ফজলে হাসান জামি-এর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

আজ বন্ধের দিন। তাই মনের সুখে ঘুমোচ্ছি। বেশ আরাম লাগছিলো বিধায় ঘুম থেকে উঠতে ইচ্ছে করছেনা। একটু পরে মনে হতে লাগলো কেউ যেন গা টা টিপে দিচ্ছে। হঠাৎ শুনতে পেলাম আমার মহাশয়া স্ত্রী হাঁক ছাড়ছেন। হাঁক-ডাক শুনে আমার ঘুম কেটে গেলো। ঘুম কেটে যেতেই বুঝতে পারলাম গা টা কেমন যেনো ব্যাথা-ব্যাথা লাগছে। এতক্ষণে বুঝলাম আমার গা কেউ টিপে দিচ্ছেনা, আমার মহাশয়া স্ত্রীর অবিরাম কিল-ঘুষি পড়ছে।
আমাকে ঘুম থেকে উঠতে দেখে বউ পাশের ঘরে চলে গেলো, যদিও তার বকবকানি থামেনি। উঠে বিছানাতেই বসে রইলাম। কি ঘটনা আঁচ করার চেষ্টা করছি। পাশের ঘর থেকে ভেসে আসছে আমার স্ত্রীর তীক্ষ্ণ-কঠোর কথাগুলো......
- বেলা পড়ে এলো, মহারাজার দেখি ঘুম ভাঙ্গেনা। বলি মাসের ক’ তারিখ হলো খবর আছে? কাল থেকেতো বাড়ি ভাড়ার টাকার জন্য বাড়িওয়ালার আনাগোনা শুরু হয়ে যাবে। তার আসার আগেই কি টাকাটা মিটিয়ে দেয়া যায়না? আর কতোদিন............
তার কথাগুলো আর কান দিয়ে ঢুকছেনা। আজ ক’ তারিখ মনে করার চেষ্টা করেও মনে করতে পারছিনা। ক্যালেন্ডারের দিকে তাকিয়ে বুঝতে পারলাম আজ ১০ জুলাই, ২০২৫ সাল। দেখতে দেখতে আরো একটা বছরের অর্ধেকটা পথ পাড়ি দিয়ে ফেললাম। তাড়াতাড়ি হাত-মুখ ধুয়ে সুবোধ বালকের মতো টেবিলে এসে বউয়ের পাশে বসলাম। সকালের নাস্তা খেতে খেতে বউ জানিয়ে দিলো বাজারে যেতে হবে। বাজারের কথা শুনে মাথাটা কেমন যেন ঘুরতে লাগলো। কোনভাবে খাওয়াটা শেষ করে বউকে বললাম বড় সিন্দুক থেকে বাড়ি ভাড়ার টাকাটা নিয়ে আসতে। কিছুক্ষণ পরেই বউ বিশাল এক থলেতে করে বাড়ি ভাড়ার ১৫,০০,০০০ টাকা নিয়ে সামনে হাজির। থলেটার দিকে তাকিয়ে আমি কেমন যেন স্মৃতিকাতর হয়ে পড়লাম। মনে পড়ছে ২০১০-১১ সালের কথা। তখন বাড়ি ভাড়া ছিল মাত্র ১৫,০০০ টাকা, তাও কত বিশাল বাসা ছিল! কিন্তু আজকালকার ছেলেপুলেরা এ কথা শুনলে উল্টো পাগল ঠাওরাবে! আর কি সুন্দর টাকাটা পকেটে পুরেই নিয়ে যাওয়া যেত। আর এখন পকেটের বদলে থলে!
আবার বউয়ের গুতোয় বাস্তব জীবনে ফিরে এলাম। থলেটা নিয়ে বেড়িয়ে গেলাম বাসা থেকে। ২৭ তলায় থাকেন বাড়িওয়ালা। লিফটে ঢুকেই বলে দিলাম ২৭ এ যাবো। প্রযুক্তির কারণে এখন বললেই হয়ে যায়। নামতে নামতে আবার ভাবছি। দিগ্বিদিক ছুটে চলা সব ভাবনা। দিনে দিনে মানুষের থাকার জায়গা কমে গেছে। তাই মানুষ এখন যত পারে উপর দিকে আকাশ ছোঁয়ার প্রতিযোগীতা করে চলেছে।
হঠাৎ কেন যেন শায়েস্তা খাঁ’র কথা মনে হচ্ছে। ছোট বেলায় বইতে পড়েছিলাম, শায়েস্তা খাঁর আমলে টাকায় আট মণ চাল পাওয়া যেত। ভাবতেই কেমন যেন লাগে। কিন্তু এখনকার বইতে অবশ্য শায়েস্তা খাঁর জায়গা হয়নি। যুগ পাল্টেছে, সদ্য বিদেয় নেয়া অতীতকে জুড়ে দেয়া হয়েছে বইতে। হু, এখন স্কুলের বইতে লিখা হয়েছে, ২০১০-১১ সালে ৫০ টাকায় ১ কেজি চাল পাওয়া যেত, হাজার টাকায় থলে ভর্তি মাছ কিনতে পাওয়া যেত। আহা, কি সুখের দিন ছিলো তখন। কাল আমার মেয়েটা হঠাৎ করেই ছুটে এলো আমার কাছে। বলে,
- বাবা? সত্যিই কি ৫০টাকায় ১ কেজি চাল পাওয়া যেত?
আমি যখন বললাম, হ্যা রে মা। সত্যি পাওয়া যেত। তখন দেখলাম এইটুকুন মেয়েটা আমার বেশ অবাক হয়ে গেছে।
হঠাৎ করেই লিফট বলে ওঠলো, ২৭ তম ফ্লোরে আপনাকে স্বাগতম। লিফট থেকে বেড়িয়ে ২৭১৭ নাম্বার ফ্ল্যাটের দিকে হেঁটে চললাম। বাড়িওয়ালাকে টাকাটা দিয়ে খানিক্ষণ আলাপ করে আবার চলে এলাম বাসায়।
বাসায় ঢুকেই দেখি আমার মহাশয়া স্ত্রী বাজারের থলে নিয়ে আমার অপেক্ষা করছেন। দেখে মাথাটা যেন আবার ঘুরে ওঠলো। কি আর করা, অন্ন সংগ্রহের তাগিদে অনন্যোপায় হয়ে বাজারের দিকে যাত্রা শুরু করলাম, সাথে ১০ কেজি ওজনের টাকার থলে! এত টাকা সাথে, কিন্তু ভাবলে মজাই লাগে কেউ ছিনিয়ে নিবেনা। ছিনতাইকারীরা এখন আর মানুষকে ছিনতাই করে না। এত বড় থলে নিয়ে পালাতে যে তারও সমস্যা হবে! সবাই এখন আমার মত টাকার থলে নিয়েই রাস্তায় চলাচল করে।
নিচে নেমে এসে রিকশা খোঁজতে লাগলাম। একটাকে বললাম, বাজার পর্যন্ত যাবে কিনা। তার এক কথা ২০০০ টাকা দিলে যাবে। অনেক দামাদামির পরে ১৭০০ টাকায় রাজি করালাম তাকে। যেতে যেতে এক মোড়ে জ্যামে পড়লাম। কোত্থেকে এক ভিক্ষুক এসে বলে, বাবা ভিক্ষা দাও। দিলাম একটা ১০০ টাকার নোট। সে আমাকে টাকাটা ফিরিয়ে দিয়ে বলে কিনা,
- আমারে অপমান করলেন মনয়? আমি ৫০০’র নিচে ভিক্ষা নেই না।
