লেখকের ক‌থা

সদর দরজা

বাবা দিবসে নিজাম ডাকাতের গল্প

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অনেককে বলতে শুনি ছেলেদের চেয়ে মেয়েরা বেশি বাবা-ঘেঁষা হয়। আমাদের পরিবারে উল্টো ঘটনা। আমরা দু'বোনই মা-অন্তঃপ্রাণ। ভাই নেই; থাকলে সেও নিশ্চিতভাবে আমাদের দলেই ভিড়ত। কারণ আমার বাবা, আমরা বলি আব্বু, এক আজব কঠিন চিজ। বাবার মুখে গল্প শোনা, তার সঙ্গে খেলাধূলা করা বা বেড়াতে যাওয়ার কোন আনন্দময় ঘটনা আমার ছোটবেলার স্মৃতিতে নেই। শুধুই বকাবকি, বাজখাঁই ধমক, আর পান থেকে চুন খসার আগেই নির্বিচার গাঁট্টারদ্দার নির্দয় ইতিহাস। আমাদের মাতৃকুলে তো বটেই, খোদ পিতৃকুলেও তার দুর্ব্যবহারের ব্যাপক দুর্নাম ছিল। হিটলার, আড়ুয়া, ঘাউড়া, রগত্যাড়া, সীমার, জালিম --- আব্বুর এমন নিকগুলো শুনতে আমাদের কখনোই খারাপ লাগেনি। বরং মনে হয়েছে, বাহ্ বেশ ফিট তো নামটা...

সেকালের বাজারে খেলনার প্রাচুর্য ছিল না তেমন; আমাদের বরাদ্দ ছিল আরও কম। তবে বাবার চাকুরিসূত্রে টিলার ওপর মস্তবড় বাগানঅলা বাংলোতে থাকতাম বলে ঐ ঘাটতি পুষিয়ে যেত। গাছপালা বেশি থাকায় আব্বুর ছড়িলাঠির যোগানও ভালই ছিল। এক রোববারের কথা (তখন রোববার ছুটি ছিল)। সকাল বেলা দু'বোন বাইরে ব্যাডমিন্টন খেলব। দু'জনেরই লক্ষ্য লালরঙা র‌্যাকেটটার দখল নেয়া। একটু টানাটানি হয়েছে মাত্র, অমনি শান্তিপ্রিয় আব্বু বেরিয়ে এসে কাঠের র‌্যাকেটদুটো কেড়ে নিয়ে আছাড় দিয়ে ভাঙলেন। তারপর সেই ভগ্নাংশ দিয়েই দমাদম ঘা বসিয়ে দিলেন আমাদের পিঠে। যেন আর কখনো কাড়াকাড়ি বা শান্তিভঙ্গ না করি। আপু তখন পাঁচ, আমি চার। আর এটা ছিল তুলনামূলকভাবে হাল্কার ওপর দিয়ে যাওয়া ঘটনাগুলোর একটা। মাকে বহুবার ডেটলের শিশি আর তুলার বান্ডিল বের করতে হয়েছে।

পাড়ায় আমাদের সমবয়সী খেলার সাথী ছিল কয়েকজন; প্রত্যেক বিকেলে কোন না কোন বাংলোর লনে (চট্টগ্রামে রেলকর্তাদের এলাকা) আমরা খেলতে যেতাম। আব্বু বাসায় থাকলে বন্ধুবান্ধবরা কেউ পারতপক্ষে আমাদের বাসায় আসতে চাইতো না। আবার অধিকাংশ বাসাতেই আমাদের খেলতে যাবার ওপর আব্বুর কড়া নিষেধাজ্ঞা ছিল। কারণ তারা "হারামখোর"। এই শব্দের মানেটা তখন বুঝতাম না। তবে তেমন কোনও বাসায় জন্মদিন বা পুতুলবিয়ের আকর্ষণে দলে পড়ে কখনো চলে গেলে, আনন্দের হাটের মাঝখান থেকে ধরে এনে যে ছ্যাঁচা দিতেন, তাতে কিছুটা আন্দাজ পেতাম।

আমাদের পারিবারিক সম্বোধনে তুমি-র চল ব্যাপক। দাদা-দাদীও "তুমি"। শুধু আব্বুকেই আমরা আপনি করে বলা শুরু করলাম। কেউ শিখিয়ে দেয়নি, দু'বোনে নিজেদের মধ্যেও আমরা কোন কথা বলিনি। কীভাবে কবে থেকে যেন আমরা এই দূরত্বে সরে এসেছি।

