লেখকের ক‌থা

সদর দরজা

বিটিভির ছায়াছন্দ: কমন পড়ে?

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পুরনো পাঠকরা পুনরাবৃত্তি মার্জনাপূর্বক স্কিপ করতে পারেন

গোড়াতে একটু আজাইরা বকবক করি। শোবিজের লোকজন, বিশেষ করে আমাদের দেশের চলচ্চিত্র তারকাদের ব্যাপারে আমার আগ্রহ ব্যাপক। এর কারণটা বলি। ছোটবেলায় একবার শ্রীমঙ্গলের চা-বাগানে বেড়াতে গিয়ে শুটিং দেখেছিলাম এক বিখ্যাত গানের, "চাকবুম চাকবুম চাঁদনী রাতে কিছু বলবো তোমায়"-- আবেহায়াত সিনেমায় অঞ্জু আর ওয়াসিমের নৃত্যের এই দৃশ্যটা মাথায় গেঁথে আছে। ("বেদের মেয়ে জোসনা" খ্যাত অঞ্জু ঘোষ এক বিচিত্র সম্পর্কসূত্রে আমার আত্মীয়ও হন; দুনিয়াটা বড়ই আজব জায়গা)। তারপর বড়বেলায় একবার কক্সবাজার গিয়ে শাবনূরের সঙ্গে কথা হয়েছিল। বলা বাহুল্য, ওটা তার প্রথম ছবি, খুবই করুণ দশার কস্টিউম আর সস্তা সাজগোজের রোগা শ্যামলা মেয়েটা নিজ থেকেই আশেপাশের সবার সঙ্গে যেচে পড়ে কথা বলছিল, "আপু প্লিজ আমার এই ছবিটা দেখবেন, "চাঁদনী রাতে", এইতো এই বছরেই রিলিজ হয়ে যাবে... "। আরেকবার ইউনি থেকে ফিরে দেখি বাসার চারপাশ লোকে লোকারণ্য, কী এক "শক্তের ভক্ত" সিনেমার শুটিং হবে আমাদের বাগানে। সানগ্লাস চোখে নিশি আর সউদ খান বিরাট ভাব নিয়ে ড্রয়িংরুমে বসা। বেচারা মা পাংশু মুখে বাসার উপর বয়ে চলা কেয়ামতের দিকে তাকিয়ে আছে। পারমিশন দেয়ার সময় বুঝতে পারেনি ঘটনা এতদূর গড়াবে। তারপর, যখন ব্যাঙ্কে চাকরি করি, এক কোম্পানির টুকটাক এলসি করেছিলাম, মালিকের মৃত্যুর পর ছেলেমেয়েরা এসেছে সবকিছু ভাগ-বাটোয়ারা করে নিতে, তখন দেখি শাকিল আহসান নামের ছেলেটা আসলে নায়ক শাকিল খান। এইরকম বহু ঘটনায় দূর আসমানের এইসব তারকাকুলের সাক্ষাত পাওয়ায় মাটির সামান্য মানুষ হিসাবে তাদের প্রতি আগ্রহটা আরও বেড়ে গেল আরকি।

তো এই আগ্রহের কারণেই গত শতাব্দীর শেষ দশকের একটা বড় অংশ জুড়ে বিটিভির ছায়াছন্দ অনুষ্ঠানটার একনিষ্ঠ দর্শক ছিলাম আমি, সঙ্গে আমার দুইতিনজন বন্ধু (আমাদের গ্রুপে আটটা মেয়ে আর একটা ছেলে ছিলো)। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শাটল ট্রেনের দীর্ঘ বিরক্তিকর জার্নি উপভোগের অনেক উপায় আমরা বের করে নিতাম, তার একটা হলো টিভি প্রোগ্রামের নিজস্ব স্টাইলের পারফর্ম্যান্স! আমরা যারা অন্যদের ভাষায় ছায়াছন্দ দেখার মতো কঠিন রুচি আর সহ্যশক্তির মালিক ছিলাম, তাদের কাজ ছিল এই অনুষ্ঠানের সূচনা-সঙ্গীত থেকে শুরু করে উপস্থাপিকার কথা, স্পন্সরের বিজ্ঞাপন পর্যন্ত সবকিছুর হাইলাইট অন্যদের শোনানো। সেইসঙ্গে গানগুলো তো আছেই। আর নাচগুলো তোলা থাকত মেয়েদের কমনরুমের জন্য D
বুধবার রাত দশটার ইংরেজী খবরের পর বিটিভিতে দেখাতো ছায়াছন্দ। কেন যেন এটার স্পন্সর থাকতো কোহিনূর কেমিক্যাল, লালবাগ কেমিক্যাল, আর শরীফ মেলামাইনের মতো কোম্পানী (আজকাল কারা থাকে?)।

প্রথমেই টাইটেল সং।
গীতিকার লেখে গান, সুরকার দেয় সুর,গানে গানে প্রাণে প্রাণে লাগে কী মধুর... ... ... (এইখানে রামপুরার বিটিভি ভবনের আশেপাশের কোন জংলা জায়গা দেখায়, উপরে ঝিঁঝিপোকা এফেক্ট)
নির্মাতা কাহিনীতে করে ভালমন্দ (এইখানে কাঠের টেবিলচেয়ারে সাপোর্টবিহীন একশিট কাগজ আর বলপেন নিয়ে লিখতে বসা গালে হাত দেয়া এক লোককে দেখায়),
সুর আর ছন্দে নেই কোন দ্বন্দ্ব ("নেই কোন দ্বন্দ্ব"-টা রিপিট হতে হতে ফেইড হয়ে আসবে)

এর আগে-পিছে-মাঝে ব্যাকগ্রাউন্ডে আকাশ বাতাস প্রকম্পিত করে "ছায়াছন্দ, ছায়্-আ-ছওন্-দো..." এই আহাজারি চলছে তো চলছেই! (এইসময় এরশাদ আমলে হওয়া সাফ গেমসের আতশবাজি পোড়ানোর দৃশ্য চলতে থাকবে)

