নয়ন-এর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

অনেকদিন পোস্ট দেই না, জোকস তো না-ই! তাই শেয়ার করলাম এই ক'টা।
---------------------
অফিসে দুই সহকর্মীর মধ্যে কথা হচ্ছে। প্রথম সহকর্মী বলছে, ‘বুঝলেন ইদ্রিস সাহেব, বুদ্ধি থাকলে সবই হয়। আমার বুদ্ধি আছে বলেই বড় খরচের হাত থেকে বেঁচে গেলাম।’
দ্বিতীয় সহকর্মী এতক্ষণ কাজে ডুবে থাকলেও যখন খরচ থেকে বেঁচে যাওয়ার কথা শুনল তখন কান খাড়া করল, ‘কী রকম?’
প্রথম সহকর্মী আবার বলতে শুরু করল, ‘সেদিন আমার ছোট ছেলেটা চিড়িয়াখানায় যাওয়ার জন্য বায়না ধরল। অনেক করে বোঝালাম। কিন্তু কে শোনে কার কথা। চিড়িয়াখানায় সে যাবেই। অজগর সে দেখবেই। এরপর আমি বুদ্ধি করে বাড়িতে বসিয়েই অজগর দেখিয়ে দিলাম।’
দ্বিতীয় সহকর্মী বেশ অবাক হলেন, ‘বলেন কী! বাড়িতে অজগর পেলেন কোথায়?’
প্রথম সহকর্মী হাসতে হাসতে বললেন, ‘একটা কেঁচো ধরে আনলাম। তারপর একটা আতশী কাঁচ দিয়ে এই কেঁচোটাই দেখিয়ে বললাম, এই দেখো অজগর।’
========================
দুই উল্লুক টাইপের বন্ধুর কথোপকথনঃ
-- জানিস, আমার বাবা এত মোটা যে একবারের জায়গায় দুবার লিফটে উঠতে হয়।
-- এ আর এমন কী, আমার বাবা এত মোটা যে লুঙ্গিতে গিঁটই দিতে হয় না।
========================
এক লিফটম্যান ছিল চাকুরিতে একেবারে নতুন। কখনো ভাল ভাবে লিফট চালাতে শেখে নি। ১৭ তলায় এক লোক লিফট এ চড়ে তাকে বললো এক তলায় নিয়ে যেতে। লিফটম্যানটি এক তলায় এসে ভূলবশত প্রচন্ডভাবে ব্রেক কষলো। হটাৎ থেমে যাওয়ার কারনে সমস্ত লিফট ভয়ানক ঝাকি খেয়ে উঠলো। লিফটম্যানটি দুঃক্ষিত গলায় বললো, “আমি দুঃক্ষিত স্যার, আমি কি খুব জোরে লিফট থামিয়েছি?”
লোকটি রাগতস্বরে বললো, “না না তা কেন? আমি সব সময় আমার প্যান্ট খুলে গোড়ালীর কাছে ফেলে রাখি।”
=======================
শেষের জোকসটা এই ব্লগেরই ব্লগার সাধারণমানুষ-এর একটা পোস্ট থেকে নেয়া। তার কাছ থেকে অনুমতি নেয়া হয় নি। তিনি চতুরে অনিয়মিত। তবে, এটা জোকস বলেই হয়তো অনুমতি ছাড়াই দিলাম, আমার কাছে ব্যাপক মজার মনে হয়েছে।
ব্লগার সাধারণমানুষ নিশ্চই আমার এই কাজটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
প্রথম দুইটা সংগৃহীত(রহস্যপত্রিকা, সেখানে সংগ্রহ করেছেন ফরিদা ইয়াসমিন)
.........................................
লটস অফ লাভ!
মন্তব্য
লেখকের মন্তব্য
অনেক আগের একটা পোস্টে দিয়েছিলাম, অন্য দুটো ব্লগেও দেয়া হয়েছিলো।
আজ আবার আপনার কারণে পড়লাম আর হাসলাম!
শেষেরটা আসলেই সেরকম! এত জোরে কেউ ব্রেক কষে!

আবার দেখি আপনার কমেন্টও সবার ওপরে! 
পোস্ট দিলেন গভীর রাতে, সকালে এসে দেখি সব আড্ডা শেষ।
লেখকের মন্তব্য
আমার কমেন্ট সবার উপরে না। ওখানে ঈমাভাইয়ের কমেন্ট ছিলো। উনি একটা মুছে দিয়েছিলেন। তাই এই অবস্হা আর কি।
লেখকের মন্তব্য
কেমন আছেন আপনি?
আর আপনার সম্বন্ধীর খবর কী? কেমন আছেন তিনি?
আমি মাইনকা চিপায় আটকা পড়ছি
ভাইজান আছেন আগের মতই
নামায কালামে দিন পার করতেছে
লেখকের মন্তব্য
মাইনকা চিপা থেকে দ্রুত মুক্তি ঘটুক!
প্রথমটা শেষটা মজার
কিন্তু শেষের শেষে এসে থমকাইলাম একটু
আমার কি আবার াউলামিতে পাইলো কিনা বুঝছি না
ভালো থাকুন অবিরত কে ভুল করে লটস অফ লাভ পড়ছি
৩ বার পড়লাম ৩ বারই একই দেখি
লেখকের মন্তব্য
না না আপা, আপনি আউলামিতে আক্রান্ত হন নি, ঠিকই দেখেছেন।
দুইটাই চালাচ্ছি আর কি।
ভালবাসা অকাতরে বিলিয়ে যাচ্ছি।
প্রথমটা আগে পড়া । আর বাকি দুইটা মোটামুটি ।
মনে হয় পড়তে পড়তে sense of humour নাই হয়ে গেছে ।
তাও

