নাজমুল হুদা-এর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

আমাদের চারপাশে অসংখ্য গাছ আমরা দেখি প্রতিদিন। এ সব গাছ দেখে আমরা এতই অভ্যস্ত হয়ে গেছি যে, এগুলো নিয়ে আমাদের তেমন কোন আগ্রহ দেখা যায় না। অনেক গাছ আমাদের চেনা, তবে অধিকাংশই অচেনা। গাছের কিছু প্রয়োজনীয়তার কথা আমরা জানি, কিন্তু অধিকাংশ গাছ সম্পর্কে আমাদের জানাশোনা অতি সীমিত। আমি নিজেও সেই সীমিত জ্ঞানসম্পন্ন মানুষদেরই একজন। যৎসামান্য সেই জ্ঞান নিয়েই আজ দু'এক কথা সাজিয়ে আজকের এই পোস্ট।
১। সাইকাস (Cycas)
কয়েক বছর আগে সাপ্তাহিক ২০০০-এ একটা ছবির ক্যাপশন ছিল 'সাইকাস ফুল'! পুরো একটা সাইকাস গাছের নতুন বের হওয়া পাতার ছবিকে সাইকাস ফুল বলা হয়েছিল। ছবিটা ছিল এমন।

সাইকাসে কোন কালেও ফুল হয় না, এটা অপুষ্পক উদ্ভিদ! না জেনে বা নিজের অজান্তে এমন কত ভুল যে আমরা করি!
এ গাছটা দেখতে পাওয়া যায় অনেক জায়গায়। আমাদের দেশের আদি বাসিন্দা নয়, শখ করে বাড়ির আঙিনায় বা বাগানে লাগানো হয়। গাছটার বৃদ্ধি অতি ধীর। আমার বাড়িতেও এর একটা নমুনা আছে।
১৫/১৬ বছর বয়স হলেও সেটা এখনও আছে এমন অবস্থায়! সে গাছটা দেখে অনেকেই জানতে চায় কী গাছ!
আগেই জানিয়েছি যে সাইকাস অপুষ্পক উদ্ভিদ। তাল, নারকেল, খেজুর গাছের সাথে এর চেহেরার মিল দেখে অনেকেই এই গাছকে এদের সমগোত্রীয় মনে করে থাকেন। বাস্তবতা কিন্তু তা নয়। এখানে দেখুন গাছের একেবারে অগ্রভাগের একটা ছবি।
প্রাপ্তবয়স্ক হলে এখানে প্রায় গোলাকার বা গম্বুজাকৃতির একটা বেশ বড় আকৃতির ফুলের মত কিছু বের হয়, যা আসলে ফুল নয়। সেটার ভিতরে ফুল বা ফল কিছুই হয় না।
কাজেই আমাদের কাছে বীজ বলতে যা বুঝায় তাও সেখানে তৈরী হয় না। এখানে থাকে অসংখ্য স্পোর, সহজবোধ্য করার জন্য এই স্পোরকে নগ্নবীজ বলা যেতে পারে।
এমন অনেকগুলো বেশ নমনীয় কোমল অংশ একত্রিত হয়ে ফলের মত বস্তুগুলোকে ভেতরের দিকে রেখে বলের মত আকারে সজ্জিত থাকে।
২। শতমূলী (Asparagus)
