একুয়া রেজিয়া-এর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি


গুগল মামা বলসে এইটা নাকি চতুর ছবি। কেউ এইটারে ডেভিলের ছবি মনে করলে আমার দুষ নাই।
চতুরের জন্মদিন উপলক্ষে আজকে সবাই বেজায় খুশি।
আমি নিজে যখন চতুরে আসি তখন চতুর সংখ্যা অনেক কম ছিলো। দিন দিন মানুষজন অনেক চতুর হয়ে যাচ্ছে।
তাই বলা যায় দুই বছর হয়ে যাওয়া চতুরের পাখনা গজিয়েছে।
২০১০ সালে আমি যখন ব্লগিং করবো বলে ঠিক করলাম, তখন আমার বন্ধু বলল- মাছের বাজারে না যাইয়া চতুর হইয়া যা।
আমি বল্লাম-মানে কি?
সে তখন বলল- তোর গুগল মামারে বল চতুর্মাত্রিক দিয়ে সার্চ দিয়া তোকে চতুর বানায় দিতে। আমি কিছুক্ষণ ভেবে বললাম -আচ্ছা ঠিক আছে, কিন্তু আমি আমার নাম কি দিবো? সে বিজ্ঞের মত বলল- নামে কি যায় আসে? নাম দিয়া দে ঘুর ঘুরে ঘুড়ি। এখান থেকে ওইখানে ফরফর করে উড়াউড়ি করিস তুই, তাই এই নাম মানাবে ভালো।
সেই পাপীর কথা না শুনে আমি আমার মত নাম নিয়ে গবেষনা করা শুরু করলাম। বলা বাহুল্য এমন কোন নাম নাই যা আমি ভাবি নাই। যেমনঃ সাঁঝবাতি, কাঠপেন্সিল, সুপার গ্লু, কমলালেবু
, ভাল্লাগেনা, তার ছিঁড়া, অন্য ব্লগের দুই একজনে নিকও চুরি কইরা ফেলমু কিনা ভাবছিলাম।
এমন সময় হুট করে মনে হল আমার এক বন্ধু ফেবুতে নিয়মিত রোবট, (রোবট মানে আসল রোবট, আমাদের ব্লগার রোবট কাক্কু কিন্তু না;) ), অপ্টিমাস প্রাইম, এন-সেভেন, এলিয়েনের ছবি দিত। তখন একদিন তাকে বলেছিলাম- তোকে একুয়া রেজিয়া দিয়া ঝলসায়ে দিবো। সেই থেকে একুয়া আমার প্রিয় নাম। তার উপরে কম্লা রঙের প্রভাব তো আছেই।
তাই আর সাত পাঁচ না ভাইবা নাম দিলাম একুয়া রেজিয়া।
প্রায় দেড় বছর পরের ফলাফল হইল এই যে, কিছুদিন আগে এক ভাইয়া বলেছেন- একু, মানুষজন খুব দ্রুতই তোমার আসল নাম ভুলে যাবে। আমি দাঁত বের করা হাসি দিয়ে বলেছি, ব্যাপার না।
মানুষ যেখানে জন্ম নেয় সেইটা নাকি তার জন্মভূমি। একুর জন্ম হইসে চতুরে, একু সৃষ্টি হইসে চতুরে, তাই একুয়া রেজিয়ার জন্মভূমি চতুর্মাত্রিক।
আর এই পোষ্টের আসল মাজেজা হইলো পদ্ম আফুউউ আজকে চতুরের জন্মদিন উপলক্ষে স্ট্যাটাস দিসেন এবং কিভাবে উনি চতুর হইসিলেন তা জানাইসেন। তারপর দখিনো হাওয়া, করিম ভাই, নয়ন ভাই, আরন্যক ভাইয়া ও আমি আমাদের চতুর হওয়ার কথা মহা আনন্দে শেয়ার করে ফেলসি।
আমাদের মন্তব্যগুলো কপি পেষ্ট করে দিয়ে দিলাম। আর এখন আপ্নারা সক্কলে মিলে ধুমায়ে লিখেন কেমনে চতুর হইসিলেন? কার কাছ থেকে লিঙ্ক পেয়েছিলেন? যাদের থেকে লিঙ্ক পাইসিলেন তাদের কে অস্কারের ফটুক দেওয়া হবে।
আর হ্যা আমার মত আপনাদেরও যদি চতুরের নিক নেয়ার পিছনে কোন কাহিনী থাকে তাহলে ঝটপট লিখে ফেলেন। যার কাহিনী যত মজার হবে তারে বস্তা বস্তা চকলেটের ফটুক দেওয়া হইবে।
পদ্ম
"অদ্ভুত সব জোনাকপোকা সাজায় ঘাসফুল" --- শুভ জন্মদিন চতুর্মাত্রিক।
------------------------
প্রথম চতুরের নাম শোনার গপ্পো: প্রথম-আলো ব্লগ। ১৯৭৭ সাল [আসলে গত বারের আগের বার]। সন্চালকের সাথে সাধারন ব্লগারদের সেরম মনোমালিন্য। সন্চালক তখন হেব্লি পাওয়ারফুল। যারে তারে যখন তখন শোয়ায় দিতেছে ব্লগ থিকা। তো, এরমধ্যে একজন রাগ কৈরা কইলো, হহ, দিমু ব্লগ ছাইড়া। একটা লিঙ্ক দিলো, দিয়ে বললো, প্র-আলো'র অনেকে গত এক সপ্তাহে এরা এরা চতুর্মাত্রিকে নিবন্ধন করছে। আমি সন্দ'র চৌখ নিয়া ক্লিক কর্লাম। দেখলাম দুইজন পোষ্ট লেখে/৩জন কমেন্ট লেখে। সকালে ঘুম থিকা উইঠা দেখলাম সন্চালক লিঙ্ক মুইছা দিছিলো। যাক, মন তখন নিবিষ্ট মারামারিতে। চতুর নিয়া ভাবনের টাইম কই! । যাক, এর অনেক পরে, ধিতাং ধিতাং কৈরা এই যন্ত্রনার মধ্যে আইসা পড়লাম! আর এখন কত কত পোষ্ট, কত কত লুক। এইবার আপনে কেমনে আসলেন, কনছেন শুনি।দখিনো হাওয়া
আমি ফেসবুক থিকা লিংক পাইয়া আসছিলাম। তখন আছিলাম আমুতে। কেমুন জানি বেশি ভদ্র মনে হইলো। পরে গেলাম চাপ্পুতে, দেখি লোকে খালি চতুরের নিক জিগায়, পরে রেজি করছি। নো গুড / ব্যাড ফিলিংস, এজ দ্যাট ওয়াজন্ট দ্যা ফার্স্ট মাইগ্রেশান।আব্দুল করিম
আমি শিপন ভায়ের লেখার লিঙ্ক ধরে।নয়ন
২০১০ সালের এপ্রিলে মাসুম ভাই(ব্লগার কবি)একদিন এই সাইটের কথা বললেন। ঐসময়ই সাইনআপ (নয়ন ঢাকা)করি, পোস্টও দিসিলাম তিনটা। পরে পাসওয়ার্ড জটিলতায় আর ঢুকতে পারিনি। ত্যাক্ত বিরক্ত হয়ে চতুরেই আর আসতাম না। অনেক চেষ্টা করেছি, কি এক অদ্ভুত কারণে পাসওয়ার্ড ভুলই দেখায়। পরে বর্তমান নিকটা করি।আমি ব্লগার কবি ভাইয়ের মাধ্যমে এখানে এসেছি, তার প্রতি কৃতজ্ঞতা!
=============
একুয়া রেজিয়া
খুব প্রিয় এক বন্ধুর কাছ থেকে চতুরের লিঙ্ক পেয়েছিলাম। "অদ্ভুত সব জোনাকপোকা সাজায় ঘাসফুল" --- কথাটা এতই ভালো লেগেছিল যে নিজেকে সাথে সাথেই জোনাক ভাবতে শুরু করি। আমার ব্লগিং এর হাতেখড়ি চতুর দিয়ে। সুদুর ভবিষ্যতে আমি আমার নাতি নাতনীদের কেও চতুরে ব্লগার হিসেবে দেখতে চাই।![]()
শূন্য আরণ্যক
আমার চতুর্মাত্রিকে আসাটা অদ্ভুত ভাবে আমি প্রথমে আবোলতাবোল ডট কমে রেজিষ্টার করি।সেটা কিভাবে দুষ্ট মডুদল চতুর্মাত্রিক বানায় ফেলসে খেয়াল করি নাই।
তবে চতুর্মাত্রিক নামটা আর অদ্ভুত সব জোনাকপোকা সাজায় ঘাসফুল কথাটা - হেভি পছন্দের জিনিস আমার।
সাহাদাত উদরাজী
অভ্র দিয়ে বাংলা টাইপ শিখে ফেলার পর আমার আর উৎসাহের সীমা নাই। এক সাথে অনেক গুলো ব্লগে যা খুশি তা লিখি। এমন সময় সামুতে ব্যান খেয়ে দিশেহারা! গরিব প্রেমিকের মত রাস্তায় হাঁটি, কাউরে কিছু বলি না! আমু ভাল লাগে না, এবিতে আছি মোটামুটি কিন্তু একটা চাপ অনুভূত হয়! পাশাপাশি অন্য ভাল ব্লগ খুজি (যেহেতু বেশী বেশী লিখি, মনের অনেক কথা), এমনি সময় চতুরে এসে হাজির হই (কি করে সেটা এখন আর মনে নাই)। প্রথম কয়েকদিন অনেক লেখা পড়ি। তার পর প্রথম পোষ্ট দেই ২৮ জুন ২০১০, ৬:৪৩ অপরাহ্ন! চতুরে আমার টার্গেট ছিল সয়সাময়িক বিষয় নিয়ে লিখা। তাই আমার প্রথম পোষ্টের ছিল “পাইকারী বাজার থেকে প্রাপ্ত 'বাজার মূল্য'! এই পোষ্ট দেখলে বুঝতে পারবেন, আমার বাজার করা ও রান্না নিয়ে কি আগ্রহ ছিল, সে দিনের বাজার দর আর আজকের বাজার দর কি পরিবর্তন। পরে অনেক কিছু লিখে সিদ্বান্ত নিয়েছি চতুরে আমি শুধু রেসিপিই লিখব। এখন চতুরে এলে রেসিপি পোষ্ট ছাড়া আর কিছু ভাবতেই পারি না!কত গুন বেড়েছে জিনিষ পত্রের দাম - দেখুন
ইরি চাল প্রতি কেজি ২৫.০০ -২৭.০০ টাকা
পাইজাম চাল প্রতি কেজি ৩২.০০ -৩৫.০০ টাকা
মিনিকেট চাল প্রতি কেজি ৩৩.০০-৩৬.০০ টাকা
আটা প্রতি কেজি ২১-২২ টাকা
ময়দা প্রতি কেজি ২৮-৩০ টাকা
চিনি প্রতি কেজি ৪০ টাকা
মশুরের ডাল দেশি প্রতি কেজি ১১০ টাকা
সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ৮৪-৮৮ টাকা
আপনাকে আমার প্রথম পোষ্ট দেখে আসার অনুরোধ করছি

গুগল মামা বলেছে এইডাও নাকি চতুর ছবি। কিউট লাগলে আমারে পিলাচ দিয়েন।
***আপনারাও লিখে ফেলেন আপনাদের চতুর কথা। 
মন্তব্য
যা বলার, তা তো বলেই দিসি। এখন আমি
লেখকের মন্তব্য
আরো বলতে হবে গেইটলক ভাই
পদ্ম ভাইয়ের সেখানে সব বলে এখানে এসেছি।
আবার বলতে হবে।।।
চতুরকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা।
লেখকের মন্তব্য
ভাইয়া, আপনার ইনফো আপডেট কইরা দিসি।
ধন্যবাদ সিষ্টার একু। না হলে আবার লিখতে হত! টাইপ করা কঠিন। কপি করতে পারি না!
লেখকের মন্তব্য
ব্যাপার না ভাইয়া।
ধন্যবাদ সিস্টার। এত কমেন্টের ভিড়ে একজনো খাবার দাবারের কথা বলল না! খাবার ছাড়া আড্ডা কি করে চলে? নিন।।।

আমারে জিরু নিয়াইছিলো। স্যরি কাহিনীটা বেশি মজার হৈলো না। তয় চক্লেট কিন্তু চাই
লেখকের মন্তব্য
কেক শেক ভাইয়া, বিয়ার পরে আপ্নে এত কম কথা বলুন কেনু

