লেখকের ক‌থা

সদর দরজা

সেই যে আমার নানা রঙের দিনগুলি

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি


For some reason,
The past doesn't radiate such
Immense monotony as the future does.
Because of its plentitude,
The future is propaganda.
.

(Joseph Brodsky, "Less Than One")

.

বৈচিত্র্যহীন বিবর্ণ দিন অতীতের গর্ভে বিলীন হওয়া মাত্রই রঙধনুর রঙে বর্ণিল হয়ে ধরা দেয় আমাদের চোখে। একঘেয়ে রুটিন জীবনের স্মৃতি রোমন্থনেও বুকে হাহাকার করে ওঠে "সেই যে আমার নানা রঙের দিনগুলি"! অতীতে ফিরবার পথ খোলা নেই, তাই কল্পনার তুলি স্মৃতির ক্যানভাসে মন-হরা আঁকিবুকি কেটেই চলে। বর্তমানের অসীমতা নিদারুণ একঘেয়ে হয়ে ধরা দেয়।

.

একেকটা শব্দ, বর্ণ, গন্ধ ঘিরে ন্যুরনে (neuron) জমা থাকে একেকটা উপন্যাস। চতুর্মাত্রিকের ক্ষুদে স্ট্যটাসে চোখ পড়তেই একটা শব্দ মনিটর ফুঁড়ে জীবন্ত হয়ে গেল - বসন্ত। বাসন্তী রঙ! হঠাৎ ছোটবেলার রিনিঝিনি হাত ভর্তি চুড়ি, লাল টিপ, বাসন্তী রঙের শাড়ি চোখের সামনে ভেসে উঠলো। সেখান থেকে মস্তিষ্কের আঁধার প্রকোষ্ঠে - ম্যাডামের ক্লাসে - চুড়ির শব্দকে বলে 'শিঞ্জন', নূপুরের ধ্বণি কে বলে 'নিক্কণ'। তারপর কোন এক বসন্তের সন্ধ্যায় খোঁপায় ফুল গুঁজে শাকিলা জাফর আর ফাতেমা-তুজ-জোহরা'র চটুল গান টিভির পর্দায়।

.


তারে বলবো
আমি মনের কথা।
এল সে কি?
তার আসার আশায়
ভালবাসা
শোনায় মন্ত্রণা!
তার চরণধ্বণি
বুকে বাজে -
চোখে দেখি না!

.

সময়ের যোজন যোজন দূরে ফেলে আসা গান। ইউটিউবে খোঁজ দ্য সার্চ দিতে অবশেষে হাড় জিরজিরে একটা রেকর্ড তার ভাঙা চোয়াল নিয়ে হাজিরা দিল। সংকোচে তাই আমি চতুর বন্ধুদেরকে ভাঙা চোয়ালের সাথে পরিচয় করিয়ে দেবার প্রস্তাবনা তুড়ি মেরে বাতিল করে দিলাম।

.

এই গানকে কেন্দ্র করে অনেক অম্লমধুর অভিজ্ঞতা এখন রোম্যান্টিক স্মৃতিতে রূপান্তরিত হয়েছে। ঠিক যেমনটি হয়েছে রাম দা হাতে পাগলের দাবড়ানি খাওয়া।
.

সেদিন সকাল থেকেই ঝিরিঝিরি বৃষ্টি। ছুটির দিন সকাল। পথে লোকজনের ভীড় নেই। বৃষ্টি মাথায় নিয়েই বাড়ি ফিরছি। গানের স্কুল থেকে বাসা এ'গলি ও'গলি, তাই বৃষ্টিকে আমলে নিলাম না।ক্লাস ফোরে পড়ি - লাল ঝুঁটি কাকাতুয়া টাইপ ছোট্ট মেয়ে। হঠাৎ বৃষ্টির বেগ গেল বেড়ে। গাছের নিচে একটু ঠাঁই নিয়েছি। কে জানতো মগডালে রাম দা হাতে এক যুবক বসে আছে। পাকা আমের মত ঝুপ করে গাছ থেকে দিলো এক লাফ। পরিধেয় বস্ত্র বলতে সর্বসাকুল্যে ছিলো একটা নেংটি পরা। হাতে রাম দা। রক্তবর্ণ চোখে আমাকে ধাওয়া করলো। আমার পায়ের স্যান্ডাল জোড়ার একটা উড়ে গেল তাজমহল রোডে, আরেকটা গড়িয়ে পড়লো হুমা্য়ূন রোডে। কোনমতে সে যাত্রায় প্রাণ রক্ষা হল। কি ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা, অনুভূতি - অথচ এখন মনে পড়তেই হাসতে হাসতে মাটিতে গড়াগড়ি খেলাম কিছুক্ষণ!

.

গানের প্রসঙ্গেই এলাম যখন, তখন বলি। যার হাতে আমার গানের হাতে খড়ি, তিনি ছিলেন লাকী আখন্দ আর হ্যাপী আখন্দের বাবা। স্যারের নাম মনে নেই।তখন আমি আরও ছোট।স্কুলেও ভর্তি হইনি।স্যারকে আমার বাড়ির সকলেই 'প্রিয়দা' সম্বোধন করতেন। তিনি ছিলেন ফুপুর গানের টিচার। গানের স্বরলিপি ফুপু প্রায়ই ভুলে যেতেন। তিনি আমার চাইতে অনেক বড় হলেও বয়সে তখনও কিশোরী। একদিন ফুপু যথারীতি আগের দিন শিখিয়ে দেওয়া সুর হারমোনিয়ামে তুলতে ব্যর্থ হলে আমি দেখিযে দিলাম - লক্ষ্য করিনি দু'জনেই যে স্যার চলে এসেছেন - রুমে ঢুকেছেন। আমার তখনও 'সা রে গা মা'-এরই কোন প্রশিক্ষণ নেওয়া হয়নি কোন শিক্ষকের কাছ থেকে। তারপর থেকেই প্রিয়দা সম্পূর্ণ নিজের উদ্যোগেই আমাকে গান শেখাবার প্রস্তাবনা দেন আব্বু-আম্মুর কাছে। সেই থেকে শুরু। মনে পড়ে আমার সারগাম শুরু হলে প্রিয়দা'র কীলক ঠুকে ঠুকে তবলার বোল ট্যুনড (tuned) করা। সিগারেট শেষ করে সাপের কুণ্ডলী পাকিয়ে সোফায় ঘুমিয়ে পড়া।অবেলায় ঘুমোবার কারণ হিসেবে তিনি যা ব্যাখ্যা করতেন তার মর্মার্থ দাঁড়ায়, আমার সুমিষ্ট স্বর কর্ণকুহরে প্রবেশ করা মাত্রই ঘুমপাড়ানী মাসিপিসী অবির্ভূত হয়ে খাট-পালঙ্ক-সোফা নয়, একেবারে প্রিয়দা'র চোখ পেতে বসবার জন্য তোড়জোড় শুরু করে দেয়।প্রিয়দা'র কণ্ঠে আমাদের বাসায় গানের জলসা’র রাত এখনও স্মৃতিতে প্রজ্বল।

.

