নুশেরা-এর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

ভালোবাসা দিবস ও বিশ্বকাপের উদ্বোধন
ক
একটা গল্প আমরা সবাই জানি। ফ্রান্সের এক রাজকুমারী দুর্ভিক্ষপীড়িত প্রজাদের হাহাকারে বিস্মিত। ওরা রুটির জন্য কাঁদছে? কেন, রুটি না থাকুক, কেক তো খেতে পারে! গল্পটা মনে পড়লো কেন, একটু পরে বলছি।
ম্যালাদিন টিভি দেখা হয় না। যে বাসায় আট-নয়ের মধ্যে তিন-তিনটা বাচ্চা সেখানে টিভিপর্দায় কার্টুন ছাড়া অন্য তেমন কিছু চলারও কথা না। মেয়ের কাছে মাঝেমধ্যে বিজ্ঞাপনের নমুনা শুনি। একদিন দোকানে গিয়ে সে মুসকান সরিষার তেল কিনতে চায়। আরেকদিন বলে একেএস টিএমটি বার কিনে দিতে হবে। এই বস্তু নাকি বিল্ডিং বানানোর রড। বইমেলাতে জাগৃতির স্টল থেকে বই দিয়েছে শাহ্ সিমেন্ট লেখা প্যাকেটে, তাতে আমার কন্যা মহা খুশি হয়েছে।
যা বলছিলাম। টিভি দেখতে হবে বিশ্বকাপের খেলা দেখার জন্য। তার আগে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। প্রস্তুতি হিসেবে ইএসপিএন কত নাম্বার চ্যানেলে ধরে সেটা দেখতে সেদিন চ্যানেল থেকে চ্যানেলে সাঁতরাচ্ছি। ভ্যালেন্টাইন দিবসে সব ভালোবাসাময়। কাগজ ভাঁজ করে ওরিগ্যামি শেখানো হচ্ছে কোথাও, সেখানেও প্রেম। 'প্রেমের নৌকা' জিনিসটা ঠিক কীভাবে বানায় বুঝতে পারলাম না; কারণ কারিগরের কারুকর্মে ব্যস্ত হাত দুটিকে আড়াল করে রইলো বালুভর্তি ট্রাক উল্টে তিনজন নিহত, পুলিশের অস্ত্র ছিনতাই ইত্যাকার ব্রেকিং নিউজের চলমান টেলপ।
আরেক চ্যানেলে রান্না শেখাচ্ছেন এক ভদ্রমহিলা। ইনি দীর্ঘদিনের চেনা নামটি থেকে আচমকা স্বামীর পদবী ঝরিয়ে ফেলেছেন; নিছক রন্ধন-প্রশিক্ষক থেকে হয়ে উঠেছেন পশ উদ্যোক্তা। এসবের পাশাপাশি তার সাম্প্রতিক পরিবর্তন যেটা বেশ বোঝা যাচ্ছে তা হলো ছত্রে ছত্রে ইংরেজি বুলি চর্চার প্রয়াস। জায়গায়-বেজায়গায় অ্যান্ড, বাট, সো, দেন-এর পাশাপাশি 'পাম্পকিনটা আমি কু্ইকলি পিস পিস করে কাটবো', 'মিটে স্পাইসটা আমরা হ্যান্ড দিয়েই মিক্স করবো', 'কুক করতে করতে আমরা একটা ব্রেক নিবো', 'এটার টেস্ট কিন্তু অনেক ইয়াম হবে' ইত্যাদি ইত্যাদি। তো ১৪ই ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে তিনি যে আইটেম শেখালেন তার নাম 'ভালোবাসার স্যুপ'। প্রস্তুতকৃত খাদ্যের গুণাগুণ বর্ণনার একটা পার্ট থাকে। সেখানে তিনি যা বললেন তা চরম ইন্টারেস্টিং: আমরা অনেক সময় পানি খেতে ভুলে যাই, তখন এই স্যুপ বানিয়ে খেলে আমাদের ওয়াটারের যে ডিমান্ড সেই চাহিদা পূরণ হবে।
খ
অবশেষে বিশ্বকাপ ক্রিকেটের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান দেখা হলো। গড়পড়তা ডিসপ্লেও উতরে যায় আতশবাজি আর লেজাররশ্মির কারুকাজে; রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে জাতীয় সঙ্গীতের এমন নিখুঁত পরিবেশনা ও প্রদর্শনী আর কখনো হয়নি, ব্রায়ান অ্যাডামস থেকে মমতাজ-- সবাই গেয়েছেন অসাধারণ ভালো, শ্রীলঙ্কার নর্তকীদের বেশবাস তো রীতিমতো সেক্সাইটিং। ফোমের বাঘটা উদ্ভট বানিয়েছে, মনে হচ্ছিলো চোখে আইশ্যাডো লাগানো বুড়ো বাঘ একটা, তবে মাস্কটের ভ্যানে চড়াটা মজা লেগেছে। রিকশায় করে অধিনায়কদের মাঠে ঢোকাটা ছিলো অভিনব ও দারুণ। আহারে, অমন চওড়া সিটের ঝকঝকে রিকশা যদি সত্যিই রাস্তায় থাকতো! দেখার চেষ্টা করছিলাম অন্তত আমাদের অধিনায়ক সাকিব রিকশা থেকে নেমে চালককে কিছু বকশিশ দেন কিনা। দেননি
