ডাক্তারের রোজনামচা-এর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

২০১১ সালের ১৯ আগস্ট ‘চতুর্মাত্রিক’ ব্লগের শ্রদ্ধাভাজন ব্লগার নাজমুল হুদা ভাইয়া একটি গল্প লিখলেন, তিন ঘনিষ্ঠ বন্ধু আর এক বন্ধুর ছোট বোনকে নিয়ে, সরল রখা - বক্ররেখা। গল্পটি তিনি শেষ করলেন না, আবার ধারাবাহিকভাবে লিখতেও চাইলেন না। গল্পের শেষে তাঁর ফুটনোটে লেখা ছিলো, ‘এটা কোন ধারাবাহিক নয়। সেলিনা, হাবিব, সিরাজ, মিলন যদি আবার কখনো আসে, তা’হলে পরের কাহিনী তাদের কাছ থেকে জেনে আপনাদের জানাবার ইচ্ছা থাকলো!’ কিন্তু তাঁর এই ফুটনোট অন্য ব্লগাররা মানতে চাইলেন না! এদের মধ্যে আকাশগঙ্গা নামে খ্যাত মিজানুর রহমান পলাশ তো এই লেখাকে বারোয়ারী রূপ দেবার জন্য নাজমুল হুদা ভাইয়ার কাছ হতে রীতিমতো অনুমতি আদায় করে নিলেন। শুরু হলো এমন একটি বারোয়ারী লেখা, যার সাথে জড়িয়ে গেলো এর লেখকদের ব্যক্তিগত আবেগ, আনন্দ, কষ্ট, সবকিছু।
ডাক্তারের রোজনামচা (ডাঃ এস এম নিয়াজ মাওলা) লিখিত তৃতীয় পর্ব শেষে আকাশগঙ্গা একটি মন্তব্য করেন, ‘এইটা নিয়ে একটা উপন্যাস লিখে বইমেলায় ছাপিয়ে দিতে পারলে বেশ হয়। এক বই কিনে অনেক লেখকের লেখা পড়া।’ এভাবেই শুরু হলো এক আকাশছোঁয়া স্বপ্নের, যে স্বপ্নের সারথী আমরা সবাই।
এই বারোয়ারী উপন্যাসের সবচেয়ে মজার দিকটি হচ্ছে, এটি পরিকল্পনা করে শুরু হয়নি, শুরু হয়েছে হঠাৎ করে। কোনো পর্ব লেখার জন্য কাউকে আগে থেকে বলা হয়নি, পর্ব রচয়িতারা নিজেদের আগ্রহে, নিজেদের আনন্দেই, স্বেচ্ছায় এগিয়ে এসেছেন। প্রত্যেক রচয়িতাই তাদের পর্ব লেখার সময় সম্পূর্ণ স্বাধীন ছিলেন, তাদের কলমকে ইচ্ছেমতো চলতে দেয়া হয়েছে। আরেকটি মজার ব্যাপার হচ্ছে, এই বারোয়ারী উপন্যাসটি বারো জনেরই লেখা- The Dazzling Twelve.
