ইচ্ছা মানব-এর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

বাংলাদেশীদের মধ্যে প্রথম নোবেল পুরষ্কার পেয়ে সমস্ত বাংলাদেশীর বুকের ছাতি দু ইঞ্চি বাড়িয়ে দিয়েছিল কে? উত্তর ডক্টর মুহম্মদ ইউনুস। গ্রামীন ব্যাঙ্ক ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রমের জন্য ২০০৬ সালে তিনি শান্তিতে নোবেল পুরষ্কার পান।বিশ্বে বাংলাদেশের মর্যাদা কিছুটা হলেও বৃদ্ধি পায়।যারা বাংলাদেশকে চিনত না এই শান্তি পুরষ্কারের জন্য চিনতে পারে বাংলাদেশ নামে একটা দেশ আছে।
ইউনুস বহির্বিশ্ব আমাদের মাথা উচু করেছিলেন। জননেত্রী শেখ হাসিনা বা দেশনেত্রী খালেদার বার বার পূনর্জন্ম হলেও এরা এতটুকু করতে পারবে কি না সন্দেহ।ডক্টর মুহম্মদ ইউনুস কে অনেকে বলেন সুদখোর।শেখ হাসিনাও বলেছেন সুদখোর মহাজন।ভাল কথা।সুন্দর কথা। এখন আমার কথা হল এক লোক যদি সুদ খেয়ে,সুদখোর মহাজন হয়ে নোবেল শান্তি পুরষ্কার পেয়ে দেশ ও জাতির মাথা উচুঁ করতে পারে তাহলে অসুদখোর ভদ্র নম্র শিক্ষিত সু পুরুষ বা সু মহিলা হতে সে উত্তম।
গত ডিসেম্বরে নরওয়ের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত একটি তথ্যচিত্রে অভিযোগ করা হয়, গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ ইউনূস দাতাদের দেওয়া অর্থ এক খাত থেকে অন্য খাতে সরিয়েছিলেন।
নরওয়ের ঐ টেলিভিশনের তথ্যচিত্র প্রকাশের পর সবাই হামলে পড়েন মুহম্মদ ইউনুসের ওপর।কি বোর্ডের সামনের মহব্বত আলী থেকে শুরু করে প্রদানমন্ত্রী সব।কোটি কোটি টাকা সরিয়ে ফেলেছেন ইউনুস এমন দাবী উঠে।সরকার অসীম উৎসাহে ইউনুস নিধনে নামে।প্রতিদিন ই বিবৃতি দেয়া হয়।ইউনুস সুদখোর।ব্লগে ব্লগে ইউনুসকে গালি দিয়ে আসতে থাকে অসংখ্য পোষ্ট। বিরাট বিস্ময় নিয়ে প্রত্যক্ষ করি এসব।ইউনুস যদি সত্যি ই টাকা সরিয়ে ফেলতেন তবুও সরকারের অথবা দেশের মানুষের অন্তত উচিত ছিল তার পাশে থাকা।বিতর্ক উঠলে মুহাম্মদ ইউনূস ও গ্রামীণ ব্যাংকের পক্ষ থেকে ওই অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছিল।
নরওয়ে সরকারও বলেছিল, নব্বইয়ের দশকের মাঝামাঝি সময়ে বিষয়টি নিষ্পত্তি হয়েছিল এবং অনিয়ম বা দুর্নীতির কোনো বিষয় এখানে জড়িত ছিল না।
অর্থাৎ ইউনুস টাকা মারেন নি।উনাকে সরকার জেলে ভরতে পারে নি। ব্লগের যে মহব্বত আলীরা কি বোর্ডের ছাল তুলে ফেলেছিলেন মনের আনন্দে।তারাও একটু থামেন।
কিন্তু গতকাল ইউনুস সাহেবকে গ্রামীন ব্যাঙ্কের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়।
