নাজমুল হুদা-এর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

"পুষ্প আপনার জন্য ফোটে না, অপরের জন্য তোমার হৃদয় কুসুমকে প্রস্ফুটিত করিও"। শুধুমাত্র ভাব সম্প্রসারণ করেই এই বাক্যটিকে অবহেলায় ফেলে রেখে চলে যাওয়া যায় না। ফুল ভালোবাসার প্রতীক, ফুল ছাড়া শুভেচ্ছা জানানো সম্পূর্ণ হয় না, ফুল শোকের প্রতীক। প্রেম আছে, পুষ্প নেই, এমনটি কেউ কল্পনাও করতে পারে না। আর এই ফুল নিয়ে আমার কিছুটা বাড়াবাড়ি রকমের আদিখ্যেতা আছে। ফুলের প্রতি ভালোবাসা যে অঢেল, তাও নয়। তবু ‘ফুল’ শব্দটার প্রতি কেমন যেন বেশ খানিকটা দুর্বলতা টের পাই অন্তরে। আবার ফুলই যে আমাকে সব চেয়ে বেশি আকৃষ্ট করে তাও নয়। ফুলের চেয়ে প্রিয় অনেক কিছুই আছে, যা পাবার জন্য বা দেবার জন্য ফুলকে অতিক্রম করে যেতে পারি। তারপরও ফুলের প্রতি আকর্ষণ কমে না কোনক্রমেই। এই ব্লগেই ফুল নিয়ে আমার পোস্ট আছে, অনেক বন্ধুর পোস্টে কমেন্ট করতে যেয়ে ফুলের ছবি না দিয়ে পারি নি। ফুলের ছবি আছে আরও অনেকগুলো, বেশির ভাগই নিজের বাগানের, কিছু ছবি অন্যান্য জায়গা থেকে তোলা। সে সব ছবিও সকলের সাথে শেয়ার করার ইচ্ছা হয় মাঝে মাঝে, আলসেমির কারণে হয়ে ওঠে না।
তা’ছাড়া, ইদানীং চতুর্মাত্রিকে যে ভাবে খাওয়া-দাওয়ার ধুম পড়ে গেছে, কে আর ফুলের দিকে ফিরে তাকাবে!
“জোটে যদি মোটে একটি পয়সা
খাদ্য কিনিও ক্ষুধার লাগি,
জোটে যদি দু’টি অর্ধেকে তার
ফুল কিনে নিও, হে অনুরাগী!”
জগদ্বিখ্যাত এ কবিতায়ও ফুলের চেয়ে খাদ্যের প্রতি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কাজেই খাদ্য রেখে কে আর ফুলের দিকে ফিরে দেখবে! আমার গুরু বলেছিলেন, “যদ্দেশে যদাচার”! গুরুর কথা কী আর শিষ্য অমান্য করতে পারে, নাকি করা শোভন? কাজেই “প্রমোদে ঢালিয়া দিনু মন”! মানে হচ্ছে গিয়ে, ম্যান ইজ মর্টাল অর্থাৎ মানুষ মাত্রই ভুল করে!
কিন্তু আমি তো পান্তা ভাত আর বাসিভাতের সওদাগর (আগেই জানিয়েছি)! আমি আবার খাদ্য নিয়ে কী লিখবো? রেসিপি না পারি, রান্নার বায়না দিতে তো আর মানা নেই! আমার প্রিয় আর অপ্রিয় খাদ্যদের কথা নিয়ে তো কিছু লিখতে পারি! কিন্তু ভাবলেই তো আর হয় না! ভাবনা-চিন্তার উপরে যদিও ট্যাক্স বসানো হয় নি, তবু ভাবনাগুলোকে সাজিয়ে গুছিয়ে আর কাউকে বলতে হলে নিজের কিছু মাল-মসলা থাকা অপরিহার্য। আর সে জিনিষের আমার অভাব যে প্রকট, অতি প্রকট!!
সব কিছু অগ্রাহ্য করে খাদ্য নিয়ে লেখা শুরু করবার জন্য বসতেই আবারো বড় বাধা হয়ে সামনে এলো সেই ফুল! কী জ্বালাতন! দেখুন তা’হলে সেই ফুলের ছবি!