The Dazzling Twelve:
১. নাজমুল হুদা -তিনি এই উপন্যাসটির প্রথম পর্ব লেখেন।
২. আকাশগঙ্গা (মিজানুর রহমান পলাশ)-তিনি এই উপন্যাসটির দ্বিতীয়, অষ্টম এবং দ্বাবিংশ থেকে শেষ পর্ব পর্যন্ত লেখেন।
৩. ডাক্তারের রোজনামচা (এস এম নিয়াজ মাওলা)- তিনি এই উপন্যাসটির তৃতীয়, সপ্তম এবং সপ্তদশ পর্ব লেখেন।
৪. জুলিয়ান সিদ্দিকী-তিনি এই উপন্যাসটির চতুর্থ ও ষষ্ঠদশ পর্ব লেখেন।
৫. সাহাদাত উদরাজী- তিনি এই উপন্যাসটির পঞ্চম পর্ব লেখেন।
৬. শব্দপুঞ্জ ( ফয়সল কাদের চৌধুরী) -তিনি এই উপন্যাসটির ষষ্ঠ ও ত্রয়োদশ পর্ব লেখেন।
৭. পাপতাড়ুয়া (সোহেল মাহমুদ)-তিনি এই উপন্যাসটির নবম পর্ব লেখেন।
৮. নাঈফা চৌধুরী অনামিকা -তিনি এই উপন্যাসটির দ্বাদশ, অষ্টাদশ, বিংশ ও একাবিংশ পর্ব লেখেন।
৯. ময়ূখ রিশাদ (আরিশ)-তিনি এই উপন্যাসটির দশম পর্ব লেখেন।
১০. আমিন শিমুল - তিনি এই উপন্যাসটির একাদশ পর্ব লেখেন।
১১. অপাংক্তেয় (নাহিদ আফরোজ)- তিনি এই উপন্যাসটির চতুর্দশ পর্ব লেখেন।
১২. জ.ই মানিক - তিনি এই উপন্যাসটির পঞ্চদশ ও ঊনবিংশ পর্ব লেখেন।
এই উপন্যাসটির শুরু থেকেই চতুর্মাত্রিক ব্লগের শ্রদ্ধেয় ব্লগারগণ উৎসাহমূলক মন্তব্য দিয়ে সবসময় আমাদের অনুপ্রাণিত করেছেন, আমাদের পাশে থেকেছেন। বিশেষ করে, সুরঞ্জনা, মেঘ অদিতি, একুয়া রেজিয়া, দর্শক, এ এ এম বিপ্লব, নয়ন, আব্দুর রাজ্জাক শিপন, শাওন, নুশেরা তাজরিন, তন্ময়, আব্দুল করিম, ফরিদুল আলম সুমন, বাপী হাসান, মেঘপরী শিলা, জলরঙ, মেঘরঙ, চৈতী আহমেদ, নির্মক্ষিক, স্রোত, বাতিঘর, ইমরান নিলয়, মুর্শেদ রূমী, ঈশান মাহমুদ, মাতরিয়শকা, অদ্ভুত আচার্য, ঝিনুক, মনির, নষ্টালজিক, কবি, শাপলা, তিশা, অর্থহীন, সকাল রয়, তারার হাসি, জুন প্রমুখ - তাঁদের প্রত্যকের কাছে আমরা গভীরভাবে কৃতজ্ঞ, একই সাথে আমরা কৃতজ্ঞ ‘চতুর্মাত্রিক’ ব্লগ এবং এর মডারেটরদের প্রতি। উপন্যাসটির খুব সুন্দর একটি প্রচ্ছদ করে দেবার জন্য মেঘ অদিতিকে আন্তরিক ধন্যবাদ। উপন্যাসে তাঁদের রচিত পংক্তিমালা ব্যবহার করতে দেওয়ায় গীতিকার ও লেখক শেখ রানা, গীতিকার রাসেল ও’নীল এবং হাসান মাহবুব এর প্রতি আমরা সবাই কৃতজ্ঞ। উপন্যাসটির খুব সুন্দর একটি রিভিউ শত ব্যস্ততার মধ্যেও লিখে দেওয়ার জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরষ্কারপ্রাপ্ত সুরকার ও গীতিকার কবির বকুল ভাইয়াকে অসংখ্য ধন্যবাদ। বাংলাদেশের প্রথম বারোয়ারী উপন্যাস প্রকাশে এগিয়ে আসায় অন্যপ্রকাশ এবং মাজহার ভাইকে আমাদের আন্তরিক অভিনন্দন। পরিশেষে এই বারোয়ারী উপন্যাসটিকে সম্পাদনা করে মলাটবন্দী করার জন্য শব্দপুঞ্জ (ফয়সল কাদের চৌধুরী), অপাংক্তেয় (নাহিদ আফরোজ), নাঈফা অনামিকা চৌধুরী, আকাশগঙ্গা (মিজানুর রহমান পলাশ), নাজমুল হুদা এবং ডাক্তারের রোজনামচা (ডাঃ এস এম নিয়াজ মাওলা) এর প্রতি আমাদের অশেষ কৃতজ্ঞতা।
সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন।
বইয়ের নামঃ সরলরেখা - বক্ররেখা
ধরনঃ বারোয়ারি উপন্যাস
প্রচ্ছদঃ মেঘ অদিতি
প্রকাশনীঃ অন্যপ্রকাশ (স্টল নং: ২৪৮,২৪৯,২৫০)
আমেরিকা পরিবেশক: মুক্তধারা, জ্যাকসন হাইট, নিউইয়র্ক।
যুক্তরাজ্য পরিবেশক:সঙ্গীতা লিমিটেড, ২২ ব্রিক লেন, লন্ডন, যুক্তরাজ্য।
পৃষ্ঠাঃ ১১২
মূল্যঃ ২০০ টাকা মাত্র
বইমেলার দ্বিতীয় দিন ০২/০২/২০১২ -এ বিকাল চারটার সময় বাংলা একাডেমী প্রাঙ্গনে মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠান হবে।সবাইকেআমন্ত্রণ।
মন্তব্য
অভিনন্দন
লেখকদেরকে
দেশে যেতে না পারলেও বইটি কোন না কোনভাবে সংগ্রহ করবো নিশ্চয়
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ জলাপু।
আপনার কপিটি আমার কাছে পাবেন।
উহাহাহা...উহাহাহা...