গানের ফাঁকে ফাঁকে বিশাল নামের লিস্টি। দেখাবে সিনেমার গান, সব রেডিমেইড জিনিস, তাতে জনা পঞ্চাশেক লোকের ঠিক কী কাজ করার থাকে, বোঝা মুশকিল। বিশেষ করে শিল্প নির্দেশক, কার্পেন্টার, পেইন্টার... । যাই হোক, নামধাম দেখানো শেষ, এইবার উপস্থাপিকার আগমন। একজন না, একেবারে একজোড়া। এদের দুইজনের অনেক অমিল। একজন বেশ লম্বা, আরেকজন ততটা না। একজন চুল খোলা রাখে কপাল ঢেকে, আরেকজন জেল দিয়ে খোঁপা বেঁধে গাজরার মালা প্যাঁচায়। তবে ব্যাপক মিল হলো একটা জায়গায়, দুজনেরই উচ্চারণ আর বাচনভঙ্গী ভয়াবহের কাছাকাছি। উপস্থাপনার কায়দা এইরকম, একজন একটুখানি বলবে, অমনি তার মুখের কথা কেড়ে নিয়ে আরেকজন শুরু করবে। এই "কেড়ে নেয়া"র ব্যাপারটা যদি তাৎক্ষণিকভাবে নাও ঘটে, প্রথমজন রিফ্লেক্স থেকেই সঙ্গীর দিকে তাকাবে। একজন যখন কথা বলবে, আরেকজন ক্যামেরা তথা দর্শকের দিকে তাকিয়ে চোখমুখ ঘুরিয়ে "হুঁ, হুঁ, বুঝেন মজা" টাইপ একটা ভঙ্গি করবে।
যেমন--
আউলাচুলী: প্রিয় দর্শক, আমাদের পীতি নিন (পাশের খোঁপাওয়ালীর দিকে ফিরবে)
খোঁপাওয়ালী: শুবেচ্ছা নিন (আউলাচুলী ভ্রু উঁচিয়ে ঠোঁট চিপবে)
আউলাচুলী: আজ আমরা আমাদের অনুষ্টান সাজিয়েছি (বাঁয়ে তাকাবে)
খোঁপাওয়ালী: আপনাদের পছন্দের অনেকগুলি গান দিয়ে (ডানে ঘাড় ঘোরাবে)
আউলাচুলী: যে গানগুলি আপনাদের ড়িদয়ের মনিকোঠায় রয়ে গেছে (বাঁয়ে ফিরবে)
খোঁপাওয়ালী: যুগের পর যুগ ধরে (পাশে আউলাচুলী "হুঁ, হুঁ, বুঝেন মজা" এই কায়দায় মুখ বানাবে)

এদের যন্ত্রণার অবসান হয়ে একসময় প্রথম গানের আগমন ঘটবে। ছায়াছন্দের প্রযোজকের বিবর্তনবাদ সম্পর্কিত ধারণা প্রশংসনীয়। শুরুর দিকের গানগুলো হবে সাদাকালো। একটু নির্দোষ টাইপ। "পথে পথে দিলাম ছড়াইয়া রে", "এই পৃথিবীর বুকে কত ফুল ফোটে আর ঝরে" ইত্যাদি।পরবর্তী ধাপে আসবে সাদাকালো যুগেরই হাল্কা রোম্যান্টিক কিছু। "আয়নাতে ঐ মুখ দেখবে যখন", মোটা টানা কাজল আর পরচুলার ডাব-খোঁপার শবনম, সঙ্গে রাজ্জাক। কোনো গানে নায়িকার চোখ পিটপিটানি দেখে চোখের পাতাজোড়ায় স্টিকিটেপ লাগিয়ে দেয়ার খায়েশ হলে বুঝবেন উনার নাম সুচন্দা।

তদানীন্তন দুর্দান্ত রূপসী ববিতা আসবে একটু ইয়ে অ্যাপিল নিয়ে :প :p , বিপজ্জনক কাটের স্লিভলেস ব্লাউজ আর সি-থ্রু শিফন শাড়িতে, বিশাল সিঁড়ির রেলিঙে মূর্তির ভঙ্গিতে হাত রেখে পা জড়িয়ে জড়িয়ে নামবে। উদাহরণ, "গানেরই খাতায় স্বরলিপি লিখে"।

এরপর শিশুচরিত্রের লিপে গান। অবধারিতভাবে পূর্ণবয়স্ক কোন মহিলা কণ্ঠশিল্পীর গাওয়া (তখন খুদে গানরাজ ছিল না বলেই হয়তো)। "বাবা বলে গেল আর কোনদিন গান কোরোনা", "আমাদের দেশটা স্বপ্নপুরী" অথবা "আমাদের পতাকা আমাদের মান সত্য সুন্দর বিজয় নিশান"। কোন কোন গানের মাঝখানে "হেই, হেই" জাতীয় শব্দের চাবুক চলবে। এই জোশের সাথে সাথে দেশাত্মবোধক একটা গানও হয়ে যাবে, যেটা জহির রায়হানের "জীবন থেকে নেয়া"রও হতে পারে, আবার কাজী হায়াতের "দেশপ্রেমিক" কলেজছাত্র মান্নারও হতে পারে (কোন্ সরকার ক্ষমতায় আছে তার উপর নির্ভর করবে ;) )।

পারিবারিক গান থাকবে কিছু। এইখানে সন্তানসহ শাবানা-আলমগীর (সন্তানের সংখ্যা এক থেকে পাঁচ পর্যন্ত হতে পারে) উপস্থিত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। গানের শুরুর দিকে বাসর রাতের দৃশ্যে শাবানা অবধারিতভাবে আলমগীরের পায়ে ধরে বসবে, তারপর কিছুক্ষণের মধ্যে বাচ্চার জন্ম হয়ে সে বড়ও হতে থাকবে। কানামাছি খেলার ছলে স্লোমোশনে দৌড়াদৌড়ি হবে, একফাঁকে আলমগীর ছেলের চোখে হাতচাপা দিয়ে শাবানার কপালে একটা চুমু দিয়ে বসবে শরমিত

