ফজলে হাসান জামি-এর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

(নয়ন ভাইয়ের অনুরোধে ঢেঁকি গিলিলাম। দয়া করিয়া লিখার ভুল-ত্রুটি মাফ যোগ্য বলে বিবেচনা করিবেন। লিখাখানা সকলকে ভয় পাওয়ানোর একটি সামান্য চেষ্টা মাত্র। ভয় না পাইলে তাহার জন্য লেখক দায়ী থাকিবেন না।)
রাত ন’টা বাজে। কলিংবেলের শব্দে দৌঁড়ে গিয়ে দরজাটা খুললাম। ভাইয়া এসেছে। ব্যাংকার কিনা, তাই প্রতিদিনই বাসায় আসে রাত ৮টা/৯টায়। সারাদিন ব্যাংকে কাটিয়ে যখন বাসায় ফিরে তার চেহারাটা কেমন যেন বিধ্বস্ত দেখায়। কিন্তু আজ একটু অন্যরকম। চেহারায় একটা উল্লসিত ভাব। ঘরে ঢুকেই ভাবীকে ডাকলো। “ঘুরতে যাবা নাকি ইন্ডিয়া?” ভাবীর দিকে তাকিয়ে বলতে লাগলো ভাইয়া। ভাবী আচমকা এ কথা শুনে যেন আকাশ থেকে পড়লো। উত্তর না দিয়ে ভাবীও দেখি মিটি মিটি হাসছে।
পরে জানলাম ভাইয়াকে অফিসের কাজে ইন্ডিয়া যেতে হবে। থাকতে হবে পনের দিন । অতএব এ ক’টা দিন আমাকে একা থাকতে হবে বাসায়। সামনে পরীক্ষা, কোথাও গিয়ে থাকার উপায় নেই। উপায় না পেয়ে ঠিক করলাম বাসায় থেকে যাবো। দিন দশেক পরেই ভাইয়া-ভাবী চলে গেলো। আমার দুই বন্ধু, তুষার ও রাহিক ভার্সিটির হলে থাকে। তাদের জানালাম ক’টা দিন আমার সাথে থাকতে হবে। বলা মাত্রই রাজী হয়ে গেলো আমার দুই প্রাণপ্রিয় বন্ধু। ভাইয়ারা যেদিন গেলো সেদিন বিকেলেই তারা হাজির।
অনেকদিন পরে তিন বন্ধু মিলে আড্ডা দিলাম লাগামহীনভাবে। লাগামহীন আড্ডার সাথে কখন যে রাত হয়ে গেলো বুঝতেই পারিনি। দ্রুত রাতের খাবার সেরে নিলাম তিনবন্ধু। সকালের নাস্তার ব্যবস্থা করা হয়নি, তাই বাসায় তালা দিয়ে তিনজনে মিলে গেলাম দোকানে। নাস্তার বন্দোবস্ত করতে। হঠাৎ তুষার বললো, “তোরা জিনিসগুলো নিয়ে বাসায় চলে যা, আমি এক কাপ চা খেয়েই আসছি”। বলেই সে দোকান থেকে বেরিয়ে গেলো।
মিনিট পেরোতেই দেখি আবার হাজির তুষার। তুষারকে ফিরে আসতে দেখে রাহিক বলে ওঠলো, “কিরে তুকে চা দিলনা?”। তুষার একটু রুক্ষভাবে উত্তর দিল, “না”। আমরা মনে করলাম হয়তো চা খেতে না পেরে তার মেজাজ বিগড়ে আছে। তাই আর কথা না বাড়িয়ে দোকান থেকে জিনিসগুলো নিয়ে বাসার দিকে হাঁটা শুরু করলাম। বাসায় ঢুকেই রাহিক বললো তার মাথাটা কেমন যেন ঘুরছে, তাই তাড়াতাড়ি রাহিক খাটে শুয়ে পড়লো। একই খাটে তুষারও শুয়ে পড়লো।