মানেন আর নাই মানেন, এটা অবশ্যই ফুল। আর এই ফুল আমার বিশেষ প্রিয় খাদ্যের তালিকার উপরের দিকে চিরস্থায়ী আসন করে নিয়েছে। এক রোজার মাসে প্রতিদিনের ইফতারিতে আস্ত একটা ফুলকপি ছিল আমার বরাদ্দ! কেমন করে? হ্যাঁ সেটা রান্না হতো আমার উদ্ভাবিত রেসিপি অনুযায়ী। মোটামুটি আকারের একটা আস্ত ফুলকপি ডাটা ছাড়িয়ে পানিতে ডুবিয়ে রাখা হতো। পোকা থাকলে তা বের করে দেবার জন্য এই প্রক্রিয়া বেশ কার্যকর। এরপর শুধুমাত্র লবণ সহযোগে প্রেশার কুকারে সিদ্ধ করা হতো। পানি দিতে হবে এমন পরিমাণে যে, কপি সিদ্ধ হবে, পানিও শুকিয়ে যাবে। এরপর, ইফতারির সময়ে সামান্য বিট লবন, গোলমরিচের গুড়া ছিটিয়ে দিয়ে খাওয়া। অপূর্ব! এখন কী-বোর্ডে আঙ্গুল চালাতে চালাতে জিহ্বা ভরে গেছে জারক রসে।
আরও অনেক ফুল আমরা আমাদের জ্ঞাতে বা অজ্ঞাতে খেয়ে থাকি! আপাতত: মনে পড়ছে, মিষ্টিকুমড়ার ফুল, বকফুল, ডুমুর, সজনে ফুল, কলার ফুল(মোচা)! কচুর ফুলও নাকি কেউ কেউ খায় বলে শুনেছি! এগুলো রান্না করে খাওয়ার কায়দা-কানুন আশা করি রেসিপি ভাই, রেসিপি আপারা দিতে পারবেন, আমার তেমন ধারণা নেই!
চতুর ভাইবোনেরা, এ সব আবোল-তাবোল ফুল না খেয়ে আসুন, কুরবানির মাংস নিয়ে মেতে উঠি!
[আজ অল্প একটু অবসর পেয়েছি, সেটুকু সময় আপনাদের সাথে থাকবার লোভ সামলাতে পারলাম না!]
মন্তব্য
লেখকের মন্তব্য
মন্তব্য
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৭৬১৭৮(১) ৫ নভেম্বর ২০১১, ৯:৫৯ অপরাহ্ন তারিখে শাওন৩৫০৪ বলেছেন
Vote up!
০
Vote down!
০
পুষ্পাহার মানে পুষ্প আহার?
হাহা
ব্লগে হাওয়া দাওয়া ভৈরা গেছে কৈয়া, দিয়া দিলেন রোজার মাসে ফুল কফি সিদ্ধের রেসিপি!!! হাহাহা
জবাব দিন
রিপোর্ট
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৭৬১৮০(২) ৫ নভেম্বর ২০১১, ১০:০০ অপরাহ্ন তারিখে চৈতী আহমেদ বলেছেন
Vote up!
০
Vote down!
০
আরে হুদা ভাই আপনি? ফুলকপি সমেত! আমার প্রিয়ফুল থুক্কু সব্জী।
জবাব দিন
রিপোর্ট
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৭৬১৮৫(৩) ৫ নভেম্বর ২০১১, ১০:০৬ অপরাহ্ন তারিখে শাওন৩৫০৪ বলেছেন
Vote up!
০
Vote down!
০
পোষ্ট টা ঝামেলার হৈছে। মানে, মাঝে মাঝে এগন পোষ্ট হয়ে যায়, যেইটার কমেন্ট বাইরে সাম্প্রতিক কমেন্ট থ্রেডে কিংবা প্রথম পাতায়ও শো করেনা। মোটামুটি ঝামেলা। এইটার সল্যুশনের একটা উপায় দেখছি, পুরাটা কপি করে, আবার নতুন করে পোষ্ট করা, অবশ্যই এইটা মুইছা দেয়া। যদিও তখন এখনকার কমেন্ট গুলা মুছে যাবে, কিন্তু, কমেন্ট পরেও করা যাবে, ঝামেলা দূর করে নেয়া ভালো মনে হয়।
জবাব দিন
রিপোর্ট
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৭৬১৮৮(৪) ৫ নভেম্বর ২০১১, ১০:০৮ অপরাহ্ন তারিখে শাওন৩৫০৪ বলেছেন
Vote up!