আরেক ধরণের পারিবারিক গান (!) থাকবে একটা, যাকে জন্মদিন- সঙ্গীত বলাই শ্রেয়। জরি, কাগজের শিকল আর বেলুন দিয়ে সাজানো হার্ডবোর্ডের ড্রয়িংরুম। নায়িকার বাবামা, তাদের ধনী বন্ধু-বন্ধুপত্নী এরা বসবে সোফায়। আর বাদবাকী মেহমান হিসেবে কিছু এক্সট্রা লোকজন সারবেঁধে ড্রিংকসের গ্লাস হাতে মূর্তির মতো দাঁড়িয়ে থাকবে। একটা বিশাল গ্র্যান্ডপিয়ানো থাকবে একপাশে; যেটার রিডের উপর নায়িকা দুইহাতের দশ আঙ্গুল দিয়ে নির্বিচারে থাপড়াথাপড়ি করবে। গানের মিউজিক অ্যারেঞ্জমেন্টে পিয়ানোর কোন নিশানা নিশ্চিতভাবেই পাওয়া যাবেনা। নায়িকার বাবামাসহ মুরুব্বীরা (মুস্তাফা, খলিল, আনোয়ারা, শর্মিলী বা ডলি জহুর) সন্তানের সঙ্গীত প্রতিভায় বেসম্ভব রকমের মুগ্ধ-- এইরকম একটা ভঙ্গিতে পুরো গান জুড়ে ভেটকিরত অবস্থাতে থাকবেন। এই ধরণের গানে নায়িকার পরনে থাকবে নেটের কুচিঅলা ফ্রক, মাথায় আউলাঝাউলা কিছু পাখির পালক। গানের মাঝখানে তার বড়ভাই (ছবির মূল হিরো) কপালের ব্যান্ড থেকে শুরু করে চিপা শার্টপ্যান্ট, পায়ের জুতা পর্যন্ত মেরুন রঙে ম্যাচ করে ক্যাবল-কানেকশনবিহীন এক ইলেকট্রিক গিটার নিয়ে লাফ দিয়ে ঢুকবে। ভাইবোনে মিলে লম্ফঝম্প সহকারে নৃত্যগীত পরিবেশন করবে। আর দ্বিতীয় নায়ক (নায়িকার ধনী আংকেল-আন্টির পুত্র, বেবিটেক্সি-চালক-২য় নায়কের কাছে আল্টিমেইটলি যার বেইল থাকার কথা না) এককোণায় দাঁড়িয়ে চামে কিছু দৃশ্য কল্পনা করে নেবে :cool:

বাকী অংশ দেখবেন বিজ্ঞাপন বিরতির পর...........
(দেখতে না চাইলেও দেখানো হবে, হুঁ হুঁ, এইটা বিটিভি...)

জন্মদিন-সঙ্গীতে নায়কের হাতে গিটারের বদলে দোতারা থাকলে বেশী মানাতো-- এইরকম ভাবনার সঙ্গে সঙ্গে দেখবেন গ্রামের দৃশ্য হাজির। বিড়িফোঁকা কুচকুচে ঠোঁটে কড়া লিপস্টিক মাখা নায়কের ওষ্ঠাধরের "কারুকাজ" দেখলে বোঝা যাবে ইনি ফারুক। সঙ্গে কবরী থাকলে "সব সখীরে পার করিতে নেব আনা আনা"। আর শহুরে সাজের গ্রামের মেয়ে নীপা মোনালিসা থাকলে "তুমি আমার মনের মাঝি"। বলতেই হবে, ফারুকের হাতে বৈঠাটি খুবই মানানসই বস্তু। "সারেং বউ"তে প্রোমোশন পেয়ে লঞ্চের স্টিয়ারিং ধরে ফেলেন তিনি।

খান জয়নুলের "তুফান মেল" থাকবে একমাত্র কমিক রিলিফ হিসেবে। নইলে রবিউল, টেলিসামাদ, অথবা দিলদার। প্রথমজনের ফোকলা দাঁতের হাসি বা দ্বিতীয়জনের ইকড়িমিকড়ি চুল দেখার আগেই দর্শক হাসতে শুরু করবে, আর শেষজনের লুঙ্গি নাচানো আতংকজনক পর্যায়ে চলে যাবে what!

"মা আমার সাধ না মিটিল আশা না পুরিল" এধরণের পুরনো ক্লাসিক গান খুরশিদ আলমের "ত্তুলোওনা ম্মেলেইনা তার" কণ্ঠে শোনা গেলে বুঝবেন চিরায়ত শরৎ-সাহিত্যের চাষী নজরুলীয় বা রাজ্জাকীয় চলচ্চিত্ররূপে নায়করাজকে দেখা যাচ্ছে।

"মদদ করো হে আল্লাহ, আমি অভাগিনী দুদিন খাইনি" ইত্যাকার লিরিকসসমৃদ্ধ একটা গান থাকবে দুনিয়ার কঠিন বাস্তবতা, মানুষের হৃদয়হীন নিষ্ঠুরতা এইসব নিয়ে। সামাজিক অ্যাকশান সিনেমার শুরুতেই শিশু নায়ক/নায়িকাকে কোলে নিয়ে ম্যানেজারের চক্রান্তে সদ্য বৈধব্যপ্রাপ্ত ধনীগৃহিনীর পথে নেমে আসা উপলক্ষে এই গান চিত্রায়িত হয়ে থাকবে। অমুকতমুক বাবার দরগায় নকল দাড়িগোঁফের জঙ্গল পরা পীরবাবা আর তার গাঞ্জালদলের পরিবেশনায় মাজার-সঙ্গীতও থাকতে পারে। দুনিয়াদারির অসারতা বোঝানোর জন্য একটু ভাবমূলক গান আসবে-- হায়রে মানুষ রঙিন ফানুস দম ফুরাইলে ঠুস।

আরেকটা গান হবে ভিলেন তথা আন্ডারওয়ার্ল্ড ডনের আন্ডারগ্রাউন্ড আস্তানায়। নায়ক বাঁধা হাতপা নিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় থাকবে আর নায়িকা ইঙ্গিতপূর্ণ কথা ও উত্তেজক নৃত্য সমন্বয়ে কদাকার ভিলেনদের চোখে ধূলা দেয়ার চেষ্টা করবে। উদাহরণ, "কালো চোখের তারাতে/ বলছি তোমায় ঈশারাতে/ মেরোনা ছুরি এই বুকেতে"। মদের বোতল, তাসের প্যাকেট, পরিত্যক্ত কিছু কার্ডবোর্ডের বাক্স, কেরোসিনের টিন, পুরনো টায়ার ইত্যাদি এই সেটের অপরিহার্য উপাদান।

এক পর্যায়ে কস্টিউম ড্রামার প্রবেশ ঘটবে। রাজপ্রাসাদ, রাজারানী, সাপখোপ, অভিশাপ, বনবাস-- সবই থাকবে এমন গানে। রোজিনা, অঞ্জু ঘোষ, ওয়াসিম, উজ্জ্বল, জাভেদ, সুব্রত প্রমুখের উপস্থিতির সম্ভাবনা উজ্জ্বল। শিসমহল, সতী নাগকন্যা, চন্দন দ্বীপের রাজকন্যা, আবেহায়াত, কমলার বনবাস-- এমন সব ছবি। এসব গানে কুৎসিত অ্যাংগেলের ইস্তেমাল একেবারে ডালভাত। নায়করা অবধারিতভাবে পরচুলা আর নকল গোঁফ ব্যবহার করবে, যে চুল শত ঝড় তুফানেও উড়বেনা, বড়জোর কপালের উপর এক গোছা একটু আলগা হয়ে যাবে। তাদের পোশাকে এলভিস প্রিসলির ছাপ থাকলেও হান্টিং বুট আর গানবেল্টের বিকট কম্বিনেশনও দেখা যাবে।