কি আর করা, দিলাম ৫০০ টাকা। সত্যি কথা কি, তাকে অপমান করতে ইচ্ছে করছিলোনা। এ দেশে আমারই কোন মান নেই, এই ভিক্ষুকের মান আছে। তাই মানী ব্যক্তির মান রক্ষা করা আরকি।
কিছুক্ষণ পরে পৌঁছে গেলাম বাজারে। বাজারে লম্বা লাইন। সবাই বাজারে ঢুকার জন্যে লাইনে দাঁড়িয়েছে। সরকার নতুন নিয়ম করেছেন, বাজারে ঢুকতে এখন টিকিট কাটতে হয়। এ হলো দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের জন্য সরকারের নেয়া যুগোপযোগী সিধান্ত! ১ঘণ্টা পরে ৫০০ টাকার টিকেট কেটে ঢুকতে পারলাম বাজারে। সারা বাজার ঘুরে এক ঘণ্টা পরে দেখি থলেতে টাকা শেষ, আর অন্যদিকে পলিব্যাগ বাজারে ভর্তি। এবার বাজার থেকে বের হওয়ার লাইনে দাঁড়ালাম। আমাদের মাননীয় মন্ত্রী মি. কমাই খান বলেছেন, “কম খান”। কেউ যেন বেশি খেতে না পারে তাই বাজারের ব্যাগ মাপা হবে বাজার থেকে বেড়নোর সময়। দীর্ঘক্ষণ পরে আমার সময় এলো। দিলাম ব্যাগ। মেপে দেখা গেলো ৫ কেজি হয়ে গেছে। সরকারী ‘বাজার আইন’ অনুযায়ী কেউ ৪ কেজির বেশি কিনতে পারবেননা। আর ৪ কেজি হলো প্রতি ৩ দিনের জন্য! কি আর করা শুরু হয়ে গেলো বাজার কর্মকর্তার জেরা। গা গুলিয়ে ওঠা সব প্রশ্ন,
- ভাই এত বেশি বাজার করলেন কেন?
- শ্বশুরবাড়ির কেউ বেড়াতে আসবে নাকি?
- সরকারের আইন অমান্য করলেন কেন? অনেক সাহস দেখি আপনার!
এতক্ষণ ঠিক ছিলো সব। এবার হাত দিলো আসল জায়গায়।
- ঘরে মানুষ কয়জন বলেন দেখি?
- আমি, আমার স্ত্রী, এক মেয়ে আর এক ছেলে।
- ছেলে, মেয়ের বয়স কত?
- মেয়ে ৯, ছেলে ৪
- কি বললেন, ছেলে ৪???!!!!! আপনি দেখি সরকারের আইন মানেনই না। লকারে পুরতে হবে দেখছি। ১ সন্তান নীতির কথা আপনি জানেন না?
- জি, জানি।
- তাহলে? সরকার ৪ বছর আগে আইন করলো এক সন্তানের বেশি সন্তান নেয়া যাবেনা, আপনি ২ সন্তান নিলেন। সাহস তো কম না আপনার।
- না ভাই। ব্যাপারটা অন্যরকম। (লজ্জা পাচ্ছি তাও বলতেই হবে বিষয়টা) ভাই, আসলে সরকার আইন করার ৫ দিন আগেই ভুলটা করে ফেলেছিলাম।
এবার চারপাশে সবাই হাসতে শুরু করলো। আমি মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে রইলাম। পকেট থেকে আমার ছেলে রিহানের বার্থ সার্টিফিকেটটা বের করে দিলাম বাজার কর্মকর্তাকে। দেখে তিনি বললেন,
- ভাই এইসব দিয়ে কি হবে। কিছু ছাড়েন তাড়াতাড়ি।
কি আর করা। পকেট থেকে একটা ২০,০০০ টাকার নোট বের করে দিলাম। ছেড়ে দিলো আমাকে। যাক বাবা এইবারের মতো বাঁচা গেলো। কিন্তু একটা ব্যাপার কি, ছেলের বার্থ সার্টিফিকেটটা এখন পকেটে নিয়ে ঘোরতে হয়। কখন কোথায় লাগে ঠিক নাই। এটা দেখাতে না পারলে জেল জরিমানা হয়ে যাবে! কারণ সরকার আইন করেছে, আইনের মূল কথা হলো,
“ছেলে হোক বা মেয়ে হোক একটি সন্তানই যথেষ্ট। না নিলে আরো ভালো!”
সরকারের এইসব কথা ভাবতে ভাবতে ঘরে ফিরে এলাম। বাজারের ছোট পলিব্যাগটা বউকে দিয়ে পত্রিকাটা নিয়ে বসলাম। হায়াল্লাহ!! একি দেখছি? পত্রিকার শিরোনাম দিয়েছে,
“জনসংখ্যা বৃদ্ধিরোধে সরকারের সাহসী উদ্যোগ, এবার প্রতিটি শয়নকক্ষে বসবে ক্লোজসার্কিট ক্যামেরা”
শিরোনামটা পড়ে ঠিক হাসবো না কাঁদবো বুঝতে পারছিনা। শুধু সাহসী বললে ভুল হবে, মনে হয় একে ভাবনাতীত সাহসী উদ্যোগ বলা যায়। মন দিয়ে পুরো ফিচারটা পড়লাম। পড়তে পড়তে চুয়ালখানা ঝুলে পড়ার উপক্রম। সরকার দেশের জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করতে চাই। নিয়ন্ত্রণ কোনভাবেই সম্ভব হচ্ছেনা বিধায় সরকারের এই সাহসী পদক্ষেপ। ক্লোজসার্কিট ক্যামেরাখানাও নাকি নিজের পকেটের টাকায় কিনতে হবে। শত শত শর্ত জুড়ে দিয়েছে সরকার। যাদের ঘরে ২০২১ এর আগে ২টি সন্তান আর এর পরে ১ সন্তান আছে তাদের জন্য এই আইন তৈরী করা হয়েছে, তাদেরকে ক্লোজসার্কিট ক্যামেরা বসাতেই হবে।
কি দিন আসলো, বউকে একটা চুমু খেতেও এখন সরকারের অনুমতি লাগবে! এই ভেবে নিজেকে সান্ত্বনা দেই, মন্ত্রী মশাইদের তো বয়স হয়েছে। তাই তাঁরা দিনে দিনে হিংসা পরায়ণ হয়ে ওঠছেন!!!
*(চলতে পারে)
মন্তব্য
আগে ইতিহাসের অংশ হই, পরে বাকী কথা।
ইয়ে!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!
লেখকের মন্তব্য
আপু শেষমেশ আপনিও ইতিহাস গড়ার দৌড়ে!!!
লেখকের মন্তব্য
ইতিহাসের অংশ তো হইলেন। কিন্তু গল্প কেমন লাগলো বলবেন না?
নিচে মন্তব্য লিখেছি এইমাত্র!
লেখকের মন্তব্য
হাহাহা! দারুণ মজারু হইসে! নস্ত্রাদামুস জামি। - দুনিয়া যেম্নে আগাইতেসে, যেই দিকে যাইতেসে, জামির স্বপ্ন পূরণ সময়ের ব্যাপার মাত্র!
- চলুক, চলতে থাকুক!
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ বাপী ভাই



