নুশেরা-এর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

যদি আমি কাঁটা হয়ে
বিঁধে যাই তোমার পায়ে
চলতে ব্যথা পাবে যখন
তখন মনে পড়বে কি আমায়...
মিতালী মুখার্জীর এই গানটা কি কারো সংগ্রহে আছে?
বেশ আগের গান এটি, সম্ভবত আশির দশকের গোড়ার দিকের। মিতালী তখনও বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতবাসী হননি; গজলশিল্পীর তকমাও নামের সঙ্গে জুড়ে বসেনি।
এই গানে, বোধহয় প্রথম অন্তরাতে, এমন ক'টা লাইন আছে:
হয়তো কোনো শীতের রাতে
খোলা জানালা দিয়ে
আসবে ছুটে ঠাণ্ডা হাওয়া
আমারই কথা নিয়ে...
গানটা প্রথমবার শুনি ৮৪/৮৫ সালের দিকে, ক্লাস ফাইভ বা সিক্সের ফাইনাল পরীক্ষা দিয়ে নানাবাড়ি বেড়াতে গিয়ে। দেশে তখন পৌষের গোড়াতেই যথেষ্ট শীত; সন্ধ্যা নামতে-না-নামতেই গ্রামীণ জীবন দৈনন্দিন মুখরতার পাট চুকিয়ে নিস্তব্ধ স্থবির। অনেক বেলা অবধি পুকুরের ওপর থির বসে থাকা কুয়াশার মতো অলস দিনগুলোতে একপিঠে মিতালী মুখার্জী আর অন্যপিঠে শ্রাবন্তী মজুমদারের গানে ভরা ষাট কি নব্বই মিনিটের অডিও ক্যাসেটটি তোবড়ানো এক সেকেলে টু-ইন-ওয়ানে বহু-বহুবার বাজিয়ে শোনা হয়েছিলো।
সেই সংকলনের যে কোনো গান শুনলেই নানাবাড়ির অধুনালুপ্ত বিশাল উঠানটা ফিরে পাই যেন। পাটখড়ি জ্বালানো শীতকালীন চুলায় ভাপাপিঠার ধোঁয়াটে গন্ধ নাকে আসে; চালতা গাছের খাঁজকাটা পাতায় জমা শিশির দেখতে পাই। শুনতে পাই তখনকার চেনাজানা শব্দ। সকাল-সন্ধ্যা-রাতে গাছের পাতা থেকে টিনের চালে ঝরে পড়া শিশিরের টুপটাপ; ভোররাত থেকে বাড়ির পেছনের ইটবিছানো রাস্তায় চরাঞ্চল থেকে আসা হোগলাপাটি বোঝাই ঢিমেতেতালা গরুর গাড়ির শব্দ। রেলস্টেশন যাবার পথে সে গাড়ির কাঠের চাকার ক্যাঁচকোঁচ, গাড়িটানা গরুমহিষের ক্লান্ত ক্ষুরের বিলম্বিত থুপথাপ, তাদের গলায় বাঁধা পেতলের ঘণ্টির বিরামহীন টুংটুং। অথবা ঘরের দরজায় হাল্কা কাঁপন তুলে দূরগামী রাতের ট্রেনের ক্রমম্লানমান দীর্ঘ হুইসেল। এ সবই ছিলো সেই ক্যাসেটের গানগুলোর অনিবার্য অনুষঙ্গ।
মিতালীর সেই গানটি আর কখনো কোথাও শুনিনি; অথচ এতোদিনে ভুলেও যাইনি! দেশে-বিদেশে যেখানেই থাকি, জানালার বাইরে শীতার্ত রাত দেখলে কেন যেন এই গানটির কথাই বড় বেশি মনে পড়ে। সেই লিরিক, বিষণ্ণ সুর; পাশাপাশি সেই ক্যাঁচকোঁচ, থুপথাপ, টুংটুং, কু-ঝিকঝিক... ...
২.
পোস্টটা আসলে গানবিষয়ক না। ট্যাগ নিয়ে ইদানিং চতুর্দা/চতুর্দি হাল্কা ঝাড়ি দিচ্ছেন, সেজন্য উপরে এতো কথা পাড়তে হলো! "হেল্পান প্লিজ, একটা গানের লিঙ্ক চাই" মার্কা পোস্ট দেখলে যারা বিরক্ত হন, সেইরকম আঁতেলরাও আশা করি এতোদূর পর্যন্ত পড়তে আসছেন না। এইবার আরামসে আসল কথায় আসা যায় :cool:
যদি আমি লেখক হতাম, তাহলে কী হতো?
এই প্রশ্নটা মাথায় আসার কারণ হলো সম্প্রতি জনৈক শ্রদ্ধেয় শুভানুধ্যায়ীর কাছ থেকে পাওয়া একটি বার্তা। তিনি একজন গুণী লেখক; আরেকটু ভেঙে বললে কথাসাহিত্যিক। বিদগ্ধ সমালোচকও বটে। ঘটনাচক্রে আমার দু-তিনটি হাবিজাবি গল্পপ্রচেষ্টা পাঠ করেছেন। ফেইসবুকে আমার বন্ধুতালিকায় মোটামুটি প্রায় সবাই-ই ব্লগার; স্বাভাবিকভাবে সেখানে আমার "অ্যাকটিভিটি" ব্লগাব্লগিরই এক্সটেনশন বলা চলে। এটি সম্ভবত তাঁর পছন্দ হয়নি। মৌলিক লেখালেখি না করে এভাবে চললে আমার আর লেখক হয়ে ওঠা হবে না, ব্লগারই থেকে যেতে হবে; তাঁর সংশয়জাত আক্ষেপ অথবা আশঙ্কা সেরকমই।
বাংলা ব্লগগুলোতে কিছু ব্লগার, যারা শুধুমাত্র ব্লগেই লেখেন তাদের কথা বলছি, বেশ ভালো লেখেন। মুদ্রিত মাধ্যমে যেমন সাময়িকপত্র অথবা ছোটকাগজে প্রকাশিত লেখার সঙ্গে তুলনা করি বা না করি, আমার ধারণা এদের লেখার উচ্চমান নিয়ে কোনো সংশয় নেই। বলার অপেক্ষা রাখে না যে নিজেকে এই দলভুক্ত মনে করি না; সেটি বিনয়বশত নয় বরং নিজের সক্ষমতার সীমা সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা রাখি বলে। ব্লগার-কাম-অলেখক পরিচিতি নিয়ে আমার বিন্দুমাত্র অস্বস্তি অথবা আক্ষেপের বোধ নেই। তবু অগ্রজ শুভাকাঙ্ক্ষীর কথায় একটু চিন্তাভাবনা করি।
যদি আমি লেখক হতাম তাহলে কী হতো-- এটা বলার আগে ভেবে নেয়া দরকার লেখক হতে হলে কী করতে হবে। অন্তত দু-একটি প্রকাশিত বই থাকতে হবে। মৌলিক অথবা গবেষণাধর্মী কোনো কাজ। গবেষণার বিদ্যাবুদ্ধি ঘটে নেই, ক্রসফায়ারে দিলেও আঙুল গলে কবিতা বেরুবে না। কাজেই গল্প সংকলন অথবা উপন্যাসের চেষ্টাচরিত্র করে দেখা যেতে পারে। প্রথম বইয়ের প্রকাশকের স্ত্রীকে কোনোমতে ভজিয়ে-পটিয়ে কোনো এক বইমেলা উপলক্ষে সেটা ছাপিয়ে ফেলাও অসম্ভব না। তারপর কী হবে? ইউরেকা, এখানেই পাচ্ছি গোড়ার সেই প্রশ্নের উত্তর!!!
১. বইমেলার ৩য় সপ্তাহ পর্যন্ত অদিতি আর রশীদা প্রতিদিন একাধিকবার প্রকাশকের স্টলে ঘুরে জানবে বই আসেনি। বিরক্ত হয়ে আর মেলাতেই যাবে না। চট্টগ্রাম থেকে তারার হাসি, নোয়াখালী থেকে মুকুল, আর সিলেট থেকে সুরঞ্জনা আপাও মেলায় বেড়াতে গিয়ে একবার করে খুঁজে যাবে, বই পাবে না।
২. চতুর্থ সপ্তাহে মেঘ আর ভেবু গিয়ে শুনবে বই যা এসেছিলো সবগুলো একজন ক্রেতা নিয়ে গেছেন। আর কোনো কপি আসবে না। সেই তথ্য অনীকও সার্টিফাই করবে।
৩. মামুনভাই তাইওয়ান থেকে জানাবেন, অনলাইনে বই কেনার সাইটটিতে আমার বইয়ের খোঁজ নেই।
৪. নীড়দা চট্টগ্রামের 'বিশদ বাঙলা'য় গিয়ে জানবেন, আলম খোরশেদ ভাই কুড়ি কপি বই আনিয়েছিলেন, আমার মা সবগুলো নিয়ে গেছেন। আলমভাই একটু দূরে সরে গেলে কাউন্টারে বসা বাবু ফিসফিসিয়ে বলবে, "ব্লগারের বই, বুঝলেন ভাই, কেউ কেনে না!" 
৫. বীর চট্টলার সংগ্রামী জনতা তথা সৈকত, তাপুদা, বীথিদের একটা দল আমাদের বাসায় বেড়াতে যাবে, মা তাদের হাতে চায়ের কাপের সঙ্গে এককপি করে বই গছিয়ে দেবেন। পরে দেখা যাবে, যাবার সময় সঙ্গে করে বই নিতে ভুলে গেছে তারা।
৬. বইটির কোনো রিভিউ কোথাও কেউ করবে না। শুধু ফ্ল্যাপ পড়ে আর দুচারপাতা উল্টিয়ে নবীন লেখককে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে মোরব্বা বানানোর মহান ব্রতধারীরা এর খোঁজই পাবেন না
লেখক হওনের কাম নাইক্কা, জয় বাবা ব্লগনাথ 
মন্তব্য
গানের লিঙ্ক আর কেউ দেবে।
আমি অপেক্ষায় আছি সেই প্রথম বইটার রিভিউ লিখবার প্রত্যাশায়!
[আমার রিভিউ খুব কাজে লাগে, বইমেলা শেষ হবার আগেই প্রথম মুদ্রণ শেষ হয়ে যায়]
লেখকের মন্তব্য
হুদাভাইয়ের রিভিউ পাবার জন্য হলেও বই লিখতে হবে। আচ্ছা, এক কাজ করলে কেমন হয়? পাণ্ডুলিপি আগেই আপনাকে পাঠিয়ে দিলাম, ভুলচুকখুঁত সব বই বেরুবার আগেই ধরিয়ে দিলেন :cool:
তখন আর নিন্দামন্দ করতে পারবেন না
পাঠাও, পাঠাও, আজি পাঠিয়ে দাও। ভূমিকা, ঋণস্বীকার, টীকা-টিপ্পনীসহ পাঠিয়ে দাও। বইয়ের কোথাও আমার নাম না-থাকলে রিভিউ দিতে পারবো কোন দ্বিধা না-করেই, আর তাতে থাকবে শুধুই গুণকীর্তন। বইয়ের কাটতি? তা আর বলতে!
নাজমুল ভাইয়ের সাথে একমত। ৬টা সম্ভাবনার কয়টাতে টিকচিহ্ন পড়ে- তা দেখার জন্য হলেও একটা সংকলন বা উপন্যাস লিখে ফেলা দরকার। অপেক্ষায় আছি।
লেখকের মন্তব্য
৬টাতেই টিক পড়বে মামা
লেখার হাত খারাপ হলেও হুদা ভাইয়ের পরে আমি রিভিউ লিখব, তা যদি নয়াদিগন্ত মারকা হয়ে যায় হবে। সব রকমের পাঠক প্রয়োজন আছে।
বলার অপেক্ষা রাখে না যে নিজেকে এই দলভুক্ত মনে করি না; সেটি বিনয়বশত নয় বরং নিজের সক্ষমতার সীমা সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা রাখি বলে।এটা আমি মনে করি না , সাময়িক ভালো ব্লগারদের মধ্যে আপনি অন্যতম। যাই হোক সামনে বই মেলার অপেক্ষায় থাকলাম।
লেখকের মন্তব্য
আপনার কিবোর্ডে ফুলচন্দন পড়ুক
আপুনি এইটা কিছু হইল
তোমার ভই বের হলে একুয়াই এসে অনেকগুলো কিনে নিয়ে যাবে।
লেখকের মন্তব্য
ভৈ-ই বাইর করা লাগপো রে বৈন
নুশেরা আপু আপনার জন্য, ভাল থাকবেন
লেখকের মন্তব্য
এটা দিলো কে? কাঁকন নাকি???
