ঈশান মাহমুদ-এর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

ভাগ্য খারাপ হলে যা হয়, সকালে ঘুম থেকে উঠেই বউয়ের পা ধরতে হলো। শুধু পা ধরা হয়, রীতিমতো পায়ে তেলও মালিশ করতে হলো। বউয়ের আপন ছোটভাই, মানে আমার শ্যালক থাকে আবুধাবি। শালা সারাটা রাত ফোন যন্ত্রণা দিয়েছে। রিং হয়, ধরলেই লাইন কেটে যায়। ‘হ্যালো আমি মোতালেব......’। ব্যাস, এটুকু বলেই মোতালেব গায়েব। লাইনে শুধু ঘর ঘর শব্দ। টেলিফোনের এই তামাশা চলে মাঝ রাত পর্যন্ত। আমার শালা মোবাইল ব্যবহার করলেও পয়সা বাঁচানোর জন্য সাধারনত কোম্পানীর ফোন থেকেই আমার ল্যান্ডফোনে ফোন দেয়। শেষ রাতের দিকে চোখটা একটু লেগে এসেছে, এমন সময় কর্কশ শব্দে আবার রিং বেজে উঠে। বউ আমার শয্যা ছেড়ে পড়িমড়ি করে ছুঁটে ফোন ধরতে। কিন্তু তাড়াহুড়ো করে নামতে গিয়ে বেকায়দা ভঙ্গীতে মেঝেতে হুমড়ি খেয়ে পড়ে। অতপর গগনবিদারী আর্তচিৎকার, ‘ও মাগো ,মরে গেলাম....’। তাড়াতাড়ি বিছানা ছেড়ে বউকে মেঝে থেকে টেনে তুলি। তার কর্কশ কন্ঠের অসহ্য চিৎকারে কানে তালা লাগার মতো অবস্থা। পা-টা বোধহয় একটু মচকে গেছে। তাড়াতাড়ি একটি চামচে তেল-রশুন গরম করে তার মচকানো পায়ে মালিশ করতে থাকি।
বউ একটু ধাতস্থ হতেই তাকে বলি, ‘চুপচাপ বিছানায় শুয়ে থাক, একদম নড়াচড়া করবে না। আমি অফিসে যাচ্ছি, ফিরে এসে তোমাকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাবো’।
অফিসে যাওয়ার জন্য দ্রুত তৈরী হচ্ছি, এমন সময় কাজের মেয়েটি এসে বলে, ‘ভাইজান, নাস্তা এইখানে দিমু নাকি টেবিলে...?’ ‘ডাইনিং’য়েই দে’ আমি উত্তর দেই। মেয়েটি মুচকি হেসে চলে যায়। এই মেয়েটি কাজে-কর্মে খুবই ভালো, দোষ একটাই, কারনে-অকারনে শুধু দাঁত বের করে হাসে। দ্রুত নাস্তা সেরে চা খেতে খেতে ওর সঙ্গে কথা বলছি। ‘বুঝলি এলাচি, তোর চা কিন্তু চমৎকার হয়, তোর ভাবীর চা তো মুখেই দেয়া যায় না, অতি জঘন্য। তুই এতো সুন্দর চা বানাস কি করে, চায়ের সঙ্গে হাসি-টাসি মিশিয়ে দিস নাকি ?
আমার কথা শুনে এলাচি বেগম হাসতে হাসতে গড়িয়ে পড়ে, যেন ভারী মজার কথা বলেছি। হাসি জিনিসটা বড়ই সংক্রামক। ওর হাসি দেখে আমিও হাসতে শুরু করি। এমন সময় দরজায় উদয় হয় আমার রণরঙ্গিনী বউ। আমি বিস্মিত হই, মচকানো পা নিয়ে সে শয্যা ছেড়ে উঠে এলো কিভাবে ! ‘কী ব্যাপার, কাজের মেয়ের সঙ্গে বেশ তো রঙ্গ-ঢঙ্গ করা হচ্ছে দেখছি, এদিকে যে অফিসের বেলা যায়। বউয়ের শীতল কণ্ঠের এই আপত্তিকর মন্তব্যে আমি বড্ড আহত হই। প্রতিবাদী কণ্ঠে বলি, ‘তোমার রঙ্গ-ঢঙ্গ শব্দটা খুবই অরুচিকর’। বউ এবার চটে উঠে বলে, ‘আমাকে রুচি শেখাতে এসো না, তোমার মতো মিচকে টাইপের পুরুষকে আমি হাড়ে হাড়ে চিনি’। সকাল বেলা বউয়ের সঙ্গে ঝগড়া করার প্রবৃত্তি হয় না আমার। তাই কথা না বাড়িয়ে তাড়াতাড়ি ঘর থেকে বেরিয়ে পড়ি।
গলির মুখে একটি খালি রিকশা দেখে লাফ দিয়ে চড়ে বসে বলি, ‘এ্যাই রিকশা মতিঝিল চল্’। কিন্তু রিকশাঅলা এক চুলও নড়ে না, বরং এমন ভাব করে যেন শুনতেই পায়নি। আমি এবার ঝাঁঝের সঙ্গে বলি, ‘কিরে কানে বাতাস যায় না ? মতিঝিল চ্ল্’। রিকশাঅলা এবার ঠান্ডা গলায় বলে, ‘আমি মতিঝিল যামু না, তুই আমার রিকশা থেইকা নাম’।
বলে কি হারামজাদা ! রিকশা অলার ঔদ্ধত্য দেখে রীতিমতো বিস্মিত হই আমি। এতো বড় অপমান ! ভালো করে ব্যাটাকে জরিপ করি। আমার থেকে অন্তত বছর পাঁচেক বড় হবে লোকটি। কেতাদুরস্ত চেহারা। গায়ে ফুল ছাপা হাফ শার্ট, পরনে রঙচটা ফুল প্যান্ট। গলায় কায়দা করে একটা মাফলার ও জড়িয়েছে। হাতে হাত ঘড়ি, দশাসই ফিগার, ডাকাতের মতো ভয়ঙ্কর চোখ। ফুলপ্যান্ট পরে রিকশা চালায়, এমন রিকশাঅলা ঢাকা শহরে খুবই কম দেখা যায়। ওর ফিগার দেখে মনে মনে দমে যাই আমি। এই ‘মালের’ সঙ্গে লাগতে যাওয়াটা মোটেও বুদ্ধিমানের কাজ হবে না। আমার শ্রবণ শক্তি বিনষ্ট করা, কিংবা চাপার দাঁতগুলো স্থানচ্যুত করার জন্য কানের নিচে ওর সাঁড়াশি হাতের একটা লাগসই ঘুষিই যথেষ্ট। তাই ওর বেয়াদবি দাঁতে দাঁত চেপে হজম করে নরম কণ্ঠে বলি, ‘রাগ কর কেনরে ভাই ! তুমি না গেলে আমিতো আর জোর করে নিয়ে যেতে পারবো না। উঠেই যখন পড়েছি ভাড়া কতো নিবে সেটা বল’।
