শূন্য আরণ্যক-এর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

সিনেমা সংকলনে আমার লেখা ঠাই পাবার কারনে আমি যারপরনাই উল্লসিত :yeaaa:। ঝিমিয়ে পড়া মুভি বিষয়ক পোস্ট দেবার ইচ্ছেটা আবার জেগে উঠলো। সংকলনটা দেখার পর মনে হলো আরে আসলে কতো ভালো ভালো মুভি দেখেছি - আরো কত ভালো ভালো পোস্ট আমি দিতে পারি। তাছাড়া আমার প্রিয় মুভিস্টারদের নিয়ে পোস্ট দেয়া এখনো শুরুই হয়নি ঠিক মতো।
তাই আজকে আবার মুভি বিষয়ক পোস্ট দেয়া শুরু করলাম - এবার রবার্ট ডি নিরোকে নিয়া। আমার সবচে প্রিয় অভিনেতা বল্লে ভুল বলা হবে না। যখন থেকে সিরিয়াস মুভি দেখা শুরু করছি - মানে একদম লিষ্ট ধরে - সেই সময় আমি ডি নিরোর জলে ডোবা টাইপের ভক্ত। এখন মাঝে মাঝে পাচিনো, ব্রান্ডো, নিকলসন - নতুন প্রজন্মের আরো কিছু অভিনেতা আমার মনে সবচে প্রিয় হিসাবে জায়গা নিতে চায়। আমিও বয়স বাড়ার সাথে সাথে উদার মনে বিভিন্নজনরে একোমোডেট করা শুরু করছি।
ডি নিরো দেখা শুরু মনে "ওয়ান্স আপন টাইম ইন আমেরিকা (১৯৮০)" দিয়ে সেই পিচ্চিকালে। সেইসময় আমার হিরু ছিলো সোয়ার্জনিগার আর জেমস বন্ড। বাবা নিয়ে এসেছিলো কি মনে করে জানি না- উনি দেখতেন ক্লাসিক ছবি - গানস অভ নাভারন, লরেন্স অব এ্যারাবিয়া , জেমস বন্ড টাইপ। তো আমরা শিশুতোষ ছবি হলে ঘর দখল করতাম - টুকটাক চুমুর সিন বাবা সব ফাষ্ট ফরোয়ার্ড করে দিতো। বেশী বড়োদের ছবি হলে সেটা নিষিদ্ধ হয়ে থাকতো আমার জন্য। আলমিরার কল্যানে সেইসব ক্যাসেট আর দেখা হতো না আমার।
এই ছবিটা কিভাবে যেনো ভিসিআর এর ভিতরে থেকে গিয়েছিলো -- আমি একদম প্রথম থেকে শুরু করেছিলাম - তখন তো আর এতো কিছু বুঝতাম না -- জেনিফার কনেলি কে দরজার ফুটো দিয়ে দেখা দৃশ্য দেখেই আমার চোখ গোল্লা হয়ে গিয়েছিলো। এরপর আর দেখার সাহস পাই নাই। বহুদিন ধরে পিপিং টমের কথা শুনলেই এই দৃশ্যটার কথা চোখে ভাসতো।
তো তখন তো আর ডি নিরো টিরো বুঝি না - এই মুভিটার কথা ভুলে গেলাম।
ডি নিরোর কথা তখন বড়ো বড়ো মুভিষ্টারের সাক্ষাৎকারে পড়ি -- ডাষ্টিন হফম্যান, পাচিনো , ডি নিরো, নিকলসনের নাম না থাকলে মান সম্মানের ব্যাপার হয়ে দাড়াতো। আসলেই এই কজন এমন অভিনেতা এদের অভিনয়ের ছোট ছোট লিষ্টে নিলে রাখতে হবে।
ডি নিরোর পরের মুভিটা দেখি রনিন ৯৭-৯৮ এর দিকে - গড়পড়তা এ্যাকশন থ্রিলার । এই মুভিতে ফ্রান্সের নিরো বলে খ্যাত রেনো অভিনয় করেছিলেন - মজাই লেগেছিলো দুজনের অভিনয় - এ্যাকশন মুভি বলে সেই সময়ে মুভি সেন্সে হজম করতে পেরেছিলাম ।
তারপর মুভিপ্রেমীদের পাঠশালা যে মুভি দিয়ে শুরু হয় - সেই গডফাদার দেখা। আমি আর আমার চাচাতো ভাই পাল্লা দিয়ে মুভি কালেক্ট করতাম - ওর আর আমার মধ্যে প্রায়ই তর্কাতর্কি হতো পাচিনা, ব্রান্ডো না ডি নিরো কে শ্রেষ্ঠ।
