লেখকের ক‌থা

সদর দরজা

বইমেলা ও ব্লগার দর্শনের দু্ই দিন

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

[ছবির জন্য কৃতজ্ঞতা- পাপড়ি রহমান, হাফিজুর রহমান]

সকালবেলাকার বইমেলা যথেষ্ট নিরিবিলি; বাচ্চাকাচ্চাকে সঙ্গে নিয়ে যেতে চাইলে সে-সময়টাই সেরা। বইপত্রের বদলে অপনা হঠাতই মনোযোগী হয়ে উঠলো জাতীয় পতাকার প্রতি; মানচিত্রযুক্ত-বিযুক্ত, কালচে সবুজ থেকে কলাপাতা সবুজ, গোল থেকে চারকোণা-তিনকোণা সবরকম পতাকাই তার চাই। পাশাপাশি মাথা-গলা-হাত সর্বত্র লাল-সবুজ অ্যাকসেসরিজ।

কিছুক্ষণের মধ্যে তাকেই ফেরিঅলার মতো দেখাতে লাগলো; নিজের নিশানসম্ভার থেকে আশেপাশের শিশুদের প্রতি সম্প্রদান কারকের উদাহরণ তৈরি করতে করতে মেলায় বেড়ালো আমার কন্যা।

পোস্টার পেইন্টের কৌটো হাতে অল্পবয়সী ছেলেমেয়েরা কেউ কেউ ঘুরছে; তাদের মূল লক্ষ্য শিশুকূল। কপাল বা গালে অলরেডি অংকনের নমুনা দৃশ্যমান থাকলে শেষ ক্যানভাস হিসেবে হাতদুটি অস্পৃষ্ট আছে কিনা দেখছে। অপনার অ্যালার্জি আছে; জনে জনে ধরে প্রত্যাখ্যানের ব্যাখ্যা দেয়ার মতো বিরক্তিকর কিছু হয় না, তার ওপর অতি-আগ্রহী কেউ বলে বসছে, 'কিছু হবে না, একবার পেইন্ট করায়েই দেখেন'। একজন আরেককাঠি সরেস, 'তাইলে আপা আপনেই করান।' (গররররর)

জাগৃতির স্টলে প্রবাসী ব্লগার শিপনের বইটা চাইতেই স্টলের ছেলেটি আরেকটা বই এগিয়ে দেয়, লেখকের নাম 'অন্বয় অনন্য' বা সেরকম একটা কিছু, তার লেখা প্রেমের উপন্যাসটি নাকি 'চন্দ্রাবতীর চোখে কাজল রং'-এর চেয়ে অনেক বেশি ভালো বই। আমার অনাগ্রহ টের পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে পিশাচকাহিনী টাইপের একটি বই তুলে দেখায় বিক্রেতা: সে নিশ্চিত, কোণায় লাল হরফে 'হরর!!' লেখা বইটি আমার ভালো না লেগে পারেই না। এই পিস কোত্থেকে জোগাড় করলেন জাগৃতির দীপনদা-জলিআপা, ভাবতেই আরেক দফা বিস্ময়। যাকে এতোক্ষণ ধরে ছোকরা ভেবেছি, সে আসলে জেন্টস শার্টে ছোট-করে-ছাঁটা চুলে একটি মেয়ে। হায় কপাল, হাবা হাসমত ছাড়া আর কেউ এই ভুল করে! মনে পড়লো, একদিন আগে বিশ্বকাপ-সঙ্গীত 'কাপ কিন্তু একটাই' শুনে পুরুষকণ্ঠ ভেবেছিলাম যাকে, গান শেষ হবার পর আড়জে-র কথায় জেনেছি সেই শিল্পীর নাম মেহরীন। :S
বুঝলাম, কেন আমাকে ঐ বইগুলোই সাজেস্ট করা হয়েছে। শরমিত

