পাগলা অয়ন-এর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

কাল যে অবস্থা দেখছিলাম তাতে ভাবছিলাম হরতালের অবস্থা খুবই দুর্বল হবে। বিশেষ করে গতকাল ঢাকা ভার্সিটির পোলাপাইনের বাস ভাংচুরের ঘটনার পর ব্যাপক হতাশ হয়ে গেছিলাম। তবে আজকে ভার্সিটি এলাকার সমাবেশগুলোতে সবার সিরিয়াসনেস দেখে খুব ভাল লাগলো।
মেয়েদের উপস্থিতি ছিল লক্ষনীয়। শুনলাম চারুকলার সামনে থেকে যে ১৬ জন (পত্রিকার মতে ১৩ জন) গ্রেফতার হয়েছে তার মধ্যে ৪ জন ছাত্রী ছিল। ঐ এলাকাতে লাঠিচার্যে অনেকে গুরুতর আহতও হয়েছেন।
টিএসসির হাওয়া-বাতাস সকাল থেকেই গরম ছিল। তবে পুলিশ হাওয়াতে আগুন লাগার আগেই ঝামেলা পাকাতে চলে আসে। তবে শুরুতে পুলিশ চুপচাপই ছিল।সকাল ১১টার দিকে কিছু অতি উৎসাহী ছাত্র বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার ছবিতে আগুন লাগানোর পরেই পুলিশ সক্রিয় হয়। হয়ে করবে কি? যারা আগুন লাগালো তারা ঠিকই সময় মত হাওয়া হয়ে গেল এবং ধরা খেল নির্দোষ ছাত্রেরা। এমনকি পুলিশ বিনা অনুমতিতে টিএসসির ভেতরে ঢুকে দুইতলার ফিল্ম সোসাইটি এবং ভেতরের গেমস রূমের পাশ থেকেও গ্রেফতার চালায়। ঢাকা ইউনিভার্সিটি ফিল্ম সোসাইটর সাবেক সভাপতি ও ছাত্র ইউনিয়ন নেতা রিপন কুমার দাস ধ্রুবসহ সাত জনকে আটক করা হয়। প্রক্টর সাইফুল ইসলাম অবশ্য বলেছেন ছাত্রদের মুক্তির ব্যপারে পুলিশের সাথে তার কথা হয়েছে। এসময় পুলিশ চান্স পেয়ে কষে লাঠিচার্য করে।
বিশ্ববিদ্যালয় এলাকাতে আরেকদল অতি উৎসাহী ছাত্ররা নাকি গাড়ি পুড়িয়েছে বলে জানতে পারলাম।
বুয়েটেও বেশ জমজমাট সমাবেশ হয়েছে বলে শুনলাম।
হরতাল শেষে দুপুর ১২টায় সিপিবি কার্যালয়ের সামনে সমাবেশে আনু মুহাম্মদ সোমবার বিকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশের কর্মসূচি ঘোষণা করেন। ওই সমাবেশ থেকে ধারাবাহিক আন্দোলনের পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে জানান তিনি।
হরতাল শেষে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সমাবেশের কথা থাকলেও তেল-গ্যাস রক্ষা কমিটির নেতা-কর্মীদের সেখানে যেতে বাধা দেয় পুলিশ।
এর আগে সকাল ৭টার দিকে সিপিবি কার্যালয়ের সামনে থেকে আনু মুহাম্মদ, বাম মোর্চার আহ্বায়ক সাইফুল হককে আটক করে পুলিশ। আধাঘণ্টা পর আনু মুহাম্মদরক সিপিবি অফিসের সামনে পুলিশ নামিয়ে দিয়ে যায়।
আনু মুহাম্মদকে ছেড়ে দেওয়ার পর সিপিবি কার্যালয়ের সামনে থেকে র্যাব আটক করে দলটির কেন্দ্রীয় নেতা রুহিন হোসেন প্রিন্সকে।
