আশরাফ মাহমুদ-এর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

মূল গল্পকার: মাইক রাথ (Mike Krath)
মূল শিরোনাম: High and Lifted Up
http://www.eastoftheweb.com/short-stories/UBooks/HighLift.shtml#top
=========================================
অনুবাদের অভিপ্রায়টা ছিলো মোস্তাফিজ রিপনের। এর আগে কতগুলো ছড়া লিখেছিলাম পিচ্চিদের জন্য, কয়েকটা গল্প-ও লিখেছি; তবে সেইসব শিশুতোষ হয়েছে কিনা সে দ্বিধা নিয়ে প্রকাশ করা হয় নি, কম্পুতে নিদ্রা দিচ্ছে। অনুবাদ করে ফেললাম অনীক আন্দালিব বলায়। আবার দ্বিধা, শিশুতোষ হলো তো! শিশুতোষ না হলে-ও কিশোরতোষ হলেই হবে।
অনুবাদের প্রয়োজনে, অনেকটা আমাদের সাহিত্যের মতো করার জন্য আমি চরিত্র, বর্ণনাভঙ্গি, এমনকি কিছু বাক্য নিজে লাগিয়েছি। গল্পটি অনুমতি নিয়ে করা হয় নি। দুঃখিত।
গল্পটা পিচ্চি কাউকে উৎসর্গ করতে ইচ্ছে করছে। পারমিতাকেই করি। সে রূপকথার লাবণ্য ধরে রাখুক আজীবন।
অ
সেদিনটা ছিলো হাওয়ার দিন।
ডাকপিয়ন চিঠি নিয়ে সামনের দরজার খুব কাছাকাছি-ও যেতে পারে নি। যখন দরজাটা খোলা হলো, গিন্নি লাবণী শুধু বলতে পারলো, 'কীহে', কিন্তু তিনি ধন্যবাদ জানানোর আগেই বাতাসের তোড়ে চিঠিটি ডাকপিয়নের হাত থেকে উড়ে গেলো ঘরের ভিতরে এবং সামনের দরজাটা যেনো তার মুখের উপরই বন্ধ হয়ে গেলো! বাড়ির গিন্নি লাবণী চিঠি তুলে নেয়ার জন্য দৌড়ে গেলেন।
"অ্যাঁ আমার," তিনি বললেন।
হিমু শুধু দেখছিলো দরজার ঝাপ কেবল খুলছে, বন্ধ হচ্ছে, খুলছে, আবার বন্ধ হচ্ছে।
"আম্মু," সে কণ্ঠ ছাড়ে, "আমি একটু বাইরে যাই?"
"সাবধানে যাহ্" তিনি বলেন, "বাইরে আজ খুব বাতাস হচ্ছে।"
হিমু হামাগুড়ি দিয়ে জানলার বেদী থেকে নেমে দরজার দিকে দৌড়ায়। সে খটাশ করে দরজা খুললো। ফলে বাতাস আরো তীব্র বেগে বইলো এবং এক ঝাটকায় লাবণীর হাত থেকে সদ্য উদ্ধার করা চিঠিটি কেড়ে নিয়ে বাড়ির আরো অন্দরে নিয়ে ফেললো।
"হায়, হায়।" তিনি বললেন। ততক্ষণে হিমু একদৌড়ে বাইরে, দরজার ঝাপ আবার বন্ধ হলো জোরে শব্দ করে।
