একুয়া রেজিয়া-এর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি


ঈশান ভাই, ডাক্তারের রোজনামচা মানে নায়করাজ রাজ্জাক, আকাশগঙ্গা পলাশ, হুদা ভাই, নিশুতি রাতের চিঠি আপা, এরপরের মাইয়াটা কে চিনিনা,
হ্যান্ডচাম আরন্যক ভাই, সব শেষে সুইট (মডেল) তনুজাদি।

বাম থেকে তনুজাদি ও আরন্যক ভাইয়া, মাঝে বৃত্তদা (এই সেই মানুষ যিনি আমার মত মাসুমকে পিজ্জা খাওয়ানোর কথা বলেও ট্রিট দেন নাই। কি কুটিল তার চাহনি
), শেষে মাওলানা বিলাইদা।

ঈশান ভাই মনে হয় উদরাজী ভাইকে ভেবে মুখ এমন করেছেন। আর নায়করাজ মহা খুশি।

ভ্যাব্লাদি তব্দা খেয়ে তাকিয়ে আছে, পাশে আকাশগঙ্গা পলাশ , ঈশান ভাই, উদরাজী ভাই, নায়ক্রাজ ও নয়ন ভাই।

জাকির টি স্টলে আমরা টি খাই নাই তবে ফুচকা চটপটি খাইসিলাম।

আড্ডায় মগ্ন সবাই।
আর ফোনে ছিলে গমগমে গলার আমীন শিমুল ভাই।

আমি জানি কোন দিকে এত খুশি হইয়া তাকায় ছিলাম মনে নাই।

আড্ডার প্রায় সকলেই এই ফটুকে উপস্থিত, কেবল বিলাইদা আর তনুজাদি বাদে।
বাম থেকে হামা দম্পতি, এরপরের মাইয়াটাকে চিনিনা, পাশে ভ্যাব্লাদি, উদরাজী ভাই, ঈশান ভাই, আরন্যকদা, নিয়াজ ভাই, হুদা ভাই বহুব্রীহি, অন্ত আগন্তুক, পাশে জানি কে মনে নাই, পাপতাড়ুয়া, একদম সামনে আকাশগঙ্গা পলাশ ও গেইটলক নয়ন ভাই। হ্যাপী চতুর ফ্যামিলি।
আড্ডার ছবিতো দেখলেন সবাই। আরো কিছু ছবি আরন্যক ভাইয়া, নিষ্ঠুর বৃত্তদার কাছে। সেগুলো পরে আপ্লোডানো হইতারে।
গতকালের আড্ডা শুধু আড্ডানোর জন্যেই ছিলোনা। এই আড্ডা ছিলো পরিবারের বেশ কিছু সদস্যের মিলনমেলা। আরন্যক ভাইয়া সবার কাছ থেকেই জানতে চেয়েছিলেন- চতুর কেমন লাগে? চতুর নিয়ে আপনারদের স্বপ্ন কি? অনুভূতি কেমন?
তাই এইবার সবাই এক কাজ করেন। এই আড্ডা, পোষ্ট, এবং চতুর কে স্মরণীয় রাখতে সবাই চতুর্মাত্রিক নিয়ে এই পোষ্টে আপনার অনুভূতি শেয়ার করে ফেলেন।
হ্যাপী ব্লগিং। 
মন্তব্য
একুয়া করেছে একুর কাজ,
পরনে ছিল তার রঙিন সাজ,
মনে ছিল কত পিজা খাইবার সাধ,
বৃত্ত বন্দী রাখে নাই কথা
কেমনে ভুলিবে সে কঠিন ব্যাথা
মনে দিয়া বালির বাঁধ?
লেখকের মন্তব্য
হুদা ভাই, আপনি আমার দুঃখ বুঝলেন।

বৃত্তিদার মাফ নাই কোন।
লেখকের মন্তব্য
হুদা ভাই,
চতুর নিয়ে অনুভূতি আপনি প্রথম শেয়ার করুন তাহলে বাকিরাও করবে।
মন ভালো নারে ভাই। আজ কিছুই মাথায় আসছে না। লেখার কোন রকম উৎসাহ/তাগিদ নেই ভেতর থেকে।তপরে কখনও মনে পড়লে চেষ্টা করতে পারি, যদিও সম্ভাবনা কম।
লেখকের মন্তব্য
কি হয়েছে ভাইয়া?
লেখকের মন্তব্য
কেউ দেয় না দেখে আমি নিজেই দিয়ে দিলাম।
একুয়া আপিকে দারুণ লাগছে। শাড়ীটাও বেশসুন্দর।
লেখকের মন্তব্য
থ্যাঙ্কুউউউ
ওয়েলকিউ , কেমন আছেন আপি?
লেখকের মন্তব্য
ভাল আছি আলহামদুলিল্লাহ্
এত পড়ে ছবি?
যাই ঘুমাইতে যাই। আর প্রশ্নটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং আন্তরিক। সবার উত্তর দেখার ইচ্ছা রইলো। আমি স্বপ্ন খুব একটা দেখতে পারি না।
নয়ত বলতাম। ভালু থাকিউন।
লেখকের মন্তব্য
পদ্ম আফুউউউউউউউউ, কাললে সবাই ঝান্তে চেয়েছে আপনি পুরুষ নাকি নারী। সেই উত্তর তো দিয়া যান।

কিডা কিডা ঝানতে চাইলো বলেন ত শুনি? সত্যি অনেক কিউরিসিটি খাচ্ছি। বলেন।
লেখকের মন্তব্য
ঈশান ভাই আরো কে কে জানি। সত্যি বলতেসি আস্কাইসিলো
আপনারে কেনু আস্কায়? আপনে কি কনফার্ম নাকি?
হে হে। ঠিকাছে, এরপের মিটাপে আমার কোন এজেন্ট কে পাঠানোর ট্রাই করবো, আমার ফডুসহ!
যাক, সত্যই অনেক ভাল লাগলো আমার নাম কেউ মনে করছে দেখে! যারা যারা আমাকে মনে করছে, সবাই মিলে এক কাপ চা খাবো। 
লেখকের মন্তব্য
আমি কেনু কনফার্ম হমু



সবাই বলসে তাই আমি আইসা আপ্নারে কইলাম, এইটুকুই।
চায়ের আড্ডায় আমারেও রাইখেন গো আফুউউ।
আমি যে পদ্ম আফুরে
এত মনে করলাম, আমারে কে এক কাপ চা খাইতেও কইল না। মানুষের দিলে আর হার্ট নাই গো!!

সবাই মিলে এক কাপ চা!
একটা বিশাল বড় সাইজের কাপ যোগাড় কৈরা রাখুম আমি 
লেখকের মন্তব্য
বড় গামলা সাইজের কাপ পাইলাম না। তাই এই ফটুক দিলাম। এই কাপগুলো ভাল্লাগসে ভাইয়া।
একু আপনাকে না করলো কে যে চা খাইতে দিমু না? আমি ত বড় কইরা লেখছি সবাই মিলা এককাপ চা। সেডার মধ্যে আপনেও আছেন।

----------
হামাঃ হুম, দেশে নাকি চা'র দাম অনেক বাইড়া গেছে। আর সবাই ভাগাজুগি কইরা খাইলে বন্ধুত্ব ব্যাপক গভীর অয়।
পছন্দ। আমি এটাতে চা খেতে চাই। যদি আপি খাওয়ান শুধু তাহলেই।
লেখকের মন্তব্য
অবশ্যই আপি খাওয়াবে।
তাই!! ইয়েহ। কি মজা!
কবে কোথায় ??
লেখকের মন্তব্য
সেইটা পদ্ম আফু বলবে।
কমেন্টের স্টাইল, ইমু টিমু মিলে এটা যে শাপলা"পু কেডা কইবো! আমি ত একু ভাইবা রিপ্লাই দিয়া দিছি! মাঝখানে যে উনি ঢুকপে,!
শাপলা"পু, আপনের জন্য চা না, ইস্পশাল কিছু রান্না হবে।
লেখকের মন্তব্য
খেক খেক খেক। কি মজা কি মজা পদ্ম আফুউউউউউউ কট খাইসে

উনি সম্প্রতি কটের ওপর আছেন, ক্যাচ প্র্যাক্টিস করাচ্ছেন নাকি চতুরদের??
যাই হোক, স্বপ্ন না আপাততঃ একটা বাস্তবতার কথা বলে যাই। সেটা হলো, চতুরে পারিবারিক পরিবেশ আছে নিঃসন্দেহে। পারিবারিক পরিবেশ আরো গাঢ় ও সুগঠিত হোক, সেটা ঠিক আছে। কিন্তু এমন কাউকে প্রয়োজন যে পরিবার ছাপিয়ে দেশের কিংবা সামগ্রিক সামাজিক সমস্যা ও জাতীয় গুরুত্বপুর্ন ইস্যুগুলোতে আমাদের সবাইকে তথা সমগ্র দেশবাসীকে ভাবাবে। জাতীয় পর্যায়ে চতুর্মাত্রিক অগ্রগামী ভূমিকা পালন করুক। শুধু সাহিত্য কিংবা পাবিবারিক আলোচনা নয় এগুলো ও চাই। সাম্প্রতিককালে চতুরে এমন পোষ্ট দুর্লভ হয়ে উঠেছে। চতুরে এ ধরনের ব্লগার গড়ে উঠুক। চতুর্মাত্রিক জাতীয় যেকোন গুরুত্বপূর্ন ইস্যুতে ঝাঁপিয়ে পড়ুক। শুভকামনা।
লেখকের মন্তব্য
মন্তব্যে ভোট আপ।
দাদা আপনি কোত্থেকে আসলেন? প্রথম হইতে পারলাম্না
দীর্ঘ দ-অ-অ-শ মিনিট অপেক্ষা করেও যখন তোমার দেখা পেলাম না,তখন কি আর করি, দিয়েই ফেললাম! তুমি এলে আরও তিন মিনিট পরে!! কপাল!!!
একুয়া আপিকে ধন্যবাদ পোস্টটার জন্য।
লেখকের মন্তব্য
পোষ্টের শেষের প্রশ্ন গুলো উত্তর শেয়ার করে যান প্লিজ।
আপি কি আমাকে বললেন? কোন প্রশ্নগুলোর উত্তর?
এই আড্ডা, পোষ্ট, এবং চতুর কে স্মরণীয় রাখতে সবাই চতুর্মাত্রিক নিয়ে এই পোষ্টে আপনার অনুভূতি শেয়ার করে ফেলেন।
এটা?
লেখকের মন্তব্য
হ্যাঁ ভাইয়া
এইবার কিছুটা শান্ত হইছে মন্ডা!!! সবাইরে দেখতে পাইলাম।


কিন্তু ব্যাপক আড্ডা দেখিয়া আমিও ব্যাপক ঈর্ষান্বিত
একুয়া আপুকে অনেক অনেক ধন্যবাদ
লেখকের মন্তব্য
হিংসা করা ভাল নয়।
তাহলে কি করিবো কন দেহি?

----------------
আর একটা কথা আপু, এই ছবিগুলো কিন্তু খুব সুন্দর একটা পরিবারের কথাকে তুলে আনে। আমার কাছে ভাবতেই অসাধারণ লাগছে
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ জামি ভাই, আশা কর এরপরের আড্ডায় আপনিও থাকবেন।
ইনশাল্লাহ। থাকতে পারলে তা হবে আমার জন্য অনেক বড় পাওয়া।

বৃত্ত বেটাটা জানি কেডা? পাইলে থাব্রায়া দাত ফালায়া দিতাম। পিচ্চিগো লগে এরাম কাইন্টামী??? দিক্কার বৃত্তরে দিক্কার

লেখকের মন্তব্য
হুহ মজা নেন নাকি?
আপ্নে মানুষটা খুবই খ্রাপ

আমার্মতো একজন ইন্নোসেন্ট মাইনষেরে খ্রাপ কৈলা?
প্রচারে দুঃখ ঘটায়, আম্রা বিঘ্নিত। পিজ্জা পাট্টি পোস্টপন্ড করা হৈলো।

লেখকের মন্তব্য
হায় হায় ইমো। আকাশগঙ্গার পোষ্টে না কইলেন যে পিজ্জা খাওয়াইবেন আর এই পোষ্টে আইসাই কাইৎ???

