নয়ন-এর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

৪.৩০এর দিকে নিয়াজ ভাই আমারে ফোন কইরা কয়, 'কী নয়ন, বিয়া করসো? আসবা কখন?' বল্লাম, দেরি হইলেও আসমুই। বিয়েশাদী শেষ কইরা, স্যরি, বিয়েশাদীর দাওয়াত টাওয়াত খাইয়া বিসমিল্লাহ বইলা রওনা দিলাম ছবির হাটে। গান শুন্তে শুন্তে পরীবাগের ভিতর দিয়া (কোন পরী অবশ্য দেখিনাই
) আয়া পর্সি। হঠাৎ কেডায় জানি কয়, ওই থাম! আকাশ থেইকা পড়লাম আমি, এই রাস্তাঘাটে তুই তোকারি করে কে! পরে বুচ্ছি, রিক্সাঅলারে ট্রাফিক পুলিশ সাবে কইতাছে, ওই থাম! শাহবাগের দিকের রাস্তায় রিক্সা নিয়া উঠা যাইবোনা! আমি বহুত অনুনয়-পরমাণুনয়-বিনয় কইরা কইলাম, তাও তাইনে ছাড়েনা, শেষে কইলাম, ভাইরে, আমারে যাইতে দ্যান, শাহবাগের মোড়ে আমাল্লিগা সব্বাই অপেক্ষা করতেসে, আমারে ছাড়া আড্ডা জমতাসেনা।
তাইনে আমারে রিপ্লাই দিলো, একটু হাইট্যা যান, ডাইবেটিস হইবোনা! আমি তার কথামতো ডাইবেটিস না হওনের লিগা হাঁটতে থাকলাম এবং চিন্তা করলাম ডাক্তর এইখানে কী করে!
১ম পর্ব শেষ!
=================
২য় পর্বঃ এই পর্বে আমার কষ্ট দেখে বা পড়ে চোখ ভিজে যাওয়ার সমূহ সম্ভাবিলিটি আছে।
রুমাল হাতে নিয়া রাখেন, চোখ মুছতে হইবোনা?
==================
ছবির হাটের সামনে গিয়া কারো কোন দেখা নাই, কারো মুখচ্ছবি আমি দেখিতে নাহি পাই! কিরে, সব গেলোগা নাকি! দিলাম মাইরা, না, না, কাউরে মারিনাই। নিয়াজ ভাইরে ফোন মারলাম। কয়, 'আমরাতো টিএসসির উল্টা পাশের পাবলিক টয়লেটে!'
হায়হায়! সবতে আড্ডা বাদ দিয়া পাবলিক টয়লেটে হান্দাইলো ক্যান! আরণ্যকভাই বিদেশ থিক্যা কারে কি না কি কইসে, সেল্লিগা হয়তো বদলা নেওনের লাইগা তাইনে সবতেরে দিসে জামালগোডা খাওয়াইয়া, যেল্লিগা সবতে হয়তো পাবলিক টয়লেটে!
আমি কইলাম, কই??!!?? কয়, 'পাবলিক টয়লেটের কাছেই আছি'।
আমি ছবির হাট থেইক্যা টিএসসির দিকে যাইতাসি আর ভাবতাসি, নদী প্রবাহমান, চতুরেরা হইলো কেনো টিএসসির দিকে ধাবমান, কথাতো ছিলো এইখানেই হইবো সবাইর আগমন আর এইখান হইতেই প্রস্হান! এইটা অনুধাবন করতে ব্যর্থ হইয়া অবশেষে পৌছাইলাম সেই পাবলিক টয়লেটে, স্যরি, টিএসসির উল্টাপাশের গেইটের কাছে। ভিতরে গিয়া কত মানুষরেই দেখি কিন্তু আমগো চতুরগোরে দেখিনা। অবশ্য, অন্য অনেক আদমরে গোল হইয়া আড্ডা দিতে দেখসি, যারে দেখি তারেই মনে হয়, এইটাই আরণ্যকভাই, ওই মাইয়াটা বোধহয় একুপা ইত্যাদি ইত্যাদি! না, মিলেনা!
আমি আবার উল্টাযাত্রা শুরু কর্লাম। ছবির হাটের দিকে। সেইখানে যাইয়া ইতিউতি চাই, কাউরেই চোখে পর্লোনা।
আবার দিলাম মাইরা, এইবার সাহাদাত ভাইরে ফোন মাইরা দিলাম। উনি আমারে কয়, আমিওতো খুঁজতাসি সবাইরে, তারা গেলোগানি? আমি কই, 'যায় নাই। আপ্নে খাড়ান ডিবিবিএল'র ভূতের(বুথ) সামনে, ডরাইয়েন্না। ঈমাভাইরে ফোন দিয়া কন, আপ্নে ওইখানে আছেন, আমার জন্যেও ওয়েট কইরেন।'
