নাজমুল হুদা-এর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

ফুলের কদর ছিল চিরকাল, এখনও আছে, থাকবেও। কবির কথা “জোটে যদি মোটে একটি পয়সা খাদ্য কিনিও ক্ষুধার লাগি, জোটে যদি দু’টি অর্ধেকে তার ফুল কিনে নিও হে অনুরাগী।” খুব বেশিদিন আগের কথা নয়, ফুলের বেচাকেনা শুরু হয়েছে এই তো মাত্র অল্প কিছুদিন আগে। এখন ইচ্ছা করলেই, প্রয়োজন হলেই হাত বাড়ালেই ফুল কিনে প্রিয়জনকে তুষ্ট করা যায়। একুশে ফেব্রুয়ারিতে আর চুরি করা ফুল নয়, গাঁটের পয়সা খরচ করে শহীদদের স্মৃতির প্রতি সম্মান দেখানো যায়। তবে চুরি না করে বা না কিনে নিজের হাতে লাগানো গাছের ফুল যদি প্রিয়জন বা শহীদ মিনারে দেওয়া যায়, তাতে যে তৃপ্তি পাওয়া যায়, যে আনন্দ পাওয়া যায় তা অতুলনীয়।
নিজের বাগান, তা সেটা বাড়ির আঙিনায় বা ছাদে, যেখানেই হোক না কেন, হতে পারে আমাদের আনন্দের এক বিরাট উৎস। আনন্দ ও তৃপ্তির যত উপকরণ বা পন্থা আছে, তার মধ্যে নিজের বাগানের পরিচর্যা করে সেখানে ফুল ফুটানো অন্যতম। গত দু’বছর এ কাজটি থেকে নিজেকে বঞ্চিত রাখতে হয়েছে বাস্তবতার নিষ্ঠুরতায়। তার আগে প্রতি বছর শীত মৌসুমে আমার ছাদে ফুলের হাসির বন্যা বয়ে যেত। সে সময় কিছু ছবি তুলেছিলাম। ফুল ফুটানো সম্ভব হচ্ছে না, সেই ছবিগুলো বের করে দেখি মাঝে মাঝে। নাম জানা না জানা সে সব ফুলের ছবি দেখে আনন্দ পাই, দীর্ঘশ্বাস ফেলি।
আমার ছাদের বাগানের সেই সব ফুলের ছবির মধ্য থেকে নাম না-জানা কয়েকটা এখানে দেওয়া হলো। এদের নাম জানা থাকলে নিশ্চয়ই জানাবেন কিন্তু।
২।
৩।
৪।
৫।
৬।
৭।
ফুলেল শুভেচ্ছা সব্বাইকে।
মন্তব্য
জিভে কামড়!
২নং কি সানফ্লাওয়ার নাকি?!!!?(বকা দিয়েন্না)
৬নং এর ব্যাপারে একটা কথা বলি, আমি শিওর না এই ফুলটাই সেই ফুল কিনা।
নয়টা'র ফুল(ঠিক নাকি নয়টায় ফুটে, সকাল না রাত, তা জানিনা) নামে কিছু আছে? ওটার মতো লাগছে।
লেখকের মন্তব্য
২ নং সান ফ্লাওয়ার, মানে সূর্যমুখী? না, নয়ন, এটা সান ফ্লাওয়ার নয়।
৬ নং উ হু, এটা নাইন 'ও ক্লক বা টাইম ফুল নামের সেই ফুল নয়। এরা সারাদিন ফুটে থাকে।
পুরাই ফেইল করলাম দেখি!
লেখকের মন্তব্য
আমি তো আগেই ফেল করে আছি।
হাহাহা
নয়ন ভাই,
হা হা হা হা হা হা হা হা হা হা হা হাহাহাহাহাহাহাহ..........................


সানমুন ফুল
আমি ও জানিনা কি ফুল>>>>>>হা হা হা হা হা হা হা হা হা হা
৫ নং টা পাথরকুচির ফুল।
৬ নং টা পরিচিত, নাম মনে পড়ছেনা।
-----------
ছবিগুলো কিন্তু অসাধারণ হয়েছে।
লেখকের মন্তব্য
৫ নং-এর গাছের চেহারা পাথরকুচির মতই। কিন্তু পাথরকুচির মত এর পাতা থেকে চারা গাছের জন্ম হয় না। পাথরকুচির ফুলও অন্য রকম।
৫ নং মনে হয় পাথরকুচির জাতভাই টাইপের কিছু হবে।
। হুদা ভাই এই লাইন্টা না পড়লেই হয়)
(এইটা হলো ফেলের কথা এড়িয়ে যাওয়া
লেখকের মন্তব্য
হতে পারে।
৫ নং মনে হয় পাথরকুচিরর খালাতো ভাই ইটকুচি.হা হা হা হা হা হা হা

