নাজমুল হুদা-এর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

একাত্তর মানে শুধুই কী আতঙ্ক! মাঝে মাঝে নিজেই প্রশ্ন করি নিজেকে। মনের অবস্থা ভেদে একেকবার একেক উত্তর পাই মনের কাছ থেকে। একাত্তর শব্দটি মনে পড়লেই সাহস, উদ্দীপনা, ক্ষোভ, প্রতিশোধ আরও নানান কিছু মনের মাঝে ঘুরপাক খেতে থাকে। আবার কখনোবা আতঙ্কে ঠাণ্ডা হয়ে আসে হাত-পা। এত সব কিছুর মাঝে একাত্তরেও হাসতে হয়েছে, বেঁচে থাকবার জন্য হাসির আবশ্যকতা অনস্বীকার্য।
হাসি নতুন করে সাহস যোগায়, শক্তির নবায়নের জন্য হাসি অতি প্রয়োজনীয় উপাদান। হাসির জন্য অনেক সময় দুঃখের স্মৃতি, ভুলের পাহাড়, নিজের বা অপরের বোকামি, আবার কখনও কল্পিত বা তাৎক্ষণিক ভাবে উৎপাদিত উপকরণ ব্যবহৃত হয়ে থাকে। গভীর দুঃখ, অপরিসীম কষ্ট, সীমাহীন অনিশ্চয়তার মাঝেও হাসি বাঁচতে শেখায়, নতুন করে এগিয়ে যাবার শক্তির যোগান দেয়।
মুক্তিযুদ্ধ চলছে। মুক্তিযোদ্ধারা তখনও প্রায় বিচ্ছিন্ন অবস্থায় যার যার অবস্থান থেকে পাক বাহিনীর মুকাবিলা করে চলেছে। গ্রাম-গ্রামান্তরে অপারেশন চালাচ্ছে পাকিস্তানী সেনাদল। রাজাকার বাহিনী গড়ে তুলবার প্রক্রিয়া চলছে কেবল। গ্রামের সমর্থ পুরুষদের অধিকাংশই ট্রেনিং নিয়ে ফিরে আসে নি তখনও। নারীদের জন্য চরম ভীতিকর অবস্থা। দূরে কোথাও কোন যান্ত্রিক বাহনের শব্দ শোনামাত্র যে যার সামর্থ্য অনুযায়ী পোটলা-পুটলি নিয়ে নিজ বাড়ি ছেড়ে মাঠের দিকে, আঁখ খেত বা পাট খেতের দিকে ছুটে চলে।
এমনই এক ভীতিকর পরিস্থিতি নিয়ে কৌতুক। সবাই দৌড়াচ্ছে মাঠের দিকে। এক ষাটোর্ধ বুড়িকে দৌড়াতে দেখে এক ব্যক্তি তাকে থামালো, জিজ্ঞেস করলো, ‘ও বুড়ি, তুমি দৌড়াও কেন? তোমার কিসের ভয়?’ বুড়ি হাঁপাতে হাঁপাতে পাল্টা প্রশ্ন করে, ‘ক্যান বাবা, ওদের মদ্যি কি বুড়ো মিলিটারি নেই?’ গভীর কান্নাজড়িত এ কৌতুক বলে ও শুনে ক্ষণিকের অবসরে মুক্তিযোদ্ধাদের হো হো করে হাসির সাথে যে অশ্রুর বন্যা বয়ে যেত তা আজ বিশ্বাস করতেও কষ্ট হয়!
নাম-ধাম-চেহারা কিছুই মনে নেই, শুধু মনে আছে আমার সে তরুণ সহকর্মীর আতঙ্কিত মুখে মাখা সেই আতঙ্কটুকু। তার মুখে প্রথম যখন আমরা সেই কাহিনী শুনেছিলাম, তখন তার সম্ভাব্য বিপদের আশঙ্কায় কেঁপে উঠছিলাম সকলে। পরে সেই গল্প নিয়ে কতই না হাসাহাসি করেছি আমরা।
ব্যাপারটা হচ্ছে এই যে, গ্রামের বাড়ি কচুয়া থেকে কর্মস্থল চাঁদপুরে ফেরার পথে বাস থেকে নামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি করা হয়েছিল ঐ সহকর্মীকে। লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় মিলিটারির এক সেপাই তাকে বলে, ‘তুম সালা কেয়া করতা হ্যায়?’
