ডাক্তারের রোজনামচা-এর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

এবার অত্যন্ত আনন্দের সাথে জানাতে চাচ্ছি, সরল রেখা- বক্র রেখা উপন্যাসটি অন্য প্রকাশ একুশের বইমেলা উপলক্ষে প্রকাশ করতে সদয় সম্মতি জানিয়েছেন। এই ব্যাপারে প্রত্যেক পর্ব রচয়িতাকে তাদের মেইলের ইনবক্স একটু চেক করে দেখার বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি।
এবার অত্যন্ত চিন্তার সাথে জানাতে চাচ্ছি, আমাদের অনেক কাজ রয়ে গেছে, যে কাজ গুলো আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে শেষ করতে হবে।
১। উপন্যাসটির এখনো তিনটি পর্ব বাকী আছে। পরবর্তী (২১তম) পর্ব লেখার কথা আমিন শিমুল ভাইয়ার। ২২তম পর্ব নিয়ে তৈরী আছেন নাঈফা চৌধুরী অনামিকা আপু। শিমুল ভাইয়ের পর্বটি প্রকাশ পেলেই শব্দপুঞ্জ শেষ পর্বটি অতি দ্রুত লেখার জন্য (জানুয়ারি মাসে এম এস পরীক্ষা থাকা সত্ত্বেও) তৈরী আছে। অতএব, আমিন শিমুল ভাইয়ার প্রতি সবিনয় অনুরোধ রইলো ২১তম পর্বটি দ্রুত ব্লগে দেবার জন্য।
২। উপন্যাসটির বিভিন্ন পর্বের অসঙ্গতিগুলো তুলে ধরে পরিমার্জন, পরিশোধন, সংযোজন, বিয়োজন (যে ক্ষেত্রে যা প্রযোজ্য) করা। ঠিক এই কাজটি করার জন্যই এই রেফারেন্স পর্ব-২ –এর অবতাড়না। এই কাজটাও খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে শেষ করার জন্য, আবারো সকল পর্ব লেখক এবং যে সব চতুর, তাদের গুরুত্বপূর্ণ মতামত দিয়ে এই কর্মযজ্ঞকে সাফল্যমন্ডিত করে তুলবেন, তাদেরকে বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি।
৩। উপন্যাসটির প্রচ্ছদের ব্যাপারে আপনাদের গুরুত্বপূর্ণ অভিমত অবশ্যই এবং অবশ্যই কাম্য ।
৪। ময়ূখ রিশাদ (আরিশ)-এর একটি প্রস্তাবনা ছিলো- উপন্যাসটির নাম পরিবর্তন করে অন্য কোন নাম দেওয়া যায় কী না? আপনাদের সুচিন্তিত মতামতের অপেক্ষায়।
৫। মলাটবন্দীর বাইরে রেফারেন্স পর্ব -১ এ শাওন ভাইয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ আইডিয়া দিয়েছিলেন, সেটা আমি এখানে তুলে দিচ্ছি—
“উপন্যাস টা শেষ হৈলে, পুরাটা নিয়া, কেউ একজন পিডিএফ ভার্শন কৈরা ফেলতে পারে। যেইটার কাভার ডিজাইন মেঘ করতে পারবেন। মুখবন্ধ করতে পারবেন কেউ একজন, মানে ই-বুক আরকি। তারপর কোনো একটা ফ্রী ফাইল হোস্টিং সাইটে আপলোড কৈরা, চতুরে একটা লেখায় সেইটার লিংক সহ সেইটার পিছনে কাজ করার অভিজ্ঞতা, মাঝের মজার ঘটনা লেইখা টেইখা সেইটারে সংকলিত পাতায় রাইখা দেন।”
এর বাইরেও যদি আর কিছু থেকে থাকে, আমি অনুরোধ করছি সেটা নিয়েও আলোচনা করার জন্য।
এবার আমি সবার আলোচনার সুবিধার্থে আমার দেখা কিছু অসঙ্গতি এখানে তুলে ধরছি----
পর্ব:১ (নাজমুল হুদা ভাইয়া)-
১। এই পর্বের প্রথম প্যারাতেই লেখা আছে- “তিনজনের পছন্দ-অপছন্দে বিস্তর অমিল, শুধু এক জায়গায় তিনজনের মিলের কোন অভাব নেই। আর তা হচ্ছে হাবিবের সদ্য কলেজগামী বোন সেলিনার বেলায়। সেলিনা আসলে কার ছোটবোন তা নিয়ে অজানা কারোর মনে দোলাচলের অবসান হয় না কিছুতেই ঘনিষ্ঠ পর্যবেক্ষণের পরেও। চেহারায় হাবিবের সাথে কিছুটা মিল থাকলেও তাদের কথাবার্তা ও অন্যান্য আচরণে দ্বিধায় পড়তে হয় প্রায় সকলকেই।”
পর্বঃ২ (আকাশগঙ্গা)-এ বলা হয়েছে, “হাবিবের একটা বোন আছে এবং তার নাম সেলিনা সে এতটুকুই জানতো। এ ব্যাপারে সে বেশি আগ্রহও পোষন করতো না,” –যা “সেলিনা আসলে কার ছোটবোন তা নিয়ে অজানা কারোর মনে দোলাচলের অবসান হয় না কিছুতেই ঘনিষ্ঠ পর্যবেক্ষণের পরেও,”- লেখার পরিপন্থী।
পর্বঃ৩ (ডাক্তারের রোজনামচা)-এ লেখা হয়েছে, “ভাইয়া, আমি এখনো এস এস সি পরীক্ষা দেইনি, আগামী বছর দিবো,” যা প্রথম পর্বের “সদ্য কলেজগামী বোন সেলিনার”- পরিপন্থী।
২। প্রথম পর্বের ২য় প্যারায় বলা হয়েছে-“অঢেল বিষয়-সম্পত্তি আর থানা শহরে দো’তলা বাড়ি রেখে রোড এক্সিডেন্টে হাবিব-সেলিনার বাবা-মা চলে যাবার পর হাবিব ছোটবোনকে আগলে রেখেছে,” যা পর্বঃ৬ (শব্দপুঞ্জ)- এ লেখা “সি এন জি ছুটছে। পেছনের সীটে, মাঝে অর্ধ অচেতন সিরাজ, তার দু’পাশে শামা আর শামার মা। সামনে ড্রাইভারের পাশে মিলন। মোটামুটি সবচেয়ে কাছে আছে আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতাল। ওখানেই যাচ্ছে ওরা। আগে যদিও ওখানে শুধু মহিলা আর শিশুদের চিকিৎসা হত, সম্প্রতি ওখানে মেডিক্যাল কলেজ হওয়ায় চিত্রটা বদলে গেছে,”- এর সাথে অসঙ্গতি রয়ে গেছে। এই পর্বে বোঝা যাচ্ছে হাবিব, মিলন আর সিরাজের কাহিনী চট্টগ্রামে, অথচ শুরু হয়েছিলো থানা শহর থেকে।
৩। পর্বঃ১-এ লেখা হয়েছে, “সিরাজ আর্থিক অস্বচ্ছলতার কারণে ভর্তি হলো স্থানীয় টেকনিক্যাল কলেজে, তার ইচ্ছা পাস করে চাকরি না পেলে নিজেই কিছু একটা করবে,” আরেক জায়গায় লেখা হয়েছে, “তিন বন্ধুরই পরীক্ষা শেষ হলো প্রায় একই সময়ে, সপ্তাহ খানেকের আগে-পিছে,”- টেকনিক্যালী এইচ এস সি পরীক্ষা এবং স্থানীয় টেকনিক্যাল কলেজের পরীক্ষা প্রায় একসাথে শেষ হয় কী না, আমার জানা নেই। এটা একটু চেক করে দেখা উচিত।
পর্বঃ২ (আকাশগঙ্গা)—
১। এ পর্বে প্রথমেই বলা হয়েছে, “সোমবার সকালে মিলন একটা ব্যাকপ্যাক পিঠে নিয়ে এসে উপস্থিত হল শহরের শেষমাথায় গাছ-গাছালিতে ঢাকা দোতলা বাড়িটায়,” পরবর্তী পর্বগুলোতে বাড়ির এই বর্ণনাতে মনে হয় কিছু পরিবর্তন এসেছে, সেটা একটু ঠিক করা উচিত।
পর্বঃ৪ (জুলিয়ান সিদ্দিকী)—
১। এই পর্বের এক জায়গায় বলা হয়েছে, “মিলনের কথায় খানিকটা হতচকিত হয়ে গেলেও সিরাজ বললো, “টাকা তো আমি হাবিবের হাতেই দিয়েছিলাম,”—কিসের টাকা, ব্যাপারটা ঠিক পরিষ্কার হয় নি।
২। আরেক জায়গায় বলা হয়েছে, “কিন্তু ঘরে ফিরে যখন বিছানায় প্রায় লেপ্টে থাকা মায়ের উজ্বল দুটি চোখের দিকে তাকায়, তখনই তার মনে হয় পৃথিবী গোল্লায় যাক, সে তার মাকে ছেড়ে যাবে না,” এখানে মনে হচ্ছে সিরাজের মা সিরাজের সাথেই থাকে। কিন্তু পর্বঃ৭ (ডাক্তারের রোজনামচা)-এ লেখা হয়েছে, “সিরাজের মা-কে খবর দেওয়ার পর উনি গ্রাম থেকে আসা অবধি সুর করে বিলাপই করে যাচ্ছেন,”—এখানে বোঝা যাচ্ছে সিরাজের মা গ্রামে থাকে। এছাড়া পর্বঃ১৩ (শব্দপুঞ্জ)-এ বলা হয়েছে, “সিরাজের মা সুফিয়া খাতুন, এই প্রৌঢ় (কিম্বা জাগতিকতার চাপে বুড়ো) বয়সেও কাজ করেন একটা বুটিক শপে,”—বিছানায় লেপ্টে থাকা মায়ের সাথে মানায় না, যদিও পর্বঃ১৭ (ডাক্তারের রোজনামচা)-এ আবার বলা হয়েছে, “গ্রামের বাড়িতে কীভাবে ছেলেকে বড় করে শহরের স্কুলে পড়িয়েছেন, তা একমাত্র তিনিই জানেন। ছেলে আস্তে আস্তে বড় হলো, পড়াশোনা না করে টেকনিক্যাল লাইনে চলে গেলো। সুফিয়া খাতুন না করেন নি, সংসারে কিছু অর্থের সমাগম হবে এই আশায়। সিরাজ যখন অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলো, গ্রাম থেকে এসে আর যেতে চাইলেন না তিনি। সিরাজ সুস্থ হয়ে একটা বুটিকের দোকানের ব্যবস্থা করে দেয় মা কে,”- এই ব্যাপারটি একটু পরিষ্কার করা উচিত। অর্থাৎ, সিরাজের মা গ্রামে থাকেন, নাকি সিরাজের সাথে থাকেন, অসুস্থ না কি বুটিক শপে কাজ করার মতো সুস্থ।
পর্বঃ৭ (ডাক্তারের রোজনামচা)—
১। এই পর্বে বলা হয়েছে, “ইমার্জেন্সী ডাক্তার ছিলো রাহাত, মিলির কলেজের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ বান্ধবী নওশাবার বড়ো ভাইয়া,” কিন্তু পর্বঃ১২ (আমিন শিমুল)-এ লেখা হয়েছে, “নওশাবার সাথে হঠাৎ করেই তার যোগাযোগ বেড়ে যায় হাবিবের একসিডেন্টের পর।রাহাতের কাছ থেকে হাবিবের অবস্থার অগ্রগতির খোঁজের প্রয়োজন তাদের সম্পর্ক কে কাছে নিয়ে আসা।নিভৃতচারী মিলির সাথে নওশাবার সম্পর্ক ক্রমশই গাঢ় হতে থাকে।মিলির মনের কোণে জমে থাকা খবর গুলোও তাই জানা হতে থাকে নওশাবার,”- নওশাবা তো আগে থেকেই মিলির কলেজের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ বান্ধবী ছিল, হাবিবের এক্সিডেন্টের পর তো নতুন করে ঘনিষ্ঠ হবার কোনো ব্যাপার নেই, তাই না?
২। এই পর্বেই লেখা হয়েছে, “ডাক্তার না কী বলেছে এক্সিডেন্টের পর মাথায় রক্তপাত হয়েছে, যাকে বলে এপিডুরাল হেমাটোমা,” আবার পরে বলা হয়েছে, “‘ব্রেনের প্রেশার বেড়ে যাওয়াতে প্রথমবারের অপারেশনের জায়গায় আবার রক্তপাত হয়। সেই রক্তপাতটা বন্ধ করতেই আবার এই অপারেশন। তবে এবার ব্রেইনের কিছু সুস্থ অংশও নষ্ট হয়েছে,”- যা এপিডুরাল হেমাটোমা হলে সম্ভব নয়। এপিডুরাল হেমাটোমার জায়গায় “ব্রেনের ভিতরে রক্তপাত” হলে ব্যাপারটা মিলে যায়। একজন ডাক্তার, তাও আবার নিউরোসার্জারীতে কর্মরত, ডাক্তারের রোজনামচার কাছ থেকে আমরা এই ভুল আশা করি নি। “ব্রেনের ভিতরে রক্তপাত”-লিখলে পর্ব:৯ (পাপতাড়ুয়া)- এ হাবিবের ফ্রন্টাল লোব সিনড্রোমের ব্যাখ্যাটাও ঠিক থাকে। ডাক্তারের রোজনামচা আরেকটি টেকনিক্যাল ভুল করেছেন, “সিস্টার ওকে জানালো হাবিব নামের রোগীটির ব্লাড প্রেশার দ্রুত কমে যাচ্ছে, দুই চোখের মনি অসমান,” এখানে ব্লাড প্রেশার দ্রুত বেড়ে যাচ্ছে হবে। (আমি এই পর্বটি লেখার সময় হয়তো ভুলে গিয়েছিলাম, আমি একজন নিউরোসার্জারীর ডাক্তার, পরে এই ভুলগুলি দেখে লজ্জায় আমার মাথা কাটা যাচ্ছে)।
৩। এই পর্বেই দেখানো হয়েছে, শামা এনজিওতে কাজ করছে, মানসিকভাবে পরিপক্ক, এবং এনজিওটির শাখা প্রধান নাফিস শামার প্রেমে পড়েছে। সদ্য এইচ এস সি পরীক্ষা দেওয়া সিরাজের বন্ধু হিসেবে ব্যাপারটা বেমানান।
পর্বঃ৮ (আকাশগঙ্গা)—
১। এই পর্বে এক বছর পেরিয়ে গেছে। মিলন আর হাবিবের এইচ এস সির রেজাল্ট দেওয়া হয় নি। পর্বঃ১১ (আরিশ ময়ূখ রিশাদ)-এ বলা হয়েছে, মিলন অনার্স পড়ছে। কোথায়, সেটা লেখা নেই। আবার পর্বঃ১৩ (শব্দপুঞ্জ)- এ বলা হয়েছে, “ঢাকা ভার্সিটিতে অ্যাপ্লাইড ফিজিক্সে ভর্তি হয়েছে,” পর্বঃ৮- এ বলা হয়েছে- মিলন এক বছর সেলিনাদের বাসায় থেকেছে, এই এক বছর ঢাকা ভার্সিটির এপ্লাইড ফিজিক্সে পড়লে থানা শহরে কীভাবে থেকেছে, বা সে কি অনার্সেই পড়ছে, ধরে নেবো? এই ব্যাপারটি ক্লিয়ার করা দরকার।
২। এই পর্বের এক জায়গায় বলা হয়েছে, “মিলির একটা নীল ডাইরি আছে। হাবীব তার ১৬ তম জন্মদিনে গিফট দিয়েছল,” এবং মিলি ডায়রী লিখছে, “আমার বয়স আজ সতের বছর,” তারমানে হাবিব ডায়রিটা মিলিকে দিয়েছিলো সেই সময়ের ঢাকা সফরে, যখন হাবিব এক্সিডেন্ট করেছিল। পর্বঃ৫ (সাহাদত উদরাজী)-এ সেটার কোনো উল্লেখ নেই।
পর্বঃ৯ (পাপতাড়ুয়া)—
১। এ পর্বে দেখা গেছে শিহাব মিলির চাচাত ভাই, তাহলে শিহাবের সাথে হাবিবের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকা উচিত, কারণ হাবিব মিলির খালাতো ভাই। পর্বঃ ১৬ (জুলিয়ান সিদ্দিকী)-এ দেখা গেছে, মিলি হাবিব এবং সিরাজকে দেখে বলে উঠে, “শিহাবের সঙ্গে পরিচয় আছে তোমাদের? একাধারে কবি, ভালো ছাত্র। কদিন পরই একটা স্কলারশিপ নিয়ে অস্ট্রেলিয়া যাচ্ছে। আমার খুব ভালো বন্ধু!”—ব্যাপারটা একটি বড় অসঙ্গতি।
২। এ পর্বে এলাকাবাসীর দাবি ছিলো (মিলন আর সেলিনার কথিত অবৈধ সম্পর্কের জন্য), “সেলিনা কে বাড়ি ছাড়তে হবে,” উচিত ছিলো মিলনকে বাড়ি ছাড়ার কথা বলা, কারণ, সেলিনা নিজের বাড়ি কেনো ছাড়বে?