লেখকের মন্তব্য
ঠিক, এটাই ঠিক! ফুলের রঙ ইটের কুচির (খোয়ার) মত!!
বাহ্ । ক্যাম্রার চমৎকার ক্লিক বাজীতে মুগ্ধ হলাম।
থ্রি চিয়ার্স টু হুদা ভাই।
লেখকের মন্তব্য
শুভ কামনা ঈশান।
নয়ন ভায়া আর জামি ভাই পরীক্ষা দিয়া ফেল মারছে। আমি পরীক্ষা না দিয়া পাস কইরা গেলাম।

----------------
ছবিগুলো খুব সুন্দর হয়েছে।
লেখকের মন্তব্য
পরীক্ষকদের সাথে যোগসাজস আছে তো!!
আসলে হুদা ভাই আমি পাস মানে উত্তীর্ণ হয়নি বরং পাস মানে প্রশ্নটাই এড়িয়ে গেলাম।

লেখকের মন্তব্য
ও, তাসের আড্ডা??
একদম ঠিক।
লেখকের মন্তব্য
'বিয়ের ফুল' ফুটেছে যখন, তখন আর অন্য ফুলের দরকার কী?
ফুল গুলোর নাম আমিও জানি না। তবে হামা ভাইয়ের বিবাহে এই ফুল গুলো নিয়ে যেতে পারলে ভাল হত।
আপনার উত্তর উপর উঠলো ক্যান।
লেখকের মন্তব্য
উত্তরটি হালকা, তাই উপরে উঠে গেছে।
৭ নাম্বারটা মনে হচ্ছে পিটুনিয়া।
লেখকের মন্তব্য
২ আর ৭ নম্বর একই রকমের, শুধুই রঙের পার্থক্য। পিটুনিয়া হলে দুটোই তাই।
দুঃখিত।
নাম্বার ভুল করেছিলাম।
৬ নাম্বার হবে Petunia
লেখকের মন্তব্য
কিন্তু নুশেরা যে বলছে, ওটা ফ্লক্স!!
ফুলের নাম পিটুনিয়া হৈলে আর কৈ যামু!
ফুলের মৈধ্যেও কি ছাত্রলীগ আছে নাকি?
লেখকের মন্তব্য
বাহ! চোখ জুড়িয়ে গেলো হুদা ভাই।
অনেক অনেক সুন্দর ফুল গুলো, কিন্তু বেশিরভাগের নামই জানিনা
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ নীলু।
আমি একটারও নাম জানি না।
ফুলগুলো চোখের দেখায় চেনা, কিন্তু নাম জানা নেই। কেউ কেউ তো নাম বলছেন, পোস্টে নজর রাখতে হবে।
আপনাকে ধন্যবাদ নাজমুল ভাই।
লেখকের মন্তব্য
খুবই পরিচিত ফুল। শীত এলে সবখানে এ সব ফুলের ছড়াছড়ি। নাম না জানলেও ক্ষতি নেই তেমন, এর সৌন্দর্যই আসল কথা।
তবু জানতে ইচ্ছা করে।
শুভ কামনা সুমন।
প্রথমটার ক্যাকটাস।
৪র্থটা সিলভিয়া।
৫টা পাথর কুচি নয়।
বাকি গুলোর নাম জানি না।
লেখকের মন্তব্য
১মটা ক্যাক্টাস, হতে পারে, সারা গায়ে ধারালো কাঁটা।
ধন্যবাদ ডাইনো।
৫টা (পাথর কুচি নয়) এটা কি ফুলের নাম

লেখা প্রসঙ্গে- আপনার বাগানের ফুল কেউ চুরি করে নিলে কেমন লাগে হুদাভাই? আমার ভয়ঙ্কর কষ্ট হতো, দিনের পর দিন।
চেয়ে নিলেই তো পারে, চুরি করতে গিয়ে ডাল ভেঙে ছিঁড়েখুড়ে কী যে করে! এক ননসেন্স মহিলা পূজার ফুল নিতে ছোট ছেলেকে গেইটের ওপর দিয়ে ভেতরে ঢুকিয়ে দিত...
ছবি প্রসঙ্গে-