নিজের ক্ষ্যাতত্ব নিয়ে আফসোস কিছুটা কমলো তাম্রলিপির স্টলে গিয়ে, গত বছর প্রকাশিত হওয়া আমার সবেধন নীলমণি পুস্তকটি ভালো চলেছে, এই সুখবর জানিয়ে প্রকাশকপত্নী খুব খাতিরযত্ন করলেন। নব্য লেখকের জন্য বিশাল বড় প্রাপ্তি: এই প্রতিষ্ঠানটি ব্যতিক্রমী কাজ করেছেন প্রকাশনা-রয়্যালটি ইত্যাদি বিষয়ে কাগজে-কলমে বন্দোবস্ত করে। তবে নিজের বই 'ভালো চলেছে' শুনে ভেতরে-ভেতরে খুশি হতে পারি না, দেশে অটিজম আক্রান্ত সন্তানের ভুক্তভোগী পিতামাতার সংখ্যা বাড়ছে-- সহযোদ্ধা হিসেবে আমার জন্য এ খবর আতঙ্ক ও বেদনার।

একলব্যের পুনর্জন্ম, সংক্ষেপে এপু বা অপর্ণা, অনেকটা পথ উজিয়ে আবাসস্থলে দেখা করতে এলো। অপনা তার কাছাকাছি নামের একজনকে পেয়ে খুব খুশি, আরো খুশি চকোলেট পেয়ে। এপুসহ তার প্রজন্মের ব্লগারদের অনেকেই আমার খুব পছন্দের লিখিয়ে, স্নেহের ছোটভাইবোন। ওদের বুদ্ধিদীপ্ত লেখালেখি, রসবোধ, প্রতিবাদ-নিন্দাবাদের সৎসাহস দেখে ভালো লাগে। এপুর সঙ্গে গল্পের অনেকটা জুড়ে রইলো তনুজা আর তার বর। কী কপাল, আমি যখন ঢাকায় এলাম, ঠিক তখনই সে গেছে আমার শহর চট্টগ্রামে! :(

পরদিন আবার মেলায়, এবার বিকেলে, উপলক্ষ শওকত হোসেন মাসুম আর আবদুর রাজ্জাক শিপনের বইয়ের মোড়ক উন্মোচন। পুতুল (আদিযুগের ব্লগাররা শিরোনামহীন নিকে তাকে অবশ্যই চিনবেন) এখন থাকে সিলেটে, ব্লগরব্লগর থেকে অবসর নিয়ে সেই এনার্জি ফেইসবুক স্ট্যাটাস আর এসএমএসে ব্যয় করছে। দুপুর পার হতেই তার অবিরাম বার্তা।
- আইতেছো?
- এতো দেরি হয় ক্যান?
- নজরুল মঞ্চে বইসা আছি
- বইসা বইসা পা নাচাইতেছি
- আমার পাশে এক পুলায় শিলা কি জওয়ানি শুনতেছে, মুনে লয় থাবড়ায়া দাঁত ফালায় দি

রশীদা আফরোজকে চতুরের ব্লগাররা বেশ চিনে গেছেন, তার সঙ্গে প্রায় আট বছর পর দেখা। শেষবার দেখা হবার সময় আমার কন্যা পৃথিবীতে আসার দিন গুনছে, এবার তার হাতে রশীদার লেখা শিশুতোষ বই 'পিকু' (রশীদার বইটি সেই উনিশশো কত সনে যেন বেরিয়েছিলো!)। দুই সখীতে দুপুরে একসঙ্গে খেয়েদেয়ে সাজুগুজু করে বেরিয়ে পড়লাম।

পুতুলের ধারাবাহিক বার্তা পড়ার ফাঁকে গপসপ করতে করতে আমরা মেলার পথে। পয়লা ফাল্গুনে বসন্ত আর 'উচ্ছ্বাসে-নিঃশ্বাসে'তে সীমাবদ্ধ নেই। শিশুদের পাশাপাশি বড়রাও গাল পেতে আল্পনার নকশা আঁকিয়ে নিচ্ছে; বিশেষত মেয়েরা। অনেকের গলায়-মাথায় 'জংলি রাণী' স্টাইলে গাঁদা ফুলের মালা। কোরবানীর গরুর পর এই মালার এতো বেশি ক্লায়েন্ট সম্ভবত আর কখনো হয় না D

পুতলা বিশাল লম্বা, প্রায় ছয়ফুট দীর্ঘ এই সুদর্শনার সঙ্গে আমার ঈদমোবারক করাটা আশপাশের লোকজনের জন্য বেজায় হাসির খোরাক হলো। ওর সঙ্গে ছবি তোলার সময় অবস্থা বুঝে ইটের উপর দাঁড়িয়ে গেলাম :-B