গানের কথা যদি এমন হয়, "কী রূপ তুমি দেখাইলাগো তোমার শিসমহলে, রূপের আগুন ঝলমল ঝলমল করে..." তাহলে বুঝবেন নায়িকার নাম রোজিনা। গালের মাঝখানে মাছি বসেছে বলে মনে হবে, ক্লোজআপে বোঝা যাবে ওটি আসলে সযত্নে আঁকা বিশাল এক তিল। মাথায় বেলি-ড্যান্সারের নামকাওয়াস্তের টুপি-ঘোমটার দু'পাশ থেকে থেকে শখানেক রুড গুলিতীয় বেনী ঝুলন্ত; কপালের উপর ঝুলন্ত পুঁতির লহর; পরনে ঘাগরা-জাতীয় এক পোশাক। এই ধরণের গানে নায়িকার পিছনে জনাদশেক স্থূলদেহিনী ততোধিক স্থূল ভঙ্গিতে কুর্দন চালিয়ে যাবেন। বিশেষ অস্বস্তিকর এই ভঙ্গিমার কারণে দুষ্টলোকেরা একে ঝাঁকিনৃত্য বলে থাকে।

কোমরের বিছা আর কাঁখে-ধরা কলসিসহ নায়িকার মধ্যপ্রদেশ দেখিয়ে গান শুরু হলে বুঝতে হবে ইনি অঞ্জু ঘোষ, "পিতলের কলসি হইলে হাইরে তোমাকে কাঙ্খে নিতাম/ সোনারি আংটি হলে হাইরে তোমাকে কিনে নিতাম"। আর নায়িকার গগনবিদারী বীণ শুনে (!) পাহাড়- সমুদ্র-অরণ্য ভেদ করে ছুটে আসা গোখরা যখন অবশেষে নায়িকার সামনে আসবে, দুর্ধর্ষ কিং-কোবরাকে হঠাতই সরু সূতলি-সাপের মতো দেখাবে। নায়িকার যা সাইজ তাতে অজগর হলেই ভাল মানানোর কথা; কিন্তু অজগর তো আর ফণা তোলেনা, কোমা-তে থাকা নায়কের বিষ তুলবে কীভাবে!

বিদেশে চিত্রায়িত দুএকটা গান থাকবে; সিনেমার নাম হবে লাভ ইন সিংগাপুর/ ব্যাঙ্কক/ আমেরিকা, নেপালী মেয়ে, মিস লংকা ইত্যাদি। গানের কথায় এইটা যে বিদেশ-রিলেটেড সিনেমা তা বুঝিয়ে দেয়া হবে। উদাহরণ, "ওগো সিংগাপুরি মেম তুমি করবা নাকি প্রেম", "চুরি করেছ আমার মনটা হায়রে হায় মিস লংকা", "আমি নেপালী মেয়ে ও বাবুজি বাঙালী মন বুঝিনা"।

উইগ সামলাতে ব্যস্ত সোহেল রানা সন্তর্পনে হেঁটে হেঁটে গাইবেন, ভালোবাসার মূল্য কতো! তার পরপরই হাস্যকর জাম্পসুট পরে আফজাল-দিতি এসে "তুমি আজ কথা দিয়েছ"র তালে তালে পিটি-র কায়দায় নাচবে; আফজাল অবশ্য নাচের চেয়ে দৌড়াবে বেশি। তবু এতোক্ষণে খানিক স্বস্তি। এর পরই আসবে বুকের কাছে প্যান্ট তোলা, সদাসর্বদা এক কাঁধ উঁচানো, এক হাঁটু ভেঙ্গে দাঁড়ানো বিকট মুখভঙ্গি আর উদ্ভট হেয়ারকাটের ওমর সানী। তার ক্রোড়চারিণী মিষ্টি মেয়েটি বাস্তব জীবনে কীভাবে তার মুখ দেখে প্রতিদিন ঘুমাতে যায় আর ঘুম থেকে জেগে ওঠে, এই রহস্যের সমাধান করতে করতে পরের গান। রংবেরঙের পতাকা-শোভিত শিশুপার্কে যথার্থ স্মার্ট সালমান শাহ্ আর প্রাণপণে আধুনিক হতে চাওয়া শাবনূরের রসায়ন চলবে নকল সুরের গানে, "এইদিন সেইদিন কোনদিন তোমায় ভুলব না"। উল্লেখ্য, এইসব দ্বৈত-গানের বেশীরভাগই শুরু হবে নায়িকার ঘনঘন চোখ পিটপিটানিসহ হাঁপানিরোগীর মতো শ্বাসটানা দিয়ে। গানের মাঝেমধ্যে হঠাৎ করেই নায়ক-নায়িকার ক্লোজশট উধাও হয়ে একজোড়া গোলাপের ঠোকাঠুকি দেখা যাবে ;)

মেরুন শেরোয়ানী পরা শিশুসুলভ হাসির রিয়াজকে ঘিরে একদল পাবলিক মজমা বসাবে, "পড়ে না চোখের পলক, টিং টিং, কী তোমার রূপের ঝলক, টিং টং"। ধনীগৃহ বোঝাতে যথারীতি হার্ডবোর্ডের ডুপ্লেক্স বাড়ীর সিঁড়ি দেখানো হবে। বহু খুঁজেও অবশ্য এই গানে "রূপের ঝলকের" ছিটেফোঁটাও দেখা যাবে না :প :p

আচমকা মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গান "একনদী রক্ত পেরিয়ে" শুরু হলে বুঝতে হবে এইটাই শেষ গান, জোড়া উপস্থাপিকার খোমা-মোবারক শেষবারের মতো দেখার আগেই মশারি টাঙানো দরকার... ঘুম পায়রেএএএএ...

6.942355
আপনার মূল্যায়ন: আপনি মূল্যায়ন করেন নি। গড় রেটিং: 6.9 (১৭ জন মূল্যায়ন করেছেন)
শেয়ার করুন » Facebook Twitter Delicious Digg MySpace Google Orkut Blogger Google Buzz Technorati
অথবা এই সংক্ষিপ্ত লিংক শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১১৫৩৫৪(১)    

সামুতে এই পোস্ট ২টার কমেন্টগুলা ফিরায় আনা যায়না?