)
১. ক্রাউন অফ থর্নস- বাংলা কী হবে, কণ্টকমুকুট? কাছাকাছি চেহারার আরেকটা আছে, গুল্মজাতীয় গাছে ধরে, কাঁটা নেই, ওটার নাম চিনাটুপি, চাইনিজ হ্যাট
২, ৭. ন্যাস্টার্শিয়াম। দুটো করে বোঁটা থাকে, দারুণ বর্ণিল ফুল। পাতাটাও খুব সুন্দর।
৩. সুইট পি-র একটা জাত। খাঁটি বাংলা নামটা ভুলে গেছি
৪. স্যালভিয়া
৫.
৬. ফ্লক্স (প্রতীপ পিটুনিয়া বলেছেন, সেটা অন্য ফুল। আসলে একটামাত্র ছবি কখনো কখনো কনফিউজিং
=====================
নামধাম জানেন না কিছু না, পোস্ট দিছেন কেন

লেখকের মন্তব্য
এই তো আমার ভগ্নি এসে গেছে! আর চিন্তা নেই কোন!! এবারে জানা যাবে সব ফুলের নাম!!!
জবা ফুল প্রতিদিন সকালেই চুরি হয়। কী আর করা, হিন্দু প্রতিবেশিরা চুরি করে। এখন আর চুরি বলি না, বলি নিয়ে গেছে। নিচে বাগান করা বাদ দেবার আসল কারণ এই ফুল চুরি। কিছু স্থায়ী ফুল ছাড়া নিচে আর কোন ফুল নেই আমার বাড়িতে। ছাদেরগুলো অক্ষত থাকে।
১। হ্যা ভাই কাঁটা কোন অভাব নেই এটাতে। ক্যাক্টাসের মত লাগে। কন্টকমুকুট! এ নাম ওকে দেওয়া যায় অনায়াসে।
২,৭। একই জাতের, রঙ আলাদা। ৭এ দ্বিতীয় বোটা দেখা যাচ্ছে। এটা তা'হলে ন্যাস্টার্শিয়াম। একটা বাংলা নাম দাও না।
৩। একেবারে জংলী একটা গাছ। মিষ্টি আলুর সাথে একেবারেই কোন রকম মিল নেই। এটা বাদ।
৪। স্যালভিয়া। ডাইনোসর বলেছে সিলভিয়া। আমার ধারণা স্যালভিয়া সঠিক।
৫। পাথরকুচির সাথে অনেক মিল। তবে পাতা থেকে চারা জন্মে না।
৬। ফ্লক্স
নাম ধাম জানি না, তাই বলে কী ফুল ফুটাবো না? ফুল ফুটলে তার ছবি তুলবো না?? ছবি তুললে তা সাথীদের দেখাবো না??? তাই কি হয়?
সবগুলো ফুলের নাম জানি। কিন্রু এখন ভুলে গিয়েছি।
মনে পড়লে পরে এসে বলবো হুদা ভাই।
ফুল চুরি করলে মেজাজ চরম খারাপ হয়। অনেকেই দেখি জিজ্ঞেস না করেই পুট করে গাছ থেকে ফুল ছিড়ে ফেলে। আমার মাথায় রক্ত উঠে যায়!
ছবিগুলো আসলেই খুব সুন্দর!
লেখকের মন্তব্য
সবগুলোর নাম জানার জন্য ধন্যবাদ সুরঞ্জনা, ভুলে যাবার জন্যও ধন্যবাদ।
নুশেরা প্রায় সবগুলোর নাম বলেছে, আপনি এখন ৩ আর ৫এর নাম মনে আনতে চেষ্টা করেন। অন্যগুলোর নাম আপনার জানার সাথে মেলে কিনা তা জানান।
আরে ভাই মেজাজের আর দোষ কী? 'বন্যেরা বনে সুন্দর' এ কথা তাদের মাথাতেই ঢোকে না। চড়িয়ে দাঁত ফেলে দিতে ইচ্ছা হয়। তবু সহ্য করা ছাড়া গতি থাকে না।
ধন্যবাদ সুরঞ্জনা।
একদম শুরুরটা চিনিই না
দেখি নাই মনে হয় কখনো
আপনার ফুলের পোস্ট দেখলেই আমার সেই নান বাড়ীর গল্প মনে পড়ে যায়
বলেছিলাম আগেও একদিন
লেখকের মন্তব্য
চেনা-অচেনার দ্বন্দ্ব আছে বলেই তো বৈচিত্রের অভাব নেই। পুরোনো দিনে ফিরে যেতে খারাপ লাগে না!
একটাও চিনি নাই
লেখকের মন্তব্য
নামে কিবা আসে যায়? ফুল তো ফুলই!
ইউপ্রোবিয়া মিলি ১ নং ফুলের নাম। কাঁটায় ভরা গাছে ফুল প্রথম দেখে ছিলাম লন্ডন থেকে একজন নিয়ে এসেছিলেন অনেক অনেক আগে। তখন থেকে আমাদের বাড়িতে বিস্তার শুরু করেছিল।
