ঈশান মাহমুদ-এর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

[১ম পর্ব পড়তে হলে ক্লিক করুন এখানে ।]
অফিস ছুটির পর রিকশা নেয়ার চেষ্টা না করে এবার বাসে উঠি। প্রচন্ড ভীড়ে কে যেন জুতা দিয়ে আমার পা মাড়িয়ে দেয়। সঙ্গে সঙ্গে চেঁচিয়ে উঠি, ‘আমার পা পিষ্ট করেছে কোন পাপিষ্ঠ রে’। কথাটি বলেই সন্দেহভাজন ব্যক্তিটির দিকে তাকাই। ‘এমন মাগুর মাছের মতো কুত কুত কইরা চাইয়া থাইকেন না ভাই, গা শিরশির করে। বাসে উঠলে একটু আধটু লাগবোই, সহ্য না হলে নাইমা ট্যাক্সি ক্যাবে গিয়া উঠেন’। এক নি:শ্বাসে কথা কয়টি বলে দম নেন ভদ্রলোক।
‘ভাই, পকেটে ট্যাক্সি ক্যাবের ভাড়া থাকলে কি আর বাসে উঠে ছাগলের সঙ্গে ঝগড়া করি’ ! আমার নির্লিপ্ত বলার ভঙ্গিতে সারা বাসে হাসির হুল্লোড় পড়ে যায়। একটু পর কন্ডাক্টর এসে ভাড়া চায়। কিন্তু প্যান্টের পেছনের হাত দিয়েই মাথায় যেন বাজ পড়ে আমার। হিপ পকেটে মানিব্যাগটা নেই। বাসে উঠার মুহূর্তেই কেউ...।
‘কী হইলো ভাইজান, ফ্রীজ হইয়া গেলেন ক্যান ! ভাড়াটা দেন’। কন্ডাক্টরের তাগাদা শুনে আমি মিন মিন করে বলি, ‘ইয়ে- আমার মানি ব্যাগটা...’।
‘কি গায়েব হইয়া গেছে’ ? আমার মুখের কথা কেড়ে নিয়ে বলে কন্ডাক্টর। ‘এই ধরনের কথা আমরা অন্তত ডেইলি দশবার শুনি, ধান্ধাবাজি ছাইড়া ভাড়া বাইর করেন’। ওর কথা শুনে রাগে পিত্তি জ্বলে যায় আমার। ‘ওই ব্যাটা, তোর পাঁচ টাকা ভাড়ার জন্যে আমি মিথ্যে কথা বলছি ? এক চড়ে চৌষট্টিটা দাঁত ফেলে দেব বদমাশ কোথাকার’! আমার মুখে কড়া ঝাড়ি খেয়ে এবার চুপসে যায় কন্ডাক্টর। কিন্তু পাশ থেকে একজন টিপ্পনী কেটে বলে, ‘ভাইজান, চৌষট্টি দাঁত পাইলেন কই ? রাগের মাথায় নিজের বত্রিশটাও গোনায় ধরছেন নাকি’? আমি ঠান্ডা গলায় বলি, ‘আমি জানতাম আমাদের কথার মধ্যে তৃতীয় কোন গর্দভ নাক গলাবেই, তাই তার দাঁতও হিসেবে ধরে...’।
মালিবাগ মোড়ে বাস থেকে নেমে দেখি, কথিত এক ছিনতাইকারীকে ধরে বেধড়ক পেটাচ্ছে পাবলিক। এই ছিনতাইকারী সম্প্রদায়ের ওপর আমার ক্ষোভ দীর্ঘদিনের। বিয়ের পর কোন এক লোডশেডিংয়ের রাতে নবপরিণীতা স্ত্রীকে নিয়ে নির্জন রাস্তায় একটু হাওয়া খেতে বের হয়েছিলাম। এমন সময় অন্ধকারে যেন মাটি ফুঁড়ে বের হয় তিন ছিনতাইকারী। নতুন বউয়ের গা থেকে ওরা জোর করে গয়না খুলে নিচ্ছিল। ওদের নিষ্টুর হাতের ছোঁয়ায় বউয়ের কান দুটি রক্তাক্ত হয়ে ওঠে। আহত কার আর গয়না হারানোর শোকে ডুকরে কেঁদে ওঠে বউ। ছিনতাইকারীদের এই অভদ্র নির্দয় আচরণে ওদের জম্মের বৈধতা নিয়ে আমার মনে গভীর সন্দেহের সৃষ্টি হয়। তাই আমি সাহস করে প্রশ্ন করি, ‘হারামজাদারা, তোদের কি মা-বোন নেই’? আমার এই ধৃষ্টতায় ওরা যার পর নাই ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে এবং নববধূর সামনে আমাকে দশ-দশবার কান ধরে ওঠ-বস করতে বাধ্য করে। সে দিনের সেই বেইজ্জতি হওয়ার ব্যথাটা এতোদিন পর চাগিয়ে ওঠে। অতপর জামার গুটিয়ে আমিও গণধোলাই তে অংশ নেই। হঠাৎ পুলিশের হুইসেল বেজে ওঠে। পুলিশ দেখে জনতার ক্ষোভ আরো বেড়ে যায়। ছিনতাইকারীর ‘ত্রানকর্তা’ হিসেবে চিহ্নিত করে জনতা অতপর পুলিশের প্রতি ইট-পাটকেল নিক্ষেপ শুরু করে। ক্ষেপে গিয়ে পুলিশও পাল্টা অ্যাকশন নেয়। শুরু করে ‘মৃদু লাঠিচার্জ’। পুলিশের এই ‘মৃদু লাঠিচার্জ’ যে কতটুকু ‘মৃদু’ তা একমাত্র ভুক্তভোগীরাই জানেন। সেই ‘মৃদু লাঠিচার্জের’ একটি হঠাৎ করে এসে পড়ে আমার কোমরে। সঙ্গে সঙ্গে মাটিতে লুটিয়ে পড়ি আমি। সে অবস্থাতেই আমাকে জাপটে ধরে দু-তিনজন পুলিশ। অতপর চার হাত-পা ধরে চ্যাংদোলা করে ছুঁড়ে মারে ভ্যানের ভেতর, যেন আমি রিলিফের মাল।