বাংলাদেশ ব্যাংক গত ২৮ ফেব্রুয়ারি এক চিঠিতে জানায়, গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে মুহাম্মদ ইউনূসের দায়িত্ব পালন আইনগতভাবে বৈধ নয়। এরপর মুহাম্মদ ইউনূসকে অব্যাহতি দিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক গতকাল বুধবার আরেকটি চিঠি পাঠায় গ্রামীণ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যানের কাছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে অনির্দিষ্টকালের জন্য মুহাম্মদ ইউনূসের নিয়োগের ক্ষেত্রে গ্রামীণ ব্যাংক অধ্যাদেশ ’৮৩-এর ১৪(১) ধারা অনুসারে বাংলাদেশ ব্যাংকের পূর্বানুমোদন নেওয়া হয়নি। তাই ওই প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদে মুহাম্মদ ইউনূসের বহাল থাকা বৈধ নয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে তাঁকে ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদে দায়িত্ব পালন থেকে অব্যাহতি দেওয়া হলো।
গ্রামীণ ব্যাংক (সংশোধন) আইন, ১৯৯০-এর মাধ্যমে দি গ্রামীণ ব্যাংক অধ্যাদেশ, ১৯৮৩-এর ১৪ অনুচ্ছেদ প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে বিধান করা হয় যে, গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিয়োগের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের পূর্বানুমোদন লাগবে। এ পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৯০ সালের ২৫ আগস্ট কিছু শর্ত সাপেক্ষে বাংলাদেশ ব্যাংক অনাপত্তি দেয়। এরপর গ্রামীণ ব্যাংক ১৯৯০ সালের ২৯ আগস্ট মুহাম্মদ ইউনূসকে যে নিয়োগপত্র দেয়, তাতে শর্ত দেয় যে গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদে মুহাম্মদ ইউনূস ব্যাংকের একজন নিয়মিত কর্মকর্তা হিসেবে গণ্য হবেন। ব্যাংকের নিয়মিত কর্মকর্তার অবসর গ্রহণের বয়স ৬০ বছর।
জানা যায়, বাংলাদেশ ব্যাংক পর্যালোচনা করে দেখেছে, গ্রামীণ ব্যাংক ২০০১ সালের ১৯ নভেম্বর ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদে একটি বিধি প্রণয়ন করে। এই বিধিতে বলা হয়, ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদে চাকরির ক্ষেত্রে বয়সের কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা থাকবে না এবং গ্রামীণ ব্যাংকের চাকরিবিধি তাঁর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না। এ ছাড়া বিধিতে ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পদটি চুক্তিভিত্তিক করা হয়, যা আগের শর্তের পরিবর্তন। তবে এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের কোনো পূর্বানুমোদন নেওয়া হয়নি।
অর্থাৎ ষাট বছরের উপরে বয়স হবার কারণেই ইউনুসকে অব্যাহতি দেয়া হল।ভাল কথা।তার বয়স হয়েছিল ৭০ বছর।কিন্তু
আমাদের অর্থমন্ত্রীর আবুল মাল মুহিতের বয়স ৭৭ বছর।
হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ সাহেবের বয়স ৮১।
খালেদা জিয়ার বয়স ৬৬।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বয়স ৬৪।
এই ব্যক্তিবর্গের তাদের রাজনৈতিক কর্মকান্ড স্ব পদে বহাল থেকে চালিয়ে যাচ্ছেন।তাদের বয়সের ক্ষেত্রে সমস্যা নাই কেন?
প্রসাশনের কাছে এই প্রশ্ন করলে হয়ত উত্তর পাওয়া যাবে নজরুলের যৌবনের গানে বলেছেন , বার্ধক্যকে বয়সের ফ্রেমে বাধা যায় না।রাজনৈতিক নেতারা আসলে যুবক।তাদের মন প্রান সব সজীব।কিন্তু ইউনুস সাহেব বৃদ্ধ!