আসুন এবারে পরিচিত হওয়া যাক শতমূলী নামের এই গাছটির সাথে। শক্ত প্রায় লতানো এই গাছ দেখতে খুবই সুন্দর। বাগানের শোভাবর্ধনে এর যথেষ্ট সহায়তা পাওয়া যায়। শতমূলী বা Asparagus-এর কাণ্ডের এই ছবিটি গুগল থেকে ধার করা (ওই চোরা অবশ্য বলবে চুরি করা)।
![]()
এটা যে খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করা হয়, তা প্রথম জেনেছিলাম দেশের বাইরে যাবার সময় উড়োজাহাজে বসে। পরে জানতে পারি এই খাদ্য নাকি খুবই উন্নত ও ব্যয়বহুল খাদ্য। খেতে তেমন স্বাদ লাগে নি (স্বাদ তো নির্ভর করে রান্নার উপরে)। Asparagus স্যুপ খেয়েও তেমন মজা পাই নি।
তবে মজা পেয়েছি, এর ছবি তুলে। গাছটাকে চিনি অনেক দিন আগে থেকে, তবে তার ফুল কখনও দেখতে পাই নি। প্রথম দেখলাম আমার বাড়িতেই, আর দেখে চোখ জুড়িয়ে গেল! পটাপট ছবি তুললাম অনেকগুলো। তারই একটা দেখুন আপনাদের জন্য এখানে দিলাম।
না, এই ছবিতে ফুলের সৌন্দর্য ঠিক মত বুঝা যাচ্ছে না! তা'হলে দেখুন এইটা -

অপেক্ষা করতে লাগলাম ফলের জন্য। হ্যা, অপেক্ষা বিফলে যায় নি, ফলও দেখা দিল, সে ফল পেঁকে ঝরে পড়ে তা থেক আবার নতুন গাছ জন্মেছে পরের বছর। দেখুন সে ফলের ছবি।
এই গাছটির নাম শতমূলী! কিন্তু কেন? হায় হায়, যে কারণে এর নাম শতমূলী, তা বুঝাবার মত কোন অস্ত্র আমার হাতে নেই, একটা ছবিও নেই এর মূলের। গুগল ঘেটেও এখানে দেবার মত কোন ছবি পেলাম না! একই গাছের শতখানেক মূল, ছোট ছোট মূলার মত থোকা বেঁধে থাকে - আর তাইতো এর নাম হয়েছে শতমূলী! আপনারা অনেকেই দেখে থাকবেন, রাস্তায় যারা গাছ-গাছালীর ওষুধ বিক্রি করে নানান পদের গাছ সাজিয়ে রেখে; তাদের সামনে অবশ্যই থাকে শতমূলীর শিকড়ের একটা গুচ্ছ।
প্রেম ও প্রকৃতি পড়ে যারা উৎসাহ দিয়েছিলেন, তাদের উৎসাহে নিশ্চয়ই এতক্ষণে ভাটা পড়েছে? ভাই রে, কেন যে পাগলাকে সাঁকোর কথা মনে করিয়ে দেন আপনারা? এখন ঠ্যালা সামলান!
মন্তব্য
অসাধারণ পোষ্ট হুদা ভাই, ঠিক আপনি যেমন অসাধারণ তেমন টা।
ভাই আমি একটা ধারাবাহিক আত্মকথন লিখছি, আপনার উপস্থিতি অনুপ্রানিত করতো।
ধন্যবাদ।
লেখকের মন্তব্য
আমাকে অসাধারণ বলে তো ভাই লজ্জায় ফেলে দিলেন!
আপনার পোস্ট চোখ এড়িয়ে গেছে? হবে হয়তো! চতুর্মাত্রিকের নতুন সজ্জার সাথে খাপ খাওয়াতে পারছি না কিছুতেই!