হ ... সহমত, বেত্ত রে বস্তায় ভইরা বিলাই মারা মাইর দেওন দরকার আছিল
পাক্না তুমারে খাইছি
আড্ডা মারসেন ভালো করসেন। তাই বলে এইভাবে ফটুক দিতে দেরী হওয়ার কারণডা কী ? (মাইনাচ)
ছবি দেখে যা বুঝলাম :
হুদা ভাইয়ের বয়স কমে গেছে।
শাওন ভাইয়ের স্বাস্থ্য আল্লাহর রহমতে বেশ উন্নতি হইসে (আমি আগেরবার যেভাবে দেখসিলাম সে হিসেবে।)
আরণ্যক'দাকে পুরা মাফিয়া সরদার মনে হইলেও বেশ ইশমাট।
নি-চিঠি'পু, ভাবসিলাম আন্ধার রাইত টাইপ কেউ- এখন দেখি বেশ দিনের আলো!
একু'পা, লাল শাড়ি কী জন্যে? রহস্যজনক !!
তনুজা'দি, অলটাইম এমন। হাসিহাসি।
আকাশগঙ্গা ভাই, প্রেমের পুরা লাইনে আছে বইলাই মুনে অইলো।
ভেপু'পা কে ভেব্লা বলা হয় কেনু ? মানিনা।
নয়ন ভাই, প্রেম পড়ছে আদ্যপান্ত। নইলে----
নিয়াজ ভাই, ঢাকা আসলেই রোমান্টিক হয়ে যায়- কী হাসি গো!
সাহাদাত ভাই, আগের মতোই।
ঈশান ভাই, বেচারা বউয়ের ধাবড়ানির উপ্রে আছে বলে ধারণা করতে পারি।
বহুব্রীহি'দা বেশ শীতকালীন সময় পার করছে।
অন্ধ আগন্তুক, ওরফে মাশরুর ভাইরে খুইজ্যা পাইতেছি না।
পাপতাড়ুয়া, কাশ্মিরী মানুষ নাকি ?
আমগো সস্ত্রীক হাসান মাহবুব ভাই কুথায়?????????????????????????
শেষ ছবিতে পরিষ্কার নয়! নতুন দম্পতির জন্য শুভেচ্ছা।
লেখকের মন্তব্য
রহস্যের কি আছে হালিম ভাই?
এম্নেই পড়সিলাম। লাল তো উৎসবের রঙ। 

আপ্নে আড্ডা আসলে ভালো হইতো। কেন যে আইলেন না।
আমার অনেক মিসাইসি আড্ডাটা। ফোনাইসিলাম তবে, শরীক হওয়া আরকি। ভালো থাকা হোক। আপাতত হারিয়ে গেলাম-
লেখকের মন্তব্য
কই হারালেন?
কমুনা।
লেখকের মন্তব্য
বুঝসি, হালিম ভাবির কাছে যাচ্ছেন।

হইসে!!! আর কুনু কথা পাইলেন না!! পরীক্ষা আছে গো বোনডি! পড়া বাকী আছে। ফাকে হালকা আড্ডাইলাম।
লেখকের মন্তব্য
ও আচ্ছা বেস্ট অফ লাক ভাইয়া।

লেখকের মন্তব্য
ও আচ্ছা বেস্ট অফ লাক ভাইয়া।

হালিম ভাবি
সেই রকম আড্ডা হইছে তাইলে
কাউয়া আইবো জানলে ফুনাইতাম, প্রতিবার শুধু ছবি দেইখাই আপসুস করা লাগে 
দূর মিয়া এইডা একটা কথা কইলেন? এই কথা কইয়া দিলেন হাহাকার আরো বাড়াইয়া! আপনারে একহাজার কোটি মাইনাস।
আর নিয়াজ ভাই ঢাকায় আসলে কেন রোমান্টিক হয় সেটার কারন আমি জানি। কিন্তু বলবোনা। আমার লইজ্জা লাগে।
কইসিলাম যামুগা, আপনের কমেন্ট দেইখ্যা আবার আই পড়লাম।


লুকান কেনো? কইয়া ফলান- হাহাকার কইয়া পার পাওয়া যাইবো না
নিয়াজ ভাইয়েরটা আমিও জানি!
লেখকের মন্তব্য
বলে দেও কি আছে জীবনে ভাইয়া

আমরা কেউ নিয়াজ ভাইকে বলবো না।
হেহেহে
ঠিক ধরেছো, হালিম। প্রতিদিন একদিন করে কমছে। এগিয়ে আসছে শেষ দিন। বয়স কমছেই তো!
সেইরাম হইসে।
কী কী বলা যায়, ভাবতে থাকি। ভেবে কিসু না পাইলে অপরেত্থন কপি পেস্ট মারুমনে। মাইনে, সহমত, একমত আর কী!
লেখকের মন্তব্য
হবে না মানিনা। আপনার মন্তব্য ও মতামত চাইইই
পদম ভাই যেমন বলেছে, জাতীয় ইস্যু এবং আমাদের দৃশ্যমান অসামঞ্জস্যগুলো শৈল্পিক উপস্থাপন, বোধকে নাড়িয়ে দেবার মতো তীব্র শ্লেষযুক্ত খোঁচা, আমরা পাচ্ছি না তেমন একটা।
বিলাইদা, অরণ্যক'দা, হুদা ভাই সহ আরও কয়েকজনের লেখায় উঠে আসছে সেসব; কিন্তু, সংখ্যা অনুপাতে তা অপ্রতুল। আরও আরও লেখা চাই এরকম।
চতুর একান্নবর্তী পরিবার এবং সমৃদ্ধ ও শান্তির নীড় আমাদের। চাই অটুট থাক সেটা সর্বদা। চাই না, সেই উসিলায়, জমানোর অজুহাতে দৃষ্টিকটু কর্মকান্ডের আশ্রয়-প্রশ্রয় পাক। গোড়াতেই তা মেরে দেয়া উচিত, না হলে বাড়তে থাকে তা। ইদানিং প্রবণতাটা সংক্রামিত হতে দেখা যাচ্ছে দুয়েকজনের মাঝে। তন্ময়ের ব্যাপারটা তার উদাহরণ একটা।
একু, তুমি আর আমি আর কেউ আসেনা কেন সেইটা খুঁজতেসিলাম, তখন মনে হয় আমিন শিমুল বা সাকিবা ফেরদৌসী'র ফোন এসেছিলো... আর সেইটাই তোমাকে দিচ্ছেন বিলাই মামা
লেখকের মন্তব্য
ঠিক ঠিক আপুনি,

এখন মনে পড়েছে।
তুমি ৬মাস পর চকলেট খাওয়া উপলক্ষে পার্টি দাও।
হুমায়ুন চাচা এক নাটকে দেখছিলাম, ডাঃ এজাজ বলে , কি মিয়ারা আমি দেখতে সুন্দর না? এই যে দেখেন আমার দাত সুন্দর, আমার হাসি সুন্দর।
একু আপু ফেসবুকে যতই চিৎকার চেচামেচি করুক আমার চুল সুন্দর আমার চুল সুন্দর বলে
আমার সাফ কথা না খাওয়ানোর আগে কোন কিছুই সুন্দর নয়!
পরসংবাদ, লাল শাড়ি পরা ইনি কে? ইনাকে তো চিন্তে পারলাম্না!!

লেখকের মন্তব্য
আমার চুল সুন্দর।
এই জন্যে তোমারে খাওয়ামু কেনু? 

তাইতো লাল শাড়ি পড়ে মাইয়াটা জানি কে?
হায় হায় আপনে দেখি কিছু জানেননা। বর্তমানে সবকিছু পেটেন্টের কবলে। কাল দেখবেন কেউ একজন সুন্দর শব্দটার পেটেন্ট নিয়ে গিয়েছে, তার পরে আর আপনি এই কথাটা বলতেই পারছেন না। যেই মাত্র বললেন আপনার চুল সুন্দর অমনি পুলিশ ধরে নিয়ে গেল।
তাই বলছিলাম আমারে খাইয়ে দাইয়ে রাখলে ঐদিকটা আমি দেখতাম আর কি আর এইদিকে আপনি ঢাকঢোল পিটিয়ে---
লেখকের মন্তব্য
এহহ একুয়া কে পুলিশ ধরবে? এইটা মুশকিল না পুরাই বেসম্ভব ব্যাপার।

আমিও চিন্তার্লামনা।
একু আপু আমার নামে
পলাশ
যোগ করে দেন!
লেখকের মন্তব্য
দিলুম।
জবরদস্ত পোস্ট একু... দারুণ!!!



