন গল্প ফেঁদেছেন দেখি। গল্পের প্যাটার্নটা আকর্ষন করলো বেশি।
স্বপ্নের হাতছানিতে ছুটে চলা টা বেশি সুন্দর লেগেছে।
লেখকের মন্তব্য
প্যাটার্ণ নিয়ে সবসময়ই কিছু করার চেষ্টা করি। সেই দিক থেকেও কাজ ছিলো বলা যায়।
প্যাটার্ণ ভালো লাগছে জেনে ভালো লাগলো।
আমার কাছে কিন্তু শেষ প্যারাটাই সবচেয়ে ভালো লাগছে।
এই গল্প খুব মন লাগিয়ে পড়তে হবে। আপাতত 'ইটা' রেখে গেলাম।
লেখকের মন্তব্য
আপনার মতামতের অপেক্ষায় রইলাম।
ছোট ছোট শব্দের সুন্দর গাথুনি এবং কিছু পারিপার্শ্বিক ঘটনার বর্ননা দিয়ে বেশ একটা রোমান্টিক পরিবেশ জন্ম নিয়েছে।এখানেই লেখকের সাফল্য।বিেশষ করে " মিলনকে বরণ করে পাশাপাশি থাকা দুজন মানব মানবীর স্থবির সময় যাপন উপভোগে রবি মামাও যেন বিকেল শেষ করতে দেরি করে ফেলে" এই লাইনটা বেশ লেগেছে।
লেখকের মন্তব্য
হালুম ভাই, আপনার ভালো লাগা আমাকেও ছুঁয়ে গেলো।
হালুঊঊম
হালুঊঊম
পড়লাম আলাদা টাইপ লাগছে একদম
কিন্তু আমি মনে হয় ঠিক লেখার ভেতর ডুবে যেতে পারিনি
যতটা মনোযোগ দেয়া দরকার ততটা দেয়া সম্ভব হয়নি এখন, পরে হয়ত কখনো পড়বো আবার
শেষ লাইনটা অসম্ভব ভালো লেগেছে
লেখকের মন্তব্য
আলাদা টাইপ কি ভালো না খারাপ অর্থে????
শেষ লাইনটা আমারো ভালো লাগছে।
আবার পড়লে( যদি পড়) মতামত জানবার অপেক্ষায় রইলাম। না জানালেও হবে
এডার মধ্যে নেগেটিভ দাগাইছে কে? ব্যান করা লুকজন রেটিং দিতে পারে না ত?! তাই না?
লেখকের মন্তব্য
হা হা হা।
নেগেটিভ পজেটিভে কী আসে যায়। আপনে বলার পরেই খেয়াল করলাম, কেউ নেগেটিভ দাগাইছে
আপনার মতামাতের অপেক্ষায় রইলাম ভাই।
পড়লাম, শিমুল।
লেখকের মন্তব্য
আপনার পাঠে অনুপ্রাণিত প্রিয় আরাশি
উত্তরাধুনিক গল্প হৈয়া গেছে
খুব যে ভাল লাগছে সেটা বলব না তয় খারাপ লাগেনি ! আপনার কয়েকটা গল্প আছে যেগুলা অনেকদিন মনে থাকবে কিন্তু এই গল্পটা সে তালিকায় পড়বে না !
লেখকের মন্তব্য
উত্তরাধুনিক হৈয়া গেছে -- এই কথাটা শুনে বেশ মজা পাইলাম।
তবে আপনার মন্তব্যটা কিন্তু বেশ ভালো লাগলো। কারণ আপনি কিছু গল্পে এত ভালো ভালো বলে যান, যে নিজেই কনফু খাই আসলে কতটুকু কি ভালো হইতেসে। সব গল্প যে সবা ভালো লাগতে হবে এমন কোন কথা নাই । আর সব গল্প যে ভালোই হবে তাও কথা না । হা হা হা।
যাউকগা আপনে আবার ভাইবেন না আমি মাইন্ড খাইছি। আমি বরং এইরকম কমেন্ট পাইলে বেশি খুশি হই। আমি নিজে সৎভাবে সমালোচনা করি তাই নিজের লেখার সৎ সমালোচনা কেউ করছে দেখলে উৎসাহিত হই।
ভালো থাইকেন মাসুম ভাই।
এই লেখায় নিগেটিভ রেইটিং কে করলো, জানতে মুঞ্চায়। দুষ্ট গরুরা কি রেইট করতে পারে?
- এই গল্পটা অন্য রকম মনে হইলো, নিরীক্ষা চলতেসে?
- আসল কথা, পইড়া ভালো লাগসে।
- ভালো থাইকেন!
লেখকের মন্তব্য
হা হা হা। চতুরের আগের সিস্টেম থাকলে ধরে ফেলতে পারতাম হয়তো ভিজিটর লিস্ট ধরে। অবশ্য সেটা জানাটাও খুব গুরুত্বপুর্ণ না। দুষ্টু গরুরা শিং বাকা করে শান্ত মহিষ সেজে তো ঢুকতেই পারে অন্তত রেটিং করতে !!