গল্পকার হইয়া কাহিনী কইতে চান না। এইডা কি ঠিক?
ঝাক্কাস পোস্ট একুয়া !!
মজা পাইলাম ।
লেখকের মন্তব্য
ভাইয়া আপ্নারে কে নিয়া আসছিলো এইখানে?
আমার ব্লগার জীবন শুরু হয় 'আমরা বন্ধু'র মাধ্যমে। সেখানে কোন এক লেখায় চতুরের লিন্ক পেয়েছিলাম। চতুরে এসে খুঁজে পেলাম আমার অনেক পুরোনো বন্ধুকে। যাদের সঙ্গে এক সময় পত্র/পত্রিকায় চুটিয়ে লেখালেখি করতাম। তারপর.....সব ব্লগ ছেড়ে এখন চতুরেই পড়ে থাকি। কারন, অন্য সব ব্লগের চেয়ে এখানকার পরিবেশ অনেক বেশি আন্তরিক এবং শান্তিপূর্ণ । তাছাড়া অন্যসব ব্লগের চেয়ে চতুরকে আমার অনেক বেশি আধুনিক এবং আপ টু ডেট মনে হয়।
লেখকের মন্তব্য
আপ্নে আইসা তো ভাইয়া চতুর পুরাই জমজমাট পাইসেন। আমাদের কালে চতুর আরেকটু শান্ত ছিলো। তবে এখনকার পার্টি মুড ভালো পাই।
সামুতে অনিয়মিত হবার অনেক কারণ ছিল। কিন্তু ব্লগিং ছাড়তেও পারছিলাম না। নাম লেখালাম আমরা বন্ধু ব্লগে। সেখানে নিয়মের কড়াকড়িতে (আমরা বন্ধুতে দেয়া পোস্ট অন্য ব্লগে দেয়া যাবেনা, অন্য ব্লগে দেয়া পোস্ট আমরা বন্ধুতে দিলে সেটা মুছে দিবে এই রকম) আবার পালাই আমি। চতুরের লিঙ্কটা ব্লগের শুরুতেই কে যেন দিয়েছিল, সেটা ধরে রেজিস্ট্রেশন করা। একটা রম্য টাইপের ওয়েলকাম মি ব্লগ লিখে আবার উধাও কিছুদিনের জন্য। কারণ - চতুরে সবাই খালি কবিতা পোষ্টায়। আমার আবার কবিতা সহ্য হয়না। আমার ব্লগে যাবোনা, প্রথমালু ব্লগে যাবার প্রশ্নই ওঠেনা, সচলায়তনে লেখার মত যোগ্য নিজেকে মনে করিনা - কাজেই চলে এলাম চতুরে
এই তো গল্প 
লেখকের মন্তব্য
যতদূর মনে পরে ছেলেবেলার স্মৃতিকথা নিয়া চতুরের
ব্লগে ফাস্ট পুষ্ট দিসিলো পাকনা টম।
ভালো লাগলো
লেখকের মন্তব্য
অঃপঃ আপনার কাহিনী জানান।
আমার কাহিনী নাই
সাহাদাত ভাইয়ের কাহিনী চমৎকার! উনার পোস্টের কথা শুইনা এক্টা কথাই মনে পড়তেসে,
মর্নিং শোজ দ্য ডে!
লেখকের মন্তব্য
ঠিক ঠিক। বাজারের ফর্দ দিয়ে শুরু আর রেসিপি দিয়ে শেষ। উদরাজী ভাইকে শুভেচ্ছা।
আমাকে কেউ নিয়ে আসেনাই!
হামা ভাই, ফাহাদদা, ভেব্লাদি,আন্ধা আগুন্তুক, সমু্দ্রকন্যাপু, নস্টালজিক ভাইয়া, মুহিত এরা চতুরে আছে এটা জানতাম।আমি সামুতেও পরশুদিন পর্যন্তও ছিলাম।হঠাৎ সামুর ভীরবাট্টা বোর লাগা শুরু করলো বলে পরশুদিন নিক খুলে পোস্ট দিয়ে ফেললাম এবং বোকা থেকে চতুর হয়ে গেলাম
লেখকের মন্তব্য
হে হে আমি তো ভাবতেসি আপনার নাম যেহেতু গ্লু সো আপনার সাথে অনেক অনেক ব্লগার গ্লুয়ের মত আটকায়ে চতুরে চলে আসার কথা। (খোয়াব দেখার ইমো)

গ্লু সো না তো। প্লিওসিন অথবা গ্লসিয়ার
লেখকের মন্তব্য
ইয়ে মানে এই নিকের যে বাকি অংশও আছে আগে জানতাম না আমি। এত বড় নিক যে প্লিওসিন অথবা গ্ল... এর পরে কিছুই দেখায় না।
আমার কি দোষ, চতুরে এত বড় নাম দেখায় না,আমি তো জানিনা
আমারেও কুন কুন ঘাটে জানি ঘুরাইছে। আবোলতাবোল ডট কম বা বেশি, তারপর আরেকটা কৈ জানি নিছিলো। আমি তো চোখ বান্ধা, রাস্তাঘাট চিনিনা!!
দিলাম একটা কবিতা, লোকজন বলে, এডি কি দিলি? এডি না হৈলো কবিতা, না হৈলো ব্লগ। আমার তো জিদ চাপি গেলো, দিলাম আরেকটা লেখা, লোকে কয়, তোরে কি ব্লগীং কর্তেই হবে?
আমি তো ডিটার্মাইন্ড খাইলাম এইবেলা। ভাবলাম, ব্লগীং কৈরাই ছাড়ুম!
এরপরে আড্ডা দিলাম, পঁচানি দিলাম, লোকে কয় দূরে গিয়া মর!!
তাও লাইগা আছি আরকি, চতুরের সাথে।
এরপরে মাঝে মাঝে দেখি হাদুম পাদুম দুষ্টু শয়তান আইসা হাজির। এসিড বেসিক আইসা কিরাম কিরাম লেইখা ফেলে সুন্দর সুন্দর, আমি গিয়া বৈলা আসি, কি ভালো লিখেছিস রে (মনে মনে হিংসায় কৈ, হু, কিছু একটা লেখলেই হৈলো?), লোকজনে আমারে কয়, এইখানে কি চাস। তাও আরকি, আছি, চতুরের সাথে!!
লেখকের মন্তব্য
আরন্যক ভাই আমার নাম দিসে থান্ডার ক্যাটস
তার মানে কিন্তু তুমি আমি ভাই বোন।
হিংসারে মারো গুল্লি। 
সামুতে লিখতাম। একসময় হাসিব ভাই (আকাশনীল ভাই) ফেসবুকে চতুরের কথা জানালাম। তার সাজেশনে আসলাম। ভাল লাগলো। এর পরে রোজার ইফতার আড্ডায় সবার সাথে পরিচিত হলাম।
থেকে গেলাম। লিখতেও পারিনা, ভাল কমেন্ট ও দিতে পারিনা। তবু আছি অন্যের লেখার আর কমেন্টের মজায় ভাগ বসিয়ে।
কি আর করা, যার কিছু করার ক্ষমতা নাই সে তো অন্যের জিনিসের দিকে দৃষ্টি দেবেই!
যেদিন বন্ধু চলে যাবো
আ চলে যাবো বহুদুরে
ক্ষমা করে দিও
আ ক্ষমা করে দিও
মনে রেখো কেবল একজন ছিল ভালবাসতো শুধুই তোমাদের
লেখকের মন্তব্য
এই উপলক্ষে আকাশনীল রে নিয়া আসো তার স্মৃতিকথন শুনতে চাই আমরা।
আমি সব ভুলে গেছি! সো আমার আর কিছুই বলতে হবে না!
শুভ জন্মদিন চতুর্মাত্রিক। সবাইকে সাথে নিয়ে আগামীর পথে বীর বিক্রমে এগিয়ে চলো তুমি!
শুভকামনা অবিরাম।
লেখকের মন্তব্য
ভুইলা গেলে মাইনাচ। মানি
মাইনাস পেয়েছি!

তা কয়টা মাইনাস দিলেন!
লেখকের মন্তব্য
কয়েক হাজার মাইনাচ।
এত্তগুলা মাইনাস!
হুহাহ হাহা।
রসুউউউউউউউউউউউউউউউউউউউউউউন চাআআআআআআআআআআআআআআআ
লেখকের মন্তব্য
ও ভাইডি তুমি শুনতে কি পাও? এই গান আমার উপসস মানে এই ডাক আমার। ও এই ডাক আমার।
প্রথমে মনে হয় সানফ্লাওয়ারাফা ওরফে ভেবুয়াপা, অরফে মেঘাপা, অরফে হাট্টিমাটিমাফা অরফে সর্বশেষ সংযোজন কচ্ছপাপা কৈসিলেন সামুতে এক কমেন্টে চতুরের কথা । পরে একদিন অমিতও কৈল । আইসা দেখলাম ভাল লাগলো । রেজি কৈরা ফালাইলাম ।

লেখকের মন্তব্য
ভ্যাব্লাপার নামগুলি ভাল্লাগসে ভাই।
লেখকের মন্তব্য
নিজের স্মৃতিকথা শিকেয় না তুলে রেখে শেয়ার করে যাও।
আমারটা 'নিজের সম্পর্কে' লেখা ছিল বহুদিন - তাই বলার কিছু নাই
লেখকের মন্তব্য
হবে না হবে না।
(কান পেতে রই ইমো)
চতুরের বাড্ডে উপলক্ষে সিনেমাখোরের গল্প জানতে এই বান্দা ইচ্ছুক।
পোষ্টু ভালা হইছে

"শুভ জন্মদিন চতুর"
লেখকের মন্তব্য
হাসি থামায়া পানি খান। তারপর আস্তে ধীরে টাইপান যে কেমনে চতুরে আইলেন।
চমৎকার লেখা।
আমি সামহোয়ারে দু-চারটে পোস্ট দিয়েছিলাম, সচলে শুধুমাত্র পিএল-এর সময় লেখালেখি করি এবং হিমালয় ভাইয়ের কল্যানে চতুরে একাউন্ট খুলেছি। নিয়মিত লেখালেখির আশা রাখি
লেখকের মন্তব্য
এইটা পুরাই হুজুগে লেখা---

সামুতে গিয়া শান্তি পাই নাই, আর সচলে পাই নাই স্বাধীনতা। তাই আমার জন্যে চতুরই সেরা।
চতুরে নিয়মিত হবে আশা করি।
সব ভেটারানরা শানে নুজুল বয়ান করতেসে, এর মইধ্যেই ইকটু নাক গলায় দেই আর কি! আমি আসলাম ব্লগার সুরঞ্জনার কাছ থিকা শুইনা। লিঙ্কু টিঙ্কু কিসু পাই নাই। জীবনে ব্লগাই নাই, তবু চতুর্মাত্রিক টাইপ কইরা আইসা পড়লাম। রেজিস্ট্রশন হইলো ঝড়ের বেগে, আর মনের আবেগে ঝনাঝন দুইখান কাইব্য নামায় ফালাইলাম! অধীর আগ্রহে থাকতে থাকতে গরম মাথায় এক বালতি ঠাণ্ডা পানি ঢাললো আমগো পারদ মামু, মার্কারী আর কি! আমার পোস্টে পয়লা কমেন্ট! ইতিহাস! "চতুর্মাত্রিকে প্রথম পাতায়--- ইত্যাদি!!!" কান টান মইলা ছাড়ান পাইলাম! সেই থিকা আছি! কেমনে কেমনে জানি পোস্টু দেই, প্রত্যেকবার মনে হয়, এইডাই শেষ, আমার ভিত্রে আর তো জিনিস নাই, আর লেখুম কি? কেমনে কেমনে জানি আরেকটা লেইখা ফালাই!!! জয় চতুররররররররর!
লেখকের মন্তব্য
আপ্নে আইসা আমার নাম আরেকটা বাড়াইসেন বাপী ভাই। আপনার দেওয়া স্বর্ণতরলকারিণী নামটা আমার খুবই পছন্দ।
নটার নাটাইয়ের বড়োসড়ো ফ্যান ছিলাম আমি, যখন সামুতে ওর নাম অনাহূত আগন্তুক তখন থেকেই। ভীষণ ছেলেমানুষ এই বাচ্চা ছেলেটার 'ভেবে বলি' লেখাটা একদিন ফেসবুকে দেখলাম। সেই চতুরের সাথে প্রথম দেখা। তারপরে এই সাইটে মাঝে মাঝে ঢুঁ মারতাম। আমি মূলক ব্লগাঠক, মানে চুপচাপ পড়ে যাওয়া লোক। সামুতে আমার আনিকা নিকের ব্লগে হাবিজাবি কিকিসব ছিলো, আমরা বন্ধুতেও লিখতাম একসময়ে, কিন্তু আমরা বন্ধুতে আমার দুই দোস্ত আছে, যারা আমার ইমোশনাল বাতচিত দেখে হাসতে হাসতে মরে... ওদের হাসির আড়াল থেকে বাঁচতে আর এইখানে চতুরে আকাশ অম্বর, জিরোদা, একুয়া, সাকাধূ, নুশেরাবু, হামাভাই এদের সহ আরো অনেকের লেখা পড়তে পড়তে কি মনে হতে এইখানে লেখা শুরু করলাম। সম্ভবত এইখানেই প্রথম নিজেরে খানিক ব্লগার গোত্রীয় মনে হইলো।
চতুরের জন্মদিনে পুরনো একটা কেক্কুক দিলাম সবার জন্য। সামনে স্ট্রবেরীর দিন আসিতেছে, এই জিনিস খাইতে চাইলে আমার কাছে বুকিং দিতে পারেন।
লেখকের মন্তব্য
স্ট্রবেরীর খাইতে চাই