পর্বঃ ১০ (নাঈফা চৌধুরী অনামিকা)—
১। এই পর্বের প্রথমেই জানুয়ারি মাসের কথা বলা হয়েছে। পর্ব:৮ (আকাশগঙ্গা)-এ ছিলো মার্চ মাস, তারমানে হাবিবের এক্সিডেন্টের পর প্রায় দুই বছর চলে গেছে।
২। সুতপা, মিলির চাচাতো বোন এবং শিহাবও মিলির চাচাতো ভাই। এক জায়গায় বলা হয়েছে, “মিলির বাবা ও চাচা দু'ভাই মিলেই ধানমন্ডী লেকের পাশাপাশি দু'টো বাড়ী বানিয়েছিলেন,” আরেক জায়গায় বলা হয়েছে, “সুতপা আর মিলি, দু'জনেই বাবা-মা'র একমাত্র সন্তান হওয়াতে সুতপা মিলিকে নিজের ছোট বোনের মত করেই কোলে-পিঠে করে মানুষ করেছে,” তারমানে মিলির বাবারা তিন ভাই হওয়া উচিত, বা ব্যাপারটি আরেকটু ক্লিয়ার করা উচিত যে, তিন ভাইয়ের মধ্যে দুইভাই মিলে ধানমন্ডীতে পাশাপাশি বাড়ি করেছে। আবার পর্বঃ৫ (জুলিয়ান সিদ্দিকী)-এ লেখা হয়েছে, “মিলির দাদা এই বাড়ীর জায়গা কিনেছিলেন। ধানমন্ডির লেকের পাশে এখন আর তেমন একতলা দোতলা বাড়ী নেই,” তারমানে এটা যদি পৈতৃক সম্পত্তি হয়, তাহলে তো সব ভাইদেরই পাওয়ার কথা। এই ব্যাপারটিও পরিষ্কার করা উচিত।
৩। এই পর্বের একজায়গায় বলা হয়েছে, “অতঃপর একদিন ঐতিহাসিক ১৭ই ফেব্রুয়ারী চলে আসে দ্বারপ্রান্তে। দু'জনে টিকেট কেটে জড়ো হয় বঙ্গবন্ধু ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে। উহ্, কি উত্তেজনাময় দিন সেদিন। আনন্দ প্রতিটি বাংলাদেশের ঘরে ঘরে। আই.সি.সি. ওপেনিং সেরিমোনি শেষে দু'জনে গাঢ় আনন্দে পাশাপাশি বসে গল্প করে খানিকক্ষণ,” তারমানে ২০১১ সালের কথা বলা হয়েছে। এরপর রেমির অস্ট্রেলিয়ায় যাওয়া, রিসার্চ করা, বিয়ে –সবকিছু মিলে কী মাত্র ১০ মাসে (১৭ ডিসেম্বর, ২০১১ এর মধ্যে) সম্ভব ? কারণ সমগ্র ঘটনা কোনোমতেই বর্তমান কালকে অবশ্যই অতিক্রম করবেনা। এই ব্যাপারটিও ঠিক করা উচিত।
পর্বঃ১৩ (শব্দপুঞ্জ)—
১। এই পর্বের এক জায়গায় বলা হয়েছে, “এতসব ঝামেলার মধ্যে থাকায় সেলিনা তার পছন্দের কোন কলেজে চান্স পায়নি, শেষে ভর্তি হয়েছে সিটি কলেজে – ওরা যেটাকে জানে গন্ডগোলের কলেজ হিসেবে,” এটা কি সিটি কলেজে অনার্সে ভর্তি হয়েছে (সে হিসেবে সেলিনারা কি থানা শহরে, না চট্টগ্রাম শহরে থাকে সেটা আগে ক্লিয়ার করতে হবে), আর যদি ইন্টারমিডিয়েটের সিটি কলেজ হয় (যেটা সম্ভব নয়, কারণ, সেলিনার ইন্টারমিডিয়েট পরীক্ষা দেবার কথা)—এই ব্যাপারটিও পরিষ্কার করা উচিত।
পর্বঃ১৪ (অপাংক্তেয়)--
এই পর্বে শিহাবের প্রতি রেমির আকুলতা যতটা প্রকটভাবে দেখা দিয়েছে, পর্বঃ১৮ এবং পর্বঃ২০-এ ততোটা দেখা যায় নি।
পর্বঃ১৬ (জুলিয়ান সিদ্দিকী)—
১। এই পর্বের প্রথম প্যারাতেই বলা হয়েছে, “তাদের তিনজনকে একই সঙ্গে দেখতে পেয়ে মিলিই খানিকটা বিস্ময়ের সুরে বলে উঠলো, আরে তোমরা এখানে, এ সময়?”-এখানে আসলে দুইজন হবে, মিলনের থাকার কথা নয়।
এবার আপনাদের পালা----------
মন্তব্য
অন্য প্রকাশ' এর মতো দেশ সেরা প্রকাশনী বইটা মলাটবন্দি করতে সম্মত হয়েছে জেনে, পুলকিত যার পর নাই।
আসছি পরে, নিয়াজ ভাই।
১। শিমুল ভাইয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
২। একমত।
৩।উপন্যাসের প্রচ্ছদ ও অলঙ্করণের ব্যাপারে চতুর পরিবারের বাইরে যাওয়ার প্রয়োজনীয়তা পড়বে না মনে হয়, ব্লগার মেঘ'দি এবং ব্লগার নির্ঝর নৈঃশব্দ্য মতো শিল্পীরা চতুরে থাকতে। তাদের নামটাই প্রস্তাবনা আমার।
৪। বর্তমান নামটাই সুন্দর লাগে আমার কাছে। তবে, গল্পের সাথে মানানসই যে কোনো নামকরণ করা যেতে পারে নতুন করে।
৫। প্রস্তাবনাটি চমত্কার নিঃসন্দেহে।
আর যেটা আগেও বলেছি একবার, রেমি ও শিহাবের উপ্যাখানটা শেষের আগেই শেষ হলে ভালো হয়, অন্যান্যদের পরিণতি গড়ানোর আগেই। রেমি-শিহাব পর্বগুলো একটু আগুপিছু করে টেনে এনে ১৯ তম পর্বের শুরু যেখানে, তার আগেই দিয়ে দিলে ভালো হতো আমার মতে, পান্ডুলিপি প্রস্তুত করার সময়। শিহাব-রেমির চরিত্রটা কোনও অংশে কম গুরুত্বপূর্ণ গল্পে। শিহাব-রেমির অনেক পরে মঞ্চে আবির্ভাব। গল্পের ধারাবাহিকতা রক্ষা করেই তাদের অংশের আবির্ভাব। কিন্তু, গল্পের মূল ফোকাসটা হাবিব, সিরাজ, শামা, সেলিনা এবং মিলনদের উপর পড়ে গেছে ও থেকে গেছে প্রথম থেকেই।
এবং অভিনন্দন নিয়াজ ভাই, অসাধ্য সাধন করার জন্য। ধন্যবাদ, হুদা ভাই, পলাশ ভাই এবং অপা'পুকে।
লেখকের মন্তব্য
রেমি-শিহাব পর্বগুলো একটু এগিয়ে আনার চাইতে, ১০ বা ১৪-এই পর্ব দুইটিকে ভেঙ্গে চারটি পর্ব করা যেতে পারে, তাহলে ১০, ১২, ১৪, ১৬, ১৮, ২০,২২--অল্টারনেটিভ চ্যাপ্টারগুলোতে আমরা রেমি-শিহাব কাহিনী আনতে পারি, প্যারালালটা ঠিক থাকবে তখন।
ভাল আইডিয়া!
সেক্ষেত্রেও, ১৭ তম পর্বের কিছু অংশ এবং ১৯ তম পর্ব পিছিয়ে নিয়ে আসা যেতে পারে, নিয়াজ ভাই। তাতে করে গল্পের ধারাবাহিকতা এবং বুনট আরও পোক্ত হবে বলে মনে হয়।
নিয়াজ ভাই, আমি আর নাজমুল ভাই যখন অন্যপ্রকাশে ঢুকলাম তখন আমিও অবাক হয়েছিলাম। আমি আগে জানতামই না যে আমরা অন্যপ্রকাশে যাচ্ছি।
লেখকের মন্তব্য
অ বি শ্বা স্য!
অসম্ভবকে সম্ভব করে তুলবার জন্য নিয়াজ ভাই আপনাকে অভিনন্দন। সেই সাথে বলে রাখি, আপনার যখনই প্রয়োজন, আমাকে তৎক্ষণাৎ ইমেইল করতে পারেন যে কোন ব্যাপারে।
- আমার বাংলা বিজয় ইন্সটলড নেই। লেখা খুব সম্ভবতঃ বাংলা বিজয় ফন্টে লিখতে হবে। সমস্যার সমাধান কি হবে?
- পর্ব ১০ এর প্রসঙ্গে আসছি।
.
১। এই পর্বের প্রথমেই জানুয়ারি মাসের কথা বলা হয়েছে। পর্ব:৮ (আকাশগঙ্গা)-এ ছিলো মার্চ মাস, তারমানে হাবিবের এক্সিডেন্টের পর প্রায় দুই বছর চলে গেছে।
২ বছর, কিংবা ১০ মাসও হতে পারে, তাই নয় কি?
.
২। সুতপা, মিলির চাচাতো বোন এবং শিহাবও মিলির চাচাতো ভাই। এক জায়গায় বলা হয়েছে, “মিলির বাবা ও চাচা দু'ভাই মিলেই ধানমন্ডী লেকের পাশাপাশি দু'টো বাড়ী বানিয়েছিলেন,” আরেক জায়গায় বলা হয়েছে, “সুতপা আর মিলি, দু'জনেই বাবা-মা'র একমাত্র সন্তান হওয়াতে সুতপা মিলিকে নিজের ছোট বোনের মত করেই কোলে-পিঠে করে মানুষ করেছে,” তারমানে মিলির বাবারা তিন ভাই হওয়া উচিত, বা ব্যাপারটি আরেকটু ক্লিয়ার করা উচিত যে, তিন ভাইয়ের মধ্যে দুইভাই মিলে ধানমন্ডীতে পাশাপাশি বাড়ি করেছে। আবার পর্বঃ৫ (জুলিয়ান সিদ্দিকী)-এ লেখা হয়েছে, “মিলির দাদা এই বাড়ীর জায়গা কিনেছিলেন। ধানমন্ডির লেকের পাশে এখন আর তেমন একতলা দোতলা বাড়ী নেই,” তারমানে এটা যদি পৈতৃক সম্পত্তি হয়, তাহলে তো সব ভাইদেরই পাওয়ার কথা। এই ব্যাপারটিও পরিষ্কার করা উচিত।
যখন পর্বটা লিখছিলাম, তথ্যটা মাথায় নিয়েই লিখেছি। মানে, তথ্যটা ভুলে যাইনি। আমি তিনভাই-এর মধ্যে দু'ভাই ধানমণ্ডিতে থাকে, এরকমই দেখাতে চেয়েছি।
শিহাবের বাবা পৈতৃক ভিটার কতটুকু দাবি করেছিলেন, কিংবা আদৌ দাবি করেছিলেন কি না, কিংবা পৈতৃক ভিটা কিভাবে ভাগাভাগি হল - এত তথ্য দেবার কি সত্যিই তেমন প্রয়োজন আছে? যদি সেরকম মনে করেন, তবে অনুরোধ করছি, আরেকবার আমাকে কনফার্ম করেন, প্লীজ, তাহলে আমি কতগুলো লাইন জুড়ে দিবো, ইনশাল্লাহ।
.
৩। এই পর্বের একজায়গায় বলা হয়েছে, “অতঃপর একদিন ঐতিহাসিক ১৭ই ফেব্রুয়ারী চলে আসে দ্বারপ্রান্তে। দু'জনে টিকেট কেটে জড়ো হয় বঙ্গবন্ধু ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে। উহ্, কি উত্তেজনাময় দিন সেদিন। আনন্দ প্রতিটি বাংলাদেশের ঘরে ঘরে। আই.সি.সি. ওপেনিং সেরিমোনি শেষে দু'জনে গাঢ় আনন্দে পাশাপাশি বসে গল্প করে খানিকক্ষণ,” তারমানে ২০১১ সালের কথা বলা হয়েছে। এরপর রেমির অস্ট্রেলিয়ায় যাওয়া, রিসার্চ করা, বিয়ে –সবকিছু মিলে কী মাত্র ১০ মাসে (১৭ ডিসেম্বর, ২০১১ এর মধ্যে) সম্ভব ? কারণ সমগ্র ঘটনা কোনোমতেই বর্তমান কালকে অবশ্যই অতিক্রম করবেনা। এই ব্যাপারটিও ঠিক করা উচিত।
ভাইয়া, আপনি ঠিক ধরেছেন, আমি শিহাব-রেমি'র সম্পর্কের টাইমলাইন ঠিক একবছরই দেখাতে চেয়েছি। ২০১১-এর দোসরা জানুয়ারী থেকে পঁচিশে ডিসেম্বার পর্যন্ত।
রেমি মাস্টার্স করতে গেছে স্কলারশিপ নিয়ে। রেমি'র রিসার্চের কাজ কিন্তু তখনও চলছে। রিসার্চের সমাপ্তি দেখানো হয়নি।
আর অস্ট্রেলিয়াতে রিসার্চ ওয়ার্কটা হল সম্পূর্ন নিজের কর্মক্ষমতা, মেধা ও সাধ্যের উপর নির্ভর করে। ইচ্ছানুযায়ী ওয়ার্ক লোড (work load) বাড়ানো বা কমানো যায়। আমি বাস্তব উদাহরণ দিচ্ছি। আমার খুব পরিচিত দু'জন মানুষ দু'বছরের কাজ মাত্র ১০ মাসে কমপ্লিট করেছিলেন (একজন মাস্টার্স কোর্স ওয়ার্ক আরেকজন মাস্টার্স বাই রিসার্চ), আর আরেকজন ৩ বছরের কাজ শেষ করতে সময় নিয়েছিলেন ৮ বছর!