যেকোন বাবামার বিচারে আদর্শ সন্তান ছিলাম আমরা দু'বোন; উচ্চ মাধ্যমিকের গণিতের ব্যাচে নাম লেখানোর আগে কারোই গৃহশিক্ষকের প্রয়োজন হয় নি। হয়তো আব্বুর ভয়ে, কিংবা বিনোদনের কোনও মাধ্যম না থাকায় ঘাড়গুঁজে আমরা পড়াশোনা করে যেতাম। তারপরও আব্বুকে কখনো খুশি করতে পেরেছি বলে মনে পড়ে না। হঠাৎ হঠাৎ এসে ইংরেজি গ্রামারের কঠিন কোন রূপ বা জটিল কিছুর ইংরেজি প্রতিশব্দ জানতে চাইতেন। ওই ভয়ংকর কণ্ঠ শুনে জানা বিষয়ও গুলিয়ে যেত। ফলাফল ...। পেশাগত কারণে আব্বুকে চট্টগ্রামের বাইরে ঢাকা-রাজশাহী করতে হয়েছে বেশ কয়েকবার; ট্রেনিং-ডেপুটেশনে বিদেশেও গেছেন অনেক। আমাদেরকে ঝামেলা মনে করে কখনোই সঙ্গে নেন নি। আমরাও এতে একটুও দুঃখিত না হয়ে বরং ঈদের আনন্দে দিন কাটিয়েছি।

অনেক বছর পর, আমরা দু'বোনই যখন অনেক বড়, চাকরি-সংসার নিয়ে ব্যস্ত; তখনও আব্বু সুযোগ পেলেই স্বমূর্তিতে আবির্ভূত হন। তবে আমরাও আর অত সহজে ওয়াকওভার দিই না। একটা নমুনা এরকম:
- তিন ঘণ্টা ধরে কোন সুস্থ মানুষ গোসল করে??? বের হোক আজকে নবাবজাদী...
- আপনার কাজ নাই, তিন ঘণ্টা ঘড়ি ধরে বসে আছেন ক্যান? আর আপনার বাথরুমে তো ঢুকি নাই
- বেয়াদব! মুখে মুখে তর্ক!! আছাড় দিয়ে... !!!

আমার প্রথম বস আমাকে প্রচণ্ড স্নেহ করতেন। একদিন বাসায় এলেন বেড়াতে। হিটলার সাহেব আলাপে বসলেন। বস তার এক কাজিনের কথা বললেন, যিনি আব্বুর সহকর্মী ছিলেন। "ও তো বিরাট চোর"--- বাপের এই কথার পর বহুদিন বসের দিকে চোখ তুলে তাকাতে পারিনি। বেয়াই-বাড়িতে তার সুনাম কেমন বুঝে নিন।

প্রথমে চাকরি, পরে সংসারের টানে আব্বুর আঁচ থেকে আমার মুক্তি মিলেছে। আপু বেচারি পড়েছে মহা ঝামেলায়। হোস্টেলজীবন পার করেই তাকে আবার ওই বাঘের গুহায় ঢুকতে হয়েছে। এখন সে ঘরে দুটো বিচ্ছু বাচ্চার মা, বাইরে মেডিকেল কলেজের শিক্ষক, তারপরও রেহাই নেই। অপদার্থ, বেয়াদব, বেয়াক্কেল প্রভৃতি সহযোগে বজ্রপাত তার নিত্যসঙ্গী। তার বাচ্চাদের খুব কমন একটা সাবধান-বাণী হল, "মা তাড়াতাড়ি লুকাও, নানা আসলো"।

আমি বাসায় ফোন করলে সাধারণত আপুর মোবাইলেই করি; ওর সঙ্গে কথা শেষ করে এক এক করে বাকী সবার পালা। আব্বুর প্রসঙ্গ উঠুক না উঠুক, ঐ বিষয়ে তার রাগ-দুঃখ-আক্ষেপ সব কোরাসে বাজতে থাকে। আমার আপু এমনিতেই একটু হায়হায় পার্টি, তার ওপর গত এক বছরে ডাকাতি আর সড়ক দুর্ঘটনায় তার প্রায় সর্বস্ব গেছে। ওকে সান্ত্বনা দিতে গিয়ে কখন যেন বলেছিলাম মেয়ের বহুমূল্য চিকিৎসার অর্থ-সংস্থান নিয়ে আমার দুশ্চিন্তার কথা। অন্য কোনো উদ্দেশ্যে না; পৃথিবীতে আরও বহুরকম কষ্টে মানুষ আছে, এটা বোঝাতেই ওকে সেকথা বলা।

