নুশেরা-এর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

আমার কন্যা অপনার আঁকাআঁকির হাতেখড়ি বছর দুয়েক বয়সে; বলপেন মুঠোয় পুরে। প্রিয় ক্যানভাস বাংলা অ্যাকাডেমির ইংলিশ টু বেঙ্গলি ডিকশনারি।

-
-
মাধ্যম: জলরং
আত্মপ্রতিকৃতি
-
-
মাধ্যম: মার্কার
চশমাপরা এই কার্টুনটা নাকি তার মা!
-
-
মাধ্যম: ম্যাগনেটিক বোর্ড। অক্ষর-পরিচিতির সঙ্গে সঙ্গে চিত্রকর্মের খানিকটা বর্ণনাও এসেছে; একই ছবিতে দিনরাত একাকার!

-
-
মাধ্যম- কম্পিউটার
সাত্ত্বিক নামের অদেখা এক বন্ধুর সঙ্গে খেলা
-
-
মাধ্যম: ড্রয়িং পরীক্ষার খাতায় ক্রেয়ন
টুপির চেয়ে টুপির মালিককে আঁকাই যখন বেশি গুরুত্বপূর্ণ
-
-
ক্যাটারপিলারটা নাকি রংধনুতে গোসল করে এসেছে। ডিম রাখার বাক্স কেটে ত্রিমাত্রিক মডেলও তৈরি করেছে।
-
-
-
ক্লাসে হাঁস আঁকা শেখানো হয়েছে বহু কসরৎ করে। প্রথমে লম্বা একটা S, তারপর মরালগ্রীবা রাজহংসী। শিক্ষিকার পরিশ্রমের কানাকড়ি মূল্য না দিয়ে নিজস্ব কায়দায় তিনটি হাঁসের পুরো পরিবার এঁকে দিয়েছে। হাঁসের ঘরবাড়ি থাকবে না, তা তো হয় না!
-
-
ফুলসহ ফুলদানির আবার একটা ছোট বাচ্চাও আছে
-
-
এমন বর্ণময় বিড়াল কে কবে দেখেছে! তার আবার বাচ্চাও আছে, বন্ধু হিসেবে আছে হাঁস।
-
-
যেমন মাছ তেমন ইঁদুর তেমন প্রজাপতি! ছয়-পা-বিশিষ্ট ইঁদুরের সামনে পনিরের টুকরো দেয়া হয়েছে; টম অ্যান্ড জেরি থেকে পাওয়া শিক্ষা।
-
-
আঁকতে দিয়েছে ঘর, যদিও ঘরের বাসিন্দাদের ছবি আর নামকরণেই তার আগ্রহ বেশি। তাই ছবিটা রঙিন করার সময় মেলেনি।
-
-
বলে নেয়া দরকার, ড্রয়িং পরীক্ষায় অপনা পাশ করেনি 
মন্তব্য
হা হা হা হা হা
নুশেরাপু, আপনার মেয়েও আপনার মতো হবে, কুছ পরোয়া নেহি।
লেখকের মন্তব্য
ও ওর মতো
কেন পাশ করেনি! এতো ভীষন অন্যায়।
পাশ>পাস হবে।
লেখকের মন্তব্য
ভালো আঁকেনি, তাই ফেলটুস
সব কয়টা ছবি সুন্দর! আমার অবশ্য হাঁসের ছবিটা পছন্দ হইছে বেশি।
লাভ ইউ মামণি!
লেখকের মন্তব্য
বিড়ালের সাথে হাঁসের ছবি খেয়াল কর। সাইড ফেইসেও দুই চোখ একসঙ্গে দেখা যায়