লেখকের মন্তব্য
আমারো খুব নাচতে ইচ্ছে করছে
আমি তবে বাদ্য বাজাই!
লেখকের মন্তব্য
আমি তবে সঙ্গ দেই!
লেখকদেরকে অভিনন্দন। সাফল্য কামনা করছি।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ ভাইয়া।
বাই দ্য ওয়ে, আমি কিন্তু আপনার লেখার ভক্ত, ভাইয়া।
লেখকের মন্তব্য
নয়ন, একটা অসাধারণ কথা বলেছো, আসলেই ঠিক তাই।
২ তারিখে তোমাকে দেখতে চাই।
আপনাদের সব্বাইকে ইয়া বড় একটা অভিনন্দন!
কোন পরিকল্পনা ছাড়াই এমন দুঃসাহসিক কাজ প্রায় অসম্ভব! পথচলা শুরু করেছেন হঠাৎ, অথচ সেটার পরিণতিটা হয়েছে কত চমৎকার! এত্তগুলো ব্লগারের সক্রিয় অংশগ্রহণে একটা উপন্যাসের এই কনসেপ্টটাওতো এক্সিলেন্ট! পুরো উপন্যাসের পাতায় পাতায় আপনাদের শ্রম, নিষ্ঠা, আন্তরিকতার কথা হয়তো লিখা থাকবে না, কিন্তু আমরা জানি, কী এক অদ্ভুত, অদৃশ্য সুঁতোর বন্ধনে সবকিছুই হয়েছে ঠিক ঠিক!
প্রথমেই আল্লাহর কাছে শুকরিয়া যে বইটা ঠিকমতো পাবলিশ করতে পেরেছি। আল্লাহর দয়া না থাকলে অন্যপ্রকাশের মত পাবলিকেসনশের থেকে বই বের করা হতোনা। আর একাজে নিয়াজ ভাইকে বিশেষ ধন্যবাদ।
এরপরে ধন্যবাদ চতুরমাত্রিক এবং এর সকল ব্লগার ভাই বোন বন্ধুদের কে।
তাদের উৎসাহ আর সহযোগিতা ছাড়া এই কাজ এত সফল ভাবে সমাধা হতো না।
আমি আপনাদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি। একই সাথে আশা করেছি আপনারা এতদিন যেভাবে আমাদের পাশে ছিলেন সামনেও সেভাবেই থাকবেন। বইটি কিনবেন, কেনাবেন। পড়বেন এবং সমালোচনা করবেন।
তবেই এ কর্মযজ্ঞের স্বার্থকতা।
চমৎকার মন্তব্য, প্রিয় পলাশ ভাইয়া!!
