নাজমুল হুদা-এর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

বিনামূল্যে বিনাশ্রমে প্রাপ্ত যে জিনিষটি সকলেরই অপছন্দ, সেটি হচ্ছে উপদেশ। উপদেশ, কখনও বা পরামর্শ যার সব চাইতে বেশি প্রয়োজন, সে-ই সেটাকে সব চাইতে অপ্রয়োজনীয় বলে মনে করে। উপদেশ বা পরামর্শ দেবার মানুষের অভাব নেই, কোন কালে অভাব ছিলও না। ব্যস্ত জীবন কাটিয়ে কর্মহীন জীবন যাপনকারীদের কাছে এ জিনিষটি পাওয়া যায় একেবারেই বিনা আয়েশে। তারা গায়ে পড়ে দেন, নিতে না চাইলেও দেন। অনেকে বাধ্য হয়ে শোনে, শুনতে শুনতে কেটে পড়বার তালে থাকে। ধৈর্য ধরে কেউ যদি বা সে উপদেশ শ্রবণ করে, তা ঐ শোনা পর্যন্তই, কাজে লাগায় না কেউই।
ভূমিকা শেষ। এবার আসি কাজের কথায়।
১। কারো কী জানা আছে, হাতে (করতলে) কত বা কী পরিমাণ ময়লা থাকে? আমারও জানা নেই। এই ময়লার পরিমাণ জানা না থাকলেও খাওয়ার আগে হাত না ধুয়ে কেউই খাবার খায় না। প্রায় সকলেই পানি দিয়ে ভালো করে হাত ধুয়ে তবেই খাওয়া শুরু করে। কেউ কেউ অল্প পানি দিয়ে হাত ভিজিয়েই বসে পড়ে প্লেট নিয়ে। পরিষ্কার পানি দিয়ে ভালো করে হাত ধুয়েই খেতে না বসে তার আগে একদিন একটা পরীক্ষা করুন। সেই ধোয়া হাতখানা সাবান দিয়ে একটু ধুয়ে দেখুন না একবার। লক্ষ্য করুন, সাবানের ফেনার রঙ! এবারে পানি দিয়ে সাবান দূর করবার সময় সাদা বেসিনের দিকে তাকান। কী দেখছেন? নিশ্চয়ই আপনার হাতের ময়লা নিয়ে আপনার সংশয় এবারে কেটে গেছে। যখন সাবান দিয়ে হাত না ধুয়ে খাবার খাবেন আপনি, জিহ্বা দিয়ে হাত থেকে চেটে খাবেন এই সব ময়লা, যার সাথে মিশে আছে হাজারো রোগ জীবাণু।
২। খেয়ে উঠেই কী আপনি দাঁত ব্রাশ করেন? তা’হলে আপনাকে দু’একটা কথা বলতে চাই। খাওয়ার পরেও মুখ থেকে লালা বের হয়, এই লালা খাদ্য পরিপাকে সহায়ক। আপনি বুঝি ভাবছেন, খাদ্য তো পরিপাক হয় পাকস্থলীতে! না ভাই, আপনার এ ভাবনা একেবারেই সত্য নয়। পরিপাক ক্রিয়ার শুরু হয় মুখগহ্বর থেকে এবং এ প্রক্রিয়া চলতে থাকে শরীর থেকে বর্জ্য বের হওয়ার আগে পর্যন্ত। কাজেই বুঝতে পারছেন যে, খাওয়ার পরপরই মুখ ব্রাশ করা বুদ্ধিমানের কাজ নয়। এমনটি করলে হজমে গোলমাল হবার সম্ভাবনা বেড়ে যায় অনেক।
৩। বিজ্ঞাপনে যেমন দেখানো হয়, ততখানি টুথপেস্ট কী ব্রাশে নিয়ে ব্রাশ করলে সবচেয়ে ভালো ফল পাওয়া যায়? আমি তা মনে করি না। যত বেশি টুথপেস্ট আপনি ব্রাশে নেবেন, তত বেশি হবে অপচয়! এতে প্রস্তুতকারকের ব্যাবসা ফুলে ফেঁপে উঠতেই সহায়তা করা হবে, আপনার নিজের কোন উপকারে লাগবে না, বরং ক্ষতির সম্ভাবনাই বেশি। অতিরিক্ত কোন কিছুই ভালো নয়। ছয় বছরের কম বয়সের বাচ্চাদের ব্রাশে মুক্তোদানার সমান পরিমাণ পেস্ট দেবার জন্য বিশেষজ্ঞগণ পরামর্শ দিয়ে থাকেন। এবারে আপনিই নির্ধারণ করুন আপনার টুথপেস্টের পরিমাণ! মনে রাখবেন, বেশি টুথপেস্ট, বেশি ফ্লোরাইড, বেশি ক্ষতি!