হাঁসগুলো খুবই ভালো লেগেছে। কিন্তু আপনার চেয়ে হাঁস, আমাদের ভালো লাগানো কি সম্ভব!
ছবিগুলো বড়ই চমৎকার।
ভাগ্যিস আব্বু-আম্মু আমার পিচ্চিকালের ছবিগুলা সংগ্রহে রাখেন নাই। তাইলে এখন দেইখা আমিসহ সবাই ভিমরি খাইত!
লেখকের মন্তব্য
সবগুলো ছবিই অনেক সুন্দর।
ভবিষ্যৎ একেবারে ফকফকা!
মা কা বেটি!
অপনার জন্য অনেক আদর আর ভালবাসা!
---------------------------
ভাল থাকুন অবিরত!!
লেখকের মন্তব্য
আসলেই ফকফকা
আপনিও গেইটলক ভালো থাকুন, নয়ন
পুরাই মুগ্ধ!!!
আপনার মতো অপনাও সেরা!!
অপনা শব্দের অর্থ কি?
লেখকের মন্তব্য
থ্যাঙ্কু মেকানিক্স! অপনা মানে হলো আপন। প্রাচীন বাংলা শব্দ এটা; মূলে সংস্কৃত অপণা থেকে এসেছে, হিন্দিতে যার রূপ হলো "আপ্না"
পাশ ফেলের থোরাই কেয়ার করে অপনা! কেমন সুন্দর রংধনুতে গোসল দিয়েছে শূঁয়োপাকাটিকে! বস্ততে না মানুষই যার প্রধান আকর্ষণ তাকে পাশ করাবার জন্য তেমনই মানুষ চাই যে!!! অনেক শুভ কামনা অপনার জন্য।
লেখকের মন্তব্য
পাশ' বানানটি ভুল নাকি আপু? আয় হায় সারা জীবন দেখি ভুল বানানেই পুলসেরাত পার হইছি
,,,,,,,,,,,,আবারও কেন আসলাম জানেননি? এক, অপনাকে আমার সবচে' পিয় ইমুটা দিতে
( মনে হয়না, জীবন বাজি রাখছে গিটার বাজাতে? বাজানি থামাইলেই রোজকেয়ামত!)
এইটাও পিয় আমার। দুই,
শ্রেষ্ঠ বাঁচাল দলে নাম লেখানির একটা দৌড়ে আছি আমি। আপনেদের জ্বালায় পারবো কিনা জানিনা। আজ তো ছুটি ধুমাইয়া করবো দেখি কী আছে কফালে
লেখকের মন্তব্য
পাশ/পাস দুরকমেই তো লেখা হয়। কৃতকার্য অনেক কঠিন প্রতিশব্দ
গিটারের যন্ত্রণায় ঘরে অস্থির, ভাগ্যিস চেরাগালিরটা বোবাটকি
বাচালতা ভালু পাই, মাইনষে কেম্নে মুখ বুইজা থাকে!
একদম ঠিক কথা! 'মুখবুঁজে থাকাকে না বলুন।'
আপু শ্রেষ্ঠ বাঁচালদের একটা তালিকা দেখতাম নীড়পাতার বা'পাশে। এখন দেখিনা কেন? আমার ডরে বাক্স-পাটরা গুছাইয়া পলাইলোনি 
লেখকের মন্তব্য
নিজের অ্যাকাউন্টে কোনখানে যেন ফিক্স করা যায় কোন্ বাক্স দেখবো কোনটা দেখবো না। সেখানে গিয়ে অতিশীঘ্র বাক্স ফিরায় আনো
নুশেরাপুউউ এখন 'আমি সব দেখতে পাচ্ছি! আমি সব দেখতে পাচ্ছি!'