======================================
অনেক অনেক অনেক থ্যাঙ্কু গানটার জন্য। মূল শিল্পীর গাওয়া না হোক, পুরোটা তো শুনলাম, কতো বছর পর! অনামিকা বৌদি চমৎকার গান করেন। জয় বাবা আন্তর্জাল!!
না, আমি কাকন না, মেলবোর্ন থাকি, আপনার লেখার দারুন ভক্ত । আপনি মেলবোর্ন থেকে অনেক লেখা লিখতেন, May I have ur mail add so can I mail u my details, if u dont mind, ta.
লেখকের মন্তব্য
আপনি এখানে অ্যাকাউন্ট খুলে লিখুন না!
মেলবোর্নে থাকেন, আহা, বড় স্মৃতিময় শহর!
ভালো থাকুন সব সময়।
bdautism@gmail.com
গানটার কথা কৈয়া উদাস কৈরা দিলেন
এটা আমি ক্লাশ ফোরে থাকতে শুনসি প্রথম। আমার এক কলেজপড়ুয়া কাজিন সারাদিন গাইতো। লিংক কি পামুনা?
কাকতালীয় ব্যাপার হৈলো, আমি আজকেই ভাবতেসিলাম আপনাকে বলব আপনার মূলধারার সাহিত্যে সিরিয়াসলি লেখালেখি করা উচিত। বই বের কর্লে এই লেখাটা কিন্তু অবশ্যই দিবেন। খুবই হাইস্যরসাত্মক লেখা।
লেখকের মন্তব্য
লিঙ্ক তো উপ্রে একজন দিলো, আলামতে মুনৈলো আম্রার গোল্লাকাক্না!
উল্টাপাল্টা চিন্তাভাবনা বাদ্দিয়া সিরিয়াসলি লেখো। মূলধারার উনাদের হামাধারা টের পাওনের দরকার আছে।
আমি এই মাত্র গানের পোস্ট ড্রাফটে রেখে এলাম। গানের লিঙ্কু দিলে গানের কথা তো দিতে পারিনা। আর যদি সব ভিডিও দেই তাহলে তো ইহজনমেও আমার পোস্ট ওপেন হবেনা। কি করি বলতো?
তোমার বই বের হলে আমি তো কিনবই, সাথে সাথে ফেসবুক আর ব্লগে তোমার বইএর প্রশংসা করে করে পোস্ট দিয়ে ভরিয়ে দিবো।
নুশেরা তুমি এগিয়ে চলো, আমরা(ব্লগাররা) আছি তোমার সাথে।
লেখকের মন্তব্য
তোমার গানপোস্ট দারুণ হয়েছে, এতো চমৎকার বাছাই!
আরে বলো কী, এতো কাণ্ড করবে, তাহলে তো বই বের করতেই হয়
http://www.esnips.com/doc/1e5c8ed1-74a6-43b0-9b68-c39b49decc3f/Ki-bhule-bhul-bujhechho_Mitali-Mukherjee
উপরের গানটা লাইকিট করলাম
http://www.esnips.com/web/Bangla-MitaliMukherjee?docsPage=2#files
এইখানে অনেক গান আছে - গানের শিরোনাম দিলে খুজতে সুবিধা হতো
মিতালী মুখার্জীরে দেখে আমি তো পুরাই
=========================
সবার নাম আইলো আর আমরা কি করলাম

দাড়ান আপনার বই ফর্দা ফাই সমালোচনা করতে হপে - একদম চুলচেরা বিশ্লেষন(পঁচানী) যারে বলে
==========================
আমি মনে করি যারা সিরিয়াস লেখালেখি করে তাদের অচিরে ব্লগে চলে আসা উচিত -
ব্লগে একটা লেখা ছড়িয়ে যেতে ১ দিন সময় লাগে সেটা বই ১ বছরেরও পারবে না।
পুরো প্রক্রিয়াই তো স্লো -
বই কিনতে যাও রে -
বই কিনো রে -
বই পড়ো রে -
তারপর প্রতিক্রিয়া জানাতে আবার কাগজে লেখা লেখো রে
অনেক স্লো
ভবিষৎ এ ব্লগেই মানুষ আগে লিখবে - পড়ে বই টই লিখবে ।
সুতরাং বই এর লেখক হয়ে আত্মপ্রসাদ পাওয়ার কোন কারন নাই।
তবে আমরা যারা বই পড়ে বড়ো হয়েছি - তাদের বই এর প্রতি - বই এর লেখক হবার প্রতি
ফ্যাসিনেশন আছে -
সেটা স্বার্থক করার জন্য লিখলে লিখা যেতে পারে
স্বীকার করি একসময় বই এর লেখক হবার চিন্তা করতাম - স্বপ্ন দেখতাম -
এখনও দেখি - তবে কম --
ব্লগ লিখে আমি তৃপ্ত -
বই লিখলে আমার লেখা এতও হাজার জন পড়তো কিনা সন্দেহ আছে ।
তবে আপনি যে মাধ্যমেই লিখেন ভালো করবেন - সেটা নিয়ে কোন দ্বিমত নাই - বিশাল ব্লগ বাহিনী আছে আপনাকে সাপোর্ট দেয়ার জন্য ।

নিজেদের লোক বলে কথা
লেখকের মন্তব্য
মিতালীর চেহারা তার কণ্ঠের মতোই ধ্রুপদী ঘরানার।
===========================
পচানি এম্নেও দিবেন ওম্নেও দিবেন তাই আর কষ্ট কৈরা নাম লৈলাম্না
===========================
ব্লগারদের সদিচ্ছা আর সাপোর্টে সামাজিক আন্দোলনের মতো বড় ব্যাপারও ঘটতে পারে; লেখালেখি বা বইয়ের প্রচার তো সামান্য বিষয়। অটিজম নিয়ে লেখাগুলোর প্রচারে ব্লগারদের সমর্থন-সহযোগিতার প্রমাণ আমি বহুবার পেয়েছি।
============================
ব্লগের শক্তি নিয়া কোনো সন্দেহ নাই, পুলাপানের দুইদিনের খেয়াল বৈলা এইটারে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করার দিন গেছে গা। বড় দৈনিকের ফিচার বা ফান ম্যাগাজিনে দেখবেন ব্লগের কমেন্ট থেকেও আইডিয়া নেয়া সারা। আজকাল বুদ্ধিমান লেখকদের দেখেন, ব্লগে একটা অ্যাকাউন্ট খুলে রাখতেছেন। কেউ কেউ ভাবগাম্ভীর্য বজায় রাখেন; ভারিক্কি ব্লগের বাইরে নড়েন না। কেউ কেউ আবার বলেকয়েই দেন যে উনাদের আসল লেখালেখি ব্লগ-মাধ্যমে নয়। কেউ বড়জোর পৃষ্ঠকুণ্ডয়ন-সায়রে কিছুক্ষণ স্পা নিতে আসেন, শংসাবচনমূলক কিছু বখশিশও দিয়া যান।
লেখার সমালোচনা মানে কি পঁচানি, আসলেই? আমার তো মনে হয় আমার লেখার জন্যে যারা সবচেয়ে বেশি কেয়ারিং তারাই পঁচায় আমাকে। সে অর্থে আপনাদের দু'জন-ও আমাকে কম পঁচান না। আর সেটা আমি খুব এ্যপ্রিশিয়েট-ও করি। লেখাটা পড়ে অনেক কিছু বলার ইচ্ছা ছিল কিন্তু আপনাদের কমেন্ট দু'টা পর্যন্ত এসে সামুর অহেতুক মুখচাপা খোঁচাখুঁচি মনে পড়ে গেলো। আপনার থেকে এমন আশা করি নি।
আর শেষ প্যারার কথাটার সাথে আরো অনেক ইনটেনশন মনে পড়ে গেলো আমার। ব্লগিং করতে যে যেই উদ্দেশ্য নিয়ে আসুক সেটার সাফল্য ব্লগারদের উপর নির্ভর করে। সেলিব্রিটি হতে আসা লেখকদের দেবতা বানায় ব্লগাররাই। অনেকে তাদের সহজাত মিশে যাওয়ার গুণ থেকেও প্রিয় হয়ে উঠেন। ওটা আমি এ্যপ্রিশিয়েট করি। কোন লেখক যদি তার উচ্চতা না মেপে বিনয়ী হন তবে সেটা প্রশংসা করার-ই যোগ্য। আর কোন একজন পেশাদার লেখকের "পঁচানী" থেকেও নিজের লেখা অনেক ম্যাচিওরিটি পায়। আমি নিজে যতটুক যাই লিখি, মানুষের ক্রিটিসিজম বা এ্যপ্রিসিয়েশনের জন্যেই লিখি। আমার নিজের অহেতুক প্রশংসা আর সমালোচনার মধ্য পার্থক্য করার মতো মাথা আছে। অহেতুক প্রশংসাকারী এমন উত্তর পান আমার কাছে যে দ্বিতীয়বার আসেন না আমার ব্লগে।
আমি এ ব্লগে লেখার পর অনেকের মনে এসেছে যে আমি এখানে সুবিধাভোগ করার উদ্দেশ্যে এসেছি। আপনার কথা বলছি না, তবে অনেকেই বলেছে। আমি নিজেই এখানে কোনো আনফেয়ার সুবিধা পেলে লেখা বন্ধ করে দেবো।
আমি এখানে এতো কথা বললাম তার একটাই কারন। কাউকে ট্যাগ করে কথা বলাটা আমার অসম্ভব বিরক্ত লাগে। সেটা যে-ই বলুক। এটার বিরোধিতা আমি সবসময় করে যাবো। যদি কারো বিষয়ে কথা থাকে, গাটস নিয়ে নাম নিয়ে বলুন। লুকিয়ে-মুখ চেপে না। ওটা খুব বেশি অরুচিকর, যা আপনার সাথে মানায় না। বিষয়টা ব্লগের একটা অসুখের মতো, যেটার নিরাময় আমি অনেকদিন থেকে খুঁজছি।
আমার কথা পারসোনালি না নিয়ে ভেবে দেখবেন। সামহোয়্যারের কিছু অসুখের শক্ত প্রতিরোধ আমি চতুরে করবো। এখানে যদি ঐ অসুখগুলোর কোনো লক্ষণ দেখি তাহলে আমি প্রিভেনশনের চেষ্টা করবো। আফটার অল, প্রিভেনশন ইজ বেটার দ্যান কিওর।
ভাল থাকুন।
লেখকের মন্তব্য
'পচানি' কথাটা আরণ্যক ঠাট্টা করে বলেছেন, অন্তত ইমোর বহর দেখে আমি তাই বুঝেছি, আমার উত্তরটাও তার অনুগামী হয়েছে। এখানে সিরিয়াস সমালোচনার কোনো প্রসঙ্গ আছে কি!!
====================================
"সামুর অহেতুক মুখচাপা খোঁচাখুঁচি"...