আমি হাঁটতে হাঁটতে, দৌড়াইতে দৌড়াইতে শেষ! টিএসসির ওইখানে ডিবিবিএল'র বুথের সাম্নে দাড়াইয়া সাহাদাত ভাইরে পাইলাম্না। এরমইধ্যেই কাম সারা! মানে, সাহাদাত ভাইরে ফোন দিয়া জিগাই, আপ্নে কই? কয়, 'আমিতো আয়া পর্সি, মানে চতুরগোরে পাইয়া গেসি।'
আহারে! এই ছোট্ট পোলাডার কথা একবারো ভাবলোনা! নাই, নাই, আমার আপন কেহ নাই।
২য় পর্বও শেষ! (চোখ মুছেন)
=================
গান গাইতাসি, 'যদি তোরে রিসিভ কর্তে কেউ না আসে, তবে একলা যা রে।' ঢুকলাম ভিত্রে। আবারো এইদিক ওইদিক তাকাইলাম, পাইনা তো পাইইনা! পা. টয়লেটের আশপাশে ঘুর্তেসিলাম লাটিমের মতোন। হঠাৎ একজনরে চোখে পড়লো, আরে হুদা ভাই না? হু! হুদাভাইই-তো! গেলাম সামনে। যাইয়া দেখি, ঈমাভাই নায়কের লাহান খাড়াইয়া আসে, লগে সাহাদাত ভাই(সাহাদাত ভাই কয়, 'আর কেউ আসেনাই?' আমি কইলাম, বিয়া কর্লে এট লিস্ট বউরে নিয়া আইতে পার্তাম) এবং বাংলার নায়ক রিয়াজ ভাই, থুক্কু, নিয়াজ ভাই। আর সমস্ত নারীকূল এক হইয়া দুনিয়া এক কইরা ফেলতেসে গল্প কইরা। পরে সবাই'র লগে পরিচিত হইলাম। আরণ্যকভাই'র লগে কতা হইলো, হুদাভাই'র লগে কতা হইলো। নিয়াজ ভাই'র লগে কতা কইতাসি, আচকা এক পিচকা(পিচ্চি আর কি, অন্তত বয়সে আমার ছোট) আয়া কয়, 'আমি আকাশগঙ্গা!' আমিও দাঁত কেলাইয়া হাসি দিয়া পরিচিত হইলাম। তার্পর ভেবেপারে কইলাম, 'হাই আপা ভ্যাবলা, আমি কেবলা(এইটা কইনাই অবশ্য), আমি নয়ন।' এমন সময় একুপা পাশ থেইক্যা কইলো, 'আমি একুয়া' (আরে, আমি আপ্নেরে জিগাইসিলাম্নাকি? হু!) ! মাশরুর, বহুব্রীহি'র সাথেও হালকার উপর কতা হইলো, আমি বহুব্রীহি'র কুশল জানতে চাইলাম, কিন্তু তাইনে আমারটা জানতে চাইলোনা!! এর্পর, সোহেল(পাপতাড়ুয়া)ভাই'র সাথেও বাৎচিত হইলো, তারে আমার কাছে খুব অমায়িক(অ মাইক?) মনে হইলো, কেনো হইলো, জানি না।
তার্পর শুরু হইলো ফটোসেশন। সাহাদাত ভাই(সাহাদাত ভাই ছবি তুলবো জানলে একটু সাজুগুজু কইরা যাইতাম, উনি ঘটকালিতে নামসে, পাত্রীর বাপেরা আমারে দেখতো আর কইতো, পোলা কত্তো সুইট), হুদা ভাই ছবি তুলতেসে। হঠাৎ আরেকজন(আসলেই জানিনা বা পরিচয় হয়নি উনি কে) ছবি তুলতে আইলো, আমরা পোজ দিলাম। কিন্তু,,,,,,, না! ছবি তো আর উডেনা! অনেক সময় পার হইলেও যখন উডলো না, আমি কইলাম, এতক্ষণে এক্টা ফিল্মই বানান যাইতো। আমার পিছন থিকা কে জানি কয়, হ, হ, শর্টফিল্ম বানান যাইত(একুপা কইসিলেন?)। যাক, শেষমেষ ছবি উটল আর আম্রাও চেয়ার থেইকা উটলাম।
তারপর আরো কিছু সময় আড্ডাবাজি শেষে যে যার মতো যাইতে শুরু কর্লো। আমিও আয়া পর্লাম বাসার দিকে।
১ম, ২য় এবং শেষ পর্বও শেষ!
মন্তব্য
লেখকের মন্তব্য
চেতেন ক্যান? সেই ইউকে থেইকা লুকজন আয়া পর্সে, আর আপ্নেরে তো ঢাকা থেইকা দেখা যায়!
বাক্সে বাক্সে বন্দি বাক্স...