০
Vote down!
০
পোষ্ট টা ঝামেলার হৈছে। মানে, মাঝে মাঝে এগন পোষ্ট হয়ে যায়, যেইটার কমেন্ট বাইরে সাম্প্রতিক কমেন্ট থ্রেডে কিংবা প্রথম পাতায়ও শো করেনা। মোটামুটি ঝামেলা। এইটার সল্যুশনের একটা উপায় দেখছি, পুরাটা কপি করে, আবার নতুন করে পোষ্ট করা, অবশ্যই এইটা মুইছা দেয়া। যদিও তখন এখনকার কমেন্ট গুলা মুছে যাবে, কিন্তু, কমেন্ট পরেও করা যাবে, ঝামেলা দূর করে নেয়া ভালো মনে হয়।
জবাব দিন
রিপোর্ট
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৭৬১৯৪(৫) ৫ নভেম্বর ২০১১, ১০:১৭ অপরাহ্ন তারিখে অপাংক্তেয় বলেছেন
Vote up!
০
Vote down!
০
ফুলকপি দিয়ে কোরবানীর ঈদের শুভেচ্ছা দিলেন হুদা ভাই? কোন সমস্যা নাই। কিমা-ফুলকপির দম রান্না করব।
জবাব দিন
রিপোর্ট
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৭৬১৯৫(৬) ৫ নভেম্বর ২০১১, ১০:১৭ অপরাহ্ন তারিখে বাতিঘর বলেছেন
Vote up!
০
Vote down!
০
যদি পোষ্ট মুছেন, তাই তেমন কিছু নাই বলি এখন
জবাব দিন
রিপোর্ট
আহা! আহা! ফুলকপি? ফুলকপি ভাজি আমার বড়ই প্রিয়। কুম্ভকর্ণের আবার এই ফুলের তরকারী।
ঠিক আছে আপনার ও আমার এই প্রিয় ফুল নিয়ে রেসিপি পোস্ট দিবো ঈদের পর। সাথে কুমড়ো ফুলের বড়া ফ্রী।
লেখকের মন্তব্য
অপেক্ষায় রইলাম।
আরে হুদা ভাই আপনি? ফুলকপি সমেত! আমার প্রিয়ফুল থুক্কু সব্জী।
লেখকের মন্তব্য
একই সাথে চিত্ত বিনোদন আর ভোজন! চমৎকার না?
ইফাতারিতে ফুলকপি ঐরাম সিদ্ধ করে খাওয়াটা তেমন মন্দ না মনে হয়, যদি সাথে সেদ্ধডিম, গাজর, আলু সহকারে সাওয়ারক্রীম দিয়ে বা ম্যায়ো দিয়ে খাওয়া হয়! অবশ্যই গোলমরিচের গুড়া, বীট লবন। ইশশশ এখনই দেখি লোভ লাগছে ভাইটি।
ভাবুন তো একবার কোন বোকা যদি এইটারে ফুল হিসেবে তার প্রথম ডেটিংয়ে পিয়জনরে দিতে যায় তার কপালে কিরাম
লেখকের মন্তব্য
টানা-পোড়েনের সংসারে এই ফুল উপহার হিসেবে ভালোই। ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হলো, আবার পরে তা দিয়ে হলো সব্জির অভাব পূরণ!
আমারো অনেক প্রিয় এই ফুল।
মাংস কম খান, একটু কম ক্ষতি করুন নিজের। ( সব জোনাক পোকার প্রতি এই আহবান )
লেখকের মন্তব্য
আমি বাদে আর সকল চতুর তারার হাসির এ আহবানে সাড়া দিন।
আমার লাভ-ক্ষতির দিন তো শেষ!
ওহ! কি যে জিনিস ভাই!!
