নয়ন-এর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

গল্পটা আমার নিজের নয়, আমার নিজের লেখাও নয়। অথবা অন্যের গল্প নিজের নামে চালিয়ে দেয়ার লোক আমি নই। এই গল্পটা আমি পড়েছিলাম বছর দুই/তিন আগে। গল্পটা বলছি। না, লিখছি!
-------------------------------------------------------------------------
স্কুলে ক্লাস চলছে, অষ্টম শ্রেণীর ক্লাসরুম। স্যার ছাত্রদের বললেন, যেকোন বিষয়ের উপর রচনা লিখতে। কেউ লিখল দেশপ্রেম নিয়ে, কেউ লিখল প্রিয় ব্যক্তি/প্রিয় শিক্ষক নিয়ে, কেউ লিখল গরু নিয়ে ইত্যাদি ইত্যাদি। সবাই ৪/৫ পৃষ্ঠা, কেউবা তারচে'বেশিও লিখল। একটা ছাত্র লিখল কুমির নিয়ে। কুমির নিয়ে রচনা লিখতেই পারে, অস্বাভাবিক নয়। অস্বাভাবিক হলো তার লেখাটা। না, সে কম লিখেনি। সে-ও পাঁচ পৃষ্ঠা লিখেছে। কী লিখেছে?
"কুমির জলচর/স্হলচর প্রাণী, কুমির খুবই শান্ত স্বভাবের হয়। কুমিরের দুটি চোখ, দুটি কান, একটি নাক ইত্যাদি, কুমিরের শরীরের উপরের আবরণ হলো খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা,খাঁজকাটা, খাঁজকাটা.......................................................খাঁজকাটা।'
মানে, কুমিরের রচনা শুরু করেছে, কুমির জলচর/স্হলচর প্রাণী, কুমির খুবই শান্ত স্বভাবের হয়। কুমিরের দুটি চোখ, দুটি কান, একটি নাক ইত্যাদি, কুমিরের শরীরের উপরের আবরণ হলো খাঁজকাটা-- পুরো পাঁচ পৃষ্ঠা জুড়ে শুধুই খাঁজকাটা! এই একটি-ই শব্দ!
পরের ক্লাসের ঘটনা, স্যার আজ বিষয় নির্ধারণ করে দিলেন। বিষয়: গরু। সবাই লিখল স্বাভাবিকভাবেই, কিন্তু সেই ছাত্র লিখল, 'আমাদের গরুর দুটি কান, দুটি শিং, দুটি চোখ, চারটি পা ইত্যাদি। গরুকে একদিন আমি নদীর ধারে নিয়ে যাই ঘাস খাওয়াতে, হঠাৎ চোখে পড়লো একটা কুমীর। কুমিরের ছিল দুটি চোখ, দুটি কান, একটি নাক ইত্যাদি, কুমিরের শরীরের উপরের আবরণ হলো খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা,খাঁজকাটা, খাঁজকাটা.......................................................খাঁজকাটা।' আবার সেই "খাঁজকাটা" দিয়ে খাতা ভরিয়ে ফেলল।
স্যার একই সাথে বিরক্ত আর বিস্মিত হলেন। কিছুই বললেন না।
আরেকদিনের ঘটনা, স্যার আজ মনে মনে প্রস্তুতিই নিয়ে এসেছেন যে কোনভাবেই কুমির বা কুমির আসতে পারে লেখায়, এমন কোন বিষয়ে রচনা লিখতে দিবেন না। কঠিন একটা টপিক দিলেন এবং ভাবলেন এই রচনায় সেই ছাত্র কোনভাবেই কুমিরকে আনতে পারবে না। স্যার সব ছাত্রকে বললেন, সবাই 'পলাশীর যুদ্ধ' নিয়ে রচনা লিখ।
সবাই লিখল। আর সেই ছাত্র লিখলঃ
"বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলার সাথে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির পলাশী নামক স্থানে যে যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল তাই পলাশীর যুদ্ধ নামে পরিচিত। ১৭৫৭ সালের জুন ২৩ তারিখে এই যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল। নবাব সিরাজ তার সেনাপতি মীরজাফরকে বিশ্বাস করেছিলেন, বিশ্বাস করেই খাল কেটে কুমির আনলেন। কুমিরের ছিল দুটি চোখ, দুটি কান, একটি নাক ইত্যাদি, কুমিরের শরীরের উপরের আবরণ হলো খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা,খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, .......................................................খাঁজকাটা।"
------------------------------------------------------------------
ভাল থাকুন অবিরত!!
