লেখকের ক‌থা

সদর দরজা

মানুষ অথবা জীবন

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

শৈশব-কৈশোরে, স্কুলকলেজে পড়ার দিনগুলোতে, গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে যাবার ব্যাপারটা নিয়মিত ঘটত। দেশে পৌরসভাভুক্ত গ্রামগুলো তখনও চেহারা-চরিত্রে-জীবনযাত্রায় গ্রামীণ সবুজ সরলতাটুকু ধরে রেখেছিল; নিজস্ব বাগান-গাছপালা-পুকুর নিয়ে কাঁচা বা আধপাকা বসতবাড়িগুলোর মায়ামাখা একটা সৌন্দর্য ছিল।

আমরা শহরবাসী তুতোভাইবোনেরা ছুটি কাটাতে নানাদাদার বাড়িতে যেতাম, কতরকমের উপলক্ষ ছিল বেড়ানোর-- গরমের ছুটি, ঈদের ছুটি, পূজার ছুটি, বছরান্তে পরীক্ষাশেষের শীতকালীন ছুটি। সেই আশির দশকে আমাদের মোবাইল-কম্পিউটার-ভিডিও গেমস ছিল না; ছিল না নিন্টেন্ডো ডিএস, উই কিংবা এক্সবক্সে বুঁদ হওয়ার সুযোগ; ছিল শুধু হাতে গোণা ফেলুদা-শঙ্কু-টেনিদা অথবা তিন গোয়েন্দা কি সেবার কোন মলাটবন্দী রুদ্ধশ্বাসের আকর্ষণ। গ্রামীণ অবকাশে আমাদের ছিল স্নেহময় পরিজন, নির্ভেজাল প্রকৃতি, আর ছিল মানুষ। হ্যাঁ, মানুষ!

জীবন অথবা সময় হয়ত এমন ছিল যে পারস্পরিক সম্পর্কের সুতোগুলো তখনও এতরকম জটিলতার গিঁটে আটকে যায় নি; তাই আমাদের খেলাধূলা, বেড়ানো, বিনোদন-- সবকিছুতেই মানুষের সংশ্রব ছিল, পাড়াপ্রতিবেশীর অনুপ্রবেশে প্রাইভেসি নামক ধারণাটির সংজ্ঞা এত সহজে আহত হতো না। আমাদের লুডু-ক্যারাম কি আরেকটু পরিপক্বতার প্রস্তুতিতে তাস শেখার আসরে খুব সহজে জায়গা করে নিত গ্রামের সাদু, পারুল, মিলুরা। আমরা জানতাম সাদু মৌলবির ছেলে, রেলস্টেশনের পয়েন্টসম্যান কালামিয়ার বড় মেয়ে পারুল, মিলু বা মিলনের বাবা খুঁড়িয়ে হাঁটা আধবুড়ো ছিঁচকে চোর হনুমিয়া, যে কি না বছরে দুতিনটি মাস জেলখানাতে কাটিয়ে আসে; তবু ওরা ছিল আমাদের বন্ধু, নিদেনপক্ষে খেলার সঙ্গী।

তুই-তুমির ঘনিষ্ঠ সম্বোধনের চর্চা চালিয়ে আমাদের লুডুবোর্ডে ওরাও গুটি নাড়ত অসঙ্কোচে, বাড়ির বাইরের উঠানে কাটা ব্যাডমিন্টনের কোর্টে নেট বাঁধতে হাত লাগাত, উৎসাহী দর্শকের ভূমিকার ফাঁকফোকরে আমাদের নাগরিক উপকরণে দুএকদান খেলেও নিত। বিত্তের বিচারে সামাজিক শ্রেণীভেদের ব্যাপারটা আমাদের সেইসব দিনে যে পুরোপুরি অজ্ঞতার এখতিয়ারে ছিল তাও কিন্তু না! লুডুর জুটি বেচাল চাললে মেজাজ খারাপ হবেই; তখন পারুলকে কেউ দিয়ে ফেলতাম বাপের সঙ্গে স্টেশনে গিয়ে ঘন্টি বাজানোর পরামর্শ; স্ম্যাশের ব্যর্থ চেষ্টায় শাটলকক নেটে আটকালে সাদুকে বলা হত আজান দেয়া শিখতে। এমন কথায় ওদের মুখে আঁধার ঘনিয়ে আসত কি না, খেলার উত্তেজনার মুহূর্তে সেটা খেয়াল করার অবকাশ কারো ছিল না।

শীতের কুয়াশায় ভাপতোলা পিঠার ধামা অথবা পড়ন্ত বিকেলে মুড়ি-চানাচুরের গামলায় সাদু-পারুল-মিলুদেরও ভাগ জুটত। ওদের বাড়ানো হাতে কি সঙ্কোচ থাকত? আঙুলে কুণ্ঠা? কে জানে! তবে সঙ্কোচ ছিল না আরিফের। আরিফের মা নানাবাড়িতে গৃহস্থালির কাজের সাহায্যকারী; মায়ের সঙ্গে প্রতিদিন হাজির হতো কোমরে ঘুনশি- হাতে শিকচাকা-সর্দিজমা নাক- লালাঝরা মুখের ছোট্ট ছেলেটা, যার বয়স হয়ত ছয়-সাত, অথচ অপুষ্টিতে দেখাত বড়জোর তিনচার। আমাদের আড্ডা-আসরের অনতিদূরে দাঁড়িয়ে অপলকে দেখত অতিথিদের হাসিআনন্দ, গভীর নিষ্ঠায় অপেক্ষা করত কখন চা-নাশতার সময় আসবে। ভাতঘুম-দুপুরের নিস্তব্ধতা ভেঙে গ্রামের পথে ডাক শোনা যেত আইসক্রিম আর শনপাপড়ি বিক্রেতার; সময় বুঝে সেখানেও আরিফের উপস্থিতি ছিল অবধারিত। রঙ-স্যাকারিনের কাঠি-আইসক্রিমের একটা পাশ ভেঙে, অথবা হাওয়াই মিঠাই থেকে কটকটে গোলাপি চিনির তুলা ছিঁড়ে এক টুকরো দিলে নিমেষে মুখে পুরে দিত, তখনই আবার হাত বাড়িয়ে দাবি করত- লাডি দেন, দরি দরি খামু (কাঠিসহ দেন, হাতে ধরে খাব)!

খাবারের প্রতি প্রবল আসক্তি আর বয়সানুপাতে অবিশ্বাস্য খাদ্যগ্রহণক্ষমতা নিয়ে আরিফ ছিল আমাদের নিয়মিত হাসিঠাট্টার যোগানদাতা। ছেলের পড়াশোনায় মন নেই, দুবছর ধরে বর্ণপরিচয়ের পাটটুকুও চুকছে না—এই দুশ্চিন্তা থেকে আরিফের মা আমাদের পরামর্শ চাইত, আমরা হাইস্কুল পড়ুয়া কজন বিদ্যাধর অসীম উদ্দীপনায় তার জন্য সচিত্র বর্ণমালা শিক্ষার একটা হ্যান্ডবুক গোছের খাতা বানিয়ে দিয়েছিলাম, সব অক্ষরে তার চেনা খাবারদাবারের নাম দিয়ে শব্দ তৈরি করা হয়েছিল: অ-তে অমলকি, আ-তে আসকিরিম। ক-তে কেলা, খ-তে খাজুর, গ-তে গবিয়া। ব-তে বিস্কুট, ভ-তে ভাত, ম-তে মিষ্টি...

