নুশেরা-এর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

পাকিছ্যাঁচা এবং অন্যান্য
।।১।।
।।২।।
লিটনদা চলে যাবার পর মেহমানদের থাকা-খাওয়া, গাড়ির বন্দোবস্ত থেকে শুরু করে সন্ধ্যার ফ্লাইটে ঢাকা ফেরার সবকিছুর দেখভাল করতে হয়। চাকরি করি বলে এগুলো না করে উপায় নেই। কিন্তু এ ধরণের প্রোটোকল ডিউটি করার সময় বরাবরই নিজের কপাল অথবা অজানা অন্য কাউকে কষে গালি দিতে ইচ্ছে হতো।
এমসি কলেজে ফোন করে প্রিন্সিপালের সঙ্গে যোগাযোগ করি। ভদ্রলোক নার্ভাস টাইপের মানুষ; কেমন করে কী করবেন ভেবে দিশেহারা। ছাত্রনেতাদের ধরলেই যে বড় একটা জমায়েত হয়ে যায়, সেটাও শিখিয়ে দিতে হলো।
ততোক্ষণে দুএকজন করে মেহমান দোতলা থেকে নীচে লাউঞ্জে নামতে শুরু করেছেন। রুচিবান পোশাকে দীর্ঘকায় ব্যক্তিটিকে দেখেই দলনেতা হিসেবে চেনা যায়। ব্যবহার খুবই সৌজন্যপূর্ণ; বাংলা-ইংরেজি দু'ভাষাতেই চমৎকার উচ্চারণে কথা বলেন। নিজের পরিচয় দিলেন, পেশায় ইমিগ্রেশন লইয়ার। লন্ডন এলিজাবেথ কলেজে পড়তে যাওয়া ছাত্রদের "কাগজপত্রের" বন্দোবস্তের দায়িত্ব তার। ব্যাপারটা এতোক্ষণে পরিষ্কার হয় আমার কাছে। এদেশ থেকে ট্রান্সফার, বৃত্তি-- এসবের লোভ দেখিয়ে ছাত্রদের কলেজে ভর্তি করবে, রেস্টুরেন্টঅলারা অডজবের হাতছানি দেবে, আর ভিসা ইত্যাদির ব্যাপারস্যাপার দেখবেন ইনি। কলেজ বিল্ডিংয়ের অর্ধেকটাতে দেশি মেসের স্টাইলে ডর্ম করা হবে বলে ঠিক হয়েছে। ধন্যি এদের বাণিজ্যবুদ্ধি।
এর মধ্যে আরো তিনজনের আগমন ঘটেছে। পঞ্চাশ-পঞ্চান্নর মতো বয়স, সবাই স্যুটেড-বুটেড। দু'জন আমাদের মতোই শ্যামবর্ণ আদম। একজনের হাতে তোয়ালে, বোঝাই যাচ্ছে সদ্য গোসল সেরে এসেছেন। দলনেতার চোখের ইশারা অগ্রাহ্য করে তোয়ালে দিয়ে চেপে চেপে মাথার চুল আর চাপদাড়ি থেকে চুইয়ে পড়া পানি মুছছেন। দ্বিতীয় জন বারান্দার টব থেকে গোলাপ তুলে কোটের বোতামঘরে কায়দামতো গোঁজার চেষ্টায় ব্যস্ত। এরা হলো দুই ভাই কাম ভায়রা-- তাদের কথায়, "দ্য ঠু চৌধুরি ব্রাদার্স", এলিজাবেথ কলেজের চল্লিশভাগ শেয়ার হোল্ডার।