-----
মজা পেয়েছেন জেনে ভালো লাগছে।
কিন্তু এমন স্বপ্ন যেন দুঃস্বপ্নেও কখনো না আসে, বাস্তবতা অনেক দূরের কথা। হাজার হোক এখনো বিয়ে করিনি।
-----
নস্ত্রাদামুস?
ওহ, ও কার আর উ কার একটু ধন্দে ফালাইতেসে। খিয়াল করলে ভালো হইতো। - হুদা ভাই আসার আগেই বইলা ফেল্লাম আর কি!
- শুভ কামনা, জামি।
লেখকের মন্তব্য
বাপী ভাই কোনখানে এমন হইলো একটু কইয়া দিয়া যান। দোহায় লাগে, হুদা ভাই আসার আগেই কন
শোনে-শুনে, ওঠে-উঠে, ওঠলো-উঠলো, -- এই তো।
লেখকের মন্তব্য
চেষ্টা করলাম ঠিক করার। কতোটা পারলাম বুঝতে পারছিনা।
ধন্যবাদ বাপী ভাই।
ভীষণ মজার লেখা!
-একটাই চিন্তা, বাজার পরিচালনায় ২০২৫ সাল পর্যন্ত সরকার থাকবে তো?
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ আপু।

কিন্তু সরকার কই যাবে?
------------
বেশ কদিন পরে আবার মনে হচ্ছে আগের অপাপুকেই দেখছি। আবার সেই ফুলের সৌরভ
জামি ভাই অসাধারণ।
অবশ্যই চলুক।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ করিম ভাই।
আপনারা সাথে থাকলে চালিয়ে নেয়ার ইচ্ছে আছে।
সাথেই আছি অবশ্যই।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ করিম ভাই
আমারে অপমান করলেন মনয়? আমি ৫০০’র নিচে ভিক্ষা নেই না।

লেখকের মন্তব্য
পোস্টে স্বাগতম আপু।
হাসুন প্রাণ খুলে
আপনার লেখাটা ভাল লাগ লো ভায়া।।
বিয়াপক মজা পাইলাম

দোয়া করি তোমার বউ তোমাকে যেন এমন ঝাড়ির উপরেই রাখে ।।।।।।।।
লেখকের মন্তব্য
আমিও ঝাড়ির ওপরে থাকতে চাই। অনেক ওপরে। আমাকে যেন ছুঁতে না পারে
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ কষ্টের সারথি
মজার তবে অভিমান করে লিখলেন নাকি ? কিছুটা মজার তবে অভিমান করে লিখলেন নাকি ?
লেখকের মন্তব্য
মজার না কিছুটা মজার, কোনটা নিব?

