নাজমুল হুদা-এর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

মাঝে মাঝে ব্লগে কিছু লিখতে ইচ্ছা হয়, কিন্তু বিষয় খুঁজে পাই না; অথবা নানান বিষয় এসে এমন জট পাকিয়ে দেয় যে সব কিছু ওলট-পালট হয়ে জগা-খিচুড়ির সৃষ্টি হয়। এমন অবস্থা থেকে বের হয়ে আসবার একটা পথ আকাশ আর মাটির কোনখানেই পাওয়া যাবে না তাই কী হয়! আকাশ নিজেই কখনও এগিয়ে আসে, কখনো তার বুকের মেঘকে পাঠিয়ে দেয়। প্রকৃতিতে বৈচিত্রের অভাব ছিল না কোনদিন, হবেও না। প্রকৃতির উদারতা আমাকে পথ দেখায়।
আমি লক্ষ্য করেছি, ব্লগের বন্ধুরা সকলেই অত্যন্ত আগ্রহ নিয়ে পড়েন বা দেখেন এমন বিষয়গুলোর মধ্যে উদ্ভিদ, ফুল, নদী, মেঘ বেশ গুরুত্ব পায়। এদের ছবি তুলতে, অবসর সময়ে সেগুলো দেখতে আমার কখনো ক্লান্তি আসে না। কোন কিছু লিখতে যেয়ে যখন আর এগুতে পারি না, তখন আমার এই সব অবসরের আনন্দগুলো বন্ধুদের সাথে শেয়ার করে আনন্দ পাই। ক’দিন আগে অচেনা ফুলের ছবি শেয়ার করে নুশেরার ঝাড়ি খেয়েছি। আচার্য চেনা ফুলের সাথে সকলকে নতুন করে পরিচয় করিয়ে বেশ আনন্দ দিয়েছেন। আজ কেন যেন সেই ফুল আবারও আমার মাথায় ঘুরঘুর করতে শুরু করেছে। এদের থেকে নিস্তার পেতে আপনাদের কিছুটা সময় নষ্ট না করে আর আমার কোন উপায় নেই।

“ফাল্গুণে বিকশিত কাঞ্চন ফুল”! এই শীতেও কিন্তু এরা মোটেই নিস্তেজ নয়!!
“ডালে ডালে পুঞ্জিত আম্র মুকুল”!
তা একটু আগে দেখলে দোষ কী!

আমার ক্যামেরার শিমুলের ছবি কেনই বা চুপটি করে থাকবে?
নিমের ফুল!
হাস্নাহেনা
আজ আর নয়। আবারও দেখা হবে অন্য কিছু নিয়ে, অন্য কোন দিনে। তবে এখানেই কিন্তু!!
মন্তব্য
আগে প্রথম হই।
প্রথম কি আগেই হতে হবে? পরে প্রথম হওয়া যায় না?