আমি ভুলেই গেছি ওকে কী বলেছিলাম; দু'দিন পর আব্বুর ফোন পেয়ে বুঝলাম আম্মুর থ্রু হয়ে আব্বুর কানে কিছু একটা পৌঁছে গেছে। শুনতে পেলাম আমার বাবা, বদমেজাজের বিশ্বরেকর্ডধারী আব্বু, তার বাজখাঁই টোনটা একটু নামিয়ে বলছেন, "আম্মুরে, আমার নানুভাইর ট্রিটমেন্টে কত টাকা লাগবে তুই আমাকে বললি না কেন? আমার যা আছে সব দিয়ে দিই, আমার কিডনি-ফিডনি সব বেচে ফেলব, তুই শুধু আমাকে বল ...।"

আব্বুকে আশ্বস্ত করে বোনকে ধরি। আব্বুর বদল বিষয়ে আপুর ব্যাখ্যা খুব সাদামাটা। "হিটলার ভং ধরসে। বুড়া বয়সে নিজাম ডাকাত হইসে।"

7
আপনার মূল্যায়ন: আপনি মূল্যায়ন করেন নি। গড় রেটিং: 7 (৭ জন মূল্যায়ন করেছেন)
শেয়ার করুন » Facebook Twitter Delicious Digg MySpace Google Orkut Blogger Google Buzz Technorati
অথবা এই সংক্ষিপ্ত লিংক শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১২৯৮৬০(১)    
লেখকের মন্তব্য

ব্লগে বাবাকে নিয়ে হৃদয়স্পর্শী লেখা আসছে। বুঝতে পারছি, আজ বাবা দিবস। তিন বছর আগে লেখা অন্যত্র প্রকাশিত এই ব্লগপোস্টটি চতুর্মাত্রিকেও দিলাম; তবে প্রথম পাতায় নয়।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১২৯৯৪৩(২)    

আপনার লেখা পড়ে কষ্টও লাগলো, ভালও লাগলো। অনেক কথা অনেক সময় বলা যায়না। আপনি তাও কিছুটা পারলেন লিখতে। কষ্ট কেন লাগলো, সেই সাহস যদি কখনো করে উঠতে পারি, হয়তো কয়েক লাইন লিখবো।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৩০১০৫(৩)    
লেখকের মন্তব্য

আপনার এমন লাগছে কেন, বোধহয় বুঝতে পারছি। লিখবেন অবশ্যই; অপেক্ষায় রইলাম। ভালো থাকুন সর্পিল।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৩০০১৮(৪)    

নিজাম ডাকাত! :)
বরাবরের মতই ঝরঝরে লেখা।।

--------------
কোন কোন বাবা ভালবাসা প্রকাশ করতে পারেন না। আগেকার যুগে হয়তো ভালবাসার বহিঃপ্রকাশকে দুর্বলতা হিসেবে ধরা হত।

--------------

আমাদের (তুমি-আমি) মাঝে অদ্ভুতরকম মিল আছে।

অনেক, অনেক কথা তোমাকে বলতে ইচ্ছে করে।। কিছুতেই বলা হয়ে উঠছে না। একদিন, ইনশাল্লাহ।
বুকে আয় বাভুল বুকে আয় বাভুল বুকে আয় বাভুল বুকে আয় বাভুল বুকে আয় বাভুল

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৩০১০৭(৫)    
লেখকের মন্তব্য

দেখিস একদিন আমরাও
বুকে আয় বাভুল বুকে আয় বাভুল বুকে আয় বাভুল

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৩০০৮১(৬)    

অদ্ভুত!
আপনি যে কথাগুলো লিখলেন, খুব মিল আছে আমার সাথে। আব্বু-আম্মু জীবিত থাকতে কখনো বুঝতে পারি নি, এখন তাঁরা দুইজনই যখন নেই, বুঝি কতটা ভালোবাসি তাঁদের, কতটা মিস করছি।
আজ সারাদিন বাবা বিষয়ক লেখা পড়লাম, আর বারবার চোখ ভিজে গেলো জলে।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৩০২৬২(৭)    
লেখকের মন্তব্য

ভাই নিয়াজ, আপনাকে সান্ত্বনা দেয়ার ভাষা আমার জানা নেই...