বাইরে হলদে সোনালি ও লাললাল পাতারা ঝরে পড়ছে দুলতে থাকা গাছগাছালি থেকে; বাড়ি ছাদে এই বসছে তো সেখান থেকে লাফ দিচ্ছে নিচে, আবার হয়তো একটি পাতা আরেকটি পাতাকে তাড়া করতে লাগলো রাস্তার উপর ঘুরপাক বাতাসের স্ফূতিতে।
হিমু মুগ্ধতা নিয়ে গোল গোল চোখে দেখছে তো দেখছেই।
"ইশ, আমি যদি একটা পাতা হতাম দিব্যি সারা দুনিয়া ঘুরে ঘুরে উড়ে উড়ে বেড়াতুম। হুমম," হিমু ভাবে, তারপর হঠাৎ উঠোনে রঙের ঘূর্ণির দিকে দৌড়ে যায়।
লাবণী বারান্দায় এসে দাঁড়ালেন।
"হিমু, তোমার জ্যাকেট এনেছি, পরে যাও।"
কেউ কথা বললো না।
"হিমু"
কিন্তু হিমু তো আর উঠোনে দাঁড়িয়ে নেই। ততক্ষণে সে একটি পাতা হয়ে গেছে! তার খেলার সাথীদের নিয়ে রাস্তার উপরে খেলছে, দৌড়াচ্ছে, হাওয়ায় হাওয়ায় খানিক উড়ছে-ও বটে।
আ
একটা কৃষ্ণচূড়াপাতা তার কাছাকাছি নেমে এলো, তাকে ছুঁয়ে দিয়ে সামনে এগিয়ে গেলো। হিমু তার কাছে দ্রুত চলে যায়, পাতার সাথে নিজের শরীর ঘষে নিলো মৃদু, এবং এবার সে পাতাটিকে ছাড়িয়ে গেলো। তারা ঘুরছে তো ঘুরছেই; গাড়ি, টেলিফোনের খুঁটি সবকিছুর সাথে ধাক্কা খাচ্ছে, ইচ্ছে হলে বাতাসে ঝাঁপি দিয়ে উড়ছে নামছে।
"আহ্, কী মজা।" সে আনন্দে ছটফট করে।
কৃষ্ণচূড়ার পাতাটি বোকা নয় মোটেই। চুপি চুপি সে হিমুকে হারিয়ে দিয়ে সামনে উড়ে গেলো। এমনিতেই ঝলমলে শিরা নিয়ে পাতাটির রঙ লাল, তার উপর সূর্যের ঝিকিমিকি আলোয় পাতাটি রূপকথার রাজকন্যার মতো মিষ্টি হয়ে উঠলো, হিমু এমনটি আর কখনো দেখে নি।
"আমরা কোথায় যাচ্ছি?" হিমু দেখলো বাড়ি ছাড়িয়ে তারা অনেক দূরে।
"কোনো সমস্যা? আসো আমরা খেলি, জীবনটা জলের মতো, শুকিয়ে যায় তাড়াতাড়ি।"
"আমি তা মনে করি না" একটা বুড়ো পাতা গমগম কণ্ঠে বললো, এতক্ষণ তাদের পাশাপাশিই আসছিলো, তারা টেরই পায় নি! কী আশ্চর্য! "হ্যাঁ, আমাদের ভ্রমণ ছোট হতে পারে, কিন্তু শেষটাই যে শুরু!"
হিমু ভেবে দেখলো একটি পাতা বড়জোর এটাই ভাবতে পারে।
"তাহলে আমরা কোথায় থামবো?"
"যদি বাতাস তোমাকে উড়িয়ে নিয়ে যায়, এদিকে, তবে তুমি শহরের ময়লায় গিয়ে পড়বে।"
"না, আমি তা চাই না।" হিমু কাঁদো কাঁদো।
"আর বাতাস যদি তোমাকে ঐদিকে বয়ে নিয়ে যায়, তুমি উপরে আরো উপরে উড়ে যাবে এবং এমনসব জিনিস দেখবে যা পাতারা জীবনে-ও দেখে নি!"