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১১৫৩৭১(২)    
লেখকের মন্তব্য

দেখি

ইচ্ছা করে না :(

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১১৫৩৫৫(৩)    

আপনার লেখাও কমন পড়েছে , বেয়াইন সাপ।

আপনারে কি বিটিভি রোগে ধর্ছে নাকি ? খালি পুরান পুষ্ট দেন !!!!
(গররররর)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১১৫৩৫৯(৪)    

এটারে আগে বলতো ৬ নাম্বার চ্যানেল। এখন বলে রিমেইক। বাই দ্য ওয়ে- এই বেয়াই/বেয়াইনের কাহিনী কি?

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১১৫৩৭২(৫)    
লেখকের মন্তব্য

উপ্রে এক্টা ডিস্ক্লেইমার আছে বেয়াইসাপ

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১১৫৩৫৮(৬)    

বুকিং দিছিলাম - এখন পড়লাম - লেখার পুরাটাই এনজয় করলাম :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১১৫৩৬৯(৭)    

কোনদিন দেখিনি ওইসব ;)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১১৫৭৬৩(৮)    
লেখকের মন্তব্য

বিরাট মিস ;)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১১৫৩৮৭(৯)    

এই পোস্ট যতবার পড়ি হাসির চোটে কতক্ষণ কিছু করতে পারি না। আহারে ছায়াছন্দ! আজকালকার ছেলেমেয়েরা যা দেখে তার কাছে ছায়াছন্দের কোন বেইল নাই। কিন্তু একদা, কোন এক যুগে ঐ ছায়াছন্দের জন্য পথ পানে চাহিয়া থাকিতাম। লাস্ট যে সুন্দর গান শুনছিলাম সেইটা ছিল আলমগীর-জয়া প্রদার একটা গান- ফাগুনের দিন শেষ হবে একদিন... পেশাগত কারণে এক সময় প্রচুর বাংলাদেশী ছবি দেখতে হইছে। কি কি থাকত সে সব ছবিতে তা যদি লিখি এক্কেরে নগদে ব্যান খাব।
একবার রিয়াজকে দেখলাম , দেখে খুবই হতাশ হইছিলাম। এই উলটা বোতলের মত ফিগারলার লাইগা সব পাগল!!

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১১৫৭৬৪(১০)    
লেখকের মন্তব্য

কুমার শানু আর কার যেন, বোধহয় কবিতা বা অলকার গাওয়া গানটা ছিলো, সুন্দর। চিত্রায়ণটা কোনোরকম।

আমি দেখতাম কর্তিত অংশের বিবরণ। যে কোনো চটি ফেইল করবে ঐটার কাছে। ভদ্রসমাজে বলার মতো না ওয়ার্ডিংগুলা। রিয়াজের নিজের নাম বলাটা বিরক্তিকর লাগে: ড়েয়াজ!

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১১৬০৩৪(১১)    

তাইলে একটা কিচ্ছা কই। হাচা কিচ্ছা। ঢাকার বাইরে কই জানি একটা সিনামা চলতেছে কোন এক হলে। মিজু আহমেদ আর ময়ূরী বাবা-মেয়ে। বাবা মেয়েকে থাপ্পড় দিছে, মেয়ে খুব কানতেছে- বাবা, আমাকে মারতে পারলে? আজ যদি মা বেঁচে থাকত। ইত্যাদি কইলজা কাটা কথা হইতেছে। এমন টাইমে হলওয়ালারা সিনামা বন্ধ করে একটা কাটপিস চালাইল, কাটপিসে মিজু আহাম্মেদ ময়ূরীকে রেপ করতেছে! দর্শক গেলে ক্ষেপে- বাবা মেয়েকে রেপ করতেছে!!! হলে ব্যপক ভাঙচুর হইল।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১১৬১৩৮(১২)    
লেখকের মন্তব্য

হাসতে হাসতে নাইক্কা হাসতে হাসতে নাইক্কা হাসতে হাসতে নাইক্কা

এইরকম ব্যাকফায়ার কম হয়, হাসতেই আছি

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১১৫৪০১(১৩)    

হাহাহা!

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১১৫৭৬৫(১৪)    
লেখকের মন্তব্য

ওরে, অভিশংসকও হাসেন :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১১৫৪১৭(১৫)    

কথা রেখে স্কিপ করে গেলাম! :প :p

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১১৫৭৬৯(১৬)    
লেখকের মন্তব্য

কেউ কেউ কথা রাখেনি
কেউ কথা রেখেছে

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১১৫৪১৮(১৭)    

এর আগে-পিছে-মাঝে ব্যাকগ্রাউন্ডে আকাশ বাতাস প্রকম্পিত করে "ছায়াছন্দ, ছায়্-আ-ছওন্-দো..." এই আহাজারি চলছে তো চলছেই! কয় কি হালায়! / হাসতে হাসতে শ্যাষ হৈয়া গেলাম

আমি এই অংশটাই মনে হয় সবচে বেশী গাইতাম ! (মাথা চুলকানোর ইমো)

উইগ সামলাতে ব্যস্ত সোহেল রানা সন্তর্পনে হেঁটে হেঁটে গাইবেন, ভালোবাসার মূল্য কতো! .....................................ধনীগৃহ বোঝাতে যথারীতি হার্ডবোর্ডের ডুপ্লেক্স বাড়ীর সিঁড়ি দেখানো হবে। বহু খুঁজেও অবশ্য এই গানে "রূপের ঝলকের" ছিটেফোঁটাও দেখা যাবে না :প :p :প :p

এই অংশটা ক্ল্যাসিক হয়েছে । :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১১৫৭৭০(১৮)    
লেখকের মন্তব্য

সোহেল রানার গানটা মনে করিয়ে দিয়েছেন ফারহান দাউদ, উনার পর্যবেক্ষণ অতুলনীয়!

খুবই ভালো লাগলো জেনে যে গানটি আপনার কণ্ঠে গীত হয়েছে D

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১১৫৪৫৩(১৯)    

জোড়া উপস্থাপিকার খোমা-মোবারক শেষবারের মতো দেখার আগেই মশারি টাঙানো দরকার...

হাসতে হাসতে নাইক্কা

একেই কয় ব্যাপক বিনুদন আপুউউউউউউউউউউউউউ। কয় কি হালায়! / হাসতে হাসতে শ্যাষ হৈয়া গেলাম ইয়াহুউউউ!!!
পড়তেসি আর এখন হাসতেসি। হিঃহিঃহিঃ  হাহাহা

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১১৫৭৭১(২০)    
লেখকের মন্তব্য

এক তরুণ দম্পতি এই পোস্ট পড়ে স্মৃতিকাতরতাবশত নাচতে গিয়া পইড়া ব্যথা পাইছিলো... তোমার জন্য আগাম সতর্কতা...