আচার্য দা আপনার সাথে আর পারা গেলোনা।
লেখকের মন্তব্য
প্রথম হবার জন্য অভিনন্দন করিম।
আমিও একদিন প্রথম হব!
লেখকের মন্তব্য
ইতিপূর্বে অনেকবার প্রথম হয়েছেন। এখন হয়ে গেছেন অলস। নড়েচড়ে বসতে চান না মোটে! আলসেমী ত্যাগ করে গা ঝাড়া দিয়ে ওঠেন। মুখে বললেই তো হবে না? প্রথম হয়ে দেখান যে, প্রথম হয়েছেন!!
ধন্যবাদ হুদা ভাই।
চেনা ফুলের সুন্দর ছবিগুলো দেখে খুব ভাল লাগছে। এখানে একটা কথা বলে নেই। আমার পোস্টে যে ফুলের ছবিগুলো দিয়েছিলাম আসলে আপনার আগের ফুলের পোস্টটা দেখে অনুপ্রানিত হয়েই দিয়েছিলাম। আমার পোস্টে কথাটা বলা হয় নি এখানে বলে গেলাম।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ আচার্য।
প্রকৃতি প্রেমী নাজমুল ভাইয়ের ক্লিক বাজির বরাবরই ভক্ত আমি।
ওয়েল ডান, নাজমুল ভাই ।
লেখকের মন্তব্য
শুভেচ্ছা ঈশান।
হাসনাহেনা- এই নামটাকেও ভালবাসি, ঘ্রাণটাকেও। এই ফুলের গন্ধে নাকি সাপ চলে আসে। মাঝে মাঝে আমি ভাবতাম যদি মনুষ্য দেহধারী নাগিন চলে আসত আর সিনেমার মত একটা নাচ-গান দেখা হয়ে যেত!
লেখকের মন্তব্য
আমার বাগানে আছে, ঘরেও আছে!!
সাপের ব্যাপারটা বিজ্ঞানভিত্তিক নয়।
ধন্যবাদ ভাই সজল।
বিজ্ঞান ভিত্তিক নয় বলেই তো কল্পিত জগতের বাসিন্দা করে মনানন্দ মেলে। সিনেমার মত ভাবা যায়।
একটা লেখার কথা মনে হল এই থীম নিয়ে। শেয়ার করছি-
http://www.prothom-alo.com/detail/date/2011-02-18/news/132016
হাসনা-হেনার ঘ্রাণ খুব পছন্দ করি।
লেখকের মন্তব্য
পছন্দের তারিফ করছি ভাই প্রতীপ।
হাসনাহেনার সুবাস যেন নাকে এসে লাগছে।
লেখকের মন্তব্য
তাইতো জামি! আমিও যেন পাচ্ছি এখন!!
আমিও পাচ্ছিইইইইইইইই

সুন্দর ছবি
লেখকের মন্তব্য
পাবেই তো!! তুমি যেন কার ভাবী?
ধন্যবাদ।
নয়ন ভাইয়ার

কেন ভাইয়া?
লেখকের মন্তব্য
তা ভাই, তোমার দেবর তো চাঁদপুরে যেয়ে অমাবস্যার চাঁদ হয়ে গেছে। সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ চতুর তালিকার শীর্ষস্থান যে বেহাত হয়ে গেলো! তাড়াতাড়ি ফিরে এসে আড্ডায় বসার আদেশ দিচ্ছো না কেন??
আমি নিজেই তো ২য় স্থান হারিয়ে উধাও হয়েছিলাম।উনি যে নাই এটা আজই দেখলাম।আর বেহাত কোথায়!আপনার হাতে থাকা মানে তো সেফ থাকা
লেখকের মন্তব্য
আর বলো না! চতুরে যখন মন্দা চলে, তখন এই জিনিষ আমার হাতে আসে। এই মন্দা কাটাতে তোমরা এগিয়ে না এলে চলবে কেন ভাই? বেশি পোস্ট, বেশি কমেন্ট, চতুরের জমজমাট দেখতেই পছন্দ করি বেশি। সবাই মিলে জমাও তো আসর, এই শীত কেটে যাক, মুছে যাক কুয়াশা, রৌদ্রোজ্জ্বল হয়ে উঠুক চতুরের চত্বর!
ভোট আপ।ফিরে আসবে নয়ন ভাইয়া এই আশায় আছি।
লেখকের মন্তব্য
শুভ কামনা।
ফুল যে ভালবাসে না যে নাকি মানুষ খুন করতে পারে। কথা কি ঠিক বড় ভাই?
লেখকের মন্তব্য
যার অন্তরে ভালোবাসা আছে সে কখনও খুনি হতে পারে না, সে ভালোবাসা ফুলের প্রতিই হোক আর মানুষের প্রতি হোক।
আর ভালোবাসা যদি হয় মুখোশ??
অনেক পুষ্পপ্রেমিক আছে যারা বহু মানুষের রক্তে স্নান করেছে। হোমোএরশাদ ফুলের প্রেমে গদ্গদ, তার আমলেই ঢাকায় পুষ্প ক্রয়-বিক্রয়ের সূত্রপাত হয়। কিন্তু তারপর????
হাসনাহেনা আমার অনেক প্রিয় ফুল। রাতে যখন ফোটে কেমন মাতাল করা সুবাসে ভরিয়ে দেয় চারিদিক!