লেখকের মন্তব্য
বানান টানান ভুল হয়নিতো? ঠিকাছে?
এটা কি আমারে জিজ্ঞেস করলেন? হায়রে
সেদিনের জোকস , অই যে মন্ত্রীর সেটা দেন না কেন?
লেখকের মন্তব্য
জ্বি আপা।
======
এই জোকসগুলো পড়তে পড়তে? আহারে, আমারে জানান্নাই ক্যান আগে!
জানাইলে কি করতেন ?
লেখকের মন্তব্য
জানাইলে পোস্টে আপনার নাম নিতাম!
কওন যায় না, উৎসর্গও কইরা ফেলতে পার্তাম!
লেখকের মন্তব্য
ওটা পরের পোস্টে দিবো।
ওইটার অপেক্ষায় রইলাম। ওইটা চরম পোস্ট হবে।
গভীর রাতে স্ত্রী ঘুম থেকে জেগে উঠে দেখেন পাশে স্বামী নেই। তাকে খুঁজে পেলেন ডাইনিং টেবিলে। দেখেন, তিনি এক কাপ কফি নিয়ে দেয়ালের দিকে স্থির তাকিয়ে আছেন। স্ত্রী লক্ষ্য করলেন, স্বামী গভীর চিন্তামগ্ন। কফিতে একবার চুমুক দিচ্ছেন আর চোখের পানি মুছছেন। স্ত্রী কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করলেন, 'কী হয়েছে তোমার'? দেয়াল থেকে চোখ ফিরিয়ে স্ত্রীর দিকে তাকিয়ে স্বামী বললেন, 'আজ থেকে ২০ বছর আগের সেই দিনের কথা তোমার মনে আছে? স্ত্রী বললেন, হ্যাঁ। স্বামী বললেন, তোমার বাবা বলেছিলেন, 'হয় আমার মেয়েকে বিয়ে করবে, নয়তো ২০ বছরের জন্য জেল খাটতে হবে তোমার, মনে আছে'? স্ত্রী বললেন, 'হ্যাঁ তাও মনে আছে'। স্বামী চোখ মুছে বললেন, 'সেদিন যদি তোমাকে বিয়ে না করে জেলে যেতাম, তাহলে আজ মুক্তি পেতাম'।
নয়ন, ভ্রাত তাড়াতাড়ি বিয়ে করেন।

লেখকের মন্তব্য
হাহাহাহা

এইটা দিসিলাম তো ভাই! অনেক আগে অবশ্য!
============
আপ্নের লগে আমার কোন শত্রুতা আছে নি কন? বিয়া কর্তে কন ক্যা? মানুষের খারাপ চাইলে নাকি তাকে বিয়ের পরামর্শ দেয়া হয়ে থাকে।
-----------
না না, মুক্তি নয়, আমি 'ওর' সাথেই থাকতে চাই।
বিবাহ খাইতে মুন চায়।
মেঘ রঙ, সহমত।
লেখকের মন্তব্য
বিবাহ খায় ক্যাম্নে? কারটা খাইতে মুন্ঞ্চায়? হু? @মেঘরঙ
আরে, কেমন আছেন আপনি? দেখা নাই বেশ কিছুদিন! @সাইমন রুপ
মুন চায় বিবাহ খাইতে!
কিন্তু মুনটা কে?
চিনি না তো! আমি কিন্তু নয়ন ভায়ার বিবাহের দাওয়াত খাইতে চাই।
দাওয়াতের রেসিপি দেবার জন্য উদরাজিকে রাজী করাতেই হবে! সবাই শুধু দাওয়াত খেতে চায়!!
হা হা হা।।।।।
পোস্টের কৌতুক আর মন্তব্যের জোয়ার, সেই সাথে আবারও কৌতুক, হাসি রে হাসি!! মন ভালো না হয়ে। ভালো না থেকে উপায় আছে?
জোকস নয়, এক্কেবারে সত্য কথা। অ-নে-ক আগে, সেই পাকিস্তান আমলে, তখনও আইয়ুবশাহী বহাল। ঢাকা কলেজের দেয়ালে পেন্সিল দিয়ে কে যেন লিখে রেখেছিল, "Always বাংলায় talk করুন"। এটা তখনকার দিনে খুব হাসির একটা ব্যাপার ছিল।
লেখকের মন্তব্য
হাহাহা
"Always বাংলায় talk করুন"।
লেখকের মন্তব্য
মেঘরঙ এর নাম বোধহয় মুন!
একটু কাব্যিক ঢঙে বলেছেন বোধহয়।
আরে ভাই সিলিপিং মিস্টেক হইছে মন এর জায়গায় মুন হইয়া গেছে আমার কি দোষ।
নয়ন ভাই এর বিবাহতে দাওয়াত লাগবো না খোঁজ পাইলেই আইশা পরুম।খালি আওয়াজ দিলেই হবে,
তাড়াতাড়ি বিবাহ করেন ব্রাদার

লেখকের মন্তব্য
সত্যি কইতাছি, আমার বিয়ার বয়স হয়নাই অখনো! হ!
====
হেহেহে, হাছানি? দাওয়াত দেওন লাগবো না? ভালোইতো! খোঁজ-দ্য সার্চ কইরা আইসা পইড়েন বিয়া-দ্যা ওয়েডিং-য়ে!
হাসতে হাসতে শ্যাষ ।
লেখকের মন্তব্য
হেহেহে!
শেষ হইয়াও হইলোনা শেষ!!
====
পড়াশোনা কেমন চলছে?
তাহলে কি নয়ন ভাই বিয়া করবে না?
লেখকের মন্তব্য
ঈমাভাই বিয়া কর্তে মানা করেনাইতো! আর কর্লেইবা কি, আমি কি ওই কথায় কান দিতাম নাকি!

দিতাম মানে কি ? past tense কেন ?
দাওয়াত দিলেন না ?
জানাইলেন ও না ???? আচ্ছা বুঝলাম ।
মানা করবো কেন ! তাড়াতাড়ি বিয়ে করেন এবং বিয়ের পর 'দাম্পত্য রঙ্গ' টাইপের রিয়েল জোকস লেখেন।
লেখকের মন্তব্য
না না সাকিবাপা, এইটা ফিউচারও নির্দেশ করে কিন্তু,
"যদি উনি মানা করতেনও, আমি কি তা শুনতাম(শুনবো) নাকি?'--- এমন আর কি ব্যাপারটা!
জুলাই এর আগে বিয়ে নাই। পরিকল্পনাও রাইখেন না ।
আমারে ফেলে বিয়ে করলে কিন্তু খবর আছে । মনে থাকে যেন । ভালো উপহার দিবনে ছোট ভাইয়ের বিয়েতে। কথা দিলাম
লেখকের মন্তব্য
আপনার উপহার নয়, আপনার উপস্হিতিই আমাকে আনন্দিত করবে, গর্বিত করবে।
----
(হাহাহা, না না আপাতত ওসব প্ল্যান নাই)
খুশিতে মনে হয় ঘুম হবে না । কি করা !!
লেখকের মন্তব্য
আমি কিন্তু সত্যিই বলছি।
আপনি আসেন কিনা কে জানে! হাহাহা।
যাই হোক, করি আগে!
আসতে চাই
যদি দাওয়াত পাই।
কবিতা লিখে ফেললাম দেখি !!!
লেখকের মন্তব্য
বিয়ে যদি সত্যিই আমার কপালে থাকে লেখা,
নিশ্চিত থাকেন, বিয়ের দিন পাবো আপনার দেখা!
(মানে, বিয়ে কপালে লেখা থাকলে আপনারে দাওয়াতও দিমু, দেখাও পামু আপ্নার, ইনশাল্লাহ।)
ইনশাল্লাহ
এটা দারুন ।