৪। কতক্ষণ ব্রাশ করবেন? অনেককেই হাতে বা মুখে ব্রাশ নিয়ে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরতে দেখা যায়। এটা দেখতে যেমন অরুচিকর, তেমনই অস্বাস্থ্যকর একটা ব্যাপার। টয়লেটে বা নির্ধারিত বেসিনের সামনেই টুথব্রাশ করা শেষ হওয়া উচিৎ। আর এতে সময় ব্যয় করতে হবে মাত্র দুই মিনিট। ঘন্টাখানেক অন্যের সামনে দাঁত-মুখ খিঁচিয়ে নানান অঙ্গভঙ্গি করাতে কোন কৃতিত্ব নেই, আয়নার সামনে এমনটা করে দেখুন না কেমন বিশ্রী লাগে নিজেকে নিজের কাছেই!
৫। টুথব্রাশ দিয়েই জিহ্বা আর মুখের ভিতরের অন্যান্য জায়গা পরিষ্কার করে ফেললেই ভালো হয়। মুখ গহ্বরের যত্নের জন্য হাতের আঙ্গুল ব্যবহারের বিকল্প নেই। দাঁতের মাড়ির সুস্বাস্থ্যের জন্য আঙ্গুল দিয়ে বেশ জোরের সাথে মাড়ির ভিতর ও বাহির দিক মেজে নিন।
৬। টুথপিক ব্যবহারে কৌশলী হোন। অন্যের সামনে এক হাতে মুখ আড়াল করে এর ব্যবহারেও কদর্যতা ঢাকা পড়ে না সবটুকু। দাঁত খোঁচানো অপরিহার্য হলে টয়লেটে বা আড়ালে যেয়ে তা করাটাই অধিক শোভন।
৭। নাকে আঙ্গুল ঢুকানো বা নাকের লোম টেনে ছেড়ার অভ্যেস সযত্নে পরিহার করুন। অপরকে এই কাজ করতে দেখলে যেমন আপনার ঘৃণা লাগে, আপনাকে করতে দেখলেও অন্যদের তেমনই ঘৃণার উদ্রেক হয়। সব সময় মনে রাখবেন, অপরের যে কাজ আপনি পছন্দ করেন না, আপনাকে সেই একই কাজ করতে দেখলে অন্যদেরও ভালো লাগে না।
আজকের মত বিতরণ বন্ধ। ভাণ্ডারে যা আছে, তার সব তো আর একবারে মনে আসে না। এরপর আবার যখন মনে পড়বে ছড়িয়ে দেব সকলের মাঝে।
মন্তব্য
বাব্বাহ!
এমন উপদেশ/পরামর্শ অনেকেরই কাজে লাগতে পারে।
এটিকেট বলে একটা টার্ম আছে, অনেকেই জানেনা ব্যাপারটা।
---
সবার সামনে এরকম দাঁত খোঁচানো, নাক খোঁচানো একটা বিরক্তিকর দৃশ্য! রাস্তাঘাটে অনেককেই এহেন কর্মকান্ডে ব্যস্ত থাকতে দেখা যায়!
---
ব্যস্ত নাকি আপনি, খুব? ইদানিং কম কম পাচ্ছি আপনাকে।
লেখকের মন্তব্য
নয়ন, এ সব সবাই জানে, কেউ মানে না। কাজে লাগালেই না কাজে লাগে!
----------
আমি বিজি ফর নাথিং।
সেটাই হলো কথা!
পাব্লিক প্লেসে এসব দেখতে অড লাগে।
---
তার্পর, সব মিলিয়ে আছেন কেমন?
নাজমুল ভাই, আপনি কি আমার উপর বিরক্ত নাকি!!
আমার প্রশ্নের উত্তর নেই!