"আরো অনেক ইনটেনশন"
"গাটস নিয়ে নাম নিয়ে বলুন"
একটু বেশি-বেশিই ভেবে/বলে ফেললে বোধহয়।
বাংলা কমিউনিটি ব্লগের সংখ্যা এখন অনেক, অনলাইন পত্রিকাও আছে। সেখানে নিবন্ধিত আছেন এরকম মূলধারায়-পরিচিত-নামের সংখ্যাও নেহাত কম না। বিরল ব্যতিক্রম বাদ দিলে সাধারণ ব্লগারদের লেখা, এমনকি ব্লগিং ব্যাপারটা নিয়েও তাদের অনেকের তাচ্ছিল্যের মনোভাব বিভিন্ন সময়ে প্রকাশিত। এখন খুঁজে খুঁজে লিঙ্ক বের করার সময় বা ধৈর্য নেই; যে সামুর কথা তুললে সেখানেও আছে এমন উদাহরণ। নিজের জন্মদিনে নিজেরই অন্য নিক থেকে শুভেচ্ছাবার্তা লেখা, নিজের লেখায় নিজেরই অন্য নিকে পিঠ চাপড়ে যাওয়া লেখক-ব্লগারদের পুরনো ব্লগাররা কমবেশি জানেন বলেই দেখেছি; নামগুলো আলাদা করে উল্লেখ না করাটা ব্লগীয় অসুস্থতা-- এটা জানা ছিলো না (কে জানে, নাম নিলে আবার ব্যক্তি-আক্রমণমূলক আখ্যা জুটতো কি না)! অশেষ ধন্যবাদ এই তথ্য জানানোর জন্য। যাই হোক, আমি কিছু পরিচিত ট্রেন্ডের কথা উল্লেখ করেছি, কে কোথায় কেন ফেয়ার বা আনফেয়ার সুযোগসুবিধা পান-না-পান, সে সম্পর্কিত জ্ঞান আমার নেই।
অল দ্য বেস্ট ফর ইয়োর মিশন-প্রিভেনশন! ভালো থেকো।
ওহো, চতুরে আমার ব্লগে স্বাগতম
ঠাট্টা জিনিসটার একটা লাইন মেনটেনেন্সের প্রয়োজন আছে। অনেকেই লাইনের বাইরে অনেককিছু বলে একটা কথা বলে দেন যে তারা ঠাট্টা করছেন।
মূলধারায় যারা লেখেন তাদের কয়েকজনের সাথে সখ্যতা আছে আমার। সবাই বলছি না তবে কয়েকজন আমাকে মূলধারায় লিখতে বলেছেন কারন তাতে ম্যাস একটা সেগমেন্টের কাছে প্রকাশ পায় লেখাটা যেহেতু ব্লগ এখনো সবার কাছে সেভাবে পৌঁছোয় না। ব্লগে অনেকেই (মূলধারার লেখক বা সেলেব্রিটি ব্লগার) দেবতা স্ট্যটাস পেতে দেরী করে না। ব্লগাররাই তাদের সেই আসনে নিয়ে যান আর তারাও সেটা আমূল উপভোগ করেন। আমি আপনার প্রতি সম্পূর্ণ সম্মান রেখে কিছু প্রশ্ন করতে চাই। "বলার অপেক্ষা রাখে না যে নিজেকে এই দলভুক্ত মনে করি না; সেটি বিনয়বশত নয় বরং নিজের সক্ষমতার সীমা সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা রাখি বলে।" - আপনি এখন প্রতিটা ব্লগেই খুব পরিচিত একটা নাম, আপনার ফ্যান পেইজ আছে, সামনে আপনার আরো বই আসবে (আমি চাচ্ছি আসুক), ব্লগে এসে আপনি যেই হুমড়ি খাওয়া শুভেচ্ছা পান সেটা আর কেউ পেয়েছে বলে আমার মনে হয় না। আপনাকে সেলেব্রিটি ব্লগার বলতে শুনেছি অনেকবার অনেককেই। আপনিও নিশ্চিত শুনেছেন। আপনি এই বিষয়গুলো উপভোগ করছেন না? থামিয়ে দেন নি কেন প্রশংসাগুলো? একসময় আপনিও বলবেন ব্লগের চেয়ে ঐ মাধ্যমটা অনেক শক্তিশালী। কারন বাস্তবিক-ই এখনো তাই। তবে ব্লগকে উপেক্ষা কোনোভাবেই করা যায় না। কিন্তু আমার চোখ আঁটকে গেলো এই কথাটায় : "কেউ বড়জোর পৃষ্ঠকুণ্ডয়ন-সায়রে কিছুক্ষণ স্পা নিতে আসেন, শংসাবচনমূলক কিছু বখশিশও দিয়া যান।" আপনি যেসব ব্লগারদের [নিজের লেখায় নিজেরই অন্য নিকে পিঠ চাপড়ে যাওয়া লেখক-ব্লগারদের পুরনো ব্লগাররা কমবেশি জানেন বলেই দেখেছি] কথা বললেন তারা অবশ্যই ধিক্কারের যোগ্য। কিন্তু যারা সত্যিকারের ভাল লেখেন আর প্রশংসা দিয়ে থাকেন তাদের বা তাদের পাঠকদের-ও ছোট করা হলো কথাটায়, যেহেতু আপনি ব্যক্তিবিশেষের নাম নেন নি। মেইনস্ট্রিমের সবাইকে জেনারালাইজড না করলেও পারতেন।
আমি ব্যক্তি আক্রমন যেমন চাই না। তেমনি চাই না কোনো বিশেষ গ্রুপ আপনার বলা মানুষগুলোও সুবিধা পাক তাও চাই না। তাদের সেক্ষেত্রে সরাসরি বলা উচিৎ যে অবান্তর এ্যটিচুড বন্ধ করতে। সরাসরি যদি একটা কুকর্মের পেছনে লাগা যায় তাহলে কোন অপরাধী-ই দাঁড়াতে পারে না, যদি সে সত্যিকার অর্থেই অপরাধী হয় তো। পোস্ট না দিয়ে লোকটাকে ঐ সময়েই ধরা যায় যখন সে পপুলার হওয়ার জ্বরে আক্রান্ত। মকারি বা ফান করে মানুষকে লাইনে আনা যায় না। তাতে তাকে আরো প্রায়োরিটি দেয়া হয়। এটা আমি ভাবি। আপনি অনেক ভাল লেখেন, ব্লগার হিসেবেও আপনার অনেক সুখ্যাতি আছে। আমি অযথা প্রশংসা দিচ্ছি না। নিশ্চিত জেনেই বলছি কথাগুলো। আপনি আপনার ফলোয়ারদের নিয়ে অনেক ব্লগীয় অন্যায় রুখে দিতে পারেন। সেই শক্তি আপনার আছে। সেটা না করে এই মকারিটা আপনাকে মানালো না। এটুকুই বলতে চেয়েছি।
সুবিধার কথা আমি কেন বলেছি সেটা যার উদ্দেশ্যে বলা তিনি বুঝে নেবেন। ওটা আপনার জন্য না এটা আগেও বলেছি। তবে আমার কথা হলো জেনারেলাইজ না করে, স্পেসিফিক কথা বললে অনেক বিষয়-ই পরিষ্কার হয়ে যায়। সমস্যার সমাধান-ও হয় মাঝে মাঝে।
ভাল থাকুন।
লেখকের মন্তব্য
"উপভোগ" করারও কিছু নেই, বিরক্ত হবারও না। ভার্চুয়াল একটা জগতে শুধু নামে বা লেখায় চিনে নিঃস্বার্থভাবে আমাকে মনে রাখছেন এবং প্রকাশ করছেন, তাকে এমন কোনো উত্তর আমি দেবো না যাতে তিনি আঘাত পান। এই পোস্টেই ব্লগার নন, এমন একজন অনামী অতিথি পাঠক মন্তব্য রেখে গেছেন, গানের লিঙ্ক দিয়ে গেছেন। ভেরিফিকেশনের ঝামেলা সয়ে দুটো বাড়তি কথা বলে গেছেন। গানটির উপভোগ্যতার বিচার করা যায়, তার অনুভূতিজাত সহৃদয় মন্তব্যটির কোনো বিচার চলে না। আমি তাকে এও বলবো না যে আমার সব লেখায় গিয়ে কমেন্ট দিয়ে আসেন, অথবা এমন কোনো উত্তর দেবো না যাতে ভবিষ্যতে দ্বিতীয়বার তিনি আমার ব্লগে না আসেন। "হুমড়ি-খাওয়া শুভেচ্ছা" কথাটিতে আহত বোধ করছি। এখানে বেশিরভাগই আমার ছোটভাইবোন এমনকি সন্তানতুল্য।
==========================
কীভাবে থামানো যেতো? ব্লগের মাথায় নোটিস টাঙিয়ে? "এইখানে কোনো প্রশংসা চলিবে না। আপনার প্রশংসার অর্থ হইলো উদ্দেশ্যমূলক মিথ্যাচার"-- এইটাইপ কিছু? নাকি ওসব মন্তব্যের উত্তরে "খামোশ!" লিখে?
তোমার সুবিধার্থে বলে নিচ্ছি এই উত্তরটা ঠাট্টা করে দেয়া। তোমার প্রশ্নটিকেই সিরিয়াস ভাবতে আমার সমস্যা হচ্ছে।
=============================
আমি কোন্ সময় বললাম যে ঐ মাধ্যমটার (মুদ্রণই তো?) শক্তি কম?
=============================
"কেউ কেউ" বলে দিলাম, তারপরও জেনারালাইজ কীভাবে করলাম?!!
==============================
তোমার অবগতির জন্য বলছি, সামুতে বাবুয়া/হাসিব/জুলভার্ন/গণজেনারেল/ব্যান ইস্যুতে কর্তৃপক্ষীয় অবস্থানের বিরুদ্ধে আমার সাধ্যমতো কিছু করার চেষ্টা করেছি। এর জন্য প্রায় মাস আটেক সেখানে আমার প্রবেশাধিকার ছিলো না। চতুরেও আপত্তিকর কন্টেন্ট বা টোন চোখে পড়লে চুপ করে থাকিনি বলেই মনে পড়ে। তবে ব্লগীয় যে কোন অবস্থাতেই "ফলোয়ার"(?)দের নিজের মতের পক্ষে টেনে আনা সমীচীন নয়; সবারই নিজ নিজ বিবেচনাবোধ আছে।
=======================
যার জন্য বলা, তাকে উদ্দেশ্য করে যথাস্থানে বললেই যথাযথ হতো। আফসোস, স্পেসিফিক হওয়ার পক্ষে অ্যাডভোকেসি করা কাউকে এটা বলে দিতে হলো।
প্রশংসার অর্থ আমার কাছে ধনাত্মক-ই ছিল সবসময়। প্রশংসা-র আরেকটা অর্থ আপনার থেকেই শোনা। "শংসাবচনমূলক কিছু বখশিশও দিয়া যান।" এক্ষেত্রে আপনার মেনটোরিং-এই বুঝলাম যে বিষয়টা কিছুটা হলেও মিথ্যাচার। প্রশংসা আপনি যেভাবে নিচ্ছেন বা দিচ্ছেন সেভাবে অন্য-ও নিতে বা দিতে পারে। এক্ষেত্রে টিজিং-টা কেমন না?
