ফজলে হাসান জামি-এর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

আমাদের প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় থাকে রকমারী মুখরোচক খাদ্য। কিন্তু এই খাদ্য তালিকার কয়টি খাদ্য ভেজালমুক্ত তা কি আমরা জানি? জানার কথাও নয়। কারণ আপনি-আমি সকলেই খাদ্য ও পণ্যদ্রব্যের ক্ষেত্রে প্রতিনিয়ত প্রতারণা ও স্বাস্থ্যহানির শিকার হচ্ছি।
বিভিন্ন জরিপে উঠে আসা ভেজাল খাবারের উপাত্তের একটি তালিকা লক্ষ্য করুনঃ
বিশ্ব সাস্থ্য সংস্থার সহযোগীতায় আইপিএইচ একটি জরিপ পরিচালনা করে। ২০০৩ সালে তারা ৪০০টি মিষ্টি, ২০০ টি আইসক্রীম, ২৫০ টি বিস্কুট ও ৫০টি পাউরুটির নমুনা সংগ্রহ করে। তাতে দেখা যায়, মিষ্টি ৯৭%, আইসক্রীম ৫৯%, বিস্কুট ৫৪% ও পাউরুটি ২৪% অনিরাপদ। এছাড়া ১৯৯৪, ২০০৬ ও ২০০৭ সালে রাস্তার খাবারে যথাক্রমে ১০০%, ৭৮%, ৫৯% খাবার ছিল অনিরাপদ ও জীবাণুদুষ্ট।
এই তালিকা থেকে আমরা দেখতে পাই, ২০০৭ সাল নাগাদ অনিরাপদ খাবারের শতকরা পরিমাণ কমলেও তা মারাত্মক পরিমাণে খাবারের মধ্যে বিদ্যমান। উপরে বর্ণিত খাদ্যগুলো কম-বেশি আমরা সবাই খাই। এখন প্রশ্ন দাঁড়ায়, আমরা যা খাচ্ছি তা কতটা নিরাপদ।
মার্কিন বিজ্ঞানীদের একটি দল সত্তরের দশকে ১২ টি রাসায়নিককে স্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর বলে বিশ্বব্যাপী নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন। এগুলোকে ‘ডার্টি ডজন’ বলা হয়।
১। Aldrin
২। Chlordane
৩। Dieldrin
৪। Endrin
৫। Heptachlor
৬। Hexachlorobenzene
৭। Mirex
৮। Toxaphene
৯। Polychlorinated biphenyls
১০। DDT
১১। Polychlorinated dibenzo-p-dioxins
১২। Polychlorinated biphenyls
কিন্তু আমাদের দেশে এই ১২ টি রাসায়নিকের ৯টিই আমদানী করা হয় যা কীটনাশক রূপে ব্যবহৃত হয়। একটি জরিপের ব্যখ্যা দিয়ে শাইখ সিরাজ বলেন ২০০৯ সালে বাংলাদেশে ৫০০০০ টন কীটনাশক আমদানী করা হয় যার আর্থিক মূল্য দাঁড়ায় ৫০০০০ কোটি টাকা। এই কীটনাশকগুলোতো শেষমেশ আমাদের খাদ্যেই মিশছে। সূত্রঃ হালখাতা
এবার দৃষ্টি দেয়া যাক পানীয় উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর দিকে। আমাদের দেশে পারমিটেড কালারগুলোর দাম বেশি বলে অসাধু ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন রঙের পানীয়তে ‘টেক্সটাইল কালার’ ও ‘লেদার কালার’ এর মত মারাত্মক উপাদান ব্যবহার করে থাকে। রঙ্গিন পানীয়গুলোতে সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করা হয় ‘সুদান রেড’, ‘এমারান্থ’, ‘টারট্রাজিন’। এছাড়া বিভিন্ন খাদ্যে ব্যবহৃত ‘সোডিয়াম সাইক্লোমেট’ মানুষের ত্বককে রোদের সংস্পর্শে কালো করে দেয়। এর কারণে বিকলাঙ্গ সন্তান, অস্বাভাবিক সন্তানও হতে পারে।