তুমি জানো তোমাকে আমাকে চতুরে নিয়া আসছে সেইম ব্যক্তি।
হুমম.. ফাহিম অবশ্য শুনে খুবি অবাক হইসিলো যে ওর নতুন নিক দেখেও এইটা যে ও-ই আমি সেইটা ধরে ফেলেছি বলে।
খাইতে চাইলে পাবা নিয্যস। চলো আরেকটা চতুরাড্ডা করি।
লেখকের মন্তব্য
আপুকি ১১ তারিখ আসবে নাকি?
আপুনি, একজনের জন্যে বেগার খাটনি দিতে লাগবে ওইদিন... জানাবোনে আসবো কিনা।
সেই সময় প্রথম আলোতে হেভি গ্যাঞ্জাম। মডুর কান্ডকারখানায় বিরক্ত হয়ে আরো কয়েকজনের সাথে চতুরে চলে আসি।
প্রায় ১২টা পোস্ট দেয়ার পর সেই সময় ব্যবহৃত নিক কবরে পাঠানোর প্রয়োজন হলো। মনে হলো পোস্ট ড্রাফট করে রেখে দিই। কিন্তু কোনক্রমেই আর ড্রাফট হয় না। মেজাজ হারিয়ে সব পোস্ট ডিলিট দিলাম। কিন্তু নিক তো রয়ে গেল।
কি মনে করে মডারেটরকে মেইল দিলাম। ওমা আমার নিক দেখি ঝটপট বদলে দেয়া হলো- এখানকার নিকে!
তারপরে ব্লগ থেকে ঘোষণা দেয়া হলো যে আগের প্রকাশিত পোস্ট ড্রাফট করা যাবে!
আমার মাথার চুল ছেড়ার দশা। মডুদের সাথে আগে যোগাযোগ করলে আমার পোস্ট আর ডিলিট করার প্রয়োজন হতো না।
আহারে!
এখনো সেই পোস্টগুলো মিস করি
লেখকের মন্তব্য
কি দুঃখ, আলুতে মডুদের নাডামির কথা আমিও অনেক শুন্সি।
আমার ব্লগিং শুরুই হইসে চতুর দিয়া তাই আমি ব্যাপক হ্যাপী।
দারুন পোস্ট হৈসে - সবার কথা জানতে মনচায়
লেখকের মন্তব্য
ভাইয়া, আপনার আরও স্মৃতি কথা জানতে চাইইইইইইইইইই ধিঙ্কাচিকা।।
স্মৃতিচারণ আর কী - সে এক লম্বা ইতিহাস - দিন ফুরায় যাবে সেই কাহিনী বর্ণনা করতে গেলে ।
সামুতে সিরিয়াস ব্লগাইতাম - আমরা আমি, অনিক, হামা, সুদীপ, তনুজা, মমমম১২, মুক্ত বয়ান, রেজওয়ান শুভ, একলব্যের পুর্নজন্ম, সাদাত, ভাঙন, বিলাই, ত্রেয়া, নুশেরাআপা, আশবাফ মাহমুদ, কাঁকন, প্রসুন, অন্যসময় ওরফে আমরা কাঠের ঢেকি, দেশি পোলা আরো কত সব রঙিলা ব্লগার।
সেই যে আমার নানা রঙ এর দিন গুলি।
মোস্তাফিজ রিপন আর আকাশচুরির গল্প পড়ে তখন তব্দা খেয়ে বসে থাকি। হামা তখনও শিশু। তনুজা সেরা আড্ডাবাজ।
নুশেরা আপা সবার মধ্যমনি।
সামু তখন অনেক ভালো ছিলো - অনেক ভালো ভালো পোস্ট আসতো ।
সামুর মডুদের কপালে এই সুখ সইলো না ৭০০০০ হাজার রেজিষ্টার্ড ব্লগার হওয়া জ্বালায় - তারা নতুন সব ব্লগারদের হাফপ্যান্ট ব্লগার বলতো।
হিট জমানোর জন্য ক্যাচাল ক্রিয়েট করতো - ব্লগ ঝিমালেই । স্বেচ্ছাচারী কম বেশি সব ব্লগই - তবে সামুর সেচ্ছাচারীতা কোন সীমা ছিলো । আজকে দেখি অমুক ভালো ব্লগার ব্যান খাইসে।
চাপ্পুতে তখন হেভি আড্ডাবাজি হৈতো। আমাদের গ্রুপটা চাপ্পুতে অনেক এ্যাকটিভ ছিলো । চাপ্পুতে গণকবিতার আসর বসতো।
অনেক মজার সময় ছিলো।
তখন একদিন সামুর অন্যায়ের প্রতিবাদ করার কারনে - আমারে দিলো ব্যান করে - আমি নিরুপদ্রুব ব্লগার ছিলাম। গ্রুপ ছাড়া কেউ চিনতোও না তেমন।
ব্যান খেয়ে মন খারাপ হৈলো বেশ।
কিন্তু লিখতে তো ইচ্ছে করে - কিছু দিন চেষ্টা করলাম ফেবুতে ব্লগাইতে - জুইত পাই না।
সচলে লেখা দিলাম - লেখা ছাপলো - কিন্তু সেইখানে কাঠখোট্টা এলিট ভাবমূর্তি আর তাগো মতের বিরুদ্ধে কথা বলা যাবে না এটা মানতে পারলাম না । সেইখানেও গ্যান্জাম করলাম ।
এবির পরিবেশ ভালো ছিলো - চতুরে না আসলে সেইখানেই ব্লগাইতাম।
আমাদের গ্রুপটা আমার ব্যানের সাথে সামুর উপর খাপ্পা - আমাদের তখন থিতু হবার জায়গা নাই ।
একদিন রেজিষ্টার করলাম এইখানে - সেই থেকে এইখানের মায়া কাটাইতে পারতাসি না ।
ব্লগার হিসাবে নবজন্ম ঘটলো আমার - স্বাধীনতা মানুষরে কত পরিবর্তন করে সেটাও নিজেরে দিয়া টের পাই ।
এরপর পরিচিত প্রিয় ব্লগারদের ফুসলায়ে নিয়ে আসার চেষ্টা করলাম । কেউ কেউ এসে ভালোবেসে ফেল্লো চতুর্মাত্রিক ।
এই তো ইতিহাসের সংক্ষিপ্ত রুপ।
এই স্মৃতিকথার কিছু অংশ খুবই মজাদার!!

সেই সময় আম্মো ব্যান খাইছিলাম, নিরীহ পোলা নির্ঝর ব্যান খাইছিলো, জলাপু আর সাকাধূরে ধৈরে ঝিনাড়িল বানাই দিছিলো!! হাসতে হাসতে শেষ!!
ভচ, ইস্যুটা মনে থাকলে আওয়াজ দিয়েন, কৈতে হবোনা!!
মামায় এই এলাকায়ও আসে মাঝে মাঝে।
সেই জন্যই তো বল্লাম - সেই কাহিনী বলতে গেলে রাত ভোর হয়ে যাবে ।
সামুতে খুব দহরম মহরম ছিলো - কিন্তু এই খানে নাই -এমন ব্লগারের নামইতো নেয়া শুরু করি নাই এখনো
সবাই তখন ব্যান খাইয়া দিশেহারা অবস্থা ।
ইস্যু মনে থাকবে না মানে কী - এখনো এতো বড়ো ছেলেবেটি হয়ে যাই নাই
কালকে এই পোস্ট পড়তে পড়তে সামু যুগের সেইসময়কার কইছু পোস্ট গুগলাইয়া বের করে পুরা আলুচনা গুলো দএখলাম। সেই রকম মজা লাগলো কিছু জিনিস দেইখা। মানুষ কতো নির্লজ্জ হইতে পারে তার নমুনা দেখি সেসময়কার নায়ক চতুরে আসেন পুস্টও দেন।
যাউকগা জিরোদা, আপনের মতো লুকরে আমি কালকে আমার সামুর পাতায় খুঁজে পাইলাম বেশ মজা লাগলো।
লিংক দেন -- পুরান দিনের জাবর কাটতে বেশ মজা লাগে
হুবার এই পোস্টে ব্যাপক বিনোদিত হইলাম। ঐ সময়টাতে সামুতে অতো রেগুলার ছিলাম না বলে বিনোদন মিস হয়া গেছিলো। এই পোস্ট থেকে ভূত থেকে ভূতে আরো পোস্ট পড়ে ফেললাম। মজা হইলো এই পোস্ট পড়তাছিলাম আর তখন চতুরের প্রথম পাতায় থাকা হুবা সাহেবের পোস্টও দেখলাম। উনি ফকিরিলিয়াসের চাইতেও বড় মাল টের পাইলাম আর কি !!! সে কি ভাষা তার। বিশেষ কইরা হামার সাথে তার বাকচিত দেইখা তার পিছলামির ভালো নমুনা পাইলাম।
মুক্তবয়ান তুহিন এদের কাছে শুনছিলাম গ্যাঞ্জাম হইছিলো , মানে লুলবাজি নিয়া, তবে তার পরকৃত মজা আহরণ করলাম ঐদিন বইসা।
সামু তে আমি আসলে নিভৃতচারী ব্লগার ছিলাম। চুপচাপ পড়ে যাইতাম। আর ঐভাবে টাইম দেয়াও হইতো না। এইজন্য মনে হয় সামু যুগে আপনে আমারে চিনতেন না। আমার একটা পোস্টে আপনার কমেন্ট আছে সেটা আমার পঞ্চাশতম পোস্ট সামুর। এই পোস্ট টা মনে হয় সামুর ঐসময়ের ছেলেবুড়ো সবাই পড়ছে। নিজের জনপ্রিয়তায় আমি নিজেই মুগ্ধ হয়া গেছিলাম
আরে খাইছে - আপনেই সীমান্ত আহমেদ - কঠিন অবস্থা দেখি - ঐ পোস্টটা আসলেই কঠিন ছিলো ।

====
লুলপুরুষের কমেন্ট গুলো রিভাইজ দিলাম - কতো শিশু ছিলাম আমরা - আর সুযোগ পাইয়া সামুর ছাগল গুলো কিরকম কানডলা দিতো আমাদের !!
হায়রে - এখন পাইলে খাসী করে দিতাম - ফিফা , সবাক - আরো রেসিডেন্ট গুলোরে -
শালারা -
২ বছরে চতুর হবার পর একবারও রাগ হয় নাই - চতুর হবার খুশীতে - কিন্তু ওগো বিটলামি আর
শক্তিপ্রদর্শনের ভাব দেইখা রাগটা মাথায় উঠে গেলো ।
শালার শালারা - ব্লগটারে পুরা বাপের সম্পত্তি বানায় ফেলসিলো
হুমম ভাই । আমিই সীমান্ত আহমেদ। মজা হইলো সীমান্ত আহমেদকে আধাআধি যারা চিনতো তাদের বেশিরভাগই সীমান্ত আহমেদকে ভুলে গেছেন তারা শিমুলকেই চেনেন এখন। আর কিছু কিছু লোক যারা সীমান্তকে ভালো ভাবেই চিনতেন তারা জানেন সীমান্ত আসলে শিমুল। ঐ পোস্টটা নিয়ে মজার স্মৃতি আছে। সেটা লিখে আমি ঘুমাতে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। পরে একের পর এক কমেন্টের তোড়ে আর রিপ্লাই করতে করতে আমার ঘুাতে যাওয়া হয় ঘন্টা তিনেক পরে। শরাফত সাহেবের তুমুল জনপ্রিয়তায় আগি মুগ্ধ হয়ে যাই। অনীক ইউটিউবে আমার করা শরাফতীয় কমেডি একটা তুলে দেয় ইউটিউবে ঐদিনই।
======= ===
সামুর রেসিডেন্ট গুলা আসলেই জিনিস। এদের জন্য আর সামুর ম্যানেজমেন্টের হিট বৃত্তিক ভাবনা আর বা_য়া কিংবা হুবারে প্রশ্রয় দিয়াই আসলে সামুর ধ্বংসের সূচনা হইছিলো।
নারীদের সামনে ত্যালত্যালে হুবা রেসিডেন্টদের প্রশ্রয়ে কী রকম আচরণ করতে পারেন সেটা দেখে একটু অবাকই হয়েছিলাম। এখন হইলে অবশ্য সব বের হয়া যাইতো। তখন সবাই তাদের কথিত হাফ প্যান্ট ব্লগার না হোক, অভিজ্ঞতায় একটু পিছিয়ে ছিলেন। শালারা ঐ সুযোগই নিছিলো
শিমুল, কী জিনিস মনে করালেন! রাকিবের একটা পোস্টের শিরোনামের "তুমি" বদলে "আপনি" করা এই পোস্ট...
অনেক স্মৃতি মনে পড়ল, তার কয়েকটা শেয়ার করার জন্য কমেন্ট রেস্ট্রিকশন থাকা দরকার
================
২০০৭-০৮ এর দিকে সামুতে নতুন আসা মেয়ে ব্লগারদের পোস্টে বিশেষ একজন মন্তব্য করা মাত্রই হাসিব গিয়ে ঠিক তার পরের মন্তব্যটা করতেন, এই ইমোটিকন দিয়ে-
================
মনিটর নিক থেকে একবার ক্লাসিক একটা ছড়া আসে-
হা হা হা। হুমম। কোন এক পোস্টে প্রলয় হাসানের সাথে হুবার ফাইট দেখছিলাম বেশ উপভোগ্য ছিলো।
কোন নতুন নারী ব্লগারের পোস্ট তার চোখ এড়ালে পোলাপান আবার কমেন্ট কইরা উপরে তুইলা দিত তার নজরে পড়বার জন্য। শেষের কবিতাটা ব্যাপক পাইলাম।
লেখকের মন্তব্য
এই কথাটা খুবই খুবই ভালো লাগলো।
অনেক সত্য কথা।
আকাশচুরি কি বর্ষার মেঘমালা হিসেবে চতুরে লিখছেন নাকি? বর্ষার মেঘমালার একটা গল্প পড়ে "আকাশ চুরির গল্প বলার ঢং খানিকতা পেলাম যেন।।।।"
হুম সামুর সেই স্বর্ণ যুগের নীরব স্বাক্ষী আমিও খানিকটা। খুব অল্প সময়ের জন্য হলেও এদের প্রত্যেককে খুব সরব দেখেছিলাম। আবার নামগুলো পড়তে ভালো লাগল।
নাহহহহ!!
আকাশচুরি তারিক স্বপন নামেই চতুরে আছেন।
আমি লিঙ্কু পাইছিলাম বুশারার একটা পোস্টে না জানি ফেবুর প্রশ্ন উত্তর খেলায়। গুগল মামা রে কইলাম দেহাও দেহি কি এইটা সে দেহাইলো আমি তো পুরাই টাস্কি আরে বাপরে কত্ত মানুষ কত্ত কথা কয়। আমার মনে হইল বাংলায় এ পিলাস পাইছিলাম আমি ও তো তাইলে আমার অন্তরের কথা এইখানে কইবার পারি।

যখন জানালো কেন জানি অনেক আনন্দ লাগছিল। 

এই আপু।
সত্যি টা হল আমি অনেক ভয়ে ভয়ে আমার ফেবুর নিক দিয়েই নিবন্ধন করে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিলাম কখন চতুর আমাকে স্বাগতম জানাবে।
তারপর অনেক ভয় ভয়ে পোস্ট করতে থাকি। আর অপেক্ষায় থেকি কে কি বলবে। এখনও ভয়ে থাকি পোস্ট দেওয়ার পর।
তবে চতুরের মানুষ গুলো কিভাবে কিভাবে যেন অনেক আপন হয়ে গেল।
আর একু আপুর কথা আর নাই বা বলি। লেখা পড়তাম আর ভাবতাম ইস এই মাইয়া টারে দেখা দরকার এতো ভাল মানুষ ক্যামনে লেখে। একদিন হঠাৎ দেখি আমার ফেবুর এক বড় আপুর প্রোফাইলে একুয়া রেজিয়ার লেখার লিঙ্ক শেয়ার করে লেখছে আমার লেখা। আমি তো আকাশ থিকা ধপাশ কইরা মাটিতে।
আর এখন কার অনুভূতি হইল পোস্ট করি আর মনে হয় এই শেষ আর আসবনা কিন্তু বারে বারে ফিরে আসি তোমার এই মন্দিরে, কি এক অদ্ভুত মায়া জালে জড়ানো এখানের মানুষ গুলো একমাত্র একু আপু খোকন ভাই আর শিশু ছাড়া আর কেউকে আমি সামনা সামনি দেখিনি তবুও সবাইকে মনে হয় অএঙ্ক দিনের চেনা।
ভাল থাকুক চতুর। ভালবাসায় চলুক পথ চলা।
লেখকের মন্তব্য
আমি ভাবসিলাম তুই জানিস আমি যে চতুরে লিখি। ভটু তো জানতো।

আমি যেদিন জানলাম যে তুই জানতি না আমি একু তখন অনেক হাসছিলাম। আগে জানলে আরো নাটক সিনেমা কইরা তোকে নিজের পরিচয় দিতাম। আফসুস ইমো।
লেখকের মন্তব্য
হাসির কি আছে? আগে জানলে ওরে আমি নাকানি চুবানি দিয়া তারপর নিজের পরিচয় দিতাম। হায়রে আফসুস

আমি ভুত-থেকে-ভুতেডটকম দেখে ঢুকসিলাম। তারপর দেখি সেটা আবোল তাবোল ডট কম। তারপর দেখি আবার চতুর্মাত্রিক ডট কম। মহা গিয়ানজাম!!!