এখানে জেনেরালাইজড হয়েছে কথাটা এরপর বলেছেন "কেউ কেউ" , যার অর্থ "সবাই"-তেই গিয়ে দাঁড়ায়।
সেই বিবেচনা বোধ থেকেই তারা এগিয়ে আসবে। আপনি আপনাকে কোন অবিবেচনা করার মতো কাজে একজোট করতে বলি নি। যাহোক, আপনি কি করছেন বা করবেন সেটা আপনার বিষয়। আমার পয়েন্ট ছিল মকারি বন্ধ করে বিষয়টার প্রতিকার প্রসঙ্গে।
আপনাকে যা বলেছি তার কোনো অংশ-ই ধোঁয়াটে ছিল না। স্পেসিফিক্যালি-ই বলেছি। আর এখানে চতুরের মডারেটররা নীতিমালা বানিয়েই উধাও হয়ে যান। সাধারণ ব্লগাররা তাদের জায়গায় এসে নীতি বলে যান। যেখানে নীতি লঙ্ঘন হয়নি সেখানেও অহেতুক খবরদারী কমে না। উল্টো অনেক ইঙ্গিতবাহী কথাও সহ্য করতে হয়। এজন্যে তাদের খুঁজে-পেতে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিতে হয়। এটাই স্পেসিফিসিটি। যেখানে তাদের থাকার কথা সেখানে খুঁজে পেলে তাদের গোরুখোঁজা করে "অবান্তর" কথা বলতে হতো না। আপনার ব্লগপোস্টে কথাটা উত্থাপন করায় আমি দুঃখিত। তবে কথাগুলো তাদের শোনা প্রয়োজন ছিল।
লেখকের মন্তব্য
শেষবারের মতো অনুরোধ, আমার ওই মন্তব্যটিকে যেন জোর করে "জেনারালাইজ" করানো না হয়; অপ্রযোজ্য কারো ওপর টেনে চাপিয়ে দেয়া না হয়।
এই থ্রেডে এটিই আমার শেষ মন্তব্য।।
শুভেচ্ছা।।।
আমার পচানীর কথাটা ঠাট্টা করে বলা।
আমার স্মৃতিতে তোমাকে পচানির বা সমালোচনার কথা মনে পড়েছে না।
আমার কমেন্টে কোন মুখচাপা-মুখখোলা খুচাখুচি ছিলো না।
এসব যারা বলে তারা ভুল বলে। এটা আমি ক্লারিফাই করতে পারি। এটা খোলাখুলিই বলা উচিত। যারা এসব বলে তারা যেনো প্রমান দিয়ে যায় আনফেয়ার সুবিধা নেবার কথা।
আর একটা ব্লগে আনফেয়ার সুবিধা নেবার আছেই বা কি?
ব্লগ লিখে টাকা কামানো যায় - না ক্ষমতা পাওয়া যায়?
=========================================
শেষে অংশটা পরিস্কার হলো না । আমার মনে হচ্ছে এখানে কোন ভুল বোঝাবুঝি হচ্ছে।
নুশেরা আপু কমেন্টে আমি যেটা বুঝেছি সেটার অন্তর্নিহিত কোন মানে খুজে নিতে পারি নাই -
হ্যা এমন লেখক আছেন - থাকতে পারেন।
মনজুরুল হকই এমন অনেক কথা লিখেছেন - নিজের অন্য নিকে পিঠ চাপরেছেন।
অন্য কেউ থাকলে সেটা জানি না।
তবে ঝড় কাউকে গাটস নিয়ে নাম নিতে বলার সময় - তোমার মনে হয় না তুমি ভুল বুঝছো কিনা সেটা ক্লিয়ার করে নেয়া দরকার?
আমি তোমার জায়গায় হলে সহজে জিজ্ঞেস করতে পারতাম - আচ্ছা আপু আপনি কি কাউকে মিন করে কথাটা বলেছেন।
আর তুমি যদি ধরেই থাকো এখানে কাউকে ট্যাগ করে দেয়া হয়েছে - তাহলে সেটা বলে দিলেই হয়।
মিসআন্ডারষ্টান্ডিং হওয়ার আগেই এড়ানো - প্রিভেশনের মতো গুরুত্বপূর্ণ।
এটুক জায়গা ছাড়া আপনার বাকি উত্তরগুলো নুশেরা আপুকে দেয়া দ্বিতীয় কমেন্টে ক্লিয়ার করা আছে। আমার তাঁর কি বিষয়ে আপত্তি সেটা সেকেন্ড লাস্ট প্যরায় বলেছি। আমার ব্লগে দেবতার খোলসে হাসান মাহবুবের কমেন্ট পড়লে বুঝতে পারবেন যে কি বিষয়ে সুবিধার কথা বলেছি। অনেকের ধারনা চতুর থেকে আমি এমন অনেক সুবিধা নিতে পারবো যে ধারনাটা ভাঙা প্রয়োজন। আমি ভুল বুঝে কমেন্ট করি না। বুঝে-শুনেই করি। তারপর-ও ক'শান দেয়ার জন্য ধন্যবাদ, আরণ্যক ভাই। ভুল যে কারোর-ই হতে পারে।
ভুল বোঝা যেমন খারাপ - অতিরিক্ত বোঝা আরো খারাপ ।
আমি হাসান মাহবুবের কমেন্টটা পড়েছি। সেটার উত্তরও পড়েছি।
হাসান মাহবুবের কমেন্টের সাথে নুশেরা আপুর এই পোস্টের সম্পর্ক কী ?
"আনফেয়ার" সুবিধা বলে যদি কিছু থাকে - সেটার অভিযোগকারি অনেক ভোগ করেছে ।
সেটা আমি ক্লারিফাই করছে উপরে তো বল্লাম।
যে অভিযোগ মিথ্যা তাকে পাত্তা দিলে - যা রটে কিছুটা বটে বানানো হয়ে যায় ।
হুট করে আনফেয়ার সুবিধার কথা বল্লেই সত্য হয় না।
সেটা তুমি জানো - আমি জানি ।
তোমার কমেন্টেও সেটা উল্লেখ করেছো।
ধারনা ভাঙার জন্য এই পোস্টটা বেছে নেয়া ঠিক হয় নাই - তোমার পোস্ট বা হাসান মাহবুবের পোস্টেই তুমি সেটা করতে পারতে।
আর বুঝে শুনে কমেন্ট করার সাথে ভুল বোঝাবুঝি হবে না এই ধারনা ভুল ।
ভুল বোঝাবুঝি যে কারো সাথেই হতে পারে। তুমি যদি নিজেকে ব্যতিক্রম ভাবো - তাহলে নিঃসন্দেহে তুমি আশ্চর্য ব্যতিক্রম।
বেশি বুঝে কমেন্ট করলে আরো অনেক কথাই বলতাম। এই পোস্টে আমি কিছু অভিযোগ করেছি। তার সাথে আমার প্রসঙ্গ যেটা ছিল সেটাও বলেছি। নুশেরা আপুকে যা বলেছি সেটা তার জন্যে ছিল আর যেটা আপনাকে বলেছি সেটার কনভার্সেশন আপনার সাথেই চলছে। সুতরাং আমি ভুল বুঝে করি নি। যারযার ম্যাসেজ তার কাছেই গেছে। অবান্তর আমার নিজের বিষয়টা মনে হতে পারে কিন্তু সেটা যেহেতু আপনার চোখে গেছে সেহেতু বিষয়টা অবান্তর না।
দ্বিতীয়ত: কোন অভিযোগ মিথ্যা? যেটা আমি পাত্তা দিয়েছি? পরিষ্কার হলো না।
তৃতীয়ত: আমার পোস্টে কোন মডারেটর এসে হা,মা, কে বলেছেন যে তিনি যে ইঙ্গিত দিচ্ছেন যেটা ভুল? আমি এখন আলাদা পোস্ট দিয়ে কাঁদুনী গাইবো? না তার সাথে যুদ্ধে যাবো?
ভুল বোঝাবোঝি হতেই পারে সেটা তো আমি বলেছি-ই আমার কমেন্টে। আপনি হয়তো অতিরিক্ত রাগে উত্তেজিত দেখে ওভারলুক করছেন। পড়ে দেখুন। আমি কোনো এক্সেপশন না। আমি মহা সাধারণ ব্লগার, যে সুস্থ ব্লগিং করার জন্য একটা সাইট চায়। সেখানে যদি অভিযোগ থাকে তো সেটাও করি। আর সেটা অবান্তর অভিযোগ না।
আমি নুশেরা আপুকে যা বলেছি তার আলোচনা তার সাথে হচ্ছে। আপনি আপনার পয়েন্ট বলুন। উনাকে উনি নিজেই ডিফেন্ড করতে পারবেন। উনি থামিয়ে দিলে আমি কনটিনিউ করতাম না কথাগুলো।
ভুল বুঝে করোনি মানে কী ?
ঠাট্টার ব্যাপারটা পুরোই ভুল বুঝলা।
ঠাট্টা কি কাউকে বলে কয়ে জমাখরচ দিয়ে করতে হবে ?
আমার ঠাট্টা করার কথাটা আমি বলেছি একভাবে তুমি ইন্টারপ্রেট করলে আরেক ভাবে।
ঠাট্টা করে বলা নির্দোষ কথার নানা রকম অন্তর্নিহিত মানে বের করা দেখালাম। কেন ?
ঠাট্টা করে বলা কথা এখন থেকে সবাইকে বুঝিয়ে বলার উপযুক্ত করে বলতে হবে দেখা যাচ্ছে ।
আর এখানে বোঝা যায় প্রিকনসিভড মাইন্ড নিয়ে এসে তুমি কমেন্টটা করেছো।
================================
যার যার মেসেজ তার তার কাছে গেছে ঠিক - গেছে ঘোলাটে ভাবে ।
রান্নার পোস্টে এসে মহাকাশ তত্ত্ব নিয়ে ভুল করার অভিযোগ তুললে যেমন হয় ঠিক তেমন লাগছে।
এই পোস্টের কোথায় হাসান মাহবুবের কমেন্টের সাথে তোমার কোন পোস্টের কি হয়েছে সেটার মিল আছে ?
অজায়গায় অপ্রয়োজনীয় ইস্যু তোলা দৃষ্টিকটু ঠেকে বটেই।
===============================
হামার অভিযোগ মিথ্যা ছিলো - সে ধারনা করেছিলো চতুরের কাছাকাছি হবার কারনে তোমার পোস্ট সরানো হবে না ।
মডারেটর নিয়ম মেনেই তোমার পোস্ট সরিয়েছেন -
সবার বেলায় একনিয়ম এটা প্রমান করার জন্যই ।
সেই কারনেই হামার অভিযোগ মিথ্যা প্রমান হয়ে যায় ।
এই ব্যাপারটা এতো তুচ্ছ - এটা নিয়ে হৈচৈ বাধানোর কোন কারন ছিলো না।
চতুর্মাত্রিকের পুরনো ব্লগার হিসাবে - আমাদের কাছের লোক হিসাবে তোমার কাছে এই সহিষ্ণুতা আশা করা হয়েছিলো ।
দেখা যাচ্ছে - সেটা ভুল ছিলো ।
হামা কমেন্ট করলো (কিছুটা হাল্কা চালেই) আপনার বেলায় পোস্ট সরানো হবে কিনা সেটা দেখার ব্যাপার।
মডারেটর পোস্ট সরালো - হামার অভিযোগ অবান্তর প্রমান করার জন্য ।
তুমি হামাকে কমেন্টে জানিয়ে দিলে তুমি কোন ফেবার নাও নি - বা স্পেশাল কোন ব্লগার না।
ব্যস আর কি ?
মডারেটর কেন হামাকে ভুল ইংগিত দিয়েছে কিনা সেটা বলবে ?
কারন দুইটা পোস্টের ব্যাপারটা আমি ধরে নিচ্ছি অনেষ্ট মিসটেক ছিলো তোমার পক্ষ থেকে।
পোস্ট সরিয়ে দিয়েই তো সবার জন্য এক নিয়মের সামান্জস্য রাখা হয়েছে।
===================
আমি অতিরিক্ত রাগিনি - নম্রভাবেই তোমার কমেন্টের উত্তর দিয়েছিলাম ।
এখন তোমার বোঝা দরকার শক্ত কথার জবাবে শক্ত কথা আসে ।
এবং তুমি যেভাবে বলছো - সেই ভাবেই তোমার সাথে কথা বলা হবে এখন থেকে ।
================================
আমি কার পক্ষে কথা বলবো - কাকে ডিফেন্ড করবো - সেটার উপদেশ আমাকে দিবে না।
নুশেরা আপুকে করা তোমার কমেন্ট গুলো আমার ভালো লাগে নাই ।
মনে হচ্ছে অনেক কিছুই তুমি বলতে চেয়েছো সেটা বলতে না পেরে শুধুই মানুষকে আক্রমন করছো।
এতো কথা পেচ্যানো বাদ দিয়ে বলো কোন লেখক তোমার ঘনিষ্ঠ - কে তোমাকে কি বলেছেন?
স্পা করা প্রশংসাসূচকবাক্য দেখে কার অনেক রাগ হয়?