‘হাম প্রফেসার হ্যায়, চাঁদপুর কলেজ মে নোকরি করতা হ্যায়।’
‘পেরফেসার ক্যায়া হ্যায়? কালেজ ক্যায়া হ্যায়?’
‘কলেজ কা মাস্টারকে প্রফেসর বোলতা হ্যায়, আউর কলেজ হ্যায় বহুত বড়া মক্তব।’
‘তুম সালা ঝুট বোলতা হ্যায়’।
‘নেহি, নেহি, আমি ঠিক বোলতা হ্যায়, আপ প্রিন্সিপাল কো পাস ফোন করিয়ে; ও বোলেগা আমি ঠিক বোলতা হ্যায়।’
‘পিন্সিপাল? পিন্সিপাল ক্যায়া হ্যায়?’
‘প্রিন্সিপাল বহুত লেখাপড়া জানতা হ্যায়, এম এ পাশ হ্যায়। ওহি তো কলেজ চালাতা হ্যায়।’
‘বহুত লেখাপড়া জানতা হ্যায়? এম এ ক্যায়া হ্যায়? ম্যাট্রিক সে বহুত?’
পাকি মিলিটারিদের বিদ্যার এই বহর নিয়ে কত যে হাসাহাসি হয়েছে তার কোন ইয়ত্তা নেই।
আর সে গল্প তো সবাই জানেন। ওই যে, লাইনে দাঁড় করিয়ে একের পর একেক জনকে একেক প্রশ্ন করছে পাকিস্তানী ক্যাপ্টেন। একজনকে বললো, ‘কলেমা বাতাও’। আতঙ্কিত সে ব্যক্তি বললো, ‘ইন্না লিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজেউন।’ ক্যাপ্টেন তখন পাশের জনকে জিজ্ঞাসা করলো, ‘এহি সালা, ইয়ে সাচ বাতায়া, না ঝুট বাতায়া?’ পাশের জনের ত্বরিত জবাব, ‘সাচ বাতায়া’। এবারে ক্যাপ্টেনের স্বগতোক্তি, ‘দূর সালে, হাম ভি তো কলেমা নেহি জানতা হ্যায়!’ এই হলো ইসলাম রক্ষায় নিয়োজিত পাকি ক্যাপ্টেন!
এমনই আরো অজস্র গল্পের সৃষ্টি হয়েছিল নয় মাসে, যেগুলো অনেক দিন প্রচলিত ছিল মুখে মুখে। একই সাথে হাসি আর কান্নার মিশ্রণ এই কৌতুকগুলো, যা আর কোন হাস্যরসে পাওয়া সম্ভব নয়। এই সব কৌতুক শুনলে হাসির সাথে ভীতিকর দিনগুলোও মনের পর্দায় ভেসে ওঠে। ধীরে ধীরে হাসিটুকু মিলিয়ে যায়, সেই দিনের কান্না এসে থমকে দেয় অন্তরকে, চোখ কেমন যেন কুটকুট করতে থাকে।
মনে পড়ছে, সেই দুঃসহ নয় মাস পেরিয়ে দেখা পাওয়া বন্ধুকে। নয় মাসে চেহারায় পরিবর্তন এসেছে প্রায় আর সকলের মতই, কিন্তু শুকনা-পাতলা গঠনের এই বন্ধুটির মোটা হওয়ার রহস্য বুঝতে না পেরে জানতে চাইলাম। সে বললো, ‘আরে শালা, পাছায় মিলিটারির লাথি খেলে তুমিও এমন মোটা হতে’। কৌতুকপ্রিয় এ বন্ধুর কথার পিছনে নিশ্চয়ই কোন গল্প আছে বুঝতে পেরে জানতে চাইলাম সে গল্প। সে গল্পেও পেলাম সে সময়ের হাসি-কান্নার সংমিশ্রণে গঠিত কৌতুক।