মজার এক ঘটনার অবতারণা করে গল্প শেষ করি। নতুন কুঁড়িতে গানের অডিশন। (যারা 'নতুন কুঁড়ি কাহারে কয়' জাতীয় প্রশ্নবোধক চিহ্নে চোখ কুঁচকে ফেলেছেন, তাঁদের উদ্দেশ্যে বলি, এককালে বাংলাদেশের জাতীয় টেলিভিশন আয়োজিত শিশুশিল্পী পুরস্কার প্রতিযোগিতার নাম ছিলো ‘নতুন কুঁড়ি’)। আমার জন্য তখন যথারীতি নতুন সঙ্গীত শিক্ষক মোতায়ন করা হয়েছে। আমার আব্বু ছিলেন ফিল্ডমার্শল-টাইপ ব্যক্তিত্বের অধিকারী। তাঁর নয় বছরের মেয়েকে রাগ দরবারী না শিখিয়ে ছড়াগান শেখানোর অপরাধে আগের গানের টিচার তখন আব্বুর বিরাগভাজন হয়ে কুরুক্ষেত্র থেকে বিতাড়িত। 'নতুন কুঁড়ি'র অডিশনে আমার গাইবার কথা দেশাত্মবোধক গান। দর্শক-শ্রোতা আমার গান শুনে শাহনাজ রহমতুল্লাহর কণ্ঠে গাওয়া গানের সাথে ঠোঁট মেলাচ্ছি (lip-sync) ভেবে যেন বিভ্রান্তিতে পড়েন, এই অঙ্গীকারে আমি যাবতীয় দেশাত্মবোধক সঙ্গীত একমাস ধরে রেওয়াজ করে রাখলাম। কিন্তু বিধি বাম হলে কিই বা করার আছে আমার!

.
নতুন সঙ্গীত শিক্ষক আমার গান শোনামাত্রই শতভাগ নিশ্চিত হয়ে গেলেন যে 'নতুন কুঁড়ি'র শিরোপা আমার জন্য pre-destined! প্রিয়দা তো তবুও ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে স্বপ্ন দেখতেন, নতুন সঙ্গীত শিক্ষক শুরু করলেন দিবাস্বপ্ন দেখা।
.

অডিশনের আগের দিন। আকর্ণবিস্তৃত হাসি ছড়িয়ে সঙ্গীত শিক্ষক বাঁয়া-তবলা নিয়ে বসলেন। তাঁর হাতে স্বরচিত, স্ব-সুরারোপিত দেশাত্ববোধক এক গানের খসড়া "কৃষাণ-কৃষাণী মাঠে যায়!" আমার তো আক্কেল গুড়ুম! ব্যাপার কি? না, ব্যাপার হল যে, তিনি তাঁর নামের প্রসার আর পসার - দু'টোরই লক্ষ্যে - এই গান রচনা করেছেন। যেহেতু, দিব্যযোগে জ্ঞাত হয়েছেন যে, সে বছরের 'নতুন কুঁড়ি'র শিরোপা জুটবে আমার ঝুলিতে, সেহেতু গীতিকার আর সুরকার হিসেবে নিজের নামটা টিভির পর্দায় দেখবার লোভ তিনি সংবরণ করতে পারলেন না কিছুতেই।

.

একটা প্রবাদ আছে - পাপ ছাড়ে না বাপকে
অডিশনের দিন। মুখের সামনে ক্যামেরা। চারদিকে চোখ ধাঁধাঁনো আলো। আমার হাতের ডানে বেহালাবাদকের সারি, বামে তবলচীর সারি, তারপর সেতারা, সরোদ কোনটা বাকী নেই বুঝি! বিস্ময়াভিভূত অবস্থায় আবিষ্কার করলাম যে, গতরাতে শেখা স্যারের স্বরচিত গানের কলির একটা লাইনও মনে করতে পারছি না। বুদ্ধি খাটিয়ে যে অজস্র দেশাত্মবোধক গান জানা রয়েছে, তার একটি গাওয়া শুরু করবো, তা করলাম না। শিক্ষকের আনুগত্য বর্জন করা যাবে না কোন অবস্থাতেই - এই মহান ব্রতে ব্রতী! আমার আগে অডিশনে যে মেয়েটা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছিলো, সে এসেছিলো মাথা কামিয়ে (হয়তো মাথায় উকুন ছিলো, তাই মা মাথা কামিয়ে দিয়েছিলেন)। স্টেজে দাঁড়ি্যে আমি অনেক কষ্টে-সৃষ্টে যে লাইনটা মনে করতে পারলাম, সেটা হল:- "ন্যাড়া মাথা টাকটুক....।" পরের ঘটনা লিখে ব্লগের কলেবর বাড়াতে চাই না! অডিশন হলে (hall) অভিভাবকদের প্রবেশ নিষেধ। অডিশন হল থেকে সোজা বেরিয়ে বাইরে অধীর আগ্রহে অপেক্ষারত আম্মুকে বললাম, "বিন্দাস"!

.

অতীতের সেই হৃদয়-বিদারক লাঞ্ছনার ইতিহাস এখন স্মৃতির পটে কেবল আনন্দরসের সঞ্চার করে। সামনে এগিয়ে চলার পথ একঘেয়ে আর অনতিক্রম্য বোধ হলেই হয়তো আমরা "রোম্যান্টিক" অতীতের আশ্রয় খুঁজে ফিরি। আজকে যা বর্তমান, কালই তা অতীতের গহ্বরে তলিয়ে যাবে।বিভ্রম - সময়ের! বিভ্রমে না পড়ে সামনে সুপ্রশস্ত পথের দিশা পেতে ধ্রুবতারার সন্ধানে কাটুক সকলের অমূল্য সময়। আপনাদের সকলের জন্য রইল মধুর বসন্তের বাসন্তী শুভেচ্ছা!

.
(ছবি সূত্র: চিত্রকর মুরাদ)

6.69375
আপনার মূল্যায়ন: আপনি মূল্যায়ন করেন নি। গড় রেটিং: 6.7 (১৬ জন মূল্যায়ন করেছেন)
শেয়ার করুন » Facebook Twitter Delicious Digg MySpace Google Orkut Blogger Google Buzz Technorati
অথবা এই সংক্ষিপ্ত লিংক শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৩৪০২(১)    

ইটা রাখলাম।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৩৪২৬(২)    

আহ্, দিনগুলি যে কই হারালো!
নানা রঙের দিনগুলোকে
যদি ফিরে পেতাম,
যতন করে
খাঁচায় পুরে
শিঁকল তুলে দিতাম!

পাগলের রামদা হাতে দাবড়ানি খাওয়ার অংশ কল্পনা করে শিঁউরে উঠলাম।

লেখাতে অন্যরকম একটা কষ্ট টের পেলাম খানিকটা যেনো মনে হয়।

লেখাটা যদিও বিষাদ ঘেরা
তবুও করে গেল মাতোয়ারা।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৩৯৩২(৩)    
লেখকের মন্তব্য

প্রিয়তিপ্রিয় মানিক ভাইয়া,

আমি কিন্তু গাঢ় আনন্দ নিয়ে ব্লগটা লিখেছিলাম। লিখবার সময়ে বিষণ্ণতা নামের মেঘ মনে কণামাত্রও ছায়া ফেলেনি!
আমার ভাইয়া ভাল থাকুন অনন্ত! :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৩৪৩১(৪)    

আপু, তুমি তো দেখি মহা মহা গুণী। তোমার গলায় গান শুনতে চাইইইইইইইইইইইই বসে আছি একা গিটার হাতে... \\wm/

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৩৯৩৪(৫)    
লেখকের মন্তব্য

আপুমণি, তোমার সাথে যেদিন মুখোমুখি দেখা হবে, সেদিন তুমি বলবার আগেই গাইতে শুরু করবো; কারণ তুমি প্রজাপতির মতই উচ্ছল, রঙধনুর মতই সুন্দর। আকাশে রঙধনু দেখে কে কবে গুনগুন না করে থাকতে পেরেছে? :)
আমার অম্লরাণীর জন্য অনেক ভালবাসা।।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৪১৬৬(৬)    

বুকে আয় বাভুল বুকে আয় বাভুল

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৩৪৩৯(৭)    

বৈচিত্র্যহীন বিবর্ণ দিন অতীতের গর্ভে বিলীন হওয়া মাত্রই রঙধনুর রঙে বর্ণিল হয়ে ধরা দেয় আমাদের চোখে। একঘেয়ে রুটিন জীবনের স্মৃতি রোমন্থনেও বুকে হাহাকার করে ওঠে "সেই যে আমার নানা রঙের দিনগুলি"! অতীতে ফিরবার পথ খোলা নেই, তাই কল্পনার তুলি স্মৃতির ক্যানভাসে মন-হরা আঁকিবুকি কেটেই চলে। বর্তমানের অসীমতা নিদারুণ একঘেয়ে হয়ে ধরা দেয়।
"দারুন লাগলো"
পাগলের হাতে রামদা!!!!!!!!