। অর্থমন্ত্রী মাল মুহিত বক্তৃতা দিতে যাবার সময় হাত থেকে স্ক্রিপ্ট পড়ে গেলে যেভাবে তুললেন, দেখার মতো ছিলো।
বিজ্ঞাপন বিরতির সময় মজা দেখার জন্য বিটিভি ধরেছিলাম একবার। গলায় মাফলার মাথায় ক্যাপ ইবরার টিপু (যিনি আজ মাঠে বাংলাদেশের একটি সমবেত গানে লিড দিয়েছেন) স্টুডিওতে কথা বলছেন-- এমন একটা প্রিরেকর্ডেড অনুষ্ঠান দেখাচ্ছে সেখানে। বিখ্যাত চিজ চৌধুরী জাফরুল্লা শরাফত বলছেন, "পাঁইতিরিশ কৌটি টাকা বেয়ে এ অনুষ্ঠান হতে যাচ্ছে।"
পুরো অনুষ্ঠানের গতিময় মসৃণতার মধ্যে পাথুরে স্পিডব্রেকার হয়ে ছিলেন মাশাল্লাহ্ আমাদের ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি আর কী এক প্রতিমন্ত্রী। সাবের চৌধুরী- সৈয়দ আশরাফুল হকরা সংগঠক হিসেবে যেমন সফল ছিলেন তেমনি একটা উপস্থাপনযোগ্যতাও (প্রেজেন্টেবিলিটি) ছিলো তাদের। অথচ আজ এ কাকে দেখলাম! লোটাস কামাল নামের লোকটি যতদূর জানি কিছুকাল আগেও আদম ব্যাপারি ছিলেন, হয়তো এখনও আছেন। তিনি এবং প্রতিমন্ত্রী মহোদয় কণ্ঠের কর্কশতার প্রতিযোগিতায় বিশ্বরেকর্ড গড়ার যোগ্যতা রাখেন। ভাগ্য ভালো, বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের আশেপাশে গাছপালা নেই, নইলে উনাদের বক্তৃতার সময় এই বসন্তকালে গোটাকয়েক কোকিলের হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে যাবার কথা।
এই দুই বান্দা পল্টনের মাঠের বাংলা ভাষণকে একই অ্যাকসেন্ট ও পিচে (উন্মাদ পত্রিকার ভাষায় 'কম্পমান গলায় ও বাতাসে কোপ মারিতে মারিতে') লিখিত ইংরেজির পঠনে রূপান্তর করলেন মাত্র। তাদের পাঠভঙ্গিতে মনে হচ্ছিলো স্ক্রিপ্টটা বাংলা হরফে ট্রান্সলিটারেট করে লেখা। প্রতিমন্ত্রী দিলেন সেরা ডায়লগ, "আইশিশি ওয়ার্ল্ড কাপ টু জিরু জিরু ওয়ান।"
ব্রায়ান অ্যাডামস ছাড়া সঙ্গীতশিল্পীদের সবাই আজ লিপসিঙ্ক করেছেন, অর্থাৎ পূর্ব-ধারণকৃত সঙ্গীতের সঙ্গে ঠোঁট মিলিয়েছেন। হয়তো গেয়েছেনও; কিন্তু বেজেছে রেকর্ড করা গান। এই দুই ক্লাউনের জন্য এইরকম কোন ব্যবস্থার খুব দরকার ছিলো। ব্যাকগ্রাউন্ডে ভদ্রস্থ ইংরেজিতে কেউ স্ক্রিপটটা পড়ছেন, আর দাঁত খিঁচিয়ে মুখ নাড়ছেন উনারা-- দৃশ্যটা যেমনই হোক, শব্দদূষণটা অন্তত এড়ানো যেতো।
=======================================================
পোস্টটা প্রিয় সহব্লগার 'তারার হাসি'র জন্য লেখা। মাঝরাতে এসএমএস দিয়ে বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান নিয়ে লেখার অনুরোধ তার পক্ষেই করা সম্ভব 
মন্তব্য
আপু, আপনার ডোমেইনের Expiration Date: 24-may-2011 তবে সাইট খুলছে না একদম
সাইট অফলাইন নাকি?
