নাজমুল হুদা-এর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

আজ জানুয়ারির ২০ তারিখ। আসাদ দিবস। দিনটি জাতীয় পর্যায়ে উদযাপিত হয় না। পারিবারিক শোক দিবস হিসেবে পরিগণিত হয়েছে কালের করালগ্রাসে! তবু মনে পড়ে বারবার আসাদ ভাইকে, বারবার মনে পড়ে আনোয়ারা ফেরদৌসির কথা। আমাদের সহপাঠী ছিল আনোয়ারা ফেরদৌসি। দশজন মেয়ের মধ্যে সে ছিল ব্যতিক্রম। আমাদের ক্লাসের একমাত্র এই একটি মেয়েই বোরকা পরে আসতো। তখন তো ইউনিভার্সিটিতে বোরকার প্রচলন তেমন ছিল না। আমরা তাই ঠাট্টাচ্ছলে বলাবলি করতাম, আনোয়ারা ফেরদৌসি অন্যদের দৃষ্টি আকর্ষণ করবার জন্য বোরকা পরে ক্লাসে আসে, অবশ্যই আড়ালে-আবডালে। মেয়েদের সাথে সে সময় আমরা বেশ খানিকটা দূরত্ব বজায় রেখেই চলতাম। ‘তুই-তুমি’ বলার মত ঘনিষ্ঠতা হতোই না প্রায়ই। আমরা একে অপরকে প্রয়োজনে নাম ধরেই ডাকতাম, কিন্তু কথা চলতো ‘আপনি’ বলে।
সেই বোরকাওয়ালী আনোয়ারা ফেরদৌসিকে একদিন বোরকাবিহীন দেখেছিলাম। ক্লাসের সবাই গিয়েছিলাম পিকনিকে মধুপুর। তখন পিকনিক বলতাম না আমরা, বলতাম ‘স্টাডি-ট্যুর’। তো,সেই স্টাডি-ট্যুরে যেয়ে বোরকা পরিহিতা কাউকে না দেখে এক সহপাঠিনীর কাছে জানতে চেয়েছিলাম আনোয়ারা ফেরদৌসির কথা! পাশেই দাঁড়ানো একজনকে দেখিয়ে সে বললো, “আপনার কপালের নীচে চোখ নেই নাকি, এই তো আনু”! বোরকা-বিহীন আনুকে দেখে এবং সহপাঠিনীর ভর্ৎসনায় আমি একই সাথে বাকহীন ও অবাক!
সেই আনোয়ারা ফেরদৌসির কথা মনে পড়ে জানুয়ারির ২০ তারিখ এলেই, আজও মনে পড়লো। আইয়ুবের স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন দানা বেঁধে উঠতে শুরু করেছে। ক্রমেই উত্তাল হয়ে উঠছে পাকিস্তানের পূর্ব অংশ। মিছিল, মিটিং, হরতাল! সারা দেশ অবাক বিস্ময়ে অপেক্ষা করছে স্বাধীনতার জন্য। দেশের মানুষ তখন একান্ত গোপনে অন্তরে ধারণ করে চলেছে স্বাধীন পূর্ব পাকিস্তানের স্বপ্ন। এমন একটা সময়ে ১৯৬৯ সালের ২০শে জানুয়ারি মিছিলে গুলি চলল। গুলিতে শহীদ হলেন একজন ছাত্র। নাম তার ‘আসাদ। গর্জে উঠলো ছাত্র-জনতা। শুরু হয়ে গেল স্বাধীনতার, স্বাধিকারের লড়াই। স্বতঃস্ফূর্ত মিছিল, মশাল মিছিলে কেঁপে উঠলো শাসকদের অন্তর, তারা মরিয়া হয়ে উঠলো। আসাদ ভাই চলে গেলেন জীবন থেকে অন্য জীবনে, কিন্তু জীবন দান করে গেলেন এক আন্দোলনে, যে আন্দোলনের ফসল বাংলাদেশ, বাংলাদেশের স্বাধীনতা।
পরের দিন জানা গেলো, শহীদ আসাদ আমাদের আনোয়ারা ফেরদৌসির ভাই।
যে কোন পরিস্থিতিতে সহপাঠিনীদের কারো বাসায় যাওয়া বোধহয় সে সময়ে সহপাঠীদের জন্য শোভন ছিল না। তাই আমরা ক্লাসের কোন ছেলেই সেদিন আনোয়ারা ফেরদৌসিকে সান্ত্বনা দিতে তাদের বাসায় যাইনি। মেয়েরা বোধহয় সকলেই গিয়েছিল। পরদিন ডিপার্টমেন্টে দেখা হলে আনুর কথা বলতে যেয়ে তারা জানালো যে, আনু বোধহয় পাগলই হয়ে গেছে। সে কোন কান্নাকাটি করছে না, গতকাল থেকেই সে কিছু খায়ও নি। খাওয়ার কথা বললে সে আস্তে আস্তে বলে,“ভাইয়া মিছিলে গেল। খেয়ে যেতে বললাম। সে তো খেয়ে গেল না। যাওয়ার সময় শুধু বলে গেল ‘ফিরে এসে খাব’। ভাইয়া আসুক, এক সাথে খাবো ।”