তার উপর, আমার লাস্ট পোস্টে যাননি(যদিও একবছর আগের পোস্টে গেছেন)।
লেখকের মন্তব্য
বলে কী নয়ন!!!
সময়ের সাথে দৌঁড়ে পারছি না ভাই।
সব দিকে তাকাবার ফুরসত নাই।
তবুও যাবো বৈকি?
না না ভাইয়া আপনি ফ্রি হলেই যাবেন।
আমি কাউকে কখনোই ইনসিস্ট করিনা আমার পোস্টে যাওয়ার জন্যে। কিন্তু আপনার অনুপস্হিতি আমাকে কষ্ট দেয়!
---
ভাবলাম, কোন কারণে আমার উপর মনঃক্ষুন্ন হলেন কিনা!
লেখকের মন্তব্য
এইমাত্র ঘুরে এলাম তোমার ঐ রসময় ঘর থেকে।
মনঃক্ষুণ্ন হলে সরাসরি বলে দেব আমি।
আমাকে মনে করিয়ে দেবার জন্য ধন্যবাদ ভাই। না হলে ঐ পোস্ট হয়তো আমার আর দেখাই হতো না।
কৃতজ্ঞতা!
৭ নং টা জোস লাগল! ঘটনাটা এমন, মাথার চুলের আগে নাকের লোম পাকিয়ে ছেলে এখন বলে কিনা আমি কি করেছি! যত দোষ হাতের আগুলের!
শুভেচ্ছা সহযোগে।
লেখকের মন্তব্য
মন্তব্যে খুশি হলাম।
সুন্দর সব কথা।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ জামি।
কাজের পোস্ট।
অবশ্য পালনীয় বিষয়গুলো উঠে এসেছে।
ধন্যবাদ, হুদা ভাই।
লেখকের মন্তব্য
পালন করবে এখন থেকে।
হা হা হা নাজমুল ভাই, লা জওয়াব। ৪ ৬ এবং ৭ আসলেই ভালো পরামর্শ। আহা সকলেই যদি মেনে চলত!!!
লেখকের মন্তব্য
শাপলা, তোমাকে দেখেই ভালো লাগছে খুব। কমেন্ট করাতে আরো ভালো লাগলো।
শুভেচ্ছা।
কাজের কথা
লেখকের মন্তব্য
বেশি ভাগ মানুষের কাছেই কিন্তু ফালতু!!
অসম্ভব ভালো পোস্ট।
উপদেশ তো বিতরণ করা হল কিন্তু ক'জন মেনে চলেন সেটাই কথা।
লেখকের মন্তব্য
আমার বলতে ইচ্ছা হলো, বললাম। কেউ না মানলে আমার বয়েই গেল!!!
লেখকের মন্তব্য
করিম, কাজে লাগলে পোস্টের সার্থকতা।
গ্রহণ করলাম।
যখন যা আসিবে মনে বলবো কমেন্টের সনে--(ব্লগ ভার্সান):
--------------------------
আজকা এই পর্যন্তই----
লেখকের মন্তব্য
পোস্টের চেয়েও আকর্ষণীয় এই কমেন্ট। ভোট দিতেই হয়।
পদ্ম, অনেক শুভেচ্ছা।
কমেন্টে ভোট দিলাম।
ভুটাপ!
তয় ডিটেক্টিভ কেনু উপদেশ ব্যাপারী হইল, জানতে মুঞ্চায়।
লাস্ট ডিক্টু প্রজেক্টে হাল্কা লস খাইসি!

সুকান্ত প্রজেক্টটা বোধহয়, তাই না?
ভাল ছেলে!
খ্যাক খ্যাক খ্যাক! ব্যাপান্না, জেমস বন্ডও ফ্লপ খাইতারে, তো ডিঃ পদ্ম'র কী দোষ?
পদ্ম না পদম----- বানাম ভুল করছেন---
বানাম্ভুল? ওইটা তো চতুর্মডুরাও করসে! আপনার নামই তো দেখায় পদ্ম - তা-ও আবার নীল কালারে!
মডুরা বড় মানু, ভুল করা হেগো রাইট আছে। আপনে কর্বেন ক্যাড়ে?
আমি পুলাপাইন মানু, ভানাম শিখতাসি!
লেখকের মন্তব্য
সাতটা পয়েন্টের জন্য সাত! আটটা লিখলে কী আট দিতেন??