‘ছিনতাই করেন কবে থেকে’? থানার ডিউটি অফিসারের মুখে এমন অপ্রত্যাশিত প্রশ্ন শুনে মাথায় যেন আকাশ ভেঙ্গে পড়ে আমার।
‘দেখুন আজে-বাজে প্রশ্ন করবেন না, আমি একজন সম্ভ্রান্ত ভদ্রলোক’। আমার কণ্ঠে জোরালো প্রতিবাদ। ভিতরে ভিতরে অবশ্য অসম্ভব ঘাবড়ে যাই আমি। হায় আল্লাহ ! কেন যে ছিনতাইকারী পেটাতে গেলাম ! এখন পুলিশ কিনা আমাকেই ছিনতাইকারী বলে ফাঁসাতে চাচ্ছে ! রাগের মাথায় নিজের পাছাতেই কষে লাথি মারতে ইচ্ছে করে।
‘হ্যাঁ, দেখেতো অবশ্য ভদ্রলোকই মনে হচ্ছে। তবে এখন ভদ্রবেশেও অনেকে ছিনতাই করে। প্রথমে এসে বিনীতভাবে সালাম দেয়, কেমন আছেন-বলে কুশলাদি জিজ্ঞেস করে। অতপর মামা, চাচা, খালু অথবা বড়ভাই সম্বোধনে আত্মীয়তার সম্পর্কও স্থাপন করে। তারপর পেটে ছুরি ঠেকিয়ে সবকিছু হাতিয়ে নিয়ে হ্যান্ড শ্যাক বা কোলাকুলি করে হাসিমুখে বিদায় নেয়। সম্পূর্ণ অহিংস পদ্ধতিতে খুবই ভদ্রভাবে কাজ সারে এরা। যাওয়ার সময় গাড়িভাড়া বা রিকশা ভাড়াটা অন্তত ফেরত দিতে ভুল করে না’। আমার চোখে চোখ রেখে ঠান্ডা গলায় কথাগুলো বলে থামেন অফিসার।
‘দেখুন স্যার, আমি মোটেও ছিনতাইকারী নই, আমি একজন চাকুরিজীবী। কণ্ঠ নামিয়ে বিড় বিড় করে বলি আমি। ইশ্ এমুহূর্তে পরিচয় পত্রটা যদি সঙ্গে থাকতো। কিন্তু ওটাতো মানিব্যাগের সঙ্গে এখন পকেট মারের পকেটে। উপায়ান্তর না দেখে বসের নাম আর ওনার বাসার টেলিফোন নম্বর উগরে দেই আমি।
আমার বসের নাম শুনেই একটু যেন থমকে যান ডিউটি অফিসার। তারপর ফোনের রিসিভার তুলে আমার দেয়া নম্বরে ডায়াল করেন। লাইন পেয়ে নিজের পরিচয় দিয়ে বলেন, ‘স্যার, আমরা রাস্তা থেকে এক ছিনতাইকারী ধরেছি। সে বলছে, সে নাকি আপনার অফিসে চাকুরি করে, নিন স্যার কথা বলুন’। আমার দিকে রিসিভার এগিয়ে দেন অফিসার।
‘স্যার, আমি ভুঁইয়া স্যার’। নার্ভাস কণ্ঠে বলি আমি।
‘ভুঁইয়া ! কোন ভুঁইয়া ? বার ভুঁইয়ার কথা অবশ্য শুনেছি, কিন্তু তারাতো এখন ইতিহাসের পাতায়’। বসের কণ্ঠে রসিকতার সুর।
‘আমি রহিম ভুঁইয়া, আপনার অফিস সহকারী স্যার’।
‘ও-ভুঁইয়া সাহেব ! আপনি থানায় কেন ! অফিস ছুটির পর এক্সট্রা ইনকামের ধান্ধা শুরু করলেন নাকি’? বসের ব্যাঙ্গাত্মক খোঁচা শুনে কাটা ঘায়ে যেন নুনের ছিটা পড়ে আমার। ‘না-মানে স্যার, আসলে হয়েছিল কি...’। বিড় বিড় করে পুরো ঘটনাটির একটি ব্যাখ্যা দেয়ার চেষ্টা করি। কিন্তু বস আমাকে থামিয়ে দিয়ে বলেন, ‘ঠিক আছে, ঠিক আছে ভুঁইয়া সাহেব, কাল অফিসেই না হয় আপনার ‘অ্যাডভেঞ্চার বৃত্তান্ত’ শুনবো, এখন অফিসার কে দিন’।
আম কল্পনার চোখে দেখতে পাই পরদিন সারা অফিস আমাকে নিয়ে হাসাহাসি করছে। বিশেষ করে মিস পুদিনার উঁচু দাঁতের বিশ্রী হাসির কথা ভাবতে গিয়ে লজ্জায় মরে যেতে ইচ্ছে করে আমার।
থানা থেকে বের হয়ে দ্রুত রিকশা নেই। গভীর রাতে গলির মুখে রিকশাঅলা আমাকে নামিয়ে দেয়। অনেক অনুরোধ সত্ত্বেও সে গলিতে ঢুকতে সাহস করে না। এই গলিতে বাস করে এক ‘ভয়ঙ্কর সন্ত্রাসী’। আমার জন্য সে রীতিমতো এক মূর্তমাণ বিভীষিকা। অথচ আমি কখনোই তাকে দেখে লাথি মারার জন্য পা তুলিনি কিংবা তার মুখ থেকে হাড্ডি কেড়ে নেইনি। তবুও অজ্ঞাত কারনে সে আমাকে দেখলেই তেড়ে আসে। এই মহল্লায় বাসা নেয়ার পর থেকেই এই নতুন শত্রু জুটেছে আমার। ওর যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ হয়ে এক বন্ধুর পরামর্শে সিটি কর্পোরেশনের ‘কুকুর নিধন বিভাগে’ গিয়েছিলাম অভিযোগ করতে। এক ভদ্রলোক খাতা-কলম হাতে নিয়ে আমাকে রীতিমতো জেরা করার ভঙ্গিতে প্রশ্ন করা শুরু করেন। তার প্রশ্ন গুলো ছিল নিম্নরূপ।