.
.
আমার লেখা পর্ব ২০-এ আপনি যে মন্তব্য করেছেন, তার পয়েন্ট বাই পয়েন্ট উত্তর দেবার ইচ্ছে আছে ২৪ ঘন্টার মধ্যেই ইনশাল্লাহ!
এত অল্প সময়ে আপনি কিভাবে অসাধ্য সাধন করলেন, তা ভেবে আমার খুব অবাক লাগছে। অবশ্য আমি বই প্রকাশের খুঁটিনাটি সম্পর্কে ১০০% অজ্ঞ।
.
আবারও আমার অভিনন্দন গ্রহণ করুন প্রিয় ভাইয়া। আমি নিশ্চিত এই সাফল্যের পেছনে যার গভীর অবদান আছে, তিনি আমার লিসা ভাবী। উনাকে আমার হয়ে ভালোবাসা পৌঁছে দেবেন!
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ অনামিকা আপু। আপনাদের উৎসাহ না পেলে এই কাজ শুরু করার সাহস পেতাম না। এখন শেষ করতে আপনাদেরকে পাশ চাচ্ছি।
১। অষ্টম পর্বের মার্চ মাস ছিলো হাবিবের এক্সিডেন্টের পর ১ বছর। দশম পর্বের জানুয়ারি মাসটা কী এর পরের, না কি এর আগের?
২। আমার মনে হয় শিহাবের বাবার কথাটা একটু আনা উচিত। আর যদি সম্ভব হয়, পৈতৃক সম্পত্তির ব্যাপারটা একটু ব্যাখ্যা দিলে মনে হয় মন্দ হয় না। নাহলে পাঠকে্র মনে আমার মতোই প্রশ্নের উদ্রেক হবে।
৩। ঠিক আছে আপু, টাইম ফ্রেমের মধ্যে সম্ভব হলে মনে হয় সমস্যা হবার কথা নয়।
আবারো খুব খুব খুব ভালো থাকুন, আপু।
লেখকের মন্তব্য
বিজয় ইনস্টল না থাকলে সমস্যা নেই আপু। আমরা ঢাকাতেই সেটা করতে পারবো।
আলোচনার বিষয়:: অসঙ্গতি
মনোযোগ আকর্ষণ:- জুলিয়ান ভাই
আমি কেবল ষষ্ঠদশ পর্বটির বড় একটা অসঙ্গতি আপাতত তুলে ধরছি এখানে। নবম পর্বে পাঠকদের জানানো হয় যে, শিহাব-মিলি চাচাতো ভাইবোন। একই পর্বে আমরা জানতে পারি যে, হাবিব হল মিলির মামাতো ভাই। সেই সূত্রে শিহাব এবং হাবীব পরস্পর বেশ ঘনিষ্ঠ আত্মীয়। তাদের পূর্ব পরিচয় থাকাটা খুব স্বাভাবিক। কিন্তু ষষ্ঠদশ পর্বে এসে আমরা দেখি যে, শিহাব আর হাবীবকে পরস্পরের সাথে প্রথমবারের মত পরিচয় করিয়ে দিচ্ছে মিলি। শুধু তাই নয়, মিলি আর শিহাবকে দেখানো হয়েছে কেবল বন্ধু হিসেবে। তারা যে কাজিন, এই তথ্যটি বিস্মৃত হয়েছেন রচয়িতা। আরও একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আমি দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। তা' হল, ফ্যাকচু্যল অ্যাকিউরেসি (factual accuracy) বজায় রাখা। অস্ট্রেলিয়াতে শিহাবের স্কলারশীপ পাওয়ার ঘটনার কথাই ধরা যাক। সবার প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধা রেখেই বলছি, ঢাকা ইউনিভার্সিটির ইংরেজী বিভাগের একজন ছাত্রের পক্ষ অস্ট্রেলিয়াতে স্কলারশীপ পাওয়াটা কতখানি সুলভ, এই বিষয়ে আমি পুরোপুরি নিশ্চিত নই। দু'টো লিংক যোগ করছি এখানে আর এখানে । বাংলাদেশের স্ট্যুডেন্টদের জন্য নির্ধারিত যে সব স্কলারশীপ রয়েছে অস্ট্রেলিয়াতে, তার বিবরণ পাওয়া যাবে লিংক দু'টো থেকে। চতুর্দশ পর্বে আমরা এও জানতে পারি যে, শিহাব লেখাপড়ার প্রতি ক্রমশ অমনোযোগী হয়ে উঠছিলো। আশংকা করা হচ্ছিল যে, শেষ পর্যন্ত প্রথম শ্রেণীটাও বুঝি ধরে রাখতে পারবে না সে।
------------------
ফয়সল ভাই বেশ কিছু অসঙ্গতি নিয়ে আলোচনা করেছেন পর্ব ১৪ থেকে পর্ব ১৫ এর ট্রানসিশন (ধারাবাহিকতা রক্ষা?) নিয়ে।
উনাকে অনুরোধ রইল, যদি সম্ভব হয়, তো এই পোস্টে বিষয়টার পুনরোল্লেখ করবার জন্য। সব আলোচনা অখন্ডভাবে একটা পোস্টে থাকলে সকলেরই সমষ্টিগতভাবে আলোচনায় সুবিধা হয়।
লেখকের মন্তব্য
অনামিকা আপুর সাথে একমত।
উপন্যাসটি মলাটবন্দী হতে যাচ্ছে জেনে খুবই খুশী লাগছে।
অভিনন্দন ডাক্তার!
লেখকের মন্তব্য
সুরঞ্জনা আপু, আপনাকে দেখে অসম্ভব ভালো লাগছে।প্রতি পর্বে আপনার সরব এবং উৎসাহব্যাঞ্জক উপস্থিতি আমাদেরকে সামনে এগিয়ে যেতে সাহস জুগিয়েছে।
খুব খুব খুব ভালো থাকুন, আপু।
আপা, আপনাকে সব সময় সাথে পেয়েছি। আপনার সার্বক্ষণিক উৎসাহের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশের ভাষা আমার নেই!
অন্যপ্রকাশ?!? ওয়াও!
অগ্রিম অভিনন্দন আপনাদেরকে। আয়োজন পূর্ণতা পাক।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ নয়ন ভাই, খুব ভালো থাকুন।
এইবার মাইন্ড খাইয়া ফালাইসি!
লেখকের মন্তব্য
সরি নয়ন। এই রকম ভুল আর হবে না। কেমন আছো তুমি?
এমন ভুল করে আমাকে কতবার যে 'সরি' বলতে হবে? 'আপনি'কে 'তুমি' আর 'তুমি'কে 'আপনি' বলার ভুল যে কত করছি আর কত করবো তা বুঝতে পারছি না। জানি না, কে কখন কতখানি মাইণ্ড করে বসবে!!
নিয়াজ ভাই ভাল আছি আমি। আপনি এবং ভাবী কেমন আছেন? প্রত্যাশা, সবসময় আনন্দে থাকুন, ভাল থাকুন অবিরত!
---
নাজমুল ভাই, কেমন আছেন? আপনিতো আমাকে "তুমি" করেই বলেন, অন্তত আমি আর মাইন্ড খাবোনা!
শুভ কামনা জানিয়ে গেলাম।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ জামি ভাই, খুব ভালো থাকুন।
অভিনন্দন নিয়াজ ভাই, অসাধ্য সাধনের জন্য। ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা আকাশগঙ্গা ও হুদা ভাইকে। আগামী দিনগুলোতে আমি আমার সাধ্যমত সহায়তা করার অঙ্গীকার করছি।
-১৪তম পর্বটি নাঈফা চৌধুরী অনামিকার ১০ম পর্বের পরবর্তী ঘটনা। এ পর্বে ১০ম পর্বের রেশ ধরেই শিহাব-রেমির হৃদ্যতা তুলে ধরা হয়েছে। তাই ১৪তম পর্বটি দশম পর্বের পরে এলে ঠিক হবে। ১৪তম পর্বে ওদের সম্পর্ক অনিশ্চিতের পথে চলে যাওয়ার ইঙ্গিত রয়েছে। কাজেই পর্বঃ ১৮ এবং পর্বঃ ২০-এ শিহাব-রেমিকে অতটা কাছাকাছি না দেখালেও ক্ষতি নেই।
@নিয়াজ ভাইঃ সবগুলো পর্বের সফট কপি আমাকে ইমেইল করে দিতে পারেন। নিকস কনভার্টার এ কনভার্ট করে নিলে সমস্যা হওয়ার কথা নয় মনে হয়। এ কাজটি করতে হবে সবগুলো পর্বের অসঙ্গতি দূর করার পরে।
-শুধু লেখক নয়, সরলরেখা- বক্ররেখার পাঠক শুভানুধ্যায়ীদের কাছ থেকেও পরামর্শ চাইছি।
প্রথমেই প্রিয় বন্ধু অপা'কে ধন্যবাদ চমৎকার মন্তব্যের জন্য!
নাজমুল ভাই আর পলাশ ভাই (আকাশগঙ্গা) লেখা না শুরু করলে আজকের এই অবস্থানে আমরা কখনই আসতাম না। উনাদের দু'জনের প্রতি রইল আমার সশ্রদ্ধ কৃতজ্ঞতা। সম্পাদনার কাজের জন্য অপা এবং নাজমুল ভাইকে অজস্র ধন্যবাদ!
প্রতিটি পর্বে পাঠিকা হিসেবে আমরা সুরঞ্জনা'পাকে (এবং আরও কয়েকজন, যাদের নাম এই মুহূর্তে না মনে পড়ায় আমি আক্ষরিক অর্থে লজ্জিত) সাথে পেয়েছি। উনাকে অগণন ধন্যবাদ।
শুরুর দিন থেকে আজ পর্যন্ত যতগুলো মানুষের সহযোগিতা আর ভালবাসা পেয়েছি, তাঁদের সবাইকে অভিনন্দন! সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফসল আজকের এই বারোয়ারি উপন্যাস।
-----------------------
পর্ব রচয়িতাদের পরিচিতি:-
উপন্যাসের শুরুতে 'মুখবন্ধ' তে লেখক/লেখিকাদের পরিচিতিমূলক প্যারাগ্রাফ থাকা বাঞ্ছনীয়। সেটাও এখনই লিখে প্রস্তুত রাখা উচিৎ প্রত্যেকের। যেহেতু, মলাটবন্দী হতে যাচ্ছে আমাদের লেখা, সেহেতু 'নিজের সম্পর্কে' অংশটুকু অনূর্ধ ৬৭ শব্দে প্রফেশ্যনাল স্টাইলে লেখাই হয়তো যথাযথ।
লেখকের মন্তব্য
অনামিকা আপুর সাথে একমত। লেখক পরিচিতি মুখবন্ধতেই দেওয়া উচিত এবং ৬৭ শব্দের মধ্যে।
আপনাদেরটা দেখে আমার পরিচিতিটা কপি- পেস্ট করবো!!
আরেকটা বিষয়: উত্সর্গ পত্র।
যে কোনো একজনকে উত্সর্গে রাখা যেতে পারে। যেমন, হতে পারে মা; উত্সর্গ মা'কে।
তারপর তার নিচে সবাই দু'চার শব্দে বলতে পারি মা'কে নিয়ে।
যেমন হতে পারে:
'উত্সর্গ: মা'কে
মা, আমার বিশ্ব-নাঈফা চৌধুরী অনামিকা;
মা, আমার পৃথিবী- জ.ই মানিক...'
কিংবা, 'উত্সর্গ: তোমাকে।'
তারপর মনের মাধুরী মিশিয়ে দু'চার কথায় উপস্থাপন করলাম তার নিচে
'তুমি ওগো তুমি তব...-ডাক্তারের রোজনামচা।'
'তুমিতে তুমিময় ধরা
বিষাদ ও সুখ সুধায় ভরা-জ.ই মানিক।'
এরকমটা আর কী।
লেখকের মন্তব্য
অন্যদের মতামতের অপেক্ষায় আছি-------
আমার আপত্তি নেই।
লেখকের মন্তব্য
অপা আপু, নিকস কনভার্টার বুঝতে পারি নি।
এখানে আরেকটি বিষয়সবার সাথে শেয়ার করতে চাই, অন্য প্রকাশের সাথে আলোচনা করতে আমি, নাজমুল ভাই আর আকাশগঙ্গা গিয়েছিলাম। দুইজনকেই অশেষ কতজ্ঞতা।
লেখকের মন্তব্য
আগামীকাল সকালে কমল ভাই জানাবে নিকস ফন্টে হবে কি না।
ঠিক আছে।
উপন্যাসের অসঙ্গতি দূর করে গতিশীল করতে বা গতির ভারসাম্য রক্ষা করতে হলে একজন দক্ষ চালক প্রয়োজন, সকল প্যাসেঞ্জার মিলে একই সাথে চালাতে গেলে ভারসাম্য হারানোর আশঙ্কা একেবারে অমূলক নয়। অতি দ্রুত যার যার অংশের অসঙ্গতির সুরাহা করে তা সম্পাদনার জন্য দিলে ভালো হয়। সম্পাদনার মূল দায়িত্ব যার উপরে থাকবে তাকে পরামর্শ দিয়ে সহায়তা করা সকলের পবিত্র দায়িত্ব হিসেবে আপনাআপনিই বর্তে যাবে। এবং তার উপরে সকলে আস্থা রাখবেন বলেই আমি বিশ্বাস করি।
শুরুর পর্ব নিয়ে এর আগে অন্য এক পর্বে আমার অভিমত জানিয়েছি। তার পরও যদি পর্বটি রাখতেই হয়, তবে গল্পের পরবর্তী অংশের সাথে মিল রেখে পরিবর্তন/পরিবর্ধন/সঙ্কোচন/সম্প্রসারণ/অবলোপন যা ভালো হয়, সম্পাদক করে দিলে আমার আপত্তির কিছু নেই। সঙ্গী হিসেবে আছি, যদি কখনও কোন কিছুতে প্রয়োজন হয়, ডাকলে হাজির হবার চেষ্টায় ত্রুটি হবে না।
সকলকে শুভেচ্ছা।
শুভ রাত্রি।
লেখকের মন্তব্য
খুবই ভালো প্রস্তাব। আমি সম্পাদকের গুরু দায়িত্বটা অপাংক্তেয় আপুকে নেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি। (আরিশ এবং শব্দপুঞ্জ পরীক্ষার জন্য ব্যস্ত। অনামিকা আপু আর শিমুল ভাইয়া দেশের বাইরে, জুলিয়ান ভাইয়া দেশে এসেছেন কিন্তু কিছু কারণে উনিও ব্যস্ত। মানিক ভাই আর আমি সিরাজগঞ্জে থাকি। পাপতাড়ুয়া ভাইকে আমি এখনও খুঁজে পাই নি। নাজমুল ভাই হচ্ছেন এই প্রকল্পের মাথা। আর সাহাদাত উদরাজী ভাই এবং আকাশগঙ্গাকে অনুরোধ করছি, যেহেতু দুইজনই ঢাকায় থাকেন, অপাংক্তেয় আপুকে সাহায্য করার জন্য। যদিও আমরা বাকী সবাই-ই যে কোনো ভাবে সাহায্য করার জন্য উদগ্রীব। )
সবার মতামত কাম্য।
সব চাইতে আনাড়ী ব্যক্তিকে এই গুরু দায়িত্ব থেকে রেহাই দেয়া হোক। হুদা ভাই সম্পাদক আর আমি ওনার ডেপুটি হতে তিনশবার রাজি!