আমার ‘তুই’ সম্বোধন থেকে তুমিতে উত্তরণ রিকশা অলাকে প্রভাবিত করে। সেও এবার গলার স্বর খাটো করে বলে, ‘আপনে আমার লগে তুই-তোকারি করলেন কেন ! রিকশা চালাই বইলা কি আমাগো মান-মর্যাদা নাই’ !
রিকশা অলার কাছে এইভাবে চরম অপদস্ত হয়ে মেজাজটা খিঁচড়ে যায় আমার। অফিসে গিয়ে নিজের চেয়ারে বসে দেখি পিয়ন আবুল মিয়া সবাইকে মিষ্টি বিলাচ্ছে। এ্যাসিসটেন্ট ম্যানেজার আফতাব সাহেব নাকি চতুর্থবারের মতো বাবা হয়েছেন, তাই খুশীতে মিষ্টি বিলানো হচ্ছে। আফতাব সাহেবের ভাগ্য দেখে বুকের গভীর থেকে একটি চোরা নি:শ্বাস ফেলি আমি। বিয়ের পঞ্চম বর্ষে উন্নীত হলেও আমার ভাগ্যে এখনো শিকে ছিঁড়লো না। মিষ্টি দেখে মনে মনে খুশী হয়ে উঠি আমি। রিকশা অলার সঙ্গে ঝগড়া করে মুখটা তেতো হয়ে গেছে। কিন্তু সবাইকে মিষ্টি বিলিয়ে আবুল মিয়া যখন আমার টেবিলে আসে, তখন প্যাকেটে মাত্র একটি মিষ্টি অবশিষ্ট। আবুল মিয়া বিনীত কণ্ঠে বলে, ‘স্যার মিষ্টিতো আছে মাত্র একটি, এইদিকে আমি এখনো খাই নাই। আসেন একটা মিষ্টিই দুইজনে ভাগাভাগি করে খাই’। কথাটি বলেই আবুল মিয়া মিষ্টিটি ভেঙ্গে দুই ভাগ করে। আমি গম্ভীর কণ্ঠে বলি, ‘আবুল মিয়া, আমি মিষ্টি খাইনা, তুমি এখন যাও। আবুল মিয়া আমার কাছ ঘেঁষে অনুচ্চ কণ্ঠে বলে, ‘স্যারের কি ডায়বেটিস হইছে’ ? আবুল মিয়ার আজাইরা প্রশ্নটি শুনে গা জ্বলে যায় আমার। গলা চড়িয়ে বলি, ‘আবুল মিয়া, আমি তোমাকে যেতে বলেছি’। আবুল মিয়া আর কথা না বাড়িয়ে এবার নি:শব্দে প্রস্থান করে। আমার মেজাজ এখন সপ্তমে। ভিতরে ভিতরে গরম লোহার মতো তেতে উঠতে থাকি আমি।
আবুল মিয়া একটু পর আবার এসে বলে, ‘বড় স্যারে আপনেরে সালাম দিছে’। অফিসে এসে বসতে না বসতেই বড় সাহেবের সালাম, ব্যাপারটা মোটেও শুভলক্ষণ নয়। বড় সাহেবের রুমে ঢুকেই দেখে মিস পুদিনাকে। এই মহিলাকে দেখেই ভিতরে ভিতরে আমি ভীষণ টেনশনে পড়ে যাই। নিশ্চয়ই কোন ঘাপলা হয়েছে। স্যার একটি কাগজ এগিয়ে দিয়ে বলে, ‘কি লিখেছেন এইসব ! দশ লাইনে বারোটা বানান ভুল। ‘মুহূর্ত’ বানান জানেন না, আপনার তো আবার স্কুলে গিয়ে ভর্তি হওয়া উচিত। আপনাকে চাকুরি দিয়েছে কে বলুন তো’ ? চাকুরি দাতার নাম প্রকাশ করে সেই মহৎ ভদ্রলোকের আর মর্যাদাহানি করলাম না। যদিও সেই সহৃদয় ব্যাক্তি অফিস সহকারীর (মতান্তরে কেরানি) এই সাধারণ চাকুরির জন্য আমার কাছ থেকে এক লক্ষ টাকা উৎকোচ গ্রহণ করেছিল।
বসের সব জারিজুরি নীরবে হজম করে নিজের চেয়ারে এসে বসি। মনটা ভীষণ খারাপ হয়ে যায়। কম্পিউটার অপারেটর মিস পুদিনার সামনে এভাবে বেইজ্জতি হওয়াটা কিছুতেই মেনে নিতে পারিনা। পঁয়ত্রিশোর্ধ্ব এই আই বুড়ি মহিলার কাজ হলো কম্পিউটার কম্পোজ করা আর অবিবাহিত সব স্টাফদের সঙ্গে লটর-ফটর করা। ইদানীং সে অজ্ঞাত কারনে আমার পেছনে লেগেছে। মাথায় উকুন খোঁজার মতো করে সে আমার ড্রাফট থেকে খুটিয়ে খুটিয়ে ভুল খুঁজে বের করে। তারপর আমাকে কিছু না বলে সরাসরি বসের কানে গিয়ে লাগায়। বস্ যখন আমাকে জারি দিচ্ছিল, পুদিনা বেগম তখন তা বিমলানন্দে উপভোগ করছিল আর বিশ্রী ভঙ্গিতে হাসছিল। নাহ্ এই খাটাস মহিলাকে একটি উচিত শিক্ষা দিতেই হবে। আচ্ছা এই স্বৈরাচারী বসের দূর্নীতির শ্বেতপত্র আর মিস পুদিনা বিষয়ক একটি রসালো গল্প তৈরী করে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে একটি উড়ো চিঠি দিলে কেমন হয় ! এক ঢিলে দুই পাখি মারা হবে অর্থাৎ একই সঙ্গে দুইজনকে সাইজ। আইডিয়াটি নিয়ে মনে মনে ভাবতে থাকি আমি।
চলবে....।
পূর্ব প্রকাশিত।
মন্তব্য
প্রথম
লেখকের মন্তব্য
আমি মনে প্রাণে চাইছিলাম, আপনিই প্রথম হোন জামি ভাই। কিন্তু 'ইতিহাসের অংশ' ভাইজান গেলেন কোথায় ! উনি না থাকলেতো ব্লগটারেই খালি খালি লাগে।
ভাইয়া আপনাদের ভালোবাসাগুলো জমছে আর জমছে। কখনো এই ভালোবাসাকে ভালোবাসা করে ফিরিয়ে দিতে পারবো কিনা জানিনা।
(এটা আনন্দাশ্রু হবে) 
লেখকের মন্তব্য
জামি ভাই, আনন্দটুকু থাক, অশ্রুটুকু মুছে যাক।
প্রিয়তে রেখে দিলাম।
এমন উপহার জীবনে দ্বিতীয়বার পাবো কিনা জানিনা।
মনে হচ্ছে আপনি ঈমা ভাইকে পরোক্ষভাবে আপনাকে উৎসর্গ আরও একটি লেখা দেওয়ার জন্য উদ্বুদ্ধ করছেন!