একমত।
লেখকের মন্তব্য
পলাশ, এই বারোয়ারির প্রস্তাবটা এসেছিলো তোমার কাছ হতে, বই প্রকাশের প্রস্তাবটাও এসেছিলো তোমার কাছ হতে। আমাদের এই আকাশছোয়া স্বপ্নের বাস্তবায়নের জন্যও তুমি খেটেছো অনেক।
অসংখ্য ধন্যবাদ তোমাকে।
নিয়াজ ভাইয়া,
বুঝতে পারছি না, কেন যেন আপনার পোস্ট পড়ে আমার চোখে পানি জমতে শুরু করেছে...।
মলাটের আড়ালে আমি যেটা অর্জন করেছি, সেটা হল অসম্ভব হৃদয়বান/ হৃদয়বতী কিছু মানুষের বন্ধুত্ব আর ভালবাসা।।
------
যারা বারোয়ারী লেখা কখনও লেখেননি, তাঁদের উদ্দেশ্যে এটা বলবো, নিজের লেখার সেরা মূল্যায়ন করতে হলে বারোয়ারী লেখায় অংশগ্রহণ করাটা হবে বুদ্ধিমানের কাজ। কারণ, যেহেতু বারোয়ারী প্রচেষ্টা মানেই সম্মিলিত প্রচেষ্টা, আপনার লেখার গুনগত মানের উৎকর্ষ সাধন করা যায় কিভাবে, সে বিষয়ে অনেকের নিরপেক্ষ ফিডব্যাক লাভ করা যায় বারোয়ারী লেখায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে। আর বারোয়ারী লেখায় যে পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়া আর আনন্দের তীব্রতা - সে তো অতুলনীয়! সে বিষয়ে লিখে বোঝাতে পারব না - অনুভব করতে পারি শুধু।
সহমত শতভাগ, অমিতাপু।
প্রিয় মানিক ভাইয়ার মুখে 'অমিতাপু' সম্বোধন শুনলে নস্টালজিক হয়ে যাই প্রতিবার!

প্রিয় ভাইয়া, ভাল থাকুন অনন্ত!
লেখকের মন্তব্য
অনামিক আপু, প্রথম কথা-- আপনার কাছ থেকে আমি একটা মেইল অনেকদিন ধরে আশা করছি-
দ্বিতীয় কথা, আপনি যদি মাঝথে এসে হাল না ধরতেন-- তাহলে এই উপন্যাসটি শেষই হতো না, আপনার "সরলরেখা - বক্ররেখারা- কে কোথায় আছে?"-- এই পোষ্টটিই এই উপন্যাসটিকে দ্বিতীয় জন্ম দিয়েছে। আপনাকে ধন্যবাদ দিয়ে খাটো করতে চাই না। আপনি আছেন আমাদের হৃদয়ে।
খুব ভালো থাকুন আপু।
প্রিয় নিয়াজ ভাইয়া, বিশাল একটা ই-মেইল পাঠিয়েছি এই মুহূর্তে আপনার জি-মেইল এবং ইয়াহু অ্যাকাউন্টে। প্রিয়তি প্রিয় লিসা ভাবীর জন্য শুভকামনা রইল অনন্ত!
অনেক অনেক শুভকামনা এই বইটির জন্য ।
লেখকের মন্তব্য
মাসরুর, তোমাকে ২ তারিখে দেখতে চাই। কোনো কথা শুনতে চাই না।
শুভকামনা। পরিকল্পনাহীনভাবে শুরু হওয়া প্রকল্প শেষ পর্যন্ত এতদূর আস্তে পেরেছে। ভবিষ্যতে আরো চমৎকার কিছু আশা করি
লেখকের মন্তব্য
আরিশ, ২ তারিখে তোমাকে খুব মিস করবো। ভালোভাবে পরীক্ষা দাও।
প্রচ্ছদ সুন্দর হইছে। মেঘ অদিতিরে প্লাস।
লেখকের মন্তব্য
আমিও আবারো মেঘাপুকে প্লাস দিলাম, আর আপনাকে প্লাস দিবো ২ তারিখে দেখলে।
অনেক অনেক শুভকামনা

লেখকের মন্তব্য
শুধু শুভকামনা করলে হবে না, শুভ উপাস্থিতিও দেখতে চাই, একুয়া রেজিয়া আপু।
লেখকের মন্তব্য
শুধু শুভকামনা করলে হবে না, শুভ উপাস্থিতিও দেখতে চাই, অর্বাচীন শিশু ভাই।
অনেক অনেক শুভ কামনা রইল ।
আমি একবার বলছিলাম যে, সময় পেলে একটা পর্ব লেখার চেষ্টা করবো ।
সে সময়টা আর হয়নি । এখন পস্তাচ্ছি । লেখলেতো আমারও একটা অংশীদারীত্ব থাকতো ।
লেখকের মন্তব্য
ব্যাপার না শিপন ভাইয়া।
আসলে এই উপন্যাসে চতুরের সবারই শেয়ার আছে, এটাতো আসলে চতুরেরই উপন্যাস।
এর অংশ হতে পেরে ভালো লাগছে অনেক ।
নিয়াজ ভাই কবির বকুল ভাইয়ার রিভিউ এ্যাড করা যায় কোনভাবে??
