নয়ন-এর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

---
ভিক্ষুকঃ দুটো ভিক্ষা দিন।
বাড়ির মালিকঃ বাড়িতে মানুষ নেই, যাও পরে এসো।
ভিক্ষুকঃ আপনি যদি এক মিনিটের জন্য মানুষ হতেন, তাহলে খুব ভালো হতো।
---
গভীর রাতে বাড়িতে চোর ঢুকেছে। এটা ওটা নিয়ে নিজের ঝোলায় ঢুকাচ্ছে চোর। সবাই ঘুমে, শুধু বাড়ির স্কুল পড়ুয়া পিচ্চিটা সব দেখছে চুপচাপ। তো চোর চুরি শেষে চলে যাচ্ছে এমন সময় পিচ্চি কথা বলে উঠল "ঐ মিয়া! আমার স্কুলের ব্যাগটা নেও না কেন? সবাইরে জাগাইয়া দিমু কিন্তু!"
---
একটা মেয়েকে জিজ্ঞেস করা হলো - ছেলেরা যখন আপনাকে দূর থেকে Flying kiss দেয়, আপনি কেমন অনুভব করেন?
মেয়ে : আমার মনে হয় ঐ ছেলেগুলো খুব আলসে !!
---
এক ছেলে মেয়েকে বলছে, “ডার্লিং আমি তোমার নাম আমার হাতে লিখব নাকি আমার এই হৃদয়ে?
মেয়েঃ এইদিক অইদিক কই লিখবা!!! তোমার সম্পত্তির দলিলেই লিখে দাও!!
---
বিখ্যাত এক অভিনেতা তার ফ্যানদের অটোগ্রাফ দিতে দিতে বিরক্ত হয়ে শেষে এক নাছোড়বান্দা ব্যাক্তির ডায়েরিতে একটি গাধার ছবি এঁকে দিলেন।
ফ্যান: স্যরি স্যার, আপনার অটোগ্রাফ চেয়েছি, ফটোগ্রাফ নয়!
--------------------------------------
অচেনা এক ভাইয়া আমাকে চাপ্পুতে দেখলেই বলেন, নয়ন ভাই জোকস শুনান। তো, দিয়ে যাই জোকস বা উনাকে শুনাই। কিন্তু, তিনিও কম যান না! জোকসের হিউজ কালেকশন বোধহয় তাঁরও আছে। তিনি আমাকে বেশ কিছু জোকস দিয়েছেন। আজ এই কয়েকটা দিলাম।
কমন পড়লে আমার দোষ, নাকি ওই অচেনা ভাইয়ার দোষ?
ভাল থাকুন অবিরত!
মন্তব্য
লেখকের মন্তব্য
এদ্দিন পর ক্যান??? হু? কবে না নিয়মিত হবেন বলসেন!?? খেয়াল নাই?
ভাইরে কি কমু, বড়ই বেড়াছ্যারার মধ্ধে আছি গো!
লেখকের মন্তব্য
ব্যাড়াছেড়া অবস্হা থেকে মুক্তি মিলুক!
লেখকের মন্তব্য
আপনাকে আমার ব্লগে দেখে ভ্যাপক ভাললাগা!
থ্যাঙ্কুশ!
না একটাও জুক্সও কমন পড়েনাই। সবগুলানই জব্বর কিন্তুক
নয়নমিয়া আছেন কিরাম? মনদিল্ডা ভালানি? ভালো থাকা হোক।
অ:ট: আগের মন্তব্যটা পরথম হবার জন্ন দিছিলাম
একই সাথে পরথম এবং ইতিহাসের অংশ হয়া দারুণ ভালু লাগছে 
লেখকের মন্তব্য
হাহাহাহা
আমিও জেনে খুশি হলাম। ক'জনে ইতিহাসের অংশ হতে পারে বলেন? তাই না?
---
ভাল আছি আমিও। শীতকে উপভোগ করতে গ্রামের দিকে এসেছি। এখন অবশ্য শহরেই(ঢাকায় না)।
আপনি কেমন আছেন? আমাদেরকে মাঝে মাঝে দেখে যেতে পারেন না? নিরুদ্দেশ হয়ে যান একেবারে!
মিয়া দেখতেই তো আস্লাম। কই ভালোমন্দ দুইডা খাইতে দিবেন তা না রাগুশ দেখান

