প্রজাপতি-এর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

দুনিয়ার যত্তোগুলা কাবাবের নাম জানি সেগুলার রেসিপি খুইজা বাইর করলাম! আমার মনে হয়না আপনেও এতোগুলার নাম জানেন!! জানলে কমেন্টে রেসিপি দিয়া দিয়েন পোস্ট কইরা দিব! তবে এইটা সংগ্রহে রাখার মতো ভলো একটা পোস্ট হবে বইলাই ভাবি!!!
এর আগে একটা পেপারে দিছিলাম! আজকে ব্লগে পোস্টাইলাম। পেপারে অবশ্য ছবি শুদ্ধা দেয়া অনেক সুন্দর করে ! লিংকটা শেষে দিতেছি

রেশমি কাবাব
উপকরণ: মুরগির বুকের মাংস ২ কাপ, টকদই আধা কাপ, আদাবাটা ১ চা-চামচ, রসুনবাটা আধা চা-চামচ, ফ্রেশ ক্রিম সিকি কাপ, গোলমরিচের গুঁড়া আধা চা-চামচ, সরিষার তেল ২ টেবিল-চামচ, কাবাব মসলা আধা চা-চামচ, লবণ ১ চা-চামচ, মেথি গুঁড়া সিকি চা-চামচ।
প্রণালি: মুরগির মাংস ১ ইঞ্চি পরিমাণ বড় চৌকোনা করে কেটে নিতে হবে। এবার ওপরের সব উপকরণ কিউব করে কাটা মুরগির মাংসের সঙ্গে মিশিয়ে মেরিনেট করে রাখতে হবে আধা ঘণ্টা। এবার শিকে গেঁথে কয়লার আগুনে ঝলসাতে হবে অথবা ওভেনে ২০০হ্ন তাপমাত্রায় ২৫-৩০ মিনিট বেক করতে হবে। নামানোর আগে ঘি ব্রাশ করে নামাতে হবে।
জালি কাবাব
উপকরণ: কিমা আধা কেজি, কাঁচা মরিচ কুচি ২ টেবিল-চামচ, ধনেপাতা কুচি ৪ টেবিল-চামচ, পাউরুটি ৪ পিস, পেঁয়াজ কিউব ৪ টেবিল-চামচ, ডিম ২টি (মাখানোর সময়), পেঁপে বাটা ২ টেবিল-চামচ, লবণ পরিমাণমতো, কাবাব মসলা ১ টেবিল-চামচ, টোস্ট বিস্কুটের গুঁড়া ২ টেবিল-চামচ (মাখানোর সময়), টোস্ট বিস্কুটের গুঁড়া প্রয়োজনমতো, ডিম ৪টি (ভাজার সময়), টমেটো সস সিকি কাপ।
প্রণালি: পাউরুটির চারদিকের শক্ত অংশ ফেলে পানি দিয়ে ভিজিয়ে চিপে নিতে হবে। কিমা, পাউরুটি, কাঁচা মরিচ, ধনেপাতা, পেঁয়াজ কিউব, কাবাব মসলা ও ২টি ডিম একসঙ্গে মাখাতে হবে। মাখানো অবস্থায় ১ ঘণ্টা রেখে দিতে হবে। ১ ঘণ্টা পর লবণ ও বিস্কুটের গুঁড়া দিয়ে মাখাতে হবে। এবার কিমা ছোট ছোট গোল করে কাবাবের আকারে তৈরি করে বিস্কুটের গুঁড়ায় গড়িয়ে ফ্রিজে ১৫ মিনিট রাখতে হবে। অন্য পাত্রে ৪টি ডিম ফেটে রাখতে হবে। এবার কাবাবগুলো ফেটা ডিমে চুবিয়ে ডুবো তেলে ভেজে নিন। প্রথমে জোরে জ্বাল দিতে হবে এবং পরে মাঝারি আঁচে ভাজতে হবে। ভাজতে ভাজতে কাবাবগুলো বাদামি রং ধারণ করলে তুলে তেল ঝরাতে হবে। এবার কোনো কিছুর সঙ্গে গরম গরম পরিবেশন।
ভেটকি মাছের শিককাবাব
উপকরণ: কিউব করে কাটা ভেটকি মাছ ২ কাপ। কাঁচা মরিচ, আদা, ধনেপাতা, পেঁয়াজ, রসুনবাটা ১ চা-চামচ করে। জিরা, গোলমরিচ, ধনেগুঁড়া ও টমেটো সস ১ চা-চামচ করে। তেল আধাকাপ। শিক ৬টি। টক দই ১ টেবিল চামচ। লবণ ও চিনি স্বাদমতো।কিউব করে কাটা ক্যাপসিকাম, গাজর, টমেটো ও ছোট পেঁয়াজ (আস্ত) প্রয়োজনমতো।
প্রণালি: তেল ছাড়া বাকি সব মসলা দিয়ে মাছ ২ ঘণ্টা রেখে দিতে হবে। এবার শিকে পরপর মাছ, ক্যাপসিকাম, গাজর, টমেটো ও পেঁয়াজ গেঁথে সাজাতে হবে। এখন চুলায় গ্রিলে কাবাবগুলো বসাতে হবে। এবার হালকা আঁচে অল্প অল্প তেল দিয়ে উল্টে উল্টে রান্না করতে হবে। ১০-১৫ মিনিট পর একটু পোড়া পোড়া হলে নামিয়ে যেকোনো সালাদের সঙ্গে পরিবেশন করতে হবে।
ইলিশ মাছের আস্ত কাবাব