লেখকের মন্তব্য
আমি পর্থম থেইকাই চতুর।
সামুতে তখন ক্যাচাল তুঙ্গে ! ক্যাচাল কইরা কইরা আমিও ক্লান্ত , ভার্চুয়াল হিরোগিরিতে পোষাইতেছিলো না । প্রিয় সব ব্লগাররাও অনিয়মিত হওয়া শুরু করসে । ভাসা ভাসা লগিন করি , একটা আধটা কমেন্ট । অন্ধ আগন্তুক ক্লান্ত হয়ে গিয়েছিলো ।
এইরকম একটা সময়ে ফেবু ইনবক্সে আমার সবচে প্রিয় ব্লগার আকাশ অম্বর ভ্রাতঃ এর একটা ছোট্ট চিরকুট । আগন্তুকের চতুরজ্ঞান লাভ সেই প্রথম । প্রথমবার পেইজ লোড হওয়ার সাথে সাথেই যেই শব্দটা মাথায় আসলো , সেটা হচ্ছে - ক্লিন ! লুক দেইখা এমনটা মনে হইছিলো । পুরানো একটা আধটা পোস্ট দেয়া শুরু করলাম । সেইসাথে চতুরদের লেখাগুলো পড়া । পরিবেশটা বেশ আন্তরিক মনে হলো । একটা সময়ে এই চতুরই আমার ফার্স্ট হোম হয়ে গেল । আপনাআপনিই । এখনো সেই শব্দটা মাথায় আসে - ক্লিন । সবদিক দিয়েই চতুর পরিচ্ছন্ন একটা ব্লগ ।
শেষটায় আবার আকাশ অম্বর কোট করি -
চতুর ভালো! চতুরেরা ভালো!
তাই অদ্ভুত সব জোনাক পোকারা সাজাক আলো
লেখকের মন্তব্য
যতদূর মনে পরে রঙিন চশমা বা সানগ্লাস টাইপের রূপক একটা গল্প দিসিলেন সেই থেকে আপনার লেখা ভালা পাই।
আর আপনার শব্দ চয়নের ভক্ত আমি আজও। 
মজার কিছু নেই। তবুও একুয়া আপির পোষ্টে, জবাব তো দিতেই হয়।।
ময়ুখ রিশাদ ফেসবুকে একটা নোটের লিঙ্ক দিয়েছিলো । ওটা পড়ার সময় দেখি ,ব্লগটার নাম চতুর্মাত্রিক।
তততুকুই। এরপর অনেক দিন অন্যান্য জায়গায় ভবঘুরের মত ঘুরলাম কিছুদিন। সামু,সচল।। কিন্তু কেন জানি কিছু একটা মিস করছিলাম ।ভাবলাম চতুর এর সদস্য হয়ে দেখি।।
সত্যি, হওয়ার আগের সেই আগ্রহের চেয়ে চতুরের সদস্য হওয়ার অনুভূতি একদম অন্যরকম। মনে হচ্ছে এটাই সেই ব্লগ যেটার অপেক্ষায় আমি ছিলাম ।
এখন আমি কিছুটা হলেও পরিপূর্ণ ।
ভালো লাগার অন্য নাম এখন চতুর//
অদ্ভুত সব জোনাক পোকা সাজায় ঘাসফুল/
শুভ জন্মদিন চতুর্মাত্রিক।
লেখকের মন্তব্য
অনেক সুন্দর করে লিখস ভাইয়া নিজের ভাবনাগুলো।
আপনাকে ধন্যবাদ অনেক সুন্দর একটা পোষ্টের জন্য।
সে এক বিশাল ইতিহাস। ... ব্লগে ব্লগে ক্যাচাল দেখিতেয়াছিলাম আর ভাবিতেয়াছিলাম, এইসব কী দেখতাছি! এইসবে আমার স্থানটা কোথায়!
) পরিচিত সজলদা(সজল শর্মা), ভ্রাতা নয়নদের পেয়েও গেলাম এখানে। এই হইলো ঘটনা।
তাবদ বাংলা ব্লগগুলিতে ঘুরুন্তি দিতাম তখন। মাস দুয়েক পর্যবেক্ষণ করার পর নিবন্ধন করিয়াই ফেলিলাম চতুরে। মনে হইলো, ইহাই আমি খুঁজিতেছি। এসেই দিয়ে বসলাম ধূম করে এক পোস্ট (যা করি সাধারণত! আমি নতুনের ধার না ধেড়ে!
আজকের এই শুভদিনে কিঞ্চিত...
ঘটনা হইলো, আমার লিংকের সূত্র ধরে ও দাওয়াতে দুয়েকজন মনে হয় পদার্পণ করিয়াছে এইখানে। আমারে কী দুয়েকটা ডাউন্লোডেবল মেডেল দেওন যায়নি?
লেখকের মন্তব্য
এই নেন পুরুস্কার।
থেংকু, একুপু।

এইমাত্র একটা ক্ষুদে ব্লগ শেয়ার করেছি দেখো। আমার যে কী খুশি লাগতাছে!
লেখকের মন্তব্য
আইচ্ছা অপেক্ষাও আমি দেক্তাসি।
থেংকুউউউ...
মাইনুল এইচ সিরাজী আমাকে চেনায় ব্লগ। তার লিঙ্ক ধরে আমরা বন্ধুতে, এরপর আমার ব্লগে। সিটি কলেজের মোড়ে দাঁড়িয়ে সাহাদাত উদরাজী আমাকে বলেছিলেন চতুর্মাত্রিকের নাম। ভুলোমনে তা ভুলেও গিয়েছিলাম। অনেকদিন পরে নুশেরার এক মেইলে চতুর্মাত্রিকের উল্লেখ দেখতে পেয়ে গুগল শরনাপন্ন, অতঃপর ত্বরিত নিবন্ধন। নুশেরার তাগিদেই প্রথম পোস্ট দেওয়া। চতুরদের আপন করে নেবার ক্ষমতা আর দক্ষতায় মুগ্ধ হয়ে দিন রাত কাটছে এখানেই, আনন্দে আছি। সবাই কত আপন এখানে।
লেখকের মন্তব্য
নুশেরাবুকে ব্যাপক শুভেচ্ছা ও ধইন্নাপাতা। হুদা ভাই আপনি আসার পর থেকে তো চতুরে বানান সচেতনতা বেড়েছে।
আপনি বটবৃক্ষ।
তপ্ত রোদের দহন হতে বটবৃক্ষের মত ছায়া দিয়ে তৃপ্ত করতে সাধ হয় খুব। সাধ্য নেই, অক্ষমতা সীমাহীন; সেই শোকে ভেজা চোখে দিন কাটে, রাত্রি হয় নিদ্রাহীন। তোমাদের ভালোবাসা সম্পদ আমার, হারাতে চাই না কভু তা। দেশের সম্পদ তোমরা, নির্ভুল সিদ্ধান্ত চায় দেশ তোমাদের কাছে।
নির্ভুল সিদ্ধান্তের একেবারে গোড়ার দিকের ধাপ শুদ্ধ বানান।
ব্লগের সাথে পরিচয় সামু থেকে।প্রায় ২ বছর ছিলাম কিন্তু পোষ্ট করতাম না।শুধু পড়তাম সাথে মানুষের কামড়াকামড়ি দেখতাম।এরমাঝে এক বন্ধুর(ব্লগার শিহাব) থেকে চতুরের ঠিকানা পাই তারপর থেকে এইখানে।তখন ব্লগার কম ছিলো সাথে ছিলো ভালো লেখা তাই প্রথম থেকেই চতুরের সাথে একাত্ম হলাম।
লেখকের মন্তব্য
আংকেলজ্বি দেশে আইবেন কবে?

আপনার ফটুব্লগ গুলান অনেক মিসাই।
আমি তো দেশে আইসি ১ সপ্তাহ হইয়া গেলো।
লেখকের মন্তব্য
১১ তারিখ কি বইমেলায় আসবা!!
১১ তারিখ আমার জন্য কেবল একটা লাইনই প্রযোজ্য
অহন বুইঝা লও আমু নাকি আমু না
লেখকের মন্তব্য
স্বপ্ন কেডা? সে তোমার বাড়ি গেলে আমাগো কি?
আজিব কথা কইলা।তুমিই আগের একটা পোষ্টে কইছিলা স্বপ্ন দেখা ভালো।তো আমি গত ৩ মাস ধরে স্বপ্ন দেখতেছি বাড়ি যাবার আর তুমি জিগাইলা স্বপ্ন বাড়ি গেলে তোমাগো কি
।আংকেলের স্বপ্নরে গোনায় ধরো না 
লেখকের মন্তব্য
আরে বুঝাইয়া বলো আসবা কিনা!
শুভ জন্মদিন প্রিয় চতুর্মাত্রিক!
-----
আমারও কোনো মজার কাহিনী নাই।
অনেকদিন বিরতির পর চাপ্পুতে গিয়ে দেখলাম উপরে নতুন ১টা লিঙ্ক...ঢুকে দেখি, বাহ! নতুন আরেকটা ব্লগ। রেজিষ্ট্রেশন করে ফেললাম সাথে সাথে। আর তারপর থেকে নিয়মিত ফাঁকিঝুকির সাথে চতুরেই আছি!!
লেখকের মন্তব্য
আরে কেডা এইটা? মেঘুউউউউউউউউউউউউউউউউউউউউউউ
লাব ইউউউউউউউউউউ। কত্তদিন পরে দেখলাম ঈদের চান্দ।
আমি ফেসবুকে একুয়া আপুর গল্প পইড়া পুরা ফিদা হইয়া তবদা খায়া গেসিলাম। হা কইরা খালি খুজতাম একুয়া আপুর নেক্সট লেখা কবে দেখমু। পড়ে আমার বন্ধু ম্যাঘ রঙ আর অমিত কইল একুয়া আপু তো ব্যাপক ব্লগাব্লগী করেন। এবং ব্যাপক সুন্দর লেখা দেন। শুইনা আমি দিলাম ঝাপ। ঝাপ দিয়া দেখি চতুরে আইসা পড়ছি। কয়দিন লেখা পড়লাম। পড়ার পর থেকে খালি লেখতে মন চায় । তারপর একদিন সাহস কইরা লেইখা ফালাইলাম আমার প্রথম ব্লগ অন্ধকার ঘরগুলো।

লেখকের মন্তব্য
যাক তাইলে আমার লেখা ফেবুর গল্পগুলো কিছু হইলেও মানুষজন রে চতুরে আন্সে। আমারো অস্কারের ফটুক পাওয়া উচিৎ।
ম্যাঘ রঙ নামডা ভাল্লাগসে ভাইয়া।
শিশু তোরে আমি শিশি তে ভইরা বুড়িগঙ্গায় ফালায় দিমু কইলাম আমার নাম ম্যাঘ রঙ না খারা তোরে খালি পাই আমি।


একু আপু তুমিও
লেখকের মন্তব্য
কান্দিস না। ম্যাঘ ডাকার মধ্যে একটা শক্তিশালী ব্যাপার আছে। বুঝলি?
আমাকে এক ব্লগার (নামটা মনে আসছে না) বলেছিলেন উনি চতুরমাত্রিকে আছেন (তখনও ব্লগটার নাম শুনিনি) ফান করে বললাম আমি বৃত্তাকারে আছি। পরে চতুরের লিঙ্কে গিয়ে দেখি- আরে, এই নামে দেখি সত্যি এক ব্লগ আছে (আংশিক লজ্জিত হয়ে এক চোখ ঢাকার ইমো হবে)
লেখকের মন্তব্য
হায় হায় চোখ ঢাকতে গিয়া দেখি কান ঢাকার ইমো দিয়া দিসেন।

হ্যাপী চতুর ব্লগিং।
একদা নামক ফেসবুক নামক এক মহাফেজ খানা ছিল। ঐস্থানে একুয়া নামক জনৈক ব্লগার কতিপয় লিংকু শেয়ার দিত। রাত্রি তখন অষ্ট প্রহর। লিংকু খানি দেখিয়া সদাশয় বস্তুবাদী মনু নিহিলিজমের বিড়ি ফুকিতে ফুকিতে উহাতে কিলিক মারিয়া বসিলেন। একি ভোজবাজি (নাকি ডিগবাজি!) -- এই স্থানে সব ইশ্মাট লুকজন ঘুরাঘুরি করে দেখিয়া অধমেরও চতুর হইতে শখ জাগিল। এইরূপে সেইদিন হইতে বহুব্রীহি দানবের ব্লগ জীবনের সূত্রপাত। এরপর বহু জল গড়াইছে চোখের জল নাক অব্দি চলিয়া গিয়াছে বহুব্রীহি সাবালক হইতে নাবালক হইয়াছে ইত্যাদি....
বি.দ্র.
পার্টি করা ভাল না। পার্টি করলে পেট খারাপ হয়। এই জইন্য পীর সাহেবা ফুরফুরিয়া কুতুবপুরী উরফে একুয়া রেজিয়াকে এই মহান সৎকর্মের পুরষ্কার স্বরূপ কুনো পার্টি দেওয়া হপে না।
লেখকের মন্তব্য
তুমি কেমন আছ গজিনি? চতুর তোমার মাথা ফাডানোর কাহিনী নিয়া তোমারে হিরু বানাইসে। তোমার কথা লেখা পোষ্ট ইস্টিকি হইয়া ছিলো। আর তুমি চতুরে আসছ আমার থেকে লিঙ্ক পাইয়া এই উপলক্ষে পার্টি না দিয়া আমারে লাঞ্চ করাইলেই চলবে। আর লাঞ্চের পরে সুন্নত হিসাবে আইস-ক্রিম।