রশীদা আর আমার পরিচিতির সূত্র হলো নব্বই দশকে ভোরের কাগজের পাঠক ফোরামে লেখালেখি। সেখানে যারা লিখতাম, তাদের মধ্যে আমরা কয়েকজন এখন ব্লগাই। পাপড়ি রহমান সিরিয়াসলি সাহিত্যচর্চা করছেন; সুমন্ত আসলাম অবিরত লিখছেন, বিপুল পাঠকপ্রিয়তার কারণে প্রকাশকদের কাছে বেশ আদরণীয় নাম। জনপ্রিয়তার দায়ে লেখক হিসেবে তাকে খারিজ করে দেন যারা, তাদের সঙ্গে আমি একমত নই। মেলায় দেখা হয়ে গেলো পাপড়ি আপা আর সুমন্তের সঙ্গে। সুমন্ত আগেই বলেছিলেন, একসঙ্গে সময় কাটাবো আমরা, তখন বিশ্বাস হয়নি বইমেলায় বন্ধুদের জন্য তার সময় দেয়ার সময় এখন আছে। দেখে ভালো লাগলো, পুরনো বন্ধুদের তিনি ভোলেননি, আগের মতোই উৎসাহ দিলেন লেখালেখির। অটোগ্রাফ দেখে আশ্চর্য হলাম, সুমন্তের হাতের লেখাও এতো বছরে একটুও বদলায়নি! সুমন্তের বউ ঊর্মি, মেয়ে সুমর্মী, পাঠক ফোরামের সেই সময়কার সম্পাদক গিয়াসভাই, তার স্ত্রী শিপলুসহ আমাদের পুরনো বন্ধুবান্ধবদের বিশাল দল মেলায় একচক্কর দিয়ে ফেললাম।

ক'দিন আগে বিশদ বাঙলায় (চট্টগ্রামের একটি ব্যতিক্রমধর্মী প্রতিষ্ঠান; বইয়ের দোকানও আছে) বসে গল্প হচ্ছিলো সেখানকার কর্মী বাবুর সঙ্গে। বাবু নিজে ব্লগার, তবে অনিয়মিত। বইয়ের বিক্রিবাট্টা নিয়ে কথাবার্তার এক পর্যায়ে দুঃখ করে বললো, ব্লগারের বই কেউ কেনে না। বাবুর কথার হতাশ ভঙ্গিতে মনে পড়লো আমাদের গ্রামের বাবুর্চি তালেবর মিয়ার বিখ্যাত এক উক্তি। গ্রামাঞ্চলে উৎসব আয়োজনে সবজি খাওয়ানোর চল নেই, তালেবর মিয়া নিজের ছেলের বিয়েতে লাউয়ের তরকারির একটা আইটেম করে ভেবেছিলেন অভ্যাগতরা লুফে নেবে এ অভিনবত্ব। ফলাফলটা এই হয়েছিলো, গ্রামের নিজস্ব প্রবাদ তৈরি হয়ে গিয়েছিলো-- লাউ তো কেউই লইলো না মোকাব্বের!

ঢাকায় বইমেলায় গিয়ে অবশ্য তেমনটা মনে হলো না। ব্লগারদের মধ্যে বোধহয় ভ্রাতৃত্ববোধের মতো একটা কিছু ব্যাপার আছে, ভার্চুয়াল ঘনিষ্ঠতার নিজস্ব আবেগ বইমেলায় টের পাওয়া যায়। অনেকের হাতে মাসুমভাইর বই 'সাদা-কালোর অর্থনীতি'। আশরাফ মাহমুদের 'রোদের অসুখ', শিপনের 'চন্দ্রাবতীর চোখে কাজল রং', মাইনুল সিরাজীর 'প্রেম পৃথিবীর পাঁচালি'ও দেখা গেলো।