এ সকল ত্যাগ জাতি কখনও ভুলতে পারবে না। মোহাম্মদপুরের ‘আইয়ুব গেইট’কে সে সময়ের ছাত্ররা নিমেষে বানিয়ে ফেলল ‘আসাদ গেট’, আইয়ুব এভিন্যু হয়ে গেল আসাদ এভিন্যু। কেউ সাহস করে বাধা দিতে আসতে পারেনি। অবাঙালি অধ্যুষিত মোহাম্মদপুরও সে সময়ে ছাত্রদের বিপুল বিক্রমকে শ্রদ্ধা না করে পারে নি।
আসাদ ভাইয়ের কথা যেমন মন থেকে সরানো যায় না, তেমনই আর একজন হচ্ছে মতিউর। ছোট্ট একটা ছেলে। সবে মাত্র স্কুলের ছাত্র। সেও রক্ষা পায়নি হায়েনাদের ছোবল থেকে।
আসাদ হত্যার প্রতিবাদেই সম্ভবত: ২৪ জানুয়ারি ১৯৬৯ হরতাল আহ্বান করা হয়েছিল। এখনকার মত হরতাল নয়। রাস্তায় রিক্সা তো দূরের কথা, একটা সাইকেলও চলেনি সেদিন। বিকেলে পল্টন ময়দানে মাওলানা ভাসানীর জনসভা। জনসভায় যাওয়ার লক্ষ্যে জনতার ঢল নেমেছে রাস্তায়। জনতার মিছিলের একটার সাথে সায়েন্স ল্যাবরেটরির কাছে পৌঁছাতেই জানা গেল মতিউর নামের একটা ছেলের পুলিশের গুলিতে শহীদ হবার সংবাদ। ইকবাল হল থেকে মতিউরকে পল্টন ময়দানে নেওয়া হলো। রাস্তায় উদ্বেগাকুল জনতার আহাজারি। মিছিলে মিছিলে, শ্লোগানে শ্লোগানে সয়লাব ঢাকা শহর। সব মিছিলই সেদিন জঙ্গি মিছিল। সবার হাতে লাঠি, লাঠির অভাবে চেলাকাঠ। বিশাল স্বতঃস্ফূর্ত সে সব মিছিলের গন্তব্য মাওলানা ভাসানীর পল্টনের জনসভা। কিন্তু জনসভা হলো না। মাওলানা ভাসানীর ইমামতিতে হলো শহীদ মতিউরের জানাজা। একটা বিশাল জনসভা শোকাভিভূত জানাজায় রূপান্তরিত হবার মত ঐতিহাসিক ঘটনা বিংশ শতাব্দীতে আর কখনও ঘটেছে বলে আমার জানা নেই।
আসাদ-মতিউরের রক্তে পিচ্ছিল সেই পথে বাঙালীদের আরও রক্ত ঢালতে হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধা, বুদ্ধিজীবীসহ কত নাম না-জানা নিরীহ কৃষক, শ্রমিক, জনতার রক্ত সে পথকে করেছে পিচ্ছিল থেকে পিচ্ছিলতর। সেই রক্ত-রঞ্জিত পিচ্ছিল পথে পিছলে পড়েছে অত্যাচারী শাসকগোষ্ঠী, নিক্ষিপ্ত হয়েছে ইতিহাসের আস্তাকুড়ে। অত্যাচারীর বিনাশ অবশ্যম্ভাবী ও অবধারিত এ কথা প্রমাণিত হয়েছে। তবুও অত্যাচারীগণ ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেয় না।
[পৃথক ভাবে এসব হত্যাকাণ্ডের কোন বিচার হয়নি। সময় যে বিচার করেছে তার সাথে সবাই বোধহয় একাত্ম হয়েই তা মেনে নিয়েছে।]
[দ্রষ্টব্য: মুক্তিযুদ্ধের আগে শিরোনামে আমরা বন্ধু ব্লগে পূর্বে প্রকাশিত। সামান্য কিছু সম্পাদনা করে আসাদ ভাইকে স্মরণ করে চতুর্মাত্রিকের বন্ধুদের উদ্দেশে নিবেদিত।]
মন্তব্য
(১মহয়েছি?)