একমত নিয়াজ ভাইয়ের সাথে।
অপা'পুর প্রস্তাবনার আলোকে অপা'পু এবং হুদা ভাইকে যুগ্ন সম্পাদক করার প্রস্তাব রাখছি আমি।
এ প্রস্তাব, সে প্রস্তাব বাদ দাও। নিয়াজ আর অপাংক্তেয় মিলে এ সপ্তাহের মাঝে পূরো কাজ শেষ করবে, পলাশ থাকবে তাদের সাথে। শব্দপুঞ্জ আগামীকালের মধ্যে তার কাটাকুটি শেষ করে জানাবে। নিয়াজের ভাষায় আমি যেমন মাথায় আছি, তেমন মাথাতেই থাকতে দাও না ভাই। (নিজের মাথায় অন্য অনেক কিছু, গোলমেলে সব আবোল-তাবোল, অনেকেরই জানা আছে। তাই আমি না হয় মাথার টুপির মতই থাকি! )
আর নয় ঠেলাঠেলি! পদ নিয়ে গুঁতোগুঁতি করে আপদ ডেকে না এনে কাজ দিয়ে বিপদ থেকে উত্তরণের জন্য তৎপর হলেই ভালো হয়।
মাথার উপর একটু বাড়তি দায়িত্ব চাপানোর পাঁয়তারা কষছিলাম। তা বুঝি আর হলো না!
আপনার প্রস্তাবেও একমত, হুদা ভাই!
ধন্যবাদ মানিক। তোমাকে এবং সকলকে।
আমি সানন্দে রাজি আছি। অপাংক্তেয় আপুকে অনুরোধ যে কোন ধরনের দরকারে আমাকে ডাকার জন্যে।
ধন্যবাদ পলাশ। জানিনা কতদূর শ্রম/সময় দিতে পারব! অফিসে প্রচন্ড ব্যস্ততা। বাসায়ও তেমনি। আপনাকে বেশি খাটতে হতে পারে!
কিছু কথা, কিছু ইতিহাস ঃ
নাজমুল ভাইয়ের প্রথম পর্বটা লেখা হয়েছিল র্যান্ডমলি। কোন ধরনের উদ্দেশ্য ছাড়াই। শুধুমাত্র একটা বিষয় হাইলাইটেড করে,
লেখার শেষে উনি উল্লেখ করে দিয়েছিলেনঃ
তার কয়েকদিন পরে চতুরের ইফতার পার্টিতে আলোচনার এক পর্যায়ে আমি নাজমুল ভাইয়ের কাছে এটা নিয়ে বাড়োয়ারি লেখার ইচ্ছা প্রকাশ করি এবং তার সম্মতিতে দ্বিতীয় পর্ব আমিই লিখি। পরবর্তিতে সাতটা পর্ব লেখার পরে লেখাটি থমকে যায় এবং শেষপর্যন্ত বাধ্য হয়ে লেখাটির সমাপ্তি টানার জন্যে আমি অষ্টম পর্ব লেখি। ওটা লেখা হয়েছিল সমাপ্তি হিসেবে। কিন্তু অষ্টম পর্বের পরে লেখাটি আবার গতি পায় এবং বর্তমান অবস্থানে পৌছায়।
এই ইতিহাস বলার কারন হলো এটাকে সাধারন একটা উপন্যাস হিসেবে ধরে নিলে চলবেনা। আমরা যারা লিখেছি অধিকাংশেরই এই প্রথম বাড়োয়ারি লেখা। লিখতে গিয়ে নিজে অনেকবার হাবিব, সেলিনা, মিলন কিংবা সিরাজকে অনুভব করেছি, তাদের দুঃখ-বেদনা আমাদের ছুয়ে গেছে। আর এই সব কিছু শুরু নাজমুল ভাইয়ের সেই লেখার মাধ্যমে।
সুতরাং ঃ
১।নাজমুল ভাইয়ের পর্ব বাদ দেবার কোন প্রশ্নই আসেনা।
২।সরলরেখা-বক্ররেখা শুধু একটি নাম নয়। লেখক উপন্যাস লিখে তারপরে পছন্দসই একটা নাম দিয়ে দিলেন তাও নয়। এটা এমন একটা লেখা যার নাম আগেই ঠিক করা ছিল এবং আমরা সেই নামের ভাব মিলিয়েই লেখার চেষ্টা করেছি। লেখার মাধ্যমে জীবনের সরলতার সাথে বক্রতার মিলবন্ধন ঘটিয়েছি। সুতরাং নাম বদলে দেয়া মানে উপন্যাসের অর্ধেক কেটে বাদ দেয়া।
এই নামের সাথেই আমাদের এতদিনকার আবেগ কষ্ট, নানা কল্পনা মিশে আছে। নাম চেঞ্জ হলে উপন্যাস তার আবেদন হারাবেই, অন্তত আমার কাছে।
যেহেতু উপন্যাসটা শুরু হয়েছে সরলরেখা-বক্ররেখা নামক একটা গল্প থেকে এবং আমরা এতদিন ধরে এটাকে নিয়েই লিখছি তাই আমি নামটা না বদলে বর্তমান নামটাই রাখার পক্ষে!
সরলরেখা বক্ররেখা একটা গল্পই নয় শুধু; রচয়িতাদের আবেগ ও ভালোবাসাও মিশে আছে সাথে তার। গল্পের চরিত্রগুলোর হাসি-কান্না ছুঁয়ে যায় আমাদেরকেও। চরিত্রের সাথে রচয়িতাকে মিলিয়ে দেয় সীমারেখার ফারাককে দূর করে। অনুভূত হয় সত্ত্বার অংশ রূপে।
আকাশগঙ্গার কমেন্টে ভোট দিলাম।
আমিও চাই 'সরলরেখা- বক্ররেখা' নাম বহাল থাকুক।
সেই সাথে হুদা ভাইয়ের পর্ব ভূমিকা পর্ব হিসেবে থাকবে।
নামটা যেহেতু আমার দেওয়া, আমার দুর্বলতা থাকা স্বাভাবিক, তাই আমি এ বিষয়ে কিছু বলছি না।
অপাংক্তেয়র শেষের প্রস্তাবটা আমার খুব ভালো লেগেছে। তবে হুবহু না দিয়ে সংক্ষেপিত হতে পারে। কাহিনীর সাবলীলতা ও সামঞ্জস্যতার প্রয়োজনে ঐ পর্বটিকে একেবারে বাদ দেবার কথা আমি আগেও বলেছি, আবারও পুনর্ব্যক্ত করছি।
লেখকের মন্তব্য
আমাদের সকলের মনের কথা।
উপন্যাসের নামের ব্যাপারে আমি রিজিড নই।সবাই যেটা বলবে, সেটাই হবে। এটা একটা প্রস্তাবনা মাত্র।
অভিনন্দন

অভিনন্দন
লেখকের মন্তব্য
জলাপু, অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
খুব খুব খুব ভালো থাকুন।
বেশ ভাবার বিষয়! নিয়াজ ভাই, আমি আপাতত পুরো উপন্যাসটার এখন পর্যন্ত প্রকাশিত সব পর্ব আমার ল্যাপ্পীতে এম এস ওয়র্ডে টুকে নিচ্ছি। চরিত্রগুলোর বয়স, অবস্থান, বিভিন্ন ঘটনাবলীর সময়কাল নিয়ে যে অসঙ্গতি তুলে ধরেছেন, তার জন্য অশেষ কৃতজ্ঞতা। আজ নেটে খুব বেশী সময় দিতে পারলাম না। যত শিগগির পারি, কাটাকুটি সেরে ফলাফল জানাব। (খুব সম্ভব আগামীকালই)
লেখকের মন্তব্য
অপেক্ষায় আছি ফয়সাল।
অনেক অভিনন্দন আর শুভকামনা!
সাথে থাকবার জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা, প্রিয় কবিবর!
দারুণ সুখবর !
অন্যপ্রকাশ থেকে প্রকাশিত উপন্যাসটি নিশ্চয় পাঠকপ্রিয়তা পাবে ।
বই এর নামটি বদলে দেয়া যেতে পারে ।
প্রচ্ছদ এর জন্য মেঘ আর নির্ঝর নৈঃশব্দ্যের নাম করছি ।
সাফল্য কামনা করি ।
লেখকের মন্তব্য
শিপন ভাইয়া, অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
খুব খুব খুব ভালো থাকুন।
ভাইয়া, আমি কিন্তু আপনার পাঠানো কোন মেইল পাইনি। আপনি আমাকে সরাসরি ইমেইল করতে পারেন।
-------------------------
আমার কিন্তু আরিশ ভাইয়ার একটা গল্পের শিরোনামের কথাই মনে পড়ছে।
সম্পর্ক কিংবা অসম্পর্কের সঙ্গম
এই নামটা কি আপনাদের পছন্দ হয়? (অবশ্যই আরিশ ভাইয়ার সম্মতি নেওয়াটা জরুরী)
লেখকের মন্তব্য
নামটা কিন্তু মন্দ বলেন নি! আমারো পছন্দ হয়েছে।
নামটা পছন্দ লাগসে, খুব-ই।
শুনে খুব ভালো লাগছে। অভিনন্দন নিয়াজ ভাই। লেখকদের শুভেচ্ছা।
লেখকের মন্তব্য
চৈতী আপু, আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ।
খুব খুব খুব ভালো থাকুন।
সাথেই আছি।
ধন্যবাদ সবাইকে।
লেখকের মন্তব্য
করিম ভাই, আপনাকেও ধন্যবাদ।
খুব খুব খুব ভালো থাকা হোক।
সবাইকে

লেখকের মন্তব্য
যতদূর এগিয়েছে, তাতেই বলতে পারি-
দেখালে বটে তোমরা!
সাধুবাদ, অভিনন্দন, শুভেচ্ছা সবাইকে! নিয়াজকে বাড়তি দিলাম ধন্যবাদ
স্পেশাল থ্যাংকস, নুশেরাপু; বারোয়ারী রচয়িতাদের পক্ষ থেকে।
এমন মন্তব্য অনুপ্রেরণা জোগায় ও মনোবল অনেক বাড়িয়ে দেয় নিঃসন্দেহে।
লেখকের মন্তব্য
নুশেরা আপু, আপনার উৎসাহ এবং সমর্থন পেয়ে খুব ভালো লাগলো।
কাজটা যাতে ভালোভাবে শেষ হয়, সেই দোয়াই চাচ্ছি।
খুব ভালো থাকুন, আপু।
লেখকের মন্তব্য
ঈশান ভাইয়া, আপনাকে দিয়ে কমপক্ষে ১০ কপি কেনাবো। তৈরী থাকেন
এইটা কে রে! দেখে যেনো মনে হয় চিনি তাহারে
নুশেরাপুউউউউউউ কেমন আছেন? আহা কত্তোদিন পর
নামটা দেখলাম রে!!! ভালো থাকবেনরে আপুটা।
অভিনন্দন জানাই প্রথমেই! ব্যাপক একটা কাজ হতে যাচ্ছে দেখে ভালু লাগছে। আরো ভালোলাগছে এটা ভেবে যে,
অনেকক শুভকামনা এর সাথে জড়িত সবার জন্য।
বইটা বের হলে সব লেখক/লেখিকার অটোগ্রাফসহ আমি-আম্রা পেতে যাচ্ছি
'সরল -রেখা বক্ররেখা' এবং এই শুভ উদ্যেগের সঙ্গে সম্পৃক্ত সবার প্রতি শুভ কামনা রইল। সম্পূর্ণ উপন্যাসটি এক মলাটে পড়ার জন্য অধীর আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করছি।
নিয়াজ ভাই,
আমি অত্যন্ত দুঃখিত যে এত বড় একটা কর্মযজ্ঞ আমার জন্য আটকে আছে। নিজের ব্যাক্তিগত শারীরিক এবং মানসিক সমস্যার কারণে আমি কিছুটা সময় চেয়েছিলাম। তবে পরিস্থিতি বিবেচনায় মনে হচ্ছে আমার পর্বটা বাদ দিয়ে শব্দপুঞ্জ (ফয়সল) ভাই, দুইটা ফিনিশিং পর্ব লিখলে ভালো হয়। আমি বুঝতে পারছি আমার অনুরোধটা হয়তো একটু বেশি হয়ে যাচ্ছে, তবে সবার কাছে আমার এই ছোট অনুরোধটা থাকলো বিবেচনার জন্য।
আপনাদের মতামতের অপেক্ষায় রইলাম।
লেখকের মন্তব্য
সমস্যা নেই শিমুল ভাই। অনামিকা আপু তার পর্বটি এখন দিয়ে দিবে। আর ফয়সাল শেষ পর্বটি একটু বিশাল করে লিখবে। আপনি মেইল পেয়েছেন? আপনার মতামতের অপেক্ষায়-------
মেইল পেয়েছি ভাইয়া। আসলে আমি ইয়াহু চেক করি না তো সেইজন্য দেখতে দেরি হয়ে গেছে। ছুটি চলে এখানে, তাই ভেবেছিলাম লিখাটা সমস্যা হবে না। কিন্তু শারীরিক আর মানসিক দুইদিক থেকেই একটু লো থাকায় ঠিক লেখার মতো অবস্থায় নেই। আপনার দের আলোচনা ফলো করছি। সময় করে মতামত রেখে যাবো আশা করি।
আবারো দুঃখ প্রকাশ করছি আমার অনুপস্থিতির জন্য।
সরলরেখা বক্ররেখার জন্য শুভকামনা।
ধন্যবাদ ভাইয়া।
আমার কিছু প্রস্তাবনাঃ
১। উপন্যাসের নাম যাই আছে তাই থাকুক।
২। কভারে শুধু বইয়ের নাম থাকবে। আর লেখকের নামের জায়গায় নিচের লেখাটি থাকতে পারেঃ
কিংবা
৩। সুচিপত্রের স্থানে এভাবে থাকতে পারেঃ
পর্ব-১:নাজমুল হুদা
পর্ব-২:মিজানুর রহমান পলাশ (আকাশগঙ্গা)
পর্ব-৩:নিয়াজ মাওলা (ডাক্তারের রোজনামচা)
-----
-----
এখানে ব্লগ এবং আসল নাম উভয়ই থাকবে।
***৪। ভুমিকার স্থানে লেখাটার পেছনের ইতিহাস থাকবে। ইতিহাস নাজমুল ভাই কিংবা নিয়াজ ভাই লিখবেন। (ইতিহাস থাকাটা খুবই জরুরী)
৫। প্রত্যেক লেখকের সংক্ষিপ্ত পরিচয় থাকবে।
৬। প্রচ্ছদ যেই করুক তা যেন সহজবোধ্য এবং আকর্ষনীয় হয়। মানুষ সবার আগে দেখে প্রচ্ছদ। নতুন লেখকের জন্যে প্রচ্ছদ খুবই জরূরী। প্রচ্ছদ যেন জটিল এবং দুর্বোধ্য না হয় সেদিক খেয়াল রাখতে হবে।
৭। সবাই নিজের পর্বের অসংগতি দূর করে আবার প্রকাশ করুন।
সবশেষে আমরা কয়েকজন বসে ফাইনাল এডিটিং করে নিলেই হবে।
সবার প্রতিঃ
যারা লিখেছেন, যারা পড়েছেন এবং যারা শুধু নাম শুনেছেন তাদের সবাই এই উদ্যোগকে নিজের মনে করে এগিয়ে আসুন। যে যে ভাবে পারুন সাহায্য করুন। আমাদের সবার প্রচেষ্টায় আমাদের স্বপ্নকে আমরা সবাই মিলেই বাস্তবায়ন করবো!
