লেখকের ক‌থা

সদর দরজা

ছ্যাঁচানামা- দু্ই

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কমিউনিটি ব্লগে কিছু-কিছু পোস্টের বিশেষ কোনো উপলক্ষ থাকে। সহব্লগারের লেখার সূত্রে, এমনকি মন্তব্যের সূত্র ধরেও কখনো কখনো ব্লগ পোস্ট করা হয়। বছর তিনেক আগে সচলায়তনে প্রথম প্রকাশিত এই পোস্টটি ঠিক তেমনই। পূর্বকথনটি এই মুহূর্তে চতুর্মাত্রিকে প্রকাশের জন্য অপরিহার্য হয়তো নয়; তবে এড়িয়ে যেতে মনের সায় মিললো না। পাঠক ইচ্ছে করলে স্কিপ করতে পারেন। আরেকটা মজার কথা, তখনও আমার বাংলা টাইপের গতি খুব খারাপ, খসড়াটা হাতে লিখে করে তারপর দেখে দেখে টাইপ করতাম। ভাগ্যিস ডায়রিটা রয়ে গেছে (সেটা দেখে-দেখে টাইপ করছি আবার), নইলে লেখাটা নেটে বা আমার কম্পুতে কোথাও নেই :)

[পূর্বকথা
প্রিয় ব্লগার 'সংসারে এক সন্ন্যাসী'র কথায় ছ্যাঁচা-ঘরানার কিছু লেখার চেষ্টা করলাম। আশায় আছি আর কেউ না হলেও তিনি অন্তত উঁকি দেবেন। লেখকরা নাকি দুই গোত্রের-- মাকড়সাটাইপ আর তাঁতীটাইপ-- একদল নিজের ভেতর থেকেই বুননের উপকরণ সংগ্রহ করেন; আরেকদল ধার করেন বাইরের জগত থেকে। আমি কোনো মানদণ্ডেই লেখক নই; এই লেখাটি নেহাতই ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার স্মৃতিচারণ। কোনভাবে কারো অনুভূতিকে আঘাত করে থাকলে অগ্রিম ক্ষমাপ্রার্থী। ঘটনার চরিত্রদের নাম, প্রতিষ্ঠানের নাম ইত্যাদি যথাসম্ভব পাল্টে দিয়েছি। ঘটনাস্থলের নামোল্লেখ এড়িয়ে যেতে চেয়েছিলাম; কিছু অত্যাবশ্যক তথ্য রয়ে গেছে বলে সে চেষ্টা সফল হয়নি।]

পাকি-ছ্যাঁচা এবং অন্যান্য

।।১।।
বেশ কয়েকবছর আগের ঘটনা। চারদলীয় জোট সরকার ক্ষমতায় এসেছে। নিশ্চিন্ত-নিরাপদ-স্বচ্ছল নাগরিক জীবনের পায়ে কুড়াল মেরে পেশা পাল্টে আমি এসেছি সিভিল সার্ভিসে। দ্বিতীয় কর্মস্থল একটি বিভাগীয় জেলাসদরে; সিলেট জেলাপ্রশাসনে। প্রথমে কিছুদিন সীমান্তে কাজ করার পর বড় অ্যাসাইনমেন্ট হিসেবে আগ্নেয়াস্ত্র শাখায় বছরশেষের চেকিং আর লাইসেন্স নবায়নের কাজ করছি। বিজয় দিবসের দুদিন পর অফিসে বসে একটার পর একটা বন্দুক-পিস্তল-রাইফেল পরীক্ষা করছি। হঠাৎ নেজারত ডেপুটি কালেক্টর অর্থাৎ এনডিসির 'সালাম'। উনি আবার আমার মতো জুনিয়রদের অন-দ্য-জব ট্রেনিংয়ের দেখভালের দায়িত্বেও আছেন। সালামের উত্তর দিতে একতলায় নেমে আসি।

এনডিসি ডঃ সমীর কান্তি দাস, পদ অনুযায়ী একটু বেশিই বয়স্ক আর অভিজ্ঞ। চাকরিজীবনের প্রথমদিকে পিএইচডি করতে গিয়ে শিক্ষাছুটি বাতিল হবার সমন পেয়েও উচ্চশিক্ষা বাতিল করেননি। ফলাফল, পাঁচ বছরের এক্সট্রা অর্ডিনারি লিভ যার ঘানি টেনে চলেছেন এখনও। তাঁর সঙ্গীসাথীরা সব সচিবালয়ে উপসচিব হবার পথে। টু দ্য পাই অনেস্ট মানুষ; সারা জীবন ঘাটে ঘাটে ঘা খেয়ে যাচ্ছেন।

