লেখকের ক‌থা

সদর দরজা

ভ্রমণ বিলাসঃ ভালোলাগার কক্সবাজার, ভালোবাসার কক্সবাজার

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সারাদেশে শুরু হয়ে গেছে শীতের প্রকোপ। সকালের হালকা কুয়াশার চাদর গায়ে শিশির ভেজা রাস্তা জানান দিচ্ছে শীতের আগমনি বার্তা।

এই শীতে ঘুরে বেড়ানোর মজাই আলাদা। নিশ্চয় আমার মতো অনেকেই ঘুরে বেড়াতে ভালোবাসেন। চতুর্মাত্রিকের সেইসব ভ্রমণ পিয়াসু মানুষগুলোর জন্যই আমার এই সামান্য চেষ্টা।

শীতে কক্সবাজারের রুপ-বৈচিত্র্য যেন ডানা মেলে ধরে। এই শীতে বেড়িয়ে আসতে পারেন নান্দনিক সৌন্দর্যের শহর কক্সবাজার থেকে।

কিভাবে যাবেনঃ
ঢাকা থেকে আপনারা বাসে কক্সবাজার আসতে পারেন। এক্ষেত্রে আপনারা এসি-নন এসি দুই ধরনের বাসে করেই আসতে পারেন। অথবা, চট্টগ্রাম পর্যন্ত ট্রেনে এসে, বাসে কক্সবাজার যেতে পারেন।

চট্টগ্রাম থেকেও আপনারা এসি-নন এসি দুই ধরনের বাসে করেই আসতে পারেন।
এসি বাসঃ সৌদিয়া এয়ারকন, আমাদের বাগদাদ এক্সপ্রেস (মার্সিডিজ বেঞ্জ)/ গ্রীন লাইন, সিল্ক লাইন, সোহাগ (ভলভো)/ টি আর ট্রাভেলসের কিছু বাসও আছে।
নন এসি বাসঃ সৌদিয়া, এস আলম, হানিফ(বড়বাস ও ছোট বাস) /শ্যামলী, মডার্ণ (বড়বাস)।
এর মধ্যে এস আলমের বাসগুলো ক্লোজডোর সার্ভিস দেয়। এই বাসগুলো কোথাও থামবেনা।

ভাড়ার পরিমাণঃ
চট্টগ্রাম থেকে মার্সিডিজ বেঞ্জ ৪৫০ টাকা, ভলভো ৩৫০ টাকা, নন এসি(বড়বাস) ১৯০-২০০ টাকা, নন এসি(ছোট বাস) ১৮০-১৯০ টাকা।

কোথা থেকে উঠবেনঃ
ঢাকা কমলাপুর ট্রেন স্টেশান থেকে ট্রেনে আসতে পারেন চট্টগ্রাম। এছাড়া রাজারবাগে পাবেন বেশ কয়েকটি বাসের টিকেট কাউন্টার। ফকিরাপুল ও কলাবাগানেও আছে কয়েকটি বাসের টিকেট কাউন্টার। বাসগুলোর গন্তুব্য সরাসরি কক্সবাজার।
চট্টগ্রাম শহরের দামপাড়া মোড় থেকে আপনারা সব ধরনের এসি বাস ও নন এসি(বড়বাস) ‘র টিকেট করতে পারেন। এছাড়া চান্দগাঁও নতুন থানার সামনে থেকে উঠতে পারেন ছোট বাসগুলোয়। উল্লেখ করা বাসগুলো বাদে বাকিগুলোর সার্ভিস খুব একটা ভালোনা বিধায় নামগুলো বাদ দিয়ে গেলাম।

কোথায় নামবেনঃ
কক্সবাজার পৌরসভার নতুন নিয়মের কারণে এখন বাসগুলো মূল শহরে প্রবেশ করতে পারেনা। তাই বাসগুলো আপনাদের নামিয়ে দিবে মূল শহরের বাইরে কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে (সকাল ৮ টা- রাত ৯টা এই সময়ের বাইরে বাসগুলো শহরে ঢুকে)। সকাল ৮ টা- রাত ৯টা এই সময়ের মধ্যে হলে ফিরতে হলেও আপনাকে বাস টার্মিনালে এসেই বাসে উঠতে হবে। এক্ষেত্রে অবশ্য বাসের টিকেট শহরের বিভিন্ন টিকেট কাউন্টার থেকে করে নিতে পারেন। বাস টার্মিনালের পাসে সারি বেঁধে সি এন জি ও টমটম(ইলেক্ট্রিক বাইকের স্থানীয় নাম) দাঁড়িয়ে থাকে। এগুলোতে করেই আপনাকে যেতে হবে কলাতলী বা মূল শহরে।