ঈশান ভাইয়ের মুক্তির দিন কবে ছিল ? জানতে মন চায়
আমি মুক্তি পাই নাই, মুক্তি পাওয়ার আশাও নাই।

ইচ্ছাও নাই।
ভাবী কি পাশেই দাঁড়ানো ?
আবার জিগায়
সে পাশে না থাকলেও আমি তার ছায়াতেই থাকি ।
এটা কি নতুন কবিতার প্রথম লাইন ?
লেখকের মন্তব্য
দ্বিতীয় লাইনঃ
মনে মনে কাউয়া কইলেও উপ্রে কই কোকিল পাখি!
এইটা আজকের সেরা জোকস
লেখকের মন্তব্য
থ্যাংকস আপা। হেহেহে। এরকমই হওয়ার কথা বা লেখার কথা উনার।
"সে পাশে না থাকলেও আমি তার ছায়াতেই থাকি"
"মনে মনে কাউয়া কইলেও উপ্রে কই কোকিল পাখি!"
ঈমা ভাই বলছে এখন, নয়ন কী আর থাকবে বাকী?
লেখকের মন্তব্য
আরও কিছুদিনতো বটেই!
বউ আমার লক্ষী
কেন ডাকবো কাক পক্ষী
সে ছাড়া আমি অচল
তার সঙ্গে কেন করবো ছল//
লেখকের মন্তব্য
ছল করার সাহস থাকতে হবেতো, নাকি?
সেটাই
হাহাহাহা! ৯ন, নয়ন, নয়ন! ভুটাপ!
@সাকিবা ফেরদৌসী
আমি তার ছায়াতে থাকি
আমি তার মায়াতে থাকি
তার মনের সঙ্গে এই
দূরন্ত মন বেঁধে রাখি//
দারুন দাদা, আপনার জবাব নাই
লেখকের মন্তব্য
সাবধানে থাইকেন ঈমাভাই। পুরুষ নির্যাতনও তো হয়, শোনা যায় না আর কি।
ঈমাভাই, ভাবী আজকে ঝাড়ি দিচ্ছেনা ? রাত ২ টা না আপনাদের অখানে ?
লেখকের মন্তব্য
মনে হচ্ছে, ঝাড়ি খেয়ে পগারপার!
সেটাই
বিয়ার দাওয়াত কবে দিবেন
লেখকের মন্তব্য
এহ হে রে!
আপ্নে আমার বিয়া লইয়া উইঠ্যা পইড়া লাগলেন ক্যান!
ফিরি ফিরি ছবি তুইল্যা দিবেন?
হুম, একটা আতশী কাঁচ আমাকেও কিনতে হবে খুব জলদি - মেয়ে প্রতিদিন চিড়িয়াখানায় যাবার জন্য আব্দার করছে!