মেইনষ্ট্রিমের লেখকদের মধ্যে আমার আহমেদ মোস্তফা কামাল অনেক খাতির ছিলো - উনার প্রতিটা লেখা গোগ্রাসে গিলতাম ।
এখনো উনার সম্পর্কে নিউট্রাল ধারনা রাখি - যেহেতু আমি সেই পুরনো সম্পর্কের কথা মনে রেখেছি।
নুশেরা আপুর কমেন্টে জেনারাইলড লেখকদের কথা বলা হয়েছে।
তোমার যদি গাটস থাকে তাহলে ঝেড়ে কেশে বলো - এই খানে স্পেসিফিক কোন লেখকের কথা বলা হয়েছে। সেটা তোমার পছন্দ না হতেই পারে --
তোমাকে যতোটুকু দৃঢ়চেতা জানি -
সেখানে এটা আশা করতেই পারি --"আপনি অমুক লেখকের কথা বলেছেন - উনি এমন না - আপনার এই মকারিটা খারাপ লেগেছে"
সেটা না করে অহেতুক ঝড় তোলা বিব্রতকর - আর বিরক্তিকর ঠেকছে।
ইস্যু আসল জায়গায় সলভ না হলে মনে হয় অন্য জায়গায় এভাবে উঠে আসে। বুদবুদের মতো অনেকটা।
@ঝড়কণ্যা আপু, খুব সোজা ভাষায় বললে বলতে হয়ম নুশেরা'পুকে করা আপনার মন্তব্যগুলো একদম-ই ভালো লাগে নি। হামা ভাই এর মন্তব্যটা আমি দেখেছিলাম। ওটা অনেক হাল্কা চালে লেখা। আর সল্ভ হয়ে গিয়েছিল বলেই মনে করেছিলাম।
তারপর হঠাৎ এই পোস্টগুলো খুলে মন্তব্যগুলো পড়ে ভীষণভাবে হতবাক হয়েছি। নুশেরা'পুকে তিনমাস হলো চিনি। এতটুকু পরিচইয়েই জোর দিয়ে বলতে পারি আপু ভুল কিছুই বলেননি। আসলে, আমি আপনার কথাগুলোর মূল সুরটাই ধরতে পারলাম না। কী কারণে এত ক্ষেপলেন, তাও না।
সামুর ব্যাপার-স্যাপার আমার জানা নেই। তবে কিছুদিন বিভিন্ন ব্লগ ঘুরে যা বুঝেছি, চতুরের পরিবেশ সেরা।
অনেক্ষণ ধরে দেখলাম ঊশৃংখল ঝড়কন্যার বিশৃঙ্খলা। নুশেরা আপাকে ক্রমাগত আক্রমণ করে যাওয়া। সামান্য 'পঁচানি' কথাটার সূত্র ধরে অনর্গল তর্ক করে যাওয়া। অযৌক্তিক। খুবই অযৌক্তিক এবং উদ্দেশ্যমূলক। নুশেরা আপা অবশ্য আপনার প্রশ্নের জবাবগুলো খুব ভালো ভাবেই দিসে। তারপরেও কিছু বলি, আপনি অন্যায় রুখে দেয়ার ব্যাপারে হেনতেন কৈলেন, কারে? যারে কৈসেন তার ব্লগিং এবং আপনার ব্লগিং দুইটাই দেখসি গত আড়াই বছর ধৈরা। নুশেরাপা ব্লগার এবং মডারেটরদের সবরকম অনাচারের বিরুদ্ধে সবসময় কথা বলসে। আপনে কি কর্সেন? একবার কালপুরুষের একটা পোস্টে (মুছে ফেলা হয়েছে সেটা) দীর্ঘ দুইদিন ধৈরা হের লুলামির বিরূদ্ধে ক্যাচক্যাচ করা ছাড়া আর কী বীরত্ব দেখাইসেন যে এখন এত বড়মুখ কৈরা কথা কন?
হ করতে যায়া যে নতুন ক্যারফা বাধাইতাছেন, সামান্য কথার রেশ ধৈরা অনভিপ্রেত একটা পরিস্থিতির সৃষ্টি কর্তাসেন সেইটা বুঝতাসেন? এইখানে রেসিডেন ভাঁড় নাই, মডুদের মদদপুষ্ট মুখবাজরা নাই, এই মজার একটা পোস্টে নুশেরাপা আর আরণ্যকের সাথে আপনার বিতণ্ডা যে কেউ পছন্দ করেনাই সেইটা কমেন্টের ভোটিং দেখলেই বুঝতে পার্বেন।
আর আমি আপনারে ট্যাগিং কর্সি, আপ্নের লাগসে, লাগাটাই স্বাভাবিক। সেজন্যে স্যরি। তবে ব্যাপারটা চুকেবুকে গেছে বলেই জান্তাম। তার্পরেও এদ্দিন পর যখন প্রসঙ্গটা উঠাইলেনই, কয়েকটা বিষয় উত্থাপন করি।
মডুরা একই পৃষ্ঠায় দুইটা পোস্ট আসলে একেকজনরে একেকরকম সম্বোধন করে।
কাউরে, প্রিয় ব্লগার, কাউরে কোন সম্বোধন না কৈরাই, যাহোক সারমর্ম থাকে মূলত এই, যে প্রথম পাতায় দুইটা পোস্ট নিরুৎসাহিত করা হয়ে থাকে। সংশ্লিষ্ট ব্লগারের পুরোনো একটি পোস্ট সরায় দেয়া হৈলো। আপনের ক্ষেত্রেও নোটিশ আসছিলো, কিন্তু সেই নোটিশটা কই? ওই পোস্টে খুঁজে পেলামনা। নোটিশটা কতক্ষণ পরে আসছিলো? নরমাল সময়ের অনেক পরে। যখন একটা পোস্ট আপনার সরে গেসিলো, তখন। আর ভাষাও ছিলো ডিফারেন্ট। শেষে উল্লেখ ছিলো পোস্টটি আবার প্রথম পাতায় ফিরায়া আনা হবে। এক্সাক্টলি বলার উপায় নাই, যেহেতু সেই নোটিশ গায়েব। সবার পোস্টে নোটিশ থাকে, আপনেরটা গায়েব কেন?
তাইলে কি আপনি আনফেয়ার এ্যাডভান্টেজ পাইতাছেন? যদি পায়া থাকেন, আমার কথাগুলো যদি সত্যি এবং যৌক্তিক মনে করেন, তাইলে নিজের কথা রাখার জন্যে আপনার ব্লগিং ছাইড়া দেয়া উচিত।
এখন দেখার বিষয় আপনি কথা রাখেন, নাকি পিছলান নাকি প্যাচান।
শুভকামনা।
অশেষ ধন্যবাদ!
হাসান মাহবুবের কমেন্টে বড় করে একটা থাম্বস আপ দিলাম। ঊশৃংখল দিদির কমেন্টগুলো এক্স রে করেও সারবস্তু কিছু না খুঁজে পেয়ে এই অহেতুক খোঁচাখুঁচির মাজেজা অনুধাবনে যারপরনাই ব্যর্থ হইলাম। হিউস্টন, উই হ্যাভ গট আ প্রব্লেম
মামুন ভাই, আমার তো মনে হয়েছে খামাখা পায়ে পা বাঁধিয়ে ঝগড়া করার মত ব্যপারটা। আমিও হামা ভাইর কমেন্টে ভোট দিয়েছি।
সুস্থ মনোভাবের সবার কথার জিস্টটা তুলে ধরার জন্য থ্যাংস হামা ।
হামা আপনি যদি মনে করেন চতুরের সব নিয়ম কানুন জেনে বসে আছেন সেটা ভুল।
আর কাউকে প্রিয় ব্লগার হোক বা কাউকে কিছু না বলেই হোক এইটা কি খুব বড় ব্যাপার। নতুন একজন আসছে মাত্র একটা পোস্ট দিছে তাকেও দেখছি মডুরা প্রিয় ব্লগার বলে কিছু কথা বলছে তো তাতে কি হয়ে গেছে???
অন্যান্য কমেন্টের ব্যাপারে আমি আসলে কিছু বলছি না বা কিছুই হয়ত বলতাম না এখানে, কিন্তু আমার কথা হচ্ছে আপনি ঝড়কে উদ্দেশ্য বলছেন যে তাইলে কি আপনি আনফেয়ার এ্যাডভান্টেজ পাইতাছেন? যদি পায়া থাকেন, আমার কথাগুলো যদি সত্যি এবং যৌক্তিক মনে করেন, তাইলে নিজের কথা রাখার জন্যে আপনার ব্লগিং ছাইড়া দেয়া উচিত। আপনি কিন্তু কাউকে বলতে পারেন না তার ব্লগিং ছাড়া উচিত কি উচিত না। আমি নিজে যতটুক দেখছি সে কোন অতিরিক্ত সুবিধা পায়নি। আর আপনি নিজেও বা চতুরে কয়দিন আছেন? কতটুকু দেখেছেন?
আসার পর থেকেই দেখছি এর পোস্টে ওর পোস্টে কেবলি মডুরা এটা কেন করলো না ওটা কেন করলো না। ঠিক আছে আপনি অনেক ভালো ব্লগার আমারও পছন্দের ব্লগার কিন্তু তার মানে তো এই নয় ব্লগিং করতে গিয়ে এসব করতেই হবে?
@ নুশেরা,এই পোস্টে এসে অন্য পোস্ট নিয়ে কথা বলতে হচ্ছে বলে আমি দুঃখিত।
হামা, আপনি কাউকে ট্যাগ করবেন এবং গায়ে লাগার মতো কথা বলবেন তারপর কেমন করে আশা করলেন যে সেটা অটো মিটমাট হয়ে যাবে? অথবা এমন কোন খবর পেয়েছেন যে এটা মিটমাট হয়ে গেছে? ওখানে তো আপনিও কিছু বলেছিলেন বলে মনে পড়ে না।
আর ব্লগিং ছাইড়া দেয়া উচিত মার্কা কথাবার্তাও বিরক্তিকর। উদ্দেশ্যমূলক। কে কীভাবে ব্লগিং করবেন সেটা ঠিক করার দায় কি আপনার?
আপনি যদি এমন বলেন তবে আমাগো মতন বগারা (!) কি বলব!
লেখকের মন্তব্য
আরে উদরাজীভাই, এটুকুই শুধু মনে রাখেন:
সকল ব্লগারই লেখক কিন্তু সকল লেখক ব্লগার নন
আমি আগ্রহী আপনার লেখা পড়তে সেটা বই বা ব্লগ যেখানেই হোক। আপনার কিছু লেখা পড়লাম। ভালো লেগেছে।
লেখকের মন্তব্য
অশেষ ধন্যবাদ, অভিশংসক।
আপনার নিকটি ব্যতিক্রমী ধরণের; লেখাও তাই। আগে অন্য কোনো ব্লগে অন্য নিকে আপনার লেখা পড়েছি কি?
হয়তোবা হ্যাঁ!
বই প্রকাশ ঝামেলা থেকে এখন ব্লগে লিখি। সবার সরাসরি মন্তব্য পাই। লেখার মান বেড়েছে । তবে আপনি যেখানেই লিখুন না কেন, ক্লাস ইজ অলওয়েজ পারমানেন্ট
লেখকের মন্তব্য
আপনার দুটো বই বেরিয়েছে, তাই না? সেগুলোর প্রাকপ্রকাশ আর প্রকাশপরবর্তী অভিজ্ঞতাগুলো আমাদের সঙ্গে শেয়ার করার অনুরোধ রইলো।
কত লোক কত কি বলতেছে গো, আমি আর কি বলি।
লেখকের মন্তব্য
ভেবুর সাথে বইমেলায় গিয়ে কী দেখবে-- সেটা বলে যাও
যে কারণে বই লেখবেন নাঃ
খারাপ লেখলে পাঠক বলবে, ক্যান যে এইসব ছাই-পাঁশ লেখে! হুদাই কাগজ নষ্ট, আমার পয়সা নষ্ট
(এই কেস অবশ্য আপনার বেলায় হওয়ার চান্স নাই)
ভাল লেখলে পাঠক চিন্তা করবে, এই বেটি মরে না ক্যান? মরলে গল্পসমগ্রটা একবারে কিনতে পারি। একটা একটা কইরা বই কিনলে পোষায় না
লেখকের মন্তব্য
ভাঙ্গা পেন্সিল থেকে তোমার নিকটা বদলে ডুমুরের ফুল কি অমাবশ্যার চাঁদ করে দাও। লেখা-দেখা কিছুই নাই!