ধন্যবাদ।
অতি দরকারি পোস্টের জন্য ধন্যবাদ ভাইয়া

৪ আর ৭ এর কথা কি আর বলব!
ইয়াক থুহ(বেসিনেই ফেলে কল ছেড়ে দিলাম)
লেখকের মন্তব্য
সামনে চা, আর তুমি করলে কী? এখন লাগে কেমন?
তবু ভালো যে জানালা দিয়ে ফেলো নি।
শুভেচ্ছা অনেক।
থুক্কু ভাইয়া!
ওইসব নোংরামিতে ভার্চুয়াল থুহ দিলাম আর কি!
আরেক কাপ চা খাবেন?
লেখকের মন্তব্য
কী আর করা! দাও দেখি চা, সাথে একটু টাও দিও ভাই।
প্রিয় ভাইয়ার জন্য
লেখকের মন্তব্য
থ্যাঙ্কু, থ্যাঙ্কু!!
৩ নং টা পড়ে উপকৃত হলাম! ধন্যবাদ
আমি তো বেশি পেস্ট নিতাম! আবার বেশিক্ষণ মুখে রাখতেও পারি না! ইইইইইইইইইইইই
লেখকের মন্তব্য
অল্প পেস্ট আর মাত্র দুই মিনিট। এর পরে আঙ্গুল দিয়ে। মনে থাকবে লাবনী?
মনে থাকবে!
(আমার ঝকঝকে দাঁতগুলো)
হাহাহা!
৪, ৬, ৭ যাদের অভ্যাস তারা নিজেরাই জানেনা কী কুৎসিত কাজটি তারা প্রতিনিয়ত করে চলেছেন!
লেখকের মন্তব্য
এইসব বিশ্রী কাজের কথা লিখতে গেলেও ঘেন্না লাগে। অথচ দেখতে হয়, সইতেও হয় অনেক সময় মুখ বুজে।
সবগুলোই উপকারী। মেনে চলার চেষ্টা করি সবসময়। মানুষকে করতে দেখলেও নিষেধ করি
শেয়ারে দিলাম 
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ আমীন। সর্বসমক্ষে মুখ ভেংচানো দেখতেও কিন্তু শোভন লাগে না।
পারসোনাল হাইজিন মেইনটেইন করার ক্ষেত্রে আপনার প্রতিটি উপদেশেই দরকারি। ধন্যবাদ হুদা ভাই আমাদের কমন বদঅভ্যাস গুলো চোখে আঙুল দিয়ে ধরিয়ে দেয়ার জন্য। পোস্টটির মাধ্যমে অনেক বন্ধুই নিঃসন্দেহে উপকৃত হবেন। অনেক শুভ কামনা।
লেখকের মন্তব্য
সুস্থ থাকতে হলে জানা দরকার, মানাও জরুরি! কিন্তু কে শোনে কার কথা?
অনেক শুভেচ্ছা ঈশান।
৪।৬।৭ একদম একশ ভোট দিলাম
একদিন আমার সামনে একজন ফ্লস করছিলো উফ কি যে বিশ্রী লাগে পুরাই ইয়াক
ঐ দৃশ্য ভোলা যায় না
লেখকের মন্তব্য
এক জনেই দেয় একশ ভোট! ভোটের বাক্স উপচে পড়বে তো!!
দেখে দেখে অতিষ্ট হয়ে যাই, কইতেও পারি না, সইতেও পারি না। তাই চতুরের বন্ধুদের কাছে বলে নিজে একটু ভার কমালাম।
শুভেচ্ছা, জলরঙ।
সবগুলাতেই সহমত। নিজে মেনে চলি, অন্যকেও বলি, কিন্তু কে শোনে কার কথা!
একবার এক রোগীর ফলো আপ শেষ করে রোগী এবং তাঁর আত্মীয়কে বলছিলাম, "অপারেশনের পর পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা খুব জরুরী। আমরা যেমন সাধ্যমত চেষ্টা করব, আপনাদেরও কো-অপারেট করতে হবে। এজন্য, নিজে পরিষ্কার থাকবেন, বাচ্চাদের আসতে নিষেধ করবেন ..." তখনই রোগীর আত্মীয় দেখি, খুব মনোযোগ দিয়ে আমার কথা শুনতে শুনতে নাকে আঙুল দিয়ে গুপ্তধন টেনে বের করে যে সোফায় বসেছিলেন, সেখানেই ...!!!