অনেক ধন্যবাদ। আশায় ছিলাম। তুমি করলে পুরণ।
অনেক ভালো লাগলো সফল আড্ডা আর সবাইকে দেখে।
পূর্ণ মন্তব্য একটু পরে দিচ্ছি...
(দৌরের উপর দেখে গেলাম, আমার নেক্সট পোস্ট রেডি করায় ব্যাস্ত আছি একটু, দেরী করলে তলায় লেগে যাবে...)
লেখকের মন্তব্য
থ্যাঙ্কুউউউউউউউ ম্যাঙ্কুউউউউউউ ভাইয়া।
দৌড়াদৌড়ি শেষ হলে চতুর নিয়ে মন্তব্য শেয়ার করে যাইয়েন।
পোষ্ট প্রিয়তে।
অনুভূতি! আগের সবারটা শুনি। তার পর নিজেরটা।
ধন্যবাদ প্রিয় আপু।
লেখকের মন্তব্য
করিম ভাই আপনি নিজেরটা বলে ফেলুন ।
আপু আমাকে আপনি সম্বোধনের জন্য মাইনাস।
লেখকের মন্তব্য
ফেবুতে তো বলেই দিসি। আর ভুল হবে না ভাইয়া।
থেঙ্কু থেঙ্কু।
হ ... সহমত, বেত্ত রে বস্তায় ভইরা বিলাই মারা মাইর দেওন দরকার আছিল
লেখকের মন্তব্য
ভালা বুদ্ধি ভালা বুদ্ধি।
চতুর হলো আমার একান্ত আপন, প্রিয় পরিবার। তাই তো কাল এই আড্ডাকে ভিষন ভাবে মিস করেছি।
চতুরে সবাই আমরা একই পরিবারের সদস্য। তাই সব সময় এ পরিবারের সম্মান অক্ষুন্ন রাখা ও বৃদ্ধি পাওয়ার দিকে খেয়াল রাখবো। আর চতুর যেন সমাজ সচেতন, মানবিক গুনাবলীতে সমৃদ্ধ হয়ে অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে উঠতে পারে সেদিকে আমরা সবাই নজর দিবো। চতুরের মান-সম্মান কেউ নষ্ট করতে চেষ্টা করলে আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় তাকে তখুনি ঝেটিয়ে বিদায় করবো।
হয়তো আগামী কোন চতুরাড্ডায় আমিও সবার মাঝে থাকবো।
ধন্যবাদ একুবেকু এই পোস্টের জন্য!
লেখকের মন্তব্য
হ্যাঁ আপু তোমাকেও আমরা সবাই খুব খুব মিস করেছি। আশা করি এরপরের আড্ডায় আরো অনেক চতুর একসাথে থাকবে। আমার স্বপ্ন চতুরের নিজের একটা প্রকাশনী থাকবে। চতুর হবে ব্লগিং ও সাহিত্যের একটা অসাধারণ প্লাটফর্ম।
সব ব্লগের চেয়ে সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ। সব চেয়ে অন্যরকম। 
আমার স্বপ্ন চতুরের নিজের একটা প্রকাশনী থাকবে।
চতুর হবে ব্লগিং ও সাহিত্যের একটা অসাধারণ প্লাটফর্ম...
একু'র কমেন্টে ভোট আপ!
লেখকের মন্তব্য
থ্যাঙ্কু ভ্যাব্লাপুউউউ
ভুটাপ একুর কমেন্টে।
একশত ভাগ সহমত, সু-পু'র সাথে।
ধুত। আড্ডায় যেতে পারলাম না।
ব্যাপক মিসাইসি। কান্নায়া বন্যার ইমো হবে।
আমি অনেকগুলা ব্লগেই ঢু মেরেছি। আমার চাওয়া-পাওয়ার সাথে সবচে বেশী খাপ খেয়েছে চতুর। তাই এখন চতুরেই বসে আছি। তবে আমার একটা চাওয়া চতুর মেটাতে পারে নি। আমি চাই আগামীতে এটাও পাওয়া যাবে চতুর থেকে। চতুরে জাতীয় ইস্যুগুলো একটু অবহেলিত। এই ব্যাপারে ব্লগারদের কাছ থেকে আশা আরেকটু বেশি থাকে। শুভ ব্লগিং।
লেখকের মন্তব্য
নিলয় আসোনি কেন ভাইয়া?
আর চতুর কিন্তু অন্যান্য অনেক ব্লগের চাইতে অনেক অনেক পরিচ্ছন্ন। আশা করি সামনে জাতীয় ইস্যুগুলোতেও অনেক এক্টিভ থাকবে।
আপু আমার ভার্সিটি থেকে রিভার ক্রুইজে গিয়েছিলাম। আমি ছিলাম নদীতে, মন পড়ে ছিল ছবির হাটে।
লেখকের মন্তব্য
আহারে থাক কাইন্দো না। এর পরের আড্ডায় থাইকো। তাইলেই হবে।
এইসব কি ছবি তুললেন! কাউরেই চেনা যায় না!
আর সবাই তো দেখি শুধু দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে মডেলদের মতো ছবির পোজ দিলেন! আড্ডা দিলেন কখন!
ব্লগীয় আড্ডায় উপস্থিত থাকার অনুভূতিটা অন্যরকম। ভার্চয়াল থেকে বাস্তবে আড্ডা দেয়া। অদেখা থেকে দেখা, লৈখিক আলাপচারিতা থেকে বাস্তবিক অর্থে আড্ডা দেয়ার সুযোগ সৃষ্টি হওয়া, আরো বেশি আন্তরিক হওয়া................... এরক অনেক কিছুর অনুভূতি এনে দেয় মনের মাঝে। অনেকেই সেই আড্ডায় উপস্থিত হতে পারে আবার অনেকেই প্রাণবন্ত সেইসব আড্ডার ছবিগুলো দেখেই তৃপ্তি বোধ করে।
নিশ্চয়ই আপনারাও অনেক উপভোগ করেছেন এবং তা এখানে বসে থেকেই বলে দেয়া যায় নিশ্চিতভাবেই।
অটুট থাকুক এ বন্ধন। বিস্তৃত হোক আরো অনেক দূর পর্যন্ত।
অনেক অনেক শুভকামনা রইল।
লেখকের মন্তব্য
আড্ডা সত্যিই অনেক অনেক জোস ছিলো।
যাদের লেখার সাথে আমরা পরিচিত তাদের সাথে মুখোমুখি আড্ডা দেওয়ার মজাই আলাদা।
লেখকের মন্তব্য
খ্যাপাটে স্বপ্নবাজীঈঈঈঈঈঈঈ

একঝাঁক মডেলদের ছবি দেখে আমরা আনন্দিত!
লেখকের মন্তব্য
মঢেলস
চোখটিপা দেন কারে? নয়ন ভাইরে?
লেখকের মন্তব্য
না এইডা হইলো ঘুমের ইমো। ঘুম্পাইসে।

ও! ঘুম পেলে আপনি তাহলে নয়ন ভাইরে চোখ টিপ্পনী দেন!
লেখকের মন্তব্য
না তাঁরে চোখ টিপ্পনী দিলে ভাল্লাগবে না। ঘুম পেলে আমি শুধু এই ইমো দেই আর কিছু না। আর বেশি লাফালাফি করলে কিন্তু আমি আপনার সেই সেফটিপিন পড়া কার্টিমো আবারো চতুরে সবার জন্যে পোষ্ট করে দিমো।

উফ! আবারো মনে হয়ে গেল! আমি এর প্রতিশোধ নিমু!
বাট আপনি সবার সামনে নয়ন ভাইটারে এমুন চোখ টিপ্পনী দিয়েন না! ভাইটা আমার এম্নিতেই ব্যাপক লজ্জা পায়!
একু আপু সেফটিপিন পড়া কার্টিমো এইটার রহস্য কি?
আরেকজন আইছে রহস্য উদ্ধার করতে!

সব আমার বিরুদ্ধে চক্রান্ত!
লেখকের মন্তব্য
এই যে আসল কাহিনীঈঈঈঈঈঈঈঈঈঈ। এইডা হইলো আমাগো স্বপ্নবাজীঈঈঈঈ
বেশ সুন্দর লাগছে স্বপ্ন ভাই।
উরে মা, স্বপ্নবাজী ভাই যে এত্ত চুইট সেটা আগে জানতাম না। ওলে মা কি চুইট রে।
লাগবা বাজী??
লেখকের মন্তব্য
আমি এর মজা দেখামু!
আমিও মজা দেখতে চাই, কিন্তু বাবু, ডায়াপার সাবধান
ডায়াপারের সেফটিপিন খুইলা গেলে খবর আছে কিন্তুক

ছবিগুলো খুঁটিয়ে দেখে মনে হল...হাসলে তোমার গালে টোল পড়ে?
ব্লগীয় ব্যক্তিত্ব এবং মুখোমুখি - একুয়ারমণির কোন পার্থক্য নেই!
মায়াবতী একটা আপুনি!
চমৎকার পোস্ট - সোওজা প্রিয়তে!
লেখকের মন্তব্য
হে হে আপুনি ঠিক ধরেছ হাসলে আমার গালে তোল পরে


মায়াবতী বলার জন্যে অনেক
আড্ডা!
লেখকের মন্তব্য
আহহা! ভাই ছিলেন কোথায়?
বৃত্তরে যেরাম ভাবছিলাম, বেশ মিলে গেছে। খালি বিলাইরে ভেজা বিলাইয়ের মত লাগতেসে।
একুয়ারে লাল্টু লাগতেছে, শাড়ির সাথে ম্যাচিং ব্যাগ, মনে হয় পায়ের স্যান্ডেল আর হাতের নেইল পলিশও লাল ছিল। ২৫ এর রূপবতী। ভেব্লু যথারীতি চেহারায় একটা শান্ত শান্ত ভাব ধরে আছে, সমুদ্র কন্যার মুখে নব পরিণয়ের হাসি------- আনিকা আনিকার মতই আছে। তনুজা দিকে আমার ভাবনার সাথে মেলেনি। ভেবেছিলাম, শাড়ি পরা, কপালে বড় টিপ, সিঁথিতে সিঁদুর আর লম্বা চুলের কোন মেয়েকে।
আহা! কি প্রাণ প্রাচুর্যে ভরপুর একটা ছবি।
বিরাট আফসোস খাওয়ার ইমো হবে। যদিও জানি হয়তো দেশে থাকলেও দেখা করতে পারতাম না!!!! কারণ আমার কপাল মিসের কপাল।
লেখকের মন্তব্য
তনুজাদি কে আমিও ভাবতাম শাড়ি পড়া এলোখোঁপা করা কোন আপু হবে। মিলে নাই। কিন্তু সে দেখতে খুবই কিউট। পায়ের জুতা লাল ছিলোনা আপু সোনালি ছিলো। আর নেইল্পলিশ দেই নাই

আড়িপাতার ইমো হবে!
হুদা ভাই এর ফেবুতে ছবিগুলো দেখলাম। চতুরদের এমন আড্ডা বজায় থাকুক। হয়ত কোনোদিন দেখা হবে এমন কোথায়।
লেখকের মন্তব্য
ইনশাল্লাহ দেখা হবে।
ভাল লাগল ছবি দেখে । পরের বারের অপেক্ষায় রইলাম আপাতত
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ।
আমিও আড্ডাইছিতো!!
কি মজা কি মজা!!
লেখকের মন্তব্য
তোমারে মাইনাচ। তুমি সংসার বাঁচাতে চলে গেসো জলদি।

শুন্য আরণ্যক - ইনার সাথে আরো আড্ডা দেওয়ার ইচ্ছা ছিল। স্করসিসি প্রীতির রহস্য উন্মোচন হৈল না। আরণ্যক ভাই
হাসান মাহবুন - বাস্তবে অবাস্তব জগতের মতন এতো ব্রুটাল না(তবে অ-ব্রুটালও বলা ঝায় না) - ভালো মানুষ স্বামী গোছের একজন মানুষ বইলা মনে হৈসে। ইনার সাথেও আড্ডা বেশিক্ষন দেওয়া হৈল না। "আফসুসের ইমো"
বৃত্ত'দা রে ফাস্টে ফুটুগ্রাফার ভাবছিলাম। ঈশান ভাইরে অনেকক্ষণ পর চিনছি(প্রথম বার নাম বলার পর ভুলে মেরে দিছিলাম-শর্ট টাইম মেমোরি লস-একুয়ার অভজার্ভেশন ঠিক আছে-গজনি ফ্রম আজিম্পুর গোরস্থান
)
আকাশগঙ্গাকে আরো বড়কেউ ভাবছিলাম আর নিয়াজ ভাই আমারে দশ্রথ গোছের কেউ ভাবছিলেন-কারণটা ধর্তারিনাই-----
তবে সবচেয়ে বড় টাসকিটা খাইচি "শাওন" ভাইরে দেইখা--কথায় আচে না ছোট মরিচের ঝাল বেশী--খাপে খাপে মিলা গাছে--
এন্ড বাস্তবের একুয়া ভার্চুয়াল একুয়ার চেয়ে অনেক বেশি প্রানবন্ত আর উচ্ছল
---------------------------------------------------------------
---------------------------------------------------------------
একুয়া ভার্চুয়াল একুয়ার চেয়ে অনেক বেশি প্রানবন্ত আর উচ্ছল।
সহমত বহুব্রীহি ।
লেখকের মন্তব্য
থ্যাঙ্কুউউউউউউউ @ ঈশান ভাই।
লেখকের মন্তব্য
গজনি ফ্রম আজিম্পুর গোরস্থান ,
বিলাইদার ব্যাপারে মন্তব্যটা ঝাঁ ঝাঁ হইসে। পুরাই ছোট মরিচ
আর আমাকে করা মন্তব্যের জন্যে


তুমিতো পুরাই আমার বিপরীত। কয়েক ঘন্টা পরে পরে একটা কথা বলো।
লেখকের মন্তব্য
এইটা কিছু মিছু হইলে না বলা কোনটা?