বিলাই শাওনকে আগে একবার দেখেছিলাম, এবার দেখে বুঝলাম একটুখানি ভূঁড়ি বানিয়ে ফেলেছে। দেখা হলো মেসবাহ য়াযাদ, সাঈদ, বৃত্তবন্দী (কাউয়া শুভ), অচেনা বাঙালী (হাসান রায়হান), জয়িতা, নূপুর, সিমনের সঙ্গে। চট্টগ্রামে দেখা হওয়া মুক্ত বয়ান আর আজমও বাদ নেই। প্রথমবারের মতো দেখা হলো বোহেমিয়ান ওরফে বাপ্পীর সঙ্গে। রুবেল এলো বউকে নিয়ে। এলো সাঁঝবাতির রূপকথা নামের সেই খাড়াচুলো বানরের ছবিঅলা ব্লগার, যে কিনা একবার আমাকে তার জন্য পাত্রী দেখতে বলেছিলো। ছবি চাইলে বলেছিলো, যে পছন্দ করার এই ছবি দেখেই করবে। আশরাফ মাহমুদের বইটি সংগ্রহ করেছি, ভেবেছিলাম অটোগ্রাফ নেবো, সে ব্যাটা গেছে নোয়াখালী। সাইফুল আকবর খান এলো আক্ষরিক অর্থেই ছুটতে ছুটতে, এই সুলেখক ছোটভাইটি অনেকদিন লেখালেখির বাইরে, তার প্রকাশিত উপন্যাস 'ত্রিধা' উপহার পেলাম। মুক্ত বয়ান অচেনা একজনকে দেখিয়ে কুইজ ছুঁড়ে দিলো। কিছুতেই আন্দাজ করতে পারিনি, নিরীহদর্শন এই ছেলেটি আমাদের তুখোড় লেখক হাসান মাহবুব!!! আমি ভেবেছিলাম হামা নির্ঘাত ডানপিটে-রাফএনটাফ গোছের কেউ হবে।

মুক্ত বয়ান বেজায় ফাজিল হয়েছে, খুব গুরুত্বপূর্ণ কথা বলবে এমন ভঙ্গিতে এগিয়ে এসে বলে ফেললো, 'পুরা মাষ্টারনী'। একাধিকবার একই কীর্তন, কাঁহাতক সহ্য করা যায়! বয়স্ক ভদ্রমহিলাকে উত্যক্ত করার অপরাধে তার নামে একটা জিডি করাবো বলে এক পুলিশ বন্ধুকে ডেকে আনলাম। দুঃখের বিষয়, বন্ধু বিভীষণ মুক্তর সাথে একমত পোষণ করলো :S । মনের দুঃখ মনে চেপে বইমেলা-ব্লগারমেলা সব ত্যাগ করে ফিরে এলাম। দিলটা টুকরা টুকরা হৈয়া গেলো

6.608
আপনার মূল্যায়ন: আপনি মূল্যায়ন করেন নি। গড় রেটিং: 6.6 (১০ জন মূল্যায়ন করেছেন)
শেয়ার করুন » Facebook Twitter Delicious Digg MySpace Google Orkut Blogger Google Buzz Technorati
অথবা এই সংক্ষিপ্ত লিংক শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮৪৬১১(১)    

আপনার বইমেলা ভ্রমনের ছবি দেখেছিলাম ফেবুতে

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮৪৬১৮(২)    
লেখকের মন্তব্য

আমার ক্যামেরা ছিলো না, তবে বন্ধুরা বড় উদার :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮৪৬১২(৩)    

আমরা ডরাইছি, মুক্তও, কেউ আর আপনারে ডিসটু দিবোনা, কালকা যেই স্মার্ট এসকর্ট দেখাইলেন!!!!
আমারে আপনের সাথে একটা ফুডর তোলার টিকেট দিলেন না, মনে আফসুস রৈলো!

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮৪৬২০(৪)    
লেখকের মন্তব্য

মজার ব্যাপার, ঠোলাবন্ধুর কথা তোমার মতো লাগে :)

আমি গরীবমানুষ, ক্যাম্রাউম্রা আছিলনা, কতো আশা ছিলো তুমি একটা তু্ইলা দিবা :(

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮৪৮১২(৫)    

দেখা যায় ছ্যাঁচা আন্টি শুধু জলপাই ছ্যাঁচা দেন না, জলপাই দিয়াও ছ্যাঁচা দিতে পারেন।
ডিস্ক্লেইমার: যাহাই পুলিশ তাহাই জলপাই

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮৪৯৭৮(৬)    
লেখকের মন্তব্য

কাঁটা দিয়ে কাঁটা তোলা, বিষে বিষক্ষয়-- প্রবাদগুলা এমনি এমনি হৈছে বলেন? :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮৪৬১৩(৭)    