তৃতীয়জনের সাজসজ্জার চেকনাই দেখার মতো। গৌরবর্ণ, নীলচে চোখ ও খাড়া নাকে শ্বেতাঙ্গ বলে ভুল হয়। পরণে ঝকঝকে নীল স্যুট, পায়ে ছুঁচালো মাথার চকচকে জুতো। দু'হাতের আড়াআড়ি ভঙ্গিতে ভূঁড়ি আড়াল করে উদ্ধত ভঙ্গিতে পায়ের উপর পা তুলে বসে আছেন। সামনে কোনো টেবিল নেই বলে কুৎসিত সেই দৃশ্য সরাসরি চোখে লাগছে। আলো-ঠিকরানো টাইপিনটাতে একটু টোকা দিয়ে বললেন, "দিস ইজ শিনওয়ারি। আহমেদ গুল নেওয়াজ শিনওয়ারি। পিএইচডি ফ্রম বোস্টন ইন... ... (হাত বাড়িয়ে নখের টোকায় জুতোর ডগায় অদৃশ্য ধুলো ঝাড়লেন), পিএইচডি ফ্রম হার্ভার্ড ইন... ...।"
"এবং লন্ডন এলিজাবেথ কলেজের ভিসি। ঠিক বললাম?" প্রশ্ন করি। তিনিও ইংরেজিতেই বলে চলেন, "আমার দুর্ভাগ্য। কিন্তু কিছু করার ছিলো না, এই দুই আনকুথ আনকালচার্ড বাবুর্চি আমার জীবন অতিষ্ঠ করে ফেলছিলো।"
এই লোক বলে কী! দেশিভাইদের অপমানে আমার গা জ্বলছিলো। অবাক কাণ্ড, অপমানটা যাদেরকে করা, তাদের একজন, সেই বড় চৌধুরি খ্যাকখ্যাক করে হেসে উঠলেন। ভিসি-র ভূঁড়িতে হাত বুলিয়ে বললেন, "ইউ নটি বয়, ডোন্ট সে দ্যাট। আই টেলিং ইউ দি ফিগার অফ মানি, দেন ইউ টেকিং মাই প্রোপোজাল। ইউ ফরগেট ট্রুথ?"
"স্টপ দিস ননসেন্স ব্লাডি ইডিয়ট।" এরপর আমার দিকে ফিরে,
- সো ইয়াং লেডি, তুমিও তাহলে লিটনের মতো জব করছো। বেশ বেশ। তা তুমি আমাদের কলেজে পড়তে আসোনা কেন? সবাই তোমাক দেখে ইন্সপিরেশন পাবে। আফটার অল তুমি একটা মেয়ে, এরকম একটা থার্ডওয়ার্ল্ড কান্ট্রির এরকম একটা ব্যাকওয়ার্ড, অড জায়গা থেকে গেলে সবার চোখে পড়বে। তুমি টাকার কথা ভাবছো তো? ডোন্ট ওরি, আমি তোমার স্কলারশিপের ব্যবস্থা করে দেবো।
- ভিসিসাহেব, তোমার কলেজে পড়ার কোনো আগ্রহ আমার নেই। আমার দেশই আমার জন্য অনেক খরচ করে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত কোয়ালিটি এডুকেশন দিয়েছে (কী আশ্চর্য আমি চিবিয়ে চিবিয়ে কথা বলতে শিখে গেছি!)
- তোমাদের এডুকেশন? মাই ফুট! এই স্টুপিডদুটোর ইংরেজি শুনেই তো বোঝা যায় কী কোয়ালিটির গ্র্যাজুয়েট তোমরা পয়দা করো। আর ঐ যে দেখো, বাকী দশজন, দ্য টেন কমান্ডেন্টস, নিজেদের নাম বলে আগে মিস্টার জুড়ে দিয়ে। গড ব্লেস দেম।
আমি কিছু বলে ওঠার আগেই ছোট-নাজির (এই পদবীধারীর দায়িত্ব অনেকটা সার্কিট হাউজের বাজার-সরকারের) এসে জানালেন লাঞ্চ তৈরি।