দোয়া করি ভালো থাকুন আপনি, বাবামায়ের মনের মতো করে জীবন গড়ে নিন। আমি নিশ্চিত, আপনার জন্য তাঁরা গর্ববোধ করছেন।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৩০০৮৮(৮)    

বেশ ভালো লাগলো। আব্বুরা কিছুটা কাঠিন্য মেশানো শ্নেহ দেখান। আপনি আপনার মায়ের কাছে জানবেন, আপনার কোন অশুক -বিশুকে কেমন অস্হির থাকতেন, যা হয়ত আপনি জানেনই না :)
জ্বরে হ্য়ত আপনার মাথায় রাতে হাত বুলিয়ে দিতেন, আপনি হয়ত তা খেয়ালই করেন নি:) আমার কিন্তু এমন ঘটনা আছে। রাতে অনুভব করতাম, বাবা আমার মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছেন। বাবাকে বুঝতেও দিতাম না :)

ভালো থাকবেন, সব সময় :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৩০২৬৫(৯)    
লেখকের মন্তব্য

কী মমতার হাত ছিলো সেটা, তাই না?

নাহ্, কারো অসুখবিসুখ হয়েছে আর উনি মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছেন, এই দৃশ্য দেখার জন্য আব্বুর নাতিনাতনিদের জন্ম পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়েছে হিঃহিঃহিঃ  হাহাহা

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৩০২৯১(১০)    

জি খুব মমতার হাত ছিল:) এখনো অনুভব করি সেই মমতা।
আপনি তো একজন মা। তাই বাবার মনের কথা ঠিক ভাবে বুঝতে পারবেন না।
আমি বাবা তাই বুঝি, বাবার শ্নেহ কোথায় লুকিয়ে থাকে :)

অ:ট: আপা, রেটিংটা বুঝতেছিনা। এটা কি ?

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৩১৪০৭(১১)    
লেখকের মন্তব্য

কীসের রেটিং ভাই? পোস্টের? চতুর্মাত্রিকের সিস্টেম হলো সাতটা তারার। এক তারার মানে হলো মাইনাচ, সাত তারার মানে উত্তম জাঝা। মাঝখানেরগুলো কী যেন, খেয়াল করি নি। আমি সাধারণত হয় এক নয়তো সাত দিই :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৩০১০২(১২)    

হাহাহাহাহাহহাহা!! আপাকে আমার সালাম দিও।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৩০২৬৬(১৩)    
লেখকের মন্তব্য

আচ্ছা দিমু নে D

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৩০১৫৯(১৪)    

বাবারা সবসময়ই আমাদের বাবা ,নিজাম ডাকাত হলেও ।
এত সুন্দর করে লেখার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ ।
আপনার বাবাকে শ্রদ্ধা অনেক।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৩০২৭৪(১৫)    
লেখকের মন্তব্য

সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ শায়ন্তন।
আপনার বাবার জন্য শ্রদ্ধা, আপনার জন্য শুভকামনা।
ভালো থাকুন সব সময়।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৩০১৭৬(১৬)    

নুশেরাপু.......আপনার আব্বু আর আমার আব্বু মনে হচ্ছে একই।
আংকেলের জন্য অনেক অনেক শ্রদ্ধা আর শুভকামনা রইল।
খুব মজা পেলাম লেখাটি পড়ে..........

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৩০২৭৫(১৭)    
লেখকের মন্তব্য

হাহাহাহা, আমরা ছোটবেলায় মেলায় হারিয়ে যাওয়া যমজবোন নাকি? :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৩০৬৪১(১৮)    

হি হি হি হি.......সন্দেহ নেই ইয়াহুউউউ!!! ............আর আমি ছোট বেলায় শেরাপু ডাকতাম...তাই না?বুগিবুগি
শেরাপুউউউউউউ..............বুকে আয় বাভুল

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৩১৪০৮(১৯)    
লেখকের মন্তব্য

বানানে একটু ভুল হৈসে। শেরা না হয়ে সেরা হবে ;)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৩১৪৭৬(২০)    

হিহিহিহি....শের+আপু=শেরাপু.......আমি তো এটা মিন করলাম আপুনি ;)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৩০৩৭৩(২১)    

হিটলারের মুখোশধারী বাবাটা কোনদিন ঠিকমত তাঁর ভালবাসাও প্রকাশ করতে পারেননি। বরং প্রকাশ করতে গিয়ে উপাধি পেলেন নিজাম ডাকাতের।
আমার অনেক ভালবাসা বাবা ও তাঁর কন্যারত্নদের জন্য। :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৩১৪১০(২২)    
লেখকের মন্তব্য

তারামণি আজকাল কী বিষণ্ণ, কী গম্ভীর-গম্ভীর কমেন্ট করে...
অনেক অনেক ভালোবাসা আমাদের প্রিয় গডমাদারের জন্যও :প :p
বুকে আয় বাভুল বুকে আয় বাভুল বুকে আয় বাভুল

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৩০৪২০(২৩)    

:(

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৩১৪১১(২৪)    
লেখকের মন্তব্য