যা হোক আপনার পাঠে অনুপ্রাণিত হলাম বাপী ভাই।
লেখা নিয়ে একটু পরীক্ষা নিরীক্ষা সব সময়েই চলে আর কি।
আপনিও ভালো থাইকেন অনেক।
গল্পটা খুব ডিফ্রেন্ট লাগলো ভাইয়া। কিন্তু আমার জন্যে কিছুটা কঠিনও মনে হল। কিন্তু পড়তে ভালো লাগছিলো। একেকটা শব্দ টেনে টেনে ধরে রাখছিলো।
লেখকের মন্তব্য
মাসুম ভাই এটার ভালো বিশেষণ দিয়া দিছেন। উত্তরাধুনিক টাইপ হয়ে গেছে। গল্পটা অনেকটাই নিজের জন্য লেখা। নিজে এক বোধ থেকে লিখছি। তবে সুযোগ রাখার ট্রাই করছি অন্য এঙ্গেল থেকে দেখবার। লেখাটার প্রাঞ্জলতা নিয়ে কাজ করবার জন্য ভবিষ্যতের কাজ হিসাবে নোটে রাখলাম।
শব্দের ব্যবহার নিয়ে কমপ্লিমেন্ট পাওয়া নতুন না। তবে প্রতিবারই নতুন করে ভালো লাগে।
ভালো থাকবেন একুয়া।
কঠিন গল্প।
পড়লাম মনোযোগ দিয়ে।
লেখকের মন্তব্য
ধৈর্য ধরে পড়বার জন্য ধন্যবাদ করিম।
খরচ বাড়াই দিলেন। এই গল্পটা পৈড়াই আমার কফি খাইতে মন্চাইলো।
যদিও গল্পটা ঠিক "কফি খাইতে খাইতে পড়তে ইচ্ছে করলো" টাইপ হালকা না মোটেও।
বরং পুরানো দিনের ভালো কাগজের বইয়ের মত, সাইজ কম হৈলেও, ওজন বেশ বেশি।
========
অত:পর বাস্তবের প্রথম প্যরাটা আলাদা ভাবে ভাবাইছে। মানে, এই ধরনের একটা ভয় সবসময় থাকেই, না?
মানে, কোম্প্যানিয়ন আপন না হৈলে একটা যার যার বৃত্ত নিয়ে থাকতে হবে সারা জীবন----ডিসগাস্টিং।
========
লেখায় পরিপূর্ন মনোযোগ দেয়ার জন্য ধন্যবাদ। আমরা আবার রেগুলার শিমুলরে পাবো আশা করা শুরু করছি।
লেখকের মন্তব্য
আপনার মন্তব্যটা পড়ে বেশ লাগলো। কারণ অন্তত একজন হলেও গল্পের পাঞ্চ লাইনে যাইতে পারসে। অত:পর বাস্তব পুরা প্যারাটাই আসলে গল্পের ট্রানজিশন এবং আগে বলা এতগুলো প্যাচালের পিছনের কারণ!!!
ব্যাপক সম্মানিত। আশা করছি আগের চেয়ে রেগুলার থাকতে পারবো সামনে।
= = = = =
সেমি অনটপিক : লেখার ট্যাগ খেয়াল করছেন?? কপিরাইট লঙ্ঘন করেই আপনার গল্পের নাম থেকে চোথা মাইরা দিছি ।
= = = = =
অফটপিক : আপনার ঐ গল্পের নামটা আমার মাথায় ভালোমতোই বইসা গেছে। ধরেন , কার্ড খেলতে বসি, খেলা দিতে দিতে বলি, কিছু একটা খেলার জন্য একটা কিছু খেলা, রানতে যাই, কিছু একটা রাঁধার জন্য একটা কিছু রাঁধা, খাইতে গেলে, কিছু একটা খাওয়ার জন্য একটা কিছু খাওয়া ইত্যাদি। ধরেন আশেপাশের মানউষ আমার উপর ব্যাপক বিলা আর সেটা দেইখা আমি ব্যাপক মজা নেই। আপনের গল্পের নাম বিখ্যাত কইরা দিতাসি !!