সরকারি সার্কিট হাউজে মেহমানদারীর খাওয়া নিয়ে বিশাল রচনা লেখা যায়। অর্থের উৎসটা কারোই পছন্দ হবার কথা নয়, কিন্তু সিস্টেমের বাইরে কেউ যায় না। যাবার উপায়ও যে নেই, সেটা সেই এরশাদ আমলেই পরীক্ষিত এবং প্রমাণিত। সিনিয়রসহ সহকর্মীদের কেউ কেউ এ ধরণের উপলক্ষে ফ্রি খাওয়াটাকে বেশ দৃষ্টিকটুভাবে উপভোগ করেন। সেটা দেখে আরো খারাপ লাগতো। মনের শান্তির জন্য আমরা কয়েকজন একটা কাজ করতাম। পারতপক্ষে খেতামই না; আর নেহাত বাটে পড়ে খেতে হলে খাবারের দাম হিসাব করে ওই খাতে (এলআর ফান্ডে) নগদ টাকা দিয়ে দিতাম। বলা বাহুল্য, সেজন্য খেতামও কম। আমি এ কায়দাটা শিখেছিলাম এনডিসি সমীর স্যারকে দেখে; উনি শিখেছিলেন এক তাবলিগি কলিগের কাছ থেকে।
সার্কিট হাউজের বিশাল হলঘরের মতো ডাইনিং রুমে এমাথা-ওমাথা জোড়া টেবিলে রাজসিক আয়োজনে দুপুরের খাবার পরিবেশন করা হয়েছে। আমার পাশে দলনেতা; ঠিক মুখোমুখি জ্যেষ্ঠ চৌধুরি, তার পাশে ভিসিসাহেব। টং বা চামচ ব্যবহার না করে বড় ডিশ থেকে নিজের হাত দিয়ে দেশি মুরগির "রাইফেল" তুলে এর-ওর পাতে দিচ্ছেন বড় চৌধুরি। ঠিক একই কাজ করতেন সিলেটের জনৈক প্রভাবশালী মন্ত্রী।
খেতে খেতে আমার প্লেটের দৈন্যদশার দিকে আঙুল দিয়ে ইঙ্গিত করে ভিসি সাহেব হিন্দি অথবা উর্দুতে কিছু একটা বলেন চৌধুরি ব্রাদার্সকে। গজলের মহাভক্ত হলেও আমার হিন্দি বা উর্দুজ্ঞান অতি দুর্বল; তবে অনুমান করি কোন রসিকতাই হবে; উত্তরে কিছুক্ষণ খ্যাকখ্যাক করে হেসে সবাইকে শুনিয়ে-শুনিয়ে উর্দুতেই জবাব দেন বড় চৌধুরি। তার পরপরই আমার দিকে ফিরে, যেন সাক্ষী মানছেন এমন ভঙ্গিতে বলেন, "হ্যায় কি নেহি বেহেনজি?"
পিত্তি-জ্বালানো অবস্থা। দলনেতার দিকে ফিরে ইংরেজিতে বললাম, "তোমার দলের লোকদের জানিয়ে দাও এটা একটা ফরমাল ভোজসভা। এখানে বাংলা বা ইংরেজির বাইরে অন্য কোন ভাষায় কথা না বলার অনুরোধ করছি। আর বড় চৌধুরিকে একটু মনে করিয়ে দাও, আমাদের স্বাধীন দেশটার বিজয় দিবস মাত্র দুদিন আগে গেছে। একাত্তরের সেই দিনটারও প্রায় দুই দশক আগে উর্দুকে আমরা ঝেঁটিয়ে বিদায় করেছিলাম; এবং তা করেছিলাম রক্তপাত আর জীবনের দামে।"
দলনেতা মাথা নেড়ে সম্মতি জানাতেই চেয়ার ছেড়ে উঠে দাঁড়ালেন পাকি ভিসি। ন্যাপকিনটা টেবিলে ফেলে হাতের ছুরি-কাঁটা সশব্দে ছুঁড়ে দিলেন প্লেটের ওপর। তারপর চেয়ারটা লাথি মেরে উল্টিয়ে ফেলে গটগটিয়ে ঘর ছেড়ে বেরিয়ে যাবার মুখে দরজা থেকে ঘুরে দাঁড়ালেন। আমার দিকে আঙুল তুলে চিৎকার করে বললেন, "দ্যাট লেডি ইজ অ্যান এজুকেটেড ইডিয়ট!"
তার মুখ গনগনে লাল, চোখে যেন আগুন জ্বলছে।
ক্রমশ
মন্তব্য
লেখকের মন্তব্য
তারপর সবাই সুখে-শান্তিতে বাস করতে লাগলো ছোটবাবু
বাহ্ রে!