জুসের কথাই ধরুন। কোম্পানীগুলো বলে যে, তারা নিজেদের বাগানের আম দিয়ে জুস তৈরী করে। কিন্তু একথা বিশ্বাসযোগ্য নয়, কারণ তাদের বার্ষিক বিক্রীর পরিমাণ হিসেব করলে দেখা যায় তাদের বছরে যে পরিমাণ আমের দরকার তা বাংলাদেশের মোট উৎপাদিত আমের ছয় ভাগের এক অংশ। আর জুস প্রস্তুতকারক কিছু কোম্পানী বলে যে তারা দেশের একমাত্র প্রিসারভেটিভ বিহীন জুস তৈরী করে থাকে। এখন প্রশ্ন হলো, জুসতো সারাবছর ধরেই তৈরী হচ্ছে, তাহলে সারাবছর ধরে তারা বৈশাখের আমকে কিভাবে সংরক্ষণ করছে। আমের কথা নাহয় বাদ দিন, কোম্পানীগুলোর ‘অরেঞ্জ জুস’ তৈরীতে যে কমলা লাগে সেই কমলার বাগানটি দেশের কোন স্থানে অবস্থিত? দেশে যে এত বড় কমলার বাগানই নেই। কোম্পানীগুলো ‘বিটা ক্যারোটিন’ ও ‘সোডিয়াম সাইক্লোমেট’ ব্যবহার করছে জুসে।
নিচে বিভিন্ন খাদ্য দ্রব্যে ব্যবহৃত রাসায়নিক পদার্থ ও তা বোঝার উপায় সংক্ষেপে আলোচনা করলামঃ
১। মাছে ব্যবহার করা হচ্ছে ফরমালিন। বিশেষ করে মায়ানমার ও ভারত থেকে আসা মাছে ফরমালিন থাকে। ফরমালিনযুক্ত মাছে মাছি বসেনা। বসলেও তা সাথে সাথে উড়ে যায়। এবং মাছের চোখ ঘোলাটে থাকে। দীর্ঘদিন এর ব্যবহারে ‘লিভার সিরোসিস’ হতে পারে। ২০০৬ সাল থেকে দেশে ফরমালিনের ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়।
২। আমে ব্যবহার করা হয় ‘কার্বাইড’। কার্বাইডের তেজষ্ক্রীয়তায় আম গরম থাকে। এর প্রভাবে চোখ ঘোলাটে হয়ে যেতে পারে।
৩। আবদ্ধ চূল্লী জাতীয় ঘরে কেরোসিনকে গ্যাসে পরিণত করে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কলাকে পাকানো হয়। কেরোসিন গ্যাসে পরিণত হলে তা শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর হয়।
বিভিন্ন সময়ে ভেজাল বিরুধী অভিযানে নেতৃ্ত্ব দেয়া ম্যাজিস্ট্রেট ও যৌথবাহিনীর ভাষ্য থেকে পাওয়া অন্যান্য দ্রব্য সামগ্রীগুলোর বর্ণনাঃ
৪। দেবীদাস রোডের বিস্কুট কারখানাগুলোতে অভিযানের সময় পোড়া মবিল পাওয়া যায়। পাওয়া যায় ইউরিয়া, অ্যামোনিয়া-বাই-কার্বনেট, সোডিয়াম সাইক্লামেট যা বিস্কুটে ব্যবহার করা হত।
৫। লক্ষীবাজারে মিষ্টির দোকানে পাওয়া যায় টেক্সটাইল মিলের ডাইং রঙ। এ রঙ ব্যবহার করা হয় লালমিষ্টি, লাল দই ও কেক প্রস্তুত করতে। এছাড়া আগের পঁচা মিষ্টিগুলো নতুন মিষ্টির সাথে মিশিয়ে বিক্রী করা হয়। কারখানায় কিছু গোলাপজল পাওয়া যায় যা ছিল মেয়াদোত্তীর্ন।