শীতের সকালে আমার মার হাতে ফুলকপির ভাজি আমার কাছে অমৃত মনে হয়
লেখকের মন্তব্য
যে কোন ভাবে খেলেই এটা মজার খাবার। আমার মনে হয়, এটা দিয়ে সালাদ বানালেও তা হবে দারুন! কেউ হয়তো ফুলকপি সালাদের রেসিপি দিতে পারেন!
ফুলকপি আমার খুব প্রিয়। শোলমাছের সাথে ফুলকপি, জটিলস্য জটিল।
লেখকের মন্তব্য
পড়াশুনার চাপ কী কমেছে, সোহেল?
তুমি আমার দেখাও আরো লোভ! আবার শোলমাছ আনতে গেলে কেন?
বলেন কী? ফুলকপি, শিম আর আলু সহকারে ভাজি। তা ছাড়াও ফুলকপি, আলু, শিম, টমেটো, রুই মাছ আর অবশ্যি ডালের বড়ি এর তরকারী আহা! মাংস মাইনাস।
লেখকের মন্তব্য
বলেন কী? এই কুরবানির ঈদের মাংস মাইনাস? তবে আর রইল কী?
ভাজি ভালো লাগলো!
'ফুলকে দিয়ে মানুষ বড় বেশি মিথ্যে বলায় বলেই ফুলের ওপর কোনোদিনই আমার টান নেই।তার চেয়ে আমার পছন্দ আগুনের ফুলকি
যা দিয়ে কোনোদিন কারো মুখোশ হয় না।'
-সুভাষ মুখোপাধ্যায়।
“জোটে যদি মোটে একটি পয়সা
খাদ্য কিনিও ক্ষুধার লাগি,
জোটে যদি দু’টি অর্ধেকে তার
ফুল কিনে নিও, হে অনুরাগী।"
ফুল গাছেই সুন্দর ও জীবন্ত। ফুল পেতে ও দিতে ভালো লাগে; তবুও বার্নার্ড শ' এর করা উক্তিটা গাছ থেকে ছিঁড়ে পাড়া ফুল ফুলদানিতে সাজানো দেখেই মনে পড়ে যায়, 'আমি ছোট ছেলেমেয়েদেরও খুব ভালোবাসি, তা বলে তাদের মুন্ডু কেটে ঘরে সাজিয়ে রাখি না!'
দুঃখিত, হুদা ভাই!

লেখকের মন্তব্য
উদ্ধৃতিসমগ্র ভালো লাগলো। আমার কথার সাথে তো কোন অমিল পেলাম না ভাই, দুঃখিত হবার কী আছে! ঘর সাজানোর জন্য তো আমি কোন ফুল ছিড়ি নি, একটা ফুলকে খাবার হিসেবে উপাদেয় বলেছি শুধু!
না মানে, ফুল প্রেমিকরা একটু অভিমানী হয় কীনা!

ফুলকপিরে আমিও ব্যাপক ভালো পাই।
একবার একজনের জন্মদিনে ফুলের বদলে ফুলকপি দিয়েছিলুম হাতে ধরিয়ে! তার তব্দা খেয়ে তাকানোর উত্তরে বলেছিলাম, একের ভিতর দুই; ফুল ও সবজী।
লেখকের মন্তব্য
কেন হাসি, কেনই বা কান্না, বুঝছি না কিছুই!
লাফালাফি করছিলাম কারণ আমি তখন লিস্টে দ্বিতীয়
পরে মন খারাপ কারণ তখন আমি আবার উপরে!
ফুল কপি খাইতে বিরাট ভালো পাই। আসলে আমি খাইতে ভালো পাই না এমন জিনিস খুব কমই আছে।
তারপরেও রেসিপি দেখে ক্ষুধা ক্ষাধা লাগে।
তবে সৌভাগ্য কিংবা দুর্ভাগ্য হইলো গতকালকে এই ফুল আমার খাবার তালিকায় ছিলো।
লেখকের মন্তব্য
আসলে আমি খাইতে ভালো পাই না এমন জিনিস খুব কমই আছে। আমার বেলাতেও প্রায় একই ব্যাপার! যা খাই, তাই-ই ভালো লাগে।
লেখকের মন্তব্য
শাওনের এই কমেন্ট না পেলে আমার এই পোস্টে ঝামেলা লেগেই থাকতো। ধন্যবাদ শাওন, এই সুপরামর্শের জন্য। তবে কমেন্টগুলোকে হারাতে চাই নি বলে আমার প্রথম কমেন্ট হিসেবে কপি-পেস্ট করেছি, এমনই মনে হোক না কেন!