অনেককককক ধইন্যা
লেখকের মন্তব্য
আম্রার আমলে ক্যাম্পাসে কুনু জুটি একসাথে বসলেই চারপাশ থিকা এই ডায়লগ আসতো
অপনা এঞ্জেল-কে অনেক অনেক আদর!
খুব ভালো লাগলো ছবিগুলো দেখে!
ড্রয়িং এ আমিও ফেল করসিলাম!
ফেল করে ছোটোবেলায় সে কি কষ্ট আমার!
লেখকের মন্তব্য
আদর পৌঁছে দেয়া হলো!
ওর পাশ-ফেলের বোধ নেই, তাই হয়তো কষ্ট পায়নি
আমি লাইফে একটা পরীক্ষাই বেশি ভয় পাইতাম সেইটা হচ্ছে ড্রয়িং! বাকি সব কিছুতে প্রথম ৭ এর মধ্যে মার্কস রাখার মত ছিলো [ম্যাথে আবার হাইয়েস্ট ও পাইতাম ভালুই
] কিন্তু এই খানে আইসা সি পাইতাম!

যা আঁকতাম আমি না বইলা দিলে স্যার বুঝত না আমি আসলে কি আঁকছি! স্যাররে দুষ নেই কেম্নে!
অপনা মামণীকে এ প্লাস দিলাম!
আমার তো কিউট লাগল! ক্যাটারপিলার এর টা বেশি ভালো লাগছে
লেখকের মন্তব্য
বুঝছি, রতনে রতন চিনছে
কিউট সোনামণিটার জন্য এত্ত এত্ত আদর আর শুভকামনা
লেখকের মন্তব্য
আপনার জন্যও শুভকামনা অনেক
ছবি তো ছবি সাথে অপনার মায়ের বর্ণনা।
তাদের জগতটা এত বৈচিত্র ভরা ইচ্ছে করে উঁকি দিয়ে দেখি, আমরাও কি পার করেছিলাম এমন সময়...... মনে হয় না।
লেখকের মন্তব্য
ইশ, এই সেদিনের মেয়ে, গডমাদারশিপের পর থেকে কী মুরুব্বি -মুরুব্বি ভাব নিচ্ছে!

আমার আঁকাআঁকির হাত অনেকটা ওর মতই

লেখকের মন্তব্য
লেখকের মন্তব্য
ছবিগুলা দেখে অনেক মজা লাগলো।

বাবুটাকে অনেক অনেক আদর!
লেখকের মন্তব্য
আদর পৌঁছে দেয়া হলো। অনেক ধন্যবাদ দূরদ্বীপবাসিনী!
যে মাস্টার নাম্বার কম দিয়েছে তাকে ধিক্কার। বাচ্চাদের কল্পনা শক্তি অসাধারণ। এত সাবলীলভাবে আঁকা বুড়োদের পক্ষে সম্ভব না। অনেক আদর আপনার মেয়েকে।
পিএনজি ফাইল পেইন্ট এ খুলুন। তারপর save as গিয়ে JPG হিসেবে সেইভ করেন।
লেখকের মন্তব্য
বিশাল ধন্যবাদ অবয়ব; দুটো ছবি দিয়েছি আপনার পরামর্শ অনুযায়ী
বাচ্চাদের কল্পনাশক্তির কাছে সবকিছু তুচ্ছ। অপনাকে অনেক আদর। আমি গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি, চশমা পরা পুতুল দেখে আপনি যত আনন্দ পেয়েছেন পৃথিবীর সবচেয়ে দামী ক্যামেরা দিয়ে তোলা সুন্দর ছবিও আপনালে এত আনন্দিত করতে পারবে না
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ আরিশ, সত্যিই মজা পেয়েছিলাম ওর কাণ্ড দেখে
খুব ছোটবেলায় আমার আঁকা আঁকি নিয়ে মামনির এমন গুছিয়ে রাখা ছিল শুনেছিলাম নানুর কাছে।
তোমরা মায়েরা কি ভিষণ ভালো হও! কেমনে হও!
অপনার চারুকারু সবগুলোই সুন্দর। আর হাঁসের পরিবারতো আমার একটু বেশিই পছন্দ হয়ে গেছে।
অপনাকে অনেক অনেক আদর
লেখকের মন্তব্য
মায়েদের অনেক কিছু পারতে হয়, বাচ্চারাই সেটা শিখিয়ে দেয়
থ্যাঙ্কু ত্রেয়া!
অপনার আঁকা ছবি দেখে অপনাকে আরও আপন মনে হচ্ছে। তার মায়ের ছবিটা এঁকেছে খুবই সুন্দর। অপনাকে অনেক আদর।
নুশেরার নতুন ধরনের এই পোস্ট পড়ে ও দেখে আনন্দ পেলাম অনেক।
লেখকের মন্তব্য
আপনি ফিরেছেন হুদাভাই! কী অবস্থা, বাদলভোগান্তি কমলো কিছুটা?
স্কুলজীবনের সেই ভয়ংকর দিনগুলোর কথা মনে পড়ে গেলো।
শশমা পরা আমার আপারে দেখতে খুব ভালো লাগছে।
অপনা মামাকে একবস্তা আদর।
লেখকের মন্তব্য
বস্তার রশি টাইট কইরা বান্ধা, খুইলা দাও
যম গিট্টু লাগাইলো কে? দুলাভাই মনে হয় পয়লা খুলার চেষ্টা করছিলো।নেন খুইলা দিসি।