আইডিয়াটা ভালো দিসি না!!
আইস্ক্রীম খেলে দাঁতে পোকা হয়, সেগুলো কুটুস করে কামড় দিবে কিন্তু। লাঞ্চ আমি খাই না--পুটি মাছটাও পাই না।বহুব্রীহি বাতাসজীবি।
লেখকের মন্তব্য
হুহ--
লাঞ্চ তুমি খাইবা কেন? আমি একলাই খামু। তুমি বিল দিও। 

আর আইসক্রিম খাইলে পোকা হওয়ার ভয় থাকলে আমি আগে পেপ্সোডেন্ট দিয়া দাঁত মাইজা নিমু। ও ভালা কথা এক জীবনে যদি দাঁতে একটু পোকা না রাখলাম তাইলে দারুচিনি লবঙ্গ আপার ডাক্তারির দোকান চলবো কেমনে? কি আসে জীবনে আইসক্রিম আর লাঞ্চই তো সব।
খাইছে, আমারে দাঁতের ডাক্তর বানায়া দিছে একু। এইবার তুমার দাঁতের আর রক্ষা নাই। হাতুড়ি বাটাল আর ড্রিল মেশিন নিয়া রেডী হইছি। তুমি আসো।
লেখকের মন্তব্য
আগে মন মত আইসক্রিম খাইয়া নেই তারপর আস্মু। তুমিতো ভালু ডাক্তার আফা কুনু ফি নিবা না।
ফি-এর চিন্তা কইর না। তুমি শুধু চিন্তা কর এরপর দাঁত কেলাইবা কেমনে।
লেখকের মন্তব্য
মানে কি?
এই যে এম্নে

ড্রিল মেশিন চালু।
এই যাহ, ইলেক্ট্রিসিটি চলে গেল।
আমি কেমনেআসছি সেটা ভুলিয়া গেছি
লেখকের মন্তব্য
মানি

মানবো না
শুভ জন্মদিন প্রিয় চতুর্মাত্রিক
========================
আর আমার তো কিছু মনে নাই।।
লেখকের মন্তব্য
ফাঁকি দিলে হবে না আপুনি
কালকে বলবোনে আপু
লেখকের মন্তব্য
ওকে মনে থাকে যেন।
রাইতে এক বন্ধুর লগে কথা কইতেছিলাম। হেয় কইলো দোস্ত, তুই তো ব্লগ লিখিস। ছোটখাটগুলায় আর কত লিখবি, এবার একটু বড় কইরা ভাবতে শিখ। চতুরের নাম শুনিসনাই? চতুরে যা। গুরুদের দেখা পাবি। আমি সকালে ঘুম থেকে উইঠা গুগলে লিখলাম চতু----

লিখনের আগেই দেখি আইসা পড়ছে চতুর্মাত্রিক ব্লগ। তারপর সকালের ক্লাস বাদ দিয়া একাউন্ট করলাম। আমি কখনো ক্লাস মিস দেই না। তাই ভার্সিটি যাওয়ার সাথে সাথেই সব বন্ধু জিগাইলো, কিরে ক্লাস করলিনা যে সকালে? আমি কইলাম, আজ থিকা আমি চতুর হইয়া গেছি তাই।
এই হইলো আমার কাহিনী
লেখকের মন্তব্য
বাহ বাহ!! চমৎকার কাহিনী। চতুর হওয়ার জন্যে অনেক শুভকামনা।
ধন্যবাদ আপু।

আর একটু কথা বলি। ছোটবেলায় স্কুলে স্যারে ডাকতো গাধা, ঘরে আব্বায় ডাকতো ডামিশ, বইনে কইতো হাবা, বন্ধুরা কয় মাস্টর, আর কেউ কেউ কয় রোবট। এদ্দিন অনেক আফচুচ আছিলো মনে।
কিন্তু এইখানে আমারে সবাই চতুর কইয়া ডাকে। ব্যাপক ভাব আইসা যায় আরকি
লেখকের মন্তব্য
হা হা-- বুঝতে হবে চতুর ভালো আর চতুররাও ভালো।
একু কতক্ষন ধরে ভাবলাম কি কমেন্টাবো চিন্তা করলাম
চাপ্পুতে বসে ঝিমাইতেছিলাম, বাংলা ব্লগ নামক একটা জিনিস ভন্ডুল হওয়ার শোকে। আমি ছাড়া আরো কতজন একই দুখে দুখি টাইপ। তার ভেতর একজন হঠাৎ একটা লিংকু ধরায় দিলো। দেখলাম কোথাও কিছু নাই, ফাঁকা সব। কিছুই বুঝলামন না। যেই দিলো সেই কইলো পুরা ফাঁকা আছে এইবার নিজের মন মত ঘরবাড়ি বানানো শুরু হোক। এইতো এমনেই কখন যেন চতুর্মাত্রিকে চলে আসছি।
লেখকের মন্তব্য
আহা আপুনি তুমি যে আগে চতুরদের বাড়িতে বেড়াইতে যাইতা সেই সব দিন মিসাই। আমার বাড়িতে আসা নিয়া কখনোই লিখো নাই।

একু তখুন তু ছুটু ছিলাম

একুন বড় হই গেছি তু
ওকে টিক আচে , আবার একদিন চতুরদের বাড়ীতে বেড়াইতে বের হবো
দেখি সামনের সপ্তাহেই যাইতে পারি
১০০তম কমেন্ট আমার
আহারে বিলাইরে মিসাইলাম
১০০ কমেন্ট করার জন্য কি করতো পোলাটা
লেখকের মন্তব্য
পিলিজ পিলিজ পিলিজ আইসোওওওওওওওও

জন্ম নিছি সামুতে। ঐখানে ব্লগার ভাঙ্গন আমাকে চতুরের লিঙ্ক দিয়ে আসার আমন্ত্রন জানায়। আসলাম। কিছুদিন ঘুরাঘুরি করি, তারপর ঝিমাই। সামুতে গ্যাঞ্জাম বাড়তেই চতুরের মতো চতুরেই ঠাই নেই। জন্মভূমিকে ভোলা উচিত নয় বিধায় মাঝে মাঝে সামুতে ঢু মারলেও এখন চতুরই আমার ঠিকানা। আমার পরিবার।
জয়তু চতুর পরিবার!
লেখকের মন্তব্য
ভাঙ্গন ভাইয়ের সাথে এক কালে চাপ্পুতে আড্ডাইতাম। আহা কি দিন আসিলো।

ভালুবাসা নিও আপুনি।
আমার ছোট ভাইটাকে দেখতাম সবগুলো বাংলা ব্লগে রেজিস্ট্রেশন করে রাখতে। আগে নিয়মিত লিখলেও এক সময় অনিয়মিত হয়ে যায়। ওর কাছ থেকেই শুনলাম চতুর্মাত্রিকের পরিবেশ অন্য সব বাংল ব্লগ থেকে ভালো। তাই চলে এলাম।
ভাইটার সাথে একজোট হয়ে আগে মাঝে মাঝে একুকে পচানি দিতাম। মনে পড়ে?
লেখকের মন্তব্য
পটপটানি আর বকবকানিতে আমি সেয়ার হইসিলাম সব চতুরকে হারাইয়া। সেই থেকে তোমার আর অন্তুমন্তুর নজরে পরে গেলাম। এই মাসুব বাচ্চাডারে গান গাওয়া নিয়া কি পেইন না দিসো তখন ।
****বহুব্রীহির কমেন্টে আমার রিপ্লাই দেখো। তোমার কথা লেখা আছে।
১০০ তম কমেন্ট আমার হোক!
লেখকের মন্তব্য
অভিনন্দন।
পোষ্ট ট্রান্সফার করে কিভাবে আপনার জানা আছে একু?
লেখকের মন্তব্য
খাইসে!! এই কথা কেনু আফুউউউ।।


ট্রান্সফার করতে দিমুনা
এই পোষ্ট আমার। এটা আমি নিয়া যামু। ব্যবস্থা করার জন্য অলরেডী দৌড়াদৈড়ি শুরু করছি। দোয়া কইরেন। হেইয়ো। আপনে প্রিয়তে নিতে পারবেন। সেডার সুব্যবস্থা রাখপো। যাই, অনেক ঝামেলা পোহাইয়া পরে নিতে হইবো।
আমি তো কিছু লিখতে পারি না।গল্প পড়ার জন্য সামু, প্রথম আলো তে ডুউউউউউউউউউ দিতাম। কেমনে কেমনে যে চতুরে আসলাম , মনে নাই!!!!

লেখকের মন্তব্য
কেমনে কেমনে চতুরে আসা আপুকে অনেক ভালবাসা।
আমি এসেছিলাম শূন্য আরণ্যকের চিঠি পেয়ে। ব্লগ লেখার শুরু থেকেই আমি অনেক অনুপ্রেরণা পেয়েছি তার কাছ থেকে, আমার মনে থাকবে। চতুর একটা চমৎকার জায়গা। এখানে সবাই ভালো। সবাই আলো। কিছু বন্ধু এবং কিছু জীবন বদলানো মুহূর্তও এখান থেকেই পাওয়া। সবাই ভালো থাকুক। সবাই সুন্দর হাসি হাসুক। সবার জীবন সুন্দর হোক। অদ্ভুত সব জোনাকপোকারা সাজাক আলো।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ ভাইয়া,
আপনার লেখা চতুর ভালো চতুরাও ভালো আমার ভীষণ প্রিয় কবিতা।
সামুতে ২০০৯-২০১০এ যখন পালাই-পালাই করছি তখন ১ম গেলাম এবিতে। কেন যেন টিকতে পারলাম না বেশীদিন। বৃত্তবন্দী আর আশরাফ মাহমুদ দিলো চতুরের রেফারেন্স। তারপর সেই ২০১০ থেকেই চতুরে আছি।
লেখকের মন্তব্য
কাক্কু এত পিচ্চি কাহিনী আপনার?

না কাহিনী বড়। সারমর্ম কৈলাম।
চাপ্পুর জন্মলগ্নে কজনে মিলে আড্ডার সময় থেকে নিয়ে চতুরের জন্মের সময়েও একসাথে ছিলাম , মেঘু সবচেয়ে প্রথমে আমাকে নিয়ে এসেছিলো চাপ্পুতে, এর পর তো চতুরের ও জন্ম হলো , বিশ্বাস ই হচ্ছে না আজ এর বয়স ২ বছর হয়ে গিয়েছে , এখন এত ব্লগারের সরগরমের মাঝে চতুরকে দেখতে খুবই ভালো লাগে , লগ ইন না করেই লুকিয়ে লুকিয়ে প্রিয় মানুষগুলোর লেখাগুলো পড়ে টুপ করেই হারিয়ে যাওয়াটা এখন অভ্যেসে পরিণত হয়েছে
চতুরের জন্মদিনে সকল চতুরকে , অনেক অনেক শুভেচ্ছা আর ভালোবাসা
( এটা চতুরে আমার সবচেয়ে প্রিয় স্মাইলী , যা আমার প্রায় সব কমেন্টেই থাকে , আজ সব চতুর বন্ধুদের জন্য পটপটির পোষ্টে দিয়ে গেলাম )
লেখকের মন্তব্য
আহা! চাপ্পুর সেই আড্ডানি কত্ত মিসাই
আমি আসলাম সুদীপ হারামজাদার মাধ্যমে, সামুতে ওর কবিতা নিয়মিত পড়তাম, লিখতাম না খুব একটা, এক সমইয় দেখি ো আর লিখে না, ফেবুতে জিগাইলাম, লিঙ্কু ধরায়া দিল, এইখানে আয়, গেলাম, গিয়া দেখি তেলেসমাতি কারবার। সাকাধূ , অনীক ভাই, বিলাইদা, মেঘাপু, ত্রেয়া, শূ আ, একু, পিঙ্কী এদের প্ররোচনা, আন্দালীবের কবিতা পড়ার লোভ, অমিতের সাথে কবিতা নিয়ে আলোচনা, রিশাদের ম্যাজিক রিয়ালিজম, অন্ধ আগন্তুকের ব্যাপক ভাবধর্মী (বয়স লুকানো পোস্ট, পজিটিভ অর্থেই
) পোস্ট, হালিম ভাইয়ের ফুলের (!) মত চ্রিত্র, ফ্রয়েডের অসাম ছবিগুলো (মিসাই খুব), হূদা ভাইয়ের অভিভাবকত্ব, নয়নের এই অবিরাম পড়ে যাওয়া আর বলে যাওয়ার আগ্রহ ইত্যাদি ইত্যাদি এইখানে কেমনে জানি আমারে সুপার গ্লু দিয়া আটকায়ে দিছে, হৃদ মাঝারে রাখিবে যেতে দেবে না 
আমি কোথাও যাচ্ছিওনা

লেখকের মন্তব্য
আমিও কোথাও যাচ্ছি নাআআআআআআআআআআ।
তোমার বাড়ির রং এর মেলায় দেখেছিলাম বায়োস্কোপ
বায়োস্কোপের নেশা আমায় ছাড়ে না
........................................
সেই ভাবনায় বয়স আমার বাড়ে না !
@ রাব্বি ভ্রাতঃ !
ওয়েল এইরাম রোমান্টিক নেশা ধরাই দেয়ার মত কেও অবশ্য আমার নাই চতুরে, তোমার জন্য অভিনন্দন অন্ধ আগন্তুক, অন্ধের লাঠি হিসেবে দরকার ছিল। কবে আমার হপে
@একু, ছেড়ে গেলে সোনার বধূ, আর পাবে না, না না না আর পাবে না, হৃদ মাঝারে রাখিব জেতে দেব না।
কিয়ের মধ্যে কি ? আপ্নে যে কৈলেন বয়স লুকানো পুস্ট দিই , আমি এর জন্য বয়স লুকানোর মাজেজা দিলাম গানে গানে !
কিন্তুক আপ্নে এর মধ্যেও রুমান্টিসিজমের গন্ধ পাইলেন !!! ঠাকুরঘরে কে রে , রাব্বি ভাই কলা খায় না !!! ঘটনা কি ??
কলা কি বস্তু?