না না, কি যে বলেন দাদা। না না, আপ্নিতো লজ্জায় ফেলে দিলেন। শরমিত শরমিত শরমিত
আরে এতে লজ্জার কি আছে? ডোনেশন দিলে আমি ঈমা ভাইকে রিকোয়েস্ট করে আপনাকে উৎসর্গ করে আরেকটা পোস্ট দেওয়ার জন্য বলতে পারি। তবে ডোনেশনের ব্যাপারটা আমি আর আপনি ছাড়া আর কেউ যেন না জানে। টপ সিক্রেট।
ডোনেশান ছাড়াইতো আরো একখান পোস্ট পাইয়া গেলাম

ধুর! ঈমা ভাইটাও না! আরেকটু ধৈর্য্য ধরতে পারল না! আমি আপনার কাছ থেকে ডোনেশনটা পাওয়ার পরে ঐ পোস্টটা দিতে পারত। তাইলে আমার ডোনেশনও খাওয়া হইত আর আপনার পোস্টও পাওয়া হইত। এখন সাপও পলাইল লাঠিটাও ভাইঙ্গা গেল।
লেখকের মন্তব্য
ইশ্ গ্রেট মিস ! বুজতারি নাই দাদা গলতি হইয়া গেছে ।
আহারে! একদিনে এত্তো অপদস্ত হোয়া কি পরানে সহ্য হয়! পইড়াই তো আমার চক্ষু দিয়া পানি পড়তাছে!
তয় মিয়াভাই এলাচি বেগমের লগে এতো বাতচিত করাটা আফনের অইন্যায় হইছে। হের পরে আবার ভাবীর হাতের চায়ের বদনাম!
ঘরে ফিরনের পর আফনের কপালে আল্লায় জানে কী আছে!!!! 
লেখকের মন্তব্য
সুরঞ্জনাদি, চোক্ষের পানি পুরা এখনই ফালাইয়া দিয়েন না, সামনের পর্বে আরো কঠিন 'ট্রাজিডি' আছে। আমার জন্য উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন দেখে ভালো লাগলো। তবে কাহানি এখনো শেষ হয় নাই আপু।
কি আর! মুগুর!!
আপনার দুরবস্থা দেখে তো সত্যিই কান্না আসছে। এদিকে জামি ভাই আপনাকে বাঁশ দিলো আর তার বদলে জামি ভাইকে উৎসর্গ করে নিজের বাঁশ খাওয়ার কাহিনী বিধৃত করলেন। আপনি দেখছি বাঁশ খেতে খেতেই ব্যাম্বু ঈশানে পরিনত হয়েছেন। আর সেই কারণেই কি সবাইকে বাঁশ দিতে উৎসাহী হয়ে উঠেছেন।

লেখকের মন্তব্য
আচার্য দা, আমার 'দুরাবস্থা' দেখে আপনেরা দলবেঁধে কানতেছেন, আর আরেকজন রাগে গরম তেলে বেগুন ভাজা হইতেছে, আমি কোন দিকে যাই।
বাঁশ বেত্তান্ত নিয়ে একটি পোস্ট দিব ভাবছি। তাই আপাতত বাঁশ নিয়ে ব্যাপক গবেষনা করতেছি। 
ব্যপক মজা পাইলাম ঈশান ভাই।
-ভাবী যে পিডে নাই এইটাই শুকরিয়া। একটু সাবধানে আরকি। দেশে যে এখনো পুরুষ নির্যাতন আইন চালু হয় নাই, সে খেয়াল আছে তো?