কাজের ফাঁকে বারকয়েক নিজের বাড়িতে ফিরে যেত আরিফের মা; একটু পর পর এমন বিরতিতে বিরক্ত হলেও বাড়ির লোকের সেটা মেনে না নিয়ে উপায় ছিল না, কারণ তার বড় মেয়ে মনুর ছিল বিচিত্র এক অসুস্থতা। দশবারো বছর বয়সী মেয়েটা দেখতে স্বাভাবিক হলেও আচরণে অদ্ভুত; শীতগ্রীষ্মবর্ষা সব ঋতুতে তার সারা শরীরে-ত্বকে জ্বলুনি হতো, সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে তীব্র চিৎকারে পুকুরে নেমে সন্ধ্যা পর্যন্ত বসে থাকত গলা-পানিতে। সঙ্গত কারণেই তার পরনের জামাকাপড়ের আয়ু হতো স্বল্পস্থায়ী; আমাদের বোনদের পুরনো পোশাকের জন্য আরিফের মা কদিন পরপরই চাহিদা পেশ করত।

মেয়ে পুকুরে ঠিকঠাক বসে আসে কি না সে-দৃশ্য দেখার জন্য প্রতিবার বাড়ি ফেরার সময় আরিফের মা ছেলেকে ডাকত, দিনের অন্য সময়ে মায়ের আঁচল আঁকড়ে থাকা ছেলেটার তখন একদম অন্য চেহারা! আমাদের খেলা বা আড্ডার আসরের একটু তফাতে পায়ের পাতায় পেরেক আটকে ঠায় দাঁড়িয়ে থাকাটাই যেন তার একান্ত আরাধ্য; সামান্য বাদামমুড়ির সম্ভাবনাতেও অপ্রতিরোধ্য আকর্ষণের হাতছানি; বাস্তবতা ভুলে থাকা শিশুর লোভাতুর দৃষ্টি কোন উপহাসেই ম্লান হতো না।

কোথায় হারিয়ে গেছে সেইসব দিন! আমাদের গ্রামের বাড়িটা সেরকম নেই, আসলে গ্রামটাই বদলে গেছে ভীষণ রকম; সবুজের বিস্তার দ্রুত কমছে, যেটুকু আছে তার রঙেও ধূসরের ছাপ। ছিন্নভিন্ন উঠান-বাগানে যত্রতত্র সীমানা নির্ধারণী বেড়া, পুকুরডোবা বোজানো আবাস, বেদখলী খালের ওপর কুৎসিত দোকানপাটের রাজ্যপাট। চারপাশে ইটবালির স্তূপে রুক্ষ-বিবর্ণ হতশ্রী মফস্বলের কোথায় কোন্ কোণে কী করছে আরিফ অথবা মনু, কে জানে!

তবু ওদের মনে পড়ে-- না, স্মৃতিকাতরতা থেকে নয়— অবিরাম যন্ত্রণার দুঃসহ কোন মুহূর্তে, যখন পৃথিবীর কোথাও গলাপানিতে তলিয়ে থাকার মতো একটা এসকেপ-রুটের খোঁজ মেলে না... জগতের আনন্দমুখরতায় নিজেকে মনে হয় অসহ্য-অতিরিক্ত-অনাহূত হাস্যাস্পদ কোন অস্তিত্ব... মনু ফিরে আসে, ফিরে আসে আরিফ...

হারানো দিনে ফিরে যাবার উপায় নেই, অথচ পালিয়ে থাকার জন্য ছেলেবেলার মতো আর কোন জায়গাও নেই!

7
আপনার মূল্যায়ন: আপনি মূল্যায়ন করেন নি। গড় রেটিং: 7 (১৪ জন মূল্যায়ন করেছেন)
শেয়ার করুন » Facebook Twitter Delicious Digg MySpace Google Orkut Blogger Google Buzz Technorati
অথবা এই সংক্ষিপ্ত লিংক শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২১০৩৮২(১)    

এস্কেপ রুট থাকে। এমনিতে চোখে না পড়লে বানিয়ে নিতে হয়। অনেক রুটই কাল-ডে-সাক (কানাগলির গালভরা নাম)। তখন আবার নতুন করে এস্কেপ রুট বানাতে হয়। মানুষের জীবনই এমন।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২১০৩৯২(২)    

আপনে কী বিগতযুগের নয়ন হিসাবে ফার্ষ্ট কমেন্ট করলেন ? (কয় কী)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২১০৩৯৩(৩)    

আমি এই জিনিস গুলো নিয়ে ভেবেছি প্রায়ই -
স্মৃতি সব সময় আমাদের সাথে প্রতারনা করে ।
ফটো এ্যালবামের ফটো ছেড়ে যখন ব্যাক গ্রাউন্ড গুলোর দিকে তাকাই - তখন মনে হয়
চোখটা সবুজ ছিলো এখন ধুসর হয়ে গেছে ।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২১০৪২০(৪)    
লেখকের মন্তব্য

অনেক ধন্যবাদ নানাজি। কানাগলির গালভরা নামটা শিখলাম।

@ শূন্য
কথাটা দুর্দান্ত বলছেন। তবে আমাদের দেশে প্র্যাকটিকাল কারণেই চোখ ধূসর হতে বাধ্য।
একটু বক্তিমা করি। গ্রাম থেকে মফস্বল হয়ে গেছে বা যাচ্ছে, এমন এলাকা খেয়াল করেছেন? সবচেয়ে দুরবস্থায় আছে গ্রাম্যতার বেসিক উপাদানগুলো আচমকা হারিয়ে দিশেহারা জায়গাগুলো। বদলগুলো কেন বা কীভাবে এল, চিন্তা করেন। প্রথম পয়েন্ট অবশ্যই জনসংখ্যার চাপ। কিন্তু বড় ভূমিকা দ্বিতীয়টার-- নগরায়ন আর বহিরাগত উপাদানের আগ্রাসন। একটা গ্রামে দুচারটা ধানের চাতাল থাকলে বাতাসে কিছু কাল ধোঁয়া হয়, গাছপালায় তা টেনেও নেয়। কিন্তু যখনই একটা ইটভাটা বসে, আশেপাশের মাটিতে ফসল হয় না, ফলবান গাছ পরের মৌসুম থেকে বন্ধ্যা হয়ে যায়, হাঁসমুরগি কমে যায়, পাখি মরে যায়। পাশের কৃষিজমির মালিক জমি বেচতে বাধ্য হয়, সেখানে আরো ইটভাটা গজায়, হাইওয়ের পাশে হলে পেট্রোলপাম্প বসে, শহরের কাছে হলে হাউজিং কোম্পানি আসে। খাল-নদী দখলের কথা বাদই দিলাম। পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য, মানুষের পেশা—সবকিছু চেইন রিঅ্যাকশনে এফেক্টেড।
অস্ট্রেলিয়ায় টিভিতে দেখেছিলাম এক বুড়ি খুব আফসোস করে আরবানাইজেশনের কুফল বলছিল। বছরের প্রথম বৃষ্টির পানি জমিয়ে খাওয়া তার ছোটবেলার অভ্যাস। এখন নাকি খাওয়াই যায় না, পানির স্বাদ এমন অ্যাসিডিক! তারা স্বাদে টের পায় বদলটা, আর আমরা চোখের দেখায়, এমনকি নিঃশ্বাসের বাতাসেও!