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৩৯৪০(৮)    
লেখকের মন্তব্য

আমার লেখা আপনার ভাল লেগেছে জেনে আক্ষরিক অর্থে আমার খুব খুশী লাগলো - আমার লেখার উদ্দেশ্য সার্থক!
অনেক ভাল থাকবেন, মনির ভাই! :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৩৪৪৫(৯)    

সেই যে আমার নানা রঙের দিনগুলি! এমন একটা সিরিজ চালু হতে পারে।
তবে নাম দেখে এবং ভালবাসা দিবসের কথা ভেবে যেই আশায় পোষ্ট ওপেন করেছিলাম, সেই মনের আশা পুর্ন হয় নাই!

সিষ্টার ফাল্গুনের শুভেচ্ছা আপনাকেও। অনেকদিন পর পোষ্ট দিলেন!

(আশা করি আজ রাতে একটা চমৎকার আড্ডা হবে কিন্তু আমি আর থাকতে পারছি না। মিস করলাম।)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৩৯৭২(১০)    
লেখকের মন্তব্য

আপনাকে ব্লগে দেখে খুবই ভাল লাগছে! :)
আগামীকাল রাতে আপনার জন্য একটা সারপ্রাইজ আছে, পরে বলবো! :)
আমি নিজেও গত রাতে ব্লগে বেশীক্ষণ থাকতে পারিনি। আড্ডা পুরাই মিস হল আমারও।।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৩৪৫৩(১১)    

আপনার লেখা পড়ে ছোটবেলার অনেক কথাই মনে পড়ে গেল।
আপনার সঙ্গীত শিক্ষক মনে হচ্ছে নিজের প্রচার আর প্রসারের জন্য আপনার স্বপ্নটাই ধ্বংস করে দিল।
আপনার জন্যও রইল মধুর বসন্তের বাসন্তী শুভেচ্ছা!

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৪০৬৪(১২)    
লেখকের মন্তব্য

সম্ভবতঃ আমার উঠোনে আপনার প্রথমবারের মত পদার্পণ। সুস্বাগতম, আচার্য ভাই! :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৪৫২১(১৩)    

আপনার উঠোনে সন্তর্পণে অনেকবার পদার্পণ নয় নয়নর্পণ করেছি কিন্তু কোন চিহ্ণ এঁকে যাবার সাহস হয়নি। কি বলতে কি বলে ফেলি! সবখানে তো আর বাচলামি করা যায় না। এইবার সেই দুঃসাহসটা দেখিয়েই ফেললাম। D

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৩৪৮২(১৪)    

"ন্যাড়া মাথা টাকটুক..... হা হা হা
পাগলের দৌড়ানী হিঃহিঃহিঃ  হাহাহা
আহা জীবন কত মজার

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৪০৬৭(১৫)    
লেখকের মন্তব্য

জীবন আসলেই দারুণ!
থ্যাঙ্কস জলরঙ সবসময়ে পাশে থাকার জন্য! :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৩৫১২(১৬)    

ইশশিরে! আম্রা অল্পের জন্যে, একজনের স্বার্থরক্ষার জন্যে একটা প্রতিভা হারাই ফেললাম! আফসোস, বিরাট আফসোস!! D

যদি সেই দিনগুলোতে ফিরে যেতে পারতাম!

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৪০৭০(১৭)    
লেখকের মন্তব্য

আফচুচের উপ্রে আফচুচ -এত বড় পরতিভা হারায়ে ফেল্লাম আমরা! D D
প্রিয়তিপ্রিয় নয়ন ভাইয়ার জন্য অনেক শুভকামনা আর আন্তরিক ভালবাসা! :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৩৫২০(১৮)    

আপু অসাধারণ স্মৃতি চারণ।
অনেকদিন পর পোষ্ট পেলাম।
ভালো লাগছে।
কেমন আছেন??

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৪২৭২(১৯)    
লেখকের মন্তব্য

আলহামদুলিল্লাহ, আমরা খুব ভাল আছি! আপনি কেমন আছেন ভাইয়া? আপনার বন্ধু সুকান্ত ভাই কেমন আছেন? উনাকে আমার তরফ থেকে শুভেচ্ছা পৌঁছে দেবার জন্য অনুরোধ করছি। :)
প্রায় দু'মাস হতে চললো আপনার নতুন পোস্টের অপেক্ষায় আছি! :)
আশা করছি, নতুন লেখা উপহার পাব আপনার কাছ থেকে খুব জলদি!
খুব, খুব, খুব ভাল থাকবেন প্রিয় ভাইয়া।। :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৪৪৭৩(২০)    

আপু আপনি দেখছি অবাক করা মানুষ। সবার কথা খুব দারুণ ভাবে মনে রেখেছেন।
সত্যিই খুব ভালো লাগছে।
আপু লেখা ভেতর থেকে একটু কম আসে। তাই জোর করিনা বেশী।
তবে একটা গল্প তৈরি করছি। বুঝতেছিনা গল্প হচ্ছে কিনা???
ধন্যবাদ আপু কোটি কোটি ভালো থাকবেন।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৪৪৭৫(২১)    

আর হ্যা আপু সরল বক্রে আপনার অটোগ্রাফ কিভাবে পাওয়া যায়???
চিন্তায় আছি।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৫৪২৮(২২)    
লেখকের মন্তব্য

হাহাহা। :)
এটা তো খুব জটিল পদ্ধতি। সকলের (১১ জনের) অটোগ্রাফ সম্বলিত বই আরব আমীরাতে পাঠাতে হবে, তারপর আমি অটোগ্রাফ দিয়ে বাংলাদেশে বইটা ফেরৎ পাঠিয়ে দেব। :) :) :)

তারচেয়ে অনেকগুণে সুন্দর/বড় হল:- আমাদের পারস্পরিক সৌহার্দ্য আর হৃদ্যতা।
আমি কিন্তু পারস্য উপসাগরের তীরে দাঁড়িয়েই আপনার আন্তরিকতা পুরোমাত্রায় অনুভব করতে পারি।
আমি জানি, আপনিও পারেন। এটাই আসল, অটোগ্রাফতো আনুষ্ঠানিকতা মাত্র। :)
খুব, খুব, খুব ভাল থাকবেন, প্রিয় ভাইয়া।। :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৩৫৩৫(২৩)    

আপু, আপনাকে যতোই জানছি, ততোই মুগ্ধ হচ্ছি। শুধু মুগ্ধ নয়, শ্রদ্ধায় অবনত হচ্ছি। আর কিছু বলতে চাচ্ছি না।

