নয়ন-এর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

ভূতের গল্প বা ভৌতিক কাহিনীগুলোর ব্যাপারে একটা কথা নির্দিধায় বলা যায়, তা হলো, মূল কাহিনী একই থাকে শুধু বর্ণনা/স্হান পরিবর্তিত হয়। আসুন, সেরকম কিছু গল্প পড়া যাক (বিভিন্নজনের কাছ থেকে বিভিন্ন সময়ে শোনা)।
কাহিনী-১
(ভৌতিক গল্প বলার শুরুতেই যে কয়েকটা প্রথমেই মনে পড়বে বা বলা হবে, এই কাহিনীটা তার মধ্যে অন্যতম।)
পুরো হোস্টেল বা হল খালি। সবাই ঈদ/পূজা ইত্যাদির ছুটিতে চলে গেছে যার যার বাড়িতে। কিন্তু একজন রয়ে গেলেন হোস্টেলে/হলে। সেই ছেলেটি/মেয়েটি এক গভীর রাতে ফ্রেশরুমে গেলেন এবং সেখানে গিয়ে দেখেন, কেউ একজন বেসিনে কাপড় ধুচ্ছে, তবে পানিতে নয়, রক্তে! হু, কল থেকে পানি না পড়ে পড়ছে রক্ত!
শেষ!
এবার, মনে করেন, এটা আমি শুনেছি একজনের মুখে এবং তিনি বলেছেন, এটা অমুক বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনা এবং সত্যি। ঠিক এমনই আরেকটা ঘটনা আরেকজনের মুখে শুনলাম, তিনি বললেন এটা তমুক বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনা! ভূত টুতরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি এত আগ্রহী কেনো?
কাহিনী-২
ঘোড়ার পা'য়ের কাহিনীটা মনে হয় সবাই জানেন। কাহিনীটা এরকম।
দুই বন্ধু। তার মধ্যে একটার ছিল মুভি দেখার নেশা। নাইট শো তে তার উপস্হিতি ছিল অবধারিত, প্রেক্ষাগৃহে একটা নতুন ছবি এলেই দে ছুট টাইপ। এইরকমই কোন এক জ্যোৎস্না রাতে ছবি দেখে বাসায় ফেরার উদ্দেশ্যে রিকশায় চেপে বসল। গুনগুন করে গাইছিল গান। হঠাৎই তার চোখ পড়ল রিক্সাওয়ালার পা'য়ের দিকে, দেখল পা গুলো কোনভাবেই মানূষের পা'য়ের মত মনে হচ্ছেনা। যেন ঘোড়ার পা!
আচমকা পাওয়া এই ভয় কাটিয়ে, সাহস সন্ঞ্চয় করে বাড়ীর সামনে গিয়ে দাঁড়ালো, আর রিক্সাওয়ালাকে বলল, "দাঁড়ান,আপনার ভাড়া নিয়ে আসছি"। বলেই দরজা খুলে ভেতরে ঢুকে বন্ধুকে ডেকে তুলল আর হাঁপাতে হাঁপাতে বলল, "দোস্ত, একটু আয় তো, আমি যে রিক্সায় এসেছি ওই রিক্সাওয়ালার পা গুলো ঘোড়ার পা'য়ের মত।" বন্ধুটি বলল, "দেখতো,আমার পা'য়ের মত কি না!" (মানে,বন্ধুটির পা গুলোও দেখতে ছিল ওই রিক্সাওয়ালার পা'য়ের মতই!)
-------
তো, এই ঘটনাটা নাকি প্রথম ঘটেছিলো রাবি'তে(আমি যেমন শুনলাম তেমন বললাম)। পরে দেখি এই কাহিনী নিয়েও ভাগাভাগি হয়ে গেছে। কেউ বলছে, না এটা চবি'র ঘটনা, অন্যজন বলছেন, আরে না এটা জাবি'র ঘটনা।
আসলে, ঘটনা যেখানেই ঘটুক আর যা-ই ঘটুক, ব্যাপার না সেটা। আমার শুনতে ভাল্লাগে, আমি শুনে যাই।
আজ আর মনে করতে পারছিনা।
ভাল থাকুন অবিরত!!
মন্তব্য
ভয়ে কাষ্ঠ হয়ে যাবার ইমো হবে।

লেখকের মন্তব্য
আরে আমি যেখানে শুনতেসিলাম এই কাহিনীগুলা, আপনি ঐখানে থাকলে না জানি কী করতেন!!
ভূত টুতরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি এত আগ্রহী কেনো?