হুম, গল্পটা ভালো হৈলেও, জটিলতা কিন্তু নাই। মানে এই গল্পের সফলতা কিন্তু এইটাই, আমার ধারনা, যে কোনো মনোযোগী পাঠককেইই মূল বক্তব্যে নিয়ে যেতে পারবে।

সেমি অনটপিক আর অফটপিক:
কেন, আপনে খেয়াল করেন্নাই, "কিছু একটা লিখতে ইচ্ছে করছে" টাইপ এটা ট্যাগ কিন্তু অলরেডি আছে। সো, আমার কপিরাইট আসলে চিপায় আছে। অনেক আগে একটা টাইটেল "আমি এখানকার কেউ নই, আমি এখানার ছিলাম না কখনো" ও এমন আনন্দ দিছিলো আমারে, মানে, মানুষ ভালোবাসছিলো। আমার তো খুবই ভালো লাগে শুনলে।
লেখকের মন্তব্য
ঐ টাইটেলের লেখাও বুক মার্ক করলাম। সময়ে অসময়ে ভ্রমন করা যাবে ।

কঠিন জীবন বোধের গল্প। তবে গল্পটি গল্পের কারনে নয়, আপনার নিরাসক্ত বর্ণনা ভঙ্গির পারঙ্গমতার জন্যই বেশি ভালো লাগলো। ছোট ছোট কিছু বাক্য, উপমা সত্যি অসাধারন। এমন কিছু সুন্দর হৃদয়ছোঁয়া বাক্য আমি সংগ্রহে নিলাম।
এখানে আপনি দাম্পত্য জীবনের একঘেয়েমীতার যে ছবি এঁকেছেন। এতে ভালোবাসার অনুপস্থিতিটাই প্রকটভাবে ধরা পড়লো। ভালোবাসাহীন দাম্পত্য জীবন বড় পানসে, বড় একঘেঁয়ে। এমন জীবন যাপন করা সত্যি কঠিন। নিজের গড়া নীড় যখন পানসে মনে হয়, তখনি মানুষ অন্য নীড়ে সুখ খুঁজে। তাই দাম্পত্য জীবনে বৈচিত্র্যটা খুব জরুরী। ধন্যবাদ আমিন শিমুল।
লেখকের মন্তব্য
বাহ !! সুন্দর মন্তব্য।
হ্যা, আপনার
এই কথাটি খুব খুব মনে ধরলো।
তবে গল্পটি কয়েকেটি এঙ্গেল থেকে দেখবার সুযোগ আছে।
আপনার মনযোগ পাঠে প্রীত হলাম।
ভালো থাকুন ঈশান ভাই।
গল্প নিয়ে কোন মন্তব্য নয়।
অসাধারন লেখা।
একটা লাইন এর সঙ্গে আর একটা লাইনের মিল দেখে মনে হলো কোন গল্প নয় কবিতা পড়লাম।
লেখকের মন্তব্য
পড়বার জন্য ধন্যবাদ মনির।
আমার ব্লগে স্বাগতম।
ভালো থাকবেন।
গল্প পড়ছি- এটা মনে হচ্ছিল না। চমৎকার মুক্তগদ্য অথবা কাব্যগল্পের ধরণ পুরো অবয়বে।
শেষ করে ট্যাগে গল্পসংশ্লিষ্ট দু-দুটো ট্যাগ দেখে আরেকবার পড়লাম। প্রথমপাঠের মুগ্ধতা অক্ষুণ্ণ রইলেও এবার মনে হলো, লেখাটা তার শেষ লাইনের মতোই, অসমতা অথবা অপরিপূর্ণতা নিয়ে শেষ হবার আগ পর্যন্ত 'গল্প' হিসেবে প্রচণ্ড সম্ভাবনা জাগিয়ে রেখেছিল। কেন অপরিপূর্ণ মনে হয়েছে একটু বলি। একটা মালা গাঁথা হবে, তার জন্য পুঁতি সাজানোর প্যাটার্নটা ঠিক করা হয়েছে নিখুঁতভাবে, পুঁতিগুলো মজুদ, সুতোটাও পোক্ত, কিন্তু মালাকার যেন পুরোটা গাঁথলেন না। শুধু বোঝালেন, এভাবে গাঁথা হতে পারে- দিস ইজ দ্য ওয়ে আই ইনটেন্ডেড টু গো অ্যালং। অবশ্যই এমন সম্ভাবনাও আছে যে সেটাই গল্পকারের উদ্দেশ্য ছিল!