৬। গুঁড় রয়েছে দুই রকম। কালচে ও সাদা। ক্ষেত থেকে আঁখ কেটে আনার সময় আখের শরীরে অনেক কাদা-ময়লা থাকে, তা পরিষ্কার না করেই মেশিনে রস তৈরী করা হয়।এই গুড়ের রঙ হয় কালচে।অন্যদিকে ময়লাযুক্ত রস জ্বাল দিয়ে গুড় তৈরীর সময় রসের মধ্যে কাপড় ধোয়ার সোডা মিশিয়ে ঝকঝকে করা হয়।
৭। মুড়িতে ব্যবহার করা হয় ইউরিয়া।
৮। আইসক্রীম ফ্যাক্টোরীগুলোতে ব্যবহার করা হয় ওয়াসার পানি, টেক্সটাইল কালার। দুধের পরিবর্তে ব্যবহার করা হচ্ছে ময়দা ও ফ্লেভার। চিনির পরিবর্তে স্যাগারিন।
৯। ভেজালের ভীড়ে সবচেয়ে অবাক করা ব্যাপার হল ডিম। বাজারে লাল ডিমের দাম সাদা ডিমের চেয়ে ৫০ পয়সা বেশি বলে মুরগীর খামারে সাদা ডিমকে লাল রঙের টেক্সটাইল কালারে ডুবিয়ে লাল করা হয়।
১০। ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোড ও নবাবের দেউরিতে চকলেট কারখানায় ডাইং রঙ ও ক্ষতিকর কেমিক্যাল ব্যবহার করা হয়।
১১। সমসাবাদ নয়াবাজারে সেমাই’র কারখানায় দেখা যায়, রোদে শুকাতে দেয়া সেমাই’র উপর কাপড় শুকাতে দেয়া হয়েছে।
১২। মিনারেল ওয়াটারের যে নীল জারগুলো আছে, নিয়ম হল পুনরায় পানি ভর্তি করার আগে জারটিকে হাইড্রোজেন-পার-অক্সাইড দিয়ে জীবাণুমুক্ত করতে হবে। পরে ফিলিং মেশিনের মাধ্যমে আল্ট্রাভায়োলেট রে ব্যবহার করে জারে পানি ভর্তি করতে হবে। কিন্তু বাংলাদেশের প্রায় সকল কারখানাতেই ওয়াসার পানি ব্যবহার করছে।
১৩। শুটকিতে ব্যবহার করা হয় ক্ষতিকর ডিডিটি।
১৪। ঘি’র কারখানাগুলোয় কোন দুধ ব্যবহার করা হয়না। বদলে তারা ব্যবহার করে ‘whey powder’।
১৫। কিছু ঔষধের কারখানায় দেখা যায়, মেয়াদোত্তীর্ণ ঔষধগুলোকে পুনরায় প্যাকেট করা হচ্ছে।
১৬। গুঁড়োদুধে মেশানো হয় মেলামিন।
১৭। হলুদ গুঁড়োতে মেশানো হচ্ছে রেড ক্রোমেট ও মেটানিল ইয়েলো। গুড়ো মরিচে ব্যবহার করা হয় সুদান রেড ও পেপরিকা। এর মধ্যে মেটানিল ইয়েলো ও সুদান রেড শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। বাংলাদেশ ব্যাংকের ফরেন এক্সচেঞ্জ পলিসি ডিপার্টমেন্টের দেয়া তথ্য থেকে জানা যায়, বছরে ৯২ কোটি টাকার মেটানিল ইয়েলো ও পেপরিকা দেশে আমদানী করা হয়।
এত কিছুর পর মনে প্রশ্ন জাগে, সত্যিকার অর্থে আমরা কি খাচ্ছি। আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্মকে কি আমরা ভেজালের জাল থেকে রক্ষা করতে পারবনা? এই ভেজাল কি কখনো বন্ধ হবেনা? আশায় রইলাম, হয়তো অসাধু ব্যবসায়ীরা একদিন তাদের ভুল বুঝতে পারবে।
সূত্রঃ হালখাতা, উইকিপিডিয়া, বিজনেস জার্নাল, বিভিন্ন দৈনিক পত্রিকা।
*পূর্বে প্রকাশিত
মন্তব্য
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ
আমরা কী খাচ্ছি!!