তুই লগাস না ক্যান? :(

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৩০৪৪৪(২৫)    

আপনার এই লেখার 'বাবা' তো আমার বড় মামার সাথে হুবহু মিলে গেল! আমার মামাত ভাই বোনদের এই ভাবেই (মামী সহ) মানুষ হতে হয়েছে। তবে এই বাবাদের ছেলে মেয়েরা মানুষ হয়, উচ্চ শিক্ষা নিতে পারে।

এরা সময়ে বুঝে না। মরে গেলেও এই রকম/ ঘাড়বাকা থাকে। মামাকে আমি এইভাবে দেখেছি অনেক দিন।

এই 'নিজাম ডাকাত বাবা' আপনি পাবেন বাংলাদেশের ফেনী ও চৌদ্দগ্রাম এলাকায়!

(ভুল বললে মাফ করে দিয়েন, হাতজোড় করে আছি।)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৩১৪১৪(২৬)    
লেখকের মন্তব্য

আমাদের মতো দেশে/সমাজে পারিবারিক পরিমণ্ডলে গাম্ভীর্য ধরে রাখাটাকে পুরুষত্বের বৈশিষ্ট্য হিসেবে দেখা হতো; ছোটবেলা থেকে তাদের বদমেজাজ নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা মায়েরাও করতেন না। নিজে থেকে অমায়িক হবার চেষ্টা আর কতোজনেই বা করেন! সব অঞ্চলেই সবরকম লোক থাকে উদরাজীভাই।

========================

আপনি তো আমার একটা হান্টারওয়ালি মার্কা ইমেজ দাঁড় করিয়ে ফেলেছেন হিঃহিঃহিঃ  হাহাহা

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৩০৪৬৪(২৭)    

মু হা হা হা.......প্রথম পেজে দেন নাই দেখে ভাবছেন বেচে যাবেন? অত্ত সোজা না!
আপনার নিজাম ডাকাতের জন্য সালাম থাকলো।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৩১৪১৬(২৮)    
লেখকের মন্তব্য

মাষ্টারবাড়ির পোলাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৩০৬০৮(২৯)    

পোস্টের টাইটেল পড়ে ঘুনাক্ষরে্ও টের পাইনি যে আসলে নিজাম ডাকাতটা আসলে কে? ভেবেছিলাম কোন এক ব্যক্তি, যে কিনা পেশায় দুর্ধষ ডাকাত হলে্ও একজন স্নেহপরায়ন পিতা! :প :p

সহজে ওয়াক্ওভার না দেবার নমুনাতে বেশ মজা পেলাম। মেয়েদের, এমনকি নিজের এই বয়সে্ও যে আছাড় দিতে চান, সে ডাকাতই বটে! :প :p:P

লেখাতে আপনার ক্ষেদ ঝড়ে পড়ল্ওে পাঠকরা বেশ মজা পেয়েছেন!! বাবা দিবসে যারা বাবাদের গুনগানসমৃদ্ধ লেখা পড়তে পড়তে হাপিয়ে উঠেছেন, তাদের জন্য আপনার অভিজ্ঞতা একটু ভিন্ন স্বাদ দেবে!! D

বড় আপুর কি বিয়ের পরো বাঘের গুহা ত্যাগ করার সৌভাগ্য হয়নি? :-S

আপনার বাবার সাথে আমার নানার বেশ মিল পাচ্ছি। তিনি ছিলেন খুবই বদমেজাজী এবং ঠোটঁকাটাঁ। নিজের মেয়ের জামাইক্ওে তার ধা্ওয়া দেবার রেকর্ড আছে! what!
আমি দেখেছি যে, আসলেই এসব লোকেদের নিয়ে বেয়াই বাড়ীতে ভীষন প্রবলেম হয়।
নিজের ছেলেমেয়েরা তো বটেই, এমনকি আমরা, মানে তার নাতি-নাতনিরা্ও তার কাছ মাড়াতাম না। বন্ধুদের কাছে তাদের গ্রান্ডফাদারদের কত রকম গল্প শুনতাম, কিন্তু আমার তেমন কোন গল্প নেই। শিশুকালে দাদাকে হারিয়েছিলাম। নানাকে পেয়েছিলাম টিনেজ বয়স পর্যন্ত, কিন্তু সবসময় তার কাছ থেকে নিরাপদ দুরত্বে অবস্থানের ফলে তাকে নিয়্ওে তেমন কোন স্মৃতি নেই। সে হিসেবে আপনার বাবা তো অনেক বেশী পৌপুত্রবৎসল। নানাজান এক যুগ আগে গত হয়েছেন এবং সে তাঁর সন্তানদেরকে কিছুই দিয়ে যেতে পারেননি। আমার মা-খালা-মামারা সম্পূর্ন নিজেদের চেষ্টাতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন।