সবাইকে ধন্যবাদ।
সহমত।
জ্বী না!

তেরোজন নয়! বারোজন রচয়িতা (লেখক এবং লেখিকা) - THE DAZZLING DOZEN!!!
লেখকের মন্তব্য
হা হা হা----
আকাশগঙ্গা ০ কট এন্ড বোল্ড অনামিকা আপু
শুনে অনেক ভাল্লাগছে। অন্যপ্রকাশ প্রকাশনী থেকে প্রকাশ পাবে শুনে আরো ভাল্লাগছে। শুভ কামনা রইল। আপনাদের পরিশ্রম স্বার্থক হোক এই কামনা করছি।
আমার কাজ এখনও অসম্পূর্ণ, তাই আজ লেখাটা দিতে পারলাম না। আজ আবার নাইট ডিউটি। আগামীকাল ইনশাল্লাহ, আমার কাজ সম্পূর্ণ করে ফেলব। নাঈফাপুর ২১ পর্ব আসার পর, উপন্যাসের খুঁতগুলোর বিষয়ে মোটামুটি একটা সমাধানে আসলে, শেষ পর্ব দ্রুত দেয়ার চেষ্টা করব।
লেখকের মন্তব্য
ফয়সাল------প্রচ্ছদ! কথা হয়েছে? (ফয়সালের উপর দায়িত্ব ছিলো মেঘাপুর সাথে কথা বলা।)--অপেক্ষায় আছি----
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ রুমী ভাই, সাথে থাকার জন্য।
খুব খুব খুব ভালো থাকুন।
পুরোপুরি পোস্টমর্টেম করলেন।
শুভকামনা রইলো, আশা করি প্রকাশনার সবকিছু ঠিকমতোই হবে।
ভাল থাকবেন, শুভকামনা সতত।
আপনার উপস্থিতি ও অনুপ্রেরণা, অনুপ্রাণিত করেছে সবসময়, প্রিয় রুমী ভাই।
অসংখ্য ধন্যবাদ।
আমার পরীক্ষা। সবাই প্লিজ ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
নিয়াজ ভাইয়া,
পর্ব ২০ নিয়ে।
রাশেদের সাথে রেমির বিয়ের ঘটনাটিতে আমার াদাম কুরি আর পিয়েরে কুরির কথা মনে পড়ে গেছে--অনেকটা তাদের মতোই কাহিনীটা।
- এই তো ঠিক ধরেছেন, ভাইয়া! আমি কিন্তু রেমি'র বকলমে মাদাম কুরির কাহিনীই লিখতে চেয়েছিলাম।
সিরিয়াস কথায় আসি।
- মিলির পার্সোনালিটির 'ডায়াগোনালি বিপরীত' চরিত্র হিসেবে আমি রেমি'কে সৃষ্টি করেছি।
- রেমিদের আমি কিন্তু দেখেছি। বেশ কয়েকজনকেই। সবাই যে জীবনে আবেগকে প্রাধান্য দেয়, তা কিন্তু নয়। (বেফাঁস একটা কথা বলি। বইটা মলাটবন্দি হলে এর একটা কপি আমি রেমি'কে উপহার হিসেবে পাঠিয়ে দিতে চাই। শেষ পর্যন্ত সত্যি সত্যিই পাঠাতে পারবো কি না, তা অবশ্য জানিনা।)
- রেমি'র সৃষ্টি হয়েছে যে পর্বে, সেই দশম পর্বেই রেমি কিন্তু শিহাবের প্রতি তার আকর্ষণকে একেবারেই প্রশ্রয় দিতে চায়নি - অন্ততঃ সচেতনভাবে।
আপনি যদি তখন রেমিকে প্রশ্ন করতেন শিহাবকে নি্যে ওর ভাবনা প্রসঙ্গে। ওর উত্তর হত:- "আমি শিহাবকে নিয়ে ওরকম গাঢ় করে কিছু ভাবিনি কখনও।"
রেমি'রা বরাবর অবচেতন মনের আবেগকে সচেতন মনে প্রশ্রয় দেয় না। যাকে মানুষ সচেতন মনে প্রশ্রয় দেয়না, বিয়ে করবার সময়ে তাকে নিয়ে অন্ততঃ সচেতনভাবে ভাবাভাবির প্রশ্ন আসেনা, আসে কি?
- দশম পর্বের কয়েকটা বাক্য তুলে ধরছি।
"এত যে হাসি-ছল, তবু কোথায় যেন অদৃশ্য প্রাচীর ঘিরে রাখে রেমি'কে। দুর্ভেদ্য প্রাচীর। রেমি'র চোখের ভাষা ক্রমশই ঝাপসা হয়ে ওঠে শিহাবের কাছে। আর শিহাবের হ্দয়ে আঁকিবুকি করে বিষাদ কারুকাজ। রেমি কি সত্যিই কিছু বোঝে না? না কি' বুঝেও বোঝে না?"
-অপা (সহব্লগার অপাংক্তেয়) তাঁর লেখা পর্ব ১৪ সম্পর্কে ইতিমধ্যেই বলেছেন যে, শিহাব-রেমি সম্পর্কের অনিশ্চয়তা দেখানো হয়েছে সেখানে। শিহাব-রেমি সম্পর্কের অনিশ্চয়তা পর্ব ১৪-তে তো রয়েছেই, পর্ব ১০ থেকেই কিন্তু তার সূচনা। গোড়াতেই গলদ।
'ভালবাসা'র মোকাবেলা(!) [মোকাবেলার ভাল প্রতিশব্দ খুঁজে পাচ্ছিনা) একেকজন একেকভাবে করে। আমি সেটাই তুলে ধরতে চেয়েছি।
- রেমি তার ক্যারিয়ার নিয়ে প্রথম থেকেই খুব সিরিয়াস। অনেক ক্যালকুলেশন করে ডুয়েটে চাকরী নিয়েছিলো যাতে চট করে স্কলারশিপ নিয়ে বিদেশে পাড়ি জমাতে পারে। ক্যারিয়ারটা তার কাছে অবশ্যই ফার্স্ট প্রায়োরিটি পাবে।
- রাশেদ পাত্র হিসেবে কিন্তু 'আইডিয়াল'। পর্ব ২০ থেকে কয়েকটা বাক্য তুলে ধরছি। "রাশেদের অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকত্ব, প্রতিষ্ঠিত ক্যারিয়ার, মেলবোর্নের অভিজাত এলাকায় দোতলা বাড়ি, ভদ্র-নম্র ব্যবহার, গম্ভীর চেহারা সবকিছু মিলে রেমি'র বাবা-মা মুগ্ধ। ছেলেটা বাবা-মা'র একমাত্র ছেলে, ধুমপান করে না, পার্টিতে মদ ছোঁয় না, খোঁজ নিয়ে মেয়েঘটিত কোন অযাচিত ইতিহাস পাওয়া যায় নি। রেমি'রও প্রচ্ছন্ন সায় পাওয়া গেছে বিয়ের ব্যাপারে। এমনিতেই মেয়েটা একা সবকিছু সামাল দিতে গিয়ে হাঁপিয়ে উঠছিলো।" একজন প্র্যাকটিকল এবং সিরিয়াস মাইন্ডেড মেয়ে হিসেবে রেমি'কে বরাবরই দেখানো হয়েছে।
২। গল্পটা একেবারেই সরলীকৃত ভাবে বিবৃত করা হইয়েছে। উপন্যাসের মতো নয়। টানা পড়ে গেছি, কিন্তু কিছু বুঝার জন্য থমকে দাঁড়াতে হয় নি। আমি থমকে দাঁড়াতে চেয়েছিলাম।
এটা সত্যি কথা বলেছেন ভাইয়া। আমি পর্ব ১০ মনে আনন্দ নিয়ে লিখেছিলাম। মাঝখানে উপন্যাসটা থমকে ছিলো। পর্ব ১০ লিখবার তিন, তিনটা মাস পর আমি আবার কলম ধরি পর্ব ১৮ লিখবার জন্য। ততদিনে আমার আগ্রহ পুরোপুরি মরে গেছিলো। শুধুমাত্র দায়িত্বের খাতিরে, মানে একবার কথা দিয়ে ফেলেছি যে পর্বটা লিখব, তাই কথা রাখতে লিখেছি। এজন্যেই লেখাটা দায়সারা গোছের হয়ে গেছে - প্রাণ ছিলনা বলেই।
৩। কিছু জিনিস--বাস্তব ঘটনা, আপনি নিয়ে এসেছেন। যেমন--মেলবোর্ণে বাপ্পার কনসার্ট বা এই মেডিকেলের ছেলেটির ব্যাপারে। আমার কাছে এই ঘটনাগুলোকে টেনে আনাটা সহজাত মনে হয় নি, আরোপিত মনে হয়েছে। আপনি কিন্তু আগের পর্বে খেলার ব্যাপারটা খুব সুন্দরভাবে আনতে পেরেছিলেন।
-'কনসার্ট'-এর অংশটুকু আবারও পড়লাম। আপনি ঠিক বলেছেন। প্রোজেকশনটা smoothly আসেনি। হয়তো 'কনসার্ট' অংশটুকুর আগে ছোট্ট একটা নতুন প্যারা জুড়ে দিতে হবে।
- মেডিকেলের ছেলিটির ব্যাপার। প্লাস, ফয়সল ভাই (শব্দপুঞ্জ) কমেন্ট করেছিলেন যে, রাশেদ-রেমি কাহিনী বেশী দীর্ঘায়িত হয়ে গেছে।
যেটা হয়েছে, সেটা হল সিরাজ-শামা, সেলিনা-মিলন, হাবিব-মিলি - এদের ঘিরে কাহিনীর লাটাই সূতো ছেড়ে ছেড়ে গুটোনোর সময় এসেছে যখন, তখন শিহাব-রেমি কাহিনীর মাত্র শুরু। আমি যেটা আদতে ভাবছিলাম, সেটাই আপনার একটা কমেন্টে দেখলাম:- শিহাব-রেমি কাহিনীর গল্প পর্ব ১০, ১২, ১৪, ১৬, ১৮, ২০ এবং ২২ - কয়েকটি পর্বে ভেঙে ভেঙে দিতে। ঠিক এই প্রস্তাবনাই ছিলো আমার মনে, যদিও প্রকাশ করার আগেই আপনি করে ফেলেছেন।
যাই হোক, মূল কথায় আসি। আমি অস্ট্রেলিয়ার পটভূমি নিয়ে আরেকটু সূতা ছড়াতে চেয়েছিলাম। তাই, রেমি আর রাশেদের বাবা-মা নিয়ে পর্ব আরেকটু বেশী দীর্ঘয়িত করেছি। অস্ট্রেলিয়ার বাঙালিদের একটা ছবি তুলে ধরতে চেয়েছি - তাদের socialisation বলতে যে ঈদের পুনর্মিলনী উৎসব কিংবা বাপ্পা কনসার্ট বোঝায় সেটা চিত্রায়িত করবার ইচ্ছে ছিলো। পর্ব ১০-এ যেহেতু 'ইন্টারন্যশনাল টেরোরিজম' (terrorism)-এর প্রসঙ্গ তুলেছি, তার ধারাবাহিকতা হিসেবে সৌদি স্পনসর্ড ইসলামী আলোচনা চক্রেরও প্রসঙ্গ এনেছি।
এবারে বলি, এত কথার উদ্দেশ্য। এত কথার উদ্দেশ্য হল, এখন আপনি আমাকে নির্দেশ দেন, এক্স্যাক্টলি, কি কি পরিমার্জনা করতে হবে আমাকে, কোন কোন পর্বের কোন কোন অংশে। আগেই বলে রাখছি, আমার চিড়া-চ্যাপ্টা অবস্থা। অনেক ঝামেলা করে সময় বের করে আপনাকে লিখছি। এই বাড়তি সময়ের জন্য কিভাবে আগামীকাল সব সামাল দিব, সেটা ভেবে আমি বেশ ভয়ে আছি। আমি মানসিকভাবে এই মুহূর্তে লেখালেখির জন্য একেবারেই প্রস্তুত নই। লেখায় মন নেই একটুকুও। তাই আপনার নির্দেশ পালনের যথাসাধ্য চেষ্টা করলেও ঠিক কতটুকু সফল হব, তা একেবারেই বলতে পারছি না। শুধু এটুকু নিশ্চিত করতে পারি যে, যথাসাধ্য চেষ্টা করবো আপনার নির্দেশ অনুসরণ করে লিখতে।
Okay, আপনি এবং অন্যান্য সকল রচয়িতা, প্লাস যে কোন পাঠক/ পাঠিকার মন্তব্যের অপেক্ষায় রইলমা। যত 'অনেস্ট ফীডব্যাক' পাব, তত বেশী আমার সুবিধা হবে লেখাটা শানিত করে তুলতে।
লেখকের মন্তব্য
আপু, তেমন পরিমার্জনা করা লাগবে না।
আপনি যেটা করতে পারেন, ঐ সময়ে রেমির মনোজাগতিক অবস্থাটা একটু দেখাতে পারেন। আর বাকীটুকুতো আপনিই বলে দিয়েছেন-- কোথায় কোথায় এড করতে হবে। আর এই মুহূর্তে সার্জারীর কাজটা ফয়সাল করছে। ওর কাটাছেড়ার অপেক্ষায় আছি বলেই আমি ফিডব্যক দিতে চাচ্ছিলাম না। ও মনে হয় শনিবার রাতের মধ্য ফিডব্যক দিবে।
ভালো থাকুন, আপু। খুব।
লেখকের মন্তব্য
পর্ব রচয়িতাদের সবাইকে অনুরোধ করছি--- যার যার পর্বের অসঙ্গতিগুলো শুক্রবার দুপুরের মধ্যে কারেকশন করে ফেলতে।
THIS IS VERY VERY VERY URGENT
শব্দপুঞ্জ ভাইয়ার মনোযোগ আকর্ষণ করছি:- নিয়াজ ভাইয়া আমার বক্তব্য বুঝতে ভুল করেছেন, আমার সব লেখা পোস্ট করা শেষ। এখন আপনার পালা।
আপনি যে আমার এই কমেন্ট পড়েছেন, তা কনফার্ম করেন, প্লীজ। নাহলে আমার উদ্বেগ কমবে না।
এই মুহূর্তে কাজে যেতে হবে আমাকে। আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে আর কম্পিউটারের সামনে আসতে পরবো না হয়তো।
ক্যাম্নে কনফার্ম করব?
