লেখকের ক‌থা

সদর দরজা

প্রেম ও প্রকৃতি

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

গল্পটা প্রেমের নয়, আবার প্রকৃতপক্ষে প্রকৃতিরও নয়। তবু শিরোনাম দিলাম ‘প্রেম ও প্রকৃতি’! কেন, তা নিজেও বুঝতে পারছি না। হয়তো প্রকৃতির সাথে যারা প্রেমে মজেছে, তাদের সান্নিধ্য পেয়ে এমন মতিভ্রম ঘটে থাকতে পারে। মতিভ্রম না হলেও মতিচ্ছন্ন যে কিছুটা হয়েছিলাম, তা বুঝতে এ বয়ানের সবটুকু না পড়লেও চলবে। এতগুলো স্বনামধন্য মানুষের সাথে একই দিনে একই স্থানে সাক্ষাৎ হওয়া, পরিচিত হতে পারা, আপন জনের মত আলাপ করতে পারার সুযোগ জীবনে খুব বেশি আসে না। বিখ্যাত ব্যক্তিদের কাছাকাছি যাবার মত প্রায় দুর্লভ পরিস্থিতি বিরাজ করে সবখানে সর্বদা, তাই ইচ্ছা হলেও তেমন প্রচেষ্টার প্রতি স্বভাবতই আগ্রহ জন্মে না। প্রকৃতিই এবার টেনে নিয়ে গিয়েছিল, দিয়েছিল অপূর্ব সে সুযোগ – এ যেন কোন সুযোগ নয়, এ যেন প্রকৃতির আহবান, প্রেমের আকর্ষণ!

সেই যে সেকালে যেতাম, আর কখনও যাওয়া হয়ে ওঠে নি সেখানে! যার ডান ও বাম দিক দিয়ে, উত্তর-দক্ষিণ-পূর্ব-পশ্চিম দিয়ে কতবার যাওয়া-আসা করেছি এই এতগুলো বছরে; কিন্তু ভেতরে যাবার উৎসাহ পাই নি। সেই রমনা পার্ক, যেখানে জড়িয়ে আছে অজস্র স্মৃতি, সেখানে আর যেতেই পারি নি, বাইরে থেকে উৎসুক নয়নে চেয়ে দেখেছি শুধু। কী জানি, কখনও দীর্ঘশ্বাস পড়েছে কিনা অজান্তে! সেদিন, এই তো সেদিন, গত শুক্রবারে, এই ডিসেম্বরের দুই তারিখে সেখানে গেলাম। কেন যেন আগের মত জৌলুস চোখে পড়লো না। [ফিরে এসে স্ত্রীর কাছে এ কথা বললে, সে বললো, “বাঁশী আর আগের মত বাজে না- - -”! হবেও হয়তো বা!]

প্রকৃতি ও পরিবেশ বিষয়ক সংগঠন “তরুপল্লব” দশম গাছ দেখা গাছ চেনা কর্মসূচির আয়োজন করেছিল। নির্ধারিত সময় সকাল ন’টার আগেই রমনা বটমূলে (প্রকৃতপক্ষে সেটা অশ্বত্থ মূল!) যেয়ে পৌঁছে গেলাম নাতনী টিয়াসহ। একে একে এলেন অনেকেই। তরুপল্লবের সেক্রেটারি মোকারম হোসেন, পাখিপ্রেমী শরীফ খান, উদ্ভিদবিজ্ঞানী শামসুল হক, সুলেখক বিপ্রদাশ বড়ুয়া এবং নিসর্গী দ্বিজেন শর্মা। এদের সকলের নাম শুনেছি, লেখা পড়েছি আগ্রহ সহকারে। সকলকে একসঙ্গে পেয়ে আমি রীতিমত অভিভূত! সৌরভ মাহমুদের উদ্ভিদ, প্রাণী তথা প্রকৃতি নিয়ে লেখাগুলো আমি খুব আগ্রহ নিয়ে পড়ি প্রথম আলোতে। এই সম্ভাবনাময় তরুণের দেখা পেয়ে খুব ভালো লাগলো। সকলের সাথে পরিচিত হতে পেরে নিজেকে বেশ গর্বিতই মনে হচ্ছিল।