লেখকের মন্তব্য
সবগুলি ছবিই চমৎকার ফুলদানীর বাচ্চার ছবি দেখে হাসতে হাসতে গড়িয়ে পড়ছি। কি দারুণ সামাজিক মাথা এই পুচকে বয়সেই।
ছবির পাশ/ফেল কিসের উপর নির্ভর করে, হুবহু আঁকা নাকি ক্রিয়েটিভিটি? যারা অপনাকে পাশ দেয়নি তারা নির্ঘাত ক্রিয়েটিভিটিকে ইগনোর করছে।
লেখকের মন্তব্য
অপনার সবকিছুতেই একটা মা টেনে আনা চাই। ধরেন চিপস খাচ্ছে, একটা বড় চিপস হবে ছোট্ট ভাঙা টুকরাটার মা। সন্ধ্যাবেলায় বলবে, মা-সূর্য বাবু-সূর্যকে নিয়ে মেঘের লেপ গায়ে দিয়ে ঘুমাতে গেছে।
পরীক্ষার প্রশ্ন বোঝে না তো। কোন্ কোন্ অপশন থেকে কী আঁকতে হবে, কোনো মাথাব্যথা নাই। যা খুশি যতোবার খুশি এঁকে দেয়, লিখে দেয়
কালকে বাসায় গিয়ে দেখি ওশিন আর্ট পেপারে ছবি আঁকতেছে। ওদের স্কুল থেকে নাকি গ্রামের বাড়ীর ছবি আঁকতে দিছে। গ্রামের বাড়ীতে গেছে মাত্র দুবার। তার মধ্যে যা মনে আছে তার মধ্যে, দুটো পুকুর, পাশাপাশি দুটো বাড়ী, বাড়ীর সামনে কয়েকটা মুরগী, দুটো পুকুর, ইত্যাদি। কিন্তু মজা হলো গাছ আঁকতে গিয়ে। দুটো গাছ একেছে সে। সবুজ দুটো গাছ। একটাতে গোল একটা লাল ফল। আরেকটা গাছে ছোট ছোট অনেকগুলো হলুদ ফল। জিগাইলাম, এগুলা কি। গম্ভীর হয়ে বললো, আপেল আর আঙুর গাছ।