--
দুই নম্বরটার আরেকটা version হল:- ট্রেনেযাত্রার সময়ে মালামাল বাঁধার জন্য যে "হোল্ডঅল" পাওয়া যায়, সেটা ব্যবহার করতে হয় প্যান্টের বেল্ট হিসেবে।
--
অট: খুব মজা লাগে আপনাদের আড্ডার ডায়ালগ পড়তে!! মনে হয়, আমিও যদি 'পিচ্চি' হতাম!
--
লটস অফ লাভ!
লেখকের মন্তব্য
হাহাহা। শুধু আতশী কাঁচ কিনলেই হবে না, কেঁচোও আনতে হবে আপা।
===================================
মনের বয়স তো আর বাড়ছে না, তাই না? আপনি হয়তো খুব একটা সময় দিতে পারছেন না, তবুও আপনি আছেন, ভালভাবেই আছেন আমাদের মনের ভেতর। আপনার জন্যে সর্বোচ্চ শুভেচ্ছা, ভালবাসা!
নয়নমিয়া জুক্স আমি বরাবরই ভালা পাই। শুধু পবলেম মনে রাখতারিনা। তাই যা-ই পড়ি নতুন মনে হয় এবং হাসির
আপনের বিবাহের অনুষ্ঠানে আমার উপস্হিতি দিয়া আমি দেশ ও জাতিরে গর্বিত করিতে চাই
। এই ঐতিহাসিক সুযোগ হাতছাড়া কইরেন্না কিন্তুক
আশা করি আপনের সব খবরাখবর ভালো। আমিও ভালোই আছি গো ভাই আপনেদের দোয়ায়। ভালো থাকা হোক।
সুযোগ হাতছাড়া করিনা। আপনের এই ব্যাপারটা সত্যিই দারণ! কিপইটাপ
লেখকের মন্তব্য
বাতিঘর ভাই!!
শুনেন, আপ্নে হইলেন ব্লগের লাইটহাইজ। আপ্নে আমাগো মাঝে আলোর সাপ্লাই দিবেন, তা না কইরা কোন আন্ধারে হারান আপনে? এইটা কিছু হইলো?
==
যাউকগা, আইছেন যে অবশেষে, বা আমার ব্লগে যে উঁকিঝুকি মার্ছেন, তাতেই দিলখুশ!
====
আমার সব খরবাদি ভালা আপ্নেগো দোয়ার বদৌলতে। আর হ্যা, ওই ঐতিহাসিক সুযোগ আপ্নেও হাতছাড়া কইরেন্না কইলাম, নইলে খোপোড় আচে!! আমি গর্বিত হইতাম্চাই।
নয়ন, জোকসের ব্যাপারে বাতিঘরের সাথে সাংঘাতিক মিল আমার! তাই মজা বেশি পাই!
তোমার ২য়টা পইড়া একজনের কথা মনে পড়লো! সেই লোক লুঙ্গি পইরা খালি একটা ম্যাচবাক্স কোমরে গুঁজলেই ব্যস, লুঙ্গি টাইট! এইটা জুক্স না, ইমানে কই, সইত্য ঘটনা!
- বাতিঘররে দেশ ও জাতিরে গর্বিত করার সুযোগটা তাড়াতাড়িই দিবা বইলা আশা করি। ঐখানে আমার উপস্থিত থাকার বিশেষ খায়েশ!
- পোস্ট দেওয়া এত কমাইলে কেম্নে কি? ছড়াবাজি কই করুম আমি???
লেখকের মন্তব্য
ম্যাচবাক্স কোমরে গুঁজলেই? হাহাহা। ধুন্ধুমার অবস্হা দেখি! কয় কী!
====
দেরিতে দেই আর তাত্তাড়িই দেই, দিমু ইনশাল্লাহ। দোয়া রাইখেন। আর আপনার উপস্থিত থাকার বিশেষ খায়েশ আছে জাইনে আমিও আয়েশ (আরাম) পাইলাম। আশা করি, আপনে আয়েশ কইরা খাইদাই কইরে শেষের পায়েসটুকুনও খাই যাইবেন।
====
বিশাল একটা ভালোবাসা আপনার তরে!
আমার খুব মন খারাপ, কিচ্ছু ভালোলাগে না, আমার বোনের তাই ঘুম নেই, ওর ক্লান্তি নেই, একের পর এক জোক পোস্ট করতে, আমার কিন্ত হাসি পায় না, মন খারাপতো তাই, নয়ন জোক ক্রাইসিসে আছে জেনে মনটা আরো খারাপ হয়ে গেল, 'নয়ন আমার কাছে একটা কষ্ট জাগানিয়া নাম' আমি চাই এই নামের সব মানুষ আনন্দে থাক, ও থাকলে আজ হয়তো এই বয়সীই হতো, আমাদের এই নয়নের মতই জোক পোস্টাইতো চতুরে (হয়তো) মানুষকে আনন্দ দেবার জন্য। নয়ন আমার মন খারাপের দিনে তোমার জন্য এই জোক সমাহার। চতুররা হাসবে কিনা জানি না।
১.
♦পিচ্চি পিপলু অনেকদিন থেকে একটা সাইকেল চাচ্ছে । মা বাবার কাছ থেকে ব্যর্থ হয়ে এখন ঠাকুর দেবতার কাছে চাচ্ছে । কিন্তু না , গ্রামের সব মন্দিরেই তার পায়ের ধুলো পড়েছে , কিন্তু তার সাইকেলের ব্যবস্থা এখনো হয় নি!
শেষে সে শেষ আরেকবার চেষ্টা করার সিদ্ধান্ত নিল ।
গ্রামের শেষ প্রান্তে, কিছুটা নির্জনে কাছাকাছি দুটো মন্দির। একটা শিবের অপরটা গণেশের ।
পিপলু গণেশের মন্দিরে গিয়ে মন্দির থেকে গণেশ প্রতিমাকে কাঁধে করে বের করে নিয়ে রওনা দিল শিবের মন্দিরের দিকে ।
↓
↓
↓
↓
↓
↓
↓
↓
↓
শিবলিঙ্গের সামনে পিপলু এই চিরকুটটা ফেলে আসল!
"বাচ্চা ফেরত চাইলে কাল বিকালের মধ্যে একটা সাইকেল পাঠিয়ে দাও!" !!!
╰☆╮╰☆╮╰☆╮
২.
এক লোক এক বাসায় গিয়ে পানি চাইল।।
ছোট বাচ্চা : পানি নেই।।লাচ্ছি চলবে??
লোক : অবশ্যই।। অনেক শুকরিয়া।।
লোকটি ৫ গ্লাস লাচ্ছি পর পর
খেয়ে জিজ্ঞেস করল, “তোমাদের বাসায় কেও লাচ্ছি খায় না??”
বাচ্চা : জী খায়।।কিন্তু আজ
লাচ্ছি তে টিকটিকি পড়ে গেছেতো তাই কেও খায়নি!!এ কথা শুনে লোকটির হাত থেকে গ্লাস পড়ে গেলো!!
বাচ্চাটি কাঁদতে কাঁদতে বলল :“আম্মু, ইনি গ্লাস ভেঙ্গে ফেলেছেন !! এখন কুকুর দুধ খাবে কিসে !!
৩.
লোকে বলে দুধ খেলে নাকি শক্তি বাড়ে! ! !
,
,
,
,
,
,
পাঁচ গ্লাস দুধ খেয়ে এই দেয়ালটা আধাঘণ্টা ধইরা ধাক্কাইলাম , এক ইঞ্চিও নড়ে নাই! সব ভূয়া ! ভু. . . . .
↓
↓
↓
↓
↓
↓
↓
↓
এখন পাঁচ গ্লাস মদ খেয়ে আসলাম! দেখো আমারে দেইখা নিজেই কেমন ভয়ে কাঁপতাছে দেয়ালটা ! আয়**** ! আইজ তোর একদিন কি আমার এক দিন ! ইয়া . . . . .
,
(জনৈক মাতালের ডায়ালগ!):-P
【ツ】
৪.
প্রথম বন্ধু: কিরে, তোর চোখের ওপর ব্যান্ডেজ কেন? গালেও তো দেখছি চোট লেগেছে। গতকাল সন্ধ্যায়ও না দেখলাম এক সুন্দরী মহিলার সঙ্গে পার্কে বসে আছিস! এরই মধ্যে হঠাৎ কী হলো?
দ্বিতীয় বন্ধু: গতকাল তুই যা দেখেছিলি আমার স্ত্রীও তা দেখে ফেলেছে।
৫.
এক গাধা জঙ্গলে বসে কাঁদছে। অন্য এক গাধা রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিল।
২য় গাধা: কী হলো, কাঁদছ কেন?
১ম গাধা: আমি আগে এক ধোপার বাড়িতে কাজ করতাম,সে বাড়ির কথা খুব মনে পড়ছে।
২য় গাধা: মালিক বুঝি তোমাকে খুব আদর করত?
১ম গাধা: না রে ভাই, খুব মারত।