পল্টন মোড়, বিজয়নগর, শাহবাগ, টিএসসিসহ বিভিন্ন এলাকা জায়গা থেকে আটক নেতাদের মধ্যে রয়েছেন বাসদের রাজেকুজ্জামান রতন, শ্রমিক নেতা মোশরেফা মিশু, গণসংহতি আন্দোলনের জোনায়েদ সাকী, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির বহ্নিশিখা জামালী, সিপিবির জলি তালুকদার, জাহিদ হোসেন খান, যুব ইউনিয়নের আসাদুল্লাহ টিটো, শেখ রফিক প্রমুখ।
হরতালের সমর্থনে একটি মিছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়ার সময় তা আটকে দেয় পুলিশ। মিছিল থেকে ছাত্র ইউনিয়নের রাজীব কর্মকার, এসআর খান জিতু, তুষার, আবু সায়েম, জাহিদ, এহসান, জিন্নাহ প্রমুখ আটক হয়। এছাড়া প্রখ্যাত ব্লগার দিনমজুর ( অনুপম সৈকত শান্ত ) সকালে এরেস্ট হন।
এত দুঃখের মাঝে খুশির সংবাদ হল এই যে, সরকার আমাদের হরতালকে দাবিয়ে রাখতে ইসলামি আন্দোলনের যে হরতাল লেলিয়ে দিয়েছিল তা পুরাপুরি ফ্লপ।
বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার জনসমাগম এই হরতালের একটি বড় শক্তি হতে পারতো। সুশৃঙ্খল একটা প্রতিবাদ সমাবেশ হতে পারতো। এমন একটা হরতাল হতে পারতো যা নিয়ে আমরা গর্ব করত পারতাম। কিন্তু শৃঙ্খলআর অভাব আর অতি উৎসাহী পোলাপাইনের ইচড়ামিতে হরতালের বারো বেজে গেল। তবে হতাশ হই নাই। অন্দোলন যা হইছে তাও কম না। সরকার একটু হইলেও টোকাইদের জোর বুঝছে।
আমরা হার মানছি না। টোকাইদের আন্দোলন চলবে।








মন্তব্য
অবশ্যই চলবে আন্দোলন। পিছিয়ে এলেই মরন!
যেটুকু জানতে পারলাম এই পোস্টে, তা উৎসাহব্যঞ্জক। হতাশ হবার কিছু নাই।
অতিউৎসাহীরা সব সময় কিছু না কিছু বিপত্তি ঘটিয়ে বসে, আর পরোক্ষে তাদের ইন্ধনও যোগানো হয় আন্দোলনের বারোটা বাজাবার জন্য; তাই সতর্কতা দরকার।
শুভ কামনা, পাগলা অয়ন।
লেখকের মন্তব্য
অনেক ধন্যবাদ আপনাকে নাজমুল ভাই
ধিক এই সরকারকে! ধিক শেখ হাসিনাকে! ধিক সুবিধাবাদের রাজনীতিকে! বিএনপি নাকি এই হরতালকে সমর্থন করেনি। শুনে ভাল লাগল, তাহলে পরের টার্মে আর তাদের নিজের বমি চাটতে হবে না।
লেখকের মন্তব্য
হ! টেনশনে ছিলাম। আওয়ামি স্টাইলে শেষ মুহুর্তে বিএনপি রি হরতাল সমর্থন করে বসলে পুরা ক্রেডিট ওরা নিতা। হরটালতা হত আরো ধ্বংসাত্বক।
টোকাইদের আন্দোলন চলবে
লেখকের মন্তব্য
অবশ্যই চলবে
দুঃখজনক কাজ করেছে পুলিশ। সামান্যতেই এত একশ্যানে যাওয়া উচিৎ নয়। আমি এরশাদের পতনের অন্দোলন দেখেছি! জনগণ জেগে উঠলে খরব আছে।
লেখকের মন্তব্য
ভাই শুধু পুলিশ না, টিভি মিডিয়া গুলোও আন্দোলনের গতিকে বাধা দিচ্ছে।
টিভিতে কোন ডিটেইল নিউজ পাইছেন?