লেখকের মন্তব্য
সাইট বন্ধ করে রেখেছি। কারণ আছে, পরে জানাবো।
কেমন আছো?
ভালো আপু, আপনারা?
লেখকের মন্তব্য
ভালো
আমিও জানিতে চাই, সাইট পাই নাই সেইদিন, মর্মাহত হইছি

সবকিছু মিলায়া কিন্তু আমার অনুষ্ঠান টা ভালৈ লাগছে। আমি ভাবছি মান-ইজ্জত ডুবাইবো। নেটে উকি ঝুকি মেরে দেখলাম।
পোস্টের ''ক'' পার্ট টা
হইছে
লেখকের মন্তব্য
প্রোগ্রাম যে দুর্দান্ত হবে জাতীয় সঙ্গীত দেখেই অনুমান পাওয়া গেছিলো। কিন্তু দুধের মহাসাগরে দু্ই ট্যাঙ্কি চোনা ফালাইছে ঐ দু্ই বলদ
দুধের মহাসাগরে দু্ই ট্যাঙ্কি চোনা ফালাইছে ঐ দু্ই বলদ

হি হি হি, ইংরেজীর প্রসারের কথায় মনে পড়লো একটা গল্প, এক মহিলার বাসায় দাওয়াত ছিলো আমার এক বান্ধবীর, তো সেই খালাম্মার ছেলেমেয়েকে ইংরেজী মাধ্যমে ভর্তি করছেন সম্প্রতি। তাই নানান কায়দার শিক্ষিত হবার নমুনা শোনা গেলো :
ছেলেকে বলছেন, ''তুমি এখনো হোয়াই বাংলা বুকটা রিড করোনি? টুমরো তোমার ঠিউটর কাম করলে তোমাকে বিটিং করবে''
অতিথিদের, ''আমাদের বিফ ঝোলটা একটু টেস্টি করেন প্লিচ।''
আরো একটা ঘটনা মনে পড়লো, কোন এক রন্ধনশিল্পীর রান্নার ব্লগ দেখতে গিয়ে, লাল মরিচের ফোঁড়ন দেয়া আর রসুনের বাগাড় দেওয়া ডালের নাম পাইলাম, '' garlic infused lentil with red sizzling red chilli in vegetable oil''.
আর আপনি ম্যাংগো ফরেস্টের জায়গাটুকু শোনেন নাই? পিথিমির সবচে বড়ো ম্যাংগো ফরেস্ট যে সুন্দরবনে?
লেখকের মন্তব্য
ব্যাকগ্রাউন্ডে ভদ্রস্থ ইংরেজিতে কেউ স্ক্রিপটটা পড়ছেন, আর দাঁত খিঁচিয়ে মুখ নাড়ছেন উনারা-- দৃশ্যটা যেমনই হোক, শব্দদূষণটা অন্তত এড়ানো যেতো--
পোষ্ট মজার হইছে কিন্তু এক জায়গায় গিয়ে তো আমারি মুখ কাচুমাচু দশা
কথার ভেতর আমিও খুব 'সো' ঢুকায় ফেলি
লেখকের মন্তব্য
সো ডিয়ার মম, এইসব হ্যাবিট তোমার গিভ আপ করতে হবে অ্যান্ড প্রোপারলি কথা বলতে হবে ইন মাদার টাং
এহ, আপনি খালি খুঁত ধরেন। আমি তো অনুষ্ঠানের শেষ গান হওয়ার আগ পর্যন্ত মুগ্ধ হয়ে ছিলাম। ভুলেই গিয়েছিলাম যে শুরুতে মন্ত্রী-যন্ত্রণার তেতো স্বাদ পেতে হয়েছে।
ভালো লাগার ঘটনাগুলো বলি -
১। যখন চৌদ্দ দেশের অধিনায়ক রিকশায় চড়ে এলো, রিকশার ব্যাকে নিজেদের পতাকা আর রিকশার সামনে দেশের নাম নিয়ে। সাকিবের হাত নাড়া আর হাসিমুখ দেখে আর গ্যালারির গর্জন শুনে শিহরিত হলাম!
২। যখন ভ্যানে চড়ে মাসকট স্টাম্পি এলো। বড়োই কিউট বাবু-হাতি, চড়ছে আবার অতিপরিচিত ভ্যানে!
৩। শ্রীলঙ্কার পৌরাণিক পরিবেশনা (শুরুর গানটাও ঝুম ঝুম টাইপ)।
৪। বাংলাদেশের পরিবেশনার সময় পাহাড়ি নৃত্য, মণিপুরী নৃত্য, ঢোলের বাড়ি।
৫। ভাষা আন্দোলনের কোরিওগ্রাফিটা। যখন শামীম আরা নীপা "অ" অক্ষরটা নিয়ে ধীরে ধীরে উঠে আসছিলেন, আর একটা শিশুর গলায় "আমার ভায়ের রক্তে রাঙানো" বাজছিলো, অজান্তেই চোখে পানি চলে আসলো!