=================
কেউ হয়ত “অপ্রয়োজনীয় ছিদ্রান্বেষণ” বলবেন, তবু না বললেই নয়, প্রচুর টাইপো রয়ে গেছে, বিশেষ করে ড়/র।
মসৃণপাঠের পথে স্পিড ব্রেকারের মতো খাড়া হয়ে থাকে সমাপিকা/অসমাপিকার অমনোযোগী প্রয়োগ (উঠা কফির ধোয়া, হু হু করে উঠে, অস্পষ্ট হয়ে উঠে, সে বৃত্তে ঢুকে না ইত্যাদি। কপোল, মুক্তো, ধুলোবালি-- এধরণের প্রমিত শব্দরূপের পাশে ওগুলো চোখে লাগে)।
অবিচ্ছিন্ন একক শব্দের দুটি অংশের মাঝে অনাবশ্যক স্পেসের উপস্থিতি; যেটা কখনো কখনো অর্থবোধকতাকে মিসলিড করতে পারে। বৃষ্টি যাপিত, রেখা পাত, সেতু বন্ধন, অভাব বোধ—এরকম কিছু উদাহরণ।
============
নিয়মিত আসুক গল্প।
লেখকের মন্তব্য
একটা গল্প লিখতে গেলে সময় দিতে হয় শ্রম দিতে হয়। আর গল্পের পরে এমন একটা মন্তব্য পড়লে মনে হয় সেই শ্রম সেই সময় পুরোটাই উসুল। অনেক ধন্যবাদ নুশেরাপা চমৎকার মন্তব্যটির জন্য।
মূলত নিরীক্ষাধর্মী লেখা। মুক্তগল্পের আদলে অল্প অল্প করে পট সাজাতে চেয়েছি গল্পটির জন্য। আর যখন তা সেজে গেছে তারপরে অল্প ক্লু দিয়ে পাঠকের হাতে ছেড়ে দেয়া আর কি !! মানে আপনার কথা মতো মালা গাথার পুঁতি সুতা সবই দেয়া আছে ওয়েও বলা আছে, শুধু পাঠকের হাতে রেখে দেয়া আছে গাঁথার কাজটি। মানে পাঠক গেঁথে নিক বাকি টুকু। আবছা আদলে তেমনই চাওয়া ছিলো।
তেমনই ইঙ্গিত প্রছন্ন গল্পের শেষের দিকে।
= = = = =
এবার টাইপোর ব্যাপারে বলি। আমার ইদানিং কোন একটা সমস্যা হয়েছে হয়তো। লেখায় প্রচুর টাইপো হয়। বিশেষ করে ড় আর র এর ব্যাপার গুলো। স্পেস জনিত ভ্রান্তিগুলো অজ্ঞাত সারে। আর সমাপিকা অসমাপিকার অসচেতন প্রয়োগ অজ্ঞানতাবশত। সময় করে ঠিক করে নিবে।
আর অবশ্যই একটা কথা, সেটা হলো আমার বানান ভুল কিংবা লেখার ত্রুটি ধরিয়ে দিলে কৃতজ্ঞ থাকবো। অকারণ ছিদ্রান্বেষণ ভাবার কোন প্রশ্নই আসে না।
ভালো থাকবেন।
লেখকের চাওয়া অনুযায়ী গল্প পার্ফেক্ট হয়েছে। পাঠক হিসেবে স্পুন-ফেড হতে চাওয়াটা ভাল কথা না, বরাবর সেটাই করি
=================================
অসমাপিকা-সমাপিকার ব্যাপারটা কঠিন নয়, আসলে এটাকে ত্রুটি বলা যায় কি না তাও নিশ্চিত নই, তাই আগের মন্তব্যে বলেছিলাম "অমনোযোগী প্রয়োগ"।
গল্পের ভাষারীতিতে আজকাল যথেষ্ট বদল এসেছে, বেশ প্রাকৃত ছাপও দেখা যাচ্ছে, সেখানে ক্রিয়ার রূপ প্রমিত থেকে আলাদা। যেমনভাবে 'করি নি খাই নি'ও সেখানে অনায়াসে 'করি নাই খাই নাই'।
কিন্তু যেখানে লেখাটা প্রমিত ভাষার অনুসারী, সেখানে আরেকটু বেশি সতর্কতা দরকার।
কোন ব্যাকরণবই থেকে না, নিজে যেভাবে বুঝেছি, একটু শেয়ার করি, ভরসা পেয়েছি বলেই
দোলনাটা দোলে। এ বাক্যে ক্রিয়াপদ একটাই, “দোলে”, তাতে বাক্যের ভাব সম্পূর্ণ প্রকাশিত। “দোলে” সমাপিকা ক্রিয়া।
দোলনাটা দুলে ওঠে। এখানে “দুলে” অসমাপিকা ক্রিয়া। “দোলনাটা দুলে” পর্যন্ত বললে বাক্য সম্পূর্ণ হয় না, আরেকটা ক্রিয়াপদের (“ওঠে”; এটা সমাপিকা) প্রয়োজন হয়। আরো সম্প্রসারণ দেখুন: দোলনাটা দুলে উঠে থেমে যায় (দুলে, উঠে, থেমে- তিনটি অসমাপিকা ক্রিয়াকে সম্পূর্ণতা দিচ্ছে সমাপিকা 'যায়')।