এতক্ষণে একটা পূর্ণাঙ্গ পোস্ট পাওয়া হলো।
একুপাকে ধন্যবাদ। অনেক ধন্যবাদ। অজস্র ধন্যবাদ।
====
আমি ছোট মানুষ, অত বড়সড় প্রশ্ন বা ব্যাপারে আমার আবার মতামত কী?
লেখকের মন্তব্য
মতামত না দিলে অনুভূতি জানান ভাইয়া।
অনেকগুলো চতুরমুখ এভাবে দেখতে পেয়ে সত্যিই আনন্দ লাগছে, এক্কু আপুকে ধন্যবাদ। আমারো আড্ডাইতে ইচ্ছা করতেছে।
লেখকের মন্তব্য
পলাশের মিতা আপনি আড্ডা আসলে অনেক ভালো লাগতো।
হায় আমি যে আমার মিতাকে কত মিস করেছি।
যদিও আমি তাকে চিনিনা!
আমিও সন্ধ্যার পরে জয়েন করেছিলাম। আগে জানতাম না, নাহয় সময়মত আসলে সবার সাথে দেখে হতো।
তবে অরন্যক ভাই এর সাথে কথা বলে বেশ ভালো লেগেছে
লেখকের মন্তব্য
আপনি এসেছিলেন নাকি? আফসোস আপনার সাথে দেখা হলনা। আমি চলে এসেছিলাম।
সাফওয়াত আবেদীন ভাইয়ের সাথে কেউ আলাপ করিয়ে দেয় নি!
লেখকের মন্তব্য
না তো!
যারা আড্ডায় ছিলেন, তাদের ধন্যবাদ জানাচ্ছি একটি মনোরম বিকেল এবং সুবর্ণ সন্ধ্যা চতুরের বন্ধুদের সান্নিধ্যে উৎসর্গ করার জন্য।
যারা আড্ডায় যোগ না দিয়ে বাসায় কাঁথা মুড়ি দিয়ে বৈকালিক ঘুম দেয়াকেই শ্রেয় মনে করেছেন এবং এখন ইস্-উফ বলে হা-পিত্যেস কর্তেছেন, তাদের জন্য ব্যাপক আপসুস।
যারা আন্তরিক সদিচ্ছা থাকা সত্বেও ব্যস্ততার জন্য সময় বের করতে পারেন নি বলে মন খারাপ করছেন, তাদের জন্য সমবেদনা।
আর দূরত্বের কারনে যাদের অংশ গ্রহণ অসম্ভব ছিল। তাদের জন্য আন্তরিক শুভেচ্ছা।
লেখকের মন্তব্য
মাথার চুল আর মোটা পেটের কারনে ছবি তুলি না! জাতির সামনে আসতে লজ্জা পাই!
হা হা! সাহাদাত ভাই, আপনার সাধারণ সংলাপ/কথা/বাক্যের ভেতর এতোটা হিউমার ইনজেক্ট করতে পারেন কিভাবে আপনি আসলে? ইভেন, মোস্ট অফ দ্য টাইম মনে হয় আপনি বরঙ নির্বিকারভাবে ও সিরিয়াসলিই কথাগুলো বলছেন!
হোয়াটস দ্য ট্রিক?
অনটপিকঃ চতুরের আড্ডার খবরাখবর পেয়ে ভালো লাগল। চতুরেরা উজ্জ্বল।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ অমিতদা।
ধন্যবাদ অমিত ভায়া। আসলে জীবনটা একটা নাটকের মঞ্চ! আমরা প্রতিদিন অভিনয় করেই যাচ্ছি। অফিসে আমাকে আরো সিরিয়াস থাকতে হয়! কথা কম কাজের জন্য আমি আমার ব্যাটারীর কাছে সব সময় প্রশংসিত আছি, বুঝতে পারছেন।।। হা হা হা।।।
আমি এখনো আমার কোন বন্ধু হারাই নাই। এভাবেই বাঁচতে চাই। শুভেচ্ছা আপনার জন্য।
লেখকের মন্তব্য
@ উদরাজী ভাই, এইটা কোন কথা হইল?
ধন্যবাদ একু, আপনার মত স্লিম থাকতে কত ছবি তুলেছি!
কটঠিন মাইনাস নিয়াজ ভাইরে, আর একুপুরে, আর বিল্লিদারে, আর বেত্যরে আর ... ... ফুন্দিসিলাম, কিন্তুক নিয়াজ ভাই নাজমুল ভাই আর আরণ্যক ভাই ছাড়া আর কাউর সাথে কথা কওনের সুযোগ দেয় নাই!!! আর মহাগদাম হইল নেটওয়ার্করে, যে কথা বলার সময় ডাউ খায়া যায়! এতসব প্রিয় চতুর একসাথে ছিলেন, দেখা না হোক, ইট্টু ফোনাড্ডা হইলেও তো মন্দ হইত না!
ঐদিন চিটাঙে, গুলজারের মোড়ে আমি, অরিশ আর জামী একটা মিনিপ্যাক আড্ডা দিচ্ছিলাম - আর আচার্যদা আর ড়াব্বীকে মিস করে আহা উহু করছিলাম, তখুনি ডাকু ভাইরে ফোন দিয়েছিলাম।
যাক, যাহা গেল, তাহা তো আর পাবোনা, আশা করি, সামনে বইমেলায় চক্ষু-কর্ণের (অথবা মনিটর-রেটিনার) বিবাদ ভেঙে গুড়া গুড়া হবে!
মজার ব্যাপার হৈল, জিরোদা'র ব্লগীয় অ্যাটিচুডে আমি খুব ভরাট গলার কাউরে আশা কর্সিলাম, কিন্তু কথা বলার সময় কন্ঠস্বরে মনে হৈল তের-চোদ্দ বচ্ছরের একটা পূলা পাকনামি কর্তাসে!!! [ফেবু থেকে কিঞ্চিত কুপিপেস্টিত]
লেখকের মন্তব্য
ঠিক ঠিক। আমীন শিমুল ভাইয়ার গলা অনেক গমগমে অথচ আমি ভাবসিলাম জিরোদার গলা গমগমে হবে। তার গলা পুরাই বাচ্চা ছেলেদের মত। আর সামনা সামনি তাঁকে একদমই ভয়ের লাগেনা। অনেক মাই ডিয়ার টাইপের মানুষ।
ইমো সওদাগর, বইমেলায় আইসেন দেখা করবো নি।।
খেয়াল কইরা এইখানে কিন্তু আরেকজন আমীন ভাই আছে। যদিও বয়স কালে আমিও আমীন লিখতাম এক সময় এখন আগি আমিন শিমুলই
নামের সাথে চেহারা , বডির সাথে ভয়েস কত কোররিলেশন যে বাইর হইতেসে )
আমারে দেইখা কি পুলাপানের মত গলা ভাবছিলেন নি??
একটা থাম্বস রুল বলি শুনেন যাদের বডি স্ট্রাকচার ব্রড (মোটা না কিন্তু) তাদের ভয়েজ জেনারেলি চিকন হয়, আর তুলনা মূলক টাইট স্ট্রাকচারের লোকজনের ভয়েস হয় মোটা (এটা ছেলেদের বেলায় )।
(আমি ব্যাপক জ্ঞানী হয়া যাইতেসি ।
ভয়েসের উদাহরণ দেই, টিভি অভিনেতা তুষার খান, বিএনপির মন্ত্রী নাজমুল হুদা (আমাগো হুদা ভাই না কিন্তু) শ্রীলংকার ক্রিকেটার অর্জুনা রানাতুঙ্গা,পাকি ক্রিকেটার ইনজামাম,বাংলাদেশি ক্রিকেটার আকরাম খান ইত্যাদি লোকদের বডি চওড়া এবং ভয়েস চিকন।
লেখকের মন্তব্য
উপসস আমীন শিমুল ভাই, এবার ঠিক আছে?

গলার স্বার নিয়ে জটিল বিশ্লেষন দিয়েছেন তো।
বললাম না, দিনে দিনে জ্ঞানী হয়া যাইতেসি।
নমের সাথে চেহারার মিল নিয়ে যখন কথা উঠলো একটা মজার ঘটনা বলি। ২০০৯ সালের কথা। সামুর যেসব ব্লগার বুয়েটিয়ান তাদের একটা আড্ডা হবে। সবার নামের লিস্ট আগে থেকে জানি। সেখানে গিয়ে প্রথ দর্শনে যাকে ডেখলাম আমি নাম না জিজ্ঞেস করেই বলে দিলাম আপনি রুবাইয়াত ইসলাম বিন সাদাত ভাই টঠিক না??
উনি খুব মজা পাইছিলেন ।
তবে নাম চেহারার কোরিললেশন এখনও জীবনমুখী করতে পারি নাই। যেমন শিপন ভাইয়ের ব্যাপারে আমার ধারণা ছিলো উনার বুঝি আমার মতো দাড়ি আছে। উনার ছবি দেখার পরে ভুল ভাঙলো। হুদা ভাইয়ের নাম শুনে যেমন ফ্লেভার আসছিলো মাথায় মোটামুটি সেটাই পেলাম। হামা ভাইকে আমি আগে দেখেছিলাম। তা না হলে উনাকে দেখেও হয়তো টাশকি খাইতাম। নয়ন ভাইয়ের নামটা আমার কাছে বেশ সিনিয়র লুকিং। তুলনায় উনি বেশ ইয়ং। আপনার ছবি মনে হয় ফেবুতে দেখছিলাম। তাই আমার কাছে হাতি মনে হয়নি। তবে ভাবছিলাম আপনি আরো লম্বা। জিরোদারেও মিলাইতে পারি নাই পুরা। তবে দাড়িটার কারণে মোটামুটি কল্পনার কাছ ধার দিয়ে গেছে। আরিশ রে আমি ভাবছিলাম বেশ বাচ্চা ছেলে টাইপ লুক। ওরে দেখলে ওর সামনে আমারেও বাচ্চা মনে হইবো।
সুর পুরে অবশ্য দেখলেই আমি চিনতাম। বাপী ভাইয়ের চেহরা এখনো দেখিনি। তবে উনার অবয়ব কল্পনা করছি একটা। দেখলে বুঝবো আমার এস্টিমেশন কতটা জীবনমুখী হইছে।
সিদ্ধান্ত : স্যাম্পল স্পেস আরো বড় করতে হবে।
শিমু(ল) ভাইয়ের গবেষণার অনুসিদ্ধান্তঃ বেশীরভাগ মোটা মানুষ শুধু যে নিজে আলসে, তা না, তাঁদের কন্ঠস্বরও আলসে, একসাথে সঠিক পরিমাণে বাইর হয় না!!!
ছাত্রের প্রশ্নঃ বিলাইদা'র চেয়ে কিঞ্চিত বৃহৎ ভুঁড়িযুক্ত কাহারও কন্ঠস্বর ভোরে ভরাট, এরপর ক্রমশ বেলা বাড়ার সাথে সাথে বহুল ব্যবহারে ক্রমশ ঘষা খাইতে খাইতে ঘ্যাসঘ্যাসে এবং সন্ধ্যায় ফ্যাসফ্যাসে এবং রাতে প্রায় ফিসফিসে হইয়া গেলে - তাহাকে কোন সূত্রের অধীনে ফেলা যায়?
নিপাতনে সিদ্ধ ( কেমন দেখাইলাম
)
নিপাতনে ক্যান? আমার বাসায় গ্যাসের চুলা আছে, পানিতে, ত্যালে - যেইটাতে খুশি সিদ্ধ কর্তারেন।
লেখকের মন্তব্য
এই শীতে অবশ্য তাজা সবজী সিদ্ধ কইরা খাইতে মজা
সবজী পর্যন্ত পাওয়া গেল। আইচ্ছা সাথে মসুরির ডাইল হইলে কেমন হয়?
সব আড্ডাবাজদের ছবি একসাথে দেখে খুব ভাল লাগছে।
আড্ডার অনেক পোস্ট আইসা গ্যাছে। দেখেও কমেন্টানো হয় নাই। অলস সময়ের মাঝে আছি। চারপাশ সাদা হয়ে বরফ পড়তাছে। জানালা দিয়ে তাকালে ভাবি দক্ষিণ মেরুতে আইসা পড়ছি। এইজন্যই ঘুম মশায় েমন আক্রমণ করছে তাতেই আমি চিৎ।
ছবি দেখলাম। আড্ডার সার সংক্ষেপ শুনলাম। আমার নিজের কল্পনা শক্তিতে আমি নিজেই ব্যাপক খুশি। চেহারা দেখে নাম আন্দাজ করতে পারতাসি। ভাবতেসি চেহারা নামের সামঞ্জস্য নিয়া গভীর 'জীবনমুখী' কিছু লিখা ফেলবো কিনা!!! তবে ভয়েসের কথা বলি, হুদা ভাই আর ডাকু ভাইয়ের সাথে আগেই কথা হইছিলো সো তাদের ভয়েস নিয়া আইডিয়া ছিলো। আকাশগঙ্গা আমার ইউনির পিচ্চি। তবে ওরে যতটা পিচ্চি ভাবছিলাম ভয়েস শুইনা তারচেয়েও বেশি পিচ্চি মনে হইছে। বিলাইয়ের সাথে কথা বলতে মিলাইতে একটু কষ্ট হইছে। তার ব্লগীও কমেন্ট দেইখা ভাবছিলাম সারকাস্টিক টোনে অশুদ্ধের সংস্রবে কথা বলবেন বুঝি (আমার মতো)। কিন্তু বিলাইদা তো সেইরকম ইস্মার্ট। তার ছবি দেইখা অবশ্য কিছুটা হতাশ হইছি। উনারে আরো শুকনা ভাবছিলাম। জিরোদার সম্পর্কে বরাবরই বেশ রাশভারী একটা আইডিয়া ছিলো। তার উপর উনার মাফিয়া লিডার মার্কা লুক (ফেবুতে দেখছিলাম মনে হয়) এ উনার গমগমে কন্ঠস্বরের আশা করছিলাম। যদিও একুয়া আমারে আগেই হিন্টস দিছিলো, তারপরেও একপেকটেশন বেশি নিচে নামাইতে পারি নাই। তবে উনার ভয়েস শুনার পরে আমার কেন জানি শ্রীলংকার ক্রিকেটার অর্জুনা রানাতুঙ্গার কথা মনে পড়ে গেছে। আমি একটু কনফুও খাইয়া গেছিলাম। ভাবলাম অন্য কেউ নাকি !!!একুয়ার ব্যাপারে আমার ঢারণা ছিলো মহা নেকু পেকু ভয়েস হইবো (আর জে বইলা হয়তো এই ধারণা হইছে)। সেটা অবশ্য বলতে গিয়া আমার ভুল ভাঙছে। ঈমা ভাইরে অবশ্য যেমন একসপেকট করছিলাম তেমনই গলা। মজা হইলো হুদা ভাই আমার কথার এনসার ডিতেসিলো আ ন্দাগুন্দা। নেট ওয়ার্ক ডিসটার্বের আর টাইম পাইলো না !!!!
উদরাজী ভাই নয়ন ভাই সহ বাকি লেট লতিফদের সাথে কথা কওয়া মিস হয়া গেছে। সমস্যা নাই। সামনের আড্ডায় আবার একচুয়ালি অর ভারচুয়ালি হাজির হয়ে যাবে।
তবে আমার গলার গমগমে স্বর নিয়া যেই আইডিয়া ছড়ানো হইতেসে তা অনেকাংশে নেটওয়ার্ক বাবাজির কৃতিত্ব।
আড্ডা ভালো পাইলাম।
লেখকের মন্তব্য
দুর্দান্ত মন্তব্য। পড়ে মনে হল আপনিও আমাদের সাথেই বুঝি আড্ডায় ছিলেন। :ইয়াহুউউউ:
পরের বার আড্ডার আগে দেশে চলে আইসেন। কোন এক মাসের ৩ তারিখে।
কোন মাসের তিন তারিখ অথবা তিন দ্বারা বিভাজ্য কোন মাস