এবার আমার বাবার কথা বলি। আব্বু ছোটবেলায় আমাদেরকে প্রচন্ড শাসন করেছেন সত্যি, কিন্তু আদর করেছেন তার সমান অথবা তার চাইত্ওে বেশী। সন্তানদের জন্য আব্বুর ছোট-বড় আত্নত্যাগ কখনো ভুলবার নয়। তবে আব্বুর যে জিনিসটি আমার সবচে ভাল লাগে, সেটা হলো তার রসবোধ। অথচ সৎ মা'র সংসারে সে খুব কষ্টে মানুষ হয়েছেন।
দেশের বাইরে আসার পর, প্রতিবছর আমার জন্মদিনে ফোন করে আমার কুশলাদি জিজ্ঞেস করবেন, সরাসরি হ্যাপি বার্থ ডে বলেন না, আমরা ধারনা তিনি লজ্জা পান। কিন্তু ফোন করে জানান দেন যে আমার জন্মদিনটা সে ঠিকই মনে রেখেছেন! অথচ আমি কাজের চাপে প্রায়ই বাবা দিবসে তার সাথে কথা বলতে ভুলে যাই। পরশুরাতে আব্বুর সাথে কথা বল্লাম, আব্বু ভাবলেন জরুরী দরকারে ফোন করেছি। যখন বল্লাম, বাবা দিবসের জন্য, তখন ভীষন খুশী হলেন!! :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৩০৭৮৪(৩০)    

প্রলয় ভাইয়ের মন্তব্যটা ভাল লাগল।
বাবা'কে ফোন করে বাবা দিবসের শুভেচ্ছা জানানো বেশ কঠিন কাজ, আর তিনি যদি নিজাম ডাকাত বাবা হন!!!

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৩০৮২৮(৩১)    

উদরাজি ভাই, আমার বাবা মোট্ওে নিজাম ডাকাত নন। বরং তাকে নিজাম আউলিয়া বলা যায়!! :পি

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৩১৪২৮(৩২)    
লেখকের মন্তব্য

খুব ভালো লাগলো বাবা দিবসে প্রলয় বাবার সঙ্গে কথা বলেছে জেনে। এখন ছেলেমেয়েদের কাছে বাবামায়েদের প্রত্যাশা খুব কমই থাকে। এই ছোটখাট ব্যাপারগুলো এতো বড় প্রাপ্তির মতো মনে হয় তাঁদের!

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৩০৯৪২(৩৩)    

লেখাটা পড়ে বোঝলাম আপনার বাবা কঠিন মোড়কে নরম একটা মানুষ

উনারে সালাম

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৩১৪২৯(৩৪)    
লেখকের মন্তব্য

আপনাকে শুভেচ্ছা, কবি

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৩০৯৬৮(৩৫)    

লেখাটি কি করে যেন আমার নজর এড়িয়ে গিয়েছিলো। আমার মেয়ে সেদিন ব্লগে পড়ে আমায় ফোন দিলো, "মা, নুশেরার "নিজাম ডাকাতের পোস্টটা পড়েছেন"? আমি আমতা আমতা করে বললাম, নুশেরা পোস্ট দিয়েছে নাকি? দেখিনি তো!!!
দিয়েছে মানে? একেবারে ফাটিয়ে দিয়েছে!!!
মানে?
হুবহু পাপার কথাই লিখেছেন উনি। উনার বাবা আর আমার পাপা মনে হচ্ছে একই ব্যাক্তি!
|
আজ পড়তে পড়তে মনে হলো, তাইতো! এতো মিল হয় কি করে!!! ভাবতাছি
গুরু-মানি-ওস্তাদ গুরু-মানি-ওস্তাদ গুরু-মানি-ওস্তাদ

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৩১০৩০(৩৬)    

বুঝতে পারলাম, সিলেট অঞ্চলেও নিজাম ডাকাত বাবা পাওয়া যায়!

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৩১৪৩০(৩৭)    
লেখকের মন্তব্য

মন্তব্যটা পড়ে কী বলবো বুঝতে পারছি না, তুমি তাহলে আমার মায়ের মতোই অতি অসাধারণ মানুষ। আর কী কাণ্ড, তোমার মেয়ে দেখি তোমাকে আপনি করে বলে!