কোথায় থাকবেনঃ
কলাতলী মোড় থেকে লাবণী পয়েন্টের দিকে যাওয়ার সময় হাতের বাম পাশের সব ভবনগুলো হল হোটেল ও ডানপাশেরগুলো হল রিসোর্ট/ গেস্ট হাউস/গেস্ট ইন। আপনি এর যেকোনটিতে থাকতে পারেন। কক্সবাজারের সবচেয়ে ব্যয়বহুল হোটেলগুলো হল – লং বীচ, সীগাল, ওশান প্যারাডাইস, প্রাসাদ প্যারাডাইস(সবকটি কলাতলীতে)। এখানে প্রতি রাতের খরচ পরবে ৩৫০০-১৫০০০ টাকা। এর চেয়ে কমদামে আপনি থাকতে পারেন হোটেল মিশুক, কল্লোল, মিডিয়া, কক্স টু ডে, সায়মন। এছাড়া কলাতলীর অন্যান্য হোটেল/রিসোর্টে থাকতে পারেন ১০০০-৪৫০০ টাকা প্রতি রাতের খরচে (দামাদামির মাধ্যমে দাম কমানো সম্ভব)। লাবণীর মোড় থেকে ৩০০ গজের ভিতরে ৪টি মোটেল আছে (উপল, প্রবাল, শৈবাল ও লাবণী), এখানেও রাত্রিযাপন করতে পারেন। পারতপক্ষে কোন কটেজে রাত্রিযাপণ না করাই ভাল।

কোথায় বেড়াবেনঃ
কক্সবাজার সৈকতঃ এখানে ৩টি পয়েন্টের যেকোনটিতে আপনি যেতে পারেন (কলাতলী, সুগন্ধা, লাবণী)। লাবণী ও সুগন্ধা পয়েন্টে সকাল ও বিকেলে বেড়িয়ে রাতে যেতে পারেন কলাতলী পয়েন্টে। এখানে এঞ্জেল ড্রপ, ট্রপিকানা রেস্টুরেন্টের পাশেই দেখতে পাবেন গ্যালারী তৈরী করে রাখা হয়েছে। রাতে গ্যালারীতে বসে দেখতে পারেন গ্যালারীর পাদদেশে সাগরজলের আঁছড়ে পরা। কেউ যদি নির্জনতা পছন্দ করেন তবে সৈকতে যেতে পারেন বালিকা মাদ্রাসার রোড দিয়ে। এলাকার নাম বাহারছড়া।

বৌদ্ধমন্দিরঃ এটি কক্সবাজার শহরেই। এখানে আছে অষ্টধাতু নির্মিত বৌদ্ধমূর্তিসহ বিভিন্ন আকৃতির বৌদ্ধমূর্তি। বৌদ্ধমন্দিরটি সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়।

হিমছড়িঃ কক্সবাজারের যেকোন জায়গা থেকে টমটমে করে আপনারা হিমছড়ি যেতে পারেন। হিমছড়িতে আছে মনোমুগ্ধকর ঝর্ণা ও পাহাড়সারি। এখানে পাহাড়চূড়া থেকে সাগর দেখে মনে হবে পাখির চোখেই যেন দেখছেন।

ইনানীঃ কলাতলী থেকে বা হিমছড়ি থেকে টমটমে ইনানী যেতে পারেন। ইনানীতে চাইলে রাতে থাকতেও পারেন। কলাতলী থেকে হিমছড়ি- ইনানী টমটমে করে যাওয়া-আসার খরচ পরবে ৪৫০-৬০০ টাকা। চাঁদের গাড়ি বা মাইক্রোবাসে করেও আপনারা যেতে পারেন। হোটেলের রিসিপশানে কথা বলেও গাড়ির ব্যবস্থা করে নিতে পারেন।