সামুতে ব্লগাতাম, সেখানে ২০০৯-২০১০ এর দিকে বিপর্যয় ঘটল, মডারেটর-রেসিডেন্টদের যন্ত্রণায় বহু ব্লগার অতিষ্ঠ, বিনা নোটিসে লগিন ব্যান খেয়ে বসলাম আমিও। সদ্য চালু হওয়া এবিতে যাই, সামু থেকে আসা কাঁকন-এপু-আশরাফদের সাথে আড্ডাবাজি করি। একদিন হঠাৎ একটা মেইল পাই, চতুর্মাত্রিক ব্লগের পক্ষ থেকে আমন্ত্রণ। কাছাকাছি সময়ে আরো দুটো ব্লগ থেকে আমন্ত্রণ পেয়েছিলাম, আলসেমিতে কোনটাই দেখা হয় নি। কয়েকমাস পর রোবোটনানার একটা পোস্টের লিঙ্ক ধরে অতিথি হয়ে কমেন্ট করতে এসে দেখি ব্লগটা চমৎকার, মানসম্পন্ন পোস্ট প্রচুর, তাছাড়া সামু থেকে হারিয়ে ফেলা প্রিয় ব্লগারদের সবচেয়ে বড় দলটা এখানেই ব্লগাচ্ছে। "বেটার লেইট দ্যান নেভার"- বলে রেজিস্ট্রেশন করে ফেললাম!
চতুরে ব্লগানোর সবচেয়ে বড় তৃপ্তি হলো বেশি সংখ্যায় ভাল পোস্টের পাশাপাশি মন্তব্যের মিথষ্ক্রিয়া এখানে যথেষ্ট মানসম্পন্ন। ভাল অভিজ্ঞতা অনেক, তার মধ্যে একটা হলো এখানে লিখতে বলেছিলাম শ্রদ্ধেয় হুদাভাইকে, মনে হয়েছিল উনি যেমন লিখতে চান অথবা যে ধরণের লেখার ক্ষমতা রাখেন, তার জন্য সেরা পরিবেশ এখানেই পাবেন। সে অনুমান কতটা সত্য হয়েছে চতুররা দেখছেন। কোন সূত্রে জাফর স্যারকে (মুহম্মদ জাফর ইকবাল, শিক্ষাবিদ ও লেখক) চতুরের কয়েকটি লেখা পড়িয়েছি, সে অভিজ্ঞতাও আনন্দের-- অন্য যেসব ব্লগে ছিলাম, স্যারকে সেসব জায়গার লিঙ্ক দেয়ার কথা ভাবি নি-- চতুরের মান সেই ভরসার জায়গাটা আমাকে দিয়েছে।
চতুর্মাত্রিক যাদের অক্লান্ত শ্রমে গড়ে উঠেছে এবং নিরন্তর এগিয়ে যাচ্ছে, তাদের সবাইকে অশেষ ধন্যবাদ ও আন্তরিক শুভেচ্ছা।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ আপু,
তারপর থেকে তোমার লেখার ভক্ত আমি।
আজও মনে আছে, তুমি চতুরে আসার সাথে সাথে আরন্যক ভাইয়ার সেই বিখ্যাত ঝটপট স্বাগতম পোষ্টের মাধ্যমেই তোমাকে প্রথম চিনি।
আমিও বাপী হাসানকে ভয়ে সামুর কথা বলিনি। মান সুলেমান থাকতোনা। সে আবার ঘাড় ত্যাড়া মানুষ। অন্যায় দেখলেই ফোস করে উঠে। তাই চতুরেই আমন্ত্রন জানিয়েছিলাম।
এখানে অশ্লীল গালা-গালি নেই। ভদ্র পরিচ্ছন্ন পরিবেশ!
হাসছি; তবে কথাটার সত্যতা আছে। আমার এক কাজিনের কথা ছিল একটা পোস্টে, ও দেখে বলেছিল- আপু তুমি লিখো সেইটা চলে তবে আমারে ঐখানে না টানলে হইত না
==============
@ একুয়া-
@ পদ্ম- এই পোস্টের আইডিয়ার জন্য থ্যাঙ্কু
আমার কাহিনীতে কুনো টুইস্ট নাই----বিরাট আফসোস!
সামুতে লিখতাম। সেখানেই সম্ভবত চতুরের বিজ্ঞাপণ দেখি---- বিজ্ঞাপণ শুনি, ছন্নছাড়া পেন্সিলের কাছে। "মাথয় ঢুকে যায়, "অদ্ভূত সব জ্বোনাক পোকা সাজায় ঘাসফুল।" সেখানে লাইক দিয়ে দায়িত্ব সারি। এরপর ছন্ন আর আকাশ অম্বর মাঝে মধ্যেই বলত---চতুরে আসতে। কিন্তু ভয়ে আসতাম না। কারণ যা লিখি তা পাঠযোগ্য ন্য কিছুতেই। লিখতে ১০০ টা বানান ভুল হয়, লেখায় কোন মাল মশলা নেই। নিজের জ্ঞানের লেভেল দেখে মোটামুটি হতাশ হয়ে এ পাড়ায় ঢুকি না। তারপর ফেইস বুকে সম্ভবত উচ্ছৃঙ্খল ঝড় কন্যার একটা শিশুতোষ লেখা দেখে, মনে হল---" ছোটদের নিয়ে কাজ করব। বিদেশী গল্প অনুবাদ, দিয়ে তাই শুরু করলাম।" রিস্ক ফ্রি। আমার জঘন্য লেখা তাই সহজে কাউকে পড়তে হয় না।
হই যদি ফতুর
দোষ নেই কোন
ভালোবেসে রয়ে গেছি
এইটুকু জেন।
লেখকের মন্তব্য
ঝাক্কাস লাগলো কবিতাটা আপুনি।
এইখানে প্রত্যেকের চতুরাগমন কাহিনী পড়লাম। সামুর হিসাবে বেশিরভাগ ব্লগারের আগেই আমি ব্লগার কিন্তু ব্লগিং এ আমি ইরেগুলারলি রেগুলার। সামুতে ব্লগিং শুরু করি ২০০৮ আমার বন্ধু মেহরাব শাহরিয়ারের উৎসাহে। আরেক বন্ধু ফারহান যার লেখার আমি ব্যাপক পাঙ্খা সেও ছিলো সামুতে। ব্লগিং শুরু হয় আবার ব্যাক্তিগত সমস্যা অথবা বিষাদে হারিয়েও যাই। সামুতে আমার অল্প কিছু পরিচিত ব্লগার ছিলো। তাদের লেখা পড়া বাদে প্যাচাল ক্যাচাল কোন কিছুতেই ছিলাম না। আর আমি ক্যাডেট কলেজ ব্লগে ব্লগাই। মোটামুটি তার বাইরে যাওয়া হতো না তখন। নাহ, ধান ভানতে শিব সাহেবের গীত বেশিই গাওয়া হয়ে যাচ্ছে। চতুর নিয়ে বরং কথা বলি।
চতুরের নাম প্রথম শুনি আমার বন্ধু মেহরাবের বিবাহ অনুষ্ঠানে এটেনড করতে গিয়ে। ব্যাক্তিগত ঝামেলা (পড়ুন বিয়ে শাদী) নিয়ে ব্যাপক ব্যস্ত আমি সামুতে ইরেগুলার ২০১০এর শুরুতেই। ব্লগ বিষয়ে সেই অনুষ্ঠানাে বুয়েটের জুনিয়র মুক্ত বয়ান, বোহেমিয়ান, অদ্রোহদের কাছে শুনছিলাম সামুর ব্লগের ক্যাচাল নিয়ে। সেখানে আমরা বন্ধু চতুর্মাত্রিক দুটা নামও তারা আমাকে শুনিয়ে দেয়। ক্যাচাল প্যাচালে ভীতু আমি খুব বেশি কানে তুলি না। তবে নামটি মাথায় থাকে। এর কিছুদিন পরে বন্ধুপ্রতিম অনুজ হিমালয়৭৭৭ এর সাথে গল্প নিয়ে আড্ডার এক ফাঁকে নতুন ব্লগ নিয়ে কথা হচ্ছিল। সেখানেই আমরা বন্ধু চতুর বিষয়ে জানতে পারি। আমি ক্যাডেট কলেজ ব্লগের সিরিয়াস ব্লগার বলেই ডুয়েল পোস্ট বিষয়ক গ্যাঞ্জাম পছন্দ হয় না। সে কারণেই সচলে সাহস হয়নি ঢুকার। আমরা বন্ধুতেও ঢোকা হয় না সে কারণেই। চতুরে রেজি করি। আর তখন লেখা একটা গল্প হুট করে ফেলে ইটা রাখি। পরিচিত মুখের অভাবে ভুগি। হামা ছাড়া আর কাউকেই সেইভাবে চিনি না। আর পারিবারিক ও বিদেশে আসার হ্যাপায় যথারীতি ব্লগিং এ অনিয়মিত ামি আবার হারিয়ে যাই।
চতুরে আমার দ্বিতীয় জন্ম বিদেশে আসার পরে। ফেবুতে অনীকের একটা লিঙ্ক থেকে অমিতদার একটা লিখা পড়ি। তখনই মনে হয়, আরে আমারতো এইখানে একাউন্ট আছে। তারপরে প্রবাস জীবনের প্রথম কিছুদিন অবরে সবরে দেয়া হতো সময়। আমার পোস্ট আগায় খুব ধীর লয়ে। মূলত আমি পড়তাম। তখন প্রথম পাতায় থাকা পোস্ট গুলোই। সামুতে আমার আরেক প্রিয় ব্লগার মাভেরিক ভাই এর পোস্ট পড়া হতো। এখানে এসে অল্প স্বল্প করে মানউষ চেনার কাজ করি। খুব বেশি হয় না। আমার শহরে বরফ আচ্ছাদিত হলে পড়ে একাডেমিক চাপে আবারও হারিয়ে যাই দ্বিতীয় দফায় চতুর থেকে।
তৃতীয় দফায় আবার চতুরে আসি বন্ধু মেহরাব আর নুশেরাপার স্মৃতিচারণমূলক পোস্ট পড়তে। তখন অল্প অল্প করে কিছু লোক চিনি। মাসুম ভাইয়ের সাথে হালকা সখ্যাতা হয়েছিলো। তার পোস্টের সূত্র ধরেই অনেকগুলো চতুরের লেখার লিঙ্ক পাই। আমি পাঠক হিসাবে গল্প বা মুক্তগদ্য বেশি পছন্দ করি। কারো নাম আলাদাভাবে বললাম না, হালিম ভাইয়ের কোন এক পোস্টে বলেছিলাম । তবে তখনও চতুরাগমন নিয়মিত হতো না। হঠাৎ করে আসতাম পোস্ট দিতাম।সেই সময়ে থাকা প্রথম পাতায় পোস্ট পড়ে আবার নিষ্ক্রান্ত হতাম।বিশ্বকাপ সময়ে ক্রিকেট বিষয়ক প্যাচালে ফেবুতে বেশ ঝড় উঠে। আমি আবার বিশিষ্ট ক্রিকেট বোদ্ধা হওয়ায় ফেবুতে সাকিব বিষয়ক একটা কমেন্ট অনীকের কথায় ফেবু থেকে এখানে তুলে দেই। সেইসময়ে ক্রিকেট নিয়ে প্যাচাল পারতে পারতে জিরোদার সাথে পরিচয়। ফেবুর এক ক্রিকেট গ্রুপ সূত্রে জিরোদার সাথে বেশ বন্ধু প্রতিম সম্পর্ক হয়। একদিন ফেবুতে হঠাৎ জিরোদার শেয়ারে আমার লেখা দেখে বেশ চমকাই (নিজের প্রশংসায় স্বয়ং খোদাও খুশি হয় আর আগি তো তুচ্ছ মানুষ মাত্র), সেই সময়ে জিরোদার সাথে হালকা বাকচিত হয়। তার শেয়ার করা লিঙ্ক থেকে আকাশ অমিত সহ আরো কয়েকজনের চমৎকার কিছু লেখা পড়বার সুযোগ হয়।আর তাতে আরেকবার আমার চতুরাগমন ঘটে।
এই দফা চতুরাগমনও হয়তো স্থায়ী হতো না আরেকজন শ্রদ্ধার মানুষ হুদা ভাইয়ের একটা বা দুইটা কমেন্ট না পড়লে। তুই তুমি বইসয়ক প্যাচাল থেকে তার পোস্টে ঢুকি। তারপরে একদিন সকালে হঠাৎ করেই মনে হয় চতুরে নিয়মিত হয়ে যাবো। কেন মনে হয় জানি না। হয়তো আমি তখন ব্যাক্তিগত সমস্যায় বিকারগ্রস্থ ছিলাম কিছুকে ভুলে থাকতে চাইছিলাম। সেটাই মোটামুটি শেষবারের মতো আগমন। এই আগমন ছিলো প্রচণ্ড। কারণ তারপরে হু হু করে আমার কমেন্টের সংখ্যা আগায়। কিছুদিনেই বিশিষ্ট কমেন্টকেপরিণত হই। তারপরের গল্প আর বলবো না। কারণ তারপরের অংশ সবার জানা। চতুরে আমার অপরিচিত সময়ের গল্পই বললাম আপাতত।
বিরাট কমেন্ট লিখে ফেললাম দেখা যায়। আসলে কমেন্ট বড় হবে বলেই পদ্ম ভ্রাতার ওয়ালে লিখি নাই।
চতুর দীর্ঘায়ু হোক। বেঁচে থাকুক জোনাক পোকারা তাদের আলো ছড়িয়ে।
আকাশ ভ্রাতঃ র ভাষায় বলি
চতুর ভালো চতুরেরা ভালো
অদ্ভুত সব জোনাক পোকা সাজায় আলো।
জয়তু চতুর্মাত্রিক।
(চতুরের দীর্ঘতম কমেন্টের রেকর্ড কি করতে পারলাম?)
লেখকের মন্তব্য
ভাইয়া,
আপনার কাহিনীতে দেখি অনেক টুইষ্ট আছে। আপনি যে গল্প লিখেন প্রথম দিকে আমি তা জানতামই না। আমি শুরু থেকেই আপনাকে একজন সমালোচক হিসেবে চিনেছি। তারপর থেকে আপনার গল্প পড়ে মুগ্ধ হয়েছি। আমাদের মায়াবতীর একজোড়া কাজলকালো চোখ ছিলো, ব্যস্ত শহরের অনিঃশেষ গল্প, বৃষ্টি অথবা শহরের কিছু দৃশ্যকল্প এবং একটি অগল্প আমার খুব ভালো লাগেছিল।
খাইছে।
তাইলে আপনি একটু কষ্ট কইরা যদি আমার দ্বিতীয় লেখা স্বপ্ন , মৃত্যু ভালোবাসার গল্প এবং তৃতীয় লেখা অধরা ভালোবাসার কয়েকটি বিচ্ছিন্ন অণুগল্প অথবা একটি গাজাখুরি গল্প এই দুইটা লেখা খুইলেন এবং খেয়াল কইরেন দ্বিতীয় নামের গল্পটায় প্রথম কমেন্ট কার, আর প্রথ নামের মুক্তগদ্যে আপনার কমেন্ট আছে কিনা।
যাউকগা পরিচিত জন দের সাথে অপরিচিত অবস্থায় কী বাকচিত করছিলাম সেটা দেখতে আমার ভাল্লাগে, এইজন্যই বললাম আর কী!!!
অনেক কিছু জানা হইলো। আমার কিন্তুক মনে নাই কেমনে আইসিলাম! আল্লাহ চতুরদের কবুল করো। সবাই বলুন -আমীন।
লেখকের মন্তব্য
মনে করেন ভাইয়া।
কি আছে জীবনে? 
আমারটা বলি এক্কুজী---
আমি তখন লোটাকম্বলে খুব নিয়মিত। এখানে যেমন গনসংযোগহীন বিচ্ছিন্ন আছি সেখানেও তাই ছিলাম। মেঘ অদিতি তখন লোটায় 'মেঘ' নিকে অনেক সুন্দর সুন্দর পোস্ট দিতেন। লোটায় চ্যাটের ব্যবস্থা ছিল। মেঘ নামক আইডি থেকে আমাকে প্রায়ই নক করা হত, আমি কোন উত্তর দিতাম না। একদিন -হ্যালো- বলেই ফেললাম। আমি ভাবছিলাম----- হবে হয়ত কোন ষোড়শী সুন্দরী। বললাম- আমার বয়স ২৮ আমি কি আপনাকে আপু ডাকতে পারি? তিনি বললেন- অবশ্যই পারেন, আমি আপনার চেয়ে অনেক বড়ো। তিনি কোন কোন ব্লগে লিখেন- জানালেন। জানতে চাইলেন আমি অন্য কোন ব্লগে লিখি কিনা। তারপর তাঁর কাছথেকে চতুর,শব্দনীড়, কফিহাউজের আড্ডার লিঙ্ক পাই।
তো সেই থেকে এখন পর্যন্ত চতুরেই স্বস্তি নিয়ে টিকে আছি। চতুরই সেরা।
লেখকের মন্তব্য
মেঘ আপাকে ইসপেশাল থ্যাঙ্কুউউউউ। আর আপনাকেও।
দারুণ উদ্যোগ একুয়া, অনেক ধন্যবাদ...
খুবই দুঃখিত দেরী করে মন্তব্য দেয়ার জন্য।
আমার আগের একটা পোস্ট থেকেই কিছুটা অংশ তুলে দিলাম, তোমার এই ঐতিহাসিক পোস্টে -
চতুর্মাত্রিকের সাথে আমার পরিচয় আমাদের সবার প্রিয় একুয়া রেজিয়ার মাধ্যমে।
আমার বাংলা টাইপিংও শুরু তার কাছ থেকে পাওয়া অভ্রর লিংক দিয়ে।
আমার প্রতিটা লেখার কৃতজ্ঞতা তাই তার কাছে, সবসময়।
চতুর্মাত্রিক আমার প্রথম ব্লগ। এটা এখন আমার দ্বিতীয় পরিবার। এই পরিবারের সদস্যদের আন্তরিকতায়, মনের মিলে, ভালবাসায় আমি এক মায়ার বাঁধনে পড়ে গেছি। আমার জন্য এই জায়গাটা একটুকরো পবিত্র স্থান, যেখানে মনের টানে সবাই একই নৌকায় ভ্রমন করছি, দেখছি, দেখাচ্ছি, বলছি, শুনছি। অদ্ভুত এক ভালোলাগায় সবাই আচ্ছাদিত হয়ে, মনের খোরাক যোগাচ্ছি।।
সবাইকে অনেক শুভেচ্ছা আর শুভকামনা...
লেখকের মন্তব্য
গুনগুনে চ্যাটে আপনার লেখা কবিতা গুলোর কি ভীষণ ভক্ত ছিলাম আমি আর প্রমিতি। আজো মনে পরে সেই সব দিনগুলো।
গুনগুনের দিনগুলি আসলে আবার নতুন করে আমাকে লেখা শিখিয়েছে।