আমরা কয়েকবছর আগেও অমিতাভ,মিঠুন,জিতেন্দ্র কে হবে এই নিয়ে মারামারি করতাম - তাই এ নিয়ে বালখিল্য তর্কাতর্কি নতুন কিছু না।
ডি নিরো তো দেখা শুরু হলো - এরপর কি দেখি । "ফিফটিন মিনিটস(২০০০)" দেখসিলাম - যথেষ্ঠ শকড হয়েছিলাম দেখে।
তারপর দেখি "ট্যাক্সি ড্রাইভার (১৯৭৪)"-- মূলত এই ছবিটা দেখার সময় আমার চারপাশের জগত সম্পর্কে কাল্পনিক মিষ্টিমধুর ভ্রম ভেঙ্গেচুরে খান খান হয়ে যায়। আমি জানি গভীর রাতের ট্যাক্সি ড্রাইভার রাতে আকাশে পরী নেমে আশার কথা চিন্তা করে না - আমরা আমাদের ছোট্ট ছোট্ট একুরিয়ামে বাস করে ভাবি জগৎটা বোধহয় এমন নিস্তরংগ আর নিরাপদ। মাঝে মাঝে অপরিস্কার অপরিছন্নতা নিয়ে অনুযোগ করি। সকল ভ্রম - সকল মায়া। মানুষ দেখা শুরু হয় - মানবিকতার নতুন সংজ্ঞা শুরু হয় আমার ট্যাক্সি ড্রাইভার দেখার মধ্য দিয়ে।
ডি নিরোর চরিত্রে মধ্যে একটা শিশু , শিশু ভাব আছে। আর কে না জানে দার্শনিকরা সবচে বড়ো শিশু। তার আছে ম্যাসকুলিনিটি চরম রুপ। সাথে আছে নিজের শরীরের মাধ্যমে সারা দুনিয়াটাকে বদলে দেয়ার সুতীব্র চেতনা। দুনিয়ার সবচে খারাপ লোকটার কাধে হাত দিয়ে চলতে হয়তো দ্বিধা করবে না- আবার তাকে ছোরা মারতেও তার হাত কাপবে না।
তার চরিত্রের দ্বিধাদ্বন্দ যে কোন স্বাভাবিক মানুষের দ্বিধাদ্ধন্দ। তারমনে এই না তার ভিতরে আর্টিষ্টদের মতো গভীরতা নাই।
তার পারিপ্বার্শকতা থেকে শেখা প্রাকটিক্যাল এক্সপেরিন্সকেই সে শিল্পীর দক্ষতায় ফুটিয়ে তোলে। ধরা যাক - একটা কাঠুরে যে
কোনদিন বইটই পড়ে জংগলটা শেখেনি। এই কাঠুরে দুনিয়ার সবচে বড়ো গাছটা কেটে বিখ্যাত হয়েছে। পৃথিবীর বুকের সবচে বিখ্যাত কাঠুরে। নিরো হলো সেই কাঠুরে - যে অভিনয় তার জীবন থেকে নিয়ে ফুটিয়ে তুলেছে।
ব্রান্ডোর বিখ্যাত মেথড একটিং ফলোয়ারদের সবচে বিখ্যাত মনে হয় ডি নিরো। মেথড একটিং হলো এ্যাকটর বাস্তব জীবনে
সেরকম জীবনযাপন করে সেটা একটিং করে। যেমন ট্যাক্সি ড্রাইভার করার সময় সে ফুলটাইম ক্যাবি ছিলো নিউইয়র্কে বেশ কয়েকদিনের জন্য।
============
এই পোস্টটা কয়েক ধাপে দেবার ইচ্ছা - তাই আপাতত এটুকুই।
একটা মজার ট্রিভিয়া দিয়ে শেষ করি -
ডি নিরো ভাষ্যমতে আমার মুভি আমার কাছে বোরিং লাগে, নিজের মুভি চললে আমি ঘুমিয়ে পড়ি । 
মন্তব্য
লেখকের মন্তব্য
পুনর্উদ্যোমী বানানটা জানি না । কেউ জানলে বলে দিয়েন।
পুনরোদ্যমী (ইফ আই অ্যাম নট রঙ)

নুশেরা আপাকে এইখানে একটু দরকার ছিলো
পুনরুদ্যমী :cool:
[পুনঃ+উদ্ধার=পুনরুদ্ধার, পুনঃ+উদ্যমী=পুনরুদ্যমী]
সিরিজ চলতে থাকুক!