সকলকে ঈদের শুভেচ্ছা। ঈদ মুবারাক।
হুদা ভাই খাদ্য এমন একটা বিষয়,
যা নিয়ে আলাপ করতেও ভালো লাগে।
ভালো পাইলাম।
ধন্যবাদ।
ঈদের শুভেচ্ছা।
লেখকের মন্তব্য
ঈদের শুভেচ্ছা ভাই করিম।
হুদা ভাই, আপ্নের লাইগা সবুজ ফুলকপি। পাইছেন না ??
লেখকের মন্তব্য
সবুজ ফুলকপি? কই পেলাম না তো এখনও?
ভালো কথা মনে করেছো! আমার তো ভাই ব্রকোলীর কথা মনেই ছিল না!
ফুলকপি আর কুমড়া ফুলের বড়া আমারও বড় প্রিয়
লেখকের মন্তব্য
খাওয়া জিনিষটাই আসলে পছন্দের!
ফুলকপির শুভেচ্ছা দিলুম আপনাকে ভাইয়া।
লেখকের মন্তব্য
আমি কি তবে পাতাকপি শুভেচ্ছা দেবো?
ভালো থেকো একু।
লেখকের মন্তব্য
চিংড়িকে পোকা বললে বড়ই অন্যায় করা হয়। আসলে পোকাদের দলভুক্ত সে নয়, কিছুটা আত্মীয়তা আছে মাত্র! আর তেমন তো আছে সবার সাথেই সকলের!
পুষ্পাহারের মত পোকাহারও করা যাইতে পারে। ইনফ্যাক্ট, পোকাহার আমার মারাত্মক প্রিয়।
বড়সর একটা চিংড়ি পোকা হৈলে আর কিছুই লাগেনা।
হাহাহা! আমারও!
হুদাভাই, এই ফুল আমার দারুণ পছন্দের! আর আপনের সিস্টেমে ফুলকপি খাইতে আমার বাবারে দেখসি, খুবই ভালো বাইসা খান! সবজি জাতীয় সব ফুলই খাই, আপনের তালিকায় ব্রকোলি বাদ পড়সে! সবুজ রঙের এই জিনিস খাইতে তো ভালোই!
-ঈদ মুবারাক, হুদা ভাই! ভাবীরে সালাম দিয়েন!
লেখকের মন্তব্য
ব্রকোলি খুব বেশি চোখে পড়ে না তো, তাই ভুলে গিয়েছিলাম!
শুভেচ্ছা ভাই।
বাহ, অসাধারণ পোষ্ট। ফুল কপি রেসিপি। আজকাল ঢাকার বাজারে অনেক ফুল কপি উঠছে। কিন্তু দাম অনেক বেশী এবং দেখতে আপনার ছবির মত নয়। কেমন মরা মরা! চিটা চিটা। এখনো সাহস করে কিনি নাই। ফুল কপি, নূতন আলু আর সীম মিশিয়ে যে কোন জিওল মাছ দিয়ে রান্না করলে আর কি চাই!
আপনাকে আমাদের বাড়ীর ফুলের শুভেচ্ছা জানাই। এই টবে যখন ফুল ফুটে তখন দুটোই ফুটে! একটা আপনার জন্য এবং অন্যটা আপার জন্য।

ঈদের শুভেচ্ছা। ভাল থাকুন।
লেখকের মন্তব্য
আপনাকে, ভাবিকে শুভেচ্ছা অনেক।
আশা করি ঈদের দিন অনেক রান্না করেছেন, আর খেয়েছেন জান ভরে!
আমার বাগানে, আপনাদের জন্যই সারা বছর ফোটে!
ফুলের নামটা কি জানাবেন?