উপকরণ: ইলিশ মাছ ১টি। রসুন ২ কোয়া, পেঁয়াজ ২টি। পুদিনা ও ধনেপাতা অল্প, ২টি কাঁচা মরিচ একসঙ্গে বেটে নিতে হবে। লবণ স্বাদমতো, তেল আধাকাপ। আধা ভাঙা বেরেস্তাগুঁড়া ১ কাপ। ধনে, জিরা ও মরিচগুঁড়া আধা চা-চামচ করে। ঘি ১ টেবিল চামচ। সেদ্ধ আলু ২টি (ছোট), টোস্ট-বিস্কুটের গুঁড়া ৩ টেবিল চামচ। পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ। টমেটো সস ১ টেবিল চামচ।
প্রণালি: একটু বড় করে মাছের মাথা ও লেজ কেটে হালকা আঁঁচে ভাজতে হবে। যেন মাছের আসল সাদা রং টিকে থাকে। এবার মাঝের মাছ লবণ ও হলুদ দিয়ে সেদ্ধ করে কাঁটা বেছে নিতে হবে। এবার তেল গরম করে মাছের সঙ্গে সবকিছু দিয়ে রান্না করতে হবে। ভাজা হয়ে মাছের তেল ছেড়ে এলে ওপরে ঘি ও ধনেপাতা দিয়ে নামাতে হবে। এখন একটা ট্রেতে মাছের মাথা ও লেজ বসিয়ে রান্না করা মাছ দিয়ে পুরো শরীর বানাতে হবে। এবার একটা চায়ের চামচ চেপে চেপে মাছের শরীরে আঁশ বানিয়ে পরিবেশন করতে হবে আস্ত ইলিশ কাবাব।
তেলাপিয়ার ঝুরি কাবাব
উপকরণ: লবণ ও হলুদ দিয়ে সেদ্ধ করা কাঁটাবাছা মাছ ২ কাপ। ডিমের কুসুম ২টি। টমেটো কুচি ১টি। টোস্ট-বিস্কুটের গুঁড়া আধাকাপ। ১টি কাঁচা মরিচ, অল্প জিরা ও ২টি পেঁয়াজ কুচি একটু তেলে ভেজে বেটে নিতে হবে। এলাচ, গোলমরিচের গুঁড়া, ধনেপাতা, লবণ ও চিনি স্বাদমতো। তেল ৩ টেবিল চামচ। পেঁয়াজ ভাজা আধাকাপ। কিশমিশ ও কাজুবাদাম সামান্য। ঘি ১ চা-চামচ। দুধ আধাকাপ।
প্রণালি: তেল গরম করে সব মসলা টমেটো সস ও একটু দুধ দিয়ে কষাতে হবে। এবার মাছ, ডিমের কুসুম দিয়ে রান্না করতে হবে। তেল ওপরে উঠে এলে ভাজা পেঁয়াজ, বিস্কুটের গুঁড়া, ধনেপাতা ও কিশমিশ দিয়ে আরও একটু হালকা আঁচে রাখতে হবে। এবার ওপরে ঘি ও বাদাম ছড়িয়ে নামাতে হবে তেলাপিয়া মাছের ঝুরি কাবাব।
বাহারি কাবাব
উপকরণ: মুরগির কিমা ২ কাপ, ডিম ১টি, গোলমরিচ গুঁড়া আধা চা চামচ, আদা বাটা ১ চা চামচ, কাজুবাদাম বাটা ১ টেবিল চামচ, রসুন আধা ১ চা চামচ, পনির কুচি ২ টেবিল চামচ, কাঁচা মরিচ কুচি ১ চা চামচ, ধনেপাতা কুচি আধা চা চামচ, গরম মসলা গুঁড়া আধা চা চামচ, লেবুর রস ১ টেবিল চামচ, লবণ স্বাদ অনুসারে, পেঁয়াজ কুচি ২ চা চামচ, ক্যাপসিকাম কুচি ১ টেবিল চামচ, টমেটো কুচি ১ টেবিল চামচ, তেল সিকি কাপ, মাখন সামান্য।
প্রণালি: টমেটো কুচি, ক্যাপসিকাম কুচি, মাখন বাদে সব উপকরণ একসঙ্গে মেখে এক ঘণ্টা রাখতে হবে। এবার একটি করে বাঁশের কাঠি নিয়ে তার মধ্যে ভালো করে কিমা লাগান। হাতে পানি নিয়ে টমেটো, ক্যাপসিকাম কুচির ওপর দিয়ে দিন। এবার ট্রেতে মাখন বা তেল দিয়ে কাঠিগুলো এর ওপর সাজিয়ে ২০০ ডিগ্রিতে ৪০ মিনিট বেক করে নামাতে হবে। এর ওপর সামান্য মাখন মাখিয়ে দিতে পারেন।
কাঁঠালের কাঠি কাবাব
উপকরণ: কাঁঠাল সেদ্ধ করে বাটা ১ কাপ, পাউরুটি ২ টুকরা, জিরা ভাজা গুঁড়া ১ চা চামচ, কাঁচামরিচ কুচি ১ চা চামচ, লেবুর খোসার কুচি ১ চা চামচ, লেবুর রস ১ টেবিল চামচ, ডিম ১টি, বিস্কুটের গুঁড়া সিকি কাপ, লবণ স্বাদমতো, তেল ভাজার জন্য।
প্রণালি: সব একসঙ্গে মেখে কাঠির মধ্যে গেঁথে ডুবোতেলে লাল করে ভাজতে হবে। এবার চাটনির সঙ্গে গরম গরম পরিবেশন।
কিমা কাবাব