লেখকের মন্তব্য
জামি ভাই, আপনেরে প্রথম সন্দেহ করছিলাম 'ইন্সুরেন্স কোম্পানী'র লোক, পরে ভাবলাম 'ইনকাম টেক্সের'। এখন মনে হইতেছে আপনি 'আইনজীবী'ও হইতে পারেন। সন্দেহ খালি বাড়তেছে।

ঈশান ভাই রাতে এসে প্রচুর আড্ডা দিবো। আপনি কটায় আসছেন?
আমি ১০'৩০-১১'০০টার মাঝে।
আরে কন কি! ভাবী পিডে থাকবো ক্যান? ভাবী তো থাকবো বুকে। পিডে অন্য কেউ থাকলেও থাকতে পারে!
রিয়েলি গ্রেট, দ্য রসাচার্য অব চতুর্মাত্রিক(প্রস্তাবিত
)!
সবাই আসেন 'রসাচার্য' র ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করি। আসেন ভাই-বোনেরা।
লেখকের মন্তব্য
কাচি কই গেলো? ফিতা কাটবেন না?
আমি সত্যই শরমিত।
আপনারা দেখছি বিশাল কারবার করে ফেলেছেন। আপনাদের এত ভালবাসার প্রতিদান কিভাবে দেব আমার জানা নেই! কখনও কোন ভুল যদি করে ফেলি নিজ গুনে ক্ষমা করে দেবেন।
শরম পাইয়া লাভ নাই। এই নতুন নামকরণ আর ভিত্তিপ্রস্তরের জন্য খানাদানা হইয়া যাক না?
লেখকের মন্তব্য
জামি ভাই, খাওয়া-দাওয়ার কথা শুইনা রসাচার্যদা কাইটা পড়লো মনে হয় !
কাইটা পড়লেই কি? আমি তো দাওয়াত নিয়েই রাখছি। আপনিও নিজ দায়িত্বে নিয়ে ফেলেন।
তার মানে উপাধি দিয়ে ডোনেশন চান! কী দুনিয়া আইলো রে!
ভাই দেখেন নাই, বিভিন্ন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি অনুষ্ঠানের জন্য যে ডোনেশান দেয়।
ভাইরে আপনাদের মনে এই ছিল! আগে জানলে এই ফাঁদে পা দিতাম না। এখন মনে হচ্ছে উপাধিটা 'রসাচার্য' না 'বিষাচার্য'।
লেখকের মন্তব্য
এখন মনে হচ্ছে উপাধিটা 'রসাচার্য' না 'বিষাচার্য'।

হাসেন হাসেন। আমারে ফাঁদে ফেলাইয়া আপনারা তো এখন হাসতে হাসতে চিৎপটাং হইবেন।
পা মচকে গেলে বা অন্য কোন ভাবে ব্যাথা পেলে গরম রসুন-তেল সঙ্গে সঙ্গে মালিশ করা ঠিক নয়। বরফ হলো এ ব্যাপারে মহৌষধ। আর পা যদি হয় বৌয়ের, তাহলে তেল মালিশের চেয়ে বরফ মালিশ করে ঠাণ্ডা করাই উত্তম।
এই পোস্টের শিক্ষাঃ
১ কাজের মেয়ের সাথে হেসে কথা বলা যাবে না।
২ রিকশাওয়ালাদের মানুষ ভাবা শিখতে হবে।
৩ সঠিক বানান লিখতে হবে।
পরের অংশের জন্য অপেক্ষার পালা।
লেখকের মন্তব্য
কতো অজানারে….। আমার গল্পে যে এমন শিক্ষনীয় বিষয় থাকতে পারে, তা আগে ভাবি নাই। নাজমুল ভাই, যে কোন বিষয়কে সম্পূর্ণ ভিন্ন আঙ্গিকে বিশ্লেষণ করার দৃষ্টিভঙ্গির জন্যই আপনি ব্লগের অন্যতম জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব। আপনার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা এবং ভালোবাসা।
ভাইত বস
ঠিক ঠিক, নাজমুল ভাই।
চলুক। দেখি সামনে আরও কী কী চরম মেজাজ খারাপ করার ঘটনা ঘটে।
লেখকের মন্তব্য
দারুচিনি লবঙ্গ, আমার ব্লগে আপনি বোধহয় এই প্রথম আসলেন। আপনাকে শুভেচ্ছা।

ঈশান ভাই এর লেখা !!!!!!!! আগে প্রিয়তে নেই। তারপর কমেন্ট ।
কিন্তু লেখায় জামি কই?

পুরাই আশাহত।
আপু কাল প্রেজেন্টেশান আছে। তাই সময় দিতে পারছিনা। কাজটা শেষ করে রাতে আসবো ইনশাল্লাহ।
লেখকের মন্তব্য
জামি ভাইকে নিয়ে পুরা একটা পোস্ট লিখবো, সেটা আপনাকে উৎসর্গ করবো । এবার একটু আশাবাদী হোন।
আশায় থাকলাম।
ঈশান ভাই আপনার রম্য লেখার একটা বিশাল ভক্ত আমি।
জানেন?
কিছু খাওয়ান ।
লেখকের মন্তব্য
সাকিবা, নিন গরম গরম দেশী শীতের পিঠা।
ঈশান'দা আপনার লেখার আমিও বিইইইইইশাআআআআল ভক্ত!
লেখকের মন্তব্য
এতো পিঠা, সাকিবা নিশ্চয় একা খেতে পারবেন না। তবুও নিন অপাংক্তেয় আরো কিছু পিঠা। এদিকে জামি ভাই আবার লুল ফেলছে, আপনারা দুজন খাওয়ার পর অবশিষ্ট টুকু (যদি থাকে) জামি ভাইকে দেবেন কিন্তু। নইলে ওনার নজর লাগতে পারে।
আমি চক্ষুমুদিয়া ভোজন করিতে ইচ্ছুক।
"নজর যেন না লাগে ঐ পিঠাপুলির গায়"
বিরিয়ানি খাইতে মঞ্চায়।
অনেকদিন খাইনা।
এই দেশে ভাত কে কালার দিয়ে বলে বিরিয়ানি
কপাল।
বিরিয়ানি খাওয়ান ঈশান ভাই।
লেখকের মন্তব্য
আমার আমেরিকা প্রবাসী দাদি কাজী ফৌজিয়া গত সপ্তায় আমার জন্য ৪০০০ টাকা পাঠিয়েছে। আমি যেন টাকা গুলো দিয়ে বন্ধুদের নিয়ে বিরিয়ানি খাই। অবশেষে ছয় বন্ধু মিলে পুরোনো ঢাকায় গেলাম হাজীর বিরিয়ানি খেতে। কিছু বিরিয়ানি নিয়েও আসছি। এই সেই বিরিয়ানি। তবে যতোই লুল ফেলুক, জামি ভাইকে কিন্তু দিবেন না। জামি ভাই কাগজের নৌকার বিরিয়ানি আমাকে আর আচার্যদাকে দেয় নাই। অবশ্য এ জন্য তার পেটে অসুখ করছিল।
আমি অনেক উদার। ভাল মনের। কারো খারাপ চাইনা।
বির্যানি না খাওয়াই ভাল, তেল মশলা ।।।। অনেক রিচ।
তাই আমই একাই খাইলাম।
গপ, গপ, গপ।
মাইনষে এইরম! ছোট ভাইয়ের জন্য না রাইখা খায়া ফেলতে পারে?