পিছনে আপনাদের সময় ও শ্রম গেছে সেটার জন্য কৃতজ্ঞতা । এই কর্মযজ্ঞ সাফল্যের মুখ দেখুক।
অভিনন্দন সবাইকে এর সাথে জড়িত। অভিনন্দন সকল চতুরকে।
ভালো থাকবেন।
লেখকের মন্তব্য
শিমুল, কবির বকুল ভাইয়ের লেখাটা আসলে সেই অর্থে রিভিউ না, ভূমিকা বলা যেতে পারে। এটা নিয়ে কি আলাদা পোষ্ট দিবো, না কি এখানেই যোগ করে দিবো?
এখানেই যোগ করে দিন। আমার মনে হয় বারো জন লেখকের কাছ থেকে দুই তিন লাইনের অনুভূতি নিয়ে (কমেন্ট থেকেও নেয়া যায়) সেটাও যোগ করে দেয়া যায়। মতামত শোবনার অপেক্ষায় রইলাম।
লেখকের মন্তব্য
শিমুল, তোমার কমেন্টটা অনেক পরে চোখে পড়লো। তাই ভূমিকাটা এখানে যোগ না করে কারো পাঠ প্রতিক্রিয়ায় যোগ করে দিই, কেমন?
লেখকদের প্রতি শুভ কামনা।
দেশে গেলে বইটা সংগ্রহ করবো সেই আশা রইলো।
লেখকের মন্তব্য
আপনি না করল্লা ভাইয়া???!!!
কেমন আছেন? আপনার কপি আমার কাছ থেকে নিবেন করল্লা ভাইয়া!
অনেক অভিনন্দন । অনেক শুভ কামনা
লেখকের মন্তব্য
মাসুম ভাই, শুধু শুধু শুভকামনা করলে হবে না, শুভ উপাস্থিতিও দেখতে চাই।
মাসুম ভাই নূয়র্কে থাকে, নিয়াজ ভাই। এসে তার কপি বুঝে নেবে বলেছে। মুক্তধারা থেকে আপাতত একটা সংগ্রহ করে নিতে পরামর্শ দিয়েছি আমি।
অভিনন্দন সবাইকে এবং শুভ কামনা।
লেখকের মন্তব্য
শুধু শুভকামনা করলে হবে না, শুভ উপাস্থিতিও দেখতে চাই, করিম ভাই।
নিয়াজ ভাই আমি শিপন ভায়ের বই এর মোড়ক উন্মচনের ঠিক আগেই ঢাকা আসবো।
ঢাকা আসলে অবশ্যই অবশ্যই উপস্থিত হবো।
আর আমার ঢাকা আসার এক মাত্র উদ্দেশ্য কিন্তু প্রাণের মেলা।
মোরগ কাটার সময় যারা ধারে কাছে থাকবো, তাদের কারো ১/২ জনের ফুন্নাম্বার এইখানে দিয়া রাখেন।
ফডু তুল্তে ভুল্কর্বেন্না, তখন সবাই মোরগ কাটাকাটি সেমি তাজা অবস্থায় দেখতে পাবে ব্লগে, পোষ্টাইতে দেরী কর্বেন্না ফডু সহ।
ফডু দিয়া ভিজুয়াল প্রেজেন্টেশন করা যায়, এমন স্টাইলে ফডু তুইলেন, না পারলেও তুইলেন!!!