আগামীকালকের পত্রিকাতেও পাবেন বলে মনে হয় না
কি করে পাবে? প্রথম আলো ব্লগের মডারেটর নিজেই ঝাঁপায় পরছে বিক্রির পক্ষে।
লেখকের মন্তব্য
আমি কারো নাম উল্লেখ করতে চাচ্ছি না। তবে কেউ সাধু না। খেয়াল করে দেখছেন....এই ইস্যু গরম হবার পর থেকে সব পত্রিকর বাঘা কলামিস্ট গুলা নাই হয়ে গেল। আসলে এদের নাই করে দেয়া হয়েছে।
আগে হলে ইলেকট্রনিক মিডিয়ার নীরবতা বিস্ময় সৃষ্টি করতো। এখন করছে না। বোঝা যাচ্ছে যে গুটিকয় লোক ছাড়া আমাদের "গণমাধ্যম" এখন বণিকজাত স্বার্থপরতার চাষ করে। এতোটাই যে, দেশের স্বার্থের মতো মহৎ আন্দোলনেও তাদের পাওয়া যায় না।
এই পুরো ঘটনায় অনলাইনে সক্রিয় ব্লগার-ফেসবুকারদের সবাইকে দেখেই উৎসাহ পাচ্ছি! আন্দোলন একদিন সফল হবেই। সরকারও বুঝবে এভাবে দমানো যায় না। অনলাইন কমিউনিটি কতোটা বড়ো হয়েছে সেই আন্দাজ মনে হয় এইসব মূর্খ দাম্ভিকদের নেই!!
ছবিগুলো আগেই দেখেছিলাম, এখন বর্ণনা জেনে ভালো লাগছে। ৭ তারিখে চট্টগ্রামে কর্মসূচী আছে শুনেছি। সেটাও সফল হোক। পোস্টের জন্য সাততারা আর অনেক ধন্যবাদ, অয়ন!
লেখকের মন্তব্য
ভাইয়া দেশের শীর্ষস্থানীয় সব মিডিয়া, বুদ্ধিজীবি সহ রাজনৈতিক দলগুলা....কেউ এ বিষয় নিয়ে তেমন আগ্রহ দেখাচ্ছেনা....এটা নিশ্চিত যে সরকার কলকাঠি নাড়ছে। অনেক বড় বড় সাংবাদিকদের দেখছি ব্লগে বা ফেসবুকে নোট আকারে লিখছে। অথচ তাদের এসব লেখার কোনটাই পত্রিকতে প্রকাশ হচ্ছে না।
এখন যা করার আমাদেরকেই করতে হবে
অনলাইন কমিউনিটি ব্লগিং কতটা শক্তিশালী মাধ্যম হয়ে উঠছে, তা এ দেশের মিডিয়া, সরকার, বিরোধীদল কেউ অনুবাধন করতে পারছে না। যখন পারবে তখন বুঝতে পারবে, তাদের আর পিঠ বাঁচানোর সময় নেই।
লেখকের মন্তব্য
শতভাগ সত্য কথা বলেছেন ভাইজান!
আন্দোলন অব্যাহত থাক!
লেখকের মন্তব্য
অবশ্যই অব্যাহত থাকবে
নিজেদের সম্পদ রক্ষার অধিকারে অবশ্যই আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।
ইলেকট্রনিক মিডিয়া সমর্থন করুক আর না করুক।
লেখকের মন্তব্য
অবশ্যই আন্দোলন অব্যহত থাকবে। আমরা নিজেরাই যথেষ্ঠ।
যেভাবে আজকে হামলে পড়েছে সরকারের পেটোয়া বাহিনী পুলিশ আর যেভাবে খুঁজে খুঁজে গ্রেফতার করেছে হরতালের প্রথম মিনিট থেকেই; তাতেই পরিষ্কার হয়ে গেছে সরকারের চরিত্র আর অবস্থান এবং এই আগ্রাসী মনোভাবই তার দুর্নীতির প্রমাণ। প্রভুদের পদলেহন জারি রাখতে কতটুকু করতে পারে তার একটা পরীক্ষাও দিল সরকার। প্রথম থেকেই একের পর এক গ্রেফতারই প্রমাণ করে সরকার কতটা ভয় পেয়েছে।
মিডিয়াগুলোর চরিত্র নিয়ে তো আর বলার কিছু নাই। এরা হচ্ছে ভেড়ার পালের মতো। এই দমন-পীড়নের এদের কাছে অনেক অগুরুত্বপূর্ণ এবং অবশ্যই তা প্রভাবিত।
সক্রিয় থাকতে হবে; ইথারে এবং সশরীরে। বিজয় আসবেই। আসতেই হবে।
লেখকের মন্তব্য
বিজয় আসবেই
নিজস্ব সম্পদ রক্ষার আন্দোলনের খবর জানানোর জন্য ধন্যবাদ অয়ন।
কোনো না কোনোভাবে পত্রিকা-টিভিতেও টোকাইরা ছড়িয়ে পড়ুক।
আন্দোলন অব্যাহত থাকুক।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ আপনাকেও আপু।
রেডিও,টিভি,পত্রিকাতে টোকাইরা ঠিকই তবে তাদের হাত পা বেঁধে ফেলা হয়েছে। ঠিক একই রকম চাপ আসছে বুদ্ধিজীবিদের উপর। খেয়াল করেছেন, হঠাত্ করেই পত্রিকাগুলোর পাতা থেকে অনেকগুলো কলামিস্টের লেখা গায়েব হয়ে গেছে!