পেট খারাপ করবো আপনার।
জানিয়া বুঝিয়া ছোট ভাই এর অমঙ্গল চিন্তা আমারে দিয়ে হবেনা।
আমি সেইরাম বোন ।
আমার পেট খারাপ হয়নাই। আপনারা জোর কইরা আমার পেট খারাপ করাইছিলেন

পিঠার প্রেমে
লেখকের মন্তব্য
পিঠারে প্রেম নিবেদন কইরা লাভ নেই, বরং যদি কোন পিঠাওয়ালীকে….।
বিবাহিতরা মৃত হইলে, প্রেমিকগন কি?

মুমুর্ষূ বা অর্ধমৃত হতে পারে।
- মুমূর্ষু নিয়ে কনফিউজড হয়ে গেলাম! মুমুর্ষূ নাকি মুমূর্ষু?
অভিধান থেকে ঠিক বানানটা দেখে নিলেই হবে। আমিও কনফিউজড।
সবাই গেছে। আমি থেকে আর কি করব? আমিও যাই।
আমার মনে হয় অর্ধজীবীত।
গ্লাসের অর্ধেক পানিতে ভরা নাকি অর্ধেক খালি এরকম হইলো আর কি। অর্ধমৃত না কি অর্ধজীবিত।
জিহ্বায় জল আসিয়া পড়িয়াছে।
পিঠাতে কিন্তু আমিও ভাগ বসাচ্ছি।
ঈশান ভাইয়া, এই চমতকার লেখার জন্য আপনার সাথে আমার যুদ্ধটা আমি বাতিল ঘোষনা করলাম!
লেখকের মন্তব্য
আলহামদুলিল্লাহ্। আল্লাহ আপনাকে দীর্ঘজীবী করুন
(তবে যুদ্ধে নিশ্চিত পরাজয় আঁচ কইরা রণে ভঙ্গ দিতেছেন বইলা সন্দ হয়)
।
শুনেন, আমারে কিন্তু খোঁচাইন না
খবর আছে কইলাম!
লেখকের মন্তব্য
লেখকের মন্তব্য
হায়রে, আরো কত কি যে আসতেছে!
আমি তো পুরাই গদগদ!!!

লেখকের মন্তব্য
জটিলস হইছে ভাই।
লেখকের মন্তব্য
অনেক ধন্যবাদ দেশ। আপনার মন্তব্যে অনুপ্রাণিত হলাম।
ঈশান ভাই, অসাধারণ। ভাই দয়া করে এই সিরিজটা চালিয়ে যান।
লেখকের মন্তব্য
আহমাদ আবদুল হালিম ভাই, আপনার মন্তব্যে যার পর নাই অনুপ্রানিত হলাম।
কিন্তু গল্পতো মাত্র এক দিনের। পরের পর্বেই শেষ।
শেষ! তাহলে নতুন কোন লেখায় নতুন পর্ব কেন নয়?
ভীষণ মজার থুক্কু কষ্টের কাহিনী!
-ইয়ে, ঈশান'দা, প্রথম অংশটুকু একটু বেশি রকম ইয়ে হয়ে গেল না! যদিও এখানে সত্য ২০ ভাগ, বানানো ৮০ ভাগ। ঠিক না?
-পরের পর্বের অপেক্ষায়।
লেখকের মন্তব্য
আসলে ১০০ ভাগই চাপা।

মনে হচ্ছে এইমাত্র যা বললেন সেটাই চাপা।

লেখকের মন্তব্য
মার্ফিজ ল' যেদিন যার উপর ভর করে, তার দশা এমনই হয়। কিন্তু সবাই সেটা নিয়ে এমন রম্য করতে পারে না।
ঈশান কেমন গদ্যকার, চতুরে আর কেউ না হোক আমি জানতাম (ভোকাপাফো পাঠকদের জানা কথা)
বাকীরাও জেনে যাক!
লেখকের মন্তব্য
নুশেরা, আপনার মন্তব্যে ব্যাপক শরমিন্দা হইলাম (আপসুস, শরমের কোন ভালো ইমো নাই)। ব্লগ দুনিয়া নুশেরা তাজরিন কে একনামে চেনে তার শক্তিশালী এবং ব্যতিক্রম ধর্মী লেখনীর জন্য। আর আমি…. কিয়ের মধ্যে কি !