শুভেচ্ছা রইলো ফাল্গুনের, শুভেচ্ছা রইলো ভ্যালেটাইন্স ডের।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৪২৮৫(২৪)    
লেখকের মন্তব্য

নিয়াজ ভাইয়া, আপনার মন্তব্য পড়ে আমি পালাবার/ লুকোবার পথ খুঁজে পাচ্ছি না। শরমিত শরমিত শরমিত
আপনার মধ্যে মায়া-মমতা অনেক, অনেক বেশী; আর আমার অতিরঞ্জিত করে তিলকে তাল বানিয়ে লেখার প্রবণতা অনেক, অনেক বেশী - এর চেয়ে বেশী কিছু আমিও বলতে চাইছি না। :) :) :)
---
প্রিয়তিপ্রিয় লিসা ভাবী ও আপনার জন্য রইলো ভ্যালেন্টাইন'স ডে'র টাটকা (উমম, আসলে একটু বাসি) গোলাপ-লাল-শুভেচ্ছা!! :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৩৫৩৮(২৫)    

ন্যাড়ামাথায় টাকটুক গানটা শুনতে চাই। D D D

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৪২৯৩(২৬)    
লেখকের মন্তব্য

মুখোমুখি দেখা হলে শোনাব, ইনশাল্লাহ! :)
অনেক ভাল লাগলো আপনাকে আমার ব্লগে দেখে! খুব, খুব ভাল থাকবেন প্রিয় (মিষ্টি) চিনি আপুমণি।। :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৩৫৩৯(২৭)    

উহু! উহু! সব কাহিনী অর্ধেকে ঝুলিয়ে রাখবে তা হবেনা! এরাম করিস না মমিন
আমরা পুরোটা শুনতে চাইইইইইইইইইইইই!!!!!!!

নানা রঙের দিনগুলোর কথা এতো সংখিপ্ত আকারে মানিনাআআআআআআ!!!!

ঝ্যান!!! ঝ্যান!!! ঝ্যান!!! ( শাপলার রণ-বাজনা) D

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৪৩২৬(২৮)    
লেখকের মন্তব্য

হাহাহা! অর্ধেকে ঝুলে থাকাই ভালু।
চাঁদের এক দিকে নিশ্ছিদ্র আঁধার,
অপরদিকে মায়াবী আলো,
আমরা তার রূপ হেরি অর্ধেকে
তাইতো তার লাগে এত ভালো।। :) :) :)
[দুর্বল কাব্য প্রচেষ্টা!]
----
প্রিয়তিপ্রিয় সুরঞ্জনা'পা, আপনাকে ও দুলাভাইকে বসন্তের বাসন্তী শুভেচ্ছা আর ভ্যালেটাইন'স ডে'র গোলাপ-লাল শুভেচ্ছা।। :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৩৫৪৯(২৯)    

গানটা শেয়ার করতা নাঈফাপু। আহহারে!! আমারতো খারাপ লাগছে বেচারা সঙ্গীত শিক্ষকের জন্য। :( :(
এজন্যই বলে 'পুরান চাল ভাতে বাড়ে'।
সঠিক শিক্ষক বাছাইও জরুরি। খনার বচনে আছে- 'যাচিয়া লইও গুরু; নতুবায় দুঃভাগ্যির শুরু।'

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৪৩২৭(৩০)    
লেখকের মন্তব্য

'যাচিয়া লইও গুরু; নতুবায় দুঃভাগ্যির শুরু।'

হক কথা! :)

গানটা আগে কবি ভাইয়ের সাথে শেয়ার করবো ভাবছি। তিনি গ্রীন সিগন্যাল দিলেই সবার সাথে শেয়ার করবো, ইনশাল্লাহ!!
---
কবি ইয়োলিন নারমি'র জন্য আমার পক্ষ থেকে রইলো ভ্যালেন্টাইন'স ডে'র বাসি গোলাপ-লাল শুভেচ্ছা! :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৪৩২৮(৩১)    

আপু, এইটা কিন্তু খনার বচন বলে কোথাও চালাতে যেও না। এইটা খনার বচন না। নারমি বচন। :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৪৩৪৪(৩২)    
লেখকের মন্তব্য

তথাস্তু, বস! পন্ডিত

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৪৫৪০(৩৩)    

নারমি বচন এক্সিলেন্ট হইসে!

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৩৫৭০(৩৪)    

ঘটনাগুলো নিয়ে এখন হয়ত হাসছ কিন্তু একটা সময়, লম্বা টানা একটা সময় ধরে, কী প্রচণ্ড মানসিক চাপ গেছে, তাই না? শিশুদের অংশগ্রহণে যে কোন প্রতিযোগিতাকে আমার অসুস্থ মনে হয়।

যাকগে, তন্ময়-স্টাইলে শেষ পোস্ট না দেয়ায় দিক্কার :প :p
এমন সুন্দর লেখারা নিয়মিত আসুক।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৪৪৫১(৩৫)    
লেখকের মন্তব্য

প্রিয় বন্ধু, তোমার মন্তব্য পেয়ে সবসময়ে অনুপ্রাণিত হই। তোমার কাছ থেকে নির্মোহ মূল্যায়ণ পাওয়াটা আমার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অবশ্য, আমার ধারণা, তুমি খুবই, কি বলবো...generous with your compliments! হাহা। তোমার প্রশ্রয়ও সমান উপভোগ্য! :)
---

লম্বা টানা একটা সময় ধরে, কী প্রচণ্ড মানসিক চাপ গেছে, তাই না?

শুধু, ঐ ঘটনাকে কেন্দ্র করেই নয়, মানসিক চাপ সবসময়েই ছিলো, হে হে। আমাদের দুজনের আব্বুই (আমার অনুমান, ভুল হলে মাফ করে দিও) সম্ভবতঃ পারফেকশনিস্ট আর ফিল্ডমার্শল-টাইপ ব্যক্তিত্বের :) অধিকারী ছিলেন (আমার আব্বু না ফেরার দেশে চলে গেছেন অনেকগুলো বছর হয়ে গেল)। শিশুদের অংশগ্রহণে প্রতিযোগিতা আমাদের দেশে এখনও সম্ভবতঃ খুবই প্রকটাকারেই আছে। :(
---
হে হে। এটা ছিলো তাৎক্ষণিক ব্লগ - হঠাৎ সকলের ক্ষুদে ব্লগে 'বসন্ত' শব্দটা দেখামাত্রই পটাপট শব্দরা কী-বোর্ডে নিজেদের সাজিয়ে ফেললো।
তন্ময়-ইশটাইলে (রিফাইনড version) পোস্ট আসবে, ইনশাল্লাহ, এখন থেকে ঠিক ১৩ ঘন্টা পর।
---
অপনা'কে অনামিকা খালামণির তরফ থেকে অনেক অনেক চুমু দিও। তুমি যখনই সুযোগ পাও, আবু ধাবীতে transit point হিসেবে হল্ট করার চেষ্টা কোরো, কেমন! কিছুদিন আমাদের সাথে থেক, খুব ভাল লাগবে আমার। তুমি কোথায় আছো জানি না, Australia থাকলে এ'বছরই দেখা হয়ে যাবে, ইনশাল্লাহ। ভাইকে আমার সালাম জানিও। অনেক ভালবাসা প্রিয়তিপ্রিয় নুশেরা'র জন্য। :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৩৬১২(৩৬)    