হুম! শব্দপুঞ্জ হইল চতুরের লেট লতিফ, ভুললেন ক্যাম্নে? যাক, নিয়াজ ভাইকে কথা দিয়েছিলাম, আজ রাতেই লিখব। আমি আপাতত ১২ পর্ব পর্যন্ত পড়েই অস্থির! খুব মজার কিছু ভুল/ অসঙ্গতি চোখে পড়ল।
(১) মিলি - জাতীয় আত্মীয়! কাহিনীর বেশীরভাগ চরিত্রই তার আত্মীয়! হাবিব সেলিনা তার মামাত ভাই বোন, শিহাব, সুতপা তার ফুপাত ভাই বোন। অথচ, হাবিবের অ্যাক্সিডেন্টের পর বা অন্য যে কোন সময় এঁদের (শিহাব-সুতপা) দিক থেকে কখনো তেমন ক্রিয়া প্রতিক্রিয়া [মাঝে শিহাব একটুখানি হাবিবকে দেখতে গিয়েছিল] চোখে পড়েনি। এমনকি, ৯ম পর্বে শিহাব ভেবে বসে, "হাবিব বাঁচল কি মরল, তাতে তার কী এসে যায়?" কি ভয়াবহ! নাহ্, এই শিহাবটারে মিলির চাচাত ভাই হিসেবে মানতে ইচ্ছে করছে না! বরং সে অন্য অনেকভাবে মিলির এবং সুতপার পরিচিত হতে পারে। মিলির বাসার টিচার, সুতপার ক্লাসমেট (তাহলে বেশী মুরুব্বী হয় বটে), মিলির বিতর্ক বা আবৃত্তির টিচার - রাস্তা কি কম আছে? কিন্তু খেয়াল রাখা চাই, নতুন পরিচয় যদি আমরা দিতেই চাই, সেটা যেন সুতপাকে ইনভল্ভ করে। সুতপার মাধ্যমেই শিহাব রেমীর পরিচয়।
(২) এইটাও খুব সিরিয়াস না, তবে ধরতে পেরে মজা পাইসি! বাংলাদেশের সকল মায়ের নাম কি সুফিয়া খাতুন? মানে, সিরাজের মা-ও সুফিয়া খাতুন, আবার রাশেদের মা-ও সুফিয়া খাতুন! খাতুনে খাতুনে সয়লাব হা হা হা!
এবার ইট্টু প্যাঁচাইন্না বিষয়গুলো পরের কমেন্টে।
১) কাহিনীর শুরুতে সেলিনা কোথায় পড়ে সেটা ঠিক করা দরকার।
২) পর্বঃ১ -
অথচ এর পরে বেশ ক'বার তো আমরা মিলনের বোন না থাকার কথা পড়েছি!
৩) "থানা শহর" নিয়ে নিয়াজ ভাই যে প্রশ্ন রেখেছেন, তা অত্যন্ত যুক্তিসঙ্গত। এখানে থানা শহর পাল্টে "হালিশহর" লিখলেই সমস্যার সমাধান হয়ে যায়।
৪) আমরা কখনোই জানতে পারিনি, হাবিবের বাসায় ওঠার আগে মিলন কোথায় থাকত। এরপর যে সে প্রায় এক বছরের বেশী সময় বন্ধুর বাড়ি আর বন্ধুর অবিবাহিত উঠতি বয়সের বোনকে সামলে, আগলে হাবিবের বাসায় থেকে গেল, এজন্য তাকে তার বাবা মা অথবা পূর্বেকার বাসস্থানের সঙ্গীদের কোন প্রশ্ন বা আপত্তির মুখে পড়তে হয়নি?
৫) ১ম পর্বের শেষে আমরা দেখি,
এখানে প্রশ্ন হল, হাবিব কেন ভাবল না, মিলনকে ঘর সামলাতে দিয়ে, সেলিনাকে নিয়ে সে ঢাকায় যাবে? যে বন্ধুর কাছে নিজের বোনকে রেখে যাওয়ার মত ভরসা করা যায়, তার কাছে নিজেদের খালি বাড়ী রেখে যাওয়া যায় না? হাবিব নিশ্চয়ই ঢাকায় যাওয়ার আগে তার ফুফুকে জানিয়েছে তার প্ল্যানের কথা, ফুফুই বা এই ব্যবস্থাটা মেনে নিলেন কেন? আমাদের দেশের প্রচলিত প্রেক্ষাপটে একজন অভিভাবক স্থানীয় কারও এমন পরিকল্পনা অনুমোদন করার কথা না।
আরও আছে, নীচে।
হাবিব মিলির দেখা সাক্ষাতের টাইমিং নিয়েও গ্যাঞ্জাম আছে। আমরা দেখি, পর্ব২ এ হাবিব ঢাকা গেছে, তখন সে এইচ এস সি পরীক্ষা দিয়ে ফ্রী, আর এর আগে শেষবার মিলি আর ফুফুর সাথে দেখা হয়েছে ২ বছর আগে। অর্থাৎহাবিবের বাবা মা জীবিত থাকা অবস্থায়, তখন সে সদ্য এস এস সি পরীক্ষা দিয়েছে। তাহলে হাবিবের বাবা মা অ্যাক্সিডেন্টে মরল কখন? পর্ব১ এ বলা হয়েছে,
মানে যখন হাবিব ইন্টার ফার্স্ট ইয়ারের ছাত্র, তখন তার বাবা মায়ের মৃত্যু হয়। ওই সময় দেখা হয় নাই? কেমন আত্মীয় এরা, এমন দুর্ঘটনার পরও দেখা নাই? আর এই সময়েই যদি শেষ দেখা হয়, তাহলেও বিপত্তি! কারণ ৩য় পর্বে আমরা দেখিঃ
হে হে হে! টাইমিং এর গন্ডগোল খালি বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরাই করে না, আমরাও কম যাই না!!!
বইডার দুইডা ভার্শন বাইরৈলে ভালো হৈতো। একটা ঠিকাঠাক, আরেকটা আনকাট ভার্শন। বইয়ের শেষাংশে বিভিন্ন পর্বে ব্লগে করা কিছু মজার, আবেগীয় কমেন্ট, বইয়ের চিন্তা ক্যামনে আসলো, প্রসিডিউর, এইটার পিছনে স্বপনের কথা গুলা দিয়া একটা এপেন্ডিক্স থাকবো নাকি?
লেখকের মন্তব্য
শাওন ভাইয়ার আইডিয়াটা হেভি লাগলো, বইটার শেষে একটা পর্ব এভাবে রাখা যেতে পারে।
অসংখ্য ধন্যবাদ শাওন ভাইয়া।
ফয়সাল, তোমার লেখা পড়ে তো হেভি মজা পাচ্ছি, আবার আতঙ্কিতও হচ্ছি--এগুলো কখন কারেকশন হবে!
এবারের ক্যাচাল, চরিত্রগুলোর কমনসেন্স নিয়ে!
পর্ব২ শুরু হয়, সোমবার সকালে ব্যাকপ্যাক নিয়ে মিলন আসে হাবিবের বাসায়, ওইদিন দুপুরে হাবিব ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। তাহলে, মিলনের তো হাবিব থাকা অবস্থাতেই নিজের রুম বুঝে নেয়ার কথা, কিন্তু আমরা দেখেছি ভিন্ন চিত্র। অবশ্য এটা খুব গুরুতর সমস্যা না, হাবিবকে সকালে বাসে ঠিয়ে দিয়ে তারপর মিলন হাবিবের বাসায় এলেই সব ঠিক।
ভাল করে খেয়াল করুন, প্রয়োজনে ২ থেকে ৭ পর্ব আবার পড়ুন/ চোখ বোলান। সোমবার সকালে মিলন হাবিবের বাড়ী উঠে আসে। ঐদিন সকালে/ দুপুরে হাবিব ঢাকা রওনা দেয়, ধরে নিই, ঐদিন সন্ধ্যায়/ রাতে ফুফুর বাসায় পৌঁছয়। পরদিন, মঙ্গলবার বেলা প্রায় সাড়ে এগারটায় হাবিবের অ্যাক্সিডেন্টটা হয়। আবার এদিকে ঐদিনই দুপুরে মিলন জানতে পারে বেপারী পাড়ার বাড়ির নোটিশের কথা। স্বাভাবিকভাবে সে হাবিবকে ফোনে পায় নি। এই টেনশন পেটে চেপে সে বিকেলে হাবিবের বাগানে সেলিনার সাথে খোশগল্প করছে। যেখানে এই গুরুতর বিষয় নিয়ে সে সিরাজের সাথেই কথা বলার চেষ্টা করছে, সেখানে সেই সিরাজকেই দূর দূর করে তাড়িয়ে দেয়া, অস্বাভাবিক নয় কি? (এই ক্যাচালটা পুঞ্জ ব্যাটার ঢোকানো, পিলিচ আমারে মাইরেন না)। সিরাজের সাথে ঝগড়ার পর, প্রায় সন্ধ্যায় হাবিবের বাসা থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় সেলিনাকে ফোন করতে বললে, সেলিনা ফোন করে দুর্ঘটনার খবর পায়। কেন, মিলির পরিবারের কেউই কি এমন ভয়াবহ একটা দুর্ঘটনার কথা সেলিনাকে জানানোর প্রয়োজন মনে করেনি? অস্বাভাবিক নয় কি?
৪র্থ পর্বের নিজের ভেতরই কিছু কন্ট্রাডিকশন আছে। যেমন,
আবার,
সেলিনা আড়ালে চলে গেলে সিরাজ তাকে সরি বলল ক্যাম্নে?
আবার, আর এক জায়গায় দেখিঃ
অথচ পূর্ববর্তী পর্বগুলোয় আমরা দেখেছি, িরাজ হাবিবের ছোট্টবেলার বন্ধু, সিরাজ যখন তখন সেলিনাকে জ্বালাতন করত, তার চুলের ঝুঁটি টেনে দিত ইত্যাদি। এতদিনের খুনসুটির পরও অচেনা থাকাটা, ঠিক মানা যাচ্ছে না!
ভাইরে, আপুরে, ঠান্ডায় আর টাইপাইতে পারতাসি না! আরও কত কিছু কওনের হাউস আছিল, কাইলকা লিখুম নে! আইজ্যা তো আর পারিনা।
প্রিয়তি প্রিয় ফয়সল ভাইয়া,
আমার গভীর শ্রদ্ধা এবং কৃতজ্ঞতা নিন।
আপনি যে অক্লান্ত খাটা-খাটুনি করে চলেছেন, তাতে এখন আমি অপরাধবোধে ভোগা শুরু করেছি।
আমার আরও অনেক বেশী সহযোগিতা করা উচিৎ ছিলো। আমি বারোয়ারি যজ্ঞে সময় দিতে পারছি না ভেবে খুব খারাপ লাগছে নিজের উপর।
আপনি যদি মনে করেন, আমি কোনভাবে সাহায্য করতে পারবো, তবে অবশ্যই জানাবেন। আর সরাসরি আমাকে ইমেইল করবেন, কেমন।
অনেক ভাল থাকা হোক।।
সকল ভালো কাজের সাথে মানসিক ভাবে আছি এবং থাকবো
শুভকামনা থাকলো
শব্দপুঞ্জের অনুসন্ধিৎস্যু চোখে ধরা পড়া অসংগতির দুর্গতি দেখে এ উপন্যাসের গতি নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ছি। বারোজনের বারো রকমের অনুভূতিতে সৃষ্ট বারোয়ারীর সরল-গরল সকল বক্রতা দূর করে এক রেখায় আনতে পারা কষ্টসাধ্য হলেও অসম্ভব কিছু নয়। সে ক্ষেত্রে বারোজন লেখক বারোয়ারী হাতে এগুলে বারোমাসেও তা শেষ হবে না বলে আশঙ্কা রয়েছে। কেউ একজন এ কাজে মনোনিবেশ করলে তার জন্য কিছুটা কষ্টকর হলেও দ্রুততার স্বার্থে এটাই করা বাঞ্ছণীয়।
ইতিমধ্যে শব্দপুঞ্জ যতটা পথ পাড়ি দিয়েছে তা আমাদের আর করোর পক্ষেই সম্ভব হয় নি। এই সব অসঙ্গতি খুঁজে বের করার সাথে সাথে এগুলোকে দূর করে উপন্যাসের গতিকে উচ্চমানে উত্তোলনের ভার তাই শব্দপুঞ্জের উপরে দেওয়া যায়। এ বিষয়ে কারোর আপত্তি থাকবে না বলেই আমার মনে হয়।
মনে রাখতে হবে, সময় দ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছে।
হুদা ভাই আপনার মন্তব্যে সমর্থন জানিয়ে গেলাম।
সাথে সক্রিয়ভাবে থাকতে পারছি না বলে খুবই দুঃখিত। অনভিপ্রেত কিছু সমস্যা ব্যস্ততা আর অসুস্থতার যোগফলে বেশীক্ষণ মনযোগ ধরে রাখতে পারি না।
তবে টুকিটাকি সাহায্যে আসতে পারবো বলে আসা রাখি।
হুদা ভাইয়ের প্রস্তাবে ভোট দিলাম। শব্দপুঞ্জের ভূমিকা অভিনন্দনযোগ্য।
একমত, হুদা ভাইয়ের সাথে।
এই প্রস্তাবটাই একটা পর্বে দিয়েছিলাম, অসঙ্গতিগুলো দূরীকরণে ফয়সাল ভাই এবং আমিন শিমুল এগিয়ে আসলে নিশ্চিন্ত হতাম আমরা।
শিমুল ভাই এখন একটু ব্যক্তিগত ও শারীরিক সমস্যায় আছে; ফয়সাল ভাই এগিয়ে আসাতে সাধুবাদ এবং কৃতজ্ঞতা জানাই অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে।
আমার মনে হয় এত খুটিনাটি নিয়ে মাথা না ঘামালে ও চলবে, উপন্যাস তো আর ক্লাসের পড়া না কেউ এত মনোযোগ দিয়ে পড়েও না। দু একটা লাইনের ভুল এমন কিছু না। শুধু মেজর কিছু নিয়ে টান পড়লেই তবে তা বদলানো যায়।
পুরো লেখায় আমার কাছে মনে হয়েছে একটা জিনিস বদলাতে হবেইঃ
এ টা বর্তমান থাকলে পুরা উপন্যাসই অর্থহীন হয়ে যায়, এই লাইন কয়টা বাদ দিতেই হবে।
এছাড়া দিন তারিখ এলো মেলো হলো কিনা, ডান দিক বাম দিক, শনি রবি গোলমাল এগুলো আমার মনে হয় না এত গুরুত্বপুর্ন।
উপন্যাস নিয়ে কেউ থিসিস করবে না।
যেসব ব্যাপার একাধিক পর্বে জড়িত সেসব ব্যাপার কিছুটা মনোযোগ দাবি করতে পারে, তবে আমার মনে হয় না কোণ একটা পর্বের ছোট খাটো ঘটনা এত বড় করে দেখার দরকার আছে।
এখানে বারোজন লেখক, কিছুটা কম্পলেক্সিটি হবেই, এসব মেনে নিতেই হবে। এজন্য কাহিনী কখনো ফার্ষ্ট হয়েছে, কখনো থেমে গেছে। এসব মানতেই হবে।
আকাশগঙ্গার মতামতে কিন্তু বাস্তবতায় ফুটে উঠেছে। অতএব, বিবেচনার দাবী রাখে।
সবচেয়ে বেটার হয় আমরা কালকে নিয়াজ ভাইয়ের বাসায় আড্ডায় হাতে কলমে জিনিসটা এডিট করে সলভ করে ফেলি।
এভাবে কমেন্টের মাধ্যমে কাজটা করা যাবে না, ব্যাপারটা প্রাকটিক্যাল না।
আমরা ফে্বুতে একটা গ্রুপ ও খুলতে পারি।
পলাশ ভাইয়ের (আকাশগঙ্গার) সাথে আমি ৫৫.৬৮% সহমত।
আমি জীবনে একটাই বারোয়ারি উপন্যাস (উপন্যাসের নাম মনে পড়ছে না এখন) পড়েছি, যেখানে তিন "এস"-ই সামিল ছিলেন রচয়িতাদের কাতারে:-
১) সুনীল,
২) শীর্ষেন্দু আর
৩) সমরেশ (মজুমদার)।
সবমিলিয়ে বোধহয় ১২ জন রচয়িতা ছিলেন। ১২ জনের ১২ পর্ব।
ওখানেও ছোট-খাট তথ্যগত ত্রুটি আমার নজর এড়িয়ে যায় নি। একজন তো মূল চরিত্রের নামই ভুলে গেছিলেন - পুরো পর্ব জুড়েই মূল চরিত্র রাজন (বানানো নাম) হয়ে গেছিলো রাজেশ।
মাত্র এতটুকু একমত, বাকি কোন বিষয়ে দ্বিমত অমিতাপু?