তাদের মনে হয় ভার্সিটিগুলাতে তীব্র সেশনজট চলছে। তাই হয়ত।
ভয় পাই নাই।
লেখকের মন্তব্য
তাদের মনে হয় ভার্সিটিগুলাতে তীব্র সেশনজট চলছে

এসব কেন জানি আমি রাতের বেলা শুনতে পারিনা, ভয় ভয় লাগে। তবে দারুন লাগলো
চলেন্, দুজন মিলে লাশ কাটা ঘরে কফি খেয়ে আসি।
লাশ কাটা ঘরে?
লেখকের মন্তব্য
@বৃষ্টি,এগুলো শোনার সময় আমারও কিছুটা ভয় লাগে, তবে সেটা উপভোগ করি আমি।
@নির্মক্ষিক, মেডিক্যাল স্টুডেন্ট নাকি?
নাহরে ভাই! মেডিক্যালে চান্স পাওয়ার মত মেধা নাই আমার্! তবে লাশ কাটা ঘর নিয়ে অনেক জল্পনা কল্পনা আছে তো!
ভাই, লাশ কাটা ঘরে কফি খাওয়া অসম্ভব, তবে সেটা ভয়ে না, দুর্গন্ধে। বরং গত এক বছরের ক্যাফেইন বেরিয়ে আসবে।
সবচেয়ে মজার ব্যাপারটা খেয়াল করসেন? ভূত নিজেই কিন্তু সবথেকে ভীতু, শুধু রাতের অন্ধকারে, ঘাপটি মেরে, একলা মানুষকেই পায়। ভূতের গল্পের নির্মাতারা এই জায়গায় ভূত বাবাজীদের বড্ড অসহায় করে রেখেছেন।
ভাবছি, আমিও একটা ভূতের গপ্পো লিখব, যেখানে ভূত মানুষের সাথে মিলেমিশে হাটে বাজারে যায়, প্রেম পিরিতী করে, ইলেকশানে দাঁড়ায়, মন্ত্রী মিনিস্টার হয়... ... ..."
বিলম্বের জন্য দুঃখিত, ভ্রাতঃ।
লেখকের মন্তব্য
আসলেই, ভূত নিজেই ভীতু!
---
লিখে ফেলুন ফয়সাল ভাই। ভূতের গল্প পড়তে দারুণ লাগে।
---
বিলম্ব কোন ব্যাপার না, এসেছেন, অনেক খুশি হলাম।
-অসাধারণ ভাবনা।
লেখকের মন্তব্য
আসলেই অসাধারণ!
(আমার এই কমেন্টের মাধ্যমে এই পোস্ট এবং কমেন্ট ইতিহাসের অংশ হয়ে গেলো! কেন?
কারণ, মন্তব্য-প্রতিমন্তব্য মিলিয়ে মন্তব্যের সংখ্যা ম্যাজিক ফিগার-১০০ হলো!)
লেখকের মন্তব্য
কেমন জল্পনা কল্পনা? আমাদেরকেও ইনফর্ম করুন।
এসব কেন জানি আমি রাতের বেলা শুনতে পারিনা, ভয় ভয় লাগে। তবে দারুন লাগলো
মাম্মা শইল্ল্যে চিমটি কাইট্র দেহো’তো ভয় পাইছি নি কি?