দরিয়া নগরঃ হিমছিড়ি যাওয়ার পথে পরবে দরিয়া নগর। এখানে একটি দীর্ঘ গুহা আছে। বন্ধুদের নিয়ে ঢুকে দেখতে পারেন।

প্যাঁচার দ্বীপঃ হিমছড়ি ও ইনানীর মাঝামাঝি একটি স্থান(এখানে বছরখানেক আগে বাট্টুমিয়ার খামার ছিল, পরবর্তীতে তা সাগরে বিলীন হয়ে যায়)। প্রকৃতপক্ষে এটি কোন দ্বীপ নয়। এখানে পড়ন্ত বিকেল দেখা আপনাকে নতুন করে ভাবতে শেখাবে।

মহেশখালীঃ নুনিয়াছড়া ঘাট থেকে স্পীডবোটে করে যেতে হবে। স্পীডবোটে ৬০-১০০ টাকা পর্যন্ত নিতে পারে। এখানে দেখতে পারেন আদিনাথ মন্দির।

টেকনাফঃ সেন্টমার্টিন যাওয়ার আগে ঘুরে নিতে পারেন টেকনাফ শহর। এখানে দেখে নিতে পারেন মাথিনের কূপ। এটি টেকনাফ থানা প্রাঙ্গণে অবস্থিত। টেকনাফের সবচেয়ে দর্শনীয় স্থান হলো শাহ পরীর দ্বীপ। কক্সবাজার থেকে সরাসরি বাসে যেতে পারেন শাহপরীর দ্বীপে। ভাড়া লাগবে ৯০-১০০ টাকা।

কুদুং গুহাঃ টেকনাফ যাওয়ার পথে হুয়াইক্যাং এ দেখে যেতে পারেন কুদুং গুহা। এই গুহাতে বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণীর বাস। তাই সাথে মশাল ও লাঠি নিয়ে প্রবেশ করতে হবে।

সেন্টমার্টিনঃ নীল জলের বিস্তীর্ণ সৈকত দেখতে হলে আপনাকে যেতে হবে সেন্টমার্টিন। সেন্টমার্টিন ভ্রমণের জন্য নিজ উদ্যোগে আপনারা শীপের টিকিট কিনতে পারেন কক্সবাজার শহর থেকেই। হোটেল রিসিপশানে আপনারা জেনে নিতে পারেন টিকেট প্রাপ্তিস্থানের কথা। এছাড়া বিভিন্ন ট্যুরিজম ফার্ম আছে, তাদের মাধ্যমেও যেতে পারেন। শীপের টিকেট ৬০০-৭০০ টাকায় পাবেন(ভি আই পি)। সেন্টমার্টিন এ রাত্রিযাপনের ব্যবস্থা আছে। প্রতি রাতে ১০০০-২৫০০ টাকা মতো লাগবে।

ছেঁড়াদ্বীপঃ সাগরের সৌন্দর্যের পূর্ণতা বুঝা যাবে ছেঁড়াদ্বীপ ঘুরে এলে। সেন্টমার্টিন থেকেই বোটে করে যেতে হবে ছেঁড়াদ্বীপ। মাছ ধরার নৌকোগুলোই যাওয়ার একমাত্র বাহন। এইসব বোটে একই সাথে ১৫-২০ জন ওঠা সম্ভব।

বার্মিজ মার্কেটঃ ফেরার পথে কক্সবাজার বার্মিজ মার্কেট থেকে কিনে নিতে পারেন আপনার পছন্দনীয় যেকোন জিনিস।

সাফারী পার্কঃ ফেরার পথে একবার ঢুঁ মেরে যেতে পারেন ডুলাহাজারা সাফারী পার্কে। এটি বাংলাদেশের একমাত্র সাফারী পার্ক। হেঁটে হেঁটেই ঘুরে দেখে নিতে পারেন বাঘ, সিংহ, ভালুকসহ বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণীদের। এখানে প্রাণী যাদুঘরটায় জানার মত অনেক কিছুই খুঁজে পাবেন। সাফারী পার্কের কয়েকটি স্থানে ওয়াচ টাওয়ার আছে। প্রায় ১৫০ ফুট উঁচু এই টাওয়ার থেকে পাখির চোখে উপভোগ করতে পারেন সংরক্ষিত বনের নান্দনিক সৌন্দর্য।