ভেজালবিহীন কোন খাবারই আমাদের তকদিরে নাই? এত ভেজাল খেয়েও আমরা যে বেঁচে আছি, সেটাই আশ্চর্যের!
========
খুবই ইনফরমেটিভ এবং দরকারি লেখা।
নতুন কিছু ব্যাপারও জানা হলো।
শুভেচ্ছা!
লেখকের মন্তব্য
এত ভেজালেও আমাদের কিছু হয়না। ভাবতেই অবাক লাগে।
খাবো কি তাহলে ? কিছুই তো দেখি ভেজালের আওতামুক্ত না !!!
আগেই জানতাম কিছু কিছু কিন্তু এখন হতবাক হয়ে বসে আছি। লেখাটা অনেক ভাবাচ্ছে, দুশ্চিন্তাগ্রস্ত করছে। আমার জানামতে আর কোথাও কোন দেশে এত ভেজাল নেই খাবারে। আমাদের দেশে আমরা কতদিক দিয়ে অসহায় ! কিছুই করার নেই । দেশ ছেড়ে যারা পরবাসে আছেন তারা কি অনেক খারাপ লাগার ভিড়ে শান্তি পান না এই ভেবে যে যা খাচ্ছি ভেজাল না , টাকা দিয়ে বিষ কিনছেন না প্রিয় পরিবারের জন্য !!!
ধন্যবাদ জামি। এই তথ্যমূলক এবং গুরুত্বপূর্ণ লেখাটির জন্য ।
লেখকের মন্তব্য
আর যারা প্রবাস থেকে দেশে টাকা পাঠায় তাদের কি হবে? তারাতো বিষ কেনার টাকায় পাঠাচ্ছে

ধন্যবাদ আপু।
সাত দিলাম ।
লেখকের মন্তব্য
নেন আপু
খান 
এটা কি ভেজাল মুক্ত ? চিন্তায় পড়লাম ।
লেখকের মন্তব্য
১০০ ভাগ ভেজালমুক্ত পণ্য
চোখ বুজে সবই খেতে হবে। এ ছাড়া উপায় কি !
লেখকের মন্তব্য
আসলেই কোন উপায় নেই
এত ভেজালেও আমাদের কিছু হয়না। ভাবতেই অবাক লাগে।
জামি ভাই, আমাদের অনেক কিছুই হয়, কিন্তু তা আমাদের হয়াত পর্যন্ত।
লেখকের মন্তব্য
হায়াত শেষ হওয়ার আগে যদি একটু ভালো থাকা যায় এই আরকি
প্রিয় জামি ভাইয়া,
পরিশ্রমলব্ধ লেখা!
-------------
'উপাত্ত' শব্দের অর্থ কি?
-------------
নিরন্তর শুভকামনা।।
লেখকের মন্তব্য
অনেক অনেক ধন্যবাদ আপু।

----------------
বাংলা একাডেমীর অভিধান বলছেঃ
উপাত্তঃ ১। গৃহীত, স্বীকৃত, লব্ধ, অর্জিত।
২। যাহা হইতে অনুমান বা সিদ্ধান্ত করা হয় এরূপ স্বীকৃত বিষয়সমূহ।
কিন্তু উপাত্ত শব্দটার অর্থ দিয়ে কি করবেন আপু?
-----------------
চলতে পথে শুভকামনা।
আমার জন্য এত কষ্ট করে অভিধান দেখেছেন, এ জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা, প্রিয় ভাইয়া!
'উপাত্ত' শব্দটা আপনি আপনার লেখায় ব্যবহার করেছিলেন, আর আমার নতুন একটা শব্দের অর্থ শেখা হল - সেই জন্য!