‘নাম’?
‘রহীম উদ্দীন ভুঁইয়া’।
‘আপনার নাম না, কুত্তার নাম বলেন’।
‘বেওয়ারিশ কুকুরের আবার নাম কি’? আমি অবাক হয়ে পাল্টা প্রশ্ন করি।
‘আচ্ছা, ঠিকানা বলেন’।
‘ঠিকানাও নেই, রাস্তা-ঘাটে ঘুরে বেড়ায়’।
‘যে রাস্তায় ঘুইরা বেড়ায়, তার লোকেশন বলেন’।
‘শান্তিবাগ ৩ নং গলি’।
‘কি জাতের কুকুর’?
‘কুত্তার আবার জাত কি’?
‘কি বলেন ! জাত আছে না ? ব্লাড হাউন্ড, অ্যালসেশিয়ান, বুলডগ, বুলটেরিয়র, ফক্সটেরিয়র, ডোবারম্যান, পিল্ক শার্ফ-এমন কতো জাতের কুকুর আছে দুনিয়ায়। আমাদের দেশী কুত্তা হইলেও জানা দরকার, সরাইলের না নড়াইলের ?
‘দেখুন, কুকুরের জাত নিয়ে গবেষণা করা আমার কর্ম নয়, সেটা ধরার পর আপনারাই জেনে নেবেন’। চড়া গলায় কথাগুলো বলি আমি।
‘দেখুন মিস্টার, ধরার আগে আমাদেরকে তো কুকুরটাকে সনাক্ত করতে হবে, নাকি ? ঠিক আছে, গায়ের রঙ বলুন’।
‘শিয়ালু কালার’। নির্বিকার ভঙ্গিতে বলি আমি।
‘মানে’?
‘মানে বুঝলেন না ? শিয়ালের মতো গায়ের রঙ’।
‘মেল না ফিমেল’?
‘দেখেতো মরদা বলেই মনে হয়’।
‘উচ্চতা’?
‘এই ধরুন দেড় ফুট’।
‘দৈর্ঘ্য কতো’?
এবার সত্যি মেজাজটা চড়ে যায় আমার। ঠান্ডা গলায় বলি, ‘ভাইজান কি আমার সঙ্গে মশকরা করতেছেন’?
‘আপনি কি আমার বোনের হাজবেন্ড যে আপনার সঙ্গে মশকরা করবো ? সঠিক কুকুরটাকে সনাক্ত করার জন্যই আমাদের এই সব তথ্য জানা জরুরী’।
‘কিন্তু আমি কি গজ-ফিতা নিয়ে দৈর্ঘ্য মাপার জন্য একটি পাগলা কুকুরের সামনে যাবো, যে কুকুর আমাকে দেখলেই ধাওয়া করে’।
‘সেটা আপনার ব্যাপার। তবে শুধু দৈর্ঘ্য মেপে আনলেই চলবে না, লেজ সহ এবং লেজ ছাড়া-দুটি মাপই আনতে হবে’। ভদ্রলোকের কথা শুনে আমি হাসবো না কাঁদবো-বুঝতে পারি না। ‘সরি, আমি সম্ভবত ভুল করে পাগলা গরাদে চলে এসেছি’। কথা কয়টি বলে ঝড়ের বেগে বেরিয়ে আসি আমি।
গলির মুখে রিকশা থেকে নামার পর আতঙ্কে পা চলেনা আমার। সন্ত্রাসীটা কোথায় ওঁৎ পেতে আছে কে জানে ! ভয়ে ভয়ে বাসার উদ্দেশে হাঁটতে থাকি আমি। কিন্তু কোথায় আছে যেখানে ডাকাতের ভয়, সেখানেই সন্ধ্যা হয়। হঠাৎ করে মাটি ফুঁড়েই যেন রাস্তার ওপর উদয় হয় ওটা। এক মুহূর্ত আমার চোখে স্থির চেয়ে থাকে। ওয়েস্টার্ন ছবিতে ‘ড্র’ করার আগে দুই প্রতিদ্বন্ধী যেভাবে একে অন্যকে যাচাই করে, অনেকটা সেরকম করে আমাকে জরিপ করে ওটা। তারপর হঠাৎ ঘেউ ঘেউ করে কলিজা কাঁপানো ডাক ছেড়ে চিতা বাঘের মতো তেড়ে আসে আমার দিকে। আমিও পড়িমরি করে ছুটতে শুরু করি। এক দৌড়ে বাড়ির কাছে এসে দেখি মেইন গেট বন্ধ। অতপর এক লাফে দেয়াল টপকে ওপাশে গিয়ে পড়ি। বেকায়দা ভঙ্গিতে শক্ত কংক্রিটের ওপর আছড়ে পড়ে জ্ঞান হারাই আমি।
হুঁশ ফিরে পেয়ে দেখি, আমার মুখের ওপর বউয়ের অশ্রুসজল উদ্বিগ্ন মুখ। আমার বুকটা হু হু করে ওঠে। সত্যি আজ খুব বাজে একটা দিন গেছে আমার। হাতের আঙ্গুল দিয়ে বউয়ের চোখের অশ্রু মুছে দেই আমি।
পূর্ব প্রকাশিত
মন্তব্য
আমি প্রথম।
এক নয়ন গেছে আরেক জামি উদয় হইছে। ধুর! আমি তো আগের পোস্টে কমেন্ট করতে করতে এখানে ২য় হয়ে গেলাম।
আজ সারাদিন নয়ন ভাইয়ের কোন দেখা পেলাম না। নয়ন ভাই না থাকলে কেমন যেন ফাঁকা ফাঁকা লাগে। আপনি কিছু জানেন দাদা, নয়ন ভাই সারাদিন আস্লো না কেনো?
আমিও তো তাই ভাবছি।
নয়ন ভায়া ছাড়া তো পুরোপুরি জমে না। আমি জানি না ভাই তিনি কোথায় গেছেন। যদি হৃদয়ঘটিত ব্যাপার স্যাপার হয় তো আমার মনে হয় তাকে বিরক্ত না করাই ভাল।
লেখকের মন্তব্য
অভিনন্দন জামি ভাই।
ঈমা ভাই আমি সব অক্ষর ঠিকমত দেখতেছি না। এই ইমোতে কয়টা অক্ষর?
হা হা হা হা