পুতলাকে দেখে আমারো এমন অনুভূতি হয়েছে। আমি যেবার গিয়েছিলাম মাঝে মাঝে পুতুলের আড়ালে লুকাচ্ছিলাম। মেয়েটা এত হাসিখুশি আমার খুব ভাল লেগেছে এই গুণটি।
মুক্তও খুব প্রাণবন্ত এবং অবশ্যই ভাল ছেলে। আমি থাকলে আমিও মুক্তের দলে থাকতাম। :প :p

এবং
এবং
খুব খুব খারাপ হয়েছে নিজ শহর থেকে কাউকে না নিয়ে একা একা মেলাতে যাওয়া।

তবে আজ ১৫ই ফেব্রুয়ারীর জন্য সব ভুলে ভালবাসায় সিক্ত করা হলো। ;)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮৪৬২২(৮)    
লেখকের মন্তব্য

পুতুল মেয়েটা আসলে অসাধারণ মানুষ! তোমার মতো ওকেও যে কীরকম ভালো পাই, বোঝাতে পারবো না।

তোমাকে বলতে চেয়েছিলাম, পরে একদম ভুলে গেছি রে আপু :প :p
বাবা যাচ্ছিলেন কাজে, সাথে ঝুলে গেলাম :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮৪৬২৩(৯)    

ঠিক আছে। :)
রুবেলটাকে আমার মনে হয় বোকা একটা ছেলে। বউকে নিয়ে গিয়েছে শুনেই মনে হচ্ছে দেখা হলে ভাল হত, আমাকে খুব মিষ্টি করে আপু ডাকে সে।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮৪৬২৪(১০)    

ছিলাম না অনেকদিন তাই বইমেলার কোন খবরই জানি না, কার, কি কি কেমন বই বের হয়েছে এসব। পোস্ট পড়ে পড়ে লিস্ট করছি, আনিয়ে নিব। :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮৪৬৬৯(১১)    
লেখকের মন্তব্য

রুবেলকে বোকা বলে ফেলেছো :প :p

ওদের জুটিটা দারুণ লেগেছে আমার, দুজনেই চুপচাপ, সারল্যে ভরা :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮৪৬২৮(১২)    

আরে! পুরাই মিস করলাম দেখি! :(

সবাই বইমেলায় কতো ঘুরে টুরে বেড়ায়। দেখা সাক্ষাতও করে। আমি মেলায় ঘুরতেছি কিন্তু সন্ধ্যা পেরিয়ে পৌঁছাই বলে কারো সাথে দেখা হয় না। বড়ো মুশকিল।

ফেসবুকে ছবি দেখলাম। তখনই সন্দ করছিলাম, আপনি এতো লম্বা হইলেন কী করে। তাজ্জব ছবি হৈছে ঐটা। হাসতে হাসতে নাইক্কা

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮৪৬৩৭(১৩)    
লেখকের মন্তব্য

আমি তোমাকে খুঁজছি, অবশ্য মনে হইছিলো বিকালে পাবো না।

নিজে ইটের ওপর দাঁড়ায় আবার পুতলারে বলছিলাম হাঁটু ভেঙে নীচু হয়ে থাকতে D

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮৪৬৪৬(১৪)    

যারা যারা মেলায় যায়, তারা তারা ফুনাইলেও হয়!
আর নিদেন পক্ষে চতুরের মাথায় একটা স্ট্যাটাস দেওয়ার সিস্টেম থাকলে হৈতো।
টুইটারের মত। টুইট কৈরা কৈতাম মেলায় যাই।
আজকে যাওনের ইচ্ছাছে।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮৪৬৫৪(১৫)    

হ, একটা মাইক্রো ব্লগিং বাক্স চাই। ধুম ধাম স্ট্যাটাস দিবাম চাই। ডেভু ভাইকে আবদার করে রাখতেছি এই খানে।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮৪৬৩৮(১৬)    

হিংসাইলাম।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮৪৬৪২(১৭)    
লেখকের মন্তব্য

বড় শখ ছিলো
আফসুস, মেঘের দেখা পাই নাই :(

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮৪৬৬২(১৮)    

আমি জানতাম না কি! জানাইলেই তো এক দৌড়ে গিয়া হাজির হইতাম।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮৪৬৬৮(১৯)    
লেখকের মন্তব্য

একুকে বলেছিলাম। আফসোস, তোমাদের সঙ্গে সময়টা অল্পের জন্য মিললো না :(

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮৪৭৪৭(২০)    

ফালুনের দিন বইমেলায় গিয়েছিলাম হুট করেই।এরপর দেখি মোবাইলে নেট ওয়ার্ক নাই।ফোন করা যায় না,ফেবুতে গিয়ে যে একটা স্ট্যাটাস দিব তারও উপায় নেই।দেখাও হল না।আফসুস। উদাস

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮৪৬৪৩(২১)    

আমার দেখা হৈলো না আপনার সাথে
ঐ ছবিগুলো দেখতে চাই। কার অ্যাকাউন্টে পাবো?