৬। মুক্তিযুদ্ধের কোরিওগ্রাফি, বন্দুকের বেয়োনেটে বাঁধা পুরাতন পতাকা!
৭। বাংলাদেশ ট্যুরিজমের ভিডিও। অসম্ভব আবেগছোঁয়া একটা ভিডিও বানিয়েছে। এটা দেখে সম্ভবত বেশ কিছু বিদেশি মানুষ বাংলাদেশ ঘুরতে চলে আসবেন!
৮। আতশবাজি!!
এতোকিছুর ভীড়ে কোথায় যায় লোটাস-ফোটাস!
লেখকের মন্তব্য
এই ব্যাটা, আমি কি ভালো কিছু বলি নাই?!!
জাতীয় সঙ্গীতের পরিবেশনাটা নিখুঁত হয়েছিলো সেটা কে বললো! তোমার পয়েন্ট ১-৩ ও পোস্টে আছে। বাকীগুলা নিয়ে কথা আছে
৪। বাংলাদেশের লোকজ ব্যাপারগুলো অনেকটাই অফসেট হয়ে গেছে পাহাড়ী পরিবেশনার বাহুল্যে (কুমারের চাক বেশ দিয়েছে অথচ ধানের বোঝাটা যেন বিরলপ্রায় কিছু)। এমনকি সেখানেও চাকমাদের বাঁশ আর মণিপুরিদের বোতল নৃত্য বাদ গেছে, যে দুটা সবচেয়ে প্রমিনেন্ট হবার কথা ছিলো। শুনেছি এসব জায়গায় কিছু ভেতরগত রাজনীতি চলে, পঁচাশি বা ছিয়াশির সাফ গেমসে এরশাদকাকু এটা শুরু করেছিলেন
৫। পরিবেশনার মান বা থিম নিয়ে কিছু বলার নেই, দুর্দান্ত। তবে শিবলী-নীপা আর কতোদিন নিজেদের কোরিওগ্রাফিতে স্বার্থপরের মতো নিজেদের ওপরেই স্পটলাইট ধরে রাখবেন?!! খেলার মাঠে ভারত, শ্রীলঙ্কার পরিবেশনায় থাঙ্কমণি কুট্টি, মল্লিকা সারাভাই, বিরজু মহারাজ, সংযুক্তা পাণিগ্রাহীদের দেখা যায় না, তাঁরা যতো বড় নৃত্যজ্ঞই হোন না কেন। তাদের পরিবেশনায় তারুণ্যের জয়জয়কার।
৬। স্যালুট!
৭। দারুণ, সত্যিই দারুণ! যদ্দূর মনে হয় পরিকল্পনাসহ ক্যামেরার কাজটা খালিদ মাহমুদ মিঠুর।
৮। এটা নিয়ে কিছু বলা বোধহয় ঠিক হবে না

দশ বছর আগেও অস্ট্রেলিয়ায় এর চেয়ে অনেক বেশি বৈচিত্র্যময় শো দেখেছিলাম
======================================
যতোকিছু্ই হোক, লোটা-গোটাদের প্রাপ্য গদাম থেকে বঞ্চিত করা ঠিক না

দুনিয়ার তাবৎ বড় বড় রাজনৈতিকরা নিয়ম করে জনগণকে হতাশা উপহার দিয়ে আসছেন, আজ আমাদের দেশরত্নরা(?) বোনাস হিসেবে দিলেন হাই তুলবার অবসর। দল বেঁধে দেখেছিলাম বলেই হয়তো অনুষ্ঠানের খুঁতগুলোই বেশি মজা দিয়েছে। মমতাজের কুখ্যাত সুশীলকতলকারী গানের সাথে সাথে আশরাফুলের তাল দেওয়া থেেক শুরু করে বিজাতীয় গান কোমল গলায় তুলবার জন্য সোনু নিগমের নিদারুণ কসরত, ভারতীয়দের নাচে গানে কেবল বলিউডি ছায়া মায় ফেব্রুয়ারি মাসে রুনা লায়লার উর্দু সংগীত গাওয়ার যুক্তিযুক্ততা নিয়ে বিষম তর্কাতর্কি - সবমিলিয়ে দারুণ মজা। তবে সব খুঁত ভুলে গিয়ে পুরো আয়োজন দেখে কিঞ্চিৎ বুকটা প্রসারিত হয়েছে সেটা অস্বীকার করব না, আরো একবার মনে হচ্ছে বাংলাদেশি পরিচয়টা নেহাৎ মন্দ নয়!