আনুষ্ঠানিক পরিচয় পর্ব ও মোকারম হোসেনের সংক্ষিপ্ত সূচনা বক্তব্য এবং শ্রদ্ধেয় দ্বিজেন শর্মা ও বিপ্রদাশ বড়ুয়ার এই কার্যক্রমের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে দু’চার কথার পরেই গাছেদের সাথে পরিচিতি শুরু হলো। সেদিন পঁচিশটা গাছের সাথে সকলের পরিচিত হবার কথা ছিল, সময়ের স্বল্পতার কারণে সবগুলো না দেখেই আমাকে ফিরে আসতে হয়েছিল। অল্প সময়ে যেগুলো চিনবার সৌভাগ্য হয়েছিল, তার কয়েকটার সাথে আপনাদের পরিচয় করিয়ে দেবার লোভ সামলাতে পারছি না।

এই যে ছবিতে যে গাছের গোঁড়া/কাণ্ড দেখা যাচ্ছে, এটা হচ্ছে বাওবাব। এর আদি নিবাস ক্রান্তীয় আফ্রিকা, বৈজ্ঞানিক নাম Adansonia digitata (Family: Bombacaeae)। বোতল আকৃতির এই কাণ্ড বোতলের মতই পানি ভরে রাখতে পারে শুষ্ক মৌসুমে ব্যবহার করার জন্য। টিয়া এই গাছের সাথে উটের সাদৃশ্য খুঁজে পেলো সঙ্গে সঙ্গেই। যদিও প্রকৃতপক্ষে উট তার কুজে কোন পানি জমিয়ে রাখে না।

বেশ শক্ত কাঠামোর লতানো একটা গাছ, অপূর্ব সুন্দর ফুল ফুটেছে থরে থরে, পাতায় তার রসুনের ঘ্রাণ! বাংলা নাম তাই রসুন্দী! অন্য নামও আছে, চমৎকার নাম: লতা পারুল বা নীল পারুল। পারুল নাকি বাংলাদেশে পাওয়াই যায় না এখন! পারুল না থাক, নীল পারুল তো আছে!

তমাল! আহ, তমাল!! কতবার শুনেছি, পড়েছি গল্প-উপন্যাসে, দেখা হয় নি কখনোই। হালকা সবুজ রঙের ঘন সরু পাতার সুশীতল ছায়ায় দু’দণ্ড দাঁড়ালেই প্রাণ জুড়িয়ে যায়! তমাল দেখে অনেকদিনের একটা সাধ পূরণ হলো। পিয়ালের জন্য রয়ে গেলো হা-পিত্যেশ! এই তমাল চিনবার সময় আর এক ঘটনা ঘটলো, বহুদিন পরে আমার এক পুরাতন সহকর্মীর সাথে মুলাকাত হয়ে গেল। আমার মতই অবসর জীবনে প্রকৃতির মাঝে আনন্দ খুঁজতে আসা তারও। কুশল বিনিময় হলো, বিনিময় হলো ফোন নম্বর। আবার কোনদিন দেখা হবে কিনা বা আদৌ ফোনালাপ হবে কিনা তা যদিও জানা নেই কারোরই।

অনেক বছর আগে একবার রাজশাহী ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাসে হাঁটছিলাম। অনেকগুলো গাছের ছাল/বাকল নেই দেখেই মনে হলো সেগুলো অর্জুন গাছ। পরে জেনেছিলাম যে সত্যিই সেগুলো অর্জুন গাছ। অর্জুন দেখবার আগেই তার বাকলের গুণাবলী এত বেশি শুনেছিলাম যে নির্দয় ভাবে বাকল তুলে নেওয়া গাছগুলোকে অর্জুন ছাড়া আর কিছুই ভাবতে পারি নি।

রমনা পার্কের এই অর্জুনটিকে দেখুন, নিজেকে রক্ষা করবার জন্য নিজ কাণ্ডকে কী অপরূপ ভাবে সাজিয়েছে বর্ম দিয়ে! Terminalia arjuna নামের এই গাছটির পেয়ারা গাছের সাথে সাদৃশ্য আছে কিছুটা, যদিও অর্জুনের ফল মোটেই পেয়ারার মত নয়!