ভাই, এই লিখা পড়ে হাসি থামছেনা। একটু আগে আম্মু আমার হাসির শব্দ শুনে দৌড়ে দেখেতে এল এত জোরে হাসছি কেন।
অসাধারণ লিখা। অসাধারণ। আজ আপনাকে নতুন করে চিনলাম, আপনার লিখার মাঝে মিশে গেলাম।
দারুন
ঈশান ভাই আপনি পারেন ও ।
ঈশান ভাই হাসতে হাসতে পেট ফাইটা গেলে আপনার দোষ।

ব্লগ এ কি ডাক্তার আছে?
বেপক চিন্তায় পরলাম।
আপু চিন্তাটা তৈলাক্ত মনে হয়, তাই পড়ে গেছেন।

তাইতো ।
না না চিন্তাটা তৈলাক্ত না। ঐটা একটা ডোবা। ডোবায় পড়ে কাপড় চোপড় নষ্ট করেছেন।
যা শুনেছি তা সত্য বটে। ঈমা ভাই যে কী জিনিষ তা অবশেষে জাতি জানিতে পারিল। সাধু! সাধু!
ঈমা ভাই কি জিনিস দাদা?
আমি তো জানি না! জাতি জানে।
লেখকের মন্তব্য
আঁতুড়ে ড. কদম আলীরে নিয়া আসছি,জামি ভাইয়ের জন্য নো টেনশন সাকিবা।

আমারে বাঁচাইলেন ।
অনেক চিন্তায় ছিলাম ।
নাউজুবিল্লাহ! আঁতুরের ডাক্তার জামির কি চিকিচ্ছে কর্বে???

জামি কি মিয়ে মানুষ?
আছেনা আবার!! আলবৎ আছে!! বেশ কয়েকজন আছেন। ডাক্তারের রোকনামচা তো পুরাই ফেমাস
লেখকের মন্তব্য
রোজনামচা ভাই নিউরোসার্জন পেট ফাটার চিকিৎসা উনি করবেন বইলা মনে হয় না।
পেটে কিছু এক্সট্রা নিউরণ লাগাই দিলেই চলব
লেখকের মন্তব্য
জামি ভাই , প্লিজ ভয় পাবেন না, আপনার জন্য ট্রিটমেন্ট আছে।
লেখকের মন্তব্য
ডাক্তার সাব বলছে, ওপরের চিকিৎসা ফেল মারলে শেষ চিকিৎসা…..।
ভাই এই লোক কি ডাক্তার নাকি আমার মরার পর কফিন বানানোর মিস্ত্রী।

লেখকের মন্তব্য
সর্বনাশ, আপনি দেখি ভয়েই মইরা যাইবার লাগছেন !!

এটা কি বল্লা ছোটো ভাই !
এই নাম মুখে আনলা ।
না আপু, আর কাঁইদেন না। আমি আর মরার কথা কমুনা


আপু আপুরে
এইটা আসলে আমি

আপনে আবার মিস্ত্রী হইলেন কবে থেইকা?
লেখকের মন্তব্য
কোনটা করাত আর হাতুড়ি হাতে ?
হ, করাত আর হাতুড়ির টা
জামি ভাই এর লাইগা হইলাম!!!
ওরে কে কোথায় আছেন, নির্ম ভাই পাগল হইয়া গেছেরে। প্রলাপ বক্তেছে!!
এ যে দেখি নতুন কান্দনকুমার!!