মফস্বল শহরের কলেজ শিক্ষক সে বন্ধুটি টাঙ্গাইলে এসেছিলেন মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য প্রয়োজনীয় কিছু তথ্য আর রসদ সংগ্রহের জন্য। ‘পড়বি পড় মালীর ঘাড়ে’, শহরে ঢুকতেই মিলিটারির সামনে। লরী থেকে লাফ দিয়ে নেমেই এক সিপাই তাকে ধরে, ‘সালা, এক মালায়ুন, এক মুক্তি মিল গ্যায়া’ বলে বসিয়ে দিল কয়েক ঘা। এর পরে আমার বন্ধুটি তাদের যতই বলে ‘হাম মুক্তি নেহি, হাম কলেজ কা প্রফেসার হ্যায়, দেখিয়ে এই হামারা ডান্ডি কার্ড, হাম মালায়ুন নেহি হ্যায়, মেরা আব্বা মসজিদ কা ইমাম হ্যায়, আমাকে ছোড় দিজিয়ে’ কিছুতেই তাদের মন গলে না। তারা বলতে থাকে, ‘তুম সালে প্রফেসার ঠিক হ্যায়, তুমহারা আব্বা মসজিদ কা ইমাম ইয়ে ভি ঠিক হ্যায়, মাগার তুম শালা মালায়ুন আছো, তুম সালা মুক্তি হ্যায়’। তার হাউকাউ শুনে তাদের অফিসার (সম্ভবত: লেফটেন্যান্ট) সামনের গাড়ি থেকে নেমে এসে উর্দু ইংরেজিতে কিছু আলাপ করে তাকে ছেড়ে দেবার নির্দেশ দিয়ে আবার তার গাড়িতে যেয়ে ওঠে। কী আর করা, সিপাই তো শিকার হাতের মুঠোই পেয়েও ছেড়ে দেবার বেদনায় তাকে উল্টোমুখী দাঁড় করিয়ে মুখে বললো, ‘যা ভাগ,সালা’, আর পাছায় সবুট পদে দিল জোরে এক লাথি। এই লাথির জোরেই নাকি বন্ধু আমার দিব্বি মোটাসোটা হয়ে উঠেছে!
বিজয়ের মাস আসন্ন। আনন্দের এ মাসে কিছু আনন্দ দেবার জন্য কৌতুক শুনাতে চেয়েছিলাম, বন্ধুগণ। কিন্তু তা পারলাম না তো! তাই মনে হচ্ছে, এ মাস শুধু আনন্দের হলে কতই না ভালো হতো! আমাদের দুর্ভাগ্য, তা হয় নি। এ মাস হাসি আর কান্নার, এ মাস একই সাথে অনেক কিছু পাবার মাস, অনেক কিছু হারাবার মাস। এত বেশি মূল্য দিতে হয়েছে এই মাসের হাসিটুকু পেতে যে, আমরা প্রায় নিঃস্ব হয়ে গেছি। চল্লিশটি বছর চলে গেল, আমাদের সে নিঃস্বতার জের টেনে চলেছি আমরা এখনও। আরও কতদিন এর জের টানতে হবে তা অনিশ্চিত।
মন্তব্য
জমিয়েছেন বেশ!
যুদ্ধের সময়কার আরো কিছু কৌতুক আছে। বড়দের মুখে শুনেছিলাম। সব মনে নেই। মনে পড়লে দিয়ে দিবো একটা পোস্ট।
------
এ মাসেই পেলাম প্রিয় দেশ, বাংলাদেশ!
আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালবাসি!