২ কমেন্টেই লাইক
http://en.wikipedia.org/wiki/Major_depressive_disorder
এতো কিছু বুঝি না। কেউ কিনুক না কিনুক, তাতে তো কিছু যায় আসে না (কারণ পেশাদার লেখক হইতে চাই না। পেশার সীমাবদ্ধতা লেখার কাজে চলে আসলে আমি কিছুই লিখতে পারবো না। আর লিখলেও সেটা আমার মোটেই ভালো লাগবে না।)। আমি খালি ভাবছি, সাহস করাটা বড়ো কথা।
অস্বীকার করার জো নাই যে 'সিরিয়াস' লেখালেখির জন্যে এখনও বইয়ের জায়গায় কেউ নিতে পারে নাই। ব্লগ জগৎকে বাংলা ভাষায় এখনও খুব কম লোক চিনতে পেরেছে। বিদেশি ব্লগারদের অনেকেই বইলেখকদের চেয়ে খ্যাত, কিন্তু সেটাও আমার মনে হয় না টিকে থাকার মতো। মিডিয়ার সাথে মিলালে, বই যদি সিনেমা হয়, ব্লগ তাহলে টিভি সিরিয়াল। অনেক আছে, অনেক আসবে, কিন্তু পার্টিকুলার একটা এপিসোড, একটা লেখা, একটা পোস্ট কখনো ক্লাসিকের মতো কালজয়ী হতে পারবে না। সব মিলিয়ে হয়তো একজন ব্লগার চিরস্মরণীয় হয়ে উঠতে পারেন, তবু সেটা এখনও বুঝা যাচ্ছে না ঠিকমতো।
লেখকের মন্তব্য
পেশাদার-লেখক? ওরে বাবা! জনরুচি বুঝে লেখালেখি-- সে বড় কঠিন কাজ! হুমম, অন্তত প্রথম বইয়ের জন্য সাহসটা করতেই হয়।
মুদ্রণ মাধ্যম বনাম নেটজগত প্রসঙ্গে কিছু কথা মাথায় রাখি। মুদ্রণযন্ত্রের আগে হাতে-লেখা রিডিং মেটেরিয়াল কত বছর ধরে ছিলো? মুদ্রণযন্ত্র এলো; কয়েকশ বছরের একটা অভ্যস্ততায় মানুষের কাছে বইয়ের গ্রহণযোগ্যতা বর্তমান পর্যায়ে এসেছে। কম্পিউটার-ইন্টারনেট তো সে তুলনায় বয়সে নেহাতই নবজাতক! বাংলাদেশে স্কুলকলেজের ক্লাসরুমে সবে মাল্টিমিডিয়া ঢুকেছে, মফস্বলের জেলাশহরের কিশোর-তরুণরা ফেইসবুক চিনছে, তার মাধ্যমে বাংলা ব্লগ দেখতে শুরু করেছে। একটা সময়ে, যখন প্রথম ভোরের কাগজ এলো, পাঠক ফোরাম পাতায় লেখালেখির সুযোগ দেয়া হলো, আমাদের একটা প্রজন্ম লুফে নিয়েছিলো সে আইডিয়াটি। কারণটা কী? অংশগ্রহণের সুযোগ। সাহিত্য পাতায় লেখা পাঠিয়ে দীর্ঘ অনিশ্চিত অপেক্ষার একটা ভালো বিকল্প হয়ে এসেছিলো পাঠক ফোরাম। সেখানে প্রকাশিত লেখার ইতিনেতি নিয়েও লিখেছে পাঠক। এখনকার ব্লগ মিথষ্ক্রিয়ার সেই ধারণাটিই অনেক বেশি প্রযুক্তিগত সুবিধা নিয়ে চর্চা করছে। পাঠকফোরাম-বন্ধুসভা ইত্যাদি সংগঠন এখন পাঠকগোষ্ঠীকে ব্যবহার করে পত্রিকার উদ্দেশ্যসাধনের প্ল্যাটফরমের মতো হয়ে গেছে, তারপরও দেখি সেখানে সারা দেশ থেকে লিখতে-চাওয়া তরুণ প্রজন্ম ভিড় করে। আমি নিশ্চিত, নেটসুবিধা পাওয়া মাত্র এরাই হয়ে উঠবে ব্লগার। এভাবে কয়েক প্রজন্ম পর চিত্রটা খানিক বদলাতেও পারে।
দারুণ তুলনা! তবে সংরক্ষণসুবিধা আর রেফারেন্সে ক্লিক করার সুযোগের কথা ভাবলে ব্লগপোস্টেরও কালজয়ী হবার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেয়া যায় না।
এটা শুধু ট্রানজিশন পিরিওড যাচ্ছে - আগে ছিলো মুখে মুখে জ্ঞান শেয়ার করা, ছবি একে, পাথরে লিখে - এরপর আসলো বই - সংরক্ষন যোগ্য প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে বয়ে চলা জ্ঞান - এরপর আসছে নেটওয়ার্ক - নেটওয়ার্কে সারা দুনিয়ার তথ্য একসাথে লিপিবদ্ধ করার জ্ঞান আসলো - মানুষ এই সুবিধাটা নিবেই ।
বই থাকবে হয়তো - ভিন্টেজ মাধ্যম হিসাবে। মানুষ আয়েশ করে বই পড়বে।
=======================
কালজয়ী পোস্টের ব্যাপারে দ্বিমত।
ব্লগ পোস্টের আকারের কারনে বই এর সাথে তুলনীয় নয় - তবে কিছু কিছু পোস্ট ইতিমধ্যে কালজয়ী হয়ে উঠার যোগ্যতা দেখিয়েছে - ইন্টারনেটের প্রসারের সাথে তা আরো কয়েকশ গুন বাড়বে।
তাছাড়া সিরিয়াল আর সিনেমার উপমাটিও ঠিক হয়নি - ব্লগটা যেনো সিনেমের নেক্সট এক্সটেশন যেখানে - চরিত্র গুলো কি খাচ্ছে কি গন্ধ অনুভব করছে সেটা করা যায় ।
ব্লগটা লেখক আর পাঠককে সামনাসামনি এনে দিচ্ছে - মাঝে আর কেউ নেই ।
ব্লগ ফলো করলে - একজন লেখক কি করছে না করছে - কি পরিস্থিতে আছে - সেসব জানা যাচ্ছে -
তাছাড়া পাঠকের কাছে থেকে আইডিয়া যাচ্ছে , ফিডব্যাক যাচ্ছে।
তারচে বড়ো ব্যাপার হলো - আইডিয়ার জন্য অন্য ব্লগারদের সাথে সহজেই যাওয়া যাচ্ছে ।
মিথস্ত্রিয়াটা তড়িৎ গতিতে হচ্ছে।
সমমনা মানুষদের দূরত্ব স্বত্তেও একজায়গায় এক প্লাটফর্মে পাওয়া যাচ্ছে।
গান , ভিডিও এ্যাড করা যাচ্ছে ।
বই এই তুলনায় যে মেইল করে করে দাবা খেলার মতো। টেকনিকালারের যুগে সাদাকালো নির্বাক সিনেমা।
আমি অবশ্য সিনেমা-সিরিয়ালের তুলনা দিয়েছি স্থায়িত্ব বুঝাতে। এখনও খুঁজলে একশ বছর আগের নির্বাক ছবির হদিস করা যায়, কিন্তু টিভির গত মাসের অনুষ্ঠানও দপ্তরে গিয়ে কড়া না নাড়লে পাওয়া যায় না। ব্লগের ব্যাপারটা সেরকমই। এতো লেখা হচ্ছে, এতো কমেন্ট হচ্ছে। পরে কয়টা লেখা আর ফিরে পড়া হয় বলেন?
আমার মনে হয় ব্লগ একটা সময়ে প্রধান মিডিয়া হয়ে উঠবে। হয়ত আর ৫/১০ বছরের মধ্যেই। সেদিক থেকে লেখকদেরকে ব্লগে নিয়মিত হতেই হবে!
কি আশ্চর্য নুশেরা'পু! আমি আজকেই এই গানটার কথা ভাবছিলাম। আমি যখন ক্লাস ফাইভ কিংবা সিক্সে পড়ি, তখন ময়মনসিংহে থাকতাম, আর আমাদের নীচের তলায় থাকতেন কল্যাণী মুখার্জি- মিতালী মুখার্জি'র মা, তার কাছেই এই গানটা প্রথম শুনেছি। ছোটবেলায় তো সেলিব্রেটিদের প্রতি বিরাট আকর্ষণ থাকে, মিতালী মুখার্জির ছবি দেখতেই মূলত সেই দিদিমার কাছে যাওয়া হতো।ভ মারাত্মক দেখতে ছিলেন সেই বয়েসেও। উনার কথা মনে পড়রেই খুব পরিপাটি শাড়ি পরিহিতা পড়ন্ত বয়েসের এক সুন্দরী ভদ্রমহিলাকে আবছা মনে পড়ে, আর মনে পড়ে তিনি মেয়ের গান শোনাতেন মাঝে মাঝে।
আর বই এর কথা? বইমেলাতে কতো হাবিজাবি বই পর্ডন্ত মানুষ সাহস করে বের করে ফেলে, আর আপনার এইরকমের লেখা ওয়ালা বই তো মোস্ট ওয়ান্টেড তালিকায় থাকার কথা... আমি যে কিনবো এই গ্যারান্টি দিতে পারি।
লেখকের মন্তব্য
মিতালীর সাক্ষাৎকারে শুনেছি তার এক ভাই, ময়মনসিংহেই থাকতেন, তবলা বাজাতেন খুব ভালো। সেই ভাইয়ের মৃত্যুর পর নিজের সুরে মিতালী গেয়েছিলেন, "কেন আশা বেঁধে রাখি"। ইশ, মনে করা যায় না কল্যাণী মুখার্জীর আর কোনো গল্প, অথবা ময়মনসিংহবাসের ঘটনা? বড় লোভনীয় ব্লগ হবে সেটা।
"নিশুতিরাতের চিঠি" যদি মলাটবন্দী হয়ে আসে কখনো, আমিও কেনার গ্যারান্টি দিতে পারি।
বাবার বদলির চাকরির সুবাদে অনেকগুলো জেলাশহরেই থাকা হয়েছে, এমনকি সীমান্তের খুব কাছের একটা সমস্ত ধরণের নাগরিক সুবিধা বঞ্চিত জায়গাতেও, আপনার কথা শুনে মনে হচ্ছে পুরো ব্যাপারটা নিয়েও একটা সিরিজ বের করে ফেলা যায়, হি হি হি! পাগলকে সাঁকোর কথা মনে করিয়ে দিয়েছেন, দেখা যাবে আরেকটা হুদাই প্রজেক্ট হাতে নিয়ে ফেলেছি।
মলাটবন্দী নিশুতিরাতের চিঠি? হা হা হা! আমাকে কয়েক বোতল বিদ্যাসাগর গুলে খাওয়ালেও ছাপার যোগ্য বস্তু বের হবে না, আমার ব্লগই ভালো।
পোষ্ট আর কমেন্ট সবই সুন্দর। ধন্যবাদ নুশেরা'পু।
লেখকের মন্তব্য
মনোযোগী পাঠের জন্য ধন্যবাদ, হালিমভাই
একটা ফেসবুক নোট লিখছিলাম, তখনই আপনার লেখাটা চোখে পড়লো। দেশিলুক থিংক এলাইক মনে হচ্ছে।
)
পোষ্টের একটা মন্তব্য ধার নিলাম। সকল ব্লগারই লেখক কিন্তু সকল লেখক ব্লগার নন
মিতালির অনেক গান শুনলেও এই গানটা চোখে পড়লো না কেন?