লাল পাতাটি হঠাৎ বাঁধা দিয়ে বলে, "হিমুসোনা, আমার পিছে পিছে আসো, আমার বন্ধুরা শহরের ময়লার কাছেই আছে, আমরা চড়ুইবাতি খেলবো।"
হিমু ভাবলো খানিকটা, সে আরো খেলতে চায়, সে বাতাসের হাতে হাতে রেখে লালপাতাটির পিছনে উড়তে লাগলো।
বাতাস দিক পরিবর্তন করলো, হিমু এবং লালপাতাটিকে শহরের ময়লার দিকে উড়িয়ে নিতে লাগলো।
বুড়ো পাতাটি কিন্তু তাদের অনুসরণ করে নি, হ্যাঁ, সে উপরে উড়তে লাগলো, মেঘের কাছে, তারার কাছে।
ই
"এই যে তোমরা, দেখো দেখো, এখানকার দৃশ্যগুলো কেমন জমকালো।" বুড়ো পাতাটি তাদের ডাকে। তারা সাড়া দেয় না।
"আমি ময়লার জায়গাটি দেখতে পাচ্ছি। আমি ধোঁয়া দেখছি, কালো ধোঁয়া, সাপের মতো।" বুড়ো পাতাটি ভয়াল সুরে বলে, "উপরে আসো, ওহ্, সেকি আমি আগুন-ও দেখছি।"
"আমি তো কিছুই দেখছি না।" লালপাতাটি বলে উঠে।
হিমু কেবল শহরের ময়লাখনির বেড়াটি দেখতে পারলো। যদি-ও সে খুব খুশি, এখন সে বন্ধুদের নিয়ে খেলতে পারবে।
হঠাৎ একটি গাড়ি কাছে এসে দাঁড়ালো, আরে, ভিতরে তো হিমুর মা! গিন্নি লাবণী মনে হয় তার ছোট্ট বাবু ছেলেটাকে একা একা শহরের ময়লাখনিতে যেতে দিবে না।
"যেও না বলছি।" তিনি গাড়ি থেকে নামতে নামতে বললেন, "ওটা তোমার খেলার জায়গা নয়। দেখো কী ভীষণ কালো ধোঁয়া। দেখছো না?"
হিমু দেখলো লাল কৃষ্ণচূড়াপাতাটি দেয়ালের কাছে উড়ে গেলো, কিন্তু অনেক কষ্ট করে-ও সে দেয়াল পেরুতে পারছে না।
লাবণী হেঁটে গিয়ে পাতাটিকে পাকড়াও করলেন, আলতো করে তার পকেটে ভরে রাখলেন।
"এই যে, আমি তাকে ধরলাম। ও যত্নে থাকবে আমরা বাড়ি পৌঁছতে পৌঁছতে।" তিনি বললেন।
হিমু হেসে দৌড়ে গিয়ে গাড়িতে প্রবেশ করলো। সে জানলার কাছাকাছি বসে, আকাশ দেখে। না জানি বুড়ো পাতাটি কোথায় গিয়েছে। সেকি আজ রাতে মায়ের কাছে চুপটি করে ঘুমালে স্বপ্নে আসবে? হয়তোবা কোনো একদিন সে ঠিকই দেখতে যাবে যা বুড়ো পাতাটি দেখেছিলো। হয়তোবা কোনো একদিন।
মন্তব্য
চরিত্র, বর্ণনাভঙ্গি'র কারণে গল্পটা বেশ সুপাঠ্য হলো। এই গল্পটি আমি শুরু করেছিলাম, অনিকের মন্তব্যে দেখলাম, আপনি পোষ্ট দিবেন কাজেই আমি বন্ধ করে অন্যটা শুরু করেছি। বেশ গুছানো হয়েছে। আমারটা দুই/এক দিনের মধ্যে পোষ্টাবো। ভালো থাকুন।
আকাশছোঁয়া নামটি বেশ পছন্দ হয়েছে
হামিদা আপা, আমি বলি কী আপনিও লিখুন গল্পটা। টার্গেট চার থেকে আট বছর বয়সী পাঠক।
আপনার নতুন গল্পের আশায় রইলাম।
হ্যাঁ, আপনিও লিখে ফেলেন চিটি'পু। শুরু যখন করেছেন, শেষ করবেন না কেন? এই গল্পটা আরো ছোটদের জন্যে, একেবারেই শিশুতোষ করে লিখেন।
লেখকের মন্তব্য
আরে দিদি, আগে বললে তো আমি দিতামই না। আপনারটা-ও পোস্ট করে ফেলুন চটজলদি।
দারুণ!!!