লেখকের মন্তব্য
নয়ন আছে ইতিহাসের অংশ হবার জন্য সদা প্রস্তুত! মোট কতগুলো পোস্টে নয়ন প্রথম কমেন্ট করেছে, সে হিসাব করা দরকার, আমার ধারণা, সেখানেও রেকর্ড।
আরও একটু বড় করবার ইচ্ছা ছিল, মনে পড়লো না আর। তা' ছাড়া একটু স্মৃতিকাতর হয়ে পড়লাম!
ধন্যবাদ নয়ন।
হাহাহাহাহাহাহা।
----
বাকীগুলো মনে পড়লে আরেকদিন দিয়ে দিবেন আর কি।
লেখায় ৭ দিয়ে গেলাম!
একদিন ঘুম থেকে উঠেই দেখতে চাই, সব ঠিক হয়ে গেছে।
লেখকের মন্তব্য
আহা! তা-ই যদি হতো!!
‘যা ভাগ,সালা’, আর পাছায় সবুট পদে দিল জোরে এক লাথি। এই লাথির জোরেই নাকি বন্ধু আমার দিব্বি মোটাসোটা হয়ে উঠেছে!

হুদা ভাই, মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে এ ধরনের গল্প আরো শুনতে চাই।
লেখকের মন্তব্য
ইচ্ছা করে, কিন্তু লিখতে পারি না।
প্রফেসরেরটা বেশি জোশ ছিল।
লেখকের মন্তব্য
এই জোশের পিছনে অনেক কষ্ট!!
ডিসেম্বার মাস আসলেই আমার মধ্যে কেন জানি একরকম বিষন্নতা কাজ করে।
আনন্দের বিষন্নতা/প্রাপ্তির বিষন্নতা কিংবা বেদনার।
অটঃ আনাফ ও ফ্যামিলি পেস্ট্রি কেক- গল্পের ভুল ত্রুটিগুলো ধরিয়ে দেওয়ার জন্যে অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া। শুভকামনা।
লেখকের মন্তব্য
একুয়া! বিষন্নতার মাঝেও আনন্দ আছে, আনন্দের মাঝেও আছে বেদনা!! সুখ দুখ দু'টি ভাই!!!
[দায়িত্ব মনে করেই করেছি, ধন্যবাদ আবার কেন ভাই?]
মারাত্মক! সপ্তডিঙায় চড়ে সোজা ফেবুতে! পোস্ট পড়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া হচ্ছে। শেষ অনুভবটা হলঃ এমন করে, চরমতম দুঃখের, কষ্টের, বিপদের মাঝেও এমন করে হাসতে আর হাসাতে কেবল বাঙালীই পারে।
লেখকের মন্তব্য
আমরা সেই জাতি "হাস্য মুখে অদৃষ্টেরে করবো পরিহাস!"
ধন্যবাদ ফয়সাল।
[নতুন প্রোপিক আজ এখন প্রথম দেখতে পেলাম, আমি দেরিতে কেন দেখলাম তা বুঝলাম না।]
বেশ হাসলাম। ডিসেম্বর মাস এলেই আমরা যেন নড়েচড়ে বসি। স্বাধীনতার কথা বলি, শুনি। আর বাকি ১১ মাস কি করি? তাই এবার আর স্বাধীনতার কথা লিখবোনা, যুদ্ধের স্মৃতি লিখবোনা। আপনার মতই হাসি, কৌতুক খুঁজে বের করবো।
লেখকের মন্তব্য
মুখে মুখে এমন হাসি-কৌতুক রচিত হয়েছিল অনেক। কালক্রমে হারিয়ে গেলেও চেষ্টা করলে কিছু উদ্ধার করা যাবে মনে হয়।
সুন্দর।

ভাল থাকবেন, হুদা ভাই, শুভকামনা সতত।
লেখকের মন্তব্য
শুভেচ্ছা ডাক্তার ভাই।
পাকি আর্মিদের জ্ঞানের অবস্হা তো দেখি একদম করুণ থেকে করুণতরও ছিল !