আমার ঘরে এসে চিন্তা করছিলাম তুষারের এক কাপ চায়ের কারণে এত মন খারাপ হলো কেন। অন্য কোন সনস্যা হয়নি তো। সে তো মন খারাপ থাকলেও সবার সাথে ঠিকমতো কথা বলে। কিন্তু সে বাইরে থেকে বাসায় আসা পর্যন্ত কোন কথা বললোনা! সকালে জিজ্ঞেস করা যাবে এই ভেবে আমিও খাট গুছাতে লাগলাম। হঠাৎ শুনি কলিংবেলের শব্দ। চিন্তায় পরে গেলাম। রাত ১২টায় কে কলিংবেল দিতে পারে। কলিংবেলের শব্দ শুনে আমি দৌঁড়ে পাশের ঘরে যায়, দেখি রাহিক-তুষার দু’জনই ঘুমোচ্ছে। ছুটে দরজায় গেলাম, জিজ্ঞেস করলাম কে? কোন সাড়াশব্দ নেই। আবার কলিংবেল বাজালো। এবার একটু রেগে গিয়ে বললাম কে? ওপাশ থেকে উত্তর এলো তপু।
তপু আমার মামাতো ভাইয়ের নাম। কিন্তু সে এতো রাতে কিছু না জানিয়ে কেনো এলো ঠিক বুঝতে পারলামনা। ভাবতে ভাবতে দরজাটা খুলে দিলাম, খুলেই তো আমার দাঁতে দাঁত লেগে গেলো। মুখ দিয়ে কথা সরছেনা। বুকের ভেতর যেন কেউ হাঁতুড়ি দিয়ে পেটাতে আরম্ভ করলো। আমার সামনে যে তুষার দাঁড়িয়ে আছে! তুষারকে তার বাড়িতে তপু বলে ডাকে। দুষ্টুমি করার জন্যই সে এই নামটি বলেছিলো। তাকে দেখে আমি নড়ার ক্ষমতা হারিয়ে ফেললাম যেন, গা টা প্রচণ্ড কাঁপছে। তুষার বললো, “কিরে ভূত দেখছিস মনে হয়, ভেতরে আসতে দিবি না?”।
আমি আর আমার মাঝে নেই। ঐ অবস্থায় কোনভাবে ভিতরের ঘরে ছুটে গেলাম। ঢুকেই মনে হলো আমার মস্তিষ্ক যেন আর কিছু ভাবতে পারছে না। সব চিন্তা যেনো খেই হারিয়া ফেলছে। রাহিক আর তুষার যে এখনো দিব্যি খাটে ঘুমোচ্ছে। তাহলে বাইরে দাঁড়ানো এ কোন তুষার। পেছন ফিরে দেখি তুষারও আমার পিছনে এসে দাঁড়িয়েছে। আমি তাড়াতাড়ি রাহিককে ডাকলাম, পাশ থেকে দাঁড়িয়ে থাকা তুষার ফিসফিস করে বলছে, ঐটা কে? বুঝতে পারছি তারও সাহস শেষ। আমি ঘুমন্ত তুষারকে ডেকে তুলতেই পাশ থেকে দেখি দাঁড়িয়ে থাকা তুষার ঝাঁপিয়ে পরলো ঘুমন্ত তুষারের উপর। ঘুমন্ত তুষার কিছু বুঝে ওঠার আগেই আগন্তুক তুষারের বেদম প্রহার শুরু। রাহিক ভয়ে ওঠে আমার পাশে চলে এলো। এরপর কিছুক্ষণ ধ্বস্তাধস্তি। দেখি খাটে আগন্তুক তুষার বসে আছে, ঘুমন্ত তুষারকে দেখতে পাচ্ছিনা আর, যেন হঠাৎ বাতাসে মিলিয়ে গেছে।
এ ঘটনার পর রাতে আর কারোরই ঘুম এলো না। ভোর হলে তিনজনই ব্যাগ গুছিয়ে চলে গেলাম হলে। ভাইয়ারা দেশে আসার পরেই বাসায় এসেছিলাম।
মন্তব্য
গল্প??
লেখকের মন্তব্য
জি ভাইয়া।
কিন্তু কেমন হলো বললেন না তো?