লেখকের মন্তব্য
বাহ্ চমৎকার! ওশিনের আঁকা ছবি ব্লগে দেবেন তো।
আপনাদের বাড়িতে আসলেই আছে নাকি ওসব গাছ? অপনার দাদার আবার খুব গাছের শখ, বাড়িতে এগুলোও আছে
গুণী মায়ের গুণী মেয়ে
অপনার জন্য শুভকামনা
লেখকের মন্তব্য
থ্যাঙ্কু কবিভাই, গুণ ঘুণ হয়া ঝর্তেছে
আমি নিজেও ড্রয়িংয়ে খুবই খারাপ ছিলাম, কিন্তু সত্যি, অপনার যতটুকু কনসেপ্ট আছে ছবি আঁকার ব্যাপারে (অন্ততঃ এখানে দেয়া ছবিগুলোতে যতটুকু দৃশ্যমান) আমার তার সিকিভাগও ছিলো না। থাকলে মনে হয় না এত ভুগতাম। খুবই ভালো লাগলো ছবিগুলো, বিশেষ করে রঙের ব্যবহারটা। আসলেই চমৎকার!
লেখকের মন্তব্য
ভেবুরে
অপনার ছবিগুলো কিন্তু আমার কাছে ভালো লেগেছে
---
শেষ লাইনটা পড়ে মনে হলো টিচারের চশমার পাওয়ারে গোলমাল আছে
লেখকের মন্তব্য
আসলে পরীক্ষার প্রশ্নের বিশেষত্বটা ও সেভাবে বোঝে না তো। যেটা খুশি যতোবার খুশি এঁকে দেয়, লিখে দেয়
, ইচ্ছে হলো তো কিছুটা খাতায়, আবার কিছুটা প্রশ্নেও লেখে-আঁকে 
মাশাল্লাহ কি কিউট সব পিক আপুনি
লেখকের মন্তব্য
খুবই ভাল লাগল তার প্রচেষ্টা। বিশ্ব জয় করুক সে
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ রাজিন, নিজেকে জয় করুক সেই দোয়া করবেন
বাপরে! বাচ্চাদের ছবি আঁকার আইডিয়া দেখে আমি বরাবর মুগ্ধ হই... কেমনে পারে? অপনার ছবিতে রং এর ব্যবহার দেখে অনেক মজা লাগলো। আমার সাথে ওর দেখা হলে আমার একটা চশমা পরা পোট্রেট করে দিতে বলতাম। আপ্নার ইস্কুলের জামা পরা ছবিটা কঠিন আঁকছে...
... আর হাঁসগুলা, ক্যাটারপিলারটাও সুন্দর... ছবিতে নামকরণগুলা ওর নিজে লেখা? তাইলে বলতে হয় হাতের লেখাও সুন্দর। আমার তরফ থেকে এক বাক্স আদর ওর জন্যে।
লেখকের মন্তব্য
তোমার ছবি দেখাবো, পোর্ট্রেট করে দেবে এক মুহূর্তে!
অপনার হস্তাক্ষর আর বানানরীতি-- দুইটাই জটিল
খুব সুন্দর এঁকেছে তো। অপনার জন্য অনেক অনেক ভালোবাসা।
লেখকের মন্তব্য
যাক, গুণী গ্রাফিক ডিজাইনারের প্রশংসাপত্র মিলেছে
কতো যে আঁকিবুকি শিখতে চাইলাম
বাপ-মা যে ক্যান শিখাইলো না 
লেখকের মন্তব্য
আমি চাইসিলাম চারুকলায় পড়তে। ভর্তি পরীক্ষাই দিতে দেয় নাই
আমি অর্থনীতি পড়তে চাইছিলাম।

পেন্সিলটা টেপ দিয়া জোড়া দিয়ে দিলেই শিখতে দিত। পেন্সিল ভাংগা হলে কি আঁকা যায়?
লেখকের মন্তব্য
পেন্সিলের ভাঙা শীষ স্কচটেপ দিয়া জোড়া লাগানির চিন্তা রোবোটের পক্ষেই করা সম্ভব
ওলে ওলে, কি কুট্টুস সোনা!
অপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা...
হাঁসের পরিবারটা দেখে অদিতি আপুর প্রোপিকটা মনে পড়ে গেলো
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ ঊর্বশী! অদিতির প্রোপিকটা দেখে আমারও মনে হয়েছিলো, আরে এটা তো অপনার হাঁস
ইশ! আরেকটু হলেই কি যে মিসাইতাম! দৌড়ের উপর আছি ক'দিন ধরে, এর মধ্যে এইমাত্র ইট্টু সময় চুরি করে ঢুঁ মারলাম, আর তাতেই কেল্লা ফতে! অপনার সবগুলো ছবি এত্ত সুন্দর হইসে, যান, ওরে একটা গিফটু দিলাম -
অপনা দ্য ভিঞ্চি !
লেখকের মন্তব্য
নামটা ব্যাপক পছন্দ হয়েছে!
দৌড়াদৌড়ি থামুক, সুন্দর সুন্দর লেখায়-মন্তব্যে ভরিয়ে ফেলেন চতুর!
অপনা'র জন্য শুভেচ্ছা থাকল। বড় হয়ে নিশ্চয় আঁকিয়ে হবে।
(ওর একটা ভাল ছবি চাই)
লেখকের মন্তব্য
মানুষ হোক, এই দোয়া করবেন উদরাজীভাই
ওর ভালো ছবি বিপিএস-এর ফটোগ্রাফাররা কিছু তুলে দিয়েছিলেন সুন্দরবনে, আহা, দেখার মতো!
অপনা নিঃসন্দেহে আমার চেয়ে অনেক ভাল ছবি আঁকে!
অপনাকে হাজার তারার একটা রাত উপহার দিলাম---
লেখকের মন্তব্য
আহা, সে যদি কোনোদিন মামার মতো লিখতে-গাইতে-বাজাতে পারতো!
বাপ্পার "তোমার জন্য তারার মুকুট" আর আবদুল জাব্বারের "তারা ভরা রাতে" মনে পড়ে গেলো
১। আমার তো আঁকাআঁকি ভালোই লাগলো। কোনদেশী টিচার?
২। হাতের লেখা যদি অপনার হয় তাহলে বলতেই হবে বয়স হিসেবে খুব ম্যাচিউর্ড লেখা।
৩। ইয়ে মায়ের ছবিটা কি খোমাখাতায় প্রোফাইল পিক হিসাবে দেয়া যায়?
লেখকের মন্তব্য
১. বাংলাদেশের স্কুল, দেশী শিক্ষক।