কাউন্ট ডাউন শুরু করেন কেউ, কালকা চতুরদের প্রথম উদ্বোধন, এরপরে কার, তারপরে কার টাইপ কাউন্টডাউন---লেট আস মেইক আ হিস্টুরি, এই বই মেলায়!! একটা কাউন্টার ব্লগের পয়লা পাতায় থাকলে ভালো হৈতো, এখন সম্ভব কিনা, জানিনা।
খুব উৎসব উৎসব লাগতাছে।
চতুরে উদ্যমী লোকের অভাব নাই মোটেই, শুরু হোক ঢিন্চাক!!
আর সবাই বৈ কিন্বেন, এই গরীব বিলাইকে চাঁদা তুইলা কিছু বৈ গিফ্ট করা যায় কিনা, একটু বিবেচনা কর্বেন:
লেখকের মন্তব্য
শাওন ভাইয়া, আমার ফোন নম্বরঃ ০১৭৩৭২৩০৩৫৪
আপনাকে অবশ্যই, অবশ্যই এবং অবশ্যই দেখতে চাই।
লেখকের মন্তব্য
নুশেরাপু, আপনার মন্তব্য দেখলে খুব ভালো লাগে, মনে সাহস লাগে।
খুব ভালো থাকুন, আপু।
এইটা তো ফাঁকিবাজী কমেন্ট হইল বিলাইদা, আপনি একবারও বলেন নাই, ইনশাল্লা আসব! আপনাকে আসতেই হপে, পিলিইইইইইইইইচ!!!
এত অল্প সময়ের মধ্যে এমন একটি মানসম্পন্ন দুরূহ কাজ সুসম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে আবারও অভিনন্দন! হ্যাটস অফ টু ইউ অল!
বইটির সার্বিক সফলতা কামনা করি।
লেখকের মন্তব্য
বারীশ ভাই, মানিকের কথা ঠিক আছে। কিছুটা সম্পাদনা করা হয়েছে।
আপনাকে যেনো ২ তারিখে পাই।
সরলরেখা - বক্ররেখা" পড়িনি, ভাবছি ব্লগে পড়ব নাকি বই টা কিনে!
তবে প্রচ্ছদ টা খুব ভাল লেগেছে আমার!
খুব বেশি!
ব্লগ এবং বই, দু'টোতে অমিল পাবেন বেশ খানিকটা। বইয়াকারে প্রকাশের আগে সম্পাদনা করা হয়েছে দু'দফা।
ছোট্ট একটি শিশু চারাকে রোপন করেছিলেন হুদা ভাই। তখন কি উনি ভাবতে পেরেছিলেন একদিন এই শিশু চারা ডালপালা ছড়িয়ে তার শিকড় বিস্তৃত করে বিশাল মহীরুহে পরিনত হবে?
আর সেই শিশু চারাটিকে মহিরুহ করতে আকাশগঙ্গা (মিজানুর রহমান পলাশ),ডাক্তারের রোজনামচা (এস এম নিয়াজ মাওলা), জুলিয়ান সিদ্দিকী, সাহাদাত উদরাজী, শব্দপুঞ্জ ( ফয়সল কাদের চৌধুরী), পাপতাড়ুয়া (সোহেল মাহমুদ), নাঈফা চৌধুরী অনামিকা, ময়ূখ রিশাদ (আরিশ), আমিন শিমু্ল, অপাংক্তেয় (নাহিদ আফরোজ), জ.ই মানিক প্রমুখ অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন। তোমাদের সবাইকে অসংখ্য অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।
আমার পরিবারের সদস্যদের এই সাফল্যে আমি নিজেকে গৌরবান্বিত মনে করছি।
জয়তু চতুর পরিবার!!!!
আসলেও কিন্তু আমার ধারণাই ছিল না যে এমন একটা কাণ্ড ঘটবে! আকাশগঙ্গার তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া আর পরবর্তীতে সহব্লগারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও উৎসাহ প্রদানের ধারা অব্যাহত না থাকলে এটা সম্ভব হতো না কিছুতেই।
আমি সকলকে আমার আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।
খুব ভালো একটা কাজ করেছো নিয়াজ এই পোস্ট দিয়ে। তোমাকে ধন্যবাদ।
লেখকের মন্তব্য
আমাকে ধন্যবাদ???!!!!
নাজমুল ভাই, তাহলে আর আপনাকে ধন্যবাদ দিলাম না!!!