আমি কিন্তু অমিতাপু ডাকলাম, কেউ বোধহয় আপনাকে ডাকে যদিও আমি জানিনা আপনার আসল নাম কোণটা ।
আমি লেখালেখিতে একেবারেই মন বসাতে পারছি না। ফয়সল ভাই, আপনার 'ইকেরাস' এর সাবস্টিটিউট এখনও পাচ্ছি না, তাই মন ঈষৎ বিমর্ষ।
--------------------
[সকল রচয়িতাগণের উদ্দেশ্যে:-]
যাই হোক, এখন আসি বইয়ের নামের প্রসঙ্গে।
দু'রকম দৃষ্টিভঙ্গি। দুটো ভার্সানই লিখছি।
দৃষ্টিভঙ্গি এক
ভুলে গেলে চলবে না যে কেন আমরা আমাদের আনন্দযজ্ঞকে মলাটবন্দী করছি। কেন মলাটবন্দী?? মলাটবন্দী মানেই কিন্তু বইমেলা, রাইট?
বইমেলার বই মানেই কিন্তু একটা প্রোডাক্ট। আমরা একটা প্রোডাক্ট মার্কেটিং করছি। প্রোডাক্ট মানেই বাণিজ্য। এখানে আপনাকে আর আমাকে নির্মোহ হতে হবে। এখন আপনি বলুন, বইমেলাতে কোন বই আপনার কিনতে ইচ্ছে করে? প্রচ্ছদটা ম্যাটার করে, না কি করে না? বইয়ের নাম ম্যাটার করে?
নিশ্চয়ই করে!! এখন আপনিই বলুন, কোন নামটা বেশী মনোযোগ আকর্ষণ করে?
- সরলরেখা বক্ররেখা, না কি
- সম্পর্ক কিংবা অসম্পর্কের সঙ্গম
মেলার একজন সাধারণ ক্রেতা হিসেবে সীমিত বাজেটে আপনি কোন নামের বইটা কিনবেন?
দৃষ্টিভঙ্গি দুই
একজন রচয়িতার চোখে।
আমি একজন রচয়িতা হিসেবে নির্দ্বিধায় বলতে পারি যে, যদি বইমেলায় বইটা আসে "সম্পর্ক কিংবা অসম্পর্কের সঙ্গম" নামে, বইটার নাম চোখে পড়লে, আমার মনে তেমন কোন নিবিড় অনুভূতিই আসবে না। অথচ মলাটবন্দী বইটার দিকে তাকালে যদি "সরলরেখা বক্ররেখা" নামটা চোখে পড়ে, তবে গভীর নস্টালজিকতায় আমার মন আচ্ছন্ন হয়ে উঠবে। কারণ,
প্রত্যেকটা রচয়িতার জন্যই উপরের উদ্ধৃতিটা কমবেশি প্রযোজ্য বলে মনে করি আমিও। আমার জন্য তো বটেই।
------------------------
এখন প্রশ্ন হল উপরের দুটো দৃষ্টিভঙ্গির কোনটিকে আপনি গুরুত্ব দেবেন বেশি?
- সরলরেখা বক্ররেখা,
- সম্পর্ক কিংবা অসম্পর্কের সঙ্গম
স্যরি টু সে, কিন্তু আমার কাছে মনে হচ্ছে সেকেন্ড নামটা এভারেজ এবং নিয়ার এভারেজ পাঠকের কাছে কোন কিছুই মীন করেনা।
প্রথম, নামটা শুনতে সুন্দর না
দ্বিতীয়, শব্দ গুলো অপরিচিত
তৃতীয়, শ্রুতিমধুর এবং উচচারন সহজসাধ্য নয়।
আমার মতে ভাল নাম হ্যান্ডি হতে হবে।
সরলরেখা বক্ররেখা নামটা রহস্যময়, বিশ্বাস আর বিশ্বাস ভংগের দুই কথার সুন্দর রুপ।।
টার্গেট যদি বই বিক্রি হয়, তবে প্রথমটাই পারফেক্ট, বেশির ভাগ মানুষ সারল্য পছন্দ করে, জটিলতা এড়াতে চায়। অধিকাংশের জীবনেই অনেক জটিলতা, বই পড়ে তারা সেটা বাড়াতে চায় না। নামেই জটি এরকম জটিলতা থাকে তারা সেটা হাতেই নেবেনা।
নো অফেন্স, জাস্ট আমার যা মনে হচ্চে তাই বললাম। রুড হলে বেগিং স্যরি।
অনেস্ট ফিডব্যাকের জন্য অভিনন্দন পলাশ ভাইয়া!
আমার আসল নাম (মানে বাবা-মা'র দেওয়া নাম) হল নাঈফা চৌধুরী অনামিকা।
এবার আসি মুখবন্ধ-এর প্রসঙ্গে।
আমার ব্যক্তিগত মতামত এখানে ব্যক্ত করতে চাইছি, বাকিটা আপনারা সকলে মিলে আড্ডায় বিবেচনা করবেন।
১-২২ পর্ব পর্যন্ত যে সব ব্লগাররা কমেন্ট করেছেন, তাঁদের প্রত্যেকের নাম কি আলাদাভাবে লেখা সম্ভব 'কৃতজ্ঞতা স্বীকার'-এর অংশে??
আরেকটা কথা:- শিহাবের লেখা হিসেবে এসেছে সহব্লগার নস্টালজিক আর হাসান মাহবুব-এর রচিত পংক্তিমালা। উনাদেরকে আলাদাভাবে মুখবন্ধে 'কৃতজ্ঞতা স্বীকার' অংশে খুব সম্ভবতঃ ধন্যবাদ জানানো উচিৎ। আপনাদের মতামত জানবার অপেক্ষায় থাকলাম।
এটা বোধহয় সম্ভব হবে না।তবে সম্ভব হলে বেশ হতো!
নস্টালজিক আর হাসান মাহবুবকে অবশ্যই ধন্যবাদ জানানো উচিৎ।
এটা অসম্ভব না, আর এটা করতে হবে এজন্যে যে এর একটা ব্যবসায়িক গুরুত্ব আছে।
১-২১ পর্ব দ্রুত চোখ বুলালাম। যে নিকগুলো প্রায়ই চোখে পড়লো:-
সুরঞ্জনা
মেঘ অদিতি
দর্শক
একুয়া রেজিয়া
তিশা
আব্দুল করিম
মূলত আমরা-আমরাই কিন্তু উপন্যাসটার কমেন্টকারী ছিলাম। উপরোল্লিখিত সহব্লগারগণ একাধিক পর্বে আমাদের উৎসাহ দিয়ে গেছেন।
আমরা কি ইনাদের নিক মুখবন্ধে উল্লেখ করে ফর্ম্যালি ধন্যবাদ জানাতে পারি না?
অবশ্যই ধন্যবাদ দেয়া উচিত মুখবন্ধে, যাদের পঙ্ক্তিমালা ব্যবহৃত হয়েছে।
আমার লেখা ১৯তম পর্বে ব্লগার নীলসাধু'র পঙ্ক্তি ব্যবহার করা হয়েছে, পোস্ট আপডেট করার সময়।
আরেকটা বিষয়, বইয়ে অতি অবশ্যই উত্সর্গপত্র থাকে। বিষয়টা এর আগেই উপস্থাপন করেছিলাম। নিয়াজ ভাই ছাড়া কেউ এখনও কিছু বলেনি সে বিষয়ে।
উৎসর্গ
মা
এটুকু হলেই তো ভালো হয়।
সহমত।
এস ফার হ্যাপেনড, শব্দপুঞ্জ ভাই আমার কথা বলেছেন, আমি শেষ পর্ব লেখার আগ্রহ প্রকাশ করায় এবং উনি অধিক পরিমানে ব্যস্ত থাকায় শেষের ভার আমার উপরেই বর্তেছে।
এখন আমি কি শুরু করে দিবো?
একুশ পর্ব থেকে নাকি আরেকটা পর্ব আসবে অন্য কারো কাছ থেকে।
তবে আগেই বলে রাখি, আমি ঘরেছেলে ঘরেই ফিরে যাবো। বাইরে থাকবোনা, আর এজন্যেই আমার লেখতে চাওয়া।
সিরিয়াস কিছু ঘটতে পারে। সবাই দলবেধে মরে গেলেও অবাক হবেন না যেন।
ধন্যবাদ সবাইকে।
আরি ইদানীং দেখলাম আমার পোষ্টে কেউ কমেন্ট দিচ্ছেনা! আমার কি মাইন্ড করা উচিত কিনা বুঝতেছিনা!
যাই হোক লাইভ হ্যাপি, অর ডোন্ট ডেয়ার টু ডাই।
পলাশ ভাইয়া, সবার পর্ব লেখা শেষ। এখন আপনি শেষ পর্ব লিখবেন। এক্ষুণি শুরু করে দেন।
----------------
না, আপনার মোটেই মাইণ্ড খাওয়া উচিৎ না। সরল-বক্র পরিবারের সবাই একে অন্যকে ভালবাসে। নিশ্চয়ই তাঁরা আজ নয়তো কাল আপনার পোস্টে আসবেন। নিশ্চিত থাকুন আর ধৈর্য ধরুন!
আকাশঙ্গার কমেন্ট পড়ে একটু থমকে গেলাম। আসলে, ওর কথাও তো ঠিক। হয়তো সব পাঠক এমন চুলচেরা বিশ্লেষণে যাবেন না। আবার মনে হল, কেউ কেউ তো যেতেও পারেন। ইতিধ্যে তার সাথে কথা হয়ে গেছে। শেষ পর্বের গুরুভার স্বেচ্ছায় সে নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছে, এজন্য তাকে আন্তরিক অভিনন্দন আর কৃতজ্ঞতা। আমার জন্য কাজটা সহজ হয়ে গেল। এখন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যদ্দূর সংশোধন করে নেয়া যায়, ততই লাভ। আমি আজ দুপুরের মধ্যেই আমার গবেষণা(!)র ফলাফল প্রকাশ করে, একটা ফ্রেম লিখে দেব উপন্যাসটার জন্য। দেখেন, আপনাদের ভাল লাগে কিনা। সব ঠিক থাকলে, মানে ফ্রেমটা আপনাদের ঠিকঠাক মনে হলে, সব পর্ব লেখকদের অনুমতিসাপেক্ষে, আজ রাতের মধ্যে এডিটিং এর কাজ সম্পন্ন করা যাবে।
অফটপিকঃ সাম্প্রতিক ব্যস্ততার কারণে কিছুদিন ধরে চতুরের অন্যান্য লেখায় সময় দিতে পারছি না, তাই, নিজের ব্লগ এবং সরল-বক্র ছাড়া কোথাও মন্তব্য করা সম্ভব হচ্ছে না । তবে, এই অবস্থা সাময়িক । আশা করি ব্লগের বন্ধুরা আমার অপারগতা ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন ।
ফয়সল ভাইয়া,
যদিও আমার পক্ষে এতদূর থেকে আপনাদের পরিস্থিতি অনুধাবন করা সম্ভব না, আর আমি জানি না সব রচয়িতার সাথে এই মুহূর্তে যোগাযোগ রাখা আপনার জন্য সম্ভব কি না, তারপরও আপনি কিছু মনে না করলে বলি (যদিও আমার এ'ব্যাপারে কিছু বলা উচিৎ না) যে, এই মুহূর্তে আমার মনে হয় একনায়কত্ব জারি করা উচিৎ, সবার অনুমতি নেওয়ার অপেক্ষায় থাকার মত সময় কি আমাদের আছে?
আপনার বিবেচনার উপর সবার অপরিসীম আস্থা।
দ্বিতীয়তঃ, খোলাখুলি একটা কথা বলি। (নি্র্মোহ মন্তব্য করার ব্যাপারে আপনিই আমাকে বলেছিলেন।)
আগেই অনুরোধ করছি, কেউ মাইণ্ড করবেন না (বিশেষ করে পলাশ ভাই), প্লীজ, আমি অনেস্ট ফীডব্যাক দিতে চাইছি।
আমি মনে করি, শেষ পর্ব রচনার জন্য যিনি সবচেয়ে পার্ফেক্ট রচয়িতা, তাঁর নাম "শব্দপুঞ্জ"। কারণ বিশ্লেষণে ব্যাখ্যা করা যেত, কিন্তু এ'মুহূর্তে সত্যিই আমার হাতে সময় নেই। ফয়সল ভাই শেষ পর্ব রচনা করবেন না খবর পেয়ে আমি চিন্তিত ছিলাম।
শেষ কথা, আমার লেখায় **একদম** মন নাই। তারপরও আপনাদের ফিডব্যাক অনুসারে চেষ্টা করবো আমার পর্বটাতে কাঁচি চালাতে। [সবচেয়ে ভাল হত যদি সম্পাদক নিজেই মহানুভব হয়ে টেইলারিং করে দিতেন।] আর তিনি যদি বিরক্ত হন, আমি তো আছিই। কিন্তু তাতে কতটুকু smoothly লেখা লিখতে পারবো (লেখায় যেহেতু মনোযোগ দিতে পারছি না একটুকুও), তা বলতে পারছি না।
----------------
আগামী ১০-১২ ঘন্টার আগে আর কম্পিউটারের সামনে আসা সম্ভব হবে না। অল দ্য বেস্ট।
আমি শেষ পর্ব লিখে ফেলেছি। আজ হয়তো পোষ্ট করে দিব।
আমি ভাল রকম অসুস্থ, এ জন্যেই ঠিকমত পার্টিসিপেট করতে পারছিনা, ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। আর অসুস্থ থাকলে মাথা গরম থাকে তাই অনেক কথা রুড বলে ফেলি, কেউ মাইন্ড কইরেন না।
আর শেষ পর্বের ব্যাপারে বলি।
শেষ পর্ব মানে আমি সমাপ্তি টানতে চাচ্ছি, এবং এর একটা কারন আছে। যদি কোন ভাই বা বোণ লিখতে চান তাহলে লিখুন কিন্তু কাহিনী যেখানে আছে সেদিকেই রাখুন, নতুন কিছু আনবেন না দয়া করে। কারন অলরেডি আমি সাত আট পাতা লিখে ফেলেছি, যেটা তখন একদম ক্রাপ হয়ে যাবে।
সবাই ভাল থাকুন, সুখে আনন্দে থাকুন।
সরলরেখা বক্ররেখাঃ প্রস্তাবিত Basic Framework.