দারুণ একটা কাজ হয়েছে আশরাফ ভাই। ঝরঝরে, মুচমুচে- যাকে বলে এক্কেবারে ক্রিস্পি।
কিন্তু কথা হল, বাচ্চারা, মানে গুড়া-গাড়ারা এই গল্প বুঝবে না। কিশোররাও বুঝবে কি-না সন্দেহ আছে। গল্প হিসেবে এটি অসাধারন। পারমিতা না হোক, পারমিতার বাপ-চাচারা নিশ্চয় আকাশছোঁয়া পাঠ করে আনন্দ পাবে।
লেখকের মন্তব্য
দিলাম মেয়েকে, নিয়ে নিলো মেয়ের বাপ! শিশুদের অধিকারে হাত দিয়েছেন, নেই মাফ।
হ্যাঁ, গুঁটুসদের জন্য একটু কঠিন, তবে কিশোর মানে যাদের বয়েস ১৩ কিংবা বেশি তারা পাঠ করে বুঝবে, এরচে' কতো জটিল গল্প পড়ে আজকালকার ছেলেমেয়েরা।
গল্পটা অসম্ভব সুন্দর লাগলো পড়তে। পাতার মতোই হালকা শরীর, সেই সাথে অদ্ভুত সুন্দর বর্ণনা। (উপমায়ই বুঝতে পারছো আমার কতো ভালো লেগেছে, 'অসম্ভব', 'অদ্ভুত', হা হা)
শিশু'রা হয়তো এটা পড়ে মজা পাবে না, তবে আমি দিব্য চোখে দেখছি অনেক স্বপ্নালু কিশোর এই গল্প পড়ে ঝুম দুপুরে হঠাৎই উদাস হয়ে যাচ্ছে!
লেখকের মন্তব্য
উৎসাহের জন্য ধন্যু, হাসি বিকশিত।
আমি-ও অনুবাদ করতে করতে ভাবছিলাম কোন এক কিশোর বা কিশোরী ইস্কুল থেকে এসে বইখাতা ছুড়ে পড়ছে; একটা রূপকথা রূপকথা আমেজ সারা ঘরে।
একটা জিনিস আমাদের শিশুতোষ সাহিত্যে লক্ষ্য করা যায়। আমাদের শিশুসাহিত্যিকরা মনে করে যে শিশুতোষ লেখা মানে "ননীর পুতুলের মতো" তুলতুলে হবে, অথচ আমি মনে করি এই প্রথার পরিবর্তন হওয়া দরকার। শিশুদের সাহিত্য-ও বড়দেরগুলোর মতো নানামুখী হোক- একই সাথে তারা একটি স্বপ্নময় পৃথিবী দেখুক, দেখুক বাস্তবতা-ও।
দারুণ উদ্যোগ।।।
চলতে থাকুক
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ প্রণবদা'।
ক্রিস্পি লেখা সত্যি।

লেখকের মন্তব্য
মেঘকে মুচমুচে শুভেচ্ছা।
ইহা কিশোরতোষ নহে ইহা যুবোতোষ। সুখ পাঠ্য হয়েছে
লেখকের মন্তব্য
যে তোষই হোক না কেন, কিশোরতোষ কিংবা যুবাতোষ, ভালো লাগলেই হবে।
আশরাফ, অনুবাদ অসাধারণ হয়েছে। নতুন আরেকটি অনুবাদ করে ফেলুন। আমরা অপেক্ষায় রইলাম।
লেখকের মন্তব্য
চেষ্টা করবো, শুভ সকাল।
লেখকের মন্তব্য
একটা বিষয়ে কথা হওয়া প্রয়োজন, কে কোনটা অনুবাদ করছেন তা তালিকা আকারে জানানো প্রয়োজন; ফলে একই গল্প অনেকে অনুবাদ করে মাঝপথে থেমে যাবে না। এরজন্য অনুবাদের সর্বশেষ পোস্টটিকে বেছে নেয়া যেতে পারে, যারা অনুবাদ করছেন তারা মন্তব্যাকারে গল্পের নাম ও লেখকের নাম জানিয়ে দিয়েন, অন্যরা-ও অন্য আরেকটি গল্প নিয়ে কাজ করতে পারবে। ফলে অনুবাদের সংখ্যা বাড়বে, সবাই উৎসাহ পাবে।
উত্তম প্রস্তাব। প্রথমবারের দায়িত্বটি আমি নিলাম।