... অবাক ২য় গাধা: তাহলে কাঁদছ কেন?
১ম গাধা: ওই বাড়িতে আমার বিশাল একটা উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ছিল... সব শেষ হয়ে গেলো হায় হায়!!!
আরও অবাক হয়ে ২য় গাধা বলে: কী রকম কী রকম?
দুঃখ ভরা কণ্ঠে ১ম গাধা বলে: আমার মালিক প্রায়ই তার তরুণী মেয়েটাকে মারত, আর বলত, ‘দরকার পড়লেতোকে আমি গাধার সঙ্গে বিয়ে দেব, তবু ওই বখাটেটাকে মেনে নেব না!’
৬.
এক লোক কোদাল দিয়ে গর্ত খুঁড়ছে। পাশ দিয়েই যাচ্ছিল এই গ্রামের আরেক লোক।
সে জিজ্ঞেস করল, ‘কিরে, গর্ত খুঁড়ছিস কেন?’ ‘ছবি তুলব তো, তাই গর্ত খুঁড়ছি।’
‘ছবি তোলার জন্য গর্ত খুঁড়ছিস, মানে?’
‘হয়েছে কী, আমার হাফ ছবি তুলতে হবে। আর জানিস তো, হাফ ছবি বুক পর্যন্ত হয়। তাই গর্তে নেমে ছবি তুলব। যাতে শুধু বুক পর্যন্ত ওঠে।’
এবার দ্বিতীয় জন বিষয়টা বুঝতে পেরে বলল, ‘তা কয় কপি ছবি তুলবি?’
প্রথম জন জানাল, ‘তিন কপি।’
দ্বিতীয় জন রেগে গিয়ে বলল, ‘আরে বোকার বোকা! তিন কপি ছবি তুললে একটা গর্ত খুঁড়ছিস কেন। আরও দুইটা খোঁড়।’
৭.
রবিন:- ইউ নো দোস্ত,এটা ফেব্রুয়ারি মাস। এই মান্থে আমাদের শহীদরা আমাদের ল্যাংগুয়েজ এর জন্য লাইফ দিয়েছে। সো, আমাদের কিছু করা উচিত এই মান্থ এ।
টিটু:-ওকেয় দোস্ত, তুই হামেশার মত রাইট কথাটাই বলছিস। আমাদের বাংলা ল্যাংগুয়েজ এর মত সুন্দর ল্যাংগুয়েজ আর কয়টা আছে? আর এর হিস্টোরি টাও কত গ্রেট ভাব একবার। ল্যাংগুয়েজ এর জন্য কয়টা কান্ট্রির মানুষ এভাবে জিন্দেগি কুরবান করছে? ড্যাম শিট, বাঙালি পিপাল এর কিমাত বুঝে না।
...
রবিন:-ওকেয় আমরা টুয়েন্টি ফার্স্ট ফেব্রুয়ারি তে নাঙ্গে পাও ফুল নিয়ে শহীদ মিনার এ যাব। দেন শিশা লাউঞ্জ এ হ্যাং আউট করবো, রিয়া অ্যান্ড জেনি ও আস্তেসে। মাজা আয়েগা।
টিটু:- অচাম শালা। ইয়ে হুয়ি না বাত।
সংগ্রিহিত
(উপরের স্ট্যাটাস টি সম্পূর্ণ কাল্পনিক, কারো চেনা জানা পাকনা পুলাপাইন এর সাথে ইহা মিলে গেলে একান্তই কাকতালীয়)
৮.
কুদ্দুস চাচার বন্ধু ডাক্তার। চাচার খুব অসুখ। তার ডাক্তার বন্ধু অপারেশন করেছেন। কিছুদিন পর ডাক্তার সাহেব কুদ্দুস চাচাকেবললেন - বন্ধু আমি ভুলে তোমার পেটে একটা কাচি ফেলে এসেছি, তুমি অনুমতি দিলে অপারেশন করে বের করি।
চাচা অনুমতি দিলেন...
কিছুদিন পর ডাক্তার সাহেব আবার কুদ্দুস চাচাকে বললেন - বন্ধু আমিভুলে তোমার পেটে একটা চিমটা ফেলে এসেছি, তুমি অনুমতি দিলে অপারেশন করে বের করি।
কি আর করা, চাচা অনুমতি দিলেন...
কিছুদিন পর ডাক্তার সাহেব আবার কুদ্দুস চাচাকে বললেন - বন্ধু আমিভুলে তোমার পেটে একটা গজ ফেলে এসেছি, তুমি অনুমতি দিলে অপারেশন করে বের করি।
চাচা বললেন, তুমি হইলা আমার বন্ধুমানুছ, তুমারে তো না করবার পারি না... মাগার এইবার হালায় আমার ভি একখান ছরত আছে, তুমি কাটো ছিড়ো যাই করো, মাগার ছিলাই করবার পারবানা। পেটে একখান চেইন লাগায়া দিবা, এরপর হাত্তি ঘোড়া যাই রাইখা আহো ... খালি হালায় চেইনখুলবা আর বাইর করবা...
৯.
জঙ্গলে এক চিতা বিড়ি খাচ্ছিল..
তখন এক ইঁদুর আসলো আর বলেঃ “ভাই নেশা ছাইড়া দেও, আমার সাথে আস দেখ জঙ্গল কত সুন্দর” ...
চিতা ইদুরের সাথে যাইতে লাগলো ...
সামনে হাতি ড্রাগ নিচ্ছিল ইঁদুর হাতিকেও এক ই কথা বলল
এর পর হাতিও ওদের সাথে চলতে শুরু করলো .....
কিছুদুর পর তারা দেখল বাঘ হুইস্কি খাচ্ছে ইঁদুর যখন তাকেও এক ই কথা বলল সাথে সাথে বাঘ হুইস্কির গ্লাস রেখে ইদুরকে দিল কইসা একটা থাপড়!!
হাতিঃ-বেচারাকে কেন মারতাছ??
বাঘঃ-এই শালা কালকেও গাজা খাইয়া আমারে জঙ্গলে ৩ ঘণ্টা ঘুরাইছিল...
১০.
এক মহিলা দুই বাচ্চা নিয়ে বাসে উঠল ।
বাচ্চা দুইটা খালি ক্যা ক্যা, ম্যা ম্যা, ট্যা ট্যা, প্যা প্যা করে কান্নাকাটি শুরু করল !
তখন মহিলাটি তার বাচ্চাদের কান্না থামাতে ক্রমাগত বলতেই লাগলোঃ ‘দেখো কান্নাকাটি করোনা! কান্নাকাটি করলে কিন্তু ঐ পাশে যে আঙ্কেল আছে ঐ আঙ্কেল কে তোমাদের ললি পপ চুষনী খেতে দিবো!’
এভাবে অনেকক্ষন পার হয়ে গেল কিন্তু বাচ্চারা কান্নাকাটি থামালো না আর মহিলাটি বলতেই থাকলোঃ ‘কান্নাকাটি করলে কিন্তু ঐ পাশে যে আঙ্কেল আছে ঐ আঙ্কেল কে তোমাদের ললি পপ চুষনী খেতে দিবো!’
আরো বেশ কিছুক্ষন যখন এভাবে চলতে থাকলো . . .
তখন পাশে দাঁড়িয়ে থাকা ঐ ভদ্রলোক ক্ষেপে গিয়ে বলে উঠলোঃ ↓↓↓
↓
↓
↓
↓
↓
→ → ‘আপা, এভাবে চাঁপা মারতেসেন কেন? আপনার জন্য ৪ টা স্টপেজ মিস করলাম!! চুষনী চুষতে দিলে দেন, না দিলে বইলা দেন দিবেন না, নাইমা যাই ...!!’
১১.
এক ফেসবুক অভ্যস্ত পরিবারের কথোপকথন ::
স্ত্রীঃ এই তুমি আজ আমার ইলিশ মাছের তরকারীতে Comment করলে না কেন ??
স্বামীঃ খাওয়া শেষ করে Comment করি ??
আর আমি তোমার তরকারী দেখেই তো Like মেরেছি।
স্ত্রীঃ ভালো কথা, পাশের বাড়ীর ভাবীকে তুমি নাকি Poke করো ??
স্বামীঃ ছিঃ ছিঃ তুমি এগুলা বলতে পারলে ??
আমি তোমাকে কত ভালোবাসি জানো ??
তোমার নামে Page খুলেছি, Group খুলেছি ।
স্ত্রীঃ শোন চান্দু, তুমি যদি বেশী চালাকী করো
তাইলে আমি কিন্তু তোমারে Block করে দেব।
আরে চৈতি আপারও দেখি জোক্সের বিশাল ভান্ডার! একটার চেয়ে একটা চমৎকার।
চৈতি আপুর জোকস গুলা তো এক্কেবারে সেই রকম ।
হাসতে হাসতে আমি তো শহিদ হইয়া গেলাম।
ব্যাপক ভালা লাগছে চৈতি আপু। আলাদা পোস্ট দেন।
নয়ন ভাইয়া তো ফ্লপ খাইয়া জাইব দেখা যাইতেছে।