ডি নিরোর মুভি খুব একটা দেখা হয়ে ওঠেনি এখনও। ট্যাক্সি ড্রাইভার দেখতে ইচ্ছে করে কিন্তু একটু ভয়ভয় করে। যদি অভয় দেন তো চেষ্টা করে দেখি।
লেখকের মন্তব্য
ট্যাক্সি ড্রাইভারে শক এলিমেন্ট আছে - তবে হামা যেমন শকিং মুভি দেখে তেমন কিছু না।
মামুলী শক ।
মুভিটা দেখে ফেলো - দেখার পর হাত কামড়াবা এতোদিন দেখিনাই কেন।
আমি মুভি দেখা শুরু করেছি মাত্র কিছুদিন হল ডি নিরোর মুভি দেখা হয়নি।দেখার ইচ্ছে রইল ভাইয়াআআআআআআআআআআআ।
লেখকের মন্তব্য
দেখতে হবে অবশ্যই
গড ফাদার পার্ট টু দেখে ডি নিরোর ভক্ত হয়ে গেছি। পাচিনো , ডি নিরো, নিকলসন; এই তিন জনের মধ্যে নিকলসন অন্য রকম প্রিয় চায়না টাউন আর কাক্কুস নেস্টের জন্য। পাচিনোও কম প্রিয় না। আসলে সত্যি বলতে কি, এদের মধ্যে তুলনা করতে পারি না
লেখকের মন্তব্য
ঠিক - তিনজনের টেস্ট তিনরকম - - মজার ব্যাপার হলো এদের প্রত্যেকে যদি অন্যের চরিত্র করতেন - কে জানে কেমন করতেন - তবে পুরোপুরি অন্যরকম হয়ে যেতো বলা যায়
ইঊ টকিং টু মি?
আমার বহু সাধের পোষ্টটা এইভাবে লিক্ষা ফেললেন! মাইনাসসসসসসসসসস!!!
ইচ্ছা আছিল বসেরে নিয়া লিখুম!! পোষ্ট ভাল লাগছে!
রেজিং বুল, ট্যাক্সি ড্রাইভার, কেপ ফিয়ার, গুডফেলাস, গড ফাদার পার্ট টু, মিডনাইট রান, ডিয়ার হান্টার, ক্যাসিনো, জ্যাকি ব্রাউন, গ্রেট এক্সপেক্টটেশন, রনিন, ওয়াগ দ্যা ডগ, হিট, রাইটাস কিল -- বসের এই কয়টা দেক্সি !! ট্যাক্সি ড্রাইভার এর ট্রাভিস বিকেল আর কেপ ফিয়ারের ম্যাক্স কেডি আমার ফেভ চরিত্র!! কেপ ফিয়ার লয়া ডিটেইল আশা কর্তাসি ভ্রাতা নেক্সট পর্বে!! ওয়ান্স আপন অ্যা টাইমটা দেখতে হৈব আবার! মুভিটা ভাল মত দেখা হয় নাই!! ফিফটিন মিনিটস ও দেখি নাই!!
লেখকের মন্তব্য
হু দ্য হেল আর ইউ টকিং টু ?!
=====================
আমারো অনেক সাধের পোস্ট এটা - ব্লগিং করা স্বার্থক হবে এই পোস্ট দিয়া - কিছু কিছু পোস্ট অনেক বছর ধরে ডিউ পরে আছে।
তুমিও লেখ - একেকজনের হাতে লেখার টেস্ট একেকরকম হবে।
=====================
আমি ডি নিরো ২-৩ টা বাদে সব ছবি দেখসি B)
মুভি দেখার স্মৃতিচারণ থেকে শুরু করে কী অনায়াসে এমন বিশ্লেষণাত্মক টোনে চলে গেছেন, দারুণ উপভোগ্য একটা পোস্ট
লেখকের মন্তব্য
নাহ - লেখা শুরু করি নাই এখনো। আরো অনেক গুছিয়ে লেখা যায় ইচ্ছা করলে - যা মন চায় লিখে গেসি শুধু -
তারপর প্রশংসা যখন করে ফেলছেনই -- নষ্ট করা ঠিক - পকেটে ভরে ফেল্লাম
ছবি দেখার সময় আপনারা পান কই! আপনাদের লেখা দেখে দেখে দিন দিন হতাশ হয়ে পড়ছি। ছবি দেখতেই হবে।
লেখকের মন্তব্য
ছবি দেখার সময় বের করে - বাকী সময় সাজাই
ওহ মাই ম্যান! দ্য রেচেড চাইল্ড অফ নিউ ইয়র্ক !