শীত উপভোগ করতে গ্রামের বাড়িতে! আহারে বড়লুকের কতোই না উসিলা লাগে। আম্রা বলে শীতে মরি
লেখকের মন্তব্য
হাহাহা
শীতার্তদের কষ্টও রিয়েলাইজ করতে পারছি। তাছাড়া আরও একটা কজ ছিলো এখানে আসার। দ্যাটস ইট।
মাঝের দুইটা চরম
লেখকের মন্তব্য
আপা থ্যাঙ্কুশ!
পিচ্চিরটা সবচেয়ে ভালো লাগলো।
লেখকের মন্তব্য
অজস্র ধন্যবাদ প্রিয় শিমুল ভাই।
মজার সব জোকস। একটাও কমন পড়ে নাই।
লেখকের মন্তব্য
পোস্ট দেয়া স্বার্থক হলো।
আমার ওকস কিভাবে জানি কমন পড়ে যায়। 'ফ্লাইং কিস'ই একমাত্র আনকমন। পিচ্চিরটা আর অটোগ্রাফেরটা জোশশ বেশি।

লেখকের মন্তব্য
ওকস কী?
জোকস।

লেখকের মন্তব্য
প্রথমটা এই কদিন আগেই কোথায় যেন পড়েছি। তবে সবগুলো খুব ভাল লেগেছে।

লেখকের মন্তব্য
প্রথমটা এই কদিন আগেই অন্য কার একটা পোস্টে যেন দিয়েছিলাম, ওখানেই পড়েছিলেন?
প্রথমটা কমন পড়ছে।
ব্যাপক মজা পাইলাম।
লেখকের মন্তব্য
মানিক ভাই, ভাল আছেন?
এইতো ভাই, যাচ্ছে চলে।
আপনি?
লেখকের মন্তব্য
আছি ভালই। দারুণ কিছু সময় কাটছে!
সময়টা স্থায়ী হোক।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ অজস্র!
ভাই ইমু আসছে না কেন??
চরম হাসির ইমু হইতে মন চায়।
লেখকের মন্তব্য
হইতে না দিতে?
ভ্রাত নয়ন, আমি আপনাকে যদ্দুর দেখেছি, তাতে আপনাকে মোটেও 'আলসে' মনে হয়নি।

আরে নয়ন ভায়া আলসে হতে যাবে কেন বরং করিৎকর্মা আর সব্যসাচী।
'সব্যসাচী'র সমাস বিচ্ছেদ কইরা দেখলাম! মাশাল্লাহ নয়ন!
লেখকের মন্তব্য
@ঈমাভাই, উফ, আপ্নাদের জ্বালায় জোক টোকস দিতে পার্মুনা মনয়!
@আচার্যদা, রাইট! থ্যাংকস!
@ফয়সাল ভাই, আমার মনে পড়ছে না, একটু জানান না।
সব্যসাচী শব্দের অর্থ ও ব্যবহার জানা আছে তো?
দাদা, নয়নরে 'সব্যসাচী' কওয়ায় হে আপ্নেরে থ্যাঙ্কু দিসে!!!!!!!!!!!!!!!!!

হ্যাঁ শব্দ ভাই, সেটাই তো বলছি। অর্থ জানার পর না আবার নিজের মাথার চুল ছিঁড়ে!

লেখকের মন্তব্য
রাইট, থ্যাংকস বলসি কিন্তু আমারে করিৎকর্মা কইসে বইলা।
, শুধু জানি সৈয়দ শামুছুল হক সব্যসাচী লেখক)
(অর্থ আর এর প্রয়োগ জানা নেই!
কোথাকার চুল???
লেখকের মন্তব্য
হাহাহাহাহাহাহা
শামছুল না শামসুল?
শব্দ ভাই, দুই হাত সমানে চলে যার সে হল সব্যসাচী। এখন কোন হাত কোনদিকে চলবে আমি কি করে বলি?
আসেন, নয়ন ভাইরে সমাস বিচ্ছেদ শিখাই।
মিঃ নয়ন, সুর কৈরা পড়েন-
লেখকের মন্তব্য
স্বার্থপর= পরের স্বার্থ চিন্তা করে যে?
karo kono dosh na.moja pelam
লেখকের মন্তব্য
আরররররে! ভাবী যে! আছেন কেমন? ব্যস্ততা খুব? হু, আগে পড়াশোনা, দেন সবকিছু।
লেখকের মন্তব্য
হীরা ভাই কেমনাছেন?
৩ ৪ তো পড়ে অবস্থা খারাপ।