এখন দেখা যাক একটু ইউনুস সাহেবের এই অব্যাহতি নিয়ে বিদেশী মিডিয়ায় কেমন নিউজ আসল,
নিউইয়র্ক টাইমস পত্রিকা ‘ক্ষুদ্রঋণের প্রবক্তা বিতাড়িত’ শীর্ষক শিরোনামে এক প্রতিবেদনে বলেছে, ইউনূসকে জোর করে গ্রামীণ ব্যাংক থেকে সরিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক। পত্রিকাটি গ্রামীণ ব্যাংকে সরকার নিযুক্ত পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হকের বরাত দিয়ে জানায়, তাঁকে গ্রামীণ ব্যাংকের সব ধরনের কাজ থেকে অব্যাহতি দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
যুক্তরাজ্যের ইয়েলে বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির অধ্যাপক আহমেদ মুশফিক মোবারক নিউইয়র্ক টাইমসকে বলেছেন, ‘বাংলাদেশের জনগণ যদি এটাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মনে করে, তাহলে বিনিয়োগনীতির ক্ষেত্রে দেশটি এক দফা পিছিয়ে যাবে।’ ক্ষুদ্রঋণ বিশেষজ্ঞ বিজয় মহাজন বলেন, ‘মোটের ওপর এটা ক্ষুদ্রঋণ খাতের জন্য খারাপ সংকেত। বিতর্ক যাই থাকুক না কেন, দারিদ্র্য বিমোচনে তাঁর অবদান অনেক।’
নিউইয়র্ক টাইমস প্রতিবেদনে ইউনূস সম্পর্কে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক একটি মন্তব্যও তুলে ধরা হয়েছে। শেখ হাসিনা বলেছেন, দারিদ্র্য বিমোচনের নামে ইউনূস দরিদ্র মানুষের রক্ত চুষছেন। সেই সঙ্গে ইউনুসের গত জানুয়ারিতে দেওয়া একটি বক্তব্য তুলে ধরেছে পত্রিকাটি। ইউনূস বলেছেন, তিনি পদত্যাগ করতে চান। কিন্তু ব্যাংকের স্থিতিশীলতার জন্য তাঁর থাকা দরকার। তাঁর হঠাত্ বিদায় ব্যাংকটির অবস্থা খারাপের দিকে চলে যেতে পারে।
ব্রিটিশ পত্রিকা টেলিগ্রাফ ‘বরখাস্ত’ শীর্ষ শিরোনামে এক প্রতিবেদনে বলেছে, বাংলাদেশের নোবেলজয়ী মুহাম্মদ ইউনূসকে পদত্যাগ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তাঁর দীর্ঘ দ্বন্দ্বের পরিপ্রেক্ষিতে এ নির্দেশ এল।
টেলিগ্রাফ ঢাকায় কূটনৈতিক সূত্রের বরাত দিয়ে জানায়, অধ্যাপক ইউনূসের আন্তর্জাতিক অবস্থান ও ২০০৭ সালে রাজনৈতিক উচ্চাভিলাষ হাসিনাকে ক্ষুব্ধ করেছে।
কানাডার গ্লোব অ্যান্ড মেইল পত্রিকা ‘বাংলাদেশ গরিবের ব্যাংকারকে বিতাড়িত করতে চাইছে’ শীর্ষক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মাত্র চার বছর আগে মুহাম্মদ ইউনূস নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী হিসেবে মাদার তেরেসা, মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র ও নেলসন ম্যান্ডেলার মতো সম্মান পেয়েছিলেন। আর এই সপ্তাহে এই নোবেলজয়ী বাংলাদেশের নোংরা রাজনীতির শিকার হয়েছেন।
পত্রিকাটি নিউইয়র্ক থেকে উইমেন্স ওয়ার্ল্ড ব্যাংকিংয়ের প্রধান নির্বাহী ও প্রেসিডেন্ট মরি এলেন ইস্কেন্দেরিয়ানকে উদ্ধৃত করে বলেছে, ‘কেউ তাঁর সততা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারবে না। সবচেয়ে বড় ক্ষুদ্রঋণের দেশ হিসেবে বাংলাদেশের জন্য এটা খুবই উদ্বেগজনক। সর্বোপরি এটা আমাকে খুবই ব্যথিত করেছে।’
