নয়ন-এর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

আমার এই পোস্টের শিরোনাম "কিছু প্রচলিত ভৌতিক গল্প" দিলাম, এখন এই ঘটনাকে গল্প বলা যায় না। এটা নাকি খুবই সত্যি ঘটনা। আমি যেহেতু নিজে সেখানে ছিলাম না(আমি ওখানে থাকবো কেনো, মেয়েদের হোস্টেল না!), তাই এটা যে সত্যিই ঘটেছে কী করে বলি? আমরা ঘটনাতে যাইঃ
-------------
মেয়েদের হোস্টেল। সামনে কোন একটা ভ্যাকেশন আসছে, তাই সব ছাত্রীরা নিজ নিজ বাড়ীতে চলে যাচ্ছে। কিন্তু চারটা ছাত্রী সবার পরে যাচ্ছে, কারণ তাদের গার্ডিয়ানরা এখনো এসে তাদেরকে নিয়ে যায় নি। তো তারা সে রাতে সবাই মিলে গল্প করছিলো। সেই আড্ডাতেই একজন প্রস্তাব দিলো, "চল্, আজ সবাই ঐদিকের রুমটায় যাই, সেখানে সবসময় কেনো তালাবদ্ধ থাকে, সেই রহস্যের জট খুলতেই হবে"। শুধু বসে বসে গল্প করে এরকম এডভেনচার মিস করা সুবুদ্ধির পরিচায়ক নয় ভেবেই প্রস্তাবে দ্বিমত করেনি বাকী তিনজন।
বেশ দ্রুতই বের হয়ে সেই রুমের দিকে হেঁটে চলল চারজন। চাবিটা যে কোন ভাবেই হোক, ম্যানেজ করা হয়েছে। সেই রুম সম্পর্কিত নানান আলাপ করতেই করতেই পৌছে গেল সেখানে। যে প্রস্তাবটা দিয়েছিলো রহস্য উন্মোচন করার, সে নিজেই চাবি দিয়ে তালা খুলল। কিন্তু, এ কী! কিছুই নেই! শুধু অনেকদিন ব্যবহৃত না হওয়া একটি গুমোট পরিবেশ, বোটকা গন্ধ ছাড়া আর কিছুই নেই।
এহেন পরিস্হিতিতে সবাই হাসাহাসি করতে লাগল। কেউ কেউ এককাঠি সরেস হয়ে ব্যঙ্গ বিদ্রুপ করছিলো, যে নিয়ে এসেছিল তাকে উদ্দেশ্য করে। হঠাৎ...
না, ভয়ংকর কিছু না! তারা বরং সিদ্ধান্ত নিল রুমটা থেকে বের হয়ে যাওয়ার, এভাবে ভূত-টুত দেখার আশায় বসে থাকার কোন মানে হয়না। তারা ফিরে যাচ্ছিল, যাচ্ছিল, কিন্তু বারান্দার শেষ প্রান্তে ওরা কারা?? তিন তিনটা মেয়ে ঐ প্রান্তে করছেটা কী?!?
(গল্পটা এখানেই শেষ।)
---------------
আসলেই ঐ তিনটা মেয়ে কারা বা কী, এ ব্যাপারে যা জানা গিয়েছিলো তা হলো, অনেক আগে আগুনে পুড়ে ওই হোস্টেলেরই মৃত্যু হওয়া তিন ছাত্রী বা তাদের অতৃপ্ত আত্মারা! অপমৃত্যু-বরণকারীর আত্মা নাকি যেখানটায় মারা যায়, সেখানটাতেই তাদের আনাগোনা থাকে, কথাটা কতটুকু সত্যি, জানিনা।
আচ্ছা, যে চারজন ছাত্রী এডভেনচারের আশায় সেই রুমে ঢুকলেন কিন্তু কিছুই দেখলেন না এবং বের হয়ে চলে এলেন, তারা কি সাথে সাথে সেই তিনটা অতৃপ্ত আত্মাগুলোকেও বের করে নিয়ে আসলো না, যারা এতদিন হয়তো রুমটাতেই বন্দী ছিলো?
---------------
ভাল থাকুন অবিরত!
মন্তব্য
এত রাতে ভুতের গল্প পড়ে গা ছমছম করছে!
লেখকের মন্তব্য
কেউ ডরায়নাই, আপনে ডরাইলেন ক্যান?
একলা আছি তো তাই।
লেখকের মন্তব্য
ক্যান? একলা ক্যান? কী হইসে?
জট লাগায় দিলা নয়ন
লেখকের মন্তব্য
কোথায় লাগসে আপা?
শেষে কি কইলেন , গিট্ঠু লাগায়া দিলেন
এখানে মনে হয় "না" হবে না
এটা হবে মনে হয়