২নং এবং ৭ নং এ্কই ফুল ভিন্ন রঙ Nasturtium,নেসটোরিয়াম হলুদ ও কমলা ফুল হয়।
৩নং Blue Convolvulus যদি ঝোপের মতন গাছ হয় তাহলে অথবা নীল জবা হতে পারে। ছবিতে ঠিক বোঝা যাচ্ছে না। আজকাল জরা অনেক রঙের হয় হলুদ, কমলা, সাদা, বেগুনি।
৬ নং সন্ধ্যামালতি। আমরা বলতাম বোতাম ফুল।
৪ নং হামিং বার্ডের প্রিয় ফুল Cardinal Flowers কর্ডিনাল ফুল । আমার লাগাতে হবে হামিং বার্ড আমার বাড়িতে বেড়াতে আসে এখন যদিও ওরা দক্ষিণে বেড়াতে গেছে।
৫ নং লাল, গোলাপী, হলুদ, সাদা বিভিন্ন রঙের হয়।নামটা এই মুহূর্তে মনে পড়ছে না।
ভালোলাগল আপনার বাগান। ফুল পাখি, গাছ প্রকৃতির সব আমার খুব প্রিয়। যারা ভালোবাসে তাদেরকেও খুব পছন্দ করি।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ সমুদ্রজল। নিচে নুশেরার দেওয়া তথ্যের সাথে আপনার তথ্য মিলিয়ে দেখতে পারেন।
৩ নম্বরেরটা জবা নয়। তবে Blue Convolvulus হতেও পারে!
আপনার সাথে গলা মিলিয়ে আমিও বলি, ফুল পাখি, গাছ প্রকৃতির সব আমার খুব প্রিয়। যারা ভালোবাসে তাদেরকেও খুব পছন্দ করি।
শুভেচ্ছা অনেক।
নানা মন্তব্যে আপনার কনফিউজড হবার কারণ দেখছি। তাই আরেকটু বিস্তৃত করি
১. এর ফরমাল নাম ইউফোরবিয়া মিলি। ডাকনাম ক্রাউন অফ থর্নস, আরেকটা ডাকনাম ক্রাইস্ট প্ল্যান্ট। উইকিতেও আছে ।
============================
৪. ছবির গাছ বা ফুলের নাম স্যালভিয়া। রেড স্যালভিয়া।
স্যালভিয়া দক্ষিণ আমেরিকার গাছ, বেশি আর্দ্র মাটিতে পচে যায়। বিপরীতে কার্ডিনাল ফ্লাওয়ার উত্তর আমেরিকার; এটার জন্য আর্দ্র মাটি ভাল। কার্ডনাল ফুলের রঙে যে লাল স্যালভিয়ার সঙ্গে মিল আছে। তবে স্যালভিয়ার ফুলটা ফাঁপা, সানাইয়ের মতো; তার চেয়ে কার্ডিনালের পাপড়ি আলাদা ধরণের; সরু। গাছের উচ্চতাও কার্ডিনালের অনেক বেশি। স্যালভিয়ার অন্তত তিনগুণ!
ছবিতে দেখুন কার্ডিনাল ফুল
================
আর আপনার স্যালভিয়া
==================
৬. ছবির ফুল ফ্লক্স (phlox)।
পিটুনিয়ার সাথে ফ্লক্সের চেহারায় প্রধান তফাত হলো ফ্লক্স গোছায় ধরে, আর পিটুনিয়া প্রচুর ফুলের কারণে গোছার মতো দেখালেও বোঁটা ফ্লক্সের চেয়ে আলাদা। প্রতিটি পিটুনিয়া ফুলের আকার (ইন্ডিভিজুয়াল) ফ্লক্সের চেয়ে বড়; অন্তত দ্বিগুণ। পিটুনিয়া ফুলের মধ্যখানে গর্তের মতো থাকে, কেশর না কী বলে ওটা খুব প্রমিন্যান্ট; ফ্লক্সের ওপরটা অনেকটা ফ্ল্যাট-ধরণের, মাঝের ছিদ্রটা একদম সরু। ফ্লক্সের পাতা সরু ও চোখা ধরণের; পিটুনিয়ার পাতা ফ্লক্সের পাতার চেয়ে চওড়া। পিটুনিয়া আর ফ্লক্স দুইই নরম ধরণের; “বীরুৎ” জাতীয় উদ্ভিদ। তবে পিটুনিয়া-ঝাড়ের উচ্চতা ফ্লক্সের ঝাড়ের অন্তত দ্বিগুণ।
ফ্লক্সঝাড়ের দুটো ছবি
=================
নীচের দুটো ছবিতে পিটুনিয়া
লেখকের মন্তব্য
না আর কনফিউজড হবার সম্ভাবনা রইল না। নাম না জানা ফুলের পোস্ট দিয়ে সবাইকে, বিশেষ করে নুশেরাকে বেশ কষ্ট দিলাম!!
ছবিসহ মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ নুশেরা।
কষ্ট দিলেন মানে!