বিপ্লব দীর্ঘজীবি হোক এই আশাই করি।দেশের স্বার্থে কথা বলা মানেই পুলিশি হামলা আর গ্রেফতার।কিন্তু এমন করে টোকাইদের যে আর আটকানো যাবে না সরকার এইটাই বুঝে নাই।
লেখকের মন্তব্য
টোকাইদের এখন যেটি সবচেয়ে বেশি দরকার সেটি হল মিডিয়ার সাপোর্ট। সেটাই সুক্ষভাবে বন্ধ করে দেয়া হচ্ছে
টোকাইদের আন্দোলন চলছে ও চলবে। বিজয় আসবেই।
লেখকের মন্তব্য
টোকাইদের জয় হোক
আমরা এমন দেশে বসবাস করি যেখানে বাস না ভাংলে দু তিন জায়গায় দাপট না দেখাইলে সরকারের টনক নড়ে না। আমি গান্ধীজির অহিংশ আন্দোলনে বিশ্বাসী না--হরতালের আগের রাতে যখন ঢাকায় ছিলাম তখনই বুঝছিলাম হরতালের সমর্থনে যারা কাজ করছেন তাদের নিজেদের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব, খুব বেশি অভাব। হরতালের দিনও একই চিত্র। তবে আমার মনে হয় শাসকগোষ্ঠীকে এবার একটা বড়সড় নাড়া দেয়া গেছে। আরেকটা জিনিশ দেখেন এতবড় একটা জিনিশ বঙ্গদেশের ধ্বজভঙ্গ মিডিয়া ক্যাম্নে এরায় গেছে। এক চ্যানেল আই ছাড়া আর কোন রিপোর্টাররে সক্রীয় দেখলাম না। পত্রিকার প্রথম পাতা গুলাতে বড় হেড লাইনে বিএনপির লাগাতার জ্বালাও পোড়ায় কর্মসূচির কথা আসে কিন্তু টোকাইদের কথা আসে না।
লেখকের মন্তব্য
বড়ই কষ্ট লাগে এমন অবস্থা দেখলে
সারা দিন পর নেট বসে প্রথমেই আজকের হরতালের খবর নেয়ার জন্য পত্রিকাগুলোর ওয়েব সাইটে ঘুরলাম। কিন্তু হতাশ হলাম পরিবর্তনের হওয়ায় যারা বদলাচ্ছে নাকি তাদের দেশ মাতাকে(???) কিংবা সত্যের আলোকবর্তিকা বাহী এক একজন কান্ডারী , সব শুয়োরের বাচ্চা এখন চুপচাপ।
ব্লগে এসে মনটা ভালো হয়ে গেলো। ৭ তারিখে চট্টগ্রামে কি কর্মসূচি আছে? খালি আওয়াজ দিবেন। আমরা টোকাই রেডি আছি।। নিউজ কাভারেজ দরকার নাই। টোকাইরা খবরের পাতায় থাকবে না, তারা থাকবে সব রাস্তায়।।। চালিয়ে যান
লেখকের মন্তব্য
৭ তারিখে চট্টগ্রামে কর্মসূচি আছে। তবে আমি ডিটেইল জানি না।
দারুন কথা বলছেন। আমরা টোকাইরা থাকব রাস্তাতে
অনীকের 'তেল চুপচুপে কথা'র একটা মন্তব্য এখানে অপ্রাসঙ্গিক হবেনা মনে হচ্ছে। অনীক এবং বিশেষ করে ইকারুসের ডানার অনুমতি ব্যতিরেকেই এখানে কপি-পেস্ট করে দিলামঃ
৩ জুলাই ২০১১, ২:৪৭ অপরাহ্ন তারিখে ইকারুসের ডানা (অতিথি) বলেছেন
লেখকের মন্তব্য
আমার আগের ব্লগে উনি এই মন্তব্যটা করেছেন।
ও তাইতো, আমি ভুল করে 'অনীকের তেল চুপচুপে' লিখে ফেলেছি, আন্তরিকভাবে দুঃখিত!