কি খবর নয়ন ভাই।
লেখকের মন্তব্য
৪নংটা কি আপনার ক্ষেত্রেও ঘটসে নাকি?
---
আছি ভাল, বেশ।
এবার ১০০ তম পোস্টের অপেক্ষা
লেখকের মন্তব্য
পুরো জাতি অধীর আগ্রহে এবং অপেক্ষায়
পিচ্চির ফটোগ্রাফিক ফ্লাইং কিস - অছাম হইসে! আলসেমীর কথায় জুক্সটা মনে পইড়া গেলঃ
বাজার করে আসার পথে ববের গাড়ি খারাপ হয়ে গেলো। সে গাড়ি থেকে নেমে এল। তার ফার্মটা কাছেই। হেটে যেতে মিনিট দশেক লাগবে। সে আপাতত গাড়িটা ফেলে রেখে চলেই যেতে পারত। পরে মেকানিক নিয়ে এসে ঠিক করা যেত গাড়িটা। কিন্তু সমস্যা হল সাথে কিছু বাজার আছে। একটা বড় হাস, দুইটা মুরগি, একটা বালতি আর চার লিটার রঙের ডিব্বা।
এতগুলা জিনিস কিভাবে নেয়া যায় সে বুঝে উঠতে পারছে না।
রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে সে এটা নিয়ে ভাবছে, এমন সময় খুব সুন্দর এবং বছর চব্বিশের এক মেয়ে তাকে জিজ্ঞেস করল,
-আচ্ছা, ৭৭ নম্বর ফার্মটা কোনদিকে?
-৭৭? আমার বাসার পাশেই। হেটে যেতে বড়জোর দশমিনিট লাগবে। আমিই আপনাকে সাথে নিয়ে যেতাম কিন্তু একটা হাস, দুইটা মুরগি,বালতি আর রঙের কৌটা নিয়ে হাটতে পারছি না।
-এককাজ করেন। রঙের কৌটাটা নেন বালতির ভিতর। মুরগি দুইটা নেন দুই বগলে আর হাসটা নেন আরেক হাতে।
বব তাই করল। চমৎকার কাজ করছে। পথে কথাবার্তায় মেয়ের নাম জানা হল লিসা। সে যাচ্ছে কাজিন জনের বাসায়।
পথের এক জায়গায় বব বলল, এই ওয়ালটার পাশ দিয়ে একটা শর্টকাট -আছে। এখান দিয়ে গেলে তাড়াতাড়ি হবে।
লিসা বলল, কিন্তু খুব নির্জন মনে হচ্ছে পথ।
-তাতে কি?
-আপনি একজন যুবক। আমি একজন তরুনী। ধরেন, আপনি যদি নির্জনে আমার সাথে u know what শুরু করতে চান?
-হা হা হা! আমার একহাতে বালতি, যেটার ভিতর রঙের কৌটা, আরেক হাতে হাস। দুই বগলে দুইটা মুরগি। আমি কিভাবে আপনার সাথে জোর করে কিছু করতে পারি?
-ধরেন, আপনি বালতি থেকে রঙের কৌটাটা বের করে সেটা উল্টিয়ে হাসটা রাখলেন। হাসটা যেন না পালাতে পারে সেজন্য রঙের কৌটাটা বালতির ওপর রাখলেন। তাহলেই হল।
-ভুল করছেন। দুইটা মুরগি আছে যে, সেগুলার কি করব শুনি?
একটু হেসে লিসা বলল, মুরগি দুইটা না হয় আমিই ধরে রাখলাম।
জলদি লিসা নাম পালতাইয়া অন্য নাম দাও। ডাকু দেখলে কিন্তুক খপর আছে!

খাইসে!
টেনশনে ফালায়া দিসেন সুরাপু!
শব্দ ভাই, নিয়াজ ভাই মনয় আপনেরে গ্যাস চেম্বারে পাঠাইবো
বোঙ্গো বোঙ্গোও দিতারে!
আমি কইলাম পলাইয়া যামু!!!
লেখকের মন্তব্য
বস, আপনে্ জুক্স দিতে থাকেন, পিলিজ, আমরা বন্ঞ্চিত হইতেসি দিনকেদিন।
"ঐ মিয়া! আমার স্কুলের ব্যাগটা নেও না কেন? সবাইরে জাগাইয়া দিমু কিন্তু!"
লেখকের মন্তব্য
থ্যাংকস সাইমন!
বিখ্যাত এক অভিনেতা তার ফ্যানদের অটোগ্রাফ দিতে দিতে বিরক্ত হয়ে শেষে এক নাছোড়বান্দা ব্যাক্তির ডায়েরিতে একটি গাধার ছবি এঁকে দিলেন।
ফ্যান: স্যরি স্যার, আপনার অটোগ্রাফ চেয়েছি, ফটোগ্রাফ নয়!
সবগুলোই দারুন মজার!
সাততারা দিলাম।
লেখকের মন্তব্য
থ্যাঙ্কুশ আপা।
আপনার মাথাব্যথা কমেছে?
লেখকের মন্তব্য
অনেকদিন পররররররররর!
ভাল আছেন তো?
তাজ্জব!! এই পোস্টে আমার কোন কমেন্ট নেই নাকি? কত বার পড়লাম, কত হাসি হাসলাম, তবুও - - - আজিব!!!
লেখকের মন্তব্য
হাহাহা
এইতো কমেন্ট করে ফেললেন!
কেমন আছেন?
আছিরে ভাই কোন মতে বেঁচে!
চতুর তালিকায় তোমার নাম ফিরে আসায় আজ একটু জমজমাট মনে হচ্ছে।
লেখকের মন্তব্য
ও, এসেছে নাকি?!
দেখলাম!
হু, ঢাকায় ফিরে পুরো সময় দিতে পারবো।
সব গুলিই জটিল হইছে "নয়ন ভাই"
লেখকের মন্তব্য
না তো! খুবই সহজ ভাষায় লিখেছি।
লেখকের মন্তব্য
চোখ টেপার ইমুটা খেয়াল করেন্নাই???
আবার জিগায়
লেখকের মন্তব্য
চাপ্পু কী?
লেখকের মন্তব্য
চাপাবাজী.কম
ভিক্ষুক ভাল বলেছে।
লেখকের মন্তব্য
ওরে পিচ্চিরে !!!