কথা সৈটা না। আমরার ডার্ক লজেন্স কই?
লেখকের মন্তব্য
আমি গেসি সবার শেষে। আরণ্যকভাইরে ধরেন।
এ, অরণ্যক ভাইরে ধর্মু ক্যান? সে তো ভাগ বাটোয়ারার জন্যি বুঝায়াই দিসে! শ্যাষে গ্যাছেন তো কী! শুনলাম তো শ্যাষ পর্যন্তও বাঁইচ্চা গেসে। জলদি ফ্যাক্স করেন!
লেখকের মন্তব্য
হেই কতাডাও আরণ্যকভাইরেই কনদি!
নয়ন, কেউ হুদা ভাইয়ের কোন ছবি দেয় নাই। তাই (হুদা ভাইয়ের ফেইস বুক ওয়াল থেকে)আমি একটা দিয়া দিলাম।
লেখকের মন্তব্য
অন্যদের পোস্টে তো নাজমুল ভাইয়ের ছবি আছে। নাকি? আমি ভুল করলাম কি?
ইমো দেখে বুঝতে পারছেন ভাইয়া,আমি হাসতেই থাকব মনে হয় আজকে রাতে
চরম হইছে পোস্ট।ছবি না থাকার জন্য মাইনাস দেয়া উচিত
কিন্তু জানলাম আপনি লেট লতিফ(মরা লতিফ!!)
জীবন্ত লতিফ ভাইজানেরাই ছবি দেয়নাই,
আপনি আর কি দিবেন! তাই পোস্টে
লেখকের মন্তব্য
এইতো বুঝতে পার্সেন ঘটনাডা।
যান এইবার ঘুমান! সাবধান, ঘুমাইয়েন্না। কথা দিসেন, সারারাইত ভইরা হাসবেন। সো, লেটস স্টার্ট হাসাহাসি!
আমি তো হাসি স্টার্ট দিসি ভাইয়া।আর আমি ঘুমাইলেও হাসতে পারি(ভিজলেও জ্বলের মত আরকি)


কালকে ভার্সিটিতে সরস্বতী পূজা দেখব(খুব নাকি মজা হয়),হলে লাফালাফি হবে,তাই একটু পরে ঘুমাইয়া এনার্জি জমাইতে যাব
হাসি pause করে ঘুমাইয়া উঠে start দিবনে
লেখকের মন্তব্য
start দিতে ভুইলেন্না কইতাসি!
ভুলবেন তো ধরা খাবেন!
কহিয়াছেন দয়াল বাবা কেবলা কাবা....
না ভাইজান।ভুল হয়নাই।এখনও চলতেসে

লেখকের মন্তব্য
হু! গুড গার্ল!
মেঘপরী, ছবি এখানে ।
লেখকের মন্তব্য
ভাইজান, আছেন কেমন? সম্বন্ধীর খবর কী?
ফাটাফাটি পোষ্ট বলে কমেন্ট করবো ভেবেছিলাম, কিন্তু যেই মাত্রো আমারে পিচকা কইলেন সেই মাত্রই মাইনাসের জন্যে হাত নিস্পিস শুরু হইছে।
চৌধুরী সাহেব আমি বয়সে ছোট হতে পারি
কিন্তু লম্বায় কিন্তু আপনার চে বড়!
লেখকের মন্তব্য
লম্বায় বড় হইতে পারেন, বয়সে নয়
লেখকের মন্তব্য
আপা আপা আপা
অনেক অনেক থ্যাংকস!
আপ্নি থাকলে আরো জমজমাট আসর হতো। নিশ্চই হবে।
হাই, নয়ন! আইলা শেষ মেষ!
- বাই, নয়ন!
পরে কথা কমু নে!
লেখকের মন্তব্য
আইলাম।
আপনার স্ট্যাটাসে লিখসিলাম কিন্তু।
আহা আগে আগে বিয়া কইরা আগে আসতেন মানে আগে আগে বিয়া খাইয়া আগে আসতেন।
লেখকের মন্তব্য
আপনার নিকটু দুইখানা প্রশ্ন ছিলো। পোস্ট পর্সেন?
১নং- আমি নিজেই নিজের পরিচয় দিলাম আর কি।

২নং-আমি আর ভ্যাব্লাপু বলসিলাম মে বি। মনে নাইক্কা।
লেখকের মন্তব্য
আমি ভাবসি, আপ্নি হয়তো চিন্তা কর্সেন, ভ্যাব্লাপারে সবাই জিগায়, আমারে কেউ জিগায়না, তাই আগেভাগে কয়া দিই!

আপ্নের মত এত সহজ সরল চিন্তা তো মাথায় আসেনা ভাই,

কষ্ট কইরা যাতে আপনার আস্কাইতে না হয় তাই নিজে থেকেই বলসি।
লেখকের মন্তব্য
আপ্নে অবশ্য অনেক বড় মনের, এইটাতো বোধহয় কাইলই কইসি।
মহানুভবতা!
কিচ্ছু কমুনা!!
লেখকের মন্তব্য
ইশরে! মাথা ফাডায়া ফেলতাসে দেখি!
কইবেন্না কেন?
আমগো কী দুষ? আম্রা কী মানা কর্সিলাম, লাবণী আপ্নি আইসেন্না, আসলে আম্রা রাগ করমু?
ফাইনেলি সবাইরে পাইলেন, আড্ডাও দিলেন, ছবিও তুললেন এই উচিলায় আমাদের মিষ্টি খাওয়ান
হক কথা। লাখ কথার এক কথা কইসেন, মাসুম ভাই।
জলদি জলদি মিষ্টির ইন্তেজাম করেন, নয়ন ভ্রাতা।
লেখকের মন্তব্য
@কবিভাই, সবাইরে পাইনাই(শাওন ভাইরে পাইনি), আড্ডা দিসি, ছবি তুলিনাই! এখন মিষ্টি আপ্নিই খাওয়ান!
@মানিক ভাই, উপরের দিকে চোখ বুলান!
আপনে যে বিয়ার আসর থিকা আসছেন , এই কথা সবাই জানে ! পালায়া আসছেন নাকি এইটা অবশ্য কেউ জানে না !
লেখকের মন্তব্য
পালায়া না ঠিক, একটু তাড়াহুড়া কইরা আইসি, আওনের আগ দিয়া চুলে এট্টু জেল টেল লাগাইসি, অমনি মাইনষে কয়, কী ব্যাপার, এত পাংকুপুংকু কইরা কই যাও? নেক্সট বিয়া কি ওইখানেই খাইতে যামু নাকি?
নয়ন ভাই
আহারে বেচারা রিশাদ--
লেখকের মন্তব্য
ভাইরে কাইন্দেন্না। আপ্নের দুঃখ সবাই বুঝলেও আমি অন্তত বুঝি না!
এইটার চেয়েও বেশি আফসোস হইতেসে বইমেলায় আসতে পারব না। ভাইভা চলবে।
লেখকের মন্তব্য
পুরা ফেব্রুয়ারি জুড়েই ভাইভা?
মার্চের অর্ধেক পর্যন্ত যাওয়ার কথা। আমাদের পরীক্ষা সবসময় আড়াই মাস ব্যাপী হয়
লেখকের মন্তব্য
আড়াই মাস ব্যাপী!!
হাহাহা! জোক্সাড্ডা সুপ্পার, বাম্পার, জট্টিল, কঠ্ঠিন, ডিজুশীয় হিট!

