নাজমুল হুদা-এর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

চতুর্মাত্রিক সংকলন একটা বিরাট পদক্ষেপ। এ ছাড়া আর একটা ছোট কিন্তু দৃপ্ত পদে এগিয়ে যাবার উদ্যোগ শুরু হয়েছে। সরলরেখা-বক্ররেখা শিরোনামের একটা গল্পকে ইলাস্টিকের মত টেনে লম্বা করা শুরু করেছিল এক ব্লগার। সেই টানাটানি আর থামে নি এখনও পর্যন্ত। সেই গল্প টানতে টানতে উপন্যাসের আকার ধারণ করেছে। এখন টানা-হেচড়া শুরু হয়েছে সেটাকে মলাটের আড়ালে লুকিয়ে সকলের হাতে পৌঁছে দেবার পায়তারা। আর এজন্য আগামী বইমেলায় সে বইয়ের মলাট/মোড়ক উন্মোচনের জন্য উঠে পড়ে লেগেছে কয়েকজন উৎসাহী ব্লগার।
ইতিমধ্যে এই ধারাবাহিক বারোয়ারী উপন্যাসের কুড়িটি পর্ব প্রকাশিত হয়েছে এই ব্লগে, অচিরেই আরও ৩/৪টি পর্বে এর সমাপ্তি ঘটবে। এই কর্মযজ্ঞে যারা অংশ নিয়েছিলেন, এ ব্যাপারে তাদের কারো কোন বক্তব্য বা কোন রকম আপত্তি আছে কিনা তা যাঁচাই না করেই এই উদ্যোগ এগিয়ে চলেছে। তাদের কাছ থেকে অবিলম্বে অনুকুল সাড়া ও অনুমতি পাওয়া না গেলে এই উদ্দমে ভাটার টান দেখা দিতে পারে। তাই সকল লেখকের প্রতি অবিলম্বে তাদের মতামত প্রদানের অনুরোধ জানানো যাচ্ছে।
বিভিন্ন পর্বের লেখকগণের তালিকা পরবর্তীতে দেওয়া হবে। প্রতিটি পর্বের লিঙ্ক দেবারও ইচ্ছা আছে। সময়ের অভাবে আজ এ পর্যন্ত।
ও, হ্যা, আর একটা জরুরি কথা। বলতে ভুলেই গিয়েছিলাম, মনে পড়ে গেছে, জানিয়েই যাই। এই প্রকাশনার বিষয়ে যে কোন কিছু জানতে চাইলে ব্লগার 'ডাক্তারের রোজনামচা'র সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। যোগাযোগঃ ডাক্তার নিয়াজ, মোবাইল ফোন নম্বরঃ ০১৭৩৭২৩০৩৫৪।
শুভ ব্লগিং। শুভ রাত্রি।
সরলরেখা-বক্ররেখা বারোয়ারি উপন্যাসটির সকল পর্বের লিংক
মন্তব্য
সরলরেখা-বক্ররেখার সফলতা কামনা করছি
শুভকামনা রইল। আশা করি সুপাঠ্য একটা বই হবে।
সরলরেখা-বক্ররেখা এগিয়ে চলুক।
শুভকামনা থাকলো।
সরলরেখা-বক্ররেখার পুরো রহস্য আজ বুঝতে পারলাম। আমি ব্লগে অনিয়মিত হওয়ায় এটা যে বিভিন্ন জন কতৃক লিখিত একটি ধারাবাহিক লেখা তা বুঝতে পারিনি। তবে বিষয়টা নিয়ে আমার মনে একটি প্রশ্নবোধক চিহ্ণ ছিল, আজ তার অবসান হলো । অনেক ধন্যবাদ নাজমুল ভাই।
যাক একটা ধারাবাহিক লেখা তাহলে শেষ হলো
খুব ভালো হয়েছে ।
আমার খুব ইচ্ছা এর আগের বারোয়ারী উপন্যাসটা যদি শেষ করতো কেউ ।
নানান ঝামেলায় সেটা নিয়ে বসা হয় নাই ।
কোন একদিন
কোন একদিন
লেখকের মন্তব্য
উদ্যমী লোকজনের অভাব নেই তো! সেই অসমাপ্ত উপন্যাসটির লিঙ্ক দিলে অনেকেই আগ্রহান্বিত হবে বলেই আমার বিশ্বাস।
শুভেচ্ছা আরণ্যক।
হুদা ভাই , আমার ভুল ধরছিলেন আপনে , আমি আপনের ভুল ধরলাম

উদ্দমে > > উদ্দ্যমে
হয় নাই, তন্ময়! শব্দটা হবে 'উদ্যমে'।
য-ফলা বসলে অক্ষরের দ্বিত্ব হবে না।
যাই হোক , হুদা ভাই হুদাই ভুল করছে
এটাই বড় কথা 
সঠিক বানান --> উদ্যম।
লেখকের মন্তব্য
মানুষ মাত্রই ভুল করে। সুতরাং প্রমাণিত হলো যে, হুদা ভাইও মানুষ!!