চরিত্রগুলোঃ হাবিব, হাবিবের বাল্যবন্ধু সিরাজ, হাবিবের কলেজ জীবন থেকে বন্ধু মিলন, হাবিবের বোন সেলিনা, হাবিব-সেলিনার ফুপাতো বোন মিলি এবং সুতপা (অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী, বিবাহিতা), মিলির বাবা হাসান সাহেব, সিরাজের মা সুফিয়া খাতুন, সিরাজের বাল্যবন্ধু শামা, শামার মা আইজুন নেসা, সুতপার একসময়ের সহপাঠী শিহাব, সুতপার বান্ধবী মিমি, মিমির ছোট বোন রেমী, শেষ অংশে রেমীর স্বামী রাশেদ, রাশেদের মা ... আর যা-ই হউক, সুফিয়া খাতুন না!!
সময়-ছকঃ কাহিনীর শুরু ২০০৯ এ, পর্ব ৭ পর্যন্ত, সময়টা ২০০৯ এর জুন-জুলাই পর্যন্ত হতে পারে। পর্ব ৮ এর শুরু ২০০৯ এর মার্চে। এই মার্চেই সালিশীর ঘটনা, এর জের ধরে মিলনের বেরিয়ে যাওয়া, আর মিলির জন্মদিনও ওই একই দিনেই। এর কয়েক মাস পর হাবিব ঘরে ফেরে, তখন ঘরে সেলিনা, শামা আর শামার মা। ২০১১ এর ২রা জানুয়ারীতে শিহাব রেমীর পরিচয়। ফেব্রুতে ওরা দু’জন ক্রিকেট বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান দেখে। এ বছর ২০১১ এর জুলাইতে রেমী অস্ট্রেলিয়া যায়, এর পরের কোন এক সময় ঢাকায় মিলনের হোস্টেল রুমে তিন বন্ধুর সাক্ষাৎ হয়। তারপর সিরাজের মায়ের মৃত্যু, এবং বছরের শেষ দিকের ঘটনা, ১৭ই ডিসেম্বর রেমী আর রাশেদের বিয়ে।
অবস্থানঃ হাবিব-সেলিনার বাসা চট্টগ্রামের হালিশহরে। বেপারী পাড়ায় ওদের এক চারতলা বাড়ি আর চৌমুহনীতে দুটি দোকান আছে। সিরাজের বাসা হালিশহরেরই অন্য কোন ব্লকে – অবশ্য তার ঠিকানা উপন্যাসে খুব গুরুত্ব বহন করে না। সে আগাগোড়া শহরে মানুষ, পিতৃহীন নয়, পিতৃপরিচয়হীন – এটাই তার মদ্যাসক্ত হওয়ার কারণ। তার মা সুফিয়া খাতুন স্থানীয় বুটিক শপে কাজ করেন। মিলনের বাবা মা এবং ছোট ভাই গ্রামে থাকে। HSC পড়ার জন্য চট্টগ্রাম শহরে কলেজের হোস্টেলে উঠেছিল, পরে হাবিবের বাসায়। সবশেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ জিয়া হলের ২৩ নম্বর রুমে। বাদবাকিদের ঠিকানা নিয়ে তেমন গোলযোগ নাই। মিলি আগাগোড়াই ধানমন্ডিতে, শিহাব আগাগোড়াই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হোস্টেলে। রেমী অস্ট্রেলিয়াতে, প্রথমে হংকং এর ছাত্রদের সাথে, পরে অ্যানিতার সাথে।
অবস্থা/ পেশাঃ হাবিব, মিলন ২০০৯ এ HSC পরীক্ষা দেয়। তখন সেলিনা দশম শ্রেণীর ছাত্রী। তার প্রি টেস্ট পরীক্ষার জন্যই সে হাবিবের সাথে ঢাকা যেতে পারেনি। সিরাজও টেকনিক্যাল কলেজের কোন একটা ছোট সাময়িকী পরীক্ষা দিয়েছে একসাথে। এরপর, হাবিব ঢাকায় গিয়ে অ্যাক্সিডেন্ট করে। তারপর থেকে কাহিনীর শেষ পর্যন্ত সে বেকার – না পড়াশুনা, না কোন রোজগারী পথ – কোথাও তাকে নিয়োজিত থাকতে দেখা যায় না।
সিরাজের হিসেবটাও সোজা। পর্ব৮ এ জেল থেকে বেরুনোর পর আর লেখাপড়ায় নেই, রোজগারের ধান্দায় লেগে গেছে। মিলিকে আমরা শুরুতে, ২০০৯ এ আমরা দেখি ইন্টার ফার্স্ট ইয়ারে পড়ুয়া ছাত্রী হিসেবে। তাহলে পর্ব৮ এ, মানে ২০১০, মার্চে সে HSC পরীক্ষার্থী। ২০১১য় সে ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে ব্যস্ত। সেলিনা ২০০৯ এ দশম শ্রেণীতে পড়ুয়া, ২০১০এ SSC পরীক্ষা দিয়ে সিটি কলেজে ভর্তি হয়।
এবার মিলন। ২০০৯ এ পরীক্ষার পর, মেডিক্যাল ভর্তি পরীক্ষায় না টিকলেও, টিকেছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাপ্লাইড ফিজিক্সে। যেহেতু তার স্বপ্ন ডাক্তার হবার, তাই, ঢাবিতে ভর্তি হলেও কোর্স কন্টিনিউ করেনি। হাবিবের বাসাতেই থেকে গেছে। ২০১০এ হাবিবের ফুফা এসে তাকে বের করে দিলে সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে উঠে পড়ে। শামা এইচ এস সি এর পর আর পড়াশুনা করেনি, এন জি ও’র চাকরীটাই করে গেছে।
ঘটনাপ্রবাহকে সাজানো হল এভাবেঃ হাবিবের অ্যাক্সিডেন্ট পর্যন্ত তেমন কাজ করার কিছু নেই। ২০১০ এর মার্চে, একই দিনে, মিলির জন্মদিনে শিহাবের ভালবাসার দেখা পাই আমরা, ওদিকে জেল থেকে মুক্ত হয়ে সিরাজের হাবিবের বাসায় এসে হল্লা দেখা, পরদিন সালিশী। হয়তো সিরাজ রাতেই হাবিব-সেলিনার ফুপাকে খবর দিয়েছিল। (কিন্তু কীভাবে?) পরদিন ফুপা এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে, মিলনকে ঘর ছাড়তে বাধ্য করেন, আর শামা আর শামার মা’কে থাকতে বলেন সেলিনার সাথে। (মজার ব্যাপার, শামার মা অমনি রাজী হয়ে গেলেন?) এরপর থেকে মিলন ঢাবি হোস্টেলে। হয়তো এর মাসখানেকের মধ্যে হাবিব মোটামুটি সুস্থ হয়ে ঘরে ফেরে। এসময় শামার গর্ভপাত সংক্রান্ত ইস্যুটি গুরুত্ব পায়। পরের বছর, অর্থাৎ, ২০১১ এর ২রা জানুয়ারীতে শিহাবের দেখা হয় রেমীর সাথে। এবছর বাংলাদেশে ক্রিকেট বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান দেখতে ওরা স্টেডিয়ামে যায়। এরপর জুলাইতে রেমী চলে যায় অস্ট্রেলিয়া। জুলাই পরবর্তী কোন এক সময় হাবিবের মধ্যে বন্ধুতা চাগাড় দিলে আসে ১৩ পর্বের তিন বন্ধুর মিলন।
১৪ পর্বের শেষে রাঙামাটিতে শিহাব পানিতে নামার পরের পর্বে (১৫তম) তাকে ঢাকায় মিলির সাথে দেখা যায় – এটা চোখে পড়ার মত গড়বড়। এরপর অবশ্য আর টাইমিং এর গন্ডগোল নাই, সরলরেখায় চলেছে সব।
অফটপিকঃ এন্ডিং এ পলাশ ভাই কি করবেন জানিনা, আমার কিন্তু হাবিবের পাশে শামারে দারুণ লাগছিল, আর মিলনের পাশে মিলি!!!
এডিটিং যদি করতেই হয়, একটা বেসিক স্ট্রাকচার থাকা উচিৎ। এইটা সকলের মত থাকলে, আমি এইটার ওপর বেসিস করেই ফাইনাল টিউনিং করে দেব। এইখানে উল্লেখ করা তথ্যগুলো যে হুবুহু কাহিনীতে আসবে, তা না, কায়দা করে কথা বা ঘটনার ফাঁকে ঢুকিয়ে দেয়া যাবে। আসল কথা, কোন বড় ধরণের লুপ হোল যেন না থাকে।
পলাশ ভাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ, দ্রুত শেষ্পর্ব লেখার জন্য, যদিও এখনও পড়িনি।
বছরের সেরা জুক্স!!! (Joke of the Year!)
রেমী ----> রেমি (হ্রস্ব 'ই' কার)
------------------------
৫-৬ ঘন্টা পর ফ্রী হব ইনশাল্লাহ। তখন খুঁটিয়ে খঁটিয়ে পড়ে মন্তব্য করবার ইচ্ছা রাখি। সরল-বক্র সমাপ্তি উপলক্ষে সকল ভাই-বোন মিলে চলুন আনন্দ উদযাপন করি!
জুক্সটা ধরতে পারায় অভিনন্দন, নাঈফাপু! তবে আকাশগঙ্গা তো সবাইকে মেরে ধরে একসা করে রেখেছে! অবশ্য ট্র্যাজিক এন্ডিং, মন্দ না!
রাশিদা সুলতানা?
Basic Framework-এ ১০০ তে ১০০ দিলাম।
হো হো হো...আমার মাথায় আসলেই গণ্ডগোল ভাইয়া! এখন মনে পড়লো:-

রাশেদ --> রাশিদা
তারপর আরেকটা নাম মনে আসলো "উম্মে হাবিবা"। তারপর পরই মনে পড়লো:-
হে হে হে ... হাবিব --> হাবিবা
নাহ! আমার ক্রিয়েটিভিটি... ফ্লাশড আউট ডাউন দ্য... (শূণ্যস্থান পূরণের দায়িত্ব আপনার)
মোমেনা আক্তার। চলবে?
নুজহাত সুলতানা কেমন হয়?
শুভকামনা রইলো আপনাদের জন্য।
শব্দপুঞ্জ দা'র ফ্রেমওয়ার্কটা জটিল লেগেছে।
আমার মনে হয়, এই ফ্রেমওয়ার্ক ধরে (কিংবা এই ধরণের অন্যকোনো) শুধুমাত্র একজন পরিমার্জনা আর সম্পাদনার কাজটা করলে ভালো হয়। এক্ষেত্রে নিয়াজ ভাই আর শব্দপুঞ্জ দা এগিয়ে আছেন অন্য লিখিয়েদের চেয়ে। নিয়াজ ভাই পোস্টে প্রচুর খুঁটিনাটি তুলে ধরেছেন আর শব্দপুঞ্জ দা ফ্রেমওয়ার্ক প্রেজেন্ট করেছেন।
আমি বলবো,আপনারা দু'জন কিংবা কেউ একজন দায়িত্বটা নিন।
সময় কম, সবাই নিজ নিজ পর্ব সম্পাদনা করলে বারোজন সম্পাদক হয়ে যায়, এক্ষেত্রে কিন্তু ত্রুটিবিচ্যুতি থেকে যাওয়ার আশংকা বাড়ে।
আমার পর্ব নিয়ে বলি, নিয়াজ ভাই দুটো মিসটেক তুলে ধরেছেন,
প্রথমে মিলি শিহাবের সম্পর্ক ও হাবীবের সাথে ঘনিষ্ঠতা। মিলি শিহাব এক শহরে আর হাবীব অন্য শহরে। দেখা অনেক দিন পর পর হয় বলেই পূর্বের পর্বে অনুমিত। আর আমি নিজেই আমার খালাতো বোনের চাচাতো ভাইকে চিনিনা। হাবীব চিনতে পারবে বলে মনে হয়নি। তবুও এটা মিসটেকই হয়ে গেছে।
দ্বিতীয়ত, সেলিনাকে কেন বের হতে বলা হয়েছে?
আমি ব্যপারটাকে দেখছি, সমাজের সুবিধাবাদীদের চোখ দিয়ে। উপন্যাসে কিছু সামাজিক সমস্যা ও সেসবের সাথে চরিত্রগুলোর অভিযোজন চেয়েছিলাম।
যাহোক,পরের পর্ব ভিন্ন হয়ে গেছে বলে এটাও মিসটেক।
আমার পর্ব এডিটর যেভাবে খুশি এডিট করে নিতে পারেন। কারণ আমি জানি,তিনি আমার স্পর্শের ব্যপারে সচেতন থাকবেন।
এই কর্মযজ্ঞের সবাইকে অসংখ্য শুভেচ্ছা।
লেখকের মন্তব্য
সর্বশেষ আপডেটঃ উপন্যাসটির রিভিউ লিখে দেবার জন্য স্বনামধন্য সুরকার ও গীতিকার কবির বকুল ভাইয়া সদয় সম্মতি জ্ঞাপন করেছেন। সেজন্য তাঁকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
দারুন খবর!!
ওয়াও!!!
দারুণ খবর।
(আনন্দে উচ্ছ্বসিত হবার ইমো হবে) অভিনন্দন, নিয়াজ ভাইয়া!
নিয়াজ ভাই, এই উপন্যাসের মোরগ কাটবেন কে?
এত আগেই মড়ক-মহামারী নিয়ে চিন্তা?
আমার ডিউটি তো ফিনিশ, এখন ইট্টু গুতাগুতি করি আর কি! হে হে হে
এ দেখি বিরাট আনন্দের সংবাদ।
ভাল লাগছে, অপেক্ষায় থাকলাম বইটা হাতে নেওয়ার জন্য।
শব্দপুঞ্জ যদি ফ্রীতে নিয়ে আসে তাহলে তো কথাই নেই।
ঠিকাছে আপু, পাস্পুর্ট-বিসা প্লেন্টিকেট কইরা দেন, ফিরিই নিয়া আসুম নে!
কৃতজ্ঞতা স্বীকার: সহব্লগার অপাংক্তেয়
-আসল কবির অনুমোদন ছাড়া কবিতা প্রকাশ কুপি রাইট লঙ্ঘন!
আনন্দের আতিশয্যে সীমালঙ্ঘন, থুক্কু, কুপি ড়াইঠ লঙ্ঘন করে ফেলেচি!
আমার ডিউটি সমাপ্ত!
-সবচেয়ে বেশি ভেঙেছে আমিন শিমুলের আর নাঈফার 'য়' 'ড়'। দু'জনে দু'বস্তা চকলেট পাঠানোর বন্দোবস্ত করেন শিগগির!
-সবাইকে ইংরেজি নববর্ষের সালাম, শুভেচ্ছা, ভালবাসা। অনাগত দিনগুলো সবার জন্য শান্তির আর কল্যানের হোক! শুভ নববর্ষ ২০১২!!
মন্তব্য করুন