গানের সাথে স্মৃতির কেমন একটা কঠিন যোগাযোগ। একেকটা গান একেকটা সময়ের স্মৃতিকে ধারণ করে রাখে। কোথাও সেই গানটা বাজলে, অজান্তে স্মৃতির রেকর্ডও চালু হয়ে যায়।
আলম ভাই ঢাকা থেকে বই আনাবেন না, বিশদ বাংলা থেকেই আপনার বই ছাপাতে আগ্রহী। তবে পান্ডুলিপিটা হুদা ভাইকে দিয়ে চেক করানোর ব্যাপারে আমি জোর সমর্থন দিলাম
লেখকের মন্তব্য
মিতালীর প্রাকভারতপর্বের গানগুলো অন্যরকম সুন্দর। সবগুলো বোধহয় পাওয়া যায় না এখন। একটা ছিলো "সাজিয়ে বাগান বসে রইলাম আসবে তুমি বলে বন্ধু আসবে তুমি বলে/ আমার হাজার টাকার বাগান খাইলো দুই টাকার ছাগলে"-- লিরিক যাই হোক, তার গায়কী ছিলো দুর্দান্ত!
আপনার টাইগারপাস বিষয়ক লেখাটি বিশদ বাঙলা থেকে এলে সবচেয়ে ভালো হয়। আমরা সমবায় ভিত্তিতে পাণ্ডুলিপি দেখবো
শেষের অংশ পড়েতো আমি হাসতে হাসতে নাই হইয়া গেলাম!
লেখকের মন্তব্য
গেইটলক নাই হইয়েন না
এই লেখার লেখকের যদি বই বের না হয় তাহলে বলতে হয়... কি বলতে হয় সেটাও বুঝতে পারছি না, এই হচ্ছে আমার জ্ঞান আর লেখার দৌড়। তাই বলি কি, সব কথা সবার জন্য প্রযোজ্য নয়। যেমন, সব লেখক ব্লগার নন কিন্তু সব লেখক ব্লগার।
আপনার বই বের হলে বইমেলায় যাব খুঁজতে, চা এর সাথে ফ্রী কপিটাও বগলদাবা করে নিয়ে আসব।
পেশাদার কিছু নয়, আনন্দ নিয়েই লিখুন।
লেখকের মন্তব্য
ঠিক বলেছো, আনন্দ নিয়ে লেখাটাই আসল কথা। লেখার জন্য ব্লগের মতো আনন্দময় মাধ্যম আর নেই।
লেখার উদ্দেশ্য যদি টাকা কামানো হয়, তাহলে ব্লগে লিখে সেটা কঠিন এখনো, টবে পরিস্থিতি বদলাবে। যদি লোকজনকে পড়ানো হয়, তাহলে ব্লগ অনেক বেশি গতিশীল, মন্ঞ্চনাটকের মত, সরাসরি এবং তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়া মিলবে, আর নানারকম বোদ্ধাদের কলমের কাটাকাটি রক্তচক্ষু পার না হয়েই নিজের লেখা দেখতে পাচ্ছি, এটাই তো আনন্দ।
আপনার বই বের করে ফেলুন, নুশেরা তাজরীনের একটা বই না কিনলে ক্যামনে কি?
লেখকের মন্তব্য
আমার ব্লগে স্বাগতম রাফি!
লিখে টাকা কামানো?!!
বাংলাদেশে পরিচিত লেখকদের মধ্যে হুমায়ূন আহমেদ, মুহম্মদ জাফর ইকবাল, আনিসুল হক, সুমন্ত আসলাম ছাড়া আর কেউ বইয়ের জন্য প্রকাশকের কাছ থেকে রয়্যালটি বাবদ সম্ভবত কিছু পান না। প্রথম আলো এবং এইচএসবিসি-কালিওকলম পুরস্কার পেয়েছেন এমন লেখকদের কথা জানি, তাঁরাও রয়্যালটি পান না। সিদ্দিকা কবীর আর কাসেম বিন আবু বকর পেতে পারেন, তাঁদের হিসাব আলাদা। [সেদিক থেকে আমি প্রচণ্ড ভাগ্যবান, প্রথম বইটির (শিশুর অটিজম: তথ্য ও ব্যবহারিক সহায়তা) জন্য প্রকাশক অর্থকড়ি দিয়েছেন। এটি লেখার সূচনা ঘটে ব্লগে, এবং বইটির যথাযথ প্রচারে ব্লগারদের অসামান্য সহযোগিতা কাজ করেছে।]
=================================
ব্লগের ইতিবাচকতা প্রসঙ্গে- সম্পাদকের মর্জির নির্ভরে না থেকে তাৎক্ষণিকভাবে নিজের লেখা প্রকাশিত হতে দেখার আনন্দ তো আছেই, সমালোচনাও এখানে অনেক বেশি যথাযথ হয়। সেটা না হলে প্রতিক্রিয়ার পাটকেলটিও যে এখানে ইন্সট্যান্টলি খেতে হয়!
সেটা কিন্তু মন্দ না, মন্ঞ্চের মতই, লেখক নিজের সমস্যা, ভুলত্রুটি, ভিন্নমত সম্পর্কে সরাসরি জানতে পারেন। বেশি ইগোইস্টিক মূর্খ না হলে, লেখকের জন্য ব্যাপারটা খুবই ইতিবাচক।
বাংলাদেশে পরিচিত লেখকদের মধ্যে হুমায়ূন আহমেদ, মুহম্মদ জাফর ইকবাল, আনিসুল হক, সুমন্ত আসলাম ছাড়া আর কেউ বইয়ের জন্য প্রকাশকের কাছ থেকে রয়্যালটি বাবদ সম্ভবত কিছু পান না।
আপনি নিশ্চিত এরা ছাড়া বাদবাকীরা রয়্যালটি পান না?
লেখকের মন্তব্য
ইমদাদুল হক মিলনের নামটা বাদ গেছে। নিশ্চিত হবার কোনো উপায় আমার অন্তত নেই; শোনা কথা। আমার পরিচিতি-জ্ঞানের দৌড়ও অনুমেয়। আপনার কাছে তথ্য থাকলে শেয়ার করতে পারেন।
পড়া ও মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
=====================
মুহম্মদ জাফর ইকবালের একটা লেখা ছিলো লেখকের সঙ্গে আমাদের প্রকাশকদের আচরণ নিয়ে, হয়তো পড়েছেন।
--আপামণি অনলাইনে না পাইলেও অফলাইনে তো পাওয়া যাবে নিশ্চিত, আপনার গল্পের বই ছাপা হইলে প্রয়োজনে নিজে বইমেলায় গিয়ে কিনে আনব। এত ভাইবেন না, বই বের করে ফেলেন, অপেক্ষায় থাকলাম
লেখকের মন্তব্য
আমার জন্যও এককপি কিনে রাইখেন
হা হা হা - আপনার দশা দেখি আমার মতই!!!

লেখকের মন্তব্য
গলা মিলায় কান্দনের কথা, তাল দিয়া হাসতেছেন
অল্ফ শুকে খাতর,
উদিক শুকে ফাতর!!!
লেখকের মন্তব্য
শুক নাই রে ফাগল!!!
ব্লগ আর প্রিন্ট মিডিয়া দুটো আলাদা জিনিষ বলেই মনে হয়। তবে ৫ বছর আগে ৩।৪টা পত্রিকার সব কলাম (আনিসুল হক, আগাচৌ, শফিক রেহমান, নির্মল সেন এবং এরকম আরো কয়েকজন) পড়তাম, এখন বোহেমিয়ান/আদিল মাহমুদ/নুশেরা/ভাংগা পেন্সিল/অমি পিয়াল/নুরুজ্জামান মাণিক/ফারহান দাউদ/অনীক/দ্রোহী/দিনমজুর/মনজুরুল হক (এবং এরকম আরো অনেকজন) এদের লেখা পড়ি। আমি যেসব ব্লগারকে চিনি তারা সবাই প্রিন্ট মিডিয়ার সিরিয়াস পাঠক। ২০ বছর আগে প্রিন্ট মিডিয়া যত হিট ছিলো, ২০ বছর পরে তত হিট থাকবে না বলেই মনে করি।
লেখকের মন্তব্য
আমার কিন্তু ফারহান দাউদের সঙ্গে অনিবার্যভাবে মেহরাব শাহরিয়ারের নাম চলে আসে্। আপনার তালিকায় আদিল মাহমুদের লেখা পড়িনি, সুদখোর মেয়েটি... পোস্টে উইটি কমেন্টগুলো দেখেছি। বোহে আর ভাঙ্গা-র নতুন লেখা কতোদিন পড়ি না!
প্রিন্ট মিডিয়া বিষয়ে আপনার অনুমানের সঙ্গে একমত। একটা ঘটনা ঘটার পর প্রিন্ট মিডিয়াতে কলাম আসতে অন্তত দুইতিন দিন লাগে। সে তুলনায় ব্লগে এতো দ্রুত প্রাসঙ্গিক লেখা পড়া যায়, তার ওপর রেফারেন্সসহ।
হুম মেহরাবের নাম মিস গেছে, সেই সাথে আরো অনেকের। সচুতে বুনোহাসের লেখাও ভালো লাগে। মেহরাব ছাড়াও অন্তত গোটা ৫০ জনের নাম বাদ গেছে, যাদের সাম্প্রতিক বিষয়ের লেখা ভালো লাগে।
বোহেমিয়ানের অনেক পলিটিক্যাল পোস্ট/নোটের কোয়ালিটি জাফর ইকবাল/আনিসুল হকের অনেক কলামের চেয়ে ভালো।
ব্লগ হলো আড্ডাবাজি আর কলামের এ্যাভারেজ। সেজন্য টু মাচ ফর্মাল, টু মাচ ইনফর্মাল কোনটাই মনে হয় না।
লেখকের মন্তব্য
সচলে অনিকেত, লুৎফুল আরেফীন আর মৃদুল আহমেদের লেখা বেশি ভালো লাগে। ব্লগে অফটপিক-অনটপিক সবরকমে হিউমার আসতে পারে, এটা উপভোগ্য। অবশ্যই মাত্রাছাড়া ডার্টি জোকস আর উইটি হিউমারের মধ্যে তফাতজ্ঞান থাকা চাই। গুরুগম্ভীর ব্লগ আমার মরা-মরা লাগে
আরিফ জেবতিক বাদ গেলো কেমনে? বয়স হচ্ছে।
সচলে আনন্দী কল্যাণ, বইখাতা, তাসনীম এর লেখা নিয়মিত পড়ি; পইড়া দেইখেন। শুভাশীষ এর লেখা মাঝে মাঝে বুঝি। ভাল আরো অনেকে আছেন যারা নিয়মিত লেখে না, স্পর্শ, শিমুল, কনফুসিয়াস।
কমবেশী সবার লেখাই পড়ি। বরং নুশেরার লিস্টের ২ জনের লেখাই পড়িনাই বলে মনে হয়। ঐ যে বললাম, অনতত ৫০ জনের নাম বাদ পড়েছে।
লেখকের মন্তব্য
ভাঙ্গার লিস্টটা বোধহয় হালআমলের, এখন নীড়দাসহ চেনাজানা কারো লেখা ছাড়া তেমন একটা দেখা হয় না সচল। স্পর্শ আর আমি প্রায় এক সময়ে লেখা শুরু করি সচলে। তার লেখা বিশেষভাবে পছন্দ করি। সেখানে আরেকটু আগে রেনেট আর পরিবর্তনশীল খুব হিউমারাস আর বুদ্ধিদীপ্ত লেখার জন্য পরিচিত ছিলেন। সবজান্তার লেখা ভালো লাগতো; এখন বোধহয় লেখে না তেমন। কনফুসিয়াস কিশোরপাঠ্য সাহিত্যে নতুন কিছু যোগ করতে পারে বলে আমার বিশ্বাস। লেখার পাশাপাশি তার ইলাস্ট্রেশনের হাতও ভালো। ভাঙ্গা পেন্সিলের লেখা নিয়ে অনেক আশাবাদী ছিলাম...