তারে নিয়া কি বলি। ওয়ান অফ দ্য ভেরি বেস্ট ইন বিজনেস। ডি নিরো ইজ দ্য গাই হু হ্যাজ ট্যাকেন আন্ডারপ্লে টু ইটস নেক্সট লেভেল (নেহাত আমার অভিমত)। তার নির্লিপ্ত এক্সিকিউশানগুলারে আমার কাছে জাস্ট একটা ব্লাস্ট মনে হয়। স্করসিসের সাথে তার সেই অনবদ্য জুটি - গুডফেলাস, ট্যাক্সি ড্রাইভার, ক্যাসিনো, রেইজিং বুল ! বাট আমার সবচেয়ে প্রিয় ডি নিরো এক্ট হচ্ছে আন্টাচেবলস এর আল কাপোন। ইন দ্যাট সেভেন রিল রোল সে দেখাইছে সুপ্রিম এক্টিং কারে বলে। ডেলিক্যাসি, পিউর ডেলিক্যাসি।
আল কাপোন রে নিয়া বলা হোক আরো কিছু। পরিচালক ডি নিরো নিয়াও শুনতে আগ্রহী। দ্য গুড শেফার্ড এখনো উজ্জ্বল আমার কাছে।
নেক্সট পর্ব তাড়াতাড়ি আসুক। :waiting:
লেখকের মন্তব্য
এ্যাল কাপোনের চরিত্রটা সে ছোট পরিসরে দারুন সাজাইসে।
আসলেই চমৎকার --
বেসবল ব্যাট দিয়া যে ডিনার টেবিলে পিটায় মারে - শকিং ছিলো পুরাই - এমন কিছুর জন্য রেডি ছিলাম না ।
আমি চিন্তা করছিলাম - আমি যদি টেবিলে বসে থাকতাম তাহলে কি রকম ফিলিং হতো - খাওয়ার মাঝে কারো ঘিলু বের করে ফেলসে বেসবল দিয়া পিটায়ে !
মাই হিরো
:cool:
লেখকের মন্তব্য
হুমম আমারো ছিলো কিছু সময়ের জন্য জীবনের ।
Righteous Kill এ দুইজনকেই বোকার মতন লাগলো
প্রিয়দের একজন
লিখেন ব্রো
লেখকের মন্তব্য
এই দশকটা কয়েকটা ছবি বাদে এমনিতেই বাদ দেয়া যায় -- আসলে এরা এমন একটা স্তরে পৌছে গেছে - সেখান থেকে যাই করে সবই দূর্বল লাগবে।
এসব বাদ দিয়ে ও বলা যায় - সবার স্বর্ণালী সময় থাকে না সব সময় --
তবে এটাও চিন্তা করো তেমন ডিরেক্টর কই - তেমন ছবি কই --
আমি নিশ্চিত - সেরকম একটা স্ক্রিপ্ট আর ডিরেক্টর পেলে এরা এখনও হিরের মতো জ্বলজ্বল করবে।
ফর্ম টেম্পোরারি - ক্লাস ইজ পার্মানেন্ট।
এই লোকটাকে কখনো বোরিং মনে হয়নি।তার মুভি দেখা মানেই অবশ্য বিনোদন।লোকটার সবথেকে বড়গুণ সহজভাবে কঠিন সব চরিত্র ফুটিয়ে তোলা।তার মুভির লিষ্ট শুরু করতে গেলে শেষ করতে পারবো না।
লেখকের মন্তব্য
মেথড এ্যাক্টর
অফ:ট: মজার ব্যাপার হইলো, আজকে দুপুরে রিকশায় বসে আমি মনে মনে ভাবছিলাম পিপিং টমের শহরে আমার একমাসের অভিজ্ঞতা নিয়ে একটা ব্লগ লিখুম কিনা, আপনার ব্লগে শব্দটা পড়ে ইচ্ছেটার পুনরুজ্জীবন ঘটলো।
এইবার অন:ট: সিনেমা'র ইবুকটা ডাউনলোড করে আপনার বিপরীত চিন্তায় আমার প্রথমেই যেইটা মনে হলো এইরকম আমি কোনকালেও লিখতে পারবোনা, বিশ্লেষণী লেখা শেষ করার ধৈর্য্য একদমই থাকেনা আমার। যাই হোক নিরোকে দেখেছি প্রথম ট্যাক্সি ড্রাইভার দিয়ে। ছোটখাটো ক্রাশও ছিলো তার শিশুমুখের প্রতি। এখনও আছে... এই পর্বের চমতকারিত্বে পরের পর্ব পড়বার অপেক্ষায়।
আরেকটা অফ ট: খন্ড ত এর কিবোর্ড কি কোনটা?