দুলি চাঁপা নাম শুনে ভেবেছিলাম যে দোলনচাঁপাকেই বুঝি ভুল করে দুলিচাঁপা বলা হয়! বাস্তবে দুলিচাঁপা দেখে আমিই যে ভুল ভেবে বসেছিলাম তা বুঝলাম। এই গাছ বাংলাদেশ ছাড়া ভারতেও পাওয়া যায়। Magnoliaceae গোত্রের এই গাছটির বৈজ্ঞানিক নাম Magnolia pterocarpa

এ ছাড়া আরও কয়েকটি গাছের সাথে পরিচয় হয়েছিল সেদিন। সেগুলোর মধ্যে ছিল আগর/জগরু (Aquilaria malaccensis), পুত্রঞ্জীব (Drypetes roxburghii), আর জ্যাকারান্ডা (Jacaranda mimosifolia)। রমনা উদ্যানে পূর্ব পরিচিত সফেদা (Manilkara zapota), পলাশ (Butea monosperma), সোনালু/বানর লাঠি (Cassia fistula), বকুল (Mimusops elengi), মহুয়া (Modhuka indica), নাগলিঙ্গম (Couroupita guianensis), ছাতিম (Alstonia scholaris) ও দেশী বাদাম/কাঠ বাদাম (Terminalia catappa) ইত্যাদির উপস্থিতি দেখেও প্রচুর আনন্দ পেয়েছি।

বাওবাব ছাড়া আর কোন গাছের নাম কেউ বলে না দিলে জানার কোন উপায় আছে বলে মনে হলো না। প্রতিটা গাছের নাম জানাবার জন্য কোন ব্যবস্থা করা গেলে ভারী মজা হতো! পরিচিত অনেক গাছের নাম আমরা জানি না, আবার এমন অনেক নাম জানা আছে যে সব গাছ জীবনেও দেখার সুযোগ হয় নি। অথবা নামটা জানা আছে, গাছটার সাথে দেখা হয় অহরহ, কিন্তু সেটাই যে সেই গাছ তা আর জানা হয় না কস্মিনকালেও।

গাছেরা প্রতিদানের অপেক্ষা না করেই আমাদের অনেক কিছু দেয়। গাছকে ভালোবেসে, তাবত জীবজগতের প্রতি নির্দয়তা পরিহার করে প্রকৃতিকে তার মত থাকতে দেওয়া মঙ্গলজনক। মানুষ প্রকৃতি থেকে বিচ্ছিন্ন কোন প্রাণী নয়। প্রকৃতির যে কোন ধরণের ভারসাম্যহীনতার জন্য মানুষের ভূমিকা সব চেয়ে বেশী, আর এ কারণে সৃষ্ট জটিলতার খেসারত মানুষকেই দিতে হয়! প্রকৃতিকে ধ্বংস করে নিজেদের বিপদ ডেকে আনা খাল কেটে কুমির আনার চেয়ে অনেক বেশি ভয়ঙ্কর ।

7
আপনার মূল্যায়ন: আপনি মূল্যায়ন করেন নি। গড় রেটিং: 7 (২ জন মূল্যায়ন করেছেন)
শেয়ার করুন » Facebook Twitter Delicious Digg MySpace Google Orkut Blogger Google Buzz Technorati
অথবা এই সংক্ষিপ্ত লিংক শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৯২১৬৯(১)    

আপনার এই পোস্টটা দেয়াতে ভালই হলো।
আমিও অনেক গাছ চিনিনা, জানাশোনা নেই।
ধন্যবাদ এই প্রয়াসের জন্যে!

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৯২৩৯০(২)    
লেখকের মন্তব্য

আম জাম কাঁঠাল ছাড়া আমিই বা এমন কী গাছ চিনি? তাই তো কয়েকটা গাছের সাথে পরিচয় হতেই চতুরের বন্ধুদের সাথে শেয়ার না করে পারলাম না!
শুভাশীষ।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৯২১৭৬(৩)    

গাছ পরিচয় করিয়ে দেয়ার জন্য একটা সিরিজ চালাতে পারেন। নুতন প্রজন্ম খুশি হতে পারে। আমিও অনেক গাছ চিনি না। অসাধারন পোষ্ট। দুনিয়াতে এখনো ভাল মানুষ আছে।

শুভেচ্ছা।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৯২৩৯২(৪)    
লেখকের মন্তব্য

দুনিয়াতে এখনো ভাল মানুষ আছে।

কোন ভালো মানুষের কথা বললেন? আমার সেই পোস্টের ভালো মানুষ নাকি?