এইটা কি জিনিষ আপু???
@নির্মক্ষিক, ভোরের কাগজ পাঠক ফোরাম।
দ্য ব্যাম্বু ঈশান স্ট্রাইকড অ্যাগেইন
সেইরাম হইছে ভাই!!
চতুরে আইসাই এমন পোস্ট চোখে পড়া মানে রাইতটা ভালাই যাইব

লেখকের মন্তব্য
নির্মক্ষিক, আপনার প্রশংসায় আপ্লুত হলাম( কিঞ্চিত শরমিন্দাও)।
নেন, একটা গোলাপ নেন।
দেন, গোলাপটা পানিতে ভিজাইয়া রাখি। দেখি ফোঁটে কিনা।। ফুটলে কোন পিঠাওয়ালীরে........................

লেখকের মন্তব্য
আপনারে পিঠা এবং প্রেম মোবারক।

নুশেরা আপু, ভোকাপাফো পাঠক--মানে কি, জাতি জানতে চায়!
লেখকের মন্তব্য
নুশেরা, রশীদা আফরোজ, লীনা দিলরুবা,আরিফ জেবতিক, মেসবাহ য়াযাদ, মাইনুল এইচ সিরাজী এবং আমি সহ অনেকেই এক সময় ভোরের কাগজ পাঠক ফোরাম এবং পরবর্তিতে বন্ধু সভায় একত্রে লেখালেখি করতাম।
লীনা দিলরুবা, মাইনুল এইচ সিরাজী এই দুজন সেবা'র রহস্যপত্রিকাতেও লিখেন। গত নভেম্বর ইস্যতে বোধহয় লীনা'র বেশ বড় একটা লেখা ছাপা হয়েছিলো। মাইনুল ভাইয়ের লেখা দুই তিনবার দেখেছি র.প তে।
ধুর, র.প! পুরাই লস প্রজেক্ট! সম্মানী যা দেয়, তা দিয়ে পোস্টাফিস খরচও সংকুলান হয় না!
ক্যান মানিক ভাই, আপনি লিখেন ওখানে?
লেখকের মন্তব্য
নয়ন জ.ই মানিক ঠিকই বলেছে। এই লেখাটি আমি লিখেছিলাম ২০০৪ সালে। রহস্য পত্রিকায় প্রথম ছাপা হয়েছিল। ওরা আমাকে সন্মানী দিয়েছিল পঁয়ত্রিশ টাকা। সাতটি সদ্য বের হওয়া পাঁচ টাকার কয়েন। টাকা গুলো সুভ্যেনির হিসেবে অনেক দিন জমিয়ে রেখেছিলাম। পরে খরচ করে ফেলি।
তার মানে র.প থেকেও একটা বাঁশ খাইলেন।
লেখকের মন্তব্য
আচার্যদা আপনি বাঁশটাই দেখলেন রহস্য পত্রিকার 'ভালোবাসা' টা দেখলেন না।
আপনি তো ভাই পুরান পাপী। এতদিন ঘাপটি মেরে ছিলেন শুধু। ভাগ্যিস জামি ভাই ঐ পোস্টটা দেওয়াতেই না সব কীর্তি বের হতে শুরু করেছে। জামি ভাইয়ের আসলেই একটা ধন্যবাদ প্রাপ্য।
আচার্যদা, আমার একটা কথা আছে। এই যে দেখেন, ঈমাভাই বলসে, নুশেরা, রশীদা আফরোজ, লীনা দিলরুবা,আরিফ জেবতিক, মেসবাহ য়াযাদ, মাইনুল এইচ সিরাজী এবং আমি সহ অনেকেই এক সময় ভোরের কাগজ পাঠক ফোরাম এবং পরবর্তিতে বন্ধু সভায় একত্রে লেখালেখি করতাম।
আমার প্রশ্ন, উনারা কি আলাদা করে লিখতে পারতো না? কাগজের এতই অভাব ছিলো? একত্রে ৫জন একই খাতায় বা পাতায় লিখে ক্যাম্নে!
আসলে আমার মনে হয় কাগজ বাঁচানোর জন্য ওনারা এক কাগজে একটা গল্পের একেকটা লাইন একেকজনে লিখতো। একজন প্রথম লাইন লিখলে একজন ২য় লাইন একজন ৩য় লাইন এভাবে আর কি।
আপ্নি জানেন ক্যাম্নে?
আমি কি বলসি যে আমি জানি? আমি তো বলসি আমার এরকম মনে হইতেছে। এক কাগজে যদি অন্য কোনভাবে লেখা যায় সেটা আপনি বলেন, আমরা শুনি।
ঠিকাছে, কষ্ট করনের দরকার নাই। আমি নিজে আইসাই ধইন্যবাদ নিয়া নিলাম।

আসলেই!!!!!!!!!! মাথার অন্তঃস্থল থেকে আপনাকে ধন্যবাদ জামি ভাই
সারাজীবন টিচারদের কাছে শুইনা আসছি "তুর মাথায় তো কিচ্ছু নাই"। আপ্নারেও নিশ্চয় এমনটা কয়ছিলো, তাই নয় কি। এবার আমারে কন, সেই কিচ্ছুহীন মাথার অন্তঃস্তল থেইকা আপনে ধন্যবাদটা কেমনে দিলেন?