উপকরণ: সেদ্ধ করা গরুর মাংসের কিমা ২ কাপ, মিহি কুচি সেদ্ধ করা সবজি (গাজর, ফুলকপি, বাঁধাকপি, মাশরুম) ১ কাপ, কর্নফ্লাওয়ার ২ টেবিল চামচ, আদা বাটা ১ চা চামচ, রসুন বাটা ১ চা চামচ, পেঁয়াজ মিহিকুচি ২ টেবিল চামচ, ধনেপাতা কুচি ১ টেবিল চামচ, পুদিনাপাতা কুচি ১ চা চামচ, কাঁচামরিচ মিহি কুচি ২টি, গরম মসলা গুঁড়া আধা চা চামচ, ফেটানো ডিম ২টি, লেবুর রস ১ টেবিল চামচ, টোস্ট বিস্কুটের গুঁড়া ১ কাপ, লবণ স্বাদমতো এবং ভাজার জন্য তেল দিতে হবে।
প্রণালী: বিস্কুটের গুঁড়া ও তেল ছাড়া বাকি সব উপকরণ একসঙ্গে মেখে একটি মিশ্রণ তৈরি করতে হবে। এবার মিশ্রণ থেকে নিয়ে কাবাবের মতো করে ডিমের গোলায় ডুবিয়ে বিস্কুটের গুঁড়া মেখে ডুবো তেলে ভেজে সসের সঙ্গে পরিবেশন করুন।
হীরা কাবাব
উপকরণ: সেদ্ধ করা কলিজা ৫০০ গ্রাম, আলু সেদ্ধ (মাঝারি) ২টি, গাজর সেদ্ধ ২টি, মরিচের গুঁড়া ১ চা চামচ, আদা বাটা ১ চা চামচ, রসুন বাটা ১ চা চামচ, পেঁয়াজ বাটা ১ টেবিল চামচ, গরম মসলা গুঁড়া ১ চা চামচ, (দারচিনি, এলাচ, লবঙ্গ, গোলমরিচ, জয়ত্রী পরিমাণমতো নিয়ে টেলে গুঁড়া করে নিতে হবে)। ডিম ১টি, টমেটো সস ২ টেবিল চামচ, লবণ স্বাদ মতো, তেল প্রয়োজন মতো, সাসলিকের কাঠি ৭-৮টি।
প্রণালী: কলিজা, আলু ও গাজর চারকোনা করে টুকরো করে নিতে হবে। তেল ও টমেটো সস ছাড়া বাকি সব উপকরণ দিয়ে মেখে ৩০ মিনিট রাখতে হবে। ফ্রাইপ্যানে তেল দিয়ে সাসলিকের কাঠিতে পরপর কলিজা আলু ও গাজর গেঁথে ছেঁকা তেলে ভেজে বাকি মসলা কষে টমেটো সসে মেখে হীরা কাবাব পরিবেশন করুন।
হাঁড়ি কাবাব
উপকরণ: থেঁতো করা গরুর মাংস (হাড়সহ) ৫০০ গ্রাম, কাবাব মসলা ১ টেবিল চামচ, পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ, মরিচের গুঁড়া ১ টেবিল চামচ, ধনে গুঁড়া ১ চা চামচ, আদা বাটা ১ টেবিল চামচ, রসুন বাটা ১ চা চামচ, টকদই ১ কাপ, গোলমরিচ ১৫-১৬টি, লবণ স্বাদ মতো, তেল প্রয়োজন মতো।
প্রণালী: গোলমরিচ গুঁড়া করে লবণের সঙ্গে মিশিয়ে মাংসে ভালো করে মেখে ২০ মিনিট রাখতে হবে। ফ্রাইপ্যানে অল্প তেল দিয়ে মাংসের টুকরোগুলো দুই পিঠে ভাজতে হবে। অন্য একটি সসপ্যানে তেল গরম করে পেঁয়াজ নরম হওয়া পর্যন্ত ভেজে সব বাটা ও গুঁড়া মসলা দিয়ে কষিয়ে টকদই দিয়ে ফুটাতে হবে। ফুটে উঠলে মাংস দিয়ে ঢেকে মৃদু আঁচে রান্না করতে হবে। মাংস শুকিয়ে এলে তার ওপর একটি ছোট স্টিলের বাটিতে জ্বলন্ত কয়লার টুকরো দিয়ে তার ওপর ১ চা চামচ ঘিয়ের ছিটা দিয়ে প্যানের মুখ ঢাকনা দিয়ে বন্ধ করে রাখতে হবে ৫ মিনিট। হাঁড়ি কাবাবে কয়লার গন্ধ পাওয়া যাবে।
শিকামপুরী কাবাব
উপকরণ : মিহি কিমা ২ কাপ/ হাফ কেজি, পেঁয়াজ কুচি (মিহি কুচি) ৪টা/ ৮ টেবিল চামচ, কাঁচা মরিচ কুচি ২ টেবিল চামচ, টেস্টিং সল্ট হাফ চা চামচ, লবণ হাফ চা চামচ, ডিম ১টা, বিস্কুটের গুঁড়ো পরিমাণ মত, সয়াসস ১ টেবিল চা চামচ।
প্রণালী: পেশা মাংসের সাথে সব উপকরণ ভালভাবে মেখে নিতে হবে। এবার মিশ্রণটিকে ৪ ভাগে ভাগ করে প্রতি ভাগকে পাতার সাইজ করে বিস্কিটের গুঁড়োয় মেখে ডিপ ফ্রিজে হাফ ঘন্টা রেখে দিতে হবে। ডুবো তেলে ভেজে গরম গরম পরিবেশন করতে হবে।
দুররানি কাবাব
ক• উপকরণঃ ডিম ৬টা, লবণ আধা চা চামচ, তরল দুধ সোয়া কাপ।