মন্তব্য
কিছু কিছু গল্প আছে যেটা যতবারই পড়া যায়, ততবারই সমান মজা পাওয়া যায় । এটি ঠিক তেমনি একটি গল্প ।
ভালো লাগলো নয়ন ভাই ।
লেখকের মন্তব্য
আমি পোস্ট দিলে আপনি যখনই আসেন, তখন আমার আনন্দও আর ধরেনা।
কৃতজ্ঞতা, ভাইয়া!
গল্প পড়ে হাসতে গিয়ে প্রথম কমেন্ট করার গৌরব থেকে বঞ্চিত হলাম। হাসতে হাসতে পেটে খিল।
লেখকের মন্তব্য
আহ হা রে!
গ্রেট মিস!!!!!!!!!!
বেটার লাক নেক্সট টাইম!
একদেশে ছিল নয়ন নামের একটা ছেলে, সেই ছেলের ছিল একটা কম্পিউটার, কম্পিউটারে ছিল ইন্টারনেট কানেকশন, নয়ন নেটে বসে চতুর ব্লগে ব্লগায়, একদিন সে ব্লগাতে বসে লিখলো একটা কুমিরের গল্প, কুমিরের ছিল দুটি চোখ, দুটি কান, একটি নাক ইত্যাদি, কুমিরের শরীরের উপরের আবরণ হলো খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা,খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, .......................................................খাঁজকাটা।"
রশিদারে ভুটাইলাম!
লেখকের মন্তব্য
একদেশে ছিল নয়ন নামের একটা ছেলে, সেই ছেলের ছিল একটা কম্পিউটার, কম্পিউটারে ছিল ইন্টারনেট কানেকশন, নয়ন নেটে বসে চতুর ব্লগে ব্লগায়, একদিন সে ব্লগাতে বসে লিখলো একটা কুমিরের গল্প, কুমিরের ছিল দুটি চোখ, দুটি কান, একটি নাক ইত্যাদি, কুমিরের শরীরের উপরের আবরণ হলো খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা,খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা

লেখকের মন্তব্য
আমিও ভোট দিলাম, আপা।
একদিন তার বন্ধু শব্দ বলে, নয়ম্ভাই, একটা জোক্স শোনাও। নয়ন বলে, এক দেশে ছিল এক রাজা, সেই রাজা একদিন গেল নৌবিহারে, নদীতে হঠাৎ ভেসে ওঠে এক কুমির, সেই কুমিরের ছিল দুটি চোখ, দুটি কান, একটি নাক ইত্যাদি, কুমিরের শরীরের উপরের আবরণ হলো খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা,খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা ... ...
আরেকদিন ফার্মগেটে বিলাইদার সাথে নয়নের দেখা। বিলাইদা জিগাইলেন, কি হে নয়ন, খবর কী? নয়ন বলে, আগে তো ভালই ছিলাম, এখন বাসায় ওয়াশিং মেশিন কিনে তো মনে হইতাসে খাল কেটে কুমির আনসি! সেই কুমিরের ছিল দুটি চোখ, দুটি কান, একটি নাক ইত্যাদি, কুমিরের শরীরের উপরের আবরণ হলো খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা,খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা ... ...
ব্যাপক সব ফাটাফাটি প্রেমের অনুকাব্য নিয়ে নয়ন ভাই গেল টি এস সি-তে। আবৃত্তির পর ফাটাফাটি হাত্তালি। তাঁকে উপস্থাপিকা জিজ্ঞেস করে, "আপনার কাব্য প্রতিভার পেছনে অনুপ্রেরণার উৎস কি?" তিনি বলেন, "আমি সবসময় প্রকৃতির সান্নিধ্যে থাকার চেষ্টা করি। গাছ, পাহাড়, আকাশ, নদী আমাকে খুব টানে। কবিতাগুলো লিখেছি এক গোধুলিতে, কনে দেখা আলোয়, বংশী নদীর তীরে, সবুজ ঘাসের 'পরে। নদীতে রঙের হোলি খেলছিল অস্তগামী সূর্যের রঙ, হঠাৎ সেখানে ভেসে ওঠে সুন্দর এক কুমির, সেই কুমিরের ছিল দুটি চোখ, দুটি কান, একটি নাক ইত্যাদি, কুমিরের শরীরের উপরের আবরণ হলো খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা,খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা ... ...