লেখকের মন্তব্য
না তন্ময় ভাই, আমি সচেতনভাবেই "না" যুক্ত করেছি, কারণ আপনি পরের লাইনটা ভাল করে পড়েন, সেখানটাতে আমি প্রশ্নবোধক চিহ্ন দিয়েই শেষ করেছি।
আমি গল্পটা বলার সময় নিশ্চই এভাবে বলতাম, তাই না?
ভাই , গল্প বলা আর পড়া আলাদা ব্যাপার ! মনে হয় আপনি বুঝতে পারছেন
লেখকের মন্তব্য
তা ঠিক অবশ্য!
১ম ভোট কিন্তু আমি দিলাম

লেখকের মন্তব্য
অজস্র ধন্যবাদ।
নয়ন ভাই কি এসব বিষয় বিশ্বাস করেন নাকি??? বর্ণনাভঙ্গি দেখে তো তাই মনে হচ্ছে।
ভয় পাইনি ভাই

আরোও ভয়ংকর কিছু চাই।
লেখকের মন্তব্য
ঠিক বিশ্বাস করি, তা বলছি না। ভয়ের একটা আবহ তৈরি হয় শুনতে শুনতে, ওটা ভাল্লাগে।
ভ্রাতা নয়নের ভূত বিশ্বাস মালুম হইতেছে!
লেখকের মন্তব্য
ঠিক বিশ্বাস করি, তা বলছি না। ভয়ের একটা আবহ তৈরি হয় শুনতে শুনতে, ওটা ভাল্লাগে।
আমি ডরাই নাই। দিনে পড়লাম কিনা।
নয়ন ভাই, এইভাবে ভূতের গল্প শোনাইলে শেষে না আবার ভূতে আপনার ঘাঁড় মটকাইয়্যা দেয়।
লেখকের মন্তব্য
আমার ভয় নেই!
ভূতে ডরেনা নয়ন!
তবে কিসে ডরে নয়ন?
লেখকের মন্তব্য
বলে দিলে তো ভয় দেখাবেন!
এটা তো ভূতের গল্প! ভৌতিক নয় মোটেও!!
লেখকের মন্তব্য
আমার খুব ভয় লেগেছিলো।
নয়ন ভাই, এতো ভীতু আপনি!!!!!
লেখকের মন্তব্য
হু!
পড়লাম।
লেখকের মন্তব্য
ব্যথা পাননি তো?
ভূতের গল্প পড়লাম, কিন্তু গা ছমছম করলো না। আসলে এ জাতীয় গল্প গড়ে ভয় পাওয়ার বয়স বোধহয় পেরিয়ে এসেছি।
লেখকের মন্তব্য
আমি পার হইলাম্না এখনো! হইতেছি বোধহয়!
ভয় পেলাম
লেখকের মন্তব্য
তো, এইটা মুখ কালা কইরা কওনের কী হইলো!
ভয় পেলে কি কেউ হাসে?
লেখকের মন্তব্য
ভয় পাওয়ার ইমো দিতেন!
মন খারাপের ইমো ক্যান দিবেন? ভূতের গল্প শুনে ভয় পাবেন স্বাভাবিক, মন খারাপ হওয়া অস্বাভাবিক!
উফ খালি প্যাচাল। ভয় পেলে কি মানুষ খুশি থাকে? নাকি মন খারাপ হয়?
কেমন আছেন?
লেখকের মন্তব্য
আর টিকতে না পাইরা এখন জিগায়, কেমন আছেন!
হাহাহা।
====
ভাল আছি প্রিয় ঝিনুকা'পা।
আপনি?
এহ, কেমনাছে তা জানতে চাইলেও দেখি দোষ। না, আর ভালো মানুষি দেখাতে নেই।
আমি ডরাইলে ওটাই দেই হুহ
লেখকের মন্তব্য
হমম_
বেশ ইন্টারেষ্টিং_ ভালোলাগা রইলো
ভালো থাকুন_
লেখকের মন্তব্য
ভালোলাগা রইলো? পরে ফেরত চাইবেন না তো?
আমি বোধহয় সবচেয়ে ভীতু ব্লগার। এই দিনে দুপুরেও ছমছমে ভয় পেলাম মনে হয়।