প্রণালীঃ উপরের সব উপকরণ একসঙ্গে ব্লেন্ড করে পুডিং বানাতে হবে। ঠান্ডা করে উল্টিয়ে নামাতে হবে। এবার দেড় ইঞ্চি চওড়া করে কিউব কাটতে হবে।
খ• উপকরণঃ মুরগির মাংস কিউব ২ কাপ, সয়াসস ১ টেবিল চামচ, আদা বাটা ১ চা চামচ, টমেটো সস ২ টেবিল চামচ, রসুন বাটা আধা চা চামচ, সয়াবিন তেল ২ টেবিল চামচ, শুকনা মরিচের গুঁড়া ১ চা চামচ, লবণ প্রয়োজনমতো।
প্রণালীঃ মাংস দেড় ইঞ্চি চওড়া কিউব করে কাটতে হবে। এবার ওপরের সব উপকরণ একসঙ্গে মেরিনেট করতে হবে আধা ঘণ্টা। এবার শাশলিক কাঠিতে এক টুকরা মাংস, এক টুকরা পুডিং এভাবে তিন টুকরা মাংস ও দুই টুকরা পুডিং গেঁথে কাবাবের কাঠিগুলো তৈরি করতে হবে।
গ• উপকরণঃ ময়দা ১ কাপ, মরিচের গুঁড়া ২ চা চামচ, লবণ ১ চা চামচ, পানি পরিমাণমতো।
প্রণালীঃ উপরের সব উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে পেস্ট বানাতে হবে। এবার গেঁথে রাখা কাঠিগুলো পেস্টে চুবিয়ে ডুবোতেলে মাঝারি আঁচে বাদামি করে ভেজে সস দিয়ে গরম গরম পরিবেশন।
– এই কাবাব কাঠিতে গেঁথে দুই-তিন দিন ফ্রিজে রেখে প্রয়োজনের সময় অল্প অল্প ভেজে পরিবেশন করা যায়।
– যাঁরা তেল খেতে চান না তাঁরা ইচ্ছা করলে এই কাবাব ডাবল বয়লারে ভাপ দিয়ে ও সস দিয়ে পরিবেশন করতে পারেন।
সুতাকাঠি কাবাব
উপকরণ: মাংসের কিমা ৫০০ গ্রাম, পেঁপের খোসা বাটা ১ চা চামচ, আদা বাটা ১ চা চামচ, রসুন বাটা ১ চা চামচ, বাদাম বাটা ১ চা চামচ, মরিচ বাটা ১ চা চামচ, কাবাব মসলা ১ চা চামচ, পেঁয়াজ মিহি কুচি ২টি, লবণ স্বাদমতো, সরিষার তেল আধা কাপ।
প্রণালী: সব একসঙ্গে মেখে দুই ঘন্টা রাখতে হবে। এবার কাঠির মধ্যে গেঁথে সুতা দিয়ে ভালো করে বেঁধে ওভেনে বেক করতে হবে অথবা আস্তে আস্তে উল্টিয়ে-পাল্টিয়ে তাওয়ায় ভাজতে হবে। সুতা খুলে পরিবেশন।
চিকেন বড়ি কাবাব
উপকরণ : মুরগির মাংস ২০০ গ্রাম, আদা-রসুন বাটা এক চা চামচ, গোলমরিচের গুঁড়া সিকি চা চামচ, ডিম দুটি, বেসন দুই টেবিল চামচ, কাঁচামরিচ কুচি এক চা চামচ, ধনেপাতা কুচি এক চা চামচ, মাখন দুই চা চামচ, তেল এক কাপ, লবণ পরিমাণমতো।
প্রণালী : প্রথমে ডিম, বেসন, পেঁয়াজ, মরিচ, ধনেপাতা ও লবণ একসঙ্গে ভালো করে মাখিয়ে বেসন মিক্স তৈরি করে নিতে হবে। এবার মাংসকে আদা-রসুন বাটা, গুঁড়ো মরিচ ও লবণে মাখিয়ে ১০ মিনিট রেখে দিতে হবে। এরপর ননস্টিক প্যানে অল্প আঁচে মাংস টুকরো মাখন দিয়ে আধা ভাজা করতে হবে। পরে এগুলো অন্য একটি পাত্রে সরিয়ে রাখতে হবে। ঠাণ্ডা হয়ে গেলে মাংস বেসনে মাখিয়ে ডুবো তেলে ভাজতে হবে, যেন মাংসের উভয় পাশ সোনালি রং ধারণ করে। ভাজা হয়ে গেলে প্লেটে বাসমতি চালের ভাত বা পোলাওয়ের সঙ্গে দুই টুকরো বেগুন ভাজা দিয়ে চিকেন বড়ি কাবাব গরম গরম পরিবেশন করুন।
আচারি মাটন কাবাব
উপকরণ : খাসির মাংস ১৫০ গ্রাম, টক দই দুই টেবিল চামচ, আদা-রসুন বাটা এক চা চামচ, গরম মসলা সিকি চা চামচ, জিরা সিকি চা চামচ, মরিচ গুঁড়ো আধা চা চামচ, সরিষার তেল দুই চা চামচ, কাঁচামরিচ কুচি দুই চা চামচ, লেবুর রস এক চা চামচ।
প্রণালী : ওপরের উপকরণগুলো মাখিয়ে ২০ মিনিট রেখে দিতে হবে। মাখানো মাংসের টুকরো এবার গ্রিল বা ওভেনে অথবা ননস্টিক প্যানে অল্প আঁচে দুইপাশ ভালোভাবে সেদ্ধ না হওয়া পর্যন্ত ভেজে নিন। হয়ে গেল আচারি মাটন কাবাব।