না, ভুল বললাম। কথাটা হবে, তোমার আর প্রমিতির অনুপ্রেরণা আমাকে আবার লিখতে শিখিয়েছে...
দিনগুলি আমারও খুব মনে পড়ে। প্রমিতির কি খবর? গুনগুনের আমার প্রিয় দুই সুপারস্টার...
লেখকের মন্তব্য
প্রমিতি ভালো আছে ভাইয়া।
একু, পোষ্টের শিরোনাম বদলাইয়া দেন। লেখেন সামুকথন। সবাই নয়নের কুমিরের রচনা'র মতো ঘুইরা ফিরা সেই খাঁজকাটা খাঁজকাটা সামুনাটা সামুনাটা কতা শুরু করে।
অথবা, পোষ্টের শুরুতে একটা লাইন যোগ কৈরা দেন, আমি তখন সামুতে, ব্যাপক মারামারি--- এরপরে কি হইছে, কন-- 


-----------
সামু'র বদনাম শুনতে শুনতে টায়ার্ডাম।
========
আরেকটা জিনিস, এত সোন্দর একটা জিনিসের শুরু করলাম, আমারে কেউ আলাদা কৈরা থ্যংকু কইল না।
লেখকের মন্তব্য
আমি তো পোষ্টের শুরুতেই কইয়া দিসি সব ডেবিট আর ক্রেডিট আপ্নের।
সামু হৈল সোলসের মত। কুমার বিশ্বজিত, তপন, আইউব বাচ্চু, নকিব, মাকসুদ(সম্ভবত) এরা সবাই যেমন সোলস দিয়ে শুরু করসে, বেশীরভাগ বাংলা ব্লগারের ব্লগ জীবন সামু দিয়ে শুরু। সেজন্য সামুর রেফারেন্স আসবেই। সামুর ভালো দিকও ছিলো, আরণ্যকের কমেন্টে কিছুটা আসছে।
আর পদ্ম আপি, আপনার কথা কি আর বলবো, আপনাকে ধন্যবাদ জানানোর ভাষা নাই।
লেখকের মন্তব্য
পদ্ম আর আমাকে সবাই থ্যাঙ্কু দিক।

আমি সামুর ব্লগার নই। আদতে ব্লগিং করার সাহস ছিলো না। আজকে সচলে তো কাল সামুতে দুচারটা পোস্ট দিয়ে সরে পড়ি। তারপর একসময় লোটাকম্বলের রোহণ কুদ্দুস তার ব্লগে জয়েন করতে বলে। আমি তো প্রথমে সাহস পাইনি, পরে আবার জয়েন করেও ফেলি, সেখানেই ছিলাম। আকতার জাভেদকে দেখতাম সে সময়ে জিমেলের চ্যাট স্ট্যাটাসে তার লেখার লিঙ্ক দিত। একদিন ক্লিক করলাম। করেই দেখি কি সুন্দর একটা ব্লগ।
আমারে কেউ আনে নাই, যার জন্য আসছি তা হলো, "অদ্ভুত সব জোনাক পোকা সাজায় ঘাসফুল" এই একটি শ্লোগান আমাকে চতুরে এনেছে। চতুর আমাকে দিয়েছে অনেক, তার জন্য করতে পারিনি কিছুই।
লেখকের মন্তব্য
চতুর আমাকেও অনেক কিছু দিয়েছে। অনেক আপন মানুষ দিয়েছে।
আমি একেবারেই গর্তে লুকিয়ে থাকাদের একজন। নিজস্ব গন্ডীর বাইরে যেতে ভীষণ ভয় পেতাম। নেটে বিচরণ করতাম সহপাঠীদের সাথে ভাব বিনিময় ও সিরিয়াস বিষয়ে আলোচনা/পড়াশুনার জন্য। ব্লগিং কি জানতাম না। কোন ব্লগের লেখাও পড়িনি। এই সময় খাবারদাবার বিষয়ক একটি গ্রুপ খোলা হল ফেইসবুকে। নুশেরার সাথে পরিচয় সেখানেই। নুশেরা এবং রোবোটের (আমার এক সময়ের সহকর্মী/ব্যাচমেট) লিঙ্কের সূত্র ধরে কিছু লেখা পড়ি। ওরাই রেজিস্ট্রেশন করার উৎসাহ যোগায়। চতুর্মাত্রিকের কিছু ব্যানার এবং 'অদ্ভুত সব জোনাকপোকা সাজায় ঘাসফুল' ভীষণ ভালো লেগে যায়। রেজিস্ট্রেশন করে ফেলি। তবে রোবোটের সতর্ক সংকেতে নিজস্ব নামের বাইরে নিক নিতে ঝামেলায় পড়ে যাই। এখানে আমার গ্রহণযোগ্যতা হবে কিনা তা নিয়ে যথেষ্ট দ্বিধা/সংকোচ থাকাতেই এই নিক বাছাই। এরপর আমাকে নিয়ে রোবোটের পোস্ট এবং আমার প্রথম লেখাটিতে এত উৎসাহ ও উষ্ণ অভ্যর্থনা পাই যে, হতচকিত হয়ে পড়ি। আমি তখন কমেন্ট করাটাও জানতাম না।
দিনে দিনে চতুর্মাত্রিক কতটা যে আপন হয়ে উঠেছে এখন কাজের চাপে চতুরে বসতে না পারলে টের পাই! চতুরে এসে এমন অনেক শুভাকাঙ্ক্ষী, বন্ধু পেয়েছি যা আমার জীবনের শ্রেষ্ঠতম অর্জনগুলোর অন্যতম। এতদিনে আমিও বোধহয় একটু-আধটু চতুর হতে পেরেছি।
জয়তু চতুর্মাত্রিক!
লেখকের মন্তব্য
আমি আগে ভাবতাম তুমি মনে হয় খুব সিনিয়র কোন ভাইয়া। পরে তো আপু হিসেবে আবিস্কার করে পুরাই তব্দা খাইসি।