অ:ট: আমার ভুলও হতে পারে তবে প্রথম উদ্ধৃতিটা কি ফ্রান্সের রাণী মারি আঁতয়নের নয়?
লেখকের মন্তব্য
সোনু নিগমের খালি গায়ের উপর ওয়েইস্টকোট-কাম-কোটি আর প্যান্টপিস দিয়ে সেলাই করা ধুতি, অপেরার গানের টান-- আহা, কী জটিল ফিউশন!
শঙ্কর-এহসান-লয়ের চেয়ে রুনা লায়লার আন্তর্জাতিক পরিচিত কোন অংশে কম না, বরং বেশি। থিম সংটা রুনাকে দেয়া যেতো
===========================
হুঁ ঠিক। নামটা অ্যাভয়েড করেছিলাম অন্য কারণে, সূরাপাত্রের মাপের সাথে বিশেষ তরিকায় জড়িত কিনা
অনুষ্টান টি দেখি নাই এখনও - শুনতাছি অনুষ্টান নাইস হইছে -
ভালোবাসার স্যুপে ওয়াটারের যে ডিমান্ড সেই চাহিদা পূরণ হবে


আইশিশি ওয়ার্ল্ড কাপ টু জিরু জিরু ওয়ান
লেখকের মন্তব্য
বলেন কী, দেশে থেকেও অনুষ্ঠান মিস?!!
যা যা লেখতে চাইসিলাম, সব পড়ে ফেলেছি!


"
ট্যুরিজম এর প্রোমো টা সেইরকম বানাইসে, আমি দেখে পুরা হা করে গেসি, প্রোমো শেষ হবার পরে প্রথম যে কথাটা মনে হইসে, "Proud to be a bangladeshi...
লেখকের মন্তব্য
ঐ বান্দর তোর পাসোয়ার্ড নাই? লগাস না ক্যান!!
প্রথমটা পড়ে হাসতেই আছি । নিখাদ বিনুদুনের উৎস।
===============================
ওয়ার্ল্ড কাপ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটা দেখলাম । খুবই চমৎকার হইসে ।
গর্ব হচ্ছে বাংলাদেশী হিসাবে ।
দেশে থাকলে নিশ্চয় ষ্টেডিয়ামে গিয়া নাচতাম ।
এই সুখের দিনে আমি পদ্মফুলে গোবরটারে ক্ষমা করে দিতে রাজী আছি ।
লেখকের মন্তব্য
চোখ বাইর কৈরা দেখছি, পরান ভৈরা শুনছি। তয় ভাইডি, লোটা-গোটাদের প্রাপ্য গদাম থেকে বঞ্চিত করা ঠিক না
আজকে পুরা অনুষ্ঠান দেখলাম - ওগো বক্তব্য সহ ।
বক্তিমা শুনতে শুনতে জানা অজানা বিভিন্ন গালি দিলাম ওদের।
ওর নাম আগে দিসিলাম পদ্মফুলে গোবর -- আরেকটা জটিল নাম পাইসি - "গোটাস জামাল"
লেখকের মন্তব্য
লোটাস কামাল কিনতু ক্রিকেট সংগঠক হিসাবে অনেকদিন ধরেই আছেন। এই লোকের একসময় একটা পেস বোলিং কোচিং একাডেমী ছিলো। ৯৬এ যখন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসলো, আমরা ভাবলাম সাবের চৌ হবেন বাফুফের সভাপতি আর লোটাস কামাল বিসিবির। (তখন বোধ হয় বিসিসিবি ছিলো)।
সাবের চৌধুরী সংগঠক হিসাবে অসাধারণ। ভালো বক্তা। সফল ব্যবসায়ী। ভোরের কাগজকে নিয়ে অভিযোগ থাকলেও সেটা কখনো বাংলার বাণী/আমারদেশ হয়নি।
আমার কাছে পুরো অনুষ্ঠানটা খুব ভালো লেগেছে।
অবশ্য কিছু মানুষের মন্তব্য ছাড়া। গতকাল একজন ফেবুতে ষ্টাটাস দিয়েছে ""রুনার উর্দু আর পাকিপ্রেম ছাড়া সবগুলা তেমন খারাপ করে নাই""
আমি ওনাকে বললাম তাহলে তো হিন্দি গাইলে ভারতপ্রেমি হয়ে। তার উত্তর ছিলো দেশ তো অলরেডি ভারতের হয়েই গেছে নাহলে বাংলাদেশে ওপেনিং সেরেমনি আর গান গায় শংকর এহসান লয়!! তখন বললাম তাহলে বিউটিফুল বাংলাদেশ ভিডিওটা আপনার কেমন লেগেছে, ভদ্রলোক কেন জানি চুপ মেরে গেলেন!!