সুন্দর স্মৃতিচারণ!
ভালো লাগা রইল।
শুভেচ্ছা- :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৪৪৫২(৩৭)    
লেখকের মন্তব্য

আমার ব্লগে আপনাকে সুস্বাগতম, অজানা পথিক! :) (স্বাগতম)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৩৬১৫(৩৮)    

ভাঙা চোয়ালের সাথে পরিচয় হইতাম চাই চশমা -শশমা -ইশমাঠ

ন্যাড়া মাথা টাকটুক.... এর পরের ঘটনাও জানতাম চাই :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৪৮০৯(৩৯)    
লেখকের মন্তব্য

হাহা! :)
ঠিক আছে, ভাঙা চোয়াল ক্ষুদে ব্লগে আপনার সাথে প্রাইভেট আলাপচারিতা করবে ৫ মিনিটের মধ্যে। :)
ন্যাড়া মাথা টাকটুক.... এর পরের ঘটনা....হেঁ হেঁ হেঁ.... টপ ছিক্রেট! :)
মন্তব্যের জন্য অজস্র ধন্যবাদ, মাসুম ভাই।
ভাল থাকুন নিরন্তর।।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৩৬১৭(৪০)    

ছোটবেলায় এক জন্মদিনের অনুষ্ঠানে আমারে কৌতুক বলতে বলা হৈসিলো -
কতো কৌতুক জানতাম রহস্য পত্রিকার সৌজন্যে - কিন্তু একটাও মনে করতে পারি নাই - শেষে অর্ধেক ডিমের আফটুক বলে এ্যাঁ এ্যাঁ করতে ছিলাম - -:(
অনেক দিন হীনমন্যাতা ছিলো ঐ স্মৃতি নিয়ে - আপনার কাহিনী পড়ে কেটে গেলো -- আমি একলা না তাহলে । পন্ডিত
===
পাগলের দৌড়ানি খাওয়া মোটেও মজা অভিজ্ঞতা না এরাম করিস না মমিন

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৩৬৪৯(৪১)    

আপনে একা না, অনেকে আছে। মায়ের কাছে বাংলা শিখতে আসত ফরেনারদের একটা ব্যাচ, এদের বাচ্চাকাচ্চার সাথে খেলতাম পাঁচছয় বছর বয়সী আমরা দেশি কয়েকটা পুলাপান। সাতচারা খেলার বলটা খুঁজে পাচ্ছিল না এক সাদাবাচ্চা, তারে বলছিলাম, "বল ইন দা ফাঁক"... ... ... আরেকটা বিদেশি সাইকেল নিয়ে আসত, পালা করে চড়তাম, সে ঠেলতে আসলে বলছিলাম "নিজেস নিজেস চালাতেস পারেস"... ...
তিন দশক ধইরা এই দুইটা বাক্য নিয়া টিটকারি শুনতেই আছি উদাস

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৩৬৬৫(৪২)    

বল ইন দ্যা ফাঁক - এটা তো পুরা আমার কন্যার মত কথা। "ডোন্ট পুট লোশন অন মাই পিঠ", "বাবা, ক্যান ইউ গুম পারা মি?", "আম্মু, উইল উই ফেরত ইট?"

--

আমাদের এক সিনিয়র ভাই গল্প করসিলেন, উনি ক্লাস টুতে থাকতে নাটক করসিলেন, চরিত্র ছিলো লাশ। মিনিট খানেক থাকার পর উঠে বসে দেখছিলেন, দর্শকরা কি করে?

---

আমার কন্যা একসময় ব্যালে/ট্যাপ শিখত। ওদের ফাইনাল প্রোগ্রামে এক পিচচি হঠাত অিটোরিয়াম ভরা দরশক আবিস্কার করে হকচকায় গেসে। তারপর ৩ মিনিট স্ট্যাচু হয়ে দাঁড়ায় ছিলো। এদিকে গ্রুপের নাচ শেষ হয়ে গেলেও সে আর নড়ে না। পরে অবশ্য সে মেয়েকে নাচের টিচার এনে আরেকবার সুযোগ দিলো। টিচার-স্টুডেন্ট দুজনই আসলো। মেয়েটা টিচারকে দেখে দেখে নাচলো। "জীবনে সেকেন্ড চান্স পাওয়া খুব প্রয়োজন।"

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৩৯৩৫(৪৩)    

"জীবনে সেকেন্ড চান্স পাওয়া খুব প্রয়োজন।"
এইটা একটা দামী কথা ।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৪৪০১(৪৪)    

আসলেই দামী কথা, ক্লাসিক রোবচন

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৫১৯৪(৪৫)    
লেখকের মন্তব্য

বাংলাদেশে অশিকাংশ মানুষ প্রথম চান্সটাও পায় না। :(

[রোবোট ভাই, আমাদের বোধহয় পরিচয় বিনিময়ের কথা ছিলো। আমি অপেক্ষা করছি।] :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৫৬০৪(৪৬)    

হুম, আমি প্রাইভেট মেসেজের অপেক্ষায় আছি। সেখানেই অফটপিক আলাপ হবে।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৫৬৮০(৪৭)    
লেখকের মন্তব্য

আমার কিন্তু সেই কৌতুকটার কথা মনে পড়ছে, জানা আছে আপনার?
"আপ প্যাহলে, আপ প্যাহলে কারতে কারতে গাড়ীই নিকাল গ্যায়া"! what!
[আমি আপনার কাছ থেকে প্রাইভেট মেসেজের অপেক্ষায় বসে আছি!]

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৫৬০৫(৪৮)    

বিন্দাস মানে কি?

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৫৬৮১(৪৯)    
লেখকের মন্তব্য

সে এক বিশাল ইতিহাস।
সংক্ষেপে এর অর্থ হল "দারুণ"/ "awesome"।
[ডিজুসীয় প্রজন্মেরা প্রায়শই ব্যবহার করে থাকে।]
বিস্তারিত জানতে চাইলে এখানে ক্লিক করুন।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৩৭০৯(৫০)    

"নিজেস নিজেস চালাতেস পারেস"... ...

হিঃহিঃহিঃ  হাহাহা

"ডোন্ট পুট লোশন অন মাই পিঠ", "বাবা, ক্যান ইউ গুম পারা মি?", "আম্মু, উইল উই ফেরত ইট?"

হাহাহা। দারুণ!

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৩৯৩৬(৫১)    

"বল ইন দ্য ফাক"
তো বিকট ক্ল্যাসিক জিনিস - সেই আমল থেকেই আপনে এতো স্মার্ট ছিলেন পন্ডিত চান্দিছিলা মুহাহা

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৫০৪১(৫২)    
লেখকের মন্তব্য

শূণ্য আঙ্কেল,

পাগলের দৌড়ানি খাওয়া মোটেও মজা অভিজ্ঞতা না

বললে বিশ্বাস করবেন কি' না জানি না, পাগলের দাবড়ানি খাওয়ার কথা সারাজীবনে যতবার মনে এসেছে, ততবার আমি হাসতে হাসতে গড়াগড়ি খেয়েছি।
যেদিন ঘটনাটা ঘটলো, সেদিনও বাড়ি ফিরে প্রচুর হেসেছি। আমার মনে হয়, হয়তোবা এটা মস্তিষ্কের সরভাইভ্যল মেকানিসম। তখন তো বাচ্চা একটা মেয়ে ছিলাম। হঠাৎ ভয়ঙ্কর পরিস্থিতিতে প্রচণ্ড মানসিক চাপের মধ্যে পড়ি। মস্তিষ্ক এই trauma থেকে আমার কচি মনকে রক্ষা করতে ঐ ভয়াবহ অভিজ্ঞতাকে ন্যুরনে 'হাসির স্মৃতি' হিসেবে সংরক্ষণ করেছে। প্রচণ্ড ভয়ের অনুভূতির সাথে হাসির অনুভূতি হয়তো ক্ষীণভাবে সম্পর্কিত।

কোন আইডিয়া নেই - কথার কথা বললাম - আজাইরা প্যাচাল যাকে বলে। আপনি আবার অনুগ্রহ করে বলে বসেন না যে, "খুব ক্লীশে শোনালো"। :) :)
---
রুবু কেমন আছে? আমি সত্যি সত্যি জানতে চাচ্ছি - এই প্রশ্নের উত্তরটা পেলে আমার আক্ষরিক অর্থে খুব খুশী লাগবে।
রুবু মামণিকে বাদুড় চৌধুরাণীর হয়ে অনেক অনেক চুমু দিয়ে দেবেন, কেমন? :)
অফুরান শুভকামনা।।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৩৬২০(৫৩)    

ফাগুনে পড়ে সাজ ফুলবধূর..