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২১২৩৪৬(৫)    

টেকনিক্যালি কানাগলির ইংরেজি আসলে কালডেস্যাক না। ডেডএন্ডই আসলে কানাগলি। কালডেস্যাকে ইউটার্ন নেয়ার উপায় থাকে, ডেডএন্ডে থাকেনা। ডেডএন্ড থাকে সিটিতে, কালডেস্যাক হলো সাবার্বের ডেডএন্ড।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২১০৩৮৪(৬)    

লুডু, ক্যারাম, মুড়ি, সেকারিনের লাল লাল আইসক্রিম এই শব্দগুলো বড় স্মৃতিকাতর করে তুলল।

মনু আরিফরা মাঝেমাঝে ফিরে এসে মনে করিয়ে দিয়ে যায় - আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২১০৪২২(৭)    
লেখকের মন্তব্য

কথা সত্য, কবি

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২১০৩৯৮(৮)    

লেখাটা যখন পড়া শুরু করি বেশ স্মৃতিকাতর করা ছিলো।শৈশব কৈশোরে আমাদের সবার ক্লান্তিহীন সুন্দর সময় ছিলো। সেখানে অনিঃশেষ ভালো লাগা ছিলো। এই বোধ কেটে গেছে লেখা এগিয়ে যাওয়ার ধাপে ধাপে। একে একে মানুষ গুলো এসেছে তাদের জীবনের গল্প নিয়ে কিংবা তাদের জীবন অল্প অল্প করে তৈরি করেছে করুণ জীবন বোধের। পৃথিবীর গলি ঘুপচিতে জীবনকে খুঁজে ফেরা কিংবা জীবনের মাঝ থেকে নিংড়ানো বিরস অবশেষকে তাৎপর্যমণ্ডিত করা মানুষ গুলোকে একটু করেই অনুভব করলাম লেখাটা পড়বার পরে।
লেখায় সপ্ততারা খচিত হলো।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২১০৪২৪(৯)    
লেখকের মন্তব্য

পৃথিবীর গলি ঘুপচিতে জীবনকে খুঁজে ফেরা কিংবা জীবনের মাঝ থেকে নিংড়ানো বিরস অবশেষকে তাৎপর্যমণ্ডিত করা মানুষ গুলো...

কী চমৎকার কথা! গুরু-মানি-ওস্তাদ

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২১০৪১৫(১০)    

হারানো দিনে ফিরে যাবার উপায় নেই, অথচ পালিয়ে থাকার জন্য ছেলেবেলার মতো আর কোন জায়গাও নেই!

আপনাকে লেখাতে পেয়ে ভালো লাগছে বুজি ।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২১০৪২৬(১১)    
লেখকের মন্তব্য

ধন্যবাদ শিপন, খরা কাটানো কঠিন :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২১০৪৩৪(১২)    

হারানো দিনে ফিরে যাবার উপায় নেই, অথচ পালিয়ে থাকার জন্য ছেলেবেলার মতো আর কোন জায়গাও নেই!

লাখ কথার এককথা।

আছেন কেমন?

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২১১১৪৯(১৩)    
লেখকের মন্তব্য

ভাল, থ্যাঙ্কস! সুপারম্যানের সাগরেদের কী খবর? :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২১০৪৩৭(১৪)    

(সাতে সাত) হারানো দিনে ফিরে যাবার উপায় নেই, অথচ পালিয়ে থাকার জন্য ছেলেবেলার মতো আর কোন জায়গাও নেই!

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২১১১৫১(১৫)    
লেখকের মন্তব্য

ধন্যবাদ, করিম! স্বাগতম আমার ব্লগে, খুব শিগগির আপনার লেখা পড়ার আশা রাখি। ভাল থাকুন সব সময়।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২১০৪৫০(১৬)    

যার ছোটোবেলা যেমনই হোক না কেনো, এই লেখা পড়লে সবারই যার যার জায়গায় পরিবর্তনটার জন্য একই রকম আফসোস হবে। আপনার লেখা তো আপনার মতই।
গ্রামে আমার যাওয়া হৈতোনা, কিছু নাই। কিন্তু শহরতলী মত জায়গায় যাওয়া হৈতো। চিটাগাং রোডে ছিলো খুব পছন্দের জায়গা বড় ফুপির বাসা, ঢাকার এত কাছে, অথচ পুরা গ্রাম। বাড়ির সাম্নেই মাঠ, তার পরেই পুকুরে গোসল, কয়দিন পরপরই যাইতে ইচ্ছে করতো। হুম, এখন ঐবাসায় গেলে প্রায়ই গলি ভুল করে ফেলি।
আবার নিয়মিত হৈলে ভালো লাগবে।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২১১১৫৮(১৭)    
লেখকের মন্তব্য

আমার কপাল ভাল, ছোটবেলা থেকেই বেশ কিছুটা ঘোরা হয়েছে গ্রামে। মানুষ আর তার জীবন কত বিচিত্র হতে পারে, শহরবাসীদের সত্যিই বোঝার উপায় নেই!

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২১০৪৫৭(১৮)    

আমার পাতা থেকে হারিয়ে যাবার পর, তোমাকে খুঁজেছি ভীষণ ভীষণ এবং ভীষণ। কারণ তুমি আমার গান ওয়ালাদের একজন।

ও গান ওয়ালা আর একটা গান গাও---আমার কিসসু করার নেই, কোথাও যাবার নেই। ছেলেবেলার সেই লোকটা চলে গেছে গান শুনিয়ে, চলে গেছে বেহালা নিয়ে।

তুমি আবার সেই পুরোনো দিন এবং মানুষের কথা জীবনের কথা নিয়ে ফিরে এলে।

তোমাকে অভিবাদন।

শুভেচ্ছা নিরন্তর

ভালো থেক, ভালো লেখ।।।।।।।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২১১১৫৯(১৯)    
লেখকের মন্তব্য

বুকে আয় বাভুল

আমার গানওয়ালাদের মধ্যে তুমি শুধু অন্যতমই নও, সব্যসাচীও।
অনেক অনেক ভাল থেক বন্ধু!

