লেখকের ক‌থা

সদর দরজা

বিপ্লব দীর্ঘজীবী হোক

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

লক্ষ্মীপুরের মেয়র আবু তাহের ছাত্রজীবন থেকেই আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। জন্মের আগে থেকে এই রাজনীতিতে যোগদানের সুযোগ থাকলে তিনি সুযোগ মিস করতেন না। কিন্তু তার ছেলে এএইচএম বিপ্লবের কেসটি আলাদা। জন্মের আগে থেকেই সে আওয়ামী লীগ করছে। তার রাজনৈতিক ত্যাগ তিতিক্ষা নিয়ে কোনো প্রশ্ন নাই তার বাবার। আবু তাহের একজন গর্বিত বাবা।

বিপ্লব নামের এই ছেলেটি বিএনপির নেতা এ্যাডভোকেট নূরুল ইসলামকে দলবল নিয়ে খাটের নিচ থাকে ধরে নিয়ে টুকরো টুকরো কেটে মেরে ফেলেছিল। সে কারণে নূরুল ইসলাম মারা যান বলে খবর প্রকাশিত হয়। নূরুল ইসলামের স্ত্রী বিধবা হন। তার সন্তানেরা এতিম হয়। সর্বোচ্চ আদালত বিপ্লবকে দলবলসহ ফাঁসি দেয়। বিপ্লবের ফাঁসিটি সঙ্গে সঙ্গে হয়নি। ফাঁসি কার্যকর করার অনেক কায়দা কানুন আছে। ফাঁসির সেলে শেষের সেই ভয়ঙ্কর দিনটির অপেক্ষায় ছিল।

এই অবসরে বিপ্লবের ফাঁসির দণ্ডাদেশ মওকুফ করে দিয়েছেন আমাদের মহামান্য রাষ্ট্রপতি। তিনি মহানুভব। হত্যাকাণ্ড তাঁর নাপছন্দ। তাঁকে সেলাম।

মুশকিল বাঁধিয়েছেন বিপ্লববিরোধী বিএনপির মওদুদ আহম্মদ। এই লোকটি অতিশয় ঘড়েল। তাঁর চরিত্র বলে কিছু নেই বলে রটনা আছে। জন্মের পর থেকেই মওদুদ সকল সরকারের সঙ্গে থাকার সৌভাগ্য অর্জন করে রেকর্ড গড়েছেন। বিএনপি-জামাতের আইনমন্ত্রী হিসাবে মওদুদ সে সময় কানাডা গিয়ে ঝিন্টু নামের এক ফাঁসির দণ্ডাদেশপ্রাপ্ত বাংলাদেশী খুনীর মেহমান হন। শোনা যায় ঝিন্টু তাঁকে মেলা কানাডিয়ান ডলার উপহার দেন। খুশি হয়ে ঝিন্টুকে মওদুদ রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে ফাঁসির দণ্ডাদেশ মওকুপ করার ব্যবস্থা করেন। মওদুদ কারো চোখের পানি সহ্য করতে পারেন না। তিনি কেবল বিদেশী মদ্য সহ্য করতে পারেন। বলেন মারহাবা।

মওদুদ বলেছেন বিপ্লবকে আওয়ামী লীগের নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি ফাঁসির দণ্ডাদেশ মওকুফ করে ঠিক করেননি। সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেছেন এইখানে রাষ্ট্রোপতি ভুল করেন নাই। ভুলটি আসলে সাহারা খাতুনের। মানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের। সাহারা খাতুনের সঙ্গে কি সুরঞ্জিতের কোনো পেশাগত দ্বন্দ্ব আছে? সে প্রশ্ন এখানে নয়। সুরঞ্জিত স্বভাবসুলভ বিজ্ঞতায় বলে দিয়েছেন-- আইন মন্ত্রণালয়কে বাদ দিয়েই ফাইলটি পুটআপ করেছে রাষ্ট্রপতির কাছে। ফাইল পুট আপ হলে রাষ্ট্রপতির সই না করে পারেন না। সই দেওয়াই তাঁর কাজ। সই না করলে তাঁর রাষ্ট্রপতিত্ব ক্ষুণ্ন হয়। তাই রাষ্ট্রপতিকে দোষ দেওয়া অন্যায়। দোষটা আসলে মওদুদের। তালিয়া হবে।