হাহ হা আমি আর কথা বাড়ালাম না।
লেখকের মন্তব্য
ভিডিওটা বিশ্বমানের! ডিরেক্টরের নামটা কি টেলপে ছিলো?
শেখ হাসিনার অত্যন্ত প্রিয়ভাজন 'মান্যবর' লোটাস কামাল আগে ছিলেন 'আদম বেপারী' এখন শেয়ার বাজারের অন্যতম লুটেরা। সাম্প্রতিক শেয়ার কেলেঙ্কারির বিশিষ্ট এ নায়ক ,তার গুরু সালমান এফ রহমান এবং আলু-ফালুরা মিলে হাজার হাজার বিনিয়োগকারীদের পথে বসিয়েছেন, লুটে নিয়েছেন পঁচাশি হাজার কোটি টাকা। এদের বিচার করবে কে?
লেখকের মন্তব্য
এদেরকে এভাবে দারুণ কোনো প্রোগ্রামে প্রোমোট করার পলিটিকাল চালটা খুব বাজে
আপা পলিটিক্যাল ভাষণের অংশটা আমি দেখার চান্স পাইনাই কাজেই ভালো/মন্দ কিছু বলতে পারলাম না।
তবে রান্না প্রোগ্রামের কথাগুলো পড়ে মেজাজ খারাপ হলো। আমরা অনেক সময় পানি খেতে ভুলে যাই, তখন এই স্যুপ বানিয়ে খেলে আমাদের ওয়াটারের যে ডিমান্ড সেই চাহিদা পূরণ হবে।--- হাসবো না কাঁদবো!
লেখকের মন্তব্য
রাগ আর লজ্জা একসাথে হলে কীরকম লাগে, ভাষণের সময় টের পাচ্ছিলাম। শুধু মনে হচ্ছিলো, ও আল্লা, আমি যা শুনছি সবাই কি তাই শুনছে! একটা বিজ্ঞাপন-বিরতিও তখন হলো না
অনুষ্ঠানের প্রথম এক ঘন্টা দেখা হয়নি, এখন মনে হচ্ছে সে নিয়ে আর কোন আফসোস করারও কিছু নেই। আপনার রিভিউটাই যথেষ্ট।
তবে একটা ব্যাপার, আইশিশি ওয়ার্ল্ড কাপ টু জিরু জিরু ওয়ান এইভাবেই কি বলেছিল সত্যিই? অন্তত টু জিরু ওয়ান ওয়ান বললেও তো চলত। ২০০১ সালে পাঠিয়ে দিল আমাদের দেশটাকে?
লেখকের মন্তব্য
বিশ্বাস করেন, ব্যাটা দু-দুবার একই কাণ্ড করলো! একটু রিডিং প্র্যাকটিস তো করে আসবে!
নুশেরা রান্নার বর্ণনা পড়ে আমি লাফিং করতে করতে ফিনিস হয়ে যাচ্ছিলাম

তারা'বুকে ধন্যবাদ
তারার জন্য এত সুন্দর লেখা পড়ার সুযোগ হলো
লেখকের মন্তব্য
হামিদা, আমার কপাল দেখো, কয়েক মাস আগে আরেকদিন রান্নার প্রোগ্রাম দেখেছিলাম, ম্যাগি স্যুপের প্রোগ্রামে, সেখানে একই টিপস দিয়েছিলেন ঐ রান্নাবিদ।
:হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে:
নুশেরা, কেমন আ্ছেন? আপনার লেখা এটিই আমার প্রথম পাঠ,,,চমৎকার লাগলো-ঝকঝকে চকচকে,বাড়তি মেদ নেই।
:হাহাপগে:
আপনার বাকি পোস্ট গুলোও পড়ে নিচ্ছি। ভাল থাকুন।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ পলাশমিতা। চতুরদের বেশ পুরনো পরিচিত হলেও এখানে বকবকানি শুরু করেছি মাত্রই।
আপনার নিকটি তো চমৎকার, ব্লগেও শিগগির ঢুঁ দিচ্ছি।
সবকিছু মিলিয়ে অনুষ্ঠান ভালো লাগছে।
