ঈশান মাহমুদ-এর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি


চতুর্মাত্রিকের অত্যন্ত প্রিয়ভাজন ব্লগার আব্দুর রাজ্জাক শিপন। তার দ্বিতীয় উপন্যাস 'সোনামুখী সুঁইয়ে রূপোলী সুতো'। বইটির আজ মেলায় আসবে এবং ময়মনসিংহের আলোকিত মানুষ জয়নাল আবেদীন, যিনি রিকসা চালিয়ে অনেক কষ্টে নিজ এলাকায় একটি হাসপাতাল ও একটি ইশকুল প্রতিষ্ঠা করেছেন, তার মতো একজন সাদা মনের ব্যক্তিত্ব বইটির মোড়ক উন্মোচন করবেন, আরাশির দেয়া পোস্টে এই তথ্যটি জেনে মানুষটি সম্পর্কে অন্যরকম একটি কৌতূহল অনুভব করি। তাছাড়া বন্ধু ব্লগার আরাশির বই বের হচ্ছে, হৃদয়ের টানতো ছিলই।
নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই মেলায় পৌঁছে যাই। ছুটির-দিন। প্রচুর ভিড় মেলায়। তবুও আরাশির বইয়ের প্রকাশক 'শুদ্ধস্বর' এর স্টল খুঁজে পেতে বেগ পেতে হয়না। ওখানে গিয়ে মোড়ক উন্মোচনের ব্যাপারটি সম্পর্কে খোঁজে নিতে গেলে ওরা রীতিমতো অবাকই হয়, আর ওদের অবাক হওয়া দেখে আমিও যারপর নাই ভিরমি খাই, ওরা দেখছি এ সম্পর্কে কোন খবরই রাখেনি ! একটু পর ওখানে দেখা হয় ব্লগার ও কবি আহমেদ আব্দুল হালিম ভাইয়ের সঙ্গে, তিনি চমৎকার হাসি ছড়িয়ে বলেন, 'আজ প্রচুর বই কিনবো, বিশেষ করে অনুবাদ বই'। আব্দুল হালিম ভাই বিদায় নিতেই আরাশির অনুজ ব্লগার আব্দুল করিমের ফোন পেয়ে জানি ব্লগাররা সব লিটল ম্যাগ চত্বরে।
লিটল ম্যাগ চত্বরে গিয়ে দেখি ব্লগারদের ব্যাপক আড্ডা চলছে। আড্ডায় উপস্থিত নাজমুল হুদা, সাহাদাত উদরাজী, হাসান মাহাবুব-সমুদ্র কন্যা দম্পতি, বৃত্তবন্দী, আব্দুল করিম, 'আমরা বন্ধু' ব্লগের ব্লগার মেসবাহ য়াযাদ, জয়িতা সহ অনেক স্বনামধন্য ব্লগার। একটু পর আরাশির বন্ধু রুবেল শাহ এসে তাড়া দেন নজরুল চত্বরে যাওয়ার জন্য, সময় হয়েছে 'মোরগ কাটার'.... থুক্কু মোড়ক উন্মোচনের। এরই মধ্যে আব্দুল করিমের মাধ্যমে জানা যায়, আলোকিত মানুষ জয়নাল আবেদীন হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ায় মেলায় উপস্থিত হতে পারেননি। অতঃপর সাহাদাত উদরাজীসহ আমরা উপস্থিত সবাই মিলে ঠিক করি মোরগ কাটবেন...সরি মোড়ক উন্মোচন করবেন আমাদের সবার পরম শ্রদ্ধেয় সিনিয়র ব্লগার নাজমুল হুদা ভাই।
নজরুল চত্বরে আজ প্রচণ্ড ভিড়। একের পর এক মুরগী জবাই...সরি মোড়ক উন্মোচন চলছে। তারই ফাকে একসময় আমরা সবাই গিয়ে দাঁড়াই। শুধু রন্ধন কর্মেই নয় ব্লগার সাহাদাত উদরাজী যে গলাবাজিতেও সমান পারদর্শী, তা একটু পর টের পাওয়া যায় তার সুললিত কণ্ঠের চমৎকার শুভেচ্ছা বক্তব্যের মাধ্যমে। তার বক্তব্য শেষ না হতেই ব্যাপক হাততালি। এর পর বইয়ের মোড়ক উৎপাটনের পালা। তার আগে নাজমুল হুদা ভাই উপস্থিত বিপুল সংখ্যক বই-প্রেমীদের উদ্দেশে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন। স্বভাব সুলভ ধীর স্থির কণ্ঠে অত্যন্ত গোছালো কথামালার মাধ্যমে নাজমুল ভাই 'সোনামুখী সুঁইয়ে রূপোলী সুতো' উপন্যাসটি প্রকাশের পেক্ষাপট এবং এর সংক্ষিপ্ত বিবরণ তুলে ধরেন। বক্তব্যের পর আসে সেই বহুল প্রতীক্ষিত মহেন্দ্রক্ষণ। বিপুল করতালির মধ্যে নাজমুল ভাই 'সোনামুখী সুঁইয়ে রূপোলী সুতো' বইটি মোড়ক থেকে অবমুক্ত করেন। এভাবেই সহ ব্লগার আব্দুর রাজ্জাক শিপনের সোনামুখী সুইয়ের প্রান্তে অবশেষে গাঁথা হলো আমাদের সবার ভালোবাসার অদৃশ্য সুতো।
মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠান শেষে আমরা সবাই ধীরে ধীরে মঞ্চ থেকে নেমে পড়ি। কিন্তু সাহাদাত উদরাজী আর নামার ফুসরত পান না। তার উপস্থাপনা গুণে মুগ্ধ হয়ে উপস্থিত এক তরুণ লেখক তার বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করার জন্য তাকে বিনীত ভাবে অনুরোধ করেন। কিন্তু অনুরোধে খাম্বা গিলতে গিয়ে একটি নয়, পর পর দুটো 'মোরগ জবাই করে' তবে ছাড়া পান উদরাজী। তিনি যখন বের হয়ে আসেন তার হাতে দুটি সদ্য প্রকাশিত বইয়ের সৌজন্য কপি এবং মুখে এক চিলতে গর্বিত হাসি।
মোড়ক উৎপাটন কর্ম শেষে আমরা চা খাওয়ার জন্য বের হই, এমন সময় ডঃ নিয়াজ ওরফে ডাক্তারের রোজনামচার ফোন আসে। একটু পর তিনি উপস্থিত হয়ে যখন শুনতে পান যে একটুর জন্য 'মোরগ কাটা' মিস করেছেন। তখন তার কণ্ঠে তীব্র হতাশা। তিনি জানান শুধু আরাশির বইয়ের মোড়ক উৎপাটন কর্মকাণ্ডে উপস্থিত থাকার জন্য তিনি সিরাজগঞ্জ থেকে ছুটে এসেছেন।
ডঃ নিয়াজের এই আন্তরিকতায় যারপর নাই মুগ্ধ হই আমরা।
বন্ধু আরাশি ফেইসবুকে তার প্রকাশিত 'সোনামুখী সুঁইয়ে রূপোলী সুতো' বইটির নামে ইতোমধ্যেই একটি গ্রুপ খুলেছেন সেই গ্রুপের ওয়ালে বইটিকে উপলক্ষ করে আমি কয়েকটি পংক্তি লিখেছিলাম। প্রাসঙ্গিক বিবেচনায় তা এখানে উল্লেখ করলাম।
আমাকে এক ঝলক আলো দাও
এক গ্লাস জোছনা দাও
স্বপ্ন দাও এক মুঠো
সোনামুখী সুঁইয়ের প্রান্তে
গেঁথে দাও রূপোলি সুতো
আমি তোমার সঙ্গে যাবো
পাড়ি দিব অথৈ নদী
হবো না কখনো ভীত
সোনামুখী সুঁইয়ের প্রান্তে
গাঁথো যদি ভালোবাসার সুতো//
'সোনামুখী সুঁইয়ে রূপোলী সুতো' বন্ধু ব্লগার আব্দুর রাজাক শিপনের দ্বিতীয় উপন্যাস। তার প্রথম উপন্যাস 'চন্দ্রাবতীর চোখে কাজলরং' প্রকাশিত হয় ২০১১'এর বইমেলায়।
'সোনামুখী সুঁইয়ে রূপোলী সুতো'
প্রকাশিত হয়েছে 'শুদ্ধস্বর' থেকে। প্রচ্ছদ করেছেন তৌহিন হাসান।
চার ফর্মার এই বইটির মূল্য রাখা হয়েছে ১০০ টাকা।
বিলম্বে হলেও ব্লগার আব্দুল করিমের সৌজন্যে মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানের কয়েকটি ছবি পাওয়া গেছে। 
ছবিঃ ১

ছবিঃ ২

ছবিঃ ৩

ছবিঃ ৪

ছবিগুলো ফেইসবুকের 'সোনামুখী সুঁইয়ে রুপোলী সুতো' গ্রুপ থেকে নেয়া হয়েছে।
মন্তব্য
ভালো লাগলো - বইটার জন্য অনেক শুভকামনা রইলো
ধন্যবাদ, আরণ্যক !