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২১০৪৭০(২০)    

রেটিং সাত। "আবোল তাবোল" ট্যাগে মাইনাস।
ধাপে ধাপে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত টেনে আনা আর অদ্ভুত সুন্দর কুশলী সমাপ্তি এই পোস্টের লক্ষণীয় দিক। অবশ্য, নুশেরার সব লেখাতেই এমন দক্ষতা ফুটে ওঠে, একেক বার একেক কায়দায়। অভিনন্দন নুশেরা।

তবু ওদের মনে পড়ে-- না, স্মৃতিকাতরতা থেকে নয়— অবিরাম যন্ত্রণার দুঃসহ কোন মুহূর্তে, যখন পৃথিবীর কোথাও গলাপানিতে তলিয়ে থাকার মতো একটা এসকেপ-রুটের খোঁজ মেলে না... জগতের আনন্দমুখরতায় নিজেকে মনে হয় অসহ্য-অতিরিক্ত-অনাহূত হাস্যাস্পদ কোন অস্তিত্ব... মনু ফিরে আসে, ফিরে আসে আরিফ...

হারানো দিনে ফিরে যাবার উপায় নেই, অথচ পালিয়ে থাকার জন্য ছেলেবেলার মতো আর কোন জায়গাও নেই!

শেষ এই দুই প্যারা পড়া শেষে আবেগে কারো যদি চোখ একটু ঝাপসা হয়, তা বোধ করি স্বাভাবিক ভাবে নিতে তেমন ক্ষতি নেই।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২১১১৬০(২১)    
লেখকের মন্তব্য

কী চোখ, ট্যাগও ধরে ফেলে!
আবোলআবোল বকে গেছি কিবোর্ডে, তাই ওটাই মনে হলো যথাযথ হবে :)

মন্তব্যে ধন্য :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২১২৩৫০(২২)    

ট্যাগ আমিও ধরসি। ট্যাগে মাইনাসের ব্যবস্থা করার জন্য ডেভু কাকার কাছে আবদার করে গেলাম।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২১০৪৭৭(২৩)    

নুশেরাপু দুর্দান্ত লিখছেন।

সত্য আর সুন্দর লেখা।

ভাল লাগলো অনেক।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২১১১৬৬(২৪)    
লেখকের মন্তব্য

ধন্যবাদ সাকিবা
শুভেচ্ছা সব সময়

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২১০৪৮৬(২৫)    

এই লেখা পড়ে বাহ চমৎকার লিখেছেন, নস্টালজিক হয়ে পড়লাম না বলে কি কোন উপায় আছে?

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২১১১৬৯(২৬)    
লেখকের মন্তব্য

ধন্যবাদ অনদ্ভুত আচার্য :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২১১১৭৫(২৭)    

আগে তো অদ্ভুত আচার্য ছিলাম। এখন অদ্ভুত বাদ দেওয়াতে কেউ বলছেন ভূতাচার্য, কেউ অনদ্ভুত আচার্য এমন হরেক রকম নামকরন হয়েছে আমার! আমি এখন কি করি! | :প :p

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২১০৪৯২(২৮)    

ভাল লেগেছ।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২১১১৭০(২৯)    
লেখকের মন্তব্য

ধন্যবাদ, দেশ

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২১০৫৩১(৩০)    

আমার ছোটবেলা ভুলে গেছি
কিছুই প্রায় মনে পড়ে না
শুধু একটা দৃশ্যই আসলো ছোটবেলার
বাসার সামনে বিশাল মাঠ ছিলো সবুজ ঘাস, ওিখানে বাপ বেটি মিলে বিকালে বসতাম
এখন ঘাস নাই মাঠও নাই আর দুইজন দুই দেশে

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২১১৫১৭(৩১)    
লেখকের মন্তব্য

ভুলে যাবার ক্ষমতা পর্বতপ্রমাণ হওয়া চাই-- মাহমুদুল হকের এত কঠিন কথাটা এত সহজে বাস্তবায়িত করে ফেললে! :(

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২১০৫৩৪(৩২)    

তোমার লেখা পড়ে নস্টালজিয়ায় পেয়ে বসলো।

-হারিয়ে গেছে আমার চেনা গ্রামটিও। জীবন ও জীবিকার প্রয়োজনে বদলেছে দৃশ্যপট। গ্রামের একটা দিকে আদিগন্ত সবুজ শস্যভূমির বদলে এখন সারি সারি নানা রঙ্গে রঞ্জিত আবাসভূমি। কুলসুম ফুফু- যিনি আমাদের পেলেপুষে বড় করেছিলেন, এখনো দৌড়ে আসেন, 'ও মনু কেমন আছো' বলে অপত্যস্নেহে গায়েমাথায় হাত বুলিয়ে দেন। তিনি চলে গেলে শুন্যতার ঘনত্ব হয়তো আরো বাড়বে! ফাঁকা বাড়িতে এখন আর কেউ থাকে না বলে যখনতখন যাওয়াটা একদম হয় না। বিশ্বায়ন আর অপরিকল্পিত নগরায়ন গ্রামীণ দৃশ্যপটে এঁকেছে কদর্যতার ছাপ। রেমিটেন্স ব্যয়ের মূল জায়গাটি এখন গৃহ নির্মাণ!

- তুমিই তো আমাকে এস্কেপ রুটের হদিস দিলে! আফসোস, আমি যদি জানতাম তেমন কিছু! তোমার ঋণ শোধের কোন সুযোগ কখনই বুঝি পাবো না!

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২১১৫২২(৩৩)    
লেখকের মন্তব্য

লেখো, লেখো প্লিজ! অপেক্ষায় থাকব।
সরকারের অর্থনীতি-বিশেষজ্ঞ তুমি আপা, মাথায় শুধু ঋণ ঘোরে :প :p এরাম করিস না মমিন

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২১১৫৫৯(৩৪)    

শরমিত :প :p সরকারের অনর্থনীতি বিশেষ অজ্ঞ! তোমাকেও বাঁশবনের প্রেতে ধরল?
-তোমার লেখায় আর যদি কমেন্টাই! আর কমু না / মুখ বন্ধ

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২১২২৬৪(৩৫)    
লেখকের মন্তব্য

আমি বাঁশপাতাও দেখি না, আস্ত বাঁশবন তো তোমার দোস্তের সম্পত্তি :প :p

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২১২২৭২(৩৬)    

হাসতে হাসতে নাইক্কা হাসতে হাসতে নাইক্কা

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২১০৫৪৪(৩৭)    

যাপিত জীবনের জটিলতায় মাঝেমধ্যে মনে হয় যদি ছোটবেলায় ফিরে যাওয়া যেত!