সংক্ষেপে কিছু উদাহরণ, বলা বাহুল্য প্রমিত ভাষারীতির জন্য অধিকতর প্রযোজ্য:
উদাহরণ ১
দোলনাটা দোলে (“দুলে” হবে না)
দোলনাটা দুলে ওঠে (“দোলে ওঠে”/“দোলে উঠে”/“দুলে উঠে” হবে না)
উদাহরণ ২
প্লেনটা আকাশে ওঠে। (“উঠে” হবে না)
প্লেনটা আকাশে উঠে যায়। প্লেনটা আকাশে উঠে গেল (“ওঠে” যায়/গেল হবে না)
উদাহরণ ৩
সে চেয়ারে বসে। (“বসে” সমাপিকা; যার উচ্চারণ “বসে”)
সে চেয়ারে বসে পড়ল (“বসে” অসমাপিকা; যার উচ্চারণ “বোসে”; একসময় এরকম একই বানান অথচ ভিন্ন উচ্চারণের অসমাপিকা ক্রিয়াপদগুলোকে একটা ' দিয়ে আলাদা চেহারা দেয়ার ব্যাপারটা খুব চালু ছিল, এখনও কেউ কেউ করেন। ব'সে ব'সে (উচ্চারণ বোসে) খেলে রাজার ধনও ফুরিয়ে যায়। একইভাবে, সে মাষ্টারি করে (করে=সমাপিকা; উচ্চারণ “করে”); বিপরীতে সে মাষ্টারি ক'রে খায়- এখানে ক'রে=অসমাপিকা; উচ্চারণ “কোরে”।
আগের উদাহরণগুলো থেকে আরেকটু বলা যায়-
দোলনাটা দুললো (“দোললো” হবে না)
প্লেনটা আকাশে উঠল। (“ওঠল” হবে না)
==============================
প্রাকৃতমিশ্রণের ভাষারীতি আছে আমার একটা গল্পপ্রচেষ্টায় , পড়লে খুশি হব, লিঙ্কবাজি ক্ষমা হোক
লেখকের মন্তব্য
মন্তব্যের জবাব শেষ থেকে শুরু করি। আপনার গল্প পড়তে সুযোগ করে দেয়ার জন্য ধন্যবাদ। পড়ার পরে পাঠ প্রতিক্রিয়া আপনার ওয়ালে রেখে বা ব্লগে রেখে আসবো। আর ভাষারীতি বিষয়ে প্রাকৃত ভাষার প্রয়োগ এখনো রপ্ত করতে পারি নি বলে এই লেখাটা পড়ে নিজেকে সম্বৃদ্ধ করতে পারবো আশা রাখি।
সমাপিকা অসমাপিকার ব্যাপারগুলো জলের মত পরিষ্কার এখন। চমৎকার উদাহরণ সহ ব্যাখ্যা করবার জন্য ধন্যবাদ। ভাষার শুদ্ধ নিয়ম শেখার ব্যাপারে আমার বরাবরই আগ্রহ। তআই ব্যাপারটা থেকে অনেক কিছু নিতে পারবো পরের লেখা গুলোর জন্য। সংবৃত বিবৃত উচ্চারণের ব্যবহারে সমাপিকা অসমাপিকার উদাহরণটা জনাতাম তবে যা জানতাম না সেটা হলো চিহ্ন ব্যবহারের ব্যাপারটা।
আর গল্প বইষয়ে আপনার মতামত নিয়ে বলি। পাঠকের দর্শনে ভালো খারাপ বলে কিছু নাই। এটা প্রবণতা মাত্র। আমি পাঠক হিসাবে সবসময়ই একটু স্পেস চাই। লেখক যখন চাপ দেয় একটু অস্বস্তি লাগে। সেটা লেখার সময় মাথায় থাকে বলেই হয়তো গল্পের মাঝে একটু স্পেস রাখার চেষ্টা করি। সমস্যা হলো লেখনীগত দুর্বলতার কারণে অনেকসময়ই পাঠকের কাছে ব্যাপারটা যেভাবে প্রকাশিত হওয়া দরকার তা হয় না। এটা নিয়ে আমি নিজেও কাজ করছি। সময়ে ঠিক হয়ে যাবে।
অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। আপনার থেকে মন্তব্য নিয়মিত প্রত্যাশা করবো নিজের ভুলচুক শুধরে নেয়ার জন্যই।
ভালো থাকবেন।
লিঙ্কের লেখাতে প্রাকৃতভাষার প্রয়োগ নগণ্য; আসলে প্রসঙ্গটা এল বলে এক উছিলায় লিঙ্ক গছিয়ে দেয়া আরকি হাহাহা। মন্তব্য কিছু থাকলে, এবং আপত্তি না থাকলে, এখানে এই থ্রেডেই লিখতে পারেন, আমার ব্লগে এই গল্পটা নেই তো।