হুদা ভাই লজ্জার কিছু নেই। আপনি সত্যিই অমায়িক মানুষ।
ছবি ও বর্ণনা, দু'টোই অতি মনোমুগ্ধকর।
সপ্ততারকা খচিত হলো পোস্টে।
লেখকের মন্তব্য
পোস্টের গুণকীর্তনে মুগ্ধ! ধন্যবাদ মানিক।
তারার জন্য কৃতজ্ঞতা।
ফুলগুলো আসলেই সুন্দর
আর এই সাইকাস আমাদের বাড়ীতে ছিলো একটা অথচ নাম জানা ছিলো না
অনেকে সাবু গাছ বলতো কারণ জানিনা
অনেক দিন পর পোস্ট দিলেন মনে হয়
লেখকের মন্তব্য
সাবু গাছ নামে একটা গাছ চিনি আমি, সেটা অনেক লম্বা হয়, কাণ্ডের মাঝখানটা বেশ মোটা। সেই সাবু গাছ কিন্তু মোটেই অপুষ্পক নয়।
কই নাতো! দিন পাঁচেক আগে আরেকটা পোস্ট দিয়েছিলাম, সেটা ছিল প্রেম ও প্রকৃতি ।
মানিক ভাইয়ের সাথে সহমত।
অসাধারণ লাগল ভাইয়া।ছবিগুলো দেখে মনটাই ভাল হয়ে গেল।শতমূলীর ফুল যে এত সুন্দর হয় জানতাম না ।
লেখকের মন্তব্য
আমার এ কুড়ে ঘরে স্বাগত জানাই অর্থহীন।
মন ভালো হয়েছে জেনে আমারও ভালো লাগছে খুব।
শতমূলীর ফুল এর আগে আমি আর কখনও দেখেছি বলে মনে পড়ে না।
আপনাকে ধন্যবাদ।
হুদা ভাই প্রথম ছবিটির গাছ আমার বাসার গেটের পাশে আছে। নাম জানার তীব্র কৌ্তুহল ছিলো। আপনি তো জানেন আমার কিছু পাগলামীর কথা। গাছের প্রতি আমার প্রচন্ড দুর্বলতা আছে। বিশেষ করে ঔষুধি বৃক্ষ চেনার ক্ষেত্রে। মহুয়া গাছ, ও ফুল দেখতে আমি জাবিতে গিয়ে হানা দিয়ে দেখে এসেছি। গুগলের কাছেও কৃতজ্ঞতার শেষ নেই। অনেক গাছ চিনেছি সেখানে।
ব্রাহ্মিশাক চিনেন নাকি? এটার অনেক উপকারিতা শুনেছি। অনিদ্রায় ভালো কাজ দেয়। কিন্তু না চেনার কারনে পাচ্ছিনা। আপনার ঐ বৃক্ষ নিয়ে পোস্টটি অন্য ব্লগে পড়েছিলাম। ভালো লেগেছে।
লেখকের মন্তব্য
প্রথম, দ্বিতীয় আর তৃতীয় ছবি কিন্তু একই গাছের, বিভিন্ন সময়ে তোলা। চতুর্থ আর পঞ্চম ছবি তুলেছি গত অক্টোবরে ময়মনসিংহে। তার আগে এই গাছে এমন জিনিষ আর চোখে পড়ে নি।
ব্রাহ্মীশাক নামেই চিনি, হয়তো দেখেছি, কিন্তু চিনি না। দেখি খোঁজ করবো।
চতুর যেদিন খারাপ ছিল, সেদিন ঐ পোস্ট লিখে দিতে না পেরে মেজাজ বিগড়ে গিয়েছিল। তাই দিয়েছিলাম ওখানে।
ভালো থাকুন।
ভালু ভাইজান।
লেখকের মন্তব্য
অনেক ধন্যবাদ জুলিয়ান ভাই।
গাছ নিয়ে পোস্ট প্রিয়তে, আপনাকে শুভেচ্ছা সহ এই গুলো দিলাম। ঔই চোরার কথায় কান দেবেন না, এগুলো আমার নিজের তোলা, নিজের ক্যামেরায়।
লেখকের মন্তব্য
চমৎকার! অতি চমৎকার দুটো ছবি!! কোথায় পেলেন চৈতী? সাইকাস এতটা বড় হয়ে উঠতে তো প্রায় শতবছর লেগে যাবার কথা!