সার্ভিসের অলিখিত কিছু ডেকোরাম কিছুদিনের মধ্যেই রপ্ত হয়ে যায়। সে অনুযায়ী আমি সিনিয়রকে প্রশ্ন করি না কেন ডেকেছেন। বরং অপেক্ষা করি কখন হাতের কাজ সেরে উনি নিজেই কিছুই বলেন তার জন্য। শখানেক ফাইল আর হাজারখানেক ভাউচারের সমুদ্র থেকে মুখ তুলে ভদ্রলোক হঠাৎ প্রশ্ন ছোঁড়েন।

- তুমি কি লাফায়া উঠছিলা না ছিপ-জাল কিছু লাগছিলো?
- স্যার... মানে...
- মর জ্বালা! এখনো দুধের শিশু। বলি, তুমি মেরিটের সংখ্যালঘু, নাকি কোটা-মোটা কিছু লাগছিলো চাকরি পাইতে?
- ওহ্ হো, না স্যার, কোটা লাগে নাই।
- হুমম। তোমারে দিয়া হৈতে পারে। ব্যাকবোন পোক্ত। তাইলে যাও সার্কিট হাউজে। মেহমানদারি করো। মেহমানদারি বুঝলা না? আরে বাবা প্রোটোকল।
- এইটা ছাড়া অন্য যে কোনো কাজ দেন স্যার করি (আমার ব্যাজার মুখ স্যারের নজর এড়ায় না)
- এই যে শিশু, গ্রো আপ! কারা আইছে জানো? ইন্টারন্যাশনাল মেহমান। তোমারে আর ব্রিফ করনের টাইম আমার নাই... (মোবাইলের বাটন টিপতে টিপতে) শুনো লিটন, আমি চড়নদার একটারে পাঠাইলাম তোমাদের কাছে। বুঝায়-বাঝায় দাও যা পারো।

প্রোটোকল ডিউটি আমার সবচেয়ে অপছন্দের কাজ, কিন্তু বিদেশি মেহমান শুনে একটু কৌতূহলও হয়। সার্কিট হাউজের দিকে যাই। সেখানে মৌলভীবাজারের ম্যাজিস্ট্রেট, আমার একব্যাচ সিনিয়র, লিটন মারমার সঙ্গে পরিচয় হয়। তার কাছে ঘটনা শুনি।

সিলেট আর মৌলভীবাজারের কয়েকজন বিদ্যোৎসাহী রেস্টুরেন্ট-ব্যবসায়ী লন্ডন শহরে একটি কলেজ প্রতিষ্ঠা করেছেন। ওই কলেজে এই দুই জেলা থেকে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের "ট্রান্সফার" করা হবে। সেই অমৃতবাণী শোনাতেই উদ্যোক্তারা দেশে এসেছেন। সঙ্গে আছেন তাদের "লন্ডন এলিজাবেথ কলেজ"-এর ভিসি (এর আগে পর্যন্ত আমার ধারণা ছিলো ভিসি হয় ইউনিভার্সিটির; অবশ্য জমানা বদলাচ্ছে, আগে তো প্রিন্সিপালও কলেজের হয় বলেই জানতাম, আজকাল দেখি তারা কিন্ডারগার্টেনেও থাকেন। তাছাড়া আমার মতো ক্ষুদ্রজ্ঞানের মাঠকামলার জানাশোনার বাইরে এই জগতে অনেক কিছুই থাকতে পারে)। আরো আছেন দুজন সাদা চামড়ার সাহেব। এরা নাকি ওই দেশের শিক্ষা মন্ত্রকের কীসব হ্যানত্যান, আবার এই কলেজের কমিটিতেও আছেন।

ষোলজনের এই দলের কানেকশান খুব উঁচু পর্যায়ে। ঢাকায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মেহমানদারি তো আছেই, হাওয়া ভবনের তদারকিতেও ছিলেন এনারা। তারেক রহমান অথবা তারেক জিয়া নিজে তাদের বগুড়া ঘুরিয়ে দেখিয়েছেন। দুদিন আগে বিজয় দিবসে সাভারেও নেয়া হয়েছে তাদের।

মৌলভীবাজারে একদিন ছাত্র-শিক্ষক কনফারেন্স করে আজ এসেছেন সিলেটে। এদেরকে সঙ্গে নিয়ে ঘোরা আর কলেজগুলোতে মিটিং ডেকে পরিচয় করিয়ে দেয়ার দায়িত্ব মৌলভীবাজারে ছিলো লিটন মারমার, সিলেটে কাউন্টারপার্ট হিসেবে আমার। আমার হাতে দায়িত্বভার বুঝিয়ে দিয়ে লিটনদা তখনই তার জেলায় ফিরে যাবেন।