ঈমা ভাই,
খুব চেষ্টা করেও কেন যেন ছবি আপলোড করতে পারছিনা।
চরম মেজেজ খারাপ।
লেখকের মন্তব্য
মেজাজ খারাপ করে কাজ নেই ভ্রাত আব্দুল করিম। তুমি বরং দু'একটি ছবি আমার ফেইসবুক ওয়ালে আপলোড কর।
আপনাদের প্রতি কৃতজ্ঞতার ভাষা জানা নেই ঈশানদা !
বহুগুণের অধিকারী উদরাজী ভাই , যা দেখালেন , অতুলনীয় !
যাবে কথা দিয়েও অনেকে যেতে পারেননি । আপনাদের আন্তরিকতার যে ছাপ হৃদয়ে পড়েছে, হৃদয় ক্ষয়ে যাবে , ছাপটি থেকে যাবে !
এইক্ষণে হুদাভাইয়ের প্রতি কৃতজ্ঞতাটা সেরে নেই । ভীষণ ব্যস্ততার মাঝেও তিনি বইটির বানানগুলো দেখে দিয়েছিলেন । অশেষ কৃতজ্ঞতা , প্রিয় অগ্রজরা !
শিপন, কৃতজ্ঞতার কিছু নেই ভাই। আমি আমার দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করেছি মাত্র।
এতদিন পরে আজ পড়লাম এই পোস্ট! আমি কী অলস হয়ে গেছি, নাকি অন্ধ? দুঃখিত, ঈশান।
আমিই সেদিন চাপাচাপি করে বলেছিলাম ঈশানকে পোস্ট দেবার জন্য, অথচ আমিই কিনা একেবারে শেষ পাঠক?
সেদিন সাদা মনের আলোকিত মানুষটি আসতে না পারার কারণে সাদা চুলো এই অমানুষটির ভাগ্য প্রসন্ন হয়ে উঠেছিল। নিজে লিখতে না পারলে কী হয়, কারো লেখা একটা পূর্ণাঙ্গ উপন্যাসের মোড়ক উন্মোচন করার, তাও আবার একুশে বইমেলায় বাংলা একাডেমীতে, এ যে কী দুর্লভ সৌভাগ্য তা বলার অপেক্ষা রাখে না। সহব্লগার বন্ধুরা আমাকে সে সুযোগ দেওয়ায় আমি সকলের প্রতি কৃতজ্ঞ।
ঈশানের এই পোস্টে যে আন্তরিকতা আর সহব্লগারদের প্রতি ভালোবাসার ছাপ ফুটে উঠেছে তার প্রশংসা না করে পারছি না।
সকলের প্রতি সকলে যেন এমন করে একাত্মতা অনুভব করে সে কামনা করি আন্তরিকভাবে।
শুভেচ্ছা সকলকে।
হুদা ভাই, যে কথাটি বলতে চাই, মোড়ক উন্মোচনের পর সেই কথাটি হয়তো তেলতেলে শুনাবে । তবু বলি, জয়নাল আবেদীনের কথা যদি আমার মাথায় না থাকতো, তাহলে তার পরে আপনার কথাই আমি ভাবতাম । অনেকগুলো কারণ আছে । আপনারা ক'জন থাকবেন, তা আমি প্রায় নিশ্চিত ছিলাম, আন্তরিকতাটা ধরতে পেরেছিলাম । আমার খুবই সৌভাগ্য যে, আমার দু'টি বইয়ের মোড়ক উন্মোচনেই আপনি ছিলেন ।
কৃতজ্ঞতা ।
উদরাজী ভাই কী বলেছেন, ওগুলোও লিখে দেন না একটু । আমরা জানি !