নুশেরা আপুকে চতুরে দেখেছি, আপনি তো আমার প্রিয় চতুরগনের প্রথম সারিতে!!! আর আরিফ জেবতিক ভাইকে দেখে দেখেই ব্লগ এ আসার অনুপ্রেরণা পেয়েছিলাম। বাকি কাউকে চিনি না
সুমন্ত আসলাম, পাপড়ি রহমান, হাসান মোরশেদ, সুমন সুপান্থ, সুলতানা শিপলুরাও ছিলেন বীর বিক্রমে; এরাসহ কয়েকজনকে মেইনস্ট্রিম লেখালেখিতে সিরিয়াস হতে দেখব বলে আশা করেছিলাম, সুমন্ত আর পাপড়ি ছাড়া সেটা হয় নি মনে হয়...
আমি বিশেষ একটা লিখিনি, ওই পাফোতে শুধু ৯৬-৯৭, এরপর ভোরের কাগজের প্রায় পুরো সেটটা নিয়ে প্রথম আলো হলো, পাফোর অনেকে বন্ধুসভায় লিখতে শুরু করলেন, ততদিনে জীবিকার টানে ছুটছি, পাফো বা বন্ধুসভা কোনটাই আর দেখা হতো না...
পড়ার পর একটা চিন্তা-ই মাথায় আসলো.........পরের পর্ব কখন আসবে???
কাল-ই পরের পর্ব দিয়ে দেন
লেখকের মন্তব্য
গল্প ভালো লাগার জন্য ধন্যবাদ লাবনী । হাঁ পরের পর্ব আগামী কালই দিয়ে দেব।
ঈমাভাই, যথাযথ সম্মান প্রদর্শনপূর্বক আপনাকে কিছু কথা বলতে চাই, অন্যভাবে নেবেন না।
------------------------------------------------------------------------------------------------------
আপনি ব্লগে আছেন অনেকদিন, বয়সে আপনি আমার অনেক সিনিয়র, হয়তো ব্লগিংয়েও। এই ছোট মুখে কিছু বড় কথা বলতেই হচ্ছে, আপনি আমাকে বাধ্য করেছেন।
বেশ কিছুদিন ধরেই ব্লগটা বেশ জমজমাট। এতে আপনিও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। ব্লগারদের সাথে বেশ ভাল একটা সম্পর্কও তৈরি হয়েছে আপনার। আপনার উপস্হিতি প্রত্যেকটা পোস্টেই একটা উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি করে। আমর সাথেও বেশ ভাল একটা সম্পর্ক ছিলো আপনার(থাকবে হয়তো ভবিষ্যতেও), অনেক দুষ্টুমি করেছেন, বাঁশ দিয়েছেন, বাঁশ দিতে দিতে আপনার এমনই দুর্নাম, আপনাকে লোকে এখন ব্যাম্বু ঈশান ডাকে, আড়ালে আবডালে, প্রকাশ্যে-গোচরে! কথা বাড়িয়ে ফেললাম অনর্থক, মূল কথার চাইতে প্রারম্ভিকা বড় হয়ে গেলে সমস্যা।
আপনার সাথে তো আমার কোন শত্রুতা ছিলো না, তবু কেনো এমন করলেন? আমি কি আপনার বাড়া ভাতে ছাঁই দিয়েছিলাম(যদি দিয়েও থাকি, প্লেটে নতুন করে ভাত নিতেন!)? কেনো? কেনো? কেনো? এ প্রশ্ন রইল!
লেখকের মন্তব্য
ভ্রাত নয়ন, আপনার মন্তব্যে ব্যাপক রহস্যের গন্ধ পাইতেছি, একটু ঝেড়ে কাশেনতো !
জোরে কাশলে বুকে চাপ পড়ে, সেই চাপে বুকের ভেতরে থাকা মানুষটার কষ্ট হয়!
আহারে, কি কষ্ট!
কিন্তু আমার কথা হইলো মানুষ্টারে বুকের ভিতর থেকে কেমনে বাইর করবেন? পাজর কাটিয়া নাকি?
বুকের ভিতর আছে সেখানেই থাক। বাইর করার দরকার কি? বাইর করলে আবার অন্য কেউ নজর দিবে।
লেখকের মন্তব্য
বাইর করুম ক্যান?
ক্যান আমরা দেখুম না?
লেখকের মন্তব্য
বুকের ভেতর জেল খানা বানাইছেন নাকি, যে তারে বন্দী কইরা রাখছেন ?
প্রাকটিকাল জোক করার অসহ্য স্বভাবটা যে আপনার আছে তা কেমনে কেমনে যেন জেনে ফেলেছি, এখন কন তো এইটা সেরাম কিছু কিনা

আমার মনে হয় ভ্রাত নয়নের অনুপস্থিতিতে এই পোস্ট দিয়েছেন আর তিনি ইতিহাসের অংশ হতে পারেন নাই বলিয়া দুঃখ পাইয়াছেন।
ছিক্রেট ভাই, ছিক্রেট!
আপন মাইনষেগো কাছে ছিক্রেট রাখতে নায়গো নয়ন ভাই। কইয়া ফালান তাত্তাড়ি।

হইতে পারে

ব্যাপক মজারু... থুক্ষু, কষ্টের আখ্যান। আহারে বেচারা!
লেখকের মন্তব্য
মজা পেয়েছেন শুনে ভালো লাগলো, ধন্যবাদ মানিক ভাই।
আমার একটা অভিযোগ- বউ বইলাই কি উনার কন্ঠসর কর্কশ??? প্রেমিকা হইলে তো বুলবুলি পাখির লাহান মনে হইতো।।

আর মনে হচ্ছে ব্যাসিক্যালি আপনি একজন খারাপ মানুষ। নইলে বসের সাথে মিস পুদিনার ইয়ে নিয়ে উপরওয়ালাদের কাছে উড়োচিঠি দেওয়ার চিন্তা মাথায় আসে কেমনে???
যাই হোক। অসাধারন একটা পোস্ট। আপনার দুঃখের দিন হলেও আমি পড়ে ব্যাপক মজা পাইসি। ভুটাইলাম। পরের পর্র্বের জন্য তীর্থের কাকের মত চেয়ে থাকলাম।
লেখকের মন্তব্য
হা হা হা , ভালো মানুষের জীবনে বলার মতো গল্প খুব কমই থাকে। আর ভালো মানুষের গল্প কেউ শুনতে চায় না। একটি ছেলে বিয়ে করেছে, এটা কোন গল্প নয়। কিন্তু একটি ছেলে, একটি মেয়েকে নিয়ে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করেছে। এর পেছনে কিন্তু একটি জমাজমাট গল্প থাকে, যা জানার জন্য সবাই কৌতুহলী হয়। তবে গল্পতো গল্পই।
যাক গল্প পড়ে মজা পেয়েছেন, সে জন্য ধন্যবাদ আমি সেই রাকিব। 
এক্কেরে হাছা কইছেন।। ভাল মানুষের জীবনে কোনো কাহিনী নাই। ভাল ছেলেদের জন্য কোনো মেয়ের মনে প্রেম জাগে না, জাগে মায়া। আমি তাই চেষ্টা করতাছি খারাপ হওয়ার।