সচিত্র প্রতিবেদনের অপেক্ষায়!
লেখকের মন্তব্য
হাহাহা
আপা, আপনি অনেকক্ষণ ওয়েট করেছেন, ছবিপোস্ট চলে এসেছে। একুপার পোস্টে।
অনেক ধন্যবাদ।
(স্যরি ফর হোয়াট?)
একটা পোস্টও মনে ধরলো না
সব পোস্টালারে কুপাইতে মন চায়
ছবি ছাড়া আড্ডা পোস্ট
ছবি এখানে ।
লেখকের মন্তব্য
আমিতো লেইট লতিফ!
জীবিত লতিফভাইয়েরাই ছবি দিসে দেরিতে!(কপিরাইটঃ মেঘপরী শীলা)
নয়ন আপনার পোষ্টের দ্বিতী্য পর্ব পড়ে এত
পেল যে, টিস্যু দি্যে চোখ মুছতেছি আর লেখতেছি।।।
পরের পর্বের বর্ণনায়

কান্না থামছে
লেখকের মন্তব্য
আমি রুমাল রাখতে কইসিলামনা? টিস্যুতে কুলাইসে?
===
অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
ঘুম থেকে উঠেই আপনার পোস্ট। কি লিখলেন আর কেম্নে লিখলেন!!!! মারাত্মক রকমের জোশ । হাসতে হাসতে আমি নাই একবারেই।
ফোনে আমি প্রায় সবার সাথেই কথা বলছি। শুধু প্রিয় দুই ভাই (আপনি আর উদারাজি ভাই ) রে মিস করলাম।
চলুক লেখালেখি এই রকম। ভালো থাকবেন। আনন্দ দেয়া যাতে না কমে।
লেখকের মন্তব্য
হাহাহা। আপনার প্রশংসা অন্তরে ধারণ করলাম।
আসলে, আমি সবার শেষে যাওয়াতে (এবং অনুষ্ঠানে ব্যাপক খাইদাই করাতে পেটভর্তি ছিলো) অনেক কিছু মিস করেছি. এই যেমন ধরেন, চটপটি, ফুচকা, চা, বিস্কিট, চিপস, চকোলেটস ইত্যাদি ইত্যাদি।
সবচে' বড় মিস করলাম আপনার আর শিমুল ভাইয়ের সাথে কথা বলার সুযোগটা।
আহারে প্রনের আড্ডা মিসাইলাম।
লেখকের মন্তব্য
মিসাইলেন ক্যান? আপনি চলে আসতেন। ব্যাপক মজা হতো।
নেক্সট টাইম দেখা হবে ইনশাল্লাহ।
ভাই আমিতো অনেক দূরে। চট্টগ্রামে।
লেখকের মন্তব্য
সেই ইউকে থেইকা লুকজন আয়া পর্সে, আর আপ্নেরে তো ঢাকা থেইকা দেখা যায়!
ওরে আড্ডা



----------
পোস্ট চরম
--------------------
ছবি নাই তাই মাইনাচ
ছবি এখানে ।
ধন্যবাদ হুদা ভাই
লেখকের মন্তব্য
মাইনাস উঠায়া নেন, প্লাস দিয়া দ্যান।
লেখকের মন্তব্য
বাপ্রে! এই একখান প্লাসের সাইজতো বেশ কয়েকটা প্লাসের সমান।
লেখকের মন্তব্য
এত কান্নাকটি কিসের?
কাল তো আপ্নেও মজা কর্সেন। ভার্সিটির পিকনিকে গেছিলেন না?
হ। কিন্তু তাও
লেখকের মন্তব্য
অবশ্য আম্রাতো আর আপন না...
নাই, নাই, আমার আপন কেহ নাই।
এইডা আম্মো কই! কেউ আমারে একটা ফুনাইলোনা!
নয়ন তুমি তো দেখি হিরু!
লেখকের মন্তব্য
আমার কাছে আপনার ফোন নম্বর থাকলে ফোন করতাম নিশ্চিত।

===
আমি হিরুইনচি না!
আসেন আমরা বরং এখানেই পরিচিত হই!