১১ মাস ২০ দিন আগে সামুতে নিক খুললাম। কবিতা লিখি-পোস্ট দেই-কিছু কমেন্ট পাই-রিপ্লাই দেই-ডুব দেই- আবার লিখি------কমেন্ট পাই সাত আটটা। মন ভরে না। আরে ভাই এত কষ্ট করে কবি হইলাম। অন্তত কিছু গালি দে। তাওতো হয়। যাই হোক সামুর বিশাল সমুদ্রে অসাঁতারু আমি একটা কলসি ধরে ভেসে থাকি।
একদিন একজনের দেয়া পোস্টে দেখি অনেকগুলা ব্লগের লিঙ্ক। সবগুলাতেই ঢুকলাম। পছন্দ হল- আলুব্লগ, নাগরিক, আর চারমাত্রার এই ব্লগটা। আলুব্লগ দেখলাম আরেকখন্ড সামু; উপসাগর। কলসি নিয়ে উপসাগরেও টেকা কষ্টকর। ঐটা বাদ পড়ে গেল। নাগরিক আর চতুর একই লাগছিল। নাগরিকে দেখি ধর্ম নিয়া ক্যাচাল বেশি হয়। ভাল্লাগেনা। ক্যাচাল বিরোধী পোস্ট দিয়ে ভেগে এসেছিলাম। এর মধ্যে মধ্যে চতুরেও পোস্ট দিলাম।
'হিমু'রে নিয়ে একটা গল্প পোস্ট দেয়ার পর নয়ন নামের একজন বলল যে তিনি মোর লগে রাগ কর্সেন। ও মোর খোদা। তার গুতাগুতি আগেও ছিল। এর মধ্যে আরো কিছু 'যা-তা' লিখলাম। পোস্ট দিলাম। দেখি যে এইখানে একটা বেশ মায়া মায়া গন্ধ। ঠিক করলাম আপাতত থাকি। সেই থেকেই আছি।
লেখকের মন্তব্য
ভালোবাসার গল্প পেইজে আমি পরথম হিমু গল্পটা পড়ি। তারপর চতুরে এসে তোমাকে পাই।
আমিও ঐখানেই আপনার গল্প পরথম পড়ছি। তারপর দেখি আপনিও চতুর।
সবাই চর্তুমাত্রিক আসার কাহিনি লিখছে ।খুবই ভালো উদ্যোগ ।এর জন্য ধন্যবাদ একুয়া রেজিয়া এবং পদ্ম আপুকে ।পরবর্তীতে অবশ্যই এটা সম্পদ বলে গণ্য হবে ।আমিও নিজেকে এই সম্পদের বাইরে রাখতে চাই না ।তাই বিনা অনুমতিতে আমার কাহিনি লিখে দিলাম ---
গল্পের আগে একটা গল্প থাকে ।আমাকে আগে সেই গল্পের সারাংশ লিখতে হবে ।কেউ বিরক্ত হইয়েন না ।
আমি কোন নিয়মিত লেখক নই ।বরং একটু চাপে পড়লেই কেবল আমার লিখতে ইচ্ছা করে ।মাঝে মাঝে বন্ধুদের সাথে প্রতিযোগিতা করে কবিতা লিখতাম ,আবার পত্রিকায় পুরস্কারের লোভে লিখতাম ,বন্ধুরা প্রেমে পড়লে তখন তাঁদের জন্য কবিতা লিখতাম ।বস্তুত কবিতাই লিখতাম বেশি ।কারণ গল্প লিখে কিছুদূর যেতে না যেতেই খেই হারিয়ে ফেলতাম ,এখনো ফেলি ।লেখাগুলো যত্ন করে রাখার ইচ্ছা তখন আমার ছিল না ।আমার বেশ কিছু ঘনিষ্ট বন্ধুর তালিকার মধ্যে তানিব পরে (যে এখানে আশফাকুর রহমান নামে ব্লগিং করত ,ডায়ামেট্রিক্স স্টেজ নামে একটা গল্প লিখেছিল) ।সে প্রায়ই আমাদের বাসায় আসত ।একদিন সে এসে বলল চর্তুমাত্রিক নামে একটা ব্লগিং ওয়েবসাইটে সে এখন লেখালেখি করে ।আমি তখনও ব্লগিং জিনিসটা বুঝতাম না ।তার সাথে কিছুক্ষণ কথা বলে বুঝতে পারলাম এখানে মানুষ তাঁদের লেখা গল্প ,কবিতা ,উপন্যাস ইত্যাদি পোষ্ট করতে পারে ।ওর কথা শুনে আমারও ইচ্ছে হচ্ছিল চর্তুমাত্রিকে লেখার ।কিন্তু চর্তুমাত্রিকে লিখতে হলে কম্পিউটার লাগবে ,যা তখন আমার কাছে স্বপ্নই ছিল ।আমি কেবল তখন মাঝে মাঝে সাইবার ক্যাফেতে গিয়ে ফেসবুক চালাতাম ।এর কিছুদিন পরে সে আবার এসে বলল ,তাঁর এক বন্ধু নাম :মোত্তাকিন চৌধুরী (যে এখানে মেকানিক্স নামে ব্লগিং করে)এর লেখা চর্তুমাত্রিকে স্টিকি হয়েছে (বীরাঙ্গনা)। সে আমাকে বলল ,"ইস্ ।তুই যদি চর্তুমাত্রিকে থাকতি তাহলে কতই না ভাল হত ।" আসলে তার এই উক্তির কারণ আমার ভাল লেখা নয় ,চর্তুমাত্রিকের আনন্দটা যেন আমি পাই ।আমারও তখন চর্তুমাত্রিকে লেখার ইচ্ছা আরও প্রবল হচ্ছিল ।এর কয়েকদিন বাদে আমি আমার একটি ছড়া বন্ধুটিকে দিই চর্তুমাত্রিকে দেওয়ার জন্য ।বন্ধুটি পরে এসে জানিয়েছিল কবিতাটিতে নাকি বেশ কিছু ইতিবাচক মন্তব্য পেয়েছিল ।হয়ত আমাকে খুশি করার জন্যই বলেছিল এবং আমি খুশি হয়েছিলামও ।এর কিছুমাস পরে একটা প্রাইভেট পড়ানোর ফলে কিছু টাকা হাতে আসে ।যা দিয়ে একটা মোবাইল কিনি এবং তা থেকে চর্তুমাত্রিকে রেজিস্ট্রেশন করি ।কিন্তু তখনও সমস্যার সমাধান হয়নি ।পাসওয়ার্ড সমস্যায় এক সপ্তাহের উপরে চলে গেল প্রথম লেখা দিতে দিতে ।মনে আছে প্রথম দিনটির কথা ।দু মিনিট পর পর লগইন করছিলাম শুধু কয়বার পঠিত হয় তা দেখার জন্য ।মন্তব্যের আশা করা তো তখনও দুরাশা ।নয়ন ভাইও তখন বোধহয় এত নিয়মিত ছিলেন না ।তাঁর স্বাগত বার্তা আমি পেয়েছিলাম ,তবে অনেক পরে ।এখনো সেই মোবাইল দিয়েই চালাই ,এখনো আগের মত অনিয়মিত।তবে ভবিষ্যত্ এ নিয়মিত হওয়ার ইচ্ছা আছে ।এটাই আমার প্রথম ব্লগিং ওয়েবসাইট এবং আশা করি এটাই শেষ হবে ।
অমৃত, আপনার গল্পটা যেকোনো ব্লগারের জন্য ইন্সপিরেশনাল। কিছু লিখলে ভালো মন্তব্য আসবে, কিছু ভুল করলে খারাপ মন্তব্যও আসতে পারে। সবাই তো আর জানবেনা, ব্লগীং করার পেছনে আপনার উৎসাহের মাত্রা। কিন্তু খারাপে নিরুৎসাহিত হয়ে যাইয়েন না।
আপনার গল্পটাই আসলে চতুর্মাত্রিকের জন্য অনুপ্রেরনাদায়ক, এইখানেই একটা ব্লগ স্বার্থক হয়।
খুব দোয়া করি, আপনি একটা কম্পিউটার পেয়ে যান হাতে। যতদিন না হয়, চলুক নাহয় মোবাইল থেকেই।
লেখকের মন্তব্য
চতুরে আপনার পথচলা সব সময় সুন্দর। হোক শুভকামনা।
মাঝে মধ্যে নিজের খুশিতে ছড়া কবিতা জাতীয় জিনিষ লিখতাম। সেটা জানতো আমার বুয়েট পড়ুয়া কাজিন। সে অনেকদিন থেকেই বলে আসছিলো কোন ব্লগে যেন লিখি। কিন্তু আমার কেন যেন ইচ্ছে করত না। সে আমাকে অনেকগুলো ব্লগের নাম বলেছিল। কয়েকটাতে ঘুরে কেন যেন চতুরর্মাত্রিককে ভাল লাগল। রেজিষ্ট্রেশন করে লেখা শুরু করলাম। জানি যে পাঠযোগ্য কিছুই লিখি না তারপরও সবাই ভাল বলেন আর তাতেই যতসব খারাপ লেখাগুলো প্রকাশের সাহস পাই। এটা হয়তো কখনোই ভুলব না যে আমার প্রথম পোস্টে প্রথম মন্তব্যদানকারী ব্লগার শ্রদ্ধেয় বাপী ভাই(বাপী হাসান)। এই হলো আমার গল্প।
লেখকের মন্তব্য
ভালো লাগলো আপনার গল্প জেনে আচার্যদা।
আচ্ছা আপনার নামের ইতিহাস কি সেইটা তো বললেন না।
কোন ইতিহাস নাই। নামের শেষ অংশ দিয়েই নিকটা। পুরো নামটা দিলাম না। এই আর কি।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ ভাইয়া
আপু বুঝলাম না এই পোষ্ট চোখ এড়িয়ে গেল কি ভাবে??
আপাতত দেখে গেলাম।
পরে এসে আর কিছু বলব।
প্রিয় আপু আমি এক সময় ফেবুতে যথেষ্ট সময় দিতাম।
আর বাংলা লিঙ্ক দেখে ঢু মারতাম বিভিন্ন বাংলা সাইডে। বেশির ভাগ সময় শিপন ভায়ের লিঙ্ক ধরে তাঁর লেখা এবং আর বিভিন্ন জনের লেখা পড়তাম।
ভুলেও কখনো রেজি করার কথা ভাবতাম না।
এই ঢু মারার অভ্যাস এক সময় চরম বেড়ে যায়।
তারি ধারাবাহিকতাই এক দিন লগ ইন করি এবং শেষ চিঠি নামে একটা পোষ্ট দিয়ে দেই।
মন্তব্যের ঘর শূন্য। তখন বুঝতে পারলাম সময় লাগবে। এর পর দ্বিতীয় পোষ্ট দিয়েই পড়লাম ফেসাদে ।
সবাই আমারে তাড়ানোর জন্য উঠে পড়ে লাগছে।
বুঝতে পারলাম নিজের ভুল। ভুল শুধরে নিলাম। চলতে থাকলাম। এর পর তৃতীয় পোষ্টে আবার ধরা এবার প্রিয় হুদা ভাই। ভুল বানানের জন্য। লজ্জাই কোথাই যায় এই চিন্তাই ছিলাম। কিন্তু হাল ছাড়লাম না।
নিজের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে পথ চলতে থাকলাম ভুল বানান নিয়ে।
এখন বানানের ভয়ে পোষ্ট কমিয়ে বানান ঠিক করার প্রতিযোগিতাই আছি।
এই হল আমার কাহিনী।
তার পরের ইতিহাস-তো আর মজার। নিজে লিখতে পারি না পারি সবার লেখাকে আপন করে নিলাম খুব সহজে।
এরই ধারাবাহিকতাই চতুরের অভিভাবকদের নজরে পড়ে গেলাম এবং পেয়ে গেলাম কিছু প্রিয় মানুষ। যারা খুব সহজে পরম মায়া মমতায় জড়িয়ে রাখে সব সময়।
তাই এই চতুর পরিবারের সকলের প্রতি আমার কৃতজ্ঞতা।
বানান ভুল হয় না, এমন লেখক আছে কয়জনা? আমারই কত ভুল হয়! আর এতে তেমন লজ্জারই বা আছে কী? লজ্জা হলো, সঠিক বানানটি না শিখবার প্রবণতায়। শেখার জন্যই অপরের ভুলগুলোর দিকে চোখ যায়।
ভোটাপ প্রিয় হুদা ভাই।
আপনাদের আন্তরিকতাইতো টিকে আছি।
লেখকের মন্তব্য
থ্যাঙ্কু করিম ভাই।
আপনার চতুর হবার কথা জেনে খুব ভালো লাগলো।
ভালো থাকুন নিরন্তর।
ওরে খোদারে !!! এই পোষ্ট টা কেমনে চোখ এড়ায় গেলো গা ?? টাস্কি !!!!




আমার ইতিহাস বিরাট পীড়াদায়ক ।
আমি চতুরের লিঙ্ক পাইছিলাম ফেবু এর এক দোস্তের থিকা । তখন ভাবছিলাম যাই একটু ঘুইরা টুইরা আসি ।
ওমা, ঘুরতে আইসা তো এইটার প্রেমে পইড়া গেলাম । বিশাল ব্যাপার স্যাপার ।
এরফরে ৩ মাস আগে একাউন্ট খুইল্লা ফালাইলাম , কিন্তু লেখা আর দেওয়া হয় না। একদিন লেখা দিমু ঠিক করলাম , ওমা আইসা দেখ পাস ভুইলা গেসি । এহন কি হইবো ?? :ও
এরফরে বিরাট ্ধৈর্য্য নিয়া আবার বহুত কষ্টে একাউন্ট খুললাম । সেই থিকা আছি চতুরের সাথে । মাঝখানে এক বিরাট ইতিহাসের অংশ হইয়া কিছুদিন চতুর থিকা আলগা ছিলাম । এখন এক্কেরে সুপার গ্লু হইয়া লাইগা গেসি ।
জয় হোক চতুরের ।
লেখকের মন্তব্য
সুপার গ্লু লাগা এই বাধঁন চিরদিন মজবুত থাকুক।
শুভকামনা।
এরাম একখান পুষ্টের জন্ন পদ্মাপু আর একুয়াপু রে আজীবনের জন্ন চতুরাস্কার দেয়া হইলো

লেখকের মন্তব্য
আরে বাতিইইইইইইইইইইইইইইইইইঘর দেখি?

কত্তদিন পর আমার বাড়িতে
আমারে কেউ কোথাও ডাকে নাই। গুগল চিনাইলো প্রথম ব্লগ সচল। সেইখানে নুশিপু আছিলো আমার মাথার ছাতার মতন। মাহবুব লীলেন আছিলেন ছায়ার মতন। আরেকজন প্রিয় আছিলেন নাম ভুইল্যা গেছি। তার্পর পাইলাম সামু। তাও গুগল দেখাইলো। সচলে আরিফ জেবতিকের লিঙ্ক থাইক্যা পাইলাম আমু। আমুতে প্রিয় ছিলো দখিনো হাওয়া তার একটা ফেবু লিঙ্ক থাইক্যা পাইলাম চতুর।
সুতরাং এখানে আমি থিতু হওয়ার পিছে কারু কুনু অবদান নাইক্যা। এখানে আমার প্রিউ কাউ নাই।
লেখকের মন্তব্য
আপনি এখানে আমাদের প্রিয় হয়ে আছেন ভাইয়া
আমি লিখতে পারি না। সামুতে অতিথি হিসেবে কমেন্ট করা যায় না বলে রেজিস্ট্রেশন করেছিলাম অনেককাল আগে। লেখালেখি তেমন হয়নি। ফেসবুকে কয়েকজন বন্ধুর লিঙ্ক শেয়ার দেখে এখানে আসলাম কয়েকদিন। ঘুরেফিরে ভালো লাগলো দেখে রেজিস্ট্রেশন করে ফেললাম। আমার প্রথম ব্লগের জন্য সবাই অপেক্ষা করে আছে (
) জেনে একটা হাবিজাবি লেখাও দিয়ে ফেললাম। এই তো কাহিনী।
আমার বয়স দুইদিন এখানে
লেখকের মন্তব্য
কালো কাক?
কালো তা সে যতই কালো হোক--
দেখেছি তার ঘন কাক চোখ
কই আসলাম, নিজেরে এলিয়েন এলিয়েন লাগতেছে। ভালো লাগতেছে। আইচ্ছা এইখানে আসলে কি কিছু লিখতেই হইবে? মাইনষেরা কি খালি ব্লগে লেখালেখি কইরা দিন কাটায়, কেউ কেউ দেখি আবার রাইতও কাটায়, কমলাপুর রেল স্টেশনের সাথে মিল আছে। একটা বেঞ্চি বিছরাইতেছি একটু ঘুমাইয়া লইতাম।
লেখকের মন্তব্য
লিখতেই হবে এমন কোন কথা নেই।
না লিখলে না হয় অন্যদের লেখা পড়ুন।
মন্তব্য করুন