*সাগরে গোসল করতে নামলে অবশ্যই সবুজ পতাকা(জোয়ার) দেখে নামবেন। লাল পতাকা(ভাটা) থাকাকালীন পানিতে নামবেননা।

*উল্লেখিত টাকার পরিমাণ শুধুমাত্র শীতকালের জন্য প্রযোজ্য হবে। অন্যসময় হোটেলের প্রতিরাতের খরচ প্রায় অর্ধেকে নেমে আসে।

কক্সবাজারে সবাইকে স্বাগতম।

6.673331
আপনার মূল্যায়ন: আপনি মূল্যায়ন করেন নি। গড় রেটিং: 6.7 (৩ জন মূল্যায়ন করেছেন)
শেয়ার করুন » Facebook Twitter Delicious Digg MySpace Google Orkut Blogger Google Buzz Technorati
অথবা এই সংক্ষিপ্ত লিংক শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৯৯৮৩৩(১)    

পোস্ট প্রিয়তে রাখি আগে।
---
যারা কক্সবাজার বেড়াতে যাবে, তাদের জন্য এই পোস্ট পড়া আবশ্যক। সব ডিটেইলস দিয়ে দিলেন। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
২বার গিয়েছিলাম কক্সবাজার! আবার কবে যাই কে জানে, হয়তো বিয়ের পরে! ;)
---
৭দিলাম।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৯৯৮৩৫(২)    
লেখকের মন্তব্য

ধন্যবাদ নয়ন ভাই।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৯৯৯৭৮(৩)    

আচ্ছা জামি ভাই, একটা ব্যাপারে খটকা লাগল। তা হলো,

পারতপক্ষে কোন কটেজে রাত্রিযাপণ না করাই ভাল।

কেনো??
ভূত টুত আছে নাকি?

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২০০২১২(৪)    
লেখকের মন্তব্য

হিঃহিঃহিঃ  হাহাহা হিঃহিঃহিঃ  হাহাহা
নারে ভাই ভূত টুত কিছুই না।
বিভিন্ন ধরনের অপরাধ সংগঠিত হয় কটেজগুলোয়, তাই পুলিশের আনাগোনা একটু বেশি থাকে। অতিথিদের যেন কোন সমস্যায় পরতে না হয় তাই যেতে মানা করেছিলাম।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২০০২৬১(৫)    

ওহ আচ্ছা!
---
ভেবেছিলাম, ভৌতিক কিছু হবে টবে, তাহলে সেই কাহিনী নিয়ে পোস্ট দেয়া যেতো!

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২০০২৮৪(৬)    
লেখকের মন্তব্য

মনে হয় কিছু দিনের মধ্যেই ভৌতিক কিছু আসবে।
অবশ্য আপনারা পাশে থাকলেই এটা সম্ভব।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২০০২৮৭(৭)    

মানে কী? কোথায় আসবে, কে আসবে? ভূত চতুরে আসবে? নাকি আপনি ভৌতিক কাহিনী পোস্ট দিবেন?

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২০০২৯২(৮)    
লেখকের মন্তব্য

প্যারানরমাল কিছু গল্প লিখছি। আপনার দ্বারা উদ্বুদ্ধ হয়েই লিখা।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২০০২৯৩(৯)    

আমার অপেক্ষার পালা শুরু হলো তাহলে!
---

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৯৯৮৪০(১০)    

সাফারী পার্ক, রামু, নাইক্ষ্যংছড়ি বাদ গেছে। :)
আমার নেক্সট টার্গেট কুতুবদিয়া।
ভাল থাকবেন, শুভকামনা সতত।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৯৯৯১৩(১১)    
লেখকের মন্তব্য

নাইক্ষ্যংছড়ি কক্সবাজার জেলায় পরেনা, তাই বাদ দিয়েছি।
রামুর মন্দিরটির নাম ভুলে গেছি।
সাফারী পার্ক আসার পথেই ঘুরে আসা যাবে।
অপরিপূর্ণ হয়ে গেলো বোধহয়। দুঃখিত।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৯৯৯২৯(১২)    
লেখকের মন্তব্য