ভাই সাহাদাত উদরাজী, আমি ক'টা গাছই বা চিনি? এত স্বল্প জ্ঞান নিয়ে সিরিজ চালানো যায় না। তবু মাঝে মাঝে হয়তো সকলকে বিরক্ত করার জন্য আরো প্রয়াস নিতেও পারি।
ভালো থাকবেন।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৯২৮০৭(৫)    

যতদুর পারেন চালান। মাঝে মাঝে।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৯২১৮২(৬)    

চমত্কার পোস্ট।
প্রকৃতির চেয়ে বড় প্রেমিকা দ্বিতীয়টি নেই আর। আপন করে নেয় মুহূর্তেই, তন্ময়তায়; সন্তানকে তার। মুছে দেয় পুঞ্জিভুত জমানো ক্ষতকে।
মানুষ প্রকৃতি থেকে বিচ্ছিন্ন কোন প্রাণী নয়। প্রকৃতির যে কোন ধরণের ভারসাম্যহীনতার জন্য মানুষের ভূমিকা সব চেয়ে বেশী, আর এ কারণে সৃষ্ট খেসারত মানুষকেই দিতে হয়! প্রকৃতিকে ধ্বংস করে নিজেদের বিপদ ডেকে আনা খাল কেটে কুমির আনার চেয়ে অনেক বেশি ভয়ঙ্কর।
সত্য চিরন্তন।

রমনা পার্ককে ঘিরে কী অজস্র স্মৃতি জমে আছে, জাতি জানবার চায়! (মাথা চুলকানোর ইমো)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৯২৩৯৪(৭)    
লেখকের মন্তব্য

প্রকৃতির চেয়ে বড় প্রেমিকা দ্বিতীয়টি নেই আর। আপন করে নেয় মুহূর্তেই, তন্ময়তায়; সন্তানকে তার। মুছে দেয় পুঞ্জিভুত জমানো ক্ষতকে।

চমৎকার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ মানিক।
সব সময় কী আর জাতির দাবী মেটানো যায় রে ভাই!

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৯২১৮৯(৮)    

গোপালগঞ্জ শহরটার একটু পাশে গেলেই গ্রাম্। সেই সুবাদে বেশ কিছু গাছপালা চিনি। এই সিরিজ চললে আরো চেনা হবে। চলুক্!

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৯২৩৯৯(৯)    
লেখকের মন্তব্য

আপনার চেনা সেই কিছু গাছ আমাদের সাথে পরিচয় করিয়ে দিলে খুশি হতাম খুব।
সিরিজ? আমার অত জ্ঞান-গম্যি নেইরে ভাই।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৯২২০৯(১০)    

খুব ভালো পোস্ট। ধারাবাহিকভাবে চললে আরো ভালো হয়।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৯২৪০০(১১)    
লেখকের মন্তব্য

না ভাই, ধারাবাহিকভাবে চালাবার মত মাল-মসলা আমার ঝুলিতে নেই।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৯২২১৮(১২)    

গাছ আর প্রকৃতি আমার খুব প্রিয়। কুস্টিয়ায় প্রচুর গাছ দেখেছি। বিশেষ করে আমঝুঁপিতে বিশাল বিশাল গাছ, আজও মনে পড়ে। সেগুলো আছে কি না জানি না। এত সুন্দর গাছ অথচ তার বুকে বিজ্ঞাপনদাতারা যেন তেন টিন কাঠ পেরেক দিয়ে গেঁথে দিচ্ছে। প্রশাসন কিছু বলে না। আপনার লেখায় যে প্রয়াস তা ভালো লাগল।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৯২৪০৭(১৩)    
লেখকের মন্তব্য

গাছের গায়ে পেরেক মেরে গাছের যে ক্ষতি করা হয় তা বুঝবার বা বুঝাবার মত মানুষ কয়জনই বা আছে। এযে নিজে বুকে পেরেক ঠোকা তা যদি আমরা বুঝতাম!
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ ভাই মাহবুব আলী।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৯২৪০৮(১৪)    
লেখকের মন্তব্য

ধন্যবাদ স্রোত।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৯২২৫৬(১৫)    

অদ্ভুত সুন্দর !!!!!!!