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮৪৬৫৩(২২)    
লেখকের মন্তব্য

মিস করলাম তোমাকেও :(

ছবি তো তোমার দেখার কথা, মুক্ত দিছে কিছু

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮৪৬৫৬(২৩)    

ওহ, পাইসি। একটা ছবিতে আপনাকে ট্যাগ করা ছিলো, ওটার লিঙ্ক ধরেই। পাপড়ি রহমানের অ্যালবামে। ইউ আর লুকিং বিউটিফুল!

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮৪৬৬০(২৪)    
লেখকের মন্তব্য

থেঙ্কু, পরিবেশের গুণ কী সাংঘাতিক বুঝে দেখো :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮৪৬৬১(২৫)    

আপনাদের সবাই অনেক দিন ধরে ব্লগিং করছেন।এতদিনে সবার ভেতর কত সুন্দর সম্পর্ক গড়ে উঠেছে।আপনার এই পোস্ট পড়ে সেটি আরো ভালোভাবে বুঝতে পারলাম।
হিংসে হচ্ছে।কেন এত পড়ে আসলাম।:( :( :sad:

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮৪৬৬৭(২৬)    
লেখকের মন্তব্য

আমার আগেও কতোজন এসেছে! কিন্তু অল্পদিনের মধ্যে আপনজন হয়ে উঠেছে, নিজগুণেই।

দেখুন, পড়ুন, ব্লগে থাকুন; বোঝার আগেই দেখবেন আপনিও অনেকের বন্ধু হয়ে গেছেন :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮৪৬৭০(২৭)    

আহ!
কত্ত মানুষের সাথে দেখা হয়ে গেলো আপনার।
সবার মধ্যে এই সুসম্পর্ক বজায় থাকুক জীবনভর!

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮৪৬৭১(২৮)    
লেখকের মন্তব্য

আমার চোখ ভিজে উঠেছিলো ফেরার সময়, বড় বেশি মায়া কাড়ে এই ছোট ভাইবোনগুলো, বাকী জীবনে অনেকের সঙ্গেই হয়তো আর কোনদিন দেখা হবে না

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮৪৬৭২(২৯)    

না না দেখা হবেনা কেনো?
অবশ্যই হবে!

আমরাওতো ছোট ভাই, আমাদের সাথে দেখা হবেনা?

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮৪৬৮৫(৩০)    
লেখকের মন্তব্য

নিশ্চয়ই হবে, আশায় রইলাম :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮৪৬৯২(৩১)    

ফয়সাল রাব্বী ভাই তো একটা প্রস্তাব করেছেন, ১৮ তারিখ, শুক্রুবার - বইমেলা হোক চতুরদের মিলনমেলা - কেমন হয়?

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮৪৬৯৩(৩২)    
লেখকের মন্তব্য

ভোট দিলাম, কিন্তু বিরসমনে, আমি যে চট্টগ্রামে ফেরত চলে এসেছি

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮৪৬৯৫(৩৩)    

তাই নাকি, আমিও তো মূলত "চিটাইঙ্গ্যা পুলা"! নিবাস চন্দনপুরা। এখন অবশ্য সাভারে থাকি। আপনি কই থাকেন?

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮৪৭০৭(৩৪)    
লেখকের মন্তব্য

আমি আসলে মুসাফির, বাপের হোটেলে আছি। তবে জীবনের অধিকাংশ সময় (প্রায় ২৬ বছর) চট্টগ্রামের সেগুনবাগানে কেটেছে। প্রিয়তম শহর আমার :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮৪৬৯৭(৩৫)    

মিস করেছি। দূরশহরে থাকলে যা হয়

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮৪৭০৯(৩৬)    
লেখকের মন্তব্য

মেলার মজা আসলেই আলাদা মামা। রশীদা-সুমন্ত-শিপলুর সাথে ঘুরতে ঘুরতে আফরিন আর আপনাকে মিস করেছি।

আপনার বই এনেছি :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮৪৭০১(৩৭)    

বই মেলায় এবার যাবার সময় হয় নাই। মনে হচ্ছে হবেও না। আপনি এবার কোন বই বের করেছেন কি?