অভিমান কিছু আছে কিনা বুঝিনি, তবে পুরোটাই মজা করে লিখতে চেয়েছিলাম।
ধন্যবাদ ধূরো ভাই। ভালো থাকুন
মজার তবে অভিমান করে লিখলেন নাকি । বাস্তবের সাথে মিলেও যেতে পারে। ॥॥
এটা লিখতে চাচ্ছিলাম। ভুলে ওটা লিখা হয়ে গেসে, ক্ষমা করবেন।
লেখকের মন্তব্য
ক্ষমা করতে পারলামনা বলে দুঃখিত।
কারণ ক্ষমা চাওয়ার মতো কিছু হয়নি তো
হি হি হি। অক্কে।
বুঝসি ।
যাক ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা বসানোর আইন হওয়ার আগেই আমার দিন শেষ হয়ে যাবে। এখন তোমাদের জন্যই চিন্তা হচ্ছে।
দারুন হয়েছে। চলুক চলুক। আর কী কী আইন হতে পারে একটু দেখে নেয়া যাবে।
লেখকের মন্তব্য
করে ফেলো করে ফেলো। আমরা দাওয়াত খেতে পারলেই হলো।
লেখকের মন্তব্য
আপনার দাওয়াত খাওয়া বিলম্বিত হবে দাদা। কিছুই করার নাই।

আরো ঢের দেরী, মৃতদের তালিকায় নাম লিখাতে
জামি, ভাবীদের কাছে এই গল্প বললে মারবে! ২০২৫ এ মেয়েরা নিশ্চয় আরো কুল হবে!
লেখকের মন্তব্য
সাহাদাত ভাই, কুল তো না আমার তো মনে হয় আরও হট হবে। দিনকাল তো ভালো মনে হচ্ছেনা।
পৃথিবীর উষ্ণতা বাড়ছে তো। তাই হট হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।
লেখকের মন্তব্য
হায়রে কার্বন-ডাই-অক্সাইড একি করিলে তুমি?
কথা সত্য। আমারতো ধারনা ২০৫০ সালে মেয়েরা এতো 'হট' হবে যে, তাদের মাথায় ডিম ভেঙ্গে দিলে সঙ্গে সঙ্গে তা পোজ হয়ে যাবে।
লেখকের মন্তব্য
আপনি দেখি আরো একধাপ এগিয়ে!!

ভাগ্যিস কোন রমনী এখনো এই পোস্টে জেগে নেই। থাকলে খবর আছিলো
ঈশানের কথা সত্য হউক। তবে এত দিন কি বেঁচে থাকব! মনে হয় না।
লেখকের মন্তব্য
সাহাদাত ভাইয়ের দীর্ঘায়ু কামনা করি। যেন ২০৫০ সালের হট মেয়েদের দেখে যেতে পারেন

কেন জামি উদরাজী ভাইকে কি মেয়েদের মাথায় করা ডিম পোচ খাওয়াতে চাও?

লেখকের মন্তব্য
তা না। তবে এ নিয়ে একটা রেসিপি পোস্ট তো অন্তত পাবো উদরাজী ভাইয়ের কাছে থেকে। সেই আশায় লিখলাম আরকি

ডিম্পোচ ছবি!
লেখকের মন্তব্য
ডিম কি মাথার গরমে ভাজা?
জামি, তোমার কল্পনা শক্তি চমৎকার ! লেখা পড়ে প্রচুর বিনোদিত হলাম। তবে প্রবাদ আছে, 'কল্পনায় পোলাও খেলে ঘি একটু বেশী দিয়ে খাও।' কিন্তু তুমি কল্পনায় একটি সুন্দরী বউ আর নিজের একটি বাড়ী পর্যন্ত জুটাতে পারলে না ভ্রাত !
দজ্জাল বউ , ভাড়া বাসা, আর কাঁচা বাজার, ২০২৫ এর ডিজিটাল জীবন-যাত্রায় এসব মোটেও মানান সই নয়। তবে লেখা জটিল হয়েছে, চলতে থাকুক। 
লেখকের মন্তব্য
কিন্তু ভাব্লাম্না কেন
অনেক ধন্যবাদ ঈশান ভাই
আশা করি চলবে
আমার ধারণা ঈমা ভাইয়ের বউ কাব্য পড়ে পড়ে বউয়ের যে দজ্জাল ইমেজ তোমার মনে সৃষ্টি হয়েছে সেটা মন থেকে কোনভাবেই দূর করতে পারছ না, এমনকি স্বপ্নেও না। ঈমা ভাইয়ের কারণে তোমার মনে বউ ফোবিয়া হয়েছে।
লেখকের মন্তব্য
আসলেই, যত দোষ ঐ ঈশান ভাইয়ের দোষ।
সহমত আচার্য দা।
আচার্যদা, বউ ফোবিয়া না, সম্ভবত বিয়া ফোবিয়া।
লেখকের মন্তব্য
কত নতুন নতুন রোগ আবিষ্কার হচ্ছে।