কি কও ভাগিনা... তুমি কইতাসো না ভূতে কইতাসে...
লেখকের মন্তব্য
নয়ন ভাই! আমার খাটের নিছে ঘষটে ঘষটে কি জানি নড়ে চড়ে বেড়াচ্ছে! একটু পঁচা গন্ধও পাচ্ছি!
লেখকের মন্তব্য
দেখেন আবার, কী না কী ঘটে!
কী আর হবে! যদি আধ পচাঁ লাশ হয় তবে রাতটা গল্প করে কাটানো যেত!
লেখকের মন্তব্য
রাক কাটসে ভূতের সাথে?
লেখকের মন্তব্য
কৌতুক রেখে ভুতের গপ্পো, রাত-বিরাতে কি শুরু করলেন?

বলাবাহুল্য ডরাইছি!
লেখকের মন্তব্য
আসলেই!?!
এরচে' কত ভয়ংকর কাহিনী আছে!
নয়নমিয়াআআআআআআআআ কিরাম আছেন?? পরে এসে পড়ছি পুষ্টখান।,,,,জানান দিয়ে গেলাম আসছিলাম,,,,,,,,
লেখকের মন্তব্য
ও আমার বাতি ভাই্ইইইইইইইইইই
আপনেরে দেইখা বহুত খুশি হইলাম।
আইচ্ছা, সময় পাইলে আইসেন আবার!
CID crime scene -
:P:P
LADY:- Rahul mera bhai tha!
DAYA:- Kya?! Rahul tumhara bhai tha???!!
LADY:- Haan...Rahul mere bhai tha!!!!
ACP:- Rahul sach me tumhara bhai tha????
LADY:- Haan sir.. Woh mera bhai tha!!!!
ABHIJEET:- My Godddd! Iska matlab.....Tum Rahul ki behen ho??
লেখকের মন্তব্য
হায় হায়
এইগুলা কী?
তন্ময় ভাই লিখসেন নাকি ভূতে?
মনে হয় ভূত ! ! !
লেখকের মন্তব্য
আগেই কইসিলাম, আমার সন্দেহ হইসিলো!
----
তন্ময় ভাই, আপনার মা কেমন আছেন? উনার শরীরটা কেমন এখন?
আলহামদুলিল্লাহ্ , ভা্ল আছেন ।
মনে রাখার জন্য ধন্যবাদ 
লেখকের মন্তব্য
আরে, এতে ধন্যবাদ জানানোর কী আছে? ওটা আমার একটা দায়িত্বও বটে! মা তো মা-ই!
হুমমমমমমম !!!!!
খাঁটি গাওয়া ঘি-এর মত সত্যি কথা। জোকস-কবিতা-হরর জেনার। সব রকম ভ্যারাইটি! আমি বিমুগ্ধ!
-------------------
অনেক অনেক শুভেচ্ছা আর প্রার্থনা আমার প্রিয় ভাইয়াটার জন্য!!
লেখকের মন্তব্য
আসলেই আপু, চিন্তা করে দ্যাখেনতো, এই কাহিনী নিয়াও টানাটানি হয়!! আজিব!
---
কী যে বলেন আপু! এ আর এমন কী! কবিতাটাই যা মৌলিক, বাকীগুলোতে নেটই "আল্লাহ ভরসা" বলে চালিয়ে দেই!
---
উফ, এমন করে বললে চোখ ছলছল হয়ে ওঠে! আপনার শুভেচ্ছা নিলাম আপু।
কৃতজ্ঞতা!
আপনার মন্তব্য পড়ে তো এখন আমার নিজেরই চোখ ঝাপসা হয়ে গেছে। সত্যি সত্যি।
আমার মায়ের পেটের কোন ভাই নেই। এই নিয়ে আমার মনে গোপন কষ্ট ছিলো অনেকগুলো বছর।
কষ্টটা এখনও দূর হয়নি, বুঝতে পারছি।
আপু, আমি তো পিচ্চি থাকতে (ক্লাস ৯/১০) কান্নাকাটি করতাম খুব আমার বোন নেই বলে। আমি যাদের সাথে মিশতাম্, সবারই একটা করে বোন ছিল। এবং, আশ্চর্যের বিষয়্, বোন গুলো ভাই গুলোরে সেই রকম আদর যত্ন করত। এই ধরুন্, মাঝে মাঝেই দেখতাম আপুরা ভাত মাখিয়ে খাওয়াচ্ছে। আমি সাধারনত এসব ক্ষেত্রে স্থান ত্যাগ করতাম্, পাছে কেউ চোখে পানি দেখে!
এখন আসলে কান্নাকাটি ব্যাপারটাই একটু লজ্জাজনক্, তবে মনে পড়লে ভীষন খারাপ লাগে। যাই হোক্, নয়ন ভাই ভাগ্যবান্!
লেখকের মন্তব্য
আপু, আমিও কী নেই?