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২১১৫২৩(৩৮)    
লেখকের মন্তব্য

সত্যিই! শুভেচ্ছা, প্রতীপ

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২১০৫৬৩(৩৯)    

নুশেরা , মন খারাপ করে দেয়ার মত পোস্ট ! অনেক কথা মনে পড়ে গেলো। আজকাল দেখি না কেন ? অনেকদিন পর দেখলাম , ভাল থেকো।
নতুন বছরের শুভেচ্ছা।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২১১৫২৬(৪০)    
লেখকের মন্তব্য

আরে, নম্রতা!!!
ফ্রেঞ্চ খোঁপায় শ্বাসরুদ্ধ চুলের জোছনা-র কবি, তোমাকে খুউব মনে পড়ে!
শুভেচ্ছা সব সময়!

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২১০৫৬৪(৪১)    

নিঃশ্বাষ বন্ধ করে পড়লাম। তোমার চাইতে বেশী সবুজ, নির্মলতা, শুদ্ধতা এবং "মানুষ" আমি দেখেছি।
তাই বদলটাও বেশী করেই চোখ, বুকে বিদ্ধ করে। আহত হই।
মানুষের, প্রকৃতির এই বদলের ব্যাখ্যা যতই থাকুক না। মন তো মানেনা।
হারানো দিনে ফিরে যাবার উপায় নেই, অথচ পালিয়ে থাকার জন্য ছেলেবেলার মতো আর কোন জায়গাও নেই! তাই তোমার এই লাইনটি সবার মতো আমিও বার বার বলতে চাই।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২১১৫২৮(৪২)    
লেখকের মন্তব্য

হুঁ, বেশি দেখেছ তো বটেই!
সেজন্য জবর ঈর্ষা করি, আবার এটা ভেবে ভালও লাগে যে তোমার কাছ থেকে সেইসব অভিজ্ঞতার ভাগ পাবার ভাগ্যটুকু হয় :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২১০৫৯৭(৪৩)    

হারানো দিনে ফিরে যাবার উপায় নেই, অথচ পালিয়ে থাকার জন্য ছেলেবেলার মতো আর কোন জায়গাও নেই!
-মনে হয় আর কিছু বলতে হবে না।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২১১৫২৯(৪৪)    
লেখকের মন্তব্য

ধন্যবাদ জামি,
শুভেচ্ছা

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২১০৬৪২(৪৫)    

হারানো দিনে ফিরে যাবার উপায় নেই, অথচ পালিয়ে থাকার জন্য ছেলেবেলার মতো আর কোন জায়গাও নেই!

অনেক অনেক পাওয়ারফুল একটি কথা।
------------------------
পড়ালেখা হোক আর মানিব্যাগের প্রস্থ সম্প্রসারণের কারণেই হোক আমরা নিজেরাই পালানোর জায়গাটুকু শেষ করে দিচ্ছি! ঘাড় ঘুরিয়ে স্মৃতির গ্রামটিকেও যে একটু মনভরে দেখবো, এখন সেই আশাটুকুও রাখি না।
-------------------------
অনেক চমৎকার একটি লিখা, নুশেরাপু।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২১১৫৩০(৪৬)    
লেখকের মন্তব্য

চমৎকার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ লাবণী,
শুভেচ্ছা

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২১০৬৫০(৪৭)    

কথাগুলো হয়তো সবারই মনের কথা। কিন্তু এইভাবে গুছিয়ে প্রকাশ করতে পারল আর কয়জন।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২১১৫৩৪(৪৮)    
লেখকের মন্তব্য

একটা জরুরি ও পরিশ্রমের কাজ খুব ভালভাবে হচ্ছে, সিদ্দিক সালিকের অনুবাদ। সেজন্য অভিবাদন!
অনেকদিন নিয়মিত পড়ার সময় পাচ্ছি না, এটাই আফসোস!
ধন্যবাদ লবঙ্গ!

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২১১০৮৩(৪৯)    

শুভ প্রত্যাবর্তন!
- স্মৃতিভারাক্রান্ত হ'লাম বলাটা ঠিক হবে না। শৈশব-স্মৃতির আর ভার কি? সে তো রঙিন বেলুন। সুখের নির্ভার পুষ্পবর্ষণের নিচে আকাশমুখি দাঁড়িয়ে রইলাম খানিক!
- ছেলেবেলার চোখে সামাজিক ফাটল ব'লে কিছু কখনো পড়েনি, সবকিছুই কি সোজা সরল ছিলো! বছরগুলো, ক্রমে ক্রমে চোখে এঁটে দিয়েছে ম্যাগনিফিকেশনের কাঁচ! বাস্তবতা কি একেই বলে? এই কদাকারকে দেখা এবং মোটেও বিস্মিত না হওয়া? কে জানে!
- চমৎকার লাগলো।
- অফুরান শুভ কামনা!

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২১১৫৩৮(৫০)    
লেখকের মন্তব্য

কী বলব, সুলেখকের মন্তব্য পড়ার অভিজ্ঞতাও চমৎকার ব্যাপার।
শুভকামনা সব সময়!

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২১১১৭৩(৫১)    

তোমার অনেক কিছু এখন মনে আছে গীতি আপু, হনুমিয়ার কথা অনেক দিন পরে শুনলাম, এখন বাড়িতে গেলে এরকম কিছুই দেখা হয় না :(

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২১১৫৪২(৫২)    
লেখকের মন্তব্য

ওরে জ্যোতিমনা!!!
তোর তো এইসব মনে থাকার কথা না, হিসাব করে দেখলাম, সেই বিখ্যাত বর্ণপরিচয়ের বই বানানোর পরের বছর তোর আর জিশানের জন্ম |
আমাদের সময়ের ক্যারেক্টার ছিল বটে মিলনের দাদা। দেখলেই "কাইট কাইট ফাইট ফাইট", অথবা শোল্লক ছুঁড়ে দিত- "চোপায়ার উপর নিপায়া নাচে, দোপায়া তুলে ডালে..." অথবা দুটো বাচ্চাকে ঘাড় ধরে তুলে যাত্রার সংলাপের মতো- "দুইহাতে উকাড়িবো কলাগাছ..."

মাহমুদুল হকের "কালো বরফ" উপন্যাসটা পড়ে দেখিস, একদিন সবকিছু গল্প হয়ে যায়...

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২১১১৭৪(৫৩)    

নুশেরাপু, আপনাকে খুঁজতে খুঁজতে শেষ। এখন কী অবস্থা? মেইল ঠিক হয়েছে?
সময় পেলে মেইল দিয়েন। :)
mukulbd@gmail

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২১১৫৪৩(৫৪)    
লেখকের মন্তব্য

একেবারে তছনছ হয়ে আছি মুকুল, বুবু চলে যাবার পর থেকেই...
খালাম্মাকে বোলো দোয়া করতে

তোমরা ভাল থেকো,
ইনশাল্লাহ যোগাযোগ হবে

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২১১৫৯০(৫৫)    

বুবু চলে যাবার পর থেকেই...

এইটা বুঝলাম না। বুঝিয়ে জানানো যায়?

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২১২৩৫১(৫৬)    

বুবু কি নানী?

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩০০৭৭(৫৭)    

বুবু কাকে বলছেন?

সে জন্যেই কি বাংলাদেশে হঠাৎ করে আসা?