বিপ্লবের বাবা তাহের খুব সৎ মানুষ। তিনি কখনো মিথ্যা কথা বলেন না। তিনি সংবাদ সম্মেলন করে বলেছেন-- আমি ও আমার পরিবার মওদুদের চক্রান্তের শিকার। ‘নূরুল ইসলাম হত্যা মামলায় আমার পরিবারকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসাবশত জড়ানো হয়েছে। এটি ব্যারিস্টার মওদুদের একটি হীন চক্রান্ত। তিনি ৯৬ সালের উপ-নির্বাচনে লক্ষ্মীপুর-২ (রায়পুর) আসনে নির্বাচন করে পরাজিত হন। তিনি এর জন্য আমাকে দায়ী করেন। মওদুদ সাহেব সে সময় আমাকে দেখে নেবেন বলে হুমকিও দিয়েছিলেন। বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময় পুলিশ বিভাগকে ব্যবহার করে তিনি তদন্তের মিথ্যা রিপোর্ট তৈরি করে আমার পরিবারকে বিভিন্ন সাজা দেন। আমি এবং আমার পরিবার নূরুল ইসলাম হত্যার সাথে কোনভাবে জড়িত নয়।‘ বিপ্লব দীর্ঘজীবী হোক।

কিন্তু নিহত নূরুল ইসলামের স্ত্রী রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ফাঁসির দণ্ডাদেশ মওকুফের কোনো কারণ খুঁজে পাচ্ছেন না। তিনি আবু তাহেরের সংবাদ সম্মেলনের আগেই রাষ্ট্রপতির কাছে দুটো প্রশ্ন করেছেন :
১. প্রধানমন্ত্রী যদি তাঁর পিতার হত্যার বিচার চাইতে পারেন, আমার পিতৃহারা সন্তানেরা কেন বিচার চাইতে পারবে না?
২. রাষ্ট্রপতির স্ত্রী আইভি রহমানের হত্যাকারীদের যদি ফাঁসির আদেশ হয়, তিনি কি তাদের ক্ষমা করবেন?

এই কথার উত্তর পাওয়া যাবে বলে মনে হয় না রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে। তিনি খুবই বিজি। তাঁর মনেও একটা দুঃখ আছে। তাঁর স্ত্রী আইভি রহমানকে বিএনপির চক্রান্তে গ্রেনেড হত্যা করেছে। সেই বিচারটি চলছে। সে বিচারে তিনি এবং তার মাতৃহারা ছেলেমেয়েরা তাদের স্নেহময়ী মায়ের খুনীদের নিশ্চয়ই ফাঁসিই চান। মুশকিল হল বিচার প্রক্রিয়াটি বড় ধীরগতি সম্পন্ন। এই খুনীদের ফাঁসি হোক দেশবাসীও কামনা করে। সে ক্ষেত্রে কি মৃতদ্বার রাষ্ট্রপতি কি তাঁর মহানুভতার ঝুলিটি খুলতে পারবেন? কঠিন প্রশ্ন।

এইসব কঠিন প্রশ্ন নিয়ে সকলের মাথা গরম। গরম মাথায় এইসব নরম প্রশ্ন করা ঠিক নয়। নরম মাথা দরকার। নরম মাথা আছে ডঃ হাছান মামুদের। কারণ তিনি বন ও পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী। তার বনে গরম নাই। তার মনে শরম নাই।

এই বন ও পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী ডঃ হাছান মাহমুদ আবু তাহেরের খুনি-সন্তান বিপ্লবের ফাঁসির দণ্ডাদেশ মওকুফ করার উপযুক্ত কারণটি বলে দিয়েছেন। ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ আইনমন্ত্রী থাকাকালে নূরুল ইসলাম হত্যা মামলার তদন্ত ও বিচারে প্রভাব বিস্তার করেছিলেন। গতকাল রবিবার সচিবালয়ে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের তিনি আরো বলেন, মওদুদ আহমদ প্রভাবিত করায় আদালত বিপ্লবকে দণ্ড দেয়। রাষ্ট্রপতি এসব বিবেচনায় এনে তাকে ক্ষমা করে দিয়েছেন। এ ধরনের ঘটনা বিভিন্ন মেয়াদে বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালেও ঘটিয়েছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

ড. হাছান মাহমুদ বিরোধী দলের উদ্দেশে বলেন, যাদের রাজনীতি মিথ্যা ও হত্যার ওপর প্রতিষ্ঠিত, তারা বিপ্লবকে ক্ষমা করে দেয়ার বিষয় নিয়ে প্রশ্ন তোলার নৈতিক ক্ষমতা রাখেন না। খুব সহি বানী।

ডঃ হাছান মাহমুদের এই বানী থেকে বোঝা গেল--
--------------------------------------------------------
এক। বিচার বিভাগকে প্রভাবান্বিত করা যায়।