লেখকের মন্তব্য
পাশের বাসার বারান্দায় আজ ফুটেছে হাস্নাহেনা। আমার ঘরের বাইরে বারান্দায় যেয়ে দাঁড়ালে তার মাতাল করা সুবাসে আসলেই কিন্তু কেমন যেন উদাস হয়ে যাচ্ছে মনটা।
কেমন আছেন?
হাস্নাহেনা আমার প্রিয় ফুল। বিশেষ করে জোছনারাতের বাতাসে ভেসে আসা হাস্নাহেনার সৌরভে কেমন নেশা ধরে যায়।
লেখকের মন্তব্য
একেবারে ঠিক কথা! এই নেশা ধরানো অনুভুতিটা আমারও হয়, সুমন!
খুব সুন্দর পোস্ট হুদা ভাই। মন ভরে গেল। সবগুলো ছবিই নয়নকাড়া, তবে শিমুল ফুলের ছবিটা বেশি ভাল লেগেছে।
কাঞ্চন সাদাও হয়, তাই না হুদা ভাই? আমার বাসার সামনের আম গাছটিতেও দেখি মুকুল এসেছে!
লেখকের মন্তব্য
অপাংক্তে্য়, তুমি? তোমাকে তো দেখাই যায় না আজকাল!! ভালো আছো তো??
সাদা কাঞ্চনই আমার বেশি পরিচিত। রক্ত কাঞ্চনও নাকি আছে একটা! দেখি নি, শুনেছি শুধু।
নতুন পোস্ট কবে দিচ্ছ?
হ্যাঁ, রক্ত কাঞ্চনও আছে হুদা ভাই।
-ভয়াবহ ঝামেলার মধ্যে আছি হুদা ভাই! একটা জট ছোটে তো আরেকটাতে আটকে যাই। সব ছেড়ে ছুঁড়ে এখন সন্ন্যাস নেব কিনা ভাবছি!
সন্ন্যাস নেয়ার আগে আমাকে একটু জানিও গো নীলফুল!!!!!
লেখকের মন্তব্য
হিমালয় পর্বতের গুহা সাধু-সন্যাসীদের জন্য উপযুক্ত স্থান। শোনা কথা, সত্যতা যাঁচাই করতে আপনাদের পিছু নিতে পারি।
মন ফুরফুরে করে দেয়া পোস্ট।
মনে হয় টাইপো:

কিন্তু বিষয় খুঁজে পাই নাক> নাকো অথবা না তো।
লেখকের মন্তব্য
আরে ক এলো কোত্থেকে?? তাজ্জব!!! না হয়ে গেছে নাক? না কোও না, না তোও না, শুধুই না হবে এটা।
মানিকের চোখ!! হু হু, স্বর্ণ দিয়া বান্দাইয়া দেওনের কাম! [ভাইয়ের কাজ করেছো, ভাই।]
ধন্যবাদ, মানিক।
পোস্ট টা আগেই পড়েছিলাম। কমেন্ট করবার আগেই ঘুমিয়ে পড়েছিলাম।
ছোটবেলায় যখন গ্রামে যাই নদীর পাশে শিমুল ফুল ফুটে থাকতে দএখে তার নাম জিজ্ঞেস করে অভিভাবক মহল থেকে বেশ কৌতুকের শিকার হয়েছিলাম আমি শিমুল ফুল চিনি না বলে।
সবগুলো ফুলই দারুণ লাগলো। আমের মুকুলের এক ধরণের আলাদা ঘ্রাণ আছে। পোস্ট পড়বার সময় সেটা অনুভব করলাম।
ভালো থাকবেন হুদা ভাই।
লেখকের মন্তব্য
এতক্ষণে শিমুলের মিলিলো দেখা!
বিলম্বে যদিও, তবুও তো পেলাম শিমুলকে!
আমের ফুল বললে আসলে ঠিক মানায় না, আমের মুকুল, আরো আপন লাগে যদি বলি আমার বোল!!
হ্যা, আমের বোলের ঘ্রাণে এক ধরণের আকুলতা আছে।
শুভেচ্ছা।
তাই তো কবি বলেছেন, " ওমা ফাগুনে তোর আমের বোলের ঘ্রানে পাগল করে", , ,
এই ফুলের নাম যে কাঞ্চন আগে জানতাম না ভাইয়া।
আর হাস্নাহেনা, শিমুল আমার খুব প্রিয় ফুল।
লেখকের মন্তব্য
ফুলমাত্রই প্রিয়, এমন কি ফুলকপিও।
শুভেচ্ছা একুয়া।
নিম ফুল তো বেশ সুন্দর
আমের মুকুল দেখে দেশের কথা মনে পড়ে গেলো
আর পলাশ আর শিমুল দেখে ব্লগার পলাশ শিমুলকে
হা হা হা
ভালো থাকবেন হুদা ভাই
আবারও দেখা হবে অন্য কিছু নিয়ে, অন্য কোন দিনে। তবে এখানেই কিন্তু!
লেখকের মন্তব্য
স্মৃতিকাতরতা! নাকি স্মৃতিমুগ্ধতা??
শুভ কামনা জলরঙ।
অনেক ফুল ।।। মন ভাল করে দিল।
লেখকের মন্তব্য
মন ভালো হয়েছে। শরীরের অবস্থা কি? এবারে পড়তে বসে যাও।
একদম আসল বড় ভাইয়া, শুধু পড় আর পড় ।