এখনো কষ্ট আছে?
নাহ! আর কষ্ট নেই!

লেখকের মন্তব্য
এখনতো ভুত এফ এম আসছে। পোলাপাইন মজা নিয়া প্রতি শুক্রবার কানে হেডফোন লাগাইয়া শোনে। আমিও কিছু কালেক্ট করেছি। একদিন রাত্রে, একা রুমে অন্ধকারে বসে বসে শুনছি। Can you imagine the feelings!!!!

লেখকের মন্তব্য
না!
আমি ওটা ভয়ে শুনিনা, একটা এপিসোডও শোনা হয়নি!
ভয়ের মধ্যেও একধরনের মজা আছে, ভাই।
লেখকের মন্তব্য
এক্স্যাক্টলি!
---
আর ভৌতিক পরিবেশে শুনতে জোস লাগে!
অন্যরকম শিহরণ!
---
তাই তো!!
তবে আমার শোনা গল্পগুলা বেশিরভাগই ছিল স্কুল বা স্কুলের হোস্টেলসংক্রান্ত।
লেখকের মন্তব্য
না না, ঠিকইতো আছে।
এতবছর পরে নিশ্চই বিশ্ববিদ্যালয়েই পড়ার কথা তাদের!
আরে তাই তো! হিসাবে একটু গরমিল হয়ে গেছিল আর কি! হে হে হে!
লেখকের মন্তব্য
যাক, আমি কিছু মনে করিনাই!

ওদের কি পড়তে খায়েশ হয়না? ভূত হলেও ওরাও তো মানুষ্!
নয়নের ভূতের গল্পও কৌতুকের মতই সারা দেহ কাঁপিয়ে দেয়।
কৌতুকে থাকে হাসির দমক
আর এ সব গল্পে ভূতের ধমক!
রাত-বিরেতে কেমন করে
থাকবো আমি একা ঘরে?
লেখকের মন্তব্য
এভাবেই থাকতে হবে
ভূতের ভয় সাথে করে,
অজস্র ধন্যবাদ নিয়ে নিন
কারণ, পোস্টটা আপনি গেছেন পড়ে।
অসাধারণ।
লেখকের মন্তব্য
হু.হারুন, আপনাকে প্রথম পেলাম আমার ব্লগে। ধন্যবাদ, শুভেচ্ছা জানবেন।
আবার আসলাম নয়নমিয়া! বাজারে গেছিলাম। শীত আইস্যা গেলু, একখান জুতা না হলেই না। কিনলান
খেলায় বার্সা জিতলোনি? দেখা হয়নাই খেলা। এই মাসটা এট্টু অনিয়মিত থাকবো ভাইটি। ভুইল্যা যাবেন না যেনু, ভূতের কসম থাকলো
জুক্সসহ এমন সব পুষ্ট দিয়ে ব্লগ মাতিয়ে রাখেন সদাই। অনেকককক শুভকামনা।