শেষ প্যারাটা চমৎকার লিখছেন, খুবই চমৎকার!
লেখকের মন্তব্য
আইয়ুব-ইয়াহিয়ার সামরিক শাসনের সময় পাকি আর্মি পৃথিবীর সেরা আর্মিদের অন্যতম বলে আমাদের ধারণা দেওয়া হয়েছিল। সেরার নমুনা তো দেখলাম সচক্ষে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সময়। প্যরেড করতে করতে এদের মগজ (বুদ্ধি) হাটুতে নেমে আসে।
শুভ কামনা কবি।
অনেক ত্যাগ ও রক্তে কেনা আমাদের এই স্বাধীনতা।
আমাদের খামখেয়ালীপনায় বিবর্ণ হয়ে পড়ে অনেক অর্জন আমাদের।
লেখকের মন্তব্য
আমাদের খামখেয়ালীপনায় বিবর্ণ হয়ে পড়ে অনেক অর্জন আমাদের।
অত্যন্ত বাস্তব।
এইটা কমন পড়েছে! হুররে!!
হুদা ভাই কেমন আছেন??
লেখকের মন্তব্য
এই তো ভাই, আছি এক রকম। কেটে যাচ্ছে, রক্ত বেরুচ্ছে না!
তোমার দিনকাল কেমন চলছে?
ধারালো ছিলো না বোধহয়!
লেখকের মন্তব্য
ধারালো না হলে কাটে কেমনে?
কেটে রক্ত বের করে ফেলার মত ধার ছিল না।
---
আপনি আকাশগঙ্গা কে প্রশ্ন করলেন, "তোমার দিনকাল কেমন চলছে?"
এখন উনি যদি উত্তর দেয়, চাক্কা নাই, চলব ক্যাম্নে?
আমি অপেক্ষা করিতেছি তাহার উত্তরের আশায়।
লেখকের মন্তব্য
চাক্কা নাই, চলবে ক্যাম্নে?
হা হা হা! নয়নের মতই নয়ন!!
মজা পেলাম খুব!!!
ভাই তেলের দাম বাইড়া গেছে, গাড়ি চলবে কেমনে??????

লেখকের মন্তব্য
তবু থেমে থাকে না কভু পথ চলা
চলেছিল, চলছে, চলবে, চলবেই
তেলের যতই দাম বাড়ুক না কেন
থামবে না এ চলা পিছু থেকে ঠেলবেই!
নুতন লেখা কোথায়? চাই চাই চাই।।।।
লেখকের মন্তব্য
কিছুক্ষণ আগে দিয়েছি একটা। তাগিদ দেবার জন্য ধন্যবাদ।
কেমন আছেন নাজমুল ভাই?
আপনাকে আমার ইচ্ছার কথা সম্ভবত আগেই জানিয়েছিলাম।
আপনার এই ভিন্নধর্মী পোস্টটা চতুর্মাত্রিকের বইমেলার সংকলনের জন্য নমিনেইট করতে চাইছি।
এই ব্যাপারে আপনার মতামত আগে জানতে ইচ্ছুক।
------------

চতুরের নতুন লে-আউটে এখনও খাপ খাওয়াতে পারছি না।
অসুবিধা হচ্ছে অনেক।
লেখকের মন্তব্য
ভালোই আছিরে ভাই! যেমন থাকার তেমনই আছি!
লেখাটা কী অত ভালো? নমিনেট করায় তো কোন দোষ নেই, যে কেউ যে কারো ভালো লাগা পোস্টের জন্য লিঙ্ক দিতে পারবে।
চতুরের এই লে আউটের সবচেয়ে বড় মন্দ দিকটি হচ্ছে, আমি যে সব পোস্ট পড়ে মন্তব্য করেছি সেগুলো দেখতে পাবার সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা। অন্যগুলো হয়তো আস্তে ধীরে সহনীয় হয়ে উঠবে।
শুভ কামনা।
মন্তব্য করুন