ভাই, আপনি তো দেখি আমারে মাইরা ফেলার ফন্দী আঁটছেন।

লেখকের মন্তব্য
মনে সাহস রাখেন জামি ভাই, আর আল্লাহ আল্লাহ করেন, এরা খুবই এলেমদার ডাক্তার( আঁতুড়ে ডাক্তারতো ! তাই হাতুড়ি হাতে)।
হায়াল্লাহ! আরো কত কি আছে কপালে?
জামি ভাই জিজ্ঞেস করছিলেন না ঈমা ভাই কি জিনিষ? এবার বুঝতে পারতেছেন তো ঈমা ভাই কি জিনিষ!
ভাই বুঝছি, ঈমা ভাই আসলেই একটা জিনিস!!!!!
বলছিলাম না ঈমা ভাই আপনাকে কিমা বানাবে! দেখছেন তো করাত হাতুড়ি নিয়া অলরেডি তার প্রস্তুতি শুরু করে দিছে।
আমি কি ঐসবে ডরাই নাকি? খালি সামনে গেলে একটু বুক কাঁপে, এইটুকুই।
লেখকের মন্তব্য
ঐটা আসলে আমি নাতো !
নির্মক্ষিক ।
লেখকের মন্তব্য
ব্যাপক শরমিন্দা ফিল করতেছি।
ইমো দেইখাতো মনে হইতেছে আপনাকে বোঙ্গোবোঙ্গো দেওয়া হচ্ছে।

ঠিক ঠিক। এই লেখায় যা যা পড়লাম তা বোঙ্গাবোঙ্গা'র চেয়ে কোন অংশেই কম না।
লেখকের মন্তব্য
সরাসরি প্রিয়তে।
আপা, প্রিয়তে সরাসরি না নিয়া অন্যভাবে নেওয়ার পদ্ধতিটা একটু শিখায়া দিবেন।
আচ্ছা শিখে নিলাম।
এইভাবেও প্রিয়তে নেওয়া যায়।
ভালো লাগল, রম্য।
শুভেচ্ছা ঈশান।
লেখকের মন্তব্য
অনেক ধন্যবাদ শাপলা। ভালো থাকবেন।
খুবই সুন্দর হয়েছে ছোট গপ্প।
লেখকের মন্তব্য
অনেক….
দেশ।

ব্যাপক মজা... থুক্ষু, মর্মান্তিক ঘটনা!
ভালো লাগলো অনেক।
অট: প্রশ্ন হইতেসে, মানিব্যাগ তো আগেই গেসে। ভাড়া দিতে না পারার দরুন বাস কন্ডাকটরের সাথে কাইজা। পুলিশ স্টেশন থেকে রিকশায় এসে, গলির মোড়ে নেমে, ভাড়া দিলেন ক্যাম্নে?
মনে হয় পুলিশের পকেট মারছেন।
লেখকের মন্তব্য
ঈশান ভাই যেমনে দাঁত কিড়মিড় করতাছেন দাঁততো ভাইঙ্গা যাইবো।
তাইলে তো কইতেই হয় "অফিস ছুটির পর এক্সট্রা ইনকামের ধান্ধা শুরু করলেন"

আসলেই কি পুলিশের পকেট মাইরা দিছিলেন নাকি?
লেখকের মন্তব্য
ঈমা ভাই বলছেন গরম হইতেছি কিন্তু!
আরে চুলার উপর বইসা করতেছেন কি? তাড়াতাড়ি চুলার উপর থেকে নামেন।
ঈমা ভাই, আপনি তো চুলার উপর বইসা পুরাটাই পুড়ায়া ফেলছেন। আসেন আসেন একটু চিকিৎসা নিয়া যান
লেখকের মন্তব্য
খাইছে ! আমার ট্রিটমেন্ট আমারেই...!
লেখকের মন্তব্য
আচার্যদা আপনে না আমার দলে !
ও! ছিলাম না কি! আমি তো নিজেই বুঝতেছি না আমি কার দলে!
লেখকের মন্তব্য
মানিক ভাই কি ডিডেকটিভ ব্রাঞ্চের লুক নাকি ?
ভাই আপনেও তো দেখি খালি সন্দহ করেন। ভাইকি স্পেশাল ব্রাঞ্চের স্পাই নাকি?

যাকে বলে চুল চেরা বিশ্লেষক
দারুণ বলছেন তো । এটা তো ভাবি নাই ।
ব্যাপারটা বুজলাম না। ব্যাঙ্গও ব্যাঙ্গও পোষ্টের সূত্র ধরেই কি এই উৎসর্গ। আমার যদি ভুল না হয়, ঐ পোষ্টে ঈমা ভাই বলছিলো জামি ভায়ের খবর আছে। এখন দেখছি নিজেই নিজের খবর দেখাচ্ছে চতুরদের।
ব্যাপক মজারু পোষ্ট।
আ ক ভাই। ঈশান ভাই কিন্তু ঘোষণা দিয়াই রাখছে। আমারে বাঁশ মারিয়া আরো একখান পোস্ট নাকি তিনি দিবেন।

লেখকের মন্তব্য
ভ্রাত করিম, এই পোস্ট জামি ভাইয়ের অনাগত জীবনের ছায়া অবলম্বনে রুচিত।
এইখানে এত হাসি কিসের

জামীর পোস্ট কবে দিবেন?
এতো অপেক্ষা । এর কি শেষ নাই ।

ঈমা ভাই কি টাইম মেশিনে কইরা আমার ফিউচার লাইফটা দেইখা আসছেন নাকি? তাইলে কন তো আমি কি বিয়া করছিলাম? আমার কি বউ আছিলো? বউ কি সুন্দর আছিলো? পোলাপাইনের কি অবস্থা? কয়ডা আছিলো পোলাপাইন? শ্বশুর আব্বার বাড়িডা কই পড়ছে?
জটিল।
লেখকের মন্তব্য
ভবিষ্যতে গিয়ে দেখে আসছি, বিবাহিত জীবনে আপনি এমন সুখে-শান্তিতে আছেন।
বাহ কি সুন্দর!! ভাই পোলাপাইনের কথাডা কইলেন না যে?
বউ আছিল ২ খান, একটা মেলা সুন্দর আরেকটা মেলা কুৎসিত। পোলাপাইন আছিল ১৯ খান, শ্বশুরের ২০ বিঘা ধানি জমি আছিল!!