চাচার হঠাৎ অসুস্থতাজনীত অনুপস্থিতি আমাকে ভীষণ পীড়া দিয়েছে ।
আর হ্যাঁ, বস, সবগুলো 'রূপালীকে 'রূপোলী' করে দিতে হবে ।
লেখকের মন্তব্য
যদ্দুর মনে পড়ে উদরাজী বলেছিলেন, আব্দুর রাজ্জাক শিপন একজন প্রবাসী লেখক, সুদূর প্রবাসে থেকেও তিনি একাগ্র চিত্তে সাহিত্য চর্চা করে যাচ্ছেন.....পাশাপাশি উদরাজী বই পড়ার গুরুত্ব নিয়ে চমৎকার কিছু কথা বলেন, যা উপস্থিত তরুণ শ্রোতাদের মধ্যে ব্যাপক আলোড়ন তোলে। বাকিটা হয়তো উদরাজীই বলবেন।
ও হাঁ, আমি আসলে রুপোলীই লিখেছিলাম। গভীর রাতে পোস্ট দেয়ার পর আর দেখার ফুসরত হয়নি। এখন দেখলাম সব গুলো 'রুপালী' হয়ে গেছে। অভ্র স্পেল চেকারের কাণ্ড । ঠিক করে দিলাম।
হুম... উদরাজী ভাই আর আপনার পাঠ প্রতিক্রিয়া মানে সমালোচনার জন্য উদগ্রীব হয়ে আাছি ।
আমি আর এক দফা পড়তে চাই।
এক দফা না, তিন দফা পড়ুন, তবু সমালোচনা করুন !
হে হে হে !
আবারো অভিনন্দন!
বইটি পাঠকের হৃদয়ে স্হান করে নিক।
ধন্যবাদ নয়ন ।
বইটির জন্য অনেক অনেক শুভ কামনা।
আশা করছি ব্যাপক সাড়া পাবে।
শুভেচ্ছা-
ধন্যবাদ অজানা পথিক ।
সম্ভবত মোড়ক উন্মোচনের পোস্টটি দেখেননি, নইলে উপস্থিত থাকতে পারতেন ।
বাহ্, বাহ্, চমৎকার! খুব খুশির খবর। এবার বইমেলায় গিয়ে দু'হাত ভরে বই কেনা যাবে। ব্লগের সব বন্ধুদের বই মেলায় চলে আসবে আশা করি। আরাশি ভাই আর ঈশান ভাই কি ১৫ তারিখের পর মেলায় মেলায় যাবেন? যাদের সাথে এখনও সাক্ষাত হয় নি, তাঁদের সাথে সাক্ষাতের তীব্র ইচ্ছে জানিয়ে গেলাম।
ফয়সাল ভাইডি, আমিতো দেশের বাইরে । নিশ্চয় কখনও দেখা হবে , বেঁচে থাকলে ।
লেখকের মন্তব্য
শব্দপুঞ্জ ভাই, আমি ১৫ তারিখ নয়, আশা করছি ১৪ তারিখ আবার মেলায় যেতে পারবো। তবে আপনার সঙ্গে দেখা করার জন্য হলে বোধ হয় তার আর দরকার হবে না। কারন আজ যখন মেলায় আনমনে হাঁটছিলাম, আপনি পেছন থেকে এসে 'কেমন আছেন' বলে রীতিমতো চমকে দিয়েছেন। খুব ভালো লাগলো আপনি সহ নাজমুল ভাই, বিলাই দা, একুয়া, উচ্ছৃংখল ঝড় কন্যা, আকাশ গঙ্গা, মেঘ অদিতি আপু , আহমেদ আব্দুল হালিম, মুক্ত বয়ান, সাদা কালো ও ধূসর, ফ্রয়েডের অবচেতনা, ত্রেয়া, মমিনুল ইসলাম লিটন, ডাঃ নিয়াজ, আন্দালিব অনীকের মতো প্রিয় কিছু ব্লগারের সান্নিধ্যে একটি মনোরম সন্ধ্যা কাটাতে পেরে। অনেক শুভ কামনা।
ঈশান ভাইয়া, শব্দপুঞ্জতো চট্টগ্রামে! আজ আসে নাই।
লেখকের মন্তব্য
ডাঃ ভাই, ফয়সাল ভাইয়ের সঙ্গেতো আমার দেখা হলো, কথা হলো, আড্ডাও হলো। আপনি দেরীতে আসায় বোধ হয় ওনাকে মিস করেছেন।
অ্যাঁ!
কন কি???? 
শব্দপুঞ্জ ঢাকায় থাকলে আমি কই???
আপনে কারে দেখসেন?
লেখকের মন্তব্য
ইয়ে মানে….গ্রেট মিসটেক বস্।

আমি আসলে ফয়সাল রাব্বী ভাইয়ের সংগে আপনাকে গুলাইয়র ফালাইছি।
দুই জনের নামই ফয়সাল কি না !
হা হা হা হা
অভিনন্দন ও শুভকামনা।
ব্যাপক সফলতা কামনা করছি।
ধন্যবাদ, আচার্য !
"সোনামুখী সুইয়ের প্রান্তে অবশেষে গাঁথা হলো ভালোবাসার সুতো" হা বন্ধু অনেকটা এমনি!