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১১৫৪৬৫(২১)    

আমি ছোট থাকতে ছায়াছন্দ হত, কিন্তু আমার তেমন কোন স্মৃতি নেই। আপনি দেখছি গানের পোকা। নিজে গান করেন কী?

লেখাটা আম্মুকে পড়তে দিব। আম্মু হয়ত পুরাটা ধরতে পারবে। আমি কিছু জিনিস বুঝি নাই, কিন্তু মজা পেলাম খুব। এখন তো টিভিতে গান বলতে গেলে শোনাই হয় না।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১১৫৭৭২(২২)    
লেখকের মন্তব্য

আম্মুর অবশ্যই কমন পড়বে!

গান... একটু-আধটু বাজাতে পারি আরকি। আমার ক্যাফে** চালু হলে আমাদের তিনজনের ফ্যামিলি-ব্যান্ডটাও লঞ্চ করে দেবো :cool:

**এই পোস্টের ২০ নাম্বার কমেন্টে আমার ক্যাফে বিষয়ক তথ্য আছে http://tinyurl.com/3mzfzr3

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১১৫৮১৫(২৩)    

যে গানায়* , সে দেখি কেইকও বানায় !!

-----------------
* গানায় = গান গায়

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১১৬১৯৬(২৪)    

আবার ছ্যাঁচাও দেয়।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১১৫৪৬৭(২৫)    

কয় কি হালায়! / হাসতে হাসতে শ্যাষ হৈয়া গেলাম
আফসোস ছায়াছন্দ দেখি নাই- কপাল

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১১৫৭৭৩(২৬)    
লেখকের মন্তব্য

বড়ই দুস্কের কথা :(

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১১৫৪৭১(২৭)    

হাহাহাহাহাহা
আকাশ বাতাস প্রকম্পিত হচ্ছে বোধহয়, আমার হাসিতে।
আলাদা করে কোন লাইন কোট করে হাসতে পারবোনা, পুরো পোস্টটাই কোট করতে হবে!

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১১৫৯০৪(২৮)    
লেখকের মন্তব্য

নয়নের পোস্ট পড়ে নিয়মিতই হাসি :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১১৫৪৭৯(২৯)    

ক-অ-অ-ত কাআল টিভি দেখি না। সেকালে ছায়াছন্দ দেখতাম, কমন পড়েছে সবটাই। উপস্থাপনার গুণে প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পড়লাম, বিজ্ঞাপন বিরতিতে বিরক্ত হই নাই, যেমন হতাম ছায়াছন্দ দেখার সময়। আগে পড়েছি এটা, আবারও পড়ে সেই আগের মতই মজা পেলাম। ছায়াছন্দ দেখে যেমন বিনোদন হতো-এ পোস্ট পড়ে তার চেয়ে অনেক বেশি।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১১৫৯০৫(৩০)    
লেখকের মন্তব্য

আমারও ছায়াছন্দ দেখা হয়নি কতো বছর! এক যুগের বেশি!!

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১১৫৪৯৮(৩১)    

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১১৫৯০৬(৩২)    
লেখকের মন্তব্য

(স্যরি বস)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১১৫৫১৫(৩৩)    

হিঃহিঃহিঃ  হাহাহা হিঃহিঃহিঃ  হাহাহা হিঃহিঃহিঃ  হাহাহা

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১১৫৯০৭(৩৪)    
লেখকের মন্তব্য

ধইন্যাপাতা(ধন্যবাদ)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১১৫৫২২(৩৫)    

এর পরই আসবে বুকের কাছে প্যান্ট তোলা, সদাসর্বদা এক কাঁধ উঁচানো, এক হাঁটু ভেঙ্গে দাঁড়ানো বিকট মুখভঙ্গি আর উদ্ভট হেয়ারকাটের ওমর সানী।

কয় কি হালায়! / হাসতে হাসতে শ্যাষ হৈয়া গেলাম কয় কি হালায়! / হাসতে হাসতে শ্যাষ হৈয়া গেলাম

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১১৫৯০৮(৩৬)    
লেখকের মন্তব্য

:প :p

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১১৫৫৪৭(৩৭)    

খুব মজা পেয়েছি।

ছোট থা্কতে, যখনো ডিশ শব্দটির সাথে পরিচিত হই নি, বিটিভি-ই ছিলো বিনোদনের একমাত্র মাধ্যম, বাসার সকলের সাথে আমিও সপ্তাহের এক্ টা দিন ছায়াছন্দের জন্য অধীর অপেক্ষায় থাকতাম। তখন খুব একটা খারাপ লাগতো না, বরং শেষ হবার পর আমার এই ছোট্ট মন আরো দেখতে চাইতো। অনেকদিন হয়ে গেলো বিটিভি দেখা হয় না।

নুশেরাপু, আপনার এই লেখা আমাকে কিছুক্ষনের জন্য হলেও সেইসব দিনে ফিরিয়ে নিয়ে গিয়েছিলো।
অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১১৬১৪০(৩৮)    
লেখকের মন্তব্য

ভালো লাগলো এখনো ছায়াছন্দের কথা মনে রেখেছেন দেখে। আপনাকেও ধন্যবাদ ডাক্তার :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১১৫৫৭০(৩৯)    

পড়তে পড়তে ৯০ এর দশকে ফিরে গিয়েছি।
তুমি আজ কথা দিয়েছ গানটা সুযোগ পেলে এখনো মুগ্ধ হয়ে শুনি

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১১৬১৪১(৪০)    
লেখকের মন্তব্য

ধন্যবাদ মামা!
দুই জীবন ছবির গানগুলো আসলেই চমৎকার। কথায়, সুরে খুব ভালো। রুনা লায়লা- অ্যান্ড্রু কিশোর জুটির বেশ কিছু সুন্দর গান আছে।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১১৫৬৭৭(৪১)    

হা হা হা!

যা লিখসেন না নুশেরা!

জেনুইন উরাধুরা! :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১১৬১৪২(৪২)    
লেখকের মন্তব্য

আপনি সমঝদার পাঠক, নেন ধইন্যাপাতা(ধন্যবাদ)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১১৫৭০৩(৪৩)    

খুব ভালো লাগল আগের মতোই। এই লেখাটা আমাকে ব্লগে নিয়েছিল। ধন্যবাদ

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১১৬১৪৫(৪৪)    
লেখকের মন্তব্য

এই লেখাটা আমাকে ব্লগে নিয়েছিল।

হাহাহাহা!!