তারপর তো আমিও বলব এখন---------
লেখকের মন্তব্য
মেঘের কথায় চড়ে বসলাম ক্লাউড নাইনে
খাইছে বিরাট ফাইটার লুক দেখি আপনে
লেখকের মন্তব্য
জীবন জুড়ে হালুয়া টাইট
দিতে হবে জবর ফাইট
বাঁশ টা তো ভালাই দিছিলেন আপু
লেখকের মন্তব্য
উচিৎ কাজ করেছেন।
তবে একটা লাত্থি ওই পাকির পশ্চাদ্দেশে লাগাইতে পাল্লে আরও সুখী হইতাম! 
লেখকের মন্তব্য
আমারো সেইরকম একটা ইচ্ছা হৈতেছিলো
তাদের সাথে খেতে বসাও অনেক ধৈর্যের ব্যাপার মনে হচ্ছে

চলুক, পরের পর্বের জন্য আপাতত ধৈর্য ধারণ করি
লেখকের মন্তব্য
সঙ্গে থাকার জন্য মমকে
কি আর বলব এই নাপাক শিরওয়ানির ঔদ্ধত্য দেখে হতবাক হয়ে গেলাম।তার চেয়েও অবাক হলাম এই বেয়াদব নাপাকটাকে নিয়ে আসা চৌধুরীদের কথা শুনে।এরা আমাদের এই স্বাধীন বাংলাদেশের মানুষ ভাবতেও অবাক লাগছে।
লেখকের মন্তব্য
খুব ভালো বলেছো আপা, নাপাক! এরা কী বুঝে ঐ নাপাককে নিয়োগ দিলো আর কেনই বা দেশে নিয়ে এলো, তার ব্যাখ্যা বোধহয় গোআ-নিজামীর শিষ্যত্ব
আর হ্যাঁ এই নাপাকটা আমাদের সরকারী মেহমান ছিল---------হায়রে আমার স্বাধীন দেশের সরকার!
লেখকের মন্তব্য
আসল কথাটা বলে দিলে।
তোমাদের এডুকেশন? মাই ফুট!
এই স্পর্ধা পায় কোথায়, পা ছাটা কুকুরদের কাছ থেকেই, আমরাই দায়ী কিছুটা।
তেমন একটা উত্তর দিয়ে ভাষা আন্দোলনের শহীদদের কিছুটা ঋণ মনে হয় আপনার শোধ হয়েছে।
অনেকগুলি ( দু'হাত প্রসারিত করে বলছি এত্তগুলো) ধন্যবাদ চমৎকার কিছু ছ্যাঁচানামা শেয়ার করার জন্য।
লেখকের মন্তব্য
এইসব কথা যে বলেকয়ে মনে করাতে হয়, সেটাই কষ্টের।
মেলবোর্নে এক পাকির সঙ্গে আলাপ হয়েছিলো, আমাদের গাজীপুরের আইইউটি না কী যেন আছে সেখান থেকে পাস করে গেছে, ঢাকায় ম্যালা ঘুরেছে। অথচ জিজ্ঞেস করে আমরা বাংলা লেখাটা উর্দু বা হিন্দি হরফে লিখি কিনা, কেমন বদ ভাবো তো!
১। কাগজের বৌ য়ের একটা ডায়ালগ মনে পড়ছে। মানকে বলে সাবাস। এক্ষেত্রে কারে সাবাস দিলাম বলে দিতে হবে?