ব্রিটিশ পত্রিকা গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একতরফাভাবে সরকার ঘোষণা করেছে, মুহাম্মদ ইউনূস পদত্যাগ করেছেন। গ্রামীণ ব্যাংক নিয়ন্ত্রণের দ্বন্দ্বে বিষয়টি নতুন মাত্রা যোগ করবে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, প্রায় ৩০ বছর আগে দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে যুদ্ধের কার্যকর ফরমুলার অংশ হিসেবে ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেন। কিন্তু সাম্প্রতিক মাসগুলোতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইউনূসের বিরুদ্ধে উগ্র আচরণ করছেন। অভিযোগ রয়েছে, গ্রামীণ ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ নিতে চায় সরকার, যা বড় রাজনৈতিক সম্পদে পরিণত হবে।
যুক্তরাজ্যের প্রভাবশালী দৈনিক ইন্ডিপেনডেন্টের অনলাইনের খবরে বলা হয়েছে, ক্ষুদ্রঋণের প্রবক্তাকে তাঁর ব্যাংক থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। তাঁকে জোর করে ব্যাংকের প্রধানের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। খবরে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তাঁর দীর্ঘ দিন ধরে বিরোধ চলছে। তবে ইউনূস তাঁর পদে বহাল থাকবেন এবং এর জন্য লড়বেন।
সিএনএন তাদের প্রতিবেদনে বলেছে, নোবেলজয়ীকে তাঁর ব্যাংকের পদ থেকে বিতাড়িত করার আবারও চেষ্টা করছে বাংলাদেশ। এ ছাড়া বিবিসি, ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল, দ্য ওয়াশিংটন টাইমসসহ বিভিন্ন দেশের গুরুত্বপূর্ণ সংবাদমাধ্যমে বিষয়টি বেশ গুরুত্ব দিয়ে প্রকাশ করেছে।
এই যে পত্রিকাগুলোতে ইউনুস সাহেবকে নিয়ে এতগুলো নিউজ গুলো আসছে এটা কি আমাদের দেশের জন্য লজ্জাজনক না?
লিংক সমূহঃ
http://en.wikipedia.org/wiki/Abul_Maal_Abdul_Muhit আবুল মাল মুহিত
http://en.wikipedia.org/wiki/Hussain_Muhammad_Ershad এরশাদ
http://en.wikipedia.org/wiki/Sheikh_Hasina হাসিনা
http://en.wikipedia.org/wiki/Khaleda_Zia খালেদা
http://www.prothom-alo.com/detail/date/2011-03-03/news/135558 বিশ্ব গণমাধ্যমে ইউনুস
http://en.wikipedia.org/wiki/Muhammad_Yunus মুহম্মদ ইউনুস
মন্তব্য
প্রতিহিংসা মানুষকে কতো নীচে নামাতে তার একটা জলন্ত প্রমান আমরা কাল পেয়েছি।
লেখকের মন্তব্য
প্রতিহিংসা থাকুক।তাই বলে দেশের মানসম্মান দেখবে না!
শেখ হাসিনার সেই আচম্বিত উল্লম্ফনোক্তির সময়ই আঁচ পাওয়া গিয়েছিলো এমন কিছু হবে। দুঃখজনক।
লেখকের মন্তব্য
শেখ হাসিনা উক্তিগুলো ঐরকম ই থাকে।কিন্তু এখন আম্রিকার সাথে দেশের সম্পর্ক নষ্ট হবে।সেটা আম্লিগের জন্যও ভাল হবে বলে মনে হয় না।
লেখকের মন্তব্য
শেখ হাসিনা উক্তিগুলো ঐরকম ই থাকে।কিন্তু এখন আম্রিকার সাথে দেশের সম্পর্ক নষ্ট হবে।সেটা আম্লিগের জন্যও ভাল হবে বলে মনে হয় না।
খুবই দুঃখজনক।
লেখকের মন্তব্য
দুঃখজনক,অপমানজনক।
রাজনীতিবিদের বয়সসীমা যদি নির্ধারন করে দেয়া যেতো - আহা
লেখকের মন্তব্য
তাহলে তারা বলতেন তারা মনের দিক থেকে ইয়াং।
আমাদের অর্থমন্ত্রীর আবুল মাল মুহিতের বয়স ৭৭ বছর।
হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ সাহেবের বয়স ৮১।
খালেদা জিয়ার বয়স ৬৬।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বয়স ৬৪।
মাল সাহেব ৭৭ বছরেও অর্থমন্ত্রী!!!!!
লেখকের মন্তব্য
কথা বার্তা দেখে কম বয়স মনে হয় নাকি!
মন্তব্য করুন