আগে জেনে নিলাম আর কী।
ভালো হয়েছে। আরেকটু জমিয়ে তুললে আরো ভালো হতো।
লেখকের মন্তব্য
পরেরবার থেকে মাথায় থাকবে ভাইয়া।
সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।
খাওয়া দাওয়ার মাত্রা কি ঠিক ছিলো? তবে ইহা লিশ্চিত দরজা খুলিয়া আমি টাশকি খাইছি তুষারকে দেখিয়া....
আমিতো ঘরে না ঢুকিয়া লিশ্চিত বাসা থিক্ক্যা পলাইতাম....
চমৎকার।
লেখকের মন্তব্য
ভাই আমি পলাইনাই, আমি মনে করছিলাম বাইরে থেকে যেইটা আসছে ঐটা ভূত। তাই বাইরে না পলাইয়া ভিতরে ছুট দিছিলাম।
দুই তুষার মারামারি শুরু করলো আর আপনারা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখলেন ! আপনাদের সাহসের তারিফ করতে হয়। তবে বাস্তবে আপনাদের জ্ঞান থাকার কথা না, জ্ঞান থাকলেও ঐ ঘরে দাঁড়িয়ে থাকার কথা না।

লেখকের মন্তব্য
দাঁড়িয়ে দেখেছি এ কথাতো বিলিনি ভাইয়া।
মনে হয় বিষয়টা আরেকটু খোলাসা করা দরকার ছিলো।
ধন্যবাদ ভাইয়া।
জামি, ডোন্ট মাইন্ড ভ্রাত ; ভুতের গল্প চমৎকার হইছে। আমি বুঝাতে চেয়েছি যে, আমি হইলে হার্টফেল করতাম, নয়তো 'ও মারে, বাবারে….বলে চিক্কুর দিয়ে ঝেড়ে দৌড় দিতাম।

লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ ভাইয়া। অনেক ভালো থাকবেন।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ।
ভালো থাকুন।
জামি ভাই এর জন্ন
লেখকের মন্তব্য
আপনার জন্য।
ভালো থাকবেন।
ভূতের গল্প ভয় পাই
লেখকের মন্তব্য
আপনার ভয় দেখে আমি মজা পাই।
কেমন লাগলো বললেন না তো?
আমিতো শীতল হয়ে গেলাম,
ভেবেছিলাম সত্য ঘটনা।
এখন বুঝতে পেরে হাপ ছেড়ে বাচলাম.................।
লেখকের মন্তব্য
আপনাকে শীতল করে দিতে পেরে বেশ মজা লাগছে।
ভালো থাকবেন।
গল্প ভালো হয়েছে। তবে ভয় আরোকটু বেশি দেখাতে পারতেন।
লেখা চলুক। শুভকামনা থাকলো।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ ভাইয়া।
আপনাদের শুভকামনাই আমার পথচলা।
ভয় পাওয়ার ভয়ে পড়তেই চাইনি।
গল্পটা খুবই মজার লাগলো আমার।
ভয় না দেখানোর জন্য ধন্যবাদ ভাইয়া
লেখকের মন্তব্য
আপনার ভালো লাগলো দেখে আমারো ভালো লাগলো। সত্যি বলতে কি পাঠকই তো গল্পের প্রাণ।
তো দুইদিন কোথায় ডুব দিয়েছিলেন আপু? ভালো আছেন?
কিছু ভাল লাগছিল না।

তাই আসিনি।মিস করছিলাম আপনাদের।তাই চলে এলাম আবার
আরেকটা গল্প দেন ভাইয়া
লেখকের মন্তব্য
আপু মাথায়তো আর গল্প আসছে না।
মন খারাপ কেনো আপু? কোন সমস্যা?
পরশু থেকে আপনি নেই, নয়ন ভাই নেই, কেমন যেন ফাঁকা লাগছিলো।
না ভাইয়া।কেমন মন খারাপের ভুতে ধরেছিল।এখন

নয়ন ভাইয়া গেল কই?
লেখকের মন্তব্য
বুঝতে পারছিনা, কোথায় গায়েব হয়ে গেলো।
মনে হয় টর্চলাইট দিয়ে খুঁজতে হবে।
চলেন যাই।
খোঁজ দ্য সার্চ শুরু করি
লেখকের মন্তব্য
ওকে আপু, চলেন।

কিন্তু কিভাবে?