লেখকের মন্তব্য
হায় হায় বলেন কি ? আপনাকে খারাপ হইতে বল্লো কে ? ওহে হৃদয়বতী গণ, এই খারাপ হওয়ার চেষ্টায় রত লোকটির দিকে কেউ রোমান্টিক দৃষ্টি নিক্ষেপ করুন প্লিজ.....।

আপনি কইলেও রোমান্টিক দৃষ্টি দিবো না। দিবো করুনার দৃষ্টি??

লেখকের মন্তব্য
আহারে ,সবুর করুন ভ্রাত, সবুরে মেওয়া ফলে।

আমি বোধহয় আগে পড়ছিলাম ।
লেখকের মন্তব্য
পড়তে পারেন আ রা শি । পোস্টের নীচে 'পূর্বে প্রকাশিত' লেখা আছে।
আস্তে আস্তে হাড়ির খবর সব বের হচ্ছে
পা মালিশ দিয়ে শুরু হইলো দেখি এরপর কাহিনী কৈ থেকে কৈ যায়
চলুক চলুক
লেখকের মন্তব্য
হা হা হা হাড়ির খবর সাধারনত মেয়েদের কাছেই থাকে।
গল্পে আগ্রহ প্রকাশের জন্য ধন্যবাদ জলরঙ। অনেক শুভ কামনা।
যাক অবশেষে পেলাম আপনাকে। কি গো ঈশান ভাই তেল মালিশ কেমন চলছে?
লেখকের মন্তব্য
জামি আগে বিয়েতো করেন, তারপর বুঝবেন কতো চালে কতো অন্ন !
বুঝার অপেক্ষায় থাকলাম।

ঈশান ভাই কোথায় উধাও হয়ে গেলেন। সারাদিন কোন দেখা পেলামনা।

ঈশান ভাই আপনি কোথায় ?
আমার নতুন পোস্ট এ আসেন। ঢাকায় ফিরে বিরিয়ানী খাওয়াব।
প্রমিস।

কেন, খালি ঈশান ভাই কেন? আমি কি দোষ করছি?


আমাকে খাওয়াবেন না বিরিয়ানি?
ঈশান ভাইরে তো শুধু বির্যানি
আর তোমাকে তোমার যা যা খাইতে মঞ্চায় ।
ছোট ভাই বলে কথা।
তাইলে কান্না থামাইলাম।
লেখকের মন্তব্য
হায় হায় কান্দন কুমার ওরফে জামি ভাই দেখি এইখানেও কান্দা শুরু করছে ! চোক্ষের জলে দেখা যায় নদী বানাইয়া ছাড়বে
আমি সাঁতার জানি না। 
জামি ভাই স্টপ ক্রাইং !
লেখকের মন্তব্য
আরে সাকিবা, আমিতো আপনার অফার দেখার আগেই আপনার ব্লগে যাইয়া বইসা ছিলাম। এই জন্যই বলি জামি ভাই আমার বিরিয়ানি খাওয়ার কথা কয় কেন ! আপনে কবে আস্তেছেন ? ইন্তেজারে থাকলাম।
আগে ত জানতাম ৪ মাসের মধ্যেই আসবো ।
এখন ভাবতেসি একটু দেরি করি ।
এয়ারপোর্ট এ না সবাই বিরিয়ানীর জন্য বসে থাকেন !!
কান্দন কুমার না এই কথা শুনে কান্তে বসে !!
তিন মাসের কথা কইয়া এখন দেখি কয় ৪ মাস। এইসব কি আপু?????????

না না, কি যে বলেন দাদা। না না, আপ্নিতো লজ্জায় ফেলে দিলেন।

ঈশান দা ব্যাস্ততার করণে ঠিক সময় উপস্থিত হতে পারিনি।
অনেক মজা মিস করছি।
তই পোষ্ট অসাধারণ।
লেখকের মন্তব্য
ভ্রাত আব্দুল করিম আপনাকে একবুক ভালোবাসা এবং
।
কি খবর ঈশান ভাই? কেমন আছেন?
লেখকের মন্তব্য
ভাল আছি ভ্রাত।
ব্যাপার কি ! হঠাৎ আমার খোঁজ খবর নিতেছেন ! 
হায়রে, খালি সন্দেহ দেখি। এমনি নিলাম।
ভাবী ভালো আছেতো?
আপনার দাওয়াতের কত দূর?
কিসের দাওয়াত? ঈমা ভাই কি আপনাকে দাওয়াত দিসে? আমারে বাদ দিয়া! ভাল হবে না কইলাম, হুঁ।
লেখকের মন্তব্য
আমি জামি ভাইরে বুড়ীগঙ্গার তীরে হাওয়া খাওয়ার দাওয়াত দিছিলাম, দাদা আপনিও যান 'ফ্রেস' অক্সিজেন খাইয়া আসেন।

ফ্রেস জিনিষ কি আর কোথাও আছে? সবকিছুতেই তো ভেজাল। বাতাসেও নাকি ক্ষতিকারক সীসা মিশে আছে।
দাদা মিছা কথা কইলো। আমারে বিরানী খয়াবে কইছিলো।
ঐটাতে তো ভেজাল আরও বেশি। তারপরও যদি ফ্রি পাওয়া যায় তাইলে............
আপনার এতো প্রশংসা করলাম, আর আমার লেখাটা পড়লেন না ?
আচ্ছা বিরয়ানীর কথা বলি নাই তাই?
যান খাওয়াবোনে। promise.
মন্তব্য করুন