আড্ডা ভালু পাই। আর বেরসিক নেটওয়ার্ক না জ্বালাইলে হয়তো ারো কিছুক্ষণ বাকচিত করা যাইতো সবার সাথেই।
শিমুল ভাই, আমি ভেবেছিলাম আপনি এসেছিলেন। আমি আরো হামা ভাইকে আপনি মনে করে ভুল করেছিলাম। স্যাড।
আশা করি আগামী আড্ডায় দেখা হবে। চতুরের এ যাবত ৪টা আড্ডা হয়েছে। আমি ৩টায় ছিলাম! মনে হচ্ছে একটা রেকর্ড হয়ে যাবে।
শুভেচ্ছা।
হামা ভাই আগেই এইডা কয়া গেছেন।
আগেমী আড্ডায় দেখা হবে আশা করি।
আছি, যদি বেঁচে থাকি।
শুধু নেটওয়ার্কের দোষ নয়রে ভাই, হুদা ভাইয়ের সময়োত্তীর্ণ শ্রবণ যন্ত্রেরও অবদান ছিল এতে।
আমিন শিমুল, পদ্ম, নুশেরা, শব্দপুঞ্জ নিজেদের অনুভুতি আর চাহিদা নিয়ে বেশ সুন্দর আলোচনা করেছে। নতুন ব্লগারদের অংশগ্রহণে চতুর এখন অনেক বেশি প্রাণোচ্ছ্বল হয়ে উঠেছে। আমার নিজের অনেক সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও আমি প্রায় ছয় মাস ধরে আমার সীমিত জ্ঞান দিয়ে চতুরদের উৎসাহিত করা চেষ্টা করে এসেছি। চতুরদের কাছে ব্লগ আকর্ষণীয় হয়ে উঠুক, ব্লগে পাঠকের সংখ্যা বৃদ্ধি পাক এটাই ছি আমার প্রথম লক্ষ্য। সে আশা বেশ খানিকটা পূরণ হয়েছে। ব্লগারের সংখ্যা বেড়েছে, আলোচনা আর আড্ডার মাধ্যমে এ সময়ে অনেক ব্লগারকে ব্লগে আকৃষ্ট করা সম্ভব হয়েছে। পোস্টের সংখ্যা এত কমে গিয়েছিল যে দুইদিন পেরিয়ে গেলেও একটা পোস্ট প্রথম পাতা থেকে সরতো না, এখন সে অবস্থার অবসান হয়েছে। চতুর্মাত্রিকে ব্লগিং শুরুর সময়ে আমি যাদের পেয়েছিলাম, তাদের অনেককেই কিছুদিনের মধ্যেই হারিয়ে যেতে দেখেছি। তাদের ফিরিয়ে আনবার তাগিদ পেয়েছি মনের কাছ থেকে, চেষ্টাও করেছি তাদের অনুকুল পরিবেশ সৃষ্টি করবার। আমার এক বছর পূর্ণ হবার আগেই তাদের কেউ কেউ ফিরেও এসেছেন।
ব্লগিংয়ে আমার মত যারা নতুন তাদের ব্লগোপযোগী করে তুলবার দায় কিন্তু পুরাতন ব্লগারদেরই নেওয়া উচিৎ। প্রশ্ন ওঠে প্রায়ই, কে পুরাতন! আমার মনে হয় যারা এক বছরের বেশি ব্লগিংয়ের অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন, তাদেরকে এ দলে ফেলা যায়। নতুন ব্লগারদের পোস্ট সেন্সর করার কোন দরকার আছে বলে আমি মনে করি না, নুশেরার সাথে একমত হয়ে আমিও বলতে চাই " ব্লগিংয়ে নবাগতরা প্রথমে কিছুদিন অন্যদের পোস্ট ও মন্তব্যের মনোযোগী পাঠক হয়ে তারপর যথাক্রমে কমেন্টানো ও সব শেষে পোস্টানোর চর্চা শুরু করলে ভাল হতো। এমন কোন বার্তা (ম্যান্ডেটরি না, পরামর্শমূলক) তাদের দিতে পারেন কর্তৃপক্ষ। নতুন ব্লগারদের পাসওয়ার্ড মেইল করা হয়। সেখানে এমন কিছু পরামর্শ বিল্ট-ইন রাখা যায়।"
পুরাতন/অভিজ্ঞ ব্লগাররা বিভিন্ন পোস্টের, বিশেষ করে বিতর্কিত ও আড্ডা পোস্টের বিষয়বস্তু আর পরবর্তীতে মন্তব্য/প্রতিমন্তব্যের প্রতি দৃষ্টি রাখতে পারেন। আর এ সব আলাপ, রসালাপ, তর্ক/বিতর্কের রাশ কখন টেনে ধরতে হবে সে সম্পর্কে ব্লগারদের যথা সময়ে অবহিত করতে/পরামর্শ দিতে পারেন। বা নিজেরা এ সব ক্ষেত্রে অংশগ্রহণ করে ব্লগের পরিবেশ যাতে কলুষিত না হয় তেমন ব্যাবস্থা নেবেন।
রাষ্ট্রীয় বা রাজনৈতিক কোন কার্যক্রমের সাথে না জড়ালেও সামাজিক দায়বদ্ধতা অস্বীকার করা যায় না। চতুরের এই পারিবারিক আবহকে আমরা উদ্দীপনামূলক কোন কাজে লাগাতে পারি, লাগাতে পারি সচেতনতামূলক কার্যক্রমে। চতুররা মিলে ছোট আকারে হলেও মানব বন্ধন, পথ সভা ইত্যাদি করে প্রতিবাদ জানাতে উদ্বুদ্ধ করতে পারি। ভারতীয় পণ্য বর্জনের আহবান ব্লগ থেকে রাস্তায় নিয়ে যেতে পারি। অবশ্য এ সব করতে গেলে সামান্য হলেও অর্থের প্রয়োজন হবে, তা কেমন করে যোগাড় হবে তা চিন্তার বিষয়!
লিখতে পারছি না আর। বাকীটা আর কারো চিন্তার জন্য রেখে দিলাম।
এইবার চতুর নিয়া সিরিকাস কিছু কথা বলি।
কমিউনিটি ব্লগ হিসাবে চতুর্মাত্রিক গত ছয়মাসে খুব দ্রুত বিস্তার লাভ করেছে। কারণ প্রথম রেজি করে দীর্ঘদিন অনুপস্থিত থেকেও আবার এসে মোটামুটি অল্প কিছু পরিচিত ফেস গুলোই দেখতাম। হয়তো অল্প স্বল্প করে যোগ হতো। কিন্তু গত ছমাসে ব্লগ ও ব্লগারের সংখ্যা খুব দ্রুত বৃদ্ধি পাছ্ছে। কোয়ালিটি ও কোয়ান্টিটির যে বিপরীত মুখী ঝোঁক কাজ করে তাতেই হয়তো চতুরের এভারেজ মান কিছুটা হলেও নেমেছে। তবে গত কয়েকমাসে অনেক পুরনো ব্লগার অল্প স্বল্প করে হলেও রিএকটিভ হইতেসে ( এমন ভাব লইতেসি আমি না জানি কত পুরান ব্লগার )। তবে এখানে সিনিয়র ব্লগার এবং যারা বয়সে গুরুজন তাদের উপর মূল দায়িত্ব চতুরের মানসম্পন্ন পরিবেশ বজায় রাখা। এ বিষয়ে আমার অবজারভেশন হলো, চতুরে মূলত আগে সাহিট্য ধর্মী লেখা আসলেও অল্প স্বল্প করে হলেও এর পরিসর বাড়তে শুরু করেছে। সবার অংশ গ্রহণে সামাজিক সমস্যা বিয়ক আখোচনাও প্রাণবন্ত হয়। তবে তুলনা মূলক ভাবে সামাজিক ইস্যু গুলো নিয়ে পোস্ট কম আসে। পোস্ট কম আসা আমি একদিক থেকে পজেটিভ দেখি এজন্য একই ইস্যু নিয়ে বাণের মতো দশ বারোটা পসো্ট আসলে ব্লগারদের আলোচনার স্থান আলাদা হয়ে যায়। ফলে আলোচনা প্রাণবন্ত হয় না। তবে রাষ্ট্রীয় কিংবা সামাজিক অনেক ইস্যু তে আমাদের পারটিসিপেশন একটু হলেও পিছিয়ে আছে এটা অস্বীকার করবার উপায় নেই।
ব্লগের পরিবেশ বিষয়ে শুরু করেছিলাম। ব্লগে চতুর একটি পরিবার। তাই ছোট বড় সবারই মনে রাখা উচিত এর মাঝে সুস্থ সুন্দর পরিবেশ বজায় রাখা। যে জিনিস আমি দেখতে চাই না সেটা হলো ফেবু থেকে কপি পেস্ট করা আনইমাজেনেটিভ পোস্ট, নিজের লেখার কিংবা ওয়েবসাইটের প্রচারণামূলক লিঙ্ক, নিজের বক্তব্য ব্যতিরেকে অন্য জায়গা থেকে তুলে অন্যের বক্তব্য। এই জাতীয় পোস্ট বেশি হলে খুব দ্রুতই একটা কমিউনিটি ব্লগের মান নেমে যাওয়ার জন্য যথেষ্ট।
সহ ব্লগারদের পারস্পরিক শ্রদ্ধা বোধ জরুরি। সেই সাথে সবার মাঝে পরিমিতি বোধ অর্জন করাটাও গুরুত্বপূর্ণ। এইখানে হয়তো অনেক ইমম্যাচিউর ব্লগার আছে। এখানে পুরনো কিংবা মুরুব্বীদের উচিত হবে তাদএর ইমম্যাচিউরিটিকে প্রশ্রয় না দিয়ে প্রথমে ভালো ভাবে তাতে কাজ না হলে রূঢ় ভাষায় সংশ্লিষ্ট বয়াক্তির ভুল ধরিয়ে দেয়া। আরেকটা জিনিসে আমি বিব্রত বোধ করি, (কেউ পারসোনালি নিবেন না আশা করি) সেটা হলো গুরুত্বপূর্ণ ব্লগকে চ্যাটরুমে পরিণত করা। ছতুরে আড্ডা পোস্ট প্রাণবন্ত হয় এবং আমি আড্ডা বাজির সরাসরি বিরোধিতাও করছি না (আমি নিজেও আড্ডাবাজি পোস্টে আগ্রহ নিয়ে অংশ নেই)। তবে সিরিয়াস পোস্টে দুই জন মিলে সুখ দুঃখের আলোচনা শুরু করলে প্রথমত পোস্ট তার আবেদন হারায় দ্বিতীয়ত অন্য ব্লগাররা বিব্রত বোধ করে।
আরেকটা ব্যাপার হলো, কোন ব্লগারের কোন নির্দিষ্ট ব্লগারের সাথে ভালো সম্পর্ক থাকতেই পারে। কিন্তু তআর উপর ভিত্তি করে অন্য ব্লগারের উদ্দেশ্য চিঠি লিখার মত করে প্রথম পাতায় পোস্ট দেয়া অন্তত আমি লাইক করি না। ব্যাক্তিগত চিঠি চালাচালির জন্য মাইক্রো ব্লগিং এ প্রাইভেট অপশন আছে। সেটা ব্যভার করা যায়। আবার নিজেদের ব্যাক্তিগত আড্ডা (দুইজনের যেটা পোস্ট রিলেভেন্ট না) চাইলে পোস্টে না করে মাইক্রব্লগিং এ হতে পারে।
আমার উপরের বক্তব্য গুলো আমার নিজের ভাবনা। চতুরের পরিবেশের কথা এবং সাম্প্রতিক কিছু অবজারভেশনের বেইসেই আমি কথাগুলো বলেছি। ব্যাপারগুলো পারসোলান দোষ না ধরে (আমি নিজেও হয়তো উপরের ভুলগুলোর কিছু করি সময়ে অসময়ে) প্র্যাকটিসের হিসাবে উপরের বিষয়গুলো বিবেচনায় রাখা উচিত। তবে মত দ্বিমত থাকতেই পারে। আমরা সবাই এব্যাপারে ওপেন ডিসকাশনে বসতে পারি পারসোলান ফল্ট না ভেবে।
পরিশেষে আপাতত শিপন ভাইয়ের পোস্ট ধরে আরেকটা কথা বলেই শেষ করবো। আমরা একটিভ ব্লগাররা সবাই চেষ্টা করি অন্তত নিজে কেনা এবং তারপরে পরিচিত একজন এবং তারপরে যতজন সম্ভব লোকের কাছে চতুর্মাত্রিক সংকলন প্রমোট করা। সংকলনটি সাড়া জাগাতে পারলে অন্যরকম প্রকাশনীকে হয়তো আগ্রহী হিসাবে পাওয়া যাবে ভবিষ্যতের সংকলন গুলোতে। আর চতুরের নাম ছড়িয়ে যাবে চারপাশে।
স্বপ্ন দেখি চতুর ব্লগ সাহিত্য ও সামজিক সচেতনতা সব বিষয়ে অবদান রেখে এগিয়ে যাক। অদ্ভুত জোনাক পোকারা ভবেঁচে থাক আরো অনেক অনেক দিন।
জয়তু চতুর্মাত্রিক।
প্রথম ভোট দিয়ে গেলাম।
শিমুল ভাইয়ের মন্তব্যটা যথার্থ। আমাদের অনেকের মধ্যেই ত্রুটিগুলো রয়েছে। সব পোস্ট যেন আড্ডা পোস্ট না হয়ে যায় সেদিকে সবার খেয়াল রাখা উচিত। ভোটাপ।
লেখকের মন্তব্য
শিমুল ভাইয়ের সবগুলো মন্তব্যের সাথে আমি সহমত।