আর একটা জিনিষ জানলাম,আশরাফুলের প্রিয় গায়ক মমতাজ! :dance:
লেখকের মন্তব্য
আশরাফুলকে নাকি টিমে 'বয়াতি' ডাকা হয়, প্রায় ম্যাচে স্কোরের কথা মনে না থাকলেও মমতাজের গান দেখা গেলো তার মুখস্ত
সব মিলিয়ে অনুষ্ঠানটা ভাল লাগছে।
লেখকের মন্তব্য
দু্ই বলদের হাম্বা বাদ দিলে শুধু ভালো না বেশ ভালো লাগছে
অনুষ্ঠানের বক্তৃতা পর্বটা খুব বিরক্ত লাগছিল।
মজা পেয়েছি ২০০১ এবং সাড়ে তিনশত পঞ্চাশ কোটি টাকার ব্যাপারটায়।
এরপর মুগ্ধ হয়ে দেখে গিয়েছি শুধু।
বাংলাদেশের পরিবেশনার পুরো সময় জুড়ে চোখ ছিল ভেজা।
অনেক........অনেক অনেকগুলি ধন্যবাদ।
লেখকের মন্তব্য
ওই সময়ে বিটিভি দেখাটাও মজার ছিলো। 'টাকা ব্যয়ে' যখন 'টাকা বেয়ে' হয়ে গেলো
আমি তো জাতীয় সঙ্গীতের সময়েই চোখ মুছতে শুরু করেছিলাম
শেখ হাসিনার 'এলেবেন' কথাটা কানে লেগেছে।
এম্নিতে রাজনীতিবিদদের এরর বাদ দিলে ভালৈ লেগেছে বৈকি।
লেখকের মন্তব্য
মিসিল, ব্রোধী দল, ব্রুদ্ধে, পিলেয়ার, এলেবেন, গোল্বালাইজেশন-- প্রধানমন্ত্রী তাঁর উচ্চারণে আঞ্চলিক প্রভাব এড়াতে পারেন না, কী আর করা
ব্যাপার না - ইংরেজী আমাদের মাতৃভাষা না -- ঐখানে ভুল হৈলে শরম পাবার কিছু নাই --
বাংলাভাষা কেবল প্রমিত উচ্চারনেই বলা যাবে এটা কিছুটা কোলকাতাইয়া বোলচাল ।
শেখ হাসিনার কথা আমার কানে লাগে নাই -- অবশ্য প্রধানমন্ত্রী হিসাবে তার কাছে মানুষজন আন্চলিকতামুক্ত উচ্চারন আশা করতেই পারে।
লেখকের মন্তব্য
কোলকাত্তাই বোলচাল বুঝি প্রমিত?!!
এয়েচে- করেচে- সেরেচে- মরেচে- চ' বাড়ী চ' এগুলান কেডায় কয়!
যাই বলেন, এরশাদের উচ্চারণ চমৎকার
ইংরেজী নিয়া কিন্তু সমস্যা নাই। সমস্যা হলো অদরকারে ইংরেজীকে ভাব নেওয়ার মাধ্যম হিসাবে ব্যবহার করা। কমবেশি ভুল ইংরেজী তো আমরা সবাই বলি, মাতৃভাষা যেহেতু না, এই ভুলগুলা তো ব্যাপার না্।
দেখতাম্পারিনাই।
লেখকের মন্তব্য
মিস্কর্ছেন, ভিডু দেখন মাস্ট
আমার কাছে অনুষ্ঠান অনেক ভালো লেগেছে।পোষ্ট পড়ে ব্যাপক ভাল্লাগল।

তারার হাসি কে ধন্যবাদ আপুকে এই পোষ্ট লিখতে অনুরোধ করার জন্যে।
লেখকের মন্তব্য
অনুষ্ঠান নিয়া আর কি বলবো - মহান ফালু বলে গেছেন -- "অনুষ্ঠান ভালো হৈসে - তবে আরেকটু ভালো হৈলে আরো ভালো হৈতো"!
-----------------------
দুই বলদ নিয়া একটা পর্যবেক্ষন করে দেখলাম -- ডায়াসে উঠলেই সাতই মার্চের কপি ক্যাট করা শুরু করে কেন ? এটা কি ঐ ধরনের উপলক্ষ না ঐ ধরনের ষ্টেজ না রাজনৈতিক বক্তব্যের ক্রাউড ?