পুরানদের তো সবাই জানে। হাল আমলের পুলাপানদের কথা মুরুব্বীদের জানাই আর কি
আর আমার লেখালেখির নেশা মরে গেছে। এইটা সহ আরো কয়েকটা কারণে সবকিছু থেকে গুটায় ছিলাম। এখন পুরানা নেশায় ফিরে গেছি। খালি পড়ি। কোনদিন মন চাইলে আবার লেখা শুরু করবো আর কি।
আপনার আগের উক্তির সাথে যোগ করলাম -

1. "সকল ভাল ব্লগারই ভাল লেখক, কিন্তু সকল ব্লগার ভাল লেখক নন"
2. "সকল ভাল লেখক ভাল ব্লগার নন"
3. "লেখক হলেই যে তিনি ব্লগার হবেন তার কোন মানে নেই"
লেখকের মন্তব্য
এত কিছু বুঝিনা। তোমাকে অটিজমের উপরে যেই বইটা লিখতে বলছি সেইটা শুরু করে দাও টাইম পাইলেই।
লেখকের মন্তব্য
বই লিখে কী করবো বল!
দেশে দেখে আসলাম, বাচ্চার জন্য সময় দিতেই নারাজ অথবা অক্ষম বেশিরভাগ বাবামা। একজন বলে, "চারজনের ফ্যামিলি, আমি অফিস থেকে ফিরতে ফিরতে রাত হয়ে যায়, বউ ঘরের কাজ করে বড় ছেলেকে স্কুলে-কোচিংয়ে আনানেয়া করে দিশা পায় না, ছোটটাকে টাইম দেবে কখন?" এইসব প্রশ্নের জবাব আমার কাছে নাই। কলেজের টিচার এক সিঙ্গেল মাদার বললো, "এইসব করে কিছু হয় না, যে ঠিক হওয়ার (তার বাচ্চার স্পিচ নেই) এমনিতেই হবে। আর এদের সময় দিয়ে কী হবে, শুধু শুধু সময় নষ্ট!"
তাই বলে তুমি হাল ছেড়ে দিবা? অনেক বাবা-মাও তো আছেন যাঁরা সন্তানে জন্য যত চেষ্টা আছে করতে চান। তাদের জন্য লিখবা।
হাহাহা! না না এসব কোনোটাই হবে না আপা, আপনি নির্দ্বিধায় লেখেন তো! প্লিজ!
লেখকের মন্তব্য
ওরে ভেবু
নুশেরা, বই-টই লিখে লাভ নাই, বই ছাপা থেকে শুরু করে ঝামেলা আর ঝামেলা। অথচ কোন কিছুই পাওয়া যায় না। ব্লগ লেখো - সবাই পড়বে আর মন্তব্য করবে, কোন এক শব্দে বা বাক্যে লেগে যাবে প্যাঁচ, বেধে যাবে ঝগড়া; আমরা দূরে দাঁড়িয়ে অবাক বিস্ময়ে উপভোগ করবো, মজা লুটবো। পক্ষে-প্রতিপক্ষে তুমুল লড়াই চলবে- আহা কী মজা!! কী-বোর্ডের লড়াই, বেজায় উপভোগ্য!!!
[এই পোস্টে প্রথম মন্তব্যটি আমার, আর তাই বোধহয় এমন যুদ্ধ লেগে গেলো! আমি দেখছি কুফা!!!]
লেখকের মন্তব্য
যুদ্ধ কোথায়, হুদাভাই! সহব্লগারদের মধ্যে যুক্তি-পাল্টাযুক্তি, এইতো। ব্লগের পরিবেশ নিয়ে চতুরদের ভূমিকায় আমার পূর্ণ আস্থা আছে।
[আপনি মোটেই কুফা নন!! খবরদার যদি আর কখনো এটা বলেন!!!
হুদাভাই আমাদের সবার প্রিয়জন, শ্রদ্ধাভাজন, বিবেকবান বন্ধু এবং চমৎকার রসবোধসম্পন্ন একজন লিখিয়ে। কে অমত করবে?!!]
ওরে ! এইখানে দেখি পুরাই টক-ঝাল-মিষ্টি !
দেরিতে হইলেও হারাই নাই !
লেখকের মন্তব্য
তোমার নতুন উপন্যাসের দ্বিতীয় পর্বের অপেক্ষায়
আগে বইমেলা থেকে শুধুমাত্র ঘুরে ঘুরে বই পছন্দ করে কেনা হতো । এখন কোন ব্লগারের বই প্রকাশ হলে সেটার সম্পর্কে আগে থেকেই ধারণা থাকার সুবাদে চটজলদি পছন্দ করা যায় ।
এটা ঠিক যে , মেইনস্ট্রিমের পাঠকেরা এখনো বইকেও প্রধান দাবি হিসেবে রাখেন । কিন্তু ব্লগে পাঠকের সংখ্যাও কিন্তু বাড়ছে । আর ব্লগে লেখার স্বাধীনতা মনে বইয়ের লেখার চেয়ে বেশী । এখনো বই আর ব্লগপোস্ট তুলনা করার সময় আসে নি , কিন্তু ব্লগের লেখাগুলোকে যদি মোড়কে তুলে ধরা হয় , সেটাও সমানে মূলধারার বইগুলোর সাথে গুণগত মানে সমানে পাল্লা দেবে , এই বিশ্বাস আমার বেশ শক্ত ।
আপনার বই আসুক , শুভকামনা । জয়বাবা বাবা ব্লগনাথ বলেই পূর্ণদ্যমে বইয়ের তাগিদ আসুক !
@নুশেরা আপা-গতকয়েকদিন আপনার কয়েক্টা পোষ্ট পড়লাম! এখন আপ্সুস হৈতাসে এত্তদিন আপনার পোষ্ট পড়িনাই রেগুলারলি! অতিস্বত্তর আপনার বই আসুক! আপনার জন্য শুভকামনা!
=======================
মাঝের বিশাল কমেন্ট থ্রেড এর প্রসংঙ্গেঃ
কয়েকদিন আগে ব্লগার বহুব্রীহির পোষ্টে ব্লগের সমস্যাগুলো আইডেন্টিফাই করে(আমার দৃষ্টিতে) একটা কমেন্ট দিয়েছিলাম! কমেন্টা ম্যালাগুলা ভুট পাইয়া শীর্ষে ছিল!
প্রথম পাতায় এক ব্লগারের দুই পোষ্টের উপস্থিতি কাম্য নয়- সবসময়ই দেখেছি এই নিয়মটা মডারেটর গন সার্থকভাবেই পালন কর্তাছিলেন! কিন্তু বহুব্রীহির পোষ্টে ঐ পয়েন্টটা সেকেন্ডেই উল্লেখ করেছিলাম এই জন্য যে মডারেটরগন যেন তাদের একটা তাজাতাজা ভুল খিয়াল করে! তখন উশৃঙ্খল ঝাড়কন্যার পোষ্টের ক্ষেতে এই নিয়মটার ব্যাতিক্রম হৈসিল! ভেবু আপা আর হামা ভাই এই প্রসংগটা ঐ পোষ্টে তুলেছিলেন! বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সাথে সাথে প্রথম্পাতা থেকে রিমুভ করা হলেও সেক্ষেত্রে দুই পোষ্টের উপস্থিতির ব্যাপ্তিকাল(দুপুরের পরপর সম্ভবত এসেছিল! সন্ধার পর রিমুভ করা হয়) ছিল তুলনামুলক অধিক! মডারেটর এর একটা নোটও এসেছিল পোষ্টে অনে---ক পরে!
কমেন্ট থ্রেডটা আমার কাছে মনে হৈসে যুক্তির খাতিরে যুক্তি বা তর্কের খাতিরে তর্কের চেয়ে প্যাচানোর উদ্দেশ্য প্যাচানো
! পোষ্টের সাথেও অসামঞ্জস্যপুর্ন !
প্রথম পাতায় একই ব্লগারের দুটি পোষ্ট থাকলে সরিয়ে দেয়া হয় ব্যাপারটি প্রায় সম্পূর্ন সত্য হলেও, এর মাঝেও ব্লগারদের স্বাচ্ছন্দের বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা হয়।
নিয়মটি মূলত ফ্লাডিং প্রতিরোধের জন্য।
সাধারনত, কোনো ব্লগারের একাধিক পোষ্ট অল্প সময়ের বা পোষ্টের ব্যাবধানে প্রকাশিত হলে নিয়মটি কার্জকর করা হয়। আরেকটু নিবিড় পর্যবেক্ষন করলে নিশ্চই খেয়াল করতেন, চতুর্মাত্রিকের প্রথম পাতায় একই ব্লাগারের দুটি পর্যন্ত যথেষ্ট ব্যবধানের পোষ্ট বিরল নয়।
চতুর্মাত্রিক তুলনামূলকভাবে একটি নতুন ব্লগ। এখানে মডারেটরগন ব্লগারদের সাথে আন্ত:যোগাযোগের মাধ্যমে ব্লগীয় পরিবেশের উন্নয়নে সচেষ্ট।
ব্লগারদের গঠনমূলক সমালোচনা ও পরামর্শ চতুর্মাত্রিক সব সময়ই আন্তরিকতার সাথে বিবেচনা করে থাকে। একইভাবে মডারেশনের প্রতি কারো অহেতুক দোষারোপ কিংবা স্বজনপ্রীতি বা একইরকম ট্যাগিং নির্ভর অভিযোগ গুলোকে সাবলীল মডারেশনের প্রতি ক্ষতিকারক হিসেবে বিবেচনার সুযোগ রাখতে হয়।
চতুর্মাত্রিকের বর্তমান চেহারা কিংবা চমৎকার পরিবেশ, সবই চতুর্মাত্রিকের ব্লগারদের তৈরী। ব্লগারদের এমন সক্রিয় অংশগ্রহন চতুর্মাত্রিক সবসময়ই আশা করে।
ধন্যবাদ।
ট্যাগিং
। কৈ ট্যাগিং করলাম! যা দেখেছি তাই বলেছি!
অহেতুক দোষারোপ করেছি কথাটা ভুল বলা হয়েছে! উশৃঙ্খল ঝাড়কন্যার গেরিলা পোষ্টে এখনো মড়ারেটরেরই কমেন্ট রয়েছে পোষ্টটি সরিয়ে নেয়ার ব্যাপারে!
ব্লগারদের স্বতস্ফুর্ত অংশ গ্রহন ও মতামত যদি প্রায়রিটি পায়, তবে নিশ্চয় কমেন্ট ও এর রেটিংগুলো কাউন্টেশন এ আসবে!
======
একটা পার্সোনাল অপিনিয়নঃ ‘ব্লগারদের স্বাচ্ছন্দের বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা’ অদুর ভবিষ্যতে স্ট্রিক্টভাবে রুলস অ্যাপ্লাইয়ের ক্ষেত্রে ব্যাত্যায় ঘটাবে বলে মনে করি! নিয়মের ক্ষেত্রে কন্ডিশন আপ্লাই ব্যাপারটা আসলেই হার্মফুল মনে হয়! শুধুমাত্র জনগুরুত্বপুর্ন বিষয় বিশেষ প্রায়োরিটি পেতে পারে!
একটা কথা উল্লেখ্য, চতুরমাত্রিক ব্লগটা এপর্যন্ত খুবই ভাল লেগেছে অন্যান্য ব্লগের তুলনায়! পরিবেশ আসলেই খুবই চমৎকার! এর অন্যতম একটা কারন হল নিয়ম কানুন এর স্ট্রিক্ট প্রয়োগ! তবে এসব ‘সামু টাইপ’ আজাইরা ক্যাচাল যখন রেইজ করে তখন অনেকেরই ভাল লাগায় ভাটা পড়ে । আলোচনার নামে ক্যাচাল ও প্যাচাল কাঙ্খিত না! এই থ্রেডেও আশা করি তা হবে না!
ধন্যবাদ!
অহেতুক তর্কবিতর্ক এড়ানোর উদ্দেশ্যে এই পোস্টে কমেন্ট করার সুবিধা রহিত করা হলো।
সবাইকে ধন্যবাদ।
চতুর্মাত্রিক।