লেখকের মন্তব্য
দিছেন ভাল হৈছে। ব্যাপার না
টোকাইদের এই আন্দোলন চলবেই।
পুলিশের এই নির্যাতনে টোকাইরা পিছিয়ে যাবেনা।
লেখকের মন্তব্য
সেটাই এখন শেষ ভরসা। টোকাইরা ছাড়া আর কোন উপায় নাই এ আন্দোলন সফল করার
খবরে দেখেছি গাড়িটা ভাংঙ্গার দৃশ্য, ছিনেমা ফেইল।
লেখকের মন্তব্য
হ ভাই! ড্রাইভারটারেও বের হওয়ার টাইম দেয় নাই।
পুলিশ কি সঠিক কাজ করছে নাকি সরকার ঘুষবাহিনীর বেতন উসুল করছে কে জানে ???
সরকার মানবতাবিরোধীদের বিচারে মশগুল আর দেশের নাগরিকের ন্যায্য আন্দোলনে এমন অমানুষিকতা কিসের লঙ্গন বুঝে পারছি না । হাসিনা আর সাহারা আন্টিরা ভূলে গেছেন এটি রাজনৈতিক ইস্যু নয় ।
আর রাস্তায় যারা আছেন অনুরোধ করব সাধারণ মানুষের গাড়ি ভেঙ্গে কি লাভ পারলে আসুন ঐ রাষ্ট্রখেকোদের গ্যাসের টাংকে আগুন দি ,,গাড়ি গুলো আমার বাপের ট্যাক্সের টাকায় কেনা । ভাঙ্গার অধিকার আছে ।
লেখকের মন্তব্য
পুলিশ তো হুকুমের গোলাম। ওরা কি করবে বলেন?
আসলেই গাড়ি গুলা সাধারণ মানুষের ট্যাক্সের টাকায় কেনা। ওগুলো মণ্ত্রী, এমপিদের শুল্কমুক্ত গাড়ি হলে ভাঙার একটা যুক্তি থাকত। কিন্তু তাদের গাড়ি তো ধরাছোয়ার বাইরে
এমনি করে আমাদের প্রানের দাবীকে দমিয়ে রাখা যাবেনা।
লেখকের মন্তব্য
কথা সত্য। পড়ার জন্য ধন্যবাদ মামা
ভয় পাইসি।।।।।
লেখকের মন্তব্য
ভয় পালি চলবি? রাজপথে নামা লাগবি না?
ও পাগলা, তুমার বাড়ি কনে ভাই?
লেখকের মন্তব্য
বাড়ি বলতে কি বুঝান ভাই জন্মস্থান নাকি বর্তমান অবস্থান?
ভাষাটা আমাদের এলাকার মত শুনালো, তাই জানতে ইচ্ছে করলো। কোন মন্দ অর্থে প্রশ্নটা করিনি ভাই! মাইন্ড করেছেন নাকি?
লেখকের মন্তব্য
ছি ছি মাইন্ড খামু ক্যান? আমি যশোরের পুলা...আপনি?
চুয়াডাঙ্গা।
চমৎকার লিখেছেন। আমি আপনাদের সকলের মন্তব্যগুলো পড়লাম!! শিখছি।শুভ ব্লগিং।
লেখকের মন্তব্য
ছি ছি মাইন্ড খামু ক্যান? আমি যশোরের পুলা..আপনি?
মন্তব্য করুন