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৯২৩৭১(১৬)    

গাছ পরিচয় করিয়ে দেয়ার জন্য একটা সিরিজ চালাতে পারেন।

-সাহাদত ভাইয়ের এই কথার সাথে আমি একমত।
নাজমুল ভাই, আমার চেয়ে লিসার এই পোস্ট ভালো লেগেছে। সে মেডিকেলে ভর্তি হবার আগে ঢাকা ভার্সিটিতে তিন মাস বোটানিতে ক্লাস করেছিলো।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৯২৪১০(১৭)    
লেখকের মন্তব্য

চলবে না, চলবে না সিরিজ। সিরিজের মসলা নেই!
তোমাদের ভালো লাগাতে আমারও ভালো লাগলো। শুভেচ্ছা দু'জনকেই।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৯২৫২৩(১৮)    

মসলা বের করে ফেলুন। খুব ভালো একটা িরিজ হতো কিন্তু।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৯২৭৮৫(১৯)    
লেখকের মন্তব্য

মনের মাঝে রাখলাম ধরে
দেখবো পরে চেষ্টা করে!

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৯২৪০৩(২০)    

(সাতে সাত)
অনেকগুলো গাছ চিনলাম। শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
ভাল থাকবেন হুদা ভাই, শুভকামনা সতত।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৯২৪৯৮(২১)    
লেখকের মন্তব্য

আন্তরিক ধন্যবাদ ভাই ডাক্তার রুমী।
শুভ কামনা।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৯২৫৭৩(২২)    

অনেক সুন্দর এই পোস্টটা কীভাবে আমার নজর এড়িয়ে গেল কে জানে? যাক, দেরীতে হলেও, ভাল কিছু পড়তে পারার আনন্দই আলাদা। আমার মত গাছ-অক্ষর-গোমাংসের জন্য খুবই উপকারী পোস্ট। অনেকদিন আগে ফেসবুকে দেয়া একটা স্ট্যাটাসের কথা মনে পড়ে গেল কমেন্টগুলো পড়ার সময়ঃ

প্রকৃতির আদিতম বন্ধু এবং বৈরীতম শত্রু হল মানুষ!

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৯২৭৮৭(২৩)    
লেখকের মন্তব্য


ভাল কিছু পড়তে পারার আনন্দই আলাদা।


আমিও তো তাই
ভালো কিছু পড়তে চাই
বারে বারে ফিরে আসি
এই দরজায়!
ভালো বলাতে আনন্দিত হলাম।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৯২৮০৪(২৪)    

প্রকৃতির সাথে সখ্যতা জন্ম থেকেই। সে বন্ধন মুক্তির কোন চেষ্টা কখনই করিনি। বরঞ্চ বয়স বাড়ার সাথে প্রকৃতি-প্রেমে আরো ডুবেছি। গাছ-গাছালিকে প্রাণের সখা করে দেখেছি ওখানে কোন ভণ্ডামি নেই। ওরা দু'হাত ভরে দিতেই জানে, কোন প্রত্যাশা না রেখেই!

পোস্টটি আগেই পড়েছি হুদা ভাই। কমেন্ট করার জন্য আবার পড়লাম। ভাললাগা জানিয়ে বলছিঃ চলতে থাকুক বৃক্ষ-কথন!

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৯২৮৭৩(২৫)    
লেখকের মন্তব্য

মন্তব্য পড়ে পরাণ জুড়িয়ে গেলো ভাই। অপাংক্তেয়র প্রকৃতি জেনে খুশি হলাম।

ওরা দু'হাত ভরে দিতেই জানে, কোন প্রত্যাশা না রেখেই!