সেঁকা কাবাব-ই-মালাই
উপকরণ : গরুর মাংস ০.৫ কেজি, পাকা পেঁপে বাটা আধা কাপ, টক দই ৪ টেবিল চামচ, কাবার মসলা ১ টেবিল চামচ, আদা বাটা ১ টেবিল চামচ, রসুন বাটা ১ টেবিল চামচ, বাটা পেঁয়াজ বেরেস্তা আধা টেবিল চামচ, তেল ১ কাপ, লবণ স্বাদমতো, পেঁয়াজ বাটা ২ টেবিল চামব, কাজু বাদাম বাটা ১ টেবিল চামচ, মালাই ২ টেবিল চামচ।
প্রণালী : মালাই বাদে সব উপকরণ একসঙ্গে মেখে ৪ ঘন্টা রাখতে হবে। ৪ ঘন্টা পর শিকে গেঁথে কয়লা অথবা চুলায় সেঁকে নিতে হবে। যে মসলা রয়ে যাবে প্যানে দিয়ে কষিয়ে সবশেষে মালাই ও কাবাব দিযে একটু নেড়েচেড়ে ১৫ মিনিট দমে রাখতে হবে।
টুনা কাবাব
উপকরণ : টুনা ফিশ ১ টিন, কাঁচামরিচ কোয়ার্টার টেবিল চামচ (ছোট করে কাটা), আদা বাটা কোয়ার্টার টেবিল চামচ, রসুন বাটা কোয়ার্টার টেবিল চামচ, পেঁয়াজ কুচি কোয়ার্টার কাপ, ধনে পাতা ২ টেবিল চামচ, লেমন জুস ১ টেবিল চামচ, ডিম ফেটানো ১টি, লবণ স্বাদমতো, তেল পরিমাণমতো।
প্রণালী: প্রথম পর্যায়, সব উপাদান একসঙ্গে মেশান। বার্গার শেপ করে তৈরি করুন।
দ্বিতীয় পর্যায়, ননস্টিক প্যানে তেল গরম করুন। বার্গারগুলো তেলে ভাজুন গোল্ডেন ব্রাউন রঙ হওয়া পর্যন্ত। এরপর দুপাশ ভালো করে ভেজে নামিয়ে পরিবেশন করুন।
পরোটা কাবাব রোল
উপকরণ : মাংসের কিমা ৫০০ গ্রাম, গোলমরিচের গুঁড়া পরিমাণমতো, কর্নফাওয়ার ২ চা চামচ, ধনেপাতা কুচি ২ চা চামচ, লবণ পরিমাণমতো, পেঁয়াজ কাটা (বড়) ১টি, টুথপিক প্রয়োজনমতো, পরোটা প্রয়োজনমতো, তেল পরিমাণমতো (ভাজার জন্য)।
প্রণালী : মাংসের কিমার সাথে পেঁয়াজ কাটা, লবণ, ধনেপাতা কুচি, গোল মরিচের গুঁড়া ও কর্নফাওয়ার দিয়ে ভালোভাবে কিমার সাথে মাখিয়ে নিন। মাখানো হয়ে গেলে কিমা রোলের মতো করে তৈরি করে ডুবো তেলে লাল করে ভেজে তুলুন। তৈরি হয়ে গেল কাবাব রোল। এই কাবাব রোল পরোটার মাঝখানে রোল করে টুথপিক দিযে আটকাতে হবে। তারপর পছন্দ অনুযায়ী কাবাব রোল সাজিয়ে পরিবেশন করুন।
কাঁঠাল বিচির কাবাব
উপকরণ : কাঁঠালের বিচি ১ কাপ, মাংসের কিমা ১ কাপ, ডিম ১টি, আদা বাটা ১ চা চামচ, রসুন বাটা আধা চা চামচ, কাবাব মসলা ১ চা চামচ, গরম মসলা ১ চা চামচ, মরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ, গোলমরিচ গুঁড়া আধা চা চামচ, লবণ স্বাদমতো, তেল পরিমাণমতো।
প্রণালী : কাঁঠালের বিচি খোসা ফেলে ৩ ঘণ্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। এবার ওপরের লাল আবরণ পরিষ্কার করে নিন, বিচি সিদ্ধ করে বাটুন। কিমা আদা-রসুন বাটা দিয়ে সিদ্ধ করে মিহি করে বেটে নিন। তেল ছাড়া সব উপকরণ একসঙ্গে মেখে গোলাকার চ্যাপ্টা কাবাব বানিয়ে ডুবো তেলে ভেজে পরিবেশন করুন।
মগজের কাবাব
উপকরণ: সেদ্ধ মগজ ১ কাপ, সেদ্ধ আলু ২ টেবিল চামচ (ম্যাশড), সেদ্ধ কাঁচা কলা ১টি, কর্নফ্লাওয়ার ১ টেবিল চামচ, আদা বাটা ১ চা চামচ, রসুন বাটা ১ চা চামচ, কাবাব মসলা আধা চা চামচ, পেঁয়াজ কুচি ২ টেবিল চামচ, মরিচ কুচি ২টি, ধনেপাতা কুচি ১ টেবিল চামচ, ডিম ১টি, বিস্কুটের গুঁড়া ১ কাপ, লবণ স্বাদমতো ও তেল প্রয়োজনমতো।