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮৪৭১৭(৩৮)    
লেখকের মন্তব্য

আহারে, ঢাকায় থেকেও কেউ যেতে পারছে না!
না, ঐ একটাই বই আমার। লায়ন্স ক্লাব থেকে আর্থিক সহায়তা দেয়ার কথা বলেছে, যদি মেলে তো রঙিন ছবি দিয়ে বড় সাইজে আরেকটা করা হতে পারে, যেটাতে খরচানুপাতে কম দাম রাখা সম্ভব হবে। তবে এবার হবে না নিশ্চিত।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮৪৭১৬(৩৯)    

D :D

সেই দিনের সেরা ঘটনা আপনার সাথে দেখা হওয়া D

আবারও হবে আশা করি!

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮৪৭১৮(৪০)    
লেখকের মন্তব্য

আবার হবে তো মেলা, এ মেলাই শেষ মেলা নয় তো :প :p

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮৪৭২৮(৪১)    

। অনেকের গলায়-মাথায় 'জংলি রাণী' স্টাইলে গাঁদা ফুলের মালা। কোরবানীর গরুর পর এই মালার এতো বেশি ক্লায়েন্ট সম্ভবত আর কখনো হয় না।

হাসতে হাসতে নাইক্কা

=====
বইমেলার গল্পগুলো পড়তে এতো ভাল্লাগে মনে হয় নিজেই ঘুরে বেড়াচ্ছি ।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮৪৮৮৮(৪২)    
লেখকের মন্তব্য

তার সাথে যদি যোগ হয় গালের উপ্রে চুনাপেইন্ট দিয়া বায়সপদ হস্তাক্ষরে 'শুভ বসন্তের শুভেচ্ছা' লেখা, অবস্থাটা অনুমান করেন একবার

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮৪৯৮৩(৪৩)    
লেখকের মন্তব্য

ছবি দিলাম একটা, সেখানে নমুনা পাবেন কোনাকাঞ্চি দিয়ে :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮৪৭৯১(৪৪)    

পাপড়ি'পার সৌজন্যে ফেসবুকে আপনার মেলা পরিভ্রমণ এবং বন্ধু আড্ডার ছবি দেখলাম। পাপড়ি'পা সেদিন আমাকে মেলায় যেতে বলেছিল। কিন্তু শারীরিক অসুস্থতার জন্য যাওয়া হয়নি।ইশ্ আপনার সঙ্গে দেখা হওয়াটা মিস করলাম। ভালো থাকবেন।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮৪৮৯০(৪৫)    
লেখকের মন্তব্য

পাপড়ি্আপা মানুষটা যাকে বলে 'জোস'! হাফিজ ভাইও। মনেই হয়নি এই প্রথম দেখা হলো আমাদের। সত্যিই আমরা দেড় দশক আগে ফিরে গিয়েছিলাম।

ঈশান, আপনি এখন সুস্থ তো? মামণিটাকে আদর।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮৪৮০৩(৪৬)    

একদিন আমিও বইমেলায় যামু :)

পোস্টে ২/১ ছবি টা দিলে আমরাও দেখতাম পারতাম

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮৪৮৯২(৪৭)    
লেখকের মন্তব্য

হুঁ, কবির জন্য অপেক্ষায় আছে আঁতেলম্যাগচত্বর ;)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮৪৮১৫(৪৮)    

১১ বছর হয়ে গেলো, বই মেলা যাইনা। মনে হয় এ জীবনে আর হবে না।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮৪৮৯৩(৪৯)    
লেখকের মন্তব্য

এইরকম ঘুরান্টি দিলাম ১৩ বছর পর। কাজেই অপেক্ষায় থাকেন :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮৪৮৩৬(৫০)    

লেখা টা পড়ে মনের মধ্যে ১ টা আনন্দ আনন্দ ভাব হল

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮৪৮৯৪(৫১)    
লেখকের মন্তব্য

সদা থাকো আনন্দে, সংসারে নির্ভয়ে নির্মলপ্রাণে

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮৪৮৫৪(৫২)    