দলের সদস্যরা ওপরে বিশ্রামে আছেন; একটু পরেই নীচে লাউঞ্জে নামবেন। বিদায় নেবার আগে লিটন মারমা শেষ কথা বলেন-- "রক্ত গরম হয়ে যাবে রে ভাই, শুধু মাথাটা ঠাণ্ডা রাখার চেষ্টা করবা। কেন বললাম জানো? ওদের নেতাটা ছাড়া কোনোটা পদের না। দুইটা আছে হাড়-জ্বালানি। আর সেরা বদমাশ ওই ভিসি। শালা পাকিস্তানী।"

ক্রমশ

7
আপনার মূল্যায়ন: আপনি মূল্যায়ন করেন নি। গড় রেটিং: 7 (৪ জন মূল্যায়ন করেছেন)
শেয়ার করুন » Facebook Twitter Delicious Digg MySpace Google Orkut Blogger Google Buzz Technorati
অথবা এই সংক্ষিপ্ত লিংক শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৭৯৯৭৩(১)    

চোখ গোল গোল হয়ে গেলো আপনার ডাইরীতে লিখে রাখা জিনিষ আবার টাইপ করার কথা শুনে।
আমার বড়ো কোন কিছু টাইপ করার কথা শুনলেই জ্বর আসে । হাতে লিখে আবার টাইপ!!!
এই জীবনে না মনে হয় ।
-----------------
এইসব উচ্চ পর্যায়ে চাকরী করতে গিয়ে ইন্টারেষ্টিং সব অভিজ্ঞতা দারুন লাগে পড়তে।
আমরা তো আর পারবো না তাই দুধের সাধ ঘোলে মিটাই। আহা

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৭৯৯৭৪(২)    
লেখকের মন্তব্য

উচ্চ পর্যায় না ঘোড়াড্ডিম!

ডায়রি লিখতাম মাঝেমধ্যে, নইলে সব কিছু তো মনে থাকার কথা না :)

ফোনেটিকে লিখবো না সিদ্ধান্ত ছিলো। আমার বাংলা টাইপের স্পিড এখন ইংরেজির চেয়েও অ-নে-ক বেশি ভালো। বোথ ইউনিজয় অ্যান্ড বিজয় :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৭৯৯৯৩(৩)    

আমার আরো একটু শুনার ইচ্ছা ছিলো
মানে তারপরে তারপরে

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮০২১৯(৪)    
লেখকের মন্তব্য

আ-সি-তে-ছে-্এ্এ্এ্এ্এ্এ

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৭৯৯৯৫(৫)    

কালকে পড়ুম (সাতে সাত)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮০২২৪(৬)    
লেখকের মন্তব্য

টুমরো নেভার কামস :(

দান-খয়রাত গুপনে কর্তে হয় রে পাক্না :cool:

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮০০৩৫(৭)    

আগের পোস্টটা পড়ে অনেক মজা পেয়েছি, দৌড়ের উপর ছিলাম বলে বলা হয় নি।

ডায়েরী লেখা আসলেই অনেক ভিন্ন একটা অনুভূতি, আমিও আগে লিখতাম, সেই ডায়েরী একবার বড় ভাইয়া আর আপু পড়ে তো কেলেংকারি অবস্থা! সবার নিশ্চয় এইরকম ঘটনা থাকে।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮০২২৮(৮)    
লেখকের মন্তব্য

অভিনন্দন! "রোদের অসুখ" সারুক আগে, না মানে বই বেরুনোর হ্যাপা সামলে নাও, গল্প অনেক হবে।

ডায়রি লেখা নিয়ে কেলেঙ্কারিতে কে না পড়েছে! শরমিত

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮০০৭৩(৯)    

এইখানে কে ছ্যাচিত হৈলো?

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮০২৩১(১০)    
লেখকের মন্তব্য

মনে হয় আমিই :S

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮০১১২(১১)    

পরের পর্বটা পাবার জন্য লাইনে দাড়ালাম।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮০২৩৪(১২)    
লেখকের মন্তব্য

টিকেট হাতছাড়া করবেন না জনাব D

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮০১৭৭(১৩)    

আমিও পড়তে গিয়ে ধুরুম করে থেমে গেলাম ক্রমশ শব্দে। তাড়াতাড়ি দিয়েন।
====
লেখকরা নাকি দুই গোত্রের-- মাকড়সাটাইপ আর তাঁতীটাইপ-- একদল নিজের ভেতর থেকেই বুননের উপকরণ সংগ্রহ করেন; আরেকদল ধার করেন বাইরের জগত থেকে।
========= চমৎকার বিশ্লেষণ

ডায়রী লেখা অতি কঠিন কাজ। প্রতিবছর একটা করে ডায়রী নিই। বছর শেষে দেখা যায় একপাতা লিখেছিলাম কোনটাতে। কোনটাতে একটি শব্দও নয়।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮০২৩৫(১৪)    
লেখকের মন্তব্য

বিশ্লেষণটা অনেক আগে কোথাও পড়েছিলাম, কার মনে নেই :(

ডায়রি নিয়মিত লিখিনি বলে আফসোস হয়

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮০১৭৯(১৫)    

তারপর?তারপর?তারপর?