ছিঃ ছিঃ
আপনি এত বড় মিথ্যেবাদী!! কী করে পারলেন এত বড় মিথ্যে বলতে এবং অপবাদ দিতে?
আমি আপনার কাছ থেকে এটা আশা করিনি! কখনোই করিনি! আপনি আমার পোস্টে আর যাবেন না। আপনার কোন কমেন্ট আমার পোস্টে দরকার নেই। কোনরকম কনট্যাক্ট করার চেষ্টা করবেন না আমার সাথে। ব্যস!!!
আপনি এই পোস্টের প্রথম লাইন লিখেছেন,
আমি কখন, কবে, কোথায় আপনাকে বলেছি যে, জামি ভাই, একটা ঢেঁকি গিলুন! আমি আপনাকে আপনার "ভ্রমণ বিলাসঃ ভালোলাগার কক্সবাজার, ভালোবাসার কক্সবাজার" শিরোনামের পোস্টে শুধু বলেছিলাম,
অথচ আপনি আমার নামে অপবাদ দিলেন, আমি আপনাকে ঢেঁকি গিলতে বলেছি!
গ্রামীণ জীবনের অন্যতম এই অনুষঙ্গ এমনিতেই দিনকেদিন হারিয়ে যাচ্ছে, হারিয়ে যাচ্ছে গ্রামীণ এই ঐতিহ্য, তার উপর আপনি ঢেঁকি গিলে আরও একটা ঢেঁকির সংখ্যা কমিয়ে ফেললেন! ইটস নট রাইট!
---
পোস্ট প্রিয়তে রাখলাম আর গল্প পড়ে আলোচনা/প্রতিক্রিয়া জানাবো।
লেখকের মন্তব্য
ভাই কি সিরিয়াস
আমি তো নতুন পোস্টের কথাটায় বলতে চেয়েছি।
আচ্ছা ভাই রাগ করার কিছু নেই। আমি যেন বিদ্যুতস্পৃষ্ট হলাম।
ওকে ভাই, আমি লিখাটা চেঞ্জ করছি এখনি। আপনার মন্তব্যের আশায় থাকলাম।
ওয়েট আ লিটল!
---
আরে, আমি তো পুরাই ফান করলাম! সত্যিই আপনি বুঝতে পারেননি???!!!!!! ওই লাইন পরিবর্তন করবেননা।
লেখকের মন্তব্য
নয়ন ভাই মেইল পেয়েছিলেন নাকি?
লেখকের মন্তব্য
আমি আসলে ভয় পেয়েছি যে আপনার মতো একজন মানুষের বন্ধুত্ব হারাতে হবে। প্রথম কথাগুলো পড়ে এই শীতেও আমার কান দিয়ে গরম ধোঁয়া বের হওয়ার অবস্থা।
আমার কান দিয়ে গরম ধোঁয়া বের হওয়ার অবস্থা---এই অবস্হা করার জন্যেই আমার অমন কমেন্ট! যাক, mission accomplished!
প্রিয় মানুষদের সাথেইতো মজা করা যায়, তাই না জামি ভাই?
লেখকের মন্তব্য
শতভাগ সত্যি কথা।
বাসার সব কাজ কি ঠিকমতো শেষ হয়েছে নয়ন ভাই?
এজ য়্যু নো, বাসা বদলানো সবচে' ঝামেলাপূর্ণ কাজগুলোর একটি। সবকিছু স্হানান্তর করা হলো নতুনটাতে, এখন সেগুলো গুছিয়ে রাখার পালা। সবাই মিলে কাজ করছে, আজ আমি একটু ফ্রি আছি। রাতে শুরু করবো নিজের রুমের সবকিছু গুছিয়ে নেয়ার বাকী কাজটা। বেসিক্যালি, কাজ খুব একটা করতে হয়নি, কিন্তু সাথে থাকতে হয় বা হয়েছে ইত্যাদি ইত্যাদি।
কাল সন্ধ্যার পর সময় পেয়েছিলাম কিছুটা, কিন্তু তখন দেখি আমার নেট ডিসকানেক্টেড করে দিয়েছে! তাই আর কাল বসা হয়নি।
থ্যাংকস!