আপনার দেওয়া ছবিসহ শুভেচ্ছা মাথায়, না না, হৃদয়ে তুলে রাখলাম, চৈতী।
ভালো থাকুন সব সময়।
শুধুমাত্র গাছের সান্নিধ্য পাওয়ার জন্য আমি আমার মেয়েকে নিয়ে মাঝে মাঝেই ঢাকা বোটানিক্যাল গার্ডেনে যাই, সারাদিন কাটিয়ে আসি গাছেদের কাছে। ওখানে পদ্মপুকুরের পাড়েই দেখা এই বয়সী সাইকাসের সাথে। জানা হয়নি ওর বয়স কত, আবার গেলে জানার চেষ্টা করবো।
ক্ষুদে প্রকৃতি বিজ্ঞানীরা
পদ্মপুকুর
অসাধারণ।
ধন্যবাদ ভাইজান।
লেখকের মন্তব্য
ভাই চৈতী, পদ্মপুকুর পাড়ের এটিই কি আপনার কন্যারত্ন? ভারী মিষ্টি তো!
ডিসেম্বরের ৩০ তারিখ সকাল দশটায় যদি সময় করে যেতে পারেন বোটানিক্যাল গার্ডেনে, তা'হলে অনেক গাছ চিনবার সুযোগ হতে পারে। তরুপল্লবের আয়োজন আছে সেদিন ওখানে।
পড়ুন আমার প্রেম ও প্রকৃতি ।
এই কথাটা মানতে পারিনি, পোস্ট ঠিকাছে।
লেখকের মন্তব্য
যদি ভাটা না পড়ে থাকে, তা'হলে ভাটা যাতে পড়ে তার ব্যবস্থা করা হবে।
এনশিওর করছি, ভাটা পড়বেনা।
লেখকের মন্তব্য
আন্তরিক ধন্যবাদ ভাই মনির।
ভাইজান আপনি আসলে কোন বিষয়ের মানুষ? এর আগেরবার যা লিখেছিলেন তারচেয়ে আরও জম্পেস হয়েছে। বুঝতে পারছি, এসব ব্যাপারে আমার জ্ঞান শূন্য। পড়ছি...কিন্তু ব্রেইনের মেমরি কার্ডে থাকলে হয়। ভালো থাকুন।
লেখকের মন্তব্য
ভাই মাহবুব আলী, আমার বিষয়-আশয় তো নেই তেমন! তবে পড়াশুনা করেছিলাম জীবজন্তু নিয়ে, অবশ্য সেখান থেকে জ্ঞানার্জন হয় নি কিছুই!
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
বাহ হুদা ভাই!
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ মেঘ অদিতি।
আমি লিখি অথচ গাছ চিনি না
লেখকের মন্তব্য
চিনবার ইচ্ছা আছে নাকি? ইচ্ছা থাকলে উপায় হয়! লেখালেখির জন্যও গাছ চেনা দরকার।
চমৎকার ছবিগুলো। অসাধারণ সুন্দর পোস্ট! পরের পর্বের অপেক্ষায় রইলাম, হুদা ভাই।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ অপা। জানি না ফুরাবে কবে এই পথ চাওয়া!
খুব ভালো পোস্ট। চালিয়ে যান। সাথে আছি।
লেখকের মন্তব্য
চালাতে পারলে আমিই সব চেয়ে বেশি খুশি হতাম।
শুভ কামনা ভাই জামি।
নাজমুল হুদা ভাই, অসাধারণ ও তথ্যবহুল ভাল লাগলো, ভাল থাকুন।
লেখকের মন্তব্য
পড়ার জন্য, মন্তব্য করার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
ভালো লেগেছে জেনে খুশি হলাম, ভাই বন্দরমাত্রিক।
শুভেচ্ছা।
অসাধারণ পোস্ট। সাততারা দিলাম। প্রিয়তেও রাখলাম।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ ভাই সুমন।
প্রিয় আর তারার জন্য কৃতজ্ঞতা।
ধন্যবাদ। এই ধরনের পোষ্ট আরো চাই। আসলে এক একজন এক এক বিষয়ে লিখলে সবাই জানবে, ব্লগের জন্যও ভাল হবে। নানা মানুষের উপকার হবে।
শুভেচ্ছা।
লেখকের মন্তব্য
আপনার চাহিদা জেনে আনন্দিত হতে পারলেই ভালো হতো, কিন্তু হলাম আমি আতঙ্কিত! গাছ নিয়ে লেখার মত বিশেষজ্ঞ জ্ঞান যে আমার নেই ভাই!! তবু ব্লগের ভালো আর নানা মানুষের উপকারের কথা মনে রেখে চেষ্টা করবো। জানি না পারবো কিনা!