এই পোস্টে সুযোগ পেয়ে আরেকটা কথা বলে দিই, আল্লার দোহাই লাগে, কক্ষনো দোকানে শেভ করবেন না, দরকার হলে রবি ঠাকুর হইয়া যান, তবু দোকানে না। হেপাটাইটিস বি এর জ্বালায় আজকাল প্রয়োজনে ব্লাড পাওয়াও মুশকিল।
ইয়াক থু!!!
শরীর রি রি করে উঠলো ভাই! রিয়েলি!
লেখকের মন্তব্য
বাসে চলাচলের সময়ও এই দৃশ্য প্রায়ই দেখতে হয়, ঘেন্নায় বমি চলে আসে। মনে হয় আমার এই সিটেও তো ক্তজনে এই কাম করে রেখেছে।
সেলুনে চুল কাটানোই বাদ দিয়েছি এই দুঃখে।[চুল আছেই বা কয়টা!]
শুভ কামনা।
লেখকের মন্তব্য
খেয়ালী যারা তারাই পারে এমন করে চড় দিতে। সবাই কী আর পারে?
চোখ ফিরিয়ে রেখে সহ্য করে যাই। মুখটি বুজে ফিরে আসি ঘরে।
খেয়ালীমন, অনেক ধন্যবাদ। আর প্রতিবাদী সকল খেয়ালীর জন্য শুভেচ্ছা।
এক দিন এক বাসের টিকিট চেকার কে একটা চর দিছিলাম হালায় ম্যাচের কাঠি দিয়া কান খুজে ময়লা বাইর কইরা টিকিটে লাগাইছিলো । পরে চর খাবার পর টিকিট পাল্টাইয়া দিছে।
লেখা ভালো হইছে
কিছু কমন বাট খুব ই দরকারি বিষয় তুলে ধরেছেন । কয়েকটা মেনে চলি বাকিগুলাও মেনে চলার চেষ্টা করব
লেখকের মন্তব্য
খুশি হলাম কবি। ভালো থেকো।
প্রায় সবগুলোই মেনে চলি। তবে আমার মুদ্রা দোষ এগুলোর চাইতে বিপজ্জনক। দাঁত দিয়ে নখ কাটা। চেষ্ট করেও এর প্রতিকার করতে পারি নাই। টেনশনে পড়লে আমার ডান হাতের মধ্যমা আঙ্গুল মুখে চলে যায়। দাড়ি রাখার পরে অবস্যঃ সমস্যা কাটছে কিছুটা। এখন টেনশনে পড়লে আঙ্গুল মুখে গিয়ে দাড়িতে যায়। আর দাড়িতে বিলি কাটি

লেখকের মন্তব্য
আসলেও দাঁত দিয়ে নখ কাটা এগুলোর চাইতে কম বিপজ্জনক নয়। সচেতন থাকলে এক সময় এ বদভ্যাস তোমাকে ছেড়ে যাবে অবশ্যই। দাড়িতে বিলি কাটা খারাপ নয় কিন্তু। অন্যদের চোখে কেমন লাগছে তা বুঝতে হলে অপর কেউ যখন একই কাজ করে তখন তোমার কাছে তা কেমন লাগে তা অনুভব করলেই চলবে।
আমারো একই অবস্থা।
লেখকের মন্তব্য
তুমি কি নেইল কাটার দিয়ে খাবার চিবাও?
আমি এখানেও এসেছিলাম,
জানিয়ে গেলাম তা।
লেখকের মন্তব্য
জানলাম!
কিছু না বলেই চলে গেলে?
এত কিছু মনে আসে কেমনে ?
লেখকের মন্তব্য
তাইতো! কেমনে মনে আসে? এ এক বিরাট বিস্ময়!!!