দুই। বিচার বিভাগকে প্রভাবিত করেছিল বিএনপির মওদুদ।। এই প্রভাবিত করার কাজটা আওয়ামী লীগ মওদুদের কাছ থেকে শিখে ব্যবহার করছে। সুতরাং আওয়ামী লীগের দোষ নাই। সব দোষ মওদুদ বা বিএনপির দোষ। যেহেতু মওদুদ করেছে--তাদের করতে দোষ থাকার কথা নয়। দোষ ধরাটাও ঠিক নয়। দোষ ধরলে মওদুদের ধরেন।

তিন। বিপ্লব আসলে খুবই ভাল ছেলে। শান্ত শিষ্ট লেজ বিশিষ্ট। সে অপরাধ করতেই পারে না। সে খুন করতেই পারে না। ভাল করে অনুসন্ধান করলে মৃত এ্যাডভোকেট নূরুল ইসলামকে খুঁজে পাওয়া যাবে। তিনি হয়তো মারাই যাননি। খাটের নিচে পালিয়ে আছেন। উপযুক্ত সময় এলেই তাকে পাওয়া যাবে। আর তাকে লুকিয়ে রেখে বিপ্লবকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য মিথ্যে মামলায় ফাঁসানো হয়েছে।
মওদুদ আদালতকে প্রভাবিত করেছিল বলে এই আলাভোলা ভালো ছেলেটিকে অন্যায়ভাবে বিচার বিভাগ দণ্ড দিয়েছিল। মওদুদ প্রভাব বিস্তার না করলে তাকে বিচারকরা ফুলের মালা গলায় দিয়ে মামার বাড়ি পাঠিয়ে দিতেন। বলতেন, বাপা বিপ্লব, শান্তিতে ইউনুসের নয়, তোমারই নো-বেল পাওন দরকার। সেটার ব্যবস্থাও ছিল। মাঝখান থেইকা ব্যাটা ইউনুস বাগড়া দিয়ে তোমার নো-বেলটি ছিনিয়ে নিয়েছিল। হাসিনা ইউনুসের কাছ থেইকা নো-বেলটি উদ্ধারের ব্যবস্থা করছে। উদ্ধার হইলে নো-বেলটি হাসিনারেও ভাগ দিও। একা খাইও না।

চার। মওদুদের কথা শুনে বিপ্লবকে দণ্ড প্রদানটি বিচার বিভাগের ঠিক হয়নি। এটা বিচার বিভাগের একটি মারাত্মক ভুল। তাই বিচার বিভাগের ভুলটি সংশোধন করে দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি। তিনি কোনো অন্যায়কে প্রশ্রয় দিতে পারেন না। এই বিচার বিভাগের অন্যায়টির প্রতিকার হিসাবে বিপ্লবকে দণ্ড মওকুফ করেছেন তিনি। রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে এই জন্য সংক্ষুদ্ধ কারও কোনো মামলা করারও সুযোগ নাই। তিনি সবার উর্দ্ধে। তাকে উর্দ্ধে থাকতে দিন।

পাঁচ। এই ধরনের কাজকাম বিএনপি আমলেও বিস্তর হয়েছে। এটা নতুন নয়। সুতরাং এটা মৃত এ্যাডভোকেট নূরুল ইসলামের স্ত্রী জানেন না। জানলে রাষ্ট্রপতিকে প্রশ্ন করতে পারতেন না যে, আপনার স্ত্রীর খুনীদেরও কি মাফ করে দেবেন। হায় বিধবা রমণী। অবোধ রমণী। উতলা হইও না। বাস্তবতাকে শেখো। বেশী ফালাফালি করিও না।

ছয়। বিএনপির উচিত তাদের দেখানো পথ আওয়ামী অনুসরণ করায় আওয়ামী লীগকে হাততালি দেওয়া। ইত্যাদি।

হাছান মাহমুদ ইদানিং বেশ সুন্দর সুন্দর বানী দিচ্ছেন। তার বানী সকল বানী চিরন্তনীতে ঠাই পাওয়ার যোগ্য। জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ডঃ আনু মুহাম্মদকে তিনি টোকাই বলেছিলেন। বলেছিলেন আনু সাহেবের টাকা পয়সা নাই। তার গায়ে ময়লা বা ছেড়া বা কম দামী জামা। এইসব টোকাইদের চিক্কুর পাড়া ঠিক নয়। চিক্কুর পাড়তে হলে আনু মুহাম্মদকে বামবিপ্লবী নয়-- আবু তাহেরের ঘরে এএইচএম বিপ্লব হয়ে জন্ম নিতে হবে। গ্রেট হাছান মাহমুদ। আপনার কথা বার্তা শুনে মনে হচ্ছে--আনু মুহাম্মদের গায়ে ছেঁড়া জামা হলেও তো আছে। কিন্তু আপনার গায়ে তো কোনো জামা কাপড়ই নাই। ঘটনা কি?