আমি স্বপ্নবাজী! আপনি?
জি আমার নাম জামি। আপনি?
আমার নাম তো বললাম। আপনার সাথে পরিচিত হয়ে খুশি হলাম। কিন্তু এখন করমর্দন করব কিভাবে!
আচ্ছা যাই হোক, তারপর বলেন কেমন আছে?
আসেন ভাই বুক মিলাই। হাত না মিলাইলে কি হইছে
আসেন আসেন জলদি আসেন!
লেখকের মন্তব্য
আমারে চিনেন্না? নিজ দায়িত্বে চিইন্যা লন।

এত পরিচিত হওনের শখ থাকলে কাইল আয়া পর্তেন।
আপনাকে আসলে ঠিক চিনলাম না! আপ্নে কেডা?

দেখলেন না আমি নিজের পরিচয় দিলাম! ভদ্রতা করেও তো পরিচয় দিতে হয়!
আপনে জানি কিডা? ও মনে পড়ছে, ঐ যে কাল নায়কের মতো পোজ দিছিলেন সে না?
লেখকের মন্তব্য
হাত মিলানোর আগে সবারই হাত ধুয়ে নেয়া উচিৎ। তানাহলে হাত মিলানোর মাধ্যমে যে শুভেচ্ছা বিনিময় করা হয়, সেটা হয়ে যাবে জীবাণু বিনিময়। কী বলেন?
ভাই আপনি এতো নোংরা!!! হায় হায়!!! মাইনষেরে কন, নিজেরটা ধুইছেন?

হুম, শুনেছি আপনার হাতে সব সময়ই নাকি জীবাণু লেগেই থাকে? আপনার ক্ষেত্রে তো তাহলে এটা ১০০ ভাগ প্রযোজ্য!
লেখকের মন্তব্য
দেখসেন স্বপ্নভাই. আপ্নারে জামিভাই নোংরা কইসে!!
তদন্ত চলছে!
লেখকের মন্তব্য
কী ব্যাপারে তদন্ত চলছে?
কি আর বলবো! আপনাদের সবার কমেন্ট পড়ে আমি পুরাই সেন্টু হয়ে যাচ্ছি। মনে হচ্ছে টাইম মেশিন মেঘের ভেলায় ভেসে আবার যদি পিচ্চিবেলায় ফিরে যেতে পারতাম - সেই নির্ভার দিনগুলোতে! এত্ত কিউটি বিউটি সব কমেন্টস...
[একটু পরেই এক জাপানী ফ্যামিলি বেড়াতে আসবেন বাসায়, আর আমি সব বাদ দিয়ে পড়ে আছি চতুরে!!!! মাথাটা আসলেই পুরাই গ্যাছে আমার।
বাই দ্য ওয়ে: নয়ন ভাইয়া, সাহাদাত ভাইয়ের মত আমার হাতেও কিন্তু অস্ট্রেলিয়ান, জাপানী ও আরবী সুশীলা তনয়া রয়েছে - ভার্চ্যুয়ালি নয় কিন্তু, রিয়্যল লাইফে!]
লেখকের মন্তব্য
হাহাহা। চাইলেও সেই দিনগুলোতেও ফিরে যাওয়া যায় না। কষ্ট সেখানেই।
========
গেস্ট সামলান!
===========
আপনার হাত এত বড়?
---অস্ট্রেলিয়ান হৈলে খারাপ হয় না!
অস্ট্রেলিয়ানদের প্রতি আমার কিন্ঞ্চিত উইকনেস আছে। 
এমবিএ টা দেশে না করে অস্ট্রেলিয়ায় করার ইচ্ছে ছিলো, পরে অবশ্য দেশপ্রেম জাইগা উঠসে, নাহ, দেশের ছেলে দেশেই থাকুম!
===
লটস অফ লাভ!
' সেন্টু' মানে কি জাতি জান্তে চায় !
মিন্টুর ভগিনী সেন্টু!
লেখকের মন্তব্য
মিন্টু কে?
মিন্টু হইলো সেন্টুর ভাই