অগ্রজরা অনুজের মধ্যে নিজের জীবনের ছায়া দেখিতে পায়।
লেখকের মন্তব্য
লেখকের মন্তব্য
আয়না দেখি সাদা । কিছু দেখা যায় না।
তবু দিছেন যখন নিয়া যাই, বউয়ের কাজে লাকপে। 
ভাই নিয়েন না। এইডা দোকান থেইকা ধার আনছিলাম। দেন ফেরত দিয়া আসি।
লেখকের মন্তব্য
নেন আপনের আয়না !
আরে, ঠিকমতো দেখি ভাংতেও পারেন না। কৈ এক কোণায় যায়া মারছেন।
লেখকের মন্তব্য
যান, দোকানদার কে এইটা ফেরৎ দিয়ে আসেন। তবে পিঠে ছালা বেঁধে যাবেন।

এখানে তো ঘটনা বিশাল জটিল । ভাঙ্গা ভাঙ্গি শুরু হয়ে গেছে !
লেখকের মন্তব্য
আপনের ভাইয়ের কাম দেখছেন ! উপহার দেয়া জিনিস ক্যামনে ফেরত নিল ! আমি পড়ছি বিপদে। বউকে গিয়ে বল্লাম। লক্ষীটি, আয়নাটা দিয়ে দাও। সে ছুঁড়ে দিয়ে বল্লো, 'নেও তোমার আয়না'।
লেখকের মন্তব্য
আরে আরিশ ভাই যে ! অনেক দিন পর….. ।
দোয়া করি পরীক্ষা শুভ হোক। 
আমার দেখা বেস্ট ইমো
ইয়া হা হা হা :ঠাঠাঠ

লেখকের মন্তব্য
[বিগত ৭ দিনের] বাচালশ্রেষ্ঠ
* ফজলে হাসান জামি ( ৫০২)
* নয়ন ( ৪০৪)
* আচার্য ( ২৩৯)
* সাকিবা ফেরদৌসী ( ১৮০)
* ঈশান মাহমুদ ( ১৫৮)
* তন্ময় ( ১২১)
* সুরঞ্জনা ( ১০৯)
অভিন্দন ফজলে হাসান জামি।
তবে নয়ন ভ্রাত হঠাৎ করে বাচালতা কমিয়ে দেয়াটা রহস্যজনক। হইলো কি ওনার !

আপনাকে শুভেচ্ছা ভাইয়া। কিন্তু নয়ন ভাইয়ের ব্যপারটা মাথায় ঢুকছে না। উনি বলেছিলেন চাঁদপুর যাবেন, আমাদের না জানিয়ে ওখানে চলে গেলো কিনা তো বুঝতে পারছিনা।
মনে হয় নয়ন ভায়া নিজের জায়গাটা আমাদের জন্য ছেড়ে দিচ্ছেন।
ঈশান ভাই আপনি আমার পরে । বাচাল তালিকায় ।
কি দারুণ ।

লেখকের মন্তব্য
সাকিবা, আপনাকে সাইড দিয়া দিলাম, কি খাওয়াবেন ?
ভাগ্যিস সাইড দিয়েছেন নইলে তো মাড়িয়েই চলে যেত।
আপা কেমন আছেন? জামি ভাই, ঈমা ভাই, আপনি, নয়ন ভায়া সবাইকে একসাথে পাচ্ছি না। তাই আড্ডাটাও ঠিকমত জমছে না।
কেমন আছি বুঝতে পারছিনা দাদা। একটু পড়ার চাপ, কিন্তু আমিতো আছি। যাই হোক চতুরে আপনাদের পোস্ট বা কমেন্ট সবি দেখি ।
ভালো থাকুন।
এখানে যা খাবার বা কারি পাওয়া যায় সব নারিকেলের দুধ দিয়ে করা, আর পিঠা বা মিষ্টি ভাতের মধ্যে কালার দিয়ে বানানো । খাবেন?
খেয়ে কোন সমস্যা হলে কিন্তু আমি দায়ি নই ।
মালায়শিয়ান পিঠা খান।
মালায়শিয়ান কারি খান।
আমার জন্য! বাহ! খাব না কেন! কেউ আন্তরিকভাবে যদি কিছু দেয় তাহলে সেটা নিতে হয়, যদি সেটা বিষও হয়। আর আপনি তো দিচ্ছেন খাবার। নিশ্চয় খুব মজার।
লেখকের মন্তব্য
পিঠা দেইখা নয়ন জুড়াইছে (নয়ন কই ?)।
কিন্তু খাওয়ার আগে জান্তে হপে ফুড কালার না টেক্সটাইল কালার !
আর নিচের গুলো ঝিনুক ঝিনুক মনে হইতেছে(ঝিনুক কই ?)। এই জিনিস আচার্যদার জন্য উপযুক্ত, কারন তিনি 'বিষ' ও নাকি হজম করতে পারেন। কিন্তু আমার পেট আবার একটু বেশী সেনসিটিভ । তবুও ধন্যবাদ সাকিবা, অন্তত মালশিয়ায় আপনি কি খেয়ে জীবন ধারন করেন , তাতো জানা গেল !