আপনে তো লেই্খাই খালাস! যে লোকে কানি আঙ্গুল দা কান চুলকায় চক্ষু বুইঞ্জা, (আহ কি আরাম!) তার পরে সেই আঙ্গুল স্বর্গের ফুলের মতন নাকের সামনে নিয়া ---! আপনে সেই স্বর্গসুখের বিকল্প দিতার্বেন? আমার এক শিক্ষক নাকের লোম ছিড়া ছিড়া টেবিলে লাইন লাগায়া রাখতেন, সেই এক্সারসাইজের বিকল্প আপনে দিবেন? হুঁহ, যত্তসব! আর উদলা গায়ে ভুড়ি চাগায়া মুখে টুথব্রাশ ভইরা মর্নিং ওয়াকের কি মজা তা আপনে কি বুঝেন! - বাইচা থাকুক আমার বিটলা বিটকেল ভাইসকল! সবরে আপনে এটিকেটের পেটিকোট পরাইবেন, ভালো হৃদয়হীন লোক দেখি আপনে!
- হাহাহা! ভালো আছেন, হুদা ভাই?
হাহাহাহা চ্রম হইসে বাপীভাই!
ভুটাপ!
লেখকের মন্তব্য
চ্রম মানে চ্রম। বাপী হাসান, অনেক হাসান।
লেখকের মন্তব্য
এটিকেটের পেটিকোট! পেটি বাদ দিয়ে শুধু কোট হলেও চলে বোধহ্য়!
আর আমি চাইলেই কী কেউ শিখবে? শিষ্টাচার আচার-বিচার করা যায়, পড়ে শেখা কী যায় সহজে?
ভাইরে আমার কুম্ভকর্ণ টুথপেষ্টের টিউব (বড়) মাত্র ১৫ দিনে শেষ করেন শুধু নিজে ব্যাবহার করে। আর টুথব্রাস পাল্টাতে হয় প্রতি সপ্তাহে। উনার টুথব্রাসের করুন বেহাল দশা দেখলেই বোঝা যায় সেটার উপর কি অমানুষিক অত্যাচার চলে। ভাগ্যি ভালো আমাকে তো আর চোখে দেখতে হয়না।
দাঁতের ক্ষতির কথা বলে বলে আমি হয়রান হয়ে বলা বাদ দিয়েছি। তার দাঁত সে যদি উপড়ে ফেলে, ভেঙ্গে ফেলে ফেলুক! আমার কি? আপনার মত বলার কথা বলে যাই! শুনলে ভালো, না শুনলে নাই!
তবু রক্ষা বাকি কোন বদুঅভ্যাসগুলো নেই।
লেখকের মন্তব্য
বলেন কী? টুথপেস্ট ১৫ দিন আর টুথব্রাস ৭ দিন? উনি কী পেস্ট খেয়ে ফেলেন? ব্রাস কামড়ানোর অভ্যেস আছে?
তবু বলি, আপনি ভালো আছেন, বেশ ভালো আছেন।
শুভেচ্ছা, পড়ার জন্য, মন্তব্যের জন্য আর নতুন বছরের।
[আমার নেট না-থাকার মত, যন্ত্রণার মাঝে আছি খুব।]
হতে পারে। কারও কারও ব্রাশ-পেস্ট মুখে পুরলেই শৈশবের ললিপপ খাওয়ার কথা মনে পড়ে! খ্যাক খ্যাক খ্যাক!
"একেবারেই বিনা আয়েশে"
- হুদা ভাই, আয়েশ কইরা পড়তে গেলাম, উপরের লাইনটা পড়তে বেশ একটু আয়াস হইলো মনে হয়! হাহাহা!
- খুব ভালো থাইকেন!
লেখকের মন্তব্য
অনেক, অনেক শুভ কামনা।
টাকা পয়সা হাতের ময়লা, এইজন্য হাত যত কম ধোয়া যায়, তত ভালো!!
তবে মুখে টুথব্রাশ নিয়া রাস্তায় ঘুরাঘুরি দেখতে আসলেই বিশ্রী লাগে। সবারই উচিৎ, দাঁত মাজার সময় ঘুরাঘুরি কর্তে হৈলে অবশ্যই গাছের ডাইলের মাজন ম্যানেজ করা। দাঁতের মাজন চাবাইতে চাবাইতে স্যান্ডো গেঞ্জিডা ভুড়ির উপর তুইলা দোকানের সাম্নে দাড়াইয়া------উফ, ভাবতেই আমার এখন দাঁত মাজতে যাইতে মন্চাইতেছে।
লেখকের মন্তব্য
হা হা হা !!!
ধন্যবাদ শাওন।
মন্তব্য করুন