বাসন্তীপুরের বাসন্তী আর বসন্তকুমাররা ভালো থাকুক...

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৫১৯৬(৫৪)    
লেখকের মন্তব্য

বিনীত ধন্যবাদ!
শিপন ভাইও ভাল থাকুন অনন্ত! :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৩৬২৬(৫৫)    

আমি ও বললাম বিন্দাস!
অসাম সালা!

ভুল হইলো, আপনারে কি আর শালা বলা যায় নাকি??

হে হে হে!

আপনে গান জানেন শুনে ভাল লাগতেছে। আরো ভাল লাগবে যদি একটু গলা সেধে আপলোড করে দেন আর শুনে অধমেরা কান জুড়াই!

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৫২৫৪(৫৬)    
লেখকের মন্তব্য

বিন্দাস!
আমার 'অসাম পলাশ ভাইয়া'! :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৩৬৪৮(৫৭)    

অপূর্ব অসাধারণ স্মৃতিচারণ!! মুগ্ধ পাঠের আর এক নাম অনামিকা। অনামিকা যা বলে(লেখে), তাই সুন্দর করে বলে(লেখে), শুনতে (পড়তে) লাগে মধুর। রাম দা হাতে পাগলের দাবড়ানি সে সময়ে ছিল তিক্ত আর এ সময়ে হয়েছে মজার অভিজ্ঞতা। সময় এমন করেই একই বস্তুকে অন্য বস্তুতে বদলে দেয়। ন্যাড়া মাথা টাকটুক নিয়ে হাস্যরসের অভাব না ঘটলেও তখনকার সেই ছোট্ট মেয়েটির জন্য বেশ খারাপই লাগছে আমার। অতঃপর গানের চর্চা অব্যাহত ছিল (আছে) কিনা তা জাতি জানতে চায়।
সর্বগুণে গুণান্বিতা অনামিকার কাছে বেশি বেশি পোস্টের আশা চতুররা করতেই পারে।
শুভেচ্ছা।
[আমি কিন্তু পথ চেয়ে থাকি।]

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৫৬৭৯(৫৮)    
লেখকের মন্তব্য

প্রিয় নাজমুল ভাই,

সরল-বক্র পরিবারের ভাই-বোনেরা একে অপরকে নির্মোহভাবে মূল্যায়ন করতে পারবেন না বলেই আমার ধারণা। :)
---
গানের চর্চা অব্যাহত ছিলো, কিন্তু অস্ট্রেলিয়া আসবার পর জীবন সংগ্রামের তোড়ে আর অব্যাহত থাকেনি।
---

আমি কিন্তু পথ চেয়ে থাকি।

আবার দেখা হবে, পথেই, খুব জলদি! :)
---
নিরন্তর শুভকামনা।।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৩৬৭৪(৫৯)    

অসাধারণ । বেশ কয় একবার পড়লাম । যাই হোক। সোজা প্রিয়তে ।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৪৩৫৪(৬০)    
লেখকের মন্তব্য

আমার বাড়িতে আপনাকে সুস্বাগতম, রেহান ভাই! (স্বাগতম)
আমার লেখা প্রিয়তে নেওয়ায় অনেক, অনেক অনুপ্রেরণা পেলাম মনে।
অফুরান শুভকামনা আপনাকে ও আপনার সব প্রিয়জনদেরকে।। :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৫২৮৯(৬১)    

লিখাটা মনে ধরে গেছে। আবার পড়লাম এখন। কি বলবো বুঝতেসিনা। বেশী ক্লাসিক লাগলো। অনেক অনেক অভিনন্দন আপনাকে। তাজমহল রোড আর হুমায়ান রোড টেনে আনলেন যে? এখানে থাকেন নাকি ? :প :p আমার থাকার জায়গার নাম দেখে একটু কৌতূহলী হলাম আর কি । :প :p

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৫২৯১(৬২)    
লেখকের মন্তব্য

এখানে থাকতাম ২২ বছর আগে। এর পর আর পড়েনি "মোর পায়ের চিহ্ন এই বাটে"! :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৪২৯৯৭(৬৩)    

এখন কোথায় থাকেন?
যাই হোক, অনেক দিন কোন খোঁজ পাইনা আপনার। কেমন আছেন?

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৩৭৬০(৬৪)    

ছোটবেলায় আমিও একটু আকটু গান শিখেছিলাম ।পাগলের দাবড়ানিও জুটেছিল ।
অসাধারণ লাগলো পোষ্ট ।ছোটবেলায় ফেলে আসা দিনগুলি এখনো মনে পড়লে রোমাঞ্চিত হই যেমনটা এখন হচ্ছি ।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৪৩৫৩(৬৫)    
লেখকের মন্তব্য

আমার ব্লগে আপনাকে সুস্বাগতম, অমৃত ভাই! (স্বাগতম)
আপনার মূল্যবান মন্তব্য পড়ে অনেক, অনেক অনুপ্রাণিত হলাম। অশেষ কৃতজ্ঞতা জানাই!
শান্তিময় স্নিগ্ধতায় কাটুক আপনার দিন-রাত-দিন।। :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৩৯৪৭(৬৬)    

অসাধারণ স্মৃতিচারণ। কী সুন্দর করে লিখেছ বন্ধু!

সামনে এগিয়ে চলার পথ একঘেয়ে আর অনতিক্রম্য বোধ হলেই হয়তো আমরা "রোম্যান্টিক" অতীতের আশ্রয় খুঁজে ফিরি। আজকে যা বর্তমান, কালই তা অতীতের গহ্বরে তলিয়ে যাবে।বিভ্রম - সময়ের!

অস্ফুট বিষণ্ণতার এক চিলতে ছোঁয়া কেন রেখে দিলে এখানটাতে?

-ভাল থেকো। অনাবিল আনন্দে আর বাসন্তী উচ্ছলতায় ছেয়ে থাকুক তোমার জীবন!

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৪৩৪৮(৬৭)    
লেখকের মন্তব্য

তোমার সত্যিই ভাল লেগেছে? তোমার নির্মোহ মূল্যায়ন পাওয়াটা আমার জন্য ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। তোমার মূল্যবান মন্তব্যের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ!