ফুলফোটা দিনের স্মৃতিচারণের সুযোগ দিলেন, এ কি কম কথা!
লেখকের মন্তব্য
দাঁত কিড়মিড় করা দেখে ভয় পেয়েছি!!
না, না, মোটেই কম কথা নয়!!
লাভবান হয়েছি আমিই কিন্তু বেশী।।
এবারে মিষ্টে হাসি দেখতে চাই।
লেখকের মন্তব্য
বাহ! এবারে খুশি!!
সাদা লাল জবাটা দেখে চোখ জুড়ালো।।।।
লেখকের মন্তব্য
সাদা অথচ লাল, কী সুন্দর! তাই না??
যাক, অবশেষে ৮ নং ছবিটা আপনার চোখে পড়লো!!!!
নাম যাই হোক, ফুলগুলো চমত্কার অতি; ফুল যেমনটা হয়।
লেখকের মন্তব্য
সমুদ্রজলের মত করেই বলি, ফুল, পাখি, গাছ, প্রকৃতির সব আমার খুব প্রিয়। যারা ভালোবাসে তাদেরকেও খুব পছন্দ করি।
শুভেচ্ছা মানিক।
ছবি রেখে দিলাম,পড়ে নাম মুখস্ত করব। ধন্যবাদ হুদা ভাই। ভাল থাকুন।
লেখকের মন্তব্য
শুভ কামনা পলাশমিতা।
আহা! আমার যদি এরকম একটা ফুলের বাগান থাকত!
অনেক অনেক শুভকামনা।
লেখকের মন্তব্য
আমারও এখন এই একই আফসোস! বাগান না থাকার কষ্ট যে কত বেশি, তা এখন হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছি।
গোলাপ ফুল ছাড়া অন্য যেকোনো ফুল মানুষ যখন কেনে, সেডা জোগাড় করে দেয় অন্য মানুষ প্রকৃতি থেকে চুরি করেই। এমনিতে হাসিমুখ কোনো মেয়ের হাতে গোলাপফুল দেখতে ভালো লাগে, এ ছাড়া অন্য কোনো ফুল, গাছ থেইকা ছিঁড়ে নেওয়া অবস্থায় ভাল্লাগেনা।
এইজন্যও এই পোষ্টের ছবির ফুল গুলা অনেক ভালো, সুন্দর ছবি।
লেখকের মন্তব্য
শুভ কামনা, শাওন।
আমিতো সবগুলো ফুলই চিনি, একটু দেরীতে এই পোস্টটা চোখে পড়েছে। দেখলাম নুশেরাপু আগেই সব লিখে ফেলেছে, না হলে তো আমিই বলে দিতাম---
লেখকের মন্তব্য
৩ নম্বরটা নিয়ে কিন্তু সংশয় রয়ে গেছে।
নাম জানি না, শুধু বলতে পারি যে ফুলগুলো অনেক বেশি সুন্দর। ছবিও খুব সুন্দর তুলেছেন।
লেখকের মন্তব্য
নাম জানা হয়েছে মন্তব্য থেকে।
ধন্যবাদ ভাই গরম মসলা বুবুজান।
আশ্চর্য সবগুলো ফুলকে আমি চিনি, কিন্তু নাম জানি না। আর দুঃখের কথা ওরা কখনো আমার বাগানে ফোটেনি। ২ নং ফুলটার সাথে মাসখানেক আগে ভুটানের রাস্তায় দেখা, পরিচিত বলে ডাক দেবো ভাবছিলাম। কিন্তু আমারে চিনতেই পারলো না
অনেকদিন পর আপনার পোষ্টে এলাম। ভালো আছেন আপনি?
লেখকের মন্তব্য
সুন্দর কমেন্টের জন্য ধন্যবাদ।
আমি আছি পূর্ববৎ। অনেকদিন পরে দেখা পেয়ে ভালো লাগছে।
শুভেচ্ছা নীড় সন্ধানী।
মন্তব্য করুন