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১১৫৭১৪(৪৫)    

ছায়াছন্দ, ছায়্-আ-ছওন্-দো... হাসতে হাসতে নাইক্কা হাসতে হাসতে নাইক্কা

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১১৬১৪৬(৪৬)    
লেখকের মন্তব্য

সুরকার লেখে গান গীতিকার দেয় সুর হাসতে হাসতে নাইক্কা হাসতে হাসতে নাইক্কা

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১১৫৭৭৫(৪৭)    

এইটা আগের বার পড়ে অনেক মজা লাগছিলো

এইবেলা যদিও ফাঁকিবাজি জিভেকামড়

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১১৬১৪৭(৪৮)    
লেখকের মন্তব্য

ধইন্যাপাতা(ধন্যবাদ)
রতনে রতন চেনে ;)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১১৫৯৯৫(৪৯)    

হাসতে হাসতে নাইক্কা হাসতে হাসতে নাইক্কা হাসতে হাসতে নাইক্কা হাসতে হাসতে নাইক্কা হাসতে হাসতে নাইক্কা হাসতে হাসতে নাইক্কা
এই পোষ্টটা যতবার পড়বো ততবার গড়াগড়ি দিতে হবে এটাই নিয়ম হয়ে গেছে হিঃহিঃহিঃ  হাহাহা হিঃহিঃহিঃ  হাহাহা

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১১৬৬১৩(৫০)    
লেখকের মন্তব্য

কেককুক কেককুক

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১১৬০৪১(৫১)    

হাসতে হাসতে নাইক্কা হাসতে হাসতে নাইক্কা হাসতে হাসতে নাইক্কা

ইশ কত বছর টিভিই দেখিনা। এখন কি ছায়াছন্দ হয়? হলেও নিশ্চয় আর দুই ফুলের টুকাটুকি দেখায় না। এখন তো সব খুল্লাম-খুল্লা। :প :p

পাড়ায় তখন ঘরে ঘরে টিভি ছিলোনা। আশেপাশে বাসার মহিলাকুল তাদের ছানাপোনা নিয়ে আমার ঘরে ভীড় জমাতো। ঘরে একটি ডাবল খাট, দুইটি সোফা, আর ড্রেসিং টেবিলের টুলে কুলাতোনা। মাটিতে দর্শকেরা বসে যেতো। দরজার সামনে সেন্ডেলের পাহাড় জমে উঠতো। যেটা নিয়ে আমি আতংকিত থাকতাম। শ্বশুর মশাইএর চোখে পড়লেই হুংকার শোনা যেতো। "এই যে শয়তানের কেল্লা আজ পরিপুর্ণ"

অনেক অনেক কথা মনে পড়ে গেলো।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১১৬৬১৬(৫২)    
লেখকের মন্তব্য

আমাদের এই অবস্থা হতো শুক্রবার দুপুরে বাংলা সিনেমা দেখানোর সময়। আমার মা তো মায়ার খনি, কলেজে যাওয়ার সময় তার রিকশায় টোকাই কিসিমের ছয়সাতটা উঠে বসতো পাশে নীচে পিছনে। এরা পুরো বস্তির ব্যাটেলিয়নসহ হাজির হতো সিনেমা দেখতে। হয়তো মাত্র গোবর কুড়ানোর কাজ সেরে এসেছে। একটা আরেকটার উকুন বেছে দিচ্ছে। মারামারি করছে। আরামের ঘুম মাটি করে এদের পাহারা দিতে বসতাম আমি। আহা, কী সব দিন!!

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১১৬২৬৮(৫৩)    

ছায়াছন্দ তেমন একটা দেখনি - তবে মা প্রচুর দেখতো মনে হয় ।
সিনেমার তারকাদের কাছাকাছি দেখার কিছু অভিজ্ঞতা আমারও আছে -
দেখি সময় পেলে লিখবো কোন এক দিন
বিশেষ করে একটা গানের দৃশ্যের চিত্রায়ন দেখেছিলাম -
সে এক ক্লাসিক জিনিস। হিঃহিঃহিঃ  হাহাহা

সামুতে মনে আছে আপনার আর কাকনের প্রযোজিত সাক্ষাৎকার পর্ব হৈতো - সেই পোস্টগুলো ব্যাপক মজা হতো :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১১৬৬২৮(৫৪)    
লেখকের মন্তব্য

সিনেমার তারকা মানে আমাদের দেশের? তাত্তাড়ি লেখেন!
গানের চিত্রায়ণ দেখে বুঝা যায়, নায়ক-নায়িকারা যা কামায় আসলেই "হালাল" D

.
আহা সামু, আহা কঁাকন!

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১১৬৩০৩(৫৫)    

ওহ্, অনেকদিন পর প্রাণ খুলে হাসলাম। ইদানীং হুমায়ূন আহমেদের হিউম্যার পড়েও কেন জানিনা হাসি আসেনা।

গানের মিউজিক অ্যারেঞ্জমেন্টে পিয়ানোর কোন নিশানা নিশ্চিতভাবেই পাওয়া যাবেনা।

একেবারে আমার মনের কথাটা। আরও যা লক্ষ্য করতাম, তা' হল, বাংলাদেশের সিনেমাগুলোতে যখন বাদ্যযন্ত্রকে ক্লোজ-আপে আনা হত, মানে দেখানো হত যে, নায়িকা হারমোনিয়াম, কিংবা পিয়ানোতে সুর ভাঁজছেন, তখন আসল সুরের সাথে আঙুল চালনার কোন মিলই নেই। এটা অন্য কারো দৃষ্টি পীড়িত করেছে কি' না, জানিনা।

কোনো গানে নায়িকার চোখ পিটপিটানি দেখে চোখের পাতাজোড়ায় স্টিকিটেপ লাগিয়ে দেয়ার খায়েশ হলে...

সেইরকম! :)

সবমিলিয়ে "a perfect humour!"

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১১৬৬৩১(৫৬)    
লেখকের মন্তব্য

নাঈফা,
খুব ভালো লাগলো আপনার মন্তব্যটি। অশেষ ধন্যবাদ!

বাংলা ছবিতে গানের দৃশ্যে হার্মোনিয়ামের রিড সঞ্চালনের ক্লোজআপ শট দেখে লজ্জায় চোখ বুজে ফেলতে হয়... ব্যতিক্রম উত্তম কুমার, গানটা উনি খুব ভালো জানতেন...

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১১৬৫৪১(৫৭)    

হা হা হা হাসতে হাসতে শেষ। কয় কি হালায়! / হাসতে হাসতে শ্যাষ হৈয়া গেলাম অনেক মজার আপু।

রংবেরঙের পতাকা-শোভিত শিশুপার্কে যথার্থ স্মার্ট সালমান শাহ্ আর...............................