লেখকের মন্তব্য
সুরঞ্জনা আপু, চমৎকার লিখেছেন। আপনি যেভাবে এই লেখার প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত ছিলেন --তাতে আপনিও এই সাফল্যের একজন ভাগীদার।
বইমেলার সময় কী ঢাকাতে আসবেন?
congratz shobaike.oshadharon ekta kaj hoyeche.

লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ কাগজের নৌকা। আশা করি বইটি কিনবেন এবং পড়বেন।
আম্মো বই!!!!
হে হে হে!!!
লেখকের মন্তব্য
হা হা হা হে হে হে
আমি আমার নিজ ভাবনা থেকে একটি কথা বলতে চাই। আমরা যারা চতুরের সাথে আছি লেখক বা পাঠক যেই হই,
প্রাণের মেলাকে সামনে রেখে আমাদের একটাই ইচ্ছা একটাই শখ হওয়া উচিৎ, যে করেই হোক আমরা আমাদের এই চতুর পরিবারে প্রতিটি সদস্যের অক্লান্ত শ্রমকে সার্থক করার লক্ষে যে সকল বই মেলায় আসছে সবার অন্তত
একটি করে বই নিজ সংগ্রহে রাখার ব্যাপারে মানসিক সিদ্ধান্তে পোছাতে হবে।
আমাদের নিজ নিজ ক্ষমতা বলে বই গুলির ব্যাপারে প্রচারণা চালাতে হবে।
এবং আমাদের বিশ্বাস করতে হবে যে, বই কিনে কেউ দেউলিয়া হয় না।
লেখকের মন্তব্য
একমত করিম।
তোমার ঢাকায় আসার অপেক্ষায় আছি।
একটু অভিজ্ঞতার কথা বলি। আমি এর আগে দুই দফা দুটো ব্লগের এই ধরনের বারোয়ারি লিখায় নিজকে যোগ করেছিলাম। এই 'সরলরেখা বক্ররেখা' আমার ৩য় চেষ্টা ছিল। আগের দুটো লেখা বই আকারে আলোর মুখ দেখে নাই, শুরু করা লেখকের অন্যায় মতামতের কারনে লেখকরা ঝগড়া ঝাটি করে বিদায় নিয়েছিলাম!
সেই হিসাবে আমরা ১২জন সার্থক বলে মনে হচ্ছে। এ পর্যন্ত আমাদের ১২ জনকে নিয়ে একটা মিটিংও করতে হয় নাই! সবাই এতটা স্বতফুর্ত ছিলেন যে, যত ধরনের সাহায্য লাগে সবাই করেছেন বলে শুনেছি। চাকুরী করি বলে আমি তেমন একটা সময় দিতে পারি নাই বলে লজ্জিত হচ্ছি।
আমাদের দলনেতা ডাক্তার সাহেবকে আন্তরিক শুভেচ্ছা এবং বাকী ১০ জনের প্রতি ভালবাসা থাকল। আমি সহ ১২ জন! (কোথায়ও বসে ১২জন মিলে যদি চা বিস্কুট খেতে পারতাম!)
এই কমেন্টের মাধ্যমে একটা আবদার জানিয়ে যেতে চাই, আগামী বছরেও এমন একটা উদ্দোগ চাই।
সাফল্য কামনা করছি। আমি নিশ্চিত সাফল্য আসবেই।
প্রকাশনা উৎসবে থাকবেন না?
হা, আমি থাকব বলে আশা রাখি। কিন্তু লাইন ধরে সময় মত প্রবেশ করতে পারব কিনা বুঝতে পারছি না। আহ, লেখক/ব্লগারদের জন্য যদি একটা আলাদা প্রবেশ পথ থাকত! হা হা হা।।।।
বুঝতে পারছি না।
লেখকের মন্তব্য
উদরাজী ভাই, মোড়ক উন্মোচনে ফয়সালকে দেখে কেমন অবাক হলেন?
আরে ফয়সাল ভাইকে দেখে আমি প্রথম বিশ্বাস করতে পারি নাই! যদিও তিনি আমার আগের পূর্ব পরিচিত।
বেশ ভাল লেগেছে।
হা হা হা, সারপ্রাইজ নাটক ব্যাপক এঞ্জয় করেছি!