প্রণালী: তেল, ডিম ও বিস্কুটের গুঁড়া ছাড়া বাকি সব উপকরণ একসঙ্গে মেখে একটি মিশ্রণ তৈরি করতে হবে। মিশ্রণ থেকে নিয়ে কাবাব আকারে গড়ে ডিমে ডুবিয়ে গুঁড়ো মেখে ৩০ মিনিট ফ্রিজে রাখুন এবং ডুবো তেলে সোনালি রং করে ভেজে তুলুন।
লইট্টা মাছের কাবাব
উপকরণ : লইট্টা মাছ হাফ কেজি, ভাত বাটা সিকি কাপ, পেঁয়াজ (চপকাটা) সিকি কাপ, রসুন বাটা ১ টে. চামচ, পেঁয়াজ বাটা ১ টে. চামচ, আদা বাটা ১ টে. চামচ, ধনেপাতা কুচি ১ টে. চামচ, কাঁচা মরিচ (চপকাটা) ১ টে. চামচ, গোলমরিচ গুঁড়া হাফ চা চামচ, গরম মসলা গুঁড়া ১ চা চামচ, ডিম ২টি, পাউরুটির গুঁড়া পরিমাণমতো, লবণ পরিমাণমতো, তেল ১ কাপ।
প্রণালি : প্রথমে লইট্টা মাছ আঁশ ফেলে টুকরা করে কেটে ধুয়ে সিদ্ধ করে নিন। সিদ্ধ মাছের কাঁটা বের করে চটকে নিন। সব মসলা, অর্ধেক পাউরুটির গুঁড়া, চটকানো ভাত, ডিমের কুসুম, মাছ সব একসঙ্গে মাখিয়ে নিন। এবার গোল বা লম্বা চ্যাপ্টা করে কাবাব বানিয়ে ডিমের সাদা অংশে ডুবিয়ে পাউরুটির গুঁড়ায় গড়িয়ে নিন। এবার ফ্রাইপ্যানে তেল গরম করে মচমচে করে ভেজে নিন। গরম গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন।
সবজির মুঠি কাবাব
উপকরণ:ফুলকপি, বাঁধাকপি, গাজর, পেঁপে ও আলু কুচি করা ৫০০ গ্রাম। বেসন আধা কাপ, ডিমের কুসুম ১টি, দুধে ভেজানো পাউরুটি ২ টুকরা, মিহি কুচানো পেঁয়াজ ১ কাপ, ধনেপাতা, কাঁচা মরিচ ও পুদিনাপাতা পরিমাণমতো, জিরা ও গোলমরিচের গুঁড়া ১ চা-চামচ, বিস্কুটের গুঁড়া দুই কাপ, ফেটানো ডিম ২টি, টমেটো কুচি ২টি, ভাজার জন্য তেল দুই কাপ, লবণ ও চিনি স্বাদমতো, কুচানো কিশমিশ ২ টেবিল-চামচ।
প্রণালি:সবজি এক মিনিট ভাপিয়ে ঠান্ডা করে একে একে বেসন, ডিমের কুসুম, পেঁয়াজ, ধনেপাতা, কাঁচা মরিচ, টমেটো, চিনি, লবণ ও গুঁড়া মসলা দিয়ে মেখে নিতে হবে। এবার ভেজানো রুটিসহ মেখে ডিমের গোলায় ডুবিয়ে বিস্কুটের গুঁড়ায় গড়িয়ে মচমচে করে ভেজে তুলতে হবে
রূপচাঁদা কাবাব
উপকরণঃরূপচাঁদা মাছ ৪০০ গ্রাম, লেবুর রস ১ টেবিল-চামচ, আদা বাটা ১ চা-চামচ, রসুন বাটা ১ চা-চামচ, ডিম ১টি, কাঁচামরিচ বাটা ১ চা-চামচ, হলুদ গুঁড়া আধা চা-চামচ, সয়াসস ১ টেবিল-চামচ, গরম মসলা গুঁড়া ১ চা-চামচ, লবণ স্বাদমতো ও তেল প্রয়োজনমতো। সালাদ ইচ্ছামতো।
প্রণালি: মাছ পরিষ্কার করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে ছুরি দিয়ে একটু চিরে দিতে হবে। এবার লবণ ও লেবুর রস মাখিয়ে রাখতে হবে ৫ মিনিট। তারপর সব মসলা দিয়ে মাখিয়ে ৩০ মিনিট মাছ ফ্রিজে রাখতে হবে। এরপর কাঠ কয়লার আগুনে ৭-৮ মিনিট সোনালি রং করে ঝলসে নিতে হবে এপিঠ-ওপিঠ অথবা শিকে গেঁথে ২০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপে ওভেনে ১৫ মিনিট বেক করতে হবে। মাঝেমধ্যে মাছের ওপর তেল ব্রাশ করে দেওয়া যেতে পারে। শসা, টমেটো ও চাটনি দিয়ে গরম গরম পরিবেশন করা যায় মাছের কাবাব।
চন্দ্র কাবাব
উপকরণঃ গরুর মাংসের কিমা ৩০০ গ্রাম, কাঁচকলা ২টি, মিহি পেঁয়াজ কুচি আধাকাপ, কাঁচা মরিচ কুচি স্বাদমতো, কাবাব মসলা ২ চা-চামচ, ধনেপাতা কুচি আধা কাপ, লেবুর রস ২ চা-চামচ ও সয়াবিন তেল প্রয়োজনমতো, পেঁয়াজবাটা ২ চা-চামচ, রসুন ও আদাবাটা ১ চা-চামচ, জিরার গুঁড়া ১ চা-চামচ, টোস্ট বিস্কুটের গুঁড়া প্রয়োজনমতো, ডিম ১টি, গরম মসলা ২টি, তেজপাতা ২টি, নারকেলবাটা ৩ চা-চামচ, চিনি ১ চা-চামচ, কাঁচা মরিচ ৪-৫টি বা স্বাদমতো, চালের গুঁড়া আধা কাপ।
