আহমাদ আবদুল হালিম-এর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

আজ তিন চারদিন থেকে পুলিশ প্রশাসনের লোকদের খুব হাসিখুসি অবস্থায় সাংবাদিক নামক কিছু কচুরিপানার কাছে সাক্ষাতকার দিতে দেখলাম । উনারা মহাকাশ জয়ের আনন্দে মাতোয়ারা । আমজাদ নামক এক মহা ব্যাক্তিকে জেলে পুরতে পেরেছেন । আবাল না বলে পুলিশদের আর পারছিনা । আমজাদ তো একটা মশার কীট নয় এই লাইনে, ভণ্ডতার লাইনে। আমাদের বাংলাদেশে আমজাদের কতো বস পড়ে আছে সরকারের সেদিকে কোন খেয়াল নেই । দেওয়ান বাগী, রাজারবাগী, আটরশী, মাইজভাণ্ডারীর মতো ভণ্ডরা যেদেশে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে সে দেশের পুলিশরা আমজাদ নামক কীটকে ধরে খুশিতে বাগবাগ ।
উপরুক্ত ভণ্ডদের নিয়ে আমি কয়েকটি পর্ব লিখেছিলাম সামু এবং আমুতে । প্রচুর সাড়া পেয়েছিলাম । কিন্তু আমাদের এখানে চেঁচামেচি করে লাভ আছে ?? সরকারের বড় বড় নেতারা যদি তথাকথিত পীরদের পায়ের ধূলি নিতে যান । তাহলে আমাদের করার কী আছে ? আছে সেটা হচ্ছে সামাজিক আন্দোলন । খেয়ে না খেয়ে যারা পীরের কাছে টাকা নিয়ে যায় হাদিয়া হিসেবে অথচ, তার ঘরে বউ বাচ্চা উপুসে চিৎকার করছে । আমার জানা মতো অনেক শিক্ষিত লোকেরা সেখানে যায় । শুধু তাইনা অনেক মেজর আছেন যারা নিজের বেতনের এক তৃতিয়াংশ বাবার নামে বরাদ্ধ করে রেখেছেন । কী আর বলার আছে ?
দেওয়ান বাগী, রাজারবাগী,মাইজভাণ্ডারী, আটরশী নামক ভণ্ডপীররা হাজার হাজার উপাধী নিয়ে এদেশের মানুষের মগজে কু সংস্কারের বীষ ডুকিয়ে দিচ্ছে । শুধু আমজাদ নয় সকল ভণ্ড পীরদেরকালো হাতে হ্যাণ্ডকাপ দেখতে চাই । না, সরকার এদেরকে ভয় পায় । বদ দোয়া লাগবে বলে ?
সরকারের সুমতি হোক, অন্তত: তাই হওয়া উচিৎ ।
মন্তব্য
রাষ্ট্লপতি এরশাদ ক্ষমতায় থাকতে আটরশির মুরিদ হয়েছিলেন। কয়েকবার সরকারী সফর করেছেন সেখানে। যে দেশের কর্তা ব্যক্তি ভন্ডদের মুরিদ হয় সেদেশে এর বেশী কি চান? তবে সময় এসেছে সেচ্চার হওয়ার।
লেখকের মন্তব্য
শুধু চাচারে দোষ দিলেন ? বর্তমানে আমাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রি খালাম্মাও ঐ সব ভণ্ডদের দোয়া নিতে যান । আমি কিন্তু সামাজিক আন্দোলনের কথা বলেছি । আপনিও আসুন আমরা এদের বিরুদ্ধে একটি সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলি । এছাড়া করার কিছু নাই ।
একমত।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ।
চাই সচেতনতা, চাই সামাজিক আন্দোলন!
লেখকের মন্তব্য
ঠিক এই কাজটাই এখন প্রয়োজন ।
হুমম সবার মধ্যে সচেতনতা গড়ে তুলতে পারলেই সম্ভব কিছু করা
লেখকের মন্তব্য
ঠিক বলেছেন । ধন্যবাদ।
সচেতন হবো কিভাবে?সচেতন করাতে হবে।
লেখকের মন্তব্য
প্রথমে নিজে সচেতন হওয়া প্রয়োজন । তারপরও করাতে হবে ? বুকে হাত দিয়ে কি আমরা বলতে পারবো আমরা সচেতন ?
সচেতনতা দিয়া কিছুই হইবেক না । স্থানীয় প্রসাসনরে গদাম দিলে কাম হইব এইসব উঠতি ভণ্ডদের সাইজ করনে।
তয় আটরশী,চরমনাইদের থাবা থেকে মুক্তি মেলা কঠিন।
লেখকের মন্তব্য
মানতে পারলাম না । সামাজিক সচেতনতাই একটি সমাজ গঠনের সবোর্ত্তম উপায় । গদাম দেয়া প্রয়োজন আছে তবে মূল সহ নির্মূলের জন্য সামাজিক আন্দোলনই একান্ত প্রয়োজন ।
গ্রামে গ্রামে যে অশিক্ষা আর শহুরে শিক্ষিত সার্টিফিকেটধারীদের মধ্যেই যে কুসংস্কার, তা দেখলে দৌড়ে পালাতে ইচ্ছা করে।
লেখকের মন্তব্য
পালাবেন কই ? এ সমাজ আপনাকে ক্ষমা করবেনা ! আন্দোলনের রূপ দিতে হবে আপনাকেই । বন্ধু ! পালাবেন কেনো ? এ সমাজ বিনির্মাণে আপনাকে বড় প্রয়োজন ।
উষ্টা মারতে পারতাম ওইগুলারে।
লেখকের মন্তব্য
মারুন, ভয় করেন কেনো ?
ভয় করিনা রে ভাই, আমি একা তো পারবো না, চলুন সবাই একসাথে হই
লেখকের মন্তব্য
অবশ্যই সাথে আছি ।
কথা সত্য বলসেন ।
বাংলাদেশে ধর্মীয় মূর্খতা আর গোড়ামী প্রবল এই কারনেই ভন্ড গুলো চড়ে খেতে পারে।
এরচে মজার ব্যবসা আর কি আছে।
---------
সরকার তো আবাল -- মানুষ ভালো হৈলে আর সরকার লাগে না।
তবে আমি আপনারে গ্যারান্টি দিতে পারি -- সরকার আর জনগণের মধ্যে রেশিও করলে সংখ্যা কাছাকাছিই হবে পীরভক্তদের।
লেখকের মন্তব্য
সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ ।
আমার জ্ঞান কম। তাও আমি বলব।। ইলমে মারেফাত বা তাসাউফ চর্চাকারী মানুষগুলো সাধারন থেকে আলাদা। তাসাউফের প্রতি সামান্ন জ্ঞান থাকলে কউ মূর্খের মত চাদের সাথে বামনের তুলনা করত না। সকল মহা জ্ঞানী মানুষদের বলতে চাই।। আপনারা যদি নাস্তিক না হন তাহলে।। হযরত ওয়াস কোরনী, ইমাম গাজ্জালী, মুনছুর আল হিল্লাজ আপাদত এই তিন জনের সঠিক জীবনী পড়ুন এর পরে অন্যান্য তাসাউফ প্রেমীদের নিয়া যতখুসি লাফা লাফি করুন। হাস্যকর লাগে। যতই আপনার লাফালাফি করেন না কেন প্রকৃত হক্বানী সূফীদের জজবা আরো বৃদ্ধি পায়। এই ধরুন আটরশীর পীরের বাড়ী মানুষ খালি বাড়ে কমে আর না।।।
মন্তব্য করুন