মেঘ রঙ!! তুমি??????
হ্যাঁ ভাই আমি ই,
:ঘুমি:। গুছাইয়া লেখা হইতেছে না
। আছেন কেমন? 
লেখা দিতে পারতেছি না কারন আইলসামি লাগে
ভাইয়া ভাল হইছে, তবে আগের গুলার মত না।
লাগছে

তয় শেষে ব্রেক কইরা তো ফাটায় দিলেন।
লেখকের মন্তব্য
মেঘ, আমি ফাটাইনাই, কসম!
ফাটাইছে ব্লগার সাধারণমানুষ, অসাধারণ সব জোকস দেন উনি।
=====
আপনাকে ধন্যবাদ অজস্র।
চৈতি আপুর জুক্স সুনামিতে ভাইসা গেলাম!
লেখকের মন্তব্য
@চৈতী আপা, প্রথম কথাশুনে মনটা খুব খারাপ হলো! কী হয়েছিলো নয়নের? আপনার ভাই?
মেধা কেমন আছে? ওর জন্যে অনেক আদর রইলো।
আপ্নার মন খারাপ-বেলায়ও আমার এখানে এসেছেন, শুধু তা-ই নয়, আমাকে সহ সবাইকে হাসিয়েছেন, এটাতো আমার জন্যে বিরাট পাওনা। ঋণী করেই রাখলেন!
আপনার সরবরাহকৃত জোকসগুলো নিয়ে অচিরেই একটা পোস্ট দিবো। সেই পোস্টের সিক্যুয়াল হিসেবে আর কি। আপনার জন্যে আবারো আকাশ-সমান ভালবাসা আর শ্রদ্ধা!
====================================
২ ৩ ৮ ৯ ১০ আমার কাছে পুরাই নতুন! হেসেছি অনেক। খুবই সুস্বাদু জোকস! নিশ্চই দেখেছেন, সবাই কতটা পছন্দ করেছে!!
লেখকের মন্তব্য
@আচার্যদা, অধরা রংধনু, মেঘ রঙ, সাইমন রুপ
হু, আপার কাছে অনেক জোকস আছে। এর আগেও উনি আমাকে কিছু জোকস দিয়েছিলেন ্রা সেগুলো দিয়ে আমি পোস্ট দিয়েছিলাম।
উনাদের আন্তরিকতায়, বদান্যতায় আমার স্টক খারাপ না! মাশাল্লাহ!
হাস্তে হাস্তে হেঁচকি উইঠা গেছে। বউ কয়, 'তোমার হইছে কি ! কম্পুর মনিটরের দিকে চাইয়া চাইয়া গাধার মতো হাস্তে আছ!'
আচ্ছা চৈতি'পা কোন গাধারে কি আপ্নে হাস্তে দেখছেন !
পৃথিবীর যাবতীয় বউরা তাদের জামাইকে গাধা মনে করে।
আর করা তা স্বাভাবিক বুদ্ধি থাকলে কি আর বিয়া করে