ডুলাহাজারা যোগ করে দিলাম।
ভালো থাকবেন।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২০০০১৪(১৩)    

অনেক অনেক ধন্যবাদ।
পোস্ট অপূর্ণ হওয়ার কোন কারনই নেই। এই পোস্ট সবসময়ই কারো না কারো কাজে লাগবে।
রামু নিয়ে বিস্তারিত উইকিতে আছে।
ভাল থাকবেন, শুভকামনা সতত।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২০০২১০(১৪)    
লেখকের মন্তব্য

ধন্যবাদ ভাইয়া।
এতক্ষণে মনে পরলো, জায়গাটার নাম রামকোট। থাক, আর যোগ করবোনা।
ভালো থাকবেন।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৯৯৮৭৯(১৫)    

আমার এখনো যাওয়া হয়নাই। আফসুস।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৯৯৯১৫(১৬)    
লেখকের মন্তব্য

সময় এখন। হাতে সময় থাকলে একবার ঢুঁ মেরে আসুন না।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৯৯৯১৭(১৭)    
লেখকের মন্তব্য

ডুলাহাজারা যোগ করে দিলাম।
ভালো থাকবেন।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৯৯৮৮৯(১৮)    

অনেক ঘুরেছি বৌদ্ধমন্দির, টেকনাফ, শিকলবাহ, মহেসখালির বাঁকে বাঁকে.........
মনে পরে গেলো

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৯৯৯৩০(১৯)    
লেখকের মন্তব্য

আপনাকে পুরনো কিছু স্মৃতি মনে করিয়ে দিতে পেরে ভালো লাগছে।
ভালো থাকবেন আপু।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৯৯৯১১(২০)    

চমৎকার পোস্ট।এই শীতেই যাওয়ার প্ল্যান ছিল।হলনা।কোন এক শীতে নিশ্চয়ই হবে।তখন কাজে লাগবে।
ধন্যবাদ ভাইয়া :)
পোস্ট প্রিয়তে নিলাম D

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৯৯৯৩৩(২১)    
লেখকের মন্তব্য

অতিথির জন্য সবসময় দ্বার খোলা।
ধন্যবাদ। ভালো থাকবেন।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৯৯৯৩৫(২২)    

অনেক জায়গায় ঘুরেছি, তবু কেন যেন কক্সবাজারঅই এখনো যাওয়া হয়নি।পোস্টটা পড়ে যাওয়ার আকাঙ্খা আরো বেড়ে গেল

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৯৯৯৪২(২৩)    
লেখকের মন্তব্য

যাওয়ার আকাংখা থাকতেই ঘুরে আসুন না।
চলার পথে শুভকামনা।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৯৯৯৭৩(২৪)    

অফ সিজনেই যাওয়া ভালো। দু বছর আগে ফেব্রুয়ারীতে গিয়ে মানুষের ভীড়ে সেন্টমার্টিন দেখবো কি? জান নিয়ে ফিরতে পেরেছি সেটাই ভাগ্যি। তবে ইনানী বিচে আর্মির রিসোর্টে খুব নিরিবিলি থাকা ও বিচে সাগর-স্নান করতে পেরেছি।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৯৯৯৭৪(২৫)    
লেখকের মন্তব্য

কয় কি হালায়! / হাসতে হাসতে শ্যাষ হৈয়া গেলাম কয় কি হালায়! / হাসতে হাসতে শ্যাষ হৈয়া গেলাম
ভালো থাকবেন আপু।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২০০১১৯(২৬)    

যারা কক্সবাজার বেড়াতে যাবেন তাদের জন্য পোস্ট টা কাজে লাগবে ।

পিলাচ পিলাচ

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২০০২০৪(২৭)    
লেখকের মন্তব্য

ধন্যবাদ।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২০০১৮৮(২৮)    

ভাইয়া, এখন মনে হয় অ্যাঞ্জেল ড্রপ, ট্রপিকানা আর নেই। ওদিকের গুলো সব ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২০০২০৮(২৯)    
লেখকের মন্তব্য