আমাদের এখানে একটা টবে কিছু গাছ আছে। আপনার বাগানেও এই ফুল আছে জেনে খুশি হলাম।
লেখকের মন্তব্য
সেই ছোটবেলা থেকে এ ফুলের নাম জেনে এসেছি 'ঘাসফুল' বলে! আমার একটা পোস্টে এ নাম উল্লেখ করলে নুশেরা প্রবল আপত্তি জানিয়েছিল, এটার নাম নাকি ঘাসফুল নয়।
এটা লিলি জাতীয় ফুল, বাংলাদেশের ড্যাফোডিল বলা যেতে পারে। সাদা আর হলুদ রঙেরও হয়।
ধন্যবাদ। জানানোর জন্য। আপনাকে দেখে খুশি হলাম।
আপনি কমেন্টের উত্তর দিচ্ছেন জেনে ভাল লাগল।
ঈদ শেষ হয়েছে জনাব।
লেখকের মন্তব্য
কিন্তু আমার ব্যাস্ততা বেড়েছে।
দেশে থাকতে শুনসি খেঁজুরের ফুলও নাকি উপাদেয়। এই দেশের বাজারেও তা বিক্রি হইতে দেখসি।
লেখকের মন্তব্য
একেবারে নতুন খাবার, নতুন খবর।
খেয়ে জানাবেন কেমন লাগে!
ঈদ মোবারক!
লেখকের মন্তব্য
নয়ন, এসো ভাই কোলাকুলি করি।
ঈদ মোবারক ও শুভেচ্ছা। ভালো থাকুন।
লেখকের মন্তব্য
শুভ কামনা ভাই শুভ্র।
আহ!
প্রিয় জিনিস নিয়ে আসলেন!
কী খবর ভাইয়া? ব্যস্ততা কেমন? নাতি-নাতনিরা কেমনাছে?
লেখকের মন্তব্য
যা অনেকের প্রিয়, তা ভালো না হয়েই পারে না! ভালো জিনিষকেই সবাই পছন্দ করে।
খুব ব্যাস্ততার মাঝে আছিরে ভাই, সময়ের দারুন অনটন। তবু দেখি তালিকা থেকে নাম বাদ যায় না আমার। অন্য চতুররা কী ছুটি কাটাচ্ছে ঘুমিয়ে, নাকি সবাই আমার মত নাতিনাতনি নিয়ে ব্যাস্ত?
এখনো সবাই ভালো আছে।
ভালো থেকো ভাই।
ভাল আছেন সবাই মিলে, এরচে' আনন্দের কিছু নেই। আর বইলেন্না, এই 'জিনিস' আর 'জিনিষ' নিয়া ঝামেলায় ছিলাম, কতবার ভেবেছিলাম আপনার কাছে জেনে নেবো। আজ যখন শব্দটা লিখছিলাম তখন ভাবছিলাম এভয়েড করবো শব্দটা, পরক্ষণেই ভাবলাম, নাহ, এটাই সুযোগ জেনে নেয়ার, খালি হাতে ফিরিনি!
লেখকের মন্তব্য
আবদুল্লাহ আবু সাঈদের বইতে তিনি লিখেছেন 'জিনিশ'। তাঁর বানান ঠিক হওয়ার সম্ভাবনা বেশি! 'জিনিস'ও প্রচলিত।
হুম।
নাজমলু ভাই, দুপুরে আ্পনার পোস্টটা পড়লাম। লগইন না থাকাতে কমেন্ট করতে পারি নি।
ফুল কপি আমারো খুব প্রিয় একটা খাবার। ফুল আর খাদ্য নিয়ে এই পোস্টটা আসলেই খুব ভালো লেগেছে--নতুন থিম।
খুব ভালো থাকুন, নাজমুল ভাই।
লেখকের মন্তব্য
এবারে এই থিম থেকে অন্যেরা আরো থিম খুঁজে পেতে চেষ্টা করলে আমার উদ্দেশ্য সফল হয়!
স-ব কেমন এগুচ্ছে?