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২১১১৮৯(৫৮)    

আপু , আপনারে দেখে লগ ইন করলাম।
মুক্লার মতন আমিও খুজতে খুজতে শেষ। পরে একজনকে বলেও ছিলাম আপনারে আমার হয়ে মেইল দিতে ।

মেইল এর অপেক্ষায় রইলুম । পারলে মেইল দিয়েন - m.raihan.sayeed@gmail.com.

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২১১৫৪৫(৫৯)    
লেখকের মন্তব্য

ব্লগে ঘুরেন অথচ লগান না, ঘটনা কী? শক্তিমান লেখকরা এইভাবে নীরব হয়ে গেলে চলবে!!!

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২১১২২৯(৬০)    

কোথায় হারিয়ে গেছে সেইসব দিন! আমাদের গ্রামের বাড়িটা সেরকম নেই, আসলে গ্রামটাই বদলে গেছে ভীষণ রকম; সবুজের বিস্তার দ্রুত কমছে, যেটুকু আছে তার রঙেও ধূসরের ছাপ। ছিন্নভিন্ন উঠান-বাগানে যত্রতত্র সীমানা নির্ধারণী বেড়া, পুকুরডোবা বোজানো আবাস, বেদখলী খালের ওপর কুৎসিত দোকানপাটের রাজ্যপাট। চারপাশে ইটবালির স্তূপে রুক্ষ-বিবর্ণ হতশ্রী মফস্বলের কোথায় কোন্ কোণে কী করছে আরিফ অথবা মনু, কে জানে!

আমার নিজ গ্রামের সঙ্গে সংশ্রব টুটে গেছে অনেক আগেই। কালে ভদ্রে গ্রামে যাওয়া হয়। কিছুদিন পূর্বে চাচাতো ভাইয়ের বিয়ে উপলক্ষে গ্রামে যাওয়ার সুযোগ ঘটেছিল। গ্রামের বর্তমান পরিবেশ দেখে অবাকই হলাম। যে রাস্তায় বর্ষা কালে এক হাঁটু জল জমতো সেই রাস্তায় এখন আর সি সি ঢালাই। বাড়িগুলো সব দেয়াল কিংবা টিন দিয়ে ঘেরা। বেশি ভাগ বাড়িই টিন সেড। দুএকটি তিন-চার তলা বিল্ডিং ও চোখে পড়লো। আরেকটি ব্যাপার হলো অনেক বাড়ি থেকেই টিওবওয়েল উদাও। পুকুর গুলোর বেশি ভাগই অব্যবহৃত, মজা। বাড়িতে বাড়িতে মাটির চুলার সংখ্যাও অনেক কমে গেছে। সে স্থান দখল করেছে এলপি গ্যাস। ঘরে ঘরে রঙিন টিভি এবং ডিস সংযোগ। আমার এক দরিদ্র আত্মীয়ের বাড়িতেও টিভিতে হিন্দি সিরিয়াল চলতে দেখলাম। আগে বাড়িতে বাড়িতে পোষা হাঁস-মুরগীর খোয়াড় আর গোয়াল ঘর ছিল। এই যাত্রায় দু'একটি বাড়ি ছাড়া তেমন একটা গোয়াল ঘর বা খোয়াড় চোখে পড়লো না। আরেকটি জিনিস দেখলাম, ক্লাস ফাইভ সিক্সে পড়ে, এমন সব পোলাপানের হাতেও দামী সব মোবাইল সেট। বেশি ভাগই আত্মীয় স্বজন কর্তৃক বিদেশ থেকে পাঠানো। এ হলো আমার বদলে যাওয়া গ্রামের খন্ড চিত্র। বিদেশ থেকে পাঠানো রেমিট্যান্সের সুবাদেই গ্রামীন জনপদের আর্থ-সামাজিক অবস্থার এই দ্রুত পরিবর্তন। দারুন ভাবে বদলে যাওয়া এই গ্রামে আমি আমার হারানো শৈশবকে কোথাও খুঁজে পেলাম না।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২১১৫৫৮(৬১)    
লেখকের মন্তব্য

কী দারুণ পর্যবেক্ষণ! হুবহু একই বদলগুলো দেখে এলাম আমিও। নোয়াখালীতে বাড়িগুলোর একটা কমন বৈশিষ্ট্য ছিল, ভিটাজমির চারপাশ না হলেও অন্তত তিনপাশ ঘিরে নিজস্ব ড্রেনেজ থাকতো, বড় পানা আর মোস্তগের ঝাড়ে ঢাকা সরু খাল, শহরের বড় রাস্তার বাড়িগুলোতেও দেখতাম, ঢোকার পথটা হতো ওরকম খালের ওপর ব্রিজ! সেসব বুজে গিয়ে কী বিশ্রী জলাবদ্ধতা বছরের আদ্ধেকটা সময় জুড়ে!

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২১১৬৩৪(৬২)    

সেই রকম এক ড্রেনেজে আমি একবার শুয়ে ছিলাম, আমাদের বাসা তখন ছিলো সোনাপুরে। ঘটনাটা আম্মুর কাছে শোনা, তখন আমার বয়স দুই-কি তিন হবে!

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২১২২৬২(৬৩)    
লেখকের মন্তব্য

হ্যাঁ, সেটা সম্ভব ছিল। ওই দুচারফুট পানির ওপর পানাঝোপ যা ঘন হতো, অনেক সময় গরুও পার হয়ে যেত হেঁটে হেঁটে!

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২১১২৭১(৬৪)    

ম্যালা দিন পর আপনার লেখা পাইলাম........(ব্যাপক খুশি হইবার ইমো)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২১৪২১৭(৬৫)    
লেখকের মন্তব্য

এমন মন্তব্য পেয়ে আমার খুশিটা অনুমান করেন তাহলে!

সব সময় আনন্দে থাকুন, ফারিগ!

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২১১৪৪৪(৬৬)    

নুশেরাবুউউউউউউউউউউউউউউউউউউউউউউউউউউউউউউউউউউউউউউউউউ :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২১৪২৩৭(৬৭)    
লেখকের মন্তব্য

:) :) :) :) :) :) :) :) :) :) :) :) :) :) :) :)
==============

এক ছিলেন কবি। গদ্য লিখতেন না। লিখলেই স্টিকি পোস্ট। তারপরও লেখেন না।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২১৪৪০১(৬৮)    

কবিতাকে স্টিকি পোস্টের আওতায় আনা হউক, স্টিকি পোস্টে ব্লগ ভাসায়া দেব \m/

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২১১৪৬৮(৬৯)    

ইশ! সেই আনন্দময় দিনগুলো যদি আবার ফিরে আসতো.........

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২১৪২৩৯(৭০)    
লেখকের মন্তব্য

সেটাই!
নয়নের শেষ দুটো পোস্ট লোড হয় না :(

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২২০৩৬৮(৭১)    

আমার পেইজে গিয়েছিলেন যে, এটা শুনেই প্রাউড ফিল করছি!