২। পাকিদের চেহারা অনেকবারই বের হৈসে। "গরমভাতে বিলাই বেজার, সত্যি কথায় পাকি বেজার"। ফেইসবুকে ক্রিকিনফোর ওয়ালে পাকি-ইন্ডিয়ানদের কমেন্ট পড়লেই বোঝা যায় কেমন প্রতিবেশী আমাদের। সামান্য ক্রিকেট খেলার আলাপে যারা শালীনতা বজায় রাখতে পারেনা, তাদের দিয়ে বেশী কিছু আশা করা যায়না। আগে ক্রিকেট খেলায় পাকিস্তান হারলে খুশী হৈতাম। আজকাল ভারত তো বটেই, এমনকি শ্রীলংকাও যোগ হৈসে। ক্রিকইনফোর ওয়ালে একসময় দেখতাম খালেদ মাসুদ পাইলট পাকিস্তান-ভারতীয়দের গাইলায় কিছু রাখতো না। আইজকাল আর দেখিনা পাইলটরে।
৩। ছ্যাচানামার এই পর্বতো আসলে ২-খ।
৪। পোস্টে আমিও ৭ দিলাম।
লেখকের মন্তব্য
ক্রিক-ইনফোর এই ব্যাপারগুলি দেখিনাই। একটা পোস্ট দেন প্লিজ। কাহিনীগুলা জানতে ইচ্ছা করতেছে।
বাকী সবকিছুর জন্য ব্যাপক ধন্যবাদ
ছ্যাচা ভালো হৈসে ।
।
পাকি শালার কপালে জুতার বাড়ি পরে নাই ওর সৌভাগ্য ।
লেখকের মন্তব্য
আরেকটু বাকী আছে
দ্বিতীয় তৃতীয় একসাথে পড়লাম।
কিন্তু এখন তো চতুর্থের জন্যে মনে হচ্ছে কখন দেবেন কখন দেবেন!
লেখকের মন্তব্য
থ্যাঙ্কু ত্রেয়া, এইতো দিয়ে দেবো
এমন একটা জায়গায় শেষ করছেন পরে কি হল তা জানার জন্য প্রচন্ড ইচ্ছা হচ্ছে -
তাছাড়া ঘটনাটা সিলেটে হওয়ায় আগ্রহটা আরো বেশি ফিল করছি
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ কবি, সিলেটে থাকেন নাকি, অথবা ছিলেন?
সিলেটে বাড়ি - সিলেটেই সব কিছু - সিলেট আমার প্রানের শহর -
এখনো পর্যন্ত পাকি ছ্যাঁচা টা পরিপূর্ণ লাগেনি, মনে হচ্ছে আগামী পর্বে আরো কিছু পাবো,,,,,

লেখকের মন্তব্য
দেখা যাক
একটা কথা দিয়েই চড়টা জায়গামত বসিয়ে দিয়েছেন আপু। পরেরটুকু জানার অপেক্ষায় রইলাম।
লেখকের মন্তব্য
থ্যাঙ্কু গরম মশলা
হেহেহে
যাই পরের পর্বে।
লেখকের মন্তব্য
নয়ন আর সাইফের মতো এতো ভালো পাঠক আর হয় না
আমি অনেকদিন পরে আসলাম এতে একটা কাজ হল বৈইকি পরের পোষ্টের অপেক্ষা করতে হচ্ছে না।।।।।। ৪টাই এক সাথে পেয়ে গেলাম,,,,,, একটানে পড়ে যাচ্ছি
লেখকের মন্তব্য
থ্যাঙ্কু রোমান

পৃথিবীর জঘণ্যতম কাজগুলোর মধ্যে প্রটোকলের কাজ প্রায় সেরা। নোংরা কাজগুলোর মধ্যে উচ্ছেদ! চাকরি করতে যেয়ে কত নোংরামীর মধ্যে যে পড়তে হয়!!
পাকিদের মনোভাব বুঝতে এখনও কেন ভাবতে হয়, মাথায় ঢোকে না আমার। পাকি মাথা গরম করে দেয়।
লেখকের মন্তব্য
প্রোটোকলের বিষয়ে একমত। উচ্ছেদ কখনো কখনো আনন্দের; প্রভাবশালীর অবৈধ স্থাপনা সরানো সম্ভব হয় যখন। বাদবাকী উচ্ছেদের চেয়েও নোংরা কাজ বোধহয় পূর্বনির্ধারিত রিপোর্টের তদন্ত করতে যাওয়া।
পাকিরা এক আজব জাত, ক্যান যে ওদের সাথে আমাদের জুড়ে দিছিলো নেতারা