:মুহাহা:}
{দার্শনিক মেঘ রঙ
তার মানে যাদের 'অস্বাভাবিক' বুদ্ধি তারাই শুধু বিয়ে করে !
বিয়ের পর সব পুরুষই কি এভাবে 'গাধা' হয়ে যায় ?
লেখকের মন্তব্য
হা হা হা।।।।।।
চৈতি আপু চরম হইছে।
আলাদা একটা পোষ্ট দিলেই পারতেন।
লেখকের মন্তব্য
হেহেহে, কারে কী কন!
উনি এইসব পোস্ট দিবেন না, না দেয়াই ভাল, নইলো আমার প্রতিদ্বন্দী যাবে বেড়ে।
তারচে' বরং উনি আমাকে সাপ্লাই দিয়ে যাক। কী বলেন?
নয়ন দা ২য়টা আমি একটু এডিট করি।
তিন বন্ধু গল্প করছে।
১ম বন্ধু, জানিস দোস্ত আমার দাদা না চরম মোটা ছিল। সে তিন গিট্টুতে লুঙ্গি পরত।
২য় বন্ধু, আরে এ আর এমন কি??? আমার দাদা লুঙ্গি পরে একটা গিট্টু দিলেই যথেষ্ট ছিল।
৩য় বন্ধু, আরে ব্যাটারা আমার দাদা এত মোটা ছিল যে, লুঙ্গি উপর থেকে ছেড়ে দিলে আর কিছুই করতে হতনা।
হাসি না আসলে আমার কিছু করার নাই।
লেখকের মন্তব্য
এইটা ওইটার মতোইতো বোধহয়, নাকি কন? হাহাহাহা।
কেমন আছেন আপ্নি?
নয়ন দা ঐটার মত।
ভালো আছি।
আপনি কেমন???
লেখকের মন্তব্য
আমিও ভাল আছি। থ্যাংকস!
অনেক মজা পাইলাম।
লেখকের মন্তব্য
আমার ব্লগে প্রথম আসলেন? স্বাগতম!
====
থ্যাংকস সাবিনা!
একসময় কতগুলো করে জোকস থাকত এক পোস্টে!
আজকাল নয়ন ফাঁকিবাজ হয়ে গেছে
@ চৈতী- আলাদা পোস্ট চাই
লেখকের মন্তব্য
ধুর, না! ফাঁকিবাজি না!
ডিমান্ড রাইস কর্লো, সেই অনুপাতে সাপ্লাই ফল কর্ছে আপা! জটিল সমীকরণ!
=========
কৃতজ্ঞতা, ধন্যবাদ!
হিহিহিহি
হাসতে হাসতে শেষ । অসাধারণ জো্কস নয়ন ভাইয়া ।
লেখকের মন্তব্য
হাহাহা।
শেষ হয়ে গেলেতো হবে না! কারণ, পরেরগুলোতে হাসতে হবেতো!
সো, বি প্রিপেয়ার্ড!
লেখকের মন্তব্য
ভাল আছেন? আপনার কয়েকটা লেখা পড়া বাকি আছে।
সময় করে ঘুরে আসবো।
জোকসগুলো তাহলে পড়েই ফেললাম!
শুভকামনা অবিরাম।
লেখকের মন্তব্য
শিরোণাম স্বার্থক(বানানটা?) হইছে!
খিতারে বা, এত চুপচাপ কেনো ইদানিং?
আমার কাছে দুটো শব্দের বানানেই গরমিল মনে হচ্ছে!
শিরোণাম> শিরোনাম
স্বার্থক> সার্থক
আমি আবার বাচাল ছিলাম কবে!!
লেখকের মন্তব্য
শিরোনামের ব্যাপারটা টাইপিং মিসটেক।
স্বার্থক- অজ্ঞতাবশতই বলতে পারেন।
=========
গত অক্টোবরে আপনিতো আমাকেও ছাড়িয়ে গিয়েছিলেন! মনে নাই নাকি??
গত যা তাতো গতই!
অতীত নিয়ে আমি আবার বেশি ভাবি টাবি না!
লেখকের মন্তব্য
রাইট রাইট!
কথায়ইতো আছে, অতীত নিয়ে ভাবনা করাই আইলসার কাজ।
এই কথাটা কোথায় পেলেন আপনি!
লেখকের মন্তব্য
কিন্ঞ্চিত ঘষামাজা কর্ছি আর কি।
আপনারেতো কিছু কইনাই।
হে হে
লেখকের মন্তব্য
হো হো!
কী খবর?
হা হা হা নয়ন,
চ্রম হইছে।
লেখকের মন্তব্য
আমার ব্লগে স্বাগতম!
ধন্যবাদ অসংখ্য!
একেকজনের জোক্সের ভান্ডার পড়তে পড়তে মন্তব্য করার সময় পাই না। তারচে হাইসা লই।

লেখকের মন্তব্য
এই-ই ঢের ভালো!

আর কত হাসবেন ?
লেখকের মন্তব্য
হাসুক না, হাসি অফুরন্ত!
আমি হাসতে চাই। বই খাতা সব পানিতে ফেলে দিতে চাই।
লেখকের মন্তব্য
থিসিস ইন্সট্রাক্টরের কথা ভুইলেন্না ভাই(আপা)!
মানে কি ?
লেখকের মন্তব্য
মানে কি, মানে? আপনি থিসিস নিয়া বিজি না? সুপারভাইজ করছেন না কোন টিচার? তো, উনি যদি দেখেন বা জানেন, আপনি থিসিসে টাইম না দিয়ে জোকস পোস্টে টাইম দিচ্ছেন, তাহলে খবর আছে! সেইটাই হইলো মানে!
আর, ছন্দ মেলানোর স্বার্থে ভাই ডাকলাম আর কি।
আরে থিসিস ভুলতে এইখানে আসলাম, এখানে দেখি আরেক সুপারভাইজার !!! কই যাই ???
লেখকের মন্তব্য
ঠিকাছে! থাকেন আপাতত! পরে যাইয়েন। চা টা খান। সারাক্ষণ পড়লে বা লিখলে হবে নাকি, তাই না?
আহ, মনটা ভালো হয়ে গেল। এই না হলে ভাই