পেটের কথাও তো ভাবা লাগে। ব্যাপক সব্জি আর মাছসহ হাবিজাবি কিনলাম। ভরপেট খেয়ে ভূতের গপ পড়লাম।
যদি রাত বিরাতে ডর খাই, তাইলে কিন্তুক আপনারে চিক্কুর দিয়া ডাক দিবো, সজাগ থাইকেন।
ভালো থাকা হোক।
বাতিঘর, একখান জুতা কিনলা, ঘটনা কি? আরেকটা কবে কিনবা?
@বাপীভাই, গরীব মানুষরে ভাই, তাই এইমাসে একখান কিনলাম। সামনের মাসে আরেকটা কিনপো
নয়ন, টেবিলে বইসা এই মন্তব্যটা পড়তেসো? পায়ে ইকটু ঠাণ্ডা ঠাণ্ডা কিসু টের পাও? কার হিম ঠাণ্ডা আঙ্গুলের ছোঁয়া কও তো? আরে, পিছনে ঐটা আবার কি? হাহাহা!
- মজার পোস্ট হইসে, নয়ন!
লেখকের মন্তব্য
বাতি ভাই, বাপী ভাই কথাটা না তুল্লেও আমি তুলতামই! জুতা একটা কিনলেন ক্যান?
না না, মানিনা, অনিয়মিত থাকা মানিনা।
একটু হলেও ঢুঁ মেরে যাবেন।
ট্যাকা নাই মিয়া তাই একখান জুতা
নয়নমিয়া আমার তো শিং নাই কেম্নে ঢুঁ দিমু 
লেখকের মন্তব্য
তয় আরেকটু ধইয্য ধর্তে পার্তেন! একলগেই দুইডা কিন্তেন! আমরাও পোরোশনো কর্তাম্না!
লেখকের মন্তব্য
বাপী ভাই, ভুই পাইসি!
হাহাহা
কেমনাছেন বাপী ভাই? ল্যাপি'র সমস্যা কাটসেনি?
ভালো লাগ্লো।
অন্য কিসিমের একট্টুসখানি ডানপিটে ছিলাম পিচ্চি কালে। ভূত দেখার জন্য বহুত চেষ্টা ফিকির করেছি তখন। মাঝ রাইত পর অবধি ধাওয়া করসি শ্মশান তক পর্যন্ত; মোলাকাত হয়নি কোনোদিন।
আররেহ্! মানিক ভাই! আসেন কোলাকুলি করি! রাতে শ্মশানে আমিও গিয়েছি দুবার্। তবে আমার খুব ইচ্ছা ছিল পরীদের সাথে প্রেম করার্। রাত ২/৩ টার দিকে ছাদে উঠে পরী ডাকতাম্! ভয়ডরের প্রশ্ন আসেনা! প্রেম বলে কথা!
চিমটি।