লেখকের মন্তব্য
ঈমাভাই, আমি জানতে চাই, জাতি কে? উনি কি চতুরের ব্লগার?
মারা গেলাম!
লেখকের মন্তব্য
ইন্নালিল্লাহি........
===
মারা যাবেন কেনো আপা?
আপনি যখন ঝট করে আড্ডায় ঢুকলেন আমি তখন ফট করে কেটে পড়লুম যে

লেখকের মন্তব্য
কেটে পড়লেন কেনু? আমি পাওনাদার নাকি?
দেখসিলাম নায়কের(নয়নের) ছবিটা। তা আড্ডা শেষে কার বাসার দিকে রওনা দিসিলেন?
লেখকের মন্তব্য
নয়ন নামে ঢালিউডের কোন নায়ক নাই। আপ্নে কোন নায়করে দেখসেন?
====
বাসায় গেসি, কোন সন্দেহ?
আড্ডার স্থান পরিবর্তন আমাদের মত লেট লতিফদের বেশী হাটিয়েছে! মানি না, মানবো না!
ছবি দেয়া হয়েছে!
লেখকের মন্তব্য
হ! মানিনা! কিচ্ছু মানিনা!
নয়ন ভাই আগে গেলে বাঘে খায় পিছে গেলে স্বর্ণ পায় -- এই প্রবাদ স্বার্থক করতেই আপনি লেটে গেছেন মনে হয়। আর আমি আগে যাওয়া পার্টির সাথে আড্ডাইছি। তার মানে কি আমি বাঘ ?? ভাবতাসি !!!
লেখা পইড়া মজা পাইলাম। আপনি রম্য লেখা লেখেন না কেন নিয়মিত ??
লেখকের মন্তব্য
হেহেহে! অন্ততঃ যারা গল্প লিখছেন নতুন, তাদের কাছে আপনি বাঘই বটে!
তবে, স্বর্ণটর্ণ পাইনাই কইলাম।
===
আসলেই মজা পাইসেন? আবার নিয়মিতও লিখতে বললেন!
আমি ভেবেছিলাম, এই আলোচনাটা অন্তত একবার উঠে আসবে । উঠে আসেনি । আড্ডাপাগল আমরা আড্ডা পেলে সব ভুলে যাই ।
তবে, এরকম আড্ডা থেকেই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো নিতে হবে ।
"যাঁরা চতুর্মাত্রিকে ব্লগাই,(চিহ্নিত ভার্চুয়াল রাজাকারেরা ছাড়া) আমাদের মধ্যে দ্বিমত থাকতে পারে, তীব্র দ্বিমত থাকতে পারে বিভিন্ন বিষয়ে, দুটি ভিন্ন সত্তা , দু'জন সম্পূর্ণ ভিন্ন মানুষের কাছে একটি বিষয়ে সবসময় একমত না হয়ে দ্বিমত থাকাটাই খুব স্বাভাবিক, সব বিষয়ে সবাই 'একমত' 'সহমত' হওয়াটাই বরং অস্বাভাবিক । দ্বিমত যে তৃতীয় মাত্রা এনে দেয়, তা নিয়েই আমরা চতুর্মাত্রিকে ব্লগাই । আমরা যতই ভার্চুয়াল চরিত্র হয়, নিকের আড়ালে আমরা আসলে মানুষ, আমাদের আবেগ, হিংসা , ক্রোধ এবং কান্না আছে ! আমরা আসলে একটি পরিবার । আমরা সবাই সবার প্রিয়জন । তাই, শূকর এর নখর আঘাতে প্রিয়জন বহুব্রীহির শরীর থেকে যখন রক্ত ঝরে, আমাদের হৃদয়ের রক্তক্ষরণ তখন আমরা কাওকে দেখাতে পারিনা, আমাদের চোখ হয়তো একটু ভিজে উঠে, সে ভেজা চোখ কেউ দেখে কী দেখে না, আমরা উপলব্ধি করি, ঘুরে দাঁড়াতে হবে...ঘুরে দাঁড়ানোই ভালো..সবাই নিজেদের জন্য দাঁড়ায়, প্রিয়জনদের জন্য দাঁড়ায়, আমরা আমাদের আত্মার আত্মীয়, ভার্চুয়াল ভাই, বন্ধু প্রিয়জনদের জন্য দাঁড়াবো ! আমাদের মিছিলের সব হাত হবে এক !