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৩১৬৬৬(৩৮)    

ছেলে, মেয়ে দুজনেই আমায় আপনি করেই বলে। আমিও আমার আব্বা আম্মাকে আপনি বলতাম এটা শুনেই হয়তো বলে। এমন কি আমার ছেলে তার ৭ বছরের বড় এক মাত্র বোনকেও আপনি বলে।

আমার শ্বশুর মশাইও ঠিক তোমার আব্বুর মতোই ছিলেন। উনার ছেলে হয়েছেন বাপকা বেটা
ভাগ্যি ভালো, ছেলে-মেয়েগুলো বাপের মত হয়নি! :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৩২১৮৩(৩৯)    
লেখকের মন্তব্য

আরে আপা, তোমরা দেখি পুরাই আলিফ-লায়লা নাকি সোর্ড অফ টিপু সুলতান ফ্যামিলি! সবাই সবাইকে আপনি-আপনি করে বলতো :)

ভাগ্যিস ;) হিঃহিঃহিঃ  হাহাহা

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৩০৯৮০(৪০)    

খুব রাগী মানুষদের ভেতরটা থাকে একদম কোমল। আর রাগী মানুষেরা সবচেয়ে প্রিয় মানুষের উপর ঝাড়াঝাড়ি করে বেশী। আপনার বাবারও তেমনটি মনে হলো।

আমি সবচেয়ে আদর করি আমার কন্যাকে, কিন্তু আমার সবচেয়ে বেশী চটকানাও খায় সে। কিন্তু ইদানীং টের পাচ্ছি আমার আরো বেশী আদর পাওয়ার কৌশল ওটা। ইচ্ছে করে এমন কোন কান্ড করবে, যাতে চটকানা দেই আমি। এবং তারপর আমাকেই প্রবল অনুশোচনার সাথে রাস্তা খুঁজতে হয় কিভাবে ওকে দশগুন বেশী আদর করে ক্ষতিপূরণ করা যায়।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৩১৪৩১(৪১)    
লেখকের মন্তব্য

ওশিনের মতো এমন চটপটে আর বুদ্ধিমান পিচ্চি আমি কম দেখেছি, সত্যিই নীড়দা! ওকে আমার অনেক অনেক আদর। আপনাকে বাবা দিবসের বিলম্বিত অভিনন্দন।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৩১০৪১(৪২)    

নুশেরাজি মনে আছে, আমার বাপের কথা জরিনার প্যাঁচালীতে কইসিলাম? আমার আব্বুও, তোমার বাবার মতই খানিকটা তবে পুরোটা নয়। পার্থক্য হল, চাচাজান চ্যালাকাঠ ভাঙ্গতেন আর আমার বাপজান ভয় দেখাতেন--বন্দুক দিয়া গুলি করে মারবেন। কথায় কথায় আলমারী থেকে বন্দুক বের করতেন।
তবে তোমার লেখাটা পড়ে ব্যাপক মজা পেলাম। পাশাপাশি, এই স্নেহ আর শ্রদ্ধার চোর পুলিশ খেলার লেখাটা পড়ে চোখ ভিজে উঠলো।
বাবা-মেয়ে-মেয়ের মেয়ে সবাই ভালো থাক।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৩১৪৩২(৪৩)    
লেখকের মন্তব্য

জরিনাকিচ্ছাটা আবার এখানে দাও না প্লিজ! বন্দুকের কাহিনী পড়ে ভয়ই লাগছিলো আমার, যদি কখনো অঘটন ঘটে যেতো!

ভালো থেকো তোমরাও বন্ধু বুকে আয় বাভুল বুকে আয় বাভুল বুকে আয় বাভুল

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৩১০৫৭(৪৪)    

পূর্বে অনেকবার পড়া লেখাটা আবার পড়লাম; আবার আপ্লুত হলাম। বাবার সু-স্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৩১৪৩৪(৪৫)    
লেখকের মন্তব্য

ভাই ইশতিয়াক সেলিম, আপনার মতো পাঠক পেয়ে ধন্য বোধ করছি।
একটু সময় করে এখানে রেজিস্ট্রেশন করে ফেলুন না প্লিজ, অর্থনীতি অথবা নিছক দিনপঞ্জী-- যে কোনো বিষয়ে আপনার লেখা পড়ার অপেক্ষায় আছি।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৩১৪৩৯(৪৬)    

,,,,,,,,,,,,,,,,আপনার বাবার প্রতি শ্রদ্ধা।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৩১৬৬১(৪৭)    
লেখকের মন্তব্য

..................... :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৩১৫৪০(৪৮)    

নিজাম ডাকাতরে সালাম।
আমার ডাকাত আগামী পহেলা জুলাই এলপিআর এ যাবে।বাসায় এই নিয়ে ছোট দুইটা খুব টেনশনে আছে!!!!!!!!! D D

- বেয়াদব! মুখে মুখে তর্ক!! আছাড় দিয়ে... !!!