------------------------------
'বোকার তিন হাসি' গল্প:
(১) প্রথমবার কৌতুকের অর্থ না বুঝেই দেঁতো হাসি,
(২) দ্বিতীয়বার কৌতুকের মর্মার্থ বুঝবার পর সত্যিকারের হাসি,
(৩) সবশেষের হাসিটা হল, প্রথমবারে যে কৌতুক না বুঝেই দেঁতো হাসি দেওয়া হয়েছিলো, সেটা মনে করে হাসি।
------------------------------
প্রিয়তি প্রিয় নয়ন ভাইয়াকে শুভকামনা সতত।।
লেখকের মন্তব্য
ভয়ের মধ্যে 'ছমছমে' ভয়টা বোধহয় সর্বোচ্চ পর্যায়! সবাই দেখি ছমছমে ভয় পায়! হাহাহা, ফান করলাম।
------
বোকার তিন হাসি'র গল্প শুনে এখন বোকার মতোই হাসছি! কই যে পান এসব, আপু!
------
আপনার জন্যেও রইল অনেক শ্রদ্ধা আর ভালবাসা।
যতই গান কইরা যাও চরি যথই ভুতের গপ হুনাও মাগার আমারে ডর দেহান যাইবোনা কইলাম হে হে
লেখকের মন্তব্য
আইসেন, দেইখ্যা লমুনে, হু!
হু'য়ে কাম হবিনানি হুহ
লেখকের মন্তব্য
ওই চোরা, দেইখ্যা লমু কইলাম কিন্তু!
রাইতের বেলায় কতো ভুত পেত্নী আমার পায়ের তলায় পরে তার কুনু হিসাব নাই, আর আন্নে কইতন আইছেন আমারে ডর খাওয়াইতে??

নয়ন ভাই একটা ভুতের ছবি ঢালেন চোরার উপর, দেখবেন বেহুঁশ হয়ে পড়ে আছে
লেখকের মন্তব্য
হুম, ওটাতে কাজ হতে পারে।
হবে কি ১০০% সিওর। রাতের কথা দুরে থাক, দিনেও চোরার খবর আছে।
চোরা রাতে যায় কই? চুরি করতে নাকি?
লেখকের মন্তব্য
মনে হয়, কামে গেসে।
নয়ন ভাই পোস্টে এডিট করে কিভাবে?
শব্দ বদলাতে চাই।
লেখকের মন্তব্য
আপনি আপনার পোস্টে যান, তারপর লেখাটার শিরোনামের ঠিক নীচে তাকান, দেখুন, "সম্পাদনা করুন" অপশন আছে।
অসংখ্য ধন্যবাদ।
হা হা হা এরকম কতো কিছুইযে শুনি
ভালো লাগলো নয়ন ভাই
লেখকের মন্তব্য
অনেক ধন্যবাদ প্রিয় ভাইয়া।
আমি যে এত সাহসী জানতাম না!
একটুও ভয় লাগলো না।
লেখকের মন্তব্য
আমার খুবই ভাল লাগছে আপনি আমার ব্লগ ঘুরে গেছেন দেখে।
অজস্র ধন্যবাদ।
আরে আপনার ব্লগ তো আমার নিজের ঘরের মত!না এসে কি পারি!!
আরও ভয়ঙ্কর গল্প দেন।আমি ভয় পেতে চাই
লেখকের মন্তব্য
অবশ্যই অবশ্যই! সবসময় আসবেন। দরজা খোলা, (ব্লগার "ওই চোরা" এসে চুরি করলে আপনার দোষ)
পরে আবার ভয়ে কুঁকড়ে গেলে আমাকে ব্লেইম করবেন না তো?
---
এই ব্লগের একজন ব্লগারের নিক হলো, ওই চোরা। তার কথা বললাম।
ওই চোরা নিক!!!!!!
না!নো ব্লেইম।পোস্ট করেন
লেখকের মন্তব্য
হাহাহাহা
ভৌতিক গল্পের এইতো শুরু। আরও আরও গল্প চাই নয়ন ভাই।
শুভকামনা।
লেখকের মন্তব্য
লক্ষী আপুটা কত্তদিন পর আমার ব্লগে আসল!
---
আপু, আগের পর্বেও দুটো আছে।
---
ভাল থাকুন অবিরত!!
গা ছমছম করে উঠছে, এর আগে এরকম গল্প কারো কাছে শুনিনি
অট - থ্যাংকস ব্রাদার
লেখকের মন্তব্য
আরো আসবে গল্প। তবে এটা নাকি সত্যই ঘটেছিলো।
---
হুম, আপনাকেও ধন্যবাদ।
আচ্ছা, যে চারজন ছাত্রী এডভেনচারের আশায় সেই রুমে ঢুকলেন কিন্তু কিছুই দেখলেন না এবং বের হয়ে চলে এলেন, তারা কি সাথে সাথে সেই তিনটা অতৃপ্ত আত্মাগুলোকেও বের করে নিয়ে আসলো না, যারা এতদিন হয়তো রুমটাতেই বন্দী ছিলো?
"দারুণ একটা পয়েন্ট" ঘটনা সত্য হোক আর মিথ্যা,
শুভেচ্ছা জানবেন।
লেখকের মন্তব্য
আপনিও শুভেচ্ছা জানুন, রাশি রাশি রাশি .....................................................................
মন্তব্য করুন