আমাদের ব্লগ পরিবারের যে কোন সদস্যের দুর্দশায়, বিপদে আমরা পাশে দাঁড়াবো, অন্যায়ের শক্ত প্রতিবাদ করবো, এরকম একটি কার্যকর পদক্ষেপ কী আমরা নিতে পারি ? আমরা কী নিতে পারিনা ?"
এটা বহুব্রীহির পোস্টে দেয়া আমার মন্তব্য । এ বিষয়ে কিছু আলোচনা হলে ভালো লাগতো ।
শিপন ভাই এ ব্যাপারে একুয়ার পোস্টে হালকা পাতলা আলোচনা হয়েছে ব্লগের রূপরেখা সংক্রান্ত।
আপনার প্রস্তাবনাগুলো সেই আলোচনার সাথে যোগ করে দিন।
লেখকের মন্তব্য
শিপন ভাই, আপনার কথার অধিকাংশে একমত।
আমি ছোট্ট একটা কথা বলতে চাই, আমাদের ডেস্টিনেশনটা কতদূর পর্যন্ত বিস্তৃত? হ্যা, প্রথমেই হয়তো বলে দেয়া যায় না আমরা কতটুকু সফল হবো অথবা কতদূর যাবো। আমাকে নৈরাশ্যবাদী ভাববেন না।
যদি তেমন কিছু একটা শুরু করা যায়, দেখতে হবে সেসব কার্যক্রমের ফ্লো টা সবসময় একই থাকবে কিনা। কিছুদিন হম্বিতম্বি করে চুপ হয়ে গেলে বিপদ। শুধুমাত্র সংগঠন-সর্বস্ব হয়ে লাভ কী?
তবে, আশা'র কথাও বলা যায় বা বলতে পারি। সেটা হলো, শুরু হয়ে যাক না ছোট্ট কলেবরে। একদিন সেটাই হয়তো মহীরুহে পরিণত হবে।
===
সবাই নিজেদের জন্য দাঁড়ায়, প্রিয়জনদের জন্য দাঁড়ায়, আমরা আমাদের আত্মার আত্মীয়, ভার্চুয়াল ভাই, বন্ধু, প্রিয়জনদের জন্য দাঁড়াবো! আমাদের মিছিলের সব হাত হবে এক!
আশাবাদী বা নৈরাশ্যবাদীর কথা না । প্রশ্নটা মেরুদন্ড সোজা রেখে বাঁচবার । আমরা সমাজ বদলাতে পারবোনা হয়তো, তবে এই 'অসামাজিক' সমাজের প্রতি আমাদের অনাস্থার জায়গাটি জানাতে পারবো । আর সেই অর্থে কোন সংগঠন নয় । ব্লগারেরা একত্রিত হয়ে প্রতিবাদ করবে, মৌন মিছিল করবে । শীতার্তের পাশে দাঁড়াবে, বন্যার্তের পাশে দাঁড়াবে, যখন প্রয়োজন পড়বে। এসবের জন্য আলাদা তেমন কিছু করতে হয়না । শুধু স্টেপ নিতে হয় আলোচনা করে । যারা পারবেন তাঁরা যাবেন ।
লেখকের মন্তব্য
যখন মহীরুহে পরিণত হবে ব্লগারদের অবস্হানটা, তখন নিশ্চই সমাজ বদলানোতেও ব্যাপক ভূমিকা রাখা যাবে। বলা যায়, বদলের শুরুটা হয়তো ব্লগারদের হাত ধরেই হবে।
শীতার্তের পাশে দাঁড়াবে, বন্যার্তের পাশে দাঁড়াবে, যখন প্রয়োজন পড়বে। এগুলোই মুখ্য ব্যাপার। সবাই এগিয়ে আসুন একই ছায়াতলে।
শিপন ভাইকে অজস্র ধন্যবাদ।
ভাল লাগসে।

লেখকের মন্তব্য
অনেক ধন্যবাদ।
আমার ব্লগে স্বাগতম!
কেমনে কেমনে মিস্টেক এ ভুল করলাম।

লেখকের মন্তব্য
যাক, ব্যাপার্স না!! থ্যাংকুশ!
মন্তব্য করুন