গল্পটা রস্আলোতে পড়েছিলাম, তবে এখানে একটু নতুন ঢঙে এসেছে - ভালও লেগেছে খুব। নয়ম্ভাই, আমার গপ্পোটা পড়ে আমারে আবার ধাওয়া দিয়েন না!!!
লেখকের মন্তব্য
ফয়সাল ভাই, ভাইরে আমি আর হাসতে পারছিনা। আমারতো ইচ্ছে করছে, আপনার গল্পটা নিয়েই আরেকটা পোস্ট দিয়ে দিতে!
চরম হইছে ভাইয়া, চরম!
===============
এভাবেই বোধহয় রস আলোর গল্পটা শুরু হয়েছিলো।
এক দেশে ছিল এক রাজা, সেই রাজা একদিন গেল নৌবিহারে, নদীতে হঠাৎ ভেসে ওঠে এক কুমির, সেই কুমিরের ছিল দুটি চোখ, দুটি কান, একটি নাক ইত্যাদি, কুমিরের শরীরের উপরের আবরণ হলো খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা,খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা ... ...
২০০৮ সালে গল্পটা পড়েছিলাম, কিন্তু মূল লেখাটা মনে ছিলোনা, তাই নিজের মত করে থিমটা ঠিক রেখে বানিয়ে ফেললাম।
-----------অসম্ভব ভালো লাগলো, নয়ন ভাই------------------------
লেখকের মন্তব্য
নিয়াজ ভাই সব খবর ভাল তো?
নয়ন ভাই, সব খবর ভালো। আপনি কেমন আছেন?
লেখকের মন্তব্য
আমিও বেশ ভাল আছি।
ধন্যবাদ অজস্র!
এই রকম একটি পরীক্ষার খাতা দেখার সুযোগ হয়েছিল। সেখানে 'আমাদের বিদ্যালয়' রচনা লিখতে গিয়ে কোন এক ছাত্র লিখেছিলঃ ' বিদ্যালয়ের সামনে একটি মাঠ আছে, মাঠে সবুজ ঘাস আছে, মাঠে গরু ঘাস খায়, গরু একটি চতুষ্পদী প্রাণী------'
লেখকের মন্তব্য
বিদ্যালয় দিয়ে শুরু, শেষ করেছিল কী দিয়ে? মাঝেতো গরু টরু, ঘাসকেও নিয়ে আসলো!!
মজা পাইলাম। নয়ন দা ,
লেখকের মন্তব্য
করিম ভাই ভাল আছেন?
যদিও গল্পটি জানা তারপরও স্রোত ভাইয়ের বক্তব্যটিই সমর্থন করতে হয়।
লেখকের মন্তব্য
তার মানে, আপনারও জানা ছিল?
"মীরাক্কেল"-এ অনেকবার শুনেছি। যিনি বলতেন তাঁর নাম ছিল তপন কুমার দাশ। ঐ কুমিরের কৌতুক বলতে বলতে তাঁর নাম হয়ে গিয়েছিল তপন কুমির দাশ!
যদিও গল্পটা অজানা নয়। কিন্তু আপনার পোস্ট এ আসবার পূর্ব মুহুরতেও ব্যাপক অশান্তি বোধ হইতেছিল।
,
এখন মাথায় একটাই ওয়ার্ড খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা,খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা, খাঁজকাটা।
লেখকের মন্তব্য
অশান্তি কেনো আপু? অশান্তি চাই না!