প্রণালিঃ হাঁড়িতে মাংসের কিমা, পেঁয়াজ, রসুন, আদাবাটা, লবণ, কাঁচা মরিচ, কাঁচা কলা টুকরা, তেজপাতা, গরম মসলা, জিরার গুঁড়া ও পরিমাণমতো পানি দিয়ে রান্না করতে হবে। মাংস সেদ্ধ হয়ে ভাজা ভাজা হলে পাটায় বেটে নিতে হবে। একটি বাটিতে মাংস, কলা বাটা, পেঁয়াজ, কাঁচা মরিচ, ধনেপাতা কুচি, ডিম, চিনি, লেবুর রস, সামান্য লবণ, নারকেল বাটা ও চালের গুঁড়া দিয়ে ভালোভাবে মাখিয়ে গোল-চ্যাপ্টা করে টোস্টের গুঁড়ার ওপর গড়িয়ে অল্প আঁচে ডুবোতেলে ভাজতে হবে। সব চন্দ্র কাবাব ভাজা হলে পরিবেশন করতে হবে।
আলু-পনির কাবাব
উপকরণঃ সিদ্ধ আলু ২ টি, ডিম ৩ টি, পনির ৪ টেবিল চামচ, ধনে পাতা- ১ চা চামচ, গোল মরিচ গুড়া ১/২ চা চামচ, লবন পরিমাণ মতো, ব্রেড ক্রাম এবং ভাজার জন্য তেল।
প্রণালী:আলু চটকে তার মধ্যে ডিমের কুসুম, পনির, ধনে পাতা, গোল মরিচ গুড়া এবং লবন দিয়ে খুব ভালো করে মেখে নিন।এবার পছন্দ মতো আকারে কাবাব তৈরি করুন। ডিমের সাদা অংশে সামান্য লবন দিয়ে ফেটে নিন। কাবাবগুলো প্রথমে ডিমে ডুবিয়ে ব্রেড ক্রামে গড়িয়ে নিন। এভাবে দুইবার ডিম এবং ব্রেড ক্রাম লাগিয়ে কিছুক্ষণ ফ্রিজে রাখুন।ফ্রিজ থেকে বের করে ডুবু তেলে সোনালি করে ভেজে তুলুন।
কাঁচকলার জালি কাবাব
যা যা লাগবে
কাঁচকলা চারটি, আলু দু’টা, পেঁয়াজ কুচি এক কাপ, ধনিয়াপাতা কুচি কোয়ার্টার কাপ, জিরা গুঁড়া এক চা চামচ, গরম মসলা গুঁড়া ১ চা চামচ, ঘি এক টেবিল চামচ, লবণ প্রয়োজন মতো, মরিচ কুচি ছয়টা, তেল ভাজার জন্য, ব্রেড ক্রাম কোয়ার্টার কাপ, পুঁদিনাপাতা কুচি কোয়ার্টার কাপ, ডিম দু’টা।
যেভাবে করবেন
তেল, ডিম, ব্রেড ক্রাম বাদে উপরের সব উপকরণ কলা ও আলু সিদ্ধ করে ভালভাবে মাখতে হবে। এখন গোল কাবাব তৈরি করে ব্রেড ক্রামে গড়িয়ে ডিমে চুবিয়ে তেলে ভাজতে হবে। ভাজা হলে সঙ্গে সঙ্গে পরিবেশন করুন।
কতোগুলার ছবি ছ্যাড়াব্যড়া অবস্থায় থাকতে পারে!! মাগ্গো মা!! কোনো পোস্টের পিছে এতো কষ্ট করি নাই আগে!!
পত্রিকার লিংক!
মন্তব্য
রেসিপিগুলা দেওয়ার জন্য একটন
আপু।।। 
লেখকের মন্তব্য
ধইন্যা!
আমি এখন পুরো কনফিউযড! এতদিন আপনাকে 'ভাইয়া' হিসেবে জানতাম!
পোস্টের জন্য অসংখ্য :ধইন্না:।
দিলেন তো এখন খাবারের মুড এনে। এখন এসব কাবাব কই পাই? বানানর সময় ও নাই উপকরন জোগাড় করাও কারণবশত সম্ভব না। এখন সমাধান দেন?
লেখকের মন্তব্য
এতোগুলা কবাবের মধ্যে একটাও বানানোর উপকরণ নাই!! একটা কথা???? আলু চটকে বানায় ফেলেন!! এতো কষ্ট কইরা দিলাম! কই বানাইয়া আমারে খাবার দাওয়াত দিবেন!
আপনার পোস্টটা প্রিয়তে নিলাম। কিছুক্ষণ আগে মাকেও দেখালাম। দরকারি একটা পোষ্টের জন্য ধন্যবাদ। কবে খাবেন, কি খাবেন? কোথায় খাবেন বলেন।।
লেখকের মন্তব্য
যেদিন রান্না করে দাওয়াত দেবেন!
অক্কে। এখন পরীক্ষা। পরীক্ষা শেষে দাওয়াত দিবো। আসবেন তো?
লেখকের মন্তব্য
আ্যড্রেস না বইলা দাওয়াত দিলেন!! কিস্যু হইলো এইডা!!