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২১১৫৩৩(৭২)    

অনেক দেরী করে পড়লাম। অনেকদিন পড়ে পড়লাম। কেমন আছেন নুশেরা'বু ?

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২১৪২৪৮(৭৩)    
লেখকের মন্তব্য

আমিও দেরি করে দেখলাম।
ভাল থাকবেন হালিমভাই, দোয়া করবেন।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২১১৫৫৪(৭৪)    

পালিয়ে থাকার জন্য ছেলেবেলার মতো আর কোন জায়গাও নেই!

চোখ বুজলেই সেই নির্ভার অনুভুতি পাই, আর-
পালিয়ে থাকার মত জায়গা খুঁজে যাই!

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২১৪২৫০(৭৫)    
লেখকের মন্তব্য

খোঁজার শেষ নেই

শুভেচ্ছা, নস্টালজিক!

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২১১৬৪১(৭৬)    

অনেক অনেক অনেক দিন পর নুশেরা আপু, আপনার লেখা পেয়ে অসাধারণ অনুভূতি হলো। লেখাটা পড়েছি প্রথম দিনই, কিন্তু কি মন্তব্য করবো, তা বুঝে উঠতে পারিনি, পারিনি এখনও পর্যন্ত। আসলে এই অসাধারণ লেখায় কমেন্ট করার যোগ্যতাই এখনো হয়নি আমার, শুধু এটুকু বলতে পারি- আপনি যে আমাকেও আমার ছোটবেলার গ্রামে নিয়ে গেলেন!
খুব ভালো থাকুন আপু, আর এই পথচলা যেনো আর থেমে না যায়!

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২১৪২৫২(৭৭)    
লেখকের মন্তব্য

আমি ভুলেই যাই যে পোস্ট দিয়েছি, অনেকদিনের অনভ্যাস তো :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২১২৩৮৮(৭৮)    

অনেকদিন পর আপনার লেখা। কাল পরীক্ষা। এসেই পড়ব। :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২১৪৯২৯(৭৯)    
লেখকের মন্তব্য

পরীক্ষা ভাল হোক
রেজাল্ট আরো ভাল হোক :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২১৩০৯৮(৮০)    

আমার জন্ম ও বেড়ে উঠা মফস্বলেই। প্রতি কোরবানীর ঈদেই গ্রামের বাড়ি যাওয়া হয়। আর সে কি মজা!! গ্রামের কাজিন ও অন্য ছেলেদের সাথে দুরন্ত-পনা, খেলা, ছোটাছুটি সব মিলিয়ে কেমন মজা হয় সেটা বলার মত না। গত পাচঁ বছর ধরে এভাবে চলছিল। কিন্তু গত দুই বছরে সবচেয়ে বড় যে পরিবর্তন সেটা হল যে কাজিনদের সাথে ঈদে ঘুরতাম ওরাই এখন শহরমুখী এবং পড়ার চাপে গ্রামে আসার সময় পায় না!!
দুই বছর আগেও যেখানে আমাদের গ্রামে ঢেকি দিয়ে ধান ভাঙত, আজ সেখানে ঢেকির কোন অস্তিত্ব নেই। এ রকম হাজারো অমিল। পুরো গ্রাম যেন অর্ধেক নগরীতে রুপান্তরিত হয়েছে।

আপু, তোমার লেখা সত্যিই আমাকে নষ্টলজিক করে ফেলেছে। অনেক ভালো থাকো।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২১৪৯৩১(৮১)    
লেখকের মন্তব্য

দুবছর আগেও ঢেঁকি ছিল, আপনারা তো ভাগ্যবান!
এইসব নিয়ে নস্টালজিয়া সবার থাকে না; সংবেদনশীলতা কখনো কখনো যন্ত্রণা দেয়।

ভাল থাকুন সব সময়।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২১৩৪৪০(৮২)    

হারানো দিনে ফিরে যাবার উপায় নেই, অথচ পালিয়ে থাকার জন্য ছেলেবেলার মতো আর কোন জায়গাও নেই!
বেশী কিছু বলতে গেলে সব গুলাইয়া ফেলব, তাই কেটে পড়লাম।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২১৪৯৩৪(৮৩)    
লেখকের মন্তব্য

ঠিক আছে, কেটে পড়ার সিস্টেম শিখে রাখলাম :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২১৪৮৪০(৮৪)    

ইশ! এটা আগে দেখিনি কেন! অনেকদিন পর তোমার লেখা পোস্ট পড়বার সৌভাগ্য হল।
প্রিয়তিপ্রিয় বন্ধু, তোমার জন্য হৃদয়-নিংড়ানো ভালবাসা। নতুন করে তোমার লেখার হাতের যাদুকরী ছোঁয়ার প্রশংসা করবো না। তোমার লেখা কমেন্ট, পোস্ট - যা-ই পড়ি না কেন, মুগ্ধতা কাজ করে সবসময়ে।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২১৪৯৩৮(৮৫)    
লেখকের মন্তব্য

ধুর, এসব হাবিজাবিও লেখা!
অমিত চক্রবর্তীর ডায়রি পড়ে এলাম একটু আগে, দেখ কী সুন্দর!
ভাল থেকো, বিশ্রামে থেকো।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২১৫২৫৬(৮৬)    

লেখাটা অনুভূতির তার গুলি নিয়ে হারমোনিয়াম বাজাচ্ছে

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২১৫৪২৪(৮৭)    
লেখকের মন্তব্য

বলো কী!

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২১৫৯৩০(৮৮)    

বর্ষপূর্তি উপলক্ষে একটা পোষ্ট দেন আপু।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২২০৩৩৪(৮৯)    
লেখকের মন্তব্য

(কয় কী)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২১৭৯২৩(৯০)    

অনেকদিন পর দেখে স্বস্তি পেলাম।

হাতে সময় থাকলে দেখে আসতে পারেনঃ
http://www.sachalayatan.com/guest_writer/42818

বুক রিভিউয়ের অপচেষ্টা মাত্র।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২২০৩৩৭(৯১)    
লেখকের মন্তব্য

ধন্যবাদ লিঙ্কের জন্য।
চমৎকার লেখা! আরো দীর্ঘ হতে পারত, আমরা যারা বইটি পড়ি নি, তাদের জন্য অন্তত।
শুভকামনা।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২২০১৬২(৯২)    

গুরু-মানি-ওস্তাদ দারুণ লাগলো লেখাটা।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২২০৩৩৯(৯৩)    
লেখকের মন্তব্য

ধন্যবাদ, মুহিত

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২২০৮৪৩(৯৪)    

আপু কেমন আছেন? পিচ্চি কেমন আছে?

আপনাকে অনেক মিস করি :(

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২২৩৫৬৭(৯৫)    
লেখকের মন্তব্য

বুকে আয় বাভুল
বেঁচে আছি রে...
বুকে আয় বাভুল

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২২৭১২২(৯৬)    

দিছ গুলাপ্পুল( ) ইজ অনলি ফর ইউ :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২২৮৭৫৭(৯৭)    
লেখকের মন্তব্য

দিস কোরিয়েন্ডারলিফ ফর ইউ :)
ধইন্যাপাতা(ধন্যবাদ)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২২৭৮৮২(৯৮)    

নুশেরাপু,

আপনাকে কোটি বছর দেখি না।

এই রকম গতিময়, সাবলীল লেখাও চোখে পড়ে না।

দেশে এসেছিলেন বুঝি? একটু জানান দিয়ে আসবেন না?