একমত শিমুল ভাই!
ভোটাপ শিমুল ভাই।
চৎকার, গঠনমূলক মন্তব্য - আপনার চোখে দেখার পর আমার নিজের কিছু ত্রুটিও এখন বুঝতে পারছি - এজন্য স্পেশাল থ্যাঙ্কস!
এটা আসলে সবার কমন বিষয় মাথায় রেখেই। আমার নিজের আত্ম সমালোচনাও কিছু অংশ বলতে পারেন। আরো কথা মনে হলে বলবো।
পড়বার জন্য আপনারেও
এটাকে আমি আমার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে চাই। কারণ, কমিউনিটি ব্লগ কিন্তু শুধু নিজের ঘরে কিংবা শুধু চতুরেই সীমাবদ্ধ থাকে না। ধরুন, কোন গুরুত্বপোষ্ট এলো, যেমন স্বদেশ হাসনাইনের লিভ টুগেদার পোষ্ট টা একটি উদারহন হিসেবে যদি দেখি, আমি পোষ্ট থেকে যতটুকু না জ্ঞান আহরন করেছি, তার চেয়ে বেশী লাভ হয়েছে কমেন্টগুলো পড়ে। কিন্তু সেখানে ব্যক্তিগত আড্ডা থাকলে পোষ্টটি আবেদন ম্লান হতো। বাপী ভাই এক জায়গায় বলেছেন, পোষ্টের মেরিট বুঝে আসলে মন্তব্যগুলো করলে পোষ্টদাতা এবং সামগ্রিক কমিউনিটির জন্যই ভাল হয়।
----------
আবারো সেই একই কথা এটার মানে এই না যে আড্ডা পোষ্ট নিরুৎসাহিত করা। এটা হচ্ছে টেকনিক্যাল সেমিনারে পলিটিক্যাল আলোচনা নিরুৎসাহ করা, আর পলিটিক্যাল পোষ্টে রকেট সায়েন্সও বেমানান। এই আর কী! এরচেয়ে আর কিছু বলার নেই।
----------
খুব ভাল হতো সবাই এই পয়েন্টে কিছু বলতো এবং এই পোষ্টটি কে আর্কাইভে নিলে। জিরো দা'র প্রশ্নটাকে আমার শুধু প্রশ্ন মনেয় হয়নি, এটা ছিলো একটা আন্তরিক আহ্বান। আশা করি, সবাই বিষয়টিকে গুরুত্ব নিয়ে ভেবে নিজের মতামতগুলো জানাবেন। কারন প্রত্যেক ব্যাক্তির আলাদা ফ্লেভার,এবং সবার মতামতই গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা যোগ্য।
শুভকামনা!
লেখকের মন্তব্য
সেদিন আড্ডায় আরো আগে থেকে বসা গেলে হয়ত চতুর নিয়ে আরো বেশ কিছু আলোচনা করা যেতো। সেইটা সম্ভব হয়নি বলেই আমার মনে হল জিরোদার কথাগুলো পোষ্টে লিখে দেই।
আর শিমুল ভাইয়ের সাথে আমি প্রায় সবগুলো পয়েন্টেই একমত। সব পোষ্ট যদি আড্ডা পোষ্ট হয়ে যায় তবে লেখাটি মনে হয় সেটারি স্বকীয়তা হারায়। দেখা গেলো পোষ্ট দেওয়া হয়েছে এক বিষয়ে নিচের মন্তব্যগুলো যাচ্ছে অন্য বিষয়ে। এত কষ্ট করে লেখা পোষ্ট পরে আছে এমনিতেই----
একুয়া আপি, একমত আপনার সাথে।
আমার নিজস্ব একটা মতামত বলি ,
চতুরের লিখাগুলি পড়ে মনে হল কিছু একটা নেই। ঠিক কি তা নির্দিষ্ট করে বলা একটু কঠিন। তবে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে এখানে পোস্ট একটু কম ।
সর্বোপরি একজন সদস্য হিসেবে চাইবো ব্লগের মঙ্গল এবং সত্যিই যেন চতুর্মাত্রিকের লিখাগুলির মাত্রা , শুধু মাত্রায় সীমাবদ্ধ না থাকে। চতুর হবে বহুমাত্রিক একটা ব্লগ। স্বয়ংসম্পূর্ণ ।
একমত শিমুল ভাইয়া। সবার সহযোগিতা ছাড়া এটা সম্ভব না। আশা করি সবাই আপনার মতামতকে ইতিবাচক হিসেবে নিয়ে চতুরের মান উন্নয়নে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। আর চ্যাঁট রুমের মত ব্যাপারটা আমারও অপছন্দের। তাই এটা নিয়ে পুরোপুরি সহমত।
আর আমিও মনে করি পুরতন ব্লগারদের অগ্রণী ভূমিকা নতুন ব্লগারদের সঠিক পথ দেখাতে এবং ব্লগের মান উন্নয়নে সহায়ক হবে।
তাই পুরনো ব্লগারদের্ প্রতি আহ্বান রইলো।
ঐখানে এইখানে দুইখানের আড্ডাই মিসাইলাম
দিন ফুরালো সন্ধ্যা হলো পার করো আমারে-- গুন গুন করি
লেখকের মন্তব্য
এত দেরিতে এলে আপুনি? ছিলে কোথায়?
অনটপিক১: ছবিব্লগ বিষয়ে
ছবির জন্য ধন্যবাদ। সবাইকে দেখে ভাল লাগল। যাদের আগে দেখেছি, তাদের মধ্যে শাওন ভুঁড়ি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে বোধহয়, তাকে অভিনন্দন! নিশুতিরাতের চিঠি প্রিয় আনিকা, বরাবরের মতোই ভারী মিষ্টি দেখাচ্ছে, তবে তোমার কালো আঙুরের মতো থোকাথোকা চুলগুলো মিস করলাম। তনুজাকে দেখে খুবই ভাল লাগল, দুবছর আগে বইমেলার কিছু ভিডিও দেখে তাকে এনিমিক (সিরিয়াসলি বলছি) মনে হচ্ছিল, এখন মনে হচ্ছে না
================
অনটপিক২: চতুর বিষয়ে
পদ্ম আর শিমুলের মন্তব্য বেশিরভাগ পোস্টেই যেমন, এখানেও প্রণিধানযোগ্য। রাষ্ট্রীয়/সামাজিক/চলতিঘটনা ইস্যুতে পোস্ট চতুরে কম আসে, কথা ঠিক। আবার একথাও বোধহয় সত্য, এ ধরণের টপিকের পোস্টে চতুররা সচরাচর তেমন আগ্রহ দেখান না। প্রথম পাতায় নীচের দিকে চলে এসেছে অথচ ১৭ বার পঠিত ২টি মন্তব্য-- এরকম ইনডেক্স দেখলে তাতে ক্লিক করার প্রবণতা কজনের হয়! তাই লেখকরাও নিরুৎসাহিত বোধ করতে পারেন। (সমাধান কী হতে পারে? শুধুই কপিপেস্ট সংবাদ না হয়ে তথ্যসমৃদ্ধ মানসম্পন্নতা, পাশাপাশি আলোচনায় পাঠকদের অংশগ্রহণ।)
আর যা মনে আসছে-
১. সংকলিত পাতা ও ব্লগ আর্কাইভ নিয়মিত আপডেট করা হলে ভাল হতো।
২. ব্লগিংয়ে নবাগতরা প্রথমে কিছুদিন অন্যদের পোস্ট ও মন্তব্যের মনোযোগী পাঠক হয়ে তারপর যথাক্রমে কমেন্টানো ও সব শেষে পোস্টানোর চর্চা শুরু করলে ভাল হতো। এমন কোন বার্তা (ম্যান্ডেটরি না, পরামর্শমূলক) তাদের দিতে পারেন কর্তৃপক্ষ।
৩. হঠাৎ হঠাৎ নবাগত নিক থেকে কয়েক লাইনের পোস্ট দিয়ে প্রথম পাতার দখল নেয়া বেড়ে যায়। এখানে একটুখানি সন্দিগ্ধ পর্যবেক্ষণ আছে। রাতমজুর একবার ফেইসবুকে একটা জরিপ করেছিল বাংলা ব্লগ নিয়ে, চতুর নিয়ে উচ্ছ্বাসটা সেখানে বেশি ছিল, তখনই যাচ্ছেতাই কিছু পোস্ট আসতে শুরু করে চতুরের প্রথম পাতায়, নতুন নতুন নিক থেকে। কয়েক বছর ধরে বাংলা ব্লগের রেসিডেন্ট-ভাঁড় কালচারের চেহারা যারা দেখেছেন, তারা জানেন, এসব উদ্ভট ও আজাইরা উৎপাতের চর্চা মাঝেমধ্যে চলে। প্রথম পাতা থেকে মানহীন পোস্ট সরিয়ে নিতে মডারেটররা তৎপর ভূমিকা নিলে ভাল হয়।
নুশেরাপার ২ ও ৩ নং পয়েন্ট ভালো লাগলো বেশ। ২ নং বিষয়ে বলি, যেকোন কমিউনিটি ব্লগের ব্লগিং করার নিয়ম আসলে ঐটাই। মানে আগে দেখা তারপরে ইন্টার এক্ট করা। টারপরে পোস্টানো। সবাই হয়তো তা জানে না। কিংবা জানলেও মানে না অথবা মানবার প্রয়োজন বোধ করে না। সেটাই তখন সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। ব্লগের আবহ বুঝাটা জরুরি এর পার্ট হতে হলে। তবে সেটা কোথায় সংযোজন করা যায় নতুন ব্লগারদের জানাতে সেটাই ভাবনার বিষয়।
তিন নাম্বার পয়েন্ট টা স্ট্রং হলেও ঠিক কী বলবো বুঝতেসি না। আজাইরা পোস্টের সংখ্যা মাঝে মাঝে বেশি মনে হয়। তবে ধূপধাপ সরানো ব্লগে স্বাধীনতার হস্তক্ষেপ কিনা সেটা নিয়া প্রশ্ন থাকেই। কারণ সেটা বারবার করা হলে সেই পুরনো এলিটিজম তত্ত্ব মাথা চাড়া দিবে, যেটা আসলে মঙ্গল জনক না।
আপাতত এটুকুই।
২. নতুন ব্লগারদের পাসওয়ার্ড মেইল করা হয়। সেখানে এমন কিছু পরামর্শ বিল্ট-ইন রাখা যায়। আবার মাইক্রোব্লগিং-এ মডারেটরের একটা স্টিকি-স্ট্যাটাস থাকতে পারে
৩. এলিটিজম থিওরির কথা আসতে পারে, সেটা মাথায় ছিল। তারপরও মনে হলো এটা করা যেতে পারে, বিশেষত মাইক্রোব্লগিং-এর সুযোগ তৈরি করার পর। রিসেন্ট শফিকুল-স্টাইলটাও দেখুন, কমেন্ট করার সুযোগ না দিলে ওগুলো প্রথম পাতায় থাকার যুক্তি কী! এতোগুলো (হতে পারে ৫টা) একতারা পড়লে মডারেটরের কাছে পোস্ট সরানোর অনুরোধসহ বার্তা যাবে, এমন কিছু হতে পারে না?