পরীর প্রতি মোহ নাই আমার কোনো। হয় তারা ছলনাময়ী হবে; নইলে রূপের গৌরবে পা পড়বে না মাটিতে। তারচে' আমি মজি যদি, মজতে রাজী পেত্নী প্রেমে।
অবশ্য দিন বদলাইছে। পেত্নীও এখন ডিজুস কীনা, তাই বা কে জানে!
তা যা বলেছেন্! হা হা হা! ডিজুস পেত্নী!
লেখকের মন্তব্য
ডিজুস পেত্নী!

লেখকের মন্তব্য
ইশ!
কি মিস টা হইল, মানিক ভাই!
ভূতের লগে আপনের মোলাকাত হইলে আমরা জব্বর একখান কাহিনী শুনতে পার্তাম!
ছেলেবেলায় আপনার দ্বিতীয় কাহিনীটির মতো জ্বীনদের সম্পর্কে অনেক গল্প শুনেছি। তখন এগুলো শুনে ভয়ে গা ছমছম করতো। পারতপক্ষে একা শুতাম না। এখন অবশ্য ভৌতিক কাহিনী বা ছবিগুলো ঘুমের বড়ি হিসেবে বেশ কার্যকর। মিষ্টি প্রেমের কবিতা, আনন্দায়ক কৌতুকের পর ভৌতিক পোস্ট আকর্ষনীয় লাগলো। ভালো থাকবেন।
লেখকের মন্তব্য
শুনতে ভাল লাগলেও আমিও ভয়ই পাই শেষ পর্যন্ত।
আর আপনি এখন ভয়ই পান না!
---
অনেক ধন্যবাদ প্রিয় ভাইয়া।
কালকে এখানে একটা কমেন্ট রেখে গিয়েছিলাম। ওটা মুছলো কোন ভুতে?
না, আর যেখানে সেখানে কমেন্ট রাখা যাবেনা দেখি। কোন দায়িত্বজ্ঞান নেই কারো। এমন একটা দামী কমেন্ট হারিয়ে ফেল্লো??
লেখকের মন্তব্য
এমন একটা দামী ভৌতিক পোস্টে কমেন্ট হারিয়ে যেতেই পারে, তাই বলে ঝগড়া করতে হয় না!
বলেন,
লেখকের মন্তব্য
আমার ব্যান চায় কে?
লেখকের মন্তব্য
আরে নির্ম ভাই, এমনেই তাইনে নাচুনে বুড়ি, তার উপ্রে দিলেন ঢোলের বাড়ি!
ভুতের গপ্প ভালা পাই।
কিন্তুক জীবনে ডরাইলাম না!
একটা গা ছমছম ভুতের গপ্প কওতো নয়ন। যাতে জীবনে একবার হইলেও কইতে পারি, " আমি ডরাইছি"! 
লেখকের মন্তব্য
গা ছমছমে বা ভয় পাওয়ার মতো কিছু কাহিনী জানা আছে আমার। কিন্তু লিখতে গেলে বোধহয় সেই ভয়ের আবহ তৈরি হবেনা। কখনো দেখা হলে বলবো, প্রমিজ!
থ্যাংকস আপা।
ভুতমুত আমি ডরাইনা, রাইতে কত্তো ভুত পেত্নী দেইখছি চুরির টাইমে।
ভাই ইমোগুলান কোন মাকান খেইক্কা আমদানী হয় এট্টু জানাইয়েনতো
লেখকের মন্তব্য
ওই চোরা ভাই, সেই কাহিণীগুলো শেয়ার করেন্দেহি!
---
ইমো সমস্যার সমাধান পেয়ে গেছেন বোধহয়!
ভয় পেতে চাইলাম। কেনো যেন পেলামনা। সমস্যা নেই, কথা দিচ্ছি পরেরবার পাবো।

দুঃখিত নয়ন ভাই। দেরীতে মন্তব্য দেয়ার জন্য। পরীক্ষা ছিল তো, আজ শেষ হলো। আশা করছি এখন পুরোদমে ব্লগিং চালাতে পারব।
লেখকের মন্তব্য
নো নিড টু বি স্যরি! স্ট্রেইন্জ!
ব্যাপার্নাতো ভাইয়া!
আপনি যে এসেছেন, তাতেই আমি প্রাউড ফিল করছি এবং সম্মান বোধ করছি!
---
ভয় পাওয়ানোটা বোধহয় আমার উদ্দেশ্য ছিলোনা, পাবেন ক্যাম্নে!
সবাই দেখি স্কুল কলেজের আর হোস্টেলের ভূতের গল্প বেশী শুনেছে। কিন্তু আমার ক্ষেত্রে উলটো। বেশীরভাগ গল্পই বাঁশ ঝাড়, বিশাল বটগাছের নিচ দিয়ে রাতে যাওয়ার সময়কার, জঙ্গলের মধ্যে পরিত্যাক্ত বাড়ি ইত্যাদি নিয়ে।
লেখকের মন্তব্য
ভূতেরাও এখন শহরমুখী!