২. ওর হাতের লেখা হলো-- ম্যাগনেটিক বোর্ড, বিড়াল, আর ঘরের সাথে যেগুলো। নিশুতিরাতের চিঠির কমেন্টের পর আরেকটা নমুনা দিছি
৩. অতি উত্তম প্রস্তাব! তয় এই বুড়াকালে কার্টুনের পিক দেয়াটা...
১। হুমম, ১০ এ ৬ আর গুড লেখা দেখে সনদেহ হয়েছিলো। বাংলা ১ম পত্র স্টাইলের মার্কিং।
ছবি গুলা দেখে মন খারাপ হচ্ছিলো, কিন্তু শেষে এসে মন ভালো হয়ে গেলো, যখন দেখলা সে পরীক্ষায় পাশ করেনি। পৃথিবী শ্রেষ্ঠ আঁকিয়েদের বেশীর ভাগ-ই তো জানেন স্কুলে কেমন ছিলো। আপনার এই সন্তান এক দিন অনেক বড় শিল্পী হবে, আমার ছোট বেলার গুরুর মত কেউ এক জন হবে।
লেখকের মন্তব্য
প্রিয় অহরনীশ, আপনার মন্তব্যটি অন্তর স্পর্শ করলো! আপনি সুলতানের শিশুস্বর্গের শিষ্য বুঝি? আমার কন্যাটি মূলধারার শিশুদের চেয়ে অনেক আলাদা (অথবা পিছিয়ে)। তার জন্য আপনার শুভকামনা মাথা পেতে নিলাম।
জ্বি, তবে আমি তার পাপী শিষ্য, সবাই যেত দীক্ষা নিতে, আমি যেতাম তার দেয়া খাবারের লোভে। তিনি মারা যাবার পর আমার আর ও পথে পা বাড়ানো হয়নি। যা হোক, "আমার কন্যাটি মূলধারার শিশুদের চেয়ে অনেক আলাদা (অথবা পিছিয়ে)।" এই কথার মানে বুঝিনি। তবে আপাত দৃষ্টিতে যা মনে হয়েছে, তার প্রেক্ষিতে কবি জয় গোস্বামীর ছেলেবেলার কথাটা বলি। উনি ছেলেবেলায় বেশ অসুস্থ ছিলেন, স্কুলে যেতে পারতেন না। তাঁর মা প্রায় বলতেন, "তুই তো পিছিয়ে যাচ্ছিস রে জয়"। পরিণত বয়সে জয় একদিন স্বগোক্তি করলেন, "আমি ঠিক কতটুকু পিছিয়ে আছি মা!!!" আপনার সন্তান ঠিক কতটুকু পিছিয়ে আছে?
লেখকের মন্তব্য
এখনো যদি ছবি আঁকার চর্চা করেন তবে চতুরে শেয়ার করার অনুরোধ রইলো। আরো চাই শিশুস্বর্গের স্মৃতিচারণ।
দেবশিশু চিরশিশু থাকে না-- এর বাইরে আর কী বলা যায়! এটা পড়তে পারেন সময় থাকলে। ধন্যবাদ, অহরণীশ!
আসলেই মন ভালো হয়ে গেল ছবিগুলো দেখে। শিশুদের চাইতে বড় যাদুকর পৃথিবীতে আর নেই, হাজারো সমস্যার মধ্যে এক নিমেষে মনে শান্তি এনে দেয় আমাদের শিশুরা। অপনা মায়ের জন্য আকাশজোড়া ভালোবাসা
লেখকের মন্তব্য
আপনার সাত রাজার ধনমানিক মামণিদের ছবি শুধু দেখি আর দেখি, আশ মেটে না
অপনা মামণি'র জন্য সাত সমুদ্দুর তের নদীর ওপার হতে ভালবাসা!
লেখকের মন্তব্য
সাত সমুদ্দুরের ওপারের খালামণিটার জন্যও অপনার