ভাইডি এখন মন তো ফুরফুরা, ফুরফুরা, ফুরফুরা, ফুরফুরা,ফুরফুরা, ফুরফুরা, ফুরফুরা, ফুরফুরা,ফুরফুরা, ফুরফুরা, ফুরফুরা, ফুরফুরা,ফুরফুরা, ফুরফুরা, ফুরফুরা, ঃপ
লেখকের মন্তব্য
শুইন্যা আমিও গান গাইতাছি উড়াধুরা, উড়াধুরা, উড়াধুরা, উড়াধুরা, উড়াধুরা, উড়াধুরা, উড়াধুরা, উড়াধুরা, উড়াধুরা, উড়াধুরা, উড়াধুরা, উড়াধুরা, উড়াধুরা, উড়াধুরা, উড়াধুরা, উড়াধুরা, উড়াধুরা, উড়াধুরা, উড়াধুরা, উড়াধুরা, উড়াধুরা, উড়াধুরা, উড়াধুরা,
ব্যাপার নাহ
লেখকের মন্তব্য
ব্যাপার নাহ, ব্যাপার নাহ, ব্যাপার নাহ, ব্যাপার নাহ, ব্যাপার নাহ, ব্যাপার নাহ, ব্যাপার নাহ, ব্যাপার নাহ, ব্যাপার নাহ, ব্যাপার নাহ, ব্যাপার নাহ,
নয়ন ঢেকে থাকে পল্লবে। তাকে পাতাও বলা হয়। সেই নয়ন বা আখি পল্লব বা পাতায় থাকে খাঁজ-কাটা, খাঁজ কাটা, খাঁজ-কাটা, খাঁজ-কাটা, খাঁজ-কাটা।
লেখকের মন্তব্য
আজ 'খাঁজকাটা' নিয়া ঝামেলায় পড়লাম মনে হচ্ছে!
ইশশিরে!
লেখকের মন্তব্য
সর্বকালের সব রেকর্ড কি আমি ভঙ্গ করলাম?
[বিগত ৭ দিনের] বাচালশ্রেষ্ঠ
নয়ন ( ৪০০)
সাহাদাত উদরাজী ( ২৫৮)
নাজমুল হুদা ( ২০৬)
অদ্ভুত আচার্য ( ২০৫)
অঙ্ক ( ১৫৩)
ঝিনুক ( ১২৭)
বাপী হাসান ( ১২১)
২৪/১১/১১ রাত ৮.৩৫মি.
একদিন আমিও ফার্ষ্ট হবো! বলে গেলাম।
নয়ন দা। অভিনন্দন। আমাদের এই প্রচেষ্টা চতুরমার্ত্রিক কৃর্তপক্ষ বুঝলে মনে শান্তি পেতাম।
লেখকের মন্তব্য
আপনি বেশ কয়েকবারই প্রথম অবস্হানে ছিলেন ভাইয়া!
ধন্যবাদ ভাইয়া!
যাক নয়ন ভাইয়া চতুরের সবাইর মনে স্বস্তি ফিরে এসেছে শেষ পর্যন্ত!
আমি তুমি তুমি আমি
আমি তুমি তুমি আমি'র আতঙ্ক জাগানিয়া কাব্য থেকে এটা এক'শো গুন স্বস্তি দায়ক। এই রকমই থাকবেন, হোক সেটা খাঁজকাটা খাঁজকাটা, খাঁজ কাটা খাঁজকাটা হলেও ক্লান্ত করে না ঠিক সমুদ্রের ঢেউয়ের মতো প্রতিবারই মনে জাগায় অসীম সম্ভাবনা আপনাকে এরকমই দেখতে চাই।
লেখকের মন্তব্য
কবিতা আপাতত অবসরে গেছে!
থ্যাঙ্কু!
বাঁচাল ভাইয়া আমার অভিনন্দন জানালাম।
লেখকের মন্তব্য
থ্যাংকস আ লট!
এই মুহুর্তে
[বিগত ৭ দিনের] বাচালশ্রেষ্ঠ
নয়ন ( ৪১২)
সাহাদাত উদরাজী ( ২৪১)
অদ্ভুত আচার্য ( ২০৩)
নাজমুল হুদা ( ১৯৮)
অঙ্ক ( ১৫৫)
বাপী হাসান ( ১২২)
ঝিনুক ( ১২২)
খাঁজকাটা খাঁজকাটা, খাঁজকাটা খাঁজকাটা,
কানের মাঝে বেজেই চলে বাজনাটা
নয়নের দীঘির জলে ভাসে কুমিরটা
লেজটা সত্যি তার খাঁজকাটা।।।।।।।।।।।
লেখকের মন্তব্য
এমন সুন্দর মন্তব্য পড়লে
ভাল হয়ে যায় মনটা!
হা হা হা
একটা খাঁজকাটা কমেন্ট করতে মন চাইলো
যাউগ্গা
পাতাও কিন্তু কখনো কখনো খাঁজকাটা
লেখকের মন্তব্য
এইটাও একটা চরম 'খাঁজকাটা' মন্তব্য হয়েছে!
সুপার্ব!
গল্পটা জানা থাকলেও পড়ে অনেকক্ষন হাসলাম। হার্টের উপকার হল।
লেখকের মন্তব্য
দেখলেন, আমি কত উপকারী!