না না সাহাদাত ভাই এটাতো হবে না।
আপনারা ১২ জন মিলে চা বিস্কুট খাবেন।
আর আমরা???
হুম, আর আমরা?
কাভি নেহিইইইইইইই!!!!! 
উনারা ১২ জন বসে চা-বিস্কুট কুটকুট করে খাবেন আর আমরা বুঝি চাতকের মত হা করে বসে থাকবো?
হা হা হা। কাভি নেহি!!

সবাই মিলে চা-বিস্কুট কুটকুট করে খাবই খাব একদিন, ইনশাল্লাহ, প্রিয়তি প্রিয় সুরঞ্জনা'পু, আব্দুল করিম ভাইয়া আরও অনেকে!!
অনেক ভালবাসা!
১২ জনকে এক সাথে দেখা! এটা মনে হয় কখনো সম্ভব নয়।
দেশের সবাইকে এক করা গেলে যেতে পারে, কিন্তু নানান মহাদেশ এক করবে কে?
(আরে আমরা চা বিস্কুট খেলে আপনারা দেখেবেন এটা কি করে হয়! আপনাদের উপস্থিতিও জরুরী।)
খান, ভাই খান। চা, বিস্কুট, কটকটি, ফুচকা, চটপটি সব খান। মনে বড়ই আনন্দ! আহা! আমাদের ভাই-বোনদের এই সাফল্যে মনের আনন্দে না খেয়েও সুখ!!!
লেখকের মন্তব্য
সর্বোচ্চ ৮ জন একত্রিত হয়েছিলাম, তাই না?
অষ্টবক্র মুনী সমাবেশ!!!
পোস্টের জন্যে ধন্যবাদ। বইটি কোনোভাবে আমিও সংগ্রহ করবো ইনশাল্লাহ।
লেখকের মন্তব্য
অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া আপনাকে। খুব ভালো থাকুন।
অসাধারণ একটা লেখা তৈরি হয়েছে ১২জন অসাধারণ ব্লগারের লেখা নিয়ে।এমন একটা আয়োজন দেখেও সুখ।
নিশ্চয়ই কিনব।একা না।দলবল নিয়ে(যদিও পোলাপান বই পড়তেই চায় না আজকাল
)
আপনারা স্টলে থাকবেন তো ভাইয়া?থাকলে কখন??১২ জনের অটোগ্রাফের কি কোন ব্যবস্থা করা যায়??
লেখকের মন্তব্য
আমরা লেখকরাই ১২ জনের অটোগ্রাফের কোনো বই পাচ্ছি না

দারুণ একটা ব্যাপার! চোখের সামনে বীজ থেকে মহীরুহ হয়ে উঠতে দেখা খুব আনন্দময় একটা অভিজ্ঞতা! দি ট্রিমেন্ডাস টুয়েল্ভের প্রতি অভিনন্দন! - চতুরের পরিবেশ কত সিনার্জিস্টিক, নির্মল, সহনশীল, এই বারো ভুঁঞার এই কীর্তি তার প্রমাণ! বারো রকমের মানুষ, কোন ক্যাচাল নাই, ইগো সমস্যা নাই, পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধা ও সাহায্যের সদা-প্রসারিত হাত, আবার কুয়ালিটির প্রশ্নে বজ্রমুষ্টি! দুর্দান্ত দ্বাদশের প্রতি টুপি খোলা সালাম!!
লেখকের মন্তব্য
বাপী ভাইয়া, অসম্ভব ভালো লাগলো আপনার মন্তব্যটি পড়ে।
খুব খুব খুব ভালো থাকুন।
আমার নাম আছে আমার নাম আছে।
কিন্তু আমি তো দেরি কইরা দেখালাম। 
। খারা তুই জানতি জানাইলি না কেন আমারে
আমি মিস করলাম


শিশুউউউউউউউউউউউউউউউ তোরে আমি খাইছি
যাই হোক অভিনন্দন চতুরের সবাই কে।।।।।।।
লেখকের মন্তব্য
অনুষ্ঠানে দেখতে পেলে খুব ভালো লাগতো, মেঘরং।
মন্তব্য করুন