ভাল আঁকিয়ে তো মেয়েটা । এ বয়সে আমি এরকম পারবো না। শুভ কামনা রইলো তার জন্যে।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ হালিমভাই। নতুন গল্প চাই তাড়াতাড়ি।
অনেক সুন্দর। কিভাবে এর প্রশংসা করবো বুঝতে পারছি না। আপনার কন্যার কাছেই আমার ছবি আকা শিখতে হবে বুঝতে পারছি।
অনেক অনেক দোয়া আমার ভবিষ্যত টিচারের জন্য
আপনার মত একজন ব্লগারের পোষ্ট এ মন্তব্য করতে পেরে, নিজকে ধন্য মনে করছি।
ভালো থাকবেন আপনি।
লেখকের মন্তব্য
হাহাহা, খুবই মজা পেলাম মন্তব্যে।
আমার ব্লগে স্বাগতম, নদী! ধন্য হবার কিচ্ছু নেই, এভাবে বলবেন না প্লিজ, সবাই এখানে সহব্লগার-চতুর।
চুটিয়ে লিখতে থাকুন, দেখা হবে
দু'দিন আগেই দেখেছি , মুগ্ধ হয়ে দেখে গেলাম কয়েকবার।দারুণ দারুণ সুইট ছবিগুলো , স্পেশালি ছবিগুলোর থিম
পিকাসোর কিউবিজম পাশ করাতো কোন স্যার ?
আদর থাকল আপনার মেয়ের জন্য
ওহহ , বানানরীতির অভিনবত্ব দেখে তব্ধা
))
লেখকের মন্তব্য
হাহাহা, একেবারে পিকাসো পর্যন্ত চলে এলো!
অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া।
এমনি রাজশাহী এসে মুগ্ধ হয়ে আছি তার পরে এমন ছবি দেখে ভাষা হারিয়ে ফেলেছি, মেয়েটা হাজার বছর বেচে থাকুক আর আমাদের মুখ উজ্জ্বল করুক। নুশেরাপু খুব ভালো লাগছে দেশে এসে।
লেখকের মন্তব্য
শুভ স্বদেশপ্রত্যাবর্তন মারজুক!
শিগগির নতুন লেখা চাই দেশে ফেরা নিয়ে।
মা হিসাবে আপনি দেখলেন তার ব্যর্থতাগুলাই, সৃজনশীলতাগুলা চোখে লাগ্লো না।
ততদিন আমি নিজে বাঁচলে দেখতে পারতাম- সৃজনশীলতায় সে আপনারে অতিক্রম করসে।
লেখকের মন্তব্য
কী কারবার জুলিদা, আপনে আমার মেয়ের গপ্পের বই থেকে প্রোপিক নিছেন
আমার এক আত্মীয়াকে ছোটকাল থেকে দেখে আসছি, সারাক্ষণ নিজের ছেলেমেয়ের সুনাম। ওরা এতো ভালো, ওরা এতো পড়াশুনা করে... ওদের এই গুণ সেই গুণ... একদম ত্যক্ত হয়ে গেছিলাম ফুল ফ্যামিলিসুদ্ধা। তখনই ঠিক করছিলাম নিজের পুলাপানের কুনু সুনাম করুম না। তয় না কইরাও থাক্তে পার্লাম কই
দোয়া কইরেন অপনার জন্য।
মেয়েরে দুই একটা প্রশংসা বাক্য বলেন তো? আমার জানা মতে মায়েরা অতটা কঠিন হন না।
দোয়ায় কাজ হইলো কিনা দেখতে অত ্দীর্ঘ আয়ু পামু না।
লেখকের মন্তব্য
আমার মেয়ের হাসি পৃথিবীর সেরা হাসি, আর কিছু লাগে?
অপনা সবচেয়ে সার্থকভাবে এঁকেছে তার মায়ের ছবি!
আপনি সেই শিল্পকর্মকে কার্টুন বলে অবমূল্যায়িত করায় আপনাকে মাইনাচ! আর শিল্পী অপনার জন্য অনেক শুভেচ্ছা ও আদর!!!
লেখকের মন্তব্য
আপনাকেও মাইনাচ, নতুন লেখা না দিলে
বাবুটাকে অনেকগুলা চকলেট আর আদর দিয়া যাই ...
লেখকের মন্তব্য
বাবুরে দিছেন বৈলা বাঁচলেন, থ্যাঙ্কু! আমারে দিলে অন্য কিছু কৈতাম
আমার চে অনেক ভালো আর্টিষ্ট মামণি