নেতা হইতে পার্মু মনে হয়!
এইত্ত ভুলটা করলেন। জীবনেও নেতা হতে পারবেন না।

নেতা হবার মূল শর্তাবলি-
১! উপকারী হওয়া যাবে না।
২!
৩!
লেখকের মন্তব্য
আমরা নতুন প্রজন্মের নেতা না?
আমাদের মধ্যে এসব থাকতে হবে।
এইটা ভালো বলসেন।
লেখকের মন্তব্য
আমি সবসময়ই ভাল কতা কই!
ক্যান আগে আপ্নারে আমি খারাপ কিছু কইছি, কন?
নাতো।
আমি সবসময়ই ভাল কতা কই!
নিজের ঢোল নিজে এম্নে পিটাইলেন??
লেখকের মন্তব্য
ঢোলের শব্দ আপনার কাছেও পৌছে গেছে?!?
ও এম জি!
হুম।
পুরাই উরাধুরা।
লেখকের মন্তব্য
এইটা শুনে আমি ফুরফুরা!
খাঁজকাটা! হা হা হা! সেইরাম।
লেখকের মন্তব্য
অনেক ধন্যবাদ পদ্মভাই!
নয়ন ভাই, অভিনন্দন জানুন।
লেখকের মন্তব্য
অনেক ধন্যবাদ নিন!
গল্পটা আগেও শুনেছিলাম। তখন অবশ্য সামান্য ভিন্নভাবে শুনেছিলাম।
অনেক অনেক শুভকামনা।
কোথায় চলে গিয়েছিলেন স্বপ্ন ভাই?
আছি তো ভাই; সব সময়ই।
লেখকের মন্তব্য
স্বপ্নভাই, আপনি বোধহয় আমার একটা ব্যাপার খেয়াল করেছেন, তা হলো খুব পরিচিত ব্লগার কিছুদিন অনুপস্হিত থাকলে আমি তার পোস্টে গিয়ে খবর নিয়ে আসি, কিন্তু আপনারটা নিলামনা, ইচ্ছে করেই।
খানিকটা রাগ ছিলো আমার, আপনি শুধু শুধু নিজেকে সরিয়ে রেখেছেন, মন্তব্যের সংখ্যায় সবাইকে ছাড়িয়ে যাচ্ছিলেন বলে।
আপনি কখনোই মন্তব্যের সংখ্যা বাড়ানোর জন্যে একটা পর একটা কমেন্ট করতেন না(আড্ডায়), সেটা আমি ভাল করেই জানি। অন্য ব্লগে দেখেছি। তবুও আপনি ব্যাপারটাকে কেনো এভাবে নিলেন? কারো তো কোন ক্ষতি হচ্ছিলো না, ব্লগেরও সমস্যা নেই, তো মন্তব্য বাড়লেই ক্ষতি কী ছিলো?
এটা আপনার প্রতি অনেক ভালবাসাময় রাগ!
আশা করি দুরে থাকবেন না।
আমি তো আপনাদের থেকে দূরে নেই রে ভাই। সব সময়ই কাছে কাছে থাকি। ব্লগিংটা ছাড়তে পারছি না শুধুমাত্র এই ভালোবাসার কারণে। ব্লগাররা আমাকে প্রচুর ভালোবাসা দিয়েছেন, দিচ্ছেনও। যার ঋণ কখনোই শোধ করা যাবে না।
আমি কিছু লিখতে পারি না, তারপরেও ব্লগারদের চাপে পড়েই লিখতে হয়েছে। আমার হাবিজাবি সকল পোস্ট অনেক কষ্ট করে পড়েও মানুষ বাহবা দিয়েছে! এসব তো ভালোবাসার ই নিদর্শন। এতসব ভালোবাসা ছেড়ে কোথায় যাব? তাই দূরে থাকলেও কাছেই থাকি। সব সময়।
অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
উইকিলিক্সের গোপন সূত্রে প্রকাশ, ভ্রাতা নয়নকেও ব্যস্ততার কথা বলে আমাদেরকে ফাঁকি দিয়ে অন্যখানে সরব দেখা গেছে ব্যস্তাকালীন সময়ে।

লেখকের মন্তব্য
হু, অ আ দাদা, অন্যখানে স্বপ্নভাই যেতেই পারে, তবে আমাদেরকে দুরে সরিয়ে দিয়ে নয়!