কাবাবের নাম গুলি সুন্দর
জেদ্দায় শরাফিয়া নামক জায়গায় এক খাবার রেস্তুরায় "চপ্পল কাবাব" নামের কাবাব পাওয়া যায়
দেখতে অনেকটা ফিতা ছাড়া সেন্ডেল এর মত
খাইতেও মজা
লেখকের মন্তব্য
ঐটাকি জাস্ট কাবাবটারে ডিজাইন করা ওরকম? নাকি আসলেই স্পেশাল মেন্যু! রেসিপি জানায়েন তো
ডিজাইনটা ওমনই
আমাকে তাহলে শরাফিয়া যাইতে হবে
ফটো তুলিয়া আনবো
রেসপিটা লিখতে চেষ্টা করবো
লেখকের মন্তব্য
পাইলে বহুত খুশী হইবো! আমাকে একটু টোকা মাইরা জানায়ে বাধিঁত করিবেন!
একটা ভালো কাজ হয়েছে। কাবাব বানাতে আর বই খুলতে হবে না।
অনেক ধন্যবাদ।
লেখকের মন্তব্য
সেইটা ভাইবাই করা!
উপকৃত হইলে খুশী হবো!
ব্যাপক কাজ
আমি নিয়ে রাখলাম এই পোস্ট
রেসিপি ঠিকঠাক আছে তো?
ক্যাকটাসের রান্না বলে কথা
লেখকের মন্তব্য
এইটা কিছু বললেন???
কি আর বলছি?? রান্নার ডাল মুখে লাগায় যেন কে?
দেখা যাবে মশলার বদলে পাউডার দিতে বলছে তরকারিতে সে
লেখকের মন্তব্য
আল্লাহ!! আপনে এক ক্যারেকটাররেই আমার সব লেখা ফুইড়া বের করলে হবেটা কি!
ভাগ্যিস! এই লেখায় কাবাবজনগোষ্টী ছাড়া কেও নাই!!! নয়তো মানহানির মামলায় আপনারে খুন করা নিয়াই আমার পরবর্তী পোস্ট হইতো!!
আহা কাবাব ! জিভে পুনরায় জল !
সবগুলো বানায়া আপ্নের বাসায় দাওয়াত দিয়েন, বলেন কবুল।
লেখকের মন্তব্য
ঈয়ে মানে!!! কি?
দুইটা বাদ গেসে- কাঁচকলার কাবাব আর স্যামন মাছের কাবাব। রেসিপি জানা নাই
লেখকের মন্তব্য
কাঁচকলারটা ভুলে গেছিলাম! আর স্যামনেরটা তো পেলাম না! এটা মনে হয় সাধারণ ফিশ কাবাবের মতোই
রোবোট ভাইয়ের কথা শুনে আমি হাসতে হাসতে মারা গেলাম, আর উনার কথাকে প্রজাপতি সিরিয়াসলি নিয়েছেন দেখি!
এখন আমি নিজেই confused!
-
এখানে আরবদের থেকে একটা নতুন স্টাইলে Salmon-এর কাবাব বানানো শিখলাম।
লেখকের মন্তব্য
আপনারটাও তো বুঝতেছিনা মজা না সত্যি!!
স্যামনেরটা পাইলে জানায়েন! ঠিক করছি! একদিন সবগুলা বানাবো! আর কাঁচকলার কাবাব তো আছেই!!
পুরাই কাবাবঘর বানায় ফেলসেন দেখি! তিলাপিয়া আর টুনা ট্রাই করার ইচ্ছা, এই দুইটাই সবচে সোজা মনে হইলো!
- শুভ কামনা।
কাবাবে কাবাব ময়। মাংস দেয়া সবগুলিই মজা হওয়ার কথা,
যেইহারে লিস্ট দিছেন আমি তো শেষের দিকে প্রজাপতি কাবাব ও আশা করছিলাম। দুইটা বড় সাইজের প্রজাপতি পাখা ছিড়ে সুন্দর মত ধুয়ে সব স্পাইস প্রয়োজন মত মাখিয়ে গ্রিলে ছেকা দিন। গ্রম গ্রমপরিবেশন করুন। এই আরকি!
সেমি অনটপিক: গোল সেইপের গুলির নাম আগি আগে ''টিকিয়া' বলে জানতাম।
লেখকের মন্তব্য
টিকিয়া আর কাবাব তো একই বলে জানি! আর এগুলা তো সব খুইজা বাইর করা! আর আপনে শেষমেশ প্রজাপতির পাখনার পিছে লাগলেন!
কষ্টিত হইলাম
দরকারি পোস্ট। আচ্ছা প্রিয়তে রাখে কিভাবে? ধন্যবাদ।
লেখকের মন্তব্য
হাইলাইট করা অংশটা দেখুন!
নতুন কিছু কাবাবের নাম জানা গেল ,আপাতত লোভ হলেও উপায় নাই । অনেক কষ্ট করে বিশাল পোস্ট দিয়েছেন - সাথে আবার রেসিপিও আছে । অনেক অনেক ধন্যবাদ ।
পোস্ট সেভ করে রাখলাম - বাসায় বলতে হবে বানানোর কথা !
কাবাবময় পোস্ট দেখে
না ফেলে পারলাম না।
আহা কাবাব!!!
আগামী কাল আমি বাসায় ভেটকি মাছের শিককাবাব বানাব। যাকে বলা যেতে পারে ভেটকি সসলি।
রেসিপি পোষ্ট দিব একদিন।।।।
পোষ্ট প্রিয়তে রাখলাম।।।।
লেখকের মন্তব্য
রান্নার ছবিটা দিয়েন কিন্তু
আহ!! এতোগুলো কাবাবের রেসিপি!!!
জিভে পানি এসে গেলো!
অনেক অনেক ধন্যবাদ্ এই উপকারী পোস্টের জন্য।
মন্তব্য করুন