বাংলা একাডেমীর অভিধানটা কি অনলাইনে রয়েছে?
------
এরকম আরও পরিশ্রমলব্ধ পোস্ট আপনার কাছ থেকে পাবার প্রত্যাশা করছি।
ভাল থাকবেন অনন্ত!
লেখকের মন্তব্য
অনেক ধন্যবাদ নাঈফা আপু।


আমি অনেকবার খুঁজেছিলাম নেটে। কিন্তু বাংলা একাডেমীর এই অভিধানটা পাইনি। তাই মনে হচ্ছে অনলাইনে এটা নেই।
----------------
আপনারা পাশে থাকলে আশা করি এমন পোস্ট আরো লিখতে পারবো।
----------------
অনেক অনেক ভালো থাকুন আপু। সুন্দর থাকুন সব সুন্দরের ভীড়ে
নিরুপায় হয়ে বিষ কিনে খাচ্ছি, কিছুই করার নেই। কিন্তু বুক ফেটে কান্না আসতে চায় তখনই যখন সন্তানের মুখেও জেনেশুনে সেই বিষই তুলে দিতে হয়।
লেখকের মন্তব্য
সত্যি কথাই বলেছেন দাদা। এত ভেজালের ভীড়ে আমাদের কি করার আছে ভাবি
এই ভেজাল থেকে মুক্তির উপায় কী? যারা এই বিষ মানুষকে খাওয়াচ্ছে তাদের কি করা উচিৎ?
লেখকের মন্তব্য
জলাপু, মাত্র দুটো প্রশ্ন হলেও অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আসলেই এখন সময় এসেছে ভাববার। আমাদের কি করা উচিত, কিভাবে এই পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
খাদ্যে ভেজালকারীদের ফাঁসি চাই।
লেখকের মন্তব্য
সরাসরি ফাঁসি???

কি ভয়াবহ অবস্থা!



খাওয়া যা শুরু করেছিলাম,এই পোস্ট পড়ে আগের অবস্থায় ফিরে যেতে ইচ্ছা হচ্ছে
এত সহ্য ক্ষমতা পেলাম কোথায় আমরা তাই ভাবছি
দারুণ দরকারি পোস্ট
লেখকের মন্তব্য
আসলেই আমাদের এই অসাধারণ ক্ষমতার তারিফ করতে হয়।
চশমা লাগাইছেন যে!বুঝছি,ভেজাল খাইয়া চক্ষু গেছে
লেখকের মন্তব্য
এখন নিশ্চয় ভাবছেন চশমারেও ছাড়লোনা, এইটা দিয়াও ভাব মারে!!!
সময় উপযোগী, উপকারী পোস্ট। অনেক কিছু শিখলাম এই তোমার এই পোস্ট থেকে ফহাজা ভাই।
তোমার এই সুন্দর উদ্যোগকে অনেক সাধুবাদ জানাই... অনেক শুভকামনা...
আচার্য দার কথাটা বুকে বিধে থাকলো - "নিরুপায় হয়ে বিষ কিনে খাচ্ছি, কিছুই করার নেই। কিন্তু বুক ফেটে কান্না আসতে চায় তখনই যখন সন্তানের মুখেও জেনেশুনে সেই বিষই তুলে দিতে হয়।"
আর তোমার কথাটাই আমার কথা -
"এত ভেজালের ভীড়ে আমাদের কি করার আছে ভাবি।"
লেখকের মন্তব্য
অনেক ব্যস্ততার মাঝে সময় করে এসেছো বলে তোমাকে অনেক ধন্যবাদ মেরো ভাইয়া
------
আসলেই আমরা কিভাবে এখনো টিকে আছি, অবাক ব্যাপার।
চারদিকে ভেজাল আর ভেজাল। সময় এসেছে নতুন করে ভাবার। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কথা ভাবার। এই ভেজালের মধ্যে থেকে বেরিয়ে আসার।
মন্তব্য করুন