ইমরান নিলয় ভাইরে কেউ খবর দেন প্লীজ। আইসা যেন ইনিবেল দিয়া যায় আচার্যদা আর ঈশান ভাইরে।
কোনদিন যে এমন অবস্থা হবে যে দেশে পা ফেলারই জায়গা থাকবে না আর সরকার বলবে, আর সন্তান নেয়া যাবে না।
লেখকের মন্তব্য
সেই দিন আমরা দেখতে চাইনা। সুন্দর সোনালী দিন আসুক বাংলার বুকে।
ধন্যবাদ
শয়নকক্ষে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরার পর্যবেক্ষণে কে থাকবে ?ভালো লাগলো লেখাটা ।
লেখকের মন্তব্য
এতো দেখি ব্যাপক ভাবনায় ফেলে দিলেন।

কাজটা আপনি করতে চান নাকি, আওয়াজ দেন তাইলে
---------
ধন্যবাদ অমৃত ভাই।
আমি না ।আমি না ।আমি চোখে ঠিকমত ঠাহর পাই না ।এ কাজে সবচেয়ে যোগ্য হলেন নয়ন ভাই ।
আওয়াজ একটু দেরীতে দিলাম বলে মাইন্ড খাইয়েন না ।আসলে আওয়াজটা গলা থেকে নয় ,পেট থেকে আসতেছে তো তাই ।
লেখকের মন্তব্য
আপনার মুখটা কি পেটের মধ্যে নাকি?

অচলিল গল্প!
হাহাহাহা। তুমি বিয়ে কর্বা কবে??
===========
==========
অচলিল গফ লেখার দায়ে আপনার পোস্টটি প্রথম পাতা থেকে সরিয়ে নেয়া হলো।
ধন্যবাদ।
=========
কক্তৃপক্ষ
এতক্ষনে নয়ন ভাইয়া কে পাইলাম ।
ঠিক অচলিল গফ লেইখ্যা লেইখ্যা এই পোলা সবাইরে অচলিল বানাইতেছে
লেখকের মন্তব্য
চি চি
কি সব অচলীল কতাবার্তা বলছো তোমরা।
অই পোলা আমি নয়ন ভাইয়ার সাথে কথা কইতাছি , তুমি এইখানে কি ?
যাও ভাগো ।
লেখকের মন্তব্য
কোন দিকে ভাগবো আমি? কইয়া দাও

লেখকের মন্তব্য
সম্মানিত ব্লগার, দেরীতে আসার কারণে আপনার কমেন্টের রিপ্লাই দেয়া হবেনা

======
জোনাক পোকার দল
----------
বিয়ের কথা যখন বললেন, তখন না বলে পারছিনা, ২০১৫ তে ইনশাল্লাহ
খামচি

আমিও তো ২০১৫ তে বিবাহ করার সিদ্ধান্ত নিছি ।
তাইলে কিন্তু তোমার বিয়েতে আমার দাওয়াত জামি
লেখকের মন্তব্য
ব্যাথা পাইনা আমি?

আহারে জামি গন্ডার আবার ব্যাথা অনুভব করা শুরু করলো কবে থেইক্যা ?
লেখকের মন্তব্য
ও আচ্ছা, তো তুমি যে গণ্ডারকে খামছি দিছিলা তা আগে বল্বা তো
যাক দেরীতে হলেও নিজেকে চিনতে পেরেছো তাহলে
লেখকের মন্তব্য
ব্লগারকে খামচানোর দায়ে ব্লগার অধরা রংধনুকে সতর্ক করা হচ্ছে।
====
কর্তৃপক্ষ
লেখকের মন্তব্য
হাহাহাহাহাহাহাহা

নয়ন ভাই আমি ঠিক এ কথাটাই লিখতে এসে দেখি আপনি লিখে ফেলেছেন
লেখকের মন্তব্য
তোমারটাতেও আমি দাওয়াত নিলাম।

কিন্তু একই দিনে হয়ে গেলে তখন কি হবে?
সমস্যা নাই , আমি আমার কবুল বলে এসে তোমার বিয়ে খাবো
বিশ্বাস করো তাহলে, আমি কমেন্টে প্রথমবার লিখেছিলাম, 'হাহাহা, তার্মানে তুমি বিয়ে কর্তেসো ২০১৫ তে'।
মিল্যা গেলো!
লেখকের মন্তব্য
আপনি দেখি গল্প নিয়ে রীতিমতো গবেষণা শুরু করে দিলেন

ওউ!
২০১৫? বিয়ে? দুই দুইটা বিয়ের ইনভাইটেশন পাচ্ছি তাহলে? অধরা এন্ড জামি, তো আমি কি একাই আসবো, নাকি তোমাদের ভাবীকেও...
লেখকের মন্তব্য
দুইটা ইনভাইটেশান একা এলে কি মানায়। নিয়েই আসেন ভাবীকে।

এই ফাঁকে নিজের বিয়ের কথা মনে করিয়ে দিলেন, তাইনা?
দুইজনে আয়া পর্লে আন্ডাবাইচ্চা সামলাইবো কে?
লেখকের মন্তব্য
ভাই, ঠিক কইরা কন তো আপনে কবে বিয়া করবেন?

যেদিন আমার বউয়ের বিয়া, সেইদিনই কর্মু, কথা দিলাম!
লেখকের মন্তব্য
তারে আরেক জনের হাতে তুইলা দিয়া তারপর আপনে বিয়া করবেন?