কি যে কষ্টে আছি!!!
তার মধ্যে আবার উদারাজি ভাই এর পোস্ট। আর কত সহ্য হয় !!!
ঈমা ভাই, আপনি তো বউ কাব্য লিখেন। এটাও কি সত্য নয় যে, বউ যদি বলে তুমি একটা গাধা, তাহলে স্বামী অবশ্যই গাধা। বউ যদি বলে বিষ খাও তাহলে স্বামীকে অবশ্যই বিষ খেতে হবে এবং সেটা হজম করতে হবে, মরে গেলে কিন্তু খবর আছে। আর কেউ ছাড়লেও বউ কিন্তু ছাড়বে না। সে হিসাবে বিবাহিত পুরুষ মাত্রই বিষ খেয়ে বিষও হজম করতে পারে।
দাদা আপনি কি জানতে মন চায়। এত কিছু কেম্নে জানেন ??
লেখকের মন্তব্য
আচার্য দা, আপনার যুক্তি গুলো ১০০% সত্যি। আসলে বিয়ের ব্যাপারেইতো কবি আক্ষেপ করে বলেছেন, 'আমি জেনে-শুনে বিষ করছি পান.....'।
১০-১১ বছর আগে এগুলো খেতে ভালো লাগে নি একটুও। এখন কী স্বাদ বদলেছে?
আমি তো কখনো খাইনি দাদা, ভাব্লাম ঈশান ভাই আর জামি আগে টেস্ট করুক। ভরসা পেলে তারপর না হয়।।।।
বাহ্! জামি ভাই হল সাকিবা আপার আদরের ছোট ভাই! আর খাবার নিজে না খেয়ে ছোট ভাইকে দিয়ে টেস্ট করাচ্ছেন! কিছু হলে আগে ছোট ভাইয়ের হোক! এই না হলে ভাই-বোন!
লেখকের মন্তব্য
খাবারের quality ভালো । গ্যারান্টি ।
আমি ত খাইনা কারন আমি বাঙালি খাবার ছাড়া খেতে পারিনা।
জেনে শুনে ৩ ভাইকে খারাপ খাবার খাওয়াবো সেইরাম বোন আমি না।
কী একখানা দিন গেলোরে ভাই!!
তবে এই পোস্ট থেকেও কিন্তু শেখার অনেক কিছুই আছে।
বাসে "ভদ্রতা বজায় রাখুন", "পকেট সাবধান"!
রাস্তা ঘাটে উন্মত্ত জনতা হতে দূরে থাকুন।
সঠিক সুনিশ্চিত তথ্য ব্যতীত কোন অভিযোগ করতে যাবেন না।
"ভাবিয়া করিও কাজ, করিয়া ভাবিও না।"
পোস্ট মজারু, মন্তব্য আর আড্ডাও। উপভোগ্য আড্ডা, এমন আড্ডা চলুক। হালকা কথাবার্তায় শরীর ও মন উভয়েরই ব্যাপক উন্নতি।
ধন্যবাদ ঈশান।
সহমত।
এই পোস্ট আর কমেন্ট বারবার পড়ার মতো ।
লেখকের মন্তব্য
প্রথম পর্ব পড়ে আপনি চমৎকার কিছু উপদেশ দিয়েছিলেন নাজমুল ভাই্।

তাই আমি মনেপ্রাণে চাচ্ছিলাম, আপনি এই পোস্টেও আসুন।
কিন্তু আপনার বিলম্ব দেখে কিঞ্চিৎ হতাশই হচ্ছিলাম।
যাই হোক, আপনার শিক্ষামূলক উপদেশ গুলো
মনের খাতায় লিখে রাখলাম, ভালো থাকবেন।
ঈশান ভাইয়ের জন্য একটু খাওয়া দাওয়া, বাচাল লিস্টে সাইড দেয়ার জন্য।

আমি ভেবেছি আমার জন্য। খাবার দেখলে যা হয় আর কি!
আপ্নিও খান। সাথে জামিরেও নেন। ছোট মানুষ নাহলে কান্নাকাটি করতে পারে।
আচার্যদা আমার জন্য রেখেছেন তো?
ঈশান ভাই , ২ নম্বর খাবার নিয়ে কিছু বললেন না ? এত কষ্ট করে এই দেশ থেকে পাঠালাম ? নাকি ওইটা বেশি পছন্দ হওয়ায় খেয়ে ফেলেছেন?
আপা আপনি নিজেই তো বল্লেন ২ নম্বর খাবার। এত কষ্ট করে ২ নম্বর খাবার পাঠালেন! তাও আবার বলছেন বেশি পছন্দ হওয়ায় খেয়ে ফেলেছেন? খাবার যদি ১ নম্বর হত তবেই না ঈমা ভাইয়ের পছন্দ হত।
লেখকের মন্তব্য
সাকিবা ২নং গুলো সম্পর্কেও বলেছি। কমেন্টটি আরেকবার পড়ুন প্লিজ।
প্রেমে পড়ল নাকি!!!

প্রেম উনার উপ্রে আইসা পড়ছে।
তাইলে ব্যথা পাইল কেডা???
তদন্ত কমেটি লাগবে!!

তদন্ত কমিটি করা হউক।
তদন্ত কমিটির রিপোর্ট কি ? জানতে মঞ্চায়।
ভুইয়া মিয়ার উপস্থিত বুদ্ধির তারিফ করতে হয়
১ম পর্বটা বেশি জোশ!!! এটায় একটা ব্যাপার যোগ কইরা দিতেন। ভুইয়া সাহেবের ১৯ টা পোলামাইয়া

খাইছে! নির্ম ভাই তো ১৯ খান আইনা দিতেছে?