মেরুন শেরোয়ানী পরা শিশুসুলভ হাসির রিয়াজকে ঘিরে একদল পাবলিক মজমা বসাবে, "পড়ে না চোখের পলক, টিং টিং,,,,,,,,,,

যাক আমার প্রিয় দু'টি মানুষের দুর্নাম করেননি দেখে ভালই লাগল।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১১৬৬৩২(৫৮)    
লেখকের মন্তব্য

যাক, বড় বাঁচা বেঁচে গেছি দেখা যায় D

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১১৬৬৫৫(৫৯)    

সহস্র দিবস আগে এই পোস্টে কমেন্ট করেছিলাম একবার , সেবারও কিছু সম্ভবত বলতে পারিনি , এবারও মনে হয় পারব না । শুধু আবদুল কাদেরের ভাষায় বলি -- "আমার কাছে ছায়াছন্দ ছিল একটা শরমের ব্যাপার", বাসার কেউও দেখত না । শরম কেটে যাবার আগেই ছায়াছন্দ শেষ , তাই অভিজ্ঞতাও হল না। শুধু একটা স্মৃতিই মনে পড়ে , পড়ার টেবিলে বসে শুনতাম আকাশ বাতাস প্রকম্পিত করে বাজছে --- "ছায়াছন্দ , ছায়াআআআ "

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১১৬৭৮৮(৬০)    
লেখকের মন্তব্য

যাক, গানের কথা-সুর অন্তত কমন পড়েছে :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১১৬৬৫৬(৬১)    

আপনাকে কিন্তু আমি অনেক খুঁজেছি। সামুতে লিখা ছেড়েই দিয়েছেন। এখানে এসে আপনাকে দেখেই একাইন্ট খুল্লাম। সামুতে আপনি আমার প্রিয় একজন ছিলেন, যদিও আপনার প্রত্যেক পোষ্টে আমার যাওয়া হয়নি।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১১৬৭৯০(৬২)    
লেখকের মন্তব্য

অনেক ধন্যবাদ, বৃষ্টি ভেজা সকাল। সামুতে কি আপনার নিক এটাই ছিলো?

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১১৬৯০২(৬৩)    

হা, এটাই আপু। আপনি দেখি ভুলে গেছেন। কান্নাকাটি হল্লাহাটি

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১১৬৯১৯(৬৪)    

হা হা হা! কয় কি হালায়! / হাসতে হাসতে শ্যাষ হৈয়া গেলাম

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১১৭৫১১(৬৫)    
লেখকের মন্তব্য

থ্যাঙ্কু মেকানিক্স

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১১৭৩০১(৬৬)    

আপু, ববিতা আর জাফর ইকবালের 'তুমি আমার জীবন, আমি তোমার জীবন' গানটা দেন নি তো। আমার অনেক পছন্দের গান। ইস কি আগ্রহ নিয়েই না অপেক্ষা করতাম ছায়াছন্দ দেখার জন্য। কিন্তু রাত সাড়ে দশটায় দেখাতো বলে বেশিরভাগ দিনই শেষ করতে পারতাম না। টিভিটা ছিল আম্মা-আব্বার রুমে, আর আম্মা পনরো মিনিট পরেই 'ঘুমাইতে যা' বলে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দিতো। কি যে দুঃখ পাইতাম তখন! :(

খুব কমন পড়ল আপু। আহা, আজকে আমি সারাদিন গাইবো, "ছায়াছন্দ, ছায়্-আ-ছওন্-দো...":)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১১৭৫১২(৬৭)    
লেখকের মন্তব্য

সত্যিই তো, অমন প্রমিনেন্ট একটা জুটির এই গানটা কীভাবে বাদ দিলাম!!

এতো হ্যাপা সয়ে অতিথি হিসেবে মন্তব্য করার জন্য অনেক ধন্যবাদ :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১১৭৫২১(৬৮)    

হাসিতে গড়াগড়ি --- টিং টং
পেটে হাত চেপে ধরে হাসি --- টিং টং
উফফ আর পারছি না ---- টিং টং
পেট ব্যাথা, কেউ বাঁচাও আমাকে --- টিং টং
চোখের পানিতে ভেসে যাচ্ছি --- টিং টং

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১১৭৫২৬(৬৯)    
লেখকের মন্তব্য

তার মানে তোমার মতো শান্তশিষ্ট লক্ষ্মীটাইপ মেয়েও ছায়াছন্দ দেখতো D

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১১৭৫৫১(৭০)    

করিনং কমেন্টং হাসাহাসি পূর্বক
ছিনেমার নায়করা হয়যে বড় উজবুক।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১১৮২৩১(৭১)    
লেখকের মন্তব্য

ছাত্রনং অধ্যয়নং তপঃ
ছায়াছন্দ ন দেখিতং ভাগঃ :প :p

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১১৮২১৬(৭২)    

মারাত্নক হইসে

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১১৮২৩২(৭৩)    
লেখকের মন্তব্য

থ্যাঙ্কু দিলারা :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১১৯৬৪৫(৭৪)    

"কবিতায় লেখে গান
কাইব্য দেয় সুর
ব্যাঙ্গে করে ফালাফালি
পিঁপড়ায় খায় গুড়"

এরুম টাইপের একখান গান আচিলো না সন্দেহ

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১২০৯০৯(৭৫)    
লেখকের মন্তব্য

কে রে এটা? চশমা -শশমা -ইশমাঠ

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১২৩১৬৩(৭৬)    

ছোটবেলার কথা মনে পরে গেল !!! কী আগ্রহ নিয়ে যে দেখতাম !!! তখন অবশ্য এই কাগজ কাটা হার্ডবোর্ডের ড্রয়িং রুম, ড্রামের ভিলেন আস্তানা, শিশুপার্কে দৌড়াদৌড়ি এগুলাতে কোন ঝামেলা বুঝতাম না , ভালোই লাগতো শুধু :প :p
...........গান্টা আমাদের মুখে ছিল "ছায়াছন্দঅঅঅঅ ... পঁচা গন্ধ " :প :p:P

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১২৩২৮৯(৭৭)    
লেখকের মন্তব্য

হিঃহিঃহিঃ  হাহাহা

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৩৪৭৭৬(৭৮)    

আপু, আমি এখনো মাঝে মাঝে বিটিভি তে সিনেমার গানের অনুষ্ঠান দেখি।
ছোটবেলায় ছায়াছন্দ দেখতাম। এখনো ছায়াছন্দ হয় কিন্তু তা শুধু ঈদের সময়ে বিশেষভাবে হয়।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৩৪৯৩৫(৭৯)    
লেখকের মন্তব্য

আরে বাহ্, একজন নতুন প্রজন্মের ছায়াছন্দ-দর্শক পাওয়া গেল :)