ভাষারীতিতে প্রাকৃতের মিশ্রণ নিয়ে আসাটা পটভূমিনির্ভর ছিল হয়ত একসময়, গত একদশকে বিশেষ করে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অবস্থা পাল্টে গেছে অনেকটা। টিভিনাটকে যেমন ফারুকীগ্রুপ (শুরুটা বোধহয় আনিসুল হকের কলমে ঘটে, ৫১বর্তী সিরিয়ালে), তেমনি মৌলিক সাহিত্যে অথবা বিশ্লেষণী আলোচনায় করেছেন ও করছেন বেশ কয়েকজন (রাইসু, মাহবুব মোর্শেদ, সালাহউদ্দিন শুভ্র প্রমুখের লেখা নেটেই দেখে থাকবেন)।
আবার আরেকটু সিনিয়রদের মধ্যে কামরুজ্জামানজাহাঙ্গীর- হুমায়ুনমালিক- মামুনহুসাইনদের ব্যাপারটা বোধহয় একটু আলাদা। এঁদের লেখায় সমাজ-রাষ্ট্র-প্রতিষ্ঠান প্রবল অথবা প্রচ্ছন্নভাবে উপস্থিত থাকে; পাশাপাশি অ্যান্টিএস্টাব্লিশমেন্ট ভাবের লালন থেকে ভাষারীতি নিয়ে যথেষ্ট পরীক্ষানিরীক্ষাও। বাংলা একাডেমিও এস্টাব্লিশমেন্টের অংশ, কাজেই তার সেট করে দেয়া প্রমিতরূপ ভাঙার ব্যাপারটার গুরুত্ব অন্যরকম বৈকি। জাহাঙ্গীরভাইয়ের সঙ্গে মাঝেমধ্যে আলাপের সুযোগ হয়, আকাটমূর্খ আমি কিছু জ্ঞান অর্জন করি। লিঙ্কের গল্পটা উনার একটা মন্তব্যের সূত্রে লিখেছিলাম।
================
আমার লেখা নেহাতই হাবিজাবি, পড়ে সমৃদ্ধ হবার কিছু নেই, কাজেই ধন্যবাদফাদ আপাতত বাদ
লেখকের মন্তব্য
গল্পটা পুরোটা পড়ে উঠতে পারি নি ব্যক্তিগত ব্যস্ততার কারণে। আর গল্পটা আরো মনযোগ দাবি করে বলেই সময় নিয়ে পড়ব বলে ঠিক করলাম। প্রাকৃত ভাষার প্রয়োগ বিষয়ে মাহমুদুল হকের ব্যভার খুব ভালো মনে হয়েছে মূল ধারার সাহিত্যে। রাইসুর কবিতা খুব বেশি পড়া হয় নি, আর বিতর্কিত চরিত্র বলে কিছু বলছিও না, তবে মাহবুব মোর্শেদ আর সালাহউদ্দিন শুভ্রের লেখা পড়া হয়েছিলো সামুর সূত্র ধরে। তাদের প্রয়োগ আমার কাছে যথেষ্টই পরিমিতি বোধ সম্পন্ন মনে হয়েছে। তবে নাটক জগতে ফারুকী এন্ড কোং এর ব্যবহৃত ভাষাকে আগি প্রাকৃত বলবো না। সেটা আমার কাছে খুবই কৃত্রিম ও বিরক্তিকর মনে হয়। আসলে অভিনেতা অভিনেত্রী ভেদে তা ভেরিও করে বলেই হয়তো এমন মনে হয়েছে। তারপরে যাদের নাম উল্লেখ করলেন তাদের কাজের সাথে আমি পরিচিত নই। তবে আপনার কমেন্টের পরে আগ্রহ পেলাম পড়ে।
অফটপিক : একুয়ার পোস্টে আপনি জাফর স্যার নিয়ে বলতেই সামুতে আমার এই লেখাটার কথা মনে পড়লো। জাফর স্যার বিষয়ক কড়া সব সমালোচনা আমি একচুয়াল ভারচুয়ালে প্রতিনিয়তই করি। তবে উনিও চতুরের লেখা পড়েন জেনে ভালো লাগলো।
বার তিনেক পড়লাম। মুক্তগদ্যের অথবা কাব্যের আদলে বলার ভঙ্গীটি চমৎকার লাগল। প্রতিটি ফ্রেমের মধ্যে সচেতনভাবে যে স্পেসটুকু পাঠকের জন্য ছেড়ে দেয়া হয়েছে, তা ভাবনার জগতকে আলোড়িত করেছে। আমি ভাল পাঠক বা সমালোচক না। পড়তে ভাল লাগলে টুপ করে ডুবে যাই, মোহাবিষ্ট থাকি। এটি সে রকমই একটি লেখা।

লেখকের মন্তব্য
বার তিনেক পড়ছেন সেটা শুনেই আমি ফ্ল্যাটারড !!!