লেখকের মন্তব্য
খেক খেক
ফালু ঐটা কৈছিলো বুয়েটের সমাবর্তনের সুভেনির দেইখা
বুঝছেন তো ক্যান চেতছি জোড়া বলদের উপ্রে
টিভি দেখার কোন চান্স মেলে না পুত্রধনের কার্টুন চ্যানেল আর কন্যার হিন্দি চ্যানেল নিয়ে মারামারির বদৌলতে, বাকি সময়টা নিউজ এন্ড নিউজ। আমার বাসায় ভদ্রলোকটি বাংলাদেশ সরকারের দেওয়া (কাল্পনিক) বিশাল দায়িত্ব মাথায় নিয়ে বসে থাকেন যেন সব চ্যানেলের খবর তাকে দেখতে হবে। কাজেই আমি কাউরেই চিনিনা। রান্না শেখানোর ভদ্রেকেও চিনলাম না কিন্তু ব্যাপক মজা পেলাম তোমার লেখার ঐ অংশ পড়ে। বাকি অংশও পড়তে ভাল্লাগলো কেননা আমি তো সেইটাও দেখিনাই।
লেখকের মন্তব্য
আমার ঘরে একজন একবার একটানা দশদিনব্যাপী টিটি-টুর্নামেন্টের সবগুলি খেলা দেখার বিশেষ দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলো, কাজেই বুঝতে পারছি অবস্থাটা। টিভি দেখাই হয় না, কালেভদ্রে দেখতে গেলেই দেখি চরম ইন্টারেস্টিং কিছু না কিছু পেয়ে যাই
আফসুস, আমার বাসায় আমি টিভি দেখতে পাইনা - টাইম নাই। সবাই ঘুমায়া পড়লে তখন রাত ঝেগে ক্রিমিনাল মাইন্ডস দেখি। অফিসে গিয়ে এমন ঘুম পায় মনে হয় কফির মধ্যে সাঁতরায়া আসি।
লেখকের মন্তব্য
ক্রিমিনাল মাইন্ডস, বাপ্রে ভু্ই পাইছি
:-## :-ss :ss
http://www.cbs.com/primetime/criminal_minds/
ভয়ের কিছু নাই। খুব ইন্টারেস্টিং। এফবিআইএর বিহেভিয়ারাল এ্যানালাইসিস ইউনিট নিয়ে। ল এন্ড অর্ডার আমরা ২ জন খুব আগ্রহ নিয়ে দেখতাম/দেখি।
বাহ বাহ!
সুন্দর লেখা!
আপনাকে দেখে খুশি হলাম।
আপনি কি সামুতে ছিলেন একসময়?
শুভকামনা!
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ মেকানিক্স
ঠিক ধরেছেন, সামুতে অ্যাকাউন্ট আছে তবে অনেকদিন যাওয়া হয় না
হুঁম। সামুতে 'যাওয়া হয় না'র যথেষ্ট কারণ আছে!
যাই হোক। ভাল থাকুন।
এই পোস্ট রেটিং করতে ফরগেট করে গেসিলাম। বেশী লেইট হবার বিফোরই রেটিং করলাম।
লেখকের মন্তব্য
হেহেহেহে
হুমম দুই ক্লাউনের লিপসিঙ্ক দরকার ছিল বটে
লেখকের মন্তব্য
এই আইডিয়াটা তাদের কাছে পৌঁছে দেয়া দরকার, সমাপনী অনুষ্ঠানের আগেই
লেখকের মন্তব্য
"মাই শিশি" কয় নাই, সেইটাই ভাগ্য
গরু কামাল যে সাড়ে তিনশ ৫০ কোটি টাকা খরচের কথা বলছিলেন সেটা উল্ল্যেক্ষ করেন নাই। ব্যাপক মজা পাইসিলাম সেটা শুনে।
আপনার লেখার কথা কি বল্বো। হিংসা হয় রীতিমতো!
লেখকের মন্তব্য
লজ্জায় দুইতিনবার বিটিভিতে জাম্প করছিলাম, ঐসময়েই সাড়ে তিনশো পঞ্চাশ কোটি চলে গেছে, বিরাট মিস। তবে বিটিভিতে চৌধুরি জাফর উল্যাহ শরাফতও কম যাননি!
টিভি দেখার সুযোগ না পেয়ে বিগত চার বছর যাবত টিভি দেখাই ছেড়ে দিয়েছি। তবে পাশের ঘর থেকে বিশ্বকাপ উদ্ববোধনী অনুষ্ঠানের ঐসব ক্যাচাল ঠিকই কর্ণকুহরে প্রবেশ করেছে।

রান্নার প্রোগ্রাম শুনে নিলাম তোমার মুখে।
লেখকের মন্তব্য
মাঝে মাঝে সময় করে দেখো, আমি যখনই দেখি 'শিক্ষণীয়' কিছু না কিছু পেয়ে যাই
হাহাহা
আপনার লেখাটা পড়তে পড়তে আমার ওয়াটারের ডিমান্ড ক্রিয়েট করেছে,
যাই
ওয়াটার ড্রিংক করে আসি।
লেখকের মন্তব্য
আফটার সো মেনি ডেইজ এই পোস্টটা রিড করেছেন, অনেক থ্যাঙ্কস
পানি খাইতে ভুলে গেলে সুপ বানায়া খাওয়া লাগবে? দুনিয়াটা ইদানিং হুজ্জোতের হয়া গেসে জানতাম, কিন্তু এত বেশি ভেজাল সেইটা জানতাম না।
লেখকের মন্তব্য
হ, জীবনটা লাইফ হয়া গেলো
আরও দুইটা মজার অথচ ভুল বক্তব্য ছিল। এক মন্ত্রী বলেছিল - সাড়ে ৩৫০ কোটি টাকা। আর প্রধানমন্ত্রী ২০১১ কে ২০০১ ওয়ার্ল্ড কাপ বলে দিল