ঘটনা হল--খুব গরম পড়েছে। গরমে অনেক স্বভাব পাগল ল্যাংটা পাগল হয়ে যাচ্ছে।

0
আপনার মূল্যায়ন: আপনি মূল্যায়ন করেন নি।
শেয়ার করুন » Facebook Twitter Delicious Digg MySpace Google Orkut Blogger Google Buzz Technorati
অথবা এই সংক্ষিপ্ত লিংক শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৪২৬০১(১)    

বড় বড় লোকের বড় বড় কাজ (গররররর) কুপা শামসু গুল্লি

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৪২৬১০(২)    
লেখকের মন্তব্য

ডিসকো বান্দর

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৪২৬০৯(৩)    

ভাল লিখেছেন ।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৪২৬২৪(৪)    

আপনারা খালি ত্যানা প্যাঁচান আর জ্ঞানী-গুণী, বড় মানুষদের ধুতি-লুঙ্গি-পৈতা ধরে টানাটানি করেন। এইসব করলে দেশ আগাবে কী করে? জিল্লুর রহমান একজন ত্যাগী নেতা, জনগণের জন্য তার কতো দরদ, আজ আইভি রহমান বেঁচে থাকলে স্বামী গর্বে তিনি তিন চাঁদ ঘুমাইতে পারতেন না।

বিপ্লদ দীর্ঘিজীবি হোক, আর জনবিরোধী শুওরের বাচ্চা রাজনীতিবিদ এবং তাদের তোষণকারী সব পদের গান্ধীপোকা জাহান্নামের চৌরাস্তায় হল্লা করুক।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৪২৬২৫(৫)    
লেখকের মন্তব্য

কেককুক

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৪২৬৪৪(৬)    

মারহাবা! হাততালিহাততালি

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৪২৬৪৬(৭)    
লেখকের মন্তব্য

হিঃহিঃহিঃ  হাহাহা

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৪২৬৬৮(৮)    

কুলডা রায়, আহা..........বাহা...বেড়ে...........

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৪২৬৯২(৯)    
লেখকের মন্তব্য

:)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৪২৬৮২(১০)    

বেশ কিছুদিন যাবত ব্যাপারটা ভাবছি। লোকটা আর কয়দিন পর কব্বরে যাইব, একটু ভাবলও না! আওয়ামী লীগের এই লোকটারে সলিড মনে হইছিল, কিন্তু সব ভাবনা ভুল।ভাই আপনার লেখাটা বড়ই ভাল হইছে। ভালো লাগছে / পুরাই একমত / জটিল

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৪২৬৯১(১১)    
লেখকের মন্তব্য

:)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৪২৬৮৯(১২)    

একবার পড়লাম নিজে, আর একবার বৌরে পড়ে শুনালাম। এই জিনিষ কী আর একা ভোগ করতে ভালো লাগে? কিন্তু এই মাল যাদেরকে নিয়ে লেখা তাদের সহ্য হলে হয়! রাজনীতি যারা করছে তাদের মাঝে কেউ কি মানুষ নাই?
আপনার লেখা পছন্দ হয়েছে। আরাম পেলাম, একই সাথে কষ্ট বাড়লো।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৪২৬৯০(১৩)    
লেখকের মন্তব্য

ধন্যবাদ।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৪২৮৮৯(১৪)    

স্বামীহারা বিধবা স্ত্রী আর পিতাহারা সন্তানদের কান্নার চেয়েও
রাষ্ট্রপতির এই ক্ষমা কষ্টদায়ক।
ধন্যবাদ, দাদা।

 

মন্তব্য করুন

এই তথ্যটি সর্বদাই গোপন রাখা হবে এবং কোন অবস্থাতেই তা জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।
ছবি যাচাই
আপাতত: শুধু মানুষদের জন্যই আমাদের দুয়ার খোলা। পরে নাহয় রবোট, বায়োবট বা এন্ড্রয়েডদের কথা বিবেচনা করা যাবে।
19 + 0 =
এই গাণিতিক সমস্যাটি সমাধান করুন এবং সঠিক উত্তরটি উপরের ঘরে লিখুন। যেমনঃ ১+৩ এর জন্য লিখুন ৪।