যে গল্পগুলো ব্লগে প্রকাশিত হয়েছেঃ
১। গিভিং ট্রিঃ মোস্তাফিজ রিপন (Giving tree)
২। পেপার ব্যাগ প্রিন্সেসঃ আরণ্যক (The paper bag princess)
৩। দুই বোনঃ অনীক আন্দালিব (The two sisters)
৪। আকাশছোঁয়াঃ আশরাফ মাহমুদ (High and lifted up)
যে গল্পগুলো নিয়ে কাজ চলছেঃ
1. Ferdinand: হিমালয়
2. Arrron's hair: আকাশ অম্বর
3. Mr. Sticky: মেঘ
4. High and lifted up: হামিদা আখতার
5. The journey of the noble Gnarble: হিমালয়
6. The elves and the shoe maker: হিমালয়
7. Peter rabbit: সাদা-কালো এবং ধুসর
যদ্দূর মনে পড়ছে, লিস্টটা এটুকুই। কারো নাম বা গল্পের নাম বাদ পড়লে আপডেট করবেন প্লিজ।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ, রিপন ভাই। আমার একটা পরীক্ষা আছে মঙ্গলবারে । শেষ হলে আরো কিছু কাজে হাত দিবো। নামগুলো তখন জানিয়ে দিবো।
আরো কয়েকটা আপডেটঃ
হামিদা আখতার নীচের গল্পগুলো নিয়ে কাজ করছেন-
১। Cinderella
২। The Frog-Prince
৩। The Twelve Dancing Princesses
৪। The Dragon Rock
৫। Peter rabbit
আরো একটা গল্প নিয়ে কাজ করছেন ব্লগার ঊচ্ছৃঙ্খল ঝড়কন্যা। গল্পের নাম- The name of the tree
চুপে চুপে উত্তম জাঝা দিয়ে গেলাম।।
লেখকের মন্তব্য
জাঝা পেয়ে ভালো লাগলো হে।
অনেক ভাল লিখেছেন। আর সব অনুবাদের মত শুকনা না, অনেক রসালো করেই লিখেছেন।
লেখকের মন্তব্য
শুভেচ্ছা, সিজু।
লেখকের মন্তব্য
হাহা, এককালে নিজেরে উড়ে বেরানো পাতা ভাবতে ভালো লাগতো, এমন কমন পড়ছে লেখাটা, ভাবটা অসাধারন বটে, পৈড়া অনেক মজা।
কিন্তু কথা হৈলো, ঐ, কিশোরেরা এই গল্পটায় কতটা মজা পাইতে পারে? মনে সন্দ----
লেখকের মন্তব্য
কিশোর-কিশোরীরা মজা পাবে। যেমন ধরেন আমি ১৩-১৪ দিকে মাসুদ রানা পড়া শুরু করেছি, মজা পেয়েছি বলেই। হুমায়ুন আজাদের "কালো জাদুঘর' পড়েছিলাম তৃতীয় শ্রেণীতে পড়ার সময়। হ্যাঁ, বাচ্চা বা পিচ্চিরা হয়তো বেশি স্বাচ্ছদ্যবোধ করবে না, কিন্তু ১৩-১৮ বয়েসসীমার ছেলেমেয়েরা বুঝবে।
ওমা, কবি দেখি প্রো পিক বদলাইয়ালছে----------!!! মুবারক হোক।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যু। আপনারটা-ও পাল্টান।
লেখকের মন্তব্য
আমি দুইটি গল্প নিয়ে কাজ করছি এখন:
১। The Seller Of Dreams। From “The Firelight Fairy Book” by Henry Beston
২। The Treasure Castle। From “The Firelight Fairy Book” by Henry Beston
অলসতার কারণে আমি লেখাগুলো শেয়ার করতে পারছি না।
গুড জব আশরাফ
লেখকের মন্তব্য
ধন্যু।
মন্তব্য করুন