অসাধারণ একটা পোস্ট। অসম্ভব ভালো লেগেছে নাজমুল ভাই।
আরো, আরো চাই----এরকম পোস্ট।
ওহ হ্যাঁ, পোস্ট প্রিয়তে।
লেখকের মন্তব্য
সবাই দেখি আমাকে নাচাতে চায়! আমি যে ভাই নাচতে জানি না। আচ্ছা,বাদ্যি তো বাজাতে থাকো, আমিও তালে তালে না-হয় হাত-পা নাড়ানোর কসরত করে যাবো!
ধন্যবাদ নিয়াজ।
সবকিছু মিলিয়ে চমৎকার একটা পোস্ট
লেখকের মন্তব্য
অশেষ ধন্যবাদ মাসুম।
ছবিগুলা দেইখা চোখ ধাঁধায়ে গেছে। অসাধারন।
প্রিয়তে নিলাম (যদি মাইন্ড না করেন)।
লেখকের মন্তব্য
ভাই রাকিব, মাইন্ডে তো নিলামই কিছু। সাত দিয়ে প্রিয়তে নিয়ে গেলে আর ছবিগুলোকে চোখ ধাঁধানো বলে অসাধারণ আখ্যায়িত করলে হৃদয়ে দাগ কাটে বৈ কী!!
ধন্যবাদ অনেক।
দারুন পোস্ট!

দুইটা গাছ সম্পর্কে অনেক কিছু জানলাম।
লেখকের মন্তব্য
অনেক অনেক শুভেচ্ছা ডী ডী।
প্রকৃতি ও জীবন। একে অন্যের সাথে অতঃপ্রতভাবে জড়িত। শিক্ষনীয় একটা দারুন পোস্ট। খুব ভালো লাগলো।
লেখকের মন্তব্য
প্রকৃতির সাথে মানুষের সম্পর্ক এতই নিগূঢ় আর এমনই ওতঃপ্রোতভাবে জড়িত যে প্রকৃতিকে বাদ দিলে মানুষের অস্তিত্ব হুমকীর সম্মুখীন হয়ে ওঠে। প্রকৃতির কাছে মানুষের অনেক কিছু শিক্ষণীয় আছে। ঐ যে সেই কোন ছোটবেলায় পড়েছিলাম, "আকাশ আমায় শিক্ষা দিল উদার হতে ভাইরে - - -" ইত্যাদি।
সাইকাস, নিটাম, থুজা- নগ্নবীজি গাছের উদাহরণ, কোন্ ক্লাসের বিজ্ঞান বইতে যেন ছিল! অনেকদিন বাদে মনে করিয়ে দিল চমৎকার এই পোস্ট।
দ্বিতীয় গাছটার ঝিরিপাতা-রূপটা আমাদের বাসায় ছিল, নামটা জানতাম- সর্পগন্ধা (একই তো?)।
ওটা যে অ্যাসপারাগাস থেকেই হয়েছে জানতাম না!
লেখকের মন্তব্য
অনেকদিন পরে এলে, দেখে ভালো লাগছে খুব।
আমাদের স্কুল জীবনে এ সব গাছের নাম শোনার সুযোগ হয় নি।
অ্যাসপারাগাস আর সর্পগন্ধা একই গাছ কিনা তা তো ভাই জানি না। আমি অন্য আর একটা গাছকে সর্পগন্ধা নামে চিনেছিলাম কোন এক কালে।
শুভ কামনা।
ভালো লাগলো। আমি গাছ ফুল এর ব্যাপারে জানতে চাই। কিভাবে কি করতে পারি???
মন্তব্য করুন