চতুরে লেখার জন্যে নিবন্ধন করার দরখাস্ত করার সময় ভাবিনি দশ মাসেও লেখা হয়ে উঠবে না।

সারা জীবন চেষ্টা করেছি কাজিনের একটা যুৎসই বাংলা বের করতে, পারিনি।

আপনি অবলীলায় লিখে ফেললেন "তুত ভাইবোনেরা" ।

অপেক্ষা জীবনী শক্তি সংহারী।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২২৮৭৬৪(৯৯)    
লেখকের মন্তব্য

কাজিনের বাংলা হিসেবে তুতো ভাইবোন নিশ্চয়ই কোথাও পড়ে থাকব, নতুন শব্দ তৈরির মতো সৃজনশীল নই :(

ভাল থাকুন সব সময়, শুভেচ্ছা।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩১২২২(১০০)    

নতুন শব্দ তৈরির মতো সৃজনশীল নই

আপনার বিনয় শিল্পের পর্যায়ে পৌঁছেছে।

"হারানো দিনে ফিরে যাবার উপায় নেই, অথচ পালিয়ে থাকার জন্য ছেলেবেলার মতো আর কোন জায়গাও নেই!"
-আমার কিন্তু আছে।

চোখ বন্ধ,
লম্বা একটা নিঃশ্বাস,

এবার কোথাও আমার হারিয়ে যেতে নেই মানা

না লামা পেরিয়ে মদকের প্রাথমিক অরণ্যে,

না তিতাসের বাঁকে
এক ফসলা জমির ওপর
বিশ হাত পানিতে
তালের কান্ডের নৌকায়,

আর না অস্ট্রেলিয়ার
বুশ বা আউটব্যাকে।

গনী বেকারী থেকে
চক বাজারে আসার পথে
বামের টিলাটাও
কখোনো।

মনের জগতটাকে যতই মনে করি না কেন অস্তিত্বহীন, ওটা না থাকলে কবেই অনিরাময়যোগ্য বদ্ধ উন্মাদ হয়ে যেতাম।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২২৮৮৬৭(১০১)    

নুশেরা আপু, অনেকদিন পর এসে লেখাটা পড়া হলো।

দীর্ঘ একমাস ধরে পরীক্ষা দিচ্ছি। আরো একমাস সামনে। সব সময় বলার সুযোগ হয় না, আজ বলে যাই আপনাকে অনেক মিস করি, সবাই করে। যেখানেই আছেন, যেভাবে আছেন। ভালো থাকুন

অফটপিকঃ ইত্তেফাকে আপনার গল্পতা পড়েছিলাম :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২২৮৯৫৭(১০২)    
লেখকের মন্তব্য

পড়ার জন্য ধন্যবাদ, কিন্তু পরীক্ষার মধ্যে ব্লগে কী! পত্রপত্রিকাও ভুলে যাও এই কটা দিন।
প্রিপারেশন ভাল হোক, পরীক্ষা তার চেয়ে ভাল হোক, রেজাল্ট আরো ভাল :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২২৮৯৬১(১০৩)    

এক মাস পরে এই লেখা আমার চোখে পর্ল! কপাল এখন ঘুম ধর্তাসে। কাল্কে পড়ুম। এই বইমেলায় আপনি থাকবেন না? খুব মিস করব।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২২৯৮৫১(১০৪)    
লেখকের মন্তব্য

চট্টগ্রামের বিশদ বাঙলা, নন্দন, বাতিঘর-- এই তিন জায়গায় তোমার বই পাঠাবে না প্রকাশক?

আমার এবারের বইমেলা মিস, অন্যতম মিস এটাও, অভিনন্দন আর শুভেচ্ছা সব সময়

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৭৪০০(১০৫)    

......sorry....i am still learning to type Bangla...and my write-ups look comical. It seems your childhood passed like an express train...and still you managed to save thousands of moments in you memory. probably we all treasure such precious memories but dont have such gifted ability to express ! thanks for the piece.

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৮৪৯৮(১০৬)    
লেখকের মন্তব্য

শেখার শুরুতে বাংলা টাইপের অবস্থা এমনই থাকে :)

মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ সাদাকালো৯২

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৪৩৫৪১(১০৭)    

হারানো দিনে ফিরে যাবার উপায় নেই, অথচ পালিয়ে থাকার জন্য ছেলেবেলার মতো আর কোন জায়গাও নেই!

-এখন আমার মনে হইতাসে জীবনের কোনো একটা সময় পালানোটা খুবই জরুরি হইয়া দেখা দেয়। কিন্তু হায় পলানের জায়গা আসলেও কি জগতে আছে! কপাল

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৪৩৫৪৮(১০৮)    
লেখকের মন্তব্য

পলানের জায়গা আসলেই নাই, তাইতো শহীদুল ইসলাম খোকন সিনেমা বানাইছিলেন, "পালাবি কোথায়" মুহাহা

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৫৯০০৭(১০৯)    

যার ছেলেবেলাটাও থাকে নোংরা, বিধ্বস্ত, তার তো আর কোথাও যাওয়ার জায়গা রইলো না। এমন কেউ কেউ কিংবা অনেকেই আছেন যাদের শৈশবগুলো তাদের নিকটাত্নীয়দের হাতে নৃংশসভাবে বলি হয়েছে। জীবন! ঠেলে মোচড়ে কোন রকমে দাঁড়িয়ে থাকতে পারাটাই হয়ত জীবন।
----------
ভাল থাকুন।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৬৪১২৬(১১০)    
লেখকের মন্তব্য

সব অভিমান আকাশের চেনা-চেনা
সবার জন্য সুদিন কি আসবে না

জীবনের সুদিন যে কোন সময়েই বলি হয়, নৈকট্যের সুযোগটা নিকটজনেরাই নেয়...
ঠেলা-ধাক্কায় যা চলে তার নামই হয়ত জীবন

--------
ভাল থাকুন, পদ্ম! শত শতদল দলে লিখে চলুন।

 

মন্তব্য করুন

এই তথ্যটি সর্বদাই গোপন রাখা হবে এবং কোন অবস্থাতেই তা জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।
ছবি যাচাই
আপাতত: শুধু মানুষদের জন্যই আমাদের দুয়ার খোলা। পরে নাহয় রবোট, বায়োবট বা এন্ড্রয়েডদের কথা বিবেচনা করা যাবে।
1 + 3 =
এই গাণিতিক সমস্যাটি সমাধান করুন এবং সঠিক উত্তরটি উপরের ঘরে লিখুন। যেমনঃ ১+৩ এর জন্য লিখুন ৪।