আপনে মানুষ !
আমি জানতাম আপনি হুদা ভাই

লেখকের মন্তব্য
ঠিকই বলেছ ভাই। হুদা ভাই তো হুদাই, সে আবার মানুষ হয় কেমন করে? হা হা হা !!!!
আমি ৫ম অবস্থানে আছি । ৫ম শ্রেষ্ঠ বাচাল
আর ২টা কমেন্ট , তাহলেই অনামিকা আপুকে ওভারটেক করব

সাথে আছি।
বিজয়ের লাল-সবুজ শুভেচ্ছা রইল।

ধন্যবাদ, হুদা ভাই।
সরলরেখা: বক্ররেখা শুধু একটা গল্পই নয়, তার সাথে জড়িয়ে গেছে আবেগ ও ভালোবাসা।
জয় হোক সরলরেখা: বক্ররেখার।
মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা রইল, নাজমুল ভাই আপনাকে, ভাবীকে এবং আপনার সব প্রিয়জনদের!!!
প্রতিটি পর্বের লিঙ্ক এবং রচয়িতাদের তালিকা তো রেফারেন্স পর্বটিতেই দেওয়া আছে (যথেষ্ট সময় খরচ করে ও পরিশ্রমের বিনিময়ে)!!
সকল রচয়িতাদের অনুরোধ করা হয়েছিলো পোস্টখানি বুকমার্ক করে নিতে - ভবিষ্যতে উপন্যাসটি নিয়ে পারস্পরিক আলোচনা যাতে সুগম হয়, সেই লক্ষ্যে। বিভিন্ন পোস্টে খন্ড খন্ড আলোচনা না চলে, অখন্ডভাবে একটা পোস্টে আলোচনা প্রবহমান থাকা সকলের জন্যই সুবিধাজনক বলে আমার মনে হয়। নতুন করে তালিকা ও লিঙ্ক তৈরীর প্রয়োজনী্যতা বোধগম্য হয়নি আমার।
সতত শুভকামনা।
--------------
বি.দ্র.: উপরে লাল কালিতে চিহ্নিত 'রেফারেন্স পর্ব' শব্দটির উপর মাউস রেখে ক্লিক করলেই সরাসরি পোস্টে চলে যাওয়া যাবে - লিঙ্ক সংযুক্ত করা আছে।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ অনামিকা। আমাকে আর নতুন করে কষ্ট করতে হচ্ছে না, কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।
জয় হোক 'সরলরেখা-বক্ররেখা'র !
সবাইকে বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা ও শুভকামনা!