--------
'আসাদ গেট' নামকরণের ব্যাপারটা জানা হলো। তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি।
======================================================
আচ্ছা নাজমুল ভাই, মওলানা ভাসানী নাকি মাওলানা ভাসানী? আমি নিশ্চিত নই ব্যাপারটা।
===============================================================
লেখকের মন্তব্য
ঐতিহাসিক নয়নকে অভিনন্দন প্রথম হওয়ার জন্য।
মওলানা, নাকি মাওলানা ভাসানী তা আমিও নিশ্চিত নই ভাই।
ওকে! আমি দেখে নেবো।
স্বদেশের জন্য আত্মদানকারীদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ আচার্য।
হৃদয় নিংড়ানো বিনম্র শ্রদ্ধা, বাংলা মায়ের অকুতোভয় এ দুই সূর্যসন্তানের প্রতি।
একদলা কষ্ট বুক চেঁপে বসে বাকরুদ্ধ করে দিল প্রায়, আনোয়ারা ফৈরদৌসী ভাই হারানো শোকের ছায়ায়। শ্রদ্ধা, আনোয়ারা ফৈরদোসীর প্রতি।
আমরা তোমাদের ভুলবো না...
লেখকের মন্তব্য
অনেক শুভ কামনা, মানিক।
হৃদয়ের গভীর থেকে শ্রদ্ধা।
অনেক ইতিহাস ভুলে অকৃতজ্ঞ হয়ে যাচ্ছি আমরা।পোস্টের জন্য ধন্যবাদ ভাইয়া।
লেখকের মন্তব্য
শুভেচ্ছা নিন।
ধন্যবাদ নাজমুল ভাইকে অজানা জিনিসটা শেয়ার করার জন্য।
এজন্যইতো পতনই তাদের নিয়তি।
লেখকের মন্তব্য
শুভ কামনা ইমনিল।
লেখাটা পড়ার পর এই কবিতাটাই চোখে ভাসছে
আসাদের শার্ট
শামসুর রাহমান
গুচ্ছ গুচ্ছ রক্তকরবীর মতো কিংবা সূর্যাস্তের
জ্বলন্ত মেঘের মতো আসাদের শার্ট
উড়ছে হাওয়ায় নীলিমায় ।
বোন তার ভায়ের অম্লান শার্টে দিয়েছে লাগিয়ে
নক্ষত্রের মতো কিছু বোতাম কখনো
হৃদয়ের সোনালী তন্তুর সূক্ষতায়
বর্ষীয়সী জননী সে-শার্ট
উঠোনের রৌদ্রে দিয়েছেন মেলে কতদিন স্নেহের বিন্যাসে ।
ডালীম গাছের মৃদু ছায়া আর রোদ্দুর- শেভিত
মায়ের উঠোন ছেড়ে এখন সে-শার্ট
শহরের প্রধান সড়কে
কারখানার চিমনি-চূড়োয়
গমগমে এভেন্যুর আনাচে কানাচে
উড়ছে, উড়ছে অবিরাম
আমাদের হৃদয়ের রৌদ্র-ঝলসিত প্রতিধ্বনিময় মাঠে,
চৈতন্যের প্রতিটি মোর্চায় ।
আমাদের দুর্বলতা, ভীরুতা কলুষ আর লজ্জা
সমস্ত দিয়েছে ঢেকে একখন্ড বস্ত্র মানবিক ;
আসাদের শার্ট আজ আমাদের প্রাণের পতাকা ।
লেখকের মন্তব্য
কবিতা দিয়ে সাজিয়ে আমার পোস্টকে করে তুললে পরিপূর্ণ। ধন্যবাদ হালিম।
শ্রদ্ধা জানাই তাঁদের যাদের পবিত্র রক্ত আমাদের চোখে স্বাধীনতার স্বপ্ন এঁকে দিয়েছিলো।
এ স্বাধীনতার মান যেন আমরা রাখতে পারি।
লেখকের মন্তব্য
এই হোক আমাদের দৃঢ় প্রত্যয়।
শুভেচ্ছা সু।
শ্রদ্ধা আসাদকে, তাঁর ত্যাগের বিনিময়ে আজকের আমরা।
শ্রদ্ধা আপনাকেও, এমন সহজ ও স্বতঃস্ফূর্ত প্রকাশের জন্য।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ, ভাই পানকৌড়ি।
শহীদ আসাদের মতো অগনিত শহীদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত যে দেশ, যে স্বাধীনতা, তার সুফল ভোগ করছে মুষ্ঠিমেয় কিছু মানুষ। আফসোস স্বাধীনতার অনেক বছর পরও শোষন আর বঞ্চনার হলো না অবসান। শহীদ আসাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা, আর আপনাকে ধন্যবাদ।
লেখকের মন্তব্য
শুভ কামনা, ঈশান।
হুদা ভাই পড়তে পড়তে চোখের পানি ধরে রাখতে পারিনি।
শ্রদ্ধা তাঁদের, যাঁদের রক্তের বিনিময়ে আজ এই বাংলা মা।
লেখকের মন্তব্য
অনেক রক্ত, অনেক অশ্রু গেছে। আর নয় ভাই, এখন সেই রক্তকে বারুদ আর অশ্রুকে শক্তিতে পরিণত করে নির্ভয়ে এগুবার সময়।
চোখ ছল ছল হয়ে গেল, আর কিছুই বলতে পারছি না, তবে মনের মাঝে একটা প্রশ্ন দোলা দিয়ে যাচ্ছে!