লেখকের মন্তব্য
ওরে তন্ময়রে......
জ্বি ভাই

লেখকের মন্তব্য
ভাল আছেন?
২ ও ৫
লেখকের মন্তব্য
আরে কবি ভাই!
আপনি বোধহয় একটা গল্প দিয়েছিলেন, আমি ব্লগে কিছুটা অনিয়মিত। অবশ্যই পড়বো।
ভাল আছেন?
১,২,৩,৫
৫টার মাঝে ৪টাই জটিল হইসে।
লেখকের মন্তব্য
থ্যাংকস আ লট, আপা।
যদু আর মধু কে রাজার মেয়ের সঙ্গে ইটিশ পিটিশ করার অভিযোগে শাস্তি দেয়ার জন্য রাজার সামনে আনা হল......।

এরপর রাজা বললেন
↓
↓
↓
↓
তোরা তোদের প্রিয় ফল নিয়ে আয় জঙ্গল থেকে।
কিছুক্ষণ পরে যদু ১৫টা কমলা নিয়ে ফিরে এল...।
রাজা নির্দেশে সিপাহিরা ঐ কমলাগুলো দিয়ে যদুকে পশ্চাদ্দেশে.....বোঙ্গা বোঙ্গা থেরাপি দিলো।
যদু ব্যথা পেয়ে চিৎকার-চেঁচামেচি করতে করতে এক পর্যায়ে হেসে উঠলো এবং হাসতেই থাকলো।
•
•
সিপাহীরা তো অবাক...কি ব্যাপার এই ঘটনায়ও ব্যাটা হাসে...।
•
•
তারা জিজ্ঞেস করলো... ঐ যদু, ব্যাথা পাইয়াও হাসস ক্যান...।
যদু বলল...।
↓
↓
↓
↓
↓
↓
আর কইয়েন না... হাসতেছি মধু আবালরে দেইখা ...।ওর প্রিয় ফল কাঠাল.... তাই ও ৫টা কাঠাল নিয়া আসতাছে।
তয় আমি দেখলাম, মধু আইতে আইতে পথে পথে কাট্টল খাইতে খাইতে আইতাসে, হের লিগ্যা খালি বিচিডাই থাকবো!!!
হেইয়ো - কাডল বিচীর বোঙ্গা বোঙ্গা!!!
লেখকের মন্তব্য
আমি তো জানতাম মধু'র প্রিয় ফল নারকেল!
লেখকের মন্তব্য
দাদা, কাকে বলছেন?
ঈমা ভাইকে বলছিলাম। শব্দপুঞ্জ ভাই তো বললেন কাঁঠালের বোঙ্গাবোঙ্গা কাঁঠাল বিচীর বোঙ্গাবোঙ্গা হয়ে যাবে। তাই মনে হয় নারকেলটাই ভাল হবে।
লেখকের মন্তব্য
হুম!
সবগুলো-ই খুব মজার!
লেখকের মন্তব্য
মজার??!!
খেয়েও দেখেছেন নাকি?!!
সবগুলো-ই আনন্দদায়ক!!
লেখকের মন্তব্য
পিচ্চিকালে আমার বাসায় চোর আসলে আমিও মনে হয় এটাই বলতাম!


কি পেইন ছিল সেই মর্নিং শিফট!
অনেকক্ষণ হাসলাম।
লেখকের মন্তব্য
বিবিএ পড়ার সময় আমারো এত্ত খারাপ লাগতো সকাল আটটার ক্লাসটা করতে! বিরক্তিকর!
---
থ্যাঙ্কুশ আপনাকে!
আমার তো এখনও সকাল আটটায় ক্লাস থাকে।আর করতে যে কেমন লাগে,জানেনই তো

ওয়েলকুশ আপনাকে ভাইয়া
লেখকের মন্তব্য
দুই নম্বরটা চরমস!!!!!!
কই পান এত্তো মজার সব কৌতুক?
লেখকের মন্তব্য
পোস্টের একবারে শেষেরদিকে লালকালিতে লেখা আছেতো!
মন্তব্য করুন