না, কোন মেইল পাইনিতো! কোথায় মেইল করেছেন?
---
ভাইয়া, আগে যেভাবে, যে লাইনটা ছিলো, সেটাই করে দিন। পুরো ব্যাপারটা আমি মজা করেছিলাম, ইমো না দেয়াতে আপনি ধরতে পারেননি বোধহয়! আমি ভেবেই মজা পাচ্ছিলাম যে, আপনার অবস্হাটা কী হয় ওই কমেন্টটা দেখলে! অথচ আপনি অন্যভাবে বুঝলেন! হাহাহা। আগের লাইনটাই ফিরিয়ে আনুন।
লেখকের মন্তব্য
ভাই ইমো না দিয়েইতো আমার বারটা বাজিয়ে দিলেন।
আপনাকে ই-মেইল করেছিলাম। পেলে জানাবেন দয়া করে।
প্লিজ, হেল্প মি আউট! ব্যাপারটা হলো, এই মেইলটা কিভাবে করেন? চতুর্মাত্রিকের মাধ্যমে? আর সেটা দেখতে পাবো কোথায়?
এখনো এসব জানলাম না! হাউ ইললিটরেট আই এম!
(প্রথম লাইনটা ফিরিয়ে আনার জন্যে ধন্যবাদ)
লেখকের মন্তব্য
নয়ন ভাই, যে কারো চতুর্মাত্রিকের একাওন্টে গেলেই দেখবেন তার নামের নিচে তিনটি অপশন থাকে, -দেখুন/ভোট/যোগাযোগ।
যোগাযোগে গেলেই সব বুঝতে পারবেন।
আপনার পাঠানো মেইলটি চলে যাবে কাঙ্খিত ব্যক্তির ইয়াহু/জিমেইল একাউন্টে।
---------------
আপনি মেইল পেলেন কিনা বললেন না তো!
হায়রে! তাই নাকি!!! এভাবে হয়ে যায়?
---
কিছুদিন আগে আমাকে একজন ব্লগার বলেছিলেন, নয়ন ভাই মেইল পেয়েছেন, আমি তাকেও বলেছিলাম, নারে ভাই পাইনিতো, কোথায় গেলে পাওয়া যাবে বা জানা যাবে আমার মেইল এসেছে, কিন্তু তিনি দেখেননি হয়তো, তাই সেটার আনসার পাইনি!
আপনার কারণে জানলাম! কী বলে যে ধন্যবাদ দেব!!
আরেকটা কথা হলো, মেইল পাইনা কেনো, এখন বুঝলাম! এই আইডি টা করতে যেই এড্রেসটা দিয়েছিলাম, সেই মেইল আইডিটা চেক করা হয়না কখনোই! হায়াল্লাহ!
ওকে ওকে, লেট মি চেক ইট আউট! তারপর জানাচ্ছি!
হতভাগাটা বোধহয় আমি।
হেহেহে! ইনি ভাই, আপনার কনসেন্ট ছাড়াতো আর আপনার নাম বলতে পারিনা, এই আর কি!
প্রথমেই আপনাকে এন্ডলেস থ্যাংকস, আমাকে ব্যাপারটা জানানোর জন্যে। আদারওয়াইজ, কখনোই আমার হয়তো ওই ইমেইল একাউন্টটা খোলা হতোনা।
---
গল্প পড়া হলো। ভয় পাবো ভেবেছিলাম এবং পেয়েছিলামও, কিন্তু ততটা না। কারণ, এন্ডিংটা! আপনারা হলে চলে গেলেন ক্যান! আপনারা আরো দুয়েকদিন থেকে অবজার্ভ করলে ভাল হতো বোধহয়! আরও ভয়ংকর কিছু ঘটতে পারতো। উফ, সেটা নিশ্চই এরচে' ভয়াবহ হতো। যাই হোক, তবু লেখাটা জমিয়ে তুলেছেন।
তবে একটা কথা,
আপনি লিখতে পারবেন! অনেক ভাল লিখতে পারবেন! অন্ততঃ এটা বলতে পারি, পাঠক হিসেবে আমাকে সর্বদাই পাবেন। হরর কাহিনী আমি ব্যাপক ভালু পাই!