হায়রে
আন্ডা তো ভিতরে থাকবো তাই সমস্যা নাই আর বাইচ্চারে আপ্নে কোলে নিবেন। এইটাও আবার শিখায়া দিতে হয়!
লেখকের মন্তব্য
পেট ব্যাথা হয়ে গেলো দাদা
প্রচন্ড রকম অশ্লীল কথাবার্তা চলছে এখানে! মডুরা, ব্যবস্হা নিন জামি, আচার্যদা আর ঈমাভাইয়ের বিরুদ্ধে।
নইলে আমি আন্দোলনের ডাক দিমু।
লেখকের মন্তব্য
দেখছেন নয়ন ভাই, উনারা কিসব অচলীল কথা বলছে।
আমি কিন্তু ছিলাম না। আমি খালি হাসছি। বিশ্বাস করেন। আর কিছু করিনাই। 

নেন আন্দোলন শুরু করেন। আমিও আপনার সাথে আছি।
এইখানে অশ্লীলতার কী দেখলেন! আন্ডা কোথায় রাখেন? ফ্রিজের ভিত্রেই তো রাখেন, না কি? আর হ্যাচারীতে থাকে ইনকিউবেটর না কি জানি কয় হের ভিত্রে। নিজের চিন্তাভাবনা অশ্লীল হেইডা কন। খালি খালি আরেকজনের দোষ দেন ক্যান?

লেখকের মন্তব্য
চরম বললেন দাদা

এই ব্লগের কেউ আমার বিয়ার দাওয়াত খাইতে পার্বো না কিন্তু আমি ব্লগের অনেকের বিয়ার দাওয়াত খাইতে পার্মু।

লেখকের মন্তব্য
নাইচা লাভ নাই। প্রয়োজনে আপনেরে আর বৌদিরে আবার বিয়া করামু


তারপরও বিয়ার দাওয়াত খামুই
আমাদের দুইজনরেই আবার বিয়া করাবা? তো তার জন্য বর আর আমার জন্য বউ ঠিক কইরা ফেলছ?
লেখকের মন্তব্য
খাইছে। এ দেখি আসল কথা বাইর হইয়া গেলো!! কেন আমার বৌদিরে কি আরেক জনের হাতে তুইলা দিতে চান নাকি?

আমি কৈ চাইলাম! তুমিই তো বল্লা আমাদের দুইজনরে আবার বিয়া করাবা!
লেখকের মন্তব্য
হু, ঠিকই তো কইছি। তয় আলাদা আলাদা না এক লগেই আবার বিয়া করামু। আপনেরে বৌদির লগে, বৌদিরে আপ্নের লগে



আমি কিন্তু বুঝছি ঠিকই, আপনে এই ফাঁকে একটা চান্স নিতে চাইছিলেন!!
বৌদিরে আমি কইয়া দিমু কিন্তু
তোমার কথা কি বিশ্বাস যাবে? কারন তোমার আগেই তারে আমি বইলা দিব যে তুমি আমারে আরেকবার বিয়া করাইতে চাইছিলা তবে কার লগে সেইটা উহ্য রাখব।
লেখকের মন্তব্য
নো প্রব্লেম, আমিও কমু আপনে বৌদিরে আরেকখানে বিয়া দিতে চাইছেন


আর মহিলা মানুষ তো, কাচুমাচু মুখ কইরা অসহায় ভঙ্গীতে কইলে ঠিকই বিশ্বাস যাইবো
তহন আপনে কি করবেন তাই ভাবা শুরু করেন দাদা
নারী সম্পর্কে কত অভিজ্ঞতা! একেকেটার অভিজ্ঞতার বহর দেখে টাসকি খেয়ে যাই!
লেখকের মন্তব্য
সবই আপনাদের দোয়া দাদা
যেমন দাদা তেমন ছোট ভাই আরকি

এইটা সত্য কথা কইসেন, দাদা।
আমি অনেকের বিয়া খাইতে না পার্লেও অনেকেরই বিয়া খাইতে পার্মু।
সেই অনেকের একজন আপ্নে নিজে।
বিয়ের দাওয়াত খেতে না পারলেও বছর বছর আপনাদের 'বিবাহ বার্ষিকী' আর 'নতুন অতিথি'র নাম রাখার দাওয়াততো খেতে পারবো, কি বলেন দাদা ?

লেখকের মন্তব্য
মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহে একটা দাওয়াত আছে ঈশান ভাই। কিসের দাওয়াত আচার্য দারে জিগান তাড়াতাড়ি। পরে না আবার মিস কইরা ফালান

মারচের দ্বিতীয় সপ্তাহে দাদা কি কোন 'সুসংবাদ' দিচ্ছেন।

লেখকের মন্তব্য
অনেকটা তেমনই
জামি, তুমি এতো কিছু জানো কিভাবে !
তুমি কি আচার্যদার ওপর 'গোয়েন্দাগিরি' করতেছ ?
লেখকের মন্তব্য
একই এলাকার বাসিন্দা তো, তাই না চাইলেও দাদা কে দেখে ফেলি। সব অড জাইগাগুলাতেই দেখি

আচার্যদা ও কি চট্টগ্রামে থাকে নাকি ? চাঁন্দগাও আবাসিকে ?
চকবাজার।
জামি আমার চেহারা না দেখেই আমাকে চিনে ফেলেছে! বাহ বেশ বেশ! কিন্তু ওসব জায়গায় সে কী করে?
লেখকের মন্তব্য
দাদা মিছা কথা কইলেন কেন?

আপনার ছবি দিছিলেন না মাঝখানে একবার।
লেখকের মন্তব্য
ওই ঈমা ভাই, আপনে আমারে আর কি কি বানাইতে চান?