তাইলে তো দেখি আমিই ব্যাকডেটেড-------


ভুতেরাও এখন ডীজিটালাইজড হয়ে গেছে।
ডিজিটাল ভুত
ভূতরা অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহার করে এখন, জানেন??
লেখকের মন্তব্য
নির্মক্ষিক ভাই আপনে এ খবর জানলেন ক্যাম্নে?
ভয় পেলাম।
লেখকের মন্তব্য
তাই নাকি!
এত্ত ভয়ের কিছু না অবশ্য!
হা হা হা।
শাপলাপির একটা পোস্ট আছে জাপানি রূপকথার ঐখানে আপনার দ্বিতীয় গল্পটা আছএ।
ভূতরা শুধু বাংলাদেশেই থেমে নাই। সুদদুর জাপানেও চলে গেছে।
ভালো থাকুন অবিরত।
লেখকের মন্তব্য
আরে তাই নাকি, ঐ পোস্ট পড়া হয়নি!
---
ভূত শুধু জাপানেই নয় বোধহয়, সমগ্র বিশ্বেই ছড়িয়ে গেছে!
---
ভাল থাকুন অবিরত!
১ম ঘটনাটা শুনিনি কোথাও। তবে ২য় ঘটনাটার একটা পারফেক্ট চিত্রায়ণ আছে উত্তম কুমারের 'বিকেলে ভোরের ফুল' ছবিটায়। দেখলে রক্ত হিম হয়ে আসে।
লেখকের মন্তব্য
১মটা আমি বহুজনে, বহুভাবে শুনেছি!
আর ২য়টার ব্যাপারে যে ছবি'র কথা বললেন, তা জানতাম না। দেখি, সময় পেলে কখনো দেখবো।
---
অজস্র শুভেচ্ছা!
হরর মুভিতে তো এরকম ঘটনা হরহামেশাই দেখা যায়। সেগুলোই মনে হয় মানুষের মুখে মুখে ঘুরতে ঘুরতে একসময় সত্যি কাহিনী হয়ে য়ায়!
লেখকের মন্তব্য
হু, ব্যাপারটা তেমনই!
====
তার্পর, এদ্দিনে উদয় হইলেন! ডুব দিসিলেন ক্যান?
কি আর করি ভাই! কর্তব্য। আসলে হাতের কাছে কম্পু সহজলভ্য ছিল না, তাই এই ডুবে যাওয়া।
লেখকের মন্তব্য
আর ডুইবেন না!
আমি এমনিতেই অতিমাত্রায় ভীতু।তাই রাতের বেলা না পড়ে দিনে পড়লাম পোস্টটা।নাহ।বেশি ভয়ের না
আমিও হলের বাথরুম নিয়ে একটা গল্প জানি।কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে,ভুতেরা সব সময় বাথরুম,টয়লেটে থাকে কেন?ইউনিভার্সিটিতে গিয়েও এই স্বভাব ছাড়তে পারল না!হায়রে ভুতসমাজ!
লেখকের মন্তব্য
বাথরুম, টয়লেট, বাঁশঝাড়, পোড়োবাড়ী, বড় বড় গাছ আরও কত জায়গায়ই থাকে, ইদানিং তারা আবাসন সমস্যায় ভুগছে, আমি নিশ্চিত!
১ নম্বরটা বেশি কমন।
২ নম্বরটা আগে শুনি নাই
লেখকের মন্তব্য
২নংটাও বেশ কমন। আপনার শোনা হয়নি হয়তো।
যাই হোক, অজস্র ধন্যবাদ আপনাকে।
===
আপনি কি ভৌতিক ব্যাপারগুলো বিশ্বাস করেন?
না।
আমার এক বন্ধুর এগুলোতে প্রবল বিশ্বাস। সে নিয়মিত ভূত এফএম শোনে।
তাকে আপনার লেখাগুলো পড়তে দিয়েছি
লেখকের মন্তব্য
আরররে, তাই নাকি!! হাহাহা, কী ভাগ্য আমার!
থ্যাংকস!
আপনার খুব বেশী পোস্ট পড়িনি । এখন থেকে পড়া শুরু করলাম । এইটা আমার টাইপ না । কিন্তু কিছু পোস্ট খুবই ভালো লেগেছে। বাচাল শ্রেষ্ঠ লিস্টে এখন ৫ এ আছি।।
লেখকের মন্তব্য
অভিনন্দন আপনাকে!
আপনাদের মতো ব্লগার আমার ব্লগে আসাতে কৃতজ্ঞ!
ভূত টুতরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি এত আগ্রহী কেনো?

এটা বুঝতে পারলেন না “নয়ন ভাই”???
ওদের ও তো উচ্চ শিক্ষার প্রয়োজন আছে।
আমাদের সমাজে কত যে উচ্চ শিক্ষিত অমানুষ আছে, তাদের জন্য উচ্চ শিক্ষিত ভুত দরকার!!!!!!
মজা লাগলো
লেখকের মন্তব্য
হাহাহাহাহাহাহাহা
আপ্নার কমেন্টে মজা পাইলাম!!
থ্যাঙ্কুশ!
মন্তব্য করুন