লেখকের মন্তব্য
গাছে কাক - মাটিতে তাল - একেই বলে কাকতাল -
==================
আমার এই জিনিসটা প্রায়ই হয় -- যখন আমি নতুন কোন শব্দ শিখি বা মনোযোগ কারে কোন বিষয় বা শব্দ - সেটা ঘুরে ফিরে কয়েকদিনের মধ্যেই আমার সামনে এসে পরে।
এটার পিছনে মনস্তত্ত্বটাও মজার - আসলে সেই শব্দটা না জানলে আমি হয়তো অবাকও হতাম না - বা সেই শব্দটা খেয়াল করতাম না ।
লিখেন লিখেন -ইন্টারেষ্টিং ব্যাপার হবে মনে হচ্ছে।
=================
পিপিং টমের শহর !!!
=================
বিশ্লেষনী লেখা ! - মোটেই না - আমার যা মনে হয়েছে সেটাই লিখেছি - দুইবার চিন্তা করিনি।
আসলে যেভাবে লিখেছি আমি সেই ভাবে চিন্তা করি ।
এইটা বিশ্লেষনী লেখা হলে আসল বিশ্লেষনী লেখা লজ্জা পাবে।
তবে এটা ঠিক - আমি ডি নিরোর চরিত্রের ভালো গবেষক পর্যায়ে পৌছেছি। সচেতনে না অবশ্য
বেশীরভাগ ছবি আমার দেখা ।
কয়েকবার দেখা।
সে কিভাবে চিন্তা করে আমি জানি অনেকখানি।
এই বিষয়ে পরের পোস্ট বলবোনে।
আরণ্যক ডি নিরো আসলেই কমিক্যাল চাইল্ড আর রেজিং বুলের মিশেল , দারূণ অবজার্ভেশন আপনার ।
আর ট্যাক্সি ড্রাইভার - এই ক্ল্যাসিকটা দিয়েই আমার মুভি আমারো একটা বড়সড়ো ধাক্কা খাইতে হইছিলো ! মোটামুটি মাটিতে নামার শুরুই বলা চলে ।
গুডফেলাস , ডিয়ার হান্টার , হালের গুড শেফার্ড - এইগুলাও বিশেষ জায়গা করে নিয়েছে । পুনরুদ্যমী মুভিখোর যখন ফিরেই আসলো তখন এক পোস্ট দিয়া নিরোর সবকিছু কোনভাবেই শেষ করা ঠিক হবে না । যত দ্রুত সম্ভব আরেকটা পোস্ট চাই ।
থ্যাংস আরণ্যক ।
লেখকের মন্তব্য
এটা একটা বড়ো সিরিজ হবে বলে ধারনা করছি - দেখা যাক কতো তাড়াতাড়ি দিতে পারি ।
খোদা -----লোকে এত সুন্দর কইরা লেখে কেমনে--তাও আবার মুভি নিয়া!!!
লেখকের মন্তব্য
বেশী বেশী কইলে(পচাইলে) কিন্তু খেলুম না :nono:
খুব ভালো লাগলো ভ্রাতা!
ডি নিরো ত আমারও সবচাইতে প্রিয় অভিনেতা!
B)
ডি নিরোর কয়েকটা মুভি দেখা এখনও বাকি আছে।
দেখে ফেলমু, ভাবতেসি। ইদানিং টাইম পাইতেসি না একদমই!
তারপরও কালকে একটা দেখলাম, "Everybody's Fine"।
ভালো থাকুন ভ্রাতা!
ডি নিরো নিয়ে সিরিজ ইয়া বিশাআআআল হোক।
আর, নেক্সট পর্বটা তাড়াতাড়িই চাই!

খুব ইচ্ছে ছিলো ডি নিরোকে নিয়ে লিখবো। আপনি লিখে ফেল্লেন।
খুব ভালো করেছেন। আপনার মত এত সুন্দর করে লিখতে পারতাম না
বহুদিন পর চতুরে লগাইলাম আপনার এই সিরিজটা পড়ার জন্য
ধন্যবাদ ইবুকের কথা মাথায় রেখে লিখছেন বলে।
আমি ভেবেছিলাম এবার মনে হয় আর লেখাই দিবেন না।
মন্তব্য করুন