স্বপ্নভাই, আৎকে উঠলেন ক্যান?
কেন যে আৎকে>আঁৎকে উঠলাম সেটা আমাকে এহেন পরিস্থিতিতে ফেলা মানুষটি ভালোই বুঝতে পারছেন
লেখকের মন্তব্য
আচ্ছা!
শুধু শুধুই আমি আঁৎকে উঠেছিলাম!
থাক, আপনাকে আর নতুন করে আঁৎকে উঠতে হবে না। আপনি তো এম্নিতেই সব সময়...........................
খোকন কে মা গল্প বলছেন,
-এক দেশে ছিল একটা কুমির----
-কুমিল মা!
-হ্যা বাবা,কুমির।
-কুমিল না মা, কুমিল না মা। ঢাইনোসার! আঘুন!!
লেখকের মন্তব্য
কুমিল!!
বাচ্চাদের এসব শুনতে ভালই লাগে।
আগে জানা ছিল গল্পটা। আবারও পড়ে মজা লুটলাম। ধন্যবাদ।
লেখকের মন্তব্য
অজস্র ধন্যবাদ, ভাইয়া!
বেয়াপক মজা পাইলাম!!!!
লেখকের মন্তব্য
আপনার উপস্হিতি আমাকে আনন্দিত করলো!
কিছু গল্প আবেদন হারায় না কখনোই। এ এমনি গল্প।
এ গল্পটা পড়ে আমার মজার চে' কেনো জানি দুঃখ বুকে বাজে বেশি। ভারসম্যহীন অন্ধ মোহ গুলিয়ে দেয় ভাবনাকে। থাবা গাড়ে অবচেতনে মননে; প্রলুব্ধ করে জ্ঞাতে আর অজ্ঞাতেও দাসত্বে।
ধন্যবাদ, ভ্রাতা।
লেখকের মন্তব্য
পুরো গল্পটাই আপনাকে ব্যথা দেয় নাকি পলাশীর যুদ্ধ ব্যাপারটা?
বাচ্চার উদ্ভাবনী বুদ্ধিমত্তার দৌড় দেখে। প্রতীকি অর্থে যা মিলে যায় আমাদের সাথেও।
কুমির একটি হিংস্র প্রাণী।
যাই হোক শোনা গল্প হলেও অনেকবার শোনা যায়। দারুণ।
ভালো থাকুন অবিরত।
লেখকের মন্তব্য
কিছু গল্পের আবেদন কখনোই ফুরায় না।
থ্যাংকস!
এই চুটকী টা আমার ছেলে আমাকে প্রায় বলে। ওদের স্কুলের একটা বইতে(বাসরিক সাময়িকী) সে পড়েছিল।
হা হা হা।।।।
লেখকের মন্তব্য
আচ্ছা আচ্ছা!
জানা গল্পটি আবার পড়লেন, অসংখ্য ধন্যবাদ!
লেখকের মন্তব্য
হাসি থামসে?
না
ডিসটার্ব করেন কেন??

লেখকের মন্তব্য
যদি হাসতেই থাকেন, তাইলে মুখ এমন লাল টমেটোর মত কেন?
চতুরকেই মাইনাস, রাগের ইমোটা কালা দিলে কি হতো
লেখকের মন্তব্য
এখন চতুরের উপর রাগ ঝাড়তেছে
মানুষের জালায় দেখি কিছুই বলা যাবেনা হুমম
লেখকের মন্তব্য
মোর স্পেসিফিক্যালি, নয়নের জ্বালায়
আবার আসিব ফিরে
ধানসিঁড়িটির তীরে,
এই বাংলায়!
হয়তো মানুষ নয় -
হ্য়তো বা কুমিরের বেশে,
খাঁজকাটা..........................।
লেখকের মন্তব্য
হাহাহাহাহা
ধন্যবাদ আপু।
কিছু কিছু গল্প আছে যেটা যতবারই পড়া যায়, ততবারই সমান মজা পাওয়া যায়।ঠিক ঠিক।সাত দিলাম
লেখকের মন্তব্য
অজস্র ধন্যবাদ।
কমন বাট্ মজা আগের মতই

লেখকের মন্তব্য
কিছু কিছু গল্প আসলেই সবসময় শুনতেই ভাল্লাগে।
শুভেচ্ছা মনির ভাই!
মন্তব্য করুন