শফিকুল বিষয়ে মাইক্রব্লগিং য়ে হুদা ভাই বলেছিলেন, আমিও তার সাথে একমত পোষণ করি। সেটা হলো পোস্টে কমেন্ট অফ থাকলে তা প্রথম পাটায় আসবে না বা আমি মনে করি আসার কোন দরকার নাই। সেটা ব্লগার টার পাতায় রাখতে পারেন তার নাতি নাতনীদের দেখাতে কিন্তু ব্লগারদের মন্তব্য অপশন বন্ধ রাখাও মুক্তচিন্তার সাথে যায় না। সো রুল করে দিলেই হয় কমেন্ট অপশন অফ তো পোস্ট প্রথম পাতা থেকে গায়েব।
এর বাইরেও অনেক হাবিজাবি পোস্ট আসে। তবে মান সম্পন্ন না হলেই সরিয়ে ফেলা হবে এ জাতীয় কথা আসলে একটু সমসয়া এইজন্য মানের মেজার আসলে কোয়ালিটেটিভ। কোয়ান্টেটিভ মেজারে আপনি যদি কর যান সে পাঁচটা একতারা আসলে সরানো হবে,এখন আমার কোন পোস্টে না পরে যদি দল বেঁধে মাল্টি নিক খুলে পাঁচটা একতারা মেরে সরিয়ে দেয় (এই আমি যে কেউ) তাহলে আটকানোর উপায় নাই।
সমস্যাটা আমার কাছে বেশ জটিল মনে হয়েছে।
মাল্টিনিক থেকে একতারা আসার সম্ভাবনা বোধহয় কম, এলেও সেটা মডারেটররা ধরতে পারবেন। তাছাড়া রিপোর্ট পাওয়ার পর পোস্টের মেরিট তো তারা যাচাই করবেনই। এ কাজটা কিন্তু এখনও তারা করে থাকেন, সংকলিত পাতার জন্য পোস্ট নির্বাচনের সময়। একটা নট-সো-সিগনিফিক্যান্ট পোস্টকে আমি সংকলিত পাতায় দেখার জন্য বাটন টিপলেই কাজ হয় না কিন্তু (এই 'আমি' যে কেউ হতে পারে, ইন ফ্যাক্ট এ অভিজ্ঞতা আমার হয়েছেও
)।
তবে একমত, ব্যাপারটা জটিল
এই মডারেশান ইস্যুটা একটু গোলমেলে... মানে কোথায় কিসের বেসিসে করা হয় সেইটা আমি ঠিকঠাক বুঝিনা আসলে। সামুতে তো মোটামুটি কোন নিয়মকানুন ছিলোনা। সচলে আমি যখন প্রথম আবেদন করেছিলাম, শুধুমাত্র আমি সামুর এমপ্লয়ি বলে তখন আমাকে অনুমতি দেয়া হয়নি। সেইসব দিক থেকে চতুরকে আমার অনেক খোলামেলা মনে হয়েছে। তারপরেও ঝামেলা যে একদমই নাই তাও না। আমার পরিচিত একজন একটু আজব একটা নিক দিয়ে এইখানে ব্লগিং শুরু করতে চেয়েছিলো, কিন্তু তার নিকটা তাকে অ্যালাউ করা হয়নাই, আর কেন হয় নাই, সেইটা বলাও হয় নাই। যাই হোক, এইরকমের মাইনর লুপহোল মনে হয় সবখানেই থাকে। আমি নিজে চতুরে লিখি অনেকগুলো কারণে... প্রথমত এইখানকার অডিয়েন্স আমার অনেক সেনসিটিভ আর রেসপন্সিবল মনে হয়, সো ফার চতুরের ইন্টারফেসও বেশ ইউজার ফ্রেন্ডলি। তবে চতুরের অনেক পুরনো ফিচার মিস করি, যেমন ব্লগে কে কে ঢুঁ মেরছেন, আমার নিজের কমেন্টের ফলোআপ এইসব মনে হয় আগে একটু সহজতর ছিলো, অথবা আমি এখনও মনে হয় নতুন চতুরের সাথে অভ্যস্ত হই নাই। আর আসলে কমিউনিটি ব্লগের কমিউনিটি অংশটাকে মডারেট করার পুরা ব্যাপারটাই অনেক সংবেদনশীল মনে হয়। ভীষণ রেগুলার বেশ কিছু মডারেশান প্যানেল না থাকলে সম্ভব না, সম্ভব হলেও ব্যাপারটা বিতর্কিতই থেকে যাবে।
----------------------
অট: আপু, আমার মাথার অর্ধেক চুল পড়ে গিয়ে বেশ টাক হয়ে গেছে, তাই টেনে বেঁধে রাখি চুল
জাতীয় বা সামাজিক ইস্যুতে পোস্ট আসেনা বললে ভুল হবে - তবে আসে ভিন্ন ফ্লেভারে - সরাসরি তথ্য আকারে না এসে, বিভিন্ন তথ্যের মূল্যায়ন আকারে আসে।
আসলে এক একেকটা ব্লগের নিজস্ব প্যাটার্ন থাকে - চতুরের পারিবারিক আবহটা চতুরের সম্পদ। সবকিছুই আলোচনায় আসুক - তবে এই আবহটা যেন অটুট থাকে।
(এই কমেন্টটা আসলে সবগুলো আড্ডা পোস্ট দেখে করছি, সাহাদাত উদরাজী ভাই, ইমরান নিলয়, নয়ন ভাই এবং আকাশগঙ্গা'র পোস্ট টানা ফলো করেছি গত দুইদিন। আড্ডাতে যাওয়া হলো না, যদিও খুবই ইচ্ছা ছিল...
)
আড্ডার দিন আমার ইউনিভার্সিটির পিকনিক ছিল ঢাকার বাইরে। তাই হুদা ভাইয়ের পোস্টে আসব জানিয়েও আসা হলো না। বিকালে মনে হয় আরণ্যক ভাই কল করেছিলেন, তখন ছিলাম বাসে, তাই শুনতে পাই নি। সব মিলিয়ে বাজে অবস্থা।
উপরে আমিনের কমেন্ট দেখে মনে হলো আসলেই চতুর্মাত্রিক দিন দিন বড়ো হয়ে উঠছে। পাঠকের কাছে দায়বদ্ধতা বাড়ছে। ব্লগারদের লেখা প্রকাশ হলে তো আরো বাড়বে। ইউজার বাড়লে মান নিয়ন্ত্রণের ব্যাপারটা চলে আসে বটে। পার্সোনালি আমার নিজেরও ভাল লাগে না পয়েন্টলেস, মেরিটলেস পোস্ট দেখতে। সেখানে কথা বলারও কিছু থাকে না আসলে, তাই এড়িয়ে যেতে হয়। কিন্তু ওই বাজে পোস্টের কারণে আরেকটা ভাল পোস্ট পরের পাতায় চলে গেল, এটা কাম্য না। এইক্ষেত্রে একটা সিস্টেম করা যায়, তা হলো, (অধিক পঠিত+অধিক ভুটিত+অধিক মন্তব্যিত) পোস্টগুলো প্রথম পাতায় বেশি সময় থাকবে। ইংরেজিতে এটাকে মনে হয় Trending বলে। এতে করে আলোচিত ও সমসাময়িক ইস্যু নিয়ে লেখা, বা আড্ডা পোস্টগুলো বেশি সময় সামনে থাকবে। বেশিরভাগ সাইটে এটা আলাদা ট্যাবে দেয়া থাকে। আপনি মূলত ক্রনোলজিক্যাল পাতায় থাকবেন, সেখানে সব দেখা যাবে। আর যদি মনে করেন যে খুব আলোচিত পোস্টগুলো এক নজরে দেখবেন, তাহলে trending পাতায় যাবেন। সেখানে অপেক্ষাকৃত কম ভাল পোস্টগুলো থাকবে না।
এই পদ্ধতিতে, মডুদের সম্ভাব্য এলিটিজম বা পক্ষপাতের কোন সুযোগ নাই। সবাই মিলে একটা পোস্টে হামলায় পড়লেই কেবল সেটা trending-এ যাবে। আমিনের প্রোপোজালের সাথে এইটাকে মিলিয়ে চিন্তা করা যেতে পারে।
[এটা জাস্ট একটা সাজেশন, ভাবা যেতে পারে]
আর একু আপনি অনেক খেটে খুটে নামসহ পোস্ট দিয়েছেন। থেংকু। আড্ডার আমেজ পুরোটাই পেয়েছি, খালি মিস করলাম বলে আফসোস হচ্ছে।
লেখকের মন্তব্য
অনেক দিন থেকেই আমি চতুরে অনিয়মিত। এ বছর বলা যায় কিছুটা সংকল্পবদ্ধ হয়েই নানা কাজের মাঝে চতুরে উঁকি দিয়ে যাচ্ছি। এই পোষ্টের মূল কৃতিত্ব হুদা ভাই ও আরন্যক ভাইয়ের তোলা ছবিগুলোর। আমি তো শুধু ক্যাপশনসহ আপলোড করেছি। আর আরন্যক ভাইয়ার প্রশ্নগুলো মাথায় ঘুরছিলো বলেই ভাবলাম ফটোব্লগ বা আড্ডা পোষ্টে প্রচুর ব্লগার ঢু মারে তাই এই পোষ্টের মাধ্যমেই জানা যাবে চতুরকে নিয়ে করা প্রশ্নগুলো।
trending এর আইডিয়াটা খুবই ভালো লেগেছে। সহমত।
অনেক ভালো থাকবেন। শুভ সকাল।
ট্রেন্ডিং এর ব্যাপারে অনীকের প্রপোজালটা ভালো লাগলো।
তবে বেশি ট্যাব বেশি অপশন কিন্তু ব্লগ ব্যবহার জটিল করে তোলে। আর অঢিক পঠিত সর্বাধিক ক্লিকিত সর্বশেষ ক্লিকিত অনেক অপশন যেহেতু আছে সেটা দরকার আলাদাভাবে আছে কিনা সেটাও বিবেচ্য। আমার মনে হয় জেনারেলি প্রথম পাতায় থাকা সবগুলি অপশনের সর্বোচ্চ ব্যবহার মানসম্পন্ন পোস্টকে উৎসাহিত করবে। তবে অবস্থা দৃষ্টে মনে হয় ব্লগাররা হয়তো সব গুলো ফিচারকে গুরুত্ব সহকারে দেখেন না। ফিচার গুলোকে ব্যবহার কারীদের কাছে অধিক ব্যবহার্য করাটা আমার কাছে বেটার সলুশ্যন মনে হয় নতুন অপশন যোগ করার চেয়ে।
তবে সবকিছুর শেষে ব্লগারদের সেন্সিবল ইউসই পারে ব্লগের গুণগত মান ধরে রাখতে।
এ ব্যাপারে সব ব্লগারদের আলোচনা মতামত শোনাটা জরুরী।
er porer adday amio thakbo insha-Allah