লেখাটা আপনার ভালো লেগেছে জেনে অনেক ভালো লাগলো।
ভালো থাকবেন অপাপু।
"অদ্ভুত বিষণ্ণ নীরব মিলনের সাক্ষী"
কোথায় যে এমন শব্দ পান।
অফটঃ আমাদের বই এ আপনার লেখা পর্ব টুকুর বেশ প্রশংসা করেছে আমার ব্যাটারী, আজ দুপুরে খেতে বসে শুনেছি। আজ রাতে পুরা পাঠ শেষ হবে তার।
লেখকের মন্তব্য
আপনার পাঠে প্রীত।
অফট : ভাবী কে সালাম পৌছে দেবেন ( লেখার প্রশংসার জন্য না এমনিতেই)।
ঐদিন আপনার কোন এটা কমেন্ট দেখে চোখ আটকে গেছিলো। আমাদের বই কিনছে পাবলিক, পাশে দাঁড়িয়ে পরিচয় দিতে বিব্রত হচ্ছেন এমন কিছু। মনে হলো আমইও যেন আপানর পাশে দাঁড়িয়েই সিচুয়েশনটা অনুভব করলাম। সরলরেখা বক্ররেখা নিয়ে খুব বেশি উচ্ছাস হয়তো প্রকাশ করিনি। তবে আমার মধ্যে চাপা উচ্ছাস আর রোমাণঋ্চ কাজ করছে শুরু থেকেই।
গতকাল আমাদের বইয়ের ক্রেতা অনেক বেশী ছিল। নিয়াজ ভাই এবং আমি দেখছিলাম। নিয়াজ ভাই আমার চেয়ে ভাল বলতে পারবেন।।।
আরেকটা বিষয় যোগ করি আমি, আমাদেরকে ঘিরে পাঠকদের উচ্ছ্বাস ছিলো চোখে পড়ার মতো, শিমুল ভাই। অটোগ্রাফ দেবার জন্য আমরা কেউ-ই মনে হয় প্রস্তুত ছিলাম না মানসিকভাবে। এই বিষয়েও পাঠকদের উত্সাহ ছিলো দেখার মতো। আমরা বিব্রতবোধ করছিলাম এই বিষয়ে খানিকটা স্বভাবতই। কলম নেই সাথে বলেও নিস্তার পাচ্ছিলাম না। এই বিষয়টাও রোমাঞ্চ ছড়িয়েছে আমাদের মাঝে।
কিছু শ্রদ্ধেয়জনকেও অটোগ্রাফ দিতে হয় আমাদের শেষ দিকে, একাধারে রোমাঞ্চ এবং নার্ভাস বোধ করছিলাম তখন।
অন্যদিকে, কলম নেই অজুহাতে অটোগ্রাফ দিতে গড়িমসি করছি আমরা, অন্য একটা ব্লগ মারফত এটা জানতে পেরে, আমার এক ছোটবোনসম বন্ধুপত্নী পরদিন কলম পাঠিয়ে দেয় বন্ধুকে দিয়ে, এই বিষয়টাও আপ্রুত করেছে আমাকে।
গল্পটা দেখেছিলাম। একটু তাড়াহুড়ো থাকায় পড়িনি তখন। রেখে দিয়েছিলাম সময় নিয়ে পড়বো বলে। এবং পড়লাম।
ঘোর লাগানিয়া, বরাবরের মতোই।
লেখকের মন্তব্য
আপনার পাঠে প্রীত মানিক ভাই।
তবে গল্পটা নিয়ে একটু কাটছাটের জায়গা আছে আমার নিজের কাছেই।
সময়ে এডিট হবে।
বিন্যাসের ধরণ দারুণ লাগলো এবং লিখাটা তো অবশ্যই। অনেক বেশী ভালো লাগা।
লেখকের মন্তব্য
আমার ব্লগে আপনাকে স্বাগতম ভাই।
পড়বার জন্য ধন্যবাদ।
আপনার কয়েকটা লিখা পড়েই আপনার ভক্ত হয়ে যাচ্ছি ভাই।
অনেক অনেক অভিনন্দন। আপনি অনেক ভালো লিখেন। 
দৃশ্যগুলোর বর্ননা ভালো লেগেছে । ভালো লেগেছে লিখাটার ফ্লুয়েন্সি । আমি বলবো লিখাটা গল্প বা মুক্তগদ্য দুটোর মাঝামাঝি কিছু বা শুধুই দৃশ্যকল্প
। এই স্টাইল্টা আমার খুব ভালো লাগে । পাঠে মুগ্ধ ।
লেখকের মন্তব্য
আপনার পাঠে প্রীত হলাম ও সম্মানিত বোধ করলাম। আপনার কবিতা ও গান নিয়ে পোস্টগুলো ভালো লাগে বলেই হয়তো আপনার কাছ থেকে মন্তব্য বেশি অনুপ্রেরণা দিলো।
ভালো থাকবেন কবি।
বাহ। সুন্দর।
লেখকের মন্তব্য
পড়বার জন্য ধন্যবাদ।
শিমুল ভাই, গল্পবলার ধরণটা আমাকে বেশ ছুঁয়ে গ্যালো। শব্দের গাঁথুনি মজবুত। আর আমার ভালো লেগেছে। আপনার প্রত্যেকটা লেখার ভিন্নতা আমাকে মোহগ্রস্থ করে শিমুল ভাই। স্রেফ গল্প হিসেবে কতোটা সফল সে ব্যাপারে লেখাটাকে নিয়ে ভাবার অনেক কিছুই আছে। বলা যেতে পারে "মুক্তগল্প'।