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৪২৯৯(৬৮)    

দারুণ! অমিতা, দারুণ লেখা!
- স্মৃতির মজাটা ঠিকই বলেছেন। বিবর্ণ আজ যেই কিনা গতকাল হলো, বর্ণিল হলো অমনি!
- শৈশবের সাথে জড়ানো কিছু আতঙ্ক, কিছু অপ্রস্তুত মুহূর্তের স্মৃতি সবারই আছে মনে হয়। প্রত্যাশা লাগামছাড়া হ'লে হতাশাও সেই অনুপাতে গভীর হবার কথা। - ব্যক্তিগত ভাবে আমি শিশুদের কোন রকম চাপ প্রয়োগের বিরোধী। আত্মবিশ্বাস আর আত্মমর্যাদা গ'ড়ে ওঠার এই সময়টায় উৎসাহ খুব জরুরী। রোবোট ভাইয়ের মতো আমিও বিশ্বাস করি সেকেন্ড চান্স খুব দরকার, বিশেষতঃ শিশুদের।
- শুভ কামনা রইলো।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৪৩৪৬(৬৯)    
লেখকের মন্তব্য

এই লেখা আপনার ভাল লেগেছে জেনে আমার খুব খুশী লাগলো প্রিয় বাপী ভাইয়া!
সৌম্য'র শরীর অসুস্থ ছিলো? আমার আদরের দুই ভাস্তে আর ভাবীর কাছে আমার বাসন্তী শুভেচ্ছা পৌঁছে দেবার অনুরোধ রইল।
আকাশছোঁয়া শুভকামনা।। :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৪৩৪৩(৭০)    

'পাপ ছাড়ে না বাপকে' পর্ব বেশি পছন্দ হয়েছে।
পরের পর্ব দিয়ে দিন।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৪৩৫৭(৭১)    
লেখকের মন্তব্য

কেমন আছেন, প্রিয় তারার হাসি?
আর কোন পর্ব নেই যে, এটাই শুরু, এটাই শেষ - তাৎক্ষণিক লেখা। :)
চাচাজীকে আমার সালাম জানাবেন। আপনার জন্য অফুরান ভালবাসা।। :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৪৩৫০(৭২)    

পড়তে বেশ মজা লাগলো তো!

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৪৩৫৬(৭৩)    
লেখকের মন্তব্য

এই প্রথম এলেন আমার উঠোনে, সুস্বাগতম! (স্বাগতম) :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৪৪৪৬(৭৪)    

লেখার বিষয়বস্তু যেকোনো ভাবেই প্রচণ্ড নাড়া দেয়ার মত, কিন্তু আরও বেশী যা ভালো লাগলো আপনার উপস্থাপন। কি অসাধারন ভাবেই না চিত্রিত করেছেন দৃশ্যপট! বর্ণনার ধরণ খুবই প্রশংসনীয় । মজা আছে, কিন্তু তার অন্তিরনিহিত যে বোধ , তা কিন্তু খুবই হৃদয় ছোঁয়া ।

বিশেষ ভাবে ভালো লাগলো ঃ

সামনে এগিয়ে চলার পথ একঘেয়ে আর অনতিক্রম্য বোধ হলেই হয়তো আমরা "রোম্যান্টিক" অতীতের আশ্রয় খুঁজে ফিরি। আজকে যা বর্তমান, কালই তা অতীতের গহ্বরে তলিয়ে যাবে।বিভ্রম - সময়ের! বিভ্রমে না পড়ে সামনে সুপ্রশস্ত পথের দিশা পেতে ধ্রুবতারার সন্ধানে কাটুক সকলের অমূল্য সময়।

আপনি আসলেই দুর্দান্ত লেখেন। ভালবেসে প্রিয়তে নিলাম প্রিয় আপুর এই অসামান্য লেখাটি।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৪৪৪৭(৭৫)    

মন্তব্যটা আমার পোস্টে ও রেখে এলাম । ভালো থাকুন প্রিয় আপু।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৪৪৬১(৭৬)    
লেখকের মন্তব্য

সময় নিয়ে এতটা আন্তরিক মন্তব্য করবার জন্য আর আমার লেখা প্রিয়তে নেবার জন্য অশেষ কৃতজ্ঞতা, প্রিয় আপুমণি। ভালুবাসা
ভার্সিটি'র পড়াশোনা আনন্দময় আর উৎসাহব্যঞ্জক হোক আর শান্তিময় স্নিগ্ধতায় কাটুক সাকিবার দিন-রাত-দিন! :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৪৪৭৭(৭৭)    

খুব ভালো লাগল।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৪৬৮০(৭৮)    
লেখকের মন্তব্য

আপনাকে আমার ব্লগে দেখে দারুণ খুশী হলাম, মেঘা'পু!!! :) :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৪৫০৯(৭৯)    

বেশ লাগল নাঈফা'পু।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৪৬৯৭(৮০)    
লেখকের মন্তব্য

আমার উঠোনে আপনাকে দেখে খুব ভাল লাগলো, হালিম ভাই! ভাল থাকুন অনন্ত! :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৪৫৬৩(৮১)    

চমৎকার লাগলো আপু, আপনার ফেলে আসা রঙ্গিন সব দিনের কথা।
এমন কিছু স্মৃতি সত্যি কখনো কখনো বেশ আনন্দ নিয়ে ফিরে আসে জীবনের কোন এক ক্ষণে। তখন হারিয়ে যেতে ইচ্ছে করে আবার সেইসব সময়ের মাঝে। ইচ্ছে করে নতুন করে যদি রঙ দেয়া যেত সেইসব স্মৃতির মাঝে। আহা
জীবনের চলার পথে এমনই করেই রঙিন স্মৃতিরা ফিরে আসুক বারে বারে। নতুন রঙে সাজিয়ে দিক চলার পথটুকু। পাশে থাকুক ভালোলাগার রূপ হয়ে।
--------
চমৎকার লিখা প্রিয়তে না নিয়ে পারলাম না। আরো আসুক এমন সব রঙিন দিনের সুখস্মৃতি। পড়ার অপেক্ষায় থাকলাম। :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৪৬৬৮(৮২)    
লেখকের মন্তব্য

চমৎকার ভাইয়াটাকে আমিও প্রিয়তে না নিয়ে পারিনি (প্রিয় চতুরের তালিকায়)! :) :) :)
নির্ভার আনন্দে কাটুক আমার প্রিয় ভাইয়ার দিন-রাত-দিন।।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৪৭১৯(৮৩)    

ধন্যবাদ আপু :) :) :)
ভালো থাকুন আপু। সুন্দর থাকুন, সব সুন্দরের ভিড়ে। :) :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৪৭২৩(৮৪)    

কি আশ্চর্য্য দেখুন পড়ছি আপনার পুরোনো দিনের কথা অথচ হঠাৎ করেই কিছু সময়ের জন্য নিজের অতীতে হারিয়ে গেলাম ।
বড় একটা ধাধায় পড়ে গেছি সেটা হলো ছোটবেলায় মনে হতো কবে বড় হবো আর এখন মনে হয় বড় হলাম কেন? বেশ অদ্ভুত তাইনা??
আপনার লেখা নিয়ে কমেন্ট করবার যোগ্যতা আমার নেই কারন যে এতোটা সহজে দৃশ্যকল্পকে অন্যের ভেতরে রোপন করে দিতে পারে তার
দক্ষতার মাপকাঠিটা ধরা ছোয়ার অনেক বাইরে । অনেক বেশী ভালো থাকুন,,,,,,