প্রথমে বানাইলেন ইন্সোরেন্সের লোক, তারপর আরো কত কি? আর অহন বানাইলেন গোয়েন্দা।
তোমার গতিবিধি সন্দেহ জনক। বিশেষ করে আচার্যদার বাড়ীতে উঁকিঝুঁকি মারা।

লেখকের মন্তব্য
আমি উকিঝুঁকি মারে কেডায় কইছে?


দাদা তো আমার দেশী মানুষ, তাই একটু দেখে শুনে রাখতে হয় আরকি
বছর বছর 'বিবাহ বার্ষিকী' মানা যায় কিন্তু আমাদের পক্ষে অস্ট্রেলিয়ান উন্নত জাতের গরুর মত বছর বছর নতুন অতিথির আগমন ঘটানো! ওরে বাবারে! আপনার নিজের প্ল্যানটা জানতে পারলে ভাল হত।

লেখকের মন্তব্য
ছি ছি দাদা, আমি কিন্তু আপনাকে 'গরু' বলি নাই।
আর আমার জীবনে 'প্ল্যান' বলতে কিছু নেই, একের ঘরেই আটকে আছি। ফাটা কপাল।
লেখকের মন্তব্য
ফাটা টা কপালে বলেই সমস্যা।
এগুলো ফাটা হলেই আপনার জন্য ভাল হত। 
লেখকের মন্তব্য
জামি এত ভেবে লাভ নেই। এগুলো বড় ভাইদের কথা। তুমি এখন এগুলো না বুঝলেও চলবে, ঈমা ভাই বুঝলেই হবে।
একটাই যথেষ্ট দাদা, 'বেলুন' ফাটাইয়া আর কারো 'জন্মদিন' পালন করার ইচ্ছা আপাতত নেই। আপনি যত খুশী 'বেলুন' ফাটাইয়া মজা করতে থাকেন।
লেখকের মন্তব্য
আচার্যদা নেন
এবার ইচ্ছামতো বেলুন ফাটান


-----------
অবস্থা দেইখা মনে হইতেছে শিরোনামে কিছুক্ষণ পরে আমারে লিখা দিতে হইবো "প্রবেশাধিকার সংরক্ষিত"
সেফটি পিন আমার কোন কাজে আসবে না জামি। তোমার বৌদির কাজে আসতে পারে।
লেখকের মন্তব্য
সেফটি পিন তো মেয়েরাই বেশি ব্যবহার করে না কি?
লেখকের মন্তব্য
তা বুঝলাম। কিন্তু ------- থাক

এই পোস্টের কমেন্ট পইড়া তোমার মনের অবস্থা কী?
লেখকের মন্তব্য
ঈমা ভাই, আমিও বেলুন ফাটানোর মজা আমার ২য় কন্যা পূর্ণ'র জন্মদিন পালনের মধ্য দিয়েই শেষ করতে চাই। আর তাই তার নাম পূর্ণ।
লেখকের মন্তব্য
পরের জনের নাম না হয় পূর্ণতা হবে। তারপরের জন হবে পরিপূর্ণ

তার পরের জনের নাম 'সম্পূর্ণ' হতে পারে।
@জামি; ঈমা ভাইকে কি তোমার খুব খারাপ ব্যাটসম্যান বলে মনে হয়? সব রান আমাকে দিয়ে করাতে চাও ব্যাপার কী!

@ঈমা ভাই; সম্পূর্ণ'র পরেও যদি অপূর্ণ অপূর্ণ মনে হয় তখন কী হবে? তারচেয়ে বরং আপনি একের ঘরে বসে না থেকে ২, ৩ এগুলাও একটু গুনতে শিখেন।
লেখকের মন্তব্য
ঈমা ভাই এখন রিটায়ার্ড। কোচের ভূমিকায় আছেন।

তাই আপনিই একমাত্র ভরসা রান করার জন্য
লেখকের মন্তব্য
দাদা, এই পোস্টে যদি একটা ছোট পোলারে ঢুকাইয়ে দেন, সে পোস্ট আর কমেন্ট পইড়া ঘরে যাইয়া বাপ্রে কইবো, "আব্বা আমারে বিয়ে করাইয়া দাও, আমার ললিপপের দরকার নাই।"

লেখকের মন্তব্য
ঈমা ভাই খালি একবার কন, কোন হা*য় ফাটাইছে কপাল।



তারে যাইয়া কই, "খালি কপাল ফাটাইলি ক্যান?"
------------
আইচ্ছা যাওকগা, এখন কি ব্লীডিং হইতেছে ভাই। ফাটা কপাল দিয়া?
বেশি ফাটছে নাকি? সেলাই করছেন? ভাবী সেবা করতেছে তো? নাকি ভাবীই ফাটাইয়া দিছে
জামি তুমি দেখি জেরা করার স্টাইলে 'প্রাইভেট' প্রশ্ন শুরু করলা ! তুমি উকিল নাকি ?
লেখকের মন্তব্য
তবে আমি কোনভাবেই উকিল না
ইয়েরা ল না পড়লেও জেরা খুব ভালভাবেই করতে পারে। তুমিও তোমার ইয়ের কাছ থেকে জেরা করা শিখে ফেলেছ। তার মানে তোমার ইয়ের সাথে ইয়েটা
খুব ভালই চলছে। 
ইয়ের সঙ্গে ইয়ে করে তাড়াতাড়ি ইয়েটা হয়ে যাক, অতপর আমরা জামির ঘরে নতুন ইয়ে দেখি।
লেখকের মন্তব্য
ঈশান ভাই আপনিই বুঝলেন, আর কেউ বুঝেনারে ভাই।