লেখকের মন্তব্য
গল্প মুক্তগদ্যের মাঝামাঝিই লেখাটা। তাই গল্প হিসাবে স্বার্থকতার অবজার্ভেশন টুকে রাখলাম নিট হিসাবে। আপনার ভালো লাগায়ও অনুপ্রাণিত হলাম। বিষয়ক অথবা প্যাটর্ণে কিংবা বর্ণনা ভঙ্গির ভিন্নতা রাখবার চেষ্টা করি। এখনও শিখছি।
লেখাটা পড়বার জন্য এবং মতামত জানানোর জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানবেন।
পথ থেকে ছিলাম দূরে সরে, ইচ্ছায় বা অনিচ্ছায়, পথের উপর পথের পাশের কত অমূল্য সম্পদের তাই পাই নি সন্ধান এতদিন। আজ অবেলায় পথ থেকে পথে, ঘুরতে ঘুরতে অবশেষে 'স্বপ্ন, ভালোবাসা অথবা যাপিত জীবনের গল্প' ধরা দিল আমার দু'চোখে। আলাদা ধরণের কাঠামোয় নির্মিত আটসাট ছোট এ গল্প আঠার মত টেনে রাখে তার দিকে। একবার নয়, বারবার তাই নজর কাড়ে, শেষ করে আবারও শুরু করতে হয়, কী যেন পড়া হয় নি এমন এক অনুভূতি সদা জাগে মনে। মোটের উপর ভালো লাগাটা মুখ ফুটে না বলেও স্বস্তি পাওয়া যায় না।
বানান ইত্যাদি নিয়ে বলার ছিল অনেক কথা, যা আগেই বলা হয়ে গেছে। এখন লেখকের উপরে দায়িত্ব বর্তেছে পোস্টের ত্রুটিগুলো সংশোধন করে পাঠকদের কৃতার্থ করার।
শুভেচ্ছা শিমুল।
লেখকের মন্তব্য
হুদা ভাই আপনার মন্তব্য না থাকলে পোস্ট দিলেও মনে হয় কী যেন হলো না। সে দিক দিয়ে পূর্ণতা লাভ করল। আপনার মন্তব্যটি অনেক যত্ন নিয়ে করা, অতটা অমূল্য হয়তো এই লেখা নয়। লেখাটা ভিন্ন ধরণের প্রয়াস। আপনাদের উৎসাহে উৎসাহিত হলাম।
বানান ইত্যাদি নিয়ে সময় দিয়ে অল্প অল্প করে ঠিক করছি। আশা করি একদিন সব ত্রুটি গুলো মিনিমাইজ করে ফেলতে পারবো।
ভালো থাকুন প্রিয় হুদা ভাই।
তোমার মন্তব্যগুলো পড়তেও খুব ভালো লাগে, শিমুল।
লেখকের মন্তব্য
জেনে অনেক ভালো লাগলো ভাইয়া। সময় নিয়ে মন্তব্য করবার চেষ্টা করি, মানে যাতে মন্তব্য করবার জন্য করা নয়, বরং নিজের এবং লেখক পাঠক সবার গঠনমূলক ইন্টারএকশনের সুযোগ হবার জন্য মন্তব্য করা।
আপনাদের মত অগ্রজদের এমন উৎসাহে স্পর্ধা পাই আরো।
অনেক অনেক ভালো থাকুন প্রিয় হুদা ভাই।
এবারের প্রোফাইল পিক বেশ সুন্দর হয়েছে! বার বার বদলালে আমাদের কি কি সমস্যা হয়! তা নিয়ে দিয়ে দিব, একটা পোষ্ট!
লেখকের মন্তব্য
হা হা হা। এইটা আমার দেশ ছাড়ার আগের লুক। এইটা থাকবে কিছুদিন। প্রোপিক বদলাইলে পোস্টে কমেন্ট লোকেট করা কঠিন হয়ে যায়। একবার তো প্রোপিক প্রায় কাছাকাছি এবং বদলানো প্রোপিকের জন্য নয়ন ভাইকে একুয়াপু ডেকে ফেলছিলাম প্রায়। হা হা হা।
ছবি দেখে অনেক কিছু ঠাহর রাখি বলে আমাদের সমস্যা বেশী! আমাদের কথা মনে রাখবেন।
লেখকের মন্তব্য
অবশ্যই মাথায় রাখবো। আমার ব্লগের ১০০০ তম কমেন্ট করে একেবারে ইতিহাসের অংশ হয়ে গেলাম।
তা হলে কি আমার কমেন্ট টা ছিল ৯৯৯ তম!
অবসরে পড়বার উদ্দেশ্যে বুকমার্ক করবার জন্য প্রিয়তে নিয়ে রাখলাম। এই মুহূর্তে পড়ায় মনোযোগ দিতে পারছি না।
ভাল থাকবেন, শিমুল ভাই!
লেখকের মন্তব্য
হুমম।
পড়ে আপনার মন্তব্য জানাবেন আশা রাখি। না পড়া গল্প আপনার প্রিয়র লিস্টে ঝুলে থাকবে না এটাই প্রত্যাশা।
আপনিও ভালো থাকুন নাঈফা আপু
মন্তব্য করুন