আসলে বাড়ি গেলেও বীচে যাওয়া হয় খুব কম। ব্যপারটা এইমাত্র বন্ধুর কাছ থেকে জেনে নিলাম।
ধন্যবাদ।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২০০২৩৮(৩০)    

আমার বুলেট ক্সকবাজার যেতে আমাকে জ্বালিয়ে দিচ্ছে।
ভাল তথ্য পেলাম। এবার ঘুরে আসব।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২০০২৫৯(৩১)    
লেখকের মন্তব্য

যাত্রা শুভ হোক।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২০১৩৬৭(৩২)    

জামি ভাই, নতুন পোস্ট চাই! ;)
---

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২০১৪০০(৩৩)    
লেখকের মন্তব্য

নয়ন ভাই, এতো ভালোবাসা কই রাখি।
এই ভালোবাসার জন্যতো দেখি দেরীও করা সম্ভব নয়।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২০১৪০৩(৩৪)    

ভালবাসা দিসি,
আবার কই রাখবেন, সেইটাও বলে দিতে হবে?

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২০১৪১৩(৩৫)    
লেখকের মন্তব্য

ভাই ভালোবাসা দিছেন, কিন্তু রাখার কিছুই তো দেন নাই। D

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২০১৪১৬(৩৬)    

ওরে খোদারে,,,,
আচ্ছা, নেক্সট টাইম দিয়া দিমু।
(মা কেমন আছে?)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২০১৪২৪(৩৭)    
লেখকের মন্তব্য

D D
মা আল্লাহর রহমতে ভালো। শীতে কিছুটা জবুথবু।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২০১৪৩১(৩৮)    

আলহামদুলিল্লাহ।
---
জেনে ভাল লাগল।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২০১৪৩৭(৩৯)    
লেখকের মন্তব্য

নয়ন ভাই আপনার মা-বাবা কি ভালো আছেন?
(কি লজ্জা, কখনো জানতে চাইলাম না) শরমিত

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২০১৪৮১(৪০)    

বলতে ইচ্ছে করছে না। পোস্টটা পড়বেন সময় করে।

http://www.choturmatrik.com/blogs/%E0%A6%A8%E0%A7%9F%E0%A6%A8/%E0%A6%AE%E0%A6%BE-%E0%A6%A4%E0%A7%8B-%E0%A6%AE%E0%A6%BE-%E0%A6%87

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২০১৪৩৯(৪১)    

তথ্যবহুল, যারা নতুন যাবেন তাদের কাজে আসবে খুব।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২০১৪৪৩(৪২)    
লেখকের মন্তব্য

ধন্যবাদ আপনাকে।
চলতে পথে শুভকামনা।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২০১৪৪৪(৪৩)    

আপু, আপনাকে অনেক অনেক দিন পর দেখছি!
আপনার পোস্টে গিয়ে খোঁজ নিয়ে এসেছিলাম!
কেমন আছেন?

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২০১৪৪২(৪৪)    

ঘুরাঘুরির জন্য মৌসুমটা ভালো। তবে কক্সবাজার আর না।
পোষ্ট টা উপকারী, ধন্যবাদ।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২০১৪৫১(৪৫)    
লেখকের মন্তব্য

কেন ভাই, কক্সবাজার আর না কেন?
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। ভালো থাকুন।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২১২৭৭৮(৪৬)    

বাহ ট্র্যাভেল গাইড ও আছে দেখছি।

সব কিছুই পারো ।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২১২৭৮৮(৪৭)    
লেখকের মন্তব্য

জি আপু, চেষ্টা করি সবকিছুই করার। কোন্টাই ভালো মতো পারিনা। তবে সবগুলো একটু আধটু পারি। D

 

মন্তব্য করুন

এই তথ্যটি সর্বদাই গোপন রাখা হবে এবং কোন অবস্থাতেই তা জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।
ছবি যাচাই
আপাতত: শুধু মানুষদের জন্যই আমাদের দুয়ার খোলা। পরে নাহয় রবোট, বায়োবট বা এন্ড্রয়েডদের কথা বিবেচনা করা যাবে।
13 + 3 =
এই গাণিতিক সমস্যাটি সমাধান করুন এবং সঠিক উত্তরটি উপরের ঘরে লিখুন। যেমনঃ ১+৩ এর জন্য লিখুন ৪।