নিজের মাঝের সস্তা আর স্বার্থান্বেষী কষ্টদের নিয়ে হিমশিম খেয়ে যাচ্ছি।
আর এই মহান আসাদ রা কত টা মহান হলে নিজের গণ্ডি পেড়িয়ে জাতির জন্য ভেবেছিলেন, প্রাণ দিয়েছিলেন।
আমি তো পারি না, নিজেকে নিয়েই অস্থির এই মনে আজ দোলা দিয়ে যাচ্ছে, "কি ভাবে চিন্তা করতে জানলে একজন আসাদ হওয়া যায়"।
আসাদের মত যুবক রা কি এখনও আছে?
থাকলে কোথায়, তাদের আবার আজ বড় বেশি প্রয়োজন।
লেখকের মন্তব্য
সময়ের প্রয়োজনে আসাদদের জন্ম হয়। সময়ই বলে দেবে কে আসাদ, আর কে নয়! বর্তমান প্রজন্ম চলেছে এক ক্রান্তিকালের গড্ডালিকা প্রবাহে মিশে। কিন্তু তা কখনোই স্থায়ী কোন কিছু নয়, পরিবর্তন আসবেই; আর পরিবর্তনের জন্য আসাদেরা প্রস্তুতি নিচ্ছে সবার অলক্ষ্যে সকলের অগোচরে। আমরা প্রতীক্ষা করে আছি সুন্দরের সেই আগমনী ক্ষণটির প্রত্যাশায়।
শুভ কামনা বারীশ।
লেখাটা আগে পড়া ছিল।
সে সময়কার কথা দিয়ে একটা সিরিজ দাঁড়া কারাতে পারেন। ভাল লাগবে এবং অনেক তথ্য জানা যাবে।
লেখকের মন্তব্য
সে সব এখন স্বপ্নের মত মনে হয়। সত্যটা মনে হয় মিথ্যা, অবাস্তব! সে সব আমার নিজেরই বিশ্বাস করতে কষ্ট হয়, লিখলে অন্যদের বিশ্বাস করাবার মত নির্ভরযোগ্য প্রমাণ দিতে পারবো না। মিথ্যুক বা কল্পনাবিলাসী বলে অন্যদের কাছে নাজেহাল হবার সম্ভাবনা নাকচ করা যায় না।
[উল্লেখ্য যে, এটা আমার শততম পোস্ট।]
শত পোস্টের জন্য অভিনন্দন হুদা ভাই।
সাথে আপনার জন্য ফুল ও অন্য সবার জন্য মিষ্টি।
আপনার রক্ত করবী।
বন্ধুত্ত্বের প্রতিক হলুদ গোলাপ।
সবার জন্য মিষ্টি।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ, সাথে কৃতজ্ঞতা, সুরঞ্জনা।
[আমি মিষ্টি থেকে বঞ্চিত?]
শুভ কামনা।
বাহরে! বঞ্চিত কেনো হবেন? মিষ্টি তেমন পছন্দের নয় বলেই সবার কথা উল্লেখ করেছি।
ভালো লাগলে ২/১ খেয়ে নিন।
লেখকের মন্তব্য
ভাবছেন, না খেয়েই আছি। মিষ্টি পেয়েও খাবো না, এতই কী খারাপ আমি?
অভিনন্দন!
লেখকের মন্তব্য
নয়ন, অনেক ধন্যবাদ। ২৭ তারিখে এসো ছবিরহাটে।
সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো ভাইয়া!
পোস্ট পড়লাম। বেদনা নিয়ে গেলাম পোস্ট থেকে।
শহীদ আসাদ ও মতিউরের জন্য শ্রদ্ধা।
পোস্টের জন্য ধন্যবাদ হুদা ভাই।
লেখকের মন্তব্য
শুভ কামনা শিমুল।
শ্রদ্ধা জানাই এই অকুতোভয় বীর শহীদদের।
লেখকের মন্তব্য
শুভেচ্ছা দারুচিনি লবঙ্গ।
মন্তব্য করুন