লেখকের মন্তব্য
এই তো আর মাত্র তিনটি মাস। তারপরে আর বলবো না। তোমার ওখানে তো রাত একটা, এখন ঘুমাও।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ ভাই মরুভূমির জলদস্যু।
আপনাকে শত সহস্র ফুলের শুভেচ্ছা এই পোস্টের জন্য।
ভালো লাগলো।
মনে পড়ে গেল, রবই ঠাকুরের গান, মঞ্জরী ও মঞ্জরী, আমের মঞ্জরী----
লেখকের মন্তব্য
তবু ভালো! গান মনে পড়া ভালো।
কেমন আছো শাপলা।
ফুল! সুন্দর।
লেখকের মন্তব্য
শুভ কামনা, হালিম।
এসব ফুলই আমার বেশি ভালো লাগে। বনে-বাদাড়ে হয়, ঘরের বা খোঁপার শোভা বর্ধন করে না ঠিকই কিন্তু নিজ মহিমায় ভাস্বর হয়ে থাকে!
লেখকের মন্তব্য
আমার মত পাগল দেখি আরও আছে।
শুভেচ্ছা, অনেক শুভ কামনা ভেবে ভেবে বলি।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ, ভাই মনির।
হে হে, আম্গো শিমুল কুন ডরে গাছের আগায়?
লেখকের মন্তব্য
শিমুল মনে হয় বিলাইরে ডরায়!! হে হে!!!
শিমুল-হাসনাহেনা---দুটোই আমার প্রিয়।

ছবি এবং বর্ণনা
শিমুলের ছবিটাতে সাত দিতে চাই।
লেখকের মন্তব্য
লাবনী, অনেক ধন্যবাদ।
শুভ কামনা।
খুব সুন্দর ফুল। ঘর সাজাবার ফুল নয় এইরকম ফুলের মধ্যে জারুল আর সোনালুও দারুণ।
লেখকের মন্তব্য
জারুল আর সোনালুর ছবি নেই আমার কাছে, থাকলে অবশ্যই দিতাম।
ছবি তুলে আর একটা পোস্ট দেবার জন্য উসকে দিলেন তো!!
হাসনাহেনা, হাসনাহেনা! আহ হাসনাহেনা!
ঘ্রান পাচ্ছি যেন!!!
লেখকের মন্তব্য
ঘুরাঘুরি শেষ করে নয়ন এসেছে ফিরে
পুষ্প সুরভি তাই চারিদিকে পাই।
হাহাহা
এখনো বেড়াচ্ছি!!
---
কাল ঢাকা ফিরবো।
লেখকের মন্তব্য
মাঘের না-বেশি শীতে ঘুরাঘুরি করা
কত যে আরামদায়ক কত মনোহরা।
ফিরে এসে আমাদের দেবে উপহার
কৌতুক গল্প আমোদ আহার বিহার।
মন্তব্য করুন