এর পরে এই কথা বললে বইলেন আমারে তুলতে পারবেন?? দেখেন কি হয় চশমা -শশমা -ইশমাঠ চশমা -শশমা -ইশমাঠ

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৩১৬৬৫(৪৯)    
লেখকের মন্তব্য

বাসার বড়টা টেনশনে নাই? D

আমারে তুলতে পারবেন??

হাসতে হাসতে নাইক্কা হাসতে হাসতে নাইক্কা হাসতে হাসতে নাইক্কা হাসতে হাসতে নাইক্কা হাসতে হাসতে নাইক্কা

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৩২২২৭(৫০)    


"আম্মুরে, আমার নানুভাইর ট্রিটমেন্টে কত টাকা লাগবে তুই আমাকে বললি না কেন? আমার যা আছে সব দিয়ে দিই, আমার কিডনি-ফিডনি সব বেচে ফেলব, তুই শুধু আমাকে বল ...।"


বাবাদের আদর-ভালোবাসা এমনই হয়।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৩২৫৬৫(৫১)    
লেখকের মন্তব্য

বাবায় বাবা চেনে :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৩২২৮৭(৫২)    

আজিব !! আমার তো আংকেল কে অনেক সুইট মনে হৈছে, ডিপার্টমেন্ট এর অতীত ভবিষ্যত নিয়ে আলোচনার প্রচন্ড ইচ্ছা ছিলো, আপনি ই দিলেন না ।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৩২৫৬৭(৫৩)    
লেখকের মন্তব্য

আমার তো আংকেল কে অনেক সুইট মনে হৈছে

আচ্ছাআআআ!
এই গত পরশু আপনের সুইট আঙ্কেল যে ঝাড়িটা আমারে দিসেন...
ফোন করছি, মার সাথে কথা বলি, পাশ থিকা রাবণ-হুঙ্কার! এই বেয়াক্কেলের কোনো সময়জ্ঞান নাই, রাত বাজে তিনটা সে ফোন গুতাইতেসে... আরে বাবা, উনার কী দরকার পড়ছে আমার এইখানে কয়টা বাজে হিসাব করার (গররররর)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৩২৫৪১(৫৪)    

খুব ভালো লাগল, মন দিয়ে পড়লাম।আপনার বাবা যেমন মানুষ তাতে উনাকে সঠিক ভাবে মূল্যায়ন কেউ করতে পারবে না। উনি আপনাদের জন্য বাবা জীবনের প্রথম দিন থেকেই সিরিয়াস ছিলেন মনে হচ্ছে। উনার প্রতি শ্রদ্ধা রইল আর লেখার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৩২৫৬৮(৫৫)    
লেখকের মন্তব্য

ধন্যবাদ মারজুক, আপনি এখন কোথায়, দেশে? অনেক দিন পর ব্লগে দেখলাম, লেখা দিন তাড়াতাড়ি!

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৩৩৮৫৮(৫৬)    

আমিও অনেক মা-ঘেঁষা। বাবাকে ভালোবাসি কিন্তু কেমন যেন একটা দূরত্ব আছে। বাবা খুব রাগী বলেই হয়তো। আমার ছোটবোনের অবশ্য সেইদিক দিয়ে অবস্থা অনেক ভালো, সে দু'জনের সাথেই ক্লোজ।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৩৩৯৯৬(৫৭)    
লেখকের মন্তব্য

এই পোস্ট দিয়ে টের পেলাম, রাগী বাবার সংখ্যা নেহাত কম না :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৩৪১৪৮(৫৮)    

নুোশরাপা বাবা মানেই এমন উপরে গরম ভেতরে নরম :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৩৪৪৯৩(৫৯)    
লেখকের মন্তব্য

রোমান সেরকম বাবাই হবে :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৩৫৭০০(৬০)    

"হিটলার ভং ধরসে। বুড়া বয়সে নিজাম ডাকাত হইসে।"

ইদানীং ব্লগ পড়তে ভাল লাগেনা একদম। এই লেখাটা খুব আগ্রহ নিয়ে পড়লাম। বাবা নিয়ে লেখা-তাই। সহজ-সরল বর্ণনা ভাল লেগেছে। আমার বাবাও খুব রাগী। তবু বাবা আমার শ্রেষ্ঠ বাবা। আর নুশেরাপি, আপনি কি সিআরবি'তে ছিলেন? আমিও কয়েক বছর ছিলাম ওখানে। অসাধারণ পরিবেশ।