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৮৯৬৩(৮৫)    
লেখকের মন্তব্য

প্রিয় স্রোত ভাইয়া,

আপনার মন্তব্য পড়ে অনেকক্ষণ শুধু নিশ্চুপই ছিলাম না, খুব সম্ভবতঃ সেদিন আর অন্য কোন মন্তব্য কিংবা ব্লগ পড়িনি।
আমি যার বিশ্লেষণী ক্ষমতা, সৃজনশীলতা আর সর্বোপরি ভার্চ্যুয়ল অস্তিত্বের বিশেষ ভক্ত, তাঁর কাছ থেকে আমার লেখার
এতটা সপ্রশংস পাঠ-প্রতিক্রিয়া ছিলো অকল্পনীয়! সীমাহীন অনুপ্রাণিত হলাম!
--
অফুরান শুভকামনা।।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৪৮১৭(৮৬)    

এক নিঃশ্বাসে পড়লাম । অসাধারণ লেখা আপু ।
কেমন আছেন আপনি ? :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৫২৫৫(৮৭)    
লেখকের মন্তব্য

বিনীত কৃতজ্ঞতা, অধরা আপু!
সুস্বাগতম আমার ব্লগে! (স্বাগতম)
আমি ভাল আছি, আলহামদুলিল্লাহ! আপনি কেমন আছেন? :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৪৯৩২(৮৮)    

আপনার 'নানা রঙের দিনগুলি সত্যি অম্ল-মধুর ছিল।
কিন্তু আমার অতীত জীবনটা মোটেও রঙ্গীন ছিল না,
ফেলে আসা সময়ের পরতে পরতে কেবলই কষ্ট গাথা।
কিন্তু শৈশব আর কৈশোরের দিনগুলো খুবই আনন্দদায়ক ছিল।
হায় কোথাও হারালো আমার দূরন্ত কৈশোর !
কোথায় আমার সেইসব বাল্যবন্ধুরা ! কোথায়....।

অনামিকা, আপনার জীবনের গল্প পড়তে এসে আপ্লুত হয়ে গেলাম।
আপনিতো আমাকে নস্টালজিক করে দিলেন। :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৫৫৮৩(৮৯)    
লেখকের মন্তব্য

অগণন ধন্যবাদ আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য, ঈশান ভাই! :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৫৭১৫(৯০)    

এসব স্মৃতিগুলো আমলকির মৌ'য়ের মতো যেন! যখন ঘটনা ঘটেছিলো তখন তিতকুটো স্বাদ ছিলো হয়ত,,,,সময়ের যোজন দূরত্ব আজকে তাতে মিস্টি একটা আমেজ দিচ্ছে! ঠিক না আপুনি? আমার সাথে আপনার কিংবা আপনার সাথে আমার কোনোদিনই দেখা হবেনা। তাই সামনাসামনির ধানাইপানাই বাদ দিয়ে একখান গান শুনতে চাই আপনার স্বকন্ঠের। তেমন কঠিন আব্দার করিনি। কারণ আমি জানি আপনার চম্পাকলি আঙ্গুল এখনো পিয়ানোর রিড ছুঁয়ে যায়
বিন্দাস! এরাম করে তেল দিলাম এরপরও গান না শুনাইলে পাপ হবে কিন্তুক এ আমি কয়ে গেলাম হুউম ;)
ভালো থাকা হোক।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৫৮৫৮(৯১)    
লেখকের মন্তব্য

প্রিয় বাতিঘর ভাইয়া,

কি চমৎকার করে বললেন! আমলকির মৌ! উপমাটা আমি স্থায়ীভাবে ন্যুরনে গেঁথে ফেললাম! :)
এই রহস্যময় জগতে কোন কিছুই অসম্ভব নয়। দেখা হয়েও যেতে পারে। USA তে আমার প্রচুর বান্ধবী, আত্মীয়-স্বজন আছে। হেহে।
---
আপনি নতুন পোস্ট দেবেন কবে? সাড়ে তিন মাস হতে চললো! আপনার এক্সপ্রেশনগুলো এত ইউনিক - পড়তে এত মজা লাগে, অথচ আপনি হলেন অমাবস্যার চাঁদ - দেখাই মেলে না আপনার! :(
---
প্রিয় ভাইয়া অনেক, অনেক ভাল থাকুন! :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৮৫৫২(৯২)    

অসাধারণ লাগলো স্মৃতি-চারণা।
ভূমিকাটা একেবারে হৃদয়ের তন্ত্রীকে স্পর্শ করেছে।
এত ভালো কীভাবে যে লেখেন!

অনেক ভালো থাকবেন অনামিকাপু।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৮৫৫৪(৯৩)    
লেখকের মন্তব্য

বাণীব্রত ভাইয়া!

আপনার মুখে প্রশংসা শুনে আমি আনন্দে আত্মহারা!
নিজের কানকে বিশ্বাস করতে পারছি না (বাংলায় লেখালেখি'র দক্ষতা নিয়ে আমার আত্মবিশ্বাস শূণ্যের ঘরে)।
অনেক, অনেক অনুপ্রাণিত হলাম। আপনার মন্তব্যের খুব প্রয়োজন ছিলো আমার, খুব!
অনিঃশেষ কৃতজ্ঞতা!
--
ভাল থাকুন অনন্ত।।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৪০৪৬৫(৯৪)    

এক স্যান্ডেল তাজমহল রোডে, অন্যটা হুমায়ুন রোডে। একটা ছোট্ট মেয়ে পাগলের দাবড়ানি খেয়ে দৌড়াচ্ছে- দৃশ্যটা বড়ই করুন। আবার মজারও। তবে রামদা... না থাক্ আর লিখছিনা। আপনার 'নিচে যারা মন্তব্য করবেন তাঁদের উদ্দেশ্যে'- সাইনবোর্ডটা এখন চোখে পড়লো।

সম্মিলিতভাবে দেয়া আগাম ধন্যবাদ নিয়ে বিদায় নিলাম।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৮২৪১৬(৯৫)    
লেখকের মন্তব্য

আপনার 'নিচে যারা মন্তব্য করবেন তাঁদের উদ্দেশ্যে'- সাইনবোর্ডটা এখন চোখে পড়লো। সম্মিলিতভাবে দেয়া আগাম ধন্যবাদ নিয়ে বিদায় নিলাম।

আমি প্ল্যান-মাফিক একটানা দু'মাস ব্লগে ছিলাম না। সেজন্যে এত দেরীতে কমেন্টের রিপ্লাই দিলাম।
কিছু মনে না করে মাফ করে দিয়েন। আমি জানি, এটা আপনার কমেন্টের 'edited version'। আড়াই মাস আগে লেখা আপনার অরিজিন্যল কমেন্টখানা পড়ে আমার মাথায় কোন কবিতার লাইন ঘোরাঘুরি করছিলো, বলি?

"দাদখানি চাল (রেশনের),
মসুরের ডাল (রেশনের),
চিনিপাতা দই (ঐ),
দুটো পাকা বেল (ঐ),
সরিষার তেল (ঐ),
ডিমভরা কই (ঐ)।" হাসতে হাসতে নাইক্কা হাসতে হাসতে নাইক্কা হাসতে হাসতে নাইক্কা

 

মন্তব্য করুন

এই তথ্যটি সর্বদাই গোপন রাখা হবে এবং কোন অবস্থাতেই তা জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।
ছবি যাচাই
আপাতত: শুধু মানুষদের জন্যই আমাদের দুয়ার খোলা। পরে নাহয় রবোট, বায়োবট বা এন্ড্রয়েডদের কথা বিবেচনা করা যাবে।
11 + 6 =
এই গাণিতিক সমস্যাটি সমাধান করুন এবং সঠিক উত্তরটি উপরের ঘরে লিখুন। যেমনঃ ১+৩ এর জন্য লিখুন ৪।