---
বানানের ব্যাপারে আরেকটু সতর্কতা কাম্য।
কলিংবেলের শব্দে দৌঁড়ে গিয়ে দরজাটা খুললাম-- দৌঁড়ে-তে চন্দ্রবিন্দু হবে?
ভাবী আচমকা এ কথা শুনে যেন আকাশ থেকে পড়লো।
দ্রুত রাতের খাবার সেরে নিলাম তিনবন্ধু।
অন্য কোন সমস্যা হয়নি তো।
চিন্তায় পড়ে গেলাম।
তাকে দেখে আমি নড়ার ক্ষমতা হারিয়ে ফেললাম যেন,
খেঁই> খেই হবেনা?
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ নয়ন ভাই।
--------
মেইল কি আদৌ পেয়েছেন?
ধুর!
এই বয়সেই এত্ত কিছু ভুলে যাই!!
---
হ্যা ভাইয়া, মেইল পেয়েছি! আবেগে আপ্লুত হয়ে গেলাম আপনার মেইল পড়ে!! এত্ত ভালবাসা শোধ করবো কী করে?
সব 'ভাল' রা আপনাকে ঘিরে রাখুক আজীবন!
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ নয়ন ভাই।
বলেন কি!
আমি বেশ কিছু দিন একা ছিলাম। আমার ভয় লাগছে!
লেখকের মন্তব্য
ভয় লাগাতে পেরে বেশ ভালো লাগলো।
ভালো থাকবেন ভাইয়া।
তখন কমেন্ট করা হয় নি। ভালো লেগেছে। চলুক হরর টাইপ।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ নিলয় ভাই।
আশা করি সাথে থাকবেন।
অভিনন্দন!
আপনি দ্বিতীয় অবস্হানে ফিরে এসেছেন!
[বিগত ৭ দিনের] বাচালশ্রেষ্ঠ
নয়ন ( ৪৩৫)
ফজলে হাসান জামি ( ২৫৯)
কাগজের নৌকা ( ২৪৪)
ডাক্তারের রোজনামচা ( ১৯৭)
তন্ময় ( ১৮০)
সাহাদাত উদরাজী ( ১৭৩)
ঈশান মাহমুদ ( ১৫২)
রাত ১টা। ২৭-১২-২০১১
এবার প্রথম হওয়ার চেষ্টা করুন।
লেখকের মন্তব্য
হায়াল্লাহ! এইডা কি হইলো। নিজের অজান্তেই আবার ২য়।
থ্যাঙ্কুশ ভাইয়া। তবে প্রথম হওয়ার আশা আমি করিনা।
আশা করবেন না কেনো?
আমার আশীর্বাদ রইলো!
লেখকের মন্তব্য
নয়ন ভাইয়ের আশীর্বাদ ধন্য জামি।

ভাই আশীর্বাদটুকু আবার ফেরত চাইবেন না তো?
ছিঃ! ফেরত চাইবো কেনো? যদি চেয়েই ফেলি, দিয়া দিয়েন!
লেখকের মন্তব্য
অবশেষে তবে নতুন প্রোপিক্টা আপনি দেখতে পাচ্ছেন। এটা বেশ সুন্দর দেখতে।
ভাইরে, এখনো দেখছিনা নিজে!! বাদ দিয়া দিমু, মেজাজ গরম হচ্ছে
লেখকের মন্তব্য
বাদ দিয়া দেই কী বলেন!
লেখকের মন্তব্য
থাক না ভাই। ভালো লাগছে তো।
দুনিয়াতে সব কিছু কি আর নিজের জন্য করা যায়। কিছুতো অন্যদের জন্যও করতে হয়। প্রোপিক্টা না হয় আমাদের জন্যই থাক।
সেটাওতো ঠিক!!
আচ্ছা, থাকুক!
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ নয়ন ভাই।
আপনি ভালো আছেন ভাইয়া?
হ্যা ভাইয়া ভাল আছি।
আপনি?
মা কেমন আছেন?