শুভ কামনা রইলো।
সফলতা কামনা করছি।
শুভ কামনা ও সফলতা চাই।
ভালবাসা থাকল।
নিয়াজ ভাই এর সাথে আগেই ফোনে আলাপ হয়েছিল, আজ চতুর খুলেই এই পোস্টটাকেই খুঁজছিলাম। যেকোন আলোচনা শুরুর আগে একটা বিষয় আমাদের সবার মধ্যে স্পষ্ট থাকা জরুরী। এখন আমরা পুরো উপন্যাসটা নিয়ে সামগ্রিকভাবে আলোচনা করব। এতদিন অনেক আবেগ আর ভালবাসা দিয়ে, অনেক মমতা দিয়ে এক একটা পর্বের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। কিন্তু এখন সময়, সমস্ত আবেগকে বাক্স-প্যাটরায় বন্দী করে শিকেয় তুলে, নির্মোহভাবে উপন্যাসটার ওপর কাটাছেঁড়া করবার। এটা করতে গিয়ে হয়তো নিজের লেখা কোন পর্ব থেকে নিজের খুব প্রিয়কিছু শব্দ, লাইন বা কবিতা, উদ্ধৃতি, গান - ইত্যাদি ছেঁটে ফেলার প্রয়োজন হতে পারে - আশা করি, আমরা সবাই এই ব্যাপারগুলো সহজভাবে গ্রহণ করার মানসিকতা নিয়েই এগুবো।
নাঈফাপুর প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা, একটি রেফারেন্স পোস্ট তৈরী করে দেয়ার জন্য, এবং তা নিয়মিতভাবে আপডেট করার জন্য।
পর্ব রচয়িতাদের জন্যঃ আমাদের লেখাটা ডিসেম্বরেই চূড়ান্ত করার চেষ্টা করতে হবে। নতুবা একুশে বইমেলার মধ্যে তা প্রকাশ করা কঠিন হয়ে পড়বে।
অনুরোধঃ ২২ পর্ব প্রকাশ পেতে পেতেই আমাদের বিভিন্ন পর্বগুলো নিয়ে আলাপ করে দেখা দরকার। ভুলচুক এবং গ্যাপগুলো সংশ্লিষ্ট পর্বের নীচে উল্লেখ করে দিলে, পর্ব রচয়িতা প্রয়োজনমত আপডেট করতে পারবেন।
সরলরেখা-বক্ররেখা-র সর্বাঙ্গীন সাফল্য প্রত্যাশী।
একমত।
চমৎকার মন্তব্যের জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ফয়সল ভাইয়া।
বুদ্ধিদীপ্ত আইডিয়া।
তারপরও আমার কাছে যেটা মনে হয়, সেটা হল:-
- যে কোন একটা রেফারেন্স পোস্ট থাকা আবশ্যক যেখানে সামগ্রিকভাবে আমাদের অখন্ড আলোচনা রেকর্ডেড থাকবে। টীম ওয়ার্কে অখন্ড যোগাযোগ রাখাটা খুব, খুব জরুরী। তা না করলে, আমি গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি, অচিরেই পুরো প্রোজেক্টের সমস্যাগুলো প্রকট হয়ে ধরা দেবে।
- প্লাস, পার্টিক্যুলার ভুলচুকগুলো সংশ্লিষ্ট পর্বের রচয়িতার পোস্টের নিচে (রেফারেন্স পর্ব থেকে নিয়ে) কপি-পেইস্ট করে দেওয়াটাও খুব জরুরী।
- প্রয়োজনে গ্রুপের প্রত্যেকেরই ই-মেইল (যোগাযোগ ত্বরান্বিত করবার জন্য) অ্যাড্রেস পরস্পরকে জানানো উচিৎ বলে মনে করি।
এবার আসছি আরও জরুরী প্রসঙ্গে। আমি যেহেতু দেশের বাইরে, দেশের খবর স্পষ্ট করে আঁচ করতে না পারাটাই খুব স্বাভাবিক। তারপরও আমার উদ্বেগের উৎসগুলো প্রকাশ করতে চাই।
১) বইমেলার মৌসুম শুরু হতে তো দু'মাসেরও কম সময় হাতে আছে, এত অল্প সময়ে কি আদৌ কিছু করা সম্ভব।
২) প্রত্যেক রচয়িতার সহযোগিতা ছাড়া প্রোজেক্টের সাফল্য সম্ভব নয় বলেই আমার মনে হচ্ছে। অথচ রচয়িতাদের অনেকেই ব্লগে অনিয়মিত খুব।
৩) লেখাটিকে মলাটবন্দী করতে কি রচয়িতাদেরকে কোনরকম অর্থনৈতিক কন্ট্রিবিউশন করতে হবে? সে রকম কিছু করতে হলে, সবার মতামত জানাটা অপরিহার্য। আমি আগেই স্পষ্ট জানিয়ে রাখি যে, আমার পকেট ফাঁকা।
সবচেয়ে জরুরী কথাটা হল যে, .....বলবো না কি.....হেহে.....যেহেতু নির্মোহ আলোচনার কথা বলা হয়েছে, সে জন্য এই বেলা বলেই ফেলি।
কথাটা হল, বর্তমানে আমি কিন্তু পুরো লেখা জুড়েই বড় ধরণের অসামঞ্জস্য দেখি। বর্তমান ফরম্যাটে আমি বারোয়ারি উপন্যাসটিকে মোটেই বইমেলাতে প্রকাশযোগ্য বলে মনে করি না। স্যরি, কিন্তু নির্মোহ পাঠক হিসেবে আমি আমার ব্যক্তিগত মতামত দিলাম।
- আরও একটা কথা, গল্পের 'রেমি' চরিত্র কিন্তু আমার কাছেই পুরোই আরোপিত বলে মনে হয়।
আমার মনে হয় যে, বারোয়ারি লেখালেখির এই আনন্দযজ্ঞে রচয়িতা হিসেবে আমাকে জায়গা করে দেবার
জন্যেই কেবল 'রেমি' চরিত্রটির সৃষ্টি হয়েছিলো। সেক্ষেত্রে আমার লেখা পর্বগুলো যদি পুরো উপন্যাস থেকে মুছে দেবার পরিকল্পনাই যথাযথ মনে হয়, আমি আন্তরিকভাবে সেই সিদ্ধান্তে সানন্দে পূর্ণ সম্মতি দেব। তবে রেমি'কে নিয়ে ১৪তম পর্বটি লিখেছেন সহব্লগার অপাংক্তেয়। তাঁর মতামতটা জানা অপরিহার্য বলে মনে করি।
- পরে আরও পয়েন্ট মনে আসলে জানাবো। আপাততঃ আজকের মত বিদায় জানাচ্ছি।
সব পর্বের রচয়িতাদের জন্য রইল আমার অভিনন্দন!!!!!