বাকীটা তাড়াতাড়ি দাও।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮০২৩৬(১৬)    
লেখকের মন্তব্য

দিচ্ছি দিচ্ছি দিচ্ছি D

আপা তোমাকে খুব ভালো লাগছে প্রোফাইলের ছবিটায়, গর্জিয়াস!

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮০১৯২(১৭)    

ক্রমশ :~

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮০২৩৭(১৮)    
লেখকের মন্তব্য

খামোশ :প :p

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮০২০৫(১৯)    

আরি! এরোম এরোম ;) ;) করা - ঠিক হতিসে না কিন্তু! এমন চরম (!) ভাবতাছি মুহুর্তে আইসা ব্রেক কষলেন!

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮০২৩৮(২০)    
লেখকের মন্তব্য

এক্টা এরোম এরোমও ঠিকমতো কর্তার্তাছেন্না :প :p

দেখা হবে ব্রেকের পর D

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮০২১০(২১)    

আমি ক্লাস ফোর থেকে ইন্টার পর্যন্ত টানা ডায়েরী লিখে গেছি।
আমার সবগুলো ডায়েরীর একটা করে নাম ছিল।সেই সব দিনের কথা মনে পড়ে গেল।
গত কয়েক বছর ধরে আর ডায়েরী লেখা হয় না।সময় হয় না কিংবা মন আসে না।
--------------------------------------------------------
বাকিটুকু পড়তে চাই খুব জলদি। hashi

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮০২৪০(২২)    
লেখকের মন্তব্য

আমি কিন্তু একুর ডায়েরিগুলো পড়তে চাই, খুব জলদি :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮০২৫০(২৩)    

পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায়...

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮০৪১৯(২৪)    
লেখকের মন্তব্য

হেই ভেবু কী খবর! প্রোপিকের কুট্টুসটা তো ভারী কিউট :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮০২৬৭(২৫)    

টুমরো হ্যাজ কাম, এখন পড়বো ... দেন কমেন্ট করবো ;)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮০২৭৭(২৬)    

পড়ার আগেই শেষ, কমেন্ট করুম কই থিকা?

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮০৪২০(২৭)    
লেখকের মন্তব্য

পাক্নার নাম যে কেডায় পাক্না রাখছিলো! তার মাথায় বিরাট কিডনি আছিল (গররররর)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮০২৯৮(২৮)    

ক্রমশ দেখে স্বস্তি পেলাম।
পরে কাহিনী কি, শীঘ্রই পোস্ট দিন।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮০৪২১(২৯)    
লেখকের মন্তব্য

তোমার খবর কী তারামণি, ভালো তো?

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮০৯৫৮(৩০)    

পরেরটা পড়ি।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮১২১৮(৩১)    

পড়লাম এই পর্ব।
যাচ্ছি পরের পর্ব পড়তে।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৯৩২৬৪(৩২)    

(সাতে সাত) জলপাই ছ্যাচাটা আগে যেন কোথায় পড়েছিলাম। এটাও পড়লাম। এর পরেরটাতে যাচ্ছি। D

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৯৫৬৭১(৩৩)    

মাইনাচ মাইনাচ মাইনাচ মাইনাচ মাইনাচ মাইনাচ
মাইনাচ মাইনাচ মাইনাচ মাইনাচ মাইনাচ মাইনাচ
মাইনাচ মাইনাচ মাইনাচ মাইনাচ মাইনাচ মাইনাচ

ধুরু মিয়া, ইরাম ক্রমশে ধাক্কা খাওয়া আর কাঁচের দেওয়ালে উষ্ঠা খাওয়ার পার্থক্য কি?

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৯৭৭২৩(৩৪)    
লেখকের মন্তব্য

দারুচিনি লবঙ্গ, সুরঞ্জনা, নয়ন, সাইফ

ধইন্যাপাতা(ধন্যবাদ) ধইন্যাপাতা(ধন্যবাদ) ধইন্যাপাতা(ধন্যবাদ) ধইন্যাপাতা(ধন্যবাদ) ধইন্যাপাতা(ধন্যবাদ) ধইন্যাপাতা(ধন্যবাদ)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১১৯৭৮২(৩৫)    

সাধু সাধু :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১২৭৭৯০(৩৬)    

এখানে 'এরোম এরোম' নাই,
তাই, বলার কিছু নাই।
যাই, পরের পর্বে যাই!!

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১২৮৫৫০(৩৭)    
লেখকের মন্তব্য

রোমান আর হুদাভাইকে ধইন্যাপাতা(ধন্যবাদ)