লেখকের মন্তব্য
আমি বেশ ভালো।
আম্মু গতকাল চিটাগং এসেছেন। এখন আমার পাশে ঘুমোচ্ছেন। দোয়া করবেন তাঁর জন্য।
ওয়াও!
স্বর্গীয় অনুভূতি!
মন থেকে দোয়া সবসময়ই করি!
মা'কে আমার সালাম পৌছে দিয়েন!
লেখকের মন্তব্য
পৌছে দিয়েছি।
আপনার জন্যও দোয়া করতে বলেছি।
ভালো থাকবেন নয়ন ভাই।
অশেষ ধন্যবাদ।
অভিনন্দন দ্বিতীয় সেরা বাচাল!!
---
আপনি সেকেন্ড পজিশন ফিরে পেলেন! এবার বোধহয় আমারটাও হারাবো।
লেখকের মন্তব্য
আজকের দিনের সেরা জোক্স।
লেখকের মন্তব্য
কেমন আছেন নয়ন ভাই? কেমন যাচ্ছে দিনকাল?
না তো! আজ তো কোন জোকস দেইনি আমি!!
---
ভাল যাচ্ছে দিনকাল বাচলামি করে!
লেখকের মন্তব্য
আজকের দিনের সেরা জোক্স।
আপনার দোয়ায় আমিও একটু একটু করে শিখছি বাচলামি
ভাল ভাল!
এই মাত্রই আপনার কথা মনে পড়লো।
আর আপনি চলে এসেছেন!
সবই আত্মার টানরে ভাই!
লেখকের মন্তব্য
আত্মায় আত্মায় আত্মীয় হয়ে গেলাম তবে।
লিখাটা দেখে এই ভেবে ভালো লাগছে যে এখনো কেউ আমাকে মনে রেখেছেন।
নয়ন ভাই ভালো আছেন? অফিস না বাসায়?
হাহাহা
অফিসে, ভাইয়া।
---
কাল রাতে একটা দুঃস্বপ্ন দেখলাম।
লেখকের মন্তব্য
কি দেখলেন ভাইয়া।
বিয়ে করে ফেলেছেন?
আরে নাহ!
চারজনকে নিয়ে দেখলাম।
চারজনের পোস্টে একযোগে প্রকাশ করবো।
লেখকের মন্তব্য
নয়ন ভাই আমিও কি ছিলাম নাকি ওখানে?
বোঝেননি?
যে চারজন কে নিয়ে স্বপ্ন দেখলাম, সেই চারজনের মধ্যে তিনজনকেই বলে এসেছি। মানে যাদেরকে বলছি, তাদেরকে নিয়েই।
লেখকের মন্তব্য
হায়রে/ আমি তাহলে আপনার দুঃস্বপ্নেরও অংশ হয়ে গেলাম।
ভালো লাগছে।
দুঃস্বপ্নটা চারজনের পোস্টে একযোগে প্রকাশ করবো।
জামী ভাই , ঘটনা টা আসলে কী ? ভালো লাগ্লো কিন্তু ভয় ভয় ও লাগছে । অনেক রাত এখাণে ।।।।
লেখকের মন্তব্য
আপু এটা শুধুয় গল্প।
কিন্তু আপনার পেছনে ওটা কি। হায়াল্লাহ!!!!!
জামী ভাই , ভালো হচ্ছেনা কিন্তু । রাত ৩ টা এখাণে।
লেখকের মন্তব্য
আচ্ছা আর বলছিনা।
আপু থিসিসের কাজ কেমন চলছে?
cholse na. ammu abbu nai. shashon baron nai. emne ki pora hoi? keu jodi boka dito, onek valo hoto.
লেখকের মন্তব্য
ভালো আছেন আপু?
আপু বকা দেয়া শুরু করবো?
কেউ নেয়। আপনার সময় কাটে কিভাবে আপু?
সত্যি ঘটনা ভেবে ভয়ই পেয়েছিলাম। এক পর্যায়ে ভেবেছিলাম তারা যমজ ভাই হতে পারে, আপনার জানা ছিল না। পরে দেখলাম সত্যিই ভুত। আমার কিন্তু দারুন লেগেছে।
লেখকের মন্তব্য
অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া।
ভালো থাকবেন।
মন্তব্য করুন