কী সুন্দর কথা!
ভালো লেগেছে জেনে আনন্দিত হলাম।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৯২৮১২(২৬)    

চমৎকার! প্রকৃতিপ্রেমীর ভালোলাগা জানালাম। পোস্টে *****

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৯২৮৭৪(২৭)    
লেখকের মন্তব্য

ধন্যবাদ শুভ্র।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৯৩০৫২(২৮)    

দারুণ লেখা, হুদা ভাই! খুব ভালো লাগলো!
- গাছপালা নিয়া আমরা যা করতেসি! কপাল ভালো যে বৃক্ষের গলায় আওয়াজ নাই, চলৎশক্তি নাই! নাইলে মানব সমাজ অনেক আগেই কালা হইতো (এখনকার মতন শুইনা না শোনা কালা না, সত্যিকারের কালা, ঠসা যারে কয়), আর ল্যাংড়া লুলা হইতো!
- আফ্রিকার ঐ গাছটার নাম 'বাওবাব' বইলা জানতাম! এই গাছের পাতা সবজি হিসাবে খাওয়া হয়, ফল আর বীজও খাওয়া হয়।
- খুব ভালো থাইকেন ভাই!

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৯৩০৬৮(২৯)    
লেখকের মন্তব্য

দেখার ভুলে (আসলে চোখের/চশমার ভুলে) এই কাণ্ড ঘটে গেছে রে ভাই, বাওবাব হয়ে গেছে বাওয়াব। দুঃখিত। অনেক ধন্যবাদ শুধরে দেবার জন্য।
শুভ কামনা।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৯৩২৬০(৩০)    

অনেক গাছ সম্পর্কে জানলাম

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৯৩৪৬৮(৩১)    
লেখকের মন্তব্য

অনেক ধন্যবাদ আপনাকে বৃ ভে সকাল।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৯৪০৩০(৩২)    

পোষ্ট ভালু পাইলাম। ডাবগাছতো দেখলামনা। কি চুরি করমু মুই ভাবতাছি

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৯৪৪৫৪(৩৩)    
লেখকের মন্তব্য

চোরার মন শুধু পোটলার দিকে! ডাব চুরি করতে যেয়ে ছ্যাঁচা খেয়েছিলেন সে কথা এত তাড়াতাড়ি ভুলে গেলেন? আবারও যাবেন ডাব চুরিতে??
ধন্যবাদ ভাই ঐচূড়া (ওই চোরা)।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৯৪৩০২(৩৪)    

খুব সুন্দর একটা লেখা..প্রকৃতি প্রেম আছে জেনে না জেনে ভালোবেসে যাই অসাধারণ বৈচিত্র খুঁজে পাই।
অর্জুনের চেহারাটা দারুণ লাগল বীরের মতনই।
টিয়া খুব মায়ারী। আপনার চেহারা চিনতে পারলে ভালোলাগত।
গাছ লাগানো উচিত প্রকৃতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে। ইউক্যালিপটাস খুব জনপ্রিয়তা পেয়েছিল বাংলাদেশে যা ভূগর্ভের জল শুষে নিয়েছিল।
এখন নাকি এমন আরেকটা গাছ লাগানোর উদ্যোগ চলছে,যার নাম পাউলোনিয়া।'যা আমাদের দেশের মাটির ক্ষতি করবে।

শুভকামনা

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৯৪৬৫১(৩৫)    
লেখকের মন্তব্য

সাগরের মতই উদার মন্তব্য! খুব ভালো লাগলো।
টিয়া আপনার চোখ এড়াতে পারে নি দেখছি।
চেহারা মায়াবী না হলে কেউ ছবি তোলে না তো! তাই আমার ছবি তোলে নি কেউ।
বিদেশি গাছ লাগিয়ে যারা আমাদের পরিবেশকে কলুষিত করেছে বা করছে তাদের হত্যা মামলায় অভিযুক্ত করে শাস্তি দেওয়া উচিৎ।
শুভেচ্ছা অনেক সমুদ্রজল।

 

মন্তব্য করুন

এই তথ্যটি সর্বদাই গোপন রাখা হবে এবং কোন অবস্থাতেই তা জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।
ছবি যাচাই
আপাতত: শুধু মানুষদের জন্যই আমাদের দুয়ার খোলা। পরে নাহয় রবোট, বায়োবট বা এন্ড্রয়েডদের কথা বিবেচনা করা যাবে।
14 + 4 =
এই গাণিতিক সমস্যাটি সমাধান করুন এবং সঠিক উত্তরটি উপরের ঘরে লিখুন। যেমনঃ ১+৩ এর জন্য লিখুন ৪।