তবে আমার মেয়ের সাথে কম্পেয়ার করে দেখা যেতে পারে - কারণ সেও আমার চে অনেক ভালো চারুকারু করতে পারে
লেখকের মন্তব্য
আপনার মেয়ের আঁকা তার বাবার পোর্ট্রেট দেখান
ছবি আঁকায় কোন পাস ফেল নাই। সব ছবিই ঠিক। ছবির কোন ভুল হয় না। টিচারগুলো এত্ত বোকা! এত সুন্দর সব ছবি, ফেল দিয়ে বসেছে।
আমি ছোটবেলায় ড্রয়িং এ সবসময় ২৫/২৫ পেতাম। আমার পিচ্চিবেলার ছবিগুলো সব একটা বিশাল ফাইল এ রেখে দেয়া আছে। এখন তো আর আঁকি না। ওইদিন স্কুলের বাচ্চাদের আর্ট এক্সাম দিতে দেখে এত লোভ হল! সবাই কি মনযোগ দিয়ে এত এত সুন্দর সুন্দর ছবি আঁকছে। ওইদিনই গিয়ে এক বাক্স রঙ কিনে নিয়ে এসছি, আবার আঁকবো বলে। একখানা ছবি এঁকেওছি। তারপর লজ্জায় শেষ। আগের মত কি আর হয়!
লেখকের মন্তব্য
বাহ্ বেশ তো, বড়বেলায় আঁকা সেই ছবিটা পোস্ট করে দিন না ব্লগে! আমার স্কেচ করার অভ্যাস ছিলো, একবার জরুরি মিটিংয়ের মধ্যে বড় বসের মুখ এঁকে ভুলে প্যাডটা কনফারেন্স রুমে ফেলে এসেছিলাম। সেই বস্তু গিয়ে পড়লো মেজবসের হাতে, কী ভীষণ ধরা!
Shobgulaa Pic.ei valo Masterder aktee dilee dekhben namber-o pabe nah... Ar amder Mama ta to 10-e 6 Picee Mama ta Jibone anek Boro Hook Ei doai Kori
লেখকের মন্তব্য
থ্যাঙ্কু রোমান

ফুলদানীর সাথে ফুলদানীর বাচ্চা

লেখকের মন্তব্য
=========
আমার ব্লগে স্বাগতম, ফটিক!
অপনা মনিকে আদর!
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ ফ্লোরা। আমার ব্লগে স্বাগতম
ওহ্!!! শিল্পী'র চিত্রকর্ম জোস লাগলো (তিনি অন্তত দাদা-ইজমের গ্রান্ডমাস্টারদের চে অর্থবহ এবং সুন্দর একেছেন)...
শিল্পী'র জন্য একরাশ শুভকামনা।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ মামুন!
দাদা-ইজমের গ্রান্ডমাস্টারদের তো চিনি না
এক কথায় অসাধারণ........ ওর জন্য অনেক শুভ কামনা.......
লেখকের মন্তব্য
আপনাকেও শুভেচ্ছা
হাহহাহা, প্রতিভাবতী মায়ের প্রতিভাবতী কন্যা দেখছি। আপনার চশমা পরা পোট্রেইটটা তো দারূন এঁকেছি দেখছি। ত্রিমাত্রিক ক্যাটারপিলার মডেলটা দেখে বুঝা যায় এ মেয়ে সহজাত শিল্পী। অনেক বড় হবে সে, একেবারে নিশ্চিত।
লেখকের মন্তব্য
আহা, সত্যিই যদি তাই হতো!