রশীদারও বই আছে!!!!!! যাক সবাই দেখি গুনী।

সই, তোমার লেখার আগা থেকে গোড়া অব্ধি রসে টই টুম্বর থাকে। চিরদিন এটা অক্ষয় থাকুক। তোমার ঘড়া থেকে এভাবে রসবোধ আমাদের পাতে পড়ুক।

ভালোবাসা

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮৪৯৭৯(৫৩)    
লেখকের মন্তব্য

আহারে তোমার ঘরে তোমার কোনো বই নাই! সব বর আর বাচ্চার? শিগগির একখান বই খরিদ করো, গুণী হওনের এই সুযুগ হেলায় হারায়োনা B-)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮৪৮৫৬(৫৪)    

মাইনাস
আমিও দেশ ছাড়া তুমিও
কিন্তু তুমি ঠিকই বইমেলার টাইমে দেশে
মেলার আগে দেশে যে যেতে পারে তাকে হিংসা হিংসা হিংসা

আর শুধু তো বইমেলা না এই যে সবার সাথে দেখা আড্ডা
সব মিলায়ে হিংসার বন্যায় পোষ্ট ভাসায় দিলাম

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮৪৯৮০(৫৫)    
লেখকের মন্তব্য

যে গরম পড়ছে তার উপর ধূলাবালি, তোমার বন্যাটা বড় উপকার করলো গো মমরঙ ;) D

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮৫১৬৪(৫৬)    

সে এক বিশাল ইতিহাস! ২০ মিনিট ধইরা ফুনাইতে ফুনাইতে কাচে যায়া আমি তো আর চিনতে পারি না, পরে মনে হৈলো, সামনে সুনদর মুনদর কতিপয় বালিকা দাড়ায়া আচে, উনাদের কাছে জিগাই, তাতেই কেল্লাফতে!

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮৫৩০৫(৫৭)    
লেখকের মন্তব্য

তু্ই যে আসলে মানুষ, বাচ্চা একটা পুলা, ছবির ঐ বান্দরটা না, বিশ্বাস করতে হাল্কা একটু কষ্ট হৈছে D :প :p

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮৫৪৫৫(৫৮)    

আপনার সাথে দেখা হলো না।মনটা সেদিন আসলেই অনেক খারাপ হয়ছিলো।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮৫৬৬৬(৫৯)    
লেখকের মন্তব্য

একটা সুযোগ ছিলো, এমন সময় আর আসবে কবে :(

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮৫৪৫৮(৬০)    

:) অনেক মজা করেছেন তাইনা?

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮৫৬৬৭(৬১)    
লেখকের মন্তব্য

সে আর বলতে! :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮৫৫০১(৬২)    

দারুণ আড্ডা হয়েছে দেখা যায়। D

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮৫৬৭০(৬৩)    
লেখকের মন্তব্য

হ্যাঁ, দারুণ! D

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮৭৮০১(৬৪)    

১। মেলাদিন পর্যনত আমার ধারণা ছিলো ট্রেসি চ্যাপম্যান পুরুষ মানুষ।
২। এ্যামেরিকায় পড়তে আসার পর এইটা মানতে খুব কষ্ট হৈত যে ইউনিভার্সিটিতে প্রচুর মেয়ে আমার চেয়ে লম্বা। (বাংলাদেশে আমি আমার চেয়ে লম্বা কোন মেয়ের কথা জানতাম না। আমি ৫-১০)
আমি যে অফিসে কাজ করি, সেখানে জনা পচিশেক লোক কাজ করে, এর মাঝে ৯ জন নারী। তার মাঝে ২ জন আমার চেয়ে লম্বা। :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮৭৮৫৮(৬৫)    
লেখকের মন্তব্য

পুতলারে দেখলে মজাই লাগে। ওরে জিজ্ঞেস করি, উপ্রের বাতাস কেমন লাগে D

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৮৯১৮৪(৬৬)    

পাপড়ির ফেসবুকে ছবি দেখেছি।
এই প্রথম বই মেলায় যেতে পারিনি। :(

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৯২১৯৬(৬৭)    
লেখকের মন্তব্য

আহারে, তোমাকেও তবে মিস করলাম। আবার কখনো বইমেলাতে দেখা হবে :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১১৯৮০২(৬৮)    

অতিমাত্রায় হিংসাইলাম কষ্ট হয় খুব মিস করি সব কিছু কেন যে পরগাছা হলাম,,,,,!!! :(