আজ সকালে বইটা পড়ে শেষ করলাম। ফিরে আসছি।।।।
একটা কড়া সমালোচনা দেন, উদরাজী ভাই ।
কড়া কিছু বলা আমার ধাচ্ছে নাই। তবে লিখব।।।। সময় চাই।।।
অভিনন্দন।
বইটির বহুল পাঠকপ্রিয়তা কামনা করি।
ধন্যবাদ মানিক ভাই !
অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা ভাই আবদুর রাজ্জাক শিপন।
ঈশানকে অসংখ্য ধন্যবাদ আমাদের কাছে এতো সুন্দর করে অনুষ্ঠানের বর্ণনা দেয়ার জন্য, উপস্থিত না থাকার কষ্ট কিছুটা হলেও কমিয়ে দেবার জন্য।
রান্নাতো ভাইতো দেখছি ছুপা রুস্তম! ক্রমে ক্রমে উনার আরো নানাবিধ গুনের পরিচয় আমরা পাবো বলে বিশ্বাষ করি!
রান্নাতো ভাই আসলেই চুপা রুস্তম !
কৃতজ্ঞতা , সুরঞ্জনাদি !
সোনামুখী সুইয়ের এফোঁড়-ওফোঁড় কামনা করছি।
আসেন বস, আগামী বইমেলাতে একই সঙ্গে মেলাতে থাকি !
কৃতজ্ঞতা ।
প্রিয় নিয়াজ, লেখার অপেক্ষায় থাকবো ।
কড়া সমালোচনা চাই ।
শিপন ভাইয়া, খুব কষ্ট লাগছে একটুর জন্য মোড়ক উন্মোচন মিস করেছি।
আপনার বইটি নিয়ে আমারো লেখার ইচ্ছে আছে। দেখা যাক!
প্রিয় নিয়াজ, লেখার অপেক্ষায় থাকবো ।
কড়া সমালোচনা চাই ।
চমৎকার সুবিন্যস্ত লেখা!
বোনাস হিসেবে নিখাদ, নির্মল বন্ধুত্বের সাক্ষী হবার আনন্দে ভরে থাকলো মন!
ঈশান ভাই ও ভাবীকে নিরন্তর শুভকামনা।।
লেখকের মন্তব্য
অনেক ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা অনামিকাপু্।
পোস্ট পড়ে আর ছবিগুলো দেখে মন ভরে গেল। মোস্তাফিজ রিপনের মন্তব্যটাই কোট করি- সোনামুখী সুইয়ের এফোঁড়-ওফোঁড় কামনা করছি। শুভেচ্ছা, আরাশি!
লেখকের মন্তব্য
অনেক অনেক ধন্যবাদ নুশেরা, ভালো থাকবেন আমার প্রত্যাশারও বেশী।
ধন্যবাদ, নুশেরাবু !
আর অনামিকা আপু ।
গতকাল বই মেলায় গিয়ে আরো অনেক বইয়ের সাথে একটা সোনামুখী সুইও কিনে নিয়ে এলাম।
কবে নাগাদ পড়তে পারবো এটা অনিশ্চিত, তবে পড়বো এটা নিশ্চিত।
লেখকের মন্তব্য
ব্লগার বন্ধুদের প্রায় সবার বই'ই সংগ্রহ করা হলো। কিন্তু চৈতি আপুর মতো আমিও বলতে পারছি না, কবে নাগাদ সব গুলো পড়ে শেষ করতে পারবো। এমনিতেই ভার্চুয়াল জগত অবসরের অনেকটাই কেড়ে নেয়, তাছাড়া একনাগাড়ে পড়ে যাওয়ার ধৈর্যেরও খুব অভাব। এমনিতেই আরাশির কাছে আমি ব্যাপক শরমিন্দা হয়ে আছি, গত বছর তার অনুরোধ সত্ত্বেও ব্লগে 'চন্দ্রাবতীর চোখে কাজলরং' বইটির একটি রিভিউ লিখতে পারিনি। এক সময় যে কোন বই পড়লেই 'ভালো লাগা-মন্দ লাগা' সম্পর্কে দু'কলম লিখে দিতাম। কিন্তু এখন চিন্তা-ভাবনা বা দৃষ্টিভঙ্গীর তীক্ষ্ণতা, কিংবা সমালোচনার সেই পারঙ্গমতা আর নেই। তাই এখন আর আগের মতো প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করতে পারিনা।
প্রিয় চৈতি আপু বইটা পড়ে একটা প্রতিক্রিয়া দেন।
ধন্যবাদ।
মন্তব্য করুন