shobaike dekhe valo lagche.
aquapu,tomake to hevvi sundor dekhacche.
tomake dekhle amar saree porte mone chay
লেখকের মন্তব্য
ইনশাল্লাহ এর পরের আড্ডায় তুমিও শাড়ি পরে আমাদের সবার সাথেই থাকবে।
ইনশাআল্লাহ আপু
নয়ন ভাইয়া,এক জীবনে কত রেকর্ড করবেন !
২০০ তম কমেন্ট আমার!
আড্ডা কমেন্ট:
১। অনেককেই দেখলাম ছবিতে।
২। <b>আরণ্যককে একটা বিনীত অনুরোধ, মোচটা ফালায় দেওন যায়না। জীবনে কাউকে মোচ ফেলতে বলিনাই। মোচের কারণে জংলিকে কেমন যেন রাগী রাগী লাগে*। মোচ ফেললেই দিব্যি শান্তশিষ্ট হয়ে যায় চেহারা, (ছবি দেখেই বলসি)
৩। ২০০৯এ যখন ১ম দেখি তখন তনুজাকে মনে হয়েছিল, ঠিক এরকমই ভেবেছিলাম। মেহরাবের চেহারা একটু লাল্টু মার্কা আশা করেছিলাম। তুহিন (দন্ডিত)আর ফারহানকে আরো দুর্ধর্ষ বুদ্ধিজীবি কিছু একটা চেহারা ভেবেছিলাম। চিকনা চাকনা একটা ছেলে কে সিউল রায়হান জেনে অবাক হয়েছিলাম। রোহান, বৃত্তবনদী এদের চেহারা আগেই দেখেছিলাম।
৪। ডাক্তার সাহেবও আরেকটু বুড়া হৈলে ভালো হৈত। কল্পনার সাথে মিলত ভালো।
* - ভাষা একটু সংযত করলাম। রসিকতা করতে গিয়ে মনে হয় একটু অশোভন হয়ে গিয়েছিল। স্যরি।
মেহরাব, তুহিন (দন্ডিত)আর ফারহান কী সেদিনের আড্ডায় এসেছিলেন? তাদের চিনতে পারি নি, কেউ চিনিয়ে দেয় নি, তারাও উদ্যোগী হয়ে পরিচিত হন নি। কাছে থেকেও চেনা হলো না!! দুঃখ!!! ছবিতে কে কোনটা, কেউ কী জানাবেন?
লেখকের মন্তব্য
ভাইয়া আমি নিজেও তাদের কে চিনি নাই।
হা হা হা, রোবোট ভাই ব্যাপক কনফিউশন তৈরি করছেন দেখা যায়। আসলে রোবোট ভাই মেহরাব ফারহান তুহিনের কথা যেটার কথা বলছেন সেটা ২০০৯ এর কথা। ঐ আড্ডাতে আমি ছিলাম বলেই হুট করে ধরতএ পারলাম। অবশ্য আমি বরাবরই একটু সাইড ক্যারেক্টার এইজন্য মনে হয় রোবোট ভাই বা তনুজাদিরও মনে নাই ঐটার কথা। ঐটা ছিলো আসলে বুয়েটের যারা সামুতে ব্লগায় তাদের সাথে আরো কিছু সামুর ব্লগার রোহান, এপু এনারা ছিলেন। আর এই আড্ডায় ওিসব লোকদেরআ সার চান্স নাই। মেহরাব এখন আম্রিকা, ফারহান নতুন বিয়ের পিড়িতে বসে মোটামুটি অনলাইন জগত থেকে হাওয়া। আর তুহিন মাঝে মাঝে উদর হয় আবার হুট করেই মিলে যায়। তবে ব্যাক্তিগত সূত্রে যতদূর জানি সেও অফিস ফ্যামিলি এইসব নিয়া ব্যস্ত।
যাউকগা নেক্সট আড্ডায় প্রবীর মিত্রের (সাইড ক্যারেক্টার) ভূমিকা লইতে দেশে আইতেসি (কবে জানি না) !!
আরেকবার রিমাইন্ডার দিলাম ।
লেখকের মন্তব্য
ভাইয়া নেক্সট আড্ডায় আপনাকে আর মিস করতে চাইই না।
ব্লগ পরিবেশ বৃত্তান্ত:
এটা হয়ে যায় আমার ট্রেডমার্ক কমেন্ট।
১।নুশেরার প্রস্তাবে দ্বিমত। আমি চাই সবাই কমেন্ট করুক বেশী বেশী, কিন্তু মডারেটর নোট পাঠালে মনে হবে সেই হাফপ্যান্ট থিওরীর কথা। জানি সেটা নুশেরার উদদেশ্য না, কিন্তু নতুন ব্লগাররা সেটা ভুল বুঝতে পারেন।
কমেন্ট করার জন্য জনপ্রিয় কমেন্ট, বাচালশ্রেষঠ এগুলোতো আছেই। বরং বাচালের বদলে টার্মটা সক্রিয়/ইনটারএ্যাকটিভ ব্লগার করা যায় কিনা সেটা ভাবা যায়।
বাচালতো ভালো কোন কথা না।
২। আমি নিজেও "ভাত খাইসি কাল মুরগি দিয়া, রুটি খামু আইজ মাছ দিয়া" ধরণের পোস্টই লিখি সেজন্য কাউকে পোস্টের কোয়ালিটি বা কনটেন্ট নিয়ে কিছু বলার যোগ্যতা রাখিনা বলেই মনে করি। কিন্তু সিরিয়াস পোস্টে প্রাসংগিক কমেন্ট করাটা খুব দরকার। তবে কবিতা বা মুকতগদ্য পোস্টে আমি এজন্য বিপদে পড়ে যাই, কিছু কমেন্ট করতে পারিনা বলে। সেজন্য তনুজা বা সাকাধুর পোস্টে
৩। আড্ডা পোস্টের একটা ভালো দিক হলো, মানুষজনের মাঝে সম্পর্ক তৈরী হয়ে যায়। তখন সমালোচনা করে রয়েসয়ে, শুগারকোটিং দিয়ে। সমালোচনা হলো তেতো ঔষুধের মত, শুধুমাত্র শুগার কোটিং বা প্রিয় ফ্লেভার মেশালেই রোগী খাবে।
৪। শফিকুলদের নিয়ে চিনতার কিছু নাই, ওনারা এমনি এমনিই ঝরে পড়বেন।
https://www.facebook.com/media/set/?set=a.378208698872440.111110.100000499398149&type=1
এই খানে আর কিছু ছবি পাওয়া যাবে
লেখকের মন্তব্য
থ্যাঙ্কু ভাইয়ামনি।
প্রাণের আত্মীয়রা মিলে সবাই চতুর পরিবার,
)
এর চাইতে বেশী কিছুই বলার নেই আমার।।
(জ্বরের ঘোরে বেশী লিখতে পারছিনা আরকি
লেখকের মন্তব্য
দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠুন ভাইয়া।
হায়রে....

কারো যেন নজর না গেলে.....
ছবি দেখে আমার খুব ইচ্ছে হচ্ছিল...সাথে থাকার।

মন্তব্য করুন