কম হইয়া গেছে???
ওকে, ৪০ খান। খুশি???
ছি ছি ছি!!!! এমন বেইজ্জতি কি মাইনসে সয়?
তাও ভাগ্য ভালো। রিকসাওয়ালাটা দয়ালু ছিলো। নাইলে ভাড়া না দিয়া বউএর চউক্ষের পানি মুছতেন ক্যামনে?
সে যে দয়া কইরা আপনের থাইক্যা ভাড়া নেয় নাই ( আপনে দিতেও পার্তেন না। কারন পকেটে তো মানি ব্যাগ ছিলোনা) এই কথাটা বিশেষ ভাবে উল্লেখ করনের দর্কার আছিলো।
এটাও হতে পারে যে রিকসাওয়ালা রিকসার সীটে বসেছিল আর ভূঁইয়া সাহেব রিকসাটা চালাইয়া নিয়া আসছেন। যার ফলে ভাড়া দেওয়া লাগে নাই।
লেখকের মন্তব্য
আচার্যদা….
ভাই এত রাতে মেজাজটা বিলা কইরেন না। রাতে ঘুম হবে না। তার চেয়ে আমারে দুইটা কিলা দিয়া দেন। ক্যান যে সব কথার মইধ্যে ফোঁড়ন কাটি!

লেখকের মন্তব্য
কাহানি এইখানে আইসা একটু 'মোচড়' খাইছে আপু। লেখকের ওপর দিয়া সারাদিন যে 'মুসিবত' গেছে…। তবে রিকশাঅলা বোধ হয় 'বিশেষ দয়ালু' ছিল।
-এতক্ষণে হাঁছা কথা বাইর হইয়া আসছে।

তুষের তলে আগুন আর কতক্ষণ চাপা থাকে!
কী অবস্থা ঈশান ভাই? পরীক্ষা চলতেসে। দোয়া করবেন। কাল আছে। পোস্ট পড়তে পারলাম না
১০০ আমার।
চতুরের ২য় ইতিহাসবিদ।
ইতিহাসবিদ মানে তো যিনি ইতিহাস গবেষণা করেন। আমিতো গড়ার চেষ্টা করছি।
এই পর্ব আগেরটার চেয়ে কম মজা হইছে

তবে এটাও মজার
সব মিলায়ে সাততারা দিলাম
অসুস্থতার কারণে কারনে এমন মজার আড্ডায় থাকতে পারলাম না

উপরে ডাক্তার আছে। ট্রিটমেন্ট করায়া যান।
করাত হাতুড়ী ট্রিটমেন্টে আমি দারুন পারদর্শী
বিফলে মূল্য ফেরত!!!
এতো দেখি নতুন কান্দনকুমার!!!
----------
কি হইছে তন্ময় ভাই? এখন কেমন?
আরে ভাই , দাঁতে সমস্যা । অপারেশন করতে হবে । এই ঝামেলায় আছি ।
দাতেঁর সমস্যা? চিন্তা কী? আছে হাতুড়ী!
লেখকের মন্তব্য
তন্ময় ভ্রাত, ডাঃ কদম আলী (অলরাউন্ডার ) থাকতে অপারেশনের কোন প্রয়োজন নেই। তিনি বিনা আপারেশনে দাঁতের চিকিৎসা দিয়ে থাকেন।
তবে এলাইনে নির্মক্ষিকেরও ব্যাপক 'অজ্ঞতা' থুক্কু 'অভিজ্ঞতা' রয়েছে।
লেখকের মন্তব্য
কাইন্দেন না তন্ময়, জামি ভাই ব্যাপক কান্নাকাটি কইরা ব্লগে এমনিতেই হাঁটু পানি জমাইয়া ফেলছে। আপনি আর জলাবদ্ধতা বাড়িয়ে দিয়েন না।
পানিটা রিসাইক্লীং এর মত করে একই পানি বারবার ব্যবহার করা হচ্ছে। তাই হাঁটু পানি জমার চান্সই নেই।
লেখকের মন্তব্য
জামি ভাই ,আপনার চোখের ভিতর তাইলে অটো ফোয়ারা সিস্টেম ! আচানক কারবার !!
ঈশান ভাই শুভ রাত্রি।
খিক খিক খিক !
দারুণ, মজারু
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ শিপন । ভালো থাকবেন।
ঈশান ভাই নতুন পোস্ট দেন। নাহলে এই পোস্ট এর বর্তমান এবং ভবিষ্যতের কমেন্ট এর ভারে পুরা চতুর ডুবে যেতে পারে ।
নতুন পোস্ট আসুক। অপেক্ষায় আছি।
জামি তোমার পোস্ট কই ?
অপেক্ষায় আছি।
যার জন্য হবে, তার অপেক্ষায়।
হুমম! আপনার চোখে চোখের জন্য প্রতীক্ষা দেখতে পাচ্ছি।
এমন দিন যেন সত্যিই কারুর না আসে।
ভাল আড্ডা দেখছি।
লেখকের মন্তব্য
আমার পোস্টে তোমাকে মিস করি বন্ধু।
লেখকের মন্তব্য
গড়াগড়ি দিয়া হাস্তেছেন !
চমৎকার লিখেছেন ঈশান ভাইয়া।
আগে পড়েছিলাম, এখন কমেন্ট করে গেলাম।
লেখকের মন্তব্য
মন্তব্য করুন