ভাইজানেরা দোয়া কইরেন। কিন্তু ইয়ে মানে ইয়ে আর কি---
লেখকের মন্তব্য
আরে দাদা এম্নে কইলে শরম লাগে তো।

দেখেন/দেখি কি হয়।
লেখকের মন্তব্য
অপেক্ষায় থাকলাম। দেখার।
বিশেষ বিশেষ বাক্য পড়ে আমি হাসতে হাসতে শেষ (সরাসরি উদ্ধৃতি দিতে সংকোচবোধ করছি)।




ব্যাপক! পরের পর্বের অপেক্ষায়।
[মন্ত্রী মহোদয় এত করিৎকর্মা, অথচ টাকার নোটের মূল্য বাড়িয়ে ১,০০,০০,০০০ টাকার নোট বের করেন না কেন উনারা?]
--
আমি গতরাতে একটা ব্লগ লিখলাম। জামি ভাইয়া পড়ে মন্তব্য করলে ভীষণ ভাল লাগবে!
প্রিয় জামি ভাইয়াকে অফুরান শুভেচ্ছা!!!!
লেখকের মন্তব্য
তাদের হাতে যে নতুন টাকা বানানোর টাকাই নেই


অনেক অনেক ভালো থাকুন আপু। সুন্দর থাকুন সব সুন্দরের ভিড়ে।
গত রাতের আড্ডা মিস করেছি। হায়রে !!
লেখাটা কিন্তু সেইরকম, পুরা ফান মাস্টার জামির আরেক মাস্টারপিস । কল্পনার দৌড় দেখলে লজ্জায় পড়ে যাই। এই বয়সে এই? পরে কি হবে? আর এত মধু ( ফান) মাথায় আসে কেম্নে? আমার তো লিখতে বস্লেই সিরিয়াস লেখা চলে আসে।
চলুক লেখা। শুভেচ্ছা রইলো ।
লেখকের মন্তব্য
আড্ডায় থাকলে বেশ ভালো লাগতো আপু
তবে এটা ঠিক, সুন্দর মনে পড়েছেন বলেই আপনার লিখাটা ভালো লেগেছে 
-------
এতো বেশি প্রশংসা আমার সাথে যাই কিনা আদৌ, ব্যাপক ভাবনার বিষয়
পরে আর কি হবে? আপনারা যেটা ভাবছেন ঠিক তাই হবে। আর যাই হোক আপনাদের আশায় জল ঢেলে দেয়ার কোন ইচ্ছে আমার নেই

ফান মাস্টার জামি !!!!
খুবি মজা পাইলাম!
লেখকের মন্তব্য
আপনি মজা পেলেন জেনে বেশ খুশি লাগছে।
ভালো থাকুন। যতটা ভালো থাকলে অন্যদের ভালো রাখা যায়।
লেখকের মন্তব্য
১০০ তম মন্তব্য আমার হোক তাহলে
কমেন্টে দেখি বিরাট আড্ডা হয়ে গেল।
লেখকের মন্তব্য
আপনি এতো দেরীতে এলেন কেন?

চাকুরী করে যে কিছুটা তাল মিলাতে পারি তাতেই মহানন্দ!
লেখকের মন্তব্য
হাহাহাহা। । সাহাদাত ভাই বেতালের মাঝেও যে তাল আছে জানেননা? হেভী মেটাল সং গুলো তো তেমনই, বেতালের মাঝেই তাল

বিরাট আড্ডা।।।।।।

নাস্তা।
লেখকের মন্তব্য
সবার কি আড্ডা দিতে দিতে ক্ষুধায় পাইছিলো?

কিন্তু কথা হইলো ভাই কি প্রতিদিন দুইটা কইরা আন্ডা খান নাকি?
অসাধারণ!!! দারুণ ভবিষ্যৎ বাণী... যা অবস্থা, তাতে তো এরকমই হবে।






তোমার কল্পনা শক্তি যে এতোটা প্রখর, তা নতুন করে জানলাম ফহাজা ভাই। সাথে তোমার লেখার দারুণ সুন্দর হাস্যরসের বুনন হাসিয়েছে বারবার।
অনেক দিন পর এরকম করে হাসলাম কোন লেখা পড়ে।
লেখা পড়ে স্পষ্ট বোঝা যায়, বিষয় বস্তু ভেদে, তোমার দক্ষতা।
চতুরে এতো দারুণ সব লেখক কবিদের মাঝে এই আমাকে ভীষণ শিশু শিশু লাগছে, ঈর্ষা হচ্ছে খুব...
এভাবেই, নানা বিষয়ে, চলুক এরকম দুর্দান্ত লেখা...
অনেক অনেক শুভকামনা আর শুভেচ্ছা...
লেখকের মন্তব্য
মেরো ভাইয়া, তুমি বেশ মজা পেলে জেনে খুব ভালো লাগছে।

ভালো থেকো।
তবে প্রশংসা একটু বেশি হয়ে গেলো। আমি আসলে এখনো শিখছি তোমাদের কাছে। কত কি শিখেছি চতুরে এসে।
এভাবে সাহস পেলে, পাশে থাকলে আশা করছি লিখে যেতে পারবো।
ধন্যবাদ মেরো ভাইয়া।
এই মন্তব্য ৯:১৬
৯:২১ 
আর ভেবে চিন্তে দেওয়া মন্তব্য
Jami vai...
khub moja pelam apnar likhati pore...khub valo legese
shuvokamona...
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ ভাইয়া(বা আপু)।

সাথে থাকার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।
ভালো থাকুন। সুন্দর থাকুন সব সুন্দরের ভিড়ে।
মন্তব্য করুন