নাঈফাপু, এখন সব সংকোচ ঝেড়ে ফেলুন। ভুলচুকের আলোচনা বা সমালোচনা ভয়ে ভয়ে করা যায় না। অর্থনৈতিক প্রশ্নের উত্তর আশা করি নিয়াজ ভাইয়ের কাছ থেকে পাব। (আমার তরফ থেকে অংশগ্রহণের ব্যাপারে গ্রীন সিগন্যাল)
আরেকটা ব্যাপার, লেখায় যে কবিতা, গান - ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়েছে, সেগুলোর কপিরাইট সংক্রান্ত কোন সমস্যা আছে কিনা, নিশ্চিত হওয়া জরুরী। যেখানে প্রয়োজন, সেখানে অনুমতি নিয়ে ফেললেও হয়। [আমার মনে হয়, চতুরের যাঁদের লেখা ব্যবহার করা হয়েছে, তাঁদের কারও আপত্তি থাকার কথা না। তবে, যাঁরা এই উপন্যাস লেখায় প্রত্যক্ষভাবে জড়িত নন, তাঁদের কোন লেখা ব্যবহার করা হলে, তাঁদের কাছ থেকে নতুন করে - বইয়ে প্রকাশের জন্য - অনুমতি লাগবে কিনা, ভেবে দেখতে পারেন।]
ধন্যবাদ, নাঈফা আপু।
রেমি চরিত্রটাকে ঠিক আরোপিত বলে মনে হয়নি কখনো আমার কাছে। তবে আমার মনে হয়, রেমি-শিহাবের শেষ দিককার অংশের পর্বগুলো আগুপিছু করে, একটু আগে টেনে নিয়ে আসলে (হাবিব, সেলিনা, সিরাজ, মিলন, শামা, মিলি; এদের পরিণতি গড়ানোর আগেই) ভালো হবে আমার মতে। সেক্ষেত্রে ১৯ তম পর্বের আগেই শিহাব-রেমির পর্বগুলো এগিয়ে আনা যেতে পারে।
চমৎকার মন্তব্যের জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ, মানিক ভাইয়া। আমার আইডিয়াটা যথার্থ বলে মনে হয়েছে। তবে, এই বিষয়ে বাকী সকলের মতামত জানতে পারলে খুব ভালো হত - এবং সেই সাথে রেমি চরিৎটাকে আরোপিত লাগছে না কি, সে সম্পর্কে ফীডব্যাক।
অন্যদের মতামত জানার জন্য আমার অপেক্ষা করা উচিৎ ছিলো। তা না করে, ভুলক্রমে "ভোট আপ"-এ চাপ দি্যে ফেলেছি, এখন "undo" করা যাচ্ছে না আর কিছুতেই।
এজন্যে দুঃখিত।
ধন্যবাদ, প্রিয় আপু।
সবার মতামত জানার অপেক্ষায় রইলাম।
একমত।
রেমি চরিত্রটাকে আমার কাছেও আরোপিত বলে মনে হয়নি কখনও।
খুবই ভালো লাগলো জেনে।

অনেক অনেক অনেক অনেক শুভকামনাআআআআআআআআআআআআআআআ
সরলরেখা আর সরল থাকলো না, একদম বাকিয়ে গেল। পুরোপুরি বক্ররেখা।
লেখকের মন্তব্য
কেন? কেন?????
মন্তব্য করুন