লেখকের মন্তব্য
হাহাহা!
ইস্! আমার যদি ওই লোকটার মত অল্প-স্বল্প বুদ্ধি থাকতো!
ফুল বিষয়ক জোক্সঃ
-তোর হাতে কি ফুল রে?
-ক্রিসেন্থিমাম।
-আমি তো দেখছি গোলাপ।
-না, না, ওটা ক্রিসেন্থিমাম।
-দূর, ওই নামে কোন ফুলই নেই! বানানটা বল দেখি।
-ক্রি- সা- দূর ছাই! তুই ঠিক বলেছিস, ওটা গোলাপ।
লেখকের মন্তব্য
হাহাহহা।
বানান করতে না পারার অক্ষমতায় গোলাপ বলেই মেনে নেয়া! হাহাহাহা।
(আচ্ছা, আসলেই ওই নামে ফুল আছে নাকি? কী বিপদে পড়লাম!)
ফুল নেই। ফ্লাওয়ার আছে!
লেখকের মন্তব্য
হাহাহা
থ্যাংকস আপা!
ভাল থাকুন অবিরত!
তুমিও ভাল থেকো, ভাইয়ু। লটস অফ 'লাফ'!!
লেখকের মন্তব্য
আপনার কাছ থেকে 'ভাইয়ু' ডাকটা শুনলে কেমন যেন হয়ে যাই আমি! আবেগাক্রান্তই হয়ে যাই বোধহয়! অনেক অনেক অনেক ভালবাসা আর শ্রদ্ধা আমার আপা'র জন্যে! সব ভাল'রা ঘিরে রাখুক আপনার চারপাশ!
===============
লটস অফ 'লাফ'!! হাহাহা।
এবার অনেকদিন পর জোকস নিয়ে এলে মনে হচ্ছে!
লেখকের মন্তব্য
মাসখানেক পর বোধহয়!
==============
থ্যাংকস নিয়াজ ভাই!
২য় দফা এলাম কমেন্ট দেখতে! হা হা হা।।।।।
আমি যে কতবার আসলাম !!!! নয়ন ভাইয়ের পোস্ট বলে কথা
লেখকের মন্তব্য
এহেম এহেম পাম্পিত হচ্ছি
@সাকিবা'পা
ফেটে যাবেন নাতো ? ভাবনায় পড়লাম ।
লেখকের মন্তব্য
আমিও ভাবনায় পইড়া গড়াগড়ি খাইতেসি, উঠতে পার্তেসিনা।
তাইলে আমারে চা খাওয়াবে কে ? আমি তো চা খেতেই ঘুরে ফিরে আসি। বুঝলেন ? এখানে চা নাই। আছে তে তারে। জঘন্য । বেশি মিষ্টি , ঠাণ্ডা আর বিজাতীয় স্বাদ ।
উঠেন । চা দেন। বড় আপু না ?
লেখকের মন্তব্য
অবশ্যই অবশ্যই!
চা ই তো, বেশি কিছু না তো।
বিস্কিটও খান
মাঝ রাতে চা! ইয়াল্লাহ, অবিবাহিতদের বিবাহের ব্যবস্থা করে দাও! আমিন!
লেখকের মন্তব্য
হাহাহা সাহাদাত ভাই।
সাহাদাত ভাই মশলা চা দেন। বিয়ের দোয়া করতে হবেনা।
লেখকের মন্তব্য
হাহাহাহা
বিয়ের দোয়া করতে হলে চা লাগে? মশলা চা?
মন দিয়ে পড়েন । কি লিখছি।
চশমা নেন। জলদি ।
লেখকের মন্তব্য
ওহ! হ্যা হ্যা! বুঝলাম!
লেখকের মন্তব্য
হাহাহা আপনার স্ট্যাটাসে দেইখা আসলেন্নাকি ভাই?
বারে বারে আসি ফিরে ফিরে, দেখে হেসে ফিরে যাই মন ভালো করে। এ আড্ডা যেন হয় না কভু শেষ, লাগছে কিন্তু বেশ॥
লেখকের মন্তব্য
বারবার এসে দেখার জন্যে কৃতজ্ঞতা!
=========================
এইটা কেমন লাগলো দেখেন তো নাজমুল ভাই! ইদানিং ছবি দেয়া শিখছি, তাই কেবল ছবি দিতে ইচ্ছে করে।
ক্যাম্নে কী? তোমাদেরকে আমি ব্যাপক হিংসাই। আমি কেন পারি না???
লেখকের মন্তব্য
আরে, আমিও পার্তামনা। তখন সবাইরে হিংসাইতাম!
হায়রে! আমি পারি না!!! কিচ্ছু পারি না!!!!!!!!
লেখকের মন্তব্য
Noyon vai..
likhagulo pore khub moja pelam.....
shuvokamona....
লেখকের মন্তব্য
কষ্ট করে লিখেও উপস্হিতি জানান দিয়েছেন দেখে ভাল্লাগছে।
অসংখ্য ধন্যবাদ!
মজার
লেখকের মন্তব্য
হালিম ভাই, মাত্রাতিরিক্ত ধন্যবাদ আপ্নারে!
আহহহহহহহহহহহ---------

বিরাট আড্ডা মিস হইয়া গেলো
-------
কেমন আছেন নয়ন ভাই?
লেখকের মন্তব্য
আড্ডা যখন শুরু হয়, তখন কিন্তু বিরাট আড্ডা ছিলোনা। আড্ডা হইতে হইতে বিরাট হইছে, সো, তুমি আড্ডা মিস করছো, বিরাট আড্ডা মিস করনাই!
============================
আমি ভাল আছি!
থ্যাংকস আ লট!
তুমি ভাল আছো?
এক্স্যাম কেমন হলো?
আমি আসতে আসতে তো আড্ডা বিরাটই হয়ে গেছে। তাও বিরাট আড্ডায় তো মিস হয়ে গেলো, তাইনা নয়ন ভাই

লেখকের মন্তব্য
যেডাই হোক, তোমারে ব্যাপকাকারে মিস্কর্ছি।
আমিও অনেক ভাইয়া।

খুব কাছের কাউকে নাকি ধন্যবাদ দিতে হয়না। তাই ব্যাপারটা এড়িয়ে গেলাম।
লেখকের মন্তব্য
লং লিভ নয়ন ভাই
জটিল বস্

লেখকের মন্তব্য
লোকটি রাগতস্বরে বললো, “না না তা কেন? আমি সব সময় আমার প্যান্ট খুলে গোড়ালীর কাছে ফেলে রাখি।”
লেখকের মন্তব্য
মন্তব্য করুন