শুভেচ্ছা নিয়াজ।
ভালোই চলছে। আজ নারায়নগঞ্জ লিসাদের বাড়ীতে গেলাম, সেখান থেকে বাংলার তাজমহল দেখে ঢাকায়।
ফুলকপির রেসিপি অসাধারণ। লবন পানিতে ভিজিয়ে রাখলে মনে হয় আরেকটু কার্যকরী হবে। দুটি জায়গায় একটু খটকা লাগলো। প্রেসার কুকারে ফুলকপি কতক্ষন প্রেসারে রাখেন। বেশী রাখলেতো ফুলকপি ভর্তা হয়ে যাবে। আরেকটি হলো প্রেসারকুকারে পানি শুকান কিভাবে?
লেখকের মন্তব্য
আপনার পরামর্শ পছন্দ হলো। আপনার খটকা দূর করতে হলে আমার মেয়ের কাছে শুনতে হবে।
আপাততঃ জানাতে পারছি না ভাই ডাক্তার।
হুদা ভাই আপনি না থাকায় চতুরকে অভিভাবক শুন্য মনে হচ্ছিল গত কয়েকদিন।
আপনাকে দএকে ভালো লাগলো আবার।
লেখকের মন্তব্য
ফাঁকতালে এসেছি আজ, এখনই কেটে পড়তে হবে। আবার কবে আসতে পারবো তার কোন ঠিক-ঠিকানা নেই রে ভাই।
আমাকে আবার 'অভিভা বক' বানিয়ে ফেললে নাকি? আমি তো শুধুই বক, এক্কেবারে এক পা বিশিষ্ট বক, 'অভিভা'বিহীন!
নূতন পোষ্ট দিয়ে যান নাই বলে মাইনাস মাইনাস!
প্রচুর কমেন্ট করে গেলেন দেখছি।
লেখকের মন্তব্য
আপাততঃ নতুন পোস্ট দেবার মত সময় নেই, মাল-মসলাও নেই ভাই।
তাইতো সুযোগ পেলে শুধু মাত্র মন্তব্য করে ছুটে চলে যাই!
লেখকের মন্তব্য
আজ মনে পড়লো, খাদ্য হিসেবে আমার আর একটা প্রিয় ফুল, পিঁয়াজের ফুল।
মোটামুটি আকারের একটা আস্ত ফুলকপি ডাটা ছাড়িয়ে পানিতে ডুবিয়ে রাখা হতো। পোকা থাকলে তা বের করে দেবার জন্য এই প্রক্রিয়া বেশ কার্যকর। এরপর শুধুমাত্র লবণ সহযোগে প্রেশার কুকারে সিদ্ধ করা হতো। পানি দিতে হবে এমন পরিমাণে যে, কপি সিদ্ধ হবে, পানিও শুকিয়ে যাবে। এরপর, ইফতারির সময়ে সামান্য বিট লবন, গোলমরিচের গুড়া ছিটিয়ে দিয়ে খাওয়া। অপূর্ব! এখন কী-বোর্ডে আঙ্গুল চালাতে চালাতে জিহ্বা ভরে গেছে জারক রসে।
বাহ্, চমৎকার রেসিপি তো ! রমজানে আমরা খেয়েছি ভাজাপোড়া সহ রাজ্যের অখাদ্য। আপনার ইফতারি ছিল নি:সন্দেহে স্বাস্থ্যকর।
লেখকের মন্তব্য
পড়ার জন্য, মন্তব্য করার জন্যও ধন্যবাদ ঈশান। ভাজাপোড়া খেতে ভালো লাগে, সহ্য হয় না তেমন যদিও। সিদ্ধ খেতেও অনেক মজা।
ঈশান একজন পোড়া গরু বটে!
লেখকের মন্তব্য
সে কী কথা?
সজনে ফুল টা কি ভাবে খায়?
লেখকের মন্তব্য
সজনে ফুলের ভাঁজি!
আমার রান্নার জ্ঞান অতি সীমিত!
রেসিপির জন্য সাহাদাত উদরাজী বা সুরঞ্জনার দ্বারস্থ হতে হবে, ফ্লোরা!
যদিও কখনও খাইনি। তবে মায়ের কাছে শুনেছি সজনে ফুল বেসন বা চালের গুড়োর গোলাতে চুবিয়ে বড়া করে খায়। সজনে আমার মায়ের প্রিয় ছিলো। তাই হয়তো ফুলগুলো আর খেয়ে শেষ করেন নি।
মন্তব্য করুন